বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গল্পগুলো মাস এবং

কর্পোরেট স্পন্সরশিপ বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির মর্যাদা হানি করছে বলে ব্লগারের অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে ফকির লালন শাহ এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অনুসারীরা জড়ো হন প্রতি বছর। ছবি শুভ্র কান্তি দাস এর। সর্বসত্ত্ব ডেমটিক্স (18/10/2009)

বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, অতীতে রাজা-জমিদাররা সাহিত্য সংস্কৃতিচর্চায় দান-দক্ষিণা করতেন। এখন সেই স্থান দখল করে নিয়েছে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে টেলিকম কোম্পানিরা। তারা বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির সবকিছুতেই স্পন্সর করছে, পার্টনারশিপ হচ্ছে। বাউল সাধক লালন ফকির’ও বাদ পড়েননি। কর্পোরেটরা লালনকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাই তুলে ধরেছেন জাহিদ ইসলাম:

In 2007 for the first time in history, Lalon Phokir’s Dol Uthshob was held under sponsorship, with promotion campaigns so aggressive and ill designed it disgusts me to even remember it. Since then Grameenphone and Banglalink (telecom brand) took turns in sponsoring the festivals.

আমি যতোদূর মনে করতে পারি, ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো লালন ফকিরের দোল উৎসব কর্পোরেট স্পন্সরে অনুষ্ঠিত হয়। তখন থেকে এর ব্যাপক বাণিজ্যিক প্রচারণা আর দৃষ্টিকটু ডিজাইন আমাকে পীড়া দিয়ে আসছে। মূলত সে সময় থেকেই গ্রামীণফোন এবং বাংলালিংক (টেলিকম ব্র্যান্ড) উৎসবগুলো স্পন্সর করা শুরু করে।

কর্পোরেট থাবায় লালন উৎসব কেমন রূপ নিয়েছে তিনি সেটাও উল্লেখ করেছেন:

The first time around, those of us who had been visiting Cheuria for many years, were shocked to find the sponsorship junk.

আমাদের মতো যারা অনেক বছর ধরে ছেউড়িয়ায় আসেন, তারা কাছাকাছি সময়ে আবার আসলে স্পন্সরশিপের আবর্জনা দেখে ব্যথিত হবেন।

এবং কেন লালনসংস্কৃতিকে এই আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা দরকারঃ

There are many people and organisations, home and abroad, that feel we need to “protect” the baul way of life. I do not necessarily agree with this notion. Rather I feel our intervention is what creates most of the “problems.”

দেশের ও বিদেশের অনেক লোক বা প্রতিষ্ঠানই মনে করে যে বাউলদের জীবনযাপনকে সংরক্ষণ করা উচিৎ। আমি তেমন মনে করি না। আমি মনে করি তাদের অতিমাত্রায় নাক গলানোই বেশিরভাগ সমস্যার সৃষ্টি করছে।

মোবাইল ফোন পাকিস্তানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনছে

পাকিস্তানে মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকের শেষের দিকে। সে সময়ে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রবৃদ্ধি ছিল খুব কম। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধি অনেক বেড়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই বৃদ্ধির হার ৭৭%। আর শহরে প্রায় ১০০ শতাংশ মানুষই মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। পাক টি হাউজে ড. তাহির রউফ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের সবার কাছে মোবাইল ফোন পৌছে যাওয়ায় সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে:

These changes in a broader context called Pakistani neoliberalism, characterized by accelerated consumerism with full scale participation in the global economy.

বলতে গেলে এই পরিবর্তনগুলো বৃহৎ পরিসরে পাকিস্তানকে নব্য উদারবাদী ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। যার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে খুব ভালোভাবে অংশ নিতে পারছে।

বব মার্লে – ভুটানের তরুণদের কাছে নতুন এক ঈশ্বর?

ইতোমধ্যে বিভ্রান্ত এক তরুণ প্রজন্মের কাছে হঠাৎ করে বব মার্লে এক ঈশ্বরে পরিণত হয়েছেন। দি রাস্তাফারি ফ্লাগ জানাচ্ছে স্বয়ং বব নিজে অথবা মারিজুয়ানা এর সাথে যুক্ত, সারা ভুটানে এই একই অবস্থা। বব মার্লে এমন একজন ব্যক্তি যিনি ১৯৮১ সালে মৃত্যু বরণ করেন, সেই তিনি এই একবিংশ শতকের বুদ্ধিমান তরুণদের যে ভাবে মগজধোলাই করছেন তা অবিশ্বাস্য।

পাসাং সেরিং, ভুটানের এক ব্লগার এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষক ভুটানের বাজোথাং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক, তিনি বিস্মিত কেন ভুটানের আজকের তরুণদের কাছে বব মার্লে এক আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার বদলে তিনি তাদের ১২ জন ব্যক্তির প্রতি নজর দিতে বলেছেন যাদের ছবি তিনি তার স্কুলের কম্পিউটার ল্যাবের কামরায় ঝুলিয়ে রেখেছেন।

এবং তরুণরা যা করছে তাতে তিনি বিস্মিত, যে কি ভাবে মার্লে তাদের বিস্ময়ে পরিণত হল, প্রশংসা লাভ করল এবং উদ্দীপনার উৎসে পরিণত হল।

[আলোকচিত্র]: বাংলাদেশের পাখি

A Cuckoo (Kokil in Bangla) sits on branch of a tree and eats fruit. Dhaka, Bangladesh. Image by Mehedi Hasan. Copyright Demotix (14/2/2014)

গাছের ডালের উপর বসা একটি কোকিল (ইংরেজীতে কাক্কু) গাছের ফল খাচ্ছে। ঢাকা, বাংলাদেশ। ছবিঃ মেহেদি হাসান। সর্ব স্বত্ব ডেমোটিক্স (১৪/২/২০১৪)

বাংলাদেশের স্থানীয় বইগুলোতে দেশীয় পাখিগুলোর প্রায়ই ভুল ইংরেজি নাম থাকার পাশাপাশি পশ্চিমা ইংরেজি বইগুলোতেও বাংলা নাম না থাকায় একজন বিদেশীর পক্ষে বাংলাদেশের পাখি শনাক্ত করা কঠিন। বাংলা ব্লগের মুখ ​​এবং জ্যাকব ও সানার ব্লগ বাংলা ও ইংরেজি উভয় নামেই জনপ্রিয় পাখিগুলোর ছবি পোস্ট করে এ ব্যাপারে সাহায্য করার চেষ্টা করেছে। 

ব্লগের মাধ্যমে – চেন্নাইয়ের বর্জ্য নিয়ে আলোচনা

ভারতের চেন্নাই শহরে প্রতিদিন প্রায় ৪,৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। কিভাবে এসব বর্জ্যের মোকাবেলা করা যায় তা নিয়ে চেন্নাইয়ের বর্জ্য নিয়ে আলোচনা ব্লগটি আলোকপাত করেছে।   

অ্যাপলের নতুন আইওএসে পাঁচটি ভারতীয় ভাষা ব্যবহার করা যাচ্ছে

A comparison of some Indic scripts vs. Latin. Image via wikipedia . CC BY-SA 3.0

কয়েকটি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট এবং ল্যাটিন ভাষার মধ্যে পার্থক্য। ছবি: উইকিপিডিয়া। CC BY-SA 3.0

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যাপল নতুন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮, চালু করে আইপড টাচ, আইপড এবং আইফোনের জন্য। এতে নানা ধরনের উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন সেবা থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে যেটি হলো ল্যাটিন ভাষার অক্ষর ছাড়াও নতুন আইওএস ৮ অন্য ভাষার অক্ষর সমর্থন করে। অনেকদিন ধরেই এ সুবিধাটি ব্যবহার করা যেত না। নতুন এ সুবিধার ফলে অনেক আইওএস ব্যবহারকারী নিজের ভাষায় টাইপ করার সুবিধা পাবেন। প্রথম আইওএস চালু হওয়ার পর থেকে মাইক্রোব্লগিং, সোস্যাল মিডিয়া, ই-মেইল কিংবা উইকিপিডিয়ায় অবদান রাখার ক্ষেত্রে নিজস্ব ভাষায় লেখার সুবিধা না থাকায় নানা সমস্যা হতো। তবে নতুন আইওএস ৮ ৫টি ভারতীয় ভাষার স্ক্রিপ্ট সমর্থন করে। এর মধ্যে রয়েছে: হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তামিল এবং উর্দু। অ্যাপলের নানা গ্যাজেট বাজারে আসার পর থেকে এবারই প্রথম এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে নতুন এ আইওএসে ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজের পছন্দসই ভাষা নির্বাচন করে আইওএস চালিত গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবেন যা এশিয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য দারুন এক সুবিধা।

ফেসবুকে ব্যবহারকারী জয়ন্ত নাথ এতে উচ্ছসিত এবং এ সুবিধা ব্যবহার করে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছে:

আইওএস ৮ হালনাগাদ করার পর ডিফল্ট কীবোর্ড হিসেবে বাংলা যুক্ত হয়েছে।

হ্যাঁ, আমি ব্রা পরি, তা দেখাও যায়। তো?

সাংবাদিক নিবেদিতা এন কুমার ফেসবুকে একটি আবেগী নোট লিখেছেন। তা সবার কাছে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। নোটটিতে তিনি পুরুষশাসিত ভারতীয় সমাজে নারীদের পোশাক ধর্ষণকারীদের প্রলোভিত করার ধারণায় চাবুক হেনেছেন। নোটের অংশবিশেষ রইলো এখানে:

Why? Why do you do that? Stare at my breasts like they are cute babies calling out to be cuddled. Strip me naked, slowly, every time I enter the bus? Try to glimpse into my cleavage when I am sitting and reading in the metro.

Who gives you the right? To grope me in the crowded bus? To fall on me “innocently” when I buy popcorn in the theater. When I sit cross legged in the auto and you stop your bike and look hungrily at my legs.

A piece of meat, am I?

How do you think I feel? When I have to continuously watch over my shoulder, because it is 10 pm and there is nobody at the bus stop, except you. Staring at my neck.

কেন? কেন আপনি তা করবেন? কেন আমার স্তনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন যেন তারা আদরের শিশুর মতো আপনাকে ডাকছে? আমি প্রতিবার যখন বাসে চড়ি, আপনার চোখজোড়া কেন আমাকে নগ্ন করে দেখবে? মেট্রো ট্রেনে আমি যখন বসে থাকি কিংবা পড়তে থাকি, তখন কেন জামার ফাঁক গলে আমার স্তনের আভাস দেখার চেষ্টা করবেন?

আপনাকে এই অধিকার কে দিয়েছে- ভিড় বাসে আমাকে অনুভব করার? পপকর্ন নিয়ে সিনেমা দেখার সময়ে ‘নিষ্পাপ'ভাবে আমার গায়ে ঢলে পড়ার। আমি যখন পা ভাঁজ করে অটোতে বসে থাকি, তখন বাইক থামিয়ে আমার নগ্ন পদ ক্ষুধার্তের মতো গিলে খাওয়ার।

আমাকে এক টুকরো মাংস মনে হয়?

আপনার কি ধারণা আছে এসময়ে আমার কেমন লাগে? আমি ক্রমাগত ঘাড় ঘুরিয়ে পিছন দিকে দেখি। কারণ, তখন রাত ১০টা বেজে গেছে। বাসস্টপে আপনি ছাড়া আর কেউ নেই। আমার ঘাড়ের দিকে আপনি স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন।

নিবেদিতা কুমারের নোট ফেসবুকে ৩৫ হাজারের বেশি বার শেয়ার হয়েছে। লজিক্যাল ইন্ডিয়ান নামের একজন শেয়ার করার পর সেখানে ২ লক্ষ ৬০ হাজার জনের বেশি লাইক দিয়েছেন এবং ৬৪ হাজার বারের বেশি শেয়ার হয়েছে।

ভিডিও: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের থিম সং এর সাথে ফ্ল্যাশ মব

আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং ক্রিকেট প্রেমী বাংলাদেশিরা এখন ক্রিকেট জ্বরে ভুগছেন। ২০১৪ সালের এই টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল গান, “চার ছক্কা হই হই”, ইতোমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সারা দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই থিম গানের সাথে তাদের নিজস্ব ফ্ল্যাশ মব সংস্করণে নেচেছে এবং ইউটিউব তা আপলোড করতে শুরু করেছে। এখানে তাদের কিছু নাচ দেখুন। 

ইউটিউবে সবচেয়ে বেশিবার দেখা ভিডিওটি টুর্নামেন্ট চলাকালে স্টেডিয়ামে দেখানো হবে। ১৬ মার্চ থেকে আরম্ভ হয়ে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের এই আসরটি অনুষ্ঠিত হবে। 

শ্রীলংকায় বলপূর্বক অন্তর্ধান: ২০০৬-২০১৩

২০০৬-২০১৩ সময়ে শ্রীলংকায় বলপূর্বক অন্তর্ধানের তদন্তকে সহজতর করার লক্ষ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের অধিকারকে স্বীকার এবং সমর্থন করে গ্রাউন্ডভিউস একটি প্রতিবেদন (পিডিএফ) তুলে ধরেছে।

পুরানো ঢাকার গোপন ইতিহাস সংরক্ষণ

লেখক ও ব্লগার জেনি গুস্তাফাসন আরবান স্টাডি গ্রুপ নামের একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছেন, যেটি পুরানো ঢাকার সমৃদ্ধ স্থাপত্যকলা/শহুরে ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে।