<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; কেনিয়া</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/sub-saharan-africa/kenya/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>আফ্রিকা: পুরুষ সমকামীদের ব্লাকমেল করা ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় প্রতিরোধ করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 21 Sep 2009 07:11:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ঘানা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6340</guid>
		<description><![CDATA[পুরুষ সমকামীদের ব্লাকমেইল করা এবং ভয় দেখিয়ে জোর করে টাকা আদায় করা ঘানা এবং কেনিয়ার তস্করদের জন্য এক ভালো ব্যবসা। ঘানা ও কেনিয়ার ব্লগাররা এই বিষয়টির প্রতিরোধ নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন এবং ভুয়া সব সাইটে একটা উজ্জ্বল তারকা চিহ্ন বসিয়ে দিয়েছে।   ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/haute-haiku/">হাউটে হাইকু</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/07/africa-blackmail-and-extortion-against-gays-in-africa/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>কাউকে ব্লাকমেইল করা ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা আফ্রিকার পুরুষ সমকামীদের মাঝে এক আকর্ষণীয় ব্যবসা। এখানে ইন্টারনেট কেলেঙ্কারি দ্রুত গতিতে বাড়ছে, যখন আরো অনেক পুরুষ সমকামী তাদের যৌনতা প্রকাশ করার পরিভাষা সৃষ্টি করছে। “ভিন্ন রকম পুরুষ সমকামী” অথবা “কেবল প্রকাশিত হয়েছে” এরকম সমকামীরা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য শিকার ধরতে চেষ্টা করে, তারা প্রলুব্ধ করে, যাকে উল্লেখ করা হয় এক মধুর ফাঁদ হিসেবে। এটা তখন ঘটে যখন কোন ব্যক্তি সন্দেহ না করেই অন্ধকারের এই সমস্ত সহযোগীদের দ্বারা প্রলুব্ধ হয় অথবা যৌন বা যৌন অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফাঁদে ফেলে, তারা আসলে দুর্বল এক চরিত্রকে ভয় দেখায়, তাকে ব্লাকমেইল করে বা ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেন এবং অনেক সময় হয়রানি করে/আঘাত করে। এর শুরুটা হয় ইন্টারনেটে ডেটিং ওয়েবসাইট বা সাক্ষাৎ করতে চাওয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশের মাধ্যমে, যেখানে কেউ সন্দেহ করে না যে, এ সমস্ত প্রোফাইল বা ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত তথ্যের বেশীর ভাগই ভুয়া। <em><a href="http://easytrackghana.com/G.htm#why">ইজি ট্রাক ঘানা</a></em> সন্দেহ করছে এই সমস্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ সংক্ষিপ্ত জীবনীর বেশীর ভাগই ভুযা:<br />
<blockquote>অন্তর্জাতিক চ্যাট সাইট, ঘানার পুরুষদের সমকামীদের সংখ্যাটি অনুপাতে অনেক বেশি, যারা সত্যিকারের ভালোবাসার সন্ধানে সাইটে নাম লিখিয়েছে। যখন কেউ রোমান্টিক ভালোবাসার জন্য এই সাইটে খোঁজ করে তখন তারা এই সমস্ত পেশাদার সমকামীদের সুন্দর বৃত্তান্ত দেখে প্রথমে উত্তেজিত হয়। তবে এর কোনটাই সত্য নয়! চল নিজেরা সরাসরি জানি এবং বলি যে মানবিক যৌনতার ক্ষেত্রে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kinsey_scale">কিনসে স্কেল অফ হিউম্যান সেক্সুয়ালিটি</a> বা মানবীয় যৌনতা পরিমাপের ক্ষেত্রে কিনসে পরিমাপক এইসব বৃত্তান্তের ৯৮ শতাংশ ভুয়া ও এরা ৩ নম্বরের উপরে অবস্থান অর্জন করতে পারে নি। এই সমস্ত চ্যাট সাইটে যারা রয়েছেন তাদের মাত্র ২ শতাংশ পুরুষ সমকামী, যা পশ্চিমের ধারণায় তৈরি হয়।</p></blockquote>
<p> <em><a href="http://www.squidoo.com/Online-gay-dating-scams-in-Ghana">স্কুইডুর</a></em> এই বিষয়ে একটা পাতা রয়েছে:<br />
<blockquote>যদি আপনি অনলাইন ডেটিং সাইটে তাকান, তা হলে আপনি আবিষ্কার করবেন এইসব সমকামীদের বেশীর ভাগ পুরুষ সমকামী বয়সে অনেক তরুণ যেন ১৮ বছরের যুবা। এদের অনেকে প্রকৃতপক্ষে পুরুষ সমকামী নয়। তাদের এই দাবি সঠিক নয়। এই সমস্ত বৃত্তান্তে যে ছবি থাকে সেগুলো ভুয়া এবং তাদের এই সমস্ত ছবিগুলো আসলে আরেক জনের ছবি।</p></blockquote>
<p> ভিন্ন ধরনের যৌন আচরণ করা মানুষের উপর আসা আঘাত এবং ব্লাকমেইল বা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সরকারে যোগ্যতার বা ইচ্ছার অভাবের কারণে, কিছু ব্লগার তাদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে, ভুয়াদের উপর তারা একটা বিশেষ জ্বলজ্বলে চিহ্ন বসিয়ে দিয়েছে। <strong>এই সমস্ত নোংরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনলাইনে এক আন্দোলন</strong>: <div id="attachment_6343" class="wp-caption alignright" style="width: 85px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/fakers2go-75x751.jpg" alt="ভুয়া ব্যক্তিদের নেট থেকে চলে যেতে হবে" title="fakers2go-75x75" width="75" height="75" class="size-full wp-image-6343" /><p class="wp-caption-text">ভুয়া ব্যক্তিদের নেট থেকে চলে যেতে হবে</p></div><em><a href="http://fakers2go.blogspot.com/">ফেকারস২গো</a></em>, এই ধরনের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার বিরুদ্ধে ধীরে ধীরে লড়ছে। শিকারীরা সন্দেহজনক এমন লোকদের ফাঁদে পড়ে এবং এরপর পুলিশ বা অপরাধী দলের কাছে ফাঁদে পড়া লোকটির নগ্ন ছবি প্রদর্শন করে । যারা এ ধরনের ব্লাকমেইল করে তারা একটা সংঘবদ্ধ দলে কাজ করে। এদের সাথে পুলিশে কিছু লোক এবং সাইবার ক্যাফের মালিকেরা জড়িত, যাদের মূল উদ্দেশ্য বিদেশী বা ধনীদের কাছ থেকে সামান্য টাকা আদায় করা, কারণ তারা তা করতে পারে।<br />
<blockquote>ঘানায় অনলাইন অপরাধীরা এমন সব পুরুষদের চিহ্নিত করে যারা পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে (এমএসএমএস)। অপরাধীদের লক্ষ্য থাকে অপহরণ বা আঘাত বা ঘানার ঐতিহাসিক উপনিবেশিক সময়ের আইন ব্যবহার করে অর্থ আদায় করা। যেহেতু ঘানায় সমকামীতা নিষিদ্ধ, তাই পুরুষ সমকামী ব্যক্তিরা আইনের কোন সহায়তা পায় না এবং এই অপরাধের বিষয়টি পুলিশকে জানালে এর শিকার ব্যক্তিটি নিজেই অপরাধীতে পরিণত হবে। আরো বলা যায়, এখানে প্রায়শ:ই টাকা আদায় করার ক্ষেত্রে পুলিশই অপরাধীদের সাথে জড়িত থাকে, যার ফলে তাদের বিশ্বাস করা যায় না।</p></blockquote>
<p> <a href="http://easytrackghana.com/G.htm"><em>ইজি ট্রাক ঘানা</em></a> লিখেছে:<br />
<blockquote>খেয়াল রাখবেন, এখানে এটা একটা ব্যবসা মাত্র। অনেক ইন্টারনেট ক্যাফেতে ৩ থেকে ৪ জন আফ্রিকান বালক কাজ করে, এদের একজনই বিদেশীদের সাথে বেশ কয়েকটি চ্যাট সাইটের -এর মাধ্যমে কথা বলে। এ কারণেই এই সমস্ত জীবন বৃত্তান্ত ও চ্যাট অনেক সময় একই রকম মনে হয়। এখানকার অনেক লোক অশিক্ষিত এবং তারা টাইপিস্ট ভাড়া করে, এ সমস্ত টাইপিস্ট এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে গিয়ে চ্যাট মেসেজ বা কথা বলার এক মাধ্যমে কথা বলে। তারা চ্যাট ও ইমেইলে নির্দিষ্ট ছকে উত্তর দেবার জন্য একে অন্যকে সাহায্য করে।এমনকি সবচেয়ে ধাক্কা খাবার বিষয় হচ্ছে এখানে কিছু ইন্টারনেট ক্যাফে রয়েছে যারা এ কাজেই নিজেদের *নিয়োজিত* রেখেছে। এটা আসলেই একটা ব্যবসা, এখানে বিদেশীদের সাথে এই ধরনের আলোচনার জন্য ব্যবহারকারী টাকা প্রদান করে এবং ১১ থেকে ১২ বছরের ছেলে পর্ণোগ্রাফি বা নিষিদ্ধ ছবি দেখে এবং শেখে কি ভাবে পুরুষ সমকামী পরিচয়ে ইন্টারনেটে চ্যাট করতে হবে। এখানে যে কেউ যে কোন কিছু সাজতে পারে। কাজেই আপনি জানবেন না কার সাথে আপনি চ্যাট করছেন।</p></blockquote>
<p> ঘানায় আসা ভ্রমণকারীদের <a href="http://www.gayghana.org/page/Gay+visitors+to+Ghana"><em>গে ঘানা</em></a> সতর্ক করে দিচ্ছে:<br />
<blockquote>বিদেশে ডেটিং সাইট বা সাক্ষাৎ করার জন্য নিবেদিত সাইটগুলো প্রায়শ:ই কারো সাথে সাক্ষাৎ করার জন্যই কেবল ব্যবহার করা হয়, প্রেমিক বা সমকামীর সাথে [সম্ভব্য]। আউটপারসোনাল অথবা গেডারে আপনি অন্য যে কোন দেশের চেয়ে ঘানার নিবন্ধকৃত সমকামীদের দেখা পাবেন। আউটারপারসোনালে আফ্রিকার যে কোন দেশের চেয়ে ঘানার অনেক ছেলে রয়েছে এবং তারা পুরুষ সঙ্গীর খোঁজে করে (প্রায়শই তাদের নগ্ন ছবি দিয়ে)। এর মানে কি এই যে ঘানা আফ্রিকার সমকামীদের স্বর্গরাজ্য? না&#8230;.এর মানে হল এখানে অনেক তরুণ এতটা সাহসী যে তার অন্য কোথাও সবুজ চারণভূমি খুঁজছে, মানে তারা এখান থেকে আয় করতে চায়। তারা নিজেদের এতটা যোগ্য করেছে যে তারা ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করতে শেখতে।</p></blockquote>
<p> <em><a href="http://galck.org/">গ্লাক</a></em> একটি কেনিয়ান ওয়েবসাইট, তার এক পোস্টের শিরোনাম, আপনি কি কখনো ব্লাকমেইল বা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের শিকার হয়েছেন? তারা সেখানে বের করার চেষ্টা করছে যে কি পরিমাণ টাকা কেনিয়ার পুরুষ সমকামী সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ভুয়া ব্যক্তিটি আদায় করে নিয়েছে। তারা বলে টাকা দিলে তারা কাউকে জানাবে না যে সে পুরুষ সমকামী। এখানে পুরুষ সমকামী ব্যক্তিটি নাজুক অবস্থায় থাকে এবং তাদের সহকর্মী, প্রতিবেশী,বন্ধুদের নিন্দার ভয়ে ভীত হয়ে থাকে, কারণ তারা জানে এই সত্য প্রকাশ হয়ে গেলে তাদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এবং তার পেশা এক সমকামীতায় ভীত সম্প্রদায়ের চোখ রাঙ্গানীর মধ্যে পড়ে যাবে। <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=25:blackmail&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">গ্লেক দাবি</a> করেছে যে ব্লাকমেলাররা ২০০০,০০০ কেনিয়ান শিলিং (প্রায় ২৫,০০০ ডলার থেকে ৫০০ কেনিয়ান শিলিং(৬ ডলার) পর্যন্ত দাবি করে থাকে&#8230;.।<br />
<blockquote>আপনার যৌন সর্ম্পক গত ধারণার কারণে কি আপনি ব্লাকমেলিং-এর শিকার হয়েছেন অথবা এমন কাউকে জানে যে এর শিকার হয়েছে? গ্লাক কেনিয়াতে পুরুষ সমকামীতার সত্যিকারের মূল্য প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। আজকের কেনিয়ার এলজিবিটি সম্প্রদায়কে ব্লাকমেল ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার মতো জমজ অপরাধ ঘটে থাকে যা তাদের উপর ঘটে চলছে। এইখানে প্রাপ্ত তথ্য এক করার মধ্যে দিয়ে তারা এর সীমা নির্ধারণ করতে সমর্থ হব এবং চুপ রাখার জন্য কত টাকা দেওয়া হচ্ছে তার পরিমাণ বের করতে পারব। আমরা যে সমস্ত গল্প জানতে পেয়েছি, তাতে যত দুর দেখতে পাচ্ছি সমকামী ব্যক্তিরা ৫০০ কেনিয়ান শিলিং থেকে শুরু করে ২,০০০,০০০ শিলিং প্রদান করেছে। পরের সংখ্যাটি মাত্র এক মাস আগে প্রদান করা হয়েছে। চলুন এই রিপোর্ট পুরো করার জন্য আমরা এক সাথে কাজ করি-আমরা সত্যিকারের নাম ব্যবহার করবো না, যদি নিজেরা তা ব্যবহার করতে চাই সেটি আলাদা বিষয়। আপনি আপনার গল্প লিখে ফেলতে পারেন এবং তা আমাদের ঠিকানা <a href="mailto:info@galck.org">ইনফো@গ্লাক.অর্গ</a>-এ মেইল করতে পারেন। যদি আপনি নিজে আসতে না চান, তা হলে আমাদের +২৫৪-২০-২৪২৬০৬০ এই নম্বরে ফোন করে আপনার সাক্ষাৎকার প্রদান করতে পারেন।</p></blockquote>
<p> <strong>কিছু মৌলিক নিরাপত্তা উপদেশ</strong> কি ভাবে নেটে আপনি একজন ভুয়া ব্যক্তিকে চিনবেন? এদের বেশীরভাগই ভয়াবহ ভুল ব্যাকরণে সব কিছু লিখে থাকে। এটা জানা যাচ্ছে যে এদের বেশীর ভাগই অশিক্ষিত এবং তারা সেই সমস্ত ভাড়া করা টাইপিষ্টদের উপর নির্ভর করে থাকে। আরো-জানুন: আপনার প্রতি তাদের ভালোবাসা আছে এটা বলে তারা যোগাযোগ শুরু করে এবং বর্ণনা করতে শুরু করে তাদের অতীত, একজন পরিবারের সদস্য যাদের চুল বা নখ পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম আলোচনায় তারা টাকা চেয়ে বসে, এমনকি <a href="http://easytrackghana.com/G.htm">আপনি তাদের জানার আগে</a>:<br />
<blockquote>যে কোন ব্যক্তি যে প্রথমেই আপনার কাছে ভালোবাসার প্রস্তাব নিয়ে আসে, সে হয় এক ভুয়া ব্যক্তি অথবা প্রতারক। সাথে সাথে আপনার প্রতি তাদের যে ভালবাসা দেখানো শুরু হয় তা আসলে সুযোগ নেবার প্রচেষ্টা যা আপনি উপস্থাপন করেন এবং আপনার যে টাকা রয়েছে তার জন্য। যারা প্রতারক তারা অনেক গোছানো থাকে, এমনকি যদিও আপনি অন্য কোন দেশের এক দরিদ্র ব্যক্তি হন, তারপরেও আপনার আফ্রিকান চ্যাট করা ব্যক্তিটির তুলনায় অনেক বেশি ধনী। সম্পদের এই তুলনা আপনি যে সম্পর্ক তৈরি করতে চাচ্ছেন তার উপর প্রভাব ফেলে।</p></blockquote>
<p> <em>ফেকারসট২গো</em>-এর কিছু <a href="http://fakers2go.blogspot.com/">নিরাপত্তা সম্বন্ধে ধারণা </a>প্রদান; <strong>কিভাবে প্রহার ও চৌর্যবৃত্তি এড়াবেন</strong><br />
<blockquote>অনলাইনে লোকদের সাথে মেশার ক্ষেত্রে যত্ন বান হউন। যখন তারা সাক্ষাৎ-এর কথা বলে তখন প্রতারকেরা নিচের বিষয়গুলো সম্বন্ধে ১)আলাপ করে থাকে। ২)আপনার মোবাইল ফোন সাথে আনবেন (কারণ তারা এটা চুরি করতে চায়) যৌন আকর্ষক/ সুন্দর পোষাক পরে আসবেন (কারণ তারা আপনাকে নগ্ন করে আপনার কাপড় বিক্রি করবে) ৩)একা আসবেন ( যাতে কেউ আপনাকে সাহায্য করাতে না পারে) ৪)টেমাতে আসুন! অনেক সময় তারা একটা যৌন আকর্ষক বার্তা পাঠায় এবং এর উত্তরের অপেক্ষায় থাকে। যদি কেউ এর উত্তরে যৌন কোন বার্তা পাঠায় তা হলে তারা এই বার্তাটি প্রমাণ হিসেবে রাখে এবং পুলিশের কাছে তা প্রমাণ হিসেবে দেখায়। ইয়াহু চ্যাট এবং অনলাইনের ছবিও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হয়।</p></blockquote>
<p> <em>গ্লাক</em> বলছে যে একজন ব্লাকমেলার প্রথমেই অপরিচিত কোন পুরুষ সমকামীকে যে প্রশ্ন করে তা হলো সে কি <em>গ্লাকের</em> নাম শুনেছে কিনা, যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=43:arrest&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">তা হলে তারা রাগ করে চলে যায়</a>।<br />
<blockquote>দ্বিতীয়ত: এই তথ্য আপনার পরিচিত সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন। ঘটনা হচ্ছে যখনই আপনার নতুন কোন ব্যক্তির সাথে দেখা হবে, তখনই তাকে জিজ্ঞেস করুন সে গ্লাক সম্বন্ধে জানে কিনা। এর দু&#39;টি সুবিধা রয়েছে- যদি অপনার বন্ধু গ্লাক সম্বন্ধে না জেনে থাকে, তা হলে সে আমাদের কর্মকাণ্ড সম্বন্ধে জানল, এর মাধ্যমে কোন দিন সে কোন সাহায্য পেতে পারে, দ্বিতীয়ত গ্লাক এখন ব্লাকমেলারদের জন্য এক গোপনীয় সঙ্কেত। মনে আছে এর আগে আমি বলেছি, ব্লাকমেলাররা তাদের সম্ভাব্য শিকারকে প্রথম যে প্রশ্নটি করে সে কি গ্লাক এর নাম শুনেছে। আপনি এবং আপনার বন্ধু মিলে এই কাজটি করুন , এই শব্দটিকে ছড়িয়ে দিন এবং বিশেষ করে গ্লাকে যোগাযোগের ঠিকানা যাতে আমাদের লোকজন কেবল বিষয়টি অনুভব করেই ক্ষান্ত না দেয়, যেন তারা সব সময় নিরাপত্তা প্রদান করতে সক্ষম হয়।</p></blockquote>
<p> এর বাইরেও এখানে যে সমস্ত পুরুষ অন্য পুরুষদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত তাদের ( পুরুষ ও পুরুষ সর্ম্পক) এবং পুরুষ সমকামীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানকারীদের (সিএসডাব্লিউএস) বিনোদনের জন্য এক লাইব্রেরি, চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সাধারণ সভা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তাদের এমন লোক রয়েছে যারা পুরষ সমকামীদের রক্ষা করে এবং যে চাপ প্রতিটি মহিলা ও পুরুষ সমকামী এবং উভয়কামী এবং লিঙ্গ পরিবর্তন কারী অনুভব করে এবং যে কোন সমকামী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি, তারা অবশ্যই <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=43:arrest&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">তাদের ফোন নম্বর রেখে দেবে</a>&#8230;&#8230; যখন এ ধরনের কোন ঘটনার মুখোমুখি হয়।<br />
<blockquote>প্রথমত, আমরা সকলেই আমাদের ফোনে ০২০-২৪২৬০৬০ এই নম্বরটি রেখে দেব। এটা গ্লাকের নম্বর। গ্লাক সব সময় আপনার প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে, যখনই আপনি আপনার যৌন অবস্থানের কারণে কোন কঠিন আইনগত অবস্থায় পড়বেন। এমনকি যদি আপনি এ কোন যৌনকাণ্ডে জড়িত অবস্থায় ধরা পড়ার পরও তারা আপনার পাশে রয়েছে। কাজেই কমরেড, ভয়ের ছায়াকে দুরে ফেলে দিন!</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এইচআইভি/এইডস বিস্তার প্রতিরোধের জন্য অনলাইনে প্রচারণা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5819/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5819/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2009 04:51:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইউক্রেইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কঙ্গো রিপাব্লিক]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5819</guid>
		<description><![CDATA[এইডসের বিস্তার রো্ধে সারা বিশ্বের অনেক সংগঠন ও একর্মীরা নতুন সৃষ্টি শীল ও স্থানীয় প্রচারণা ও উদ্যোগের সাথে যুক্ত হয়েছেন। আজ আমরা তাদের কয়েকজনের কথা আলোচনা করবো, যারা আইসিটি ও নাগরিক মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের কাজকে সমৃদ্ধ করার জন্য।     ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/31/online-campaigns-to-combat-spread-of-hivaids/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সারা বিশ্বে যারা এইচআইভি জীবাণু বহন করছে তাদের প্রতি ঘৃণা ও বৈষম্য প্রদর্শন করা হয়। অনেক দেশে সাংস্কৃতিক অনুশীলন ও সামাজিক প্রথার কারণে লোকজন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করে না। এইডস রোগ ছড়ানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ও লোকজন যাতে এই রোগ সম্বন্ধে সচেতন হয় এবং এই রোগের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা নেবার জন্য, সারা বিশ্বে অনেক সংগঠন ও কর্মীরা সৃষ্টিশীল ও স্থানীয় উদ্ভাবনী শক্তি দ্বারা প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এ কাজে তারা ইন্টারনেট এবং নাগরিক মিডিয়াকে ব্যবহার করছে, যাতে তাদের এই আন্দোলন বেগবান হয়। </p>
<p><strong>কেনিয়া:</strong></p>
<p>২০০১ সালে <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/category/projects/repacted/">রিপ্যাক্টেড</a> গঠিত হয়। কেনিয়ার নাকুরো  থিয়েটার ক্লাবের তরুণ নাট্যশিল্পী এবং কেনিয়ার তরুণ যারা সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে, তাদের মধ্যে সংগঠিত এক চুক্তির মাধ্যমে এর জন্ম হয়। সামাজিক বিষয়ের মধ্যে পুন:প্রজননের মতো ঘটনা ও এইচআইভি/এইডস রয়েছে। এই প্রকল্পে কাজের জন্য <a href="http://repacted.org/?p=12">ম্যাগনেট থিয়েটার</a> ব্যবহার করা হয় যা তাদের ফোরাম থিয়েটার ধারায় এটি একটি উদ্যোগ। এই শৈল্পিক প্রদর্শনে সেই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে, যা তারা তাদের প্রতিদিনের জীবনে আলোচনা করতে পারে না এবং তাদের জন্যে একটি ফোরাম তৈরি করা। তারা এই সমস্ত বিষয় এমনকি তাদের পরিবারেও আলোচনা করতে পারে না, কারণ এই সমস্ত বিষয় তাদের পরিবারে আলোচনা করা নিষেধ এবং সাংস্কৃতিক কারণে এগুলো নিয়ে খোলামেলা ভাবে আলোচনা করা সম্ভব হয় না। এখানে এক ভিডিও বর্ণনা করছে, তাদের অনুশীলনের বিষয়টি।</p>
<div><object width="400" height="300"><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="movie" value="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=2289256&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" /><embed src="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=2289256&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="always" width="400" height="300"></embed></object></p>
<p><a href="http://vimeo.com/2289256">রিপ্যাক্টেড- মোবলাইজেশন</a> <a href="http://vimeo.com/user549729"> এ্যাডুয়ার্ডো আভিলা</a> তুলে ধরেছেন <a href="http://vimeo.com">ভিমেওতে</a>.</p>
</div>
<p><a href="http://rising.globalvoicesonline.org/">রাইজিং ভয়েসের</a> অনুদানে রিপ্যাক্টেড এর সদস্যদের <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/2009/04/05/repacted-budding-bloggers-in-training/">ব্লগ লেখার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়</a>, যাতে তারা তাদের অভিজ্ঞতা বিশ্বকে জানাতে পারে। এখানে কয়েকজন সদস্যের আলোচনা তুলে ধরা হল।     </p>
<p><em>এমসিসিজেএক্স </em>কেনিয়ার <a href="http://mcjex.blogspot.com/2009/01/condom-in-school.html">স্কুলের বর্তমান পরিস্থিতি সম্বন্ধে আলোচনা করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>যৌনতার (অনুশীলন) স্কুলে এত বেশি মাত্রায় হয় যে, এখন অন্য যে কোন খেলার চেয়ে মাঠে এটি খেলা হয় বেশি। ৭ থেকে ২০ বছরের তরুণ, তরুনীরা অন্য যে কারো চেয়ে এই বিষয়ে বেশি জানে […]। এমন কোন ছেলে বা মেয়ে নেই, যাদের বিপরীত লিঙ্গের সাথে সম্পর্ক নেই। এর বাইরে, আমি মনে করি স্কুলে কনডম বিতরণ করা উচিত।</p></blockquote>
<div id="attachment_5822" class="wp-caption alignnoner" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/repacted-members-640x480.jpg" alt="রিপ্যাক্টেডের সদস্যরা: ছবি রিপ্যাক্টেড/রাইজিং ভয়েসেস-এর সৌজন্যে" title="repacted-members-640x480" width="400" height="300" class="size-full wp-image-5822" /><p class="wp-caption-text">রিপ্যাক্টেডের সদস্যরা: ছবি রিপ্যাক্টেড/রাইজিং ভয়েসেস-এর সৌজন্যে</p></div> 
<p><em>কলিন্স ওটিনো সাইলাস</em> <a href="http://collinsyuro.blogspot.com/2009/01/condom-in-school.html">যথারীতি</a> মনে করেন  স্কুলে  কনডম ব্যবহার করার শিক্ষা দিলে বিষয়টি এইচআইভি/এইডস ও অন্যান্য যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে সংক্রমিত রোগ ছড়ানোর পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে। </p>
<p>তবে এই সমাধান এতটা সরল নয়। এই প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/repacted/2008/05/28/stigma-during-community-theatre-outreaches/">ঘৃণা ও বৈষম্যের মতো আরো</a> অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে এবং এসবের থেকে বেরিয়ে এসেছে:</p>
<blockquote><p>ঘৃণা ও বৈষম্যের ক্ষেত্রে এক সৃষ্টিশীল মনোভাব প্রয়োজন, কারণ তা এইচআইভির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সকল দিক থেকে এক প্রভাব তৈরী করে। জনসম্মুখে কনডম বিতরণ করা এখনো এক সমস্যা। যখন তরুণরা তাদের বিতরণ কার্যক্রমের জন্যে বেশী পরিমানে কনডম নিতে চায়, তখন তারা ভয়ে থাকে যেন সম্প্রদায়ের কেউ তাদের দেখে না ফেলে, কারণ এর ফলে সম্প্রদায়ের লোক তার এই কনডম নেবার সাথে যৌন মিলনকে মিলিয়ে ফেলে।</p></blockquote>
<p><strong>রিপাবলিক অফ কঙ্গো:</strong></p>
<p>বর্তমানে কঙ্গোর <a href="http://www.unaids.org/en/CountryResponses/Countries/congo.asp">৭৯,০০০</a> জন লোক (মোট জনসংখ্যার ৩.৫ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক লোক) এইচআইভির সাথে বসবাস করছে এবং ৬৪০০ জন লোক এইডস রোগে মারা গেছে। <a href="http://azurdev.org/en/index.html">আজুর ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন</a> ২০০৬ সালে রিপাবলিক অফ কঙ্গোর পয়েন্ট নোয়ারে এক প্রকল্প চালু করে যার মাধ্যমে তারা রাজধানীর ১০০ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিকে মানসিক ও সামাজিক সমর্থন প্রদান করছে। রাইজিং ভয়েসেসের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদিকা <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/2008/11/14/aids-rights-congo-promoting-rights-of-hiv-positive-people/">জুহি ভাটিয়ার</a> মতে: </p>
