<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; যুক্তরাজ্য</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/western-europe/united-kingdom/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব: আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 16:50:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[ডোমিনিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রিনিদাদ ও টোবাগো]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রেঞ্চ ক্রিওলস]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মার্টিনিক]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রিউনিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিশেলস]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্ট লুসিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[হাইতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7181</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/23/global-international-creole-month/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে।</p>
<p>ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা। অভিবাসন আর স্থানীয় জনগণের মিশ্রণের ফসল হিসেবে দাসত্বের সময় থেকে ক্রেওল হচ্ছে একটি মৌখিক ভাষা, যা হয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা নীচু করে দেখা হয়েছে। কিন্তু ১৯৮০র দশকে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে থাকে, যা ব্যাখ্যা করেছে ক্রেওল সম্পর্কিত রিউনিয়ন দেশের ব্লগ, <a href="http://www.renyone.net/English/28oct_gb.htm">রেনিওয়ান</a>:</p>
<blockquote><p>১৯৮১ এ যেসব বিজ্ঞানীর ভাষা ক্রেওল ছিল তারা নিজেদের প্রশ্ন করা শুরু করেন যে কোন পদ্ধতিতে ক্রেওল ভাষাকে তুলে ধরা যায়। এটা শুরু হয়েছিল ক্রেওল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক কমিটি আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম থেকে,  ক্রেওল/ক্রেওলস ভাষা, চলমানতা আর ক্রেওল জগতে সৃষ্টিশীলতার বিষয় নিয়ে যা আলোকপাত করেছিল।</p></blockquote>
<p><em>রেনিওয়ান</em> আরো বর্ণনা দিয়েছেন একটা উৎসবের কথা যা বেশীরভাগ ক্রেওলসভাষী দেশে ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে:</p>
<blockquote><p>১৯৮২ তে সিশেলেস এর সরকার ক্রেওলস সপ্তাহের আয়োজন করেন।</p>
<p>প্রথম আন্তর্জাতিক বাঞ্জিল ক্রেওল দিবস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ এর ২৮শে অক্টোবরে। তারপর থেকে বিশ্বব্যাপী ২৮শে অক্টোবর সব ক্রেওল ভাষার দেশে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>তারপর থেকে এই কথ্য ভাষার (মাঝেমাঝে যাকে উপভাষা বলা হয়) সংরক্ষণ অনেক লোকের চিন্তার কারণ হয়েছে। <a href="http://www.iocp.info/objectives.php">ক্রেওল মানুষের আন্তর্জাতিক সংস্থা</a> এইসব তথ্য প্রকাশ করছে। ফেসবুকের একটা দল ‘<a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/group.php?gid=61220156866">আন্নু পালে পাতোয়া</a>’ ( ‘আসুন পাতোএস/ক্রেওল বলি’) তাদের জন্য ক্রেওল এক চিন্তার ব্যাপার - তাই জানিয়েছেন, যেখানে একজন ত্রিনিদাদিয়ান নেটিজেন এই বছরের <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a> উদযাপন নিয়ে চিন্তা করেছেন:</p>
<blockquote><p>বিশ্বব্যাপী অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a>, এটাকে ত্রিনিদাদে উদযাপন করতে আমরা কি করতে পারি?</p>
<p>জাতীয় ভাবে করতে গেলে সব থেকে ভালো কি হয়?</p></blockquote>
<p>স্থানীয় ভাবে মাঠ পর্যায়ে আর একই ভাবে সরকারি ভাবেও প্রচার, সংরক্ষণ বা উদযাপন করার ব্যবস্থা নেয়া যায়। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dominica">ডোমিনিকান</a> ব্লগার <a href="http://livingdominica.blogspot.com/2007/10/it-is-almost-creole-time.html">লিভিং ডোমিনিকার</a> একটা পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে দুই বছর আগে যেখানে আমরা দেখতে পারি যে আরো কিছু দেশে এই উদযাপন কেবলমাত্র একটা অনুষ্ঠান না:</p>
<blockquote><p>ডোমিনিকাতে এই মাস ক্রেওলের সময়, যেটা আমার খুব প্রিয় অনুষ্ঠান। এই সময় একটা উৎসব যা সকল ডোমিনিকানকে সম্মানিত করে। সবাই ফুর্তির সাথে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস (নভেম্বর ৩) আর বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব ( অক্টোবর ২৬-২৮)।</p></blockquote>
<p>উপরে উল্লিখিত <a href="http://www.wcmfdominica.com/">বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব</a> ১৩ বছর আগে জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাসকে নভেম্বর ৩, ১৯৭৮ সালে পাওয়া দ্বীপের স্বাধীনতা উদযাপনের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য ডোমিনিকান সরকারের ইচ্ছার কারনে।</p>
<p>এইসব থেকে, এটা প্রায় স্পষ্ট যে ক্রেওল মাস আর ক্রেওল দিবস, অক্টোবর ২৮, একই ভাবে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় না। এখানে ২০০৯ এর ক্রেওল দিবস নিয়ে কিছু পোস্ট আছে:</p>
<p>লন্ডন থেকে <em>এমবি এমবি</em>  ‘<a href="http://www.mbmbcharity.com/">মিনম বিতেন, মিনিম বাগায়</a>’ দল (গুয়াদেলোপিয়ান আর মারটিনিকান ক্রেওল কথা যার মানে ‘সবই এক’) একটা পোস্ট লিখেছেন মানুষকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করার জন্য যা সেপ্টেম্বর ২৭, ২০০৯ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে আর তাদের আগের ‘এমবিএমবি ক্রেওল দিবস’ স্মরণ করার জন্য।</p>
<p>কানাডাতে, ক্রেওল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.kepkaa.com/moisducreole/index.html">কেপকা</a> মানুষকে আমন্ত্রণ করেছে  মন্ট্রিয়ালে ক্রেওল মাস উদযাপনের জন্য। তারা হাইতির ক্রেওল ভাষায় একটা পোস্টে এই আহ্বান করে যার নাম ‘হাইতিয়ান ক্রেওল -ক্রেওল সংস্কৃতি এক সাথে উদযাপন করি’।  <a href="http://www.misscreolecanada.com/">মিস ক্রেওল কানাডা সুন্দরী প্রতিযোগীতা</a> নামে আরেকটি কানাডার অনুষ্ঠান ঘোষিত হয়েছিল আর ফেসবুকে প্রচারিত হয়েছিল। ক্রেওল মাস উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এবার ১৭ই অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=37345708168&#038;v=wall&#038;ref=search">ক্রেওল সম্প্রদায়ের একজন সুন্দরীকে বাছাই করা </a> হলো।</p>
<p>প্যারিসে, ব্লগার <a href="http://karucrea.blogspot.com/2009/10/tan-kreyol-transmission-octobre-2009.html">আনবা পায় মাঙ্গো লা</a> একটা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ঘোষণা করেছেন “তান ক্রেওল’ নামে (ক্রেওল ভাষায় ‘ক্রেওল শোনেন’) যেখানে ক্রেওলের মৌখিক ভাষাকে সম্মানের আসন দেয়া হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Senn-la wouvè ba tout moun : poèt, chantè, slamè, makè, kontè, mizisyen… .</p></blockquote>
<div class="translation">মাইক সবার জন্য উন্মুক্ত: কবি, সঙ্গীত শিল্পী, কবিতা অবমাননা কারী। লেখক। গল্প কথক, বাদ্যশিল্পী&#8230;</div>
<p>গুয়াদেলুপে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মাসব্যাপী অনুষ্ঠান ঠিক করেছে যা বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হবে, (ক্রেওল অক্টোবর, ক্রেওল মোশন) উদযাপনের জন্য। <a href="http://guadeloupe.coconews.com/actualite-guadeloupe,mois-du-creole-mwa-oktob-kreyol-en-mouvman,1070.html">গুয়েদালুপ.কোকোনিউজ</a> অনুষ্ঠানের প্রধান দুটি জিনিষ  উল্লেখ করেছেন:</p>
<blockquote><p>1. Prèmyé dékatman ba tout moun<br />
2. Dézyèm dékatman èvè zanfan-lékòl
</p></blockquote>
<div class="translation">১। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায় সকলের জন্য উন্মুক্ত<br />
২। দ্বিতীয় অংশ ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট</div>
<p>পরিশেষে মার্টিনিক থেকে, <a href="http://www.montraykreyol.org/spip.php?article3122">মন্ট্রেক্রেওল</a> একটা পোস্ট ছাপিয়েছেন যেটা সেখানে ক্রেওল মাস উদযাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আর বিশেষ করে ক্রেওলকে এক সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠান করে উদযাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে:</p>
<blockquote><p>    Es ou ka kwè ki an sel simenn pou défann kréyol adan tout lanné-a sifizan ?</p>
<p>    CLAUDE MARLIN : Dapré mwen non, sa ja an pal pou kréyol-la menm manniè ki tout travay-la ki za fet asou lang-lan. Men fok pandan tout lanné-a, ni travay ki pou fet, fok véyatif toulong, pas menm si kréyol ka rantré latélévizion, laradio, nan piblisité kontel, bien délè sa ka an kréyol toubònman, tjòlòlò ek sa pé désèvi lang-la.</p></blockquote>
<div class="translation">আপনাদের কি মনে হয় বছরে এক সপ্তাহ ক্রেওলকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট?</p>
<p>ক্লোদ মার্লিন: আমার মনে হয় না কিন্তু ক্রেওলের জন্য এটা একটা বড় ব্যাপার - এই ভাষা নিয়ে আর যা করা হয়েছে সে সবের মতই। কিন্তু সারা বৎসরব্যাপী কিছু না কিছু হওয়া উচিত আর আমাদের সব সময়ে সাবধান থাকা উচিত, কারণ টিভিতে, রেডিও বা বিজ্ঞাপনেও যখন ক্রেওল বলা হয় উদাহরণ স্বরূপ, বেশীরভাগ সময় এটা কাঁচা বা ভাঙ্গা ভাঙ্গা, যা এই ভাষার একত্রীকরণের জন্য ক্ষতিকারক।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এইচআইভি আক্রান্তদের ব্লগিং: &#8220;ভালোবাসা এখনো সম্ভব&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2009 15:05:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কঙ্গো রিপাব্লিক]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5267</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। যদিও এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/13/blogging-with-hiv-love-is-still-possible/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।</p>
<p>এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে। কোটি কোটি লোক এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে, কিন্তু এই বাস্তবতা যে এটাকে সবাই খুব ভয় পায় আর এটা যৌন সংসর্গে ছড়াতে পারে, তার মানে হল এইচআইভি নিয়ে বসবাসকারীরা প্রায় ধিক্কৃত হন। তারপরেও ডজন ডজন সাহসী মানুষ তাদের গল্প লিপিবদ্ধ করেন, আর মাঝে মাঝে তাদের অধিকার বা ভালো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য প্রচারণাও করেন ব্লগ বা ইন্টারনেট ফোরামে, যেখানে সবাই পড়তে পারে।</p>
<p><code><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1" style="color:#0000FF;text-align:left">ব্লগিং পজিটিভলি ম্যাপ</a> বড় করে দেখতে ক্লিক করুন</small></code></p>
<p><strong>দক্ষিণ আফ্রিকা:</strong></p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে <em>বুসি</em> নামে একজন কবি আর ব্লগার ধর্ষিত হওয়ার ছয় মাস পরে ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে জানতে পারেন যে তার দেহে এইচআইভি ভাইরাস ঢুকেছে।</p>
<p>এখানে রয়েছে তার দু:খের কাহিনী, যা তিনি তার ব্লগ <a href="http://latifah.wordpress.com/2006/12/22/happy-birthday-to-me/">মাই রিয়ালিটিজ</a> এ লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>বেশী দিন হয়নি জানতে পারলাম যে আমি এইচআইভি তে আক্রান্ত। আমি অনেক বেশীবার আক্রান্ত আর ধর্ষিত হয়েছি যার ফলে এই ভাইরাসে আমি আক্রান্ত হয়েছি। কারণ হল যে আমি একজন নারী যে নিজেকে সমকামী বলি একজন মহিলার সাথে আমার সম্পর্কের কারনে। আমাকে আক্রমণকারী আর বিভিন্ন ধর্ষক পুরুষরা এমন করেছে আমাকে বোঝানোর জন্য যে নারী হওয়ার আসল মানে কি।</p></blockquote>
<p><em>বুসি</em> এই সুন্দর পৃথিবীতে বাঁচতে পারেন নি যেহেতু তিনি <a href="http://latifah.wordpress.com/2007/03/17/goodbye-busisiwe-231281-120307/">২০০৭ সালের মার্চ মাসে রোগে ভুগে মারা যান</a>। কিন্তু তার ব্লগ আর কবিতা তার জীবনের শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে, যেমন আছে তার মত আরও অনেকের ব্লগ যতদিন পর্যন্ত না এর উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যায়।</p>
<p><strong>চীন:</strong></p>
<p>চীনের এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার লি জিয়ান এইচআইভিতে আক্রান্ত হন কিশোর অবস্থায়, উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকা কালে <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/01/china-aids-blogger-li-xiangs-unextraordinary-life/">রক্ত দানের সময়</a>। ২০০৫ সাল থেকে ব্লগিং শুরু করেন যখন তার বয়স বিশের ঘরে ছিল। এই বছরের শুরুর দিকে একটা ব্লগ পোস্টে ( চীনা ভাষায়) তিনি এইডসকে <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46f3d7910100byk0.html">প্রতি ভয় কমানোর চেষ্টা করেছেন</a> এই বলে যে অন্যান্য জীবনঘাতী অসুখের চাইতে বেশী এইডসকে ভয় করা উচিত না, আর তিনি নিজে ভীত না চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির কারণে।</p>
<p><strong>ফিলিপাইন্স:</strong></p>
<p><em>কিকস</em> হচ্ছে হংকং এর কাউলুন এ বসবাস রত একজন ফিলিপিনো ব্লগার । ২০০৭  সালে তিনি আবিষ্কার করেন যে তার এইচআইভি আছে আর এটা নিয়ে কিভাবে আছেন সেটা <a href="http://bikolanongtsekwangbakla.blogspot.com/2007/07/sounding-alarm.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়া একেবারেই গুরুতর কিছু না।</p>
<p>এটা যেন সারা জীবনের জন্য হার্টের অসুখ হওয়া যদিও আমার ডাক্তাররা বলেছেন যে এটা ডায়বেটিস হওয়ার থেকে ভালো। আজকাল এত ভালোভাবে ঔষধ পাওয়া যায়, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ক্যান্সারের রোগী, রক্ত শূন্য বা বয়স্ক যারা ম্যানিলার মতো দূষিত শহরে থাকেন তাদের থেকে বেশী দিন বাঁচবেন।</p></blockquote>
<p><strong>যুক্তরাজ্য:</strong></p>
<p><em>ফ্রিরেঞ্জলাইফ</em>  নামের ব্লগার যুক্তরাজ্যের একজন সমকামী পুরুষ যিনি এইচআইভি নিয়ে ২০ বছরের বেশী বেঁচে আছেন। তিনি <a href="http://mylifepositive.com/wpmu/ukguy/2009/07/22/mr-angry-2/">সাম্প্রতিক একটা পোস্টে</a> সাবধানতা অবলম্বনের ব্যাপারে গাফিলতি করার বিপদের কথা লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমরা প্রায় ২০ বছরের বেশী এইচআইভি সম্পর্কে জানি, মানুষ এর বিপদের কথা জানে। তাহলে এটা তবুও কেন হয়? এর কারণ আমরা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করি আর ভাবি ‘এটা আমার সাথে কখনো হবে না।“</p></blockquote>
<p><strong>কঙ্গো প্রজাতন্ত্র:</strong></p>
<p><em><a href="http://aidsrightscongo.org/?p=103">এইডস রাইট কঙ্গো</a></em> ব্লগের <em>ডেভি হারমান মালান্ডা</em> গত বছর লিখেছিলেন নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার খবর অন্যদের জানানোর বিপদ সম্পর্কে। তিনি বেরনাডেটা (নকল নাম) নাম্নী এক মহিলার গল্প বলেছেন, যিনি কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পোয়াঁ নোয়ারে টি-টি বাজারে পুরানো কাপড় বিক্রি করেন:</p>
<blockquote><p>বেরনাডেটার জীবন পাল্টিয়ে গিয়েছিল যখন তার কাছের বন্ধু তার এইচআইভি হওয়ার কথা সবাইকে জানিয়ে দেন। তার সহকর্মী আর গ্রাহকেরা জেনে যায় যে সে এইচআইভি পজিটিভ। ফলে বাজারে তার টেবিলে খুব কম গ্রাহক কাপড় কিনতে আসত। তার জীবন কষ্টের হয়ে যায়, আর সংসার চালানোর জন্যে রোজকার করা তার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।</p></blockquote>
<p>কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ব্রাজাভিল থেকে <em>অরেলি</em> <a href="http://aidsrightscongo.org/?p=111">লিখেছেন</a> তার নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার কথা জানতে পারার আঘাতের কথা:</p>
<blockquote><p>প্রাথমিকভাবে এটা আমাকে এক টন ইটের মতো এসে আঘাত করেছিল। আমি সাথে সাথে আমার জীবন পাল্টাতে দেখেছি আর দু:শ্চিন্তা আমার মাথায় চেপে বসেছিল।</p></blockquote>
<p>তিনি আরো লিখেছেন যে তার পরিবারের সহায়তায় আর একটা অলাভ জনক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় এখন তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন।</p>
<p><strong>যুক্তরাষ্ট্র:</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক <a href="http://blogs.poz.com/">পজ ব্লগ</a> নেটওয়ার্কের একটা ব্লগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মিশেল লিখেছেন যে এইচআইভি নিয়েও ‘<a href="http://blogs.poz.com/michelle/">ভালোবাসা এখনো সম্ভব</a>’ আর জানিয়েছেন কিভাবে তিনি তার নতুন জীবন সঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি এই পরামর্শও দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>যারা নতুন আক্রান্ত বা যারা একা থাকতে থাকতে ক্লান্ত, আশাহত হবেন না। ভালোবাসাতে হার মানবেন না। আপনার সব থেকে যখন প্রয়োজন আর আপনি যখন একেবারেই আশা করছেন না তখন এটা আপনিই আসবে।</p></blockquote>
<p><strong>কেনিয়া:</strong></p>
<p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার মানে এই না যে বৈষম্যের কারনে আপনি সব ধরনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন। <em><a href="http://rising.globalvoicesonline.org/repacted/2008/12/03/world-aids-day-mr-and-miss-red-ribbon-2008/">মি: আর মিস রেড রিবন</a></em> একটা চ্যারিটির অনুষ্ঠান আর ফ্যাশন শো যা  কেনিয়ার নাকুরুর তরুণ সংঘ প্রতি বছর আয়োজন করেন। <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/">রাইজিং ভয়েসেস</a> এর কেনিয়ার ব্লগিং প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/repacted-kenya/">রিপ্যাক্টেড</a> এর সদস্য এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার <em>মরিন</em> এর একজন প্রতিযোগী ছিলেন আর <a href="http://maureenakinyi.blogspot.com/2008/12/blogging-positively.html">তার অভিজ্ঞতা ব্লগে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি ২০০৬ সাল থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে আসছি আর এর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করি একটা কারনে, ঘৃণা আর বৈষম্যকে এটি ঘুচিয়ে দেয়। মি: আর মিস রেড রিবন আক্রান্ত আর ক্ষতিগ্রস্তদের এক মঞ্চে আনে সৌন্দর্যকে বিশেষ ভাবে উদযাপনের জন্য। অনুষ্ঠানের সময়ে দর্শক সৌন্দর্যকে উপভোগ করেন মডেলদের দেখে, আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে না।</p></blockquote>
<p><em>উপরের <a href="http://maps.google.com/maps/ms?ie=UTF8&#038;hl=en&#038;msa=0&#038;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&#038;ll=24.527135,14.765625&#038;spn=120.298584,316.40625&#038;z=2">গ্লোবাল ভয়েসেস এর তৈরি এইচআইভি পজিটিভ ব্লগারদের গুগল ম্যাপ</a> এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার আর তাদের সাহায্য কারীদের কণ্ঠকে তুলে ধরে, আর এইচআইভি/এইডস এর সাথে জড়িত অন্যান্য নাগরিক মিডিয়াকেও। ম্যাপের লিঙ্কে ক্লিক করে আপনারা এ ধরনের আরো বিস্ময়কর গল্প পড়তে পারেন। </em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আজারবাইজান: স্কেয়ারি আজেরির সাথে একটি সাক্ষাৎকার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4349/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4349/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 23 Jul 2009 15:11:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[CATEGORIES]]></category>
		<category><![CDATA[LANGUAGES]]></category>
		<category><![CDATA[আজারবাইযান]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[পডকাস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগার প্রোফাইল]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4349</guid>
		<description><![CDATA[লজ্জাহীনভাবে ঠোঁটকাটা, কিন্তু সব সময়ে মজার, স্কেয়ারি আজেরি ইন সাবার্বস ব্লগ দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস এলাকা সম্পর্কে আগ্রহীদের কাছে আর স্থানীয় মিডিয়া দ্বারা তার পোস্ট আবারো পুন:মুদ্রিত হয়েছে আজারবাইজান ভাষায়। গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন স্কেয়ারি আজেরির সাক্ষাৎকার নিয়েছে ব্লগিং, টুইটিং, সাংস্কৃতিক সংঘাত, দানব আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্যে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অনিক ক্রিকোরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/10/azerbaijan-an-interview-with-scary-azeri/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ ককেশাসে ব্লগিং বেশ জনপ্রিয় হয়েছে যদিও সেদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার এখনো কম। অনেক ক্ষেত্রে, রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকে পড়া গতানুগতিক মিডিয়া যেই শূন্যস্থান রেখে যাচ্ছে ব্লগ এসে তা পূর্ণ করছে। দক্ষিণ ককেশাসের অন্তর্ভুক্ত তিন দেশের ব্লগ এলাকার বাইরেও ব্যপ্ত কারন প্রত্যেক দেশেরই প্রবাসী সক্রিয় ব্লগার আছে।</p>
<p>এমনি একটা ব্লগ, <a href="http://scaryazeri.blogspot.com/">স্কেয়ারি আজেরি ইন সাবার্বস</a>, সাংস্কৃতিক সংঘাতের ব্যাপারটা তুলে ধরেছে যা স্থানীয় আর বিদেশীদের মধ্যে সাক্ষাৎে বা যোগাযোগে উন্মোচিত হয়:</p>
<blockquote><p>আমি ৩৬ বছরের একজন মা, শহরতলীতে থাকি। হ্যঁ, আমি জানি। মাদের লেখা অনেক ব্লগ আছে। তাতে কি? আমিও একটা ব্লগ চাই। আমি যে কোন শহরতলীর মা না যে কিছু না করতে পেরে ব্লগ করতে চায়। আমি যুক্তরাজ্যের এক শহরতলীতে বসবাসরত এক ভীতিকর আজেরি মা। যদি আপনার কোন ধারণা না থাকে যে আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি, পড়ে যান। আমি আমার চিরাচরিত পূর্ব ইউরোপীয় ধরনে আপনাদেরকে বোঝাতে চাইব আর ব্যাখ্যা করব যে কেমন হবে আপনার পৃথিবী পাল্টাতে- অদ্ভুত সোভিয়েত-উত্তর মুসলিম প্রজাতন্ত্র থেকে লন্ডনের কাছের একটা ধনী শহরতলীতে যাওয়ার মাধ্যমে।</p></blockquote>
<p>লজ্জাহীনভাবে ঠোঁটকাটা, কিন্তু সব সময়ে মজার, এই ব্লগ দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস এলাকা সম্পর্কে আগ্রহীদের কাছে আর স্থানীয় মিডিয়া দ্বারা তার পোস্ট আবারো পুন:মুদ্রিত হয়েছে আজারবাইজান ভাষায়। গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন স্কেয়ারি আজেরির সাক্ষাৎকার নিয়েছে ব্লগিং, টুইটিং, সাংস্কৃতিক সংঘাত, দানব আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্যে।  </p>
<p>ঘটনাক্রমে, তার এমন নাম সত্ত্বেও গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন স্কেয়ারি আজেরিকে আর যাই হোক না কেন ভীতিকর ভাবে না:<br />
<img src="http://1.1.1.3/bmi/globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/scaryazeri.gif" alt="scary azeri" /></p>
<div class="translation">গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনকে সাক্ষাৎকার দিতে যাচ্ছে, তাই ভীতিকর আজেরী ভয় পাচ্ছে</div>
<p><em>স্কেয়ারি আজারি ইন সাবার্ব</em> আছে <a href="http://scaryazeri.blogspot.com">http://scaryazeri.blogspot.com</a> এই ঠিকানায় আর টুইটারেও এটাকে অনুসরণ করা যায় <a href="http://www.twitter.com/scaryazeri">http://www.twitter.com/scaryazeri</a> । পডকাস্ট সাক্ষাৎকার অনলাইনে শোনা যাবে বা নীচে ডাউনলোড করা যাবে।</p>
<podpress>
<em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4349/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
<enclosure url="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/scary_azeri_interview.mp3" length="2736956" type="audio/mpeg" />
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাজ্য: আদালত একজন ব্লগারের বেনামী থাকার অধিকারের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/06/4048/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/06/4048/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 06 Jul 2009 23:48:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4048</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজুডিথ টাউনেন্ড  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
যুক্তরাজ্যের ব্লগারদের জন্য নতুন এক আইনী নজির স্থাপিত হয়েছে।
গত সপ্তাহে ইংল্যান্ড আর ওয়েলসের হাই কোর্ট এর বিচারক জনাব ইডি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে একজন পুলিশ অফিসার যিনি তার আগের কাজের জীবন নিয়ে বেনামে লিখেছিলেন তার নাইটজ্যাক নামক ব্লগে, তার কোন অধিকার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/judith-townend/">জুডিথ টাউনেন্ড</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/06/23/united-kingdom-court-decides-against-a-bloggers-rights-to-anonymity/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যুক্তরাজ্যের ব্লগারদের জন্য নতুন এক আইনী নজির স্থাপিত হয়েছে।</p>
<p>গত সপ্তাহে <a href="http://www.bailii.org/ew/cases/EWHC/QB/2009/1358.html">ইংল্যান্ড আর ওয়েলসের হাই কোর্ট এর বিচারক জনাব ইডি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন</a> যে একজন পুলিশ অফিসার যিনি তার আগের কাজের জীবন নিয়ে বেনামে লিখেছিলেন তার নাইটজ্যাক নামক ব্লগে, তার কোন অধিকার নেই বেনামী থাকার।</p>
<p>মামলার বাদী- <a href="http://news.bbc.co.uk/1/hi/uk/8103731.stm">এখন যার আসল পরিচয় জানা গেছে - ডিটেক্টিভ কন্সটেবল রির্চাড হর্টন </a>– অকৃতকার্য হয়েছেন দ্যা টাইমস সংবাদপত্রের (ইউকে) বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আনতে তার নাম না প্রকাশের জন্য। আদালতের রায়ের ফলে হর্টনকে তার পুলিশ বাহিনী, ল্যাঙ্কাশায়ার কন্সটেবেলারী থেকে লিখিত সাবধানবাণী দেয়া হয়েছে।</p>
<p>এটি কি প্রকাশের স্বাধীনতার বিজয় (দ্যা টাইমস এর জন্যে) &#8230;  না প্রকাশের স্বাধীনতার উপরে চুড়ান্ত বাধা (বেনামী ব্লগারদের জন্যে)? এ নিয়ে জনমত বিভক্ত, যদিও ব্লগে খুঁজলে শেষের দিকে মত বেশী ভারী হবে।</p>
