বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গল্পগুলো মাস রাউন্ডআপ

উরুগুয়েতে ১১বছরের একটি গর্ভবতী মেয়ে গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানায়

১১ বছর বয়েসী গর্ভবর্তী মেয়ে গর্ভপাত করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করলো।

আমরা সম্পতি প্যারাগুয়েতে একটি ১০ বছর বয়েসী গর্ভবতী মেয়ের কথা লিখেছিলাম যাকে তার সৎবাবা ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করা হয় এবং যে দেশটির আইনগত সীমাবদ্ধতার জন্য গর্ভপাত ঘটাতে সমর্থ ছিল না। এখন উরুগুয়েতে যেখানে গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত বৈধ সেখানে ১১ বছর রয়েসী গর্ভবতী শিশুর গর্ভপাত না করতে চাওয়াটি দেশকে মর্মাহত করেছে।

এই মেয়েটি যার বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা আছে বলে বলা হচ্ছে তাকে তার সৎবোনের ৪১ বছর বয়েসী পিতামহ ধর্ষণ করেছে। এই লোকটি এখন আটক আছে এবং ধর্ষণের জন্য তার বিচার করা হবে, উরুগুয় কর্মকর্তারা আজঁস ফ্রঁস-প্রেস-কে জানিয়েছে

পারিবারিক সদস্য, ডাক্তার, সামাজিক সংগঠক, এবং গণমাধ্যমগুলো এই মেয়েটিকে গর্ভপাত করার জন্য উৎসাহিত করেছে। তারা এমনকি সরকারকেও চাপ দিয়েছে যাতে তাকে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয় ও বাধ্য করা হয়, পানজিয়া টুডে-এর বরাত অনুসারে। এর প্রতিউত্তরটি যদিও তাদের মনোপুত হয় নি:

“There is no risk for the life of the child or baby, so we cannot force her to have an abortion,” the director of INAU, Monica Silva, said.

‘এই শিশুটি বা তার বাচ্চাটির মৃত্যু হবার কোন ঝুঁকি নেই, সুতরাং আমরা তাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করতে পারি না,’ আইএনএইউ-এর পরিচালক মোনিকা সিলভা বলেন।

জার্মানী: ২০১৫ সালে সমঅধিকার

সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোতে নারীরা একটি বীমার উপর তৈরী করা বর্ণনামূলক ভিডিও বিষয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করছে, যেখানে নারীদের ভূমিকা ২০১৫ সালের সংশ্লিষ্ট না হয়ে ১৯৫০শের দশকের অনুরূপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বিএরতে ফোগেল তার ব্লগথেয়া তে লিখেছে – ভাষা, গণমাধ্যম এবং সমাজে নারী শিরোনামে

Die Rolle der Frau in den Augen der Alten Leipziger ist die der passiven Mutter und Tochter, des Mädchens, das selbst nicht Skateboard fährt, sondern den Jungen anhimmelt und ihn fotografiert, der gut situierten Ehefrau, die keinen Job hat und deshalb den lieben langen Tag am Gartenzaun stehen und tratschen kann, die keine Ahnung hat von Versicherungen, die sich gerne vom altväterlichen Gatten aufklären und belehren lässt und aus Sorge vor einer Scheidung gleich zurück an den Herd rennt, um dem Herrn etwas zu kochen. Eine Frau, die vollkommen abhängig ist vom Mann – wenn der sich scheiden lässt, bleibt ihr gar nichts mehr. Ganz klar: 50er Jahre.

প্রাচীন লাইপৎসিগবাসীর চোখে নারীদের ভূমিকা ছিল অক্রিয় মা ও মেয়ের মতো, মেয়েটি নিজে স্কেটবোর্ড চালাতে পারেনা এমন একটি তরুণী যাকে তরুনরা পছন্দ করে ও যার ছবি তোলে, আর মা একটি সচ্ছল ঘরের স্ত্রী, যে কোন চাকরী করে না আর সেই জন্য সে সারা দিন বাগানের বেড়ার ধারে দাড়িয়ে থেকে গল্পগুজব করতে পারে, যার বীমা সম্পর্কে কোন ধারণা নেই, যে তার পিতৃতান্ত্রিক স্বামী যা বলে ও শিখায় তাই শেখে এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ভয়ে তার স্বামীর জন্য কিছু রান্না করতে ততক্ষনাৎ রান্নাঘরে দৌড়ে যায়। বিবাহবিচ্ছেদ হলে পুরুষের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এমন একটি নারীরতো আর কিছুই বাকী থাকে না। একদম পরিষ্কার: এগুলো ৫০শের দশক।

জিগি লীব #aufgewacht (জেগে উঠুন) হ্যাসট্যাগ উল্লেখ করে টুইট করেছে:

#aufgewacht im Jahr 2015. Selten dummes Werbevideo stellt Frauen als dümmlich dienend und passiv dar: http://t.co/9xAjhi6P8t

— Sigi Lieb (@gespraechswert) March 15, 2015

২০১৫ সালে জেগে উঠুন। অস্বাভাবিক নির্বোধ প্রচারভিডিও নারীদেরকে নির্বুদ্ধিতাপুর্ণ ও অক্রিয় হিসেবে উল্লেখ করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়া: বিমানের বাদাম ভরাডুবি নিয়ে তৈরি খেলা

কোরিয়ান এয়ারলাইন্সের উপপ্রধান স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক,  বিব্বহিন্ন মাধ্যমে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তার   সাম্প্রতিক এক ফ্লাইটে তার অহংকারী আচরণের জন্য। তিনি একজন বিমানকর্মীর বিরুদ্ধে মাকাদামিয়া বাদাম ভুলভাবে পরিবেশনের অভিযোগে যথেচ্ছভাবে বকাঝকা করেন এবং সেই কর্মীকে বিমান থেকে সরিয়ে নেবার জন্য আদেশ দেন। এই কাজটি করার জন্য তিনি বিমানকে পুনরায় গেটে যেতে বলেন। প্রত্যাশিতভাবেই, এই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

ইন্টারনেটের অসংখ্য কৌতুকের মাঝে, প্যারোডি ছবি এবং এমনকি একটি জাপানিজ ব্যবহারকারীদের তৈরি ব্যঙ্গচিত্র রয়েছে, কিন্তু যা সব কিছুর চেয়ে এগিয়ে তা হচ্ছে বাদাম ভরাডুবি নিয়ে তৈরি বিদ্রূপকারী একটি খেলা।
এক কোরীয় ওয়েব ডেভেলপার, তাই-হোয়ান-হাহ (@duecorda) ‘বিমান কর্মীবৃন্দের পুঁজিপতি’ নামে একটি a সহজ খেলা বানিয়েছে। আপনি যেভাবেই খেলুন না কেন, সবসময় একই ফলাফল পাবেন যেখানে বিমানকর্মীদের সাথে চিৎকার করা হয় এবং শোনা যায়,”তুমি! বিমান থেকে বের হয়ে যাও।” যা কিনা কোরিয়ান এয়ারলাইন্সের সহ-সভাপতি বিমানকর্মীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ছবি 'বিমান কর্মীবৃন্দের পুঁজিপতি', ছবিটি টুইট করেছেন খেলাটির প্রস্তুতকারকেরা

ছবি ‘বিমান কর্মীবৃন্দের পুঁজিপতি’, ছবিটি টুইট করেছেন খেলাটির প্রস্তুতকারকেরা

২০১৫ সালের আসিয়ানের প্রধান হিসেবে মালয়েশিয়ার নতুন লোগো প্রকাশ

মালয়েশিয়া ২০১৫ সালের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংস্থার নতুন চেয়ার। এই বছর আসিয়ানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বছর কারণ একটি সংগঠিত সম্প্রদায় হিসেবে পূর্ণতা অর্জন করার জন্য অঞ্চলটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নতুন লোগো অঞ্চলটির “দশ আসিয়ান দেশের মানুষের সাদৃশ্য, অটুট অংশীদারিত্ব এবং অনুপ্রেরণা” এর প্রতিনিধিত্ব করে।

asean logo

কর্পোরেট স্পন্সরশিপ বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির মর্যাদা হানি করছে বলে ব্লগারের অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, অতীতে রাজা-জমিদাররা সাহিত্য সংস্কৃতিচর্চায় দান-দক্ষিণা করতেন। এখন সেই স্থান দখল করে নিয়েছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে টেলিকম কোম্পানিরা। তারা বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির সবকিছুতেই স্পন্সর করছে, পার্টনারশিপ হচ্ছে। বাউল সাধক লালন ফকির’ও বাদ পড়েননি। কর্পোরেটরা লালনকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাই তুলে ধরেছেন জাহিদ ইসলাম:

In 2007 for the first time in history, Lalon Phokir’s Dol Uthshob was held under sponsorship, with promotion campaigns so aggressive and ill designed it disgusts me to even remember it. Since then Grameenphone and Banglalink (telecom brand) took turns in sponsoring the festivals.

আমি যতোদূর মনে করতে পারি, ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো লালন ফকিরের দোল উৎসব কর্পোরেট স্পন্সরে অনুষ্ঠিত হয়। তখন থেকে এর ব্যাপক বাণিজ্যিক প্রচারণা আর দৃষ্টিকটু ডিজাইন আমাকে পীড়া দিয়ে আসছে। মূলত সে সময় থেকেই গ্রামীণফোন এবং বাংলালিংক (টেলিকম ব্র্যান্ড) উৎসবগুলো স্পন্সর করা শুরু করে।

কর্পোরেট থাবায় লালন উৎসব কেমন রূপ নিয়েছে তিনি সেটাও উল্লেখ করেছেন:

The first time around, those of us who had been visiting Cheuria for many years, were shocked to find the sponsorship junk.

আমাদের মতো যারা অনেক বছর ধরে ছেউড়িয়ায় আসেন, তারা কাছাকাছি সময়ে আবার আসলে স্পন্সরশিপের আবর্জনা দেখে ব্যথিত হবেন।

এবং কেন লালনসংস্কৃতিকে এই আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা দরকারঃ

There are many people and organisations, home and abroad, that feel we need to “protect” the baul way of life. I do not necessarily agree with this notion. Rather I feel our intervention is what creates most of the “problems.”

দেশের ও বিদেশের অনেক লোক বা প্রতিষ্ঠানই মনে করে যে বাউলদের জীবনযাপনকে সংরক্ষণ করা উচিৎ। আমি তেমন মনে করি না। আমি মনে করি তাদের অতিমাত্রায় নাক গলানোই বেশিরভাগ সমস্যার সৃষ্টি করছে।

আইভরি কোস্টের আবিদজানে আফ্রিকার প্রথম ওয়েব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে

আইভরি কোস্টের আবিদজানে প্রথম আফ্রিকা ওয়েব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে (২৪-২৬ নভেম্বর)। এই উৎসব আফ্রিকার ডিজাইনারদের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।

Vous êtes journalistes, développeurs, producteurs de web tv, de web radio ; vous êtes créateurs et innovateurs et avez une idée ou un projet en tête? Inscrivez-vous au premier Africa Web Festival dans l’une des six catégories de compétition : documentaire, tourisme, fiction, animation, éducation, publicité et tourisme.
 
L’Africa Web Festival est également une plateforme d’échanges entre experts, passionnés et novices du monde entier, qui fera l’état des avancées actuelles dans le domaine du numérique et animera le débat sur la planète numérique : ses espoirs, ses enjeux et les défis auxquels l’Afrique est exposée, afin que le continent prenne sa place dans la nouvelle planète numérique.

আপনি কি সাংবাদিক, ওয়েব ডেভেলপার, ওয়েব টিভি অথবা পডকাস্ট প্রযোজক? আপনি কি সৃজনশীল ব্যক্তি, উদ্ভাবনী প্রতিভাবান, আপনার কাছে কি নতুন কিছু করার চিন্তা বা আইডিয়া আছে? তাহলে আপনি আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ওয়েব উৎসবে প্রতিযোগিতার ৬টি বিভাগে অংশ নিন। বিভাগগুলো হলো: তথ্যচিত্র, ভ্রমণ, গল্প, বিনোদন, শিক্ষা এবং বিজ্ঞাপন। সারাবিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ, ওয়েব উদ্যোক্তা, উদ্যোগী তরুণদের মিলনমেলা হলো আফ্রিকার ওয়েব উৎসব। এখানে এসে তারা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করে থাকেন। তাছাড়া ওয়েব ডেভলপমেন্টের সর্বশেষ অবস্থা নিয়েও এখানে আলোচনা করা হয়। আফ্রিকার ইন্টারনেটের আশাবাদী দিক এবং সমস্যাগুলো নিয়েও বিতর্ক হয়। আর এর ফলে ডিজিটাল বিশ্বে একটা সুন্দর অবস্থান করে নেয়ার দৌড়ে এই মহাদেশ অনেকটা এগিয়ে যাবে।

হাঙ্গেরির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা হাসপাতালের খাবারের ছবি তুললেন

২০১৪ সালের গ্রীষ্মে হাঙ্গেরিতে করহাজি কোজেট নামে একটি ব্লগ চালু হয়েছে। ব্লগটিতে হাঙ্গেরির হাসপাতালগুলোর নিম্নমানের এবং অল্প পরিমাণ খাবারের কথা উঠে এসেছে।

tumblr_narb36FahO1ticsozo1_1280

করহাজি কোজেট ব্লগে একজন ব্যবহারকারী ছবিটি দিয়েছিলেন। তার অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করা হলো।

যেসব হাঙ্গেরিয়ান চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হন, তাদের খুব কম পরিমাণ খাবার দেয়া হয়। তাছাড়া খাবারের মানও ভালো না। এই অবস্থার প্রতিবাদ জানাতেই এই ব্লগটি তৈরি হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী ব্লগটির ফেসবুক পাতা অনুসরণ করেন। ইতোমধ্যে বাজফিড বিভিন্ন দেশের ২২টি হাসপাতালের খাবারের ছবির তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই ছবির তালিকা দেখে হাঙ্গেরির নেটিজেনরা ইর্ষান্বিত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের শান্তির জন্য ইন্দোনেশিয়ায় এক হাজার মোমবাতি প্রজ্বলন

গাজায় উপর ইজরায়েল-এর বিমান হামলার প্রতিবাদে, ১০০০ মোমবাতি প্রজ্বলনের জন্য ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিক দেশটির রাজধানী কেন্দ্রীয় জাকার্তায় জড়ো হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র।

Indonesians pray for the  Palestinians who were killed in the airstrikes launched by Israel. Photo by Abdullah Arief Siregar. Copyright @Demotix (7/11/2014)

ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা ফিলিস্তিনের নাগরিক যারা ইজরায়েল-এর শুরু করা বিমান হামলায় নিহত হয়েছে, তাদের জন্য প্রার্থনা করছে। ছবি আবদুল্লাহ এরিয়েফ সারিগার-এর। কপিরাইট @ডেমোটিক্সের (৭/১১/২০১৪)

কেউ সংখ্যা নয়: গাজায় নিহতদের নাম

গত সপ্তাহে গাজার প্রায় ১০০-এর বেশী ফিলিস্তিনি নাগরিক, যাদের বেশীরভাগ নারী এবং শিশু ইজরায়েল পরিচালিত অপারেশন ডিফেন্স এজ নামক হামলায় নিহত হয়।

+৯৭২-এ, মিশেল ওমার–ম্যান, “কেউ সংখ্যা নয়ঃ গাজায় নিহতদের নাম” শিরোমানে যারা নিহত হয়েছে তাদের নামের তালিকা করেছে।

তেজু কোল মন্তব্য করেছে। এই অভিযানে কোন ইজরায়েলি নাগরিক নিহত হয়নি:

শতাধিক নাগরিক নিহত হয়েছে, কেবল একপক্ষে।

হ্যাঁ, আমি ব্রা পরি, তা দেখাও যায়। তো?

সাংবাদিক নিবেদিতা এন কুমার ফেসবুকে একটি আবেগী নোট লিখেছেন। তা সবার কাছে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। নোটটিতে তিনি পুরুষশাসিত ভারতীয় সমাজে নারীদের পোশাক ধর্ষণকারীদের প্রলোভিত করার ধারণায় চাবুক হেনেছেন। নোটের অংশবিশেষ রইলো এখানে:

Why? Why do you do that? Stare at my breasts like they are cute babies calling out to be cuddled. Strip me naked, slowly, every time I enter the bus? Try to glimpse into my cleavage when I am sitting and reading in the metro.

Who gives you the right? To grope me in the crowded bus? To fall on me “innocently” when I buy popcorn in the theater. When I sit cross legged in the auto and you stop your bike and look hungrily at my legs.

A piece of meat, am I?

How do you think I feel? When I have to continuously watch over my shoulder, because it is 10 pm and there is nobody at the bus stop, except you. Staring at my neck.

কেন? কেন আপনি তা করবেন? কেন আমার স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন যেন তারা আদরের শিশুর মতো আপনাকে ডাকছে? আমি প্রতিবার যখন বাসে চড়ি, আপনার চোখজোড়া কেন আমাকে নগ্ন করে দেখবে? মেট্রো ট্রেনে আমি যখন বসে থাকি কিংবা পড়তে থাকি, তখন কেন জামার ফাঁক গলে আমার স্তনের আভাস দেখার চেষ্টা করবেন?

আপনাকে এই অধিকার কে দিয়েছে- ভিড় বাসে আমাকে অনুভব করার? পপকর্ন নিয়ে সিনেমা দেখার সময়ে ‘নিষ্পাপ'ভাবে আমার গায়ে ঢলে পড়ার। আমি যখন পা ভাঁজ করে অটোতে বসে থাকি, তখন বাইক থামিয়ে আমার নগ্ন পদ ক্ষুধার্তের মতো গিলে খাওয়ার।

আমাকে এক টুকরো মাংস মনে হয়?

আপনার কি ধারণা আছে এসময়ে আমার কেমন লাগে? আমি ক্রমাগত ঘাড় ঘুরিয়ে পিছন দিকে দেখি। কারণ, তখন রাত ১০টা বেজে গেছে। বাসস্টপে আপনি ছাড়া আর কেউ নেই। আমার ঘাড়ের দিকে আপনি স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন।

নিবেদিতা কুমারের নোট ফেসবুকে ৩৫ হাজারের বেশি বার শেয়ার হয়েছে। লজিক্যাল ইন্ডিয়ান নামের একজন শেয়ার করার পর সেখানে ২ লক্ষ ৬০ হাজার জনের বেশি লাইক দিয়েছেন এবং ৬৪ হাজার বারের বেশি শেয়ার হয়েছে।

আইএসআইএস যোদ্ধারা ইরাকের রামাদি শহর দখল করেছে

রামাদি, ইরাকের আল আনবার প্রদেশের রাজধানী, আইএসআইএস যোদ্ধাদের দ্বারা অধিকৃত হয়েছে। জোয়ি আইয়ুব গ্লোবাল ভয়েসেস এবং মিদান চেকডেস্কের সমন্বিত প্রকল্প গ্লোবাল ভয়েসেস চেকডেস্কের পক্ষ থেকে নাগরিক সাংবাদিকদের রিপোর্ট, খবর এবং সাক্ষ্য একত্রিত করা এবং তুলে ধরার কাজ করে যাচ্ছেন।

শহরটি ইরাকের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে, বাগদাদের প্রায় ১১০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ফালুযা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে। শত শত মানুষ নিহত হয়েছে বলে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, এবং হাজার হাজার মানুষ নিজেদের বাস্তুভিটা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আইএসআইএস, আল কায়েদার একটি অঙ্গসংগঠন, ইরাক ও সিরিয়ার একটি বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে এবং এসকল অঞ্চলে বসবাসরত বেসামরিক নাগরিকদের সাথে তাদের ভয়াবহতার কারণে তারা খবরের শিরোনাম হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সমন্বয় অফিসের মতে, জাতিসংঘের ইরাক বিষয়ক মানব সহযোগিতা:

UN agencies are rushing humanitarian assistance to people fleeing Ramadi for the second time in a month.

Close to 25,000 people have fled Ramadi following ISIL attacks and fierce fighting in the city. Most of the displaced are fleeing towards Baghdad, with many trying to enter through security checkpoints.

জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বারের মতো মানবীয় সহযোগিতা পৌঁছে দেবার জন্য রামাদি ছুটে যাচ্ছে।

প্রায় ২৫০০০ মানুষ রামাদি ছেড়ে চলে গেছে আইএসআইএলের আক্রমণ পর থেকে এবং শহরে প্রচণ্ড যুদ্ধ চলছে। বাস্তুচ্যুত অধিকাংশই বাগদাদ অভিমুখে যাচ্ছে, যাদের অনেকেই চেকপয়েন্টের মাধ্যমে প্রবেশ করতে চেষ্টা করছে।

রিপোর্টটি আরো যুক্ত করেছে:

Within the past month, UN agencies and non-governmental organisations have provided life- assistance to more than 130,000 people who fled Ramadi following ISIL attacks in April. Tens of thousands of kits and rations have been distributed to more than 35 locations across Anbar Governorate. Thousands of families who had fled earlier had returned to their homes in Ramadi, when fighting again broke out, forcing them to flee a second time.

গত মাসের মধ্যে, জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এবং বেসরকারি সংস্থাসমূহ এপ্রিলে আইএসআইএলের হামলার পর রামাদি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ১৩০০০০ এর অধিক মানুষকে সহায়তা প্রদান করেছে। আনবার প্রদেশ জুড়ে অধিক ৩৫টিরও বেশি অবস্থানে শত সহস্র মানুষের মাঝে রশদ ও রেশন বিতরণ করা হয়েছে। আগে পালিয়ে আসা হাজার হাজার পরিবার নিজ নিজ গৃহে ফিরে আসে, কিন্তু আবার যুদ্ধ শুরু হওয়ায় তারা দ্বিতীয়বারের মতো পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

In July, the food pipeline will break. “Nothing is more important right now than helping the people fleeing Ramadi. They are in trouble and we need to do everything possible to help them.” Lise Grande, the UN's Humanitarian Coordinator said. “Thousands of people had to sleep in the open because they didn't have places to stay. We would be able to do much more if we had the funding.”

জুলাই মাসে, খাদ্য সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। “রামাদি থেকে পালিয়ে মানুষকে সাহায্য করার চেয়ে এই মুহূর্তে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অন্য কিছু নয়। তারা এখন বিপদের সম্মুখীন এবং তাদের সাহায্য করার জন্য যা কিছু করার সম্ভব সবকিছু করতে হবে।” লিসে গ্র্যান্ডে, জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী বলেন। “হাজার হাজার মানুষকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হয়েছেকারণ তাদের থাকার জায়গা ছিল না। আমরা আরো অনেক কিছু করতে পারতাম যদি আমাদের হাতে তহবিল থাকতো।”

প্রথমবারের মতো আফ্রিকান কোন সাবেক রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের সম্মুখীন

ওমর বা চাদের সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসসেন হাবরে'র ঐতিহাসিক বিচার নিয়ে আলোচনা করেছেন:

For the first time in history, a former head of an African state will stand trial in Africa, before an internationalized tribunal, the Extraordinary African Chambers in Senegalese Courts. The EAC is an ad hoc court which is set up by the African Union under the principle of universal jurisdiction. It focuses solely on crimes of genocide, war crimes, torture, and crimes against humanity committed in Chad between 1982 and 1990. That happens to be the period of Habré’s tenure. The Chambers are made of judges of Senegalese nationality, nominated by Senegal’s Minister of Justice and appointed by the AU Chairperson.

If all goes as planned, the Habré’s trial will start in Dakar, this summer. Habré stands accused of crimes against humanity and torture during his rule in Chad in the 1980s. His reign was brutal, but he was literally “our man in Africa,” eager and willing to do for the CIA and the Reagan administration what no one else would.

ইতিহাসে এই প্রথম, একটি আফ্রিকান রাষ্ট্রের সাবেক প্রধান, সেনেগলিজ আদালতের অসাধারণ আফ্রিকান চেম্বারসের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের সামনে আফ্রিকায় বিচারের মুখোমুখি হবেন। ইএসি (Extraordinary African Chambers) একটি বিশেষ আদালত যা আফ্রিকান ইউনিয়ন দ্বারা সার্বজনীন বিচারব্যবস্থা নীতির অধীনে গঠন করা হয়। এই আদালত শুধুমাত্র ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে চাদে সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, নির্যাতনের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। হেবরে'র মেয়াদকাল এই সময়ে ছিল। এই চেম্বারের বিচারকগণ সেনেগালিজ জাতীয়তার অধিকারী, সেনেগালের বিচারমন্ত্রী এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন দ্বারা নিযুক্ত হয়েছেন।

সবকিছু পরিকল্পনামাফিক হলে গ্রীষ্মেই চাদের রাজধানী ডাকারে হাবরে'র বিচার শুরু হবে। হাবরের বিরুদ্ধে ১৯৮০ এর পরবর্তী সময়ে তার শাসনামলে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের এবং অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। তার শাসনামল পাশবিক ছিল, কিন্তু তিনি আক্ষরিক অর্থেই সিআইএ এবং রেগান প্রশাসন জন্য কাজ করতে আগ্রহী এবং ইচ্ছুক ‘আফ্রিকায় আমাদের লোক’ ছিলেন, যা অন্য কেউ হতে চাইতো না।

ভিডিওঃ কি ভাবে পামওয়েল ইন্দোনেশিয়ায় পরিবেশ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে

পামওয়েল চাষের আওতায় আরো জমিকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে জলাভূমি এবং বন জ্বালিয়ে দেওয়ায় তার প্রভাব নিয়ে তথ্য ধারণ করার জন্য কোকোনাট টিভির একটি দল ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রায় গিয়ে হাজির হয়। সুমাত্রায় বন জ্বালিয়ে দেওয়ার ফলে তা এই দ্বীপের বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে; একই সাথে এই ঘটনা এক প্রাণঘাতী ধোঁয়া উৎপন্ন করছে যা ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরকে আক্রান্ত করেছে।

নিখুঁত ছবি তোলার দশটি কৌশল

ভাল ছবি তোলা, ঘটনাক্রমে ঘটে যাওয়া কোন বিষয় নয়, এর প্রতি নিজেকে উৎসর্গ করা, এবং সর্বোপরি ঘটনাস্থলের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করা জরুরী।

Un niño Masai – fotografía: Laura Schneider, utilizada con autorización

এক মাসাই বালক। ছবি লাউরা স্কিনেডার-এর, অনুমতিক্রমে প্রকাশিত।

জিভির কন্ট্রিবিউটার লাউরা স্কিনেডার, যাত্রা পথে কি ভাবে সেরা ছবি তুলতে হবে তার দশটি কৌশল প্রদর্শন করছে। এখানে তার কয়েকটি তুলে ধরা হল। :

১- ক্যামেরা সাথে নিতে ভুলে না যাওয়া, আর সাথে খেয়াল রাখা যেন মেমোরি কার্ডে যথেষ্ট পরিমাণ মেমোরি থাকে। […]
৫-ফটোগ্রাফির বিষয়ে নোট নেওয়া।
৬- লেন্স যাচাই করা।
৭-সকাল সকাল বিছানা ছেড়ে ওঠা।
৮-হয় এখন, নতুবা কখনো নয়, এমন মনোভাব নিয়ে ছবি তোলা।

লাউরা তার নিজের এক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে:

Recuerdo cuando fui a Kibera en Kenia, la segunda villa o slum mas grande de África quería fotos naturales, no posadas. Quería que la gente no se esconda con la cámara. Así que me puse una camiseta de fútbol de Argentina. Los niños que había en el lugar se acercaban y me decían: Maradona o Messi y eso me permitía entrar en conversación.

লওরা তার নিজের এক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে, আমার মনে আছে যখন আমি আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম বস্তি কেনিয়ার কিবেরিয়ায় গিয়েছিলাম, সেখানে আমি স্বাভাবিক ছবি চাইছিলাম, আরোপিত কোন ছবি নয়। আমি চাইনি যে লোকগুলো ক্যামেরার সাথে হারিয়ে যাক। আর তাই আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জার্সি পড়লাম। সেখানকার শিশুরা আমার দিকে এগিয়ে এলো আর জিজ্ঞেস করলাম, “ম্যারাডোনা নাকি মেসি”, আর এভাবে তারা আমাকে আলোচনা চালিয়ে যাবার সুযোগ দিল।

টুইটারে,আপনারা লাউরাকে অনুসরণ করতে পারেন।

এই প্রবন্ধটি ২৪ নভেম্বর ২০১৪-এ,জিভিতে সোমবারে ব্লগ করা (# লুনেসডেব্লগসজিভি) নামক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পোস্ট করা হয়েছে।

অ্যাপলের নতুন আইওএসে পাঁচটি ভারতীয় ভাষা ব্যবহার করা যাচ্ছে

A comparison of some Indic scripts vs. Latin. Image via wikipedia . CC BY-SA 3.0

কয়েকটি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট এবং ল্যাটিন ভাষার মধ্যে পার্থক্য। ছবি: উইকিপিডিয়া। CC BY-SA 3.0

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যাপল নতুন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮, চালু করে আইপড টাচ, আইপড এবং আইফোনের জন্য। এতে নানা ধরনের উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন সেবা থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে যেটি হলো ল্যাটিন ভাষার অক্ষর ছাড়াও নতুন আইওএস ৮ অন্য ভাষার অক্ষর সমর্থন করে। অনেকদিন ধরেই এ সুবিধাটি ব্যবহার করা যেত না। নতুন এ সুবিধার ফলে অনেক আইওএস ব্যবহারকারী নিজের ভাষায় টাইপ করার সুবিধা পাবেন। প্রথম আইওএস চালু হওয়ার পর থেকে মাইক্রোব্লগিং, সোস্যাল মিডিয়া, ই-মেইল কিংবা উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখার ক্ষেত্রে নিজস্ব ভাষায় লেখার সুবিধা না থাকায় নানা সমস্যা হতো। তবে নতুন আইওএস ৮ ৫টি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট সমর্থন করে। এর মধ্যে রয়েছে: হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তামিল এবং উর্দু। অ্যাপলের নানা গ্যাজেট বাজারে আসার পর থেকে এবারই প্রথম এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে নতুন এ আইওএসে ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজের পছন্দসই ভাষা নির্বাচন করে আইওএস চালিত গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবেন যা এশিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য দারুন এক সুবিধা।

ফেসবুকে ব্যবহারকারী জয়ন্ত নাথ এতে উচ্ছসিত এবং এ সুবিধা ব্যবহার করে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছে:

আইওএস ৮ হালনাগাদ করার পর ডিফল্ট কীবোর্ড হিসেবে বাংলা যুক্ত হয়েছে।

ইথিওপিয়ায় মানবাধিকার বিষয়ে লিখতে গিয়ে কিভাবে ব্লগাররা কারাগারে গিয়েছেন

ইথিওপিয়া ব্লগাররা কারাগারে ১০০ দিন অতিবাহিত করার পর মেলডী সানবার্গ ইথিওপিয়াতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেনঃ

Ethiopia is with its almost 94 million population the second most populated country in Africa. Nevertheless, it does not according to an interview with Endalkhachew Chala by Global Voices, have an independent daily newspaper or independent media. There was a need of an alternative voice and the Zone 9:ers therefore began blogging and using social media to write on subjects related to human rights. The name of the group, Zone 9, refers to the zones of the notorious Ethiopian Kality prison, where political prisoners and journalists are being held. The prison has eight zones, but the ninth “zone” refers to the rest of Ethiopia. Even if being outside of the prison walls – you are never truly free; any freethinking individual may be arrested. The bloggers wanted to be the voice of this ninth zone.

 In the interview, Endalkachew says that the group had campaigns about respecting the constitution, stopping censorship and respecting the right to demonstrate. The group also visited political prisoners, such as journalists Eskinder Nega and Reeyot Alemu. They wanted to bring the publics’ attention to them by using social media.

ইথিওপিয়ার জনসংখ্যা প্রায় ৯৪ মিলিয়ন যা আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম। যদিও গ্লোবাল ভয়েসেসকে দেওয়া এন্ডাল্কাচেউ চালা'র সাক্ষাৎকার অনুযায়ী দেশটিতে একটি স্বাধীন দৈনিক সংবাদপত্র বা স্বাধীন মিডিয়া নেই। যেকারণে একটী বিকল্প কন্ঠের প্রয়োজন ছিল এবং এই প্রয়োজন থেকেই ‘জোন ৯’ এর সদস্যরা ব্লগিং করা শুরু করে। তারা সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে মানবাধিকার বিষয়ে লেখালেখি করার জন্য। গ্রুপটির নাম জোন ৯, যা আসলে ইথিওপিয়ার কুখ্যাত ক্যালিটি কারাগারের একটি জোন, যেখানে রাজনৈতিক বন্দীদের এবং সাংবাদিকদের আটকে রাখা হয়েছে। কারাগারটির আটটি জোন রয়েছে, কিন্তু ‘জোন ৯’ বাকি ইথিওপিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে। যদিও আপনি জেলের বাইরে, আপনি সত্যিকার অর্থে স্বাধীন নন, যেকোন মুক্তচিন্তাকারী যেকোন সময় গ্রেফতার হতে পারে। ব্লগাররা চেয়েছিল জোন ৯ এর কন্ঠ হতে।

সাক্ষাৎকারে এন্ডাল্কাচেউ বলেন, গ্রুপটির  সংবিধানকে সম্মান দেখানো, সেন্সরশিপ বন্ধ করা এবং সমাবেশ করার অধিকারকে সম্মান জানানোর জন্য প্রচারণা ছিল। গ্রুপটি রাজনৈতিক কারাবন্দীদের সাথে নিয়মিত দেখা করতো, যাদের মধ্যে ছিল সাংবাদিক ইস্কিন্দার নিগা এবং রিয়োট আলেমু। তারা সামাজিক মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের জন্য জনগণের মনোযোগ আনতে চেয়েছিল।

ইউক্রেনে ঘটে যাওয়া এমএইচ১৭ বিমান দূর্ঘটনা নিয়ে ৫টি সংবেদনহীন প্রতিক্রিয়া

So much for "knowing that feel," when it comes to polemics surrounding the downed Malaysian airliner. Images mixed by Kevin Rothrock.

বিপদ কবলিত মালয়েশিয়ার বিমান ব্যাপারে আলোচনা আসলে “সেই অনুভূতি জানা” অনেক কঠিন বলে জানানো হয়। ছবিঃ কেভিন রথরক।

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের এমএইচ১৭ বিমান দূর্ঘটনা নিয়ে রুশ কর্তৃপক্ষ, রাজনীতিবিদ এবং প্রচার মাধ্যমগুলো তাৎক্ষনিকভাবে কিছু প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এসব প্রতিক্রিয়ায় ১৭ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবারে ঘটে যাওয়া এই দূর্ঘটনার জন্য পূর্ব ইউক্রেনকে দায়ী করা হয়েছে। সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানটি ভূপতিত করার জন্য এবং বিদেশের মাটিতে প্রায় ৩০০ জন লোক নিহত হওয়ার জন্য কিয়েভ, মস্কো এবং দোনেতস্ক এঁকে অন্যকে দায়ী করে অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে চাইছে। মস্কো এবং দোনেতস্কের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের দেয়া সম্পূর্ণ উদাসীন একমুঠো বক্তব্য আবেগকে আরও বেশি বাড়িয়ে দিয়ে রুশ ইন্টারনেটের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে।  

১. এক্ষেত্রে আমরা কিছুই করিনি।

গণপ্রজাতন্ত্রী দোনেতস্কের স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার বোরডে উৎসুকভাবে এ দূর্ঘটনায় বিদ্রোহীদের জড়িত থাকার বিষয়ে বেশ সন্দিহানঃ 

দূর্ভাগ্যক্রমে এটি আজকের দিনের উদ্ধৃতি। [পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধের সংক্ষিপ্ত আখ্যাটি হচ্ছে, আলেকজান্ডার বোরডে বলেছেন, “এটি যদি কোন বাণিজ্যিক বিমান হয়ে থাকে, তবে তা আমাদের ছিল না”।] 

২. দূর্ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে সেটি কি মুখ্য বিষয় ?

রুশ পার্লামেন্টারি কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক ডেপুটি প্রতিনিধি লিওনিদ কালাশনিকভ রেইন টেলিভিশনকে বলেছেন, বিমানটি দূর্ঘটনায় পতিত হওয়ার জন্য কাকে দায়ী করা হবে সেটি আসলেই কোন গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় নয়ঃ 

“Вам что, легче станет, если узнаете, кто сбил самолет?”

“কি হবে, যদি আপনি খুঁজে বের করতে পারেন যে বিমানটি কে ভূপতিত করেছে ? এতে আপনি কি কিছুটা স্বস্তি বোধ করবেন ?” 

৩. অশুভ পঞ্চম কলাম

রুশ প্রগতিশীল ব্যক্তিবর্গ এবং ইউক্রেনিয়ান “অপ-প্রচারকারীরা” বার বার একই আবেগের (উল্লেখ্য, তারা ইউক্রেনের বিষয়ে নেয়া রাশিয়ার নীতিগত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন) পুনরাবৃত্তি করেছেন। বিষয়টি বেশ ঝামেলাপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। রাশিয়ার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একজন নেতা কনস্তানতিন রাইকভ বলেছেনঃ  

এই মুহুর্তে এটা বেশ পরিষ্কার, কে কি আশা করছেন এবং তারা আসলেই কি চান… আমাদের প্রগতিশীল ব্যক্তিবর্গ এবং ইউক্রেনিয়ান “অপ-প্রচারকারীরা” একই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন… 

৪. এটা খুব সাধারণ ঘটনাঃ কাউকে দোষী করবেন না।

রাশিয়া টুডে পত্রিকার প্রধান মারগারেট সিমোনিয়ান সোভিয়েত উদাসীনতার মাঝে এই দূর্ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছেনঃ 

অনেক দিন ধরে আমি বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ খবরের আবেগ-অনুভূতি নিয়ে কাজ করছি। তাই আমি কোন রকম ষড়যন্ত্রমূলক মতবাদে একেবারেই বিশ্বাস করি না। তবে আমি সাধারণ সোভিয়েত বিশৃঙ্খলার উপর বিশ্বাস রাখি। 

৫. বিদ্রোহী ? কারা বিদ্রোহী ? 

শেষে হলেও ভ্লাদিমির পুতিন নিজে এ দূর্ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি সংবাদ মাধ্যম ইতারতাসকে বলেছেন, বিদ্রোহীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের উপরের আকাশ সীমার জন্য কিয়েভই দায়ী।  

“Безусловно, государство, над территорией которого это произошло, несет ответственность за эту страшную трагедию. […] Этой трагедии не произошло бы, если бы на этой земле был мир, не были бы возобновлены боевые действия на юго-востоке Украины”

“নিঃসন্দেহে, এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনার জন্য যে রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে দূর্ঘটনাটি ঘটেছে, সে রাষ্ট্রটিই দায়ী। […] সে দেশে যদি শান্তি বিরাজ করত, যদি ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নতুন করে সংঘাত তৈরি না হতো, তবে এই দূর্ঘটনা ঘটত না।” 

ইজরায়েলের আকাশে প্যালেস্টাইনি ড্রোন

হামাসের সামরিক শাখা আল কাসেম ব্রিগেড আজ মনুষ্যবিহীন ড্রোনের তিনটি মডেল প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, এই ড্রোনগুলো হামলার উদ্দেশ্যে ইজরায়েলের আকাশে ঢুকেছে।

সাংবাদিক দিমা খতিব টুইট করেছেন:

আল কাশেম ব্রিগেড বলেছে যে তারা তিন ধরণের আবাবিল ড্রোন বানিয়ে্ছে: এ১এ, এ১বি আর এ১সি। ছবিতে এ১বিকে একটি মিশনে দেখা যাচ্ছে।

প্যালেস্টাইনে তৈরি এই ড্রোনগুলোর নাম দেয়া হয়েছে আবাবিল। আবাবিল হলো এক জাতের পাখি। পবিত্র কোরানে এদের নাম উল্লেখ রয়েছে। ৫৭১ সালে আবাবিল পাখি ইয়েমেনের সাথে যুদ্ধে মক্কা শরীফকে রক্ষা করেছিল।

গাজার ব্লগার জেহান আলফারা ব্যাখ্যা দিয়েছেন:

প্যালেস্টাইনিদের ড্রোন ব্যবহার করা দেখে ইজরায়েলিরা অবাক হয়েছে। আমরা খুব খুশি! গেমঅবড্রোন!

মোবাইল ফোন পাকিস্তানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনছে

পাকিস্তানে মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকের শেষের দিকে। সে সময়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রবৃদ্ধি ছিল খুব কম। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধি অনেক বেড়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই বৃদ্ধির হার ৭৭%। আর শহরে প্রায় ১০০ শতাংশ মানুষই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। পাক টি হাউজে ড. তাহির রউফ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের সবার কাছে মোবাইল ফোন পৌছে যাওয়ায় সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে:

These changes in a broader context called Pakistani neoliberalism, characterized by accelerated consumerism with full scale participation in the global economy.

বলতে গেলে এই পরিবর্তনগুলো বৃহৎ পরিসরে পাকিস্তানকে নব্য উদারবাদী ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। যার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে খুব ভালোভাবে অংশ নিতে পারছে।

চে গুয়েভারা বাসভবন জাদুঘরে স্বাগতম

che

ছবি- লরা স্নেইডারের অনুমতিক্রমে।

আর্জেন্টিনার কর্ডোবা প্রদেশের সান্তা মারিয়া জেলায় আলটা গ্রাসিয়া [স্প্যানিশ] অবস্থিত। এ স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে ঘোষিত, এ স্থানটির অন্যতম আকর্ষন হল চে গুয়েভারা বাসভবন জাদুঘর [স্প্যানিশ]। আর্জেন্টিনীয় ব্লগার লরা স্নেইডার [স্প্যানিশ] 

লরা তাঁর ব্লগে লিখেনঃ [স্প্যানিশ]:

Con un estilo inglés conserva su forma pero ahora llena de fotografías, recortes de periódicos, el cuarto de Ernesto, la famosa motoneta y el diario que guarda los relatos de su vida. Emplazada en un barrio con muchas casas del mismo estilo.

Como permiten tomar fotografías, previo haber pedido permiso, les dejo acá algunas para que se entusiasmen y visiten el museo. Este se encuentra en el Barrio Carlos Pellegrini, – Avellaneda 501. El valor de la entrada es muy baja (no vale la pena ponerlo aqui) y se utiliza para el mantenimiento del lugar.

ব্রিটিশ স্থাপত্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে প্রচুর ফটোগ্রাফ, আর্নেস্টোর শোবার ঘর, তাঁর বিখ্যাত স্কুটার, জীবনলিপি লেখা জার্নাল দিয়েএই বাড়িটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। আশেপাশে আর দশটা সাধারণ বাড়ির মতই এই বাড়িটি।
আগে অনুমতি নেওয়া থাকলে ছবি তোলা যায় বলে জাদুঘর পরিদর্শনে আপনাদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য আমি কিছু ছবি শেয়ার করলাম। কার্লোস প্যালেগ্রি্নি এলাকায় ৫০১ আভেল্লানেডাতে এই বাড়িটি অবস্থিত। প্রবেশমূল্য খুবই কম (উল্লেখ না করলেই চলে)। এই প্রবেশমূল্য বাবদ প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটানো হয়।

আপনি যদি ফটোজার্নালিজমের বিষয়ে আগ্রহী হন তাহলে @LauraSchne এই টুইটার একাউন্টে লরাকে অনুসরণ করতে পারেন

El post reseñado participó del séptimo #LunesDeBlogsGV el 16 de junio de 2014.