<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Fri, 06 Nov 2009 15:02:10 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>জর্জিয়া: অর্থডক্স কেলেঙ্কারি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 14:54:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জর্জিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7379</guid>
		<description><![CDATA[দক্ষিণ ককেশাসের ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোতে অর্থডক্স চার্চ প্রধানরা বা গোঁড়া যাজকতন্ত্র এমনকি জন্মহার বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ প্রদান করতে পারে। এখানে যাজকতন্ত্রের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ এক বিষয়। তাদের পরিহাস করা এমনকি সমালোচনার চেযে খারাপ এবং বিপজ্জনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অননিক ক্রিকরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/georgia-orthodox-scandal/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>দক্ষিণ ককেশাসের ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোতে অর্থডক্স চার্চের পুরোহিতরা বা গোঁড়া যাজকতন্ত্র এমনকি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/30/georgia-holy-baby-boom/">জন্মহার বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ প্রদান করতে</a> পারে। এখানে যাজকতন্ত্রের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ এক বিষয়। তাদের পরিহাস করা এমনকি সমালোচনার চেযে খারাপ ও বিপজ্জনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেমনটা <em>দিস ইজ তিবলিসি কলিং</em> জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>জর্জিয়ার পুলিশ বলছে, যারা দেশটির অর্থডক্স চার্চের প্রধানকে ইঙ্গিত করে “অশ্লীল ও অপমানকর” ব্যাঙ্গাত্বক ভিডিও তৈরি করেছিল তাদের চিহ্নিত করা গেছে। এই ঘটনা ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন  দেশে এক কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র অপরাধীদের শনাক্ত করেছেন। তিনি জানাচ্ছেন, অপরাধীরা স্কুল  ছাত্র।[&#8230;]</p></blockquote>
<p><em>এভুলুটসিযা</em> বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বিষয়টি যাচাই করে দেখছেন, যা কিনা দেশটির চার্চের ক্ষমতা ও বাক স্বাধীনতার সাথে যুক্ত। নতুন চালু করা ইংরেজী ভাষায় প্রকাশিত সংবাদ ব্লগের মন্তব্যের পাতায় ইনজে স্নিপ <a href="http://networkedblogs.com/p16567796">সতর্ক ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন</a>।</p>
<blockquote><p>বাক স্বাধীনতা এখানে অন্যতম এক মৌলিক অধিকারের বিষয়, আমি বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। বাক স্বাধীনতা জানায়, যে কোন বিষয় হউক না কেন-একটি দেশের সকল নাগরিকের নিজস্ব মতামত প্রদানের অধিকার রয়েছে, যা সকলেই শোনার অধিকার রাখে। এছাড়া বলা যায় সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিহাস করার অধিকার প্রদান করে। এবং তা করতে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সমাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।</p>
<p>[&#8230;]</p>
<p>উপসংহারে বলা যায় এই বিষয়ে তদন্ত করার কোন ভিত্তি নেই, এবং তার কোন প্রয়োজন ছিল না;  তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ঠিক তার বিপরীত কাজটাই করেছে, কারণ জনতার দাবি তাই ছিল।  আইনের ছাত্র হিসেবে বলতে পারি, এটা অদ্ভুত এক বিচার বিভাগীয় তদন্ত, যা আমি এর আগে কখনো শুনিনি।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>থাইল্যান্ড: ব্যাংককের এক কারাগারের অভ্যন্তরে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 14:06:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7373</guid>
		<description><![CDATA[ গ্যারি গ্রায়াম জোনস ব্যাংককের ব্যাং কাওয়াং কারগারের একজন বন্দি। এটি পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রচণ্ড সুরক্ষিত কারাগার। সমর্থকরা গ্যারির লেখা চিঠি ও বিভিন্ন তথ্য তার নামে তৈরি করা এক ব্লগে প্রকাশ করে থাকে। এই ব্লগ জনগণকে জানাচ্ছে যে বিখ্যাত এই কারাগারে বন্দিরা কি অবস্থায় রয়েছে।    
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/inside-a-bangkok-prison/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><blockquote><p><a href="http://garygraemejones.blogspot.com/">গ্যারি গ্রায়াম জোনস</a> থাইল্যান্ডের ব্যাং কাওয়ান নামক কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই কারাগারকে ব্যাংকক হিলটন নামে ডাকা হয়। অনেক মানুষ এই কারাগারের নাম শুনেছে, কিন্তু তারা জানে না এই নামটি অনেকের কাছে রাতের এক দু:স্বপ্ন তৈরি করে।</p></blockquote>
<p>গ্যারির সমর্থকরা একটা ব্লগ তৈরি করেছে, যেখানে গ্যারির কাছ থেকে পাওয়া চিঠি ও অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করা হবে। <a href="http://www.bangkwang.net/">ব্যাং কাওয়াং কারাগার</a> পুরুষদের জন্য নির্মিত এক কেন্দ্রীয় কারাগার, যেটি প্রচণ্ডভাবে সুরক্ষিত। এই কারাগারের অনেক বাসিন্দা বিদেশী। তারা অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2008/12/introduction.html">এখন প্রশ্ন হচ্ছে, গ্যারি কে</a>?  </p>
<blockquote><p>গ্যারি একজন বৃটিশ নাগরিক। সে এক থাই রমণীকে বিয়ে করেছে এবং চারটি সন্তান দত্তক নিয়েছে। তার জন্ম ১৯৫০ সালে। ২.৪ কিলোগ্রাম হিরোইন পাচারের দায়ে তার আজীবন কারাবাস হয়েছে। ওয়েবসাইট তার সম্বন্ধে এইসব তথ্য জানাচ্ছে। আমরা জানতে পেরেছি জেলখানায় বন্দিদের সাথে আচরণে গ্যারি একজন ষ্পষ্টভাষী মানুষ, সে বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এবং সরাসরি সবার সাথে কথা বলে। গ্যারি কেবল থাইল্যান্ডের জেলে এই রকম আচরণ করে না, পৃথিবীর সব জায়গায় সে এ রকম ষ্পষ্টভাষী। আমরা যখন এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব, তখন আমরা গ্যারির দেওয়া বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করব, যা সে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে; সেখানে তার সাথে থাকা বন্দিদের সম্বন্ধে বর্ণনা ও সম্ভব হলে ছবি দেওয়ার চেষ্টা করব এবং  ধীরে ধীরে আমরা গ্যারি ও তাঁর জীবনের যে চিত্র পাব সেগুলোর বর্ণনা করব।</p></blockquote>
<p>গ্যারির প্রিজন ব্লগে নিয়মিত লেখা থাকে না। বিভিন্ন সময় সেখানে লেখা জমা রাখা হয়। তবে ধীরে ধীরে এটা ব্যাং কাওয়াং জেলখানার ভেতরে কি ঘটে সে সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে। মূলধারার প্রচার মাধ্যম, সমাজের বিভিন্ন অংশ এবং জনতার মনোযোগ আকষর্ণের জন্য ব্লগের এই সমস্ত লেখা সাহায্য করবে, যার ফলে সেখানে থাকা বন্দিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে। </p>
<p>কয়েকমাস আগে এএইচ১এন১ (সোয়াইন ফ্লুর আরেক নাম) সংক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পরার সময় গ্যারি সাংবাদিকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে জানায় যে জেলে মৃদু <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2009/08/h1n1-in-bang-kwang-prison.html">এএইচ১এন১</a> ছড়িয়ে পড়েছে। </p>
<blockquote><p> সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে যে জেলখানার ভেতরে এইচ১এন১ (সোয়াইন ফ্লু) ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা কিছু বন্দির মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। ১৩ জুলাই ২০০৯-এ, জেলখানার দুই বন্দি এই রোগে মারা যায়। একই সাথে এক কারারক্ষী এই রোগ মৃত্যু বরণ করে এবং আক্রান্ত দ্বিতীয় কারারক্ষীকে প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (আশা করি এতদিনে সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছে)। </p>
<p>এক সংবাদ আমার কাছে এসে পৌঁছেছে, থাইল্যান্ডের কারেকশন বা সংশোধন বিভাগ এক নির্দেশ জারী করেছে যে জেলের সকল কর্মী ও বন্দিদের মুখে মাস্ক বা মুখোশ পড়তে হবে (বিদেশী বন্দিদের এই মুখোশের জন্য ১০০ বাথ [থাইল্যান্ডের মুদ্রা] দিতে হবে)।</p></blockquote>
<p>এই প্রবন্ধটি অনেক ওয়েবসাইটে পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি মূল ধারার সাংবাদিকরা এই বিষয়টি নিয়ে লিখেছে। গ্যারি বলছেন, এই বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেছে জেলখানার বন্দিদের <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2009/08/h1n1-in-bang-kwang-prison-part-3.html">স্বাস্থ্যগত খাতে</a> কিছু উন্নয়ন ঘটাতে, যা তাদের মধ্যে এএইচ১এন১ বিস্তার রোধে কাজ করেছে।   </p>
