<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; পাকিস্তান</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/south-asia/pakistan/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান - এক ভিন্ন ধরনের পলায়ন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7411/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7411/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 12:57:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আর্মেনিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7411</guid>
		<description><![CDATA[দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে তালেবানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের ফলে তালেবানদের তরফ থেকে এক পাল্টা আঘাত হানার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যার ফলে এখানকার ১২০,০০০ স্থানীয় বাসিন্দা তাদের ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। ব্লগাররা এই সমস্ত আভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত লোকদের দুর্দশা নিয়ে আলোচনা করছে।     ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sana-saleem/">সানা সালিম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/pakistan-south-waziristan-a-different-exodus/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অবশেষে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের তালেবানদের বিরুদ্ধে বহু প্রতীক্ষিত <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/pakistan-operation-in-south-waziristan/">অভিযান</a> শুরু করেছে। সারা দেশ জুড়ে বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের পর সরকার এই অভিযানের ঘোষণা দেয়, যা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই অভিযানের ফলে তালেবানদের তরফ থেকে এক পাল্টা আঘাত তৈরির বিষয় রয়েছে, যার ফলে এখানকার ১২০,০০০ স্থানীয় বাসিন্দা তাদের ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। <a href="http://www.pakspectator.com/waziristan-idp-problems-and-hardships/">পাক স্পেক্টেটর</a>-এর <em>মারিয়া সুলতান</em> ওয়াজিরিস্তানের আভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে বাস্তু চ্যুত লোকদের উপর আলোকপাত করেছেন:    </p>
<blockquote><p>এই সমস্ত আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু মানুষেরা (ইন্টারনাল ডিসপ্লেসড পিপলস বা আইডিপি) পায়ে হেঁটে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান থেকে ডেরা ইসমাইল খান গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে পৌঁছাতে তাদের প্রায় শ-খানেক মাইল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে এবং পথে তাদের যে দুর্দশা ঘটেছিল তা বলার মত নয়। ডেরা ইসমাইল খান এলাকায় প্রাথমিক বেশ কিছু শিবির স্থাপন করা হয়, কিন্তু এই সব শিবিরে যথেস্ট খাবার, ওষুধ ও আশ্রয়ের বন্দোবস্ত নেই এবং সেখানে খাবার পানির অভাব রয়েছে। যারা এইসব লোকদের সাহায্য করবে সেই সব সরকারি কর্মকর্তারা এখনো এই এলাকায় আসে নি এবং সেখানে এক মানবিক বিপর্যয় ঘনিয়ে উঠছে।</p></blockquote>
<p>এদিকে <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/pakistan/provinces/11-tensions-boil-over-as-refugees-arrive--il--02">ডন</a> নামের পত্রিকা জানাচ্ছে, যে সমস্ত স্থানীয় বাসিন্দা এই রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাচ্ছে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সমস্ত লোকেরা ক্রমাগত নানা বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছে এবং এই আক্রমণাত্বক পরিস্থিতিতে তারা কোন <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/pakistan/11-disillusioned-pakistanis-uprooted-by-offensive--il--07">আশার আলো</a> দেখছে না। </p>
<p><a href="http://www.chowrangi.com/waziristan-refugee-crisis.html">চৌরাঙ্গি</a> ব্লগের <em>হিনা সাফদর</em> আশাবাদী যে সরকার উদ্বাস্তুদের সমস্যা সমাধানে খুব দ্রুত উদ্যোগ নেবে। </p>
<blockquote><p>বাস্তু চ্যুত উদ্বাস্তুরা ডেরা ইসমাইল খান ও ট্যাঙ্ক নামক এলাকায় পালিয়ে গেছে। এ দু&#39;টি শহরের অবস্থান পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে, যা দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের সীমানায় ঘেঁষে রয়েছে। ত্রাণকর্মীরা বলছেন উদ্বাস্তুদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার পথে এখন সরকারের সবচেয়ে বড় বাধা সেখানকার ক্ষণভঙ্গুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সরকার অবশ্য অস্বীকার করেছে যে সেখানকার উদ্বাস্তুরা সমস্যায় রয়েছে। সরকার বলছে, বাস্তু চ্যুত ব্যক্তিদের জন্য তারা যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে নগদ টাকা ও খাদ্যসামগ্রী প্রদান। সেখান উদ্বাস্তু শিবির স্থাপন বাস্তব সম্মত কোন সিদ্ধান্ত নয়, কারণ সেখানে উপজাতি গোত্রগুলোর মধ্য পুরোনো শত্রুতাপূর্ণ সম্পর্কের কারণে এখনো সংঘর্ষ চলছে। বাস্তু চ্যুত ব্যক্তিরা মূলত: সেখানে তাদের আত্মীয় বা স্বগোত্রীয়দের সাথে বাস করছে।</p></blockquote>
<p>ওয়াজিরিস্তানের সমস্যা সোয়াত উপত্যকায় সৃষ্ট সমস্যার চেয়ে ভিন্ন। এখানে অসংখ্য মানুষ বাস্তু চ্যুত হয়েছে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হচ্ছে সেখানকার লোকদের দেখাশোনা করা ও তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা, যাতে তালেবানরা শিবিরের লোকদের সাথে মিশে না যায়। তবে স্থানীয়দের মধ্যে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে ও শিবিরে লোকজনের আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণ না করতে পারার যে সমস্ত সংবাদ আসছে, তাতে মনে হচ্ছে এই ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।    </p>
<p><em>পাকস্পেকটেটরে</em> <em>আলতাফ খান</em> একটি লেখা পোস্ট করেন, যার শিরোনাম ‘<a href="http://www.pakspectator.com/questions-to-ask-before-south-waziristan-battle/">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের যুদ্ধ শুরু করার পূর্বে কিছু প্রশ্ন </a>’’। এই লেখায় তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেন। </p>
<blockquote><p>•	সামরিক বাহিনী কি প্রস্তুত, সমরসজ্জা , প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত দিক নির্ধারণের দিক থেকে? তারা কি এক গেরিলা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, যা তারা লড়তে যাচ্ছে?<br />
•	এখানে জানা জরুরী সন্ত্রাসীদের সাথে স্থানীয় লোকদের কি ভাবে আলাদা করে চিহ্নিত করা হবে, বিশেষ করে মেসহুদ-এর গোত্রের লোকদের সাথে মেসহুদের অনুসারী যোদ্ধাদের কি ভাবে আলাদা করা হবে, তা নির্ধারণ করা জরুরী? </p></blockquote>
<p>যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ে তৈরি হওয়া অনেক প্রশ্নের মধ্যে এগুলো সামান্য কয়েকটি প্রশ্ন। যদিও মনে হচ্ছে লোকজন এই বিষয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত। বিশেষ করে আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের এবং কি ভাবে এই মানবিক বিপর্যয়কে কমিয়ে আনা যায় সে ব্যাপারে সবাই সাহায্য করতে রাজি। আমার নিজের <a href="http://sanasaleem.com/2009/11/03/waziristan-neglected-hearts-and-minds/">ব্লগে </a>আমি একটা সচেতনতামূলক বিষয় উত্থাপন করেছি এবং বিশ্লেষণ মূলক লেখা পোস্ট করেছি। সেখানে বলা হয়েছে চলতে থাকা এই পরিস্থিতি ও সমস্যা সম্বন্ধে, যে সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।      </p>
<blockquote><p>ঘটনা হচ্ছে মেহসুদের প্রতি কর্তৃপক্ষ ও জনতার মনোভাব সহনাভূতিশীল ও সচেতনতার বদলে সতর্কতামূলক ও ভীতিকর। যা মূলত তালেবানদের উদ্দেশ্যকে সফল করে। এবং এই বিষয়গুলো মেহসুদের স্বগ্রোত্রীয় লোকদের তার দলে মিশে যেতে বাধ্য করে। এই যুদ্ধে কখনই জেতা যাবে না, যদি না ওয়াজিরিস্তানের স্থানীয় বাসিন্দারা তালেবানদের সাথে লড়াইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ও তাদের কাঠামো ধ্বংস করার প্রতি আলাদা কোন আগ্রহ না দেখায়। স্থানীয় লোকদের হৃদয় না জিতে যুদ্ধ জেতা হবে ক্ষণস্থায়ী এক জয় মাত্র। যদি আমরা একে চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করে দিতে চাই তাহলে আমাদের নিরাপত্তাহীনতাকে অতিক্রম করতে হবে এবং তাদের সহানুভূতির সংস্কার থেকে বের করে আনতে হবে। জাতি হিসেবে এক হয়ে থাকতে হলে এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এটা প্রয়োজন। চলুন ওয়াজিরিস্তানের বাস্তুচ্যুত এইসব লোকদের প্রতি আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাই, যদিও তারা অতীতে নিরবিচ্ছিনভাবে তালেবানদের সমর্থন জুগিয়ে গেছে। এটা আমাদের জন্য এইসব লোকদের সাহায্য করার একটা সুযোগ যাতে তারা তালেবানদের বলয় ছিন্ন করে বের হয়ে আসতে পারে। চলুন সবাই পরিত্রাণের পথ বেছে নেই।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7411/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অপারেশন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 17:54:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7334</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। ব্লগাররা আলোচনা করছে যে এই অপারেশনের সাফল্য কেন পাকিস্তান এবং সারা বিশ্বের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/pakistan-operation-in-south-waziristan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 376px"><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/File:FATA_%288%29.jpg"><img alt="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/South-Waziristan.jpg" title="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" width="366" height="385" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। এই অপারেশনের কাজ শুরু হয় গত জুন মাসে যখন সেনাবাহিনী সোয়াত উপত্যকা এলাকাকে তালিবান চরমপন্থীদের কাছ থেকে পুনর্দখল করে নেয়। গত ১৯শে জুনে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Waziristan">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে</a> সেনা জড়ো করা শুরু করে। তিন মাসের অবরোধ আর তালিবানের সাথে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ পর্বের পরে সেনারা পরিশেষে ১৯শে অক্টোবর পুরো দস্তুর যুদ্ধ শুরু করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোট ২৮০০০ সেনা আর ৫০০ জন বিশেষ কমান্ডো আর তালিবানদের ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার সেনা আর ১৫০০ বিদেশী ভাড়াটে যোদ্ধা এ যুদ্ধে নিয়োজিত আছে। এই সংঘাত জোরালো আর দীর্ঘ হয়েছে আর প্রত্যেক দিন খবর আসছে যে পাকিস্তান সেনা কয়েক ইঞ্চি করে ভেতরে ঢুকছে একটা কঠিন আর বিপদজনক এলাকায়।</p>
<p><em>পাকিস্তানপাল</em> ব্লগে <em>আহসান ওয়াহিদ</em> দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের <a href="http://pakistanpal.wordpress.com/2009/10/05/a-showdown-in-waziristan/">কঠিন ভূমিরূপকে দায়ী করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>দূরে আল কায়দা যেখানে আশ্রয় নিয়েছে আমরা তা দেখতে পাচ্ছিলাম। এটা প্রায় সাদা ভূমি, শুষ্ক; রাস্তাবিহীন চূড়ার ধার দিয়ে অল্প কিছুর গাছের গুড়িঁ দেখা যাচ্ছে। আপনি লুকাবার কোন জায়গা খুঁজলে ওয়াজিরিস্তান সেটা হবে, কারণ এত কঠিন আর অতিথিবিমুখ যে বাইরের লোকেরা ঢুকতে ভয় পাবে। ব্রিটিশ রাজের সময়ে, ওয়াজিরিস্তানের মানচিত্র অনেকটাই খালি ছিল, এমনকি অকুতভয় ব্রিটিশ ভ্রমণকারীরাও সাধারণত এখানে পা মাড়াতেন না।</p></blockquote>
<p><em>গ্রেট সাটান্স গার্লফ্রেন্ড</em> এই অপারেশনের জন্য <a href="http://greatsatansgirlfriend.blogspot.com/2009/10/operation-rah-e-nijat.html">জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার গুরুত্বের কথা বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>“আশার মৃত্যুকে কখনো তার ছায়া ফেলতে দেয়া উচিত না, আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাষ্ট্র তার সমস্ত কিছু দিয়ে জনগণকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একত্র করবে।“</p></blockquote>
<p><em>আব্দুল্লাহ সাদ</em> <a href="http://abdullahsaad.com/337-operation-rahenijat-path-salvation-operational-assessment">বিশ্বাস করেন যে</a> তেহরিক ই তালিবানে (টিটিপি) যে বিদেশী যোদ্ধারা আছে তারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>আমার ধারণা হল যে ওয়াজিরিস্তানে অনেক কিছু ঝুঁকির মুখে আছে। কার্যত টিটিপি ক্যাডাররা ঘনবসতিতে চলে আসতে পারে ধীরে ধীরে - খারাপ একটা ভাগ্যের হাত থেকে বা আর একদিন বেশী বাঁচার জন্য&#8230; কিন্তু তাদের ‘অতিথি’দের এই আরাম নেই। উজবেক, চেচেন আর আরব ইত্যাদি জায়গা থেকে আগত যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে হবে কারণ তারা ধরা পড়লে, তাদেরকে প্রথম ফ্লাইটে বাড়ি পাঠানো হবে আর উজবেকিস্তানের মতো দেশে, যেখানে তাদেরকে সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানো হবে।</p></blockquote>
<p><em><a href="http://newmatilda.com/2009/10/23/misery-ending-or-just-beginning">নিউমাতিলদার</a></em> <em>মুস্তাফা কাদ্রি</em> বলছেন যে জঙ্গীদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া পাকিস্তানের জন্য অসম্ভব:</p>
<blockquote><p>এই কথার পেছনে অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে মাথা ঠিক রাখার জন্য। লাহোর, ইসলামাবাদ আর পেশাওয়ারে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে একটা দেশের প্রতি বর্গ ইঞ্চি রক্ষা করা খুব কঠিন যেখানে বিদ্রোহ চলছে। আর পাকিস্তানে এটা প্রায় অসম্ভব, যেখানে বুকে বোমা বাঁধা পরিত্যক্ত তরুণ খুব সহজে পাওয়া যায়।</p></blockquote>
<p>উপরের বাক্যগুলো খুব বেশী সত্য যেহেতু অপারেশন রাহি-এ-নিজাতের ব্যর্থতা সুধী সমাজের প্রতি সরাসরি আক্রমণ ঘটিয়েছে এবং আত্মঘাতী বোমা হামলা আর সারা দেশে আতঙ্ক আর ভীতি ছড়িয়েও দিয়েছে। এর ফলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আর সারা দেশের সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা প্রতি দিন সকালে কেবল যে ওয়াজিরিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের খবরে চমকে উঠি তাই না বরং আমাদের রাস্তাতেও কিভাবে যুদ্ধ হচ্ছে তার ভয়ঙ্কর ব্যাখ্যাও থাকে।</p>
<p><em>ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) জুনায়েদ জামান</em> <a href="http://www.pakspectator.com/schools-closed-in-pakistan-fear-of-terrorism-for-how-long/">‘পাকিস্তান স্পেক্টেটরে’</a> দেশে স্কুল বন্ধ করার নিষ্ফলতা নিয়ে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমাদের ভয় পাওয়ার দরকার নেই আর আমাদের বাচ্চাদের ভিতু তৈরি করারও দরকার নেই। আমাদের ছেলে মেয়েদের সাথে আমাদের কথা বলা দরকার, ভীতি সম্পর্কে তাদের সাথে কথা বলা উচিত, তাদেরকে লক্ষ্য রাখতে বলা উচিত, আমাদের দেশ কোন বিপদের মধ্যে আছে সেটা তাদেরকে বোঝানো উচিত আর সন্ত্রাসবাদের খারাপ দিক সম্পর্কে জানাও উচিত। তাদেরকে শক্তিশালী আর সামর্থ করা উচিত আর কষ্টের সময়ে যাতে বাঁচতে পারে সেই শিক্ষা দেয়া উচিত। তারা যখন এই সময় থেকে বের হবে, তারা বিশ্বের অন্যান্য শিশুদের তুলনায় জীবনের মোকাবিলা করতে অনেক দূর এগিয়ে থাকবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://blog.taragana.com/n/pakistan-shuts-all-schools-after-suicide-bombings-at-islamic-university-201707/">তারাগানাতে</a> <em>জাররার খান</em> সাধারণ জনগণের ধারণার কথা বলেছেন যারা অন্যান্য কারণকে দোষ দিয়েছেন জনগণের উপর এই হামলার জন্য:</p>
<blockquote><p>অনেক ছাত্র এটা মানতে রাজি না যে মিলিট্যান্টরা এই আক্রমণের জন্য দায়ী আর তার বদলে ধোঁয়াটে সব শক্তিকে দোষ দিয়েছেন যারা ইসলামকে নীচু করে পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চাচ্ছে- অনেক ধরনের চক্রান্ত তথ্য যা বোমা হামলার পরে এখানে শোনা যায়।</p></blockquote>
<p><em>বেরি পিকারের</em> <a href="http://glendaclaborne.com/node/10">গ্লেন্ডা</a> একটা সমাজের মনোবলের কথা বলেছেন যারা সন্ত্রাস সত্ত্বেও জীবন চালিয়ে নিচ্ছে আর তিনি ইসলামাবাদের একটা কনসার্টের কথা বলেছেন:</p>
<blockquote><p>তাদেরকে বৃহষ্পতিবার রাতে থামতে হয় নি। অন্তত এক ঘন্টার জন্য। আরিব আঝার আর তার চার জনের দল সঙ্গীতের বৈশ্বয়ীকতা, বৈচিত্র আর সহনশীলতার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন এমন এক শহরে যেখানে মাত্র চার দিন আগে আবারও সন্ত্রাসবাদের ক্ষমতা দেখেছে যা জীবনের কিছু সুন্দর আর সত্য তা প্রকাশের মানুষের ক্ষমতাকে থামিয়ে রাখার জন্য।</p></blockquote>
<p><em>বিলকিস</em> <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/10/27/the-parallel-step-bilquis/">অনেক কিছু জানিয়েছেন</a> <em>চুপ (চেন্জিং আপ পাকিস্তান)</em> ব্লগে:</p>
<blockquote><p>অনেক শিক্ষাবিদ আর রাজনীতিবিদ, বিশেষ করে ইমরান খান তর্ক করেছেন যে এইসব এলাকার লোকেরা অনেক শতাব্দী ধরে আইন বিহীন সমাজে বাস করে আসছেন। এই বাস্তবতার নিরিখে, তারা বলেন, তাদের ঐতিহ্যকে সম্মান করে তার ভিতরেই কাজ করা আমাদের উচিত। আমি অসম্মতি জানাচ্ছি। যেমন টি এস এলিয়ট জানিয়েছেন, ”বুদ্ধি ছাড়া ঐতিহ্য মূল্যহীন।“ এই সমস্ত ঐতিহ্য এমন সব বিষয়কে লক্ষ্য না করায় যার ফলে একটা উদ্দীপ্ত ভাবধারার সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র পাকিস্তানব্যাপী, বিশেষ করে গ্রামীণ পাঞ্জাবে। উদাহরণ স্বরূপ সোয়াতে তালিবান যে তরুণীকে বেত্রাঘাত করেছিল সেটাই দেখেন। আমরা কি এমন ঐতিহ্য চাই? আমরা কি পুরুষ/নারী/ মেয়েদেরকে সমস্যা সমাধানের জন্য বদলা-বদলি করতে চাই? আমরা কি চাই আমাদের মানুষ লাগাতার বিশ্ব সম্পর্কে বিকৃত ও সংকীর্ণ একটা ধারণা নিয়ে থাকুক? আমি অবশ্যই চাই না।</p>
<p>তাহলে এখানে আমরা আছি, আশাবাদী, কিন্তু সন্ত্রাস দ্বারা বিদ্ধ, আমাদের স্কুল বন্ধ আর ভবিষ্যত অনিশ্চিত, কিন্তু আমরা হাল ছাড়বো না। আমাদের কেবলমাত্র ভূমির বিপদের সম্মুখীন হতে হবে না আমাদের সেনা দিয়ে বরং আমাদের সমাজে তালিবান মূল্যবোধের নীরব আক্রমণও থামাতে হবে। আমি কেবল আশা করি বিশ্ব আমাদের সাথে আছে, কারণ আমরা ব্যর্থ হলে এর পরে আপনাদের পালা। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান অপারেশন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7035/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7035/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2009 13:34:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7035</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চুপ! চেন্জিং আপ পাকিস্তান  ব্লগে কালসুম  পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান অপারেশন এর তৃতীয় দিনের সর্ব শেষ খবর জানাচ্ছেন।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/20/pakistan-the-south-waziristan-operation/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চুপ! চেন্জিং আপ পাকিস্তান</em>  ব্লগে <em>কালসুম</em>  পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান অপারেশন এর <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/10/19/the-south-waziristan-0ffensive-101/">তৃতীয় দিনের সর্ব শেষ খবর জানাচ্ছেন</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7035/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ওবামার নোবেল পুরস্কারের ব্যাপারে দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগারদের মন্তব্য</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/18/6994/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/18/6994/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 18 Oct 2009 07:47:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রীলন্কা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6994</guid>
		<description><![CDATA[আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্মানিত নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন গত ৯ই অক্টোবর, ২০০৯। দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগার আর মাইক্রো ব্লগাররা এই সংবাদে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/09/south-asian-bloggers-on-obama%E2%80%99s-nobel-peace-prize/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 430px"><a href="http://www.flickr.com/photos/marcn/2174935053/ "><img alt="ছবির জন্যে কৃতজ্ঞতা ফ্লিকার ব্যবহারকারী এমএআরসিএনকে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/barack-Obama-640x480.jpg" title="ব্যরাক ওবামা" width="420" height="282" /></a><p class="wp-caption-text">ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী এমএআরসিএন এর সৌজন্যে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</p></div>
<p>আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্মানিত নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন গত ৯ই অক্টোবর, ২০০৯। <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/europe/8298580.stm">নোবেল কমিটির বক্তব্য অনুসারে</a> তিনি এটা পেয়েছেন &#8216;আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আর মানুষের মধ্যে সহযোগিতা স্থাপনে তার অসাধারণ প্রচেষ্টার জন্যে&#39;।”</p>
<p>এই সংবাদ বিশ্বের অনেকের কাছে বিস্ময় হিসেবে এসেছে। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী এই পুরস্কার সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাবে যারা দীর্ঘায়িত সশস্ত্র সংঘর্ষ থামানোর সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু এর আগেও এ ধারণায় বেশ কিছু ব্যত্যয় ঘটেছে আর ওবামার পুরস্কার সেই রকম আর একটা উদাহরণ। কারণ গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে যখন নোবেলের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয় তখন তিনি সবেমাত্র প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর কাজ শুরু করেছেন।</p>
<p><em>নিউ ইয়র্ক টাইমস</em> বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়ার কিছু <a href="http://thelede.blogs.nytimes.com/2009/10/09/world-reaction-to-a-nobel-surprise/">সংকলিত করেছে</a>। এখন দেখা যাক দক্ষিণ এশিয়ার ব্লগার আর মাইক্রো ব্লগাররা এই সংবাদে তাদের প্রতিক্রিয়া কিভাবে জানাচ্ছেন।</p>
<p>বাংলাদেশ থেকে <em>অ্যান অর্ডিনারি সিটিজেন</em> <a href="http://bdoza.wordpress.com/2009/10/09/obama-own-nobel-peace-prize-2009-is-it-premature/">এই পুরস্কারকে অপক্ব হিসেবে আখ্যায়িত করে</a> প্রাপ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।</p>
<blockquote><p>আমরা শান্তির জন্য তার প্রচেষ্টার প্রশংসা করি যেটা তিনি কেবলমাত্র শুরু করেছেন আর ফলাফলের জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি হয়ে গেল না তাকে এই পুরস্কার দেয়া? আমরা ঠিক জানি না এটা তাঁর চিন্তাধারাকে কিভাবে প্রভাবিত করবে।</p></blockquote>
<p>ভারতীয় ব্লগার <em>চুরুমুরির</em> কিছু <a href="http://churumuri.wordpress.com/2009/10/09/churumuri-poll-does-obama-deserve-nobel/">সোজা প্রশ্ন আছে</a>:</p>
<blockquote><p>ওবামার কি এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা আছে? এটা পাওয়ার মতো তিনি কি কিছু করেছেন? এত তরুণ একজনকে দেয়া যিনি তার প্রেসিডেন্টের মেয়াদের শুরুতে আছেন - যারা দীর্ঘ দিন কাজের পরে তা পেয়েছেন তাদের প্রাপ্তিকে ছোট করে দেয় না? নাকি এগুলোর কোন মানে নেই, কারণ নোবেল তো একটা রাজনৈতিক পুরস্কার (যারা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Irving_Wallace">আর্ভিং ওয়ালেসের</a> দ্যা প্রাইজ পরেছেন তারা জানবে) যা ইয়াসের আরাফাত আর মেনাচেম বেগিনের মত লোককে দেয়া হয়েছে?</p></blockquote>
<p>ভারত থেকে ওবামার ভক্ত <a href="http://zoooni.blogspot.com/2009/10/obama-n-his-nobel-win.html">জুনি</a> ও এই সিদ্ধান্তে বিস্মিত:</p>
<blockquote><p>ঠিক আছে আপনারা ভুল বোঝার আগে বলছি আমি অবশ্যই ওবামাকে ঘৃণা করি না&#8230; আমি তাকে অনেক ভালবাসি, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতায় আমি একটা পোস্ট করেছিলাম তাঁকে অভিবাদন জানিয়ে। কিন্তু কিসের জন্য তিনি এটা জিতলেন? অফিসে তিনি মাত্র ২ সপ্তাহ এসেছিলেন যখন তাঁকে মনোনয়ন করা হয় (মনোনয়ন পহেলা ফেব্রুয়ারি তে শেষ হয়েছে)। আমার মনে হয় নির্বাচনে দারুন প্রচারনার জন্য ওবামা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন!</p></blockquote>
<p>পাকিস্তান থেকে, <em>বৈঠক</em> ব্লগের <a href="http://baithak.blogspot.com/2009/10/nobel-peace-prize-2009-obama-gets-what.html">টেম্পোরাল</a> প্রতিক্রিয়া একটু জোরালো ভাবে জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>এটা নোবেল পুরস্কারের মান পানিতে ধুয়ে কমে যাওয়ার বছর হতে পারে। কমিটির সদস্যরা কি খাচ্ছিলেন বা ধূমপানে মিশিয়েছিলেন?</p>
<p>প্রেসিডেন্ট ওবামা হয়তো আগামীতে এই পুরস্কারের যোগ্য হবেন। কিন্তু এখন না। তিনি তাঁর প্রচেষ্টা কেবল শুরু করেছেন আর বিশ্ব শান্তিতে ছাপ রাখার তার এখনো বাকি।</p></blockquote>
<p>শ্রীলঙ্কার ব্লগ <em>ইন্ডি.কা</em>  <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/10/09/south-asian-bloggers-on-obama%e2%80%99s-nobel-peace-prize/Indi.ca%20http://indi.ca/2009/10/obamas-nobel-peace-prize/">মনে করেন</a> এই পুরস্কার ঘরোয়া ভাবে ওবামার ক্ষতি করতে পারে:</p>
<blockquote><p>আমি মনে করি পৃথিবীতে বিচরণ কারীদের মধ্যে ওবামা সব থেকে দারুন ব্যক্তি। কিন্তু আমার মনে হয় না যে তিনি যা করতে চান তা এখনো করতে পেরেছেন। নোবেল তাত্ত্বিক ভাবে হয়তো তাঁকে সাহায্য করবে, কিন্তু ঘরোয়া ভাবে এটা তাকে ক্ষতি করতে পারে।</p></blockquote>
<p>এই সংবাদ শোনার পরে বিশ্বব্যাপী মাইক্রো ব্লগাররা ব্যস্ত ছিলেন তাদের বিস্ময় আর অনিশ্চয়তা প্রকাশ করতে। এখানে দক্ষিণ এশিয়ার টুইটার ব্যবহারকারীদের কিছু প্রতিক্রিয়া: </p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/vijaysankaran">@বিজয়শঙ্করন:</a> নোবেল শান্তি পুরস্কার ভারত রত্নের মতো না&#8230;এটা আপনি কি করেছেন তার না বরং আপনি কে তার স্বীকৃতি।</p>
<p><a href="http://twitter.com/tantanoo">@তান্তানু:</a> তাহলে বুশ যুদ্ধ ঘোষণা করেন, ওবামা শান্তির কথা বলেন আর নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। আমি বলবো ভালো অ্যালগরিদম।</p>
<p><a href="http://twitter.com/santhemant">@সান্থেমান্ত:</a> “ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন এত জায়গায় সক্রিয় যুদ্ধে লিপ্ত থাকার জন্য&#8230;পাকিস্তানকে সমর্থন আর ভারতের মতো গণতন্ত্রকে উপেক্ষা করার জন্য।</p>
<p><a href="http://twitter.com/saniakhan">@সানিয়া খান:</a> পাকিস্তানে চলা ক্লান্তিকর কথা যা চলছে তার পরে প্রেসিডেন্ট ওবামার নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতা জানি না আমি সমর্থন করতে পারবো কিনা।</p>
<p><a href="http://twitter.com/YusufKhan">@ইউসুফ খান:</a> গুয়ানতানামো বে এখনো খোলা আছে, পাকিস্তানে একঘেয়ে বোমা হামলা চলছে, ইরাক/আফগানিস্তানের যুদ্ধ চলছে, আর ওবামা নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতলেন। হ্যাঁ।</p>
<p><a href="http://twitter.com/TinyToots">@টাইনিটুটস:</a> আমিও নোবেল শান্তি পুরস্কার চাই। প্রত্যেক দিন কত মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করা থেকে নিজেকে আমি বিরত থাকি। আমাকে কেউ মনোনয়ন করছে না কেন?</p>
<p><a href="http://twitter.com/OldmonkMGM">@ ওল্ডমঙ্কএমজিএম:</a> এই ক জনের মধ্যে কোন ব্যক্তি খাপ খায় না? দালাই লামা, মাদার তেরেসা, মারটিন লুথার কিং, বারাক ওবামা?</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/18/6994/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: ফার্মাসীতে নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6715/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6715/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2009 00:30:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6715</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চৌরাঙ্গী ব্লগের হিনা সফদর জানাচ্ছেন যে মেটামাইজল নামে একটি নিষিদ্ধ ঔষধ পাকিস্তানের ফার্মাসীগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/30/pakistan-banned-drug-available-at-pharmacies/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চৌরাঙ্গী</em> ব্লগের <em>হিনা সফদর</em> <a href="http://www.chowrangi.com/banned-drug-metamizole-readily-available-at-pharmacies-in-pakistan.html">জানাচ্ছেন</a> যে মেটামাইজল নামে একটি নিষিদ্ধ ঔষধ পাকিস্তানের ফার্মাসীগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6715/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ এশিয়া: ঈদ-উল ফিতর উৎসব উদযাপন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/24/6525/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/24/6525/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 24 Sep 2009 14:29:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মালদ্বীপ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6525</guid>
		<description><![CDATA[সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের মুসলমানরা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Eid_ul-Fitr">ঈদ-উল ফিতর</a> উৎসব উদযাপন করে। এই দিনটি সমাপ্তি নির্দেশ করে পবিত্র রমজানের, যে মাসে মুসলমানরা দিনের বেলায় কোন ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকে। অনেক ব্লগার এই দিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে এবং তাদের প্রথা ও ঐতিহ্য অন্যকে জানাচ্ছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/22/south-asia-celebrating-eid-ul-fitr/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের মুসলমানরা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Eid_ul-Fitr">ঈদ-উল ফিতর</a> উৎসব উদযাপন করে, যে দিনটি পবিত্র রমজান শেষ হয়েছে বোঝায়, যে মাসে মুসলমানরা দিনের বেলায় কোন ধরনের পানাহার থেকে বিরত থাকে। অনেক ব্লগার এই দিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে এবং তাদের প্রথা ও ঐতিহ্য একে অন্যকে জানাচ্ছে। </p>
<p><strong>পাকিস্তান</strong></p>
<p><em>চৌরঙ্গি</em> ব্লগের <em>মোমিনা</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Eid_ul-Fitr">ব্যাখ্যা করছে </a> ঈদ উৎসবের বিশেষ দিক:</p>
<blockquote><p>ঈদ শব্দের মুল উৎস “আদা” যার মানে ফেরা। আমরা সকলেই জানি প্রতি বছর একটা নিদিষ্ট সময়ে ঈদ ফিরে আসে। অনেকে বলে যে ঈদ ‘আদাহ’ শব্দ থেকে এসেছে যার মানে হচ্ছে এক প্রথা বা অনুশীলন। এই কারণেই প্রথাগতভাবে এই উৎসব পালন করা হয়ে থাকে।</p></blockquote>
<p><em>চুপ! চেঞ্জিং আপ পাকিস্তান</em> ব্লগের <em>কালসুম</em> <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/09/21/eid-mubarak-2/">স্মরণ করেছেন</a> তার বেড়ে ওঠার সময়, তাঁর এবং তার পরিবারের কাছে ঈদের অর্থ কি ছিল।</p>
<blockquote><p>যখন আমি বেড়ে উঠছিলাম, সে সময় রমজান এবং ঈদকে ঘিরে দু&#39;টি জিনিস থাকত, আমার পরিবার ও খাবার। ঈদের আগের রাত যে দিনটি কে চাঁদ রাত বলা হত, সেদিন রাতে আমি বাজারে যেতে পছন্দ করতাম, চুড়ি কিনতে আর হাতে মেহেদি রাঙাতে। ছোট বেলার ঈদ ছিল রঙে পরিপূর্ণ, ঝক্ঝকে নতুন জামা, হাসি এবং সকালে প্রথম খাওয়া সিভাইয়ানের [দুধ সেমাই] স্বাদ। </p>
<p>যখন বড় হয়েছি, রমজানে শুধু নিজেকে নিয়ে নয় অন্যকে নিয়েও ভাবার সময় চলে এসেছে, বিশেষ করে গরিবদের নিয়ে। উন্নয়ন ক্ষেত্রে কাজ করা এই বিষয়টিকে আরো অনেক দুর নিয়ে যাবে।</p></blockquote>
<div id="attachment_6526" class="wp-caption aligncenter" style="width: 460px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/eid-India.jpg" alt="রমজান মাসের শেষে ঈদের নামাজে এক বালক যখন পিছনে ফিরে তাকাচ্ছে অন্যরা তখন সেজদায় রত, ভারতের ব্যঙ্গালোরের ঈদের নামাজের ছবি, ছবিটি তুলেছে সন্দ্বীপ দেবনাথ" title="eid-India" width="450" height="333" class="size-full wp-image-6526" /><p class="wp-caption-text">রমজান মাসের শেষে ঈদের নামাজে এক বালক যখন পিছনে ফিরে তাকাচ্ছে অন্যরা তখন সেজদায় রত, ভারতের ব্যঙ্গালোরের ঈদের নামাজের ছবি, ছবিটি তুলেছে সন্দ্বীপ দেবনাথ</p></div>
<p><a href="http://www.flickr.com/photos/sandipd/">এইচটিটিপি://ডাব্লিউডাব্লিউডাব্লিউ.ফ্লিকার.কম/ফটোশপ/সন্দ্বীপ// সিসি বিওয়াই-এনসি-এনডি ২.০</a></p>
<p><strong>ভারত:</strong></p>
<p><em>সুধীর কেকরে</em> <a href="http://hamarichaupal.blogspot.com/2009/09/eid-happens-only-in-india.html">স্মরণ করেছেন</a> ঈদের সুস্বাদু খাবার গুলোকে:        </p>
<blockquote><p>যখন আমি হায়দ্রাবাদে চলে যাই, সে সময় রমজান এবং ঈদ আমাদের সামাজিক দিনপঞ্জিকাতে এক বড় অংশ হয়ে দাঁড়ায়। জিভে পানি আনা সুস্বাদু সব খাবারের সাথে আমাদের পরিচয় ঘটে। হালিম ও নেহারি, এর সাথে বিরিয়ানি ও মরিচ ভাজি এসব খাবার যা হায়দ্রাবাদ নামটির সমর্থক হয়ে দাঁড়ায়।</p></blockquote>
<p>ব্লগার এছাড়া ভারতের হিন্দু ও মুসলিম সম্পর্কের উপর মন্তব্য করেছে:</p>
<blockquote><p>সম্ভবত এই ধরনের উৎসব উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে যে শত্রুতা তা কমিয়ে আনতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>সেক্রোমেন্টো বি</em> সারা ভারত জুড়ে ঈদ উৎসবের ছবি <a href="http://www.sacbee.com/static/weblogs/photos/2009/09/eid-al-fitr-begins.html?mi_rss=The%20Frame">ব্লগে পোস্ট</a> করেছে।  </p>
<p><strong>বাংলাদেশ:</strong></p>
<p>ঈদ একটা আলাদা আমেজের দিন। কিন্তু আজ ছিল অদ্ভুত দিন। <em>ব্যাক টু বাংলাদেশের</em> লেখক <em>ইউলিসিস</em> এ কথা <a href="http://backtobangladesh.blogspot.com/2009/09/strange-eid.html">লিখেছেন</a>। তিনি ঈদের দিনে ঢাকাতে এক ভূমিকম্পের হাত থেকে বেঁচে যাবার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তবে বাংলাদেশীদের কাছে ভূমিকম্পের চেয়েও অনেক উদ্বেগ জনক বিষয় রয়েছে:</p>
<blockquote><p>যদি ঢাকায় ভয়াবহ কোন ভূমিকম্প ঘটে তবে সেক্ষেত্রে কত জন লোক মারা যাবে সে বিষয়ে এক ভীতিকর পরিসংখ্যান রয়েছে, তবে সত্যি বলতে, আমি বাংলাদেশ প্রাপ্তবয়স্কদের মুখে ভেজাল খাবার তুলে দেবার চেয়ে আর কোন বিষয়কে উদ্বেগজনক বলে মনে করি না, যে সমস্যার মুখোমুখি দেশটি হয়েছে।</p></blockquote>
<p><strong>মালদ্বীপ:</strong></p>
<p><em>কাইধাহ</em> কবিতার ভাষায় <a href="http://kaidha.blogspot.com/2009/09/eid-just-another-holiday.html">বলেছেন</a> কি ভাবে ঈদ বিশেষ গুরুত্ব হারিয়ে শুধুই এক ছুটির দিনে পরিণত হয়েছে: </p>
<blockquote><p>যখন স্মরণ করি, আমি ছোট ছিলাম হাসি-খুশি, আমরা ঈদের দিনকে ছুটির দিনের চেয়ে ভাবতাম কিছু বেশি।<br />
এই দিনে অনেক খাবার রান্না করা হত, ভরা থাকত হাড়ি এবং যেতাম আত্মীয়দের বাড়ি।<br />
সেদিন পরতাম নতুন পোশাক, নতুন নতুন সাজ এবং সকলে মিলে যেতাম দেখতে কুচকাওয়াজ।<br />
সেদিন আকাশে ফুটত তারার মেলা, তারা কোথায়, সেগুলো সব আতশবাজীর খেলা।<br />
এখন ঈদ অন্য আর দশটা দিনে পরিণত হয়েছে, আমরা এই দিনে অলস ঘরে বসে থাকি এবং টিভি দেখি অথবা ফেসবুকে সারাদিন সময় কাটাই।</p></blockquote>
<p>আমাদের সকল পাঠককে ঈদ মোবারক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/24/6525/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: ঘরে ফেরা এবং নতুন করে জীবন শুরু করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/22/6373/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/22/6373/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 22 Sep 2009 07:01:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6373</guid>
		<description><![CDATA[প্রায় দুই মাস এক আবর্জনাময় উদ্বাস্তু শিবিরে বাস করার পর পাকিস্তানের সোয়াত এলাকার ইন্টারনাল ডিসপ্লেসড পিপল বা আভ্যন্তরীণভাবে অপসারিত জনতা (আইডিপি) অবেশেষে জুলাইয়ের ১৫ তারিখে ঘরে ফেরার অনুমতি লাভ করেছে। তারা যদিও এখনো অনিশ্চয়তা ও প্রতিকূলতা মধ্যে রয়েছে, কিন্তু সেখানকার জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যখন ফিরে আসা অপসারিত পরিবারের অনেকে নতুন করে জীবন শুরু করেছে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/15/pakistan-back-home-and-starting-a-new-life/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_6374" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Swat-IDPs-640x480.jpg" alt=  "উদ্বাস্তু শিবিরে ময়দা সরবরাহ ও বিতরণ করা হচ্ছে, ছবি ওলাফ কেলারহফের তোলা, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা,  " title="Swat-IDPs-640x480" width="400" height="320" class="size-full wp-image-6374" /><p class="wp-caption-text">উদ্বাস্তু শিবিরে ময়দা সরবরাহ ও বিতরণ করা হচ্ছে, ছবি ওলাফ কেলারহফের তোলা, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা,  </p></div><br />
প্রায় দুই মাস এক আবর্জনাময় উদ্বাস্তু শিবিরে বাস করার পর পাকিস্তানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Swat,_Pakistan">সোয়াত এলাকার</a> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Internally_displaced_person">ইন্টারনাল ডিসপ্লেসড পিপল</a> বা আভ্যন্তরীণ ভাবে অপসারিত জনতা (আইডিপি) অবশেষে জুলাইয়ের ১৩ তারিখে <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/pakistan/provinces/12-more+idp+families+back+home--bi-11">ঘরে ফেরার অনুমতি লাভ করেছে</a>। অভিযোগ রয়েছে যে ফিরে আসার পথে তাদের যথাযথ স্বাস্থ্য সেবা মিলে নি এবং পরিবহন সুবিধা প্রদানের উপর তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। এখন পুরো দেশটি এই আশায় বুক বেধেছে যে, যখন এই সমস্ত ঘরহারা লোকেরা আবার তাদের এলাকায় ফিরে আসছে তখন তাদের দুর্ভোগ দুর হয়ে যাবে। বেশ কিছু আইডিপি বা গৃহহীন পরিবার এখনো এই উদ্বাস্তু অবস্থান মেনে নিতে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Internally_displaced_person">অনিচ্ছুক</a>, যখন তাদের ঘরে ফেরার বিষয় ঝুঁকি পূর্ণ সব সমস্যায় ভর্তি এবং এখানকার নিরাপত্তার অবস্থা এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। </p>
<p><em>টিথ মায়েস্ত্রোর আওয়াব আলভি</em> মারদানের প্রশাসনের এক কর্মচারীর <a href="http://teeth.com.pk/blog/2009/07/26/return-to-jalala-idp-situation-update">সাক্ষাৎকার</a> নিয়েছেন সেখানকার পরিস্থিতি সম্বন্ধে। সাক্ষাৎকারে উক্ত কর্মচারী নিজের নাম গোপন রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।</p>
<blockquote><p>এই সমস্ত বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের ফিরে আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে তিনি বুনেরের নায়েব নাজিম বা প্রধানের সাথে দুইদিন আগে কথা বলেছিলেন, তিনি জানান যে এই সমস্ত এলাকার পরিবেশ কারো বাস করার উপযোগী নয়। পুরো জেলা এক ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়ে রয়েছে। তবে লোকজন যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকা ত্যাগ করতে চায়। তারা বলছে, যদি এখানে তাজমহল গড়ে দেওয়া হয় তাহলে তারা এখানে থাকবে না।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.pakfactor.com/swat-idps-an-aid-worker’s-diary.html">পাক ফ্যাক্টর</a> ভক্তমালের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, যাকে সোয়াত এলাকা থেকে সরে যেতে হয়েছিল। সেই একই রকমের এক গল্প:</p>
<blockquote><p>যদি আমরা সেখানে ফিরে যাই, তাহলে সেখানে আমাদের অন্ধকারে বাস করতে হবে, কারণ পুরো এলাকার কাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। সেখানে কোন বিদ্যুৎ নেই, নেই যোগাযোগের ব্যবস্থা। তিনি বলেন, আমার ক্ষেত ও জীবিকা অর্জনের উপায় ধ্বংস হয়ে গেছে, কাজেই সেখানে ফিরে যাবার পর আমার জীবন চালানোর মতো কোন উপায় থাকবে না। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, “এর মানে আমাকে বাইরের সাহায্যের উপর নির্ভর করে চলতে হবে এবং সম্ভবত আমাকে কোন তাবুতে বাস করতে হবে, কারণ আমাদের বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং সে গুলো এখন আর বাস যোগ্য নয়”।</p></blockquote>
<p><a href="http://pakistanpal.blogspot.com/2009/09/evaluating-swat-test.html">পাকিস্তান পলিটিক্স</a> এই সব গৃহহীনদের ঘরে ফেরার সাম্প্রতিক যাত্রা বর্ণনা করে ঘটনার মূল্যায়ন করছে। </p>
<blockquote><p>মালাকান্ড অভিযানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই সমস্ত বাস্তচ্যুত লোকদের ঘরে ফেরা। এক হিসেবে জানা গেছে প্রায় ১৮ লক্ষ উদ্বাস্তু ঘরে ফিরেছে। শতকরা ৮০ জন লোক উক্ত জেলায় এবং ৯০ জন সোয়াত এলাকায় ফিরে এসেছে, অনেক বিদেশী পর্যবেক্ষকের মতে, অবস্থা শেষ বিচারের দিনে যে ধ্বংসলীলা হবে তার মতো হয়ে রয়েছে। স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন যে বিদ্রোহীদের এখান থেকে রাতারাতি বিতাড়িত করা সম্ভব হবে না, কিন্তু বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের ভারী সংখ্যায় ফিরে আসা প্রমাণ করছে যে সেখানকার পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তাদের এই এলাকায় আগমন এবং বাসভূমিতে ফিরে আসার এক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।</p></blockquote>
<p><a href="http://jazba.wordpress.com/2009/09/04/swat-museum-to-be-re-opened/">জাজবা ব্লগ</a> সোয়াতের লোকজনদের জন্য এক আনন্দদায়ক সংবাদ বয়ে আনছেন, সব কিছু আবার স্বাভাবিক হয়ে আসার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে: </p>
<blockquote><p>এনডাব্লিএফপি সরকার শুত্রুবারে সোয়াত যাদুঘর আবার খুলে দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ব্যাপারে সকল প্রস্তুতি সমাপ্ত হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর রাহে-এ রাস্ত অভিযানের সময় সোয়াত যাদুঘর এক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ছিল এবং যাদুঘরের সকল পুরাতাত্ত্বিক জিনিসপত্র নিরাপত্তার খাতিরে পেশোয়ারে স্থানান্তর করা হয়। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর এক পূর্ণাঙ্গ/ সফল অভিযানের পর এবং উদ্বাস্তু সকল লোকদের নিরাপদে ফিরে আসার পর, এখানকার সকল অফিস পুনরায় খোলা হয়েছে। যখন সোয়াতের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে, তখন এনডাব্লিএফপি সরকার সোয়াত যাদুঘর আবার খুলে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p></blockquote>
<p>সরকার <a href="http://www.google.com.pk/url?sa=t&#038;source=web&#038;ct=res&#038;cd=6&#038;url=http%3A%2F%2Fwww.app.com.pk%2Fen_%2Findex.php%3Foption%3Dcom_content%26task%3Dview%26id%3D84363%26Itemid%3D1&#038;ei=096tSry7JqfW6gOHs7XqBw&#038;usg=AFQjCNEv-beJ7V_58q22RYaATRi6519YcA">দাবি করছে</a> যে তারা দেশের মধ্যে উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া এই সব ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের জন্য মোট ৫.৭৫ বিলিয়ন পাকিস্তানী রুপী বরাদ্দ করেছে।<br />
তবে ঘটনা যাই হোক, এই এলাকার লোকদের স্থানচ্যুতি ও পুনর্বাসনের পুরো বিষয়টি পাকিস্তানের ইতিহাসের জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় ও মহান ঘটনা। এই সকল বিষয় থেকে একটি শিক্ষা লাভ করা গেছে, পুনর্বাসন যে কোন সরকারের জন্য সহজ বিষয় নয়, বিশেষ করে পাকিস্তানে তা যে ভাবে সামলানো হয়ে থাকে। তবে ভালো সংবাদ হল, যদিও সামনে অনেক বাঁধা এবং কঠিন সময় রয়েছে কিন্তু এই সকল উদ্বাস্তু পরিবারের অনেকে নতুন এক জীবন শুরু করতে যাচ্ছে।                          </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/22/6373/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: রিয়েলিটি শোতে মৃত্যু</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/10/6038/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/10/6038/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 10 Sep 2009 17:18:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6038</guid>
		<description><![CDATA[পাকিস্তানের এক রিয়েলিটি শোতে এক অংশগ্রহণ কারীর মৃত্যু পাকিস্তানী ব্লগস্ফিয়ারে এক উত্তপ্ত বির্তকের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ব্লগাররা সেই সব বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যেখানে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে এবং যে সমস্ত কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এই অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য অর্থ প্রদান করে তাদের দায়িত্ববোধ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sana-saleem/">সানা সালিম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/05/pakistan-death-on-reality-show/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>পাকিস্তানী এক রিয়েলিটি শো অনুষ্ঠানে (এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠান যেখানে অংশগ্রহণ কারীদের অদ্ভুত ও কঠিন সব কাজ করতে হয়) একজনের <a href="http://www.thenews.com.pk/print1.asp?id=195455">মৃত্যু</a> পাকিস্তানের ব্লগস্ফিয়ারে এক তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এই অনুষ্ঠানে <em>সাদ খান</em> নামের এক অংশগ্রহণকারী এক ঝুঁকি পূর্ণ খেলায় অংশ নিয়েছিল যার শুটিং ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সাঁতার কেটে এক হ্রদ পার হওয়া ছিল এই খেলার অংশ এবং সাঁতার কাটার সময় কাঁধে ৭ কিলোগ্রাম ওজন ব্যক্তিটিকে বহন করতে হচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুসারে, এই ওজন নিয়ে সাঁতার কাটতে খানের অসুবিধা হচ্ছিল এবং পানিতে ডুবে যাবার আগে সে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিল।       </p>
<p>খানের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী টুইটারে প্রথম এই সংবাদ জানান, যা ক্রমশ: অনেক সোশাল নেটওয়ার্কে প্রতিক্রিয়ার ঢেউ সৃষ্টি করে। খানের বন্ধু <em>ফারুক</em> তার <a href="http://twitter.com/farrukhahmed/status/3490249078">এই টুইটার বার্তায়</a> সকল ব্লগারদের এক হতে বলেন, যে দুর্ঘটনায় এই তরুণ ব্যক্তির প্রাণ চলে গেল, তার ব্যাখ্যা দিতে অনুষ্ঠানের আয়োজক প্রতিষ্ঠান যেন বাধ্য হয়।</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/farrukhahmed/status/3490249078">@ফারুক আহমেদ</a>: সকল ব্লগারদের প্রতি: ইউনিলিভার নামক প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এক বিপজ্জনক ক্রীড়া অনুষ্ঠান যা আমাদের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর জীবন কেড়ে নিয়েছে তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন। এই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বর্ণনা/ ভিডিও দৃশ্য সরবরাহ করতে ইউনিলিভার অস্বীকার করেছে।</p></blockquote>
<p>পরবর্তীতে <em>ফারুকের</em> ব্লগ এই ঘটনার পুরোটাই <a href="http://farrukhahmed.blogspot.com/2009/08/unilever-reality-show-claims-life-of-my.html">উন্মোচন</a> করেছে: </p>
<blockquote><p>আমার নিজস্ব অবস্থান থেকে বলতে পারি, বহুজাতিক এক কোম্পানী যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল, তারা সাদের মৃত্যুকে এক রহস্যের ঘেরাটোপে বন্দি করে রাখতে চায়। পরিহাস করে বলা যায়, এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ব্লগ ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে, (…) এই পোস্টের মাধ্যমে, আমি এ বিষয়ে সরাসরি কিছু তথ্য প্রদান করতে চাই এবং জনতার কাছে কিছু প্রশ্ন রাখতে চাই, এই কারণে যে সাদের মৃত্যুর ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানার পর এইসব বিষয় অবশ্যই আপনাদের মনে আসতে পারে।</p></blockquote>
<p>এই ঘটনাটি সঠিক ভাবে না উপস্থাপন করার জন্য, <a href="http://paksatire.com/2009/09/02/media-role-unilever-mindshare-saad-khan-rbs-clear-reality-show-death-accident/">পাকস্যাটায়ার</a> পাকিস্তানী মূল ধারার প্রচার মাধ্যমের কৌতুককর সমালোচনা করেছে। এখানে বার্তাটি ছিল এ রকম যে, মূল ধারার সংবাদপত্রগুলো কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রচণ্ড এক অবৈধ চাপের মুখে ছিল। </p>
<div id="attachment_6039" class="wp-caption alignnone" style="width: 303px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Paksatire-640x4801.jpg" alt="বিদ্রূপাত্মক ব্যাঙ্গচিত্র- খানের মৃত্যুর বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশ না করায়, সমালোচনা করে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।  " title="Paksatire-640x4801" width="293" height="400" class="size-full wp-image-6039" /><p class="wp-caption-text">বিদ্রূপাত্মক ব্যাঙ্গচিত্র- খানের মৃত্যুর বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সংবাদ প্রকাশ না করায়, সমালোচনা করে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।  </p></div>
<p>ইতিমধ্যে অবশ্য মূল ধারার প্রচার মাধ্যমগুলোতে সাদের মৃত্যুর খবর ধীরে ধীরে প্রকাশিত হচ্ছে। <em>ডন</em> পত্রিকা এই মৃত্যুর খবর <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/world/09-pakistani-drowns-during-reality-tv-contest--szh-01">প্রকাশ করেছে</a> এবং তার সাথে ইউনিলিভারের এক ব্যাখ্যা জুড়ে দিয়েছে। ইউনিলিভার সাদের এই মৃত্যুর কোন দায়দায়িত্ব নিচ্ছে না।  <em>অল থিংকস পাকিস্তান সাবিন মাহমুদ </em> এই সমস্ত অতিকায় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে তার কাজ করার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আমাদের জানাচ্ছেন। </p>
<blockquote><p>সেখানে অনেক ভালো মানুষ রয়েছে এবং সেখানকার সকল বিভাগের কাজকর্ম দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, বিশেষ করে ভেতরের সব কাজ(…)। কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে এমন এক যন্ত্র, যার কোন আত্মা নেই। তার একমাত্র লক্ষ্য কেবল মুনাফা অর্জন, দৃশ্যমান তার বক্তব্য, নৈতিক নীতি মালা এবং কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্বের জন্য যে সমস্ত কর্ম সূচি হাতে নেওয়া হয়, তা কোম্পানীর প্রায় এক বৈধতা অর্জনের প্রচেষ্টা, যার সাথে এইসব কোম্পানীর ব্যবসায়ীক বাস্তবতার কোন মিল নেই।</p></blockquote>
<p>এরপর <em>সাবিন</em> দায়িত্বের ব্যাপারটি  ব্যাখ্যা করেন এবং এই বিষয়ে সবার সামনে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার দাবি জানান। </p>
<blockquote><p>এই বিষয়ে ভদ্রমহিলা বলেন, এই ব্যাপারে আমি একমত, যে অনুষ্ঠানে সাদ খানের মৃত্যু হয়েছে তা সম্পূর্ণ এক নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল এবং এই মৃত্যু এড়ানো যেত। এখানে পুরো ব্যাপারটায় আমি অবহেলার এক গন্ধ পাচ্ছি।</p></blockquote>
<p><em><a href="http://teeth.com.pk/blog/">টিথ মায়েস্ত্রো</a></em> ব্লগের <em> ড: আওয়াব আলভি </em>এই দুর্ঘটনার উপর ধারাবাহিক কয়েকটি লেখা পোস্ট করেছেন, সংগঠকদের তরফ থেকে ধারণাতীত অবহেলার বিষয়ে তিনি লিখেছেন। তার এক সাম্প্রতিক পোস্টে তিনি উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তির <a href="http://teeth.com.pk/blog/2009/09/04/discussion-eye-witness-saad-khan-unilever">সাক্ষাৎকার </a>প্রকাশ করেছেন। উক্ত ব্যক্তি দাবী করেছে যে, এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত এবং  সংগঠকদের অবহেলাই এই দুর্ঘটনার কারণ। </p>
<p>ম্যাক্স রবিনসন সারা বিশ্বের সকল রিয়েলিটি টিভি শো বা বাস্তবে জটিল সব খেলায় অংশগ্রহণ করা টিভি অনুষ্ঠানের একটা তুলনা করেছেন। তিনি গুরুত্ব প্রদান করেন, <a href="http://www.mjcrobinson.com/EnglishmanInLahore/Journal/Entries/2009/8/29_The_reality_of_tv.html">টিভির এই অনুষ্ঠানের প্রযোজককে এর দায়ভার নিতে হবে</a>, কারণ বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে যে সমস্ত বিপদ রয়েছে সে সম্বন্ধে অংশগ্রহণকারীদের তারই তথ্য প্রদান করার কথা।</p>
<p>খানের মৃত্যুদৃশ্যকে ঘিরে এক রহস্য তৈরি হয়েছে। যখন নানা ধরনের অনুমান তৈরি হচ্ছে তখন কোন প্রমাণ ছাড়া এ বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট কোন কিছু বলা যাচ্ছে না। আমার নিজস্ব <a href="http://sanasaleem.com/2009/09/04/saad-khan-death-by-reality-tv/">ব্লগে</a> আমি বিভিন্ন রিয়েলিটি শো অনুষ্ঠানের ব্যাপারে চিন্তা ব্যক্ত করেছিলাম। পাকিস্তানে প্রায়শই এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। </p>
<blockquote><p>এই দুর্ঘটনা পাকিস্তানের সকল অস্বাভাবিক রিয়েলিটি শো  অনুষ্ঠানের একটি দিক উন্মোচন করে দিল, যেখানে নিরাপত্তার বিষয়টি কখনই বিবেচনা করা হয় না […]। এখন এই সমস্ত বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে- যারা নিরাপত্তার বিষয়ে মোটেও সচেতন নয়- এই সব অনুষ্ঠানকে কি আমরা বিনোদন আর বাণিজ্যের নামে প্রচারিত হতে দিতেই থাকব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/10/6038/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বিচার-রাজনৈতিক প্রতারণা নাকি প্রতিশোধ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5725/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5725/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2009 20:03:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5725</guid>
		<description><![CDATA[পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশরারফ পদত্যাগ করার প্রায় এক বছর হয়ে গেছে, দেশটির এক নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-এন) দেশটির সাথে রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় তুলতে চায়। ব্লগাররা মতামত দিচ্ছে যে, এই ঘটনা ন্যায়ের বদলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার হবে। । ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sana-saleem/">সানা সালিম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/31/pakistan-ex-presidents-trial-treason-or-revenge/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pervez_Musharraf">পারভেজ মুশাররাফ</a> ২০০৮ সালের ১৮ই আগস্ট তার পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। তার এই পদত্যাগ তখন অনেক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল কারণ তা এমন এক সময় ঘটে যখন সংসদ থেকে তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।</p>
<p>তার পদত্যাগের এক বছর পর, এখন পাকিস্তানের অন্যতম নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নাওয়াজ শরীফ)(<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/PML-N">পিএমএল-এন</a>) চাইছে মুশাররাফকে রাজনৈতিক প্রতারণার দায়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক। ক্রমাগত ভাবে পিএমএল-এন এই দাবি করে আসছে, আর সরকার এই দাবি <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/pakistan/12-pm+rules+out+musharraf+treason+trial--bi-09">পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে</a>, রাজনৈতিক জটিলতা সৃষ্টি হবার ভয়ে। </p>
<p>সরকারের এই বিচার এড়ানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের কৌশলী ভূমিকা, মনে হচ্ছে আরো রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির আহ্বান করছে। তার চেয়ে বড় কথা সম্প্রতি বিচার বিভাগের <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/news/pakistan/12-supreme+court+wont+try+musharraf+for+treason--bi-04">সিদ্ধান্তে</a> প্রতিফলিত হচ্ছে তারা এই বিচারকে এগিয়ে নিতে অনিচ্ছুক। </p>
<p><em>ফাইভ রুপীজ</em> ব্লগের <em>আহসান</em> বিভিন্ন <a href="http://fiverupees.blogspot.com/2009/07/why-is-iftikhar-chaudhary-backing-off.html">কারণ</a> নিয়ে আলোচনা করছেন, কেন বিচার বিভাগ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা থেকে পিছিয়ে আসছে।</p>
<p><em>ডেডপ্যান থটস-এর</em> <em>ফয়সাল কাপাডিয়া</em> কিছু <a href="http://deadpanthoughts.com/2009/08/mushing-our-luck/">প্রশ্ন</a> করেছেন, তার মতে এই বিচারের কি আদৌ প্রয়োজন রয়েছে।</p>
<p>তবে রাজনৈতিক দল এবং বিচার বিভাগ এই বিষয়টিকে প্রতিশোধের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে অভিহিত করেছে। এই বিষয়টি সারা পাকিস্তানের মানুষের কাছে অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে বিবেচিত হচ্ছে। <a href="http://pkpolitics.com/2009/08/28/71-pakistanis-favour-punishing-musharraf/">পিকেপলেটিক্স</a>ব্লগ  গ্যালপ পরিচালিত এক সম্প্রতি <a href="http://www.gallup.com.pk/pollsshow.php?id=2009-08-28">জরিপের</a> কথা লিখেছে, যেখানে পাকিস্তানের ৭১ শতাংশ লোক এই বিচারের পক্ষে। ২৯২৬ জন নারী ও পুরুষের উপর এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। </p>
<p><em>দি ফ্রন্টিয়ার পোষ্ট</em> <a href="http://www.thefrontierpost.com/News.aspx?ncat=cn&#038;nid=1230&#038;ad=29-08-2009">রিপোর্ট</a> করেছে, এই জরিপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে নারী, পুরুষ ও বয়স নির্বিশেষে সবাই জেনারেল পারভেজ মুশাররাফের শাস্তি চায়। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ ব্যাপারে উল্লেখ যোগ্য মত পার্থক্য রয়েছে।</p>
<p>এক কৌতূহলজনক তুলনার মধ্যে <em>ওয়াইজ এহসান</em> নামক ব্লগার<em> প্রো-পাকিস্তানে</em> ফেসবুকে পরিচালিত এক জনপ্রিয় জরিপের <a href="http://www.pro-pakistan.com/2009/08/19/musharrafs-trial-poll-a-big-hit-on-facebook/">কথা বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক এক তথ্য যে মাত্র তিন দিনে ১১.০০০ জন লোক ভোট দিয়েছে (যদি জরিপের জন্য সরবরাহ কৃত সংখ্যা সঠিক হয়ে থাকে)। যত দুর দেখা যাচ্ছে জরিপের ফলাফল বিচারের পক্ষে। বিচারের পক্ষে ভোট পড়েছে ৫৩ শতাংশ এবং  এই বিচার সমর্থন করে না এমন ভোটারের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। এটা এক বড় ধরনের বিস্ময় বয়ে এনেছে, এতে আমার অনুভূতি, পুরো পাকিস্তান তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দেখতে চায়।</p></blockquote>
<p>পাকিস্তানের রাষ্ট্রের চাওয়া মাথায় রাখলে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক এই বিচারের প্রতি আগ্রহী হলেও, মুশাররাফকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো বেশ কঠিন মনে হচ্ছে। আমার <a href="http://sanasaleem.com/2009/08/24/musharrafs-trial-mind-boggling-politics/">নিজের ব্লগে</a>, এই ব্যাপারে যে কৌশলী রাজনীতি যুক্ত, তা নিয়ে আলাপ করেছি এবং কি ভাবে এই মামলা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলায় পরিণত হবে তা নিয়ে কথা বলেছি।</p>
<blockquote><p>সন্ত্রাসবাদ, অর্থনৈতিক মন্দা, দারিদ্র এবং বাড়তে থাকা বিদ্রোহীদের হুমকির সাথে পাকিস্তান লড়ছে। দেশবিভাগের পর সবচেয়ে বড় আকারের মানুষের আগমনের ঘটনায় সে নিজেকে পুনরুদ্ধার করেছে এবং তালিবানদের বিরুদ্ধে পূর্ণ মাত্রায় বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এই রকম অবস্থায় একজন দেশটির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির বিচার চাওয়ার কাজে শক্তি ব্যয় করছে। বিষয়টি দেশটির গুরুত্বের তালিকায় এক বিশেষত্ব বহন করে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5725/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: চিনির ঘাটতি রমজানকে তিতা করে ফেলেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5730/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5730/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 02 Sep 2009 19:48:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5730</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর পাকিস্তানে চিনি সরবরাহ কমে যাওয়ার করনে এবং চিনির দাম বেড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব এর ভোক্তাদের উপর পড়েছে এবং রমজানে বাড়তি চিনি ব্যবহারের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানী ব্লগাররা পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করছে।    ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/28/pakistan-sugar-crisis-turns-ramadan-bitter/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রতি বছর <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ramadan">রমজানে</a> পাকিস্তানে খাবারজাত পণ্য সরবরাহের ঘাটতি দেখা দেয়। এর কারণ, রমজানের  সময় খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। এই বছর রমজান মাসে মারাত্বক সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে <a href="http://www.nation.com.pk/pakistan-news-newspaper-daily-english-online/Regional/Lahore/18-Aug-2009/Sugar-vanishes-from-retail-market">চিনির বাজারে </a> এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই বিষয়টিকে মোকাবিলা করার জন্য সরকার <a href="http://www.geo.tv/8-26-2009/48279.htm">ইউটিলিটি স্টোরের</a> (খোলা বাজারে বিক্রির জন্য সরকারি দোকান) মাধ্যমে ৪০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টন চিনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে অতীতের হিসেবে বলা যায় যে, কেউ বিশ্বাস করবে না যে এই ধরনের দোকানে চিনি বিক্রির পরেও বাজার পর্যাপ্ত চিনি সরবরাহ হবে।</p>
<p>করাচির চিনি সরবরাহের অবস্থা নিয়ে <a href="http://www.dawn.com/wps/wcm/connect/dawn-content-library/dawn/the-newspaper/local/karachi-sugar-shortage-at-utility-stores-persists-689">দি ডন</a> পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে, দোকানগুলোতে চাহিদার তুলনায় কম চিনি সরবরাহ করা হয়েছে এবং তারা ক্রেতাদের বাড়তে থাকা চাহিদা পূরণে অক্ষম। বাজারে চিনির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজিতে ৫৫-৫৮ রুপী (বাজারে যদি পাওয়া যায়)। সরকারি দর অনুযায়ী চিনি বিক্রি হবার কথা প্রতি কেজি ৩৮ রুপীতে।</p>
<p><em>হাসান খান</em> <a href="http://hassaankhan.blogspot.com/2009/08/sugarphobia.html">রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ</a> থেকে এই সমস্যা নিয়ে তার ব্লগে মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>পাকিস্তানে প্রায় ৮০ টি চিনির মিল রয়েছে। এর বেশীর ভাগের মালিক বিনিয়োগকারী ও রাজনীতিবিদরা। রমজানের আগে তাদের ভণ্ডামি বেড়ে যায় এবং চিনির দাম রাতারাতি ৩৮ রুপী থেকে ৫৪ রুপীতে গিয়ে ঠেকে। এটা খুবই খারাপ দেখায় যখন আপনি পাকিস্তানের সংবাদ প্রচার করা টিভি চ্যানেলে তাকান, কিন্তু তার চেয়ে খারাপ যখন এই সমস্যা সবচেয়ে জটিল আকার ধারণ করে, তখন দেশটির মন্ত্রী পত্রিকায় বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম বাড়ায় পাকিস্তানে চিনির দাম বেড়েছে।</p></blockquote>
<p><div id="attachment_5733" class="wp-caption aligncenter" style="width: 430px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/sugarcane-Pakistan-640x480.jpg" alt=" পাকিস্তানে আখ চাষ।ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী ওমের ওয়াজিরের " title="sugarcane-Pakistan-640x480" width="420" height="280" class="size-full wp-image-5733" /><p class="wp-caption-text"> পাকিস্তানে আখ চাষ। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী ওমের ওয়াজিরের</p></div><br />
<small>
<div xmlns:cc="http://creativecommons.org/ns#" about="http://www.flickr.com/photos/thewazir/2223255268/"><a rel="cc:attributionURL" href="http://www.flickr.com/photos/thewazir/">http://www.flickr.com/photos/thewazir/</a> / <a rel="license" href="http://creativecommons.org/licenses/by-sa/2.0/">CC BY-SA 2.0</a></div>
<p></small></p>
<p><em>সানা সালিম</em> <a href="http://sanasaleem.com/2009/08/25/pakistan-sugar-crisis-a-farce/">বলেছেন </a>এ বছর চিনি সরবরাহের কারণ দেশটিতে কম চিনি উৎপাদন হয়েছে:</p>
<blockquote><p>কৃষকরা বার বার অভিযোগ করেছে চিনি কলের মালিকরা তাদের ঠিকমতো আখ বিক্রির টাকা দেয় না। হিসেব ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে আখচাষীদের টাকা দিতে মিল মালিকরা অনেক সময় আট থেকে দশ মাস দেরি করে। এতে কৃষকরা আখ চাষে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছে। তার বদলে তারা গম চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। কারণ গম চাষে কিছু আকর্ষণীয় সুবিধা প্রদান করা হয়। এখন সময় এসেছে মিল মালিকদের অবৈধ সুবিধা নেবার বিষয়টির হিসেব কষার। মিল মালিকদের দেরি করে টাকা দেয়ার কারনে গত বছরের তুলনায় এ বছর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ আখ চাষ কমে গেছে। এ ছাড়াও তারা বিশাল পরিমাণ চিনি মজুত করে ফেলে। সরবরাহ করা পণ্য মজুত করার (ইচ্ছাকৃত ভাবে) কারণ বাজারে কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি করা।</p></blockquote>
<p>লাহোরের একজন উপদেষ্টা <em>বিলকিস</em>, তিনি <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/">চুপ</a> ব্লগে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই বছর দেখা যাচ্ছে স্বাভাবিক ভাবে চিনির উৎপাদন কমে এসেছে। সাধারণভাবে বলা যায় অন্যদের মতো কৃষকরা যে সমস্ত শস্য উৎপাদনে লাভ বেশি সেসব শস্য ফলিয়েছে। ২০০৮-২০০৯ সালে বর্তমান সরকার গমের (ক্রয় মূল্য) দাম বাড়িয়ে <strong>৯৫০ রুপী </strong>(সর্ব নিম্ন দাম) ধরে দিয়েছে। এর উদ্দেশ্য যারা গম জন্মায় না তারাও যেন গম চাষ করে (কারণ গম চাষে লাভ বেশি)। এর ফলে আখ চাষীরা এখন গমের বদলে আখ চাষে মনোযোগ দিয়েছে যার ফলে চিনি উৎপাদনের পরিমাণ কমে এসেছে। </p>
<p>তা ছাড়া গত কয়েক দশকে চিনি উৎপাদনের পরিমাণ কমে এসেছে। এ চিনির বাজারে যে সমস্যা/ নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে তার ফলে স্বাভাবিক ভাবে চিনি উৎপাদন ক্রমশ: হ্রাস পাচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক বলেছেন যে, কৃষকরা চিনি চাষের জমির পরিমাণ কমিয়ে এনেছেন <a href="http://www.pakissan.com/english/issues/causes.of.sugar.crisis.shtml">কারন </a>সেচের অভাব, মিল মালিকদের আচরণ, দেরি করে টাকা দেওয়া, আখ চাষের খরচ বেড়ে যাওয়া, আখে পোকা ও ইঁদুরের আক্রমণ। বিশ্লেষকরা বিশেষ করে এর জন্য মিল মালিকদের টাকা দেরিতে টাকা দেওয়া বা আদৌ টাকা না দেওয়া ও তার সাথে পর্যাপ্ত সেচের অভাবকে বেশি দায়ী করেছেন। যথাযথ সেচ জমিতে ভালোভাবে আখ জন্মাতে সাহায্য করে। এই দুটি কারণে গত বছরের তুলনায় স্বাভাবিকভাবে দেশটিতে <strong>১৫ থেকে ২০ শতাংশ</strong> চিনি কম উৎপাদন হয়েছে।</p></blockquote>
<p>এই মুহূর্তে সরকার চিন্তা করেছে চিনির এই বাড়তি চাহিদা মোকাবিলা করার জন্য তারা বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করবে।  তবে যে সমস্ত বিদেশী রাষ্ট্র চিনি রপ্তানী করে, যেমন ব্রাজিল ও ভারত এখন চিনির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাজেই খুব শীঘ্রই চিনির দাম কমবে না। সামনের কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে কারণ লোকজন এই সমস্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসতে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/02/5730/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
