আফ্রিকার শৃঙ্গ বলে পরিচিত এলাকায় ভয়াবহ খরা নিয়ে বিশ্বের অনেক জায়গায় অনলাইনের অনেকে তাদের চিন্তা ব্যক্ত করেছে। তবে এখানে এ রকম ব্যক্তিরা কেবল সাহায্যের জন্য এমন সব প্রতিষ্ঠানই তৈরি করছে না যে সব প্রতিষ্ঠান এই সব এলাকায় খাবার পৌঁছে দেবে। ডেনমার্কের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্যক্তি এক বিকল্প প্রচেষ্টার উদ্যোগ নিয়েছে, যার নাম “সোমবারে না খেয়ে থাকা” [ইংরেজী ভাষায়] । তিনি এই উদ্যোগের মাধ্যমে আগস্টের ১ তারিখে সবাইকে উপবাসে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। একদিন না খাবার ফলে যে টাকা বাঁচবে, তিনি সেই টাকা আফ্রিকার খরা পীড়িত অঞ্চলের জন্য দান করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
সর্বশেষ গল্পগুলো আরও জানুন ডেনমার্ক
5 অক্টোবর 2012
ডেনমার্কঃ বৃহৎ ব্যাংকগুলোর সাথে “শুভ বিচ্ছেদ”
গত ১লা অক্টোবর ছিল ডেনমার্কে 'ব্যাংক স্থানান্তর দিবস' । এই অভিযানটি ড্যানিশ নাগরিকরা কোথায় তাদের টাকা রাখবে সে ব্যাপারটি পুনর্বিচার করার আহ্বান জানায় এবং জানতে চায় তারা তাদের বর্তমান ব্যাংককে সমর্থন করে কি না।
3 ফেব্রুয়ারি 2012
গ্লোবাল ভয়েসেস পডকাস্টঃ অকুপাই দিজ!
গ্লোবাল ভয়েসেস-এর আরেকটি পডকাস্ট সংখ্যায় আপনাদের স্বাগতম। এই সংখ্যায় আমরা বিশ্বব্যাপী অকুপাই আন্দোলন এবং প্রতিবাদের কিছু চিন্তা এবং বিষয় নিয়ে কথা বলব, একই সাথে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের দলের কিছু কর্মীর দ্বারা ধারণকৃত কয়েকটি বক্তব্য শুনব।
27 আগস্ট 2011
ডেনমার্ক: অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের ঘোষণা
শেষ পর্যন্ত ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী লারস লক রাসমুসেন আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে ড্যানিশদের উৎকণ্ঠা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। মারিয়া গ্রাবোস্কি দুটি অনলাইন উদ্যোগের কথা জানাচ্ছেন যা প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার বিলম্বের কারণে উদ্ভুত হয়েছে।
7 ফেব্রুয়ারি 2011
তিউনিশিয়া: বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী প্রতিধ্বনিত হচ্ছে
ডিসেম্বর মাসের শেষ দুই সপ্তাহ ধরে তিউনিশিয়া বাসীর চিৎকার, দূর্নীতি আর বেকারত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিশ্বব্যাপী ওয়েব সাইটে তুলে ধরা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী নেটিজেনরা তাদের পিছনে দাঁড়াচ্ছেন আর তাদের আহ্বানকে আরও প্রতিধ্বনিত করছেন।
25 ডিসেম্বর 2010
গ্লোবাল ফুড ব্লগের বড়দিনের খাবার প্রস্তুতপ্রণালী
অনেকের কাছে বড়দিন মানে ঘরে ফেরা- কিন্তু যখন তা সম্ভব হয় না, তখন এক যাদুকরী খাবার তৈরি করা হয়ত তার ক্ষতিপুরণ হতে পারে। বিভিন্ন মহাদেশের অনেক ব্লগার ছুটির দিনে তাদের প্রিয় খাবারের রন্ধণপ্রণালী সবাইকে জানাচ্ছে। এই সব খাবারের মাধ্যমে আপনি হয়ত বাড়ীর স্বপ্ন দেখতে পারেন, অথবা এমন কোন স্থানে যেতে পারেন, যেখানে এর আগে কোনদিন যাননি। এ বছর আপনি কোথায় বড়দিনের উৎসব পালন করবেন, এবং আপনি সবার জন্য কি কি খাবার পরিবেশন করছেন?
25 ডিসেম্বর 2009
ভিডিও: জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের কিছু চিত্র
আমরা আপনাদের কাছে এ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া ডেনমার্কের কোপেনহাগেনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের উপর তোলা কিছু ভিডিও চিত্র তুলে ধরব যার বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে প্রতিবাদ, নাচ, শিল্প এবং বিভিন্ন উপস্থাপনা।
22 ডিসেম্বর 2009
কানাডা কি বলেছে? জলবায়ূ পরিবর্তন সামিটে ধোঁকাবাজি
কানাডার সরকার আজকে (ডিসেম্বরের ১৪ তারিখ) রাগান্বিত একটা বার্তা প্রকাশ করেছে তথাকথিত একটা গুজবের নিন্দা জানিয়ে যা ছড়াতে ছড়াতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই গুজব দাবি করছে যে কানাডা গ্রীনহাউস গ্যাস কমানোর লক্ষমাত্রার ব্যাপারে তার নীতি পরিবর্তন করেছে এবং তারা একমত হয়ে উন্নয়নশীল দেশের জন্য জলবায়ু অভিযোজন ফান্ডের ব্যাপারে একটি পরিকল্পনার খসড়া করবেন।
1 ডিসেম্বর 2009
ডেনমার্ক: পরিবেশ দেনার এজেন্টরা আসছেন
পরিবেশ দেনার এজেন্টরা হচ্ছে ডেনমার্ক আর আফ্রিকার একদল নারী ও পুরুষ, আর তাদের কাজ হচ্ছে ডেনমার্কসহ শিল্পোন্নত দেশগুলো যাতে তাদের পরিবেশ সংক্রান্ত দেনা পরিশোধ করেন উন্নয়নশীল দেশকে সেটা দেখা।
22 নভেম্বর 2009
ডেনমার্ক: দেশত্যাগ করার জন্য অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করা হবে
ডেনমার্কে বাস করা পাশ্চাত্যের নয় এমন দেশের অভিবাসীরা যদি সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০ ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার ) প্রদান করা হবে। ফেসবুকের এক দল, এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে এবং তারা ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করার অভিযানে নেমেছে। এই তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য, দেশটির অভিবাসী বিরোধী দলের নেত্রীকে এই পরিমাণ টাকা প্রদান করা, যাতে সে ডেনমার্ক ছেড়ে যায়।
1 অক্টোবর 2009
গ্লোবাল ভয়েস মেন্টরস-এর তাজা সংবাদ: জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা
গ্লোবাল ভয়েসেসের ৩১ জন সদস্য প্রত্যেকে একজন ড্যানিশ অথবা আফ্রিকার কোন ছাত্রের সাথে জুটি বেঁধেছে, তাদের সঙ্গীদের প্রযুক্তিগত ও মানবীয় দিক থেকে ব্লগিংকে আরো পরিচিত করানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করতে।






























আর এস এস ফিড ডেনমার্ক
উইকিপিডিয়াতে খুঁজুন ডেনমার্ক









কিন্তু আন্না হাজারে কোথায় গেলেন?....উনিই আমাদের দ্বীতিয় গান্ধিজি।