<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; সাব সাহারান আফ্রিকা</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/sub-saharan-africa/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>অ্যাঙ্গোলা: লুয়াণ্ডাতে মাত্রাতিরিক্ত জীবনযাত্রার ব্যয়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2009 09:28:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আ্যান্গোলা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7553</guid>
		<description><![CDATA[লুয়ান্ডার উচ্চ জীবনযাত্রার মূল্য খুবই স্ববিরোধী: অ্যাঙ্গোলার উচ্চ হারের উন্নয়ন সূচক বেশীরভাগ দেশের নাগরিকদের ক্রয় সামর্থে প্রতিফলিত হয় না এবং কতিপয় ধনী ছাড়া বাকীদের জীবন যাত্রার মানে কোন উন্নয়ন দেখা যায় না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/clara-onofre/">ক্লারা অনোফ্রে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/angola-the-high-cost-of-living-in-luanda/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অ্যাঙ্গোলার রাজধানী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Luanda">লুয়াণ্ডা</a> হচ্ছে খুব ব্যয়বহুল এক শহর - অ্যাঙ্গোলাবাসী আর বিদেশী সবার জন্য। আপনি এখানের বাসিন্দা হলে নিশ্চয় জানেন সেটা। সাধারণ জিনিষ যেমন খাদ্য, শিক্ষা আর বাসস্থান কিছু ইউরোপীয় দেশের সমান রাখা হয়েছে। আসল পার্থক্য হচ্ছে অ্যাঙ্গোলার বেতন তাদের ইউরোপীয় দিকের সাথে তুলনা করলে হাস্যকর, যার কারনে প্রতিদিনের সাধারণ চাহিদা মেটাতে অনেকের সংগ্রাম করতে হয়।</p>
<p>অবশ্যই এই যুদ্ধ যাদের অর্থ আছে তাদের লড়তে হয় না। এরা জানা অজানা কারনে এমন সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রক্ষিত যা যে কোন মানুষকে ঈর্ষান্বিত করবে। ফেব্রুয়ারীতে ব্রিটিশ কোম্পানি এসিএ ইন্টারন্যাশানলের একটি জরিপ অনুসারে- <a href="http://www.citymayors.com/statistics/expensive-cities-intro.html">বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের মধ্যে লুয়াণ্ডা প্রথমে</a> আছে।</p>
<p><em>মিগুয়েল কাক্সিয়াক্স</em> তার ব্লগ <em>মুন্দো দা ভেরদাদেতে</em> <a href="http://mundodaverdade.blogspot.com/2007/05/o-nvel-de-vida-em-luanda.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Só para terem uma ideia, o custo por noite no hotel em que estou é de 170 USD (quarto individual, com casa de banho e pequeno-almoço mesmo muito sofrível). Estamos a falar de um hotel que deve ter se tanto, duas estrelas. Para um europeu, não só por costumes alimentícios mas também por costumes de segurança, não se arrisca a comer em qualquer botequim de esquina, obviamente. No restaurante onde temos feito as nossas refeições, o custo médio de uma dose é de 30USD (junte-se a isso bebida, sobremesa, entradas e o preço salta logo para 40/45 USD de despesa individual).</p>
<p>    Luanda está numa fase de construção massiva. Junto à Marginal existem apartamentos a 1 milhão de USD. Estão todos vendidos!!!”</p></blockquote>
<div class="translation">“আপনাদের কেবল ধারণা দেয়ার জন্য, আমি যে হোটেলে আছি সেখানে এক রাতের ভারা ১৭০ আমেরিকান ডলার (সিঙ্গেল রুম, বাথরুমসহ, আর বেশ খারাপ নাস্তা)। খুব বেশি হলে, আমরা দুই তারকা হোটেলের কথা বলছি। তবে একজন ইউরোপীয়ানের জন্য কেবলমাত্র খাওয়ার ধরণই না, বরং নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বাইরের রেস্টুরেন্টে খাওয়ার ঝুঁকি নেই না, স্পষ্টভাবেই। যে রেস্টুরেন্টে আমরা প্রায় যাই, এক বেলা খাবারের গড় মূল্য ৩০ আমেরিকান ডলার (এর সাথে পানীয়, মিষ্টি আর প্রারম্ভিক খাবার যোগ করলে মূল্য ৪০/৪৫ আমেরিকান ডলার পর্যন্ত উঠে যায় প্রতি জনের জন্য)।</p>
<p>লুয়ান্ডাতে অনেক নির্মাণ কাজ হচ্ছে। মার্জিনাল (সমুদ্রের কাছের এলাকা) এর কাছে কিছু এপার্টমেন্ট এর মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ মার্কিন ডলার। আর এগুলো সব বিক্রি হয়ে গেছে!!!”</p></div>
<p>দেশের উচ্চ জীবন যাপনের খরচ স্ব-বিরোধী, যেহেতু এটা উচ্চমানের জীবনের সাথে সম্পর্কিত না, অন্তত যারা অর্থনৈতিক ভাবে আরো অনেক নীচু স্তরে আছে তাদের তুলনায়। অ্যাঙ্গোলা উচ্চ উন্নয়নের হার দেখায়, যা দূর্ভাগ্যজনকভাবে বেশীরভাগ অ্যাঙ্গোলার নাগরিকের অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয় না। প্রচুর চাহিদা স্বল্প সরবরাহের সাথে মিলিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে দেয়।</p>
<p>ব্লগ <em>দিয়ারিও দে আফ্রিকার</em> ব্রাজিলের লেখক অ্যাঙ্গোলাতে কি হয় তার <a href="http://diariodaafrica.blogspot.com/2009/02/os-precos-em-angola.html">একটা দ্রুত ব্যাখ্যা দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Não são apenas os alugueres (habitação) que custam caro. Tudo é caríssimo. Um quilo de tomate pode sair por 20 USD. Uma bandeja de uvas pode custar 30 USD o quilo. Um bife com batatas fritas pode custar facilmente, 50 dólares. Um cano furado pode sair por 1000.000 USD. Tapar um pequeno furo na tubulação do ar-condicionado do carro e colocar o gás para enfrentarmos o calor luandense custa 200 USD.</p>
<p>    Precisa de electricista? Ele não vai sair da sua casa sem ter tirado pelo menos 100 USD de você. Mesmo que só tenha trocado uma lâmpada. Porque é tudo tão caro?”</p></blockquote>
<div class="translation">“কেবলমাত্র বাড়ি ভাড়া না যার দাম বেশী। সব কিছুই দামী। এক কিলো টমেটো ২০ আমেরিকান ডলারে বিক্রি হতে পারে। এক ট্রে আঙ্গুর ৩০ আমেরিকান ডলার কিলোতে বিক্রি হতে পারে। এক টুকরো গরুর মাংস আলু ভাজাসহ খুব সহজেই ৫০ আমেরিকান ডলার দাম হতে পারে। একটা পাইপ ফুটো হলে আপনার ১০০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে। গাড়ির এয়ার কান্ডিশনিং পাইপে ছোট একটা ফুটো ঝালাই করে গ্যাস ভরা যাতে লুয়ান্ডার গরমের সাথে পাল্লা দেয়া যায় - তার জন্যে ২০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে।</p>
<p>বিদ্যুৎের মিস্ত্রী দরকার? সে তার বাড়ি থেকে বেরুবে না আপনার কাছ থেকে অন্তত ১০০ ডলার না পেলে। যদি সেটা একটি বাল্ব পাল্টানোর জন্যও হয়। কেন সব কিছু এত ব্যয়বহুল?”</p></div>
<p>এই ব্লগার অনুসারে, এর উত্তর সহজ আর যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করে যা এই দেশ থেকে ৩০ বছরের বেশী উন্নয়নকে চুরি করে নিয়েছে।</p>
<blockquote><p> “O atabalhoado processo de independência e a guerra acabaram com tudo. Primeiro, a independência. Em 1975, pelo menos 300 mil portugueses abandonaram Angola. Médicos, dentistas, advogados, empresários, encanadores, mecânicos, burocratas, professores. Em questão de meses, Angola ficou sem quadros. Não havia quem soubesse gerenciar as finanças do país. Depois a guerra. O esforço de guerra sugou o dinheiro que deveria ser investido na saúde, na educação, nas infra-estruturas do país. Agora multiplique essa situação por 30 anos. O resultado chama-se Luanda.</p>
<p>    Com a alta no preço do petróleo nos últimos anos, os fretes subiram e por tabela, o de todos os produtos. Chegou-se a uma situação tal que mesmo os itens produzidos em Angola podem custar mais que os importados. Porquê? Os economistas que me corrijam, mas parece ter algo a ver com a tal lei da oferta e da procura. Quem quer agora, tem de pagar mais.”</p>
<p>    O país não tem indústrias. Tudo é importado. Vem de navio. No porto, não há espaço. Os navios ficam dois, três meses atracados em alto-mar, aguardando autorização para descarregar. Só agora é que a agricultura começa a dar os primeiros passos. Mas só nas áreas em que não há minas terrestres. O último número que ouvi era de que mais da metade das terras cultiváveis do país estava cheia de minas. Enquanto o terreno não estiver limpo, nada feito. Portanto, até a comida precisar ser importada.</p></blockquote>
<div class="translation">“স্বাধীনতার জন্য কষ্টকর সংগ্রাম যার পরে যুদ্ধ হল তার ফলে সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। প্রথমে স্বাধীনতা। ১৯৭৫ সালে অন্তত ৩ লাখ পর্তুগীজ নাগরিক অ্যাঙ্গোলা ছেড়ে চলে যান। ডাক্তার, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, মিস্ত্রী, সরকারী কর্মচারী, অধ্যাপক। কয়েক মাসের মধ্যে, অ্যাঙ্গোলা বিশেষজ্ঞ শূন্য হয়ে পড়ে। কেউ ছিল না দেশের অর্থনীতি সামলাবার জন্য। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ। যুদ্ধ সকল অর্থ শুষে নিয়েছে যা দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর অবকাঠামোতে ব্যবহার করা উচিত ছিল। এই পরিস্থিতিকে ৩০ দিয়ে গুন করুন, আর আপনি লুয়ান্ডা পাবেন।</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরে গ্যাসের উচ্চ মূল্যের কারনে যাতায়াত খরচও বেড়ে গেছে আর, একই সাথে, অন্য সব পণ্যও। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে অ্যাঙ্গোলাতে তৈরি জিনিষের দামও আমদানি করা পণ্যের থেকে বেশী পড়ে। কেন? অর্থনীতিবিদরা আমাকে দয়া করে ঠিক করে দেবেন, কিন্তু মনে হচ্ছে এটা উৎপাদন আর চাহিদার নীতির সাথে যুক্ত। এখন দরকার হলে, আরো বেশী মূল্য দিতে হবে।</p>
<p>দেশে কোন শিল্প কারখানা নেই। সব কিছু আমদানি করা হয়। জাহাজে করে আনা হয়, আর বন্দরে কোন জায়গা নেই। বাহির সমুদ্রে জাহাজ গুলো দুই থেকে তিন মাস নোঙ্গর ফেলে থাকে, তাদের মাল খালাসের অনুমতির জন্য। এখন মাত্র কৃষিকাজ প্রথম ধাপে শুরু হয়েছে - শুধু সেইসব এলাকায় যেখানে ল্যান্ড মাইন নেই। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে অ্যাঙ্গোলার অর্ধেক চাষযোগ্য ভূমি ল্যান্ড মাইনে ভরা। যতদিন ভূমি পরিষ্কার হচ্ছে না, কিছুই হবে না। তাই খাদ্যও আমদানি করতে হয়।&#8221;</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg"><img alt="এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে " src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg" title="ছাগলের মাংস" width="300" height="220" /></a><p class="wp-caption-text">এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে </p></div>
<div class="contributors">অনুবাদ করেছেন <a href="http://globalvoicesonline.org/author/melissa-mann/">মেলিসা মান</a></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মালাউই: খেলাধুলা আর বিস্ময়কর উইন্ডমিল বালক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2009 08:35:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[মালাউই]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7548</guid>
		<description><![CDATA[অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মালাউই ১-১ গোলে ড্র করেছে ভীতিকর আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে এবং উইলিয়াম কামকোয়াম্বা নামে একজন তরুণ মালাউই বাসী সম্পর্কে একটি নতুন বই আন্তর্জাতিক শিরোনাম হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/victor/">ভিক্টর কাওঙ্গা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/12/malawi-of-sports-and-the-windmill-boy-kamkwamba/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাধারণভাবে মালাউই ব্লগ জগৎ চুপচাপ থাকলেও, গত মাসে মালাউইতে অনেক ঘটনা ঘটেছে আর তা ব্লগে এসেছে।</p>
<p>অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মালাউই ১-১ গোলে ড্র করেছে ভীতিকর আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে যাদের রয়েছে চেলসির খেলোয়াড় দিদিয়ের দ্রগবা। মালাউইর কামুজু স্টেডিয়ামে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/10/setting-record-straight.html">বুকারু থান্দি</a> আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের বিরুদ্ধে মালাউইর কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে একটি পোস্ট করেছেন।</p>
<p>সেখানে <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/10/setting-record-straight.html">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে ড্র করার জন্য অভিনন্দন। খুব ভালো হয়েছে। ফ্লেমস ওইই, ইনেন্সো ওইই!</p></blockquote>
<p>আগের একটা পোস্টে, তিনি মালাউইর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসকমের গুরুত্বহীনভাবে কাজ করার জন্য দু:খ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি মাত্র <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/09/is-it-true-that-only-2-percent-of.html">২ শতাংশ মালাউইবাসী বিদ্যুৎ পান</a> এই রিপোর্ট বিশ্বাস করতে চান নি (সত্যি হচ্ছে ৮ শতাংশ)। এর পরে তিনি এক মালাউই তরুণ সম্পর্কে খুব উদ্দীপক একটা গল্পের কথা জানান। ২১ বছরের উইলিয়াম কামকোয়াম্বা প্রায় সাত বছর আগে একটা উইন্ডমিল তৈরি করেছিল- সেটি নিয়ে সম্প্রতি একটা বই প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>বই এর নাম <a href="http://williamkamkwamba.typepad.com/">যে ছেলে বায়ুকে লাগাম পরিয়েছিল</a>।</p>
<p>সে যে উইন্ডমিল বানিয়েছিল সেটা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হত যাতে বাতি জ্বালানো আর বাড়িতে রেডিও চালানো যেত। উইলিয়াম পাদপ্রদীপে আসে প্রায় তিন বছর আগে যখন দৈনিক টাইমসের একজন সাংবাদিক মালাউর রাজধানী থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে কাসুঙ্গুতে এসে তার এই গল্প টা সংগ্রহ করেন। এখন সে আফ্রিকা লিডারশিপ একাডেমির একজন ছাত্র। উইলিয়াম মালাউইকে গর্বিত করে বার বার শিরোনামে এসেছে আর অনলাইনে তাকে আরও বেশী পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p><em>এনদাঘা</em> এই ছেলের সাথে তার <a href="http://ndagha.blogspot.com/2009/10/when-i-met-windmill-boy-william.html">ব্যক্তিগত কথোপকথন</a> তুলে ধরেছেন:</p>
<blockquote><p>তার সাথে কথা বলার সময় আমি মালাউই আর এর বাইরে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে নতুন কিছু করার তার তাড়নাটা বুঝতে পারছিলাম। সে কম সুবিধাভোগীদের জন্য ভাবে বিশেষ করে তার পরিবার আর অনেক মালাউইবাসী যে কষ্ট করে সেই গল্প তুলে ধরে। সে একজন তরুণ যে যে কোন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখার জন্য বদ্ধ পরিকর। আমার কাছে মনে হয়েছে যে সে যত প্রচারণা পাবে, মালাউইর শক্তি খাত নিয়ে তার ক্ষোভ তত বাড়ছে। সঠিক সময় আসলে, অবশ্যই সে অনেক বড় কিছু করবে।</p></blockquote>
<p>তাই ব্লগ জগৎ চুপ থাকলেও, অনেক কিছু হচ্ছে আর বিশ্ব কথা বলছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নাইজেরিয়া: ব্লগাররা নাইজেরিয়ার ঋণাত্মক ভাবমূর্তি নিয়ে বিতর্ক করছেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2009 13:09:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7339</guid>
		<description><![CDATA[এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- ৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল এই দেশের কথা ওঠে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/eremipagamo-amabebe/">এরেমিপাগামো আমাবেবে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/nigeria-bloggers-debate-nigerias-negative-image/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg" title="নাইজেরিয়া" class="alignleft" width="300" height="225" /></a>এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Advance-fee_fraud">৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা</a>, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল দেশের কথা ওঠে। তবে বিদেশে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি সব থেকে খারাপ ছিল গত বছর: গত কয়েক মাসে, বেশ কিছু ঘটনা যা নাইজেরিয়াকে প্রশ্ন বিদ্ধ পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে এবং তা সমগ্র ব্লগ জগৎে আলোচনা তৈরি করেছে।</p>
<p>গত সেপ্টেম্বরে সনি <a href="http://naijablog.blogspot.com/2009/09/that-sony-ps3-419-ad-if-you-havent-seen.html">প্লে স্টেশন ৩ নিয়ে একটা বিজ্ঞাপন</a> দেখিয়েছিল যেটাতে এই বাক্য ছিল “ইন্টারনেটে যা পড়েন তা সব বিশ্বাস করতে পারেন না- না হলে, আমি এত দিনে নাইজেরিয়ার একজন কোটিপতি হয়ে যেতাম।“ এই বিজ্ঞাপন অনেক নাইজেরিয়ান আতঙ্ক নিয়ে দেখেছেন, আর ফেডারেল সরকার সনিকে ক্ষমা চাইতে অনুরোধ করেছেন (সনি ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞাপনটি তুলে নিয়েছিল)।</p>
<p>একই সময়ে ডিস্ট্রিক্ট ৯ চলচ্চিত্রটির মুক্তি পায়- এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে সমালোচকরা ভালোভাবে গ্রহণ করলেও কিছু নাইজেরিয়ান বিরক্ত হয়েছেন। <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/8264180.stm">নাইজেরিয়ার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন</a> চলচ্চিত্রে নাইজেরিয়ানদেরকে অপরাধী আর মানুষ খেকো হিসেবে দেখানোর কারনে। চলচ্চিত্রটি নাইজেরিয়ার মধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর সেন্সর বোর্ডকে সিনেমা হল থেকে এটা জব্দ করতে বলা হয়েছে। অনলাইনে এই চলচ্চিত্র বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সেখানে কেউ কেউ বলেছেন যে এই চলচ্চিত্র নাইজেরিয়ানদের জাতিগত দৃষ্টিকোন থেকে দেখানো হয়েছে, আর অন্যরা এটা সমর্থন করেছেন যে এটা রূপক একটি উপস্থাপনা যেটার সাথে বাস্তবতার মিল নেই।</p>
<p><em>ইভিসিএল</em> ব্লগে <em>আদামু ওয়াজিরি</em> <a href="http://evclvisuals.blogspot.com/2009/09/nigeria-and-district-9.html">দেখিয়েছেন</a> যে প্রায়শ:ই নাইজেরিয়ানরা যেভাবে নাইজেরিয়াকে দেখায় সেটাও একই রকম অপমানজনক:</p>
<blockquote><p>নলিউড আমাদের স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্প, আমাদেরকে দেশের আর আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে আরো খারাপ ভাবে তুলে ধরেছে। একটা সময় ছিল যখন কোন নলিউড চলচ্চিত্রের বিষয় নীচের যে কোন একটা বা কয়েকটির সমষ্টি ছাড়া দেখা যেত না; জুয়াচুরি, মায়াবিদ্যা, সশস্ত্র চুরি, অনাচার, ব্যভিচার, মানুষ খেকো আর অবশ্যই আমাদের প্রিয় দুর্নীতি। নলিউড এইসব বিষয় নিয়ে হাজার হাজার চলচ্চিত্র বানিয়েছে সাধারণ জনগণ বা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে বিশেষ কোন প্রতিবাদ ছাড়াই।</p>
<p>&#8230; চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করা ভুল ইঙ্গিত দেয়; আসলে এটা বিপদজনক হতে পারে। আমরা জনগণকে এই বিষয়ে বির্তক করতে দেয়া উচিত। আমরা এটা করার মতো পরিপক্ব। আমার মনে হয় আমাদের মন্ত্রী চলচ্চিত্রটিকে যথেষ্ট প্রচারণা দিয়েছেন যেটা আমি নিশ্চিত তার উদ্দেশ্য ছিল না।</p></blockquote>
<p><em>নিকোল স্ট্যাম্প</em> ডিস্ট্রিক্ত ৯ চলচ্চিত্রে বর্ণবাদ নিয়ে <a href="http://www.racialicious.com/2009/08/18/district-9-is-racist-alternate-perspective/">মন্তব্য করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যে জিনিষটি আমাকে ভাবিয়েছে সেটা হল বেশীরভাগ লোক যারা এই চলচ্চিত্র দেখবেন তারা প্রশ্ন করবেন না, বা লক্ষ্যও করবেন না, এই বিশেষ জাতিগত উপস্থাপনা&#8230; কেন নাইজেরিয়ানরা এমন মানুষ হতে পারেন না যাদের অর্থ আর অস্ত্রসহ যৌক্তিক উদ্দেশ্য আছে? কেন তাদেরকে প্রয়োজনের বাইরে হাবা-গোবা জংলী হতে হবে?&#8230; এটা অসম্ভব এই অভিযোগকে উড়িয়ে দেয়া - নাইজেরিয়ানদের বড় প্রেক্ষাপটে দেখলে, এটি ক্ষতিকর বা মান হানিকর না কিন্তু বিপদজনক।</p></blockquote>
<p>এই বিতর্ক সম্পর্কে আরো পড়েন <a href="http://nigerianstalk.org/?p=261">নাইজেরিয়ান্সটক.অর্গ</a> বা গুগলে খুঁজেন ‘ডিস্ট্রিক্ট ৯ রেস’ কিওয়ার্ড দিয়ে।</p>
<p>সাম্প্রতিককালে টাইম ম্যাগাজিন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার <a href="http://www.pieterhugo.com/">পিটার হুগোর</a> চিত্রের একটা <a href="http://www.time.com/time/photogallery/0,29307,1926470,00.html">স্লাইড শো</a> প্রকাশ করেছিল যেখানে নাইজেরিয়ার ‘নলিউড’ চলচ্চিত্র শিল্পের কিছু ছবি দেয়া ছিল। যদিও &#8216;ডিস্ট্রিক্ট ৯&#39; বা প্লে স্টেশন বিজ্ঞাপনের মতো বিতর্কিত না, তারপরেও ছবিগুলো ব্লগ জগৎে বির্তক সৃষ্টি করেছে, এই আলোচনাসহ যে নাইজেরিয়াকে এমন করে উপস্থাপন করা কি শৈল্পিক স্বাধীনতা নাকি সাংস্কৃতিক পক্ষপাতিত্ব।</p>
<p><em>সলোমান সাইডেল</em> <em>নাইজেরিয়ান কিউরিওসিটিতে</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Nollywood">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি অবশ্যই বিষয়টাতে চাপ সৃষ্টির কারণ বুঝি, কারণ এই চাহিদা থেকেই বেশ কিছু সৃজনশীল মাস্টারপিস আর সর্বসময়ের কাজ হয়েছে। তবে, এইসব চিত্র দিয়ে, আমি এদের প্রশংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছি এবং/অথবা এরা কিসের প্রতিনিধিত্ব করছে আর বিশ্বাস করি যে তারা অকারণে পক্ষপাতিত্বের উপরে নির্ভর করছে যা বেশ কিছু বদ্ধমূল ধারণাই প্রতিষ্ঠিত করবে হুগোর বিশেষভাবে পশ্চিমা দর্শকের জন্য।</p></blockquote>
<p>এইসব অনুষ্ঠান বিশেষভাবে খারাপ সময়ে হচ্ছে যেহেতু এগুলো এই বছরের শুরুতে ‘নাইজেরিয়াকে রিব্রান্ডিং (নতুন ভাবে দেখানোর)’ নতুন একটা উদ্যোগ এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে। এই উদ্যোগ স্পন্সর করছেন নাইজেরিয়ার তথ্য আর যোগাযোগ মন্ত্রী  ডঃ ডোরা আকুনিলি, আর এটি প্রশংসা আর সমালোচনা দুটোরই মুখোমুখি হয়েছে (<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/03/nigeria-on-rebranding-nigeria/comment-page-2/">এখানে গ্লোবাল ভয়েসেস</a> এর এ প্রসঙ্গে লেখাটি দেখুন)।</p>
<p><em>বুন্মি ওলোরোন্তোবা</em> <em><a href="http://bombasticelements.blogspot.com/2009/10/nigeria-super-villains-of-modern-age_22.html">আ বোম্বাস্টিক এলিমেন্ট ব্লগে</a></em> সাম্প্রতিক এক <a href="http://www.bbc.co.uk/worldservice/documentaries/2009/10/091021_rebranding_nigeria.shtml">বিবিসি আলোচনার ভিত্তিতে</a> রিব্রান্ডিং (পুন: নামকরণ) প্রচারণার ব্যাপারটি সম্পর্কে বলছেন:</p>
<blockquote><p>মন্ত্রীর যুক্তি ভালো যখন তিনি বলেন যে নাইজেরিয়া অনেক ভালো জিনিষ দেখছে না, তার গল্প জানাচ্ছে না আর পৃথিবীকে তার দুর্নামের উপর ভিত্তি করে তার ভাবমূর্তি স্থির করতে দিচ্ছে। আর ভালো দিকের কিছু ভালো উদাহরণ তাঁর কাছে আছে। কিন্তু বিবিসি কয়েকজন জনসংযোগ কর্মকর্তা আর নামকরণ বিশেষজ্ঞ খুঁজে নিয়েছেন যারা এর বিরোধিতা করেছেন, দেশটা যদি নিজেকে রি ব্রান্ডিং করতে চায়, তাহলে এর জনসংযোগ দলকে এর থেকে অনেক বেশী কিছু দিতে হবে। যাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে তারা বলেছেন, লাগাতার বিদ্যুৎ প্রাপ্তি আর ডিজেল জেনারেটর অর্থনীতির সমাপ্তি নাইজেরিয়ার নতুন ভাবে উপস্থাপনাকে ‘সহজ’ করে দেবে। আর তাদের কথার প্রমাণ হিসেবে, ১৩:৪০ মিনিট অনুষ্ঠান পরে&#8230; কি হল আসলে তা বোঝার জন্য আপনাকে নাইজেরিয়ান হতে হবে না।</p></blockquote>
<p>নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি নিয়ে আলোচনার একটা উজ্জ্বল দিক হল নাইজেরিয়ার লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimamanda_Ngozi_Adichie">চিমামান্দা নাগোজি আদিচিকে</a> নিয়ে বিপুল প্রচারিত একটা ভিডিও যিনি ‘একটা গল্পের বিপদ’ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। আদিচি আফ্রিকার একই ধরনের ভাবমুর্তির বিপদ নিয়ে মন্তব্য করেছেন; তিনি সাবধান করে দিয়েছেন যে নিজেদের ‘একটা গল্পে’ সীমাবদ্ধ করে রাখা অভিজ্ঞতাকে কমিয়ে দেয় আর বদ্ধমূল এক তরফা ধারণা তৈরি করে। অনেক ব্লগারের জন্য, আদিচির মন্তব্য দেশের বাইরে নাইজেরিয়ার সাধারণ ভাবমূর্তি নিয়ে তাদের হতাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে ।</p>
<div><object width="446" height="326"><param name="movie" value="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf"></param><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="wmode" value="transparent"></param><param name="bgColor" value="#ffffff"></param><param name="flashvars" value="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;&#038;preAdTag=tconf.ted/embed;tile=1;sz=512x288;" /><embed src="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf" pluginspace="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" wmode="transparent" bgColor="#ffffff" width="446" height="326" allowFullScreen="true" flashvars="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;"></embed></object></div>
<p><em>শেড ননকনফর্মিস্ট</em> আদিচির ভাষ্য আর নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির মধ্যকার <a href="http://shadenonconformist.blogspot.com/2009/10/danger-of-intellectualization-long-post.html">সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার মনে হয়  টেডে একটা গল্পের বিপদ নিয়ে তার বক্তৃতার সময় এটাই চিমামাদা আদিচি বোঝাতে চেয়েছিলেন। সমস্যা দেখা যায় যখন  আমরা দেখি মৃত পশু, দারিদ্র, বিপর্যয়, মৃত্যু, দুর্নীতি, বিখ্যাত লোকের পোষ্য গ্রহণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আফ্রিকাকে শুধু তুলে ধরা হয়&#8230;আপনি পুরো ব্যাপারটি জেনে যাবেন। আমি বলছি না যে আফ্রিকাতে এই বিষয়গুলো নেই। আমরা সবাই একমত হতে পারি যে এগুলো আছে। আমি তর্ক করছি যে এই ব্যাপারগুলো আফ্রিকার দেশের জন্য নির্দিষ্ট না।</p>
<p>আমি/আমরা কখনো থামাবো না আফ্রিকার এমন চিত্র তুলে ধরা থেকে যেখানে আফ্রিকাকে ভারসাম্যহীন আর পূর্ব সংস্কারযুক্ত দেখানো হবে। আফ্রিকাকে ভারসাম্য নিয়ে তুলে ধরা জরুরী। আর আফ্রিকান হিসেবে আমাদের সেই মাধ্যম হিসেবে কাজ করা উচিত যারা পরিবর্তনে অংশ নিতে চান (আর দেখতে পারবেন) আমাদের প্রিয় মহাদেশে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কি ভাবে মাতৃত্বজানিত মৃত্যু সম্প্রদায়ের উপর প্রভাব ফেলে তার কিছু ভিডিও</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:23:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অস্ট্রেলিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওশেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পেরু]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিয়েরা লিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7285</guid>
		<description><![CDATA[শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে যখন একটি নারী মারা যায়, তখন বিষয়টি কেবল সেই পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে না, সেটি পুরো সম্প্রদায়ের উপর এক প্রভাব তৈরি করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/videos-on-how-maternal-mortality-affects-communities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7286" class="wp-caption alignleft" style="width: 85px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/babyfeet-75x75.jpg" alt="শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে" title="babyfeet-75x75" width="75" height="75" class="size-full wp-image-7286" /><p class="wp-caption-text">শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে</p></div>গর্ভধারণ, শিশু জন্মদান বা জন্মদানের পর নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় যখন একটি নারী মারা যায়, তখন বিষয়টি কেবল সেই পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে না, সেটি পুরো সম্প্রদায়ের উপর এক প্রভাব তৈরি করে। এই সমস্ত ভিডিও, যা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তোলা, তা পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে আমাদের জানাচ্ছে কিছু গর্ভবতী মেয়ে ও তাদের পরিবারের গল্প। যার মাধ্যমে বুঝতে চেষ্টা করা হচ্ছে, কেন সন্তান জন্মদানের সময় অনেক নারী মারা যায় এবং এই সমস্ত মৃত্যুর ঘটনা থামানোর জন্য কি কি করা উচিত।  </p>
<p>প্রথমে রয়েছে,<a href="http://www.whiteribbonalliance.org/index.cfm"> হোয়াইট রিবন এলায়েন্সের</a> তোলা চার মিনিটের একটা ভিডিও, যার শিরোনাম <a href="http://www.youtube.com/watch?v=VrH7945NhNk">জন্ম ও মৃত্যু</a>। এই ভিডিও ব্যাখ্যা করছে, মাতৃত্বকালীন সময়ে মৃত্যুর জটিলতা কতটা ভয়াবহ এবং কি ভাবে একে বন্ধ করা যায়।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/VrH7945NhNk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/VrH7945NhNk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ইউনিসেফও <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-2z7NH0yxCw">দুই মিনিটের একটি ভিডিও</a> তৈরি করেছে যার উদ্দেশ্য এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা, পাঁচটি ধাপ পালনের মধ্যে দিয়ে মাতৃত্বজনিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব: এই ধাপ গুলো হল শিক্ষা, শ্রদ্ধা, ক্ষমতা, তদন্ত বা যাচাই করা এবং নিরাপত্তা প্রদান।  </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/-2z7NH0yxCw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/-2z7NH0yxCw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই ভিডিওটি তৈরি করেছে <a href="http://www.hrw.org/">হিউম্যান রাইট ওয়াচ</a> নামের প্রতিষ্ঠান এবং এর শিরোনাম <a href="http://www.youtube.com/watch?v=U1bBYfC8Mf4"><em>খুব নিরবে: ভারতে মায়েদের মৃত্যুর ঘটনা</em></a>। ফটোগ্রাফার <em>সুসান মেইসেলাস</em> ও সাংবাদিক <em>ডুমেথা লুথরা</em> ভারতের সেই সমস্ত এলাকা ভ্রমণ করেছেন যেখানে জানা গেছে শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে মায়েরা মারা গেছে । </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/U1bBYfC8Mf4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/U1bBYfC8Mf4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>পেরুতে তৈরি এই ভিডিওর নির্মাতা <a href="http://www.youtube.com/watch?v=WOy4Nj5V-mk">ফিল বর্জেস, তিনি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানের</a> জন্য এটি তৈরি করেছেন। <em>দি ওয়াচওমেন ফর লাইভ</em> নামক প্রোগ্রাম মেয়েদের মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে এক সফল ভিডিও বলে প্রমাণিত হয়েছে: এখানে রয়েছে সম্প্রদায়ের মধ্যে মেয়েদের ক্ষমতা প্রদান করা এবং তাদের শিক্ষিত করা এবং মাতৃত্বকালীন সময়ের স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব ও ধাত্রীদের এক সতর্কতা সঙ্কেত সম্বলিত চার্ট। এই চার্টে থাকবে কখন কখন গর্ভবতী মাকে ক্লিনিকে পাঠাতে হবে, সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে কখন একটা নারীকে ক্লিনিকে নিয়ে যেতে হবে। এর কারণে প্রসব বেদনার সময়কার জটিলতার ক্ষেত্রে নাটকীয়ভাবে মৃত্যুর হার কমে গেছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/WOy4Nj5V-mk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/WOy4Nj5V-mk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই ভিডিওটি বানিয়েছে যা ১৮ মিনিট লম্বা। এই ভিডিওটি<a href="http://www.youtube.com/watch?v=oHjwc4a57Vo"> সিয়েরালিওনের মাতৃত্বজনিত মৃত্যু</a> নিয়ে বানানো। দেশটির প্রতি ৮ জন নারীর একজন সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়: চিকিৎসা সংক্রান্ত মনোযোগ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীর অভাব এবং হাতুড়ে কর্মী ও ক্লিনিক এ সমস্ত মৃত্যুর প্রধান কারণ। এই ভিডিওর মেয়েটি যেমনটা বলছে, এখানে সবাই জানে, গর্ভকালীন ও প্রসবের সময় যে কোন মেয়ে মারা যেতে পারে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oHjwc4a57Vo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oHjwc4a57Vo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবিকা ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের ছাত্রীরা শিশু জন্মদানের সময় ব্যবহারের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম তৈরি করেছে যা উন্নয়নশীল বিশ্বে সরবরাহ করা হবে, যাতে সে সব দেশে মাতৃত্বকালীন সময়ে অপ্রয়োজনীয় সকল মৃত্যু রোধ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে একটা প্লাস্টিকের চাদর যার নিচে মাকে রাখা যায়, শল্য চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য দস্তানা, চামড়া কাটার জন্য ব্লেড, গজ বা বিশেষ কাপড়, সাবান এবং জন্মের সময় শিশুর নাড়ি বেধে রাখার উপাদান। <a href="http://www.youtube.com/watch?v=t7plsQvAo8E">এই ভিডিওতে</a> তারা তাদের এই উদ্যোগের কথা জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশে সফলতার সাথে যে তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/t7plsQvAo8E&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/t7plsQvAo8E&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব: আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 16:50:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[ডোমিনিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রিনিদাদ ও টোবাগো]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রেঞ্চ ক্রিওলস]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মার্টিনিক]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রিউনিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিশেলস]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্ট লুসিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[হাইতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7181</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/23/global-international-creole-month/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে।</p>
<p>ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা। অভিবাসন আর স্থানীয় জনগণের মিশ্রণের ফসল হিসেবে দাসত্বের সময় থেকে ক্রেওল হচ্ছে একটি মৌখিক ভাষা, যা হয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা নীচু করে দেখা হয়েছে। কিন্তু ১৯৮০র দশকে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে থাকে, যা ব্যাখ্যা করেছে ক্রেওল সম্পর্কিত রিউনিয়ন দেশের ব্লগ, <a href="http://www.renyone.net/English/28oct_gb.htm">রেনিওয়ান</a>:</p>
<blockquote><p>১৯৮১ এ যেসব বিজ্ঞানীর ভাষা ক্রেওল ছিল তারা নিজেদের প্রশ্ন করা শুরু করেন যে কোন পদ্ধতিতে ক্রেওল ভাষাকে তুলে ধরা যায়। এটা শুরু হয়েছিল ক্রেওল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক কমিটি আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম থেকে,  ক্রেওল/ক্রেওলস ভাষা, চলমানতা আর ক্রেওল জগতে সৃষ্টিশীলতার বিষয় নিয়ে যা আলোকপাত করেছিল।</p></blockquote>
<p><em>রেনিওয়ান</em> আরো বর্ণনা দিয়েছেন একটা উৎসবের কথা যা বেশীরভাগ ক্রেওলসভাষী দেশে ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে:</p>
<blockquote><p>১৯৮২ তে সিশেলেস এর সরকার ক্রেওলস সপ্তাহের আয়োজন করেন।</p>
<p>প্রথম আন্তর্জাতিক বাঞ্জিল ক্রেওল দিবস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ এর ২৮শে অক্টোবরে। তারপর থেকে বিশ্বব্যাপী ২৮শে অক্টোবর সব ক্রেওল ভাষার দেশে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>তারপর থেকে এই কথ্য ভাষার (মাঝেমাঝে যাকে উপভাষা বলা হয়) সংরক্ষণ অনেক লোকের চিন্তার কারণ হয়েছে। <a href="http://www.iocp.info/objectives.php">ক্রেওল মানুষের আন্তর্জাতিক সংস্থা</a> এইসব তথ্য প্রকাশ করছে। ফেসবুকের একটা দল ‘<a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/group.php?gid=61220156866">আন্নু পালে পাতোয়া</a>’ ( ‘আসুন পাতোএস/ক্রেওল বলি’) তাদের জন্য ক্রেওল এক চিন্তার ব্যাপার - তাই জানিয়েছেন, যেখানে একজন ত্রিনিদাদিয়ান নেটিজেন এই বছরের <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a> উদযাপন নিয়ে চিন্তা করেছেন:</p>
<blockquote><p>বিশ্বব্যাপী অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a>, এটাকে ত্রিনিদাদে উদযাপন করতে আমরা কি করতে পারি?</p>
<p>জাতীয় ভাবে করতে গেলে সব থেকে ভালো কি হয়?</p></blockquote>
<p>স্থানীয় ভাবে মাঠ পর্যায়ে আর একই ভাবে সরকারি ভাবেও প্রচার, সংরক্ষণ বা উদযাপন করার ব্যবস্থা নেয়া যায়। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dominica">ডোমিনিকান</a> ব্লগার <a href="http://livingdominica.blogspot.com/2007/10/it-is-almost-creole-time.html">লিভিং ডোমিনিকার</a> একটা পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে দুই বছর আগে যেখানে আমরা দেখতে পারি যে আরো কিছু দেশে এই উদযাপন কেবলমাত্র একটা অনুষ্ঠান না:</p>
<blockquote><p>ডোমিনিকাতে এই মাস ক্রেওলের সময়, যেটা আমার খুব প্রিয় অনুষ্ঠান। এই সময় একটা উৎসব যা সকল ডোমিনিকানকে সম্মানিত করে। সবাই ফুর্তির সাথে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস (নভেম্বর ৩) আর বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব ( অক্টোবর ২৬-২৮)।</p></blockquote>
<p>উপরে উল্লিখিত <a href="http://www.wcmfdominica.com/">বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব</a> ১৩ বছর আগে জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাসকে নভেম্বর ৩, ১৯৭৮ সালে পাওয়া দ্বীপের স্বাধীনতা উদযাপনের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য ডোমিনিকান সরকারের ইচ্ছার কারনে।</p>
<p>এইসব থেকে, এটা প্রায় স্পষ্ট যে ক্রেওল মাস আর ক্রেওল দিবস, অক্টোবর ২৮, একই ভাবে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় না। এখানে ২০০৯ এর ক্রেওল দিবস নিয়ে কিছু পোস্ট আছে:</p>
<p>লন্ডন থেকে <em>এমবি এমবি</em>  ‘<a href="http://www.mbmbcharity.com/">মিনম বিতেন, মিনিম বাগায়</a>’ দল (গুয়াদেলোপিয়ান আর মারটিনিকান ক্রেওল কথা যার মানে ‘সবই এক’) একটা পোস্ট লিখেছেন মানুষকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করার জন্য যা সেপ্টেম্বর ২৭, ২০০৯ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে আর তাদের আগের ‘এমবিএমবি ক্রেওল দিবস’ স্মরণ করার জন্য।</p>
<p>কানাডাতে, ক্রেওল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.kepkaa.com/moisducreole/index.html">কেপকা</a> মানুষকে আমন্ত্রণ করেছে  মন্ট্রিয়ালে ক্রেওল মাস উদযাপনের জন্য। তারা হাইতির ক্রেওল ভাষায় একটা পোস্টে এই আহ্বান করে যার নাম ‘হাইতিয়ান ক্রেওল -ক্রেওল সংস্কৃতি এক সাথে উদযাপন করি’।  <a href="http://www.misscreolecanada.com/">মিস ক্রেওল কানাডা সুন্দরী প্রতিযোগীতা</a> নামে আরেকটি কানাডার অনুষ্ঠান ঘোষিত হয়েছিল আর ফেসবুকে প্রচারিত হয়েছিল। ক্রেওল মাস উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এবার ১৭ই অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=37345708168&#038;v=wall&#038;ref=search">ক্রেওল সম্প্রদায়ের একজন সুন্দরীকে বাছাই করা </a> হলো।</p>
<p>প্যারিসে, ব্লগার <a href="http://karucrea.blogspot.com/2009/10/tan-kreyol-transmission-octobre-2009.html">আনবা পায় মাঙ্গো লা</a> একটা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ঘোষণা করেছেন “তান ক্রেওল’ নামে (ক্রেওল ভাষায় ‘ক্রেওল শোনেন’) যেখানে ক্রেওলের মৌখিক ভাষাকে সম্মানের আসন দেয়া হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Senn-la wouvè ba tout moun : poèt, chantè, slamè, makè, kontè, mizisyen… .</p></blockquote>
<div class="translation">মাইক সবার জন্য উন্মুক্ত: কবি, সঙ্গীত শিল্পী, কবিতা অবমাননা কারী। লেখক। গল্প কথক, বাদ্যশিল্পী&#8230;</div>
<p>গুয়াদেলুপে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মাসব্যাপী অনুষ্ঠান ঠিক করেছে যা বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হবে, (ক্রেওল অক্টোবর, ক্রেওল মোশন) উদযাপনের জন্য। <a href="http://guadeloupe.coconews.com/actualite-guadeloupe,mois-du-creole-mwa-oktob-kreyol-en-mouvman,1070.html">গুয়েদালুপ.কোকোনিউজ</a> অনুষ্ঠানের প্রধান দুটি জিনিষ  উল্লেখ করেছেন:</p>
<blockquote><p>1. Prèmyé dékatman ba tout moun<br />
2. Dézyèm dékatman èvè zanfan-lékòl
</p></blockquote>
<div class="translation">১। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায় সকলের জন্য উন্মুক্ত<br />
২। দ্বিতীয় অংশ ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট</div>
<p>পরিশেষে মার্টিনিক থেকে, <a href="http://www.montraykreyol.org/spip.php?article3122">মন্ট্রেক্রেওল</a> একটা পোস্ট ছাপিয়েছেন যেটা সেখানে ক্রেওল মাস উদযাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আর বিশেষ করে ক্রেওলকে এক সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠান করে উদযাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে:</p>
<blockquote><p>    Es ou ka kwè ki an sel simenn pou défann kréyol adan tout lanné-a sifizan ?</p>
<p>    CLAUDE MARLIN : Dapré mwen non, sa ja an pal pou kréyol-la menm manniè ki tout travay-la ki za fet asou lang-lan. Men fok pandan tout lanné-a, ni travay ki pou fet, fok véyatif toulong, pas menm si kréyol ka rantré latélévizion, laradio, nan piblisité kontel, bien délè sa ka an kréyol toubònman, tjòlòlò ek sa pé désèvi lang-la.</p></blockquote>
<div class="translation">আপনাদের কি মনে হয় বছরে এক সপ্তাহ ক্রেওলকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট?</p>
<p>ক্লোদ মার্লিন: আমার মনে হয় না কিন্তু ক্রেওলের জন্য এটা একটা বড় ব্যাপার - এই ভাষা নিয়ে আর যা করা হয়েছে সে সবের মতই। কিন্তু সারা বৎসরব্যাপী কিছু না কিছু হওয়া উচিত আর আমাদের সব সময়ে সাবধান থাকা উচিত, কারণ টিভিতে, রেডিও বা বিজ্ঞাপনেও যখন ক্রেওল বলা হয় উদাহরণ স্বরূপ, বেশীরভাগ সময় এটা কাঁচা বা ভাঙ্গা ভাঙ্গা, যা এই ভাষার একত্রীকরণের জন্য ক্ষতিকারক।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব সংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলোকে নিরাপত্তা প্রদান করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 21:07:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চিলি]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মালি]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7135</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে- স্থূল এবং সূক্ষ্ম, উভয় ভাবে- তারা তাদের কাজের সমর্থনে অনলাইন প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিসেন্নি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/safeguarding-the-worlds-cultural-heritage/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণে নিয়োজিত- বাস্তবসম্মতভাবে এবং এমন উপায়ে তার কাজ করে যাচ্ছে যা অনেক সময় কল্পনা করা যায় না। তারা তাদের কাজের সমর্থনের জন্য অনলাইন প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করছে।</p>
<p>অক্টোবরের ৬ তারিখে, ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ড (ডাব্লিডএমএফ) বা বিশ্ব স্থাপনা সংরক্ষণ তহবিল ডজন খানেক গ্রাম, ভবন, সেতু এবং স্থাপনার তালিকা প্রকাশ করেছে। এই সমস্ত স্থান ও ভবন গুগলের ২০১০ সালের সক্রিয় মানচিত্রে তৈরি করা হয়েছে যেগুলো ঝুঁকি পূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের মত আরো অনেক প্রতিষ্ঠান, যেমন <a href="http://www.globalheritagefund.org/home.html">গ্লোবাল হেরিটেজ ফান্ড</a>, <a href="http://whc.unesco.org/en/list">ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার </a>(যা ইউনেস্কোর একটি অংশ) বিশ্বের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থাপনাগুলোর সংরক্ষণে অর্থ প্রদান করে থাকে।    </p>
<p><strong>সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশে পরিণত হওয়া:</strong></p>
<p>কোন স্থান বা স্থাপনা যদি কোন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মনোনীত হয় তাহলে উক্ত স্থান বা স্থাপনার জন্য অর্থ সাহায্য পাওয়া সহজ হয়ে দাঁড়ায়। বাড়তি সুবিধা হচ্ছে এর ফলে স্থানটি পর্যটন এলাকায় পরিণত হতে পারে। তা ছাড়াও এই ধরনের মনোনয়ন জাতীয় বা আঞ্চলিক গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। </p>
<p>সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক <em>তন উই চেঙ্গ</em> <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=44978823543">ফেসবুকে একটি গ্রুপ</a> তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি সিঙ্গাপুরের কিছু এলাকাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানান:</p>
<blockquote><p>২০০৮ সালের শেষে ইউনেস্কো বিশ্বের ১৪৫টি দেশের ৮৭৮টি এলাকা ও স্থাপনাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যার একটিও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত নয়। সিঙ্গাপুরে কি এমন কোন এলাকা নেই যা এই সম্মানের যোগ্য? আমি সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন কয়েক শ এলাকা ঘুরে দেখেছি, এবং আমি নিশ্চিত যে সিঙ্গাপুরের কিছু স্থাপনা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবার যোগ্য। এখানকার স্থাপনা গুলো সেই যোগ্যতা অর্জন করার ক্ষমতা রাখে, ইউনেস্কোর ভাষায় যাদের এক “অসাধারণ বৈশ্বিক মূল্যবোধ” রয়েছে।</p></blockquote>
<p>মানুষে মানুষে সংঘর্ষ এই ধরনের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। চীনের কাশাগড় এলাকায় আদিবাসী উইঘুর ও চীনা হান জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটার পর প্রাচীন এই <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Silk_Road">সিল্ক রোড</a> সিটি বা রেশম পরিবহনের জন্য একদা বিখ্যাত প্রাচীন এই শহরটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য <a href="http://www.petitiononline.com/kashgar/petition.html">অনলাইনে এক দরখাস্ত প্রদান করা হয়</a>। বর্তমানে শহরটি ধ্বংস হবার উপক্রম। </p>
<div style="text-align: center;"><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="320" height="265" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/tfV6mH4geAI&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" /><param name="allowfullscreen" value="true" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="320" height="265" src="http://www.youtube.com/v/tfV6mH4geAI&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object></div>
<div style="text-align: center;"><em>অনলাইনের এক ভিডিও কাশাগড় নামক শহরটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের  মর্যাদা প্রদানের  দাবী করছে।</em></div>
<p><strong>মানুষ এক হুমকি:</strong></p>
<p><em>ড: অঞ্জনা খাটওয়া</em> তার  <a href="http://www.teachingexpertise.com/articles/world-heritage-examining-the-threats-1776">এই প্রবন্ধে </a>লিখেছেন মানুষ সবসময় এই সমস্ত স্থাপনার ক্ষেত্রে এক বড় বিপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি <a href="http://www.jurassiccoast.com/">জুরাসিক কোস্ট ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের</a> শিক্ষা বিষয়ক তত্ত্বাবধায়ক। তিনি দেখান যে:</p>
<blockquote><p>যে সমস্ত স্থান বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সেগুলোর উপর নানা ভাবে বিপদ আসে: সামরিক সংঘর্ষ এবং যুদ্ধ, স্বেচ্ছায় এর ক্ষতি করা বা ধ্বংস সাধন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, দূষণ, এসব স্থাপনার জিনিষ চুরি করা, এলাকার কাছে অপরিকল্পিত ভাবে কোন কাঠামো নির্মাণ করা এবং নিয়ন্ত্রণ হীন পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার কারণে এই সব এলাকা ধ্বংস হতে থাকে।</p></blockquote>
<p>ডাব্লিউএমএফ-এর সভাপতি <em>বনি বুর্নাহাম</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/2008_World_Monuments_Watch_List_of_Most_Endangered_Sites">২০০৮ সালে, বিশ্বের সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত স্থাপনা গুলোর</a> উপর নজর রাখার পরিকল্পনা চালু করেন। তিনি বিষয়টি তার ওয়েবের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দেন:</p>
<blockquote><p>যার এই সব স্থাপনা ধ্বংস করে সেই তালিকার সবচেয়ে প্রধান শত্রুর নাম মানুষ। কিন্তু যেহেতু আমরাই এ সবের ক্ষতির প্রধান কারণ, সেহেতু আমাদেরই ক্ষমতা রয়েছে এসব স্থাপনাকে আবার মেরামত করার। যদি চাই, তাহলে আমরা বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণের দায়িত্ব গুরুত্বের সাথে পালন করতে পারি। কাজেই বিশ্বের ঐতিহ্যমূলক যে সমস্ত স্থাপনা রয়েছে তার উপর দৃষ্টি দেবার এক তালিকা তৈরি করে আমরা সতর্কতার ঘণ্টা বাজিয়ে যাচ্ছি। আমরা এই সমস্ত প্রিয় এলাকা গুলোর উপর বিভিন্ন উদাহরণ মূলক কাজ করতে পারি। এর জন্য দরকার এক সাথে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা, যাতে যৌথ ভাবে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন ঐতিহ্য গত স্থাপত্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিতে পারি।</p></blockquote>
<p><strong>এক সৃষ্টি শীল সমাধান</strong></p>
<p>২০০৩ সাল থেকে ইউনেস্কো ভাষা, নাচ এবং হস্ত শিল্প নির্মাণ শৈলীর মত <a href="http://www.unesco.org/culture/ich/index.php?lg=EN&#038;pg=home">সুক্ষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগত বিষয়গুলোকে রক্ষার</a> জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বেশ কিছু সূক্ষ্ম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নতুন নতুন প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হতে পারে।     </p>
<p><a href="http://archive.cyark.org/about">সাইআর্ক</a> একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যে কিনা “৫০০ চ্যালেঞ্জ” নামক বিষয় নিয়ে কাজ করছে। এই  পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হল বিশ্বে ঐতিহ্যমূলক যে সমস্ত স্থাপনা রয়েছে তার ডিজিটাল মডেল বা নমুনা তৈরি করার কাজ করা। এই কাজটি করা হচ্ছে লেজার স্ক্যানিং করে।  একটি উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার জন্য এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।</p>
<div style="text-align: center;"><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="320" height="265" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/B4vvskVnkPk&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" /><param name="allowfullscreen" value="true" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="320" height="265" src="http://www.youtube.com/v/B4vvskVnkPk&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object></div>
<div style="text-align: center;"><em>রাপা নুয়ে সাইআর্ক পরিকল্পনা</em></div>
<p><a href="http://www.wipo.int/about-wipo/en/what_is_wipo.html">ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন</a> (ডাব্লিউআইপিও) বা ‘বিশ্ব বুদ্ধিমত্তা সৃষ্ট সম্পদ রক্ষা’ নামক প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সমস্ত মৌখিক ও বস্তুগত নয় এমন ঐতিহ্যগুলোকে সংরক্ষণ করা ও নিরাপদে রাখার জন্য এক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। <a href="http://www.wipo.int/tk/en/folklore/culturalheritage/">এর জন্য তারা সংরক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে; তারা এর জন্য আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল নীতিমালা, তথ্য সংরক্ষণ ও ডিজিটাল ভাবে সূক্ষ্ম সব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে</a>।      </p>
<blockquote><p>নতুন প্রযুক্তি এই বিষয়ে এক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হবে। এই সব ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপাদান দলিল ও ডিজিটাল অনুভূতি সংরক্ষণের  ক্ষেত্রে এখন নতুন এক দুয়ার খুলে দেবে। ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য মানুষের যে তীব্র অনুভূতি তাকে শক্তিশালী করবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই অনুভূতি সফল ভাবে বয়ে নিয়ে যাবে।</p></blockquote>
<p>সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এটি একটি মতবাদ যা মালির ব্লগার <em>বুকারি কোনাটে </em>আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তিনি তার নিজের ব্লগ <em>ফাসোকানেতে</em> <a href="http://fasokan.maneno.org/bam/articles/vdd1247776495/">আফ্রিকার একটি লোককাহিনীর</a> [বামবারা ভাষায়] কথা বলছেন:</p>
<blockquote><p>Bi bi in na, an bɛɛ bɛ k’a kɔlɔsi sisan k’o ko ninnu bɛ ka ban dɔɔni dɔɔni. N kɛlen kɔ ka n yɛrɛ ɲininkan, ye jaabi min sɔrɔ, o de ye ka u sɛbɛen an ka kanw na, k’u bayɛlɛma kan wɛrɛw la, k’u bila ɛntɛrinɛti kan. O b’a to u tɛ tunun wa u na lakodɔn mɔgɔ wɛrɛw fɛ.</p></blockquote>
<div class="translation">আমরা সকলেই ঐতিহ্যগুলোর ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেখছি এবং অনেক চিন্তার পর আমি এর সমাধান আবিষ্কার করেছি: সেগুলোকে আমাদের ভাষায় লিখে ফেলা, এবং অন্য ভাষায় তার অনুবাদ করা, এবং তারপর এগুলোকে ইন্টারনেটে রাখা। এর মাধ্যমে এগুলোকে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং অন্য লোকেরা এই বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারবে।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সোমালিয়া: সরকার কি যুদ্ধের জন্য তরুণ কেনিয় নাগরিকদের নিয়োগ দিচ্ছে?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7064/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7064/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 22 Oct 2009 07:01:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সোমালিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7064</guid>
		<description><![CDATA[২০০৯ সালে এটাই ছিল সোমালিয়ার ব্লগারদের প্রথম বৈঠক। হ্যাঁ, প্রায় এক বছর আমি ব্লগ থেকে ছুটি নিয়েছিলাম, কিন্তু আমি আবার ফিরে এসেছি, চিরদিনের জন্য। ফিরে আসার পর, এটাই আমার প্রথম পোষ্ট এবং সামনের দিনগুলোতে আমি সোমালি ব্লগ নিয়ে আরো লেখা পোস্ট করার ইচ্ছে রাখি।

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/abdurahman-warsame/">আব্দুরহমান ওয়ারসামা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/somalia-is-government-recruiting-young-kenyans-for-war/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>২০০৯ সালে এটাই ছিল সোমালিয়ার ব্লগারদের প্রথম বৈঠক। হ্যাঁ, প্রায় এক বছর আমি ব্লগ থেকে ছুটি নিয়েছিলাম, কিন্তু আমি আবার ফিরে এসেছি, চিরদিনের জন্য। ফিরে আসার পর, এটাই আমার প্রথম পোষ্ট এবং সামনের দিনগুলোতে আমি সোমালী ব্লগ নিয়ে আরো লেখা পোস্ট করার ইচ্ছে রাখি।  </p>
<p>ব্লগার <a href="http://newsomalia.blogspot.com/2009/09/somalia-i-realize-i-am-one-of-lucky.html">রয়াল সোমালিয়া</a> দেশটির রাজাধানী মোগাদিসুতে বাস করা এক তরুণীর কথা জানাচ্ছেন যে গতবছর ডাক্তারী পাশ করেছে। তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে আফ্রিকার শিং হিসেবে পরিচিত সোমালিয়া নামক দেশটিতে ছাত্ররা অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে মোগাদিসু চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছে- প্রায় দুই দশকের ব্যর্থতার পর তারাই প্রথম ছাত্র, যারা এই কৃতিত্ব অর্জন করল। </p>
<p>ডাক্তার হাফসা আবদুররহমান মোহাম্মদের বয়স ২৬ বছর। এই ভদ্রমহিলা সেই সমস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন যিনি রাজধানীর বেনাডির বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিষয়ে ডিপ্লোমা অর্জন করেছেন। পড়া শেষ করার পর তিনি মেদসা সঁ ফ্রন্টিয়ারস (সীমান্তবিহীন ডাক্তারের দল) নামক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বিনে পয়সায় সোমালি নাগরিকদের চিকিৎসা করতে চান।</p></blockquote>
<p>সোমালি রাষ্ট্রপতি শরিফ আহমেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করেছেন। তার সাথে চুক্তি করার সময় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নীতি পরিবর্তনের উপর <a href="http://arladii.wordpress.com/2009/10/05/changing-times/">ইস্ট আফ্রিকা ফিলোসফার</a> মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>২০০৬ সালের ডিসেম্বরে শেখ শরিফ শেখ আহমেদ ইথিওপিয়ার সামরিক বাহিনী, সিআইএ এবং যুক্তরাষ্টের কিছু সৈনিকদের সহায়তা দেশটির ক্ষমতায় বসে, বর্তমানে যিনি সোমালিয়ার ক্রান্তি কালীন কেন্দ্রীয় সরকারের নামমাত্র রাষ্ট্রপতি।</p></blockquote>
<p><a href="http://arladii.wordpress.com/2009/10/05/changing-times/">ইস্ট আফ্রিকান ফিলোসফার</a> বলেই চলেছে:</p>
<blockquote><p>এই সপ্তাহে শেখ শরিফ মিনিয়াপোলিসে গিয়েছিলেন (এবং সেই ক্ষ্যাপাটে সংসদ সদস্যের বাসায়) সেখানকার সংসদ সদস্য, প্রশাসক বা গভর্নর এবং শহরের কাউন্সিলর/ মেয়রের  সাথে দেখা করতে। কয়েক সপ্তাহ আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটনের সাথে নাইরোবীতে সাক্ষাৎ করেন। সে সময় হিলারী আফ্রিকা সফর করছিলেন। দুই বছরের মাথায় শেখ শরিফ একজন সন্ত্রাসবাদী থেকে রাষ্ট্রপতিতে পরিণত হন। এই ভাবে বলা যায়, বন্ধুত্ব সবার আগে। আমার কাছে এটি যুক্তরাষ্ট্রের এক বিচিত্র পররাষ্ট্রনীতি ছাড়া আর কিছুই না।</p></blockquote>
<p><a href="http://kenyasomali.blogspot.com/2009/10/who-is-recruiting-nep-youth-for.html">কেনিয়া সোমালি ব্লগ</a> বলছে, সোমালি সরকার কেনিয়ায় বাস করা সোমালি তরুণদের যুদ্ধের জন্য দিচ্ছে: </p>
<blockquote><p>জাতিসংঘ সমর্থিত সোমালি সরকার বিদ্রোহীদের সাথে লড়াই করার জন্য কেনিয়ায় বাস করা প্রায় ১৭০ জন সোমালি তরুণ ও প্রাক্তন সরকারি কর্মচারীকে নিয়োগ দিয়েছে। আফ্রিকার শিং নামে পরিচিত সোমালিয়া একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, পূর্ব কেনিয়ার একজন আঞ্চলিক নেতা এই বিষয়টি জানিয়েছে।</p>
<p>মোহাম্মেদ গাবো গারিসার মেয়র। তিনি রয়টার্সকে বলেন যে বুলা ইফটিন নামের গ্রামের এক ঘরে জাতিগত সোমালি কেনিয় তরুণদের নিয়োগ দেওয়ার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে, তিনি যে শহরের মেয়র তার এক প্রান্তে এই এলাকার অবস্থান।</p>
<p>বৃহস্পতিবারে এক সাক্ষাৎকারে গাবো বলেন, খুব গোপনে এই নিয়োগ প্রদান করা হয় নি। এই অংশগ্রহণ ভীতিকর কিছু নয়। তারা গ্রামের সকল স্থানে গিয়ে এই অনুশীলনের কথা ঘোষণা করেছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7064/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আফ্রিকা: পুরুষ সমকামীদের ব্লাকমেল করা ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় প্রতিরোধ করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 21 Sep 2009 07:11:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ঘানা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6340</guid>
		<description><![CDATA[পুরুষ সমকামীদের ব্লাকমেইল করা এবং ভয় দেখিয়ে জোর করে টাকা আদায় করা ঘানা এবং কেনিয়ার তস্করদের জন্য এক ভালো ব্যবসা। ঘানা ও কেনিয়ার ব্লগাররা এই বিষয়টির প্রতিরোধ নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন এবং ভুয়া সব সাইটে একটা উজ্জ্বল তারকা চিহ্ন বসিয়ে দিয়েছে।   ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/haute-haiku/">হাউটে হাইকু</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/07/africa-blackmail-and-extortion-against-gays-in-africa/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>কাউকে ব্লাকমেইল করা ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা আফ্রিকার পুরুষ সমকামীদের মাঝে এক আকর্ষণীয় ব্যবসা। এখানে ইন্টারনেট কেলেঙ্কারি দ্রুত গতিতে বাড়ছে, যখন আরো অনেক পুরুষ সমকামী তাদের যৌনতা প্রকাশ করার পরিভাষা সৃষ্টি করছে। “ভিন্ন রকম পুরুষ সমকামী” অথবা “কেবল প্রকাশিত হয়েছে” এরকম সমকামীরা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য শিকার ধরতে চেষ্টা করে, তারা প্রলুব্ধ করে, যাকে উল্লেখ করা হয় এক মধুর ফাঁদ হিসেবে। এটা তখন ঘটে যখন কোন ব্যক্তি সন্দেহ না করেই অন্ধকারের এই সমস্ত সহযোগীদের দ্বারা প্রলুব্ধ হয় অথবা যৌন বা যৌন অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফাঁদে ফেলে, তারা আসলে দুর্বল এক চরিত্রকে ভয় দেখায়, তাকে ব্লাকমেইল করে বা ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেন এবং অনেক সময় হয়রানি করে/আঘাত করে। এর শুরুটা হয় ইন্টারনেটে ডেটিং ওয়েবসাইট বা সাক্ষাৎ করতে চাওয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশের মাধ্যমে, যেখানে কেউ সন্দেহ করে না যে, এ সমস্ত প্রোফাইল বা ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত তথ্যের বেশীর ভাগই ভুয়া। <em><a href="http://easytrackghana.com/G.htm#why">ইজি ট্রাক ঘানা</a></em> সন্দেহ করছে এই সমস্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ সংক্ষিপ্ত জীবনীর বেশীর ভাগই ভুযা:<br />
<blockquote>অন্তর্জাতিক চ্যাট সাইট, ঘানার পুরুষদের সমকামীদের সংখ্যাটি অনুপাতে অনেক বেশি, যারা সত্যিকারের ভালোবাসার সন্ধানে সাইটে নাম লিখিয়েছে। যখন কেউ রোমান্টিক ভালোবাসার জন্য এই সাইটে খোঁজ করে তখন তারা এই সমস্ত পেশাদার সমকামীদের সুন্দর বৃত্তান্ত দেখে প্রথমে উত্তেজিত হয়। তবে এর কোনটাই সত্য নয়! চল নিজেরা সরাসরি জানি এবং বলি যে মানবিক যৌনতার ক্ষেত্রে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kinsey_scale">কিনসে স্কেল অফ হিউম্যান সেক্সুয়ালিটি</a> বা মানবীয় যৌনতা পরিমাপের ক্ষেত্রে কিনসে পরিমাপক এইসব বৃত্তান্তের ৯৮ শতাংশ ভুয়া ও এরা ৩ নম্বরের উপরে অবস্থান অর্জন করতে পারে নি। এই সমস্ত চ্যাট সাইটে যারা রয়েছেন তাদের মাত্র ২ শতাংশ পুরুষ সমকামী, যা পশ্চিমের ধারণায় তৈরি হয়।</p></blockquote>
<p> <em><a href="http://www.squidoo.com/Online-gay-dating-scams-in-Ghana">স্কুইডুর</a></em> এই বিষয়ে একটা পাতা রয়েছে:<br />
<blockquote>যদি আপনি অনলাইন ডেটিং সাইটে তাকান, তা হলে আপনি আবিষ্কার করবেন এইসব সমকামীদের বেশীর ভাগ পুরুষ সমকামী বয়সে অনেক তরুণ যেন ১৮ বছরের যুবা। এদের অনেকে প্রকৃতপক্ষে পুরুষ সমকামী নয়। তাদের এই দাবি সঠিক নয়। এই সমস্ত বৃত্তান্তে যে ছবি থাকে সেগুলো ভুয়া এবং তাদের এই সমস্ত ছবিগুলো আসলে আরেক জনের ছবি।</p></blockquote>
<p> ভিন্ন ধরনের যৌন আচরণ করা মানুষের উপর আসা আঘাত এবং ব্লাকমেইল বা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সরকারে যোগ্যতার বা ইচ্ছার অভাবের কারণে, কিছু ব্লগার তাদের নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে, ভুয়াদের উপর তারা একটা বিশেষ জ্বলজ্বলে চিহ্ন বসিয়ে দিয়েছে। <strong>এই সমস্ত নোংরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনলাইনে এক আন্দোলন</strong>: <div id="attachment_6343" class="wp-caption alignright" style="width: 85px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/fakers2go-75x751.jpg" alt="ভুয়া ব্যক্তিদের নেট থেকে চলে যেতে হবে" title="fakers2go-75x75" width="75" height="75" class="size-full wp-image-6343" /><p class="wp-caption-text">ভুয়া ব্যক্তিদের নেট থেকে চলে যেতে হবে</p></div><em><a href="http://fakers2go.blogspot.com/">ফেকারস২গো</a></em>, এই ধরনের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার বিরুদ্ধে ধীরে ধীরে লড়ছে। শিকারীরা সন্দেহজনক এমন লোকদের ফাঁদে পড়ে এবং এরপর পুলিশ বা অপরাধী দলের কাছে ফাঁদে পড়া লোকটির নগ্ন ছবি প্রদর্শন করে । যারা এ ধরনের ব্লাকমেইল করে তারা একটা সংঘবদ্ধ দলে কাজ করে। এদের সাথে পুলিশে কিছু লোক এবং সাইবার ক্যাফের মালিকেরা জড়িত, যাদের মূল উদ্দেশ্য বিদেশী বা ধনীদের কাছ থেকে সামান্য টাকা আদায় করা, কারণ তারা তা করতে পারে।<br />
<blockquote>ঘানায় অনলাইন অপরাধীরা এমন সব পুরুষদের চিহ্নিত করে যারা পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে (এমএসএমএস)। অপরাধীদের লক্ষ্য থাকে অপহরণ বা আঘাত বা ঘানার ঐতিহাসিক উপনিবেশিক সময়ের আইন ব্যবহার করে অর্থ আদায় করা। যেহেতু ঘানায় সমকামীতা নিষিদ্ধ, তাই পুরুষ সমকামী ব্যক্তিরা আইনের কোন সহায়তা পায় না এবং এই অপরাধের বিষয়টি পুলিশকে জানালে এর শিকার ব্যক্তিটি নিজেই অপরাধীতে পরিণত হবে। আরো বলা যায়, এখানে প্রায়শ:ই টাকা আদায় করার ক্ষেত্রে পুলিশই অপরাধীদের সাথে জড়িত থাকে, যার ফলে তাদের বিশ্বাস করা যায় না।</p></blockquote>
<p> <a href="http://easytrackghana.com/G.htm"><em>ইজি ট্রাক ঘানা</em></a> লিখেছে:<br />
<blockquote>খেয়াল রাখবেন, এখানে এটা একটা ব্যবসা মাত্র। অনেক ইন্টারনেট ক্যাফেতে ৩ থেকে ৪ জন আফ্রিকান বালক কাজ করে, এদের একজনই বিদেশীদের সাথে বেশ কয়েকটি চ্যাট সাইটের -এর মাধ্যমে কথা বলে। এ কারণেই এই সমস্ত জীবন বৃত্তান্ত ও চ্যাট অনেক সময় একই রকম মনে হয়। এখানকার অনেক লোক অশিক্ষিত এবং তারা টাইপিস্ট ভাড়া করে, এ সমস্ত টাইপিস্ট এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে গিয়ে চ্যাট মেসেজ বা কথা বলার এক মাধ্যমে কথা বলে। তারা চ্যাট ও ইমেইলে নির্দিষ্ট ছকে উত্তর দেবার জন্য একে অন্যকে সাহায্য করে।এমনকি সবচেয়ে ধাক্কা খাবার বিষয় হচ্ছে এখানে কিছু ইন্টারনেট ক্যাফে রয়েছে যারা এ কাজেই নিজেদের *নিয়োজিত* রেখেছে। এটা আসলেই একটা ব্যবসা, এখানে বিদেশীদের সাথে এই ধরনের আলোচনার জন্য ব্যবহারকারী টাকা প্রদান করে এবং ১১ থেকে ১২ বছরের ছেলে পর্ণোগ্রাফি বা নিষিদ্ধ ছবি দেখে এবং শেখে কি ভাবে পুরুষ সমকামী পরিচয়ে ইন্টারনেটে চ্যাট করতে হবে। এখানে যে কেউ যে কোন কিছু সাজতে পারে। কাজেই আপনি জানবেন না কার সাথে আপনি চ্যাট করছেন।</p></blockquote>
<p> ঘানায় আসা ভ্রমণকারীদের <a href="http://www.gayghana.org/page/Gay+visitors+to+Ghana"><em>গে ঘানা</em></a> সতর্ক করে দিচ্ছে:<br />
<blockquote>বিদেশে ডেটিং সাইট বা সাক্ষাৎ করার জন্য নিবেদিত সাইটগুলো প্রায়শ:ই কারো সাথে সাক্ষাৎ করার জন্যই কেবল ব্যবহার করা হয়, প্রেমিক বা সমকামীর সাথে [সম্ভব্য]। আউটপারসোনাল অথবা গেডারে আপনি অন্য যে কোন দেশের চেয়ে ঘানার নিবন্ধকৃত সমকামীদের দেখা পাবেন। আউটারপারসোনালে আফ্রিকার যে কোন দেশের চেয়ে ঘানার অনেক ছেলে রয়েছে এবং তারা পুরুষ সঙ্গীর খোঁজে করে (প্রায়শই তাদের নগ্ন ছবি দিয়ে)। এর মানে কি এই যে ঘানা আফ্রিকার সমকামীদের স্বর্গরাজ্য? না&#8230;.এর মানে হল এখানে অনেক তরুণ এতটা সাহসী যে তার অন্য কোথাও সবুজ চারণভূমি খুঁজছে, মানে তারা এখান থেকে আয় করতে চায়। তারা নিজেদের এতটা যোগ্য করেছে যে তারা ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করতে শেখতে।</p></blockquote>
<p> <em><a href="http://galck.org/">গ্লাক</a></em> একটি কেনিয়ান ওয়েবসাইট, তার এক পোস্টের শিরোনাম, আপনি কি কখনো ব্লাকমেইল বা ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের শিকার হয়েছেন? তারা সেখানে বের করার চেষ্টা করছে যে কি পরিমাণ টাকা কেনিয়ার পুরুষ সমকামী সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ভুয়া ব্যক্তিটি আদায় করে নিয়েছে। তারা বলে টাকা দিলে তারা কাউকে জানাবে না যে সে পুরুষ সমকামী। এখানে পুরুষ সমকামী ব্যক্তিটি নাজুক অবস্থায় থাকে এবং তাদের সহকর্মী, প্রতিবেশী,বন্ধুদের নিন্দার ভয়ে ভীত হয়ে থাকে, কারণ তারা জানে এই সত্য প্রকাশ হয়ে গেলে তাদের জীবন বিপন্ন হতে পারে এবং তার পেশা এক সমকামীতায় ভীত সম্প্রদায়ের চোখ রাঙ্গানীর মধ্যে পড়ে যাবে। <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=25:blackmail&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">গ্লেক দাবি</a> করেছে যে ব্লাকমেলাররা ২০০০,০০০ কেনিয়ান শিলিং (প্রায় ২৫,০০০ ডলার থেকে ৫০০ কেনিয়ান শিলিং(৬ ডলার) পর্যন্ত দাবি করে থাকে&#8230;.।<br />
<blockquote>আপনার যৌন সর্ম্পক গত ধারণার কারণে কি আপনি ব্লাকমেলিং-এর শিকার হয়েছেন অথবা এমন কাউকে জানে যে এর শিকার হয়েছে? গ্লাক কেনিয়াতে পুরুষ সমকামীতার সত্যিকারের মূল্য প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। আজকের কেনিয়ার এলজিবিটি সম্প্রদায়কে ব্লাকমেল ও ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করার মতো জমজ অপরাধ ঘটে থাকে যা তাদের উপর ঘটে চলছে। এইখানে প্রাপ্ত তথ্য এক করার মধ্যে দিয়ে তারা এর সীমা নির্ধারণ করতে সমর্থ হব এবং চুপ রাখার জন্য কত টাকা দেওয়া হচ্ছে তার পরিমাণ বের করতে পারব। আমরা যে সমস্ত গল্প জানতে পেয়েছি, তাতে যত দুর দেখতে পাচ্ছি সমকামী ব্যক্তিরা ৫০০ কেনিয়ান শিলিং থেকে শুরু করে ২,০০০,০০০ শিলিং প্রদান করেছে। পরের সংখ্যাটি মাত্র এক মাস আগে প্রদান করা হয়েছে। চলুন এই রিপোর্ট পুরো করার জন্য আমরা এক সাথে কাজ করি-আমরা সত্যিকারের নাম ব্যবহার করবো না, যদি নিজেরা তা ব্যবহার করতে চাই সেটি আলাদা বিষয়। আপনি আপনার গল্প লিখে ফেলতে পারেন এবং তা আমাদের ঠিকানা <a href="mailto:info@galck.org">ইনফো@গ্লাক.অর্গ</a>-এ মেইল করতে পারেন। যদি আপনি নিজে আসতে না চান, তা হলে আমাদের +২৫৪-২০-২৪২৬০৬০ এই নম্বরে ফোন করে আপনার সাক্ষাৎকার প্রদান করতে পারেন।</p></blockquote>
<p> <strong>কিছু মৌলিক নিরাপত্তা উপদেশ</strong> কি ভাবে নেটে আপনি একজন ভুয়া ব্যক্তিকে চিনবেন? এদের বেশীরভাগই ভয়াবহ ভুল ব্যাকরণে সব কিছু লিখে থাকে। এটা জানা যাচ্ছে যে এদের বেশীর ভাগই অশিক্ষিত এবং তারা সেই সমস্ত ভাড়া করা টাইপিষ্টদের উপর নির্ভর করে থাকে। আরো-জানুন: আপনার প্রতি তাদের ভালোবাসা আছে এটা বলে তারা যোগাযোগ শুরু করে এবং বর্ণনা করতে শুরু করে তাদের অতীত, একজন পরিবারের সদস্য যাদের চুল বা নখ পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। প্রথম আলোচনায় তারা টাকা চেয়ে বসে, এমনকি <a href="http://easytrackghana.com/G.htm">আপনি তাদের জানার আগে</a>:<br />
<blockquote>যে কোন ব্যক্তি যে প্রথমেই আপনার কাছে ভালোবাসার প্রস্তাব নিয়ে আসে, সে হয় এক ভুয়া ব্যক্তি অথবা প্রতারক। সাথে সাথে আপনার প্রতি তাদের যে ভালবাসা দেখানো শুরু হয় তা আসলে সুযোগ নেবার প্রচেষ্টা যা আপনি উপস্থাপন করেন এবং আপনার যে টাকা রয়েছে তার জন্য। যারা প্রতারক তারা অনেক গোছানো থাকে, এমনকি যদিও আপনি অন্য কোন দেশের এক দরিদ্র ব্যক্তি হন, তারপরেও আপনার আফ্রিকান চ্যাট করা ব্যক্তিটির তুলনায় অনেক বেশি ধনী। সম্পদের এই তুলনা আপনি যে সম্পর্ক তৈরি করতে চাচ্ছেন তার উপর প্রভাব ফেলে।</p></blockquote>
<p> <em>ফেকারসট২গো</em>-এর কিছু <a href="http://fakers2go.blogspot.com/">নিরাপত্তা সম্বন্ধে ধারণা </a>প্রদান; <strong>কিভাবে প্রহার ও চৌর্যবৃত্তি এড়াবেন</strong><br />
<blockquote>অনলাইনে লোকদের সাথে মেশার ক্ষেত্রে যত্ন বান হউন। যখন তারা সাক্ষাৎ-এর কথা বলে তখন প্রতারকেরা নিচের বিষয়গুলো সম্বন্ধে ১)আলাপ করে থাকে। ২)আপনার মোবাইল ফোন সাথে আনবেন (কারণ তারা এটা চুরি করতে চায়) যৌন আকর্ষক/ সুন্দর পোষাক পরে আসবেন (কারণ তারা আপনাকে নগ্ন করে আপনার কাপড় বিক্রি করবে) ৩)একা আসবেন ( যাতে কেউ আপনাকে সাহায্য করাতে না পারে) ৪)টেমাতে আসুন! অনেক সময় তারা একটা যৌন আকর্ষক বার্তা পাঠায় এবং এর উত্তরের অপেক্ষায় থাকে। যদি কেউ এর উত্তরে যৌন কোন বার্তা পাঠায় তা হলে তারা এই বার্তাটি প্রমাণ হিসেবে রাখে এবং পুলিশের কাছে তা প্রমাণ হিসেবে দেখায়। ইয়াহু চ্যাট এবং অনলাইনের ছবিও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হয়।</p></blockquote>
<p> <em>গ্লাক</em> বলছে যে একজন ব্লাকমেলার প্রথমেই অপরিচিত কোন পুরুষ সমকামীকে যে প্রশ্ন করে তা হলো সে কি <em>গ্লাকের</em> নাম শুনেছে কিনা, যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=43:arrest&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">তা হলে তারা রাগ করে চলে যায়</a>।<br />
<blockquote>দ্বিতীয়ত: এই তথ্য আপনার পরিচিত সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন। ঘটনা হচ্ছে যখনই আপনার নতুন কোন ব্যক্তির সাথে দেখা হবে, তখনই তাকে জিজ্ঞেস করুন সে গ্লাক সম্বন্ধে জানে কিনা। এর দু&#39;টি সুবিধা রয়েছে- যদি অপনার বন্ধু গ্লাক সম্বন্ধে না জেনে থাকে, তা হলে সে আমাদের কর্মকাণ্ড সম্বন্ধে জানল, এর মাধ্যমে কোন দিন সে কোন সাহায্য পেতে পারে, দ্বিতীয়ত গ্লাক এখন ব্লাকমেলারদের জন্য এক গোপনীয় সঙ্কেত। মনে আছে এর আগে আমি বলেছি, ব্লাকমেলাররা তাদের সম্ভাব্য শিকারকে প্রথম যে প্রশ্নটি করে সে কি গ্লাক এর নাম শুনেছে। আপনি এবং আপনার বন্ধু মিলে এই কাজটি করুন , এই শব্দটিকে ছড়িয়ে দিন এবং বিশেষ করে গ্লাকে যোগাযোগের ঠিকানা যাতে আমাদের লোকজন কেবল বিষয়টি অনুভব করেই ক্ষান্ত না দেয়, যেন তারা সব সময় নিরাপত্তা প্রদান করতে সক্ষম হয়।</p></blockquote>
<p> এর বাইরেও এখানে যে সমস্ত পুরুষ অন্য পুরুষদের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িত তাদের ( পুরুষ ও পুরুষ সর্ম্পক) এবং পুরুষ সমকামীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানকারীদের (সিএসডাব্লিউএস) বিনোদনের জন্য এক লাইব্রেরি, চলচ্চিত্র প্রদর্শন, সাধারণ সভা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তাদের এমন লোক রয়েছে যারা পুরষ সমকামীদের রক্ষা করে এবং যে চাপ প্রতিটি মহিলা ও পুরুষ সমকামী এবং উভয়কামী এবং লিঙ্গ পরিবর্তন কারী অনুভব করে এবং যে কোন সমকামী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি, তারা অবশ্যই <a href="http://galck.org/index.php?option=com_content&#038;view=article&#038;id=43:arrest&#038;catid=11:blackmail&#038;Itemid=11">তাদের ফোন নম্বর রেখে দেবে</a>&#8230;&#8230; যখন এ ধরনের কোন ঘটনার মুখোমুখি হয়।<br />
<blockquote>প্রথমত, আমরা সকলেই আমাদের ফোনে ০২০-২৪২৬০৬০ এই নম্বরটি রেখে দেব। এটা গ্লাকের নম্বর। গ্লাক সব সময় আপনার প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে, যখনই আপনি আপনার যৌন অবস্থানের কারণে কোন কঠিন আইনগত অবস্থায় পড়বেন। এমনকি যদি আপনি এ কোন যৌনকাণ্ডে জড়িত অবস্থায় ধরা পড়ার পরও তারা আপনার পাশে রয়েছে। কাজেই কমরেড, ভয়ের ছায়াকে দুরে ফেলে দিন!</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/21/6340/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সুদানী এক &#8216;পাপে&#039; মিশরীয়দের প্রতিক্রিয়া</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/17/6208/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/17/6208/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 17 Sep 2009 13:02:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সুদান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6208</guid>
		<description><![CDATA[সুদানে জাতিসংঘের মহিলা কর্মচারী লুবনা হুসেন জেল ও বেত্রাঘাতের মতো শাস্তির হুমকির মোকাবিলা করছেন। তিনি সুদানের রাজধানী খার্তুমে ছেলেদের মতো প্যান্ট পড়ে বের হয়েছিলেন এই 'পাপে' তার এই সাজা। তার দু:খজনক কাহিনীর এখনো পরিসমাপ্তি ঘটে নি। এই পোস্টে মারওয়া রাখা মিশরীয় ব্লগারদের প্রতিক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত অংশ তুলে ধরেছেন।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marwa-rakha/">মারওয়া রাখা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/11/egyptians-react-to-the-sudanese-sin/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সুদানে জাতিসংঘের মহিলা কর্মচারী <em>লুবনা হুসেন</em> জেল ও বেত্রাঘাতের মতো শাস্তির হুমকির <a href="http://www.reuters.com/article/africaCrisis/idUSL8678488">মোকাবেলা করছেন</a>। তিনি সুদানের রাজধানী খার্তুমে ছেলেদের মতো প্যান্ট পড়ে বের হয়েছিলেন এই তার অপরাধ। তার দু:খজনক কাহিনীর এখনো পরিসমাপ্তি ঘটে নি।</p>
<p>সুদানের ব্লগার <em>ড্রিমা </em>এই <a href="http://www.sudanesethinker.com/2009/09/07/lubna-sentence-flogging/">ঘটনার উপর মন্তব্য করেছে</a> যে লুবনাকে এখন বেত্রাঘাত করা হবে না, কিন্তু লেখক তার পাঠকদের স্মরণ করিয়ে দেন যে (<a href="http://pajamasmedia.com/blog/teddy_bear_blasphemy_case_an_e/">টেডি বিয়ার সার্কাস</a> বা ভাল্লুক নাচের) কথা। সুদানের এক আদালত লুবনাকে ২০৯ ডলার জরিমানা করেছিল। লুবনা এই জরিমানার টাকা প্রদান করতে অস্বীকার করে। এর ফলে তার এক মাসের কারাদণ্ড হয়। পরে যখন সুদানের সাংবাদিক ইউনিয়ন তার পক্ষ হয়ে এই জরিমানার টাকা প্রদান করে, তখন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন লুবনার প্রশ্ন: সেই ৭০০ জনের বেশি মহিলার কি হবে, যারা প্যান্ট পড়ার জন্য জরিমানা প্রদান করতে অক্ষম?  </p>
<p>মিশরীয় ব্লগার এবং সাংবাদিক <a href="http://pajamasmedia.com/blog/teddy_bear_blasphemy_case_an_e/">মোনা এল তাহাউই</a> বিশ্বাস করেন, ধর্মের নামে কাউকে লাঠি দিয়ে পেটানো <a href="http://www.monaeltahawy.com/blog/?p=149">মহিলা ও ইসলামের এক পরিষ্কার অপব্যবহার</a>। </p>
<blockquote><p>ওই সমস্ত মহিলাদের মধ্যে দশ জন [যারা প্যান্ট পড়েছিল] শাস্তি হিসেবে জরিমানা এবং বেত্রাঘাত মেনে নিয়েছে, কিন্তু মিজ হুসেন এবং অন্য দুইজন এই অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, এখন এই বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতে লড়ছে। সুদান সরকার লুবনার লেবানন ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। লেবাননে এই অভিযোগের উপর লুবনার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকার প্রদান করার কথা ছিল সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে।</p>
<p>সৌভাগ্যবান শব্দটি ব্যবহার করা অদ্ভুত শোনাবে এ কারণে যে একটি মেয়ে ৪০টি বেত্রাঘাতের সাজা পেয়েছে, কেবল প্যান্ট পরার জন্য, কিন্তু তার অবস্থান ও কাজের ক্ষমতায় এটাই সত্যি, কারণ ঠিক সেখানেই মিজ হুসেন রয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি সাহসী এবং নির্ভীক। তিনি জাতিসংঘের প্রেস অফিসার পদ থেকে পদত্যাগ করেন, যে পদ তাকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারত, এই বিচারে দাঁড়ানো থেকে।</p>
<p>এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তিনি এক মুসলিম মহিলা যিনি জানেন প্যান্ট পরার কারণে বেত্রাঘাত নিছক অন্যায় এবং যা এক অর্থহীন বিষয়; তিনি জানান, তিনি এমনকি ৪০,০০০ বেতের বাড়ি গ্রহণ করতে রাজি, এই আইনটিকে দুর করতে।</p>
<p>অন্য যে সমস্ত হাজার হাজার সুদানী মহিলা- মুসলিম বা অমুসলিম হোক না কেন, তারা এতটা সৌভাগ্যবান নয়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণ সুদানের সুদানী মহিলারা লাঠি খাওয়ার জন্য সদাই প্রস্তুত থাকে, কারণ সেখানে ইসলামী আইন প্রচলিত রয়েছে এই বিষয়টি প্রমাণের জন্য ক্ষমতা বান শাসকেরা মেয়েদের লাঠি মারার মতো সস্তা কাজটি করে থাকে।</p></blockquote>
<p><em>মোনা</em> এইসব তথ্যের উপর মনোযোগ দেন:</p>
<blockquote><p>বেত্রাঘাত এক নিষ্ঠুর এবং অমানবিক শাস্তি, আন্তর্জাতিক আইন  ও চুক্তি অনুসারে এই কাজটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, যে কোন অত্যাচারের বিরুদ্ধে। বিশ্বের বেশীরভাগ রাষ্ট্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।</p></blockquote>
<p>তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে আহ্বান জানান: </p>
<blockquote><p>এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংঘে ছড়িয়ে দেওয়া, বিভিন্ন দেশে সেই সমস্ত আন্তর্জাতিক বাধা ঝেড়ে ফেলা, যে বাধা তারা অনুভব করে সংস্কৃতি অথবা ধর্মের নামে।</p></blockquote>
<p>লুবনার কারণকে সমর্থন করে মিশরীয় <a href="http://seyasymasry.blogspot.com/2009/09/my-name-is-lobna.html">সেইয়াসেই মাসরি</a> লিখেছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">نعم اسمي لبنى مثلهم مثلكم اختلف عنهم اختلف عنكم في النهاية انا لبنى استقلت وظيفيا لأقاتل و تحديتهم لأناضل حاولوا ترهيبى ازعجتهم ارادوا اخافتى ارهبتهم صمدت صبرت و النهاية التى يعلمونها قد حدثت قلتها لهم مرارا و لم يستغربوا لم يندهشوا حينما همست قائلة انتم جبناء و انا لبنى حسين
<div class="arabic"></blockquote>
<div class="translation">হ্যাঁ… আমার নাম লুবনা… তাদের মতো, তোমাদের মতো.. কিন্তু আমি তাদের সাথে নিজেকে আলাদা ভাবি এবং তোমাদের থেকেও…তারপরেও দিনের শেষে আমি লুবনা, যে আমি আমার চাকুরি ছেড়ে দিই তাদের সাথে লড়াই করার জন্য… তাদেরকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য…আমার কারণকে সমর্থন করার জন্য …তারা আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে… আমি আমার অধিকারের জন্য উঠে দাঁড়াই… তারা আমাকে চুপ করিয়ে দেবার ভয় দেখায়… আমি কথা বলে উঠি…  … আমি আমার কাজ করে যাই.. এবং আমি তাদের বলি তোমরা কাপুরুষ কিন্তু আমি লুবনা হুসেন।</div>
<p>লুবনা পরিষ্কার ভাবে বলেছে:  </p>
<blockquote><div class="arabic">لبنى حسين : الحكومات عليها إدخال الأطفال المدارس والمرضى المستشفيات..و لا علاقة لها بإدخال النساء الجنة.</div>
</blockquote>
<div class="translation">সরকারকে অবশ্যই মেয়েদের স্কুলে ও রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোর সময় আরো সচেতন হতে হবে… তাদের কিছু করার নেই, কাজেই মেয়েদের কোথাও পাঠানোর সময় বেহেশ্তে একটা জায়গা তৈরি করে রাখতে হবে!</div>
<p>মিশরের সেন্টার ফর ওমেন রাইট<a href="http://ecwronline.org/index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=312&#038;Itemid=64"> নিচের বিবৃতিটি</a> প্রকাশ করেছে:</p>
<blockquote><div class="arabic">في تصعيد موجهة ضد حقوق الانسان في السودان ، اعتقلت الشرطة السودانية اليوم 48 ناشط وناشطة حقوقية بينهم 3 ناشطات في حالة حرجة بمستشفي ” حوادث الخرطوم ،اثناء تضامنهم مع الصحفية ومطالبتهم بالغاء المادة رقم 152 من قانون العقوبات السوداني وذلك قبيل بدء المحكمة حيث قامت قوات الشرطة بضرب النشطاء المتضامنين امام المحكمة خلال وقفتهم ضد المادة 152 من قانون العقوبات السوداني ،وقد صدر الحكم ضد الصحفية السودانية لبني أحمد الحسيني بغرامة 500جنية سوادني وفي حالة عدم سدادها تحبس لمده شهروقد شهدت محكمة الخرطوم عقب النطق بالحكم تواجد مكثف من قوات الشرطة السودانية التي قامت بطرد هيئة دفاع الصحفية المكونة من المحامين السودانين والمصريين المتضامنين مع الصحفية</div>
</blockquote>
<div class="translation">সুদানের পুলিশ বাহিনী মানবাধিকার নীতি লঙ্ঘন করে, যখন তারা ৪৮ জন অ্যাক্টিভিস্টকে গ্রেফতার করে- যাদের মধ্যে হাসপাতালে যাওয়া ৩ জনের অবস্থা খুব জটিল আকার ধারণ করে- সে সময় অ্যাক্টিভিস্টরা লুবনা হুসেনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে এবং তারা সুদানী আইনের ১৫২ ধারা বাতিল করার দাবি জানাচ্ছিল। রায় ঘোষণার আগে এই সমস্ত এক্টিভিস্টের উপর পুলিশ চড়াও হয় এবং  মিশরীয় ও সুদানী আইনজীবী যারা লুবনার হয়ে আইনি লড়াই করছিল, তাদের আদালত কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। আদালতের রায়ে আরো একবার লুবনাকে ৫০০ সুদানী পাউন্ড জরিমানা করা হয় এবং যদি এই জরিমানা সে প্রদান করতে অস্বীকার করে তা হলে একমাসের জেল প্রদান করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।</div>
<p><em>খাওয়াতের</em> [আরবী ভাষায়] জানাচ্ছেন <em>লুবনা</em>, এই জরিমানার <a href="http://trtr3888.blogspot.com/2009/09/blog-post_8755.html">টাকা দিতে অস্বীকার করে</a> এবং তার এই টাকা প্রদানে নিজের <a href="http://trtr3888.blogspot.com/2009/09/blog-post_2940.html">বেকসুর</a> ভাবনা ও তার সমর্থক এবং ইসলামপন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের বিষয়টি জানাচ্ছে এবং <em>মোনা এল তাহাউই</em> লিখেছেন কি ভাবে <a href="http://www.monaeltahawy.com/blog/?p=158">সুদানীরা তাদের প্যান্টের কারণে ধরা খেয়ে গেছে</a>: </p>
<blockquote><p>সারা বিশ্ব তাদের দেখছিল, যখন সোমবারে বিচারক এই বেত্রাঘাত শাস্তি বাতিল করে দেয় এবং তাকে ২০০ ডলার জরিমানা প্রদান  করতে বলে। কিন্তু হুসেনের এই আঘাত সুদান সরকারকে ফিরিয়ে দেয়, জরিমানার টাকা প্রদান না করে সে তার বদলে শাস্তি হিসেবে এক মাস জেলে কাটাতে রাজি হয়, এর মধ্যে দিয়ে সে হাজার হাজার অন্যসব মহিলার সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে, মুসলিম বা অমুসলিম সব ধরনের মহিলার সাথে, যারা তথাকথিত ইসলামিক সুদানের শাসনকর্তাতাদের শূন্যগর্ভ এক ধার্মিক ভাবনা প্রকাশের শিকার।   </p>
<p>ধাক্কা খাবার মতো বিষয় হল, সুদানে এই ধরনের ঘটনা গুলো অস্বাভাবিক নয়। সেখানকার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গত বছর প্রায় ৪৩,০০০ জন মহিলা অশালীন পোশাক পরার দায়ে জেলে গিয়েছিল। সুদানের শাসনকর্তারা হুসেনকে গ্রেফতার করার মাধ্যমে এক ভুল মানুষকে বেছে নিয়েছে, সে তার বন্ধু ও আত্মীয়দের অনুরোধ করেছিল, যেন তারা জরিমানার টাকা প্রদান না করে। তা সত্বেও সংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান- যিনি শাসকদলের এক সদস্য- এই জরিমানার টাকা দিয়ে দেয় এবং হুসেনকে জেল থেকে প্রায় বের করে দেওয়া হয়। টেলিভিশনের সংবাদে দেখা যায়, যখন তাকে চলে যেতে বলা হয়, সে সময় তাকে অসুখী দেখাচ্ছিল।</p></blockquote>
<p><em>মোনা</em> তার পোস্ট শেষ করেছেন এই বলে:</p>
<blockquote><p>এখন জাতিসংঘের সময় এসেছে তার সদস্য তালিকা থেকে সুদানকে বহিষ্কার করার এবং সেই সব দেশকেও, যারা নির্লজ্জভাবে মেয়েদের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে “শালীনতার” নামে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/17/6208/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
