<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; দক্ষিণ আফ্রিকা</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/sub-saharan-africa/south-africa/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ আফ্রিকা: কাস্টার সেমেনেইয়ে, ছেলে নাকি মেয়ে?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5408/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5408/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2009 15:48:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5408</guid>
		<description><![CDATA[কাস্টার সেমেনেইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এক দৌড়বিদ, যে সম্প্রতি বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বচ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় একটি স্বর্ণ পদক জিতেছে। এই জয় তাকে সবার চোখের সামনে নিয়ে আসে, তবে তার জয়ের কারণে নয়, লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার কারণে। এখন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, কাস্টার সেমেনেইয়ে কি পুরুষ নাকি মহিলা? এই পোস্টে, এই বিতর্কিত বিষয়ে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। 

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/ismail-dhorat/">ইসমাইল ডোহরাট</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/21/south-africa-is-caster-semenye-a-man-or-a-woman/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড়বিদ কাস্টার সেমেনেইয়ে সম্প্রতি বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বচ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় একটি স্বর্ণপদক জিতেছে। এই জয় তাকে সবার চোখের সামনে নিয়ে আসে, তবে তার জয়ের কারণে নয়, লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার কারণে। এখন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, কাস্টার সেমেনেইয়ে কি পুরুষ নাকি মহিলা? এই পোস্টে আমরা এই বিতর্কিত বিষয়ে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরেছি। </p>
<p><a href="http://www.mg.co.za/article/2009-08-20-semenya-family-shes-a-girl">মেইল এবং গার্ডিয়ান</a> রিপোর্ট করেছে:</p>
<blockquote><p>জার্মানীর বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বচ্যাম্পিয়ানশীপ প্রতিযোগিতায় বৃহস্পতিবার সেমেনেইয়ে ৮০০ মিটার দৌড়ে মহিলা বিভাগে স্বর্ণ পদক জেতে। এর সাথে সাথে সে নিজেকে এক বিতর্কের মধ্যে আবিষ্কার করে, যখন বিশ্বের প্রচার মাধ্যমে আলাদা করে তার পুরুষালী পেশি এবং লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে।</p>
<p>ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ এথলেটিক ফেডারেশন বা বিশ্ব ক্রীড়া পারিষদ ওরফে আইএএএফ তার লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে তোলা অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে।</p></blockquote>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান রাজনৈতিক দল, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস বা এনএনসি ও অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠন <a href="http://www.mg.co.za/article/2009-08-20-anc-condemns-semenya-gender-row">এই ধরনের তদন্তের নিন্দা</a> জানিয়েছে এবং কাস্টার সেমেনেইয়ের সমর্থনে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>এডাম ওয়েকফিল্ড অনুভব করছেন, পুরো বিতর্ক <a href="http://www.iaaf.org/">আইএএএফ</a> এর ভণ্ডামি উন্মোচন করে দেয় এবং তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফেলেছে। তিনি<a href="http://www.sportsleader.co.za/adamwakefield/2009/08/20/semenya-case-exposes-iaaf-hypocricy/"> লিখেছেন</a>: </p>
<blockquote><p>মাত্র ১৮ বছর বয়স তার। এখনো সেমেনেইয়ের সামনে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে, যদি না আইএএএফ পরিস্থিতিকে জটিল করে ফেলার কারণে তা খারাপ দিকে গড়ায়।</p>
<p>এটা এক হতাশা তৈরি করে যে, আইএএফ-এর ফাইনালের আগে জানানো উচিত ছিল যে সেমেনেইয়ের লিঙ্গ পরিচয় পরীক্ষা দিতে হবে। তারা কি উসাইন বোল্টের ২০০ মিটার চূড়ান্ত দৌঁড়ের আগে তার ড্রাগ টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল ইতিবাচক হলে তা প্রকাশ করত?</p>
<p>না, কারণ আইনের শর্ত হল মাদক পরীক্ষার ফলাফল একবার মাত্র জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে, আর তা করা হবে তখন, যখন আইএএফ ও ওয়াডা ১০০% নিশ্চিত হবে যে, হয় মাদক টেস্টে এ অথবা বি নমুনার ফলাফল ইতিবাচক হয়েছে। সেমেনেইয়ের ক্ষেত্রে, সে বিলাসিতা এবং গোপনীয়তার অধিকার অর্জন করতে পারে নি।</p></blockquote>
<p>আবিগাইল আব্রাহাম কর্ম ক্ষেত্রে তার সহকর্মীদের সাথে এই বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা <a href="http://glasspearl.co.za/blog/2009/08/19/prove-sexuality/">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p> হ্যাঁ, সবাই একমত, তাকে অনেক পুরুষালী দেখায়, কিন্তু যদি কিছু পুরুষ মহিলার মতো এবং কিছু মহিলাকে পুরুষের মতো দেখতে লাগে তা নিয়ে কেউ ভ্রূকুটি করে না, যদি না বিষয়টি কোন বিতর্ক তৈরি করে।</p>
<p>আমার এক সহকর্মী সেমেনেইয়েকে টেনিস খেলোয়াড় উইলিয়াম বোনদের সাথে তুলনা করেছে! যদিও আমি ততটা যেতে রাজি নই।</p></blockquote>
<p>অন্য আরেক পোস্টে তিনি <a href="http://glasspearl.co.za/blog/2009/08/19/prove-sexuality/">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>পুরো ঘটনাটি আমার কাছে এক কবিতার মতো মনে হয়, যা আমরা প্রাথমিক স্কুলে পড়েছিলাম। এই কবিতা লিখেছিল হেনরি এস লেইহ, যেখানে যমজ জোড়া বেদনা অনুভব করেছিল, “… যাদের আমি জানি তাদের কাছে কোন জবাব আশা করা ছাড়াই এই প্রশ্ন করেছি।<br />
তুমি আসলে কি করবে, যদি তোমাকে প্রমাণ করতে বলা হয় যে, তুমি আসলেই তুমি?</p></blockquote>
<p>জ্যাকি <a href="http://blogs.thetimes.co.za/minor/2009/08/20/caster-semenya-her-gender-and-sexuality/">অনুভব করেছে</a> যে পুরো বিষয়টি এড়ানো যেত:  </p>
<blockquote><p>তার কোচ সেমে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়রা এই বিতর্ক এড়াতে পারত এবং তাদের তা করা উচিত ছিল। এই ঘটনার জন্য তাদের তৈরি থাকা উচিত ছিল এবং এই পরীক্ষা মাস খানেক, এমনকি তা বছর খানেক আগে করা যেত।  এই সংবেদনশীল কাজ যা করা উচিত ছিল। এই মেয়েটি এখনো কিশোরী, সে তার লিঙ্গ পরিচয়ের সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এই আন্তর্জাতিক জটিলতা যা এড়ানো যেত, সেই  বিষয়টি তার এবং তার পরিবারের জন্য বিশাল এক মানসিক চাপ তৈরি করেছে। এই চাপ এমন এক সময় তৈরি হয়েছে, যখন সে ক্ষণভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে এবং তার লিঙ্গ পরিচয় এর দিক থেকে, এবং তার শারীরিক গঠন এখনো তৈরি হচ্ছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://roadsafety.co.za/2009/08/20/what-did-800m-athlete-caster-semenya-look-like-at-school/">রোডসেফটি.কো.জায়া</a> দক্ষিণ আফ্রিকার হাই স্কুল প্রতিযোগিতায় কাস্টার সেমেনেইয়ের দৌঁড়ানোর ছবি জোগাড় করতে সমর্থ হয়েছে। সুপারমিডিয়া সাইটে গিয়ে আপনারা<a href="http://www.supermedia.co.za/detail.aspx?i=120"> এই ছবি দেখতে পারেন</a>।</p>
<p>অনেক ব্লগার তার নামের প্রতি মনোযোগ দিয়েছে। ইংরেজীতে এই নামের বানান সেমেনেইয়ের বদলে অনেকটা সী-ম্যান-ইয়েহ উচ্চারণ করা যায়। <a href="http://blogs.sport24.co.za/Kitchener/Caster-See-man-yeah">ব্লগার লিখেছে</a>:</p>
<blockquote><p>আমি এই গ্রাম্য (দক্ষিণ আফ্রিকার ভাষায় ইয়ারপি) ব্যক্তিটিকে দেখছিলাম.. দু:খিত, আমি বলতে চাচ্ছি বালিকাটিকে.. কাস্টার সী-ম্যান ইয়েহ (উচ্চারণ বিশ্লেষণ করলে নামের মানে দাঁড়ায়, কাস্টার নামক পুরুষটিকে দেখ) গত রাতে মেয়েদের ৮০০ মিটার দৌঁড়ের সেমিফাইনালে সে ছিল এবং আমি বিস্মিত যে কিভাবে আপনারা নিশ্চিত যে ব্যক্তিটি.. দু:খিত সে, আসলে একটা মেয়ে?</p>
<p>“সে” প্রাথমিক বাছাই পর্বে সম্ভাব্য বিজয়ীদের গতিতে পরাস্ত করে এক প্রতারণা করেছে। আমরা কিভাবে নিশ্চিত হবো যে, এই নারী বেশি পুরুষ মেয়ের বেশে ছবি তুলে আর কোন প্রতারণা করবে না, যেখানে বাস্তবতা হচ্ছে সে এক পুরুষ? এই মেয়েটিকে দেখতে নিশ্চিত রুপে এক পুরুষের মতো লাগে।</p></blockquote>
<p>ওয়ানলার্জপ্রন <a href="http://www.onelargeprawn.co.za/2009/08/20/sa-runner-brushes-off-gender-row-blazes-to-800m-gold-medal/">লিখেছে</a>: </p>
<blockquote><p>গত রাতে যখন তাকে দৌড় শেষ করে দড়ির প্রান্ত ছুঁতে দেখি, সে সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি নির্দেশ করছিল যে এই বিষয়ে তার চিন্তাভাবনা কি- সে তার বাহু আড়াআড়ি টেনে নিল এবং কাঁধের ময়লা পরিষ্কার করল। জেই জেড এতে গর্ব অনুভব করবে।</p>
<p>লিঙ্গ নিশ্চিত করণ পরীক্ষার জটিলতার কারনে পরীক্ষার ফলাফল কয়েক সপ্তাহেও নিশ্চিত করা যাবে না। ঘটনাক্রমে আইএএএফ সেমেনেইয়েকে গতরাতের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে পারে নি। তবে এটা বোঝা যায় যে দক্ষিণ আফ্রিকা বেশ কিছু অপ্রথাগত চাপের মধ্যে ছিল, সেমেনেইয়ের নাম প্রত্যাহার করে নেবার জন্য। তারা তাদের এই স্বর্ণশিকারীর প্রতি আস্থা বজায় রেখেছিল এবং তাকে দৌঁড়াতে দিয়েছিল।</p></blockquote>
