<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; ইরাক</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/middle-east-north-africa/iraq/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ইরাক: ঈদের দিনে ১০০০ জনের কোরবানী</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 14:24:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7680</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনআমিরা আল হুসাইনী  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ইরাক থেকে লায়লা আনোয়ার আসন্ন ঈদুল আজহার দিনে ১০০০ জন ইরাকীর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এই সংবাদের উপর মন্তব্য করেছেন যা পড়তে পারবেন এখানে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/amira-al-hussaini/">আমিরা আল হুসাইনী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/22/iraq-1000-sacrificial-iraqis/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইরাক থেকে <em>লায়লা আনোয়ার</em> আসন্ন ঈদুল আজহার দিনে ১০০০ জন ইরাকীর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এই সংবাদের উপর মন্তব্য করেছেন <a href="http://arabwomanblues.blogspot.com/2009/11/1000-sacrificial-lambs-for-eid.html">যা পড়তে পারবেন এখানে</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ফোর্ট হুডে গণহত্যা সেদেশের সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের উপস্থিতির উপর মনোযোগ প্রদান করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 03:59:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7576</guid>
		<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।     
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/usa-fort-hood-massacre-puts-spotlight-on-muslims-in-army/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।   </p>
<p>সন্দেহজনক ঘাতক হিসেবে মেজর হাসানকে চিহ্নিত করার মুহূর্ত থেকেই সংবাদকর্মী ও মন্তব্যকারীদের হাসানের ধর্ম ও জাতিগত পরিচয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিষ্কার এক অস্বস্তি দেখা যায়।  এই ঘটনার পর সারা দেশ থেকে খবর আসছে যে সামরিক বাহিনীর মুসলমান কর্মীরা অনেক সময় তাদের সহকর্মীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।  </p>
<p>টলেডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত আইনের অধ্যাপক <em>হাওয়ার্ড এম. ফ্রিডম্যান</em> তার ব্লগ <a href="http://religionclause.blogspot.com/2009/11/muslim-soldiers-in-us-military-face.html"><em>রিলিজিয়াসক্লজে</em></a> বলেন: </p>
<blockquote><p>সরকার এখন সক্রিয় ভাবে সামরিক বাহিনীতে কিছু মুসলমানদেরকে নিয়োগ দিচ্ছে। কারণ এই সমস্ত মুসলমানরা ভাষাগত ভাবে দক্ষ ও তারা নিজ সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করে। বিষয়টি ইরাক ও আফঘানিস্তানের যুদ্ধের জন্য খুবই প্রয়োজন। তবে মুসলমানরা কর্মস্থলে অনেক সহকর্মীদের সন্দেহের শিকার হয়।</p></blockquote>
<p>এখন প্রশ্ন হচ্ছে সন্দেহজনক এই মুসলমান কর্মী কি গুলি করার আগে উত্তেজিত ছিল, কেউ হয়ত শঙ্কিত বোধ করতে পারে যে ফোর্ট হুড এর গণহত্যায় তারাও মারা যেতে পারত। প্রশ্ন তোলা যেতে পারে মেজর হাসান কি একজন সন্ত্রাসী, যে তার ধর্মীয় আদর্শের কারণে এই কাণ্ডটি করেছে নাকি সে কেবল মানসিকভাবে এক অসুস্থ ব্যক্তি।</p>
<p>ভ্যাঙ্কুভারের বিনামূল্যে বিতরণকৃত সাপ্তাহিক পত্রিকা <a href="http://www.straight.com/article-269513/gwynne-dyer-us-media-overlook-obvious-explanation-maj-nidals-mass-murder"><em>স্ট্রেইট.কমে</em></a> কানাডার এক লেখক <em>গুয়ান্নে ডায়ার</em> যুক্তি প্রদান করেছেন যে, খুনী ব্যক্তিটির ধর্ম পরিচয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে:  </p>
<blockquote><p>“ঘটনার কয়েকদিন পর পর্যন্ত এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রচার মাধ্যম দ্বিধান্বিত ছিল যে জাতিগত/বর্ণগত/ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সে নানা ধরনের গালাগালির শিকার হয়েছে। এই সব বিষয় নিদালকে উন্মাদ করে তোলে। এগুলো কিছু খারাপ লোকের এমন কিছু কাজ, যা সাধারণ আমেরিকানদের চরিত্রের সাথে খাপ খায় না-সেসব কাজ এই বেদনাদায়ক ঘটনার জন্য দায়ী, এবং এভাবে এর শেষ হল।      </p>
<p>এর একটি ব্যাখ্যা হল যে মুসলমান দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধ ঘোষণা স্বদেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) মুসলমানদের আরো বেশি ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন করে তোলে। কিছু মনে করার নেই, যখন স্বদেশী (ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা) মুসলিম সন্ত্রাসীরা ২০০৫ সালে লন্ডনের পরিবহন ব্যবস্থার উপর হামলা চালায়, এবং অন্য সব পশ্চিমা দেশের হামলার পরিকল্পনাকারী মুসলমানরা পরিকল্পনা সফল হবার আগে যখন ধরা পড়ে তাদের প্রায় সকলেই অভিযোগ করে, পশ্চিমা দেশগুলোর মুসলিম দেশে অভিযান চালানোর কারণেই তারা এ রকম গোঁড়া মুসলমানে পরিণত হয়েছে।</p></blockquote>
<p>অভিবাসন বিষয়ে এবং রাজনীতিতে রক্ষণশীল অবস্থান গ্রহণের জন্য ফক্স নিউজ নামক সংস্থাটির প্রায়শ: সমালোচনা করা হয়। তারা মাঝে মাঝে সামরিক বাহিনী থেকে <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">মুসলমানদের ছেঁকে ফেলার</a> জন্য আহ্বান জানায়। <a href="http://www.veteranstoday.com/modules.php?name=News&#038;file=article&#038;sid=9280"><em>ভেটেরানস টুডে</em></a> ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অবসরপ্রাপ্ত উপকূল রক্ষা কর্মকর্তা টম বার্নেস বলেন, সংবাদ সংস্থাগুলো একই ধাঁচের সংবাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, আর সেটা হল “আমরা বনাম তারা” বিষয়ক এক উত্তেজনার সৃষ্টি করা:   </p>
<blockquote><p>“&#8230; সংবাদ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে মোটেও সহযোগীতামূলক আচরণ করছে না, বলা যায় শীঘ্রই ফক্স চ্যানেলের শুরুর এক প্রশ্ন, &#8220;তাদের&#8221; বিরুদ্ধে আরেকটি ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের রূপ নেবে। বিষয়টি কেবল পরিণত হচ্ছে না, এটা বিপজ্জনক এক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এর কাহিনীটি <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">এখানে</a> দেওয়া হল।  </p>
<p>যেমনটা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি, এই ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ঘটছে। ফক্স নিউজের এই কথা শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি যে, আমাদের শত্রু কারা। সকল সময় সেই একই কথা শুনছি। একটানা এইসব কথা শুনে যাচ্ছি। আমার ধারণা ছিল না, দেশের বাইরে অজস্র “তারা” মানে আমাদের শত্রু রয়েছে!</p></blockquote>
<p><a href="http://news.google.com/news/url?sa=t&#038;ct2=us%2F0_0_s_0_0_t&#038;usg=AFQjCNFUhLnrNP-D9fmObNIMr6pSA-X1sg&#038;cid=1465293836&#038;ei=oXL4Spi5FIqGmQfJnPI9&#038;rt=SEARCH&#038;vm=STANDARD&#038;url=http%3A%2F%2Fwww.csmonitor.com%2F2009%2F1108%2Fp02s08-usmi.html">বেশ কিছু সংবাদপত্র</a> এখন দেখছে যে মেজর হাসানের কাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মুসলমানদের উপর কি ধরনের প্রভাব তৈরি করে এবং একই বিষয়টি ফোর্ট হুডের আশেপাশের বাসিন্দাদের উপর কি রকম প্রভাব ফেলে।  </p>
<p>ফোর্ট হুডের মুসলিমরা এই ঘটনাটিকে কি ভাবে দেখে তার উপর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=N8Azg9TxYkM"><em>ইউরোআমেরিকাননিউজের</em></a> করা এক ভিডিও সংবাদ ইউটিউবে রাখা হয়েছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই গণহত্যার তদন্ত যতদিন চালু থাকবে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মুসলমানদের উপর মনোযোগ বজায় রাখাও ততদিন চলতে থাকবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাক: শিয়া নেতা আবদুল আজিজ আল হাকিমের মৃত্যু</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5575/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5575/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 29 Aug 2009 04:03:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5575</guid>
		<description><![CDATA[সাইয়্যেদ আবদুল আজিজ আল হাকিম ইরাকের সুপ্রীম কাউন্সিলের সর্বোচ্চ নেতা (ইরাকী সংসদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল), তিনি গত ২৬ আগস্ট ইরানের তেহরানে ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান। ধারণা করা হচ্ছে ইরাকের রাজনীতিতে তার মৃত্যু এক উত্তেজনা ছড়াবে। এই অঞ্চলের ব্লগাররা তার মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/ayesha-saldanha/">আয়শা সালদানহা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/27/iraq-death-of-shiite-leader-abdul-aziz-al-hakim/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাইয়েদ আব্দুল আজিজ আল হাকিম ইরাকের সুপ্রীম কাউন্সিলের সর্বোচ্চ <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Abdul_Aziz_al-Hakim">নেতা</a> (ইরাকী সংসদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল)। তিনি গত ২৬শে আগস্ট ইরানের তেহরানে ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যান। <a href="http://www.thenational.ae/apps/pbcs.dll/article?AID=/20090827/FOREIGN/708269842/1011">ধারণা করা</a> হচ্ছে ইরাকের রাজনীতিতে তার মৃত্যু এক উত্তেজনা ছড়াবে। এই অঞ্চলের ব্লগাররা তার মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।</p>
<p>বাহরাইনের <em>বাতুল ইব্রাহিম আহমেদ</em> বিপর্যস্ত:</p>
<blockquote><div class="arabic">صدمة اليوم ..<br />
وفـاتـه ..<br />
يا رب ..<br />
خفف ألمَ هذا المصاب ..</div>
</blockquote>
<div class="translation">আজকে এক আঘাত তৈরি হল<br />
তার মৃত্যু<br />
হে ঈশ্বর<br />
এই দুর্ভাগা ব্যক্তিটির আত্মা যেন শান্তি পায়&#8230;..</div>
<p>বাগদাদে <em>ফারিস আল আজরিশি</em> <a href="http://farisalajrish.maktoobblog.com/1592615/سماحة-السيد-الحكيم-في-ذمة-الخلود/">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><div class="arabic">بمزيد من الأسى والحزن تلقينا نبأ رحيل بطل من أبطال العراق والأمة الإسلامية، حجة الإسلام والمسلمين سماحة السيد عبد العزيز الحكيم طيب الله ثراه، رجل كرس حياته للعلم والجهاد فأصابهما معاً</div>
</blockquote>
<div class="translation">ইরাক ও মুসলিম জাতির এক অন্যতম নেতার মৃত্যুর খবর পাওয়ার মাধ্যমে আমরা আরো ব্যথা ও দু:খ লাভ করলাম, ইসলাম ও মুসলিম জাতির প্রমাণ [গৌরব জনক পদ], সম্মানিত সাইয়েদ আব্দুল আজিজ আল হাকিম, ঈশ্বর  তার পরকালের উপর শান্তি বর্ষিত করুক। তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি তার জীবন জ্ঞান ও <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jihad">জিহাদের </a>প্রতি উৎসর্গ করেছিলেন এবং উভয় কাজে অংশ গ্রহণ করেছিলেন।</div>
<p><em>ইরাক</em> এবং <em>গাল্ফ এনালাইসিস</em> ব্লগে <em> রেইডার ভিসের</em><a href="http://gulfanalysis.wordpress.com/2009/08/26/abd-al-aziz-al-hakim-dies-in-tehran/"> লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>অন্য যে কোন কিছুর চেয়ে তার রাজনৈতিক জীবনে হাকিম বিশৃঙ্খলা, বৈপরীত্য এবং সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তির এক প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তার এই চরিত্র তৈরি হয় ২০০৩ সালের পরবর্তী সময়ের পর। জীবনের শুরুতেই তিনি ধর্মীয় পড়াশুনা বাদ দেন। ১৯৮০ এর দশকে হাকিম এক সামরিক-রাজনৈতিক দল পরিচালনা কারীতে পরিণত হন, যেই দলের নাম  <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Islamic_Supreme_Council_of_Iraq">সুপ্রীম কাউন্সিল অফ দা ইসলামিক রেভুল্যশন ইন ইরাক</a> (এসসিআইআরসি), এই দলটি তৈরি করেছিলেন ইরানের ধর্মীয় নেতা খোমেনী। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের বিরোধী দলের ক্ষমতায় আগমন। এই সময় ইরান -ইরাক যুদ্ধ চলছিল। ২০০৩ সালে ইরাকে যুদ্ধ শুরু হলে, তিনি ইরান থেকে ইরাকে ফিরে আসেন। ২০০৩ সালে ইরাকের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Najaf">নাজাফে</a> এক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Imam_Ali_Mosque_bombing">সন্ত্রাসী আক্রমণে</a> তার ভাই <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Mohammed_Baqir_al-Hakim">বাকির আল হাকিম</a> মারা যায়। এরপর তিনি এসসিআইআরসি দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং দলটির হাল ধরেন [&#8230;] হাকিম ক্যান্সার রোগের চিকিৎসার জন্য ইরানকে বেছে নেন এবং যুক্তরাষ্ট্র তার গতিবিধি ও সত্যিকারের বিশ্বস্ততা কার প্রতি তা বের করতে ব্যর্থ হয়। ২০০৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত, হাকিম ও এসসিআইআরসি ও বদর বিগ্রেডের সদস্যরা কোন বাধা নিষেধ ছাড়াই ইরানে যাওয়া আসা করতে পেরেছে। ইরানের ভূখণ্ডে নতুন ইরাকী <a href="http://www.historiae.org/INA.asp">আইএনএর [ইরাকী ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স বা ইরাকী জাতীয় জোট] </a> গঠন করা হয়েছে। এটা বিশ্বাস করা কঠিন তেহরানের প্রশাসকরা নিজেদের জন্য ঠিক মনে না হলে এইসব কর্মকাণ্ড তাদের সীমান্তের মধ্যে করতে দিত। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাকিম এমন এক নীতি বজায় রেখেছেন যা ইরানের পক্ষে বলে মনে হয়েছে। তবে লম্বা সময় ধরে ওয়াশিংটন এক আশানুরূপ  আকাঙ্খায় বিশ্বাসী ছিল, যার মধ্যে দিয়ে তাদের মনে হয়েছে আইএসসিআই দিয়ে তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্য পুরণ করা যাবে। এটা  নীতির ক্ষেত্রে এক বিপরীতমুখী ভাবনা, যা  আব্দুল-আজিজ আল-হাকিমের জন্য এক অদ্ভুত রাজনৈতিক দর্শন তৈরির সুযোগ করে দেয়।</p></blockquote>
<div id="attachment_5580" class="wp-caption aligncenter" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/08/Al-Hakim_meets_G.W._Bush-300x190.jpg" alt="মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রাষ্ট্রপতি জর্জ ডাব্লিউ বুশ, সাইয়্যেদ আবদুল অজিজ আল হাকিমকে ২০০৬ সালের ৪ ডিসেম্বর, সোমবার স্বাগতম জানান। (ছবি হোয়াইট হাউসের, উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে)।" title="Al-Hakim_meets_G.W._Bush-300x190" width="300" height="190" class="size-full wp-image-5580" /><p class="wp-caption-text">মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রাষ্ট্রপতি জর্জ ডাব্লিউ বুশ, সাইয়্যেদ আব্দুল অজিজ আল হাকিমকে ২০০৬ সালের ৪ ডিসেম্বর, সোমবার স্বাগতম জানান। (ছবি হোয়াইট হাউসের, উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে)।</p></div>
<p>প্যালেস্টাইনী পণ্ডিত এর <em>টনি সায়েগহ</em> যে ভাবে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Hassan_Nasrallah">সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ</a> নিজে <a href="http://palestinianpundit.blogspot.com/2009/08/great-disappointment-in-sayyed.html">আল হাকিমের</a> প্রশংসা করেছেন তাতে অসন্তুষ্ট।</p>
<blockquote><p>কি ভাবে নিজেকে নিচে নামালেন! এই প্রথম আমি খোলাখুলি ভাবে বলছি, আমি হাসান নাসরুল্লাহর কাজে হতাশ। তিনি তার মুখ বন্ধ রাখতে পারতেন অথবা এই বার্তাটি ব্যক্তিগত ভাবে রাখতে পারতেন। ইরান/আমেরিকার হাতের পুতুলকে ( এবং তার আগে তার ভাই) একজন ইরাকী “বীর” হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া অনেক বাড়াবাড়ি বলে মনে হয়। </p>
<p>তার উপর এক ও স্বাধীন ইরাকের জন্য তার সংগ্রামের কথা বলা! যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারদের বুটের নিচে, তাই কি সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ? আক্ষরিক অর্থে আমেরিকান ট্যাংকে চড়ে বাগদাদে প্রবেশ করা সে এক ভাঁড়!</p>
<p>আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ। কিন্তু তারপরেও, এ সব তেহরানের আদেশ; ব্যাপারটা আমি বোঝার চেষ্টা করছি।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5575/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: কায়রো শরণার্থীদের চলচ্চিত্র উৎসব</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/13/3686/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/13/3686/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 13 Jun 2009 16:46:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইথিওপিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এরিত্রিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সুদান]]></category>
		<category><![CDATA[সোমালিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3686</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমারওয়া রাখা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আ হোলহার্টেডলি সুদানিয়া আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কায়রো শরণার্থীদের চলচ্চিত্র উৎসব ব্লগ পড়তে যেখানে আমি দারুণ কিছু তথ্য পেয়েছি মিশরের শরণার্থীদের সম্পর্কে:
গত তিন দশকে, মিশর আফ্রিকা, এশিয়া আর মধ্য প্রাচ্য থেকে আসা শরণার্থীদের জায়গা দিচ্ছে যারা সংঘর্ষ আর হত্যার ভয় থেকে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marwa-rakha/">মারওয়া রাখা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/30/egypt-cairo-refugee-film-festival/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em><a href="http://www.wholeheartedly-sudaniya.blogspot.com/">আ হোলহার্টেডলি সুদানিয়া</a></em> আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন <a href="http://cairorefugeefilmfestival.blogspot.com/2009/05/background-and-introduction.html">কায়রো শরণার্থীদের চলচ্চিত্র উৎসব ব্লগ</a> পড়তে যেখানে আমি দারুণ কিছু তথ্য পেয়েছি মিশরের শরণার্থীদের সম্পর্কে:</p>
<blockquote><p>গত তিন দশকে, মিশর আফ্রিকা, এশিয়া আর মধ্য প্রাচ্য থেকে আসা শরণার্থীদের জায়গা দিচ্ছে যারা সংঘর্ষ আর হত্যার ভয় থেকে পালিয়ে আসছে। অনেক শরণার্থী মিশরকে তাদের বাড়ি বানিয়েছেন আর মিশরীদের মধ্যে অনেক ধরনের শরণার্থী গোত্র বাস করেন, যারা মিশরীয় সমাজে অবদান রাখছেন। যদিও মনে করা হয় যে সুদানিরা সব থেকে বড় সংখ্যার শরণার্থী, কিন্তু বেশ কিছু সংখ্যক সোমালি, ইরিত্রিয়ান, ইথোপিয়ান, উত্তর আফ্রিকান আর আরো বেশী সংখ্যক মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার আর ইরাকী আছেন। মধ্য আর দূর প্রাচ্য থেকেও শরণার্থীরা মিশরে আশ্রয় চায়। এর সাথে প্রায় ৭০,০০০ ফিলিস্তিনি আছে। এইসকল শরণার্থী প্রায় ভুলভাবে অর্থনৈতিক অভিবাসনকারী হিসাবে সনাক্ত হয়, একটা বিপদ্গ্রস্ত জনগোষ্ঠির পরিবর্তে যারা তাদের আবাসস্থল ত্যাগ করে পালিয়েছেন রাজনৈতিক সমস্যা আর সংঘাতের কারনে।</p></blockquote>
<p>কায়রো শরণার্থী চলচ্চিত্র উৎসব শরণার্থীদের তাদের নতুন দেশে আত্মীকরনের একটি উদ্যোগ:</p>
<blockquote><p>যেহেতু শরণার্থীদের বিশাল অংশ কখনো পুনর্বাসিত হবে না, মিশরে আত্মীকরনে খুবই চিন্তার ব্যাপার আর এই মুহূর্তের প্রয়োজন। এটা তখনই সম্ভব যখন গ্রাহক সমাজ আর শরণার্থী সমাজের মধ্যে থাকা ভুল ধারণা লোপ পাবে আর অন্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে বোঝা আর মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।</p>
<p>এই পরিস্থিতিতে আর শরণার্থী আর মিশরীয় সমাজকে একত্র করার লক্ষ্যে, চলচ্চিত্র উৎসবের ধারণার জন্ম।</p></blockquote>
<p>জুনের ১৬ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য শহরতলী কায়রোর রায়াবেত থিয়েটারে, উৎসব অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব শরণার্থী দিবসের উপলক্ষ্যে <a href="http://cairorefugeefilmfestival.blogspot.com/2009/05/rationale-for-festival.html">যা চাচ্ছে</a>:</p>
<blockquote><p>জীবন, সংগ্রাম, আর শরণার্থীদের প্রাপ্তি একত্র কররে বিশ্বব্যাপী ১৯৩০ থেকে এখন পর্যন্ত। আমরা চেষ্টা করছি মিশরীয় ধারণা ভাঙ্গতে যে শরণার্থী সংগ্রাম আফ্রিকা কেন্দ্রিক বিষয় আর শরণার্থীরা সব সময়ে আফ্রিকান হয়ে থাকে। চলচিত্র মাধ্যমের মধ্য দিয়ে, আমরা মিশরীয় সমাজকে বোঝাতে চাচ্ছি শরণার্থীদের গল্প, বাধা আর সহ্যের বিষয়টা।</p></blockquote>
<p>ব্লগ আরো তালিকা দিচ্ছে <a href="http://cairorefugeefilmfestival.blogspot.com/2009/05/sponsors-netherlands-embasssy-movies.html">স্পন্সর</a>, সাহায্যকারি আর আয়োজকদের, <a href="http://cairorefugeefilmfestival.blogspot.com/2009/05/film-schedule.html">সময়সূচী</a> আর <a href="http://cairorefugeefilmfestival.blogspot.com/2009/05/workshops.html">ওয়ার্কশপের</a> যা এই অনুষ্ঠানের সাথে মিল রেখে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/13/3686/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাক: বাড়তে থাকা সংঘর্ষ এবং দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/27/2084/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/27/2084/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 27 Mar 2009 22:28:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2084</guid>
		<description><![CDATA[বেশ কিছুদিন শান্ত থাকার পর বাগদাদ শহর নতুন এক পশলা বোমা হামলার শিকার হয়েছে। সালাম আদিল ইরাকী ব্লগের লেখা থেকে সংকলিত করে সেখানকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/salam-adil/">সালাম আদিল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/14/iraq-increasing-violence-and-fragile-security/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আমার শেষ লেখাটি পোষ্টটি করার পর ইরাকে অনেক কিছুই ঘটে গেছে। আমি স্বীকার করে নিচ্ছি সেই সব সংবাদ আমি নিয়মিত জানাতে পারিনি, কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ইরাকি ব্লগে প্রাণ থাকবে আমি লেখার জন্য শ্রম দিয়ে যাবো।</p>
<div style="float:right; border: thin dotted; padding:10px; margin-left: 5px; max-width:150px; font-size:85%; text-align:left; line-height:120%; background-color: #F6FAFF">
<strong>আমি সেই সন্ত্রাসী</strong><br />
<em><a href="http://thewordsthatcomeout.blogspot.com/2009/01/i-terrorist.html">লিখেছেন:</a> জেডজেড</em></p>
<p>আমি সে সন্ত্রাসী<br />
আমার ভ্রাতার মুখে রুটির টুকরো ভেঙ্গে পড়ছে<br />
সে কখনও রক্তে ভেজা রুটির স্বাদ পায়নি<br />
সন্ত্রাসী আমি আমার নি:শ্বাস আটকে রাখি<br />
যেমন রান্নাঘরের ছাদে আটকে থাকা ইট<br />
এসে আমার কপালে আঘাত করে<br />
তারপরেও আমি দাড়িয়ে থাকি<br />
আমি সেই সন্ত্রাসী<br />
পরিপুর্ন রাস্তায় পানির অপেক্ষায়<br />
আমার দুগ্ধপোষ্য শিশুর জন্য<br />
আমি আমার আঙ্গুল হারিয়ে ফেলি<br />
রাস্তার উপরে<br />
এক নিখুত অস্ত্রধারী ঘাতক<br />
আমি সেই সন্ত্রাসী<br />
মাটি খুঁড়ে পানি তুলে আনি<br />
আমার ক্ষত থেকে থেকে যাবার পর<br />
এবং চেষ্টা করি<br />
আমার ক্ষত পরিচর্যা করি<br />
যেমন সে আমার বাহুতে পড়ে থাকে<br />
এবং এখন উষ্ণ<br />
তার সদ্যপৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া মৃত মায়ের শরীর<br />
আমি সেই সন্ত্রাসীকে ঘৃণা করি<br />
আমার সদ্যজাত সন্তান<br />
পান করুক রক্তরঞ্জিত পানি<br />
তার জন্য কোন দুধ নেই<br />
এক উজ্জল লাল ঠোঁটকে রাঙ্গিয়ে দিচ্ছে<br />
তখন আমি সেই সন্ত্রাসী<br />
উপলদ্ধি করি<br />
সে তার মাকে পছন্দ করে<br />
আমার ভাইকে ভালেবাসে<br />
এবং অন্য সন্ত্রাসীকে<br />
যার খাবার খেতে বসেছিল<br />
সেই ফেটে যাওয়া খাবার টেবিলে<br />
সে আসলে মায়ের দুধ পান করা বন্ধ করে দিয়েছে। </p>
<p><em>এই কবিতাটি গাজা হত্যাকান্ড থেকে বেঁচে যাওয়া একজনের গল্প থেকে উৎসাহিত হয়ে লেখা। সে তার ঘরের বর্ণনা দিচ্ছিল।  আসলে সে মনে করিয়ে দিচ্ছিল যে ঘরটি একসময় অস্তিত্ব ছিল। এই ঘরটি দেখতে ছিল অনেকটাই আঙ্গুলহীন রক্তাক্ত হাতের মতো। </em></div>
<p><strong>বাগদাদ, প্রথম যখন শান্ত হলো</strong></p>
<p>রাজধানী বাগদাদের শান্ত ও তিক্তমধুর চেহারার বর্ণনা <a href="http://livesstrong.blogspot.com/2009/02/magnificent-visit-to-baghdad.html">সানশাইন</a> ছাড়া অন্য কোন ব্লগার ভালো দিতে পারবে না। গতমাসে এক স্বল্পকালীন ছুটিতে ভদ্রমহিলা ইরাকের উত্তরের শহর মসুল থেকে বাগদাদে ভ্রমণ করতে এসেছিলেন। অনেক ছবি আর পর্যবেক্ষণের সাথে তিনি তার লম্বা পোস্টের উপসংহার টেনেছেন:</p>
<blockquote><p>অনেক দিন ধরে আমি কোন ভালো ঘটনার কথা লেখতে পারিনি। আমি আনন্দিত যে বলার মতো আমার কাছে কিছু ভালো সংবাদ রয়েছে। গতকাল আমি আমার বন্ধুর বাসায় গিয়েছিলাম। সে চিকিৎসাবিদ্যার উপর পড়াশুনা করছে। দুই বছর হলে তার সাথে আমার দেখা হয়নি। তার সাথে আমি চমৎকার সময় কাটিয়েছি।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/f1b0d0d7-63ec-4560-9b46-a81a16b6540e.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/f1b0d0d7-63ec-4560-9b46-a81a16b6540e.jpg" title="মসুল" class="alignnone" width="220" /></a></p>
<p>আমি আশা করি মসুল শহরটি বাগদাদের মতোই নিরাপদ হবে এবং পরবর্তী সময় যখন আমি বাগদাদে বেড়াতে আসবো তখন আবিস্কার করবো বাগদাদ আগের মতো, এমনকি তারচেয়েও নিরাপদ হয়ে গেছে। </p></blockquote>
<p><strong>কিন্তু এ অবস্থা বেশীদিন থাকেনি</strong></p>
<p><em>চিকিতিতা</em> অনেকদিন বিদেশে বাস করার পর <a href="http://firstwordsfirstwalkfirstiniraq.blogspot.com/2009/03/return-of-jinx.html">বাগদাদে ফিরে এসেছেন</a>। তিনি ফিরে এসেছেন কেবল বোমা বিস্ফোরনের পুনরায় বিস্তৃতির অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। কেন? ভদ্রমহিলা লিখছেন:</p>
<blockquote><p>তারা বলছে আমি এই এলাকার জন্য কেবল দুভার্গ্য বয়ে আনি। ইরাক অনেক বেশী কুসংস্কারচ্ছন্ন এবং একবার যদি তারা এই লেখাটি পড়ে তাহলে তারা সকলে মিলে এক দরখাস্তে সই করে প্রধানমন্ত্রীকে দেবে। এই দরখাস্তে লেখা থাকবে আমাকে ইরাক থেকে দুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আমার ফিরে আসার আগে ইরাক যেন পৃথিবীর স্বর্গ ছিল। বাগদাদের শান্ত রাস্তায় যে সমস্ত প্রাণঘাতী বিস্ফোরন ঘটছে সেগুলোর কারন? বেশ কল্পনা করুন কি তার কারন&#8212;-!</p></blockquote>
<div style="float:left; border: thin dotted; padding:10px; margin-right: 5px; max-width:150px; font-size:85%; text-left; line-height:120%; background-color: #F6FAFF"><strong>নিরপেক্ষতা বিষয়ে</strong><br />
<em><a href="http://uncensoredarabwomanblues.blogspot.com/2009/03/on-objectivity.html">লিখেছেন: লায়লা আনোয়ার</a></em></p>
<p>স্পস্ট করে নিজের কথাগুলো বল মেয়েরা,<br />
তাদের পাল্টে ফেল, তাদের রঙ বদলে দাও,<br />
তাদের নতুন মাত্রা দাও, সেগুলোকে মুল্যায়ন করে,<br />
তাদের আলাদা করো পরিচয় দাও যেমন তারা<br />
তোমাদের পরিচয় তৈরী করে এবং তাদের,<br />
কাজেই তারা বুঝতে পারবে মনের উদ্দেশ্য&#8211;<br />
তাদের লক্ষ্য ,সীমা এবং গভীরতা বুঝতে পারে,<br />
তারা বুঝতে পারে নিজেদের পার্থক্য এবং ধ্বংসাত্বক শক্তি। </p>
<p>নিজের ভেতর ও বাইরের জগতকে পাল্টে ফেল।<br />
মরুঝড় আর ঘুর্ণি বাতাসকে নির্বাসিত কর<br />
নদীকে অবরুদ্ধ করো<br />
স্রোতকে রুদ্ধ করো<br />
একটা রাবার দিয়ে আবেগগুলোকে মুছে ফেল, তাদের শুন্য করে ফেল<br />
পিটিএসডি নামের উদ্বিগ্ন অসুখে জম্বি নামের ভুত হও<br />
তাদের কাছে প্রার্থণা কর যাতে তারা তোমার উপর দয়া করে<br />
তারা আসলে ঠিক এই ধরনের প্রার্থণাই শুনতে চায় , তাদের কানে যাওয়া প্রয়োজন<br />
তাদের পাল্টানো অংশই আমাদের ত্রাতা, উদ্ধারকর্তা<br />
আমাদের উদ্ধারকরাই তাদের লক্ষ্য<br />
রক্ষা করার আগে বিষয়টি বোঝা প্রয়োজন<br />
তোমাকে সে উদ্ধার করার আগে তার নিজের কাছ থেকে  </p>
<p>একই সময়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করো,<br />
নিজের আবেগকে এবং অনুভুতিকে কারন লক্ষ্যপুর্ণ মন<br />
এর ভেতরে থেকে যে অনুভুতি নি:সৃত হয়<br />
তাকে মেনে নিতে পারে না&#8212;-<br />
এটি আসলে তার চিন্তার সাথে এক হতে পারে না। </p></div>
<p><a href="http://washingtonbureau.typepad.com/iraq/2009/03/pictures-from-a-hard-night.html">লেইথ</a> তার অনুভুতি নিয়ে লিখছে সেই সময়ের কথা যখন তার বাড়ীর সামনে একটা বিস্ফোরণ ঘটে:</p>
<blockquote><p>তখন সন্ধ্যা সাতটা বাজে। আমি নামাজ পড়া শুরু করলাম। কয়েক কেন্ডে পরেই একটা ভয়ানক শব্দ হলো। এটি আমাকে একটা ছোট্ট পাখির মতো ভয় পাইয়ে দিল। আমি এই ধরনের শব্দের সাথে খুব পরিচিত। এবারের শব্দটাও বিস্ফোরণের শব্দ ছিল, কিন্তু এবার এই শব্দ এত জোরালো ছিল যে মনে হলো এটি আমার বাড়ীর সামনেই ঘটেছে। তারচেয়ে বেশী যা মনের মধ্যে এলো এটি মসজিদের কাছেই ঘটেছে যেখানে আমার পিতা, আমার চাচা ও প্রতিবেশীরা নামাজ পড়তে যায়। সে মুহুর্তে নামাজটাকে আমি শেষ করতে চাইছিলাম কিন্তু মনে হচ্ছিল তা অনেক লম্বা। যখন আমি নামাজ শেষ করে বাইরে বের হবার চেষ্টা করলাম ঠিক তখনই দ্বিতীয় বিস্ফোরণের শব্দ শুনলাম। ওহ আল্লাহ, আমি নিশ্চিত ছিলাম যে অনেক মানুষ মারা গেছে। আমি দ্রুত দৌড়ালাম এবং বিস্ফোরণের ধোঁয়া দেখতে পেলাম। আমি মানুষজনকে বিস্ফোরণের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। রাস্তায় দাড়ানো একজন ব্যাক্তি আমাকে বললো রাস্তার পাশে দুটি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে। আমার প্রতিবেশী বৃদ্ধ মহিলাটি বললেন, &#8220;লেইথ যাও দেখ তোমার ভাই কোথায় আছে&#8221;। তিনি আমাকে তার ছেলের ব্যাপারে এই কথা বলেছিলেন। তার ছেলে আমার কাছে আপন ভাইয়ের মতই। আমি বের করার চেষ্টা করছিলাম বোমাগুলো মসজিদের ভেতরে বিস্ফোরিত হয়েছিল কি না। আল্লাহকে ধন্যবাদ, বিস্ফোরণ মসিজদে নয় তার কাছেই হয়েছিল। আমার আরেক প্রতিবেশী বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে তার বাসা থেকে বের হয়ে এলো। সে চিৎকার করে কাঁদছিল আর বলছিল, ‘আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে ফেলেছি, আমি আমার সন্তানকে হারিয়ে ফেলেছি’। আমি তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলাম, কিন্তু সে আমার কথা শুনলো না এবং যেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেদিকে দৌড়াতে শুরু করলো। আল্লাহ তাআলাকে আবার ধন্যবাদ, তার ছেলে এই বিস্ফোরণে সামান্য আঘাত পেয়েছিল। </p>
<p>মনে হচ্ছে শান্তিতে বাস করার স্বপ্ন ইরাকের সামনের বছরগুলোতেও দেখা যাবে না। বেশ কিছুদিন দিন ধরে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় তা ইরাকের দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তবাতকেই তুলে ধরেছে। </p></blockquote>
<p><a href="http://baghdad-connect.blogspot.com/2009/03/things-are-screwed-up-anew-and-guess.html">বাগদাদ কানেক্ট</a> যখন ভাবছেন <a href="http://news.bbc.co.uk/1/hi/world/middle_east/7934615.stm">নতুন এই বোমা বিস্ফোরণ</a>- এর পরিমান বৃদ্ধি সম্প্রতি ইরাকে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচন এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ইরাক থেকে সৈন্য সরিয়ে আনার ঘোষণার প্রতিক্রিয়া কিনা। </p>
<p><em>বাগদাদ কানেক্ট</em> সম্প্রতি সাদ্দাম হোসেনের ভাইস প্রেসিডেন্ট <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Izzat_Ibrahim_ad-Douri">ইজ্জত আল দুরির</a> মন্তব্যর উপর একটি তথ্য প্রকাশ করেছেন। আল দুরি প্রক্তন সকল সামরিক বাহিনীর অফিসারকে সরকারে প্রস্তাবে রাজী হয়ে তাদের পুরোন পদে ফিরে আসার আহবান জানিয়েছেন এবং তাদের বাথ পার্টির ভয় দুর করতে বলেছে। এই ব্লগ লিখছে:</p>
<blockquote><p>গ্রীন জোন আর বেশীদিন তার অস্তিত্ব নিয়ে থাকবে না, আমেরিকার দুতাবাস রাজধানীতে ক্ষমতা প্রকাশের একমাত্র প্রতীক হয়ে থাকবে। সকল কিছুই যেন দ্বিগুন চিজ দেওয়া হুপার বা বার্গার এর মতো, এখানে তা আচারের মতো পিচ্ছিল গতিতে চলছে। জোর করে এখানে আসা এইসব ব্যাক্তিদের এক দোভাষীকে একটি বন্দুক দেওয়া হয়েছে যাতে সে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। সে আমাদের বলেছে, এইসব আমেরিকানরা এখন হার স্বীকার করছে। </p>
<p>একজন অধ্যাপক বলছেন, ‘বাথ পার্টি আবার ফিরে আসছে। আমাদের মুল জায়গা থেকে শুরু করতে হবে; এটাই আমাদের কাজ করার পন্থা’।</p></blockquote>
<p><strong>কারাদন্ড আর কারাদন্ড:</strong></p>
<p>সম্প্রতি অনেক কারাদন্ড দেয়া হচ্ছে সারাবিশ্বে, যেমন <a href="http://www.allheadlinenews.com/articles/7014387483">প্রাক্তন ইরাকী সরকারী কর্মকর্তাদের</a>, <a href="http://news.bbc.co.uk/1/hi/world/africa/7924324.stm">পদে থাকা রাষ্ট্রপতিকে </a> এবং <a href="http://www.guardian.co.uk/world/2009/mar/12/iraqi-shoe-thrower-trial-resumes">জুতা নিক্ষেপকারীকে</a>। <em>লায়লা আনোয়ার</em> &#8216;সেন্টেন্স&#39; শব্দের অর্থ নিয়ে <a href="http://arabwomanblues.blogspot.com/2009/03/sentences.html">মজা করেছেন</a> (ইংরেজিতে সেন্টেন্স মানে বাক্য ও কারাদন্ড দুটিই হয়):</p>
<blockquote><p>শব্দের ক্ষমতা- বাগধারা, সিদ্ধান্ত এবং বাক্য&#8230;.. তারা আপনাকে উঠাতে ও নামাতে পারে, তারা আপনাকে তৈরী করতে পারে, ভাঙ্গতে পারে এবং আপনার জীবনকে চিরতরে বদলে দিতে পারে, চির জীবনের জন্য। </p>
<p>এখানে সেন্টেন্স (বাক্য/কারাদন্ড) একটি জেলখানা, একটি গিলেটিন বা গলায় চাকু চালিয়ে তৈরী করা মৃত্যুদন্ডে পালনকারি যন্ত্রে পরিণত হওয়া ২১ শতকের কারাগার।</p>
<p>সেন্টেন্স এখন ড্যাগার এবং চাকুতে পরিণত হয়েছ। সেন্টেন্স আঘাত করতে উদ্যত&#8230; তারা সার্কসের জন্য সেন্টেন্স চালাচালি খেলা  খেলে ও কারাদন্ডকে মুখোশ এ পরিণত করে&#8212;- আজ সেন্টেন্স অর্থহীন, কারন তাদের সামনে ও পেছনের মধ্যে কোন যোগসুত্র নেই, </p>
<p>তারা তাকে আজীবনের জন্য কারাগারে প্রেরন করেছে, তাকে মৃতুদন্ডে দন্ডিত করেছে&#8212;- তারা  আর্তনাদ করেছে।<br />
কে বিচারক এবং কে  দোষী? আজ তার কোন মানে  আছে?<br />
যখন বিচারক অপরাধী এবং দোষী নিষ্পাপ &#8230; তাহলে সেন্টেন্স আর কি অর্থ তৈরী করতে পারে?<br />
পরে সেন্টেন্সকে অনেক বেশী গুরুত্বের সঙ্গে বাছাই করে তাকে প্রকাশ করা হয়<br />
আল- বশির, আল -মাজিদ, আজিজ&#8230;. এরকম কিছু নাম যা মাথায় আসে<br />
কে সত্যিকারের খুনীদের ফাঁসি দেবে&#8230;.. এমন কোন কি কোন কোর্ট রয়েছে যে আইনের মধ্যে দিয়ে আমার প্রশ্নের উত্তর দেবে।<br />
কে তাদের ফাঁসি দেবে যারা ‘মাংস আর যৌনতায় আচ্ছন্ন ’ খুনী লক্ষ নিরাপরাধ লোককে হত্যা করে।<br />
সেই সমস্ত দায়িত্বশীলদের ফাঁসিকাষ্টে ঝোলাবে যারা গণতন্ত্রের  জন্য ইতিহাসে অবৈধ গণহত্যা ঘটিয়েছে।<br />
কে আসলে সত্যিকারের অপরাধীদের ফাঁসি দেবে।  </p></blockquote>
<p><strong>এবং অবশেষে </strong></p>
<p>আমাদের যারা ইন্টারনেট সেবা দেয় তাদের কারনে আমাদের সকলকে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু <em>সালাম পাক্স</em> এর আইএসপি তার <a href="http://salampax.wordpress.com/2009/02/20/my-isp-lolz/">সবকিছুই কেড়ে নেয়</a>।</p>
<blockquote><p>এটি আজ আমাকে হাসালো&#8230;ইরাকের টেলিকম কোম্পানী কালিমাত তার ওয়েব এর প্রথম পাতায় একটি জনমত জরীপ করার ব্যবস্থা করে, ইরাকের ইন্টারনেট সেবা ব্যবস্থার মান কেমন? </p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/be24b872-12b6-4c41-b892-d27235bce1ce.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/be24b872-12b6-4c41-b892-d27235bce1ce.jpg" title="সালাম পাক্স" class="alignnone" width="300" height="225" /></a></p>
<p>এই জরীপে তাকে মুল্যায়ন করার সীমিত সুযোগ ছিল, তা হলো চমৎকার, খুব ভালো, ভালো এবং চলনসই&#8230;.! কিন্তু আমি যে ভাবে তাকে মুল্যায়ন করতে চাইছিলাম, তা হলো খারাপ, বাজে, বেশী দামী এবং এই সার্ভিস আমাকে পাগল করে দেয়। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/27/2084/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাক: নির্বাচন এলো এবং গেল</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/09/1597/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/09/1597/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Feb 2009 18:41:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1597</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসালাম আদিল  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 

&#8216;বেগুনী আঙ্গুলের ফিরে আসা&#8216; শিরোনামের ছবিটি পোস্ট করেছেন সামিনকি। 
ইরাকে নির্বাচন এলো এবং চলে গেল। সেদিন সারা ইরাক বেশ শান্তই ছিল। যুদ্ধের পর সবচেয়ে বিরক্তকর একটা জাতীয় ঘটনা হিসেবে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে দেখা হয়। নাজমা এই ঘটনার কিছু অংশ তুলে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/salam-adil/">সালাম আদিল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/03/iraq-elections/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/vote.jpg" alt="Vote" /><br />
<em>&#8216;<a href="http://saminkie.blogspot.com/2009/01/return-of-violet-fingers.html">বেগুনী আঙ্গুলের ফিরে আসা</a>&#8216; শিরোনামের ছবিটি পোস্ট করেছেন সামিনকি। </em></p>
<p>ইরাকে নির্বাচন এলো এবং চলে গেল। সেদিন সারা ইরাক বেশ শান্তই ছিল। যুদ্ধের পর সবচেয়ে বিরক্তকর একটা জাতীয় ঘটনা হিসেবে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে দেখা হয়। <em>নাজমা</em> এই ঘটনার <a href="http://astarfrommosul.blogspot.com/2009/02/not-so-usual.html">কিছু অংশ তুলে ধরেছেন</a>। বিষয়টি যেন অনেকটা বিশেষ কোন লক্ষ্য ছাড়াই লেখে হয়েছে এবং তা মাঝপথে এসেই শেষ হয়েছে। </p>
<blockquote><p>গতকালের আগেরদিন আমাদের বাড়ীর কাছে একটা বোমা বিস্ফোরিত হয়। তবে আমরা আগেই সর্তক ছিলাম, ফলে এই বোমা বিস্ফোরণে খুব সামান্যই ক্ষতি হয়েছে (কেবল একটা জানালা উড়ে যায়)। প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ নিহত হয়নি। সৃস্টিকর্তাকে ধন্যবাদ।  </p>
<p>ওহ! আমি প্রায় ভুলেই গেছি এই পোস্ট আসলে কি নিয়ে!  </p>
<p>গতকাল, অবশেষে আমি ভোট দিতে গেলাম এবং কোন রকম কোন লড়াই না করেই (এই ভোটদান অনুষ্ঠানটি ছিল নিনেভের প্রাদেশিক কাউন্সিল নির্বাচন)। আমি খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন পড়াশুনা ছাড়াই পরীক্ষা দিতে যাচিছ। আমি ভোটদান কক্ষে গিয়ে নিজেকে বোকা বানিয়ে ফেললাম। ভোটের জন্য দেওয়া পরিচয়পত্রের বদলে নিজের পরিচয়পত্র বের করে ফেলেছিলাম। আমি জানতাম না কোন আঙ্গুল কালির বোতলে ডুবাতে হবে। আমি আমার ভোট দেবার কলমটি সাথে প্রায় নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু অবশেষে আমি ঠিকভাবে সব কাজ করতে পেরেছি এবং ভোট দিতে পেরেছি। এখন আমার আঙ্গুল বেগুনী বর্ণে রঞ্জিত। এই দৃশ্য প্রায়শই আমাকে আবাক করে। যতক্ষণ আমি আঙ্গুল দেখি, আমি ভোটের কথা স্মরণ করি।</p></blockquote>
<p>কিন্তু এই ভোট আসলে ব্লগারদের উপর কি প্রভাব তৈরী করেছে:</p>
<p><strong>কবিতা:</strong></p>
<blockquote><p><a href="http://uncensoredarabwomanblues.blogspot.com/2009/01/no-paper-tigers.html">নয় কোন কাগুজে বাঘ</a><br />
<em>লেখিকা: লায়লা আনোয়ার</em></p>
<p>আমি কমিউনিষ্ট নই<br />
অথবা মার্কসবাদী-লেলিনবাদী<br />
আমি নই সাম্যবাদী<br />
আমায় জাতীয়তাবাদী বলাও কঠিন<br />
এমনকি নই আরব গোত্রের একজন<br />
নই কারো মতোই<br />
যদিও আমি ট্রটস্কিপন্থী হয়ে রই<br />
আমি চলি মৃদু ছন্দে, একা<br />
এবং ভালোবাসি একাকিত্ব<br />
উদাসীনতা<br />
বন্যতা<br />
এক কগুজে বাঘের বনে<br />
আমি মাওবাদি নই, না<br />
মোড়ক, আমি পরীক্ষা করে দেখেছি<br />
তারপর মোড়ক খুলে ফেলেছি<br />
একে একে সব<br />
কি এক আনন্দ ছিল এই উন্মোচনে।<br />
আমি কবিও নই<br />
কালি শুকিয়ে গেছে<br />
লেখার পাতায় আঁচড় পড়েছে<br />
যেমন কাঠের মধ্যে ফাটল<br />
এক তীব্র আগুন<br />
তুমি বসে আছো, তুমি জানো<br />
তুমি সেখানে,<br />
এখানে<br />
সবখানে </p>
<p>এ সেই জায়গা যেখানে তুমি বাস কর<br />
একজায়গায়<br />
ঝুলে থাকো<br />
এক নরক অগ্নিকুন্ডের মাঝে<br />
তোমার কোন বর্ণ নেই<br />
ধর্ম নেই<br />
জাতীয়তা নেই<br />
তুমি বাস কর<br />
কাগজে<br />
কাগজের বাঘ<br />
আমি মানবতা ভালোবাসি<br />
একজন না হয়ে<br />
কেবল এক একাকি কন্ঠস্বর<br />
জমে যাওয়া শীতে<br />
কেবল তুমি আর আমি<br />
হেঁটে বেড়াই<br />
এমন এক রাস্তায়<br />
যার কোন নাম নেই </p></blockquote>
<p><strong>গণতন্ত্রের রাজনীতি</strong></p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Salam_Pax">সালাম প্যাক্স</a> প্রকৃতই একজন ইরাকী ব্লগার। তিনি আবার ব্লগ করতে শুরু করেছেন। তিনি ইরাকে ফিরে এসেছেন। তিনি তার পরিবারের সাথে বসে আছেন। সালাম হিসেব করার চেষ্টা করছেন <a href="http://salampax.wordpress.com/2009/01/29/elections/">কাকে ভোট দেওয়া যায়</a>: </p>
<blockquote><p>ইরাকে মোট ১৮টি প্রদেশ রয়েছে। প্রত্যেকটি প্রদেশের নিজস্ব কাউন্সিল বা পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কাউন্সিল হলো বাগদাদ। এখানকার কাউন্সিল সদস্য ৫৭ জন। এই ৫৭টি পদের জন্য প্রার্থী ছিল অসাধারণ রকমের বেশী। মোট ২৩৭১জন প্রার্থী কেবল বাগদাদের নির্বাচনে দাড়িয়েছিলে। সারা ইরাকে মোট প্রার্থী ছিল ১৪,৪০০ জন। </p>
<p>এতগুলো প্রার্থীর আওয়াজ, ভোটারকে প্রতিবাদ স্বরুপ ভোট না দেবার জন্য যথেষ্ট বলে বিবেচনা করা যায়।</p>
<p>আমি তাই ভেবেছিলাম, এরা আসলে কারা? আমি আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমরা মতো এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ ইরাকীও একই ভাবনা ভাবছিল।</p>
<p>গত দুই সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন প্রক্রিয়টি ছিল সহজ। একই দল এবং একজন ব্যক্তি পুরো দেশ জুড়ে নির্বাচনের জন্য দাঁড়িয়ে, নির্বাচনকে সহজ করে দেয়। এবার আলাদা প্রদেশের জন্য ছিল আলাদা ব্যবস্থা। আমি বের করার চেস্টা করছি এই ১৪ হাজার প্রার্থী কিসের জন্য দাড়িয়েছিল, কিন্তু তা বের করা অসম্ভব। </p></blockquote>
<p>সালাম-এর কাছে যে নির্বাচন বিভ্রান্তপুর্ণ মনে হচ্ছে শেষ পর্যন্ত ইরাকীদের কাছে <a href="http://last-of-iraqis.blogspot.com/2009/01/lets-talk-about-candidates-and.html">তা ধুয়াছন্ন</a> বলেই মনে হয়েছে:</p>
<blockquote><p>গতকাল এক স্বতন্ত্র ইরাকী প্রার্থী ইরাকের স্থানীয় এক টিভি চ্যানেলে এক বির্তক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই বির্তকে এক অদ্ভুত আইন নিয়ে আলোচনা করা হয়। নির্বাচনী আইনে রয়েছে যদি কোন প্রার্থী নির্দিষ্ট পরিমাণ ভোট পেতে ব্যর্থ হয় তাহলে তার সকল ভোট সবচেয়ে যে বেশী ভোট পেয়েছে তার ভোট হিসেবে যোগ হয়ে যাবে। উত্তম! এখন কে নির্ধারণ করবে কে সবচেয়ে বেশী ভোট পেল এবং কে সবচেয়ে কম? এটা অসম্ভব একটা ব্যাপার! যদি আমি কোন নিরপেক্ষ কোন প্রার্থীকে ভোট দেই এবং সে নিদিষ্ট পরিমাণ ভোট পেতে ব্যর্থ হলো তাহলে কেন তার ভোট গিয়ে একজন ইসলামিপন্থী দলের উন্মাদ-এর ভোটের সাথে গিয়ে যোগ হবে? কোন যুক্তিকে তা করা হবে?</p>
<p>কিছুদিন আগে আমি এক আত্মীয়ের সাথে আলাপ করছিলাম, যিনি প্রধানমন্ত্রী আলমালিকি কতৃক নির্বাচিত পুরো প্রার্থীর তালিকা হাতে পেয়েছেন। আমরা এই তালিকা দেখে খুব হাসলাম&#8212;-এর কারন ছিল এই তালিকার বেশ কিছু নাম। তার প্রাথীদের নামের তালিকা এবং তাদের শিক্ষার স্তর দেখে&#8212; তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আপনি অলৌকিক কিছু আবিস্কার করতে পারেন, একজন লিখেছেন, তিনি ডাক্তার হতে যাচ্ছেন!!! </p>
<p>আরেকজন জানাচ্ছে, তার পিতা একজন ডাক্তার!!! এবং একজন প্রার্থী যিনি সত্যিকারের ডাক্তার তিনি জানাতে পারেননি তিনি আসলে কিসের ডাক্তার?&#8212;&#8211; হে সৃষ্টিকর্তা , আপনি আমাদের উপর দয়া বর্ষণ করুন। </p></blockquote>
<p>কিন্তু <a href="http://hammorabi.blogspot.com/2009/01/election-of-local-provinces-councils-in.html">হাম্মুরাবি</a> অনেক বেশী আশাবাদী ছিলেন:</p>
<blockquote><p>এই নির্বাচন ইরাকের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর (শিয়া, সুন্নী, কুর্দী) মানচিত্রকে এমনভাবে পাল্টে দেবে যাতে ইরাক আরো পরিণত রাস্ট্র হিসেবে সামনে এগিয়ে যেতে পারে। ইরাকের নাগরিকরা তাদেরকেই নিজেদের কন্ঠস্বর তুলে ধরার দায়িত্ব দেবে যারা ইরাকী সমাজের মঙ্গল এবং উন্নত জীবনের জন্য এক সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গী ধারন করে। </p>
<p>যদি আগের নির্বাচনের সাথে তুলনা করি তাহলে এটি অনেক পরিণত ভাবনা।  আগে জাতিত্ব এবং দলীয় বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হতো। এখন সবাই একটা পরিবর্তন চাইছে যা কিনা ভালো একটা মাধ্যম হয়ে আসবে এবং এই নির্বাচন কিছু পরিণত মানসিকতার দিক নির্দেশ দিচ্ছে। যতই পরবর্তী নির্বাচন প্রক্রিয়া  আগের নির্বাচনের চেয়ে স্বাধীন ও সহজ হবে ততই ব্যাক্তি নিজের পছন্দমত দায়িত্বশীল প্রার্থী বেছে নিতে পারবে। এটি সে পারবে কোন রকম চাপ ছাড়াই।</p></blockquote>
<p><strong>ভীতি প্রর্দশন:</strong></p>
<p>দুইজন ব্লগার জানাচ্ছেন পার্টিগুলো তাদের বিরুদ্ধ দলকে হুমকি এবং ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। <em>লেইলা ফাদেল</em> <a href="http://washingtonbureau.typepad.com/baghdad/2009/01/candidates-dropping.html">তিনজন প্রার্থী সমন্ধে বলছেন</a>, যারা নির্বাচনের আগে নিহত হয়েছেন। </p>
<p>তিনি লিখছেন:</p>
<blockquote><p>শনিবার প্রদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়েছে এবং প্রার্থীরা ঝরে পড়েছে। আজ তিনজন খুন হয়েছে। মুসলে একজন, বাগদাদে অন্যজন, এবং আরেকজন নিহত হয়েছে দিয়ালা প্রদেশে। এখানে প্রায় সবাই এটা মেনে নিয়েছি যে এ রকম মৃত্যু ঘটবে। সম্প্রতি যথারীতি আরো দুজন নিহত হয়েছেন। </p>
<p>আমেরিকায় এটা অনেক বড় সংবাদ, কিন্তু এখানে সংঘাতের এই বাস্তবতায় এটি অন্য যে কোন দিনের চেয়ে ভালো অবস্থা। এক ভীতিজনক সময়ের বাস্তবতায় এ এক বিশাল উন্নয়ন। যা এক বছর আগের তুলনায় অনেক ভালো। কিন্তু এখনও অনেক রক্তপাত ঘটছে।</p></blockquote>
<p>এবং <em>ফাতিমার</em> এক বন্ধু যে কিনা বাগদাদের কাউন্সিল চালাতেন, ভোটের আগের দিন একটা গাড়ী তার বন্ধুর বাড়ীর কাছে এসে গুলি করে এবং তার শ্বাশুড়ীকে হত্যা করে। <a href="http://thoughtsfrombaghdad.blogspot.com/2009/01/elections-are-close.html">ফাতিমা লিখছেন</a>: </p>
<blockquote><p>এই সব উন্মাদের এখন জেগে ওঠা প্রয়োজন। শংকা, হত্যা, এবং ভয়  ছড়ানোর  এই কৌশল পরিবর্তন করা প্রয়োজন। তাদের বোঝা উচিত যে সৃষ্টিকর্তা তাদের পক্ষে নয়। তিনি সংঘাত, মৃত্যু, হত্যা এবং শিশুদের এতিম ও  নারীদের বিধবা বানানোদের দলে থাকবেন না।</p></blockquote>
<p><strong>ভোটের দিনে রাস্তার কণ্ঠস্বর:</strong>  </p>
<p><em>শ্যাগি</em> <a href="http://baghdadbacon.blogspot.com/2009/02/thats-all.html">ভোট দিতে</a> গিয়েছিল। কিন্তু  আশেপাশে কোথায় কোন ভোটদান কেন্দ্র পাচ্ছিলেন না যেখানে তিনি ভোট দিতে পারেন:</p>
<blockquote><p>সাধারণত আমরা কাছেই ভোটদান কেন্দ্র খুঁজে পাই। ভোট দেই এবং ভোট কেন্দ্র ত্যাগ করি। তারা আমাদের যে ভোটদান কেন্দ্রে পাঠিয়েছিল সেটি আমার নিকট প্রতিবেশীর এলাকায় অবস্থিত। আমার বাসার থেকে থেকে সামান্য দুরে দুটি ভোটদান এলাকা রয়েছে। </p>
<p>আমার ভোট দিতে যাওয়া ছিল আমার শেষ মুহুর্তের সিদ্ধান্ত্, কিন্তু আমি মনে করি না তালিকার কেউ একজন আমার ভোট পেতে পারে। আমাকে যা বিরক্ত করছে তা হলো এক ভোট কেন্দ্র থেকে আরেক ভোটে কেন্দ্রে উদভ্রান্তের মতো হেটে যাওয়া। আমি একটা প্রতীকচিহ্ন আবিস্কার করলাম যা আমাকে ধারণা দিল জনাসাধারণের জন্য তৈরী পার্কের মধ্যে একটা ব্যাংক তৈরী হচ্ছে। বতর্মানে পার্কটি জরাজীর্ণ কিন্তু এক সময় পার্কটির অনেক সম্ভবনা ছিল। এটি সেই জায়গা যেখানে আমি প্রথম আমাকে খুঁজে পাই। </p></blockquote>
<p><em>সামিনকি</em> <a href="http://saminkie.blogspot.com/2009/01/return-of-violet-fingers.html">দিনটিকে উপভোগ</a> করছেন: </p>
<blockquote><p>আমি সকাল ১১ টার সময় উঠলাম। ওয়াও! দিনটির শুরুটা ভালো লাগলো। আজকের এই দিনটিতে আমি অলস পড়ে শুয়ে থাকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি আমার কফি শেষ করলাম, তারপর পোশাক পরলাম এবং ভোট দিতে বের হলাম। প্রথম স্কুলের ভোটার তালিকায় আমার নাম ছিল না, দ্বিতীয় স্কুলটিতেও নাম পাওয়া গেল না। তারা আমাকে তিন নাম্বার স্কুলে যেতে বললো। সেখানকার তালিকা থেকে নাম খুঁজে বের করতে বললো। স্কুলটি সেখান থেকে সামান্য দুরে অবস্থিত। আমি বিষন্ন মনে সেখানে গেলাম। আমি পথে শংকিত বোধ করলাম যে সেখানেও আামি আমার নাম খুঁজে পাবো কিনা, কিন্তু আমি পেলাম এবং জোরে চেচিয়ে উঠলাম, এইতো এখানেই আমার নাম। </p>
<p>ভোটদান কক্ষে আমি কয়েকজন সুন্দরী মহিলাকে দেখলাম। তারা হাসছিল। তারা এত চমৎকার আচরণ করছিল মনে হচ্ছিল তারা বেহেশত থেকে নেমে আসা সুন্দরী। আমি ভোট দিলাম। তারা বললো, ধন্যবাদ। আমি বললাম, আপনাদেরও ধন্যবাদ, একটা হাসি দিয়ে আমি ভোটদান কক্ষ থেকে বের হয়ে এলাম। আমি দেখলাম অনেক পরিবার ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের সুখী দেখাচ্ছিল। এক পরিবারের বাবা ও মার বৃদ্ধাঙ্গুলিতে কালির ছাপ দেখতে পেলাম। আমরা একে অন্যকে অভিবাদন জানালাম চুম্বনের মাধ্যমে যা সাধারণত ইরাকিরা করে থাকে। আমি আবার ভোটকেন্দ্রে ফিরে গেলাম। তার ভোট দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষ করলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম না সে কাকে ভোট দিল সেও আমাকে জিজ্ঞেস করল না আমি  কাকে ভোট দিল। আমরা ইরাকীরা আলাদা আলদা দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করি। এটাই আমাদের একে অন্যকে শ্রদ্ধা জানানোর উপায়। আমরা ধীরে ধীরে হেঁটে গেলাম এবং বিভিন্ন স্মৃতি নিয়ে কথা বললাম আমাদের কোয়ার্টার কত সুন্দর ছিল। আমরা আশা করছিলাম সেটি আবার তার সৌন্দর্য ফিরে পাবে এবং আমরা আমাদের বেগুনী রঙের কালিতে ভরা আঙ্গুল নিয়ে গর্বিত ছিলাম।</p></blockquote>
<p>এবং নির্বাচনের দিন <em>সিজার অফ পেনট্রা</em> কি করবেন <a href="http://pentra.blogspot.com/2009/01/2009-provincial-elections.html">তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন</a>:</p>
<blockquote><p>সত্যি বলতে কি, আমি নিশ্চিত ছিলাম না আমি ভোট দিব।  অনেক কারনেই আমি এ বছর ভোট দিব না বলে মন স্থির করেছিলাম।</p>
<p>এক) কোন বিশেষ প্রার্থী মনের মধ্যে এমন ছিল না যাকে ভোট দিতে পারি। নির্বাচন কার্ডে বেশীর ভাগ দল ও তাদের প্রার্থীদের যে তালিকা দেওয়া হয়েছিল তাদের প্রতি আমার আস্থা ছিল না।   </p>
<p>দুই) আশাবাদী হয়ে দেখা যে, নির্বাচন সংযুক্ত এবং পক্ষপাতদুষ্টহীন হবে, তেমনটি মনে হয়নি। গুজব ছিল এর আগে ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কারচুপির অনেক ঘটনা ঘটেছিল। এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল প্রায় পুরো ভোট প্রদানের শতকরা ৩০ ভাগ।</p>
<p>তিন) মোটর সাইকেল চালানোর উপর কার্ফিউ জারি করা। আমরা সবচেয়ে কাছের ভোটকেন্দ্রের দুরত্ব ছিল প্রায় ২ কিলোমিটার।</p>
<p>চার) আমি এই অদ্ভুত কালি আমার হাতে লাগাতে চাই না। </p>
<p>তবে পরে সত্যিকার অর্থে আমি অনুভব করলাম এমন এক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ না করাটাই একটা অপচয়। বিশেষ করে যদি আমি সরকার, সংসদ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমালোচনা করতে চাই তাহলে ভোট না দেওয়াটাই অন্যায় হবে। আমি অবশ্যই ভোট দিয়ে কোন প্রার্থীর পক্ষে যাকে আমি পছন্দ করি এবং অনেক বেশী সৎ, তবে সত্যি বলতে কি আমি এতটা &#8212; ক্লান্ত বোধ করছিলাম যে এই সুন্দর শীতকালের সকালে তাজা হবার জন্য কোথাও থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলাম।  </p>
<p>যেখানে নির্বাচন হচ্ছে আমি সেই দিকে গেলাম এবং চার বছর আগে যে দলের জন্য ভোট দিয়েছি তাদের এলাকায় দাড়ালাম। তারা ধর্মনিরপেক্ষ দল, কিন্ত সে সময় তারা খুব বেশী সিট পায়নি। আশা করি এ বছর তারা জিতবে। আমি আশা করি যারা ইরাকের সেবা করতে চায় তারাই সত্যিকারের জয়লাভ করবে। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/09/1597/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণপূর্ব এশিয়া: জুতা, জুতা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1462/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1462/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 19 Dec 2008 16:34:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মালয়েশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1462</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমং পালাটিনো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
অনেক দিন পর্যন্ত ইরাকী সাংবাদিক মুন্তাদার আল-জাঈদিকে মানুষ চিনবে জুতা ছোঁড়া বীর হিসাবে। গত রবিবার তিনি সমর্থ হয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে বাগদাদে একজোড়া জুতা ছুঁড়ে মারতে।
সেই জুতোজোড়া এখন অমূল্য। একজন সৌদি ব্যবসায়ী একপাটি জুতার জন্য ১০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মং পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/12/18/southeast-asia-the-shoe-the-shoe/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অনেক দিন পর্যন্ত ইরাকী সাংবাদিক <em>মুন্তাদার আল-জাঈদিকে</em> মানুষ চিনবে <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/16/george-bush-and-iraq-shoedenfreude/">জুতা ছোঁড়া</a> বীর হিসাবে। গত রবিবার তিনি সমর্থ হয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে বাগদাদে একজোড়া জুতা ছুঁড়ে মারতে।</p>
<p>সেই জুতোজোড়া এখন অমূল্য। একজন সৌদি ব্যবসায়ী একপাটি জুতার জন্য <a href="http://www.shahruddin.com/saudi-entrepreneur">১০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার</a> দিতে চেয়েছেন।</p>
<p>বিশ্বের অনেক মানুষ এই জুতা ছোঁড়ার ঘটনাকে নায়কোচিত কাজ বলে সমর্থন করেছেন, বিশেষ করে যারা বিদায়ী আমেরিকান প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্র নীতির বিরোধীতা করেন। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ব্লগার আর সেখানকার বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া কি?</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <a href="http://www.hafriz.sg/2008/12/muntazer-al-zaidi.html">হাফরিজ</a> মনে করেন আল-জাঈদির উচিৎ বিশ্বের প্রেসিডেন্ট হওয়া:</p>
<blockquote><p>“এখনো কি কেউ আছেন যিনি এই জুতা ছোঁড়ার ঘটনাতে আলোড়িত হননি? এই মুন্তাদার আল-জাঈদি বিশ্বব্যাপী নায়কে পরিণত হয়েছেন। তিনি একজন বিখ্যাত ব্যক্তি। তার উচিত বিশ্বের প্রেসিডেন্ট হওয়া।”</p></blockquote>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <a href="http://katak.kapoosh.net/rollercoaster/man-throws-shoes-at-president-bush/">কাটাক</a> জানিয়েছেন যে এই ঘটনা আমেরিকার পররাষ্ট্র নীতির ব্যর্থতা তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“বিদেশে অজনপ্রিয় ও অপদস্থ হওয়া সাধারণত: একজনের বিদায়ের সময় খুব ভালো একটি ছাপ রাখে না বিশেষ করে যাকে পৃথিবীর নেতা বলা হয়।</p>
<p>এই ঘটনা দেখায় কিরকম ঘৃণা আর দ্বন্দ্ব জমা হয়েছিল স্থানীয় মানুষের মধ্যে যার বেশীরভাগ তাদেরকে সহ্য করতে হয়েছিল তার পররাষ্ট্র নীতির সঠিক মূল্যায়নের ব্যর্থতার কারনে, বিশেষ করে ২০০৩ সালে ইরাকের উপর আক্রমণ।”</p></blockquote>
<p>আর একজন সিঙ্গাপুরের ব্লগার, <em>মি: ব্রাউন.কম</em> প্রশ্ন তুলেছেন কেন <a href="http://www.mrbrown.com/blog/2008/12/it-was-not-a-shoe-that-was-thrown-at-presidentabouttogo-george-bush.html">সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা</a> জুতাগুলো ধরতে পারেনি:</p>
<blockquote><p>“এটা ভাবতে বাধ্য করে যে সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা যেহেতু দুটি বা নিদেনপক্ষে একটি উড়ন্ত জুতা থামাতে পারেন নি, তাহলে আরো ভয়ঙ্কর অস্ত্র থেকে প্রেসিডেন্ট বুশকে বাঁচানোর তাদের পরিকল্পনা কি ছিল?</p>
<p>নাকি তারা ইচ্ছা করে এই জুতোগুলোকে উড়ে যেতে দিয়েছে? হুমমমম&#8230;”</p></blockquote>
<p>ফিলিপিনো সাংবাদিক <a href="http://www.pinoypress.net/2008/12/16/the-journalist-as-citizen/">কার্লোস কোন্ডে</a> একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্বের পরিপ্রেক্ষিতে জুতা ছোঁড়ার ঘটনাটা বিশ্লেষণ করেছেন:</p>
<blockquote><p>“তিনি যা করেছেন তা হলো সবার আগে তিনি যে একজন নাগরিক তা দেখিয়েছেন, যে তিনিও তার সহ ইরাকীদের কষ্ট অনুভব করেন।</p>
<p>আল জাঈদি একজন সাংবাদিক। তিনি অন্যদের থেকে সম্ভবত ইরাকের কাহিনী আরো বেশী জানেন। কিন্তু সব কিছুর উপরে তিনি একজন ইরাকী নাগরিক। তিনি বাগদাদের অন্যান্য সাংবাদিকদের থেকে বেশী হয়তো তার মানুষের কষ্ট অনুভব করতে পারেন। আমরা কি আসলেই আশা করেছিলাম যে সে ওখানে চুপ করে বসে দেখবে বুশকে মিথ্যা কথা বলতে আর ইরাকে যারা আমেরিকার আগ্রাসনের কারনে দুর্ভোগ পেয়েছে তাদের স্মৃতিকে অসম্মান করতে?”</p></blockquote>
<p>ফিলিপাইন্স থেকে <a href="http://bukaneg.blog.friendster.com/2008/12/on-badly-aimed-shoes/">ক-ব্লগ</a> আল জাঈদির উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছে:</p>
<blockquote><p>“আল-জাঈদি যা করেছে তা কি ঠিক? এভাবে বলি- যদি আপনার দেশ ধ্বংস হতো একটা যুদ্ধে যা শুধুমাত্র ভিত্তিহীন দাবি দিয়ে যথার্থ দেখানো হয় (মারনঘাতী অস্ত্র- ডাব্লিউ এমডি); যদি কোটি কোটি দেশবাসী এর কারনে মারা যায়, যদি বিদেশী আগ্রাসনকারী এখনো আপনার দেশে থাকে; আর যদি এই সব কিছুর পিছনের মাথা (এখন এটা একটা ভুল কথায় পরিণত হচ্ছে) আপনার দেশে এসে বলতে থাকে যে সে ঠিক ছিল, আপনারও কি একই ধরনের রাগ হবে না যা এই সাংবাদিকের হয়েছিল?</p>
<p>টেলিভিশনে আমি যা দেখেছি তা দেখে আমি হতবাক, আর আমি যখন এটা আবার ইউটিউবে দেখেছি তখনো হতভম্ব ছিলাম। আমি নিজেকে জিজ্ঞাসা করেছি যে একজন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের সাথে এমন ব্যবহার কি করে হয়। কিন্তু নিজেকে যখন আমি আল-জাঈদির জায়গায় রাখি আমি তাকে তিরষ্কার করতে পারিনা। আসলে, ইরাকী সাংবাদিককে নিয়ে আমার একমাত্র সমস্যা হলো তার লক্ষ্য।”</p></blockquote>
<p><a href="http://arif.widarto.net/2008/12/bush-was-thrown-with-two-shoes-in-iraq.html">ইন্দোনেশিয়া থেকে আরিফ</a> লিখেছেন যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মনোনীত বারাক ওবামাকে আমেরিকার ভাবমূর্তী পুনরুদ্ধার করতে হবে যা তার পূর্বসূরীরা ধ্বংস করেছেন:</p>
<blockquote><p>“পৃথিবীর বুকে ঘৃণা থেকে গেছে। জুতা ছোঁড়া শুধুমাত্র পৃথিবীর ঘৃণার প্রকাশ। মনে হয় বারাক ওবামাকে জর্জ ওয়াকার বুশ আমেরিকার যে ভাবমূর্তী নষ্ট করেছে তা পুনরুদ্ধার করতে হবে।</p>
<p>জুতো মারা কিছুই না। কিন্তু বুশ ভাববে যে সে খারাপ ভাবমূর্তী আর ঘৃণা সৃষ্টি করেছে। বুশ ইরাকের প্রাচীন নিদর্শনও ধ্বংস করেছে। সে অর্থনৈতিক প্রাপ্তি ধ্বংস করেছে। সে আমাদের কাছে মিথ্যা বলেছে। ইরাকে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কোন অস্ত্র নেই।”</p></blockquote>
<p>হয়তো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খারাপ প্রতিক্রিয়া আসবে ধরে নিয়ে, <a href="http://tsalak.blogspot.com/2008/12/shoes-for-bush.html">মালায়শিয়া থেকে সালাক</a> ভয়ে আছেন যে “একদিন হয়ত আমাদের জুতোর জন্য আমাদেরকে লাইসেন্স নিতে হবে।”</p>
<p>অনেক দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ব্লগাররা ঐসব ফ্লাশ-নির্ভর খেলাতে মজা পেয়েছেন যেগুলো জুতো ছোঁড়ার ঘটনার পর তৈরী করা হয়েছে। এরকম দুটি খেলার ভিডিও স্যাম্পল নীচে দেয়া হলো:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/8uH7DvrWTF4&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/8uH7DvrWTF4&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/3OPhn27ZQHU&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/3OPhn27ZQHU&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1462/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাকঃ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখো - কোথায় আছে শান্তি?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/09/25/1236/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/09/25/1236/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 25 Sep 2008 08:11:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কৌশিক আহমেদ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1236</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসালাম আদিল  &#183; অনুবাদ করেছেন কৌশিক আহমেদ &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
সাহার তেমনটিই বলেছেন। বিশ্ব শান্তি দিবসে উপলক্ষ্যে তিনি লিখেছেনঃ  
পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখো - কোথায় আছে শান্তি?
কেমন লজ্জিত ও অলীক!
হাঙ্গামা ও যুদ্ধ চারদিকে!
অবিশ্বাস আর ভয় পরস্পরে!
প্রিয়জনের জন্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ - কি আসে যায় সেটা কোথায় হলো, আর কি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/salam-adil/">সালাম আদিল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/kowshik/'>কৌশিক আহমেদ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/09/22/iraq-look-at-the-world-where-is-peace/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://washingtonbureau.typepad.com/iraq/2008/09/world-peace-day.html"><em>সাহার</em></a> তেমনটিই বলেছেন। বিশ্ব শান্তি দিবসে উপলক্ষ্যে তিনি লিখেছেনঃ  </p>
<blockquote><p>পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখো - কোথায় আছে শান্তি?<br />
কেমন লজ্জিত ও অলীক!<br />
হাঙ্গামা ও যুদ্ধ চারদিকে!<br />
অবিশ্বাস আর ভয় পরস্পরে!<br />
প্রিয়জনের জন্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ - কি আসে যায় সেটা কোথায় হলো, আর কি তার পরিচয় - প্রিয়জন  সবার কাছেই অমূল্য।<br />
আমরা কি সত্যিই এমন একটা দিন, একটা শান্তির দিনের জন্য সচেষ্ট হতে পারি?<br />
এমন একটা দিন যেদিন আমরা সচেতনভাবে সেই পূর্ণ অর্ধেককে দেখবো খালি অর্ধেক ছেড়ে?<br />
একটা দিনের জন্য পৃথিবীর মানুষের মধ্যে মিলগুলো দেখতে পারি না? বিভক্তিকে বাদ দিয়ে?<br />
সেই চেষ্টাটা কি আমরা করতে পারি?</p></blockquote>
<p>আজকের পোস্টগুলোতে একটা খারাপ লাগার মিশ্রন আছে। পুরাতন বন্ধুদের সাথে আড্ডা, খানিক রাজনীতি, ভালো কাজের স্বীকৃতি, নারীর ন্যায় আষক্তের একটা নমুনা আর আপনি যদি শেষ পর্যন্ত পড়েন দেখবেন রমজান আপনার কি হাল করেছে।<br />
<strong><br />
আপনি যদি এসপ্তাহে কোন ভিডিও না দেখে থাকেন তবে এটা দেখুন</strong></p>
<p>মনযোগ দিয়ে যদি সংবাদ শুনেন তবে বাগদাদের চারিপাশ ঘিরে ফেলা পাথরের দেয়াল নিয়ে অদ্ভুত প্রাণহীণতায় প্রদত্ত কিছু প্রাঞ্জল মন্তব্য শুনে থাকবেন। তবে অধিবাসীদের মধ্যে বিভক্তির রেখা টেনে দেয়া এই দেয়াল যে কি ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছে তা সত্যিকার অর্থে বোঝার জন্য ইরাকের সাধারণ মানুষের কথা শুনতে হবে। <a href="http://aliveinbaghdad.org/2008/09/22/after-siege-wall-sadr-citys-new-oppression/">বাগদাদে যা হচ্ছে তার আসল চিত্র সেখানে পাবেন। </a></p>
<p>
<div class="podPress_content">
<div id="podPressPlayerSpace_1">&nbsp;</div>
<p><a href="http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v" target="new"><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/plugins/podpress/images/video_m4v_button.png" border="0" align="top" class="podPress_imgicon" alt="icon for podpress" /></a> &nbsp;অবরোধের পরে, সদর সিটির নয়া নিপীড়ন হচ্ছে এই দেয়ালঃ <a href="#" onclick="javascript: podPressShowHidePlayer('1','http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v',320,240,'true'); return false;"><span id="podPressPlayerSpace_1_PlayLink">Play Now</span></a> | <a href="#" onclick="javascript: podPressPopupPlayer('1', 'http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v',320,240); return false;">Play in Popup</a> | <a href="http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v" target="new">Download</a><br/></p>
</div>
<p><script type="text/javascript"><!--</p>
<p>podPressShowHidePlayer(&#39;1&#8242;, &#8216;http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v&#39;,320,240, &#8216;false&#39;, &#8216;http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/09/aib-2008-09-22-sadrcitywall320.jpg&#39;);</p>
<p>&#8211;>
</script></p>
<div style="float:right; border: thin dotted; padding:10px; margin-left: 5px; max-width:150px; font-size:85%; text-align:center; line-height:120%; background-color: #F6FAFF"><strong>পাখিরা যখন মারা যায়</strong></p>
<p> কোথায় পাখিরা তাদের সমাধি খোড়ে,<br />
ধুসর এবং কালো &#8230;<br />
এবং নীল?</p>
<p>শেষ সময় পর্যন্ত হামাগুড়ি দেয়<br />
অপার শূণ্যতায় <br />
কখনই জানা হবে না &#8230;</p>
<p>তারা বিধাতার সাথে<br />
একে অপরের অন্তরঙ্গ <br />
শেষ মিনিটের প্রতি &#8230;<br />
শ্রদ্ধা জানায় চূড়ান্ত বিদায়ের আগে </p>
<p>প্রিয়জন চলে গেলে<br />
তারা ঘুরে যায় অন্যপথে</p>
<p>তারপরে<br />
আকাশের সব প্রেম <br />
ছড়িয়ে দিয়ে<br />
আবার পালিয়ে যায় &#8230;<br />
ব্যবচ্ছেদে</p>
<p><a href="http://thewordsthatcomeout.blogspot.com/2008/09/when-birds-die.html"><strong>জেজে&#39;র <em>কবিতা</em></strong></a></div>
<p><strong>ক্ষুদ্র ও টুকরো অংশ</strong></p>
<p><em>এএন্ডই ইরাক</em> তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু থেকে পৃথক হবার দীর্ঘদিন পরে দেখা করতে পেরেছেন। সেই সাক্ষাতে অনেক পুরাতন সময়ের স্মৃতি ভেসে ওঠেঃ  </p>
<blockquote><p>অতীত ভেসে উঠলো, নিরাপত্তা প্রহরীরা তাকে একদিন হুমকী দিচ্ছিলো, অস্ত্র ঘাড়ের কাছে উচিয়ে। আমি তখন চিৎকার শুরু করি তাদের উল্টো ভয় দেখাতে!<br />
একসাথে মৃত্যুর জন্য আমরা সবসময় প্রস্তুত ছিলাম, সে কখনও আমাকে ফেলে যায় নি&#8230;&#8230;<br />
আমি তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম, সেই একই হাসি, চেহারার ভঙ্গি এবং সেই একই শিশুসুলভ আচরণ। চোখ বন্ধ করলাম এবং কল্পনা করলাম নিজেকে তার ছোট কালো গাড়ীতে (যেটা তার বাগদাদে থাকতো), যেহেতু সে প্রতিদিন আসতো, বেল বাজাতো এবং মুহূর্তে আমরা হাওয়া হয়ে যেতাম।<br />
বাইরে গিয়ে বিশেষ জুস পান করে (১৪ রমাদান স্ট্রিট থেকে), আড্ডা মেরে, গান শুনে, ফালাফেল অথবা লাহমবথ্রিআজি খেয়ে এবং আবার গাড়ীতে ফিরে প্রেম, বন্ধুত্ব এবং ভবিষ্যতের উদ্বেল ভাবনার সব গল্পে মেতে ওঠা।  </p></blockquote>
<p><em>লাস্ট অব ইরাকীস</em> আমেরিকা কর্তৃক সম্প্রতি কয়েদী <a href="http://www.upi.com/Top_News/2008/08/30/US_releases_11000_Iraqi_prisoners/UPI-67701220116777/">মুক্তির</a> বিষয়টি তুলেছেন কিন্তু এতে ভবিষ্যতে ইরাকের শান্তির জন্য <a href="http://last-of-iraqis.blogspot.com/2008/09/weakened-awakeningrevitalized-armed.html">অশুভ লক্ষণ</a> খুজে পেয়েছেনঃ  </p>
<blockquote><p>আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে বেশ কিছু আল কায়েদা সদস্য রয়েছে। আমার এক কলিগ তার এক প্রতিবেশী এমন একজন মুক্তি প্রাপ্ত আসামীর কথা বললেন, &#8220;আমি আপনাকে নিশ্চিত করতে পারি মোহাম্মদ, সে আল কায়েদায় ছিল, নিজের নাম নিয়ে যতটুকু নিশ্চিত তেমনি এটাও নিশ্চিত &#8230; সে মুক্তি পাবার কয়েক ঘন্টার মধ্যে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Awakening_movements_in_Iraq">চারজন আগন্তুক</a> তার সাথে দেখা করতে এলো!! বিশ্বাস করতে পারেন&#8230;.বাজী ধরে বলতে পারি শীঘ্রই অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটবে।&#8221;<br />
এতমাত্র বিধাতাই জানে সামনের দিনগুলোতে আমাদের ভাগ্যে কি আছে!  </p></blockquote>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/09/img-1237.jpg" alt="null" align="left"/> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Green_zone">গ্রীন জোনের</a> মাঝে <em>নিউরটিক ওয়াইফ</em> তার অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডিং জেনারেলের নিকট থেকে একটা পুরষ্কার পেয়েছেন (বামপাশে ছবি)। প্রথমবারের মত &#8220;মহিলারা যেখানে চিরজীবন কথা বলে যেতে পারে এবং বিশ্বের সর্বত্র মানুষের মাথা ব্যাথা করে ফেলে&#8221; সে নির্বাক হয়ে গেলো। কিন্তু এর জন্য কৃতিত্ব তিনি নিজে নিতে চান না। <a href="http://neurotic-iraqi-wife.blogspot.com/2008/09/pure-and-honest-honour.html">নিউরোটিক ওয়াইফ লিখেছেনঃ </a></p>
<blockquote><p>যদিও আমি মনে করি যে এই পুরষ্কারের আমি যোগ্য নই তারপরেও উৎসর্গ করতে চাই সেই সমস্ত মানুষদের যারা নিজের দেশের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন। প্রথম এবং সর্বাগ্রে আমি সেই সমস্ত নিরাপরাধ শহীদের উৎসর্গ করতে চাই যাদের রক্ত এখনও গভীরে প্রবাহমান। এইসকল নদীর গভীরে। এবং অবশ্যই, আমি যৌথ ও বহুজাতিক বাহিনীকে উৎসর্গ করি যারা হয়তো আমাদের ভালোবাসার জন্য জীবন বিসর্জন নাও দিতে পারতেন, কিন্তু তারা তাদের নিজেদের দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এবং আমার কাছে, সেইসব লোক যারা তাদের স্ব স্ব দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে তারা সবাই সম্মানীয়। নির্মল এবং সৎ সম্মান জানাই। </p></blockquote>
<p>মেয়েদের আষক্ত হবার মত একটা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Swarovski">সোয়ারোবস্কি</a> ক্রিস্টাল লকেট পেয়ে উৎফুল্লতা প্রকাশ করেছেন <em>ইহাথ </em>যা আবার একটা ইউএসবি মেমরি স্টিক হিসাবেও কাজ করে। <em>ইহাথ</em> দোকানের বিভ্রান্ত সহকারীকে <a href="http://ihath.com/2008/09/dreams-and-nightmares-of-geek.html">বোঝানোর চেষ্টা করেন</a> কেন এটা উপভোগ্যঃ </p>
<blockquote><p>তাই আমি তাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি যে এই বস্তুটি একটা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে সংযুক্ত করা সম্ভব এবং কেউ তার প্রয়োজনীয় ফাইল এখানে সংরক্ষণ করতে পারে এবং এরপরে সেই ফাইলগুলো সবসময় তার সাথে থাকবে। এটা একটা হৃদয় আকৃতির লকেট যা পরিচয় দেয় ফাইলগুলোর প্রতি ভালোবাসার পরিমান। বৃদ্ধ মহিলা এখনও বিমূঢ় এবং জিজ্ঞেস করলো, &#8220;এতে চমৎকারের কি হলো?&#8221; &#8220;দেখুন, এটা চমৎকার এ জন্য যে বুকের সাথে লটকে থাকা একটা হৃদয় আকৃতির লকেটে আপনার প্রিয় ফাইলগুলো রক্ষিত আছে যা বোঝায় যে এই ফাইলগুলোকে অত্যধিক ভালবাসেন এবং এই ডিজিটাল ফাইলগুলো আপনার কাছে কত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য আপনি হৃদয়ের ঠিক পাশে ঝুলিয়েও রেখেছেন।&#8221; আমি তাকে বোঝাই। &#8220;আহা&#8221; যদিও তিনি প্রত্যুত্তরে বললেন, তাকে তেমন সন্তুষ্ট মনে হয় না।   </p></blockquote>
<p><strong>এবং সর্বপরি</strong></p>
<p><em>বুকিস</em> <a href="http://msspic.blogspot.com/2008/09/ramadan-and-me.html">রমজানের ফলে যা ঘটে</a> তার একটা চিত্র তুলে ধরেছে হয়তো রোজাদার সবার সাথে মিলে যেতে পারেঃ   </p>
<p>ইফতারের ঠিক আগে আমার ওজন<br />
<img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/09/bookishbefore.jpg" alt="" /><br />
ইফতারের পরে আমার হাল<br />
<img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/09/bookishafter.jpg" alt="" /></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/09/25/1236/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
<enclosure url="http://blip.tv/file/get/Aliveinbaghdad-AfterSiegeWallSadrCitysNewOppression412.m4v" length="90767885" type="video/mp4" />
		</item>
		<item>
		<title>গ্লোবাল ভয়েসেস নিউজট্রাস্ট এর সাথে অংশীদারীত্বে যাচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/15/919/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/15/919/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 15 May 2008 10:30:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গ্লোবাল ভয়েসেস]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[লেবানন]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=919</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনআমিরা আল হুসাইনি  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
গ্লোবাল ভয়েসেস এর মধ্য প্রাচ্য আর উত্তর আফ্রিকার টীম (মেনা) নিউজট্রাস্টের সাথে অংশিদারীত্বে যাচ্ছে। নিউজট্রাস্ট ওয়েবে মান সম্পন্ন সাংবাদিকতার মূল্যায়ন করার একটা বিশেষ সংস্থা হিসেবে আজ ১২ মে থেকে সংবাদ সংগ্রহ শুরু করবে।
এই অনুষ্ঠান মে ১৬ পর্যন্ত চলবে এবং [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://www.globalvoicesonline.org/author/amira-al-hussaini/">আমিরা আল হুসাইনি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://www.globalvoicesonline.org/2008/05/12/global-voices-partners-with-newstrust/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://www.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/05/newshuntmiddleeast.gif" align="left" alt="" />গ্লোবাল ভয়েসেস এর মধ্য প্রাচ্য আর উত্তর আফ্রিকার টীম (মেনা) <a href="http://www.newstrust.net/">নিউজট্রাস্টের</a> সাথে অংশিদারীত্বে যাচ্ছে। নিউজট্রাস্ট ওয়েবে মান সম্পন্ন সাংবাদিকতার মূল্যায়ন করার একটা বিশেষ সংস্থা হিসেবে আজ ১২ মে থেকে সংবাদ সংগ্রহ শুরু করবে।</p>
<p>এই অনুষ্ঠান মে ১৬ পর্যন্ত চলবে এবং এখানে আমরা পাঠকদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি নিউজট্রাস্টের এর বিশেষ আয়োজন <a href="http://www.newstrust.net/Topics/Files/middle_east/?@286.xI9waRXSul6@">মধ্য প্রাচ্য পাতায়</a> আমাদের মধ্য প্রাচ্য আর উত্তর আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব মূল্যায়ন করার জন্য। এর সাথে থাকবে বৈশ্বিক ব্যাপারে আমেরিকার অগ্রজ থিংকট্যাঙ্ক <a href="http://www.cfr.org/">কাউন্সিল ফর ফরেন রিলেসন্স</a> (বৈদেশিক সম্পর্কের কাউন্সিল) এর আর্টিকেল ও বিষয়বস্তু, আর <a href="http://www.linktv.org/">লিঙ্ক টিভি</a> যারা পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের মাধ্যমে দর্শকদের যুক্ত, শিক্ষিত আর উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করে তাদের বিষয়বস্তু। </p>
<p>এই সপ্তাহে নিউজট্রাস্টের মূল বিষয় হচ্ছে মধ্য প্রাচ্য, বিশেষ করে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইনী সংঘাত আর আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই জটিল বিষয়ের উপর মান সম্পন্ন সাংবাদিকতাকে তুলে ধরা যা শুধু মধ্য প্রাচ্য না বরং সারা পৃথিবীতে দাগ কাটছে। এই অংশীদারিত্বের সময়টি গুরুত্বপূর্ণ কারন এখন ইজরায়েলের ৬০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হচ্ছে, যা অনেক আরব আল নাকবা বা চরম বিপর্যয় বলে। এটি তাদের মধ্যেকার সংঘাতের গভীরতার কথাই বলে। ইরাক আর লেবানন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যখন এই এলাকা পৃথিবী ব্যাপী শিরোনাম হচ্ছে। </p>
<p>এই অংশিদারীত্বের লক্ষ্য হল আমাদের পাঠক আর বাদবাকি অনলাইন গোষ্ঠীকে নিউজট্রাস্ট এর পয়েন্ট সিস্টেমের ভিত্তিতে আমাদের লেখা পরখ করার সুযোগ দেয়া, যার ফলে এই এলাকার ব্লগার আর সিটিজেন সাংবাদিকদের আওয়াজ আরও জোরালো হয়। রিভিউয়াররা প্রত্যেকটি আর্টিকেল মূল্যায়ন করতে পারবেন মূল সাংবাদিকতার গুন যেমন সততা, সাক্ষ্য সূত্র আর বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখে। আমরা যারা গ্লোবাল ভয়েসেসে আছি এটা তাদের জন্য একটা বড় সুযোগ কাজ দেখানোর যে মধ্য প্রাচ্যের ব্লগারদের কণ্ঠ কিভাবে আমরা তুলে ধরছি।</p>
<p>এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য, আমরা আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি <a href="http://www.newstrust.net/signup/gvreaders.htm">নিউজট্রাস্ট এর সাইটে রেজিস্টার</a> করতে আর আমাদের আর অন্যান্য যা এই মধ্য প্রাচ্য আর উত্তর আফ্রিকা সপ্তাহে এখানে তুলে ধরা হবে সেই সব আর্টিকেলের ব্যাপারে আপনাদের মতামত দিতে। এই ব্যাপারে তাড়াতাড়ি গল্প জমা দিতে নজর রাখবেন যাতে নিউজট্রাস্টের <a href="http://www.newstrust.net/buttons/bookmarklet.htm">বুকমার্কলেট</a> থাকে। একবার রেজিস্টার করলে যতদিন খুশি আপনি নিউজট্রাস্টের একজন রিভিউয়ার হতে পারেন।  </p>
<p>আমরা আপনার গঠনমূলক সমালোচনার অপেক্ষায় থাকলাম। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/15/919/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাক: সাদর শহরের নৃশংসতা বন্ধ করুন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/10/897/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/10/897/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 10 May 2008 15:06:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=897</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসালাম আদিল  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
&#8230; আল ঘাদ তাই বলেছেন।
কয়েক সপ্তাহ আগে বসরাতে ইরাকী সেনাবাহিনী কর্তৃক শক্তিশালী আঘাত আর তার উচ্চ মাত্রার বিফলতার পর ইরাক জুড়ে ভেতরে ভেতরে যুদ্ধ চলছে মিডিয়ার চক্ষুর আড়ালে। কিন্তু মনে হচ্ছে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে গরম হয়ে উঠেছে। 
আল ঘাদ জনগণকে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://www.globalvoicesonline.org/author/salam-adil/">সালাম আদিল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://www.globalvoicesonline.org/2008/05/07/iraq-stop-the-massacre-in-sadr-city/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>&#8230; <a href="http://www.al-ghad.org/2008/05/04/stop-the-massacre-of-sadr-city/">আল ঘাদ</a> তাই বলেছেন।</p>
<p>কয়েক সপ্তাহ আগে বসরাতে ইরাকী সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://news.bbc.co.uk/1/hi/world/middle_east/7312078.stm">শক্তিশালী আঘাত</a> আর তার উচ্চ মাত্রার <a href="http://ipsnews.net/news.asp?idnews=41804">বিফলতার</a> পর ইরাক জুড়ে ভেতরে ভেতরে যুদ্ধ চলছে মিডিয়ার চক্ষুর আড়ালে। কিন্তু মনে হচ্ছে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে গরম হয়ে উঠেছে। </p>
<p><em>আল ঘাদ</em> জনগণকে সতর্ক করে জরুরী <a href="http://www.al-ghad.org/2008/05/04/stop-the-massacre-of-sadr-city/">একটা বাণী</a>  দিয়েছে যে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Sadr_city">সাদর শহরের</a> নাগরিকদের উপর শীঘ্রই আরও নৃশংসতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে:</p>
<blockquote><p>দখলকারীরা ইজরায়েলী চালে মানুষদের কংক্রীটের দেয়ালে আটকিয়ে রাখার পন্থা অবলম্বন করবে বলে ঠিক করেছে। যখন এতে তাদের সমস্যার সমাধান হল না তারা তখন ঠিক করল সাদর শহরেসাধারণ জনগণের উপর মাস-বম্বিং, রকেট আর ভারি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গণহত্যা চালাবে ।</p></blockquote>
<p>বাগদাদের হাসপাতালে সৈন্যদের হামলা করার নিন্দা করেছেন <a href="http://zennobia.blogspot.com/2008/05/urgent-attacking-shula-hospital-in.html">ওয়াফা আল নাথহিমা</a>:</p>
<blockquote><p>আজকে কার্খ প্রদেশের শুলা হাসপাতালে হামলা করা হয়&#8230; ইতিহাসে জনগণের হাসপাতালের উপর হামলা আমি আগে শুনিনি!! </p>
<p>কারা মৃতদেহ বের করবে আর আহতদের চিকিৎসা করবে? আমি আর চুপ থাকতে পারি না যখন আজকে আমার সহকর্মী সাংবাদিক ইয়াসির শাম্রি ব্যাখ্যা করলেন যে সাদর সিটি হাসপাতাল মূলত: মৃতদের হাসপাতাল যেখানে শুধু মৃতদেহ রাখা হয়। </p></blockquote>
<p><em>লেডিবার্ড</em> সাদর শহরে <a href="http://www.roadstoiraq.com/2008/05/05/source-attacking-forces-to-hit-sadr-city-with-chemical-gas/">রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের</a> গুজবের কথা বলছেন:</p>
<blockquote><p>আমি এই কথার পিছনের সত্যটা জানি না&#8230; কিন্তু গুজব আছে&#8230; যে সদর শহরের আশেপাশের জায়গা খালি করা হচ্ছে।</p>
<p><a href="http://www.albadeeliraq.com/new/showdetails.php?id=14445&#038;kind=newstop">আল বাদিল আল ইরাকির</a> তথ্য অনুযায়ী তাদের সাদর শহরের সোর্স খবর পাঠিয়েছে যে আক্রমণকারীরা শহরে ওপিয়েট ফেন্তানিল নন-লিথাল গ্যাস দিয়ে আক্রমণ করবে, যে গ্যাস দিয়ে ২০০২ এ মস্কো থিয়েটারে রাশিয়ানরা আক্রমণ করেছিল। </p></blockquote>
<p>ইরাকের নতুন নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে যাই বলা যাক, তা কোন মূল্য ছাড়া আসে নি। নতুন ইরাকী সেনাবাহিনীকে অসাম্প্রদায়িক বলা যায় না। জেয়াদ <a href="http://healingiraq.blogspot.com/2008_04_01_healingiraq_archive.html#4416003703941083023">একটি ভিডিও</a> দিয়েছেন যেখানে ইরাকী নিরাপত্তা বাহিনীকে ইরাকের একটা ছোট শহরে অভিযান চালাতে দেখা যায়। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় ১৯৯১ সালে সাদ্দাম যেভাবে কঠোর ভাবে অভ্যুত্থান নিয়ন্ত্রণ করেছিল সেই কথাই। সে লিখেছে:</p>
<blockquote><p>সিএনএন এ দেখতে পাবেন না আমেরিকার মদতপুষ্ট ইরাকী নিরাপত্তা বাহিনীর এই গণহত্যা, আরো ঠিক করে বলতে গেলে বদর/ এস২সি/ দাওয়া দল ইউনিফর্ম পরে আর ইউনিফর্ম ছাড়া&#8230;সৈন্যরা আহত বন্দীদেরকে গালি দিচ্ছে এমন কি মৃতদেহের প্রতিও একই আচরণ করছে। </p>
<p>অন্যদের দেখা যায় একজন আহত বন্দীকে টেনে নিয়ে যেতে, জোরে তাকে লাথি মারতে আর মৃতদেহের স্তুপের উপর ফেলার আগে গালিগালাজ করতে। এরা সেই নিরাপত্তা বাহিনী যাদেরকে আমাদের আমেরিকান বন্ধুরা বিশ্বাস করতে বলেন আর তাদেরকে আক্রমণ করলে তার নিন্দা জানাতে বলে।</p></blockquote>
<p>একই ভিডিওর ছবি উপস্থাপন করে <a href="http://raedinthemiddle.blogspot.com/2008/04/us-backed-militias.html">রায়েদ বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>ইরাকী পুলিশ, সেনাবাহিনী, অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয়ের বাহিনী আর অন্যান্য আমেরিকার মদতপুষ্ট বাহিনী এগুলো মিলিশিয়াদের সুন্দর উপাধি ছাড়া আর কিছুই না যা কোনভাবে &#8216;সরকারি&#39; ভাবে বলা হচ্ছে। যেসব সুন্নি আর শিয়া আমেরিকার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ তাদের মিলিশিয়াকে ভালো মিলিশিয়া বলা হয় সরকারি উপাধিসহ, কিন্তু বাকি সুন্নি আর শিয়া যারা বেশীর ভাগ ইরাকীকে প্রতিনিধিত্ব করে আর জবরদখলের বিরোধী তাদেরকে খারাপ মিলিশিয়া বলা হয় আর তাদেরকে সন্ত্রাসী আর চরমপন্থী বলা হয়&#8230;</p>
<p>আমেরিকার কংগ্রেস নাগরিকদের করের কোটি কোটি ডলার অনুমোদন করেছে এর সব জাতিগত গেরিলাদের সমর্থনের জন্য যারা সরাসরি জাতিগত হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ী যা ইরাকে গত ৫ বছর ধরে চলছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://last-of-iraqis.blogspot.com/2008/05/not-again.html">লাস্ট অফ ইরাকী</a> ব্লগের লেখকের সম্মুখ বিরোধ হয়েছিল এই ধরনের সৈন্যদের সাথে বাগদাদের একটা চেকপয়েন্টে। তাকে থামিয়ে প্রায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছিল। সে লিখেছে:</p>
<blockquote><p>এই আতঙ্কের সময় আমার মাথার মধ্যে অনেক কিছু হচ্ছিল, এর আগে যে সব সমস্যার সম্মুখীন আমি হয়েছি আর যা যা উক্তি শুনেছি তা মনে পড়ছিল: এর ফলে আমি শান্ত হয়ে যাই। আমি আমার প্রিয় বন্ধু ওমর এর কথা চিন্তা করছিলাম যাকে ইরাকী সৈন্যরা আমার মতো অবস্থায় মেরে ফেলেছিল, সে আমার আর এক বন্ধুর সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে হারথিয়া এলাকার ইরাকী সৈন্যদের একটি চেকপোস্টে পৌঁছেছিল আর তাই সে ফোনটা একপাশে রেখেছিল যার ফলে আমার ওই বন্ধু সব শুনতে পেরেছে&#8230; আমার পরিস্থিতির সাথে এর এত মিল ছিল কিন্তু তারা তাকে ধরে নিয়ে যায় আর পরের দিন তার মৃতদেহ ময়লার মধ্যে পাওয়া যায়!!!</p>
<p>আমি জানি আমার কাছ থেকে একই কথা শুনতে শুনতে আপনারা বিরক্ত কিন্তু সাধারণ ইরাকীদের এমন পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে রোজ যেতে হয় এত বিস্ফোরণ আর হত্যার পরও। এই হচ্ছে সেনা আর পুলিশ যারা আমাদেরকে বাঁচাবে!! কি মজার।</p></blockquote>
<p>এইসব ঘটনার ফলে আমি <a href="http://zennobia.blogspot.com/2008/05/urgent-attacking-shula-hospital-in.html">ওয়াফা</a> যে প্রশ্ন করেছে সেই একি প্রশ্ন করছি:</p>
<blockquote><p>এইসব অঘটন কি বিবেককে জাগ্রত করার পক্ষে যথেষ্ট না? কি স্বাধীনতা আর গণতন্ত্র আর সরকারি সংস্কার, পুন:নির্মাণ আর জাতীয় একাত্মতা? এইসব ঘটনা কি প্রধানমন্ত্রী মালিকির দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলদের নাড়াতে সক্ষম হবে? কোন সংবিধান সেনাবাহিনীকে অধিকার দেয় মানুষকে হত্যা আর অপমান করার আর ডাক্তারদের ভয় দেখানোর? ডেপুটি আর মন্ত্রীদের মধ্যে কি কোন বিচক্ষণ লোক আছে? ইসলামিক দলগুলোর ইসলাম কোথায় আর লিবারেল ও দেশপ্রেমী দলগুলোর গণতন্ত্র কোথায়? </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/05/10/897/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