<p>বিচারপতি বলেছেন <em>নাইটজ্যাক</em> (ব্লগের লেখাগুলো) ‘তথ্য হিসাবে যোগ্য না যার জন্য বাদী বেশ কিছুটা গোপনীয়তার আশা করছেন- কারন ব্লগিং একটি পাবলিক কাজ।“ বিচারপতি ইডি, যিনি যুক্তরাজ্যে তার গোপনীয়তা রক্ষা সংক্রান্ত রায়ের জন্য বিখ্যাত, বলেছেন:</p>
<blockquote><p>“তারপরেও, আমি যদি এই ব্যাপারে ভুল হয়ে থাকি, আমি বিবেচনা করি যে বাদীর পক্ষ থেকে এমন কোন গোপনীয়তার দাবি বিচারে দুর্বল হয়ে যাবে জনগণের পাল্টা স্বার্থের কারনে যে একজন পুলিশ অফিসার এই ধরণের যোগাযোগ করছেন।“</p></blockquote>
<p>আর ব্লগারদের জন্য এই রায়ের প্রভাব? “যারা এই মাধ্যমের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে তুলে ধরতে চান প্রায়শ:ই পদক্ষেপ নেন তাদের পরিচয় গোপন করতে, কিন্তু আমার বিচারে এটা গুরুত্বপূর্ন আরো এক ধাপের তর্ক, যদি অন্যরা তাদের পরিচয় অনুমান করতে পারে, তাদেরকে আইন দ্বারা কেন বাধ্য করা হবে সেটা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্যে?“</p>
<p>এটা খুব কঠিন যুক্তরাজ্য (বা আর্ন্তজাতিক) ব্লগের জগতে কাউকে খুঁজে পাওয়া যারা ব্যাপকভাবে দ্যা টাইমসের পক্ষে এই বিচারকে সমর্থন করবেন; আর এ ব্যাপারে দ্যা টাইমসের লড়াই নিয়ে লেখা নিজস্ব রিপোর্ট মন্তব্যকারীদের কাছ থেকে কঠিন সমালোচনা পেয়েছে, যদিও, <a href="http://www.malcolmcoles.co.uk/blog/times-comments-nightjack/"> ম্যালকোম কোলস</a> যেমন বলেছেন, খারাপ মন্তব্যগুলো একটু কঠিন খুঁজে পাওয়া (মুছে দেয়া হয়েছে?) &#8230;.</p>
<p>তিনটি জিনিষ মনে রাখা উচিত এই তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে:</p>
<ul>
<li>নাইটজ্যাক বিচারক প্যানেলের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন ব্লগিং এর জন্য সম্মানজনক অরওয়েল পুরষ্কার জেতার জন্য। পুরষ্কারের পরিচালক, জন সেটন, তর্ক করেছেন কেন তিনি বিশ্বাস করেন যে বিচারপতি ইডির এই রায় ভুল, এখানে, <a href="http://www.guardian.co.uk/media/organgrinder/2009/jun/17/nightjack-blog-times-silenced">গার্ডিয়ান অর্গান গ্রাইন্ডার ব্লগে</a>।</li>
<li>হর্টন, যিনি তার ব্লগে লেখা শেষ করে দিয়েছিলেন এই পুরষ্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হওয়ার পরে, তার পুরষ্কার পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ট্রাস্টে দান করেছেন।</li>
<li>দ্যা ট্যাইমসের একটা <a href="http://technology.timesonline.co.uk/tol/news/tech_and_web/the_web/article6515988.ece">মূল যুক্তি</a> ছিল তাকে বের করার জন্য যে ‘তিনি ব্লগ আরো ব্যবহার করছিলেন তার তদন্ত করা কেসের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করায়, যা সত্যি ঘটনার সাথে মিলে যায়।“</li>
</ul>
<p>ব্লগার আর মন্তব্যকারীরা প্রবলভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, অনেকে আবার ব্যক্তিগতভাবে প্যাট্রিক ফস্টারকে আক্রমন করেছেন। ইনি সেই সাংবাদিক যার সম্পর্কে ইডি বলেছেন যে তিনি দি টাইমসের ‘উন্মোচন আর গোয়েন্দা’ প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে আছেন। আমি এর আগে বেশ ভালো কিছু লিঙ্ক একত্র করেছিলাম <a href="http://blogs.journalism.co.uk/editors/2009/06/17/right-of-a-bloggers-anonymity-a-selection-of-views/">জার্নালিজম.কো.ইউকে</a> এডিটরস ব্লগ আর আমার <a href="http://fromtheonline.com/2009/06/17/nightjack-issues-raised/">নিজের ব্লগে</a> যেখানে এই গল্প বলা হয়েছে। এখানে তার থেকে কিছু প্রাসঙ্গিক ব্লগ পোস্টের বাছাই দেয়া হলো, যা মজার কিছু পার্থক্য তুলে ধরে। মতামত প্রদানকারীর মধ্যে আছেন:</p>
<li>যাদের অভিজ্ঞতা আছে ‘উন্মোচিত’ হওয়ার। যেমন, <a href="http://girlwithaonetrackmind.blogspot.com/2009/06/privacy.html">দ্যা গার্ল উইথ আ ওয়ান ট্রাক মাইন্ড</a> ব্লগের- একসময়ের <em>অ্যাবি লি</em>, এখন যিনি নিজের নামে পরিচিত, <em>জোই মারগোলিস</em>।</li>
<li>যারা ব্লগিং পুলিশ অফিসার হিসাবে তাদের অজ্ঞাতে থাকার অধিকার সমর্থন করেন। যেমন <a href="http://pcbloggs.blogspot.com/">পিসি ব্লগস</a></li>
<li>অন্য যারা সরকারী স্থানে কাজ করেন আর তাদের জীবন ও কাজ নিয়ে লেখেন। যেমন, <a href="http://randomreality.blogware.com/blog/_archives/2009/6/16/4224292.html">টম রেইনল্ডস</a>, একজন এম্বুলেন্স চালক, যার আবার বইয়ের একটা চুক্তি আছে।</li>
<li>যারা মনে করেন নাইটজ্যাক কিছুটা সরল ছিলেন অজ্ঞাত থাকার তার প্রচেষ্টার ব্যাপারে: যেমন <a href="http://www.lettersfromatory.com/2009/06/17/is-anonymous-blogging-under-threat-after-nightjack-was-identified/">ট্রয় থেকে চিঠি</a></li>
<li>যারা মনে করেন দ্যা টাইমসের, কোন ক্ষেত্রে, যথাযথ যুক্তি ছিল নাম উন্মোচনের। যেমন <a href="http://martincloake.wordpress.com/2009/06/19/that-was-the-week-that-was/">মার্টিন ক্লোকে</a> আর <a href="http://fleetstreetblues.blogspot.com/2009/06/why-times-was-right-to-challenge.html">ফ্লিটস্ট্রিটব্লুস</a>।</li>
<li>যারা তুলনা করেন বেনামী ব্লগার আর বেনামী সাংবাদিক সূত্রের মধ্যে। যেমন <a href="http://predocsblog.blogspot.com/2009/06/no-anonymity-for-bloggers.html">সারা ম্যাকোন্নেল</a> আর <a href="http://www.chickyog.net/2009/06/16/nightjack-the-cloak-of-anonymity-and-the-mankini-of-hypocrisy/">জাস্টিন ম্যাকিটিং</a>।</li>
<li>যারা এই কেসের ব্যাপারে দ্যা টাইমসের পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। যেমন <a href="http://hopisen.wordpress.com/2009/06/16/defend-jack-night/">হোপি সেন</a>, যিনি এক সময়ে বেনামী ব্লগার ছিলেন।</li>
<p>এটা কেবলমাত্র একটা জটিল বির্তকের সারমর্ম। হয়তো আদালতের রায় সবাইকে এতো বিষ্মিত করেছে কারন এটা যুক্তরাজ্যে হয়েছে। আমরা একটা দমিয়ে রাখা একনায়কতন্ত্রে বাস করি না যেখানে মিডিয়ার আইন ভীতির মুখে। আমাদের যেখানে কঠোর আইন আছে, আমাদের প্রকাশের স্বাধীনতা আরো বিস্তারিত অনেক সমাজের থেকে। হয়তো বিশ্বের অনেক দেশের থেকেও- আর এর কারন কেবলমাত্র এই না যে ইংরেজী ভাষা অনেকেই বোঝে। তারপরেও একজন পুরষ্কার পাওয়া ব্লগার, যার কন্ঠ, তর্ক করা যায়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সাহায্য করেছে (<a href="http://www.guardian.co.uk/media/organgrinder/2009/jun/17/nightjack-blog-times-silenced">সিটনের প্রবন্ধ দেখুন</a>), কিন্তু বেনামী থাকতে পারেনি।</p>
<p>কোন সীমা পর্যন্ত এটা যুক্তরাজ্যের ব্লগারদের প্রাইভেসী আর বেনামী থাকার অধিকারের ভবিষ্যৎের উপরে প্রভাব ফেলে তা দেখার বিষয়। আমি আবার জানাবো। এর মধ্যে, যারা সবাই বেনামে ব্লগিং করছেন হয়তো উপকৃত হবেন যদি তারা <a href="http://advocacy.globalvoicesonline.org/projects/guide/">গ্লোবাল ভয়েসেস এডভোকেসির এ সংক্রান্ত গাইডলাইন</a> দেখেন&#8230; তাহলে তাদের সু্যোগ থাকতে পারে বেনামী থাকায় সফল হওয়ায়। <a href="http://blogs.journalism.co.uk/editors/2009/06/17/right-of-a-bloggers-anonymity-a-selection-of-views/">ল্যাঙ্কাশায়ারের শহরে জি-জুতসু</a> প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তা নিয়ে লেখাটা হয়তো হর্টনের পক্ষে বেপরোয়া কাজ হয়েছে।</p>
<p>এ নিয়ে অন্য যে কোন ভালো লিঙ্ক পেলে অনুগ্রহ করে মন্তব্যের স্থানে জানাবেন।  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/06/4048/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গুর্খা: বৈষম্যের দীর্ঘ ইতিহাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/16/3057/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/16/3057/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 16 May 2009 16:11:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3057</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনভুমিকা ঘিমিরে  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
গুর্খা হচ্ছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে কাজ করা নেপালী তরুণ যারা রানী আর যুক্তরাজ্যকে প্রায় দুই দশক ধরে সেবা দিয়েছে। দূর্ভাগ্যবশত: ব্রিটিশ সরকার তাদের কাজ আর আত্মদানের স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করেছে।