<blockquote><p>এই সংগঠনটি এখন আরো এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কঙ্গোতে এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত ও এর দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিরা যে ঘৃণা ও বৈষম্যের শিকার হয়, এ সব নিয়ে তথ্য তৈরি করেছে। তারা  এইচআইভি ও এইডস নিয়ে কাজ করা স্থানীয় সংগঠন গুলোর কর্মকর্তা ও নেতাদের যোগাযোগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে, এইডস নেটওয়ার্ক আফ্রিকার উদ্যোগে তারা <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/aids-rights-congo/">ডিজিটাল গল্প বলা (যার মধ্যে রয়েছে ভিডিও ও ছবি তোলা) পডকাস্ট, এবং ব্লগিং </a>করেছে। প্রত্যেক কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ কর্মকর্তা এই  প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে তাদের গল্প জানানোর জন্য। যেখানে সে কাজ করে সেখানকার স্থানীয় সম্প্রদায়কে কিভাবে এইচআইভি/ এইডস প্রভাবিত করছে সে নিয়ে এই সব গল্প বলা হবে।</p></blockquote>
<div id="attachment_5823" class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/repacted-members-640x4801.jpg" alt="প্রশিক্ষণ চলছে। ছবি আজুর ডেভলপমেন্ট/ রাইজিং ভয়েসেস-এর সৌজন্যে" title="repacted-members-640x480" width="400" height="300" class="size-full wp-image-5823" /><p class="wp-caption-text">প্রশিক্ষণ চলছে। ছবি আজুর ডেভলপমেন্ট/ রাইজিং ভয়েসেস-এর সৌজন্যে</p></div>
<p>তাদের ব্লগ <a href="http://aidsrightscongo.org/">এইডস রাইট কঙ্গো</a>তে আপনি কঙ্গোর এইচআইভি পজিটিভ লোকদের গল্প পড়তে পারেন। <a href="http://aidsrightscongo.org/?p=260">এই পোস্ট</a> বর্ণনা করছে. কি ভাবে এ ধরনের ঘৃণা এক গর্ভবতী মহিলার জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে:</p>
<blockquote><p>পয়েন্ট- নোয়ারে এক এইচআইভি আক্রান্ত মহিলা হাসপাতালে সন্তান জন্মদানের সময় সন্তানকে হারান (বাচ্চা মারা যায়), কারণ কোন ধাত্রী, এই মহিলাকে স্পর্শ করতে চাইছিল না। পিএমটিসিটি [প্রোগ্রাম ফর প্রিভেনশন অফ মাদার টু চাইল্ড বা মা থেকে সন্তানের মধ্যে যাতে এইচআইভি প্রবেশ না করে তার জন্যে কাজ] চিকিৎসা গ্রহণ করার পর, অনেকেই সমাজ পরিত্যক্ত হয়েছেন….আরেকজন এইচআইভি আক্রান্ত গর্ভবতী মহিলা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এমন এক ধাত্রীর কারণে প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু তার সন্তানটি মারা যায়; এই ঘটনার সময়ও ধাত্রী ভয় পেয়েছিল, তাকেও এই রোগ ধরে কিনা।</p>
<p>সে সমস্ত মেয়ের এইচআইভিতে আক্রান্ত হয় তাদের জীবনে….বাতিল, অনীহা এবং পরিত্যাগ এই বিষয়গুলো চলতে থাকে। </p></blockquote>
<p><a href="http://aidsrightscongo.org/?p=268">এই পোস্ট</a> উপেক্ষা এবং বৈষম্যের এক গল্প জানাচ্ছে:  </p>
<blockquote><p>কঙ্গোর, পয়েন্ট-নোয়ারে এক এইচআইভি পজেটিভ বিবাহিত পুরুষ ও পিতাকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়, যখন পুলিশ জানতে পারে সে এইচআইভিতে আক্রান্ত। তার গল্পের গভীরে যে মানে রয়েছে অবশ্যই তা বিশ্লেষণ করা উচিত […]। তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, কারণ পুলিশ মনে করেছিল সে অন্য কয়েদীদের এই রোগে আক্রান্ত করতে পারে।</p></blockquote>
<p>এই প্রকল্পে এইচআইভি/এইডসের বিরুদ্ধে ঘৃণা রোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির  লড়াইয়ে <a href="http://aidsrightscongo.org/?p=263">কমিউনিটি রেডিওর ব্যবহার করা</a> হচ্ছে।</p>
<blockquote><p>আমরা প্রায়শই শুনি যে বাবা মা এইচআইভি পজেটিভ সন্তানের উপর টাকা খরচ করতে চান না। যেহেতু ব্যক্তিটি নিশ্চিত  মারা যাবে, কাজেই তার উপর টাকা খরচ করার কোন মানে নেই, এভাবে সমস্ত বিষয় বিবেচনা করা হয়। এই রেডিও অনুষ্ঠান এসব কারণে বাবা মাকে শিক্ষিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয় যে, শরীরে এইচআইভি রোগ নিয়ে বাস করা কোন অপরাধ নয়। সকলকেই ভালোবাসা উচিত। যে সমস্ত লোক এইচআইভি নিয়ে বাস করছে তাদের প্রতি একতা প্রদর্শন করা উচিত।</p></blockquote>
<p><strong>ইউক্রেইন</strong></p>
<p>ইউক্রেইনে <a href="http://www.aidsalliance.org/sw54545.asp">এক হিসেবে</a> দেখা গেছে ৩২৩,০০০-৪২৫,০০ জন ইন্জেকশনের মাধ্যমে ওষুধ গ্রহণ করা ব্যক্তি রয়েছে। ইউরোপের মধ্যে এই দেশটিতে এইডস রোগ দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকা এক অন্যতম মহামারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইউক্রেইনের মাদক ব্যবহারকারী ও এইচআইভি আক্রান্তদের জন্য <a href="http://depo3p.livejournal.com/">পাভেল কুটসেভ</a> এক নিরাময় কেন্দ্র বা <a href="http://motilek.com.ua/">ড্রপ ইন সেন্টার</a> স্থাপন করেছেন। তিনি ইউক্রেইনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত এই <a href="http://www.ihra.net/Whatisharmreduction">ক্ষতি কমানো</a> কেন্দ্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/dropin-center/">ব্লগের পোস্ট, ছবি, পডকাস্ট ও অনলাইন ভিডিওর</a> মাধ্যমে জানাচ্ছেন।</p>
<div id="attachment_5824" class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/drop-in-center.jpg" alt="ড্রপ ইন সেন্টার বা নিরাময় কেন্দ্র। ছবি ড্রপ ইন সেন্টারের সৌজন্যে/ রাইজিং ভয়েসেসের সৌজন্যে। " title="drop-in-center" width="400" height="300" class="size-full wp-image-5824" /><p class="wp-caption-text">ড্রপ ইন সেন্টার বা নিরাময় কেন্দ্র। ছবি ড্রপ ইন সেন্টারের সৌজন্যে/ রাইজিং ভয়েসেসের সৌজন্যে। </p></div> 
<p>পাভেল বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির পক্ষে <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/2009/08/17/drop-in-center-a-call-to-action/">যুক্তি প্রদর্শন </a> করেছেন:         </p>
<blockquote><p>এইচআইভি/এইডস মহামারী রোধ করার জন্য বিকল্প পদ্ধতি অন্যতম এক কার্যকর পদ্ধতি এবং এটি বৈধ। বার্তাটি আমরা সমাজের কাছে পৌঁছে দেব। যদি আমরা সফল হই, তাহলে যারা এইচআইভি আক্রান্ত এবং মাদকাসক্ত, আমরা তাদের জীবন উন্নত করতে পারব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5819/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: আনকালচার্ড প্রোজেক্ট আর পরিষ্কার পানি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5402/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5402/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 24 Aug 2009 05:24:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5402</guid>
		<description><![CDATA[আনকালচার্ড প্রোজেক্ট বাংলাদেশে ত্রাণ বিতরণএবং পানি বিশুদ্ধ করণ জাতীয় নানা সহায়তা প্রদান করে আসছে এবং দুটি বহণযোগ্য পানি পরিশোধনের পদ্ধতির মধ্যে তুলনা করেছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিন্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/10/bangladesh-uncultured-project-and-clean-water/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত বছর যখন আমরা খোঁজ করেছিলাম <a href="http://uncultured.com/">আনকালচার্ড প্রোজেক্ট</a> বাংলাদেশের <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/01/05/bangladesh-cyclone-sidr-relief-efforts/">সিডর সাইক্লোনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছিল</a>, কিন্তু এর উদ্যোক্তা <em>শন আহমেদের</em> সাহায্য করার প্রচেষ্টা এখনো থামে নি। গত বছর এই ত্রাণ কর্মসূচীর পরে, তিনি অসুস্থ হয়ে বাস ভূমি কানাডাতে ফিরত যান, আর সেখানে কয়েক মাস থাকার পরে আবার ফিরে আসেন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সাহায্য করার জন্য, <a href="http://www.savethechildren.org/">সেভ দ্যা চিল্ড্রেন</a> এর সহায়তায় আর বিশ্বব্যাপী ভক্তদের অনুদান নিয়ে।</p>
<p><a href="http://uncultured.com/2009/08/10/the-final-week/">তার ব্লগে</a> তিনি জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>এ দেশে আসার পর থেকে আমি <a href="http://uncultured.com/2008/09/12/challenge-poverty-with-save-the-children/">দারিদ্র বিমোচনের</a> সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প শেষ করার চেষ্টা করছি। আপনারা কেউ কেউ হয়ত জানেন যে আমি <a href="http://uncultured.com/2009/03/04/pond-sand-filter/">পুকুরের পানি শুদ্ধ করার বালির ফিল্টার</a> নিয়ে কাজ করছি আর একটা স্কুল মেরামত করছি। এখন প্রায় ৬ মাস হয়ে গেছে আর আমি পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় সব শেষ করতে চাই। হ্যাঁ&#8230; এটা একটু বেশী উচ্চাভিলাষী হতে পারে। দেখা যাক।</p></blockquote>
<p>শন এই শেষ রাউন্ডের প্রকল্পের জন্য দান গ্রহণ করেছেন, আর দাতাদেরকে অনুরোধ করেছেন (যাদের বেশীরভাগ তার কার্যক্রমের উপর মন্তব্য রাখেন ভিডিওর মাধ্যমে) তারা যেখানে তাদের অর্থ কিভাবে খরচ করতে চান সেটা জানান, যেমন তার এক পোষ্টে তুলে ধরা নীচের ভিডিওটাতে তিনি অনুরোধ করেছেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XTP6CtSGzik&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XTP6CtSGzik&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://uncultured.com/2009/08/10/the-final-week/">একই পোস্টে</a>, তিনি বোঝার চেষ্টা করেছেন যে এই সব প্রকল্পের ভবিষ‌্যৎ কি হবে, আর কিভাবে তিনি এইসব প্রকল্পকে স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে পারেন, যাতে তিনি সাহায্য করে যেতে পারেন:</p>
<blockquote><p>প্রশ্ন হল - আমি কি ছুটির জন্য ফিরত যাচ্ছি না একেবারে? জানুয়ারিতে আমি বলেছিলাম যে এই প্রকল্প যদি আমি টিকিয়ে রাখতে না পারি <a href="http://uncultured.com/2009/01/06/the-final-year/">তাহলে ১২ মাসের মধ্যে আমি চলে যাব</a>। ‘টিকিয়ে’ রাখা বলতে আমি এমন ভাবে করতে চাই যা আমার বাবা মাকে আরো দরিদ্র করবে না। আমার সঞ্চয় অনেক আগে শেষ হয়ে গেছে - আর এই কাজ আমি আমার বাবা মার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে করি। আমরা দুর্ভাগ্যক্রমে (ধনী) রকফেলার্স না- কেবলমাত্র মধ্যবিত্ত শহুরে কানাডিয়ান (মূলতঃ আমেরিকানদের মতো&#8230; কিন্তু আমরা বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা পাই)।</p></blockquote>
<p>তার ব্লগের সর্ব শেষ পোস্টে, <em>শন</em> লক্ষ্য করেছেন যে <a href="http://www.youtube.com/watch?v=rXepkIWPhFQ">টেড কনফারেন্সের ভিডিওতে একজন বক্তা</a>, একজন আবিষ্কারক তার উদ্ভাবন দেখাচ্ছিলেন: একটা পানি শোধনাগার ব্যবস্থা (ফিল্টার) যা ময়লা পানিকে পান যোগ্য পানিতে পরিণত করে। <em>মাইকেল প্রিটচ্যাড</em> এই <a href="http://www.lifesaversystems.com/buy.html">জীবন রক্ষাকারী বোতল</a> ডিজাইন করেছেন, যা বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারবে, আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সমাধান দিয়েছেন: পানীয় জল দেয়ার পরিবর্তে, এই বহনযোগ্য পানির ফিল্টার যাতে পরিবারের সদস্যরা তাদের পানীয় জলের ব্যবস্থা বাড়িতেই করতে পারে শরণার্থী শিবিরে না গিয়ে।</p>
<p><em>শন</em>বহনযোগ্য পানির ফিল্টারের ব্যাপারে জানেন কারণ তিনি একই ধরনের পানি শোধনাগার <a href="http://www.vestergaard-frandsen.com/lifestraw-f-intro.htm">লাইফস্ট্র</a> কে কাজ করতে দেখেছেন। গ্রামীণ কেনিয়াতে তার সফরের সময়ে তিনি একটা ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তিনি গরুর গোবর সম্বলিত ময়লা পানি শোষণ করেছিলেন, দেখানোর জন্য যে ব্যবহারের আসল পরিবেশ, যেখানে মানুষ যে কোন স্থান থেকে পানি সংগ্রহ করে। এবং এতে সাধারণত সব ধরনের অশোধিত, ময়লা আর আবর্জনা থাকবে। এটা তার মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষার ভিডিও যেটা তিনি করেছিলেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/ycEnu9p1GPE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/ycEnu9p1GPE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>কিছু মানুষ তাকে প্রতিক্রিয়াশীল বলেছিল যখন তিনি গরুর গোবর সম্বলিত পানি শোধন করে পান করেছিলেন, তাই দ্বিতীয় আর একটা ভিডিওতে তিনি এর পিছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন, যেখানে একজন বিজ্ঞানী নিশ্চিত করছেন যে <em>লাইফস্ট্র</em> কিভাবে ব্যাক্টেরিয়া আর ভাইরাসের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা তৈরি করে যা পানির মাধ্যমে বাহিত হতে পারে, গরু থেকে মানুষের মধ্যেও:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/ycEnu9p1GPE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/ycEnu9p1GPE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>শন পরিষ্কার করে বলেছেন যে <em><a href="http://www.vestergaard-frandsen.com/lifestraw-f-intro.htm">লাইফস্ট্র</a></em> এর কাছ থেকে তিনি অর্থ পান না বা তাদের দ্বারা সমর্থিত হন না, যখন তিনি এটার ব্যাপারে কথা বলেন তার কারণ তিনি এটাকে বর্তমানে প্রাপ্ত সব থেকে ভালো উপায় মনে করেন। <a href="http://www.lifesaversystems.com/buy.html">লাইফ-সেভার</a> এর মূল্য লাইফ–স্ট্র এর থেকে অনেক বেশী, কিন্তু কম পানি শোধন করে আর টেকে কম দিন, <em>আর লাইফ স্ট্র</em> পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী আসে। এই দুটি ফিল্টারের কোনটিই পানিতে দ্রবীভূত লবন বা রাসায়নিক পদার্থের সাথে কাজ করতে পারে না, যেটাকে পণ্যের নতুন সংস্করণে যুক্ত করা দরকার মূল্যের পার্থক্যকে যুক্তিযুক্ত করার জন্যে।</p>
<blockquote><p><a href="http://www.vestergaard-frandsen.com/lifestraw-f-testresult.htm">লাইফস্ট্র</a> ফ্যামিলির মূল্য ৩৫ আমেরিকান  ডলার আর এটা পরিশোধন করে ১৮,০০০ লিটার পানি। লাইফসেভারের মূল্য ১০০ ডলারেরও বেশী আর এটা পরিশোধন করে মাত্র ৬০০০ লিটার পানি। যদিও এটা সম্ভব হতে পারে যে ভবিষ্যৎে একদিন লাইফসেভারের মূল্য কমে যেতে পারে, <em>লাইভস্ট্র ফ্যামিলির</em> মূল্য এখনই কম আর এরই মধ্যে জীবন রক্ষা করছে অনেকের&#8230;</p></blockquote>
<p><a href="http://twitter.com/uncultured">টুইটারে আপনি আনকালচার্ড প্রোজেক্টের খবর</a> দেখতে পারেন, যেখানে তিনি তার ত্রাণ কাজ নিয়ে লেখেন আর নতুন প্রকল্পের ছবি আপলোড করেন আর বিশ্বে কিছু পরিবর্তন আনতে তার প্রচেষ্টা তুলে ধরেন। আপনি শন আর <a href="http://www.savethechildren.org/">সেভ দ্যা চিল্ড্রেনের</a> বাংলাদেশে ত্রাণ দেয়া নিয়ে আরো ভিডিও দেখতে পারেন <a href="http://www.youtube.com/user/UnculturedProject">আনকালচার্ড প্রোজেক্টের ইউটিউব চ্যানেলে</a>, বা শনের অন্য অ্যাকাউন্ট, <a href="http://www.youtube.com/user/thestudent">দ্যা স্টুডেন্টে</a> তার মোবাইলে ভিডিও আপলোডগুলো দেখতে পারেন। তার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যে শুভ কামনা!<em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/24/5402/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এইচআইভি আক্রান্তদের ব্লগিং: &#8220;ভালোবাসা এখনো সম্ভব&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 19 Aug 2009 15:05:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কঙ্গো রিপাব্লিক]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5267</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। যদিও এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/13/blogging-with-hiv-love-is-still-possible/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংখ্যক এইচআইভি পজিটিভ ব্লগাররা কিভাবে তারা এই ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছেন তা প্রকাশ করতে নাগরিক মিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।</p>
<p>এইচআইভি/এইডস নিয়ে খোলাখুলি ভাবে কথা বলা অনেক সমাজেই কঠিন হতে পারে। কোটি কোটি লোক এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে, কিন্তু এই বাস্তবতা যে এটাকে সবাই খুব ভয় পায় আর এটা যৌন সংসর্গে ছড়াতে পারে, তার মানে হল এইচআইভি নিয়ে বসবাসকারীরা প্রায় ধিক্কৃত হন। তারপরেও ডজন ডজন সাহসী মানুষ তাদের গল্প লিপিবদ্ধ করেন, আর মাঝে মাঝে তাদের অধিকার বা ভালো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য প্রচারণাও করেন ব্লগ বা ইন্টারনেট ফোরামে, যেখানে সবাই পড়তে পারে।</p>
<p><code><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps/ms?hl=en&amp;ie=UTF8&amp;msa=0&amp;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&amp;source=embed&amp;ll=27.059126,6.328125&amp;spn=150.222974,298.828125&amp;z=1" style="color:#0000FF;text-align:left">ব্লগিং পজিটিভলি ম্যাপ</a> বড় করে দেখতে ক্লিক করুন</small></code></p>
<p><strong>দক্ষিণ আফ্রিকা:</strong></p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে <em>বুসি</em> নামে একজন কবি আর ব্লগার ধর্ষিত হওয়ার ছয় মাস পরে ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে জানতে পারেন যে তার দেহে এইচআইভি ভাইরাস ঢুকেছে।</p>
<p>এখানে রয়েছে তার দু:খের কাহিনী, যা তিনি তার ব্লগ <a href="http://latifah.wordpress.com/2006/12/22/happy-birthday-to-me/">মাই রিয়ালিটিজ</a> এ লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>বেশী দিন হয়নি জানতে পারলাম যে আমি এইচআইভি তে আক্রান্ত। আমি অনেক বেশীবার আক্রান্ত আর ধর্ষিত হয়েছি যার ফলে এই ভাইরাসে আমি আক্রান্ত হয়েছি। কারণ হল যে আমি একজন নারী যে নিজেকে সমকামী বলি একজন মহিলার সাথে আমার সম্পর্কের কারনে। আমাকে আক্রমণকারী আর বিভিন্ন ধর্ষক পুরুষরা এমন করেছে আমাকে বোঝানোর জন্য যে নারী হওয়ার আসল মানে কি।</p></blockquote>
<p><em>বুসি</em> এই সুন্দর পৃথিবীতে বাঁচতে পারেন নি যেহেতু তিনি <a href="http://latifah.wordpress.com/2007/03/17/goodbye-busisiwe-231281-120307/">২০০৭ সালের মার্চ মাসে রোগে ভুগে মারা যান</a>। কিন্তু তার ব্লগ আর কবিতা তার জীবনের শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে রয়ে গেছে, যেমন আছে তার মত আরও অনেকের ব্লগ যতদিন পর্যন্ত না এর উপযুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যায়।</p>
<p><strong>চীন:</strong></p>
<p>চীনের এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার লি জিয়ান এইচআইভিতে আক্রান্ত হন কিশোর অবস্থায়, উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকা কালে <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/01/china-aids-blogger-li-xiangs-unextraordinary-life/">রক্ত দানের সময়</a>। ২০০৫ সাল থেকে ব্লগিং শুরু করেন যখন তার বয়স বিশের ঘরে ছিল। এই বছরের শুরুর দিকে একটা ব্লগ পোস্টে ( চীনা ভাষায়) তিনি এইডসকে <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46f3d7910100byk0.html">প্রতি ভয় কমানোর চেষ্টা করেছেন</a> এই বলে যে অন্যান্য জীবনঘাতী অসুখের চাইতে বেশী এইডসকে ভয় করা উচিত না, আর তিনি নিজে ভীত না চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির কারণে।</p>
<p><strong>ফিলিপাইন্স:</strong></p>
<p><em>কিকস</em> হচ্ছে হংকং এর কাউলুন এ বসবাস রত একজন ফিলিপিনো ব্লগার । ২০০৭  সালে তিনি আবিষ্কার করেন যে তার এইচআইভি আছে আর এটা নিয়ে কিভাবে আছেন সেটা <a href="http://bikolanongtsekwangbakla.blogspot.com/2007/07/sounding-alarm.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়া একেবারেই গুরুতর কিছু না।</p>
<p>এটা যেন সারা জীবনের জন্য হার্টের অসুখ হওয়া যদিও আমার ডাক্তাররা বলেছেন যে এটা ডায়বেটিস হওয়ার থেকে ভালো। আজকাল এত ভালোভাবে ঔষধ পাওয়া যায়, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ক্যান্সারের রোগী, রক্ত শূন্য বা বয়স্ক যারা ম্যানিলার মতো দূষিত শহরে থাকেন তাদের থেকে বেশী দিন বাঁচবেন।</p></blockquote>
<p><strong>যুক্তরাজ্য:</strong></p>
<p><em>ফ্রিরেঞ্জলাইফ</em>  নামের ব্লগার যুক্তরাজ্যের একজন সমকামী পুরুষ যিনি এইচআইভি নিয়ে ২০ বছরের বেশী বেঁচে আছেন। তিনি <a href="http://mylifepositive.com/wpmu/ukguy/2009/07/22/mr-angry-2/">সাম্প্রতিক একটা পোস্টে</a> সাবধানতা অবলম্বনের ব্যাপারে গাফিলতি করার বিপদের কথা লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমরা প্রায় ২০ বছরের বেশী এইচআইভি সম্পর্কে জানি, মানুষ এর বিপদের কথা জানে। তাহলে এটা তবুও কেন হয়? এর কারণ আমরা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করি আর ভাবি ‘এটা আমার সাথে কখনো হবে না।“</p></blockquote>
<p><strong>কঙ্গো প্রজাতন্ত্র:</strong></p>
<p><em><a href="http://aidsrightscongo.org/?p=103">এইডস রাইট কঙ্গো</a></em> ব্লগের <em>ডেভি হারমান মালান্ডা</em> গত বছর লিখেছিলেন নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার খবর অন্যদের জানানোর বিপদ সম্পর্কে। তিনি বেরনাডেটা (নকল নাম) নাম্নী এক মহিলার গল্প বলেছেন, যিনি কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পোয়াঁ নোয়ারে টি-টি বাজারে পুরানো কাপড় বিক্রি করেন:</p>
<blockquote><p>বেরনাডেটার জীবন পাল্টিয়ে গিয়েছিল যখন তার কাছের বন্ধু তার এইচআইভি হওয়ার কথা সবাইকে জানিয়ে দেন। তার সহকর্মী আর গ্রাহকেরা জেনে যায় যে সে এইচআইভি পজিটিভ। ফলে বাজারে তার টেবিলে খুব কম গ্রাহক কাপড় কিনতে আসত। তার জীবন কষ্টের হয়ে যায়, আর সংসার চালানোর জন্যে রোজকার করা তার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।</p></blockquote>
<p>কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ব্রাজাভিল থেকে <em>অরেলি</em> <a href="http://aidsrightscongo.org/?p=111">লিখেছেন</a> তার নিজের এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার কথা জানতে পারার আঘাতের কথা:</p>
<blockquote><p>প্রাথমিকভাবে এটা আমাকে এক টন ইটের মতো এসে আঘাত করেছিল। আমি সাথে সাথে আমার জীবন পাল্টাতে দেখেছি আর দু:শ্চিন্তা আমার মাথায় চেপে বসেছিল।</p></blockquote>
<p>তিনি আরো লিখেছেন যে তার পরিবারের সহায়তায় আর একটা অলাভ জনক প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় এখন তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন।</p>
<p><strong>যুক্তরাষ্ট্র:</strong></p>
<p>আন্তর্জাতিক <a href="http://blogs.poz.com/">পজ ব্লগ</a> নেটওয়ার্কের একটা ব্লগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মিশেল লিখেছেন যে এইচআইভি নিয়েও ‘<a href="http://blogs.poz.com/michelle/">ভালোবাসা এখনো সম্ভব</a>’ আর জানিয়েছেন কিভাবে তিনি তার নতুন জীবন সঙ্গীকে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি এই পরামর্শও দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>যারা নতুন আক্রান্ত বা যারা একা থাকতে থাকতে ক্লান্ত, আশাহত হবেন না। ভালোবাসাতে হার মানবেন না। আপনার সব থেকে যখন প্রয়োজন আর আপনি যখন একেবারেই আশা করছেন না তখন এটা আপনিই আসবে।</p></blockquote>
<p><strong>কেনিয়া:</strong></p>
<p>এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার মানে এই না যে বৈষম্যের কারনে আপনি সব ধরনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন। <em><a href="http://rising.globalvoicesonline.org/repacted/2008/12/03/world-aids-day-mr-and-miss-red-ribbon-2008/">মি: আর মিস রেড রিবন</a></em> একটা চ্যারিটির অনুষ্ঠান আর ফ্যাশন শো যা  কেনিয়ার নাকুরুর তরুণ সংঘ প্রতি বছর আয়োজন করেন। <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/">রাইজিং ভয়েসেস</a> এর কেনিয়ার ব্লগিং প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/repacted-kenya/">রিপ্যাক্টেড</a> এর সদস্য এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার <em>মরিন</em> এর একজন প্রতিযোগী ছিলেন আর <a href="http://maureenakinyi.blogspot.com/2008/12/blogging-positively.html">তার অভিজ্ঞতা ব্লগে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি ২০০৬ সাল থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে আসছি আর এর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করি একটা কারনে, ঘৃণা আর বৈষম্যকে এটি ঘুচিয়ে দেয়। মি: আর মিস রেড রিবন আক্রান্ত আর ক্ষতিগ্রস্তদের এক মঞ্চে আনে সৌন্দর্যকে বিশেষ ভাবে উদযাপনের জন্য। অনুষ্ঠানের সময়ে দর্শক সৌন্দর্যকে উপভোগ করেন মডেলদের দেখে, আক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে না।</p></blockquote>
<p><em>উপরের <a href="http://maps.google.com/maps/ms?ie=UTF8&#038;hl=en&#038;msa=0&#038;msid=116925014949105791191.00045c9dd6cebd5e130f5&#038;ll=24.527135,14.765625&#038;spn=120.298584,316.40625&#038;z=2">গ্লোবাল ভয়েসেস এর তৈরি এইচআইভি পজিটিভ ব্লগারদের গুগল ম্যাপ</a> এইচআইভি পজিটিভ ব্লগার আর তাদের সাহায্য কারীদের কণ্ঠকে তুলে ধরে, আর এইচআইভি/এইডস এর সাথে জড়িত অন্যান্য নাগরিক মিডিয়াকেও। ম্যাপের লিঙ্কে ক্লিক করে আপনারা এ ধরনের আরো বিস্ময়কর গল্প পড়তে পারেন। </em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/19/5267/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকা: সিকম কেবলের আগমন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 18 Aug 2009 13:34:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[তান্জানিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মোজাম্বিক]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সোয়াহিলি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5240</guid>
		<description><![CDATA[আফ্রিকায় সম্প্রতি একটি সাবমেরিন (সমুদ্রের তলার) কেবল এসেছে যা এই মহাদেশ ব্যাপী ব্যান্ডউইথ (ইন্টারনেটের ক্ষমতা) বাড়াবে আর ইন্টারনেটের খরচ কমাবে। তবে ইতিমধ্যেই তা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এবং আফ্রিকার ব্লগ জগৎে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rebekah-heacock/">রেবেকা হিকক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/24/africa-the-arrival-of-seacom-cable-sparks-debate/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আফ্রিকায় সম্প্রতি একটি সাবমেরিন (সমুদ্রের তলার) কেবল এসেছে যা এই মহাদেশ ব্যাপী ব্যান্ডউইথ (ইন্টারনেটের ক্ষমতা) বাড়াবে আর ইন্টারনেটের খরচ কমাবে। তবে ইতিমধ্যেই তা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এবং আফ্রিকার ব্লগ জগৎে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। <a href="http://www.seacom.mu/index2.asp">সিকম</a> নামে এই সাবমেরিন কেবল, যা দক্ষিণ আফ্রিকা, তাঞ্জানিয়া, কেনিয়া, উগান্ডা আর মোজাম্বিক কে ইউরোপ আর এশিয়ার সাথে যুক্ত করবে, গত বৃহস্পতিবার (২৩শে জুলাই, ২০০৯) <a href="http://www.guardian.co.uk/technology/2009/jul/23/east-africa-broadband-revolution">কাজ শুরু করে</a>। এটি পূর্ব আর দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশ্ব ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করেছে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/picture-1-300x271.png"><img alt="সাবমেরিন কেবল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/picture-1-300x271.png" title="সাবমেরিন কেবল" width="300" height="271" /></a><p class="wp-caption-text">সিকম পূর্ব আফ্রিকার তীরকে ইউরোপ আর এশিয়ার সাথে যুক্ত করেছে।</p></div>
<p>জোহানেসবার্গ, নাইরোবি আর কাম্পালা ২৩শে জুলাই, ২০০৯ <a href="http://www.google.com/hostednews/afp/article/ALeqM5iHrESmY6eTaALo3tbsjwGSPkPP1Q">তাদের সংযোগ পেয়েছে</a>, আর আদ্দিস আবাবা আর কিগালি অচিরেই পাবে। সাবমেরিন কেবলের আগমন জুলাই এর প্রথম দিকে নির্ধারিত ছিল, কিন্তু <a href="http://allafrica.com/stories/200906290065.html">সোমালিয়ার তীরের অদূরে জলদস্যুর হামলা</a> স্থাপনায় দেরি করিয়ে দিয়েছে।</p>
<p>এই সাবমেরিন কেবল লিঙ্ক ব্যান্ডউইথের দাম ৯০% পর্যন্ত কমিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং পূর্ব আফ্রিকার তীরবর্তী এলাকাগুলো ভিডিও কনফারেন্স, হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন আর হাই স্পিড ইন্টারনেটের সুবিধা পাবে ।</p>
<p>“হুমম&#8230; ডাউনলোড আরম্ভ হতে অপেক্ষা করতে পারছি না,” লিখেছেন <a href="http://itblogkenya.blogspot.com/2009/07/seacom_22.html">আইটি ব্লগ কেনিয়া</a>।</p>
<p>উগান্ডাতে, <a href="http://inanafricanminute.blogspot.com/2009/07/kung-fu-baby-and-seacom-cable-launch.html">ইন এন আফ্রিকান মিনিট</a> ব্লগের জশ এরই মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন:</p>
<blockquote><p>বিপুল ভাবে পরিচিত প্রযুক্তি ইউটিউবে আফ্রিকাতে বসে ভিডিও দেখতে ভিডিও শুরু হওয়ার সাথে সাথে থেমে যায়, ২০ মিনিট ( বা তারও বেশী ) অপেক্ষা করতে হয় যখন ভিডিও পুরোটা লোড হয়, আর তারপরে দেখা যায়। আজকে আমি সিকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আছি&#8230; একটা কনফারেন্স রুমের কোনায়। সিকমের ব্যবস্থাপক পিটার মোরেটন আমাকে একটা কম্পিউটারের সামনে ডাকলেন যেখানে ইউটিউব খোলা ছিল। আমরা কুং ফু বেবী শুরু করেছিলাম আর আফ্রিকাতে প্রথমবারের মতো আমি একটা ইউটিউব ভিডিও দেখলাম যা পুরোপুরি ৬ সেকেন্ডে লোড হয়ে দেখা যায়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.techmasai.com/2009/07/24/seacom-the-under-sea-cable-has-arrived/">টেকমাসাইতে</a> মুনাশি একইভাবে উৎসাহিত:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.techmasai.com/2008/04/02/eassy-east-african-submarine-cable/">কিছুদিন আগে</a> আমরা যে সমুদ্রের তলার কেবলের কথা বলছিলাম তা বসানো সম্পূর্ণ হয়ে কাজ শুরু করেছে, আজকে। এই উদ্যোগ বৈপ্লবিক এই কারনে যে যেসব দেশ এখন এর ব্যবহার করবে তাদের মধ্যে আছে কেনিয়া, উগান্ডা, মোজাম্বিক আর দক্ষিণ আফ্রিকা।</p>
<p>&#8230;আফ্রিকার জন্য এটা সুন্দর একটা মুহূর্ত, আমি কেনিয়ার কথা বলতে পারি যারা স্যাটেলাইটের উপরে নির্ভরশীল ছিল এখন পর্যন্ত তাদের ইন্টারনেটের যোগাযোগের জন্য।</p></blockquote>
<p>নাইজেরিয়ান ব্লগার <em>জেরেমি</em> <em>নাইজাব্লগে</em> সিকমের সাথে পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন কেবল লিঙ্কের সাথে <a href="http://naijablog.blogspot.com/2009/07/east-africa-goes-broadband.html">তুলনা করেছেন</a>। তিন বলছেন পশ্চিম আফ্রিকার ভাগে কম পরেছে:</p>
<blockquote><p>পূর্ব আফ্রিকাতে ব্রডব্যান্ড এসে গেছে&#8230; কিন্তু পশ্চিম আফ্রিকা এখনো প্রারম্ভিক পর্যায়ে আছে (আসলে এখনো পোশাক পাল্টাবার কামরায় ভাবছে কি পরা যায়) বেকার এবং প্রায় সময়ই বিচ্যুত স্যাট৩ সাবমেরিন কেবল নিয়ে। তাদের আছে একটা কাল্পনিক গ্লো ১ কেবলের মূলো ঝুলানো (আল্কাটেলের কন্ট্রাক্টাররা কি বালির নীচে চাপা পড়েছে?) আর নতুন দুই অন্তর্ভুক্তি, ওয়াকস আর মেইন১, যা সীমানার অনেক দূরে (সামনের বছর যদি আমরা সৌভাগ্যবান হই)। পূর্ব আফ্রিকা ব্রডব্যান্ডকে স্বাগত জানিয়েছে আর এটা নিয়ে এগিয়ে গেছে আর পশ্চিম আফ্রিকা অপেক্ষা করছে আর দেখছে।</p></blockquote>
<p>টুইটারও সরব হয়ে আছে সিকম কেবলের খবরে। কিছু ব্যবহারকারী উত্তেজিত, আর অন্যরা সমালোচনায় মুখর:</p>
<blockquote><p>“এখনো একেবারেই বিস্ময়কর যে আসলেই পুরো ওয়েবের দুনিয়াকে একটা ছোট্ট হলুদ কেবল <a href="http://twitter.com/search?q=%23seacom">#সিকম</a> দিয়ে ডাউনলোড করা যায়।“ - <a href="http://twitter.com/ncallegari/statuses/2815733071">নেকালিগারি</a> </p></blockquote>
<blockquote><p>“সিকমে সত্যি আজ থেকে চালু হয়েছে। দেখা যাক কতদিন লাগে আইএসপির গতি বাড়িয়ে দাম কমাতে&#8230;” -<a href="http://twitter.com/dnyaga/status/2808617797">দেনায়গা</a></p></blockquote>
<blockquote><p>“ এটা কি শুধু আমি অনুভব করছি নাকি নাইরোবির নেট আজকে আস্তে চলছে <a href="http://twitter.com/search?q=%23seacom">#সিকম</a> চালু হওয়ার পরে? হয়ত বা ব্যান্ডউইথ সমুদ্রের দৃশ্য উপভোগ করছে এখানে আসার আগে!” - <a href="http://twitter.com/mentalacrobatic/statuses/2804058608">মেন্টালঅ্যাক্রোব্যাটিক</a></p></blockquote>
<p>সিকম কেবলের বেশীরভাগ সমালোচনা এর দাম নিয়ে: যদিও কিছু বিশ্লেষক দাবি করছেন যে ব্যান্ডউইথের মূল্য শতকরা ৯০ ভাগ কমে যাবে, আর অন্যরা মনে করছেন যে আসল মূল্য হ্রাস আরো কম হবে। <a href="http://www.kachwanya.com/?p=428">কাচোয়ানিয়া</a> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আদর্শগত ভাবে এই মূল্য ৯০% এর বেশী কমে যাওয়া উচিত। বর্তমানে প্রতি ১ মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের জন্যে আইএসপির মূল্য ৬৫০০ আমেরিকান ডলার। সিকম অনুসারে তারা ৪০০ আমেরিকান ডলার এর মতো নেবে প্রতি ১ মেগাবাইট ব্যান্ডউইথের জন্য। কিন্তু থামেন, এই ক্ষেত্রে যাদু আশা করবেন না। সম্প্রতি ইউইউনেট সিইও টম ওমারিবা দাবি করেছেন যে সাবমেরিন কেবল বর্তমান মূল্যের ২০-৩০ ভাগ মাত্র কমাবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.truekenyan.com/2009/07/23/oh-kenyans-we-have-been-duped-again/">ট্রু কেনিয়ান</a> স্বচ্ছতার ব্যাপারে চিন্তিত:</p>
<blockquote><p>সিকম সোজাসুজি অস্বীকার করেছে আমাদের কাছে জানাতে, ইন্টারনেটের ভোক্তাদের কাছে, কোন আইএসপি তাদের কাছ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনেছে। তাই আমরা এখনো জানি না কোথা থেকে সস্তা আর নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট আমরা কিনতে পারবো&#8230; তাই একমাত্র উপায় আমার কাছে আছে আমার বর্তমান আইএসপি নিয়েই কাজ চালানো। মেশিনের দিকে তাকিয়ে থাকব আর ওটা নিজের গতিতে পাতা লোড করবে আর আমি ভাববো যে একদিন আমাদের স্বপ্ন সত্যি হবে।</p></blockquote>
<p>তাঞ্জানিয়ার ব্লগার <em>ইসা নিচুজির</em> একটা পোস্টের ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে, <em>মাদাউও</em> <a href="http://issamichuzi.blogspot.com/2009/07/jk-azindua-kituo-cha-mkongo-wa-fibre.html">মূল্যের ব্যাপারে চিন্তিত</a>, যদিও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তার উচ্চ আশা আছে:</p>
<blockquote><p>সাবমেরিন কেবলের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু কবে এটা দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়াবে। আমি বলতে চাচ্ছি যে আমাদের যদি ভালো দেশের বাইরে যোগাযোগ থাকে যখন দেশের ভিতরে তা নেই- তারপরেও মূল্য অনেক বেশী হবে আর আমার মতে আমরা সি কেবলের ক্ষমতার কম ব্যবহার করবো। এখনকার জন্য, ভালো হয়েছে! ভবিষ্যৎের জন্য, আমাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে!</p></blockquote>
<p><a href="http://jellyfishcoolman.wordpress.com/2009/07/24/seacom-goes-live/">জেলিফিস</a> মূল্য নিয়ে দুর্ভাবনা ঝেড়ে ফেলেছেন যে স্পিড আর মানের এমন উন্নত সার্ভিসের জন্য মূল্য বৃদ্ধি সাথে সাথে থাকবে। তিনি বলছেন যে সিকমের আগমন সুন্দর একটা ঘটনা:</p>
<blockquote><p>বহুল প্রচারিত একটা অনুষ্ঠানে সিকম সুইচ চালু করেছে যা সাথে সাথে টেরাবাইট ব্যান্ডউইথ ছড়াল আলোর গতিতে ফাইবার অপটিক্সের ভিতর দিয়ে।</p></blockquote>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার <a href="http://twitter.com/akianastasiou/status/2797795511">আকি আনাস্তাসিও</a> বলছেন, ”এটা আমার ল্যাপটপের জন্য ছোট্ট একটা মেগাবাইট, আফ্রিকার জন্য বিশাল একটা টেরাবাইট।“</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/18/5240/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকা: আফ্রিকার সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভি/এইডস সংক্রমণ নিয়ে আলোচনা করছে ব্লগাররা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4649/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4649/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 31 Jul 2009 09:54:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4649</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনহাউটে হাইকু  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
সাব সাহারা অঞ্চলে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে যে আফ্রিকার সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভির হার অনেক বেশি। বিবিসি রিপোর্ট করেছে যে রাষ্ট্র আফ্রিকার সমকামীদের এই উদাসীনতার ও যৌন শিক্ষার অভাবের ব্যপারে অনেক কিছু করতে পারে। যৌন অনুভুতি প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষেত্রে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/haute-haiku/">হাউটে হাইকু</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/23/africa-bloggers-discuss-hivaids-among-gay-african-men/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাব সাহারা অঞ্চলে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে যে আফ্রিকার সমকামী পুরুষদের মধ্যে এইচআইভির হার অনেক বেশি। <a href="http://news.bbc.co.uk/2/low/africa/8158469.stm">বিবিসি রিপোর্ট করেছে</a> যে রাষ্ট্র আফ্রিকার সমকামীদের এই উদাসীনতার ও যৌন শিক্ষার অভাবের ব্যপারে অনেক কিছু করতে পারে। যৌন অনুভুতি প্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষেত্রে এটা পরিস্কার যে পুরুষ সমকামীরা এখনো জাতীয় পর্যায়ে মনোযোগ আর্কষণ করতে পারেনি এবং পুরুষ ও পুরুষে যৌন মিলনের সময় রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে এখনো পুরোপুরি সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। এই বিষয়টি অনেক সমকামী এবং উভকামীদের ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। বিশেষ করে যে সমস্ত পুরুষ মিলনের সময় কোন ধরণের সর্তকতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই পুরুষ ও নারী উভয়ের সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হয় এবং তাদের উভয় ধরণের যৌনসঙ্গী থাকে। এমএসএম বা পুরুষ ও পুরুষে মিলন সমন্ধে জানা খুবই কঠিন। কারন তারা তাদের এই সম্পর্ক প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। তারা এই সর্ম্পকের ফলে যে সমস্যা হতে পারে সে ব্যপারে উদাসীন এবং এখনো তারা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে যেখানে এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন। চলুন আমরা সমকামী বিষয় নিয়ে আফ্রিকান ব্লগারদের দৃষ্টিভঙ্গি সমন্ধে শুনি।  </p>
<p><a href="http://hivinkenya.blogspot.com/2009/07/dont-face-issues-just-criminalize-them.html">সাইমন কলেরি যুক্তি দেখাচ্ছেন</a> যে সমকামীতা প্রতিরোধ আইন যা সমলিঙ্গের মধ্যে যৌন সর্ম্পককে অপরাধ হিসেবে গন্য করবে তা এইচআইভি ছড়িয়ে পড়া রোধ করাকে আরো কঠিন করে তুলবে:  </p>
<blockquote><p>যখন এইচআইভি ছড়ানো কি ভাবে বন্ধ করানো যায় তার কথা আসে, সমলিঙ্গের সর্ম্পককে অপরাধ হিসেবে দেখার কারনে তা প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে পুরুষ ও পুরুষের মধ্য যৌন সর্ম্পকের ক্ষেত্রে। সমকামী পুরুষেরা এইচআইভি রোগে আক্রান্ত হবার ক্ষেত্রে খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং তাদের দ্বারা এই রোগ আরো বেশি পরিমানে ছড়িয়ে পড়তে পারে তাদের চেয়ে যারা এককভাবে উভয়কামী যৌন সর্ম্পকে জড়িয়ে রয়েছে। </p>
<p>এর মানে এই হওয়া উচিত যে পুরুষে পুরুষে যৌন সর্ম্পক নিয়ে কোন লুকোচুরি খেলা উচিত নয়। তাদের যৌনসর্ম্পকের বিষয়টি পরিস্কার ভাবে জানানো উচিত। যদি এই সর্ম্পকের বিষয়টি তারা না জানাতে পারে, এ ক্ষেত্রে পুরুষ সমকামী শ্রেণীর মধ্যে এইচআইভির সংক্রমণের হার কমিয়ে আনার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার জন্য যে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে তা পুরণ করা সম্ভব হবে না। তারা নিজেদের সমকামী পরিচয় লুকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার তাই করবে। পুরুষ সমকামীরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যেতে আগ্রহী হবে না। আইন তাদের আশ্রয় দেবে না। এমনকি তারা বর্তমানে যতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে তখন তারা এর চেয়ে বেশি নাজুক অবস্থার মধ্যে পড়ে যাবে। এটি আরো বিপজ্জনকভাবে এইডস এর রোগ ছড়ানো বন্ধ করার পথে এক বিশাল বাঁধা হয়ে দাড়াবে”।</p></blockquote>
<p>উগান্ডার এইডস কমিশনের ডাইরেক্টর জেনারেলের (ইউএসি) গত বছরের এক বক্তব্য এখানে উদ্ধৃত করা হয়েছে। “পুরুষ সমকামীরা উগান্ডায় এইচআইভি ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু স্বল্প সম্পদের কারণে এই সময়ে আমরা সরাসরি তাদের মাঝে কোন কর্মকান্ড পরিচালিত করতে পারি না”। <a href="http://www.blacklooks.org/2008/06/_ugandan_homosexuals_respond_to_inflammatory_remarks_by_the_director_general_of_the_ugandan_aids_commission.html">উগান্ডা হোমোসেক্সুয়াল এর জবাব দিচ্ছে</a>:</p>
<blockquote><p>* প্রায় ২৬ বছর হলো সেখানে এইচআইভি নামের মহামারি শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত একটি সরকারও উগান্ডার পুরুষ সমকামীদের মধ্যে এই রোগ প্রতিরোধের কোন উদ্যাগ নেয়নি।<br />
* সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এইডস নামের মহামারি শুরু হবার পর থেকেই জানা গেছে যে পুরুষ সমকামীরা এই রোগের ক্ষেত্রে একটি ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়।<br />
ডিরেক্টর জেনারেলের এই বিবৃতি দু:খজনক, তার সাথে উগান্ডার অন্য সব নেতাদের বক্তব্যও, যারা বলেছেন যে পুরুষ সমকামীদের এক দ্বীপে পরিত্যাক্ত অবস্থায় রেখে আসতে হবে, যাতে তারা সেখানে মারা যায় এবং ইউএসির একজন উপদেষ্টা বলেন যে, “আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে যে এইচআইভির বিরুদ্ধে প্রচারে সমকামীদের নিয়ে আসলে তা কেবল তাদের এই অবৈধ এবং অস্বাভাবিক কাজকে বৈধতা দেওয়া হয়”।</p>
<p>আমরা উগান্ডাবাসী। আমরা সমকামী উগান্ডাবাসী।</p>
<p>আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।</p>
<p>আমাদের স্বাস্থ্যবান ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।</p>
<p>এইচআইভি মুক্ত হয়ে আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।</p>
<p>এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আমাদের নিজেদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে, আমাদের প্রেমিক, পরিবার ও সম্প্রদায়কে রক্ষা করার অধিকার রয়েছে।</p>
<p>এইচআইভি রোগ আবিষ্কারের ২৬ বছর পার হয়ে গেছে। পুরুষ সমকামীরা এইচআইভি সমন্ধে প্রচলিত গল্প আর কল্পকাহিনীকে বিশ্বাস করে। অবৈজ্ঞানিক জনশিক্ষা ও সরকার যে সমস্ত প্রচার চালায় তার কারণেই তাদের এই বিশ্বাস তৈরী হয়েছে। এই সমস্ত মিথ্যা সত্বেও আমরা বলি সকল মানুষের পক্ষপতাহীনভাবে প্রতিরোধ, যত্ন, চিকিৎসা এবং সমর্থন দরকার।</p></blockquote>
<p>এখনো আফ্রিকায় পুরুষ সমকামী হওয়া মানে সবার চোখে ঘৃণার পাত্র হওয়া। সংস্কৃতি, ধর্ম এবং মানুষের ঘৃণা, সবকিছুতেই। ব্লগাররা অনুভব করছে যে পুরুষ সমকামীদের মধ্যে এইচআইভি প্রতিরোধ প্রচারণা আরো কার্যকর হওয়া উচিত এবং পুরুষ সমকামীদের খারাপ চোখে দেখাকে অবশ্যই এড়াতে হবে। এতে পুরুষ সমকামী নিজেদের রক্ষা করার ব্যাপারে আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে। সরকার অন্তত চেষ্টা করলে এই লোকগুলোকে অজ্ঞতা থেকে মুক্তি দিতে পারে। </p>
<p><em>সিবাস্পেস</em> <a href="http://afrogay.blogspot.com/2009/07/alarming-africa-male-gay-hiv-rate.html">এই বিষয়ে তার অনুভুতির সারাংশ প্রকাশ করছে</a>:</p>
<blockquote><p>দু:খজনক, এটা বাজে একটা বিষয় যে আফ্রিকার কোন দেশের সরকার এ ব্যাপারে মনোযোগ দেয়নি বা দেবার ইচ্ছাও প্রকাশ করেনি। এটা আসলেই অপরাধ &#8230;.. উচ্চারণ অযোগ্য খারাপ কর্ম।</p></blockquote>
<p><em>গে উগান্ডা</em> অনুভব করে <a href="http://gayuganda.blogspot.com/2009/07/price-we-pay.html">সম্প্রদায়ও সাধারণভাবে এর জন্য মুল্য দিচ্ছে</a>:</p>
<blockquote><p>ঠিকভাবে বললে, পুরো সম্প্রদায় আমাদের সাথে এর জন্য মুল্য দেবে। কাজেই, কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন? মনে হচ্ছে, যদি আমরা আমাদের অভিযোগগুলোও ছুঁড়ে ফেলতে পারতাম।</p></blockquote>
<p>টামাকু কেনিয়ার এক নাগরিক। তিনি একজন পুরুষ সমকামীর দিনপঞ্জি নামের ব্লগ লিখেন। তিনি <a href="http://thegaykenyan.blogspot.com/2009/07/not-bed-of-roses.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p> সাব-সাহারান আফ্রিকায় এইচআইভি তার ধ্বংস সাধন করে যাচ্ছে। সারা বিশ্বের যে কোন এলাকার চেয়ে এখানে এইডস রোগের হার বেশি। এটি আফ্রিকার পুরুষদের এই রোগ দেখা যায়। যায় বিশেষ করে যে সমস্ত পুরুষ আরেকজন পুরুষের সাথে মিলিত হয় তারা এই রোগে আক্রান্ত হয়।</p></blockquote>
<p>অন্যতম এক পাঠক <a href="http://thegaykenyan.blogspot.com/2009/07/not-bed-of-roses.html?showComment=1248081103372#c2880360163883398365">তার পোস্টে মন্তব্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>দুভার্গ্যজনকভাবে আফ্রিকার সাব-সাহারার দেশগুলোতে এইচআইভি প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরালোভাবে সংখ্যাগরিষ্ট উভকামীদের মধ্যে বেশী চালানো হয। কিছুদিন আগ পর্যন্ত অল্প সংখ্যক সমকামী পুরুষ বিশ্বাস করতো যে, এই রোগ কেবলমাত্র পুরুষ ও মহিলার মিলনেই হয়। পুরুষ তার পুরুষ সঙ্গীদের সাথে কোন ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া মিলিত হয় এবং এই ধরণের পুরুষ কেবল একজন মহিলার সাথে মিলিত হত (সম্ভবত তাদের স্ত্রী)। তাই তারা বিশ্বাস করতো যৌন জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সবকিছু ঠিক আছে।</p>
<p>এই ভাইরাস প্রচণ্ড সুযোগ সন্ধানী, যা একবার সুযোগ পেলেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে এবং পায়ু পথে তার প্রবেশ ঘটে থাকে, যেখান দিয়ে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।</p></blockquote>
<p>আফ্রিকার সমকামীদের কঠিন অবস্থার কথা তুলে ধরে <a href="http://madikazemi.blogspot.com/">দি এলজিবিটি এ্যাসাইলাম</a> একটি প্রবন্ধ পোস্ট করছে, যার লেখক <em>এডওয়ার্ড কুওরো</em>। এর শিরোনাম <a href="http://madikazemi.blogspot.com/2009/07/activists-petition-un-over-violation-of.html">“তানজানিয়ায় পুরষ সমকামীদের অধিকার লংঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের কাছে এ্যাকটিভিস্টের দরখাস্ত” </a>:</p>
<blockquote><p>মানবাধিকার প্রচার কর্মীরা জাতি সংঘের কাছে এক তথ্য জমা দিয়েছে। তারা তানজানিয়ার বিরুদ্ধে এক অভিযোগ করেছে যে, দেশটি  মহিলা  ও পুরুষ সমকামী, উভলিঙ্গ ও লিঙ্গ পরিবর্তন (এলজিবিটি) ব্যক্তিদের অধিকার লংঘন করছে।</p>
<p>এই রিপোর্ট এ মাসেই জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে তুলে ধরা হয়েছে সামাজিক ও আইনগত বাঁধাগুলো। এই সমস্ত বিষয় এই সম্প্রদায়ের অধিকার অর্জনে জটিলতা সৃষ্টি করে, এক ধরনের সামাজিক সর্ম্পকের মাধ্যমে।</p>
<p>এই রিপোর্ট তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দ্বারা পুরণ করা হয়েছে: দি সেন্টার অফ হিউম্যান রাইটস প্রমোশন অফ ইস্ট আফ্রিকা, ইন্টারন্যাশনাল লেসবিয়ান এন্ড গে হিউম্যান রাইটস কমিশন, দি গ্লোবাল রাইটস।</p></blockquote>
<p><em>টামাকু</em> <a href="http://thegaykenyan.blogspot.com/">তার ব্লগে</a> তিন মাস ধরে এক জরীপের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি পাঠকদের জিজ্ঞেস করেছেন কেনিয়ায় সমাকামীতাকে নিরপরাধ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হবে কি না। ৪১ শতাংশ লোক বলেছে না, এবং ২৮ শতাংশ লোক অনুভব করে কেনিয়ায় সমকামীতার কোন স্থান নেই। <a href="http://thegaykenyan.blogspot.com/2009/06/gay-community-and-government-in-uneasy.html">তার ব্লগের এক পোস্টে</a> দেখা যাচ্ছে ৯৬% জন সমকামীতার বিপক্ষে। </p>
<blockquote><p>যাইহোক এ ব্যাপারে যে জনতার বৈরিতা রয়েছে যা এক সত্য। ২০০৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে যে ৯৬ শতাংশ সাড়া প্রদানকারী অনুভব করেন যে সমকামীতা তাদের বিশ্বাসের প্রতি অপমান।</p></blockquote>
<p>অনেক তরুণ সমকামী তাদের এই পরিচয়ের কারনে গর্বিত। তারা নিজেদের কথা বলেছ এবং তারা সমকামী পুরুষদের আর্দশ হবার জন্য যা নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে চায়। <em>আফ্রোগে</em> একজন নাইজেরিয়ান। বর্তমানে তিনি আমেরিকায় বাস করছেন। তিনি <a href="http://africangayexperience.blogspot.com/2009/07/what-i-seek.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এখন নতুন প্রজন্ম এমন এক জগতে বাস করছে যা প্রচার মাধ্যম তাদের দিয়েছে। পুরুষ সমকামীতা কি এই? এর উত্তর হলো না, সেখানে কালো পুরুষ সমকামী রয়েছে যারা কিছু ভালো আর্দশ রয়েছে। কেউ এর বাইরে কেউ বা নয়। এই সমস্ত বৃদ্ধলোকরা অবশ্যই তরুণদের শিক্ষক হতে পারে এবং তাদের কাছ থেকে সবাই কেবল যৌনতা চাইবে না। ইতিবাচক ভাবে তারা তরুণদের উৎসাহ দেবে যাতে তারা তাদের প্রতিভা গড়ে নেয় এবং একে একটা বিশেষ উদ্দেশ্য ব্যবহার করে।</p>
<p>একজন তরুণ আফ্রিকান আমেরিকান পুরুষ হিসেবে আমি যা অন্বেষণ করছি তা হলো, একজন গুরু, একজন আর্দশ পুরুষ, আমি খুঁজছি এমন একজনকে যে এক তরুণ পুরুষ সমকামীর যত্ন নিতে পারবে ও তাকে শিক্ষা দিতে পারবে।</p>
<p>কেউ একজন আছেন কি?</p></blockquote>
<p><a href="http://gaylifekenya.blogspot.com/2009/07/hiv-on-down-low-myth-reality.html">গোপনীয়তায় এইচআইভি: কথন এবং বাস্তবতা?</a>:</p>
<blockquote><p>আমি মনে করি, আমরা এক বিপজ্জনক অবস্থানে রয়েছি। যখন লোকজন স্বাকীর করতে অস্বীকার করে যে ভিন্ন ধরনের যৌন ভাবনার মানুষও রয়েছে এবং এভাবে তারা বাস করে! তখন এই বিষয়টি লোকজনকে (কিছু) বিষয় গোপন রাখতে বাধ্য করে। </p>
<p>জনগণ যে বিষয়টি উপলদ্ধি করতে ব্যর্থ হয়, তা হলো সমকামী পুরুষেরাও সামাজিক মানুষ। তারাও সারা পৃথিবীর অন্য সকল মানুষের মতো। তারা ভালোবাসতে চায় এবং ভালেবাসা পেতে চায় এবং তারা শারিরীক আনন্দ ও তৃপ্তির মধ্য যুক্ত হয়, কাজেই আপনি যদি তাদের জোর করে বিস্মৃত করে ফেলেন এবং তাদের যৌন কর্মকান্ডকে লুকাতে বাধ্য করেন বিষয়টি এ ধরণের লোকজনের ক্ষেত্রে যৌনতার হিসেবকে এক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেবে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4649/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কেনিয়া: পৃথিবী বিখ্যাত মহিলা গোত্রপ্রধান হাতি এ্যাম্বোসেলিতে মারা গেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/31/3153/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/31/3153/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 31 May 2009 17:37:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3153</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনস্যামুয়েল মাইনা  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
পৃথিবী বিখ্যাত এ্যাম্বোসেলি ন্যাশনাল পাকের্র মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের মাদি হাতি ইকো মারা গেছে। এ্যাম্বোসেলি ট্রাস্ট ফর এলিফেন্ট (এটিই)বিশ্বাস করে যে ইকোর মৃত্যু তার বয়স এবং এই এলাকায় চলা তিন বছর ধরে চলা খরার ফল। তিন বছর ধরে চলা একটানা অনাবৃষ্টি কেনিয়ার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/samuel-maina/">স্যামুয়েল মাইনা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/10/kenya-world-renowned-elephant-matriarch-dies-in-amboseli/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_3253" class="wp-caption alignright" style="width: 160px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/05/echo_gras_righ_500wt2-300x267.jpg" alt="ইকো যাকে ভোলা যায় না " title="echo_gras_righ_500wt2" width="150" class="size-medium wp-image-3253" /><p class="wp-caption-text">ইকো যাকে ভোলা যায় না </p></div><br />
পৃথিবী বিখ্যাত <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Amboseli_National_Park">এ্যাম্বোসেলি ন্যাশনাল পাকের্র</a> মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের মাদি হাতি ইকো মারা গেছে। <a href="http://www.elephanttrust.org/">এ্যাম্বোসেলি ট্রাস্ট ফর এলিফেন্ট (এটিই)</a>বিশ্বাস করে যে ইকোর মৃত্যু তার বয়স এবং এই এলাকায় চলা তিন বছর ধরে চলা খরার ফল। তিন বছর ধরে চলা একটানা অনাবৃষ্টি কেনিয়ার বন্য প্রাণী সংরক্ষন এলাকাকে শুস্ক করে ফলেছে এবং সেখানে সামান্য খাদ্য অবশিষ্ট রয়েছে।</p>
<p>ইকো রোবারার ৩ মে ২০০৯ তারিখে দুপুর ২টায় মৃত্যুবরণ করে। শনিবার সকালে সে শেষ শয্যায় আশ্রয় নেয় এবং ২৪ ঘন্টা এভাবে অতিবাহিত করে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি। ইকোর মৃত্যু সংবাদ শোনার সময় সিনথিয়া মস তহবিল বাড়ানোর জন্য আমেরিকা ভ্রমণের এক পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি <a href="http://wildlifedirect.org/">ওয়ার্ল্ডলাইফডিরেক্টকে</a> ৪ মে সোমবারে জানান তিনি আমেরিকার সফর স্থগিত করেছেন এবং এসটিএর শোকার্ত সদস্যদের সাথে সময় কাটানোর জন্য কেনিয়া যাচ্ছেন বিষয়টি দেখার জন্য যে ইকোর পরিবার এই মৃত্যুশোক কি ভাবে কাটিয়ে উঠে। </p>
<p>১৯৭৩ সালে মস ইকোকে প্রথম আবিস্কার করে। সে সময় এই হাতি পরিবারে সাতজন সদস্য ছিল। তার মৃত্যুর সময় ঠিক ৩৬ বছর পরে ইকো ৪০টি হাতির এক পরিবারের নেত্রী হয়েছিল। তারা রাজকীয় পাহাড় কিলমানজারোর ছায়ায় এ্যাম্বোসেলি সমভুমিতে ঘুরে বেড়াতো। </p>
<p>ইকো ছিল সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত বন্যহাতি। বিশেষ করে বিভিন্ন ছবিতে অভিনয়ের পর তার খ্যাতি বেড়ে যায়। ইকো অভিনীত ছবির মধ্যে রয়েছে তার প্রথম ছবি যেটি ছিল বিবিসির ন্যাচারাল হিস্ট্রির তোলা এবং সেখানে ধারাবর্ণনায় ছিলেন বিখ্যাত হাতি গবেষক সিনথিয়া মস। এই ছবির ক্যামেরায় ছিলেন বিবিসির মার্টেন কোলব্যাক। ইকো ধারাবাহিকভাবে তিনটি ছবিতে অভিনয় করে যা ইকো ট্রিলজি নামে জনপ্রিয় হয়। </p>
<p>ইকো ট্রিলজির মধ্যে ছিল ইকো অফ দি এলিফেন্ট (১৯৯৩, ইকো অফ দি এলিফেন্ট: দি নেক্সট জেনারেশন(১৯৯৬) এবং খুব সম্প্রতি তোলা ছবি ইকো দি এলিফেন্ট: ফাইনাল চ্যাপ্টার(২০০৫)। সম্প্রতি ইকোকে দেখা গেছে মার্টিন কোলব্যাকের কাজে যার নাম এন আই ফর এন এলিফেন্ট বা একটি হাতির জন্য একটি চোখ। মসের মতে ইকোকে হারানো হাতি পরিবারের জন্য বিরক্তির কারন হতে পারে। </p>
<blockquote><p>এটি হতে পারে সকলের জন্য, তবে তার বোন এলার জন্য বিশেষ ক্ষতি কারন ইকো ছিল তাদের একমাত্র নেত্রী যাকে তারা জানতো।</p></blockquote>
<p><a href="http://amboselielephants.wildlifedirect.org/2009/05/04/death-of-echo/"><br />
 ওয়ার্ল্ডলাইফডিরেক্ট এর সাথে এক যোগাযোগের</a> সময় মস এ কথা বলেন। তিনি তা এটিই ওয়েবসাইটে পোস্টও করেছেন। মস পর্যবেক্ষণ করছেন কিভাবে হাতিরা কেনিয়ার এ্যাম্বোসেলির এই দুযোর্গ সামাল দেয়। </p>
<p>মস বলেন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও ইকোর অনেক বড় অবদান ছিল।</p>
<blockquote><p>আমাদের এ্যাম্বোসেলি গবেষনা প্রজেক্টের জন্য সে অনেক মুল্যবান বিষয় ছিল। হাতিদের আচরন, যোগাযোগ, সামাজিক সর্ম্পক এবং বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য সরবরাহ করে ইকো গবেষনায় অনেক অবদান রেখেছে। কিন্তু ইকো কেবল একটি গবেষণার প্রজেক্ট ছিল না, ছিল তারচেয়ে বেশী। সে আমাদের প্রতিদিন আনন্দ আর বিস্ময় দিয়ে ভরিয়ে দিত।</p></blockquote>
</div>
<p><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/eYOo22bgD8s&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/eYOo22bgD8s&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>যারা ইকোকে জানতো তাদের জন্য এটা এক অপুরণীয় ক্ষতি। ডা: পাওলা কাহুমভু <a href="http://baraza.wildlifedirect.org/2009/05/04/light-a-candle-for-echo/">বারজা </a>ব্লগে পাঠকদের অনুরোধ করেছেন এই চমৎকার হাতি মায়ের জন্য একটি মোমবাতি জ্বালাতে। জয়েস পুল এবং পিটার গ্রানিল সেই মুহুর্তটি স্মরণ করেছেন যখন তারা হাতির স্বর গবেষণা করার জন্য ইকোর সাথে ছিলেন। তারা তাদের এই ঘটনা তাদের <a href="http://elephantvoices.wildlifedirect.org/2009/05/04/matriarch-and-world-renown-echo-dies/">ব্লগ এ্যাট এলিফেন্ট ভয়েসে</a> তুলে দিয়েছেন।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/31/3153/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কুয়েত: অলিম্পিকে ক্রয় ক্ষমতা প্রর্দশন।</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2699/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2699/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 07 May 2009 20:51:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইথিওপিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[বাহরাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2699</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনতারেক আমার  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আরবেরা যা করতে সত্যিই ভালোবাসে তা হলো কেনাকাটা। তারা ঘন্টার পর ঘন্টা বিপনী বিতান বা শপিং মলে কাটায়। গত বছরে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে তারা তাদের কেনাকাটার দক্ষতা দেখাতে চেয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অলিম্পিক গেমসে কেনাকাটা নামের কোন খেলা ছিল না, কিন্তু তাতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tarek-amr/">তারেক আমার</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/08/27/kuwait-parading-purchases-at-the-olympics/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আরবেরা যা করতে সত্যিই ভালোবাসে তা হলো কেনাকাটা। তারা ঘন্টার পর ঘন্টা বিপনী বিতান বা শপিং মলে কাটায়। গত বছরে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে তারা তাদের কেনাকাটার দক্ষতা দেখাতে চেয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত অলিম্পিক গেমসে কেনাকাটা নামের কোন খেলা ছিল না, কিন্তু তাতে আরবদের ক্রয়ক্ষমতার দক্ষতা দেখানো বন্ধ করা যায়নি। </p>
<p><em>কুয়েতিজম</em> অলিম্পিকে কেনাকাটার একটা ছবি <a href="http://www.kuwaitism.com/2008/08/24/%D8%A7%D9%84%D8%AD%D8%B6%D9%88%D8%B1-%D8%A7%D9%84%D8%AE%D9%84%D9%8A%D8%AC%D9%8A-%D8%A8%D8%A7%D9%84%D8%A3%D9%88%D9%84%D9%85%D8%A8%D9%8A%D8%A7%D8%AF/">এখানে </a>এঁকেছেন (আরবী ভাষায়): </p>
<blockquote><div class="arabic">
حبيت آخذ هالفرصة لشكر بعض ممثلينا العرب –<br />
سامويل فرانسيس (قطر)<br />
جايمس كواليا كوكوروي (قطر)<br />
فيلكس كيكواي كيبوري (قطر)<br />
سلطان زمان (قطر) الإسم الأصلي أونيسفور نكونزيمانا (بوروندي)<br />
جمال سالم (قطر) الإسم الأصلي توماس كاتيو (كينيا)<br />
دهام بشير (قطر) الإسم الأصلي دايفيد إينياغا (كينيا)<br />
عيسى راشد (قطر) الإسم الأصلي دانييل كيبكوسكي (كينيا)<br />
جابر سالم (قطر) الإسم الأصلي ياني مارشوكوف (بلغاريا) – حول جنسيته بـ1,000,000 دولار عام 2000.<br />
مبارك شامي (قطر) الإسم الأصلي ريتشارد ياتيتش (كينيا)<br />
أحمد حسن عبدالله (قطر) الإسم الأصلي ألبرت تشيبكوروي (كينيا)<br />
بلال منصور علي (بحرين) الإسم الأصلي جون ييكو (كينيا)<br />
مريم يوسف جمال (بحرين) الإسم الأصلي زينيبيش تولا (أثيوبيا)<br />
نادية الجافني (بحرين) الأصل مغربية<br />
يوسف سعد كامل (بحرين) الأصل غريغوري كونشيلا (كينيا)<br />
آدم اسماعيل خميس (بحرين) الأصل هوسيا كوسغي (كينيا)<br />
حسن محبوب (بحرين) الأصل سايلاس كيروي (كينيا)<br />
رشيد رمزي (بحرين) الأصل مغربي<br />
ناصر سعيد (بحرين) الأصل ستيفان لورو كامار (كينيا)<br />
طارق مبارك طاهر (بحرين) الأصل دينيس كيبكوروي سانغ (كينيا)<br />
محمد عبدالله زكريا (بحرين) الأصل مغربي<br />
قطر و البحرين مثلهما 11 كيني 3 مغربيين 1 بوروندي 1 أثيوبي 1 بلغاري 3 غير معروف من أفريقيا</div>
</blockquote>
<div class="translation"> আমি এবারের অলিম্পিক গেমসে আমাদের আরব প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ দেবার সুযোগ নিতে চাই। </p>
<p>(প্রথম দেশে খেলোয়াড় নাগরিকত্ব নিয়েছে, আর পরের দেশটি ছিল তার আদিবাস)</p>
<p>স্যামুয়েল এ ফ্রান্সিস (কাতার) {নাইজেরিয়া}<br />
জেমস কাওয়ালিয়া সৈকুরি (কাতার) {কেনিয়া}<br />
ফেলিক্স কিকওয়াই কিবরো( কাতার) {কেনিয়া}<br />
সুলতান জামান (কাতার)-  জন্মের সময় নাম ছিল ওনেসেফারো নাকুনজিমাসা (বুরুন্ডী)<br />
গামাল সালেম (কাতার)- জন্মের সময় নাম ছিল থমাস কাটুয়াই (কেনিয়া)<br />
দাহাম বশির (কাতার) - জন্মের সময় নাম ছিল ডেভিড নায়াগা (কেনিয়া)<br />
ইসা ইসমাইল রাশেদ (কাতার)- জন্মের সময় নাম ছিল ড্যানিয়েল কিপকোসেগি (কেনিয়া)<br />
জাবের সাইদ সালেম (কাতার)- জন্মের সময় নাম ছিল ইয়ানি মারচেকোভ (বুলগেরিয়া) ২০০০ সালে তিনি তার জাতীয়তা বদলানোর জন্য ১০০,০০০ ডলার নিয়েছিল।<br />
মুবারক হাসান সামি (কাতার)- জন্মের সময় নাম ছিল রিচার্ড ইয়াচি (কেনিয়া)<br />
আহমদে হাসান আবদুল্লাহ (কাতার)- জন্মের সময় নাম ছিল ছিল আলবার্ট চেপকুরুই (কেনিয়া)<br />
বিল্লাল মনসুর আলি (বাহরাইন)- জন্মের সময় নাম ছিল জন বিকো (কেনিয়া)<br />
জামাল মরিয়াম ইউসুফ (বাহরাইন)- জন্মের সময় নাম জেনাবেক টোলা (কেনিয়া)<br />
নাদিয়া এজিয়াফিনি (বাহারাইন/ মরোক্কো)<br />
ইউসুফ সাদ কামাল (বাহরাইন) -জন্মের সময় নাম ছিল গ্রেগরি কনচেল্লাহ (কেনিয়া)<br />
আদম ইসামাইল খামিস (বাহরাইন)&#8212;জন্ম হোয়েসা কাসোগি (কেনিয়া)<br />
হাসান মাহবুব (বাহরাইন)&#8212;-জন্মর সময় নাম ছিল সাইলাস কিরুই (কেনিয়া)<br />
রাশিদ রামজী (বাহরাইন/ মরোক্কো)<br />
নাসার সাকার সাইদ (বাহরাইন) জন্মের সময় নাম ছিল স্টিফেন লারুও কামার (কেনিয়া)<br />
তারেক মুবারক তাহার (বাহরাইন)&#8212; জন্মের সময় নাম ছিল কিপকুরুই কেতার(কেনিয়া)<br />
মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাকারিয়া (বাহরাইন/ মরোক্কো)<br />
সংক্ষেপে কাতার এবং বাহরাইন তাদের দলে কেনিয়া থেকে ১১ জন, মরোক্কো থেকে ৩ জন, বুরুন্ডি থেকে ১ জন, ইথিওপিয়া থেকে ১ জন, বুলগেরিয়া থেকে ১ জন, এবং অন্যান এলাকা থেকে ৩ জনকে দলে ভিড়িয়েছিল।</p></div>
<p>সামনের অলিম্পিকে তারা আরো কেনাকাটা করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2699/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিংহদের বিষ প্রয়োগ করায় কেনিয়ার বাজার থেকে ফুরাডান উঠিয়ে নিয়েছে এফএমসি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/05/2195/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/05/2195/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2009 23:30:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2195</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনস্যামুয়েল মাইনা  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আমেরিকার রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান এফএমসি তাদের কীটনাশক মারা ওষুধ ফুরাডান কেনিয়া থেকে উঠিয়ে নিয়েছে। তারা এই কাজটি করে তখন, যখন সিবিএস নামক সংবাদ সংস্থা &#8216;সিক্সটি মিনিট’ (৬০ মিনিট) নামের এক তথ্যচিত্র তাদের চ্যানেলে প্রচারিত করে। এই তথ্যচিত্রে বিস্তারিত ভাবে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/samuel-maina/">স্যামুয়েল মাইনা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/02/lion-poisoning-causes-fmc-to-withdraw-furadan-from-kenya-market/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/poisonedlionmara-300x208.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/poisonedlionmara-300x208.jpg" title="২০০৮ সালে বিষ দিয়ে হত্যা করা একটি সিংহ" class="alignright" width="300" height="208" /></a>আমেরিকার রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.furadanfacts.com/whoWeAre.aspx">এফএমসি</a> তাদের কীটনাশক মারা ওষুধ <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Carbofuran">ফুরাডান</a> কেনিয়া থেকে উঠিয়ে নিয়েছে। তারা এই কাজটি করে তখন, যখন সিবিএস নামক সংবাদ সংস্থা &#8216;সিক্সটি মিনিট’ (৬০ মিনিট) নামের এক তথ্যচিত্র <a href="http://www.cbsnews.com/stories/2009/03/26/60minutes/main4894945.shtml">তাদের চ্যানেলে প্রচারিত করে</a>। এই তথ্যচিত্রে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে কিভাবে কেনিয়ায় সিংহ মারা কাজে প্রধান উপাদান হিসেবে ফুরাডান নামের কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কেনিয়ার পশুপালকরা এই কীটনাশক সিংহর শরীরে বিষ প্রয়োগের কাজে ব্যবহার করছে। এইসব পশুপালকদের সন্দেহ তাদের পশু হত্যার পেছনে সিংহরাই দায়ী। মাসাই মারা ন্যাশনাল সংরক্ষিত পার্কের আশেপাশে এই ঘটনা ঘটছে। </p>
<p>বারাজা ব্লগের পুরো প্রেস রিলিজ  ডা: পাওলা কাহুমবু <a href="http://baraza.wildlifedirect.org/2009/04/02/fmc-response-to-furadan-poisoning/">এখানে প্রকাশ করেছেন</a> এবং WildlifeDirect.org (ওয়াইল্ডলাইফডিরেক্টডটওআরজি) সাইটে <em>মার্টিন ওডিনো</em> তার <a href="http://stopwildlifepoisoning.wildlifedirect.org/">‘ষ্টপ ওয়াল্ডলাইফ পয়েজনিং’</a> (‘বন্যপ্রানীদের বিষ প্রয়োগ বন্ধ কর’) নামক ব্লগে ধারাবাহিকভাবে ফুরাডানের অপব্যবহার তুলে ধরেছে। এর মধ্যে দিয়ে জানা যাচ্ছে যে সকল ধরনের বন্যপ্রাণী মারার কাজে এই কীটনাশক ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>২০০৯, মার্চের ২৯ তারিখে এফএমসি একটি বিবৃতি প্রদান করেছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এই কীটনাশক যা কৃষিকাজে ব্যবহার হওয়ার কথা তথ্যচিত্রে তার যে অপব্যহার দেখানো হয়েছে কোম্পানীটি ঘটনা স্বীকার করেছে এবং এর নিন্দা করেছে।  </p>
<blockquote><p>এফএমসি জোরালোভাবে স্বীকার করেছে তাদের এই কীটনাশক বন্যপ্রানী হত্যার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং তারা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সমন্ধে সচেতন। </p></blockquote>
<p>এক বিবৃতিতে এফএমসি কিছু বিশেষ তথ্য প্রকাশ করে। এতে তারা জানায় ফুরাডানের অপব্যবহার যাতে কমে আসে তার জন্য বেশ কয়েকটি উদ্যোগ তারা নিয়েছিল, যার মধ্যে ছিল:</p>
<ul>
<li>মে ২০০৮ এর একটি দুর্ঘটনার কথা জানার পর তারা কেনিয়ায় তৎক্ষণাৎ ফুরডানের সকল প্রকার বিক্রি বন্ধ করে দেয়।</li>
<li>এরপর তারা ফুরাডানের সকল দ্রব্য কিনে ফেলার এক উদ্যোগ নেয় যাতে বাজারে আর ফুরাডানের অস্তিত্ব না থাকে।</li>
<li> তারা সংরক্ষণবাদীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ তৈরী করে যাতে তারা জানাতে পারে যে সিংহকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে।</li>
</ul>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/05/2195/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কেনিয়া: জাহাজের কন্টেইনারে অফিস বানানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/25/2066/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/25/2066/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Mar 2009 23:10:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2066</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনএনদেসান্জো মাচা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আফ্রোমিউজিং ব্লগ কেনিয়ার গ্রামাঞ্চলের একটি প্রকল্পের কথা বলছে যারা জাহাজের কন্টেইনারকে ব্যবহারযোগ্য অফিস হিসেবে পরিণত করছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/ndesanjo-macha/">এনদেসান্জো মাচা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/25/kenya-turning-shipping-containers-into-offices/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em><a href="http://afromusing.com/2009/03/24/repurpose-converted-shipping-containers/">আফ্রোমিউজিং</a></em> ব্লগ কেনিয়ার গ্রামাঞ্চলের একটি প্রকল্পের কথা বলছে যারা জাহাজের কন্টেইনারকে ব্যবহারযোগ্য অফিস হিসেবে পরিণত করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/25/2066/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