<p>সিমোনিয়াল, কাস্টার সেমেনেইয়ের <a href="http://simonial.wordpress.com/2009/08/20/caster-semenyat/">একটা পুরোনো ছবি জোগাড়</a> করেছে এবং যুক্ত করেছে:</p>
<blockquote><p>এই সমস্ত ছবিতে সেমেনেইয়েকে নিশ্চিত ভাবে দেখতে একটা মেয়ের মতো লাগে।</p></blockquote>
<p>সোলফুড <a href="http://soulfood101.wordpress.com/2009/08/20/gender-bender/">বিস্মি</a>ত কেন প্রতি বার দক্ষিণ আফ্রিকা কোন অর্জনের বেলায় সংবাদ শিরোনাম হয়, তার অর্জনে একটা কিন্তু থেকে যায়: </p>
<blockquote><p>কেন এমনটা ঘটে, যখনই দক্ষিণ আফ্রিকা বা দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ ভালো কিছুর জন্য সংবাদে আসে-তার এই যোগ্যতা কোন এক “কিন্তুর&#8230;” মধ্যে দিয়ে ঘটে অথবা “ সকল ঘটনায়” অথবা “সকল কিছু সত্বেও” একটা প্রশ্ন থেকে যায়।  কাস্টার সেমেনেইয়ের বিষয়ও আমার দৃষ্টিতে এ রকম এক ঘটনা। </p>
<p>কর্মকর্তাদের কাছে সংরক্ষিত রেকর্ড মোতাবেক কাস্টার ৮০০ মিটার দৌঁড়ের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত গতির তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। ইতিহাসে! কিন্তু এই পরীক্ষা করা হচ্ছে একা তার উপর, সে কি ছেলে নাকি মেয়ে।</p></blockquote>
<p><em>৬০০০ মাইল</em> পরিহাসছলে এই <a href="http://6000.co.za/2009/08/20/the-caster-semenya-debate/">বিষয়টির </a>দিকে তাকাচ্ছেন: </p>
<blockquote><p>সকল গুরুত্ব প্রদান করা সত্ত্বেও, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এই ঘটনা সেমেনেইয়ের লিঙ্গ পরিচয়ের সাথে যুক্ত হয়েছে, তার অসাধারণ ক্রীড়া শৈলী প্রদর্শনের সাথে নয়, যা সে গত রাতে দৌঁড়ের মাধ্যমে প্রদর্শন করে। সে দক্ষিণ আফ্রিকাকে গর্বিত করেছে এবং এটাই এখানে সবচেয়ে বড় সংবাদ হবার কথা।</p>
<p>আমি নিশ্চিত যে পুরো দেশ তার পেছনে অবস্থান নেবে যখন সে এক অদ্ভুত দ্বৈত পদক অর্জনের জন্য দৌঁড়াবে, আগামীকাল সন্ধ্যায় পুরুষদের ৮০০ মিটার দৌড়ে পদক অর্জনের জন্য।</p></blockquote>
<p>দৌঁড়ের ভিডিওটি :</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rGxJp_ScVFc&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rGxJp_ScVFc&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>মাইকেল জনসনের কিছু দৃষ্টিভঙ্গি:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/QZmQvNuq28w&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/QZmQvNuq28w&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5408/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এইচআইভি আক্রান্তদের ব্লগিং: &#8220;ভালোবাসা এখনো সম্ভব&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2009 15:05:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কঙ্গো রিপাব্লিক]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5267</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। যদিও এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/13/blogging-with-hiv-love-is-still-possible/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।</p>
<p>এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে। কোটি কোটি লোক এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে, কিন্তু এই বাস্তবতা যে এটাকে সবাই খুব ভয় পায় আর এটা যৌন সংসর্গে ছড়াতে পারে, তার মানে হল এইচআইভি নিয়ে বসবাসকারীরা প্রায় ধিক্কৃত হন। তারপরেও ডজন ডজন সাহসী মানুষ তাদের গল্প লিপিবদ্ধ করেন, আর মাঝে মাঝে তাদের অধিকার বা ভালো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য প্রচারণাও করেন ব্লগ বা ইন্টারনেট ফোরামে, যেখানে সবাই পড়তে পারে।</p>
<p><code><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1" style="color:#0000FF;text-align:left">ব্লগিং পজিটিভলি ম্যাপ</a> বড় করে দেখতে ক্লিক করুন</small></code></p>
<p><strong>দক্ষিণ আফ্রিকা:</strong></p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে <em>বুসি</em> নামে একজন কবি আর ব্লগার ধর্ষিত হওয়ার ছয় মাস পরে ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে জানতে পারেন যে তার দেহে এইচআইভি ভাইরাস ঢুকেছে।</p>
<p>এখানে রয়েছে তার দু:খের কাহিনী, যা তিনি তার ব্লগ <a href="http://latifah.wordpress.com/2006/12/22/happy-birthday-to-me/">মাই রিয়ালিটিজ</a> এ লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>বেশী দিন হয়নি জানতে পারলাম যে আমি এইচআইভি তে আক্রান্ত। আমি অনেক বেশীবার আক্রান্ত আর ধর্ষিত হয়েছি যার ফলে এই ভাইরাসে আমি আক্রান্ত হয়েছি। কারণ হল যে আমি একজন নারী যে নিজেকে সমকামী বলি একজন মহিলার সাথে আমার সম্পর্কের কারনে। আমাকে আক্রমণকারী আর বিভিন্ন ধর্ষক পুরুষরা এমন করেছে আমাকে বোঝানোর জন্য যে নারী হওয়ার আসল মানে কি।</p></blockquote>
<p><em>বুসি</em> এই সুন্দর পৃথিবীতে বাঁচতে পারেন নি যেহেতু তিনি <a href="http://latifah.wordpress.com/2007/03/17/goodbye-busisiwe-231281-120307/">২০০৭ সালের মার্চ মাসে রোগে ভুগে মারা যান</a>। কিন্তু তার ব্লগ আর কবিতা তার জীবনের শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে, যেমন আছে তার মত আরও অনেকের ব্লগ যতদিন পর্যন্ত না এর উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যায়।</p>
<p><strong>চীন:</strong></p>
<p>চীনের এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার লি জিয়ান এইচআইভিতে আক্রান্ত হন কিশোর অবস্থায়, উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকা কালে <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/01/china-aids-blogger-li-xiangs-unextraordinary-life/">রক্ত দানের সময়</a>। ২০০৫ সাল থেকে ব্লগিং শুরু করেন যখন তার বয়স বিশের ঘরে ছিল। এই বছরের শুরুর দিকে একটা ব্লগ পোস্টে ( চীনা ভাষায়) তিনি এইডসকে <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46f3d7910100byk0.html">প্রতি ভয় কমানোর চেষ্টা করেছেন</a> এই বলে যে অন্যান্য জীবনঘাতী অসুখের চাইতে বেশী এইডসকে ভয় করা উচিত না, আর তিনি নিজে ভীত না চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির কারণে।</p>
<p><strong>ফিলিপাইন্স:</strong></p>
<p><em>কিকস</em> হচ্ছে হংকং এর কাউলুন এ বসবাস রত একজন ফিলিপিনো ব্লগার । ২০০৭  সালে তিনি আবিষ্কার করেন যে তার এইচআইভি আছে আর এটা নিয়ে কিভাবে আছেন সেটা <a href="http://bikolanongtsekwangbakla.blogspot.com/2007/07/sounding-alarm.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়া একেবারেই গুরুতর কিছু না।</p>
<p>এটা যেন সারা জীবনের জন্য হার্টের অসুখ হওয়া যদিও আমার ডাক্তাররা বলেছেন যে এটা ডায়বেটিস হওয়ার থেকে ভালো। আজকাল এত ভালোভাবে ঔষধ পাওয়া যায়, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ক্যান্সারের রোগী, রক্ত শূন্য বা বয়স্ক যারা ম্যানিলার মতো দূষিত শহরে থাকেন তাদের থেকে বেশী দিন বাঁচবেন।</p></blockquote>
<p><strong>যুক্তরাজ্য:</strong></p>
<p><em>ফ্রিরেঞ্জলাইফ</em>  নামের ব্লগার যুক্তরাজ্যের একজন সমকামী পুরুষ যিনি এইচআইভি নিয়ে ২০ বছরের বেশী বেঁচে আছেন। তিনি <a href="http://mylifepositive.com/wpmu/ukguy/2009/07/22/mr-angry-2/">সাম্প্রতিক একটা পোস্টে</a> সাবধানতা অবলম্বনের ব্যাপারে গাফিলতি করার বিপদের কথা লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমরা প্রায় ২০ বছরের বেশী এইচআইভি সম্পর্কে জানি, মানুষ এর বিপদের কথা জানে। তাহলে এটা তবুও কেন হয়? এর কারণ আমরা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করি আর ভাবি ‘এটা আমার সাথে কখনো হবে না।“</p></blockquote>
<p><strong>কঙ্গো প্রজাতন্ত্র:</strong></p>
<p><em><a href="http://aidsrightscongo.org/?p=103">এইডস রাইট কঙ্গো</a></em> ব্লগের <em>ডেভি হারমান মালান্ডা</em> গত বছর লিখেছিলেন নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার খবর অন্যদের জানানোর বিপদ সম্পর্কে। তিনি বেরনাডেটা (নকল নাম) নাম্নী এক মহিলার গল্প বলেছেন, যিনি কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পোয়াঁ নোয়ারে টি-টি বাজারে পুরানো কাপড় বিক্রি করেন:</p>
<blockquote><p>বেরনাডেটার জীবন পাল্টিয়ে গিয়েছিল যখন তার কাছের বন্ধু তার এইচআইভি হওয়ার কথা সবাইকে জানিয়ে দেন। তার সহকর্মী আর গ্রাহকেরা জেনে যায় যে সে এইচআইভি পজিটিভ। ফলে বাজারে তার টেবিলে খুব কম গ্রাহক কাপড় কিনতে আসত। তার জীবন কষ্টের হয়ে যায়, আর সংসার চালানোর জন্যে রোজকার করা তার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।</p></blockquote>
<p>কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ব্রাজাভিল থেকে <em>অরেলি</em> <a href="http://aidsrightscongo.org/?p=111">লিখেছেন</a> তার নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার কথা জানতে পারার আঘাতের কথা:</p>
<blockquote><p>প্রাথমিকভাবে এটা আমাকে এক টন ইটের মতো এসে আঘাত করেছিল। আমি সাথে সাথে আমার জীবন পাল্টাতে দেখেছি আর দু:শ্চিন্তা আমার মাথায় চেপে বসেছিল।</p></blockquote>
<p>তিনি আরো লিখেছেন যে তার পরিবারের সহায়তায় আর একটা অলাভ জনক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় এখন তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন।</p>
<p><strong>যুক্তরাষ্ট্র:</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক <a href="http://blogs.poz.com/">পজ ব্লগ</a> নেটওয়ার্কের একটা ব্লগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মিশেল লিখেছেন যে এইচআইভি নিয়েও ‘<a href="http://blogs.poz.com/michelle/">ভালোবাসা এখনো সম্ভব</a>’ আর জানিয়েছেন কিভাবে তিনি তার নতুন জীবন সঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি এই পরামর্শও দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>যারা নতুন আক্রান্ত বা যারা একা থাকতে থাকতে ক্লান্ত, আশাহত হবেন না। ভালোবাসাতে হার মানবেন না। আপনার সব থেকে যখন প্রয়োজন আর আপনি যখন একেবারেই আশা করছেন না তখন এটা আপনিই আসবে।</p></blockquote>
<p><strong>কেনিয়া:</strong></p>
<p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার মানে এই না যে বৈষম্যের কারনে আপনি সব ধরনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন। <em><a href="http://rising.globalvoicesonline.org/repacted/2008/12/03/world-aids-day-mr-and-miss-red-ribbon-2008/">মি: আর মিস রেড রিবন</a></em> একটা চ্যারিটির অনুষ্ঠান আর ফ্যাশন শো যা  কেনিয়ার নাকুরুর তরুণ সংঘ প্রতি বছর আয়োজন করেন। <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/">রাইজিং ভয়েসেস</a> এর কেনিয়ার ব্লগিং প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/repacted-kenya/">রিপ্যাক্টেড</a> এর সদস্য এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার <em>মরিন</em> এর একজন প্রতিযোগী ছিলেন আর <a href="http://maureenakinyi.blogspot.com/2008/12/blogging-positively.html">তার অভিজ্ঞতা ব্লগে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি ২০০৬ সাল থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে আসছি আর এর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করি একটা কারনে, ঘৃণা আর বৈষম্যকে এটি ঘুচিয়ে দেয়। মি: আর মিস রেড রিবন আক্রান্ত আর ক্ষতিগ্রস্তদের এক মঞ্চে আনে সৌন্দর্যকে বিশেষ ভাবে উদযাপনের জন্য। অনুষ্ঠানের সময়ে দর্শক সৌন্দর্যকে উপভোগ করেন মডেলদের দেখে, আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে না।</p></blockquote>
<p><em>উপরের <a href="http://maps.google.com/maps/ms?ie=UTF8&#038;hl=en&#038;msa=0&#038;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&#038;ll=24.527135,14.765625&#038;spn=120.298584,316.40625&#038;z=2">গ্লোবাল ভয়েসেস এর তৈরি এইচআইভি পজিটিভ ব্লগারদের গুগল ম্যাপ</a> এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার আর তাদের সাহায্য কারীদের কণ্ঠকে তুলে ধরে, আর এইচআইভি/এইডস এর সাথে জড়িত অন্যান্য নাগরিক মিডিয়াকেও। ম্যাপের লিঙ্কে ক্লিক করে আপনারা এ ধরনের আরো বিস্ময়কর গল্প পড়তে পারেন। </em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকা: সিকম কেবলের আগমন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2009 13:34:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[তান্জানিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মোজাম্বিক]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সোয়াহিলি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5240</guid>
		<description><![CDATA[আফ্রিকায় সম্প্রতি একটি সাবমেরিন (সমুদ্রের তলার) কেবল এসেছে যা এই মহাদেশ ব্যাপী ব্যান্ডউইথ (ইন্টারনেটের ক্ষমতা) বাড়াবে আর ইন্টারনেটের খরচ কমাবে। তবে ইতিমধ্যেই তা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এবং আফ্রিকার ব্লগ জগৎে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rebekah-heacock/">রেবেকা হিকক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/24/africa-the-arrival-of-seacom-cable-sparks-debate/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আফ্রিকায় সম্প্রতি একটি সাবমেরিন (সমুদ্রের তলার) কেবল এসেছে যা এই মহাদেশ ব্যাপী ব্যান্ডউইথ (ইন্টারনেটের ক্ষমতা) বাড়াবে আর ইন্টারনেটের খরচ কমাবে। তবে ইতিমধ্যেই তা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এবং আফ্রিকার ব্লগ জগৎে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। <a href="http://www.seacom.mu/index2.asp">সিকম</a> নামে এই সাবমেরিন কেবল, যা দক্ষিণ আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া, কেনিয়া, উগান্ডা আর মোজাম্বিক কে ইউরোপ আর এশিয়ার সাথে যুক্ত করবে, গত বৃহস্পতিবার (২৩শে জুলাই, ২০০৯) <a href="http://www.guardian.co.uk/technology/2009/jul/23/east-africa-broadband-revolution">কাজ শুরু করে</a>। এটি পূর্ব আর দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করেছে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/picture-1-300x271.png"><img alt="সাবমেরিন কেবল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/picture-1-300x271.png" title="সাবমেরিন কেবল" width="300" height="271" /></a><p class="wp-caption-text">সিকম পূর্ব আফ্রিকার তীরকে ইউরোপ আর এশিয়ার সাথে যুক্ত করেছে।</p></div>
<p>জোহানেসবার্গ, নাইরোবি আর কাম্পালা ২৩শে জুলাই, ২০০৯ <a href="http://www.google.com/hostednews/afp/article/ALeqM5iHrESmY6eTaALo3tbsjwGSPkPP1Q">তাদের সংযোগ পেয়েছে</a>, আর আদ্দিস আবাবা আর কিগালি অচিরেই পাবে। সাবমেরিন কেবলের আগমন জুলাই এর প্রথম দিকে নির্ধারিত ছিল, কিন্তু <a href="http://allafrica.com/stories/200906290065.html">সোমালিয়ার তীরের অদূরে জলদস্যুর হামলা</a> স্থাপনায় দেরি করিয়ে দিয়েছে।</p>
<p>এই সাবমেরিন কেবল লিঙ্ক ব্যান্ডউইথের দাম ৯০% পর্যন্ত কমিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং পূর্ব আফ্রিকার তীরবর্তী এলাকাগুলো ভিডিও কনফারেন্স, হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন আর হাই স্পিড ইন্টারনেটের সুবিধা পাবে ।</p>
<p>“হুমম&#8230; ডাউনলোড আরম্ভ হতে অপেক্ষা করতে পারছি না,” লিখেছেন <a href="http://itblogkenya.blogspot.com/2009/07/seacom_22.html">আইটি ব্লগ কেনিয়া</a>।</p>
<p>উগান্ডাতে, <a href="http://inanafricanminute.blogspot.com/2009/07/kung-fu-baby-and-seacom-cable-launch.html">ইন এন আফ্রিকান মিনিট</a> ব্লগের জশ এরই মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন:</p>
<blockquote><p>বিপুল ভাবে পরিচিত প্রযুক্তি ইউটিউবে আফ্রিকাতে বসে ভিডিও দেখতে ভিডিও শুরু হওয়ার সাথে সাথে থেমে যায়, ২০ মিনিট ( বা তারও বেশী ) অপেক্ষা করতে হয় যখন ভিডিও পুরোটা লোড হয়, আর তারপরে দেখা যায়। আজকে আমি সিকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আছি&#8230; একটা কনফারেন্স রুমের কোনায়। সিকমের ব্যবস্থাপক পিটার মোরেটন আমাকে একটা কম্পিউটারের সামনে ডাকলেন যেখানে ইউটিউব খোলা ছিল। আমরা কুং ফু বেবী শুরু করেছিলাম আর আফ্রিকাতে প্রথমবারের মতো আমি একটা ইউটিউব ভিডিও দেখলাম যা পুরোপুরি ৬ সেকেন্ডে লোড হয়ে দেখা যায়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.techmasai.com/2009/07/24/seacom-the-under-sea-cable-has-arrived/">টেকমাসাইতে</a> মুনাশি একইভাবে উৎসাহিত:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.techmasai.com/2008/04/02/eassy-east-african-submarine-cable/">কিছুদিন আগে</a> আমরা যে সমুদ্রের তলার কেবলের কথা বলছিলাম তা বসানো সম্পূর্ণ হয়ে কাজ শুরু করেছে, আজকে। এই উদ্যোগ বৈপ্লবিক এই কারনে যে যেসব দেশ এখন এর ব্যবহার করবে তাদের মধ্যে আছে কেনিয়া, উগান্ডা, মোজাম্বিক আর দক্ষিণ আফ্রিকা।</p>
<p>&#8230;আফ্রিকার জন্য এটা সুন্দর একটা মুহূর্ত, আমি কেনিয়ার কথা বলতে পারি যারা স্যাটেলাইটের উপরে নির্ভরশীল ছিল এখন পর্যন্ত তাদের ইন্টারনেটের যোগাযোগের জন্য।</p></blockquote>
<p>নাইজেরিয়ান ব্লগার <em>জেরেমি</em> <em>নাইজাব্লগে</em> সিকমের সাথে পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন কেবল লিঙ্কের সাথে <a href="http://naijablog.blogspot.com/2009/07/east-africa-goes-broadband.html">তুলনা করেছেন</a>। তিন বলছেন পশ্চিম আফ্রিকার ভাগে কম পরেছে:</p>
<blockquote><p>পূর্ব আফ্রিকাতে ব্রডব্যান্ড এসে গেছে&#8230; কিন্তু পশ্চিম আফ্রিকা এখনো প্রারম্ভিক পর্যায়ে আছে (আসলে এখনো পোশাক পাল্টাবার কামরায় ভাবছে কি পরা যায়) বেকার এবং প্রায় সময়ই বিচ্যুত স্যাট৩ সাবমেরিন কেবল নিয়ে। তাদের আছে একটা কাল্পনিক গ্লো ১ কেবলের মূলো ঝুলানো (আল্কাটেলের কন্ট্রাক্টাররা কি বালির নীচে চাপা পড়েছে?) আর নতুন দুই অন্তর্ভুক্তি, ওয়াকস আর মেইন১, যা সীমানার অনেক দূরে (সামনের বছর যদি আমরা সৌভাগ্যবান হই)। পূর্ব আফ্রিকা ব্রডব্যান্ডকে স্বাগত জানিয়েছে আর এটা নিয়ে এগিয়ে গেছে আর পশ্চিম আফ্রিকা অপেক্ষা করছে আর দেখছে।</p></blockquote>
<p>টুইটারও সরব হয়ে আছে সিকম কেবলের খবরে। কিছু ব্যবহারকারী উত্তেজিত, আর অন্যরা সমালোচনায় মুখর:</p>
<blockquote><p>“এখনো একেবারেই বিস্ময়কর যে আসলেই পুরো ওয়েবের দুনিয়াকে একটা ছোট্ট হলুদ কেবল <a href="http://twitter.com/search?q=%23seacom">#সিকম</a> দিয়ে ডাউনলোড করা যায়।“ - <a href="http://twitter.com/ncallegari/statuses/2815733071">নেকালিগারি</a> </p></blockquote>
<blockquote><p>“সিকমে সত্যি আজ থেকে চালু হয়েছে। দেখা যাক কতদিন লাগে আইএসপির গতি বাড়িয়ে দাম কমাতে&#8230;” -<a href="http://twitter.com/dnyaga/status/2808617797">দেনায়গা</a></p></blockquote>
<blockquote><p>“ এটা কি শুধু আমি অনুভব করছি নাকি নাইরোবির নেট আজকে আস্তে চলছে <a href="http://twitter.com/search?q=%23seacom">#সিকম</a> চালু হওয়ার পরে? হয়ত বা ব্যান্ডউইথ সমুদ্রের দৃশ্য উপভোগ করছে এখানে আসার আগে!” - <a href="http://twitter.com/mentalacrobatic/statuses/2804058608">মেন্টালঅ্যাক্রোব্যাটিক</a></p></blockquote>
<p>সিকম কেবলের বেশীরভাগ সমালোচনা এর দাম নিয়ে: যদিও কিছু বিশ্লেষক দাবি করছেন যে ব্যান্ডউইথের মূল্য শতকরা ৯০ ভাগ কমে যাবে, আর অন্যরা মনে করছেন যে আসল মূল্য হ্রাস আরো কম হবে। <a href="http://www.kachwanya.com/?p=428">কাচোয়ানিয়া</a> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আদর্শগত ভাবে এই মূল্য ৯০% এর বেশী কমে যাওয়া উচিত। বর্তমানে প্রতি ১ মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের জন্যে আইএসপির মূল্য ৬৫০০ আমেরিকান ডলার। সিকম অনুসারে তারা ৪০০ আমেরিকান ডলার এর মতো নেবে প্রতি ১ মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের জন্য। কিন্তু থামেন, এই ক্ষেত্রে যাদু আশা করবেন না। সম্প্রতি ইউইউনেট সিইও টম ওমারিবা দাবি করেছেন যে সাবমেরিন কেবল বর্তমান মূল্যের ২০-৩০ ভাগ মাত্র কমাবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.truekenyan.com/2009/07/23/oh-kenyans-we-have-been-duped-again/">ট্রু কেনিয়ান</a> স্বচ্ছতার ব্যাপারে চিন্তিত:</p>
<blockquote><p>সিকম সোজাসুজি অস্বীকার করেছে আমাদের কাছে জানাতে, ইন্টারনেটের ভোক্তাদের কাছে, কোন আইএসপি তাদের কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনেছে। তাই আমরা এখনো জানি না কোথা থেকে সস্তা আর নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট আমরা কিনতে পারবো&#8230; তাই একমাত্র উপায় আমার কাছে আছে আমার বর্তমান আইএসপি নিয়েই কাজ চালানো। মেশিনের দিকে তাকিয়ে থাকব আর ওটা নিজের গতিতে পাতা লোড করবে আর আমি ভাববো যে একদিন আমাদের স্বপ্ন সত্যি হবে।</p></blockquote>
<p>তাঞ্জানিয়ার ব্লগার <em>ইসা নিচুজির</em> একটা পোস্টের ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে, <em>মাদাউও</em> <a href="http://issamichuzi.blogspot.com/2009/07/jk-azindua-kituo-cha-mkongo-wa-fibre.html">মূল্যের ব্যাপারে চিন্তিত</a>, যদিও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তার উচ্চ আশা আছে:</p>
<blockquote><p>সাবমেরিন কেবলের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু কবে এটা দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়াবে। আমি বলতে চাচ্ছি যে আমাদের যদি ভালো দেশের বাইরে যোগাযোগ থাকে যখন দেশের ভিতরে তা নেই- তারপরেও মূল্য অনেক বেশী হবে আর আমার মতে আমরা সি কেবলের ক্ষমতার কম ব্যবহার করবো। এখনকার জন্য, ভালো হয়েছে! ভবিষ্যৎের জন্য, আমাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে!</p></blockquote>
<p><a href="http://jellyfishcoolman.wordpress.com/2009/07/24/seacom-goes-live/">জেলিফিস</a> মূল্য নিয়ে দুর্ভাবনা ঝেড়ে ফেলেছেন যে স্পিড আর মানের এমন উন্নত সার্ভিসের জন্য মূল্য বৃদ্ধি সাথে সাথে থাকবে। তিনি বলছেন যে সিকমের আগমন সুন্দর একটা ঘটনা:</p>
<blockquote><p>বহুল প্রচারিত একটা অনুষ্ঠানে সিকম সুইচ চালু করেছে যা সাথে সাথে টেরাবাইট ব্যান্ডউইথ ছড়াল আলোর গতিতে ফাইবার অপটিক্সের ভিতর দিয়ে।</p></blockquote>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার <a href="http://twitter.com/akianastasiou/status/2797795511">আকি আনাস্তাসিও</a> বলছেন, ”এটা আমার ল্যাপটপের জন্য ছোট্ট একটা মেগাবাইট, আফ্রিকার জন্য বিশাল একটা টেরাবাইট।“</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ আফ্রিকা: সরকার, ধর্মঘটকারী ডাক্তার আর ইউনিয়নের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/11/4108/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/11/4108/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 11 Jul 2009 10:28:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4108</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনইসমাইল ধোরাট  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
গত কয়েক মাস ধরে একটা ঝড়ের উদ্ভব হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য সেবা ক্ষেত্রের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে। ডাক্তার, সরকার আর ইউনিয়ন মুখোমুখি হয়ে আছে কোন ধরণের সিদ্ধান্ত পৌঁছাতে না পেরেই। সকল পক্ষ অভিযোগ করছেন আর ডাক্তাররা ধর্মঘট করছেন যাতে তাদের দাবী [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/ismail-dhorat/">ইসমাইল ধোরাট</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/01/south-africa-storm-brewing-between-government-striking-doctors-unions/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত কয়েক মাস ধরে একটা ঝড়ের উদ্ভব হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য সেবা ক্ষেত্রের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে। ডাক্তার, সরকার আর ইউনিয়ন মুখোমুখি হয়ে আছে কোন ধরণের সিদ্ধান্ত পৌঁছাতে না পেরেই। সকল পক্ষ অভিযোগ করছেন আর ডাক্তাররা ধর্মঘট করছেন যাতে তাদের দাবী মানা হয়।</p>
<p>এই সমস্যার মূলে আছে সরকারী ডাক্তারদের কষ্ট - তাদের পর্যায়ের যে কোন সরকারী কর্মচারীর থেকে তাদেরকে ৫০% কম বেতন দেয়া হয়। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে আছে দীর্ঘ কাজের সময়, হাসপাতালের অবস্থা আর ডাক্তার রোগীর অনুপাত কম। ডাক্তাররা <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=92643598408">ফেসবুকে একটা গ্রুপ তৈরি করেছেন</a> সমর্থন লাভের জন্য যেখান থেকে এখন পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনার ইতিহাস আর তাদের কষ্টের ব্যাপারে জানা যাবে।</p>
<p>ফেসবুকের গ্রুপ অনুসারে, ডাক্তাররা মনে করেন যে তারা যথাযথভাবে ইউনিয়ন দ্বারা উপস্থাপিত নন যেমন দক্ষিণ আফ্রিকান মেডিকাল এসোসিয়েশন (সামা) সরকারের সাথে চুক্তিতে এসেছেন তাদের সদস্যদের সমর্থণ ছাড়াই।</p>
<p>তবে সামা জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>আমরা সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে আমাদের সদস্যদের সামার প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে চাই, একটা ওএসডির জন্য কথা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা যা আমাদের সদস্যদের আকাঙ্খা আর চাহিদার প্রতিফলন। এর প্রেক্ষিতেই আমরা চেষ্টা করেছি  নিয়োগকারীর প্রস্তাবের ব্যাপারে আমাদের সদস্যদের সর্বক্ষণ এবং সঠিকভাবে জানাতে। নিয়োগকারীর প্রস্তাবনা জানানো অবশ্যই এমন কোন নিদর্শন না যে সামা তার সাথে একমত। ডাক্তারের দলের দ্বারা এমন কথা বলা যে সামা স্বাস্থ্য দপ্তরের সাথে চুক্তিতে উপনীত হয়েছে তা কপট, ডাহা মিথ্যা আর সকল পক্ষ যারা ওএসডি আলোচনার সাথে যুক্ত তাদের জন্য অপমানকর।</p></blockquote>
<p>আর মূলধারার মিডিয়া <a href="http://www.int.iol.co.za/index.php?set_id=1&#038;click_id=13&#038;art_id=nw20090626172004434C572470">জানিয়েছে</a> ধর্মঘটকারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল এএনসির দৃঢ় অবস্থানের কথা।</p>
<blockquote><p>আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস আর কোসাটু কোয়াজুলু নাটালে একটা প্রেস রিলিজ দিয়েছেন এলাকায় ডাক্তারদের ধর্মঘটের ‘অপেশাদারী’ কাজকে তিরষ্কার করে।</p>
<p>কঠোরভাবে লেখা বার্তায়, জোট সদস্যরা জানিয়েছেন যে ডাক্তাররা অযৌক্তিক আর জাতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী ড: অ্যারোন মোতসোয়ালেদি আর প্রাদেশিক এমিসি, ড: সিবোঙ্গসিনি দোহলোমোর কোন ঐকমতে পৌঁছানোর উদ্যোগকে নষ্ট করেছে।</p></blockquote>
<p>তারা ডাক্তারদের অভিযুক্ত করেছেন প্রক্রিয়ার সাথে আর তাদের জন্য উন্মুক্ত চ্যানেলে যুক্ত না থাকার।</p>
<p>প্রাদেশিক স্বাস্থ্য দপ্তর কোয়া জুলু নাটালে ২০০ জনের বেশী ডাক্তারকে <a href="http://www.news24.com/Content/SouthAfrica/Politics/1057/61d6644238184bee80104c0c1430374f/29-06-2009%2007-06/200+_doctors_fired_in_KZN">ছাঁটাই করেছেন</a> আদালত থেকে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরে কাজে না আসার কারনে:</p>
<blockquote><p>কোয়া জুলু নাটালের বিভিন্ন হাসপাতালে ২০০ জনের বেশী ডাক্তারকে ছাঁটাই করা হয়েছে কাজে না আসার কারনে, সোমবার বিকালে এসএবিসি রেডিওর সংবাদ জানিয়েছে।</p>
<p>প্রাদেশিক স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছেন যে তারা এই পর্যন্ত ২২৬ জন স্বাস্থ্য পেশাজীবিকে চাকুরিচ্যুতির চিঠি দিয়েছেন।</p></blockquote>
<p><em>ব্লগ থেকে কিছু দৃষ্টিভঙ্গী:</em></p>
<p><em>ফুলুপিলো</em> <a href="http://blogs.24.com/ViewComments.aspx?blogid=78bffe9b-781f-48e3-ad87-756b787c4df3&#038;mid=68f75832-ab90-4c1b-8f10-c35e35a6a60f">লিখেছেন</a></p>