গত সপ্তাহে, ব্রিটিশ প্রেস আর ব্লগের জগৎ মুখর ছিল নতুন এক [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/11/the-gurkhas-long-history-of-discrimination/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/05/gurkha.jpg"><img alt="রিমেমব্রেন্স ডে প্যারেডে গুর্খা সৈন্যরা। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী রডার্জের সৌজন্যে।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/05/gurkha.jpg" title="গুর্খা সেনারা" width="400" /></a><p class="wp-caption-text">রিমেমব্রেন্স ডে প্যারেডে গুর্খা সৈন্যরা। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী রডার্জের সৌজন্যে।</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gurkha">গুর্খা</a> হচ্ছে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে কাজ করা নেপালী তরুণ যারা রানী আর যুক্তরাজ্যকে প্রায় দুই দশক ধরে সেবা দিয়েছে। দূর্ভাগ্যবশত: ব্রিটিশ সরকার তাদের কাজ আর আত্মদানের স্বীকৃতি দেয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব করেছে।</p>
<p>গত সপ্তাহে, ব্রিটিশ প্রেস আর ব্লগের জগৎ মুখর ছিল নতুন এক সরকারী প্রস্তাবনার ব্যাপারে যা <a href="http://www.army.mod.uk/gurkhas/7544.aspx">গুর্খা ব্রিগেডের</a> যোদ্ধাদের প্রতি বিরুপ। <a href="http://www.annaraccoon.com/politics/gurkhas-ira-%E2%80%98snub%E2%80%99-nosed-bullets-for-the-gurkhas-2028.html"><em>আনা রেকুন</em></a> প্রস্তাবনার কথা লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>“৫ জন এমপি, যারা আইআরএর রাজনৈতিক শাখার প্রতিনিধিত্ব করেন; যারা তাদের সংসদের আসন এখনও গ্রহন করেননি কিন্তু দ্বিতীয় বাড়ির জন্য ৫ লাখ পাউন্ড দাবী করেছেন। এটা কষ্টকর যে একই সাথে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে আমাদের &#8216;সামর্থ নেই&#39; প্রায় ১৫০০ জন গুর্খাকে, যারা ব্রিটিশ সেনার পক্ষে প্রায় সকল মূল যুদ্ধে লড়েছেন; প্রথম আফগান যুদ্ধ থেকে বসনিয়া, ফল্কল্যান্ড আর সাম্প্রতিক ইরাক, তাদের ‌আমরা যুক্তরাজ্যে থাকতে দিতে পারব না। কিন্তু আমরা আইআরএর প্রাক্তন যোদ্ধাদের লন্ডনে একটি  একটি বাড়ী দিয়ে &#8216;পুনর্বাসিত&#39; করতে পারি, একেবারে &#8216;স্যামসন&#39; ২৮ ইঞ্চি ওয়াইডস্ক্রীন টেলিভিশন, আর সনি ডিভিডি সারাউন্ড সিস্টেম সিনেমা সহ মাসে ৫৪০০ পাউন্ড দিয়ে!</p>
<p>সত্যি, গুর্খারা আজ সকালে ভাবতে পারেন যে তারা কি ভুল সেনাদের দিকে তাদের বন্দুক তাক করেছিলেন? গর্ডন ব্রাউন &#8216;মিথ্যা আর কল্পনার চাদর&#39; ব্যবহার করেছেন এই দাবি করতে যে ব্রিটেনে গুর্খাদের থাকতে দিতে করদাতাদের অতিরিক্ত ১.৪ বিলিয়ন মূল্য দিতে হবে।”</p></blockquote>
<p>সাংহাই থেকে <em>পল ফ্রেঞ্চ</em> গুর্খাদের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের আচরনে বিরক্ত। তিনি অভিনেত্রী জোয়ানা লুমলের গুর্খাদের জন্য প্রচার কাজের প্রতি <a href="http://chinarhyming.blogspot.com/2009/05/gurkhas-justice-and-national.html">সমর্থন জানান</a>:</p>
<blockquote><p>“বর্তমানে গুর্খাদের সমর্থনে একটি প্রচারাভিযান চলছে যা গুর্খাদের আরো সাহায্য আর সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাজ্য সরকারকে চাপ দিচ্ছে। একে গুর্খা ন্যায় বলা হচ্ছে যা মানুষের কল্পনাকে জাগাতে পেরেছে আর ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল লিবারেল ডেমোক্রাটরা হাউস অফ কমন্সে একটা মোশন ‌উত্থাপন করায় যে সকল গুর্খা যুক্তরাজ্যে থাকার সমান অধিকার পাবে। এর ফলে সরকার ২৬৭ আর ২৪৬ ভোটে হেরে যায়। এটি সরকারের জন্য ১৯৭৮ সালের পরে প্রথম মোশন পরাজয়। কমন্সের ভোট বাধ্যতামুলক না, কিন্তু এটা সরকারের জন্য একটা লজ্জা। তবুও ইমিগ্রেশন মন্ত্রী ফিল উলাস (আর আমার অভিজ্ঞতায় একজন খারাপ ব্যক্তিকেন্দ্রিক পেশাজীবি - আমার কলেজের সময়ে সে জাতীয় ছাত্র ইউনিয়নের প্রধান ছিল- একজন খুবই খাপ পিচ্ছিল লোক যে অবশ্যই এক বিন্দু পাল্টায়নি) অসত্য আর মিথ্যা তর্ক করে যাচ্ছেন।”</p></blockquote>
<p>যেমন গুর্খাদের ব্রিটেনে স্থায়ী হওয়া আর সঠিক পেনশন পাওয়ার ব্যাপারটা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, জাতি আর জাতিগত ব্যাপারটাও উত্থাপিত হচ্ছে। <em><a href="http://www.spiked-online.com/index.php?/site/article/6648">স্পাইকড</a></em> এ <em>ব্রেন্ডান ও&#39;নিল</em> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>গুর্খাদেরকে সব সময়ে দ্বিতীয় শ্রেণী হিসাবে গন্য করা হয়েছে, বিশ্বস্ত কিন্তু অদ্ভুত, আলাদা একটা জাতি, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাদা নেতাদের থেকে কম বুদ্ধিমান কিন্তু নেপাল, ভারত আর বার্মার প্রতিদিনের লোকের থেকে বেশী বিশ্বাসী। আসলে, দীর্ঘদিন ধরে গুর্খারা অসামঞ্জস্যের প্রাতিষ্ঠানিক প্রকাশ হিসাবে আছে: তাদেরকে তৈরি আর লালন করা হয়েছিল, ব্রিটিশ শিষ্টতা দ্বারা না বরং ব্রিটিশ জাতিগত চিন্তা দ্বারা।</p></blockquote>
<p>কিন্তু সবাই গুর্খাদের সমর্থন করছে না। <a href="http://www.newstatesman.com/uk-politics/2009/05/british-unions-gurkhas-brown">নিউ স্টেটসম্যানে</a> <em>পিটার উইলবি</em> বলেছেন যে “গুর্খারা ভাড়াটে সৈনিক” আর:</p>
<blockquote><p>“ তারা &#8216;ব্রিটেন আর মহামান্য রাণীর প্রতি ভালোবাসার&#39; জন্য লড়ে না (এই শব্দ ব্যবহার তাদের সমর্থকরা পছন্দ করে), যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের ভাড়াটেরা খেলে, ধরুন লিশেস্টারশায়ার এর জন্যে, দেশের স্থায়ী শিয়াল-শিকারিদের জন্য আর গ্রামাঞ্চলের জন্য ভালোবাসার কারনে। দুই শতাব্দী আগে যখন ব্রিটিশ সেনা নেপাল আক্রমন করেছিল তখন গুর্খা রেজিমেন্ট গঠন করা হয়। এই সৈনিকদের নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা দেখায় তাদেরকে অর্থ দেয়া হয় ব্রিটিশ সেনাতে যোগ দেয়ার জন্য। ১৯৪৭ সালের একটি চুক্তি বলেছে যে একজন গুর্খা সৈনিক যদি ব্রিটিশ সেনাতে যোগ দেন (অনেকে নতুন তৈরি ভারতের সেনাতে এর পরিবর্তে যোগদান করেন), “তাহলে তাকে অবশ্যই নেপালি নাগরিক হিসাবে চাকরিতে নেয়া হবে&#8230; নেপালি নাগরিক হিসাবে চাকরি করতে হবে আর নেপালি নাগরিক হিসাবে পুনর্বাসিত হবেন।” তাদেরকে যুক্তরাজ্যে জন্মানো সেনাদের থেকে কম বেতন দেয়া হতো- প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয়ের একটা স্পষ্ট আকর্ষণ তাদের প্রতি- কিন্তু নেপালের স্থানীয় মান অনুসারে সেই টাকা যথেষ্ট ছিল।”</p></blockquote>
<p>কয়েকজন ব্রিটিশ নাগরিক গুর্খা বিষয়ে তাদের মতামত ইউটিউবের মাধ্যমে জানাচ্ছেন। এখানে কয়েকজন গুর্খাদের সমর্থন করছেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/nW9oXdzdzoo&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/nW9oXdzdzoo&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/bmlOkeK1F2g&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/bmlOkeK1F2g&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/16/3057/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাজ্য: &#8220;ঝেটিয়ে খেদাও&#8221; মিডিয়ায় আদিবাসীদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যবাদ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/13/1977/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/13/1977/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 13 Mar 2009 18:42:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1977</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসায়মন মাঘাকিয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিয়ে সারা বিশ্বে সচেতনতা বাড়ছে। ব্রিটেনের জনপ্রিয় সংবাদপত্র দা গার্ডিয়ান ও দি অবজারভার আদিবাসীদের বর্ণনা দিতে ব্যবহৃত দুটি বিশেষনের উপর নতুন নীতিমালা তৈরী করেছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন এই ধরনের বর্ণনা দিয়ে আদিবাসী সমাজকে একপেশে করে ফেলা হয় এবং [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/simon-maghakyan/">সায়মন মাঘাকিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/03/uk-stamping-out-media-racism-against-tribal-people/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিয়ে সারা বিশ্বে সচেতনতা বাড়ছে। ব্রিটেনের জনপ্রিয় সংবাদপত্র দা গার্ডিয়ান ও দি অবজারভার আদিবাসীদের বর্ণনা দিতে ব্যবহৃত দুটি বিশেষনের উপর <a href="http://www.guardian.co.uk/styleguide/s#id-3036038">নতুন নীতিমালা</a> তৈরী করেছে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন এই ধরনের বর্ণনা দিয়ে আদিবাসী সমাজকে একপেশে করে ফেলা হয় এবং তাদের আইনগত অধিকার খর্ব করা হয়। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্য দুর করতে এক প্রচারণা অভিযান শুরু করেছে সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল নামের প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/stampitout.jpg" alt="Stamp Out" /></p>
<p>এই প্রচারণা দুটি শব্দ সমষ্টির বিরুদ্ধে যা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট বর্ণনার জন্য ব্যবহার করা হয়। এদুটি হলো ‘আদিম জনগোষ্ঠী’ এবং ‘পাথুরে যুগ’। এ সব বর্ণনা ব্যবহারের বিপক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিষ্ঠানটি ‘এদের ঝেটিয়ে দুর কর’ বা ‘<a href="http://www.survival-international.org/campaigns/stampitout">স্টাম্প ইট আউট</a>’ প্রকল্পের মাধ্যমে তার সমর্থকদের বলছে তারা যেন আদিবাসীদের সমন্ধে এ ধরনের অবমাননাকর বর্ণনা প্রচারমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে কিনা সেই দিকে চোখ রাখে। প্রচারিত হলে সম্পাদকদের কাছে পোস্টকার্ড বা ই-মেইলের মাধ্যমে প্রতিবাদ পাঠাতে প্রতিষ্ঠানটি সমর্থকদের অনুরোধ জানিয়েছে।</p>
<p><a href="http://www.survival-international.org/blog/2009/02/27/dont-call-these-people-primitive/">সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল ব্লগ</a> সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রচারমাধ্যমের সাথে এক আলোচনায় অংশ নেয়। এই আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে প্রচার মাধ্যমে কিভাবে বর্ণনা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা।</p>
<blockquote><p>সারভাইভাল এর পরিচালক স্টিফেন কোরের কাছ থেকে ব্রিটেনের দি ইনডিপেডেন্ট পত্রিকায় এক প্রতিশ্রুতিশীল মতামত আসে। যখন প্রাক্তন বিবিসির কর্মী মাইকেল বুয়েরেক বিষয়টির উপর তার মতামত দেন তারপর থেকে বিশ্বজুড়ে আদিবাসী সমাজ বর্ণনার ক্ষেত্রে ‘আদিম’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে বির্তক এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে।</p></blockquote>
<p>স্বীকৃত বহুঈশ্বরে বিশ্বাসী <em>জোসেন পিটজেল ওয়াটার</em> তার <a href="http://wildhunt.org/blog/2009/02/quotes-of-the-day.html">দ্যা ওয়াইল্ড হান্ট</a> ব্লগে আমাদের জানাচ্ছেন:</p>
<blockquote><p>সম্প্র্রতি সারাভাইভাল-এর ‘স্টাম্প ইট আউট’ প্রচারণা ব্রিটিশ পত্রিকায় দা গার্ডিয়ান এবং দি অবজারভারকে সাফল্যের সাথে প্রভাবিত করতে সমর্থ হয়েছে। তারা এখন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর পরিচয় বর্ণনায় ‘আদিম’ এবং ‘পাথুরে যুগ’ শব্দগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে। </p></blockquote>
<p><em>পিটজেল ওয়াটার</em>-এর পোষ্টের উপর <a href="http://wildhunt.org/blog/2<em>009/02/quotes-of-the-day.html#IDComment15877230&#8243;>মন্তব্য করতে</a> গিয়ে <a href="http://hereinthecaveofwonder.blogspot.com/">হিয়ার ইন দ্যা কেভ অফ ওয়ান্ডার</a> লিখেছে: </p>
<blockquote><p>‘আদিম’ এবং ‘পাথুরে যুগ’ উভয় শব্দ এসেছে বিবর্তনের বাতিল হয়ে যাওয়া এক পুরনো ধারণা থেকে। সারা বিশ্বে এখন এ রকম কোন জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নেই। বিবর্তন মানে কোন এক পরিবেশ গ্রহণ করার সিঁড়ি বা মই নয়। কাজেই আদিম সমাজ থেকে সামনে এগিয়ে অগ্রবর্তী কোন সমাজে যাওয়ার বিশেষ রাস্তা নেই।</p>
<p>সংক্ষেপে বলতে গেলে বলা যায় এই ধরনের বর্ণনাগুলো ১৯ শতকের তৈরী। স্বজাত্বভিমান/মানবস্বজাত্ববোধ বিষয়টি বৈজ্ঞানিক এবং নৃতত্ববিদরা অনেক বছর আগেই বাতিল করে দিয়েছে, কারণ তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত নয়। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/13/1977/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: অস্কার পুরষ্কারে বাজিমাত করেছে স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1748/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1748/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Feb 2009 12:18:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1748</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন মামুন ম. আজিজ &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ভারতে রচিত একটি উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি বৃটিশ সামাজিক চলচ্চিত্র ড্যানিয়েল বোয়েলের স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার ৮১ তম অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ড উৎসবে একদম বাজিমাত করে দিয়েছে। এর ব্রিটিশ এবং ভারতীয় কর্মীরা সেরা চলচ্চিত্রের পুরষ্কারটি সহ মোট ৮ টি পুরষ্কার জিতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/24/india-slumdog-millionaire/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভারতে রচিত একটি উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি বৃটিশ সামাজিক চলচ্চিত্র ড্যানিয়েল বোয়েলের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Slumdog_Millionaire">স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার</a> ৮১ তম অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ড উৎসবে একদম বাজিমাত করে দিয়েছে। এর ব্রিটিশ এবং ভারতীয় কর্মীরা সেরা চলচ্চিত্রের পুরষ্কারটি সহ মোট <a href="http://www.oscar.com/oscarnight/winners/">৮ টি পুরষ্কার</a> জিতে নিয়েছে। এটি ছিল সত্যি ভারতের দিন যেহেতু ভারতের উপর নির্মিত্ত অন্যএকটি স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Slumdog_Millionaire">স্মাইল পিনকি</a>’ও একটি অস্কার জিতেছে।</p>
<p><img alt="" src="http://farm4.static.flickr.com/3395/3302343081_b50125007b.jpg?v=0" class="alignnone" width="500" height="336" /><em>হলিউডে স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার এর অভিনেতা অভিনেত্রীদের একটি অংশ - ছবি তুলেছেন ফ্লিকার ব্যবহারকারী <a href="http://flickr.com/photos/kaushikbiswas/3302343081/">কৌশিক</a> এবং ব্যবহার করা হয়েছে <a href="http://flickr.com/photos/kaushikbiswas/3302343081/">ক্রিয়েটিভ কমন লাইস্যান্স</a> এর অধীনে। </em></p>
<p>সারা বিশ্বের মানুষ দেখেছে পুরষ্কার বিতরণী উৎসবটি। কেউ কেউ আবার সরাসরি ব্লগিং করছিল যেমন <a href="http://www.sepiamutiny.com/sepia/archives/005643.html#more">সেপিয়া মিউটিনি</a>। সরাসরি সম্প্রচারের সময় মিনিটের মধ্যে শত শত টুইটার ম্যাসেজ প্রকাশিত হয় যেখানে রাজেশের মত কণ্ঠস্বর বলে ওঠে:<br />
<img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/oscar-tweet2.jpg" class="alignnone" width="474" height="73" /></p>
<div class="translation">ভারত এখন পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে</div>
<p><em>নো বর্ডার এবং বাইনারি</em> ব্লগে <em>প্রেরনা</em> <a href="http://prernalal.com/2009/02/22/slumdog-millionaire-those-foreign-aliens-are-taking-our-oscars-too/">বলেন:</a></p>
<blockquote><p>পর্যটন ভিসায় ভারতের একদল অনুপ্রবেশকারী এবং তাদের ব্রিটিশ সহযোগী এসে বহুপ্রত্যাশিত এবং সম্মানের অস্কার দেশে নিয়ে গেছে যা পৃথিবী দেখলো। বিশেষ করে, একজন, এ আর রহমান বিস্মিত এবং অভিভূত করেছে সকলকে তার সুরের প্রজ্ঞায় এবং সে কথাও বলছিল তামিলে। এটা আমেরিকা, ইংরেজী ভাষা যেখানে সর্বত্র চলে!!</p></blockquote>
<p>এবং অবশ্যই অনেকে আছে যারা ভারতীয়দের অস্কারে অনুপ্রবেশ পছন্দ করেনি:<br />
<img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/oscar-tweet.jpg" class="alignnone" width="611" height="167" /></p>
<div class="translation">দেখেছ? এই ভারতীয়রা সব অস্কারগুলো ঝেড়ে নিয়ে যাচ্ছে! প্রথমে নিয়েছে আমাদের কল সেন্টারগুলো, এখন অস্কারগুলো। এর পরে কি?</div>
<p>অনেক ভারতীয় ব্লগার ‘স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার’ এর কৃতিত্বকে প্রশংসা করায় উৎসুক ছিল না। এই সিনেমা সম্পর্কে অনেক ভারতীয়র মিশ্র প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/01/26/india-reactions-to-slumdog-millionaire/">গ্লোবাল ভয়েসের আগের একটি পোষ্টে</a>। মুম্বাইয়ের অনেক বস্তিবাসী, যেখানে সিনেমাটি শুটিং করা হয়েছিল, এর বিরুদ্ধচারণ করেছে কারণ সিনেমাটিতে তাদেরকে বস্তির কুত্তা বলা হয়েছে। </p>
<p><em>মিরা সিনহা</em> <a href="http://meerasinha.wordpress.com/2009/02/23/the-other-indian-winner/">লেখেন:</a></p>
<blockquote><p>স্লামডগ মিলিওনিয়ার চলচ্চিত্রটি ভারতীয় দারিদ্রতার কোন সংঙ্গা মনে করে দেখা উচিৎ নয় ধরনের আবেগ সত্ত্বেও, চলচ্চিত্রটি আটটি অস্কার জেতার পর ভারতকে খ্যাতির আলোকে দেখাটা বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। আমি আরও বেশী লেখার জন্য উদ্বুদ্ধ, কিন্তু আমি উদযাপন মুহুর্তগুলো তুলে ধরব এবং চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে <a href="http://meerasinha.wordpress.com/2009/01/26/slumdog-millionaire-thoughts/">আমার নিজস্ব ধারণা</a> সম্পর্কে বিস্তৃত বর্ণনা হতে বিরত থাকব। </p></blockquote>
<p><em>র‌্যানডম থটস অফ আ ডিমেন্টেড মাইন্ড</em> এ <em>গ্রেট বন্গ</em> <a href="http://greatbong.net/2009/02/23/dog-day-afternoon/">অতটা মুগ্ধ</a> ছিলনা যদিও:</p>
<blockquote><p>প্রথমে বলতে হয় অ্যাকাডেমি বিচারকরা যেসব বিষয় সহানুভুতির সাথে দেখে স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার বেশ সুচিন্তিতভাবে এবং কার্যকরভাবে তাদের অনেকগুলিকেই তুলে ধরেছে। একটি পরীক্ষায় পাশ করার জন্য, মেধায় সর্বোত্তম হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই- এমনকি একজন গড়পড়তা ব্যক্তি অনেক ভালো করতে পারে যদি সে শিক্ষককে সন্তুষ্ট করার &#8216;পন্থা’টা ধরতে পারে এবং তা সীমিত পাঙ্গমতার মধ্যেও যথাযথভাবে পূরণ করতে পারে। স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার সেটাই প্রশংসাজনক ভাবে করেছে। </p></blockquote>
<p><em>হিতেশ বাগাই</em> তার বিষ্ময় প্রকাশ করেছে একটি টুইটার ম্যাসেজে:<br />
<img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/oscar-tweet1.jpg" class="aligncenter" width="606" height="84" /></p>
<div class="translation">কেন ভারত/চীনের দারিদ্রতা নিয়ে একটি ছবি অস্কার পায় আর একটি হাসিখুশি বিষয়ের ছবির কোন মূল্যায়ন হয় না? </div>
<p><em>ইমাজিন্ড ইউনিভার্স</em> এ <em>লেখনী</em> <a href="http://elekhni.com/2009/02/why-do-indians-hate-slumdog-millionaire/">খুঁজতে চেষ্টা করেছেন</a> “ <a href="http://elekhni.com/2009/02/why-do-indians-hate-slumdog-millionaire/">কেনো ভারতীয়রা স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার কে ঘৃণা করছে</a>?”</p>
<blockquote><p>আমি অবাক হই যদি চলচ্চিত্রটিতে আমদের মূল আপত্তি এই কারনেই হয়ে থাকে যে এটি ভারতের এমন এক অংশকে চিত্রায়িত করেছে যা আমরা দেখাতে চাই না। আমরা সচারচর আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উপরে উঠে আসা মধ্যবিত্তদের উদযাপন করতে পছন্দ করি। আমরা আমাদের নতুন শপিং মল এবং কাচে ঘেরা দালানকে তুলে ধরতে পছন্দ করি। চলচ্চিত্রটি মধ্যবিত্তের উন্নতির অতকিছু দেখায়নি। এটি দেখিয়েছে সেই অন্য ভারতকে যা আমাদের অনেকেই ভাল করে জানে না, অথবা ভাবতেও চায়না - দরিদ্র ভারতকে যা সকল সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও দরিদ্রই রয়ে গেছে। </p></blockquote>
<p><em>টাটভাম</em> (ভেতরের সত্য) ব্লগে <em>শ্রীপ্রিয়া</em> চলচ্চিত্রটি পছন্দ করেছেন <a href="http://tatvam.com/blog/2009/02/22/slumdog-millionaire/">এবং লিখেছেন:</a></p>
<blockquote><p>কেন কোন একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা একটি শহর বা একটি দেশকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলার বোঝাটি কাধে নেবেন? তিনি তো কোন ডকুমেন্টারী তৈরী করছেন না। বলার মত এখানে একটি গল্প আছে। যা একটি শহরের সামান্য অংশে সীমাবব্ধ যা নেয়া হয়েছে একটি কাল্পনিক জীবন এর দর্শন হতে। চলচ্চিত্র নির্মাতার কাজ হলো তার ক্ষমতার সর্বোত্তম উপায়ে সেই গল্পটা বলা। এবং ড্যানি বয়েল ঠিক সেই কাজটিই করেছেন। এবং আমি তার ফলাফলে খুশি। </p></blockquote>
<p><em>প্রেরণা</em> ভারতের (মেধা ও) সামর্থ্যকে নির্দেশ করেছেন এবং <a href="http://prernalal.com/2009/02/22/slumdog-millionaire-those-foreign-aliens-are-taking-our-oscars-too/">উপসংহার টেনে বলেছেন:</a></p>
<blockquote><p>অবশ্যই, এটি ‘ভারতীয় বিষয়’ এর উপর একজন বৃটিশ পরিচালককে সিনেমা নির্মানে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং ভারতীয় কলাকুশলী যারা বিগত বহু দশক ধরেই উচুঁ মানের কাজ করছেন (যেমন গুলজার, এ আর রহমান, পোকুটি) তাদের অস্কার জিতিয়েছে। স্ল্যামডগ মিলিওনিয়ার কোনভাবেই বলিউডের তালিকার উপরের সিনেমার ধারেকাছে নয়। এটি গতানুগতিক &#8216;টাকার সাথে লড়াইয়ে ভালবাসাই জয়ী হয়&#39; ধরনের বহুল পরিক্ষীত এক সাধারণ চিত্রনাট্য। এবং এটি এ আর রহমান বা গুলজার এর সেরা কর্মও নয়। একই সাথে এটি উৎসাহব্যঞ্জক যে ঐ সুরের কৃত্তিমানরা অবশেষে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল যার জন্য তা শেষমেষ একটি ভারতীয় চলচিত্রই। যাই হোক, এটা সাফল্যের জন্য কোন মানদন্ড হওয়া উচিৎ নয়। এ আর রহমানের হলিউডকে প্রয়োজন নেই; বরং হলিউডের প্রয়োজন তাকে।</p>
<p>যাইহোক তারপরও অভিনন্দন, স্ল্যামডগ মিলিওনিয়রকে এবং প্রত্যেক ভারতীয়কে যারা এটিকে তাদের সিনেমা মনে করে। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1748/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্বব্যাপী ২৫০০ টি ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1684/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1684/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Feb 2009 23:59:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগাল]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1684</guid>
		<description><![CDATA[ &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
যে সমস্ত ভাষা বিপদে রয়েছে তাদের অবস্থান দেখানো একটি ইন্টারএ্যাকটিভ বা সক্রিয় মানচিত্রে দেখাচ্ছে পৃথিবীতে ২৫০০ থেকে প্রায় ৬০০০ ভাষা বিপদে রয়েছে। এই মানচিত্রটি প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশন সায়েন্টিফিক এন্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইউনেস্কো) নামের সংস্থা। এই আর্ন্তজাতিক সংস্থাটি এই মানচিত্র ব্যবহারকারীদের আহবান জানিয়েছেন তারা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em> &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/20/worldwide-2500-languages-disappearing/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যে সমস্ত ভাষা বিপদে রয়েছে তাদের অবস্থান দেখানো একটি <a href="http://www.unesco.org/culture/ich/index.php?pg=00206">ইন্টারএ্যাকটিভ বা সক্রিয় মানচিত্রে</a> দেখাচ্ছে পৃথিবীতে ২৫০০ থেকে প্রায় ৬০০০ ভাষা বিপদে রয়েছে। এই মানচিত্রটি প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশন সায়েন্টিফিক এন্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইউনেস্কো) নামের সংস্থা। এই আর্ন্তজাতিক সংস্থাটি এই মানচিত্র ব্যবহারকারীদের আহবান জানিয়েছেন তারা যেন এখানে তাদের কিছু <a href="http://www.unesco.org/culture/ich/">মন্তব্য রেখে যায়</a>। তারা এই মন্তব্য এমন এক প্রজেক্টে রেখে যাবে যেখানে অনেক ব্লগার সংস্কৃতি সংরক্ষণ নিয়ে চিন্তিত। </p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/languagesmapun.png" alt="language map" /><br />
<em>যে সমস্ত ভাষা বিপদের মধ্যে রয়েছে সে সমস্ত ভাষা নিয়ে তৈরী ইউনেস্কোর ম্যাপ</em></p>
<p><a href="http://iglesiadescalza.blogspot.com/2009/02/death-of-language-diversity_20.html">ইগ্লেসিয়া ডেসকালজা</a> একজন গ্রন্থাগারিক এবং ব্লগার:</p>
<blockquote><p>ভাষাকে ভালোবাসে এ রকম একজন হিসেবে আমি ইউনেস্কো থেকে আসা এই সংবাদে হতাশ। এই মানচিত্রে বিপদে পড়া কিছু ভাষা রয়েছে যা একদিন হয়ত হারিয়ে যাবে। আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে (২১ ফেব্রুয়ারী) এই মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এই মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে পৃথিবীতে প্রায় ২০০টির মতো ভাষায় রয়েছে যে সব ভাষায় মাত্র ১০ জনের কম লোক কথা বলে। আবার মানচিত্রে ১৭৮টি ভাষা রয়েছে যে সব ভাষায় ১০ থেকে ৫০ জন মাত্র মানুষ কথা বলে।</p>
<p>এই সমস্ত তথ্য আমাদের জানাচ্ছে ৬০০০ এর মতো যে ভাষা এখনও টিকে আছে তার বাইরে প্রায় ২০০টিরও বেশী ভাষা মারা গেছে। এই ভাষাগুলো মারা গেছে গত শেষ তিন প্রজন্মের মধ্যে। এখন ৫৩৮টি ভাষা বিপদজনকভাবে বিপদগ্রস্ত। ৫০২টি ভাষার অবস্থা খুবই খারাপ। এখনও টিকে থাকা ৬৩২ টি ভাষাকে বলা যায় নিশ্চতভাবে বিপদের মধ্যে রয়েছে। এখনও ৬০৭ টি ভাষা নিরাপদ অবস্থায় নেই।  </p>
<p>যখন কোন ভাষায় কথা বলা শেষ ব্যাক্তিটি মারা যায় তখন ভাষাটিও পৃথিবীতে মৃত হয়ে যায়। আইল অফ ম্যান নামের একটি এলাকার ভাষা মানক্স হারিয়ে হয়ে যায় ১৯৭৪ সালে। কারণ এ বছরই এই ভাষায় কথা বলা শেষ ব্যাক্তি নেড ম্যাডরেল মারা যায়। একই ভাবে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের প্রদেশ আলাস্কার আইক নামের ভাষাটিও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় যখন গত বছর মারিয়া স্মিথ জোনস মৃত্যুবরন করেন। তিনিই ছিলেন এই ভাষায় কথা বলা শেষ ব্যক্তি।  </p>
<p>আমাদের জীব বৈচিত্র, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র, বর্ণবৈচিত্র এবং ভাষাবৈচিত্রকে মূল্য দিতে হবে। কারণ আমরা আমাদের পৃথিবী থেকে আমরা অনেক বেশী কিছু হারিয়ে ফেলেছি।  আর এই ঘটনাটি আমরা ঘটিয়েছি একক একটি অংশ হতে গিয়ে, একটি মোটা, সাদা, ইংলিশভাষী সমাজ হতে গিয়ে, এর ফলে আমরা আমাদের বৈচিত্র হারিয়ে ফেলেছি। </p></blockquote>
<p>হারিয়ে যাওয়া এই সব বেশীর ভাগ ভাষা আদিবাসী মানুষের মুখের ভাষা। বিশ্বায়ন এবং রাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী বোধ এই সব ভাষাকে বিপদের মুখে ফেলে দিচ্ছে। বর্তমানে বৃটেনে বাস করা এক পর্তুগীজের ব্লগ <a href="http://daniel-moving-out.blogspot.com/2009/02/portuguese-galician.html">ড্যানিয়েল মুভিং আউট</a> বলছে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা না পেয়েও অনেক ভাষা হারাচ্ছে না কারন:</p>
<blockquote><p>গালিসিয়ান ভাষা শুনতে অনেকটাই স্প্যানিশ এবং পর্তুগীজ ভাষার মাঝামাঝি। এটি এমন এক ভাষা যা পর্তুগাল থেকে উৎপত্তি এবং স্প্যানিশ ভাষার নানা শব্দ ও উচ্চারনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়েছে। এই ভাষাটি মধ্যযুগে গ্যালিসিয়ান পর্তুগীজ ভাষা থেকে জন্মলাভ করে এবং পর্তুগালের প্রায় সব অঞ্চলেই এই ভাষায় কথা বলা হয়। </p>
<p>এই সপ্তাহে ইউনেস্কোর বিশ্বভাষা মানচিত্রটি প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে গ্যালিসিয়ান ভাষা কোন রাষ্ট্রের প্রধান ভাষা না হয়েও খুবই শক্তিশালিভাবে জনগোষ্ঠীর মাঝে বিরাজ করছে । এটি ক্যাস্টিলিয়ান স্প্যানিশদের নিরাপত্তা মাঝেই বেঁচে রয়েছে। স্পেনের ক্যাস্টিলিয়ানর ভৌগলিকভাবে পর্তুগালের কাছে বাস করে।</p></blockquote>
<p>যা হোক ব্লগটি ভাষা সম্বন্ধে কিছু বেশ কিছু বিপদজনক তথ্য সারসংক্ষেপ করেছে: </p>
<blockquote><p>বিশ্বে ১৯৯টি ভাষা রয়েছে, যে সমস্ত ভাষায় এক ডজনেরর কম লোক কথা বলে। ইন্দোনেশিয়ার লেংগিলু ভাষায় মাত্র চারজন লোক কথা বলে (তারা নিজেদের মধ্যে যখন আলাপ করে তখন তারা এই ভাষায় কথা বলে)। ইউক্রেইনের কারাইম ভাষায় কথা বলে মাত্র ছয়জন লোক। পৃথিবীতে প্রায় ২০০-র বেশী ভাষা মাত্র তিন প্রজন্মের মধ্যে হারিয়ে গেছে। বৃটেনের আইল অফ ম্যান এর মানক্স ভাষা মারা গেছে তখন যখন এই ভাষায় কথা বলা শেষ লোকটি ১৯৭৪ সালে মারা যায়।</p></blockquote>
<p>কিন্তু সকলেই এইভাবে ভাষার হারিয়ে যাওয়া নিয়ে এতটা সচেতন নয়। <a href="http://blog.ted.com/2009/02/unescos_latest.php">টিইডি</a> ব্লগে মন্তব্য করার সময় এর ব্যবহারকারী <em>ম্যাগনাস লিন্ডকাভিস্ট</em> বলছেন:</p>
<blockquote><p>কেন আমরা সকলেই সেই সমস্ত প্রাচীন ভাষার প্রতি রোমান্টিকতা তৈরী করি যাকে আর কোনভাবে যৌক্তিক বলা যায় কি? তাহলে ভাবুন প্রোগ্রামিং এর জন্য তৈরী করা শতশত নতুন ভাষার ক্ষেত্রে কি হবে যা অতীতে মাত্র কয়েক দশক আগে তৈরী করা হয়েছে? অথবা ইংরেজি ভাষার অর্নিদিষ্ট আলাদা রূপ-এর জন্ম লাভ করে বা কি হবে? এই ভাষা জনগণ নানাভাবে মিশিয়ে গ্রহণ করছে এবং নিজেদের মতো করে বানিয়ে নিচ্ছে। তারপরেও তা সারা পৃথিবীতে তার নিজস্ব চেহরা নিয়েই রয়েছে। এ সব ভাষাই আসল ভাষা এবং হারিয়ে যাওয়া সেই সব ভাষা মানাক্স ও তিরাহির চেয়ে এদের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করার দরকার বেশী।</p></blockquote>
<p><a href="http://abdullahwaheedsblog.blogspot.com/2009/02/dhivehi-and-international-mother.html">আবদুল্লাহ ওয়াহেদ</a> দিবেহী ভাষী। এটি মালদ্বীপের সরকারী ভাষা। দিবেহী যদিও মালদ্বীপের অনেকের নিজের ভাষা নয় তবুও আবদুল্লাহ ওয়াহেদ এই ভাষাকে সরকারী ভাষা হিসেবে সংরক্ষণ করে রাখার সপক্ষে। তিনি তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেন একটি উদাহারণের মাধ্যমে:</p>
<blockquote><p>মালদ্বীপ ও মালদ্বীপবাসী একক একটি দেশ ও ভাষী হিসেবে পরিচিত হবার ক্ষেত্রে দিবেহী ভাষাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দিবেহী ভাষাই হলো একমাত্র মাধ্যম যার মধ্যে দিয়ে মালদ্বীপের বাসিন্দারা একে অন্যের সাথে নিজেদের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এর বাইরে খুব সামান্য পরিমান উপাদান মালদ্বীপকে এক করতে পারে। আমাদের এক গ্রহণযোগ্য অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক কৌশলগত উপাদান হলো এই দিবেহী ভাষা। এই ভাষা আমাদের এক করার জন্য এক ঐক্যতান । </p>
<p>লেখকের জন্য সংরক্ষিত এমন এক লেখার ভাষা ছাড়া, দিবেহী নামের ভাষাটি মালদ্বীপের সকল সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনের সাথে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। আমাদের সকলের কাছে দিবেহী ভাষা একটা বিষয় বটে। যখন আমরা আমাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যতার কথা প্রচারণা করতে চাই তখন এই ভাষাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাড়ায়। যখন আমরা অশিক্ষার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই তখন এই ভাষা দরকার। যখন আমরা মানসম্পন্ন শিক্ষার কথা বলি, যার মধ্যে রয়েছে স্কুলে প্রথম বছরের শিক্ষা তার জন্য এই ভাষা প্রয়োজন।  যখন আমরা বড় কোন সামজিক অন্তুর্ভুক্তির কথা, সৃষ্টিশীলতার কথা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা ও যখন আমরা আমাদের আদিবাসীদের সাংস্কৃতিক জ্ঞান রক্ষা করতে চাই তখন এই ভাষা আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে দাড়ায়। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1684/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রিটেন থেকে মরোক্কো হয়ে গাজা পর্যন্ত</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/04/1523/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/04/1523/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2009 00:14:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1523</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজেনিফার ব্রিয়া  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
রেডা ব্লগ সাদৃশ্য খুঁজছে (ব্রিটেনের) প্রিন্স এডওয়ার্ডের পশুর প্রতি নৃশংসতার সাথে মরোক্কোর পুলিশের বিক্ষোভকারীদের উপরে হামলা আর গাজায় ইজরায়েলের বোমা হামলার:
Ainsi donc un prince (Edward de son nom) est sous le coup d’une enquête en Grande-Bretagne pour avoir supposément battu [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jennifer/">জেনিফার ব্রিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/12/31/from-britain-to-morocco-to-gaza/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://blogreda.blogspot.com/2008/12/matraque-ou-missiles.html">রেডা ব্লগ</a> সাদৃশ্য খুঁজছে (ব্রিটেনের) প্রিন্স এডওয়ার্ডের <a href="http://www.telegraph.co.uk/earth/3998907/Prince-Edward-faces-possible-RSPCA-probe-for-beating-dogs.html">পশুর প্রতি নৃশংসতার</a> সাথে মরোক্কোর পুলিশের বিক্ষোভকারীদের উপরে হামলা আর গাজায় ইজরায়েলের <a href="http://globalvoicesonline.org/specialcoverage/2008-gaza-strip-bombings/">বোমা হামলার</a>:</p>
<blockquote><p>Ainsi donc un prince (Edward de son nom) est sous le coup d’une enquête en Grande-Bretagne pour avoir supposément battu un chien. Je ne sais pas pourquoi mais j’ai sur le champs pensé en voyant les images de cette nouvelle à ce qui se passait sous d’autres cieux où ce ne sont pas les chiens qui reçoivent des coups de matraques mais plutôt des diplômés chômeurs. Ceci dit, il s’en trouvera sûrement des gens qui diront que ces derniers sont quand même chanceux de ne pas recevoir des missiles sur leurs têtes.</p></blockquote>
<div class="translation">একজন রাজপুত্র (তার নাম এডওয়ার্ড) গ্রেট ব্রিটেনে এখন <a href="http://www.telegraph.co.uk/earth/3998907/Prince-Edward-faces-possible-RSPCA-probe-for-beating-dogs.html">তদন্তের সম্মুখীন</a> একটা কুকুরকে মারার অভিযোগে। আমি জানি না কেন, কিন্তু এই খবরের ছবি দেখার পরে, আমি সাথে সাথে ভেবেছি আর এক আকাশের নিচে কি ঘটেছে, যেখানে ব্যাটন দিয়ে কুকুরকে মারা হয়না, বরং <a href="http://marocchomeurss.blogspot.com/">চাকুরিচ্যুত গ্রাজুয়েটদের</a>। এটা বলার পরে অনেকে আছেন যারা বলবেন যে এরা অবশ্যই ভাগ্যবান যে এদের মাথার উপরে <a href="http://www.cyberpresse.ca/dossiers/riposte-disrael-a-gaza/200812/29/01-813807-au-moins-360-morts-a-gaza-israel-veut-ecraser-le-hamas.php">বোমা পড়ছে না</a>।</div>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/12/prince_edward_1212620c.jpg" alt="1" /></p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/12/12_580x435.jpg" alt="2" /></p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/12/_resize_picture_portalphp.jpg" alt="3" /></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/04/1523/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