<p>গ্যারি গত মাসে ব্যাং কাওয়াং-এ বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান নিয়ে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে সে বিষয়ে লেখেন। তিনি কারা কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির ঘটনাও উন্মোচন করেছেন। </p>
<blockquote><p>এখন বন্দিদের জানানো হয়েছে যে, তারা যে কোন সময় ইহধাম ত্যাগ করতে পারে। “জীবন বীমার” টাকা ভবনের প্রধান বুনলম কনউইচেট কাছে প্রদান করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ২৪ জনের নামের তালিকা এখানে রয়েছে। এখানে ঘুষ দিতে কয়েদিরা বাধ্য, কারণ যদি তারা ঘুষ না দেয়, তা হলে বিষাক্ত ইঞ্জিকেশন দেবার তালিকায় ব্যক্তির নাম চলে আসে।</p></blockquote>
<p>মানবাধিকার কর্মী ও <a href="http://thaipoliticalprisoners.wordpress.com/2009/10/10/new-executions-in-thailand/">ব্লগাররা</a> এই <a href="http://facthai.wordpress.com/2009/10/12/killing-thai-prisoners-gary-graeme-jones/">বিষয়ের</a> উপর মনোযোগ প্রদান করেছে। তারা এখন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনার উপর সরকারি তদন্ত দাবি করেছে।</p>
<p>গ্যারির ব্লগ কেবল ব্যাং কাওয়াং এর বন্দিদের জীবনের উপর আলোকপাত করেনি, সেটি প্রমাণ করেছে ব্লগ বন্দিদের নীতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কাজে আসে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: সমুদ্রে তীরের গল্প</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 12:04:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7356</guid>
		<description><![CDATA[ছোট্ট ভূমধ্যসাগরীয় শহর টার্তুসের এক ইংরেজী সাহিত্যের প্রফেসর আর মাতৃভূমিতে ভ্রমণরত একজন সিরিয়-কানাডিয় লেখক সি ব্রিজ নামে একটা ক্যাফেতে কিছু সময় দৃষ্টি বিনিময় করেছিলেন। এভাবেই <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/">মারিয়া</a> আর <a href="http://www.abufares.net/">আবু ফারেজ</a> তাদের (অনলাইনে প্রকাশিত) উপন্যাসের রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু করেন, আর তা পাঠকদের জন্যে দেয় এক নতুন আসক্তি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/yazan-badran/">ইয়াজান বাদ্রান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/01/syria-sea-side-story/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ছোট্ট ভূমধ্যসাগরীয় শহর টার্তুসের এক ইংরেজী সাহিত্যের প্রফেসর আর মাতৃভূমিতে ভ্রমণরত একজন সিরিয়-কানাডিয় লেখক সি ব্রিজ নামে একটা ক্যাফেতে কিছু সময় দৃষ্টি বিনিময় করেছিলেন। এভাবেই <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/">মারিয়া</a> আর <a href="http://www.abufares.net/">আবু ফারেজ</a> তাদের (অনলাইনে প্রকাশিত) উপন্যাসের রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু করেন, আর তা পাঠকদের জন্যে দেয় এক নতুন আসক্তি।</p>
<blockquote><p>পেটের মধ্যে মুদৃ গর্জন আমার দিবাস্বপ্ন ভেঙ্গে দিল এবং চমকে উঠে দেখলাম মশলা মাখা সামুদ্রিক খাবারের গন্ধ আমার দিকে আকর্ষণীয়ভাবে তেড়ে আসছে। আমার মনে হয়েছিল যে আমি অনেক দিন খাই নি। জানালা দিয়ে দেখলাম পরিবেশিকাকে, মনে হয় রান্নাঘরের দরজার কাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। সে একটা বই পড়তে মগ্ন ছিল কিন্তু আমার চোখ তার উপরে পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যেন ষষ্ঠ কোন ইন্দ্রিয় দিয়ে টের পেয়ে সে আমার দিকে ফিরল। সবজান্তার মতো হেসে সে আমার টেবিলের কাছে আসল।</p>
<p>“ক্ষুধার্ত?”</p>
<p>“অবশ্যই, হ্যাঁ! তোমার কাছে কোন খাবার তালিকা (মেন্যু) আছে?”</p>
<p>“এখানে নেই। কিন্তু আমি তোমাকে বলতে পারবো আজকে টাটকা কি তৈরি হচ্ছে।“</p>
<p>“দারুন।“ আমি ভাবলাম নিজে নিজে আর হেসে তার দিকে তাকালাম, তার দেয়া খাবারের বর্ণনা শোনার জন্য।</p></blockquote>
<p>গল্প এমন সহজভাবে শুরু হয়েছে। এই দুই লেখক, যারা প্রতি সপ্তাহের পালাক্রমে লিখছেন, <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/07/24/collaboration/">এখান থেকে শুরু করেছেন</a>। আমরা অধ্যাপক ইউসুফের ভূতপূর্ব ছাত্রী ইয়াসমিনার ব্যাপারে জানতে পারি যে সি ব্রিজ ক্যাফের পরিবেশিকা হিসেবে কাজ করছিল আর রাঁধুনি ইয়াজান সম্পর্কে। এরা সবাই টার্তুসের অপূর্ব সমুদ্র তীরের আবহাওয়াতে আর আবু ফারেস ও মারিয়ার অপূর্ব লেখায় উজ্জ্বলভাবে ধরা দিয়েছে।</p>
<blockquote><p>ইয়াসমিনা যখন নিজের পরিচয় দিচ্ছিল আমার চোখ তখন চলে যায় আর এক মহিলার দিকে। নরম হাতে সে গরম একটা ছোট মাছ লেজের দিক থেকে ধরে, সেটাকে সসের মধ্যে ডুবিয়ে, ঠোঁটের কাছে এনে ফু দিয়ে ঠাণ্ডা করল, আর তার পরে পুরোটুকু গিলে ফেলল। মাথা, কাঁটা আর লেজসহ - আসল ভোজন রসিকের মতো। এর পর চোখ বন্ধ করে সে নিজের সুখের সাগরে ভেসে ছিল। তারপরে&#8230; তারপরে তার অন্য হাত দিয়ে, সে তার মুখের সামনে আলগা হওয়া এক গুচ্ছ চুল টেনে দিল আর কানের পিছনে সেটাকে গুঁজে দিল। সে যেভাবে তার চুল টানল তাতেই আমি কুপোকাত।</p></blockquote>
<p>আমরা এখন <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/10/30/sea-side-part-16/">১৬তম পরিচ্ছদ পড়ছি</a>। আপনারা কিন্তু প্রথম থেকে <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/07/19/sea-side/">পড়তে ভুলবেন না</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান: হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 07:06:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফার্সী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7361</guid>
		<description><![CDATA[বিতর্কিত ব্লগার হোসেইন দেরাকশানকে গ্রেফতার করার পর এক বছর পার হয়ে গেছে। তার স্বদেশীরা তার সম্বন্ধে এক প্রচারণা শুরু করেছে যাতে, সে যে বিনা বিচারে বন্দি রয়েছে সেটা সবাই জানতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hamid-tehrani/">হামিদ তেহরানি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/iran-free-hossein-derakhshan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/hoder.jpg" alt="hoder" title="hoder" width="120" height="120" class="alignleft size-full wp-image-7362" /><br />
গত পহেলা নভেম্বর ২০০৯ ছিল ইরানের ব্লগার হোসেইন “হোদার” দেরাকশানের গ্রেফতার হবার প্রথম বার্ষিকী।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ব্লগার ও সাংবাদিক <em>সাইরাস ফারিভার</em> <a href="http://cyrusfarivar.com/blog/?p=2703">জানাচ্ছেন</a> তার সাথে দেরাকশানের ভাই হামেদের যোগাযোগ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>জেলার নতুন এটর্নি জেনারেল (সরকারি আইনজীবী) এর সাথে হোসেইনের বাবা-মা দেখা করেছেন। এটর্নি  জেনারেল ২৯শে অক্টোবর এভিন জেলে হোসেইন দেরাকশানের সাথে তার বাবা-মার দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুমতি দেন। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হোসেইনকে এভিন নামক কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে পরিবারটি নিশ্চিত নয় যে, পরবর্তীতে হোসেইনের সাথে তাদের দেখা করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।</p></blockquote>
<p>ইরানের ব্লগার <em>জুইয়া</em> <a href="http://joooya.blogspot.com/2009/11/blog-post_295.html">লিখেছেন</a>, দেরাকশান বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কারগারের ৩২৫ নম্বার বিভাগে অবস্থান করছে। জুইয়া এর সাথে যোগ করেন, মানবাধিকার কর্মীদের মতে তাকে একটি নির্জন কক্ষে এক বছর ধরে রাখা হয়েছে। </p>
<p>ইরানের একদল ব্লগার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা এক সপ্তাহ ধরে তাদের ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকাশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি রাখবে। <em>ফানুস আজাদ</em> <a href="http://freelantern.com/p/?p=1116">বলছেন</a> [ফার্সী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>আমিও আমার ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি যুক্ত করে দিয়েছি।</p></blockquote>
<p>তিনি আরও বলেন:</p>
<blockquote><p>&#8230; যখন হোসেইন তার ব্লগে অন্যদের প্রতি অভিযোগ করা শুরু করে, তখন থেকে আমি তার ব্লগ পাঠ করা ছেড়ে দিই। কিন্তু এখন সে কে, এটা চিন্তা না করেই তার অধিকার রক্ষার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি&#8230;. অন্য মানুষের মত হোসেইনেরও মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।</p></blockquote>
<p><em>পারসানেভেশত</em> ব্লগারদের যৌথভাবে কাজ করার জন্য <a href="http://parsanevesht.blogspot.com/2009/10/blog-post_24.html">বলছেন</a>, যাতে হোসেইনকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রভাব পড়ে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীনের তৈরি কৃত্রিম তুষারপাত</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 06:13:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7352</guid>
		<description><![CDATA[গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে নিউজ মিডিয়া জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/michael-kan/">মাইকেল কান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/china-made-in-china-snow/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম বছরে সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে <a href="http://blogs.wsj.com/chinarealtime/2009/11/02/beijing-snow-man-made-in-china/">নিউজ মিডিয়া </a> জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।</p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/china1.jpg" alt="china1" title="china1" width="300" height="225" class="alignnone size-full wp-image-7353" />   </p>
<p>কৃত্রিম ভাবে তুষারপাত ঘটানোর কারণ হচ্ছে বেইজিং-এ এখন খরা চলছে। যে রাতে তুষারপাত হয়, তার কিছুদিন আগে সরকার আকাশে সিলভার আয়োডাইড উৎক্ষেপণ করে। এর ফলে বেইজিং-এর আশেপাশের এলাকায় ১৬ মিলিয়ন টন তুষারপাত ঘটে। </p>
<p>ঝাং কুইয়াং আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমকে বলেন, “যখন বেইজিং লম্বা সময় ধরে খরায় ভুগছে, তখন এই সমস্যা দুর করার জন্য কৃত্রিম যে কোন পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ আমরা হারাতে চাই না”।   </p>
<p>খরার সময় কৃত্রিম ভাবে বৃষ্টি ঝরানোর ইতিহাস চীনের রয়েছে। এর বাইরে, <a href="http://www.chinadaily.com.cn/2009-08/25/content_8616879.htm">অন্য সময়ও</a> আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আকাশ পরিষ্কার রাখার জন্য আকাশে মেঘের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যাতে কম বৃষ্টিপাত ঘটে। এই সমস্ত ঘটনা কোন বিশেষ সময়, যেমন প্রতি বছর অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী অথবা বেইজিং অলিম্পিক গেমসের সময় ঘটানো হয়। আকাশ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।   </p>
<p>গত রবিবারে মনুষ্য সৃষ্টি এই তুষারপাতের ঘটনায় নেটিজেনরা ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রদান করেছে। অনেকে আনন্দের সাথে এই তুষারপাতের সৌন্দর্য্যের কথা তুলে ধরেছে, যেমন ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_4a4232520100fry2.html">鱼干儿 (ইউ গেয়ার</a>।</p>
<blockquote><p>北京的天气，总是这么让人匪夷所思。毫无预兆的就下了场雪，而且还一发不可收拾。听说是人工催下来的，管他呢，我们就爱这样的天气。</p></blockquote>
<div class="translation">বেইজিং-এর আবহাওয়া অবিশ্বাস্য রকমের চমৎকার দেখাচ্ছে। কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই তুষার ঘটতে শুরু করে। এটা এমন এক ধরনের তুষারপাত যা সহজে পরিষ্কার করা যায় না বা একে অপসারণ করা যায় না। আমি শুনেছি এই সমস্ত তুষার মানুষের সৃষ্টি, কিন্তু তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমরা এই ধরনের আবহাওয়া পছন্দ করি।</div>
<p>তবে অনেকে বেশ উদ্বিগ্ন, ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46012c640100hbo5.html">小米 (জিয়াও মি)</a> লিখেছে</p>
<blockquote><p>回来才听说这是场人工降雪，是谁这么主观的断定这是下雪的好时机呢？？到处都是措手不及的冷，电力、交通、供暖等都遇到很棘手的问题。</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমি শুনলাম এটা মানুষের কাজ, তখন আমার মনে হল কে সেই বান্দা, যার মনে হয়েছে বরফ পরার এটাই উপযুক্ত সময়? সব জায়গায় লোকজন ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ, যানজট এবং শরীর গরম করা নিয়ে বেশ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।</div>
<p><a href="http://bbs.aigou.com/bbs/post/view/552_85446559_1__1_30.html">ইন্টারনেট ফোরামে</a> একজন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছে যে সরকারের উচিত ছিল এ ব্যাপারে আগে থেকেই লোকদের সতর্ক করে দেওয়া। তিনি এর সাথে যোগ করেন, এই বরফপাতের কারণে কিছু বিমান নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করতে পারে নি।  </p>
<blockquote><p>要我说，这种人定胜天的精神是好的，虽然北 京人都“被冬天”了，如果真能解除北方旱情也算是功德一桩。就是没通知大家的气象局太不地道。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার দৃষ্টিতে মানুষ প্রকৃতিকে শাসন করতে পারছে, এমন শক্তি অর্জন করা ভালো, এমনকি যদিও এই কারণে বেইজিং-এর নাগরিকরা “শীতে” আক্রান্ত হয়েছে। তবে যদি তারা সত্যিকার অর্থে খরার কারণে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা হলে বরফ নামানোর উদ্দেশ্য সফল। কিন্তু আবহাওয়া অফিস মানুষদের না জানিয়ে যে কাজটি করেছে, সেটি ঠিক হয় নি।</div>
<p>ইন্টারনেটে পোস্ট করা কয়েকটি লেখায় এই চিন্তা ব্যক্ত করা হয়েছে যে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট তুষারপাত পরিবেশের উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলবে? <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_496fb25d0100fz70.html">天的云 (তিয়ান বিয়ান দে ইউন)</a> নামের ব্লগার বিস্মিত এ কারণে যে, কারো কি প্রাকৃতিক আবহাওয়াকে বদলে দেবার অধিকার রয়েছে। </p>
<blockquote><p>但是，在我们还不能完全掌握天气变化的规律时，就盲目改变局部的天气，是否会对 整个环境造成更大的不利影响呢？比如，这次因为北京缺水，就让原本要下到山东（假设而已）的雪在北京下了，会不会造成山东更缺水呢？</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমরা না জেনেই আবহাওয়াকে অন্ধ ভাবে পাল্টে দিই, সেটি কি পরিবেশের উপর এক বড় ধরনের ক্ষতি করে না? কৃত্রিম ভাবে এই বরফপাত ঘটানো হয়েছে, কারণ বেইজিং-এ খরা চলছিল। যদি বাস্তবে এই বরফ সানডং-নামক এলাকায় পড়ার কথা থাকে সেক্ষেত্রে সেখানে কি ঘটবে, (ধরা যাক এটা সানডং এ পড়ার কথা) সেক্ষেত্রে এই কৃত্রিম তুষারপাত কি বেইজিং-এর বদলে  সানডং-এ আরো বড় খরার সৃষ্টি করবে না?</div>
<p>বেইজিং এর একজন ব্লগার ও সাংবাদিক অ্যালেক্স পাস্টেরনাক <em>ট্রি হ্যাগার</em> নামক ব্লগে একটি <a href="http://www.treehugger.com/files/2009/11/beijing-government-made-snow-cloud-seeding.php">পোস্টে</a> বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন, মানুষের তৈরি এই বরফপাতের প্রভাব কি হতে পারে: </p>
<blockquote><p>সরকারি হিসেবে এই খরা অক্টোবরের শেষে ৮০০,০০০ হেক্টর জমির উপর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং এই তুষার ঝড় স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুসারে করা হয়েছে।  </p>
<p>কিন্তু এই অঞ্চলের সকল কৃষক এই ঘটনায় লাভবান হবে না। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে অন্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরণ পাল্টে যাওয়া। এক বিশেষ এলাকায় শক্তিশালী ঝড় তৈরির কারণে অন্য অঞ্চলের আবহাওয়া পাল্টে যেতে পারে, যাদেরও বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে।</p></blockquote>
<p>অন্য নেটিজেনরা বরফ নিয়ে মজা করেছে। <em>এলিজাবেথ কেইন</em> তার <a href="http://blog.seattlepi.com/redlantern/archives/183828.asp">ব্লগে </a>লিখেছে:</p>
<blockquote><p>গতকালের তুষারপাত, গত দশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে আগে বরফ পড়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমি নিশ্চিত যে আমার মা বেইজিং বিমান বন্দরে ৭ ঘন্টা ধরে বসে রয়েছে, কারণ সকল বিমান যাত্রা স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। তিনি অনিচ্ছাকৃত এই যাত্রাবিরতির কারণে সুখী হবেন।</p></blockquote>
<p>তুষারপাত সম্বন্ধে অন্য এক <a href="http://www.blogged.com/stories/law/beijing-snow-man-made-in-china">মন্তব্যে</a> এক তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>মার্টিন এম. নভেম্বর ২, ২০০৯, বিকেল ৩.৩০:  চীনে এখন সব কিছু তৈরি হয়, এমনকি বরফও।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বলিভিয়া: গলে যাওয়া হিমবাহের জন্য পানি সংকট</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 05:49:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বলিভিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7347</guid>
		<description><![CDATA[বলিভিয়ার আন্দেজ পর্বতমালায় হিমবাহ গলে যাওয়া বেশ চিন্তার উদ্রেক করেছে কারণ স্থানীয় অভিবাসী জনগোষ্ঠী সুপেয় পানির জন্যে এগুলোর উপর নির্ভর করে এবং ভবিষ্যৎে পানির সরবরাহ এখন হুমকির সম্মুখীন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/eduardo-avila/">এডুয়ার্ডো আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/bolivia-water-shortages-due-to-melting-glaciers/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chacaltaya">চাকাল্টায়া পর্বতশ্রেণীতে</a> বলিভিয়ার আন্দেজ পর্বতমালার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চূড়া আছে। এই পাহাড়ী দেশে যেহেতু এক সময় স্কি করার এটাই একমাত্র জায়গা ছিল, লা পাজ পৌরঅঞ্চলবাসী আর বিদেশীদের কাছেও এই পাহাড়গুলো বেশ পরিচিত। বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের অংশগ্রহণে এই পাহাড়ে চ্যারিটি ফুটবল খেলাও হয়েছে এটা দেখাতে যে এই খেলা উচুঁ জায়গাতেও খেলা যায়।</p>
<p>তবে চাকাল্টায়া হিমবাহ (গ্লেসিয়ার) দ্রুত আর চিন্তায় ফেলার মতো গতিতে গলে যাচ্ছে। এই হিমবাহ সহ এই এলাকার অন্যান্য গ্লেসিয়ার উপরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করেছেন হায়ার ইউনিভাসিটি অফ সান আন্দিয়াজের প্রফেসর <em>এডসন রামিরেজ</em>। তিনি বিশ্ব উষ্ণায়ন আর হিমবাহ গলে হয়ে যাওয়ার পিছনে <a href="http://revistavirtual.redesma.org/vol5/articulo6.php?id=c1">সরাসরি সম্পর্ক আছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন</a>।</p>
<p>রামিরেজ আর তার দল কাছে আর একটা হিমবাহ দেখছিলেন যেখানে একই ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে আর স্থানীয় জনগণের উপরে এর প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করছিলেন। <em>তুনি কন্দোরিরি</em> হিমবাহটি দ্রুত গলে যাচ্ছে, যা আলপাইন পর্বত প্রেমীদের হতাশ করেছে, কিন্তু একই সাথে অভিবাসী একটা গোত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যারা তাদের খাওয়ার পানি আর কৃষি কাজের জন্য এর উপরে নির্ভর করে।</p>
<p>হিমবাহ থেকে যে সংগ্রহশালাতে পানি জমে তা এল আল্টো শহর আর <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/americas/6496429.stm">এর বাইরের লা পাজের ৮০% খাওয়ার পানি সরবরাহ করে</a>। সাম্প্রতিক হিসাব অনুসারে, <a href="http://es.wikipedia.org/wiki/El_Alto">এল আল্টোর জনসংখ্যা ৮২৭,০০০ যা প্রতি বছর ৫.১% হারে বাড়ছে</a>। সাংবাদিক আর ব্লগার <a href="http://monioblitas.blogspot.com/2008/06/glaciar-nuestro-tesoro-se-derrite.html"><em>মোনিকা ওব্লিটাস</em> বলেছেন</a> যে জাতীয় গড়ের থেকে এই হার দ্বিগুণের বেশী। বিশেষজ্ঞরা পানির সংকট আর পানির মূল্য বৃদ্ধির ভবিষ্যৎবাণী করছেন, আর কিছু মানুষ ভবিষ্যৎবাণী করছেন যে <a href="http://observadorglobal.com/bolivia-un-futuro-sin-agua-informe-especial-n45.html">পানি শীঘ্র রেশন করা হবে</a>। <a href="http://observadorglobal.com/bolivia-un-futuro-sin-agua-informe-especial-n45.html">অবসার্ভেদর গ্লোবাল (গ্লোবাল অবজার্ভার)</a> এর এক দল এই এলাকায় ভবিষ্যৎে পানির ঘাটতির সম্ভাবনা নিয়ে ৬ অংশের একটা ভিডিও সিরিজ তৈরি করেছে।</p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/El_Alto">বলিভিয়ার এল আল্টো শহরে স্থায়ী হন</a> অভিবাসি আয়মারা গোত্রের লেকেরা, এদের অনেকেই প্রায় দরিদ্র পরিস্থিতিতে। <em>ইন্ডিজিনাস বলিভিয়া</em> ব্লগের ব্লগার <em>ক্রিস্টিনা কুইসবার্ট</em>  অনেক বাসিন্দা খাওয়ার পানি নিয়ে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা <a href="http://boliviaon.blogspot.com/2009/09/our-mountains-melt.html">বর্ণনা করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>অন্যান্য পরিস্থিতি পানি পাওয়াকে কঠিন করে দিচ্ছে। অনেক মানুষ গ্রাম থেকে এল আল্টো শহরে আসেন আর যেখানে পারেন থেকে যান। অর্থের অভাবে তারা এমন জায়গায় থাকে যেখানে না খাওয়ার পানি না পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা আছে। কেউ কেউ তিন মিটার গভীর পর্যন্ত গর্ত খোঁড়ে পানির জন্য। নভেম্বরের দিকে, বৃষ্টির সময় শুরু হয় আর তখন পড়শীরা পানি সংগ্রহ করেন। পরিশেষে পানির অভাব আর দারিদ্রের কারনে অনেক সময় অসুখ ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>এখানে বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতি আছে। আমার বাড়িতে পানি আছে কিন্তু আমার পড়শির বাড়িতে নেই। এটা ওই পরিবারগুলোর জন্য গুরুতর সমস্যা। আমার ক্ষেত্রে, অন্যান্য পরিবারের সাথে আমি পানি ভাগ করে নেই। বাসিলিও আর জুয়ানার চারটা বাচ্চা আছে। তারা ভাড়াটে। তারা যে বাড়িতে থাকে সেখানে খাওয়ার পানি নেই। যখনই তাদের লাগে তারা একটা পাইপ ব্যবহার করে আমার বাড়ি থেকে পানি সংগ্রহের জন্য আর মাস শেষে পানির বিল আমরা ভাগ করে নেই।</p></blockquote>
<p>তবে, তুনি কোন্দোরিরি হিমবাহ কেবলমাত্র শহরে খাবার পানি সরবরাহ করে না, বরং এল আল্টোতে কৃষিকাজের জন্য মূল্যবান পানিও সরবরাহ করে। যদি জীবন ধারণের নিমিত্ত কৃষিকাজ পানির অভাবে কমে যায়, অনেক গ্রাম্য লোক এল আল্টোতে কাজের সন্ধানে আসবে। সেখানে তারা একই ধরনের পানির সংকটে পড়বে, আর চাহিদা বাড়িয়ে দেবে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://www.flickr.com/photos/350org/3748609135/"><img alt="৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/chacaltaya.jpg" title="৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স থেকে ব্যবহৃত।" width="400" height="268" /></a><p class="wp-caption-text">৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত।</p></div>
<p>চাকাল্টায়া হিমবাহের উচ্চমানের ভাবমূর্তি স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তাদের আর অন্যান্য কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বলিভিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার দিকে। <a href="http://www.facebook.com/event.php?eid=173999981920&#038;ref=nf">সাম্প্রতিক স্থানীয় একটা অনুষ্ঠান যা ৩৫০.অর্গ প্রচারণার সাথে জড়িত তার বিজ্ঞাপন ফেসবুকে এসেছিল</a>, যেখানে বলিভিয়ানদের আমন্ত্রণ করা হয়েছিল চাকাল্টায়া গ্লেসিয়ারে গিয়ে নিজে এর প্রভাব দেখে আসতে।</p>
<p>পরিশেষে, <a href="http://monioblitas.blogspot.com/2008/06/glaciar-nuestro-tesoro-se-derrite.html">ওব্লিটাস নীচের প্রশ্ন দিয়ে শেষ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>চাকাল্টায়া আশেপাশে নেই আর শীঘ্র, অন্যান্য হিমবাহ আর থাকবে না। দেশ কি এইসব ক্ষতির জন প্রস্তুত? আমরা কি সতর্ক আছি বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর আর দ্রুত কোন পদক্ষেপের জন্য? অনেকের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না আর এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন না নিজেকে। কিন্তু সত্যি সত্যি সকলেই বিপদের সম্মুখীন আর সকলে একই পরিস্থিতিতে এর মুখোমুখি হবেন না। সংগ্রাম চলছে যদিও চাকাল্টায়ার মতো স্থানের জন্য অনেক দেরী হয়ে গেছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নেপাল: মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতে মন্ত্রীসভার মিটিং</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 04:40:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7349</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে যে হিমালয় পর্বতমালার উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতের বেজ ক্যাম্পে নেপালী মন্ত্রীসভার একটি মিটিং ডাকা হবে। ইউনাইটেড উই ব্লগ! ফর এ ডেমোক্রেটিক নেপাল এ নিয়ে দেশের ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/nepal-a-cabinet-meeting-at-mount-everest/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে যে হিমালয় পর্বতমালার উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতের বেজ ক্যাম্পে নেপালী মন্ত্রীসভার একটি মিটিং ডাকা হবে। <em>ইউনাইটেড উই ব্লগ! ফর এ ডেমোক্রেটিক নেপাল</em> এ নিয়ে দেশের<a href="http://blog.com.np/2009/11/02/nepal-will-do-on-everest-what-maldives-did-in-water/"> ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: আপনার স্ত্রী যখন অসুস্থ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2009 13:30:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7296</guid>
