<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; ধর্ম</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/religion/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের একত্র করার প্রচেষ্টা: সহনশীলতার চার্টার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 16:42:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7704</guid>
		<description><![CDATA[বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sadiq/">সাদিক আলম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/a-quest-to-unite-religious-communities-the-charter-for-compassion/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।</p>
<p>২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে <a href="http://www.tedprize.org/about-tedprize">টেড পুরস্কার</a> জিতেছিলেন ভূতপূর্ব রোমান ক্যাথোলিক নান <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Karen_Armstrong">ক্যারেন আর্মস্ট্রং</a>, যিনি নিজেকে ‘ফ্রিল্যান্স মনোথিস্ট’ হিসেবে ডাকেন। এই পুরস্কার বছরে তিনজন উৎকৃষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় যারা প্রত্যেকে পান ১ লাখ ডলার এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিষ লাভ করেন - ‘বিশ্বকে পাল্টাবার একটা ইচ্ছার পূরণ।“</p>
<p><a href="http://www.ted.com/">টেড</a> এর মানে প্রযুক্তি, বিনোদন আর ডিজাইন এবং এই তিন জগৎ থেকে মানুষকে একত্র করতে এটি কনফারেন্স হিসেবে (১৯৮৪ সালে) শুরু হয়। এর পর থেকে এর ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত হয়েছে।</p>
<p>বর্তমান বিশ্বে ক্যারেন আর্মস্ট্রংকে ধর্ম নিয়ে একজন মৌলিক আর ভাবনা উদ্রেককারী <a href="http://www.ted.com/pages/view/id/162">চিন্তাবিদ হিসেবে দেখা হয়</a>। তিনি আশা করেছিলেন <a href="http://charterforcompassion.org/learn/">সহনশীলতার চার্টার</a> তৈরি করার। এটি একটি তত্ত্ব যেখানে বিশ্বের সকল ধর্মের মূল বিষয় আর নৈতিক বিষয়গুলো ‘সোনালি আইন’ হিসেবে থাকবে। তিনি টেড সমাজের কাছে এইভাবে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>“আমি আশা করি এই চার্টারের সৃষ্টি, পদযাত্রা আর প্রচারণাতে আপনারা সাহায্য করবেন। আব্রাহামের তিন ধর্মীয় ধারা - ইহুদীবাদ, খৃষ্ট ধর্ম আর ইসলাম এর সম্মিলনে প্রথম সারির একদল উদ্বুদ্ধ কারী চিন্তাবিদ তৈরি করবেন এই তত্ত্ব যা বিশ্বের ন্যায় বিচার আর সম্মানের মূল মন্ত্রের উপরে প্রতিষ্ঠিত।“</p></blockquote>
<p><strong>সম্মিলিত প্রক্রিয়া:</strong></p>
<p>সহনশীলতার চার্টার লেখার গুরুত্বপূর্ণ সূচনা ছিল উন্মুক্ত লেখা প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী লোকেদের অংশগ্রহণ। যে সব মন্তব্য জমা পড়েছিল তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যা এখনও চলছে। চার্টার এখন চূড়ান্ত ভাবে উন্মোচিত করা হয়েছে এই সাইট (http://www.charterforcompassion.org) এ। সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষ এই চার্টারে অবদান রেখেছেন; এটা ধর্ম, মতবাদ আর জাতীয় পার্থক্য ছাড়িয়ে গেছে। এতে প্রথম সারির চিন্তাবিদরা লিখেছেন বিভিন্ন ঐতিহ্য থেকে আবেগ, অর্ন্তদৃষ্টি, জ্ঞান গত আস্থা আর আশা নিয়ে।</p>
<p>সহনশীলতার চার্টারের <em>দ্যা কাউন্সিল অফ সেজেস</em>  এর মধ্যে সন্নিবেশিত হয়েছে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ আর বিভিন্ন বিশ্বাসের প্রতিনিধিরা - যেমন শেখ আলি গোমাহ (মিশরের বড় মুফতি), রাব্বি ডেভিড স্যাপারস্টাইন (ইহুদিবাদের ধর্মীয় কার্যক্রম রিফর্ম সেন্টার), সাদ্ভি চৈতন্য (ধর্মীয় গুরু আর্শ ভিজনায়া মান্দিরাম আশ্রমের) আর আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু (কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকার অবসরপ্রাপ্ত আর্চ বিশপ)।</p>
<div><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="400" height="220" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="400" height="220" src="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object><br />
<a href="http://vimeo.com/6859038">সহনশীলতার চার্টারের ট্রেইলার</a>, <a href="http://vimeo.com/user991996">TED Prize</a> on <a href="http://vimeo.com">ভিমিওর</a> সৌজন্যে।</div>
<p>বিশ্বব্যাপী চার্টারের সহযোগীর মধ্যে আছে অন্যান্যদের মধ্যে টেড, ট্যানেনবাউম সেন্টার, ধর্মীয় নেতাদের বিশ্ব কাউন্সিল, আল-গাজ্জালি সেন্টার, ধর্ম, সংস্কৃতি আর শান্তি ইন্সটিটিউট।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী <a href="http://charterforcompassion.org/share/events/">১৭০টির বেশী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে</a> সহনশীলতার চার্টার উন্মোচন করার জন্য (আপনি <a href="http://charterforcompassion.org/share/participate-in-an-event/">নিজেরটাও করতে পারেন</a>)। চার্টারের উদ্বোধন এরই মধ্যে অনেক উৎসাহী সমর্থন গড়ে তুলেছে আর বিশ্ব ব্লগ জগৎে আলোচনাও হচ্ছে।</p>
<p><strong>সহনশীলতার চার্টারের দৃষ্টিকোন:</strong></p>
<p>মালয়েশিয়ার সাংবাদিক <em>নিকি চিয়ং</em> <a href="http://www.nikicheong.com/blog/time-for-compassion-the-charter-is-unveiled-today.html">তার ব্লগে লিখেছেন</a>, ”মালয়েশিয়াবাসীদের আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সহনশীলতার মানে তাদের কাছে কি সেটা একটা স্টুডিওতে রেকর্ড করার জন্যে। এই বক্তব্যগুলো দিয়ে একটা ভিডিও নির্মিত হয়েছে ১২ই নভেম্বর সহনশীলতার চার্টার উন্মোচনের দিন প্রচারণার জন্য।“</p>
<p><em>আইজাত ফায়েজ</em> মালয়েশিয়ায় সহনশীলতার চার্টারের চিত্রায়নে অংশগ্রহণে <a href="http://blog.aizatto.com/2009/11/06/participating-in-the-malaysian-chapter-of-the-charter-for-compassion/">তার অভিজ্ঞতার কথা ব্লগ করেছেন</a>। <em>র‌্যান্টিংস বাই এমএম</em> <a href="http://rantingsbymm.blogspot.com/2009/11/compassion-and-constitution-concerns-of.html">জানিয়েছেন</a> যে মালয়েশিয়াতে চার্টারের উদ্বোধন করবেন আনুষ্ঠানিকভাবে <em>ইয়াব তুন আব্দুল্লাহ আহমাদ বাদাউই</em>। বিকালে তরুণদের একটা প্যানেলের পরে হবে বিভিন্ন ধর্মের প্যানেল।“ </p>
<p>ইহুদি আর মিশ্রধর্মের যুক্তরাষ্ট্রের <em>দৈনিক তিক্কুন</em> <a href="http://www.tikkun.org/tikkundaily/2009/11/10/karen-armstrong-wants-you-to-teach-compassion/">আহ্বান করেছে</a>, ”সবার এই সুযোগ নেয়া উচিত আপনার চার পাশের সবাইকে মনে করিয়ে দেয়ার সহনশীলতার ক্ষমতা সম্পর্কে আর সেই সব উপায় নিয়ে চিন্তা করা যেখানে সহনশীলতা ব্যবহার করে বিশ্বকে পরিবর্তিত আর রোগমুক্ত করা যায়।“</p>
<p>বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে <em>সুজাতোর ব্লগ</em> <a href="http://sujato.wordpress.com/2009/11/05/charter-of-compassion/">লিখেছে</a>: “আমাদের সকলের উচিত আমাদের অংশটুকু করা ধর্মকে ব্যবহার করে সৃষ্টিশীলভাবে আর গঠন মূলক ভাবে পরিবেশের সাথে সাড়া দেয়া, এটাকে সাহায্যের শক্তিতে পরিণত করা কষ্ট দেয়ার চেয়ে ভালোবাসা আর আপন করা জাগিয়ে তোলা অজ্ঞানতা আর বাদ দেয়ার মনোভাবের চেয়ে।“</p>
<p><em>ওগিল্ভি পাবলিক রিলেশন</em> ফার্মের ব্লগ <em>৩৬০ ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্স</em> <a href="http://blog.ogilvypr.com/2009/11/is-compassion-viral/">এই প্রশ্নটি করেছেন</a>, ”সহনশীলতা কি ‘ছোঁয়াচে”?</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে <em>ব্রায়ান কার্নেল</em> ‌<a href="http://brian.carnell.com/articles/2008/the-golden-rule-is-still-not-much-of-a-moral-principle/">এর বিপক্ষে তর্ক করেছেন</a> বিশেষ করে &#8216;সোনালি আইন&#39; সম্পর্কে যেটা চার্টারের কেন্দ্রে আছে। এটাকে ‘মূল্যহীন ভালো অনুভব করার আশা’ নামে ডাকা উচিৎ কারণ এটি ‘আসল নৈতিক কষ্ট’ সমাধান করে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ফোর্ট হুডে গণহত্যা সেদেশের সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের উপস্থিতির উপর মনোযোগ প্রদান করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 03:59:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7576</guid>
		<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।     
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/usa-fort-hood-massacre-puts-spotlight-on-muslims-in-army/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।   </p>
