<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; পূর্ব এশিয়া</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/east-asia/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>চীন: বিশেষ প্রতিভার নিরন্তর সন্ধান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 24 Nov 2009 16:20:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7711</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনওইওয়ান লাম  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চায়না হাশ  একটি সাম্প্রতিক লেখায় লিখেছে যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন পদ্ধতির আবিষ্কার করেছে যার মাধ্যমে বিশেষ প্রতিভাযুক্ত ছাত্রছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/24/china-endless-search-for-distinguished-talent/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চায়না হাশ </em> একটি সাম্প্রতিক লেখায় লিখেছে যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন পদ্ধতির আবিষ্কার করেছে যার মাধ্যমে <a href="http://www.chinahush.com/2009/11/22/chinas-endless-search-for-distinguished-talent/">বিশেষ প্রতিভাযুক্ত ছাত্রছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হংকং: নিষিদ্ধ হ্যালোইন বিজ্ঞাপন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 24 Nov 2009 16:02:28 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[হং কং (চীন)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7689</guid>
		<description><![CDATA[প্রতি বছর হং কং-এর ওশান পার্কে এক হ্যালোইন পার্টি হয় যেটা অনেক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। যদিও এর বিজ্ঞাপনগুলো জনতার কাছ থেকে অনেক প্রকারের অভিযোগের মুখামুখি হয়। গত বছর, কিছু ভিডিও নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। কিন্তু একটি নিষিদ্ধ ক্লিপ পুরো ইউটিউব ধরে ঘুরছে...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/10/02/hong-kong-banned-halloween-ads/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রতি বছর, হংকং-এ <a href="http://www.oceanpark.com.hk/f_index.html">ওশান পার্কে </a> এক হ্যালোইন পার্টি হয় যেটা অনেক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। তবে এর বিজ্ঞাপন জনতার কাছ থেকে অনেক প্রকারের অভিযোগের মুখামুখি হয় এবং গত বছর, কিছু ভিডিও ক্লিপ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। কিন্তু একটি নিষিদ্ধ ক্লিপ পুরো ইউটিউব ধরে ঘুরছে এবং স্থানীয় ব্লগ এবং ফোরামগুলোর মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।</p>
<p>ভিডিওটি একটি ভুতে ধরা লিফট নিয়ে যেটির ভিতর স্কুলের কঠিন চাপে জর্জরিত একটি বাচ্চা তার বড় বোনকে তার স্কুলের রিপোর্ট কার্ডের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে। এই ক্লিপে দেখানো হয়েছে জাপানীদের ভয়ঙ্কর ভুতের চোখ। যদি আপনার ভয় লাগে বা হৃদরোগ থাকে তাহলে এই ভিডিওটি দেখবেন না দয়া করে <img src='http://bn.globalvoicesonline.org/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' /> ।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/A3lg1p1rPFM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/A3lg1p1rPFM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><em>চ্যার্লাইজ</em> <a href="http://yaplog.jp/charlizeblog/archive/209">এই ভিডিওটাকে বীভৎস কিছুতেই মনে করেনি</a> এবং বিস্মিত হয়েছে যে সরকার কেন এটিকে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু <em>রাইয়ান</em> <a href="http://www.yiklung.net/blog/archives/2008/09/26/890/">এই ভিডিওটিকে ভীতিপূর্ণ মনে করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>一看開頭，真的好驚啊！場景是地道的香港公屋場景，大部份香港人都很熟悉的地方，也是成長過程中聽過的鬼故事的發生地點。越熟悉的地方，發生的恐佈事才越怕，因為身同感受。</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমি প্রথম এটিকে দেখেছিলাম, আমি আতন্কে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম! যে স্থানে এটি তোলা হয়েছে, সেটি হং কং-এর একটি গতানুগতিক বাসা এবং হং কং-এর সকলে এই প্রকার স্থানের সাথে পরিচিত। এই ধরনের সাধারণ বাসা ঘিরে অনেক ভুতের গল্প আছে। যত বেশি পরিচিত জায়গাটা, তত বেশি বীভৎস তোমার কাছে লাগবে। কারণ তুমি তখন সেটার সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারবে তোমার অভিজ্ঞতাকে।</div>
<p><em>মিসক</em> এই বিজ্ঞাপনটিকে <a href="http://missques.wordpress.com/2008/09/19/%E6%B5%B7%E6%B4%8B%E5%85%AC%E5%9C%92%E5%93%88%E5%9B%89%E5%96%82%E5%BB%A3%E5%91%8A%E7%89%87%E7%A6%81%E6%92%AD%E7%89%88/">অনেক সাফল্যমন্ডিত মনে করেছে যদিও এটি নিষিদ্ধ</a>:</p>
<blockquote><p>雖然禁播，但放在網上做宣傳仲底，<br />
還有(禁播版)的卓頭，連我咁驚既的都要睇，你又點會唔睇，拍左又點會浪費。</p></blockquote>
<div class="translation">যদিও এটি নিষিদ্ধ, এটি জনপ্রিয় হয়েছে ইন্টারনেটে। নিষিদ্ধ হবার কারণে এটির উপর আরো নজর পড়েছে। আমার মত মানুষরা (যারা এসব সহ্য করতে পারেন না) এগুলো দেখত না যদি না এটি নিষিদ্ধ ভিডিও না হত। অবশ্যই তুমি এটাকে বাদ দিবে না। এটি একটি ভালো পদ্ধতি।</div>
<p>তবে এই ভিডিওগুলোর এই ধরণের প্রচারণা কর্তৃপক্ষের সেন্সরশিপের নজরে পরতে পারে আবারও। সরকারী <a href="http://www.tela.gov.hk/english/welcome.htm">টেলিভিশন ও বিনোদন লাইসেন্স প্রদানকারী</a> সতর্ক করে দিতে পারে আইএসপি দের (অনলাইনের সুবিধাদাতা) অথবা &#8220;অনাচার&#8221; ও &#8220;অপশব্দ&#8221; যুক্ত বলে ভিডিওটাকে ধরিয়ে দিতে পারে অবসীন আর্টিকেল ট্রাইবুনালের কাছে। এ ধরনের বিষয়বস্তু জনসমক্ষে প্রচার একটি অপরাধের সমান এবং এগুলোর কারণে অর্থদন্ড হতে পারে ৪ লাখ হংকং ডলার পর্যন্ত এবং বারো মাস জেল। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ হলে শাস্তি  ৮ লাখ হংকং ডলার পর্যন্ত এবং পুনরায় বারো মাস জেল।</p>
<p>টেলা (TELA) কি এই প্রকার সতর্ক বাণী দিবে ওশান পার্ককে এবং ইউটিউবকে? হয়ত না যখন ওশান পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসার স্থান এবং এই প্রকার শাস্তি ইন্টারনেটের স্বাধীনতাকে বিনাশ করবে। যদিও প্রশ্ন, এই প্রকার ইন্টারনেট সেন্সরশীপের দ্বৈতনীতি কি টেলা বজায় রাখবে? যেমন পূর্বের এই<a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/02/hong-kong-banned-halloween-ads/www.globalvoicesonline.org/2007/07/16/hong-kong-gv-editor-oiwan-lam-faces-court-battle-over-flickr-photo/">এই বিষয়টি</a>?</p>
<p>সরকার জানিয়েছে যে তারা অশ্লীল এবং অসভ্য রচনা নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করবে এবং তারা অচিরেই সম্ভবত পেশ করবে জনগণের পরামর্শের জন্যে। অপেক্ষা করা যাক এবং দেখাই যাক কিভাবে অধ্যাদেশটি ইন্টারনেট সেন্সরশিপকে দেখে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীন: খরা আর থ্রি গর্জেস বাঁধ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 20 Nov 2009 13:14:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7573</guid>
		<description><![CDATA[এই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে, বিশ্বের সব থেকে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চীনের তিন গিরিসংকট (থ্রি গর্জেস) বাঁধের সংরক্ষণাগারের উচ্চতা ১৭৫ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অক্টোবরে, হুনান আর জিয়াংজি প্রদেশে ভয়ঙ্কর খরা হয়েছে বিশেষ করে ইয়াংজি নদীর মধ্য আর নিম্ন অঞ্চলে। খরা আর এই বাঁধের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/andy-yee/">অ্যান্ডি ই</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/china-drought-and-the-three-gorges-dam/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এই বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বিশ্বের সব থেকে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চীনের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Three_Gorges_Dam">তিন গিরিসংকট (থ্রি গর্জেস) বাঁধের</a> সংরক্ষণাগারের উচ্চতা ১৭৫ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অক্টোবরে, হুনান আর জিয়াংজি প্রদেশে ভয়ঙ্কর খরা কবলিত হয়েছে বিশেষ করে ইয়াংজি নদীর মধ্য আর নিম্ন অঞ্চলে। গত ২৫শে অক্টোবরে, চীনের থ্রি গর্জেস কর্পোরেশন <a href="http://news.xinhuanet.com/english/2009-10/25/content_12321388.htm">তর্ক করেছেন যে</a> খরা আর তাদের প্রকল্পের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই:</p>
<blockquote><p>ইয়াংজি নদীর পানি সম্পদ কমিটির প্রধান প্রকৌশলী জেং সোরেন বলেছেন যারা হুনান আর জিয়াংজির খরার জন্য পুরোপুরি থ্রি গর্জেস প্রকল্পকে দোষারোপ করছেন তারা শুধুমাত্র আংশিক চিত্র দেখছেন। “হুনান আর ইয়াংজির খরার প্রধান কারণ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার উচ্চ তাপমাত্রার সাথে এই অঞ্চলে বৃষ্টির অভাব,” জেং বলেছেন, যিনি চীনা প্রকৌশল একাডেমির একজন শিক্ষক।</p></blockquote>
<p>একই দিনে, বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার মাত্রা বাড়ানো হয় নীচের দিকের খরা কমানোর জন্য। ২৮ অক্টোবরে, চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন <a href="http://news.xinhuanet.com/video/2009-10/28/content_12346738.htm">সিসিটিভি জানিয়েছে</a> যে পানি ছাড়ার মাত্রা আরো বাড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছেন যে সংরক্ষণাগারের লক্ষ্যমাত্রা ১৭৫ মিটারের এই বছরে পৌঁছানো যাবে না, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছেন যে থ্রি গর্জেস প্রকল্পের জন্য খরা হচ্ছে না।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Three-Gorges.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Three-Gorges.jpg" title="থ্রি গর্জেস" class="alignnone" width="383" height="257" /></a></p>
<p>স্বনামধন্য চীনা সাংবাদিক কিয়ান গাং (钱钢) ও এই বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন। <a href="http://www.1bao.org/?p=1052">১বাও সাইটে</a> ২ নভেম্বরের এক পোস্টে তিনি বলেছেন:</p>
<blockquote><p>旱灾通常由气候变化引致。今年夏秋，包括广东在内的诸多省份少雨干旱。但长江流域广大地区今次大旱情，却与三峡有关。据报道，三峡水库水位由9月15日的近148米上升到10月24日的170米，截留之水形成前所未有的巨大人工湖。</p></blockquote>
<div class="translation">খরা সাধারণত: জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে হয়ে থাকে। গুয়াংডং সহ কয়েকটা রাজ্য এই গ্রীষ্ম আর হেমন্তে খরার মধ্যে পড়েছে। কিন্তু ইয়াংজি নদীর ধারের বিশাল এলাকার খরা থ্রি গর্জেস প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত। রিপোর্ট অনুসারে, থ্রি গর্জেস সংরক্ষণাগারের পানির উচ্চতা ১৫ সেপ্টেম্বরের ১৪৮ মিটার থেকে ২৪ অক্টোবর ১৭০ মিটার বেড়েছে। এর ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে একটা বিশাল নকল লেক তৈরি হয়েছে।</div>
<blockquote><p>而与此同时，湖南各条长江支流水位迅速下降，洞庭湖水位降至60年来同期最低值。渔民无鱼可捕，枯水影响航运，长沙等城市食水供应告急。江西境内的4条大河逼近或低于历史同期最低水位。鄱阳湖比正常年份提前40天进入枯水期。</p></blockquote>
<div class="translation">একই সময়ে, হুনান প্রদেশের বেশ কয়েকটা নদীর পানির লেভেল দ্রুত কমে গেছে। ৬০ বছরের মধ্যে দোংটিং লেকের পানির উচ্চতা সব থেকে নীচে নেমেছে। জেলে আর নদীর যান চলাচল খারাপ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাংশার মতো শহর পানির সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। জাংজি জেলার চারটি মূল নদীর পানির লেভেল ইতিহাসের সর্বনিন্ম পর্যায়ে এসেছে। পোয়াং লেক গতানুগতিক সময়ের থেকে ৪০ দিন আগে শুকিয়ে গেছে।</div>
<p>তিনি কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন:</p>
<blockquote><p>长江水利委员会的专家把华中干旱的原因归咎于天气，称三峡蓄水是为了抗旱，蓄至高水位，才能在来年苦水季给下游补水。</p></blockquote>
<div class="translation">ইয়াঙ্গজী নদী সম্পদ কমিটি জলবায়ুর উপরে দোষ দিচ্ছেন। কমিটি বলছে থ্রি গর্জেস প্রকল্প খরা রোধে সামনের বছরে ব্যবহৃত হবে। অনেক পানি সংরক্ষণের মাধ্যমেই সামনের বছরের খরার সময়ে পানি সরবরাহ করার লক্ষ্য পুরণ করা যাবে।</div>
<blockquote><p>这是对公众极不负责的态度，好比一个人先劫掠，再施舍，然后以扶困救难的善士自居。请不要再欺骗老百姓，请解释：明知夏秋之际中国中部、南部少雨干旱，为什么还启动风险如此巨大的三峡蓄水计划？</p></blockquote>
<div class="translation">এটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার। এটা প্রথমে কার কাছ থেকে চুরি করে, তারপরে তাকে নিজের দানশীলতা দেখানো। দয়া করে নাগরিকদের কাছে আর মিথ্যা বলবেন না। দয়া করে ব্যাখ্যা করেন: গ্রীষ্ম-হেমন্ত মধ্য চীনের জন্য শুকনো মৌসুম হবে এটা জেনে কেন এই বিপদজনক পরিকল্পনা নিয়ে এগুনো?</div>
<blockquote><p>为什么在今秋急急上马175米高程蓄水？有关部门宣称“将兼顾上、下游需求，正确处理防洪、发电、航运和供水之间的关系”，但一个月来长江中下游航运淤滞、供水告急的事实，证明这完全是一句假话。能源部门这个央企巨无霸，真正追求的东西只有一个——钱。</p></blockquote>
<div class="translation">কেন হঠাৎ চিন্তা করা হল ১৭৫মিটার উচ্চতায় পানি সংরক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের? কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন যে এটা ‘বন্যা থেকে নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পানির যানবাহন আর পানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু গত মাসের জান জট আর খরা এই দাবীকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অধিদপ্তর - বিশাল রাষ্ট্রায়ত্ত এক ফার্ম, একটি জিনিষের পেছনেই আছে: তা হচ্ছে অর্থ।</div>
<p>হংকং এর <a href="http://www1.hk.apple.nextmedia.com/template/apple/art_main.php?iss_id=20091103&#038;sec_id=4104&#038;art_id=13379470">অ্যাপল ডেইলির একটা মন্তব্যের</a> প্রতিধ্বনি যেন এটি:</p>
<blockquote><p>區內雨量大幅減少確實是洞庭、鄱陽兩湖乾涸的主要原因。但兩湖水位急降，跟三峽工程也有關係。三峽水庫九月中啟動一百七十五米蓄水計劃後，長江中下游開始水位急降，本來儲存長江來水的洞庭及鄱陽，倒過來向長江輸水。</p></blockquote>
<div class="translation">লেক ডংটিং আর পোয়াং এ পানির উচ্চতি নাটকীয়ভাবে নেমে যাওয়ার অবশ্যই একটা কারণ হল বৃষ্টি কমে যাওয়া। কিন্তু এর সাথে থ্রি গর্জেস প্রকল্পের সম্পর্ক ও আছে। সেপ্টেম্বর থেকে পানি সংরক্ষণ প্রকল্পের পর থেকে, ইয়াঞ্জজীর নীচের দিকের পানি কমতে শুরু করেছে দ্রুত। ডংটিং আর পোয়াং, যারা আগে পানি সংরক্ষণাগার হিসেবে কাজ করছিল, এখন ইয়াঞ্জজীর পানি সরবরাহের জায়গায় পরিণত হয়েছে।</div>
<blockquote><p>巨大的三峽水庫本可調節長江水量：雨季時截住洪水…枯水時增加排水量…可惜，這幅理想圖像與現實的利益存在衝突，很難實現，因為三峽工程已成為利益集團的禁臠和生財工具。</p></blockquote>
<div class="translation">বিশাল থ্রি গর্জেস প্রকল্প পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা যায়: বর্ষা মউসুমে পানি থামিয়ে খরার সময়ে সরবরাহ করা&#8230; দুর্ভাগ্যবশত: এই যথাযথ চিত্র কাজে পরিণত করা যাচ্ছে না, কারণ এই প্রকল্প আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য নেশার বস্তুতে পরিণত হয়েছে। </div>
<p><em>[ছবি www.1bao.org এর সৌজন্যে]</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ কোরিয়া: দ্বৈত নাগরিকত্ব</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7569/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7569/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 18 Nov 2009 12:43:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7569</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনওইওয়ান লাম  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
মিউট্যান্টফ্রগ ট্রাভেলগ ব্লগের রয় বেরমান সাম্প্রতিক এক আইনের খসড়া সম্পর্কে লিখছেন যার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় পূর্ণবয়স্কদের দ্বৈত নাগরিকত্ব দেয়া হবে।   
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/18/south-korea-dual-nationality/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>মিউট্যান্টফ্রগ ট্রাভেলগ ব্লগের</em> <a href="http://www.mutantfrog.com/2009/11/18/dual-nationality-and-zainichi-koreans/">রয় বেরমান</a> সাম্প্রতিক এক আইনের খসড়া সম্পর্কে লিখছেন যার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ায় পূর্ণবয়স্কদের দ্বৈত নাগরিকত্ব দেয়া হবে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7569/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইন্দোনেশিয়া: দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা লড়ছে তাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 13 Nov 2009 10:10:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7508</guid>
		<description><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার নেট নাগরিকরা দেশটির দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠানের দুজন কর্মকর্তার মুক্তি চাচ্ছেন যাদের তথাকথিত ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক নাগরিকদের কাছেই এই দুই ব্যক্তি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির লড়াইয়ের প্রতিভূ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/carolina-rumuat/">ক্যারোলিনা রুমুয়াত</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/indonesia-criminalizing-the-graft-fighters/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার দুর্নীতি নির্মূল কমিটি (কেপিকে) এর দুইজন কমিশনার <em>চান্দ্রা এম. হামজা</em> আর <em>বিবিত সামাদ রিয়ান্তো</em>কে ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>কেপিকে কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের পরে, <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/10/30/sby-speaks-orders-opening-controversial-records.html">প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো</a> বলেছেন যে এই গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্য কিছু না আর তিনি জাতীয় পুলিশ (পলরি) এর কাজে কোন হস্তক্ষেপ করবেন না।</p>
<p><a href="http://politikana.com/baca/2009/10/29/bibit-dan-chandra-ditahan-polri">পলিটিকানাতে</a> <a href="http://politikana.com/profil/yusro.html">ইয়োস্রো</a> একটি প্রতিবেদন লিখেছেন যেখানে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের উপপ্রধান <em>ইন্সপেক্টর জেনারেল দিকদিক মুলিয়ানা আরিফ মন্সুর</em> কর্তৃক উত্থাপিত একটা অদ্ভুত তর্ক তুলে ধরা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Alasan penahanan antara lain karena ancaman hukuman atas pelanggaran hukum kedua petinggi KPK nonaktif itu di atas 5 tahun selain itu, ya, klasik. Polri khawatir, Bibit dan Chandra akan melarikan diri, menghilangkan barang bukti, dan mengulangi tindak pidana yang sama, sebagaimana tercantum dalam KUHAP.</p>
<p>    Tapi yang lebih mengejutkan, adalah alasan lainnya yaitu: Bibit dan Chandra bisa jumpa pers. “Setidak-tidaknya faktanya sekarang kami kesulitan karena sudah dihakimi dengan cerita-cerita dan tuduhan kriminalisasi. Tersangka bisa jumpa pers, itu indikasi dia bisa mempengaruhi opini,” ujar Dikdik.</p></blockquote>
<div class="translation">তাদের গ্রেপ্তারের অন্যতম কারণ হচ্ছে যে এই দুইজন বরখাস্তকৃত কেপিকে কমিশনার ৫ বছরের বেশী জেলের মেয়াদ পেতে পারেন, আর বাকি সব অদ্ভুত - জাতীয় পুলিশ চিন্তিত ছিল যে বিবিত আর চান্দ্রা পালিয়ে যাবেন, প্রমাণ সরিয়ে ফেলবেন, আর একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবেন। </p>
<p>তবে আরো বিস্ময়কর বাহানা ছিল: (তারা যদি মুক্ত হন) বিবিত আর চান্দ্রা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। “আমারা আসলে (জনগণের) গুজব আর দোষারোপে শিকার। এই সন্দেহভাজনরা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন, যার মানে তারা জনগণের মতের উপরে আরও প্রভাব ফেলতে পারেন,” বলেছেন দিকদিক।</p></div>
<p>বিবিত-চান্দ্রার গ্রেপ্তারের ক্রমানুযায়ী ঘটনাবলী <a href="http://pesatnews.com/2009/10/30/nasional/inilah-kronologis-penahanan-bibit-chandra/">পেসাতনিউজ.কমে</a> তুলে ধরা হয়েছে। এটি ধারণা দেয় যে এই দুই অকার্যকর কমিশনারকে ফাঁসানো হয়েছিল কারণ তারা একটা তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন যেখানে পলরির বড় কেউ জড়িত থাকতে পারেন।</p>
<blockquote><p>    23 JuniI 2009<br />
    KPK menyatakan Direktur PT Masaro Radiokom Anggoro Widjojo ditetapkan sebagai tersangka korupsi pengadaan alat komunikasi terpadu Departemen Kehutanan pada 2007.</p>
<p>    30 Juni 2009<br />
    Kepala Badan Reserse Kriminal Kepolisian RI Susno Duadji, yang sedang menangani kasus Bank Century, menyatakan teleponnya disadap. Belakangan, KPK mengatakan memang sedang menyelidiki dugaan suap kepada petinggi kepolisian berinisial SD dalam kaitan dengan kasus Bank Century.</p>
<p>    10 Juli 2009<br />
    Susno menemui Anggoro, yang jadi buron KPK, di Singapura.</p></blockquote>
<div class="translation"><strong>২৩ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>কেপিকে ঘোষণা করেন মাসারো রেডিওকম লিমিটেড এর পরিচালক আঙ্গরো উদজোজোকে সন্দেহভাজন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে কারণ ২০০৭ সালে বন মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সময়ে দুর্নীতিতে তার হাত ছিল।</p>
<p><strong>৩০ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের প্রধান রুসনো দুয়াদজি, যিনি সেই সময়ে সেঞ্চুরি ব্যাঙ্কের তদন্ত করছিলেন, দাবি করেন যে তার ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। পরে কেপিকে স্বীকার করেন যে তারা জাতীয় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ (যার আধ্যাক্ষর এসডি) কর্মকর্তার ঘুষের তদন্ত করছেন, যিনি সেঞ্চুরির কেসের সাথে যুক্ত।</p>
<p><strong>১০ জুলাই ২০০৯</strong></p>
<p>রুসনো আঙ্গরোর সাথে সিঙ্গাপুরে দেখা করেন, যিনি ইতিমধ্যে কেপিকের সন্দেহ ভাজন।</p></div>
<p>অনেক ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তার কাছে কেপিকে শক্তিশালী একটা সংস্থা যেটা সনাতন পদ্ধতির ধারা পাল্টাতে পারে। উচ্চ আশা আছে যে কেপিকে প্রধান সমাধান হতে পারে নিয়মতান্ত্রিক দুর্নীতি নির্মূলের।</p>
<p><em>রব বায়তোন</em>, যিনি <a href="http://therabexperience.blogspot.com/search/label/KPK">র‌্যাব এক্সপিরিয়েন্সে</a> ব্লগ করেন, বলেছেন যে ঘটনা যত উন্মুক্ত হচ্ছে তত প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্তটি বেশ অদ্ভুত দেখাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>এই তথ্য যে সুশিলো বামব্যাং ইয়োধোইয়োনো বা এসবিওয়াই, একটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন জানাতে যে তিনি এই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবেন না। অদ্ভুত কারণ ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজেকে চাপিয়ে দিয়েছেন যখন তিনি অন্তর্বর্তী কালীন আইন পাশ করেন কেপিকেতে তিনজন নতুন (যদিও সাময়িক) কমিশন নিয়োগের জন্য। তাই তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না শুনতে অদ্ভুত লাগে।</p></blockquote>
<p>গ্রেপ্তারের কয়েক দিন আগে দুর্নীতির সন্দেহভাজনরা আর অন্যান্য অজ্ঞাত লোকের মধ্যে আড়িপাতা একটা ফোনের কথোপকথনের লিখিত ভাষ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট আর দুইজন প্রথম স্তরের কর্মকর্তার নাম আসে। ফোনের কথাবার্তায় মনে হচ্ছিল যে গ্রেপ্তারটা সাজানো হয়েছে আর কেপিকেকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে দুর্নীতি দমন সংস্থা হিসাবে।</p>
<p>বাইতোন ব্যাখ্যা করেছেন:</p>
<blockquote><p>প্রেসিডেন্টও কষ্টে আছেন একটা ভাষ্যের জন্য যেটা তথাকথিত আড়িপাতা ফোনের কথাবার্তা যেখানে তুলে ধরা হয়েছে যে পুলিশ আর অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ষড়যন্ত্র করেছেন চান্দ্রা আর বিবিতকে ফাঁসানোর। কেন তিনি কষ্ট পাচ্ছেন? হয়তো এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তিনি জানেন বলে তার নাম এসেছে তাই।</p>
<p>যদিও প্রেসিডেন্ট বলেছেন এই প্রক্রিয়াতে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না, তিনি তারপরেও পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন এই ট্যাপ যে করেছেন তাকে খুঁজে বিচারের মুখোমুখি করার। মনে হচ্ছে যেন ঘোড়া পালিয়ে যাওয়ার পরে আস্তাবলের দরজা বন্ধ করার মতো ঘটনা। কিন্তু জনাব প্রেসিডেন্ট, এই ঘটনা পরিষ্কার করার সময় হয়েছে, তাই নয় কি?</p></blockquote>
<p>সমাপ্তিতে বাইতোন তুলে ধরেছেন যে ইয়োধোইয়োনোর ভবিষ্যৎ কি হতে পারে:</p>
<blockquote><p>পরিশেষে, এই দৃর্বৃত্তরা এসবিওয়াই এর সুনাম খোয়াবেন। তাকে মনে রাখা হবে সেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যিনি দুর্নীতি বিরোধী ভালো একটা খেলা নিয়ে কথা বলেছিলেন কিন্তু কখনো ফল প্রদান করতে পারেন নি। আসলে তাকে মনে রাখা হবে ইন্দোনেশিয়াতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামের খুব কম কয়েকটা সফলতার ঘটনার শেষ করাতে নেতৃত্ব দানের জন্য।</p></blockquote>
<p>তার পরের রবিবার, কেপিকের পরিস্থিতি আর বিকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো চারজন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ করেছিলেন, একজন ইন্দোনেশিয়ার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল থেকে আর বাকীরা বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর।</p>
<p>জাকার্তায় থাকা একজন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট বিশেষজ্ঞ ব্রেট ম্যাকগুয়ের ভাবছেন যে প্রেসিডেন্ট কেন এই চারজন বিশেষজ্ঞের সাথে আলাপ করলেন সাংবিধানিক আদালত বা প্রশাসনিক আদালতে পরামর্শ না করে, আর তিনি <a href="http://spruiked.posterous.com/update-president-considers-kpks-options-and-h">স্প্রুইকড</a> এ ব্লগ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই কথা যে প্রেসিডেন্ট তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ করেছেন এটাই অনেক কিছু বলে দেয়। এটাই দেখিয়ে দেয় এই পরিস্থিতিকে তিনি কতটা জটিল মনে করছেন।</p>
<p>একটা আইনগত- সাংবিধানিক কারণ থাকতে পারে যে প্রেসিডেন্ট কেন বিচার বিভাগের সাথে কথা বলেন নি (ধরে নিয়ে যে তিনি বলেন নি)।</p>
<p>সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করতে সময়ের অপব্যয় করেনি তার খারাপ- পরামর্শের কাজের জন্য, বিশেষ করে অদ্ভুত পিইআরপিইউর জন্য। প্রেসিডেন্টের সংবেদনশীলতার কথা চিন্তা করে (মনে আছে তিনি বলেছিলেন যে তিনি ‘ভীষণ আহত’ হয়েছিলেন), এমন হতে পারে যে প্রেসিডেন্ট তার ব্যক্তিগত ব্যপারের বাইরে দেখতে পারেন না।</p></blockquote>
<p>ম্যাকগুয়ের বলেছেন যে কেপিকে সেই প্রতিষ্ঠান যারা ইয়োধোইয়োনোকে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি পদে জিততে সাহায্য করেছে। এটা তার দায়িত্ব দেখার যে এটা যেন ভেঙ্গে না পরে:</p>
<blockquote><p>এটা থেকে আমরা কি শিখতে পারি? প্রেসিডেন্ট আর বসে থেকে ঘটনা ঘটতে দিতে পারেন না- যখন এগুলো জাতীয় গুরুত্বের, আর অবশ্যই না যখন এটা তার বিশ্বাসযোগ্যতার উপরে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তিনি কেপিকের জন্য নির্বাচনে জিতেছেন। তিনি লজ্জাহীনভাবে তাদের সফলতার লেজ ধরে এগিয়েছেন। তাদেরকে নিরাপদে তাকে রাখতেই হবে।</p>
<p>তিনি যে মানুষরা তাকে নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি দায়বদ্ধ।</p></blockquote>
<p>উদ্বিগ্ন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা অনলাইন আর অফলাইনে কেপিকের সদস্যদের সমর্থন জানাচ্ছেন।</p>
<p>৪০০,৩৮০ এর বেশী ফেসবুক ব্যবহারকারী <a href="http://www.facebook.com/posted.php?id=169178211590&#038;share_id=160905472433&#038;comments=1#/group.php?gid=169178211590">একটা দলে যোগদান করেছেন</a> যার নাম  চান্দ্রা হামজাহ আর বিবিত সামাদ রিয়ান্তোর সমর্থনে ১০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী।</p>
<p>টুইটার ব্যবহারকারীরা হ্যাশট্যাগ #dukungkpk (#ডুকুংকেপিকে) বা &#8216;সাপোর্ট কেপিকে&#39; ব্যবহার করছেন তাদের সমর্থন দেখানো আর মতামত জানাতে।</p>
<p>অফলাইনে একদল লোক কালো শার্ট প্রচারণা শুরু করেছেন। গত সোমবার, ইন্দোনেশীয়াবাসীকে উদ্বুদ্ধ করা হয় <a href="http://kabarnet.wordpress.com/2009/11/02/mari-pakai-pita-hitam-untuk-bibit-chandra/">কালো ফিতা পরার জন্য</a> যা সত্য আর বিচারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের প্রতীকী প্রকাশ - আর যে দুইজন মানুষ জাতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিভূ তাদের মুক্তির প্রতি সমর্থন।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়াতে, দুর্নীতিকে ভয়ঙ্কর একটা চক্র হিসেবে দেখা হয় যা অর্থনীতির ক্ষতি করছে আর বিচার ব্যবস্থা যেমন পুলিশ আর আদালতে মানুষের বিশ্বাসে ঘুণ ধরিয়ে দিচ্ছে। <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/01/22/survey-police-most-corrupt-institution-tii.html">ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্দোনেশিয়ার</a> ২০০৯ সালের একটা জরীপ রিপোর্ট অনুসারে, জরীপে সাড়া দেয়া বেশীরভাগ ব্যবসায়ী পলরিকে দেশের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বলেছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীন: দালাই লামাকে নিয়ে ভারত এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 11:03:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7462</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনওইওয়ান লাম  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চায়না ম্যাটার্স ব্লগ দালাই লামার সাম্প্রতিক ভারত এবং নেপাল সফরের রেশ ধরে ভারত এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/china-sino-indian-tension-and-dalai-lama/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চায়না ম্যাটার্স</em> ব্লগ দালাই লামার সাম্প্রতিক ভারত এবং নেপাল সফরের রেশ ধরে ভারত এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান <a href="http://chinamatters.blogspot.com/2009/11/dalai-lama-challenges-china-chaos-in.html">উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>থাইল্যান্ড: ব্যাংককের এক কারাগারের অভ্যন্তরে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 14:06:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7373</guid>
		<description><![CDATA[গ্যারি গ্রায়াম জোনস ব্যাংককের ব্যাং কাওয়াং কারগারের একজন বন্দী। এটি পুরুষদের জন্য তৈরি করা প্রচণ্ড সুরক্ষিত কারাগার। সমর্থকরা গ্যারির লেখা চিঠি ও বিভিন্ন তথ্য তার নামে তৈরি করা এক ব্লগে প্রকাশ করে থাকে। এই ব্লগ জনগণকে জানাচ্ছে যে বিখ্যাত এই কারাগারে বন্দীরা কি অবস্থায় রয়েছে।    
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/inside-a-bangkok-prison/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><blockquote><p><a href="http://garygraemejones.blogspot.com/">গ্যারি গ্রায়াম জোনস</a> থাইল্যান্ডের ব্যাং কাওয়ান নামক কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই কারাগারকে ব্যাংকক হিলটন নামে ডাকা হয়। অনেক মানুষ এই কারাগারের নাম শুনেছে, কিন্তু তারা জানে না এই নামটি অনেকের কাছে রাতের এক দু:স্বপ্ন তৈরি করে।</p></blockquote>
<p>গ্যারির সমর্থকরা একটা ব্লগ তৈরি করেছে, যেখানে গ্যারির কাছ থেকে পাওয়া চিঠি ও অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করা হবে। <a href="http://www.bangkwang.net/">ব্যাং কাওয়াং কারাগার</a> পুরুষদের জন্য নির্মিত এক কেন্দ্রীয় কারাগার, যেটি প্রচণ্ড ভাবে সুরক্ষিত। এই কারাগারের অনেক বাসিন্দা বিদেশী। তারা অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2008/12/introduction.html">এখন প্রশ্ন হচ্ছে, গ্যারি কে</a>?  </p>
<blockquote><p>গ্যারি একজন বৃটিশ নাগরিক। সে এক থাই রমণীকে বিয়ে করেছে এবং চারটি সন্তান দত্তক নিয়েছে। তার জন্ম ১৯৫০ সালে। ২.৪ কিলোগ্রাম হিরোইন পাচারের দায়ে তার আজীবন কারাবাস হয়েছে। ওয়েবসাইট তার সম্বন্ধে এইসব তথ্য জানাচ্ছে। আমরা জানতে পেরেছি জেলখানায় বন্দীদের সাথে আচরণে গ্যারি একজন ষ্পষ্টভাষী মানুষ, সে বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এবং সরাসরি সবার সাথে কথা বলে। গ্যারি কেবল থাইল্যান্ডের জেলে এই রকম আচরণ করে না, পৃথিবীর সব জায়গায় সে এ রকম ষ্পষ্টভাষী। আমরা যখন এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব, তখন আমরা গ্যারির দেওয়া বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করব, যা সে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে; সেখানে তার সাথে থাকা বন্দীদের সম্বন্ধে বর্ণনা ও সম্ভব হলে ছবি দেওয়ার চেষ্টা করব এবং  ধীরে ধীরে আমরা গ্যারি ও তাঁর জীবনের যে চিত্র পাব সেগুলোর বর্ণনা করব।</p></blockquote>
<p>গ্যারির প্রিজন ব্লগে নিয়মিত লেখা থাকে না। বিভিন্ন সময় সেখানে লেখা জমা রাখা হয়। তবে ধীরে ধীরে এটা ব্যাং কাওয়াং জেলখানার ভেতরে কি ঘটে সে সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে। মূলধারার প্রচার মাধ্যম, সমাজের বিভিন্ন অংশ এবং জনতার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য ব্লগের এই সমস্ত লেখা সাহায্য করবে, যার ফলে সেখানে থাকা বন্দীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে। </p>
<p>কয়েক মাস আগে এএইচ১এন১ (সোয়াইন ফ্লুর আরেক নাম) সংক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পরার সময় গ্যারি সাংবাদিকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে জানায় যে জেলে মৃদু <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2009/08/h1n1-in-bang-kwang-prison.html">এএইচ১এন১</a> ছড়িয়ে পড়েছে। </p>
<blockquote><p> সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে যে জেলখানার ভেতরে এইচ১এন১ (সোয়াইন ফ্লু) ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা কিছু বন্দীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। ১৩ জুলাই ২০০৯-এ, জেলখানার দুই বন্দি এই রোগে মারা যায়। একই সাথে এক কারারক্ষী এই রোগ মৃত্যু বরণ করে এবং আক্রান্ত দ্বিতীয় কারারক্ষীকে প্রচণ্ড অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (আশা করি এত দিনে সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছে)। </p>
<p>এক সংবাদ আমার কাছে এসে পৌঁছেছে, থাইল্যান্ডের কারেকশন বা সংশোধন বিভাগ এক নির্দেশ জারী করেছে যে জেলের সকল কর্মী ও বন্দীদের মুখে মাস্ক বা মুখোশ পড়তে হবে (বিদেশী বন্দীদের এই মুখোশের জন্য ১০০ বাথ [থাইল্যান্ডের মুদ্রা] দিতে হবে)।</p></blockquote>
<p>এই প্রবন্ধটি অনেক ওয়েবসাইটে পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি মূল ধারার সাংবাদিকরা এই বিষয়টি নিয়ে লিখেছে। গ্যারি বলছেন, এই বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেছে জেলখানার বন্দিদের <a href="http://garygraemejones.blogspot.com/2009/08/h1n1-in-bang-kwang-prison-part-3.html">স্বাস্থ্যগত খাতে</a> কিছু উন্নয়ন ঘটাতে, যা তাদের মধ্যে এএইচ১এন১ বিস্তার রোধে কাজ করেছে।   </p>
<p>গ্যারি গত মাসে ব্যাং কাওয়াং-এ বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান নিয়ে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে সে বিষয়ে লেখেন। তিনি কারা কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির ঘটনাও উন্মোচন করেছেন। </p>
<blockquote><p>এখন বন্দিদের জানানো হয়েছে যে, তারা যে কোন সময় ইহধাম ত্যাগ করতে পারে। “জীবন বীমার” টাকা ভবনের প্রধান বুনলম কনউইচেট কাছে প্রদান করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ২৪ জনের নামের তালিকা এখানে রয়েছে। এখানে ঘুষ দিতে কয়েদীরা বাধ্য, কারণ যদি তারা ঘুষ না দেয়, তা হলে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দেবার তালিকায় ব্যক্তির নাম চলে আসে।</p></blockquote>
<p>মানবাধিকার কর্মী ও <a href="http://thaipoliticalprisoners.wordpress.com/2009/10/10/new-executions-in-thailand/">ব্লগাররা</a> এই <a href="http://facthai.wordpress.com/2009/10/12/killing-thai-prisoners-gary-graeme-jones/">বিষয়ের</a> উপর মনোযোগ প্রদান করেছে। তারা এখন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনার উপর সরকারি তদন্ত দাবি করেছে।</p>
<p>গ্যারির ব্লগ কেবল ব্যাং কাওয়াং এর বন্দীদের জীবনের উপর আলোকপাত করেনি, সেটি প্রমাণ করেছে ব্লগ বন্দীদের নীতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কাজে আসে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7373/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীনের তৈরি কৃত্রিম তুষারপাত</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 06:13:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7352</guid>
		<description><![CDATA[গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে নিউজ মিডিয়া জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/michael-kan/">মাইকেল কান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/china-made-in-china-snow/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম বছরে সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে <a href="http://blogs.wsj.com/chinarealtime/2009/11/02/beijing-snow-man-made-in-china/">নিউজ মিডিয়া </a> জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।</p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/china1.jpg" alt="china1" title="china1" width="300" height="225" class="alignnone size-full wp-image-7353" />   </p>
<p>কৃত্রিম ভাবে তুষারপাত ঘটানোর কারণ হচ্ছে বেইজিং-এ এখন খরা চলছে। যে রাতে তুষারপাত হয়, তার কিছুদিন আগে সরকার আকাশে সিলভার আয়োডাইড উৎক্ষেপণ করে। এর ফলে বেইজিং-এর আশেপাশের এলাকায় ১৬ মিলিয়ন টন তুষারপাত ঘটে। </p>
<p>ঝাং কুইয়াং আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমকে বলেন, “যখন বেইজিং লম্বা সময় ধরে খরায় ভুগছে, তখন এই সমস্যা দুর করার জন্য কৃত্রিম যে কোন পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ আমরা হারাতে চাই না”।   </p>
<p>খরার সময় কৃত্রিম ভাবে বৃষ্টি ঝরানোর ইতিহাস চীনের রয়েছে। এর বাইরে, <a href="http://www.chinadaily.com.cn/2009-08/25/content_8616879.htm">অন্য সময়ও</a> আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আকাশ পরিষ্কার রাখার জন্য আকাশে মেঘের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যাতে কম বৃষ্টিপাত ঘটে। এই সমস্ত ঘটনা কোন বিশেষ সময়, যেমন প্রতি বছর অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী অথবা বেইজিং অলিম্পিক গেমসের সময় ঘটানো হয়। আকাশ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।   </p>
<p>গত রবিবারে মনুষ্য সৃষ্টি এই তুষারপাতের ঘটনায় নেটিজেনরা ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রদান করেছে। অনেকে আনন্দের সাথে এই তুষারপাতের সৌন্দর্য্যের কথা তুলে ধরেছে, যেমন ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_4a4232520100fry2.html">鱼干儿 (ইউ গেয়ার</a>।</p>
<blockquote><p>北京的天气，总是这么让人匪夷所思。毫无预兆的就下了场雪，而且还一发不可收拾。听说是人工催下来的，管他呢，我们就爱这样的天气。</p></blockquote>
<div class="translation">বেইজিং-এর আবহাওয়া অবিশ্বাস্য রকমের চমৎকার দেখাচ্ছে। কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই তুষার ঘটতে শুরু করে। এটা এমন এক ধরনের তুষারপাত যা সহজে পরিষ্কার করা যায় না বা একে অপসারণ করা যায় না। আমি শুনেছি এই সমস্ত তুষার মানুষের সৃষ্টি, কিন্তু তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমরা এই ধরনের আবহাওয়া পছন্দ করি।</div>
<p>তবে অনেকে বেশ উদ্বিগ্ন, ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46012c640100hbo5.html">小米 (জিয়াও মি)</a> লিখেছে</p>
<blockquote><p>回来才听说这是场人工降雪，是谁这么主观的断定这是下雪的好时机呢？？到处都是措手不及的冷，电力、交通、供暖等都遇到很棘手的问题。</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমি শুনলাম এটা মানুষের কাজ, তখন আমার মনে হল কে সেই বান্দা, যার মনে হয়েছে বরফ পরার এটাই উপযুক্ত সময়? সব জায়গায় লোকজন ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ, যানজট এবং শরীর গরম করা নিয়ে বেশ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।</div>
<p><a href="http://bbs.aigou.com/bbs/post/view/552_85446559_1__1_30.html">ইন্টারনেট ফোরামে</a> একজন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছে যে সরকারের উচিত ছিল এ ব্যাপারে আগে থেকেই লোকদের সতর্ক করে দেওয়া। তিনি এর সাথে যোগ করেন, এই বরফপাতের কারণে কিছু বিমান নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করতে পারে নি।  </p>
<blockquote><p>要我说，这种人定胜天的精神是好的，虽然北 京人都“被冬天”了，如果真能解除北方旱情也算是功德一桩。就是没通知大家的气象局太不地道。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার দৃষ্টিতে মানুষ প্রকৃতিকে শাসন করতে পারছে, এমন শক্তি অর্জন করা ভালো, এমনকি যদিও এই কারণে বেইজিং-এর নাগরিকরা “শীতে” আক্রান্ত হয়েছে। তবে যদি তারা সত্যিকার অর্থে খরার কারণে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা হলে বরফ নামানোর উদ্দেশ্য সফল। কিন্তু আবহাওয়া অফিস মানুষদের না জানিয়ে যে কাজটি করেছে, সেটি ঠিক হয় নি।</div>
<p>ইন্টারনেটে পোস্ট করা কয়েকটি লেখায় এই চিন্তা ব্যক্ত করা হয়েছে যে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট তুষারপাত পরিবেশের উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলবে? <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_496fb25d0100fz70.html">天的云 (তিয়ান বিয়ান দে ইউন)</a> নামের ব্লগার বিস্মিত এ কারণে যে, কারো কি প্রাকৃতিক আবহাওয়াকে বদলে দেবার অধিকার রয়েছে। </p>
<blockquote><p>但是，在我们还不能完全掌握天气变化的规律时，就盲目改变局部的天气，是否会对 整个环境造成更大的不利影响呢？比如，这次因为北京缺水，就让原本要下到山东（假设而已）的雪在北京下了，会不会造成山东更缺水呢？</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমরা না জেনেই আবহাওয়াকে অন্ধ ভাবে পাল্টে দিই, সেটি কি পরিবেশের উপর এক বড় ধরনের ক্ষতি করে না? কৃত্রিম ভাবে এই বরফপাত ঘটানো হয়েছে, কারণ বেইজিং-এ খরা চলছিল। যদি বাস্তবে এই বরফ সানডং-নামক এলাকায় পড়ার কথা থাকে সেক্ষেত্রে সেখানে কি ঘটবে, (ধরা যাক এটা সানডং এ পড়ার কথা) সেক্ষেত্রে এই কৃত্রিম তুষারপাত কি বেইজিং-এর বদলে  সানডং-এ আরো বড় খরার সৃষ্টি করবে না?</div>
<p>বেইজিং এর একজন ব্লগার ও সাংবাদিক অ্যালেক্স পাস্টেরনাক <em>ট্রি হ্যাগার</em> নামক ব্লগে একটি <a href="http://www.treehugger.com/files/2009/11/beijing-government-made-snow-cloud-seeding.php">পোস্টে</a> বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন, মানুষের তৈরি এই বরফপাতের প্রভাব কি হতে পারে: </p>
<blockquote><p>সরকারি হিসেবে এই খরা অক্টোবরের শেষে ৮০০,০০০ হেক্টর জমির উপর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং এই তুষার ঝড় স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুসারে করা হয়েছে।  </p>
<p>কিন্তু এই অঞ্চলের সকল কৃষক এই ঘটনায় লাভবান হবে না। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে অন্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরণ পাল্টে যাওয়া। এক বিশেষ এলাকায় শক্তিশালী ঝড় তৈরির কারণে অন্য অঞ্চলের আবহাওয়া পাল্টে যেতে পারে, যাদেরও বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে।</p></blockquote>
<p>অন্য নেটিজেনরা বরফ নিয়ে মজা করেছে। <em>এলিজাবেথ কেইন</em> তার <a href="http://blog.seattlepi.com/redlantern/archives/183828.asp">ব্লগে </a>লিখেছে:</p>
<blockquote><p>গতকালের তুষারপাত, গত দশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে আগে বরফ পড়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমি নিশ্চিত যে আমার মা বেইজিং বিমান বন্দরে ৭ ঘন্টা ধরে বসে রয়েছে, কারণ সকল বিমান যাত্রা স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। তিনি অনিচ্ছাকৃত এই যাত্রাবিরতির কারণে সুখী হবেন।</p></blockquote>
<p>তুষারপাত সম্বন্ধে অন্য এক <a href="http://www.blogged.com/stories/law/beijing-snow-man-made-in-china">মন্তব্যে</a> এক তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>মার্টিন এম. নভেম্বর ২, ২০০৯, বিকেল ৩.৩০:  চীনে এখন সব কিছু তৈরি হয়, এমনকি বরফও।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