		<description><![CDATA[যখন জাপানের কর্পোরেট জীবনযাপন (শাচিকু) দেশটির বিবাহিত জীবনের সংস্কৃতি ও মুল্যবোধের সাথে এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে- তখন এই বিষয়ে ৩০০ জনের বেশি নাগরিক জাপানের অন্যতম বিশাল ফোরাম হাটসুজেন কোমাচিতে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে: "যখন স্ত্রী অসুস্থ তখন স্বামীর কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নেওয়া উচিত কি না?"]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tomomi-sasaki/">টোমমি সাসাকি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/29/japan-when-your-wife-is-sick/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যখন জাপানের কর্পোরেট জীবনযাপন (社蓄শাচিকু) দেশটির বিবাহিত জীবনের সংস্কৃতি ও মুল্যবোধের সাথে এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে- তখন জাপানের অন্যতম বিশাল ফোরাম <em>হাটসুজেন কোমাচিতে</em> এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে ৩০০ জনের বেশি নাগরিক: <a href="http://komachi.yomiuri.co.jp/t/2009/1010/267719.htm?o=0&#038;p=0">যখন স্ত্রী অসুস্থ, তখন স্বামীর কি তার কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নেওয়া উচিত</a>?</p>
<p><strong>পরিস্থিতি:</strong></p>
<p>রিনার বিয়ে হয়েছে ৮ বছর আগে এবং তার এক কন্যা রয়েছে যে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে গেছে এবং বিবাহিত জীবনের শুরুর একটি ঘটনা এখনো তার স্মৃতিতে ভেসে বেড়ায়। </p>
<p>যখন তার কন্যা একেবারে নবজাতক শিশু, তখন বাচ্চার সারারাত কান্নার কারণে রিনা রাত জাগতে বাধ্য হত। এর ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার প্রচণ্ড জ্বর আসে, এ কারণে সে তার নিজের এবং শিশুর যত্ন নিতে পারছিল না। কিন্তু তার স্বামী বিনা বেতনে অফিস থেকে ছুটি নিতে অস্বীকার করে এবং ভদ্রলোকের অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে আসার কোন লক্ষণ দেখা যায় নি।  রিনা প্রচণ্ড হতাশ হয়ে এ কারণে যে তার স্বামী এমনকি এই অবস্থায় তাকে কোন ফোন করেনি। পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে দুই মাস সময় লেগে যায় এবং সে ভুলে যায় নি এই রকম পরিস্থিতির পুরো সময় তার স্বামী তাকে কোনরকম সাহায্য করেনি। </p>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong></p>
<blockquote><p>ここういう状態の場合、会社を休めないまでもせめて定時で帰ってきてほしいというのはわがままでしょうか。</p>
<p>みなさんのご家庭はどうですか？妻が病気の時、夫は会社を休んで子供の世話をしてくれますか？また、会社で「妻が病気だから」と言って休んでいる人をどう思いますか？</p></blockquote>
<div class="translation">যদি সে ছুটি না নেয়, তাহলে এই রকম এক পরিস্থিতিতে স্বামীর ওভারটাইম (বাড়তি কাজ) বাদ দিতে বলে তাকে বাসায় হাজির হতে বলা কি আমার এক ধরনের স্বার্থপরতা?</p>
<p>একই ঘটনায় আপনার পরিবারের ক্ষেত্রে কি ঘটে? যখন স্ত্রী অসুস্থ হয় তখন কি স্বামী বাচ্চা ও স্ত্রীর যত্ন নেবার জন্য ছুটি নেয়? যখন তার স্ত্রী অসুস্থ তখন আপনাদের অফিসের কোন পুরুষ কি ছুটি নেয় ?</p></div>
<p><strong>উত্তর:</strong></p>
<p>কথাটি ঠিক, অনেক মা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনার কথা তুলে ধরেছে। মায়েরা বলছে যে সময় তারা অসুস্থ ছিল সে সময়ও তারা বিছানা থেকে উঠে নিজের এবং শিশুদের যত্ন নিতে বাধ্য হয়েছিল- এ ব্যাপারে স্বামী তাদের কোন সাহায্য করেনি -যদিও তারা এ ব্যাপারে স্বামীদের কাছে কোন সাহায্য চায় নি বা আশাও করেনি।   </p>
<p><em>ম্যারিড উইথ টু চিল্ড্রেন</em> (বিবাহিত এবং দুটি সন্তান) ব্লগ মন্তব্য করছে:</p>
<blockquote><p>インフルエンザで寝込んでいるときも、４０度の熱が三日間下がらない時も、一週間３８度から熱が下がらずいた時も夫に休んで欲しいと思ったことはありませんでした。夫の職種が営業だったので客先と約束があれば休めないのも仕方がないし、客先と急に約束が入ったら帰れないのも仕方がないので。会社に勤めてお給料を頂いている以上会社に損害を与えるような休暇をとれないのは当たり前。<br />
トピ主様のご主人の業種がわかりませんが当人の体調不良と家族の体調不良はまた別でしょう。夫の風邪を理由に仕事を休む妻というのもありえないと思いますがどう思いますか？</p></blockquote>
<div class="translation">এমনকি, যখন আমি ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে থাকি, অথবা যখন আমার দেহের তাপমাত্রা তিনদিন ধরে ৪০ ডিগ্রী উঠে থাকে, অথবা যখন আমি সপ্তাহ ধরে ৩৮ ডিগ্রীর জ্বরে পড়ে থাকি, তখনও আমার মনে হয় না আমার স্বামী ঘরে থাকবে। সে সময় সে বিপণনের কাজে ব্যস্ত থাকে, যাতে সে তার খদ্দেরদের সাথে দেখা করতে পারে এবং মাঝরাতে যদি কোন জরুরী প্রয়োজন হয় তখন কোন সাড়া পাওয়া যায় না।  </p>
<p>আমি নিশ্চিত, যে ব্যক্তি বেতন পায় সে তার অফিস থেকে ছুটি নেবে না কারণ এই ছুটি অফিসে তার সম্বন্ধে একটা খারাপ ধারণা তৈরি করবে। আমি জানি না অন্যদের স্বামীরা কি করে, তবে স্বামী রত্নটির অসুস্থ হওয়া এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের অসুস্থ হওয়া ভিন্ন বিষয়। আমি বিশ্বাস করি না যে এমন স্ত্রী রয়েছে, যারা চাইবে না তার অসুস্থতার সময় তার স্বামী বাসায় না থাকুক। আপনি কি মনে করেন?</p></div>
<p>মিরি বলছে, অবশ্যই সবাইকে তার স্বামীর সুনামের দিকটা বিবেচনায় রাখতে হবে:</p>
<blockquote><p>旦那さんのお仕事の形態にもよると思いますが、急なお休みは周りにとても迷惑をかける事となります。それに自分(妻）の管理が出来ていない事で夫の会社に迷惑をかけるなぞ夫の評価を下げる事と思って居ます。が病気(入院する様な病気以外）夫が会社休むは普通とは思えません。ヘルパーさん頼むとか考えます。</p></blockquote>
<div class="translation">এটা নির্ভর করে আপনার স্বামী কি ধরনের চাকুরী করে তার উপর। কিন্তু অফিস থেকে ছুটি নেওয়া উক্ত ব্যক্তিটিকে পরবর্তীতে সহকর্মী এবং খদ্দেরদের সাথে কাজের হিসেবে মিলিয়ে নিতে প্রচুর সমস্যায় পড়তে হয়। আপনার স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে আপনার স্বামীর অফিসে সুনাম হানি ঘটতে পারে। আমি মনে করি না কেবল মাত্র স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য কোন স্বামীর অফিস থেকে ছুটি নেওয়া উচিত, যদি না তার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।</div>
<p><em>টিয়ারড্রপ</em> একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। যখন সে অসুস্থ ছিল সে সময় তার স্বামী ঘরে থাকার বদলে তার সহকর্মীদের সাথে মদ পান করতে যান, যা পরবর্তীতে প্রচণ্ড এক পারিবারিক কলহে রূপ নেয়:</p>
<blockquote><p>でももっとびっくりしたのはこの話をした時の女性達の反応！「そんなことで・・・。」という反応なんですよね。ウチなんてもっとひどいわよ～って。妻たちはみんなこういう仕打ちに慣れてしまって、感覚がマヒしてしまっているんだなぁって、悲しく思ったことを覚えています。でもあれから数年・・・完全に私もマヒしてます。</p></blockquote>
<div class="translation">আমাকে যা বিস্মিত করেছে তা হল [বাস্তবতা হল সে মদ খেতে গিয়েছিল] আমার অনেক বান্ধবীর প্রতিক্রিয়া! তারা বলেছে” তুমি এই রকম একটা ঘটনায় রেগে গিয়েছিল? আমার ক্ষেত্রে তো এর চেয়ে বাজে বিষয় ঘটেছে! আমি ভাবলাম এটা কতটা বেদনাদায়ক যে, স্ত্রীরা এই রকম ব্যবহারে এতটা অভ্যস্ত যে তার ফলে তাদের অনুভূতি ভোঁতা হয়ে গেছে। এর পর কয়েক বছর পার হয়ে গেছে&#8230; এবং আমার অনুভূতিও ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে।</div>
<p><em>কানন</em> বলছে যে তার স্বামী ভিন্নভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে।</p>
<blockquote><p>夫の会社の激務や夫の社内での立場を思えば「体調悪いから帰ってきて！」とは言えません。私の体調の悪い時に夕飯を外で済ませてきてくれる。駅の自販機でポカリを買ってきてくれる。私にはそれだけで十分に優しい夫です。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার স্বামীর কাজের পরিমাণ এবং কোম্পানীতে তার অবস্থানের কথা ভেবে আমি তাকে বলতে পারি না যে “ দয়া করা বাড়িতে আস, কারণ আমি অসুস্থ বোধ করছি”। যখন আমি অসুস্থ বোধ করি, সে সময় একটা রেস্তোরায় সে রাতের খাবার খায়। সে সময় সে স্টেশনের একটা ভেন্ডিং মেশিন থেকে সে স্পোর্টস ড্রিংকস বা বিশেষ পানীয় আমার জন্য নিয়ে আসে। তার এই সব কাজই আমার চোখে তাকে এক যত্নবান স্বামীতে পরিণত করেছে।</div>
<p><em>কেঙ্গু-শফু (কর্মজীবী স্ত্রী)</em> বলছে:</p>
<blockquote><p>ちゃんと仕事をしたことないから言える言葉だと思います。 ご主人だって休みたいんだと思います。でも休めないんですよ。自分が体調悪くて休むのは周りに風邪をうつしてはいけないとかそういったことではないですか? 簡単に休めないという現在の多くの日本の企業が問題だと思いますが休めないのが現実です。</p></blockquote>
<div class="translation">যারা কখনো কাজ করেনি এগুলো তাদের শব্দ। আমি মনে করি আপনার স্বামী বাসায় থাকতে চায়, কিন্তু তার পক্ষে তা সম্ভব নয়।<br />
জাপানের অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীর জন্য ছুটি নেওয়া অনেক সময় কঠিন ব্যাপার, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তারা কোন ভাবেই কাজ বন্ধ করে ছুটি নিতে পারে না।</div>
<p>অনেকে এই বিষয়ে সহানুভূতিশীল, যেমন <em>নাবে</em>:</p>
<blockquote><p>リナさんの言うことは正しいです。全然わがままではありません。　私はもちろん休んでいます。 […] 妻が病気になっても働く時代は終わってます。 二人で力を合わせて生活守って時代です</p></blockquote>
<div class="translation">রিনা আপনি যা বলছেন তা ঠিক। এ রকম চিন্তাভাবনা কোন রকমেই স্বার্থপরতা নয়! যখন আমার স্ত্রী অসুস্থ থাকে তখন আমি ছুটি নেই। [..] সেদিন এখন অতীত, যখন স্বামী তার অসুস্থ স্ত্রীকে বাসায় রেখে অফিসে চলে যেত। এখন আমাদের এক সাথে মিলে আমাদের সাংসারিক জীবনকে নিরাপদ রাখতে হবে।</div>
<p><em>পচি</em> বিস্মিত যে সকলেই কতটা কঠিন এবং উদ্বেগের সাথে প্রশ্ন করছে: যদি <em>তারা</em> সকলেই সারা বছর দিনে গড়ে ১৫-১৬ ঘন্টা কাজ তাহলে কি ঘটবে।</p>
<blockquote><p>家族がせっぱつまった状態のときに、仕事のほうがどうにか都合がつきそうだったら、少々遅刻して病院につれていくとか、コンビニで食料を調達するとか、残業はせずに急いで帰ってくるとかするのは社会人失格？頭から「休めるわけない！！」と決めつけるのは、ストイックな姿を会社の人に見せたいから？自分の楽しみのために有給をとることもあるでしょう。（有給をとって友人とゴルフにいく上司をなんども見てます）</p></blockquote>
<div class="translation">যখন পরিস্থিতি আমাকে সেই সুবিধা দেয়  তখন যদি আমি আমার পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং কয়েক ঘণ্টা পরে আসি, সুবিধামত কোন দোকান থেকে খাবার কিনি অথবা বাড়তি কাজ না করে দ্রুত ঘরে ফিরে আসি, তার মানে কি এই যে আমি এই সমাজের উপযুক্ত এক সদস্য নই? আপনি কি খুব দ্রুতই ঘোষণা করছেন না যে “কোন ভাবেই আমি ছুটি নিতে পারব না”। কারণ আপনি আপনার সহকর্মীকে দেখাতে চান যে আপনি কতটা নির্বিকার ভাবাপন্ন ব্যক্তি?<br />
লোকজন আনন্দ উপভোগ করার জন্য যে ছুটি নেয়, তার জন্য তারা টাকা পায়, ঠিক কিনা (পেইড লিভ)? (আমি আমার বসকে অনেক সময় পেইড লিভ নিয়ে তার বন্ধুদের সাথে গল্ফ খেলতে যেতে দেখেছি)</div>
<p><em>টোকুমেই</em> বলছেন এটা নির্ভর করে আপনি কতটা অসুস্থ তা প্রকাশ করার উপর:</p>
<blockquote><p>結婚生活を快適に過ごすこつは、お互いに相手に期待しないことではないかともうすぐ銀婚式の私は思っています。期待すると裏切られたと思うし、期待しなければ些細な優しさもありがたく感じられます。再婚の際の参考までに</p></blockquote>
<div class="translation">শীঘ্রই আমি আমার ২৫ তম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছি এবং আমি বলতে পারি আনন্দদায়ক বিবাহিত জীবনের চাবিকাঠি হল একে অন্যের কাছে বেশি কিছু আশা না করা। যদি আপনি তা আশা না করেন, তাহলে সামান্য ভালোবাসা আপনাকে সুখী করবে। যখন আপনি আবার বিয়ে করবেন সে সময়ের জন্য কিছু উপদেশ হিসেবে একে গণ্য করবেন।</div>
<p>এটা <em>এচিকার</em> উপদেশ:</p>
<blockquote><p>うちの会社の場合、男性が家庭の事情で会社を休むと、上司はあまりよく言いません。なので、私も自分の体調不良と偽って休暇をとり、妻の看病をしました。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার অফিসের বড় কর্তা মনে করে না যে পারিবারিক কারণে পুরুষদের ছুটি নেওয়া উচিত। আমি কোম্পানীকে বলি যে আমি নিজে অসুস্থ এবং এই বলে আমি বাসায় থেকে আমার স্ত্রীর যত্ন নেই।</div>
<p><em>‘উসুয়াইজি’</em> বলছেন যে তার অফিসের ক্ষেত্রে এই রকম কাজ করা অসম্ভব। </p>
<blockquote><p>でも、文句を言い続けて一生夫婦であり続けることよりも、離婚と言う手段を選んだトピ主さんの勇気は素晴らしいと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">সারাজীবন স্বামীর প্রতি অভিযোগ করার চেয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ বেছে নেবার জন্য আমি আপনার প্রশংসা করি।</div>
<p><em>নইয়া</em> বলছে, এটা অনেক বিরক্তিকর, কিন্তু নারীরা কি চায় তা বুঝতে পুরুষেরা দক্ষ নয়, যতক্ষণ না তা মুখে বলা যায়।  </p>
<blockquote><p>妻が病気の時、「食事を作るのは難しいだろうから、外食して帰るよ」という夫さん、よくいますよ。高熱で起きられない妻の食事は??思いつきません。面倒だけど「作れないのでコレコレを買ってきて(何か買ってとまかせると、こってりしたコンビニ弁当とか買ってきてしまう)」</p></blockquote>
<div class="translation">অনেক স্বামী রয়েছে যারা বলবে যে “ আমি বাসায় ঢোকার আগেই রাতের খাবার খেয়ে আসব, কারণ রান্না করা তোমার জন্য কষ্টকর বিষয় হবে”। তাদের মনে হয় না যে শরীরে প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া স্ত্রীরও খাবারে প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি স্বামীকে চিন্তিত করে কিন্তু আপনাকে বলতে হবে,” আমি আজ রান্না করতে পারব না কাজেই দয়া করে আমার জন্য এটা বা সেটা কিনে আন”। যদি আপনি কেনার বিষয়টি তাদের উপর ছেড়ে দেন তাহলে সুবিধা মত কোন দোকান থেকে খাবার কিনে আনবে যা হবে ভীষণ তৈলাক্ত।</div>
<p>এখানে একটা তথ্য জানানো দরকার যে <em>হাটসুজেন কোমাচি</em> অনেক বেশি মহিলাদের, এমনকি অনেক সময় গৃহবধুদের সাথে সম্পর্ক যুক্ত। এই কাহিনীর এক কৌতূহলজনক বৈপরীত্য পাওয়া যাবে হাটেনা ফোরামে যা পুরুষ সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সেখানকার প্রতিক্রিয়া গুলো একেবারে আলাদা (<a href="http://b.hatena.ne.jp/entry/kusoshigoto.blog121.fc2.com/blog-entry-303.html">পৃথিবীতে এমন কোন কাজ নেই যা আমার ও আমার পরিবারের স্বাস্থ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ</a>)। </p>
<p>একটি পেশাগত ফোরাম লিঙ্কইডইন-এ যেমনটা আলোচনা করা হয়েছে (এখানে প্রবেশ করার জন্য লগইন বা নিবন্ধন করা প্রয়োজন: <a href="http://www.linkedin.com/news?viewArticle=&#038;articleID=78146724&#038;gid=1848408&#038;articleURL=http%3A%2F%2Fkusoshigoto%2Eblog121%2Efc2%2Ecom%2Fblog-entry-303%2Ehtml&#038;urlhash=uuar&#038;trk=news_discuss">জাপানের ব্যবসায়ীরা এমনকি নিজেকে ও পরিবারকে কোরবাণী করে</a>), কিন্তু এটি অন্য দিনের জন্য রাখা আরেকটি গল্প।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নাইজেরিয়া: ব্লগাররা নাইজেরিয়ার ঋণাত্মক ভাবমূর্তি নিয়ে বিতর্ক করছেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2009 13:09:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7339</guid>
		<description><![CDATA[এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- ৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল এই দেশের কথা ওঠে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/eremipagamo-amabebe/">এরেমিপাগামো আমাবেবে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/nigeria-bloggers-debate-nigerias-negative-image/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg" title="নাইজেরিয়া" class="alignleft" width="300" height="225" /></a>এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Advance-fee_fraud">৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা</a>, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল দেশের কথা ওঠে। তবে বিদেশে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি সব থেকে খারাপ ছিল গত বছর: গত কয়েক মাসে, বেশ কিছু ঘটনা যা নাইজেরিয়াকে প্রশ্ন বিদ্ধ পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে এবং তা সমগ্র ব্লগ জগৎে আলোচনা তৈরি করেছে।</p>
<p>গত সেপ্টেম্বরে সনি <a href="http://naijablog.blogspot.com/2009/09/that-sony-ps3-419-ad-if-you-havent-seen.html">প্লে স্টেশন ৩ নিয়ে একটা বিজ্ঞাপন</a> দেখিয়েছিল যেটাতে এই বাক্য ছিল “ইন্টারনেটে যা পড়েন তা সব বিশ্বাস করতে পারেন না- না হলে, আমি এত দিনে নাইজেরিয়ার একজন কোটিপতি হয়ে যেতাম।“ এই বিজ্ঞাপন অনেক নাইজেরিয়ান আতঙ্ক নিয়ে দেখেছেন, আর ফেডারেল সরকার সনিকে ক্ষমা চাইতে অনুরোধ করেছেন (সনি ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞাপনটি তুলে নিয়েছিল)।</p>
<p>একই সময়ে ডিস্ট্রিক্ট ৯ চলচ্চিত্রটির মুক্তি পায়- এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে সমালোচকরা ভালোভাবে গ্রহণ করলেও কিছু নাইজেরিয়ান বিরক্ত হয়েছেন। <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/8264180.stm">নাইজেরিয়ার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন</a> চলচ্চিত্রে নাইজেরিয়ানদেরকে অপরাধী আর মানুষ খেকো হিসেবে দেখানোর কারনে। চলচ্চিত্রটি নাইজেরিয়ার মধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর সেন্সর বোর্ডকে সিনেমা হল থেকে এটা জব্দ করতে বলা হয়েছে। অনলাইনে এই চলচ্চিত্র বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সেখানে কেউ কেউ বলেছেন যে এই চলচ্চিত্র নাইজেরিয়ানদের জাতিগত দৃষ্টিকোন থেকে দেখানো হয়েছে, আর অন্যরা এটা সমর্থন করেছেন যে এটা রূপক একটি উপস্থাপনা যেটার সাথে বাস্তবতার মিল নেই।</p>
<p><em>ইভিসিএল</em> ব্লগে <em>আদামু ওয়াজিরি</em> <a href="http://evclvisuals.blogspot.com/2009/09/nigeria-and-district-9.html">দেখিয়েছেন</a> যে প্রায়শ:ই নাইজেরিয়ানরা যেভাবে নাইজেরিয়াকে দেখায় সেটাও একই রকম অপমানজনক:</p>
<blockquote><p>নলিউড আমাদের স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্প, আমাদেরকে দেশের আর আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে আরো খারাপ ভাবে তুলে ধরেছে। একটা সময় ছিল যখন কোন নলিউড চলচ্চিত্রের বিষয় নীচের যে কোন একটা বা কয়েকটির সমষ্টি ছাড়া দেখা যেত না; জুয়াচুরি, মায়াবিদ্যা, সশস্ত্র চুরি, অনাচার, ব্যভিচার, মানুষ খেকো আর অবশ্যই আমাদের প্রিয় দুর্নীতি। নলিউড এইসব বিষয় নিয়ে হাজার হাজার চলচ্চিত্র বানিয়েছে সাধারণ জনগণ বা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে বিশেষ কোন প্রতিবাদ ছাড়াই।</p>
<p>&#8230; চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করা ভুল ইঙ্গিত দেয়; আসলে এটা বিপদজনক হতে পারে। আমরা জনগণকে এই বিষয়ে বির্তক করতে দেয়া উচিত। আমরা এটা করার মতো পরিপক্ব। আমার মনে হয় আমাদের মন্ত্রী চলচ্চিত্রটিকে যথেষ্ট প্রচারণা দিয়েছেন যেটা আমি নিশ্চিত তার উদ্দেশ্য ছিল না।</p></blockquote>
<p><em>নিকোল স্ট্যাম্প</em> ডিস্ট্রিক্ত ৯ চলচ্চিত্রে বর্ণবাদ নিয়ে <a href="http://www.racialicious.com/2009/08/18/district-9-is-racist-alternate-perspective/">মন্তব্য করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যে জিনিষটি আমাকে ভাবিয়েছে সেটা হল বেশীরভাগ লোক যারা এই চলচ্চিত্র দেখবেন তারা প্রশ্ন করবেন না, বা লক্ষ্যও করবেন না, এই বিশেষ জাতিগত উপস্থাপনা&#8230; কেন নাইজেরিয়ানরা এমন মানুষ হতে পারেন না যাদের অর্থ আর অস্ত্রসহ যৌক্তিক উদ্দেশ্য আছে? কেন তাদেরকে প্রয়োজনের বাইরে হাবা-গোবা জংলী হতে হবে?&#8230; এটা অসম্ভব এই অভিযোগকে উড়িয়ে দেয়া - নাইজেরিয়ানদের বড় প্রেক্ষাপটে দেখলে, এটি ক্ষতিকর বা মান হানিকর না কিন্তু বিপদজনক।</p></blockquote>
<p>এই বিতর্ক সম্পর্কে আরো পড়েন <a href="http://nigerianstalk.org/?p=261">নাইজেরিয়ান্সটক.অর্গ</a> বা গুগলে খুঁজেন ‘ডিস্ট্রিক্ট ৯ রেস’ কিওয়ার্ড দিয়ে।</p>
<p>সাম্প্রতিককালে টাইম ম্যাগাজিন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার <a href="http://www.pieterhugo.com/">পিটার হুগোর</a> চিত্রের একটা <a href="http://www.time.com/time/photogallery/0,29307,1926470,00.html">স্লাইড শো</a> প্রকাশ করেছিল যেখানে নাইজেরিয়ার ‘নলিউড’ চলচ্চিত্র শিল্পের কিছু ছবি দেয়া ছিল। যদিও &#8216;ডিস্ট্রিক্ট ৯&#39; বা প্লে স্টেশন বিজ্ঞাপনের মতো বিতর্কিত না, তারপরেও ছবিগুলো ব্লগ জগৎে বির্তক সৃষ্টি করেছে, এই আলোচনাসহ যে নাইজেরিয়াকে এমন করে উপস্থাপন করা কি শৈল্পিক স্বাধীনতা নাকি সাংস্কৃতিক পক্ষপাতিত্ব।</p>
<p><em>সলোমান সাইডেল</em> <em>নাইজেরিয়ান কিউরিওসিটিতে</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Nollywood">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি অবশ্যই বিষয়টাতে চাপ সৃষ্টির কারণ বুঝি, কারণ এই চাহিদা থেকেই বেশ কিছু সৃজনশীল মাস্টারপিস আর সর্বসময়ের কাজ হয়েছে। তবে, এইসব চিত্র দিয়ে, আমি এদের প্রশংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছি এবং/অথবা এরা কিসের প্রতিনিধিত্ব করছে আর বিশ্বাস করি যে তারা অকারণে পক্ষপাতিত্বের উপরে নির্ভর করছে যা বেশ কিছু বদ্ধমূল ধারণাই প্রতিষ্ঠিত করবে হুগোর বিশেষভাবে পশ্চিমা দর্শকের জন্য।</p></blockquote>
<p>এইসব অনুষ্ঠান বিশেষভাবে খারাপ সময়ে হচ্ছে যেহেতু এগুলো এই বছরের শুরুতে ‘নাইজেরিয়াকে রিব্রান্ডিং (নতুন ভাবে দেখানোর)’ নতুন একটা উদ্যোগ এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে। এই উদ্যোগ স্পন্সর করছেন নাইজেরিয়ার তথ্য আর যোগাযোগ মন্ত্রী  ডঃ ডোরা আকুনিলি, আর এটি প্রশংসা আর সমালোচনা দুটোরই মুখোমুখি হয়েছে (<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/03/nigeria-on-rebranding-nigeria/comment-page-2/">এখানে গ্লোবাল ভয়েসেস</a> এর এ প্রসঙ্গে লেখাটি দেখুন)।</p>
<p><em>বুন্মি ওলোরোন্তোবা</em> <em><a href="http://bombasticelements.blogspot.com/2009/10/nigeria-super-villains-of-modern-age_22.html">আ বোম্বাস্টিক এলিমেন্ট ব্লগে</a></em> সাম্প্রতিক এক <a href="http://www.bbc.co.uk/worldservice/documentaries/2009/10/091021_rebranding_nigeria.shtml">বিবিসি আলোচনার ভিত্তিতে</a> রিব্রান্ডিং (পুন: নামকরণ) প্রচারণার ব্যাপারটি সম্পর্কে বলছেন:</p>
<blockquote><p>মন্ত্রীর যুক্তি ভালো যখন তিনি বলেন যে নাইজেরিয়া অনেক ভালো জিনিষ দেখছে না, তার গল্প জানাচ্ছে না আর পৃথিবীকে তার দুর্নামের উপর ভিত্তি করে তার ভাবমূর্তি স্থির করতে দিচ্ছে। আর ভালো দিকের কিছু ভালো উদাহরণ তাঁর কাছে আছে। কিন্তু বিবিসি কয়েকজন জনসংযোগ কর্মকর্তা আর নামকরণ বিশেষজ্ঞ খুঁজে নিয়েছেন যারা এর বিরোধিতা করেছেন, দেশটা যদি নিজেকে রি ব্রান্ডিং করতে চায়, তাহলে এর জনসংযোগ দলকে এর থেকে অনেক বেশী কিছু দিতে হবে। যাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে তারা বলেছেন, লাগাতার বিদ্যুৎ প্রাপ্তি আর ডিজেল জেনারেটর অর্থনীতির সমাপ্তি নাইজেরিয়ার নতুন ভাবে উপস্থাপনাকে ‘সহজ’ করে দেবে। আর তাদের কথার প্রমাণ হিসেবে, ১৩:৪০ মিনিট অনুষ্ঠান পরে&#8230; কি হল আসলে তা বোঝার জন্য আপনাকে নাইজেরিয়ান হতে হবে না।</p></blockquote>
<p>নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি নিয়ে আলোচনার একটা উজ্জ্বল দিক হল নাইজেরিয়ার লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimamanda_Ngozi_Adichie">চিমামান্দা নাগোজি আদিচিকে</a> নিয়ে বিপুল প্রচারিত একটা ভিডিও যিনি ‘একটা গল্পের বিপদ’ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। আদিচি আফ্রিকার একই ধরনের ভাবমুর্তির বিপদ নিয়ে মন্তব্য করেছেন; তিনি সাবধান করে দিয়েছেন যে নিজেদের ‘একটা গল্পে’ সীমাবদ্ধ করে রাখা অভিজ্ঞতাকে কমিয়ে দেয় আর বদ্ধমূল এক তরফা ধারণা তৈরি করে। অনেক ব্লগারের জন্য, আদিচির মন্তব্য দেশের বাইরে নাইজেরিয়ার সাধারণ ভাবমূর্তি নিয়ে তাদের হতাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে ।</p>
<div><object width="446" height="326"><param name="movie" value="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf"></param><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="wmode" value="transparent"></param><param name="bgColor" value="#ffffff"></param><param name="flashvars" value="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;&#038;preAdTag=tconf.ted/embed;tile=1;sz=512x288;" /><embed src="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf" pluginspace="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" wmode="transparent" bgColor="#ffffff" width="446" height="326" allowFullScreen="true" flashvars="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;"></embed></object></div>
<p><em>শেড ননকনফর্মিস্ট</em> আদিচির ভাষ্য আর নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির মধ্যকার <a href="http://shadenonconformist.blogspot.com/2009/10/danger-of-intellectualization-long-post.html">সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার মনে হয়  টেডে একটা গল্পের বিপদ নিয়ে তার বক্তৃতার সময় এটাই চিমামাদা আদিচি বোঝাতে চেয়েছিলেন। সমস্যা দেখা যায় যখন  আমরা দেখি মৃত পশু, দারিদ্র, বিপর্যয়, মৃত্যু, দুর্নীতি, বিখ্যাত লোকের পোষ্য গ্রহণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আফ্রিকাকে শুধু তুলে ধরা হয়&#8230;আপনি পুরো ব্যাপারটি জেনে যাবেন। আমি বলছি না যে আফ্রিকাতে এই বিষয়গুলো নেই। আমরা সবাই একমত হতে পারি যে এগুলো আছে। আমি তর্ক করছি যে এই ব্যাপারগুলো আফ্রিকার দেশের জন্য নির্দিষ্ট না।</p>
<p>আমি/আমরা কখনো থামাবো না আফ্রিকার এমন চিত্র তুলে ধরা থেকে যেখানে আফ্রিকাকে ভারসাম্যহীন আর পূর্ব সংস্কারযুক্ত দেখানো হবে। আফ্রিকাকে ভারসাম্য নিয়ে তুলে ধরা জরুরী। আর আফ্রিকান হিসেবে আমাদের সেই মাধ্যম হিসেবে কাজ করা উচিত যারা পরিবর্তনে অংশ নিতে চান (আর দেখতে পারবেন) আমাদের প্রিয় মহাদেশে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অপারেশন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 17:54:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7334</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। ব্লগাররা আলোচনা করছে যে এই অপারেশনের সাফল্য কেন পাকিস্তান এবং সারা বিশ্বের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/pakistan-operation-in-south-waziristan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 376px"><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/File:FATA_%288%29.jpg"><img alt="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/South-Waziristan.jpg" title="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" width="366" height="385" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। এই অপারেশনের কাজ শুরু হয় গত জুন মাসে যখন সেনাবাহিনী সোয়াত উপত্যকা এলাকাকে তালিবান চরমপন্থীদের কাছ থেকে পুনর্দখল করে নেয়। গত ১৯শে জুনে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Waziristan">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে</a> সেনা জড়ো করা শুরু করে। তিন মাসের অবরোধ আর তালিবানের সাথে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ পর্বের পরে সেনারা পরিশেষে ১৯শে অক্টোবর পুরো দস্তুর যুদ্ধ শুরু করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোট ২৮০০০ সেনা আর ৫০০ জন বিশেষ কমান্ডো আর তালিবানদের ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার সেনা আর ১৫০০ বিদেশী ভাড়াটে যোদ্ধা এ যুদ্ধে নিয়োজিত আছে। এই সংঘাত জোরালো আর দীর্ঘ হয়েছে আর প্রত্যেক দিন খবর আসছে যে পাকিস্তান সেনা কয়েক ইঞ্চি করে ভেতরে ঢুকছে একটা কঠিন আর বিপদজনক এলাকায়।</p>
<p><em>পাকিস্তানপাল</em> ব্লগে <em>আহসান ওয়াহিদ</em> দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের <a href="http://pakistanpal.wordpress.com/2009/10/05/a-showdown-in-waziristan/">কঠিন ভূমিরূপকে দায়ী করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>দূরে আল কায়দা যেখানে আশ্রয় নিয়েছে আমরা তা দেখতে পাচ্ছিলাম। এটা প্রায় সাদা ভূমি, শুষ্ক; রাস্তাবিহীন চূড়ার ধার দিয়ে অল্প কিছুর গাছের গুড়িঁ দেখা যাচ্ছে। আপনি লুকাবার কোন জায়গা খুঁজলে ওয়াজিরিস্তান সেটা হবে, কারণ এত কঠিন আর অতিথিবিমুখ যে বাইরের লোকেরা ঢুকতে ভয় পাবে। ব্রিটিশ রাজের সময়ে, ওয়াজিরিস্তানের মানচিত্র অনেকটাই খালি ছিল, এমনকি অকুতভয় ব্রিটিশ ভ্রমণকারীরাও সাধারণত এখানে পা মাড়াতেন না।</p></blockquote>
<p><em>গ্রেট সাটান্স গার্লফ্রেন্ড</em> এই অপারেশনের জন্য <a href="http://greatsatansgirlfriend.blogspot.com/2009/10/operation-rah-e-nijat.html">জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার গুরুত্বের কথা বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>“আশার মৃত্যুকে কখনো তার ছায়া ফেলতে দেয়া উচিত না, আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাষ্ট্র তার সমস্ত কিছু দিয়ে জনগণকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একত্র করবে।“</p></blockquote>
<p><em>আব্দুল্লাহ সাদ</em> <a href="http://abdullahsaad.com/337-operation-rahenijat-path-salvation-operational-assessment">বিশ্বাস করেন যে</a> তেহরিক ই তালিবানে (টিটিপি) যে বিদেশী যোদ্ধারা আছে তারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>আমার ধারণা হল যে ওয়াজিরিস্তানে অনেক কিছু ঝুঁকির মুখে আছে। কার্যত টিটিপি ক্যাডাররা ঘনবসতিতে চলে আসতে পারে ধীরে ধীরে - খারাপ একটা ভাগ্যের হাত থেকে বা আর একদিন বেশী বাঁচার জন্য&#8230; কিন্তু তাদের ‘অতিথি’দের এই আরাম নেই। উজবেক, চেচেন আর আরব ইত্যাদি জায়গা থেকে আগত যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে হবে কারণ তারা ধরা পড়লে, তাদেরকে প্রথম ফ্লাইটে বাড়ি পাঠানো হবে আর উজবেকিস্তানের মতো দেশে, যেখানে তাদেরকে সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানো হবে।</p></blockquote>
<p><em><a href="http://newmatilda.com/2009/10/23/misery-ending-or-just-beginning">নিউমাতিলদার</a></em> <em>মুস্তাফা কাদ্রি</em> বলছেন যে জঙ্গীদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া পাকিস্তানের জন্য অসম্ভব:</p>
<blockquote><p>এই কথার পেছনে অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে মাথা ঠিক রাখার জন্য। লাহোর, ইসলামাবাদ আর পেশাওয়ারে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে একটা দেশের প্রতি বর্গ ইঞ্চি রক্ষা করা খুব কঠিন যেখানে বিদ্রোহ চলছে। আর পাকিস্তানে এটা প্রায় অসম্ভব, যেখানে বুকে বোমা বাঁধা পরিত্যক্ত তরুণ খুব সহজে পাওয়া যায়।</p></blockquote>
<p>উপরের বাক্যগুলো খুব বেশী সত্য যেহেতু অপারেশন রাহি-এ-নিজাতের ব্যর্থতা সুধী সমাজের প্রতি সরাসরি আক্রমণ ঘটিয়েছে এবং আত্মঘাতী বোমা হামলা আর সারা দেশে আতঙ্ক আর ভীতি ছড়িয়েও দিয়েছে। এর ফলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আর সারা দেশের সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা প্রতি দিন সকালে কেবল যে ওয়াজিরিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের খবরে চমকে উঠি তাই না বরং আমাদের রাস্তাতেও কিভাবে যুদ্ধ হচ্ছে তার ভয়ঙ্কর ব্যাখ্যাও থাকে।</p>
<p><em>ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) জুনায়েদ জামান</em> <a href="http://www.pakspectator.com/schools-closed-in-pakistan-fear-of-terrorism-for-how-long/">‘পাকিস্তান স্পেক্টেটরে’</a> দেশে স্কুল বন্ধ করার নিষ্ফলতা নিয়ে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমাদের ভয় পাওয়ার দরকার নেই আর আমাদের বাচ্চাদের ভিতু তৈরি করারও দরকার নেই। আমাদের ছেলে মেয়েদের সাথে আমাদের কথা বলা দরকার, ভীতি সম্পর্কে তাদের সাথে কথা বলা উচিত, তাদেরকে লক্ষ্য রাখতে বলা উচিত, আমাদের দেশ কোন বিপদের মধ্যে আছে সেটা তাদেরকে বোঝানো উচিত আর সন্ত্রাসবাদের খারাপ দিক সম্পর্কে জানাও উচিত। তাদেরকে শক্তিশালী আর সামর্থ করা উচিত আর কষ্টের সময়ে যাতে বাঁচতে পারে সেই শিক্ষা দেয়া উচিত। তারা যখন এই সময় থেকে বের হবে, তারা বিশ্বের অন্যান্য শিশুদের তুলনায় জীবনের মোকাবিলা করতে অনেক দূর এগিয়ে থাকবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://blog.taragana.com/n/pakistan-shuts-all-schools-after-suicide-bombings-at-islamic-university-201707/">তারাগানাতে</a> <em>জাররার খান</em> সাধারণ জনগণের ধারণার কথা বলেছেন যারা অন্যান্য কারণকে দোষ দিয়েছেন জনগণের উপর এই হামলার জন্য:</p>
<blockquote><p>অনেক ছাত্র এটা মানতে রাজি না যে মিলিট্যান্টরা এই আক্রমণের জন্য দায়ী আর তার বদলে ধোঁয়াটে সব শক্তিকে দোষ দিয়েছেন যারা ইসলামকে নীচু করে পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চাচ্ছে- অনেক ধরনের চক্রান্ত তথ্য যা বোমা হামলার পরে এখানে শোনা যায়।</p></blockquote>
<p><em>বেরি পিকারের</em> <a href="http://glendaclaborne.com/node/10">গ্লেন্ডা</a> একটা সমাজের মনোবলের কথা বলেছেন যারা সন্ত্রাস সত্ত্বেও জীবন চালিয়ে নিচ্ছে আর তিনি ইসলামাবাদের একটা কনসার্টের কথা বলেছেন:</p>
<blockquote><p>তাদেরকে বৃহষ্পতিবার রাতে থামতে হয় নি। অন্তত এক ঘন্টার জন্য। আরিব আঝার আর তার চার জনের দল সঙ্গীতের বৈশ্বয়ীকতা, বৈচিত্র আর সহনশীলতার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন এমন এক শহরে যেখানে মাত্র চার দিন আগে আবারও সন্ত্রাসবাদের ক্ষমতা দেখেছে যা জীবনের কিছু সুন্দর আর সত্য তা প্রকাশের মানুষের ক্ষমতাকে থামিয়ে রাখার জন্য।</p></blockquote>
<p><em>বিলকিস</em> <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/10/27/the-parallel-step-bilquis/">অনেক কিছু জানিয়েছেন</a> <em>চুপ (চেন্জিং আপ পাকিস্তান)</em> ব্লগে:</p>
<blockquote><p>অনেক শিক্ষাবিদ আর রাজনীতিবিদ, বিশেষ করে ইমরান খান তর্ক করেছেন যে এইসব এলাকার লোকেরা অনেক শতাব্দী ধরে আইন বিহীন সমাজে বাস করে আসছেন। এই বাস্তবতার নিরিখে, তারা বলেন, তাদের ঐতিহ্যকে সম্মান করে তার ভিতরেই কাজ করা আমাদের উচিত। আমি অসম্মতি জানাচ্ছি। যেমন টি এস এলিয়ট জানিয়েছেন, ”বুদ্ধি ছাড়া ঐতিহ্য মূল্যহীন।“ এই সমস্ত ঐতিহ্য এমন সব বিষয়কে লক্ষ্য না করায় যার ফলে একটা উদ্দীপ্ত ভাবধারার সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র পাকিস্তানব্যাপী, বিশেষ করে গ্রামীণ পাঞ্জাবে। উদাহরণ স্বরূপ সোয়াতে তালিবান যে তরুণীকে বেত্রাঘাত করেছিল সেটাই দেখেন। আমরা কি এমন ঐতিহ্য চাই? আমরা কি পুরুষ/নারী/ মেয়েদেরকে সমস্যা সমাধানের জন্য বদলা-বদলি করতে চাই? আমরা কি চাই আমাদের মানুষ লাগাতার বিশ্ব সম্পর্কে বিকৃত ও সংকীর্ণ একটা ধারণা নিয়ে থাকুক? আমি অবশ্যই চাই না।</p>
<p>তাহলে এখানে আমরা আছি, আশাবাদী, কিন্তু সন্ত্রাস দ্বারা বিদ্ধ, আমাদের স্কুল বন্ধ আর ভবিষ্যত অনিশ্চিত, কিন্তু আমরা হাল ছাড়বো না। আমাদের কেবলমাত্র ভূমির বিপদের সম্মুখীন হতে হবে না আমাদের সেনা দিয়ে বরং আমাদের সমাজে তালিবান মূল্যবোধের নীরব আক্রমণও থামাতে হবে। আমি কেবল আশা করি বিশ্ব আমাদের সাথে আছে, কারণ আমরা ব্যর্থ হলে এর পরে আপনাদের পালা। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