<p>সন্দেহজনক ঘাতক হিসেবে মেজর হাসানকে চিহ্নিত করার মুহূর্ত থেকেই সংবাদকর্মী ও মন্তব্যকারীদের হাসানের ধর্ম ও জাতিগত পরিচয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিষ্কার এক অস্বস্তি দেখা যায়।  এই ঘটনার পর সারা দেশ থেকে খবর আসছে যে সামরিক বাহিনীর মুসলমান কর্মীরা অনেক সময় তাদের সহকর্মীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।  </p>
<p>টলেডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত আইনের অধ্যাপক <em>হাওয়ার্ড এম. ফ্রিডম্যান</em> তার ব্লগ <a href="http://religionclause.blogspot.com/2009/11/muslim-soldiers-in-us-military-face.html"><em>রিলিজিয়াসক্লজে</em></a> বলেন: </p>
<blockquote><p>সরকার এখন সক্রিয় ভাবে সামরিক বাহিনীতে কিছু মুসলমানদেরকে নিয়োগ দিচ্ছে। কারণ এই সমস্ত মুসলমানরা ভাষাগত ভাবে দক্ষ ও তারা নিজ সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করে। বিষয়টি ইরাক ও আফঘানিস্তানের যুদ্ধের জন্য খুবই প্রয়োজন। তবে মুসলমানরা কর্মস্থলে অনেক সহকর্মীদের সন্দেহের শিকার হয়।</p></blockquote>
<p>এখন প্রশ্ন হচ্ছে সন্দেহজনক এই মুসলমান কর্মী কি গুলি করার আগে উত্তেজিত ছিল, কেউ হয়ত শঙ্কিত বোধ করতে পারে যে ফোর্ট হুড এর গণহত্যায় তারাও মারা যেতে পারত। প্রশ্ন তোলা যেতে পারে মেজর হাসান কি একজন সন্ত্রাসী, যে তার ধর্মীয় আদর্শের কারণে এই কাণ্ডটি করেছে নাকি সে কেবল মানসিকভাবে এক অসুস্থ ব্যক্তি।</p>
<p>ভ্যাঙ্কুভারের বিনামূল্যে বিতরণকৃত সাপ্তাহিক পত্রিকা <a href="http://www.straight.com/article-269513/gwynne-dyer-us-media-overlook-obvious-explanation-maj-nidals-mass-murder"><em>স্ট্রেইট.কমে</em></a> কানাডার এক লেখক <em>গুয়ান্নে ডায়ার</em> যুক্তি প্রদান করেছেন যে, খুনী ব্যক্তিটির ধর্ম পরিচয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে:  </p>
<blockquote><p>“ঘটনার কয়েকদিন পর পর্যন্ত এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রচার মাধ্যম দ্বিধান্বিত ছিল যে জাতিগত/বর্ণগত/ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সে নানা ধরনের গালাগালির শিকার হয়েছে। এই সব বিষয় নিদালকে উন্মাদ করে তোলে। এগুলো কিছু খারাপ লোকের এমন কিছু কাজ, যা সাধারণ আমেরিকানদের চরিত্রের সাথে খাপ খায় না-সেসব কাজ এই বেদনাদায়ক ঘটনার জন্য দায়ী, এবং এভাবে এর শেষ হল।      </p>
<p>এর একটি ব্যাখ্যা হল যে মুসলমান দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধ ঘোষণা স্বদেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) মুসলমানদের আরো বেশি ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন করে তোলে। কিছু মনে করার নেই, যখন স্বদেশী (ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা) মুসলিম সন্ত্রাসীরা ২০০৫ সালে লন্ডনের পরিবহন ব্যবস্থার উপর হামলা চালায়, এবং অন্য সব পশ্চিমা দেশের হামলার পরিকল্পনাকারী মুসলমানরা পরিকল্পনা সফল হবার আগে যখন ধরা পড়ে তাদের প্রায় সকলেই অভিযোগ করে, পশ্চিমা দেশগুলোর মুসলিম দেশে অভিযান চালানোর কারণেই তারা এ রকম গোঁড়া মুসলমানে পরিণত হয়েছে।</p></blockquote>
<p>অভিবাসন বিষয়ে এবং রাজনীতিতে রক্ষণশীল অবস্থান গ্রহণের জন্য ফক্স নিউজ নামক সংস্থাটির প্রায়শ: সমালোচনা করা হয়। তারা মাঝে মাঝে সামরিক বাহিনী থেকে <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">মুসলমানদের ছেঁকে ফেলার</a> জন্য আহ্বান জানায়। <a href="http://www.veteranstoday.com/modules.php?name=News&#038;file=article&#038;sid=9280"><em>ভেটেরানস টুডে</em></a> ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অবসরপ্রাপ্ত উপকূল রক্ষা কর্মকর্তা টম বার্নেস বলেন, সংবাদ সংস্থাগুলো একই ধাঁচের সংবাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, আর সেটা হল “আমরা বনাম তারা” বিষয়ক এক উত্তেজনার সৃষ্টি করা:   </p>
<blockquote><p>“&#8230; সংবাদ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে মোটেও সহযোগীতামূলক আচরণ করছে না, বলা যায় শীঘ্রই ফক্স চ্যানেলের শুরুর এক প্রশ্ন, &#8220;তাদের&#8221; বিরুদ্ধে আরেকটি ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের রূপ নেবে। বিষয়টি কেবল পরিণত হচ্ছে না, এটা বিপজ্জনক এক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এর কাহিনীটি <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">এখানে</a> দেওয়া হল।  </p>
<p>যেমনটা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি, এই ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ঘটছে। ফক্স নিউজের এই কথা শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি যে, আমাদের শত্রু কারা। সকল সময় সেই একই কথা শুনছি। একটানা এইসব কথা শুনে যাচ্ছি। আমার ধারণা ছিল না, দেশের বাইরে অজস্র “তারা” মানে আমাদের শত্রু রয়েছে!</p></blockquote>
<p><a href="http://news.google.com/news/url?sa=t&#038;ct2=us%2F0_0_s_0_0_t&#038;usg=AFQjCNFUhLnrNP-D9fmObNIMr6pSA-X1sg&#038;cid=1465293836&#038;ei=oXL4Spi5FIqGmQfJnPI9&#038;rt=SEARCH&#038;vm=STANDARD&#038;url=http%3A%2F%2Fwww.csmonitor.com%2F2009%2F1108%2Fp02s08-usmi.html">বেশ কিছু সংবাদপত্র</a> এখন দেখছে যে মেজর হাসানের কাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মুসলমানদের উপর কি ধরনের প্রভাব তৈরি করে এবং একই বিষয়টি ফোর্ট হুডের আশেপাশের বাসিন্দাদের উপর কি রকম প্রভাব ফেলে।  </p>
<p>ফোর্ট হুডের মুসলিমরা এই ঘটনাটিকে কি ভাবে দেখে তার উপর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=N8Azg9TxYkM"><em>ইউরোআমেরিকাননিউজের</em></a> করা এক ভিডিও সংবাদ ইউটিউবে রাখা হয়েছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই গণহত্যার তদন্ত যতদিন চালু থাকবে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মুসলমানদের উপর মনোযোগ বজায় রাখাও ততদিন চলতে থাকবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা: এইচ১এন১, প্রতিষেধক টিকা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7485/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7485/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 16:44:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জর্ডান]]></category>
		<category><![CDATA[তুরস্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7485</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বের অনেক দেশে এইচ১এন১ বা সোয়াইন ফ্লুর বিস্তার রোধে প্রতিষেধক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যখন এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে, তখন এই রোগ নিয়ে অনলাইনে গুঞ্জনও বাড়ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/amira-al-hussaini/">আমিরা আল হুসাইনি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/07/mena-h1n1-vaccines-and-conspiracy-theories/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বের অনেক দেশে এইচ১এন১ বা সোয়াইন ফ্লুর বিস্তার রোধে প্রতিষেধক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যখন এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে, তখন এই রোগ নিয়ে অনলাইনেও গুঞ্জন বাড়ছে।</p>
<p>সৌদি আরব এ বছরের <a href="http://www.answers.com/Haj">হজ</a> মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সে সময় সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মুসলিম মক্কায় হজ করতে আসবে। <a href="http://xrdarabia.org/2009/11/04/saudis-finalize-swine-flu-planning-for-haj/"><em>ক্রসরোড অফ এরাবিয়া</em></a> ব্লগের <em>জন বার্জেস</em> লিখেছেন: </p>
<blockquote><p>আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই হজ শুরু হতে যাচ্ছে। সে সময় সৌদি আরবে সোয়াইন ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে যাচ্ছে। <em>সৌদি গেজেট্টে</em> জানাচ্ছে যে, সৌদই আরবের জরুরী অবস্থা পর্যবেক্ষণকারী বিশেষজ্ঞরা এক বিশেষ সভায় বসেছিলেন, যাতে সোয়াইন ফ্লু নিয়ে যে পরিকল্পনা, সেটি বাস্তবায়ন করা যায়। প্রবন্ধটি জানাচ্ছে, সৌদি আরবের সকল এলাকার মধ্যে মক্কা ও মদিনার লোকজনকে প্রথমে সোয়াইন ফ্লুর টিকা নিতে অনুরোধ জানানো হবে। এই উদ্যোগ এ রোগের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে সহায়তা করবে।</p></blockquote>
<p>তুরস্কের লোকদের কাছে পরিস্থিতি এতটা স্পষ্ট নয়। তুরস্কের ব্লগার <a href="http://erkansaka.net/2009/11/05/swine-flu-panic-in-turkey/">এরকান</a> স্বীকার করে নিয়েছেন যে এর আগে সেখানে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক মহামারীর সময় তিনি অনেক ভীত ছিলেন:</p>
<blockquote><p>এক মুহূর্ত উদ্বিগ্ন হবার মত সময় আমার নেই। আমি জানি না কেন, আমি ‘<a href="http://erkansaka.net/2009/11/05/swine-flu-panic-in-turkey/www.cdc.gov/ncidod/dvrd/Spb/mnpages/dispages/cchf.htm">ক্রিমেন কঙ্গো হেমেরেজিক ফ্লু</a>’ বা ‘<a href="http://erkansaka.net/2009/11/05/swine-flu-panic-in-turkey/www.cdc.gov/flu/avian/">বার্ড ফ্লু</a>’ নিয়ে বেশ শঙ্কিত ছিলাম।<br />
তবে সোয়াইন ফ্লু নিয়ে ইস্তাম্বুলে সামান্য উদ্বিগ্নতা দেখা যাচ্ছে। এখানে ভালো লক্ষণ এই যে, জনতা সরকারের নির্দেশ পালন করছে এবং যতটা পারছে সতর্কতা অবলম্বন করছে। তারা সব কিছু ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেবার দলে নয় এবং তারা আমার থেকে আলাদা নয়।</p></blockquote>
<p>ইতোমধ্যে <a href="http://blog.sweetestmemories.com/default.asp?Display=1883"><em>মেমরিজ ডকুমেন্টেড</em></a>-ব্লগে জর্ডানের <em>কুইডার</em> আমাদের একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্বের কথা জানাচ্ছেন:</p>
<blockquote><p>আমার এক বান্ধবী বিশ্বাস করেন যে জর্ডানের ওষুধ কোম্পানীগুলো একটি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত। সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যুক্তি প্রদর্শন করেছে প্রতিষেধকগুলো আসলে কতটা খারাপ, এবং কি ভাবে কোম্পানীগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে এই মানব প্রজাতির সংখ্যা কমিয়ে আনার কাজের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। তারা তরুণ, দুর্বল এবং অসুস্থদের এই পৃথিবী থেকে বিদায় করে দিচ্ছে। আর এর মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমিয়ে আনছে।</p></blockquote>
<p> তিনি এর সাথে আরো যোগ করেন:</p>
<blockquote><p>আমি মনে করি লোকজন ভয় পেয়েছে এবং যখন তারা ভয় পায়, তখন তারা এক শয়তান সৃষ্টি করে এবং তারা ভয় পায় ও নিজেদের ভয়ের দ্বারা সৃষ্ট হুমকির মুখে ফেলে দেয়। যখন লোকজন ভীত হয়ে পড়ে, তখন তারা অনেক নিয়মের বেড়াজালে নিজেদের আটকাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।  </p>
<p>কিন্তু জীবাণুরও একজন মানুষ প্রয়োজন নিয়মিতভাবে সুস্থ হবার জন্য&#8230;.</p>
<p>আমি নিশ্চিত নই, কিন্তু আমি বিজ্ঞানে বিশ্বাস করি&#8230;.সত্যিই আমি তা বিশ্বাস করি, যতই তারা আমাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করুক না কেন, আমি ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের কাছ থেকে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিষয়টি সম্বন্ধে শুনতে চাই ।</p></blockquote>
<p><a href="http://riadzany.blogspot.com/2009/11/moroccan-news-briefs.html"><em>দি ভিউ ফ্রম ফেজ</em></a> মরোক্কোর একজন ব্লগার। তিনি এইচ১এন১ সম্বন্ধে নিম্নলিখিত তাজা সংবাদ জানাচ্ছেন: </p>
<blockquote><p>মরোক্কোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে কাসাব্লাঙ্কা, তানজের, মারাকেশ, ফেজ, বেনসালিমানে, অজুদা এবং মেকনেস শহরের বেয়াল্লিশ জন ব্যক্তি নতুন করে এইচ১এন১ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। </p>
<p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানাচ্ছে, মরোক্কোতে মোট সোয়াইন ফ্লু আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯২ জনে, যার মধ্যে ২৯৭ জন স্কুলের ছাত্রছাত্রী। </p>
<p>মন্ত্রণালয় বলছে, সকল রোগীকে ঘরের মধ্যে রাখা হয়েছে, যাতে তাদের ঠিকমতো যত্ন নেওয়া যায়, এবং এর সাথে সাথে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।  তারা বলছে, এই সমস্ত রোগীদের মধ্যে কারো অবস্থাই তেমন জটিল নয়। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মরোক্কোতে কেউ মারা যায় নি।</p></blockquote>
<p>রোগটি সম্বন্ধে সহজ এক পর্যবেক্ষণ করেছেন জর্ডানের <a href="http://hareega.blogspot.com/2009/11/mikro-blogging-da3-3anka-lawmi-fa-inna.html"><em>হারেগা</em></a>। তিনি লিখেছেন: </p>
<blockquote><p>আমি বুঝতে পারি এইচ১এন১ কতটা বিপজ্জনক, কিন্তু যদি আপনি প্রতিদিন ৩ প্যাকেট সিগারেট খান অথবা মানসাফের জিনারোমাস সেডার (ভাত দিয়ে তৈরি জর্ডানের বিশেষ খাবার) খান তা হলে আপনাকে আর এইচ১এন১ নিয়ে শঙ্কিত হতে হবে না, এইচ১এন১ রোগটি আপনাকে ধরার আগেই ভিন্ন কিছু রোগ আপনাকে দ্রুত ধরে ফেলবে।</p></blockquote>
<p>একই পোস্টে <em>হারেগা </em> আরো যোগ করেছেন: </p>
<blockquote><p>যতদূর জানা যায় জর্ডানের সাত জন নাগরিক এইচ১এন১ রোগে মৃত্যুবরণ করেছে। এর চেয়ে দশগুণ বেশি লোক মারা যায় যখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে জর্ডানের ফুটবল দল ৩-১ গোলে হেরে যায়। কোন টি বেশি প্রয়োজন তা আমাদের আগে নির্ধারণ করা উচিত। সোয়াইন ফ্লুর প্রতিষেধক টিকা দেবার আগে জর্ডানের জাতীয় ফুটবল দলকে জেলে পাঠানো উচিত।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7485/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: এক পুরুষ ব্লগার নকল সতীচ্ছদ কিনেছেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 18:21:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7436</guid>
		<description><![CDATA[নকল সতীচ্ছদ কীট নিয়ে এত কিছু বলা ও লেখা হয়েছে যে মিশরীয় পুরুষ ব্লগার মোহামেদ আল রাহহালকে তা একটা কিনতেই হল। মারওয়া রাখা বিস্তারিত জানাচ্ছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marwa-rakha/">মারওয়া রাখা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/29/egypt-egyptian-male-blogger-orders-artificial-hymen/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.rnw.nl/english">রেডিও নেদারল্যান্ডস</a> যখন নকল সতীচ্ছদ কীটের উপর একটি রিপোর্টের আরবী ভাষান্তর প্রচার করেছিল, যখন <a href="http://www.youm7.com/News.asp?NewsID=136364">ইউম৭ সংবাদপত্র</a> ঘোষণা করেছিল যে এই পণ্য মিশরের বাজারে এলে ৮৩ মিশরীয় পাউন্ড মূল্যে পাওয়া যাবে, যখন <a href="http://www.huffingtonpost.com/2009/10/05/egypt-fake-hymen-kit-may-_n_309737.html">মিশরের রক্ষণশীল সাংসদরা এই পণ্য নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন</a> আর যে কোন রপ্তানীকারককে বের করে দেয়া বা মাথা কেটে ফেলার আদেশ দিতে চেয়েছিলেন, এবং যখন এটি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/10/08/will-egypt-import-chinese-hymens/">মিশরের ব্লগ জগৎে</a> বিশাল বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল, তখন মোহাম্মাদ আল রাহহালকে <a href="http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2009/oct/28/artificial-hymen">এই জিনিষ</a> একটা কিনতেই হল।</p>
<p>তিনি যখন পোস্ট অফিস থেকে তার প্যাকেট তুলতে গেলেন:</p>
<blockquote><p>বেশ কয়েকজন বিভ্রান্ত কাস্টমস আর ডাক কর্মী এটি খুলেছিলেন, যারা কিছু না বুঝতে পেরে পণ্যটির বিবরণ লিখেছিলেন “অজানা লাল তরল আছে’ – আর আমার বর্ণনার অপেক্ষায় ছিলেন।</p></blockquote>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/fakehymen.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/fakehymen.jpg" title="নকল সতীচ্ছদ" class="alignnone" width="460" height="276" /></a></p>
<p>তিনি তাদেরকে বলেছিলেন ‘এটা চলচ্চিত্রের অঙ্গ সজ্জা&#39; আর তারপর এটাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন:</p>
<blockquote><p>‘সতীচ্ছদ’ টা এমন: একটা ৫ X ৭ সেমি ভাঁজ করা প্লাস্টিক- আসলে এল্বুমিনের, এর সাথে থাকা বর্ণনা আমাকে সাথে সাথে ঠিক করিয়ে দিল- এক দিকে গাঢ় লাল কালি দিয়ে ভর্তি। যৌন সংসর্গের আগে যোনি পথে স্থাপন করলে, প্লাস্টিকটি অল্প শক্ত হয়ে যায়, আর যৌন মিলনের সময় ছিঁড়ে যায়। কয়েক ‘ফোঁটা’ রক্ত চাদরে পড়বে, যার ফলে ওই নারী, তার পরিবার বা সমাজের ‘সম্মান’ রক্ষিত হবে।</p>
<p>এটাতে আসলে কাজ হয় কিনা আমি জানি না। এই পণ্য সম্পর্কে ডাক্তারি মতের অনুপস্থিতি, আর অনলাইনে এমন দোষারোপ যে এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে, এমন পরিস্থিতিতে আমি কোন স্বেচ্ছাসেবককে এটা পরীক্ষার জন্য দিতে পারি নি।</p></blockquote>
<p>মিশরীয়রা <a href="http://www.monaeltahawy.com/blog/?p=188">এভাবে নকল সতীচ্ছদ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরেছে</a> এটা <em>মোনা এল তাহাউই</em> পছন্দ করেননি। দেশটি আজকাল যে সব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে- জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া, একজন প্রেসিডেন্ট ২৮ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন যার ছেলে মনে হচ্ছে তার পরে ক্ষমতায় আসবেন, ইত্যাদি- সেসব বাদ দিয়ে কেন সতীচ্ছদ নিয়ে এত কথা, আসল বা নকল?</p>
<p>আপনাদের স্বাগতম ছলনা আর অস্বীকারের সাথে যা এক সাথে ধাক্কা দেয় নারী আর তাদের পবিত্রতা নিয়ে রক্ষণশীল ধর্মীয় চিন্তার কেন্দ্রে। আর মিশরের ক্ষেত্রে, এই রক্ষণশীলতা মুসলিম আর খ্রীষ্টানদের ক্ষেত্রে একই ভাবে প্রযোজ্য।</p>
<p>একজন মুসলমান হিসেবে, আমি জানি কোরান শিক্ষা দেয় পুরুষ আর নারীর পবিত্রতার ব্যাপারে, কিন্তু রক্ষণশীলদের কেবল নারীদের নিয়ে মত্ত থাকার মানে হল কেবলমাত্র বিয়ের আগে যৌন সংসর্গের নিষেধাজ্ঞা মানতে হবে। কুমারীত্ব নিয়ে এই ধরনের অতিরঞ্জন খেলো একটা বিষয় যা মারাত্মক প্রভাব ফেলে।</p>
<p><em>মোহাম্মেদ এল রাহহাল</em> ঘোরতর ভাবে এটার নিন্দা জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>যে ছলনা আমাদের সমাজের ৫০% মানুষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে বাকি অর্ধেককে মুক্ত ছেড়ে দিয়ে। নারীদের এত দূর পর্যন্ত চাপ প্রয়োগের বিরুদ্ধে আমি, এতে তাদের স্বাস্থ্য বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে নারী পুরুষ সম্পর্ক নিয়ে আমাদের আইনসঙ্গত জাতীয় অধিকার অর্জন বিলম্বিত হবে।</p>
<p>শরীর দ্বারা নৈতিকতাকে ব্যাখ্যা করা সব চেয়ে খারাপ। আর যদি ছোট এক টুকরো প্লাস্টিক দ্বারা নৈতিকতা প্রমাণের অপেক্ষায় আমরা থাকি, তাহলে এরই মধ্যে আমরা হেরে গেছি- আরো ভালো কোন ব্যাখ্যা পাওয়া দরকার আমাদের। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সংঘর্ষকে উপলদ্ধি করার জন্য ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা ভিডিও ব্যবহার করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 16:15:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[হিব্রু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7415</guid>
		<description><![CDATA[ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু'টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/israeli-and-palestinian-youth-use-video-to-understand-the-conflict/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু&#39;টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে। সংগঠন দু&#39;টি তাদের মধ্যে এমন এক বিশেষ জায়গা তৈরি করছে যাতে তারা পরস্পরের সাথে মেশে এবং যোগাযোগ তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য যাতে তারা তাদের স্বপ্ন, পরস্পরের সচেতনতা ও চিন্তাভাবনা ভাগাভাগি করে নিতে পারে, যেন তাদের জীবনে যে জটিলতা চলছে তা তারা অতিক্রম করতে পারে। </p>
<p>এই বিষয়ে এক অন্যতম উদ্যোগের নাম হল <a href="http://en.reutsadaka.org/">সাদাকা রেয়ুট</a> এবং তারা তাদের এই <a href="http://en.reutsadaka.org/?page_id=54">উদ্যোগ সম্বন্ধে বলছে</a>:</p>
<blockquote><p>বেশিরভাগ ফিলিস্তিনী ও ইহুদি তরুণ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন (তারা আলাদা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে থাকে এবং স্কুলে পড়াশুনা করে) হয়ে থাকে এবং এর ফলে তাদের একে অপরের প্রতি ভয়, বর্ণবাদ এবং সংস্কার বিরাজ করছে। আমরা দু&#39;টি সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ বা মেশার জন্য বিকল্প এক ধারা তৈরির চেষ্টা করছি। ‘শান্তির এক সংস্কৃতি নির্মাণ’ নামক উদ্যোগটি প্যালেস্টাইন ও ইহুদি তরুণদের পরস্পরের সাথে এক সম্পর্ক তৈরির প্রচেষ্টা যাতে তারা উভয়ে নিজেদের সমান অধিকার সম্পন্ন মানুষ বলে বিবেচনা করে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং তারা ব্যক্তিগত ও জাতিগত ভাবে এই সমস্ত বিষয়গুলো অনুভব করে।</p></blockquote>
<p>তাদের এই অনুষ্ঠানের সদস্যরা এক মিনিটের এক ভিডিও নামক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে, সেখানে তারা এক সপ্তাহের এক কর্মশালায় অংশ নেয়। এই কর্মশালায় তারা ভিডিও এক্টিভিজম সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করে। এখানে তার কিছু ফলাফল রয়েছে এবং আপনি <a href="http://en.reutsadaka.org/?p=846">তাদের সাইটে </a>ক্লিক করে বাকী ভিডিও দেখতে পাবেন:</p>
<div><a href="http://www.youtube.com/watch?v=XkxUC30UNug">আরব</a><br />
<object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=US6QtYDVzB8">এএম/এফএম</a>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=gT9KX9fKgT0">ভালোবাসার কিছু গান গাওয়া:</a></p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.win-peace.org/home.html">উইন্ডোজ ফর পিস </a>বা শান্তির জানালা নামক পরিকল্পনা এ রকম আরেকটি উদ্যোগের নাম। এই উদ্যোগের শুরু ১৯৯১ সাল থেকে, যার শুরু তরুণদের জন্য এক পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে। দু&#39;টি ভাষা ও দু&#39;টি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করে এমন এক পত্রিকা এটি। এর উদ্দেশ্য ছিল তারা যেন একে অপরের সাথে মিশতে পারে এবং পরস্পরের দ্বন্দ্বের কারণগুলো জানতে পারে। একই সাথে এই পত্রিকা যেন তরুণদের জন্য সাম্য ও ক্ষমতা তৈরি করতে পারে তার জন্য এটি কাজ করে গেছে। তবে কাজটি সহজ ছিল না। যেমনটা তারা <a href="http://www.win-peace.org/about.html">তাদের সাইটে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছে</a>: </p>
<blockquote><p>ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণদের একই মঞ্চে নিয়ে আসার বিষয়টি সহজ কাজ ছিল না, যেখানে উভয়ের মধ্য প্রচুর পরিমাণে ভুল বোঝাবুঝি এবং একই ধরনের বিশ্বাসের মত বিষয়গুলোকে অতিক্রম করে আসতে হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অন্যের সম্বন্ধে শিখে এসেছে। পরস্পরের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তথ্য পাওয়ার অনেক কম সম্ভাবনা থেকে যায়। এর ফলে সম্প্রদায়গতভাবে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বাস করে। চলতে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষ, ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রদায় দু&#39;টিকে পরস্পরের প্রতি ভীতি, সংস্কার ও ঘৃণা তৈরি করতে শেখায়, যা তাদের আলাদা করে রেখেছে। উইন্ডোজ অফ চেঞ্জ বা পরিবর্তনের জানালা নামের উদ্যোগটি এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে ভাবে ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা পরস্পর ও সংঘর্ষকে দেখে তার পরিবর্তন ঘটাবে”। উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছে যা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান সংঘর্ষকে ভিন্ন আকারে উপস্থাপন করে, বিষয়টিকে এমন এক শান্তিপূর্ণ বাস্তবতার দিকে নিয়ে গেছে যেখানে উভয় সম্প্রদায় একত্রে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং পারস্পারিক জ্ঞান ও একে অন্যের প্রতি গ্রহণযোগ্যতার  মাধ্যমে স্থির এবং কাঙ্ক্ষিত এক শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হবে।</p></blockquote>
<p>তারা একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার নাম <a href="http://www.win-peace.org/youth%20media%20program.html">থ্রু দ্যা লেন্স</a>। এখানে ১৫ থেকে ১৭ বছরের তরুণ যারা পত্রিকার মাধ্যমে &#8216;বিশেষ সনদ প্রাপ্ত বা গ্রাজুয়েট&#39; হয়েছে, তারা শর্ট ফিল্ম বা সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র তৈরির উপর দক্ষতা অর্জন করছে। তারা সংবাদ টুকরো এবং অন্য সব ভিডিও  তৈরি করছে যা ভবিষ্যৎ-এ উৎপাদনশীল, শান্তির সংলাপ সম্বলিত এবং ইতিবাচক যোগাযোগ তৈরি করে এমন তথ্য চিত্র তৈরি করতে পারে। </p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=zsxLrfzyAIo">এখানে একটি ভিডিও রয়েছে</a> যেখানে উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তার বর্ণনা দিচ্ছে এবং এই কাজে তারা যে সমস্ত জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিল কি ভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেছে সেই সব বিষয় উপস্থাপন করছে। একই সাথে তারা ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনীদের মধ্যে যে সংঘর্ষ সেই জটিল বিষয় সম্বন্ধে বলছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>এই ভিডিওর শিশুরা অনেক শব্দে তাদের কথা বলছে: অনেক মতামত নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের বেশ কঠিন সময় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং অন্য শিশুদের প্রকাশিত ধারণাকে উপলব্ধি করতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে, কিন্তু পরস্পরের মধ্যে আলোচনার জন্য নিরাপদ এবং নিরাপত্তামূলক জায়গা তৈরি করার মত বিষয়টি, যে পৃথিবীতে তারা বাস করছে তাকে বুঝতে সাহায্য করছে। এই ঘটনাটি অন্য শিশু এবং তরুণদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা ও শেখার বিষয়টিকে ভাগাভাগি করে নিতে সাহায্য করছে, এমনকি এটি তাদের ধারণা পরিবর্তনেও তা সাহায্য করছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জর্জিয়া: অর্থডক্স কেলেঙ্কারি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 14:54:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জর্জিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7379</guid>
		<description><![CDATA[দক্ষিণ ককেশাসের ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোতে অর্থডক্স চার্চ প্রধানরা বা গোঁড়া যাজকতন্ত্র এমনকি জন্মহার বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ প্রদান করতে পারে। এখানে যাজকতন্ত্রের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ এক বিষয়। তাদের পরিহাস করা এমনকি সমালোচনার চেয়ে খারাপ এবং বিপজ্জনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অনিক ক্রিকরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/georgia-orthodox-scandal/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>দক্ষিণ ককেশাসের ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোতে অর্থডক্স চার্চের পুরোহিতরা বা গোঁড়া যাজকতন্ত্র এমনকি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/30/georgia-holy-baby-boom/">জন্মহার বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ প্রদান করতে</a> পারে। এখানে যাজকতন্ত্রের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ এক বিষয়। তাদের পরিহাস করা এমনকি সমালোচনার চেয়ে খারাপ ও বিপজ্জনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেমনটা <em>দিস ইজ তিবলিসি কলিং</em> ব্লগ জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>জর্জিয়ার পুলিশ বলছে, যারা দেশটির অর্থডক্স চার্চের প্রধানকে ইঙ্গিত করে “অশ্লীল ও অপমানকর” ব্যাঙ্গাত্বক ভিডিও তৈরি করেছিল তাদের চিহ্নিত করা গেছে। এই ঘটনা ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন  দেশে এক কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র অপরাধীদের শনাক্ত করেছেন। তিনি জানাচ্ছেন, অপরাধীরা স্কুল  ছাত্র।[&#8230;]</p></blockquote>
<p><em>এভুলুটসিযা</em> বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বিষয়টি যাচাই করে দেখছেন, যা কিনা দেশটির চার্চের ক্ষমতা ও বাক স্বাধীনতার সাথে যুক্ত। নতুন চালু করা ইংরেজী ভাষায় প্রকাশিত সংবাদ ব্লগের মন্তব্যের পাতায় <em>ইনজে স্নিপ</em> <a href="http://networkedblogs.com/p16567796">সতর্ক ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন</a>।</p>
<blockquote><p>বাক স্বাধীনতা এখানে অন্যতম এক মৌলিক অধিকারের বিষয়, আমি বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। বাক স্বাধীনতা জানায়, যে কোন বিষয় হউক না কেন-একটি দেশের সকল নাগরিকের নিজস্ব মতামত প্রদানের অধিকার রয়েছে, যা সকলেই শোনার অধিকার রাখে। এছাড়া বলা যায় সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পরিহাস করার অধিকার প্রদান করে। এবং তা করতে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সমাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।</p>
<p>[&#8230;]</p>
<p>উপসংহারে বলা যায় এই বিষয়ে তদন্ত করার কোন ভিত্তি নেই, এবং তার কোন প্রয়োজন ছিল না;  তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ঠিক তার বিপরীত কাজটাই করেছে, কারণ জনতার দাবি তাই ছিল।  আইনের ছাত্র হিসেবে বলতে পারি, এটা অদ্ভুত এক বিচার বিভাগীয় তদন্ত, যা আমি এর আগে কখনো শুনিনি।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7379/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিপণনের একটি কৌশল হিসেবে হিজাব</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7151/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7151/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 21:12:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অস্ট্রেলিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[স. আরব আমিরাত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7151</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনআমিরা আল হুসাইনী  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
আবায়াচিক  বিপণনের একটি কৌশল হিসেবে হিজাবের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/10/27/uae-hijab-as-a-marketing-ploy/">আমিরা আল হুসাইনী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/27/uae-hijab-as-a-marketing-ploy/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em><a href="http://abayachic.blogspot.com/2009/10/hijab-as-marketing-ploy.html">আবায়াচিক</a></em>  বিপণনের একটি কৌশল হিসেবে হিজাবের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7151/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: দুর্গা পুজা - মেয়ে বাপের বাড়ি বেড়াতে এসেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7012/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7012/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2009 10:51:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7012</guid>
		<description><![CDATA[দুর্গা পূজা হচ্ছে একটি বার্ষিক উৎসব যাতে হিন্দু দেবী দুর্গার পূজাকে উদযাপন করা হয়। বাঙ্গালীরা বিশ্বাস করে যে দূর্গা বাংলার মেয়ে আর উৎসবের দিনগুলোতে তিনি তার বাপের বাড়িতে চার সন্তান আর কাছের দুই জন বন্ধু সহ বেড়াতে আসেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/aparna-ray/">অপর্ণা রায়</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/29/india-durga-puja-a-daughter-comes-visiting/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>কথিত আছে যে শক্তিশালী রাক্ষস <a href="http://maavaishnodevi.org/legend3.asp">মহিষাসুর</a> একবার ইশ্বরদের সন্তুষ্ট করেছিলেন কঠোর প্রায়শ্চিত্তের মাধ্যমে। সন্তুষ্ট ইশ্বরেরা যখন তাকে বর দিতে চাইলেন তখন তিনি অমরত্ব চাইলেন। তাকে তা দেয়া না হলে তিনি চালাকি করে বর চাইলেন যে কেবলমাত্র একজন নারী যুদ্ধে তাকে হত্যা করলে তার মৃত্যু হবে। তিনি মনে করেছিলেন যে একজন নারী তার শারীরিক শক্তির সাথে কখনো মোকাবিলা করতে পারবে না, আর তাই তিনি আসলে অমর হয়ে রইবেন। এইভাবে বরে শক্তিশালী হয়ে মহিষাসুর পৃথিবী আর স্বর্গে অরাজকতা কায়েম করলেন।</p>
<p>তার সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে, ইশ্বরেরা তাদের সম্মিলিত বল দিয়ে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Shakti">শক্তিকে</a> তৈরি করেন (আদিম, মহা জাগতিক, নারী শক্তি) যিনি একজন দেবী এবং তার বিভিন্ন রূপ। তারই একটি রূপ <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Durga">দুর্গা</a>। ইশ্বরদের দেয়া অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে, দুর্গা যুদ্ধে গেলেন সিংহে চড়ে। তখন এক দীর্ঘ আর ভয়ঙ্কর যুদ্ধ হয় যার শেষে মহিষাসুর মারা যায়। দেবী দুর্গাকে তাই ‘মহিষাসুর মর্দিনী’ (মহিশাশুরকে যে বধ করেছেন) বলা হয়। তিনি মা দেবী, সর্ব শক্তিমান যিনি সকল অশুভকে ধ্বংস করেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-033-225x300.jpg"><img alt="দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধ করছেন। ছবি তুলেছেন অপর্না রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-033-225x300.jpg" title="দুর্গা" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধ করছেন। ছবি: অপর্ণা রায়।</p></div>
<p>প্রাথমিকভাবে হিন্দুদের এই উৎসব বসন্তে পালিত হত। তবে এখন হেমন্তের উৎসব দেবীর মূল পূজার জাকজমককে ছাড়িয়ে যায়। হেমন্তের এই উৎসব মহাকাব্য <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ramayana">রামায়ন</a> অনুসারে শুরু হয়েছে সেই সময় থেকে যখন রাম তাঁর স্ত্রী সিতাকে অপহরণকারী রাবণের কাছ থেকে উদ্ধারের জন্য যুদ্ধে যাওয়ার আগে অভিবাদন জানান দুর্গা দেবীকে। যেহেতু সময়ের বাইরে দেবীর পুজা করা হয়েছিল, রামের করা দুর্গা পুজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হয় (সময়ের আগে প্রার্থনা)।</p>
<p>রামের উদাহরণ অনুসারে, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল ভেদে দুর্গা পূজা এখন উদযাপিত হয় ৫ দিন (দুর্গা পূজা)- ১০ দিন ধরে (নবরাত্রি- যেখানে ৯ শক্তির পূজা হয়) ।</p>
<p>দুর্গা পূজার পেছনের মূল গল্প একই থাকলেও, দুর্গা পূজাতে (বা পূজো যেমন বাংলায় বলা হয়) <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_people">বাঙ্গালীদের</a> একটু স্বাতন্ত্র্য বা ব্যক্তিগত ছোঁয়া আছে । বিশ্বাস করা হয় যে দূর্গা বাংলার মেয়ে আর উৎসবের এই ৫ দিনে সে তার বাপের বাড়িতে ৪ সন্তান (<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ganesha">গনেশ</a>, <a href="http://hinduism.about.com/od/hindugoddesses/p/lakshmi.htm">লক্ষ্মী</a>, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Saraswati">সরস্বতী</a> ও <a href="http://hinduism.about.com/od/godsgoddesses/p/kartikeya.htm">কার্তিক</a>) আর কাছের দুই জন বন্ধু সহ বেড়াতে আসেন। তার স্বামী শিব সাধারণত: এমন সময়ে তাঁর সাথে আসেন না। তিনি স্বর্গে থেকে যান, আর তার স্ত্রী ও সন্তানদের পৃথিবীতে এসে বাঙ্গালী আত্মীয়দের কাছ থেকে সব আদর গ্রহণ করতে দেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-0651-300x225.jpg"><img alt="দক্ষিণ কোলকাতার এক প্যান্ডেলে দুর্গা পুজার প্রতীমা। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-0651-300x225.jpg" title="দুর্গা পুজার প্রতীমা" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ কোলকাতার এক প্যান্ডেলে দুর্গা পুজার প্রতিমা। ছবি: অপর্ণা রায়।</p></div>
<p><em>কলকাতা মিউজিং</em> বলেছেন কেন তিনি মনে করেন যে এই শহরের দুর্গা পূজাকে <a href="http://www.kolkatamusing.com/2009/09/creativity-cornerstone-of-kolkatas.html">অন্যতম বলার যোগ্যতা</a> আছে।</p>
<blockquote><p>কলকাতার দুর্গা পূজায় যা আলাদা তা হল এর সৃষ্টিশীলতা, নতুন কিছু তৈরির তাগিদ। আর এই কারনে আমার মনে হবে যে কলকাতার দুর্গা পূজার হয়তো কোন তুলনা নেই।</p></blockquote>
<p>বছরের পর বছর পূজার অলংকরণে- প্যান্ডেলের ডিজাইনে যে নকশা দেখা যায় আর প্রতিমার অলঙ্করণে (দুর্গা প্রতিমা) সবকিছুতেই সৃষ্টিশীলতা বেশ প্রকট। প্রতি বছর অনেক পুরস্কার দেয়া হয় নতুন, সৃষ্টিশীল, পরিবেশ –বান্ধব (মূল্যায়নে পারতপক্ষে নতুন মাত্রা) পূজার যা জনগণের নিরাপত্তার কথাও চিন্তা করে।</p>
<p><em>সৌরভ ধানুকা</em> তার <a href="http://saurabhdhanuka.wordpress.com/2009/09/17/i-live-in-calcutta-and-i-am-proud-of-it/">ব্লগে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বাঙ্গালীদের সকল আবেগের সমষ্টি দুর্গা পূজা। তার সংস্কৃতি, ভালোবাসা, একত্র থাকার যে উষ্ণতা, উৎসবের যে আনন্দ সবই আছে এতে। প্যান্ডেল তৈরীতে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে তারা অনেক আনন্দ পান।</p></blockquote>
<p>এই বছরের পূজার বেশ কয়েকটা থিম দেখা গেছে।</p>
<p><strong>নেপাল থিম</strong>:  নেপাল পর্যটন বোর্ড আর নেপালের কন্সুলেট জেনারেল এর প্রশংসা করেছেন, দক্ষিণ কলকাতার এই পূজা নেপালী চিত্রকর্ম আর স্থাপত্যকে সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছে, প্যান্ডেল থেকে ভক্তপুরে ইয়াকশেওয়ার মহাদেব মন্দির, আর দুর্গা মূর্তি ও চার মাথার নেপালী দেবী তালেজু ভবানি দ্বারা অনুপ্রাণিত।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/3962267848_2a87d0eef7-300x225.jpg"><img alt="নেপালী দেবী তালেজু ভবানীর দ্বারা অনুপ্রাণিত প্রতিমা। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী অনিল এম এর  সৌজন্য এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/3962267848_2a87d0eef7-300x225.jpg" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">নেপালী দেবী তালেজু ভবানীর দ্বারা অনুপ্রাণিত প্রতিমা। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী অনিল এম এর  সৌজন্য এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</p></div><br />
<strong>মিশরের থিম:</strong> মিশরীয় হাইরোগ্রাফিক, প্রতিকৃতি, মূর্তি, চিত্রকর্ম আর স্থাপত্য এবারে কলকাতায় এসেছিল যা নিচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে:<br />
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-043-300x225.jpg"><img alt="দক্ষিণ কলকাতার এক প্যান্ডেলে মিশরের থিম। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-043-300x225.jpg" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ কলকাতার এক প্যান্ডেলে মিশরের থিম। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।</p></div><br />
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-037-300x225.jpg"><img alt="প্রতিমায় মিশরের থিম। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-037-300x225.jpg" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">প্রতিমায় মিশরের থিম। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।</p></div>
<p><strong>পরিবেশ/ জলবায়ু পরিবর্তন পুজা থিম হিসাবে:</strong>  এই বারে অনেকে তাদের পূজা থিমে পরিবেশ আর জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় গুলি তুলে ধরেছেন দেখে ভালো লাগল। নতুন আর সৃজনশীল শিল্পকর্ম এইসব বিষয় তুলে ধরেছে, যা আগতদের পরিবেশ সম্পর্কে আরো সচেতন করতে চেয়েছে। একটি উদাহরণ:<br />
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-076-225x300.jpg"><img alt="একটি পূজা প্যান্ডেলের বাইরে একটি বোর্ড ব্যাখ্যা করছে বিশ্ব উষ্ণায়নের মত বিষয় এবং ভোগ্যপণ্য পুনর্ব্যবহারে উৎসাহিত করছে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-076-225x300.jpg" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">একটি পূজা প্যান্ডেলের বাইরে একটি বোর্ড ব্যাখ্যা করছে বিশ্ব উষ্ণায়নের মত বিষয় এবং তা ভোগ্যপণ্য পুনর্ব্যবহারে উৎসাহিত করছে</p></div></p>
<p>আর তাদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ভেতরে সনাতনী সাজানোর সরঞ্জামের বদলে ব্যবহৃত হয়েছে হাতে আঁকা কাগজের মোড়ক।<br />
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-071-225x300.jpg"><img alt="কাগজের মোড়কে চিত্রকর্ম। ছবি তুলেছে অপর্ণা রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-071-225x300.jpg" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">কাগজের মোড়কে চিত্রকর্ম। ছবি তুলেছে অপর্ণা রায়।</p></div></p>
<p>এরকম আরো অনেক ছিল শহরের রাস্তা আর পুরো রাজ্যব্যাপী।</p>
<p>প্যান্ডেল আর প্রতিমা ছাড়াও সাজানো বাতি ছিল যা শহরকে রাতের সৌন্দর্য দিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ বেরিয়ে এসেছে দিনে আর রাতে এইসব দিন উদযাপন করতে খাদ্য, পানীয় আর ‘প্যান্ডেল থেকে প্যান্ডেল’ এ ঘুরতে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-040-300x225.jpg"><img alt="পূজা প্যান্ডেলের দরজায় নানা রঙ্গের বাতি।  ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-040-300x225.jpg" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">পূজা প্যান্ডেলের দরজায় নানা রঙ্গের বাতি।  ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায়।</p></div>
<p>আর অবশ্য বেশ কিছু বাতিতে বার্তা জ্বলজ্বল করছিল, তা সামাজিক বা পরিবেশ সম্পর্কিত হোক।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-057-225x300.jpg"><img alt="গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায় " src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09-057-225x300.jpg" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান। ছবি তুলেছেন অপর্ণা রায় </p></div>
