উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সুদান: বিক্ষোভকারীরা জার্মান দূতাবাস পোড়ানোর পর ইউটিউব নিষিদ্ধ

খার্তুমে ক্ষুদ্ধ সুদানী বিক্ষোভকারীরা ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখ শুক্রবার নবী মোহাম্মদকে অপমান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরী একটি চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ আক্রমণ করে জার্মান দূতাবাস এবং আমেরিকান দূতাবাস।

‘মুসলিম ইনোসেন্স’ নামের কম বাজেটের একটি চলচ্চিত্রের ১৪ মিনিটের ট্রেইলারের ইউটিউব ভিডিও সারা বিশ্বের মুসলমানদের ক্ষোভ উস্কে দিয়েছে। লিবিয়া বেন গাজীতে একটি উত্তেজিত জনতা মার্কিন কনস্যুলেট আক্রমণ করে সেখানকার আমেরিকার রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের তিনজন কর্মীকে হত্যা করেছে

ভিডিও ভাগাভগির সাইট ইউটিউব আপত্তিকর ভিডিওটি নামিয়ে ফেলতে অস্বীকার করার পরে কর্তৃপক্ষ এখন সেটা অবরুদ্ধ করে রাখার পর থেকে সুদানের ইন্টারনেটে প্রতিক্রিয়াগুলো চুইয়ে চুইয়ে আসতে শুরু করেছে।

New Khartoon: Khalid Albaih shares this cartoon on censorship in Sudan on his Facebook page (17/09/12).

নতুন খার্তুন: খালিদ আলবাইহ তার ফেসবুক পৃষ্ঠায় সুদানের সেন্সরশীপের উপর কার্টুনটি ভাগাভাগি করেছেন (১৭/০৯/১২)।

সুদানের ব্লগার উসামাহ মোহাম্মেদ ১৬ই সেপ্টেম্বর তারিখে টুইট করেছেন:

@সিমসিমত: অনেক সুদানী টুইপের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে @ইউটিউব অবরুদ্ধ করা হয়েছে #সুদান

এবং খালিদ আলবাইহ ব্যাখ্যা করেছেন:

@খালিদআলবাইহ: এরকম কথা শোনা যাচ্ছে যে দাঙ্গা শুরু করা ভিডিওটি নামিয়ে নিতে অস্বীকার করা পর #সুদান @ইউটিউব অবরোধ করেছে

খার্তুমে কেন জার্মান দূতাবাস আক্রান্ত হলো নেটাগরিকরা টুইটারে সেই উত্তর খুঁজছে।

সুইজারল্যান্ডে বসবাসকারী মিশরীয় আলিয়া গাদ মতামত ব্যক্ত করেছেন [আরবী ভাষায়]:

مصري في أمريكا يعمل فيلم مش حلو فيحرقوا السفارة الألمانية في السودان. دا سببه الرئيسي أنكم بتضربوا العيال على مؤخرة الرأس كتير. مش باهزر.

@আলিয়াগাদ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন মিশরীয় একটি মন্দ চলচ্চিত্র তৈরী করেছে তাই তারা সুদানের জার্মান দূতাবাস পুড়িয়ে দিয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয় যে তারা তাদের শিশুদের মাথায় অনেক আঘাত করে। আমি মজা করছি না।

ইউটিউবে ইয়াস ৯৯৬৬ এই ভিডিওটি ভাগাভাগি করেছেন যেখানে সুদানীদের বিক্ষোভ এবং বিভিন্ন দূতাবাস আক্রমণ করতে দেখা যাচ্ছে:

গুগল চাচা বলেছেন আমেরিকান দূতাবাস দূরে ছিল বলে সুদানীরা জার্মান দূতাবাস পুড়িয়ে দিয়েছে। তিনি টুইট করেছেন [আরবী ভাষায়]:

المُبرر الوحيد لحرق “السودانيين” للسفارة الألمانية.. أن السفارة الأميريكية بعيده شوي! ‎:)‏

@গুগলচাচা: সুদানীদের জার্মান দূতাবাস পুড়িয়ে দেয়ার একমাত্র অজুহাত হলো কিছুটা দূরে মার্কিন দূতাবাসের অবস্থান

এবং ওমর আলহাদি ব্যাখ্যা করেছেন [আরবী ভাষায়]:

السودانيين طلعوا مكسلين يروحوا السفارة الأمريكية فعلا، بس بعد ما حرقوا الألمانية وسخنت معاهم، جابوا أتوبيسات وطالعين على الأمريكية

@আসাদএক্স: সুদানীরা আসলেই মার্কিন দূতাবাসে যেতে খুব আলসেমো করেছিল। কিন্তু জার্মান দূতাবাস পুড়িয়ে দেয়ার পর (সব)কিছু উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা ট্যাক্সিতে চড়ে আমেরিকান দূতাবাসে যেতে শুরু করে

সৌদি বাসাম আল দাখিয়েল আরেকরকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন [আরবী ভাষায়]:

سبب مايحدث في ‎‫#الخرطوم‬‏ : أن الحكومة السودانية مشددة أمنها على السفارة الأمريكية لذلك المتظاهرين حرقوا السفارة الألمانية واقتحموا البريطانية!

@বাসাম_১৩: খার্তুমে যা যা ঘটছে তার কারণ হলো: সুদানী সরকার মার্কিন দূতাবাসের চারপাশে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেয়ার ফলে বিকল্প হিসেবে বিক্ষোভকারীরা জার্মান দূতাবাস পুড়িয়ে দেয় এবং ব্রিটিশ দূতাবাসে জোর করে ঢুকে পড়ে।

তবে সুদানী মানসুর এলতায়েব মন্তব্য করেছেন [আরবী ভাষায়]:

حزب البشير اراد إيصال رسالة للمجتمع الغربي من خلال ‎‫#حرق_السفارة_اﻷلمانية‬‏ أنه في حالة سقوط نظام البشير سيواجهون نظام اسلامي متشدد . لكنه أخفق

@মানসুরএলতায়েব: আল বাশিরের পার্টি জার্মান দূতাবাস পোড়ানোর মাধ্যমে পশ্চিমের কাছে একটি বার্তা পাঠাতে চেয়েছে যে আল বাশিরের শাসনের পতন হলে তাদের একটি কট্টর ইসলামী শাসনের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু সেটা ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনি লেখক ইয়াসের আল জাত্রেহ বলছেন [আরবী ভাষায়]:

ما علاقة السفارة الألمانية بالقضية. السودانيون ذهبوا للعنوان الخطأ، مع أننا نعارض استهداف السفارات وموظفيها.


@ওয়াইজাত্রেহ: ঘটনার সঙ্গে জার্মান দূতাবাসের সংযোগ কোথায়। মনে হচ্ছে সুদানীরা ভুল ঠিকানায় গিয়েছে, যদিও আমরা দূতাবাস এবং তাদের কর্মীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার বিরুদ্ধে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .