<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; ব্রুনাই</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/world/east-asia/brunei/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মন্দা নিয়ে পর্যালোচনা: বাঁচার উপায় এবং ব্যবসার সুযোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:45:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এন্টিগুয়া-বার্বুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জামাইকা]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিজি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7228</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি চেষ্টা করব কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর চেষ্টাগুলো জানাতে যেগুলো দ্বারা তারা এই মন্দা সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/27/global-recession-survey-survival-tips-and-business-opportunities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/13/global-recession-and-its-discontents/">বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা</a> সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মানষের মন এত রাতারাতি হার মানার নয়। অনেকেই কষ্ট করছে এই মন্দার মোকাবিলা করতে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো মন্দার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর উল্লেখ করব উদাহরণ হিসেবে যারা তাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করছে এই মন্দাকে মোকাবিলা করতে।</p>
<p><strong>মন্দা হতে বাঁচা</strong></p>
<p>ব্রাজিলের <em>ফ্রাঙ্ক কয়েলহো ডে আলচানটারা</em> মনে করেন মন্দার সময়, <a href="http://www.depijama.com/trecos/com-criatividade-voce-consegue-inovar-ate-velas/">কেউ কাঁদে আবার কেউ টিস্যু বেচে।</a> এই মন্দা থেকে বাঁচার জন্য, এই ব্লগার উপদেশ দেয়:</p>
<blockquote><p>Inove. Melhore o que já existe e venda. A crise só existe para os que choram e compram lenços.</p></blockquote>
<div class="translation">নতুন কিছু প্রবর্তন কর। পুরোনো জিনিসের উন্নয়ন কর ও সেগুলোকে বিক্রি কর। মন্দা শুধু তাদেরই জন্য যারা কাঁদে ও টিস্যু কিনে।</div>
<p>আরেক ব্রাজিলিয়ান ব্লগার <em>এভান্ডো সুদ্রে</em> উল্লেখ করেছেন কঠিন সময় থেকে উত্তরণের জন্যে একটি <a href="http://ufnet.blogspot.com/2009/02/7-dicas-pra-encarar-crise.html">“ভিতরের শক্তি এবং সংকল্পের আধার&#8221;</a> তৈরি করার ব্যাপার:</p>
<blockquote><p>Problemas e adversidades fazem parte da vida diária, mas quando a crise nos atinge, é bom ter alguma reserva de força interior eresolução. De fato ter algum tipo de reserva na mente, da qual possamos formar um plano básico de ação e defesa com a qual possamos lidar com a situação. Você é a pessoa mais qualificada para ajudar nesta situação.</p></blockquote>
<div class="translation">সমস্যা এবং প্রতিকূলতা আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ কিন্তু যখন আমরা মন্দাতে ডুবে যাই, আমাদের ভিতরের শক্তি ও সংকল্পের একটি আধার তৈরি করতে হবে। এমন কি, সেটাই ভালো যদি আমাদের মনে কোনো প্রকার সংকল্প থাকে সব সময়ই, যা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাধারণ কার্যকারণ ও সুরক্ষার সিদ্ধান্ত গুলো নিতে পারব এই প্রকার সময়ের মোকাবিলার জন্য। তাহলে এই মন্দা থেকে বের হবার জন্যে আপনি একজন যোগ্য ব্যক্তি।</div>
<p>কিন্তু অনেকে আছে যারা ঋণে জর্জরিত এবং যারা এ থেকে বের হবার উপায় হিসেবে শুধু মাত্র আত্মহত্যার চিন্তা করে। উদাহরণ স্বরূপ ভারতের গুজরাটে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/21/india-gujarat-diamond-workers-suicide-in-the-face-of-crisis/">৭০টির বেশি আত্মহত্যা</a> লিপিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে হীরার পলিশ কারকরা তাদের কাজ হারিয়েছে।</p>
<p>অনেকে মন্দার বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ করেছে। বিনিয়োগকারীরা (প্রধানত: এন্টিগুয়ার), যারা তাদের টাকা-পয়সা হারিয়েছে আমেরিকান কোটিপতি অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের প্রতারণার শিকার হয়ে, তারা একটি সংগঠন তৈরি করেছেন তাদের ধন ফিরে পেতে। <a href="http://www.stanfordvictimscoalition.com/">স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিমস কোয়ালিশন (স্ট্যানফোর্ড এর শিকার মোর্চা)</a> তাদের <a href="http://fraudsvictims.com/Documents/svc%20press%203-13-2009.pdf">সাইটে</a> জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিম কোয়ালিশন একটি আন্তর্জাতিক দল যেটি যুদ্ধ করছে অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের চুরি করা বিলিয়ন ডলারগুলোকে প্রতারিত নিরাপরাধ সকলের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। এই সকল প্রতারিতরা এন্টিগুয়াতে স্ট্যানফোর্ড ফাইনানশিয়াল গ্রুপ এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এই দল কোনো প্রকার রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না অথবা কোনো অনুদান নেয় না তাদের সদস্যদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ব্রুনাইতে, ব্লগাররা সমালোচনা করছে সেইসব ব্যাক্তিদের যারা মন্দা থেকে বাঁচতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/09/brunei-who-deserves-the-undistributed-zakat-funds/">জাকাতের ফান্ড</a> থেকে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল। জাকাত হচ্ছে ইসলামের একটি স্তম্ভ এবং এর মূল নীতি হচ্ছে ধনী কর্তৃক গরীবদের কিছু সম্পদ দেয়া যাদের তা প্রয়োজন। অনেকে আশ্চর্য হয়েছে যে ব্রুনাইয়ের নাগরিকরা যাদের বড় ধরনের ক্রেডিট কার্ড বিল, গাড়ির ঋণ, এবং নিজস্ব ঋণ ছিল তারা এই জাকাতের ফান্ডের থেকে টাকা চেয়েছিল।</p>
<p>এই মন্দা অনেকের মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে <a href="http://www.uptoyoulor.com/2009/03/economic-recession-leads-to.html">শরীরচর্চা কেন্দ্রগুলো ও যোগ কেন্দ্রগুলোতে বেশ ভীড় হয়েছিল</a> যখন সকলে নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দার চিন্তা থেকে রেহাই চাচ্ছিল; এবং অনেকে এই প্রকার শরীর চর্চার জন্য বেশ খরচও করছে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/30/recession-hits-singapore/">সিঙ্গাপুর</a> হচ্ছে  এশিয়ার প্রথম দেশ যা এই মন্দার কবলে পরেছিল গত বছর।</p>
<p>কাতারের একজন কর্মচারী <em>হোমেসিকহোম</em>, আবিষ্কার করেছে যে মন্দার কারণে <a href="http://homesickhome.wordpress.com/2009/03/17/my-own-version-of-financial-crisis/">কেনা বেচার নেশাটি কিছুটা কমেছে।</a></p>
<p>একটি বুলগেরিয়ান সাপ্তাহিক <a href="http://capital.bg/show.php?storyid=685129">কাপিতাল</a> জিজ্ঞাসা করেছিল তাদের পাঠকদের যে কিভাবে এই মন্দা তাদেরকে আঘাত করেছে। <em>সাইমন জানকোভ</em> প্রাপ্ত তথ্যটি <a href="http://crisistalk.worldbank.org/2009/03/has-the-crisis-affected-you-how-.html">সংক্ষেপে জানিয়েছেন</a> একটি ফোরামে:</p>
<blockquote><p>আমি উত্তরগুলো এখনও পড়ছি এবং চিন্তার বাইরে কিছু জিনিস পেয়েছি।</p>
<p>ভাড়া বেড়েছে, এবং যারা মর্টগেজ দিতে পারবে, তাদের সংখ্যা কমেছে; কিছু ছোট ব্যবসাগুলো বলেছে যে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন নাজুক অবস্থায় যে তাদের জন্য আরো সুবিধা হয়েছে; টিভি দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (কারণ খবর গুলো খুবই খারাপ); কমে গিয়েছে সমাজের ভেদ - এখন শুধু নব্য ধনীরা ধনী ; পড়ার সময় বেশী পাওয়া যাচ্ছে; বাইরের বিশ্বের সাথে সম্পর্ক আরো কমেছে। আমার নিজস্ব পছন্দের: অর্থনীতিতে আরো মজা খোঁজা।</p></blockquote>
<p><strong>ব্যবসার খাপ খাইয়ে নেয়া</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মন্দার প্রতিক্রিয়ায় এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে?</p>
<p>কর্মসংস্থান না কমিয়ে, ফিলিপাইন্সের কিছু কিছু কোম্পানী <a href="http://www.bworldonline.com/BW030509/content.php?id=002">কাজের সময় কমিয়ে দিচ্ছে</a>। বিল্ডিংগুলো কম পরিমাণে ব্যবহার হবার কারণে, ম্যানিলার কিছু বাড়ির মালিকরা <a href="http://www.gmanews.tv/story/152275/Office-rentals-to-go-down-until-June-property-consultant-says">অফিসের জন্য ভাড়া কমিয়ে দিচ্ছে</a>। দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত একটি জাপানী কোম্পানী তাদের ব্যবসার লাভ এবং সঞ্চয় ব্যবহার করেছে তাদের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/korea-economic-downturn-and-which-companies-have-the-best-chances-for-survival/">শ্রমিকদের এই দু:সময়ে সাহায্য করতে।</a></p>
<p>ফিজির ব্যবসা প্রধানরা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/fiji-minimum-wage-increase-postponed/">বর্ধিত সরকারী ন্যূনতম বেতন কার্যকারী করা পিছিয়েছে</a> বলে জানিয়েছে তাদের শ্রমিকদের। তারা সতর্ক দিয়েছে যে বেতন বাড়িয়ে দিলে আরো ছাঁটাই এমন কি কোম্পানী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দু:সংবাদ ছিল শ্রমিকদের জন্য।</p>
<p><em>দ্যা এশিয়ান প্যারেন্ট</em> (<a href="http://sg.theasianparent.com/home.php">www.theasianparent.com</a>) এর সম্পাদক <em>রোশিনি মাহতানি</em> বলেছেন ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য <a href="http://sgentrepreneurs.com/commentary/2009/03/09/10-cost-cutting-measures-%E2%80%93-theasianparentcom-way/">খরচের পরিমাণ কমানো নিয়ে</a> -</p>
<blockquote><p>১. অফিসের জায়গা ছেড়ে দিন। মাসিক সঞ্চয়: ১,৫০০ ডলার<br />
২. ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন। একবারের সঞ্চয়: ৪,০০০ ডলার। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৩. ফোনের বদলে স্কাইপ! মাসিক সঞ্চয়: অনুমানিক ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৪. শিক্ষানবিস নিয়োগ দিন। মাসিক সঞ্চয়: ৫০০ ডলার<br />
৫. ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করুণ। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৬. স্কেল। মাসিক সঞ্চয়: ৩০০ ডলার<br />
৭. বেতনের বদলে উদ্দীপনা ভাতা। মাসিক সঞ্চয়: ৭৫০ থেকে ১,০০০ ডলার প্রতি বিপণন কর্মচারীর জন্য।<br />
৮. অংশীদারীত্বে যান । মাসিক সঞ্চয়: ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৯. গাছ বাঁচান (এবং টাকা)। মাসিক সঞ্চয়: ২০০ ডলার<br />
১০. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং। একবারের সঞ্চয়: ২,৬০০ ডলার</p>
<p>মাসিক সঞ্চয়: ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ ডলার প্রতি মাসে</p>
<p>এক বারের সঞ্চয়: ৬,৬০০ ডলার</p></blockquote>
<p>ব্রাজিল থেকে <em>মাইকেল মন্টেরো</em> লিখেছেন তার <a href="http://vitrinepop.blogspot.com/2009/02/criatividade-em-tempos-de-crise.html">তৎপরতা</a> নিয়ে যেটির শুরু করা হয়েছিল পন্তো ফ্রিওতে: যেই সকল ক্রেতারা দোকান থেকে প্রায়ই কিনে, তাদের জন্য একটি বীমা করা থাকবে। যদি তারা কর্ম হীন হয়ে যায় তবে পণ্য দেয়া হবে এবং তার জন্য অতিরিক্ত কোনো পয়সা নেয়া হবে না। এতে তাদের সাহায্য করা হবে।</p>
<blockquote><p>O interessante é que essa ação tem como enfoque a atual crise economica, e em seu anuncio busca tirar o temor que existe nas pessoas de comprar e não poder pegar, o que gera queda nas vendas.</p>
<p>Assim, o consumidor poderá voltar a comprar, e fazer o dinheiro movimentar a economia.</p>
<p>Mais do que uma inteligente proposta de marketing, a ação é um serviço ao país, pois - de forma inteligente -, faz a economia nacional girar capital, e consequentemente manter níveis de venda, empregos, etc.</p></blockquote>
<div class="translation">মজার ব্যপারটা হলো যে এই কাজটি এই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দার পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করে, এবং এই বিজ্ঞাপন দাবি করেছে যে তারা মানুষের চিন্তার উপশম করবে যে তারা হয়ত কোন কিছু কেনার ক্ষমতা রাখে না যা বিক্রয়ের পরিমান কমিয়ে দেয়। এই পদক্ষেপ অনুযায়ী ভোক্তারা আবার কিনতে শুরু করতে পারবে এবং অর্থনীতিতে টাকার যোগান হবে।</p>
<p>আরো চালাকির বুদ্ধি হচ্ছে ভালো সেবা পেলে একটি দেশকে সাহায্য করে, এবং দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা দিতে শুরু করে। এর থেকে বড় পরিমানের কেনা-বেচা, কাজ এবং আরো অনেক তৈরী হয়।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 255px"><a href="http://moscownotes.wordpress.com/2009/02/16/on-housing-and-toilet-paper/"><img alt="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/russia.jpg" title="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”।" width="245" height="309" /></a><p class="wp-caption-text">রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে</p></div>
<p><strong>বাণিজ্যের সুযোগ</strong></p>
<p>অনেক ব্যবসা আছে যারা ঠিকই লাভের মুখ দেখছে এই অর্থনীতির মন্দাতেও। অনেকে এই মন্দার থেকে নিজেদের মঙ্গলই বয়ে আনছে।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">জাপানে</a> বেশ লাভ করছে এই ব্যবসাগুলো: <a href="http://ueki.biz/414.html">ছোট এবং মাঝারি কোম্পানীগুলো</a> যেগুলো স্বল্প পরিমাণে বিক্রি করে যেমন কাঁচাবাজারে, <a href="http://andyandyandy.jugem.jp/?eid=399">ফাস্টফুডের</a> ব্যবসা, <a href="http://business.nikkeibp.co.jp/article/manage/20090129/184281/?P=1">ই-কমার্স</a> এর জোগানদার, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pachinko">পাঞ্চিনকো</a> ইণ্ডাস্ট্রি (যারা গেইম বানায়)।</p>
<p>জাপান থেকে <em>চিকারা ইকি</em> জানিয়েছেন যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">কিভাবে এই মন্দাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে</a></p>
<blockquote><p>１００年に一度と言われている経済危機、考え方を変えると１００年に一度のチャンスかもしれない。不況業種も含め、全ての産業に言えることかもしれません。</p>
<p>ただ、事例の通り何もしなくてもチャンスは生まれるのではなく、コツコツとやってきたご褒美だと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">এই মন্দা নিয়ে চিন্তাধারা পরিবর্তন করে একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে যেটা বহু বছর পরে মাত্র আসে। এই কথা ব্যবসাগুলোকে বলা যেতে পারে, এমন কি যেগুলো মন্দায় ডুবে রয়েছে তাদেরও।</p>
<p>তবে এই অবস্থা এমনি এমনি আসে নি। এটি অনেক সময় ধরে অনেক কষ্ট করার ফসল।</p></div>
<p>ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে যেটা ব্লগার <em>ক্যাসওয়েল হোয়াইটসাইড</em> <a href="http://caswellwhiteside.wordpress.com/2009/03/19/forgotten-in-the-shuffle/">মনে করেন</a> যে ফিলিপিনোদের অধিক হারে দেশে ফিরে আসার কারণে যারা বহির্বিশ্বে আগে কাজ করত।</p>
<blockquote><p>দেখা যাচ্ছে যে ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স কানাডা এবং আমেরিকা থেকে প্রতিদিন তাদের ফ্লাইট  দিচ্ছে  যেটা আগে ছিলো চারদিন প্রতি সপ্তাহে। যদিও ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স (PAL) ঘোষণা করেছে যে এই বৃদ্ধি &#8216;নতুন এবং ভালো সেবা&#39; প্রদান করার জন্য, কিন্তু এটি আসলে ফিলিপিনোদের জন্য একটি সুবিধা। তাদের অনেকে বিশ্বের বহু দেশে তাদের কর্মসংস্থান থেকে ছাটাই হয়েছে। প্রধানত জাপান এবং আমেরিকা থেকেই তারা নিজেদের দেশে ফিরে আসছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://nationmultimedia.com/2009/03/19/business/business_30098297.php">থাইল্যান্ডের উদ্দীপক প্ল্যান</a> অনুযায়ী ৫৫ ইউ.এস. ডলার সমমূল্যের বিশেষ চেক দেয়া হবে কম-উপার্জনকারী প্রত্যেকের জন্যে। এর সুবিধা হচ্ছে যে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজা হাট এবং আরো ১৮টি কোম্পানী থেকে পণ্য কিনতে গেলে। যারা কেএফসি থেকে তাদের উদ্দীপক চেক ভাঙ্গিয়ে খাবার কিনবেন তাদের জন্যে একটি সুবিধা রাখা হয়েছে - বিনামূল্যে<a href="http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=15369">২০ টুকরা মুরগী</a> দেয়া হবে তাদেরকে। </p>
<p><em>এভেরী উওম্যান&#39;স ব্লগ</em> একজন কনডম তৈরীকারকের সাথে একমত পোষণ করেছে যে দেখা গেছে <a href="http://www.everywomansblog.com/people-buy-condoms-recessions">বিপুল সংখ্যক মানুষ কনডম কিনছে</a> যাতে মেয়েরা গর্ভবতী না হয়:</p>
<blockquote><p>আমার বিশ্বাস যে এখানে অনেক সত্য আছে এবং যুক্তি এই বিষয়ে। এই মন্দা এবং অজানার সময়ে, মানুষ আরেকজন পরিবারের সদস্য যোগ করতে চায় না যেটার কারণে আরো অর্থনৈতিক সমস্যার কবলে পরতে হতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>ডগলাস মুইর</em> আশা করেন যে এই বিশ্বে <a href="http://fistfulofeuros.net/afoe/economics-and-demography/a-goodbad-time-to-stop-having-babies/">জন্মতালিকায় একটি বড় প্রকারের ধ্বস নামবে</a>, প্রধানত যেটা আসবে পূর্ব ইউরোপ থেকে।</p>
<p><strong>শুরুতে প্রত্যাবর্তন</strong></p>
<p>এই অর্থনৈতিক মন্দার জন্য, অনেকে শিখছে কি করে মৌলিক নিয়মগুলো ব্যবহার করতে হয় ব্যবসা করার সময়, যেমন প্রথম শ্রেণীর সেবা প্রতি ক্রেতার জন্য। <a href="http://livroseafins.com/2008/05/12/prefeitura-pipoqueiro-pipoca/">ব্রাজিলের এক ভুট্টা বিক্রেতা</a> পুরস্কৃত হয়েছে তার নতুন চিন্তাধারার ব্যবসার জন্য। সে অনেক <a href="http://www.ricardocoelhoconsult.com.br/responsabilidade.php">বক্তৃতা দিয়েছে কিভাবে সফল ব্যবসা চালাতে হয়।</a></p>
<p>জাপানী যুবা এবং খ্যাতিপূর্ণ লোকদের কাছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/japan-agriculture-the-latest-trend-among-celebrities/">কৃষিকাজ অনেক জনপ্রিয়</a> হয়েছে যখন অনেকে খুঁজছে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেগুলো শক্ত করে গড়বে আর্থিক কেন্দ্রগুলোকে। <em>কামিয়ামা ইয়াসুহারু</em> লিখেছেন যে <a href="http://8ada.com/kamiyama/archive/2009/02/post-1.html">কৃষির বিস্তার</a> একটি মজাদার শব্দ হয়ে উঠেছে আজকের জাপানী সমাজে।</p>
<p><a href="http://ki-media.blogspot.com/2009/03/cambodia-tries-alternative-products-to.html">ক্যাম্বোডিয়া</a> আবার শুরু করেছে কৃষিতে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। <a href="http://rspas.anu.edu.au/rmap/newmandala/2009/01/28/laos-too-poor-to-get-any-poorer/">এক লাও অর্থনীতিবিদ</a> বিশ্বাস করেন যে “কৃষি-নির্ভর, স্ব-নির্ভর প্রকৃতি” একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে পারে যেমন লাওসকে করছে এই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার থেকে।</p>
<p>এই অর্থনীতিবিদ আরো বলেন:</p>
<blockquote><p>মানুষ যারা আগে শিল্পোন্নত দেশে বাস করত এখন ভয় পায় তাদের কর্ম যাতে না নষ্ট হয় কারণ তারা জানে না কি করে শাক-সব্জি ফলাতে হয় এবং গবাদি পশু কি করে পালন করতে হয় যেটা লাওসের লোকজন জানে।</p></blockquote>
<p>জ্যামাইকাতে, ২১টি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নেতারা একটি চুক্তি তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে মিলিত ভাবে এই বিশ্ব মন্দার কবলের থেকে নিজেদের ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। তারা আরো শিখেছেন যে একটি <a href="http://www.jamaicaobserver.com/news/html/20090308T200000-0500_147282_OBS_LEADERSHIP_BY_EXAMPLE.asp">“সামাজিক অংশীদারের বক্তব্য”</a> তৈরি করা উচিৎ যেটা সরকার, বিরোধীদল, শ্রমিক, ব্যবসা এবং সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<div class="contributor"><em>উপরের ছবিটি <a href="http://www.flickr.com/photos/suburbanslice/3103078097/in/set-72157611066659335">সাবার্বানস্লাইস</a> এর ফ্লিকার একাউন্ট থেকে আনা হয়েছে। পর্তুগীজ লেখাটি অনুবাদ করেছে জিভির সম্পাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/paulagoes/">পলা গোজ</a>। জাপানীজ লেখাটা অনুবাদ করেছে জিভির অনুবাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাইয়ের ইতিহাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/23/5379/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/23/5379/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 23 Aug 2009 06:51:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5379</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমং পালাটিনো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
রোজান ইউনুস কিভাবে ব্রুনাইয়ের নামকরন হল তা সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক রুপরেখা পোস্ট করেছে।  
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মং পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/20/brunei-history/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>রোজান ইউনুস</em> কিভাবে ব্রুনাইয়ের নামকরন হল তা সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক রুপরেখা <a href="http://bruneiresources.blogspot.com/2009/08/which-is-correct-brunei-or-berunai.html">পোস্ট করেছে</a>।  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/23/5379/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণপূর্ব এশিয়া: ইন্টারনেট ও জাতীয়তাবাদ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/15/5066/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/15/5066/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 15 Aug 2009 05:43:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভিয়েতনাম]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মালয়েশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার (বার্মা)]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5066</guid>
		<description><![CDATA[অনেক দক্ষিণপূর্ব এশিয়াবাসী বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী প্রচারণার জন্যে ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার করছেন। এখন এমন কি সরকারী নেতারাও সাইবার স্পেসের পূর্ণ ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তাদের দেশের সংহতি ও দেশাত্মবোধ বাড়াবার জন্য।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মং পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/04/southeast-asia-internet-and-nationalism/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অনেক দক্ষিণপূর্ব এশিয়াবাসী বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী প্রচারণার জন্যে ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার করছেন। এখন এমন কি সরকারী নেতারাও সাইবার স্পেসের পূর্ণ ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তাদের দেশের সংহতি ও দেশাত্মবোধ বাড়াবার জন্য।</p>
<p>এই ধারা আশা ব্যঞ্জক যেহেতু এটা সাধারণ নাগরিকদের সুযোগ দেয় বৃহত্তর সমাজের অংশ হিসেবে নিজেকে প্রকাশিত করার সুযোগ দিয়ে। তবে, উগ্র জাতীয়তাবাদ অনলাইন উদ্যোগও আছে যা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সংহতি গঠনে বাধা দেয়।</p>
<p>সম্ভবত: ইন্দোচীনের আজকের সব থেকে বিতর্কিত ওয়েবসাইট হচ্ছে <a href="http://www.ilovethailand.org/file/intro_site/">আইলাভথাইল্যান্ড.অর্গ</a>। দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উন্নয়নের জন্য থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী এই ওয়েবসাইট তৈরি করেন। ওয়েবসাইটটি আরো চেষ্টা করে থাইদের <a href="http://facthai.wordpress.com/2009/07/31/thai-websites-anger-cambodians-eturbonews/">একত্র আর উদ্বুদ্ধ করার</a> জন্যে, যাদের অনেকে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কোন্দলের কারনে হতাশ হয়ে পড়েছেন।</p>
<p><em>চ্যাং নোই</em> এই ওয়েবসাইট প্রচারণাকে থাই সরকারের বিশাল প্রোপাগান্ডা উপায় হিসেবে <a href="http://facthai.wordpress.com/2009/07/31/thai-websites-anger-cambodians-eturbonews/">অভিহিত করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>কোন প্রচারণাই স্বীকার করে না যে এইসব বিভেদের পেছনে আসলে কোন কারণ থাকতে পারে। কোন প্রচারণাই এমন কারণের কোন সমাধান দেয় না। কোনটাই স্বীকার করে না যে মানুষ রাজনৈতিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাদের নাগরিক দায়িত্ব ভেবে আর দেশের স্বার্থ তাদের মনে ছিল। দুটোই আসল সমস্যা কার্পেটের নীচে চাপা দিয়ে রাখতে চায় যেখানে এটা পচবে।</p></blockquote>
<p>ওয়েবসাইটটি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/22/cambodia-thailand-ilovethailand-website-sparks-controversy/">বিতর্কের সৃষ্টি করেছে</a> কারণ এখানে দাবী করা হয়েছে যে ক্যাম্বোডিয়ার কিছু অংশ থাইল্যান্ডের &#8216;হারানো ভূমি&#39;।</p>
<p>ক্যাম্বোডিয়া আর থাইল্যান্ড প্রাচীন <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/20/thailandcambodia-conflict-over-preah-vihear-temple-part-ii/">প্রিয়াহ বিহার মন্দিরের</a> মালিকানা নিয়ে কয়েক দশক ধরে বিরোধে লিপ্ত। এই ভূমি বিরোধ দুই দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/03/fighting-erupts-again-on-preah-vihear-border/">ভয়াবহ সংঘাতের</a> সৃষ্টি করেছে বেশ কয়েক বার।</p>
<p>অনেক ব্লগার তাদের হতাশা ব্যক্ত করেছেন যে থাই সরকার দেশের ভিতরের লোকদের একত্র করতে চেয়েছেন অন্য দেশের সাথে সংঘাতকে উস্কিয়ে দিয়ে। তারা বিশ্বাস করেন যে নেটিজেনদের (নেট নাগরিকদের) উচিত না এই ধরনের ভুল সংস্করণের জাতীয়তাবাদকে তুলে ধরা।</p>
<p>যেমন আশা করা হয়েছিল, ক্যাম্বোডিয়ার সরকার এই ওয়েবসাইট তৈরির জন্যে কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এর ফলে একটা ক্যাম্বোডিয়াপন্থী ওয়েবসাইটও গঠিত হয়েছে: <a href="http://www.ilovekhmer.org/">আইলাভখেমার.অর্গ</a> নামে। এই ওয়েবসাইট চেষ্টা করছে আইলাভথাইল্যান্ড.অর্গ এ কথিত মিথ্যা দাবীর প্রতিবাদ করে সত্য জানানো।</p>
<p>থাইল্যান্ড আর ক্যাম্বোডিয়াতে <em>আইলাভথাইল্যান্ড.অর্গ</em> আর <em>আইলাভখেমার.অর্গ</em> এই দুই ওয়েবসাইট বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। যদিও এটা একটা ভালো দিক যে দুই দেশ তাদের সীমান্ত সংঘাতকে সাইবার এলাকাতে এনেছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এই সাইবার যুদ্ধ দুই দেশে জাতিগত বিদ্বেষ সৃষ্টি করেছে।</p>
<p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এরকম আর একজন নেতা যিনি সমাজে সংহতি আনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের গুরুত্ব বুঝেছেন। তার দৈনন্দিন কাজ <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/06/malaysia%E2%80%99s-new-prime-minister-is-a-blogger-and-twitterer/">ব্লগ আর টুইট</a> করা ছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী নাজিব আব্দুল রাজ্জাক <a href="http://www.1malaysia.com.my/index.php">১মালায়শিয়া.কম.মাই</a> সাইটটিকে সৃষ্টি করেছেন এই নেতার সাথে তার এলাকার মানুষের মধ্যে <a href="http://www.1malaysia.com.my/index.php">একটা যোগাযোগের প্লাটফর্ম হিসেবে</a> । প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান হল “১ মালয়েশিয়া: মানুষ আগে, কাজ কর এখনই”।</p>
<p>এর মধ্যে মালয়েশিয়ার গণতন্ত্রপন্থী কর্মীরা তাদের নিজেদের সাইবার প্রচারণা শুরু করেছেন “<a href="http://www.facebook.com/pages/1BLACKMalaysia-Democracy-First-Elections-Now/90393349238">১ব্লাকমালয়েশিয়া: গণতন্ত্র প্রথম, নির্বাচন এখন</a>” নামে। তারা বিশ্বাস করেন যে নতুন নেতা মালয়েশিয়ার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ছোট করেছেন। এই মাসের প্রথম দিকে, এই দল ফেসবুক গ্রুপ আর ব্লগ ঠিক করেছেন মালয়েশিয়াবাসীকে উৎসাহিত করতে যাতে তারা “<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/26/malaysia-%E2%80%9Cwhere-is-democracy%E2%80%9D/">কোথায় গণতন্ত্র?</a>” প্লাকার্ড সৃষ্টি করে ওয়েবে আপলোড করেন ।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়া প্রমাণ করেছে যে জাতীয় সমস্যা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/21/indonesia-online-nationalism/">নেটিজেনদেরকে একত্র</a> করতে পারে। গত মাসের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/17/indonesia-bomb-explosions-at-kuningan-jakarta/">ভয়ংকর বোমা বিস্ফোরণের </a> কয়েক ঘন্টার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার টুইটারকারীরা “আমরা ভীত নই” টুইট পাঠানো শুরু করেন। কয়েক দিন ধরে, <a href="http://search.twitter.com/search?q=%23IndonesiaUnite">#ইন্দোনেশিয়াইউনাইট</a> হ্যাশট্যাগ সব থেকে ব্যস্ত বিষয় হয়ে দাঁড়ায় টুইটারে। প্লার্ক আর ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাদের অবতার (প্রোফাইল ছবি) পরিবর্তন করে ইন্দোনেশিয়ার পতাকার লাল আর সাদা ধারণ করেন। স্থানীয় ব্লগাররা মাইক্রোব্লগিং সাইটের ব্যবহারের সুবিধা বুঝেছেন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে। বিশ্লেষণকারীরা মুগ্ধ ছিলেন যে অরাজনৈতিক তরুণ ইন্দোনেশিয়ানরা অন্যান্য বুদ্ধিজীবী ইন্দোনেশিয়ানদের সাথে মিলিত হয়েছেন জাকার্তার সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানাতে।</p>
<p>এই বছরের শুরুর দিকে ফিলিপিনো প্লার্কাররা মিন্দানাও এর বন্যায় আক্রান্তদের জন্য পেপালের মাধ্যমে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/01/18/philippines-helping-flood-victims-through-plurk-and-blogs/">ত্রাণ সংগ্রহ করেছেন</a> । গত সপ্তাহে মারা যাওয়া ভূতপূর্ব একজন প্রেসিডেন্টকে শ্রদ্ধা জানাতে, টুইটার ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইলের ছবিতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/08/03/philippines-people-mourn-death-of-corazon-aquino/">হলুদ টুইবন</a> যুক্ত করেছেন। অনলাইন আবেদন দেশের ১৯৮৭ এর <a href="http://www.bloggerskapihan.com/2009/07/22/cyberprotest-day-vs-con-ass-sa-hulyo-26-linggo/">সংবিধানের সংশোধনের বিরুদ্ধে</a> হাজার হাজার সই আর সমর্থক যোগাড় করতে পেরেছে, বিশেষ করে <a href="http://www.facebook.com/pilipinaskontraconass">ফেসবুকে</a>।</p>
<p>ভিয়েতনামে আরো বেশী <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/06/19/vietnam-arrests-prominent-lawyer-and-writer/">ইন্টারনেটের স্বাধীনতার</a> জন্য লবির প্রচেষ্টা আর <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/16/cyber-activism-in-vietnam/">প্রচারণা</a> করা হচ্ছে। ওয়েব প্রচারণার সংখ্যা অসংখ্য যেখানে মিয়ানমারের বিরোধী ব্যক্তিত্ব <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/06/05/myanmar-64-words-for-aung-san-suu-kyi/">অং সাং সু কি কে</a> সমর্থন করা হচ্ছে। ব্রুনাই এর ব্লগাররা বিভিন্ন চাঁদা তোলার কার্যক্রম ঠিক করেছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/05/16/bloggers-raise-funds-for-brunei-special-olympics-team/">খেলার দল</a>, <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/25/brunei-fund-drive-for-flood-victims/">বন্যা আক্রান্ত</a> আর পরিবেশ বাদী দলের সুবিধার্থে।</p>
<p>ইন্টারনেটে জাতীয়তাবাদ একটা জনপ্রিয় কিন্তু বিতর্কিত বিষয়। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার রাজনীতিবিদ আর সরকার বিরোধী দল লাগাতার দৃঢ়ভাবে ইন্টারনেটকে ব্যবহার করছেন জাতীয়তাবাদী কার্যক্রম চালানোর জন্য। এই ওয়েবের ব্যাপারটা ততক্ষণ পর্যন্ত ঠিক যতক্ষণ এটা সাধারণ মানুষের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রসারিত আর উন্নত করে। কিন্তু এটা খারাপ যখন এটা জাতীয়তা ভেদ আর ভীতি সৃষ্টি করে।</p>
<p>এটা কু রুচির ব্যাপার যখন রাজনীতিবিদরা ওয়েবকে ব্যবহার করেন তাদের কুকর্ম লুকাতে প্রশ্ন সম্বলিত জাতীয়তাবাদী কার্যক্রম শুরু করে। জাতীয়তাবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রচারের জন্য আন্তরিক ব্যক্তি আর দলের জন্য ইন্টারনেট একটা ভালো মাধ্যম আর প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে । এই অঞ্চলের নেটিজেনদের উচিত না কোন একটা ব্যক্তি কে বিশ্বব্যাপী ওয়েবের সম্ভাবনা কে পরাজিত আর কলুষিত করতে দেয়ার।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/15/5066/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাই: পরিবেশগত সচেতনতা সৃষ্টি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2009 17:14:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2554</guid>
		<description><![CDATA[ক্ষয়িষ্ণু পরিবেশ রক্ষায় ধারাবাহিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে আর্থ আওয়ার ( বৈশ্বিক ঘন্টা) ঘটনা। ব্রুনাইয়ের অনেক ব্লগার আর্থ আওয়ারকে সমর্থন করেছে। কিন্তু এমন অনেকেও আছে যারা এটাকে পরিবেশ সংরক্ষনের একটা যতসামান্য উদ্যোগ বলেই মনে করে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/09/brunei-creating-environmental-awareness/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাম্প্রতিক উদযাপিত <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/04/global-switching-off-the-lights-for-a-sustainable-world/">আর্থ আওয়ার</a> ( বৈশ্বিক ঘন্টা) দেখিয়েছে যে বিশ্বের ধ্বংসোন্মুখ পরিবেশকে ঠিক রাখার প্রয়োজনে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচেষ্টায় সারা বিশ্ব একত্রে নেমেছিল। বিশ্বের জন্য যেন এক নির্বাচনের ডাক এসেছিল। আমার সহকর্মী গ্লোবাল ভয়েস লেখক <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/09/2009/04/03/brunei-joins-earth-hour-for-the-first-time/">নূর হিদায়াহ</a> তার লেখায় বলেন যে, ব্রুনাইয়ের ক্ষেত্রে, অনেক ব্লগারকেই এই উদ্যোগের সমর্থন করতে দেখা গেছে এবং স্থানীয় পত্রিকাগুলো এই ঘটনা নিয়ে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে অনেকে দেখিয়েছে যে ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ একটি অর্জন সেখানে অনেকে আবার মনে করেছে পরিবেশ রক্ষায় এটি খুবই অপর্যাপ্ত একটি কাজ। </p>
<p><a href="http://www.brudirect.com/DailyInfo/News/Archive/Mar09/28/nite02.htm">ব্রু ডাইরেক্ট </a>নামের ব্রুনাইয়ের একটি পত্রিকা আর্থ আওয়ার এর উদযাপনে জনগনের শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণের প্রচেষ্টা নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। যদিও বিভিন্ন কর্পোরেশন যেমন কার ডিলারস, হোটেল এবং ব্যক্তিবর্গ যারা অংশগ্রহণ করেছিল তারা অনুভব করে যে ঐ ঘটনা সম্পর্কে জনগণকে জ্ঞান প্রদানের চেষ্টা সামান্যই করা হয়েছে। </p>
<blockquote><p>“যেখানে গুটিকয়েক লোকদের দ্বারা নেয়া এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ খুবই কাজের ছিল, প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যাপক আয়োজনে ঢাকা পরে গেছে সেগুলো। ব্রুনাই এমন একটি দেশ যা বর্ণিও এর প্রাণকেন্দ্রের এক তৃতীয়াংশ দখল করে আছে এবং আবহাওয়া পরিবর্তন এবং পৃথিবীর বুকে এর ক্ষতিকারক প্রভাব দূরীকরনে বহু পেছনে রয়ে গেছে”</p>
<p>“মক্তব দুলী মুড়া আল-মুহতাদী বিল্লাহ তে যে ১৯ বছর বয়স্ক স্থানীয় ছাত্র অধ্যায়ন করে সে আর্থ আওয়ার বিষয়ে অজ্ঞ রয়ে যায়। যখন তাকে প্রতিবেশী মালয়েশিয়া এবং সিংগাপুরের স্কুলের উদ্যোগের কথা বলা হয়, সে বলে: “তারা কখনই স্কুলে আর্থ আওয়ার বিষয়ে কোন কিছুই জানতে পারেনি এমনকি এটা কি ন্যুনতম তাও।” স্থানীয় সরকারী ঘোষণাও জনগণকে আর্থ আওয়ার ২০০৯ এর গুরুত্ব এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বেশ “অন্ধকারে” রেখেছিল। </p></blockquote>
<p>আশ্চর্যের বিষয় হলো <a href="http://www.bt.com.bn/en/home_news/2009/03/29/ubd_supports_earth_hour">ব্রুনাই দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ আওয়ার সমর্থন করেছিল</a>। </p>
<blockquote><p>“ইউ বি ডি এর স্টাফ মেম্বার কিভাবে জ্বালানী সংরক্ষণ বিষয়ে ছাত্রদের সচেতনতা তাদের পাঠ্যসূচীর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত থাকা উচিৎ তা বলেছেন কারন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এটা প্রয়োজন।” চ্যান্সেলরির সহকারী রেজিষ্ট্রার কেনি লিও বলেছেন যে এটি ইউবিডিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করবে। “আমাদের সম্মুখযাত্রার সেটা একটা ভালো পদক্ষেপ,  কেবল মাত্র শিক্ষার ক্ষেত্রে নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্যও এবং সাথে জনগণকেও সম্পৃক্ত করা”, সে বলে । “আমি মনে করিনা ব্রুনাইয়ের আর্থ আওয়ার স্বচ্ছ ছিল কারন কিছু মানুষ এর পেছনের যুক্তি টা এখনও বোঝেনা। কাউকে এর পেছনের মূল কারনটা আলোকিত করা দরকার এবং আমরা আশা করি ইউবিডি এটা চালু করতে পারে, সে বলে।  </p></blockquote>
<p>অন্য একটি স্থানীয় পত্রিকা, ব্রুনাই <a href="http://www.bt.com.bn/en/home_news/2009/03/27/many_bruneians_indifferent_to_earth_hour_campaign">টাইমস প্রকাশ</a> করেছে যে:</p>
<blockquote><p>বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে যুদ্ধে আর্থ আওয়ার ২০০৯ এ যোগদানের উদ্দেশ্য এবং পন্থা সম্পর্কে অনেক ব্রুনাই বাসী এখনও অন্ধকারে আছে। “বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা গ্রহনের ধারণা বেশ চমকপ্রদ এবং উপযোগী, কিন্তু এর সম্ভাবতা প্রশ্নবিদ্ধ। ”আমি এই বিষয়ে অ্যাস্ট্রোতে একটি বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম কিন্তু সত্য বলতে কি আমার জানা ছিলনা ওটা কি অথবা ওটা কিসের জন্য”, ২৫ বছরের যুবকটি তাই বলে। “আমি মনে করি আমাদের অধিকাংশই খেয়াল করিনা বিধায় জনগণের নিকট তাদের বাতি বন্ধ করে দেয়ার এ আর্জি একধরনের বোকামী। পরিবর্তে বরং সরকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখার ধারণাটাই ভাল”, সে আরও যোগ করে। </p></blockquote>
<p>ব্লগার <a href="http://www.breakingdhabitz.com/2009/03/60-earth-hour-in-brunei.html">হার্ড ব্রেক কিড</a> আর্থ আওয়ার প্রত্যক্ষ করার স্থান নির্দেশ করে যখন <a href="http://hcferris.wordpress.com/2009/03/28/video-earth-hour-2009-brunei/">নেচার নেচার</a> আর্থ আওয়ারে ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণের একটি ভিডিও চিত্র আপলোড করে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/pYVBY8dLiGg&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/pYVBY8dLiGg&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ব্লগার <a href="http://syazwishahif.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">স্ক্রিপ্ট ডেসটিনি</a> বিশ্বাস করে যে আর্থ আওয়ারে যোগদান পরিবেশ রক্ষায় একটি ভোট প্রদান সরূপ:</p>
<blockquote><p>সকল বয়সের, জাতীয়তার, গোত্রের এবং পরিপ্রেক্ষিতের মানুষ এর জন্য তাদের বাতির সুইচ ভোট প্রদানের এক সুযোগ - বাতি নিভিয়ে রাখা বিশ্বের জন্য একটি ভোপ সরূপ অথবা বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য তা জ্বালিয়ে রেখে দেয়া। </p></blockquote>
<p><a href="http://dencorp.blogspot.com/2009/04/earth-hour-2009-in-review.html">ডেনকর্প</a> খেয়াল করেছেন আর্থ আওয়ার ব্রুনাইয়ের জন্য একটি অসফলতা। </p>
<blockquote><p>সর্বোপরী আর্থ আওয়ার পুরোমাত্রায় ব্রুনাইতে অকার্যকর হয়েছে। কোন সমর্থন ছিলনা। বয়স্ক নাগরিকরা পুরো বিষয়টাই বোঝেনি। যুবকরা খেয়াল না করে পারেনি। </p></blockquote>
<p><a href="http://slay3rzz.blogspot.com/2009/03/earth-hoursave-electricity-save-earth.html">স্লে৩আরজেডজেড</a> আর্থ আওয়ারের বিস্তারিত মানে তুলে ধরেছে:</p>
<blockquote><p>“ এই গণসংযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থ আওয়ারের বাইরে জ্বালানী সমৃদ্ধতা বজায় রাখা, বৈশ্বিক গ্রীন হাউস গ্যাস কমানোতে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে প্রতিদিন সামান্য কাজ করা ।</p></blockquote>
<p><a href="http://z-fame.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">জেড-ফেম</a> ব্রুনাইয়ের আর্থ আওয়ারে যোগদানের ঘটনায় বিস্মিত হয়েছে। <a href="http://chatlepak.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">সিম্পিলিস্ট</a> এই ঘটনায় ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ বিশ্বে এর সম্মান বাড়াবে। </p>
<blockquote><p>আমরা বিশ্বকে দেখাতে পারি আমরাও কিছু করতে পারি। তখন হয়তো ব্রুনাইয়ের লোকজন যে গাছে বাস করে এই ধরনের ধারণা দূরীভূত হবে। ”</p></blockquote>
<p><a href="http://www.the-green-campaign.blogspot.com/">গ্রীণ ক্যাম্পেইন</a> প্ল্যাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে পুন:ব্যবহারযোগ্য ব্যাগের ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমানোর উপায় সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। গ্রীণের কিছু কিছু উদ্যোগ ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে কিন্তু খুব বেশীজন তার পক্ষে নেই। অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট এবং খাবারের দোকানে পুন:ব্যবহার যোগ্য কন্টেইনার এর পরিবর্তে স্টাইরোফোমস কন্টেইনার ব্যবহার করা হয়। তারা পুন:ব্যবহারযোগ্য কেনাকাটার ব্যাগও ব্যবহার করে। জনগণের উপর অনেক উদ্যেগ প্রয়োগ করা হলেও, সেগুলোর ব্যবহারে লভ্যাংশের অভাব খদ্দেরদেরকে বাড়ী চলে যেতে বাধ্য করে। </p>
<p>ব্যক্তিগতভাবে, আমি সেটার ব্যবহার করেছি কিন্তু সব সুপারমার্কেট সেটাকে স্বাগতম জানায়নি। আমাকে দোকানের ভেতর ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার কারনে বড় একটা সুপার মার্কেটের একজন নিরাপত্তা কর্মী আটকে দেয়। সুপারমার্কেটের স্টাফ সংঘের মাঝে যোগাযোগ এর অভাবে এই ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। আবার অনেক সুপারমার্কেটে খদ্দের হারানোর ভয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে প্রবেশকে বাধা দিতে চায় না।</p>
<p>আর্থ আওয়ার ঘটনাটি ধ্বংসোন্মুখ পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা  বিষয়ে ধারাবাহিক সচেতনতার প্রয়োজনকেও তুলে ধরেছে। অনেক উদ্যোগই আছে যা তুলে ধরার জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষ বা এনজিওর জন্য অপেক্ষায় না থেকে সাধারণ জনগণের দ্বারাই গ্রহণ সম্ভব।</p>
<p><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/60-earth-hour-5.jpg" class="aligncenter" width="400" height="267" /></p>
<p><em>আর্থ আওয়ারের সময় ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রথমবারের মত আর্থ আওয়ার পালন করল ব্রুনাই।</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/08/2220/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/08/2220/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Apr 2009 11:29:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2220</guid>
		<description><![CDATA[একেবারে প্রথমবারের মত ব্রুনাইয়ের  বৈশ্বিক ঘন্টাকে সমর্থন করার সিদ্ধান্তকে অনেক ব্লগার প্রশংসিক করেছে। নূর হিদাইয়াহ ব্রুনাইয়ের ব্লগারদের পতিক্রিয়া একত্রিত করেছে এবং খেয়াল করেছে বৈশ্বিক ঘন্টার সময় পৃথক ব্যক্তি বা ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান এর অংশগ্রহণ। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/noor-hidayah/">নূর হিদাইয়াহ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/03/brunei-joins-earth-hour-for-the-first-time/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সবচেয়ে বেশী কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনে ব্রুনাই ২০০৪ সালে <a href="http://www.brudirect.com/DailyInfo/News/Archive/Feb08/060208/nite01.htm">বিশ্বের মধ্যে ৬ নম্বরে</a> ছিল। প্রতি ১০০০ জনের অনুপাতে যাত্রীবাহী গাড়ীর আধিক্যের দিক দিয়েও ব্রুনাই ৩য় স্থানে আছে যা কিনা প্রায় ৫৫০। তাছাড়া, জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রকল্পের বার্ষিক মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে গতবছর ব্রুনাইকে তুলনামূলকভাবে গড়ে উচ্চহারে জ্বালানী শক্তি ব্যবহারকারী দেশ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা কিনা প্রতিজনে ৮৮৪২ কিলোওয়াট-ঘন্টা বিদ্যুৎ। তাই ব্রুনাই যখন গত মার্চের ২৮ তারিখে <a href="http://www.earthhour.org/">আর্থ আওয়ার (বৈশ্বিক ঘন্টা)</a> পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেটা ছিল সবচেয়ে সঠিক। এটি ছিল এই উদ্যোগে ব্রুনাইয়ের প্রথম অংশগ্রহণ।</p>
<p>আর্থ আওয়ার (বৈশ্বিক ঘন্টা) উদযাপনের পূর্বে শুক্রবারের খুৎবা দেয়ার সময়, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Imam">ইমাম</a> প্রকৃতিবিজ্ঞান নিয়ে কথা বলছিলেন এবং বলছিলেন তা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা। ব্রুনাইতে সকল <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Masajid">মসজিদে</a> সব শুক্রবারের খুৎবা একইরকম। <a href="http://bruneiresources.blogspot.com/search?updated-max=2009-03-29T06%3A48%3A00%2B08%3A00&amp;max-results=5"><em>ব্রুনাই রিসোর্স</em></a> এই খুৎবা বিষয়ে ব্লগে তার উল্লেখ করেছে:</p>
<blockquote><p>কিরানাস মসজিদের ইমাম আজকের খুৎবা পাঠ করতে বেশ পরিশ্রম করেছেন। তা অবশ্যই <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jawi_script">জাওই</a> তে লেখা হয়েছিল এবং আধুনকি সব শব্দে ভরপুর ছিল। আজকের খুৎবার বিষয় ছিল প্রকৃতিবিজ্ঞান। আমার মনে হয় মসজিদের অনেকেই আজকে মসজিদ ত্যাগের সময় ভ্রু কুচকিয়েছে। শুক্রবারের খুৎবায় প্রকৃতিবিজ্ঞান কথার উল্লেখ প্রায়ই তো আর শোনা যায়না। কিন্তু যাইহোক না কেন, প্রকৃতিবিজ্ঞান এবং পরিবেশ সম্পর্কে আলোচনা অবশ্যই আনন্দদায়ক। আমাদের সকলকেই প্রকৃতি এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। </p></blockquote>
<p>অনেক সংখ্যক ব্লগাররা ব্রনাইয়ের বৈশ্বিক ঘন্টায় যোগদানের বিষয়ে তাদের আগ্রহ সবার কাছে তুলে ধরেছে, এবং অন্যদেরকেও তাদের ভাগের ভূমিকা পালন করার জন্য আর্জি পেশ করেছে।</p>
<p><em>আরিয়াতি মুনীরাহ</em> এই ঘটনায় অংশ নেয়ার <a href="http://rytmnrh.blogspot.com/2009/04/fools-errand.html">যৌক্তিকতা প্রকাশ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>&#8230;সকল প্রকার দূষণ এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার উপর আমরা একা কোন প্রভাব ফেলতে পারবনা, কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমি নিশ্চিত যে কিছুটা হলেও ভাল পরিবর্তন আমরা ঘটাতে পারব। </p>
<p>আমি বুঝিনা&#8230; কিভাবে কিছু লোক এই ব্যাপারে এত অজ্ঞ থাকে। জুনইয়ান আমার কাছে নালিশ করেছিল যে ‘আমার দেশের বাড়ী&#8230;উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছিল! পুরোটা সময়! (*লজ্জা* হে মানব, তুমি কি অংশগ্রহণ&#8230;)</p></blockquote>
<p>অপ্রত্যাশিতভাবে, ব্রুনাইয়ের বেশকিছু বিখ্যাত এলাকা যেমন গাডং এবং বন্দর সেরি বেগওয়ান অঞ্চলে উজ্জ্বল আলো জ্বলতে দেখা গেছে যা <a href="http://outlineoflove.blogspot.com/2009/03/too-little-too-late.html">হ্যাডিও</a> উল্লেখ করেছেন:</p>
<blockquote><p>আজকে বৈশ্বিক ঘন্টার দিন সে কারনে আমরা গাডং গিয়েছিলাম কি অবস্থা দেখার জন্য। আমরা সেখানে পৌঁছেছিলাম আনুমানিক বিকেল ৬টায় এবং অপেক্ষা করেছিলাম ২ ঘন্টার মত! কিছুই ঘটেনি। গাডং আশানুযায়ী অন্ধকারে ডুবেও যায়নি। হয়তো সামান্য কিছু কমেছিল কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না! তাই আমরা বন্দরে দেখতে গিয়েছিলাম। বন্দরও আঁধারে ঢাকেনি। কিন্তু একটি ক্যাফে বৈশ্বিক ঘন্টা দিবসের সাথে সহযোগীতা করেছিল। তার নাম কফিবিয়ান! এই উদযাপনে অংশগ্রহণের কারনে আমি কফিবিয়ানের উপর গর্বিত। ফাতহুল বলেছে যে কফিবিয়ানে কাজ করার জন্য সে গর্বিত! হাহাহা. আমি মনে করি ব্রুনাই এতটা সহযোগী মনোভাবের নয়। শুরু কর! এটা কেবল মাত্র ১ ঘন্টার জন্য। কেন এটা এত কঠিন মনে হচ্ছে?</p></blockquote>
<p><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/coffeebean.jpg" class="aligncenter" width="400" height="300" /><br />
<em>বন্দর সেরি বেগাওয়ান এর কফিবিয়ান। হেডির তোলা ছবি।</em></p>
<p>কৌতুক করে <a href="http://chatlepak.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">টিও</a> পরামর্শ দিয়েছিল যে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উচিৎ সকলের বিদ্যুৎ সরবরাহ এক ঘন্টার জন্য  বন্ধ রাখা, কিন্তু ভয় ছিল এটা জনগণকে রাগান্বিত করতে পারতঃ</p>
<blockquote><p>আমরা ব্রুনাইয়ে আছি যা একটি ছোট দেশ কিন্তু আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই আমরা কিছূ করতে পারি। তখন, হয়তো ব্রুনাইয়ের মানুষ গাছে বাস করে এই ধরনের ভ্রান্তি বিদুরীত হতো। এস্ট্রো চ্যানেলে [মালেশিয়ার স্যাটেলাইট টিভি সরবরাহকারীদের টিভি চ্যানেল] বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার [বৈশ্বিক ঘন্টা] বিজ্ঞাপন দেখেছিল অনেকেই, কিন্তু জানে না সেটা কি? কেউ কেউ পরামর্শ দিয়েছিল যে কোন স্বেচ্ছা অংশগ্রহনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ ১ ঘন্টার জন্য বন্ধ করা, কিন্তু সেটাই হয়তো লোকজনকে পাগল করে দেবে! </p></blockquote>
<p>কিভাবে ব্রুনাইয়ের প্রথমসারির হোটেলগুলোর মধ্যে একটি পরিবেশে ৪০০০ মোমবাতি পোড়ানোর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অসচেতন থাকতে পারে তা ভেবে <a href="http://www.bruneiclassified.com/newhys/2009/03/30/burn-4000-candles-for-earth-hour-at-the-empire-hotel/">সেভ আর্থ</a> উদ্বিগ্ন। একটি ফোরাম এ ব্লগাররা লিখেছে:</p>
<blockquote><p>সম্প্রতি আমাদের দেশ বার্ষিক আন্তর্জাতিক বৈশ্বিক ঘন্টা উদযাপনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং বিশেষভাবে একটি বিষয় আমাকে ভাবিয়েছিল&#8230; এই উদযাপনের জন্য এম্পায়ার হোটেলে ৪০০০ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কি প্রকৃতপক্ষে আমাদের বিশ্বকে কোনভাবে উপকৃত করে?</p>
<p>বিশেষকরে প্যারাফিন মোম থেকে তৈরী কেবল একটি মাত্র মোমবাতিই গ্রীন হাউস নিঃসরণের থেকে ১০গুন বেশী ক্ষতি করে থাকে বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালানোর সাথে তুলনা করলে। যদি আমরা মনে করি বাতি সব নিভিয়ে দেয়া এবং হাজার হাজার মোমবাতি জ্বালানোর মাধ্যমে আবহাওয়ার উন্নতি সম্ভব, ঠিক আছে আবার ভাব। আমরা আসলে এর মাধ্যমে আরও বেশী ক্ষতি করছি। </p>
<p>প্রথমে আনো বিজ্ঞান, যৌক্তিকতা এবং শিক্ষা। বৈশ্বিক ঘন্টা বিষয়টির মূল ধারণা হচ্ছে সকল বাতি বন্ধ করে দেয়া যাতে বৈদ্যুতিক শক্তি সংরক্ষণ হয়। বৈশ্বিক ঘন্টাকে প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় পর্যবসিত করাও অপ্রয়োজনীয় ।</p>
<p>বৈশ্বিক ঘন্টার আয়োজকরা আসলে ঘটনার সময় আবহাওয়ার স্বাথে মোমবাতিও জ্বালাতে নিষেধ করেছিল। আশাকরি আমাদের দেশ পরবর্তীতে অংশগ্রহনের সময় এটা অনুধাবন করবে। </p></blockquote>
<p><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/empire-1.jpg" class="alignnone" width="225" height="150" /><br />
<em>বৈশ্বিক দিনে এম্পায়ার হোটেল। ছবি তুলেছেন জনাব প্যাটচিওমি</em></p>
<p><a href="http://bruneiresources.blogspot.com/search?updated-max=2009-03-29T06%3A48%3A00%2B08%3A00&amp;max-results=5">ব্রুনাই রিসোর্স </a>উল্লেখ করেছে যে অন্যান্য আরও লক্ষ্যের মধ্যে বৈশ্বিক ঘন্টার প্রধান লক্ষ্য হলো জ্বালানী সংরক্ষণের এবং বিশ্বকে যত্ন করার গুরুত্বের উপর সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া:</p>
<blockquote><p>আমি পড়েছি, এক ঘন্টার বাতি বন্ধ প্রকৃতপক্ষে জ্বালানী শক্তি বাঁচাবে না। কিন্তু এটার কাজ হচ্ছে প্রত্যেককে তার প্রয়োজন সম্বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সচেতন করা এই বিষয়ে যে ঠিক কতটা জ্বালানী আমরা ব্যবহার করি। </p></blockquote>
<p><a href="http://august13th.wordpress.com/2009/03/31/vote-earth-the-earth-hour-chicken/">অগাষ্ট ১৩তম</a> এর মতে, তার কনিষ্ঠ সন্তানের কাছে অবশ্যই সচেতনতা পৌঁছে গেছে:</p>
<blockquote><p>এক ঘন্টার অন্ধকার কি অর্জন করতে পারে, সাইনিস বলেন। আমি বলি, ব্যাপক।</p>
<p>৮:২৮ মিনিটে খুবই হৃদয়নাড়ানো দৃশ্য ছিল। এই যে আমার ছোটশিশুর দল (চাচাত মামাত ভাইবোনেরা, যাদের বয়স ৭ থেকে ১৬) ঝড়ের বেগে রান্নাঘরে দৌড়ে গেলো একঘন্টার জন্য সকল বাতি বন্ধ করার দাবী নিয়ে। আশ্চর্যজনক! <strong>এখন</strong>, <em>এইসব তরুনদের মধ্যে এই ধরনের সচেতনতা অমূল্য</em>।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/08/2220/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাই: বন্যা দুর্গতদের জন্য অর্থ সংগ্রহ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1755/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1755/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 28 Feb 2009 19:26:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1755</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসেনর পাবলো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
গত মাসের প্রচন্ড বৃষ্টিপাত বেশ বন্যা আর ভুমিধ্বস সৃষ্টি করেছে দেশে। দেশের চারটা জেলায় ২০০টিরও বেশী পরিবারের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সম্পত্তি আর কৃষিক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে সবাই একসাথে এসেছে কম ভাগ্যবানদের সাহায্যের জন্য যারা প্রাকৃতিক দূর্যোগে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/25/brunei-fund-drive-for-flood-victims/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত মাসের <a href="http://globalvoicesonline.org/specialcoverage/floodings-in-asia-pacific-islands-2009/">প্রচন্ড বৃষ্টিপাত</a> বেশ <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/06/brunei-more-rain-flashfloods-and-landslides/">বন্যা আর ভুমিধ্বস</a> সৃষ্টি করেছে দেশে। দেশের চারটা জেলায় ২০০টিরও বেশী পরিবারের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সম্পত্তি আর কৃষিক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে সবাই একসাথে এসেছে কম ভাগ্যবানদের সাহায্যের জন্য যারা প্রাকৃতিক দূর্যোগে আক্রান্ত হয়েছেন।</p>
<p>২০০৯ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধ্বসে আক্রান্তদের সাহায্যের জন্য একটা পাবলিক ফান্ড তৈরি করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ে। আক্রান্তরা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে সহজে তার কিছু ব্যবস্থা করা এর লক্ষ্য। জাতীয় ফান্ড বন্যা আর ভূমিধ্বস আক্রান্তদের সাহযার্থে তৈরি এই ফান্ডে অর্থ জোগাড়ের জন্য বিভিন্ন চ্যারিটির আয়োজন করা হয়েছে সাম্প্রতিক সপ্তাহে। কিভাবে স্থানীয় লোকেরা ক্রমাগত একে অপরকে সাহায্য করছে তার উদাহরণ এটি। <em>মাসিয়ারাকাত পেরিহাতিন</em> একটা মালয় কথা যার মানে যত্নশীল সমাজ।</p>
<p>উদাহরণস্বরুপ, অর্কিড গার্ডেন হোটেল একটা কাপ কেক চ্যারিটি শুরু করে। এই হোটেল ২০০০টি কাপ কেক বিক্রি করতে সমর্থ হয়। তারা গর্ব সহকারে ২৫ স্তরের একটা কেক দেখায় যা ২৫০ কেজি কাপকেক দিয়ে তৈরি। পুরো জিনিষটা ছিল সাত ফুট বাই সাত ফুট চওড়া আর ১৬ ফুট লম্বা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 278px"><img alt="ছবি স্ট্রিক্টলি বিউটিফুল এর সৌজন্যে" src="http://4.bp.blogspot.com/_1GjoOO6boOI/SaNFOawVTeI/AAAAAAAABBo/1P9rHSK_CLo/s400/ogh.jpg" title="কাপ কেক" width="268" height="400" /><p class="wp-caption-text">ছবি স্ট্রিক্টলি বিউটিফুল এর সৌজন্যে</p></div>
<p><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/cupcake.jpg" title="কাপ কেক" class="alignnone" width="400" height="267" /></p>
<p><a href="http://www.ranoadidas.com/?p=1782">রানো অ্যাডিডাস</a> কাপকেক চ্যারিটি নিয়ে রিপোর্ট করেছেন আর আর একটা তহবিল সংগ্রহ অভিযান যা স্থানীয় একটা জনপ্রিয় খাবার নাসি লেমাকের ৯০০টা কুপন বিক্রি করতে সক্ষম হয়:</p>
<blockquote><p>অকির্ড গার্ডেন হোটেলে কাপকেক চ্যারিটি ২০০০ কাপকেক বিক্রি করতে সমর্থ হয়। এটা বিষ্ময়কর সংখ্যা। আর একটা চ্যারিটি আযোজন করা হয়েছিল <a href="http://dotherofficecafebistro.blogspot.com/">দো আদার অফিস ক্যাফে আর বিস্ট্রোতে</a>, যেখানে ডিমের কেক এর সাথে নাসি লেমাকের (স্থানীয় নারকেল দুধে রান্না করা ভাতের ডিশ) প্রায় ৯০০ কুপন  বিক্রি হয় যা জনগণের কাছে বিক্রি করা হয়।</p></blockquote>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 409px"><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/eggchar.jpg" title="চ্যারিটি" width="399" height="257" /><p class="wp-caption-text">ছবি রানো অ্যাডিডাসের সৌজন্যে</p></div>
<p><em>আনাকব্রুনাই</em> চ্যারিটি ফুটবল অনুষ্ঠান নিয়ে <a href="http://anakbrunei.org/2009/02/14/football-for-a-worthy-cause-2">রিপোর্ট করেছেন</a> যেখানে ১০০,০০০ ব্রনাই ডলার সগ্রহ করা হয়:</p>
<blockquote><p>ডিপিএমএম এফসি আর এফেফবিডি ১১ এর মধ্যকার খেলাটি আয়োজন করে <a href="http://bruneiresources.blogspot.com/2009/01/football-federation-of-brunei.html">ব্রুনাই দারুসসালামের ফুটবল ফেডারেশন</a>। সমস্ত অর্থ (আমার জানামতে প্রায় ১ লাখ ব্রুনা‌ই ডলার) বন্যা ও ভুমিধ্বস আক্রান্তদের ফান্ডে দান করা হবে।</p></blockquote>
<p><img alt="" src="http://anakbrunei.org/wp-content/uploads/2009/02/img-9187.jpg" title="চ্যারিটি" class="alignnone" width="469" height="320" /></p>
<p>উপরের ছবি দেখাচ্ছে ডিপিএমএম ফুটবল ক্লাবের চেয়ারম্যান মান্যবর ক্রাউন প্রিন্স (রাজকুমার) ফুটবল চ্যারিটি থেকে সংগ্রহকৃত অর্থ বন্যা ও ভুমিধ্বস আক্রান্তদের ফান্ডের চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দিচ্ছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/28/1755/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাই: বিশ্বভ্রমণের লক্ষ্যে অভিযান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1673/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1673/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Feb 2009 00:39:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1673</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসেনর পাবলো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
বিশ্বের অন্যান্য নাগরিকের মতো, ব্রুনাইয়েও এমন লোকের অভাব নেই যারা দেশের নাম বিশ্বের লোকের কাছে তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিতে এগিয়ে আসে। বর্তমানে উল্লেখযোগ্য দুটো বিশ্ব ভ্রমণ হচ্ছে:
১) পোলার গার্লস (মেরুর মেয়েরা)

পোলার গার্লসদের সাথে ব্লগার, ছবি রানো অ্যাডিডাসের সৌজন্যে।
রানো অ্যাডিডাস জানিয়েছেন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/brunei-global-expeditions/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বের অন্যান্য নাগরিকের মতো, ব্রুনাইয়েও এমন লোকের অভাব নেই যারা দেশের নাম বিশ্বের লোকের কাছে তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিতে এগিয়ে আসে। বর্তমানে উল্লেখযোগ্য দুটো বিশ্ব ভ্রমণ হচ্ছে:</p>
<p>১) পোলার গার্লস (মেরুর মেয়েরা)</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/bara2.jpg" alt="The Polar Girls" /><br />
<em>পোলার গার্লসদের সাথে ব্লগার, ছবি <a href="http://www.ranoadidas.com/">রানো অ্যাডিডাসে</a>র সৌজন্যে।</em></p>
<p><em>রানো অ্যাডিডাস</em> জানিয়েছেন পোলার গার্লস বলে পরিচিত দুই মহিলার জন্য অর্থ তোলার জন্যে আয়োজিত <a href="http://www.ranoadidas.com/">ওয়াকাথন সম্বন্ধে</a>। এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে তাদের নরওয়েতে গিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যয় বহনের জন্য যেখানে তাদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচিত হবেন সাতটা দেশের অংশগ্রহণকারীদের সাথে <a href="http://www.commonwealthexpedition.com/">কমনওয়েলথ মহিলাদের অ্যান্টার্কটিক ভ্রমণের অভিযানের</a> জন্য। ব্রুনাই, সাইপ্রাস, ঘানা আর জামাইকার মহিলারা তাদের দেশ থেকে প্রথম মহিলা হিসেবে দক্ষিণ মেরুতে স্কি করে যাবেন। তারা তুষার ঝড়, হিমবাহের ফাঁক আর শুন্যের নীচে ত্রিশ (-৩০) ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচের তাপমাত্রার চ্যালেন্জের সম্মুখীন হবেন যখন তারা ৮০০ কিমি এর বেশী স্থান স্কি করে অ্যান্টার্কটিকার উপর থেকে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুতে যাবেন। ভ্রমণের আনুষ্ঠানিকভাবে আরম্ভ হবে ২০০৯ সালের মার্চের ১০ তারিখে।</p>
<blockquote><p>ডিকে আনিজা বর্তমানে বেডফোর্ড হাইস্কুলের তার পড়ালেখা থেকে বিরতি নিচ্ছেন এই অভিযানের জন্য। এই ছাত্রী. যার লক্ষ্য &#8216;ইন্ডিয়ানা জোন্সের এশিয়ান সংস্করণ&#39; হওয়া. বলেছেন যে শুধুমাত্র ব্রুনাইকে মহিমান্বিত করার জন্য না বরং ইতিহাস রচনার জন্য আর বিশ্বব্যাপী পরিচিত এই অভিযানে অংশগ্রহণের জন্য এতে যেতে চাচ্ছেন।</p>
<p>ডিকে নাজিবাহ এরাদাহ (২৫) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সরকারী কর্মকর্তা। আগে তিনি একটা সেকেন্ডারী স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন তিন বছরের জন্য। এরাদাহ আশা করেন যে এই ভ্রমণে তার অংশগ্রহণের ফলে ব্রুনাইতে বিশ্ব উষ্ণায়ন আর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সচেতনতা আসবে। </p></blockquote>
<p>২) <a href="http://www.overthehorizon.net/adventure_dream.html">দিগন্তের ওপারে</a></p>
<p><img src="http://www.overthehorizon.net/images/port3.jpg" alt="Over the Horizon" /></p>
<p>ব্রুনাইএর স্বাধীনতার ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের লক্ষ্যে স্বামী-স্ত্রীর একটা দল, হারুন ও নোরহায়াতি একটা মহাকাব্যিক ভ্রমনে যাবেন মার্চ ২০০৯ থেকে অক্টোবর ২০১০ পর্যন্ত। তারা সাইবেরিয়া/ রাশিয়া/মঙ্গোলিয়া আর কাজাকিস্থান/ ইরান/ সিরিয়ার উপর দিয়ে ইউরোপের পথে, ইংল্যান্ডে পৌঁছাবেন ২৫,০০০ কিমি পথ অতিক্রম করে। তারা দক্ষিণমুখী যেতে থাকবেন ফ্রান্স, স্পেন আর মরোক্কো হয়ে আর আফ্রিকার দক্ষিণের তীর দিয়ে দক্ষিন আফ্রিকার কেপ টাউন পর্যন্ত। সেখান থেকে, তারা তাদের ভ্রমনের জিনিষ জাহাজে পাঠাবেন ব্রুনোস আয়ার্স আর্জেন্টিনায়। সেখান থেকে নীচে নেমে অ্যান্টার্কটিকার আগের শেষ শহর উশুয়ায় গাড়ি করে যাবেন আবার আমেরিকা পাড় হবেন দীর্ঘ পথে আলাস্কা পর্যন্ত। শেষে ব্রুনাইতে ফিরবেন অক্টোবর ২০১০ এ।</p>
<p><img src="http://www.overthehorizon.net/images/kenya-slipers.jpg" alt="over the horizon" /><br />
<em>ছবি ওভার দ্যা হরাইজনের সৌজন্যে</em></p>
<p>নোরহায়াতি আর হারুন বিশ্ব ভ্রমনে আনকোরা না যেহেতু তারা ২০০৭ সালে একটা আফ্রিকা পরিভ্রমণে যাত্রা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অস্ট্রিয়া পর্যন্ত। নোরহায়াতি <a href="http://http//www.bt.com.bn/en/home_news/2008/08/20/bruneis_first_women_achievers_feted">প্রথম ব্রুনাইবাসী ছিলেন</a> যিনি ১৯৯৯ সালে একটি চার চাকার গাড়ীতে মধ্য প্রাচ্য, ইউরোপ থেকে উত্তর আফ্রিকা পর্যন্ত ২১,০০০ কিমি এবং ১৩টি দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি স্থানীয় পাঁচ মহিলার একটা দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আফ্রিকায় কিলিমাঞ্জারো পর্বত জয়ের অভিয়ানে। ২০০১ সালে তারা এশিয়ার প্রথম দল বিশ্বে সব থেকে উচুঁ আগ্নেয়গিরি পর্বতে আরোহনে সমর্থ হয়। এই অভিযানটি হয়েছিল &#8216;ব্রুনাইতে আসুন&#39; বছরকে নির্দেশ করতে।</p>
<p>আপনাদের সৌভাগ্য কামনা করছি এবং আশা করি আপনারা দেশকে গর্বিত করবেন!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1673/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণপূর্ব এশিয়া: বন্ধুত্বের আর স্বপ্নপূরণের জাহাজ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/17/1560/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/17/1560/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 17 Jan 2009 21:39:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভিয়েতনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মালয়েশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মায়ানমার (বার্মা)]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1560</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসেনর পাবলো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
একটি বিলাসবহুল ক্রুজ লাইনারে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া দেশের সংগঠন (আসিয়ান) আর জাপান থেকে প্রায় ৩০০ জন প্রাণবন্ত তরুণকে জড়ো করেন, তাদেরকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয় আর সামাজিক যোগাযোগে সংযুক্ত করেন। ফলাফল: শক্ত একটা বন্ধন আর সারা জীবনের বন্ধুত্ব। এটা দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ইয়ুথ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/01/16/ms-nippon-maru/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>একটি বিলাসবহুল ক্রুজ লাইনারে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া দেশের সংগঠন (আসিয়ান) আর জাপান থেকে প্রায় ৩০০ জন প্রাণবন্ত তরুণকে জড়ো করেন, তাদেরকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয় আর সামাজিক যোগাযোগে সংযুক্ত করেন। ফলাফল: শক্ত একটা বন্ধন আর সারা জীবনের বন্ধুত্ব। এটা দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ইয়ুথ প্রোগ্রামের(এসএসইএওয়াইপি) জাহাজের গল্প। আসিয়ান দেশসমুহ আর জাপানের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ার লক্ষ্যে <a href="http://bpy2008.wordpress.com/2009/01/05/nippon-maru-a-home-to-me/">এম.এস. নিপ্পন মারুতে</a> &#8216;প্রোগ্রাম কাপাল্বেলিয়া এশিয়া টেংগারা&#39; চলছে যার ব্যয় বহন করছে জাপান সরকার।</p>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3287/3132776574_e82e6f5402.jpg?v=0" width="380" /><br />
গত বছরের ৩৫ তম এসসিয়াপ এ অংশগ্রহনকারীদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি ব্লগ <a href="http://bpy2008.wordpress.com/"><br />
বিপিওয়াই ২০০৮</a> অনুসারে এটি একটি বাৎসরিক তরুণদের প্রোগ্রাম যা চেষ্টা করে:</p>
<blockquote><p>&#8220;জাপান আর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার তরুণদের মধ্যে বন্ধুত্ব আর পারষ্পরিক সমঝোতা বাড়ানো যাতে বিশ্ব সম্পর্কে তাদের দৃষ্টি প্রসারিত হয়, আর তার সাথে প্রেষণা দেয়া যাতে তারা নিজের দেশকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে পারস্পরিক আলোচনায় লিপ্ত হতে পারে। এছাড়াও জাহাজের উপর বিভিন্ন দেশের মধ্যে বা যেসব দেশে ভ্রমণ করা হবে সেসব দেশের মধ্যেও পারস্পরিক আদান প্রদানে উৎসাহ দেয়া হয়।&#8221;</p></blockquote>
<p>জাহাজে অবস্থানরত তরুণ-তরুণীরা আলোচনা, বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রম, নিজের দেশকে উপস্থাপন, বক্তৃতা দেয়া এবং শোনা এবং নানা সামাজিক কার্যক্রমে লিপ্ত হয়। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার যেসব দেশে জাহাজটি ভিড়ছে সেসব দেশে তাদের নিজস্ব দেশের ছোট দুত হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। এদের কেউ কেউ সেসব দেশে কিছু দিন থেকে স্থানীয় তরুণ তরুণীদের সাথে সাংস্কৃতিক ও বন্ধুত্বের বন্ধন তৈরি করে।</p>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3211/3131847283_5a60e33ebf.jpg?v=0" width="380"/></p>
<p>ব্রুনাইয়ের একজন অংশগ্রহণকারী <a href="http://maurina.wordpress.com/">টারকয়েস এন্ড রোজেজ</a> জাহাজে ৫২ দিনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন। তার কথায় এই অভিজ্ঞতা ছিল খুবই ফলপ্রসু:</p>
<blockquote><p>আমরা খুবই ভাগ্যবান ছিলাম এই প্রোগ্রামের জন্যে নির্বাচিত হয়ে। যোগ্য লোকদের নির্বাচনের উপর জোর দেয়া হয়েছিল এবং এই জাহাজের উদ্দেশ্য ছিল জানা। এতে যোগদান করার পর আমার মনে হয়েছে যে অনেক বন্ধু তৈরি হয়েছে, অনেক বন্ধন জুড়েছে।
</p></blockquote>
<p>এই ব্লগার বলছেন যে এই ভ্রমণ তার জীবনে বেশ প্রভাব ফেলেছে। তিনি <a href="http://maurina.wordpress.com/2009/01/09/quickpost-officially-mapy-sick/">মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে</a> তার সহপ্রশিক্ষণার্থীর কাছে ব্যাক্তিগত ভ্রমণে গিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি সরকারী ভ্রমণেও গিয়েছেন যার ফলে তার বেশ অনেকের সাথে চেনাজানা হয়:</p>
<blockquote><p>এই প্রোগ্রামে না আসলে হয়ত <a href="http://maurina.wordpress.com/2008/12/29/in-retrospect-vietnam-ho-chi-minh-the-city-of-love/">ভিয়েতনামীজ</a> ফ্যাক্টরির মালিকদের সাথে কোনদিনই দেখা হত না। কে জানে&#8230;হয়ত কোনদিন আমার কোন উদ্যোক্তাকে দরকার পরল তাহলে আমি জানব যে কাকে ফোন করতে হবে। আমার তরুণ উদ্যোক্তা বন্ধুরা এই প্রোগ্রামের এই সুবিধা নিয়ে খুশী। </p>
<p>এছাড়াও বাড়ীতে থাকার আয়োজনও বেশ উল্লেখযোগ্য ছিল। <a href="http://bpy2008.wordpress.com/2008/12/23/homestay-in-depok-indonesia-141108/">ইন্দোনেশিয়ায়</a> সে একজন রাজনীতিবিদের বাসায় ছিল যিনি তার স্বামী মারা যাবার পর সন্তানকে একলা মানুষ করেছেন। <a href="http://maurina.wordpress.com/2009/01/03/in-retrospect-bangkok-thailand/">ব্যাংককে</a> গৃহকর্তা ছিলেন একটি থাই ব্যান্কের মালিক একজন ধনী ব্যক্তি যিনি তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন।</p>
<p>আমি কখনও চিন্তা করিনি এই প্রোগ্রাম ছাড়া এই সমস্ত বন্ধুদের সাথে পরিচিত হব। একে ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে। যদি সম্ভব হত তাহলে সবাই প্রতিদিন একসাথে হতাম। আমরা গত ৬-৭ মাস একসাথে থাকার পরও আমাদের গল্প বলে শেষ করতে পারব না।</p></blockquote>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3101/3124199496_fb9fc73fc6.jpg" width="380"/><br />
<em>এম এস নিপ্পন মারু শেষ বারের মত তীর ছেড়ে যাচ্ছে।</em></p>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3085/3132927964_5d412896a7.jpg?v=0" width="380"/></p>
<p>১৯৮০ সালের প্রথম দিক থেকেই পর্যবেক্ষক হিসেবে ব্রুনাই এই প্রোগ্রামে যুক্ত হয় এবং পরে মূল অংশগ্রহণকারীর মর্যাদা পায়। প্রত্যেক দেশকেই মোট ২৮জন অংশ্রগ্রহণকারীদের কোটা দেয়া হয় যার মধ্যে ১৪ জন তরুণ, ১৪ জন তরুণী এবং একজন জাতীয় নেতা। তবে প্রত্যেক দেশের জন্যেই ভিন্ন নিয়ম রয়েছে। ব্রুনাইতে যোগ্যতা হিসেবে অবিবাহিত হতে হবে এবং বয়স ১৮-৩০ এর মধ্যে থাকবে। তাদের কোন তারুণ্য নির্ভর সংগঠনে যুক্ত থাকতে হবে এবং শিল্পকলার যে কোন শাখায় পারঙ্গমতা থাকতে হবে। </p>
<p>এর ফলে ব্রুনাইতে এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের একটি এলামনাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। এর নাম <a href="http://www.bersatu.4t.com/index_2.html">বেরাতসু</a> (যার মানে হচ্ছে একসাথে থাকা), যা একটি স্থানীয় এনজিও এবং <a href="http://sseaypbrunei.blogspot.com/">যুবাদের সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত</a> এবং এটি:</p>
<blockquote><p>এসএসইএওয়াইপি প্রকল্পে অংশ নেয়া ব্রুনাই দারুসসালামের যুবাদের গতিময় চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে এবং জাপানসহ অন্যান্য নয় আসিয়ান দেশসমুহের অংশগ্রহণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব অটুট রাখে।</p></blockquote>
<p>আমার কাছে তার অভিজ্ঞতার বিবরণ পড়া:</p>
<blockquote><p>
একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা!! নিপ্পন মারু স্বপ্নের জাহাজ।</p></blockquote>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3127/3163324808_06f371d365.jpg?v=0" width="380"/></p>
<p>এই ধরণের গল্প আসিয়ান দেশসমুহ ও জাপানের ভবিষ্যৎ নেতাদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধন রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। </p>
<p><em>এই পোস্টের ছবিগুলো নেয়া হয়েছে <a href="http://bpy2008.wordpress.com/">বিপিওয়াই ২০০৮</a> এর সৌজন্যে।</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/17/1560/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাই এর রুটিওয়ালারা ব্লগকে বাজারজাতকরনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/10/1552/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/10/1552/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 10 Jan 2009 00:42:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1552</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসেনর পাবলো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ব্রুনাই এর রুটিওয়ালারা আর কেক প্রস্তুতকারীরা ব্লগকে বাজারজাতকরনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছে তাদের জিনিষ বিক্রির জন্য। অনেকে গৃহকর্ত্রী বা রুটি বানানোকে পার্টটইম কাজ হিসেবে নেন আর তাদের নিজেদের ব্লগে তা তুলে ধরেন। বেশ কয়েকজনের জন্য এটা সফলতা এনেছে আর এই [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/01/03/brunei-bakers-uses-blog-as-a-marketing-tool/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ব্রুনাই এর রুটিওয়ালারা আর কেক প্রস্তুতকারীরা ব্লগকে বাজারজাতকরনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছে তাদের জিনিষ বিক্রির জন্য। অনেকে গৃহকর্ত্রী বা রুটি বানানোকে পার্টটইম কাজ হিসেবে নেন আর তাদের নিজেদের ব্লগে তা তুলে ধরেন। বেশ কয়েকজনের জন্য এটা সফলতা এনেছে আর এই প্রচেষ্টা ব্লগ পাঠক ও সর্মথকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে।</p>
<p>নীচে কয়েকজন ব্লগারকে তুলে ধরা হলো যারা নিজেদের ব্লগে তাদের পণ্য তুলে ধরেন। দু:খের বিষয় তাদের পণ্যের স্বল্প আয়ুর জন্য এরা বেশীরভাগ ব্রুনাইতেই শুধু বিক্রি করেন ।</p>
<p><img src="http://farm3.static.flickr.com/2383/2232352275_204ea328f4_m.jpg" alt="Cake" /><br />
<em>পাভলোভা, বানীজ এর সৌজন্যে</em></p>
<p><a href="http://breadstop.blogspot.com/">ব্রেডস্টপের</a> মত অনেক রুটিওয়ালারা তার কেক তৈরীতে ভালো স্বাস্থ্যসম্মত জিনিষের ব্যবহারকে তুলে ধরেন। <em><a href="http://bunnypablo.blogspot.com/">বানিস ইয়ামিস</a></em> ও স্বাস্থ্যসম্মত রান্নার বিষয়টি প্রচার করেন:</p>
<blockquote><p>আমি স্বাস্থ্যসম্মত রান্না করি। আমি কোন ধরনের সংরক্ষণের জিনিষ, নকল রঙ বা স্বাদ আমার কেকে ব্যবহার করিনা। আমি তাজা ফল, আসল ভ্যানিলা বিন, চকলেট, কফি আর বিভিন্ন ধরনের বাদাম থেকে স্বাভাবিক ফ্লেভার আর স্বাদ আনি। আমি আমার কেকে কম ডিমও ব্যবহার করি এটাকে স্বাস্থ্যকর বিকল্প করার জন্য। অর্ডারের সময় আর নিয়ে যাওয়ার সময় অনুযায়ী সকল জিনিষ তাজা তৈরি করা হয়।
</p></blockquote>
<p><img src="http://farm4.static.flickr.com/3112/3144090082_54323479d2_m.jpg" alt="Cupckae" /><br />
<em>ক্যান্ডি উপরের কাপকেকটি বানিয়েছেন</em></p>
<p>বিশ্বের অনেক জায়গার মত ব্রুনাইয়েও কাপ কেক বেশ জনপ্রিয় হয়েছে এবং বাজারহাতকারী ব্লগার ও তাদের গ্রাহকদের মধ্যে এটা জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অন্যান্যদের মধ্যে নিচের ব্লগাররা কাপ কেকে বিশেষজ্ঞ আর তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সৃষ্টি তুলে ধরেছেন: <a href="http://kitchenofjasmine.blogspot.com/">কিচেন অফ জেসমিন</a>, <a href="http://cupcake-paradise.blogspot.com/">কাপকেক প্যারাডাইজ</a>, <a href="http://www.flickr.com/photos/ccyhan/">ক্যান্ডি</a>, <a href="http://sinahbakery.blogspot.com/">সিনাহ বেকারি</a>, <a href="http://www.sugarush.biz/Welcome.html">সুগারাশ</a>, <a href="http://tasteontray.blogspot.com/">টেস্ট অন ট্রে</a> আর <a href="http://warisanummi.blogspot.com/">ওয়ারিসান উম্মি</a>।</p>
<p><a href="http://citscakes.blogspot.com/">সিট&#39;স কাপকেক</a> তার পণ্যের পরিচয় করাচ্ছেন:</p>
<blockquote><p>আমার সব পণ্যের উপর আমি প্রাথমিকভাবে সাজাই, কিন্তু আপনাদের পছন্দ অনুসাররে আমি সাজাতে পারি বাড়তি খরচে। আমি নোভেল্টি কেক, ৩ডি কেক ইত্যাদি তৈরি করতে পারি।</p></blockquote>
<p>সুগাররাশের বেকার, <a href="http://underseaserenity.blogspot.com/2008/12/christmas-cupcakes.html">আন্ডারসেরেনেটি</a> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>কয়েক রাত আগে, চার ঘন্টা ঘুমের পরে আমি বেশ স্পষ্ট একটা স্বপ্ন থেকে জেগে উঠি আর ঘুমাতে পারিনি তার পরে। ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে আর কি করার আছে? বেক করা ছাড়া! পাগলের কাজ? হয়তো। কিন্তু আমি বেশ ক্রিম চিজ ফ্রস্টিং দিয়ে কিছু রেড ভেলভেট কাপ কেক আর চকলেট কাপকেক ভ্যানিলা বাটারক্রিম দিয়ে তৈরি করলাম।</p></blockquote>
<p>ক্রেতারায় তাদের মতামত দেন এইসব পণ্য সম্পর্কে যেমন <a href="http://anakbrunei.org/page/7">আনাকব্রুনাই লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এই কেকগুলো খুবই সুস্বাদু&#8230; উপরে সাদা ঘাসের মতো যেটা ওটা রেড ভেলভেট ক্রিম চিজসহ উপরে আর চকলেটগুলোকে ডার্ক চকলেট দিয়ে বানানো হয়েছে বলে আমার মনে হয়- একেবারেই বেশী মিষ্টি না। যিনি এগুলো বানান সেই গুনান্বিত তরুণীর যোগাযোগের ঠিকানা আপনি জানতে চাইলে আমাকে জানাবেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/10/1552/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