<p>৫ দিনের উৎসব দশমিতে শেষ হয়েছে, মুর্তি বিসর্জনের দিন। এই দিনে দেবী তার শ্বশুরবাড়ী হিমালয়ে ফিরে যান। কিন্তু তার আগে বিবাহিত নারীরা তাঁকে আর তাঁর পরিবারকে উপহার, মিষ্টি আর অনেক সিঁদুর দিয়ে বিদায় জানান দীর্ঘ আর সুখী বিবাহিত জীবনের জন্য।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-051-300x225.jpg"><img alt="আগামী বছর পর্যন্ত তাকে বিদায় জানানো হচ্ছে। ছবি: অপর্ণা রায়" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Durgapuja09b-051-300x225.jpg" width="300" height="225" /></a><p class="wp-caption-text">আগামী বছর পর্যন্ত তাকে বিদায় জানানো হচ্ছে। ছবি: অপর্ণা রায়</p></div>
<p>এর পরে হয় <a href="http://blog.taragana.com/n/women-participate-in-vermilion-ceremony-on-the-last-day-of-durga-puja-180306/">সিঁদুর খেলা</a>, বিবাহিত নারীদের একটা অনুষ্ঠান যেখানে তারা সিঁদুর (ঐতিহ্যগতভাবে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Sindoor">সিঁদুর</a> হিন্দু বিবাহিত নারীরা তাদের সিঁথিতে পরেন) একে অপরের কপালে দেন আর মিষ্টি, আনন্দ আর হাসি ভাগ করে নেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 250px"><a href="http://www.flickr.com/photos/avikb/3962352573/in/set-72157622451071562/"><img alt="সিঁদুর খেলা। ছবি তুলেছেন অভিক@ফার্স্টডেজ। অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/3962352573_59161ef62a_m1.jpg" width="240" height="161" /></a><p class="wp-caption-text">সিঁদুর খেলা। ছবি তুলেছেন অভিক@ফার্স্টডেজ। অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।</p></div>
<p>পরিশেষে সকল প্রতিমাকে নদীতে বিসর্জনের জন্য নেয়া হয়। প্যান্ডেল খুলে ফেলা হয় আর জীবন আগের মতই চলে, আর বাঙ্গালীরা সামনের বছরের অপেক্ষায় থাকেন। বিসর্জনের পরে আবার সময় আসে বন্ধু, পরিবার, প্রতিবেশীদের সাথে একত্র হওয়ার যেহেতু এটা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Vijayadashami">বিজয়া দশমী, যে উৎসব দশেরার সাথে মিলে</a> যায় যা রাবণের বিরুদ্ধে রামের বিজয়ের উৎসব।</p>
<p>কেবলমাত্র যে <a href="http://www.flickr.com/photos/sumanpaul/88702375/">দেশব্যাপী</a> <a href="http://picasaweb.google.co.in/atanudey/DurgaPuja2009Mumbai#">এটা</a> <a href="http://www.flickr.com/photos/ribhudey/1766721613/">উদযাপিত</a> হয় তাই না, দুর্গা পূজা বিশ্বব্যাপী বাঙ্গালীরা পালন করেন। এখানে <a href="http://rezwanul.blogspot.com/2009/09/shuvo-bijoya.html">বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে</a> দুর্গা পূজা উদযাপনের কিছু ছবি দিয়েছেন আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার সম্পাদক, <a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>। <em>দিথি</em> জেনেভাতে <a href="http://deezden.blogspot.com/2009/09/durga-puja-geneva.html">দুর্গা পূজার কিছু ছবি</a> পোস্ট করেছেন। জুরিখে দুর্গা পূজার উৎসব <a href="http://www.sindhtoday.net/news/1/54805.htm">বিভিন্ন বাঙ্গালী গোত্রকে একত্র করেছে</a> যা বিগত ছয় বছর ধরে হচ্ছে। আমি নিশ্চিত আমাদের পাঠকেরা তাদের আশেপাশে অনুষ্ঠিত দুর্গা পুজা সম্পর্কে জানবেন। কারণ যেখানে বাঙ্গালী, দুর্গা পূজা বেশী দূরে থাকতে পারে না।</p>
<p><a href="http://durgapuja.thefourdy.com/gallery/year/2009/">এখানে</a> আপনারা ২০০৯ এর দুর্গা পূজার আরও কিছু ছবি উপভোগ করতে পারেন। যেসব পাঠক দুর্গা পূজা সম্পর্কে আরো জানতে চান, <a href="http://www.durga-puja.org/">এই সাইট</a> মজার পাঠ হতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/21/7012/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: রমজানে যারা রোজা করবে না তাদের জন্য রয়েছে জেল</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6944/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6944/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 11 Oct 2009 19:15:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6944</guid>
		<description><![CDATA[ইসলামের <a href="http://www.islam101.com/dawah/pillars.html">৪র্থ স্তম্ভ </a> হিসেবে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ramadan">রমজান</a> মাসে রোজা রাখতে হয়। কিছু মুসলিম রোজা রাখেন না... তবে মিশরে জেল আর জরিমানা প্রাপ্য ছিল তাদের যারা জনসম্মুখে খাওয়া দাওয়া করেছে এই বছর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em> &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/09/egypt-prison-awaits-those-who-dont-fast-in-ramadan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইসলামের <a href="http://www.islam101.com/dawah/pillars.html">৪র্থ স্তম্ভ </a> পালন হিসেবে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ramadan">রমজান</a> মাসে মুসলমানদের রোজা রাখতে হয়। কিছু মুসলিম রোজা রাখেন না&#8230; তবে মিশরে জেল আর জরিমানা প্রাপ্য ছিল তাদের যারা জনসম্মুখে খাওয়া দাওয়া করেছে এই বছর।</p>
<p>মিশরে প্রথমবারের মতো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনসম্মুখে যে সকল মুসলিম খেয়েছে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে। <em>হাসান আল হেলালি</em> একটি <a href="http://hegabs-nekabs.blogspot.com/2009/09/blog-post_08.html">পোস্ট লিখেছেন এই শিরোনামে</a>:</p>
<blockquote><div class="arabic">حملة أمنية غير دستورية تنتهك الحريات العامة للمواطنين وتوقف المجاهرين بالإفطار في رمضان لأول مرة بمصر</div>
</blockquote>
<div class="translation">নাগরিকদের নাগরিক অধিকারের উপরে অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ হয়েছে মিশরে। যারা জনসম্মুখে রোজা করছে না তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।</div>
<p>তিনি গ্রেপ্তারের তালিকা দিয়েছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">في أسوان ألقت الشرطة المصرية القبض على ١٥٥ مصرياً وأودعتهم السجن وحررت لهم محاضر جنحة” الجهر بالافطار في نهار رمضان. وفي الغردقة (المدينه السياحية!!) أصدر محافظ البحر الأحمر قراراً بإغلاق المقاهي والمطاعم في نهار رمضان، كما ألقت الشرطة المصرية القبض على العديد من المصريين خلال إفطارهم في نهار رمضان. وألقت كذلك مباحث طلخا بمحافظة الدقهلية بدلتا مصر القبض على سبعة شباب يجاهرون بالافطار في نهار رمضان ويدخنون السجائر في الشارع العام، وحرّر لهم رئيس مباحث طلخا محضراً بالواقعة وتم عرضهم على النيابة التي أمرت بالافراج عنهم بكفالة ٥٠٠ جنيه.</div>
</blockquote>
<div class="translation">আসোয়ানে, পুলিস ১৫৫ জন মিশরীয়কে গ্রেপ্তার করেছে একটা অপরাধের জন্য। হুরগাদা (পর্যটন কেন্দ্র) তে লৌহ সাগরের গভর্নর একটা নিয়ম করেছেন যে রমজানের সকালে সকল রেস্টুরেন্ট আর কফির দোকান বন্ধ থাকবে। বেশ কয়েকজন মিশরীয়কেও আটক করা হয়েছে। ঢাকালিয়াতে, ৭ জন তরুণকে জনসম্মুখে ধূমপানের জন্য আটক করা হয় আর ৫০০ স্থানীয় মূদ্রা জরিমানা দিয়ে তারা মুক্ত হন।</div>
<p><em>এরাবিক নেটওয়ার্ক ফর হিউমান রাইটস ইনফর্মেশন</em> এর জেনারেল ম্যানেজার <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/12/20/egypt-gamal-eid-detained-and-deported-from-jordan/">গামাল ইদের</a> উদ্ধৃতি দিয়ে <em>এল হেলালি</em> বলেছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">إجراءات القبض على المواطنين بتهمة “الإفطار” لا يوجد ما تستند إليه قانوناً”، وأضاف “يحق لأي مواطن أن يفطر أو يصوم رمضان، ولا يحق لأحد أن يفرض ذلك عليه”.</div>
</blockquote>
<div class="translation">মিশরের আইন বা সংবিধানে কিছুই নেই এই গ্রেপ্তারের সমর্থনে, যে কোন নাগরিকের অধিকার আছে রোজা করার বা না করার আর কেউ তাকে জোর করতে পারে না এর জন্য।</div>
<p><a href="http://trtr3888.blogspot.com/2009/09/blog-post_2806.html">খাওয়াতার</a> অবশ্য অন্যরকম প্রতিক্রিয়া পোস্ট করেছেন খৃষ্টানদের পরিপ্রেক্ষিতে:</p>
<blockquote><div class="arabic">لا يوجد مثل هذه التهمة في القانون الا في القوانين السعودية والباكستانية الطالبانية”.وأكد حنا أن “مثل هذه الحملة تثير الفتنة في مصر، فقد توقف الشرطة مسيحياً في الطريق العام وهو يأكل أو يشرب، وقد تلقي القبض على مريض له رخصة الافطار، فهل يهان هذا المواطن ويسجن لحين إثبات براءته”.وأوضح “نحن نخشى أن تقوم الشرطة المصرية بتوقيف من ترتدي البنطال الضيق أو من تضع مساحيق الزينة على وجهها”.وتساءل حنا ” ما الذي يعنيه الجهر بالافطار، لقد وصل الامر الى اقتحام الشرطة المصرية للمقاهي والقبض على من بداخلها، علماً بأن من يجلس في مثل هذه المقاهي يجلس مختبئاً ولا يجاهر بالافطار، فالمعنى مطاطي وحسب أهواء الشرطة”.</div>