<blockquote><p>ওয়ার্ডে বসে একটা জিনিষ আমি যা শিখেছি তা হলো ডাক্তারদের এই ধর্মঘটের যে প্রভাব বেচারী রোগীদের উপরে পড়ছে। এক মহিলার কথা অনুসারে, তার ১০ ঘন্টার বেশী সময় লেগেছে হাসপাতালে আসার পরে সেবা পেতে যেহেতু কোন ডাক্তার ছিলেন না আর নার্সদের ঔষধ দেয়ার অধিকার নেই রোগী ভর্তি হয়ে কোন ডাক্তার দ্বারা না দেখা পর্যন্ত। বেদনানাশক পর্যন্ত না আর এই মহিলা পুরো সময় সেখানে ব্যাথা নিয়ে শুয়ে ছিলেন।</p></blockquote>
<p><em>মোরালফাইবারে</em> <a href="http://moralfibre.co.za/blog/2009/06/28/why-doctors-feel-the-need-to-strike/">একজন ডাক্তার</a> বেনামে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>রোগীদের ফেলে রাখা আর ধর্মঘটের ব্যাপারে আমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল যা সাধারণ মানুষ দেখছেন কেবলমাত্র বেতন নিয়ে সংঘাত হিসাবে। বিক্ষোভের এই কর্মসূচি মূলত অনেক বছরের অপব্যবহারের সমষ্টি যা স্বাস্থ্য পেশাদাররা সরকারের হাতে ভোগ করেছেন।</p>
<p>কাজের পরিবেশ নিয়ে শুরু করি। হাসপাতালগুলো ধারন ক্ষমতার বেশী, আর ডাক্তাররা বেশী কাজ করানো। আমার ওয়ার্ডে হিসাব মতে ‌আমাদের কাছে ৬৫ জন রোগীর জায়গা আছে। গত সপ্তাহের বেশীরভাগ সময়ে ৮৫ জনের বেশী ছিল। ওভারটাইম করলে ডাক্তাররা ৩০ ঘন্টার শিফটে কাজ করেন, আমার হাসপাতালে অন্তত ৬০ ঘন্টা সপ্তাহে কাজ করেন, কিন্তু এমন সব জায়গায় না। সাধারণত আরো খারাপ। যদিও এটা ২০০২ এর থেকে ভালো যখন শিক্ষাধীন ডাক্তার হিসাবে, আমি সপ্তাহে ১০০ ঘন্টা আর প্রতি তৃতীয় দিনে ৩০ ঘন্টার শিফ্ট করতাম। আশা করা হয় যে সুই দিয়ে আমরা কাজ করবো যখন নিজেদের আর অন্যদের এইচআইভির সংক্রমনের শিকারে পরিণত করতে পারি সুই এর আঘাত থেকে, এটা ২৪ ঘন্টা বা তারো বেশী জেগে থেকে কাজ করার পরে।</p></blockquote>
<p>তিনি আরো লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমি হাসপাতালে যে কাজ করি সেটা করতে আমার তিনটা ডিগ্রি লেগেছে মেডিকেলের ক্ষেত্রে, কিন্তু জিমের ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের থেকে কম আয় করি। সরকারী পর্যায়ের অন্য যে কোন পেশাজীবির সাথে যদি আপনি আমার কাজের প্রয়োজনীয়তা তুলনা করেন, আমাকে কম বেতন দেয়া হয় অন্তত ৫০%। প্রাইভেট প্রাক্টিসে আমি অন্তত আমার বর্তমান বেতনের ৩০০% আয় করতাম।</p></blockquote>
<p>আর তিনি এটাও বিশ্বাস করেন যে সরকার চালাকি অবলম্বন করছেন ধর্মঘট থেকে সমর্থন সরানোর জন্য।</p>
<blockquote><p>বুধবার মন্ত্রী যখন সাংবাদিক সম্মেলন করেন, এটা একটা রাজনৈতিক চালাকির চাল ছিল। কখন কবে কোন নিয়োগকর্তা বেতনের প্রস্তাব জনগণের সামনে এনেছেন দরাদরি না করে প্রথমে? তারা জানতেন যে এই পদক্ষেপ ব্যাপক প্রচার পাবে আর করা হয়েছিল ধর্মঘট থেকে জনগণের সমর্থন সরিয়ে নেয়ার জন্য।</p></blockquote>
<p><a href="http://justupthedose.blogspot.com/2009/06/my-five-cents-worth.html">ক্যারেন লিটল</a> নৈতিকতা নিয়ে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>এটা নৈতিকতাকে নাড়া দেয়ার মত পরিস্থিতি। জনগণ ভুগছে আর ভালো সম্ভাবনা আছে যে ধর্মঘটের কারনে মানুষ মারা যাবে। অন্যদিকে জনগণ বিশালভাবে ভোগে আর প্রতিদিন হাজার হাজার জীবনহানী ঘটে সরকার যখন স্বাস্থ্য খাতকে কম অর্থায়ন আর খারাপ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।</p></blockquote>
<p>ক্যারেন ধর্মঘট করছেন না, কিন্তু এটাকে পুরোপুরি সমর্থন করেন।</p>
<blockquote><p>ক্রেটার হাসপাতালে, আমরা ধর্মঘট করছি না- আমরা একমাত্র ইমার্জেন্সী সেবা দিচ্ছি শত কিলোমিটার পরিধির মধ্যে, আর এটা অনৈতিক হবে ধর্মঘট করা। কিন্তু আমি বলতে চাই যে আমি ধর্মঘটকে সমর্থন করছি আর আমার সহকর্মী যারা সাহসী হয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ- আর তাদের চাকুরিকে বিপদের মুখে ফেলেছেন- আমাদের সকলের স্বার্থে।</p></blockquote>
<p><em>স্যান্ডাইল</em> এই সব কিছুর নৈতিকতা নিয়ে <a href="http://www.thoughtleader.co.za/sandilememela/2009/06/30/the-doctors-hypocritical-oath/">প্রশ্ন করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এটা পুরোটাই কথিত খারাপ বেতন নিয়ে যা ডাক্তার আর কেবলমাত্র ডাক্তাররাই পান।</p>
<p>কিন্তু তাদের সহকর্মীদের কি, যারা প্রশাষক, ক্লার্ক, ক্লিনার, চালক, নার্স আর অন্যান্য জরুরী সেবায় আছে? কিছু একটা গোড়াতেই ভুল যখন ডাক্তাররা তাদের ওয়ার্ড ছেড়ে দেন অসুস্থ আর মৃতপ্রায় রোগীসহ কেবলমাত্র এই কারনে যে তারা আরো অর্থ চান।</p></blockquote>
<p><em>টুরিজম রেডিও সাউথ আফ্রিকা</em> <a href="http://tourismradiosouthafrica.blogspot.com/2009/07/strike-one-strike-two.html">লিখেছে</a>:</p>
<blockquote><p>আমার মতে, দুই পক্ষই ভুল। দুই জনই এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে ভাবছেন যেখান থেকে পেছোনো যাবে না কিন্তু এটা অর্থের থেকে বেশী কিছু। আমি বলি কি, মৃতপ্রায় রোগীর দিকে কিছু অর্থ ছুঁড়ে দিয়ে আমরা আবার কথা বলি। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতে আমার বিশ্বাস নেই সরকারি বা বেসরকারী, কখনো ছিল না। আমি মেডিক্যাল সাহায্যেও বিশ্বাস করি না, এটা যেন ফিয়ার ফ্যাক্টরের টেলিভিশন সংস্করণ দেখা একটা আর্থিক পুরষ্কার সহ অবশ্যই। আপনি কি পুঁজিবাদী হয়ে ডাক্তার বা রাজনীতিবিদ হতে পারে? মনে হয়। এগুলো কি একমাত্র পথ? দৃশ্যত:। তাহলে আমার তর্ক&#8230;সবার উপরে কোন ক্ষতি করে না। আমার মনে হয় সকল পক্ষ যারা যুক্ত তারা এটা থেকে শিক্ষা নিতে পারেন বা অন্তত, যা দিতে পারবেন না সেই কথা দেবেন না।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/11/4108/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জিম্বাবুয়ে: সমস্যা মোকাবেলা করা এবং সাহায্যের জন্য আবেদন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/19/3804/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/19/3804/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 19 Jun 2009 09:01:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[জিম্বাবুয়ে]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3804</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজুলিয়ানা রিন্কন পারা  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
দ্যা সিভিকস ওয়ার্ল্ড এ্যালায়েন্স ফল সিটিজেন পার্টিসিপেশন নামের দক্ষিণ আফ্রিকার সংগঠনটি টাইম টু অ্যাক্ট প্রকাশিত করেছে, এটি অনলাইন ভিডিওর সমষ্টি যেখানে জিম্বাবুয়ের জনগণ অনেকগুলো সমস্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। এইসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে এখন দেশটি যাচ্ছে। যার কারনে দেশটির জনসংখ্যা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিন্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/06/12/zimbabwe_faces_of_the_crisis_and_a_cry_for_help/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_3825" class="wp-caption alignleft" style="width: 105px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/civicus1.jpg" alt="Civicus.org" title="civicus1" width="95" height="82" class="size-full wp-image-3825" /><p class="wp-caption-text">Civicus.org</p></div>
<p><a href="http://www.civicus.org/">দ্যা সিভিকস ওয়ার্ল্ড এ্যালায়েন্স ফল সিটিজেন পার্টিসিপেশন</a> নামের দক্ষিণ আফ্রিকার সংগঠনটি টাইম টু অ্যাক্ট প্রকাশিত করেছে, এটি <a href="http://www.youtube.com/user/civicusworldalliance">অনলাইন ভিডিওর</a> সমষ্টি যেখানে জিম্বাবুয়ের জনগণ অনেকগুলো সমস্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। এইসব সমস্যার মধ্যে দিয়ে এখন দেশটি যাচ্ছে। যার কারনে দেশটির জনসংখ্যা লোপ পাচ্ছে এবং জীবন যাত্রার মান হ্রাস পাচ্ছে। নীচে তিন খন্ডের ভিডিওতে নাগরিকরা টাকার মুল্যমান হ্রাস পাওয়া নিয়ে আলোচনা করছে, তা তাদের খাবার ও পোশাক কেনার উপর প্রভাব ফেলছে, তারা সংঘর্ষের কথা বলছে এবং মধ্যস্থতাকারি যেমন সাউথ আফ্রিকান ডেভলাপমেন্ট কমিউনিটির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে। </p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=pSKb7K6ex1I">ভিডিওর প্রখম খন্ড শুরু হয়েছে</a> একজন তরুণ ছাত্রকে দিয়ে, যে বলছে কেন জিম্বাবুয়ের লোকজন স্বাধীন নয়: তারা খাওয়ার ক্ষেত্রে, নিজেদের মতো কাপড় পরার ক্ষেত্রে, নিজেদের লালন পালন করার ক্ষেত্রে, শিক্ষকের কাছে শেখার পর তাকে উপযুক্ত সন্মানি দেবার ক্ষেত্রে, যদি রোগাক্রান্ত হয় তাহলে হাসপাতালে সাহায্য চাওয়ার ক্ষেত্রেও তারা স্বাধীন নয়, এমনকি তারা অন্য দেশের মুদ্রা ব্যবহারের কারনে কোন পণ্যদ্রব্য কেনার সময় স্বাধীন নয়। জিম্বাবুয়ে ডলারের বদলে দেশটিতে কেনাবেচার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রা রান্ড ব্যবহার হয়। পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। এতটাই খারাপ, যে লোকজন বিশ্বাস করে অনেক স্তরে কর্ম পদ্ধতি ভেঙ্গে পড়েছে: স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, অর্থনীতি, এবং সরকার। স্বাস্থ্য- জ্ঞান, অসুস্থ্য লোকেরা হাসপাতালে আসে এবং সেখানে মারা যায়। কারন তাদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয় না। এমনকি তারপরেও মৃতের প্রতি কোন শ্রদ্ধা নেই, কেবল মর্গ থেকে মৃতদেহ নেবার জন্য পরিবারকে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে হয়।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/pSKb7K6ex1I&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/pSKb7K6ex1I&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এখানে ভিডিওর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=Ptf8K2yK_RE">দ্বিতীয় খন্ড</a>, এতে লোকজন বলছে কিভাবে নতুন ভাবে অর্থনৈতিক পতন সম্প্রদায়ের উপর প্রভাব ফেলছে: জিম্বাবুয়েতে ডলারে যে বেতন পরিশোধ করা হয় তা আরো স্থিতিশীল মুদ্রায় বদলে ফেলা হয়, এমনকি জীবনের জন্য প্রয়োজন নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্য কেনার জন্য এটাই যথেস্ট নয়। আরেকটি বিষয় এখানে আলোচনা করা হয়েছে, তা হলো দেশটির মানবাধিকার লংঘন এবং স্বাধীন ভাবে কথা বলার সীমাবদ্ধতা, যা বর্তমানে দেশটি মোকাবেলা করছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Ptf8K2yK_RE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Ptf8K2yK_RE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ভিডিওর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=JVtuxHAxRWk">তৃতীয় ও শেষ ভাগে</a> রয়েছে সাহায্যের জন্য আবেদন এবং মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে সমর্থন লাভের আশা করা, দি সাউথ আফ্রিকান ডেভলাপমেন্ট কমিউনিটি বা দক্ষিণ আফ্রিকার উন্নয়নকামী সম্প্রদায় এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের কাছে। তারা আশা করছে সাহায্যকারীরা এসে এই অবস্থাকে গুরুত্বের সাথে নেবে এবং আফ্রিকার প্রাক্তন রুটির ঝুড়িকে সাহায্য করবে যা এখন আফ্রিকার ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/JVtuxHAxRWk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/JVtuxHAxRWk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/19/3804/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: ভারতে বেড়ে ওঠার সময় তৈরী হওয়া দৃষ্টিভঙ্গি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/05/3288/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/05/3288/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 05 Jun 2009 05:33:45 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সেনেগাল]]></category>
		<category><![CDATA[হিন্দি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3288</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজুলিয়ানা রিংকন পাররা  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস অনুষ্ঠানকে ধন্যবাদ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের এতে অডিওভিজুয়াল বা ছবি তৈরীর যন্ত্রপাতি নিয়ে পরীক্ষা করার সৌভাগ্য এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গল্প বলার সুযোগ হয়েছে। যেমন ভারতের ক্ষেত্রে, সেখানে বিভিন্ন স্কুল ও বস্তির তরুণরা ভিডিও তৈরি করেছে। [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিংকন পাররা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/28/india-perspectives-on-growing-up-in-india/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_3400" class="wp-caption alignleft" style="width: 210px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/ayv4.jpg" alt="এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস লোগো" title="ayv4" width="200" height="150" class="size-full wp-image-34400" /><p class="wp-caption-text">এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস লোগো</p></div>
<p>এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েস </a>অনুষ্ঠানকে ধন্যবাদ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের এতে অডিওভিজুয়াল বা ছবি তৈরীর যন্ত্রপাতি নিয়ে পরীক্ষা করার সৌভাগ্য এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গল্প বলার সুযোগ হয়েছে। যেমন ভারতের ক্ষেত্রে, সেখানে বিভিন্ন স্কুল ও বস্তির তরুণরা <a href="http://www.adobe.com/cfusion/ayv/index.cfm?c=42">ভিডিও তৈরি করেছে</a>। যে বিশ্ব তাদের ঘিরে রেখেছে সেই বিশ্বকে দেখানোর জন্য এবং ভিডিওতে তারা তাদের চিন্তা ভাবনা এবং সচেতনতা তুলে ধরেছে। প্রথমে, একটি <a href="http://www.youtube.com/watch?v=PhGB2zt_Vrw">ভিডিও</a> দেখাচ্ছে ভারতের ছেলে এবং মেয়েদের প্রতি আলাদা যে ব্যবহার করা হয় তার চিত্র। <a href="http://www.youtube.com/watch?v=PjyAdmpoEB0">অন্য আরেকটি </a>ভিডিও একটা মেয়ের ছবি আঁকছে যে ঘরের কাজ করতে গিয়ে কঠিন বাস্তবতার মধ্যে পড়ে। ঘরের কাজ করার ফলে তার পক্ষে স্কুলের দেওয়া বাড়ীর কাজ করা সম্ভব হয়ে উঠে না। এবং শেষ ভিডিওতে একটি ছেলের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=6N6sItm3CYY">গল্প </a> রয়েছে যার বাবা মা স্কুলের একটি কোর্স পরীক্ষায় খারাপ করার ফলে তাকে শাস্তি দেয়। এরপর সে সমবয়সী একই ধরনের ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ধুমপান করা শুরু কর।</p>
<p>প্রথম ভিডিও, <em>স্বাধীনতা</em>তে মীরা সিংহ তার ব্লগ <a href="http://meerasinha.wordpress.com/2009/05/11/student-film/">ভারতে এক বছরে </a> ভিডিওর বর্ণনা করেন:</p>
<blockquote><p>এখানে এক কৌতুহলী ভিন্নধাচের লেখা রয়েছে: স্বাধীনতা ১৭ বছর বয়স্ক মুবিনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ, যার কথা আমি এর আগেও লিখেছিলাম এখানে (এবং সে এই তথ্যে চিত্রের প্রধান চরিত্র)। ভিডিওর শেষে পর্যায়ে একটি বয়স্ক মহিলার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। তাতে সে বলছে কেন সে তার ছেলেকে মেয়ের চেয়ে বেশী ভালোবাসে। এটা মাথায় রাখতে হবে পরস্পরে মিলিতভাবে আলোচানার মাধ্যমে এই সাক্ষাৎকার নিয়েছে মুবিন নিজে। আর যার সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে সে তার মা।</p></blockquote>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/PhGB2zt_Vrw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/PhGB2zt_Vrw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>যদিও এর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=PhGB2zt_Vrw">আগের ভিডিওর</a> সাক্ষাৎকার আমাদের একটি মেয়ের জীবন সমন্ধে ক্ষণিকের এক ধারনা দেয় একটা মেয়ে দুটি দায়িত্ব পালন করে স্কুল এবং বাসার, তাহলে <a href="http://www.youtube.com/watch?v=PjyAdmpoEB0">পরবর্তী ভিডিও</a> যা দিল্লীর বৈদিক কন্যা স্কুলের তোলা যেখানে তারা তাদের একাডেমিক বা শিক্ষাগত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের দুটির সংসারের অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং তাদের সময়ের কত অভাব। তারা স্কুলের দেওয়া বাড়ীর কাজ করতে পারে না যা তাদের পরীক্ষার ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলে:
</div>
<p><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/PjyAdmpoEB0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/PjyAdmpoEB0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=6N6sItm3CYY">শেষ ভিডিওটি</a> দিল্লীর নইদা পাবলিক স্কুলের। এটি আমাদের ভারতে জন্ম নেওয়া একটি ছেলের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে। ছেলেটির কিশোর বয়সে ধুমপান করা, আমাদের মনোযোগ দেওয়ায় কি ভাবে সে বাসায় ও সমবয়সী একই দলের চাপে ভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়ে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/6N6sItm3CYY&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/6N6sItm3CYY&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>আপনারা এ্যাডোব ইয়োথ ভয়েসের তরুণ তারকাদের তোলা এ রকম আরো অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন। সেখানে আপনারা এলাকাভিত্তিক খোঁজ করে যে কেবল ভারতের উপর শিক্ষা লাভ করতে পারবেন তা নয়, সেনেগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং যথারীতি আমেরিকা, কানাডা এবং ইংল্যান্ডের বিষয়েও জানতে পারবেন।  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/05/3288/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>২০০৯ সালের ব্লগিস প্রতিযোগীতার জন্য যে সমস্ত আফ্রিকার ব্লগ মনোনয়ন পেয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/24/1571/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/24/1571/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 24 Jan 2009 21:17:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[CATEGORIES]]></category>
		<category><![CDATA[LANGUAGES]]></category>
		<category><![CDATA[TOPICS]]></category>
		<category><![CDATA[আইভরি কোস্ট]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগারদের সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[লাইবেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1571</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনএনদেসানজো মাচা  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
নবম বাৎসরিক ওয়েবব্লগ পুরস্কার: ২০০৯ ব্লগিস প্রতিযোগীতার জন্য মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে জানুয়ারীর ১৯ তারিখ পর্যন্ত। উদ্যোক্তাদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী ব্লগিস হচ্ছে সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে চলা ব্লগের জন্য পুরস্কার। ব্লগ পাঠকের মতামতের ভিত্তিতে পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন এবং [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/ndesanjo-macha/">এনদেসানজো মাচা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/01/23/african-blogs-nominated-for-the-2009-bloggies/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>নবম বাৎসরিক ওয়েবব্লগ পুরস্কার: <a href="http://2009.bloggies.com/">২০০৯ ব্লগিস</a> প্রতিযোগীতার জন্য মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে জানুয়ারীর ১৯ তারিখ পর্যন্ত। উদ্যোক্তাদের <a href="http://2009.bloggies.com/">ওয়েবসাইট</a> অনুযায়ী ব্লগিস হচ্ছে সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে চলা ব্লগের জন্য পুরস্কার। ব্লগ পাঠকের মতামতের ভিত্তিতে পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন এবং চুড়ান্ত বিজয়ীকে নির্বাচন করা হয়। বিজয়ীয় জন্য পুরস্কার ২০০৯ আমেরিকান সেন্ট!</p>
<p>প্রতিযোগীতার সেরা আফ্রিকার ওয়েবব্লগ বিভাগে পাঁচটি ব্লগ মনোনয়ন পায়:</p>
<p><a href="http://beingbrazen.blogspot.com/">বিইং ব্রেইজেন:</a> এটি দক্ষিন আফ্রিকার একটি ব্লগ। এই ব্লগারের জীবন বৃত্তান্ততে <a href="http://www.blogger.com/profile/05238202392512794465">লেখা রয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>আমি রহস্যময়ী, দিবাস্বপ্ন দেখা এক ২০ বছরে পা দেওয়া মানুষ, যে কিনা ভালোবাসা, ঈশ্বর, এবং শব্দের ক্ষমতায় বিশ্বাস করে। খোলা মনের একজন, যার বিশ্বাস হাসি হচ্ছে সবচেয়ে সেরা ওষুধ। আমি উড়তে পছন্দ করি না। আমরা ভীড় ভালো লাগে না। লাইনে দাড়িয়ে থাকা আমার অপছন্দ। আর বেশীর ভাগ পোকাকে আমি পিষে ফেলি। আমি ছুরিতে আঁছড়ে পরি। মানসিক সুস্থতার জন্য আমি লিখি।</p></blockquote>
<p><a href="http://appfrica.net/blog/">অ্যাপফ্রিকা:</a>  আফ্রিকার সাম্প্রতিকতম প্রকাশিত খবর নিয়ে এক ওয়েব পোর্টাল। এটি আফ্রিকার নব আবিস্কার, শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত উদ্যোগ সংক্রান্ত খবর দিয়ে থাকে। </p>
<p><a href="http://www.gladtobeagirl.co.za/">গ্লাড টু বি এ গার্ল:</a> এটি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গ ভিত্তিক একটি ব্লগ। </p>
<p><a href="http://www.blogger.com/profile/16618315315456011985">লেখিকার জীবন বৃত্তান্ত:</a> </p>
<blockquote><p>আমার মানসিকতা ছেকে এবং আমার প্রতিভার আবিস্কার শেষে আমার মধ্যে বিনম্রতা ঢেলে দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্গোক্তিই হচ্ছে আমার পছন্দের হাতিয়ার। খ্রিষ্টান, মুসলিম এবং ইহুদিরাই কেবল আমার চেয়ে একটি বেশী ঈশ্বরে বিশ্বাস করে। </p></blockquote>
<p><a href="http://nofoodforlazyman.blogspot.com/">ওয়েস্ট আফ্রিকা উইনস অলওয়েজ:</a>  এই ব্লগের লেখিকা হচ্ছে সাংবাদিক <a href="http://www.blogger.com/profile/07378753725707688050">পওলিন</a>, যিনি ২০০৩ সাল থেকে আইভরি কোস্টে বাস করছেন।</p>
<p>সব শেষে রয়েছে <a href="http://ugandascarlettlion.blogspot.com/">স্কারলেট লায়ন</a> ব্লগ। এর লেখিকা লাইবেরিয়ায় বাস করা এক সাংবাদিক। তার <a href="http://www.blogger.com/profile/02190972002862387574">নিজের ভাষায়</a>: </p>
<blockquote><p>ফটোগ্রাফার, লেখক, সাংবাদিক। জীবনকে এমন ভাবে দেখি যে জীবন যেন এক রেকর্ড বা তথ্য এবং তা ইতিহাস তৈরী করে। আগে উগান্ডায় ছিলাম এবং এখন লাইবেরিয়া। এই ব্লগ কৌতুহল, হতাশা, এবং কিছু মতামত সৃষ্টি করেছে, আর কিছু ছবি। </p></blockquote>
<p>ভোট প্রদান শেষ হবে ফেব্রুয়ারীর ২ তারিখে এবং বিজয়ীদের নামের তালিকা মার্চ মাসে আমেরিকার দক্ষিনে টেক্সাসের অস্টিনে সাউথওয়েস্ট ইন্টারএ্যাকটিভ ফেস্টিভাল-এ ঘোষণা করা হবে । </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/24/1571/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ আফ্রিকা: এইডসের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ব্যবহৃত হচ্ছে মুঠোফোন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/08/1538/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/08/1538/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 08 Jan 2009 02:39:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মোস্তফা মনির সৌরভ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1538</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনJuhie Bhatia  &#183; অনুবাদ করেছেন মোস্তফা মনির সৌরভ &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
এইচআইভি এইডস এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা একটি নতুন অস্ত্র পেয়েছে - মুঠো ফোন। রোগ সনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানদের প্রতিদিন বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হবে একটি নতুন উদ‌্যোগ।
গত সপ্তাহে আমেরিকা&#39;র মাইন এ অনুষ্ঠিত পপ!টেক২০০৮ কনফারেন্সে প্রকল্পটি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">Juhie Bhatia</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/shawrav/'>মোস্তফা মনির সৌরভ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/11/02/south-africa-using-cell-phones-to-combat-aids/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src='http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/11/340305918_6413d10fcc_m.jpg' alt='মুঠোফোন' class='alignright' />এইচআইভি এইডস এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা একটি নতুন অস্ত্র পেয়েছে - মুঠো ফোন। রোগ সনাক্তকরণ এবং চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানদের প্রতিদিন বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হবে একটি নতুন উদ‌্যোগ।</p>
<p>গত সপ্তাহে আমেরিকা&#39;র মাইন এ অনুষ্ঠিত <a href="http://www.poptech.org/conferences/">পপ!টেক২০০৮</a> কনফারেন্সে প্রকল্পটি <a href="http://www.poptech.org/blog/index.php/2008/10/24/project-masiluleke-tackling-hiv-with-technology/">ঘোষণা</a> করা হয়েছে; যা কিনা &#8216;প্রজেক্ট মাসিলুলেকে&#39; বা &#8216;প্রজেক্ট এম&#39; নামে পরিচিত। এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় মুঠোফোনের জনপ্রিয়তার সদ্ব্যবহার করে দেশটির এইচআইভি এবং বক্ষব্যাধীর সর্বোচ্চ সংখ্যার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। প্রকল্পটির প্রথম পর্বে প্রায় এক মিলিয়ন সাধারন মানুষকে এইচআইভি এবং বক্ষব্যাধি কল সেন্টারে ফোন করার আবেদন জানিয়ে ফ্রী বার্তা (এসএমএস) পাঠানো হবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বহুল ব্যবহৃত এক ধরনের বার্তা &#8220;দয়া করে আমাকে ফোন করুন&#8221; এর অংশ হিসেবে এই বার্তাগুলো পাঠানো হবে।</p>
<p><em>হোয়াইট আফ্রিকান</em> ব্লগ প্রকল্প এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে <a href="http://whiteafrican.com/2008/10/24/frontlinesms-clay-shirky-and-project-masiluleke/">বিশদ ব্যাখ্যা</a> করেছে:</p>
<blockquote><p>দক্ষিণ আফ্রিকায় জ্ঞানী মুঠোফোন বিশেষজ্ঞদের একজন &#8216;গুস্তাভো প্রায়েলকেট&#39; এই প্রকল্প চালাতে সহায়তা করছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবহৃত &#8220;দয়া করে আমাকে ফোন করুন&#8221; এসএমএস ব্যবস্থার ১২০ অক্ষর খালি জায়গা ব্যবহার করে এটি করা হচ্ছে। তারা বার্তাটিকে জোড়া লাগাচ্ছে যেন মানুষ নিজে থেকে এসে এইচআইভির চিকিৎসা করায় এবং মানুষ এই চিকিৎসা করাতে কোন লজ্জা না পায়। </p></blockquote>
<p>লজ্জা&#39;র সাথে সাথে ভুল তথ্যকে খুব কম সংখ্যক দক্ষিণ আফ্রিকানদের এইচআইভি সনাক্তকরন এবং চিকিৎসার মূল কারন হিসেবে <a href="http://www.poptech.org/project_m_the_challenge/">চিহ্নিত</a> করা হয়। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার <a href="http://www.unaids.org/en/CountryResponses/Countries/south_africa.asp">প্রায় ৫.৭ মিলিয়ন</a> মানুষ এইচআইভি নিয়ে বেঁচে আছে, প্রকল্প পরিচালকের ভাষ্যমতে <a href="http://www.poptech.org/blog/index.php/2008/10/24/project-masiluleke-tackling-hiv-with-technology/">মাত্র ৫ শতাংশ</a> মানুষ রোগ সনাক্তকরণ পরীক্ষাটি করছে। দক্ষিন আফ্রিকায় বক্ষব্যাধি রোগের <a href="http://www.who.int/tb/publications/global_report/2008/key_points/en/index.html">সংখ্যাটিও অন্যতম সর্বোচ্চ</a>,এইচআইভি রোগীদের অন্যতম হন্তারক।</p>
<p>প্রজেক্ট এম তৈরী করা হয়েছিল এই দুই রোগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য। এটি <a href="http://www.poptech.org/accelerator/">পপটেক এক্সেলেটর প্রোগ্রামে</a> আসে এবং সেই সাথে একত্রিত করে <a href="http://www.poptech.org/project_m_partners/">ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অব পার্টনার</a>,আইটেক সহ, প্রায়েলকেট ফাউন্ডেশন, ফ্রগ ডিজাইন, নোকিয়া সিমেন্স নেটওয়ার্ক এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটিকে। থ্রী শিপ <a href="http://www.3sheep.co.uk/2008/10/25/south-africa-texting-health-care/">বের করে</a> যে এই প্রকল্পে মোবাইল ফোনের ব্যবহার প্রমান করে যে তারা কতটুকু দক্ষিণ আফ্রিকান সংস্কৃতির সাথে যুক্ত এবং আরো যোগ করে:</p>
<blockquote><p>অনেক দেশেই প্রতিষ্ঠিত কোন হার্ডওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার নেই এবং জনযোগাযোগের জন্য তারা মোবাইল নেটওয়ার্কের দিকে তাকিয়ে থাকে; যেখানে আগে অন্যান্য মাধ্যম যেমন বেতার এসব কাজের জন্য ব্যবহৃত হত। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার প্রকল্পটি সকল মাধ্যমের গুরুত্বটি অনুধাবন করায়। </p></blockquote>
<p>যদিও এই ধরনের প্রকল্প দক্ষিণ আফ্রিকায় <a href="http://mobileactive.org/cell-life-update-using-mobiles-fight-hiv-aids">এই প্রথম নয়</a>, উদ্যোক্তারা <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/technology/7688268.stm">বলেন </a>এটিতে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য প্রেরণে মোবাইল ফোনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এই প্রকল্পটির অনেক আশা রয়ছে। পূর্বে পরীক্ষা করা বার্তা প্রেরণের এই উদ্যোগটি জোহান্সবার্গের জাতীয় এইডস সাহায্য লাইনে গড়ে প্রতিদিন করা কল ভলিউমের <a href="http://www.poptech.org/project_m_the_solution/">প্রায় তিনগুন</a> বাড়াতে সাহায্য করেছে। পরবর্তীতের এই প্রকল্পটি যদি সফল হয়, তবে এই মডেলটি আফ্রিকার বাইরেও ব্যবহার করা যাবে।</p>
<p><em>আহেলগে আফ্রিকান গ্লোবালাইজেশনে</em> করা একটি কমেন্টে<a href="http://africanglobalization.blogspot.com/2008/10/texts-tackle-hiv-in-south-africa.html"> বলেছে</a> এই প্রকল্পের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
<blockquote><p>সর্বসাধারণের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠানোর জন্য প্রযুক্তির ব‌্যবহার একটি অসাধারন পদ্ধতি। একবার দেখানো একটি বিজ্ঞাপণ বা ফ্লায়ারের তুলনায় এই লিখিত বার্তাটি গ্রাহক বারবার দেখতে পারেন। ফোনে পাঠানো বার্তাটি সাধারণত মেইলবক্সে কয়েকদিন থাকে, এতে তিনি সেখানে গিয়ে সেটি দেখতে পারেন। আমার মনে হয় বার্তাটি মানুষকে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে উদ্ধুদ্ধ করে। এই বার্তাগুলো মুঠোফোনের জন্য পিএসএ (পাবলিক সার্ভিস এনাউন্সমেন্ট)। </p></blockquote>
<p><em>ডিজাইন ইন আফ্রিকাতে</em> ব্লগিং করা ডেভ <a href="http://designinafrica.posterous.com/project-masiluleke">স্বীকার</a> করেন যে এই প্রকল্পটি সম্ভবত সফল হতে যাচ্ছে :</p>
<blockquote><p>একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বলা হয়েছে; একটি সহজবোধ্য সমাধান পরিকল্পনা করা হয়েছে স্টেকহোল্ডারদের বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ের। মানুষ এবং সমাজের জন্য কিছু উল্লেখযোগ‌্য সুবিধা রয়েছে এবং আগত বার্তাগুলো ফ্রী। অসাধারণ!</p></blockquote>
<p>কিন্তু <em>ল্যাবলেডী</em>, যিনি কিনা <em>ওয়াইজ এডভাইসে</em> ব্লগিং করেন, মনে করেন এটি দু:খজনক যে এইচআইভি এইডসের বিরূদ্ধে যুদ্ধের মধ্যভাগ দখল করেছে প্রযুক্তি। তিনি <a href="http://wiseadvice.wordpress.com/2008/10/27/puzzling-aids-news-item/">বলেন</a>:</p>
<blockquote><p>সমাজ কোন অবস্থায় পৌছলে এইডস এর ঝুঁকিপূর্ণ গরীব মানুষদের কাছে কনডমের চেয়ে মোবাইল ফোন কেনা আকর্ষনীয় হয়? আমার কাছে এটি অস্বাভাবিক মনে হয় যে প্রযুক্তি মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে এমন কিছুর যা কিনা একবারের জন্য, একটি  রক্ত পরীক্ষা আর শিক্ষা কার্যক্রমএটি কি আমার ঔদ্ধত্য হবে যে পুরো জাতি প্রতিরোধযোগ‌্য রোগের জন্য সফল স্বাস্থ্য কার্যক্রমে প্রবেশের আগে কেন সবার কাছে মোবাইল ফোন পৌছবে?</p></blockquote>
<p><em>ক্যাথরিন ফোর্সিতে</em>, যিনি কিনা <em>ডগরিডারে</em> ব্লগিং করেন;<a href="http://www.lockergnome.com/forsythe/2008/10/24/health-text-messages/"> যোগ</a> করেন যে এই বার্তাগুলোকে &#8216;স্বাস্থ্য স্প্যাম&#39; হিসেবে দেখা হবে :</p>
<blockquote><p>প্রশ্ন হল কতদিন পর্যন্ত এই পদ্ধতি চালু থাকবে? প্রথম দেখার পর, মানুষ অন্যান্য বার্তার মতই এই বার্তাগুলো দ্রুত মুছে ফেলবে। </p></blockquote>
<p><em>প্রজেক্ট এম</em> সেটি আশা করে না। এই প্রকল্পের <a href="http://www.poptech.org/project_m_the_solution/">পরবর্তী ধাপগুলোতে</a> এইচআইভি সনাক্তকরণ যন্ত্রে &#8220;ভার্চুয়াল কল সেন্টার&#8221; যুক্ত করে বাড়িতে বাড়িতে বিতরণ করা হবে এবং এইডসে আক্রান্ত রোগীর ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য বার্তার সহায়তা নেয়া হবে।</p>
<p><em>ছবিটি ফ্লিকারের <a href="http://flickr.com/photos/jonjon_2k8/">জনজনটুকেএইট</a> এর <a href="http://flickr.com/photos/jonjon_2k8/340305918/">সেলফোন ক্লোজআপ</a> থেকে নেয়া হয়েছে </em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/08/1538/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পরিবর্তনের জন্য বাজানো: সঙ্গীতের মাধ্যমে শান্তি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/31/1507/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/31/1507/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 31 Dec 2008 12:43:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1507</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজুলিয়ানা রিন্কন পারা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
মিটজনসং আমাদের নজরে এনেছেন একটা বিশ্বব্যাপী সমন্বিত সঙ্গীত প্রকল্পের কথা যেটার নাম  দেয়া হয়েছে পরিবর্তনের জন্য বাজানো: সঙ্গীতের মাধ্যমে শান্তি। এর পেছনের ধারনা হলো সঙ্গীত বিভিন্ন সংস্কৃতি, গোষ্ঠী আর এলাকার মধ্যে বন্ধণের একটি সাধারণ মাধ্যম। এই প্রকল্প প্রকাশিত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিন্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/12/08/playing-for-change-peace-through-music/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/12/pfcf.jpg" align="right" alt="mit" /><a href="http://meetjohnsong.com/2008/11/06/playing-for-change-peace-through-music/">মিটজনসং</a> আমাদের নজরে এনেছেন একটা বিশ্বব্যাপী সমন্বিত সঙ্গীত প্রকল্পের কথা যেটার নাম  দেয়া হয়েছে <em>পরিবর্তনের জন্য বাজানো: সঙ্গীতের মাধ্যমে শান্তি</em>। এর পেছনের ধারনা হলো সঙ্গীত বিভিন্ন সংস্কৃতি, গোষ্ঠী আর এলাকার মধ্যে বন্ধণের একটি সাধারণ মাধ্যম। এই প্রকল্প প্রকাশিত চলচ্চিত্র আর সঙ্গীত ২০০৯ সালে পাওয়া যাবে, আর এই প্রকল্পের ব্যাপারে আরো তথ্য পাওয়া যাবে <a href="http://www.playingforchange.com/">পরিবর্তনের জন্য বাজানো</a> ওয়েবসাইটে।</p>
<p><em>পরিবর্তনের জন্য বাজানো</em> শুধুমাত্র সঙ্গীত তৈরি আর বিতরনের ব্যাপার না, তাদের মূল লক্ষ্য (পিএফসিএফ) হচ্ছে দক্ষিন আফ্রিকার গুগুলেথু শহরে একটি সঙ্গীতের স্কুল পরিচালনা করা আর জোহানেসবার্গে একটা শিল্পকেন্দ্র স্থাপন করা যার মধ্য দিয়ে এলাকার তরুণদের উন্নয়ন আর শিক্ষার একটা সুযোগ করে দেয়া। তারা একই সাথে ভারত ও নেপালে একটা তিব্বতী শরণার্থী কেন্দ্রও চালাচ্ছে।</p>
<p>নিন্মের ট্রেলারে <a href="http://www.youtube.com/watch?v=sHfcJmcWTG0">স্ট্যান্ড বাই মি</a> শিরোনামে এই গানটা দেখা যায় যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গীতশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেছে। এটি কয়েক মাস আগে ভাইরাল ভিডিও হিসাবে প্রচারিত হয়েছিল, এখন এটা সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে এসেছে যে সঙ্গীত কিভাবে সীমান্ত আর বিভেদকে অতিক্রম করতে ও মুছে ফেলতে পারে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/sHfcJmcWTG0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/sHfcJmcWTG0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ডকুমেন্টারিটির <a href="http://www.youtube.com/watch?v=YC-LBpqa9EY">দীর্ঘ ট্রেলার</a> আপনি এখানে দেখতে পারেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/YC-LBpqa9EY&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/YC-LBpqa9EY&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই ধরনের প্রকল্প পৃথিবীতে একমাত্র না। গ্লোবাল ভয়েসেস এর লেখক সুজেন লেহন সম্প্রতি <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/05/youtube-launches-first-online-orchestra-2/">আমাদেরকে জানিয়েছেন</a> ইউ টিউবের ভার্চুয়াল সিম্ফোনী অরকেস্ট্রার কথা যা সব দেশের অংশগ্রহণকারীর জন্য উন্মুক্ত ছিল:</p>
<blockquote><p>ইউটিউব বিন্যস্ত করছে একটা নতুন উৎসাহ উদ্দীপক সম্মিলিত প্রকল্প: বিশ্বের সব জায়গার সঙ্গীতশিল্পীকে অনলাইনে অডিশনের আমন্ত্রন জানানো হয়েছে <a href="http://www.youtube.com/symphony">বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল সিম্ফোনী অরকেস্ট্রার জন্য</a>। অপেশাদার বা পেশাদার সঙ্গীত শিল্পীরা জানুযারী ২৯, ২০০৯ পর্যন্ত সময় পাবেন সঙ্গীতের  ডাউনলোড করতে, আর তাদের পরিবেশনা আপলোড করতে। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/31/1507/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