</blockquote>
<div class="translation">সৌদি বা পাকিস্থানী আইনের বিপরীতে মিশরে এমন কোন অপরাধ আইনে নেই। আইনজীবি <em>মাগদি হান্নাহ</em> বলেছেন যে পুলিশ ভুল করে খাচ্ছে এমন কোন খ্রীষ্টানকে গ্রেপ্তার করে থাকতে পারেন। তারা অসুস্থ কোন মুসলিমকে গ্রেপ্তার করে থাকতে পারেন যিনি রোজা করছেন না। এই নাগরিক কি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত শাস্তি ভোগ করবেন? আমরা চিন্তিত যে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্যান্ট আর মেক-আপ করা মহিলারাও পড়বেন! হান্নাহ &#8216;জনসম্মুখে রোজা না রাখার&#39; পরিষ্কার মানে জানতে চেয়েছেন কারণ যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা রাস্তায় না বরং একটা কফির দোকানে বসে ছিলেন&#8230; পরিষ্কার ব্যাখ্যার অভাব প্রত্যেক অফিসারকে স্বাধীনতা দেয় কে কি করছে সেটা ঠিক করার।</div>
<p><a href="http://www.globalsecurity.org/military/intro/islam-salafi.htm">সালাফি সুন্নিরা</a> বলেছে:</p>
<blockquote><div class="arabic">من جانب آخر لقيت هذه الحملة ارتياحاً بين السلفيين في مصر، على اعتبار أنها خطوة جيدة لتطبيق الشريعة في مصر.وقال الداعية الاسلامي عادل السيد نائب رئيس جماعة أنصار السنة السلفية بمصر لـ”العربية.نت”: نعم الصوم هو عبادة بين العبد وربه، يجزى بالثواب إن صام وبالعقاب إن أفطر دون عذر، لكن هذا لا يمنع أن المجاهرة بالافطار لا تجوز شرعاً وما فعلته الشرطة المصرية شيء تحمد عليه، وهو من باب الامر بالمعروف والنهي عن المنكر”.وأضاف الشيخ عادل السيد “إن الانسان لو شرب الخمر في بيته ولا يراه أحد لا أستطيع أن أعاقبه، أما إن جهر بها في الطريق العام فيحق لي أن أنفذ فيه العقوبة بواسطة ولي الامر، وهو هنا في مصر الشرطة، والتي نصّ عليها الشرع والقانون لانه أخلّ بالنظام العام وجاهر بالمعصية ولم يعتبر لحرمات الله، واستهان بالشرع الحنيف، وهذا ينطبق على المفطرين في نهار رمضان، وإن كان المفطر مريضاً أو مسافراً فلا يجوز له ان يجاهر بالافطار”.وأكد “أن ما فعلته الشرطة المصرية يطابق القانون المصري، فهناك نص يعاقب على ذلك في قانون العقوبات بالغرامة المالية تحت بند “مخالفة الأخلاق والآداب العامة، وهو ما يعاقب عليه القانون”.</div>
</blockquote>
<div class="translation">সালাফিরা মিশরে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার দিকে এক ধাপ হিসাবে এটাকে স্বাগত জানিয়েছেন। মিশরের আন্সার আল সুন্না সালাফি সংস্থার ডেপুটি শেখ আদেল এল সায়েদ বলেছেন যে এটা সত্যি যে রোজার ব্যাপার আল্লাহ আর প্রার্থনাকারীর মধ্যে আর যারা রোজা করে বা করে না আল্লাহ তাদেরকে পুরষ্কার বা শাস্তি দেবেন। কিন্তু গুনাহ জনসম্মুখে তুলে ধরা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Sharia">শরিয়া আইন পরিপন্থি</a> আর পুলিশের কাজ &#8216;ভালো কাজ তুলে ধরা আর খারাপ কাজ আটকানো&#39; এর মধ্যে পড়ে। কোন ব্যক্তি যদি বাড়িতে মদ্যপান করেন, তাকে আমি গ্রেপ্তার করতে পারি না কিন্তু জনসম্মুখে করলে, আইনের নামে আমি তাকে ধরতে পারি- মিশরের আইনে পরিষ্কার একটা ধারা আছে নীতি ভাঙ্গার বিরুদ্ধে।</div>
<p><a href="http://al-karma.blogspot.com/2009/08/blog-post_31.html">হাইড এন্ড সিক</a> গ্রেপ্তারের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">خطوة في طريق شرطة الأمر بالمعروف و النهي عن المنكر<br />
شعار هذه الحملة هو : سندخلك الجنة … بمزاجك أو غصباً عن دين أمك<br />
الخطوة القادمة : حملات للقبض على الفاطرين في منازلهم و مداهمة ( أوكار الفطور ) للتخلص من المجرمين<br />
في المستقبل : سترسل وزارة الداخلية بعثات من خيرة ضباطها إلى أفغانستان للحصول على تدريبات عملية من هناك لأحدث سُبل مكافحة الإفطار<br />
تنظيم إحتفالية كًبرى بمناسبة القضاء على ( الحرية الشخصية ) بفضل الله أولاً و أخيراً ثم مجهودات السيد الرئيس و السيد وزير الداخلية<br />
——<br />
بأية تهمة تم القبض على المجاهرين بالإفطار ؟؟؟<br />
ثم أفرض أني مش عايز أصوم .. انت مال أهلك .. لي رب يبقى يحاسبني<br />
أزاي الضباط اللي عملوا الحملة دي و اللي أمر بقيامها ما يتحاكموش و يتعزلوا من مناصبهم<br />
يعني أيه تخليني أصوم بالعافية ؟؟؟ هو أنت لمؤخذة يعني .. فاكر نفسك ربنا و لا أيه ؟</div>
</blockquote>
<div class="translation">মিশরী ভালো কাজ তুলে ধরা আর খারাপ কাজ আটকানো পুলিশ শাষনের দিকে আর এক ধাপ। এই প্রচারনার স্লোগান হওয়া উচিত: যে কোন উপায়ে আপনি জান্নাতে যাবেন। পরের পদক্ষেপ: বাড়িতে রেড করে নাস্তিকদের খুঁজে বের করা হবে।</p>
<p>ভবিষ্যৎে, পুলিশদেরকে আফগানিস্থানে পাঠানো হবে &#8216;বাড়ি ভেঙ্গে ঢোকার&#39; প্রশিক্ষণ নিতে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা শেষ করার জন্য বিশাল অনুষ্ঠান হবে। এই সব লোক কি অপরাধ করেছেন? ধরে নেই যে আমি রোজা করতে চাই না&#8230; এটা আপনার কোন ব্যাপার না।</p>
<p>এটা আমার আর আল্লাহর মধ্যের ব্যাপার।</p>
<p>এই প্রচারনায় যেসব অফিসার ছিলেন তাদের বিচার করে সরে দাঁড়াতে বলা উচিত। আপনি কে আমাকে জোর করে রোজা করতে বলার? আল্লাহ সাজতে ভালো লাগে?</p></div>
<p><a href="http://bikyamasr.wordpress.com/2009/09/07/egypt-government-denies-arrests-for-not-fasting/">বিখা মাসর</a> বলেছেন যে মিশরী কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করেন নি:</p>
<blockquote><p>মিশরের সংবাদপত্র আল ইউম আল সাবাতে বিশেষ সাক্ষাতকারে, সহকারী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জেনারেল নাগি আল-হাসি রিপোর্ট অস্বীকার করেছেন যা বিক্যা আর অন্যান্য মিশরী সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছিল।</p>
<p>তিনি বলেছেন যে আসোয়ানে পুলিশের রেইড যারা জনসম্মুখে রোজা করছে না তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে কোন &#8216;সরকারী প্রচারণার&#39; অংশ না। তিনি তর্ক করেছে যে মানুষের মধ্যে &#8216;বিভিন্ন বিষয় ছিল আর এই ব্যাপারে বিভ্রান্ত ছিল, যেহেতু নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেয়া হয়েছিল তা সকল পুলিশ ডিপার্টমেন্টের মাঠ পর্যায়ের কাজের ফলো আপ হিসেবে সাধারণভাবে অপরাধ আর মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য।&#39;</p>
<p>হাসি বলেছেন পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছেন যারা পুলিশের চোখে &#8216;সন্দেহজনক&#39; ছিল।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6944/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ঈদ উপলক্ষে ছাড়া ডাকটিকেট টেনিসিতে ঘৃণা ছাড়াচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6684/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6684/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2009 20:00:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6684</guid>
		<description><![CDATA[আমেরিকায় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে একটি চেইন ইমেইল যা প্রতারণা পূর্ণ ভাবে দাবী করে যে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল-ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা এক নতুন ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে। টেনেসির মেয়র এই ইমেইল তার কর্মচারীদের কাছে পাঠিয়ে এই ডাকটিকেটটিকে বয়কট করার আহ্বান জানান। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইর্য়ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/21/usa-eid-postage-stamp-provokes-hate-in-tennessee/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_6685" class="wp-caption alignleft" style="width: 210px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/eid.jpg" alt="ডাকটিকেটের ২০০৮ -এর সংস্করণ, দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আগে" title="eid" width="200" height="200" class="size-full wp-image-6685" /><p class="wp-caption-text">ডাকটিকেটের ২০০৮ -এর সংস্করণ, দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আগে</p></div>রমজান মাস শেষ হবার চিহ্ন হিসেবে যখন সারা বিশ্বের মুসলিমরা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Eid_ul-Fitr">ঈদ উল-ফিতরের</a>  উৎসব অনুষ্ঠান পালন করছিল, সে সময় এক ক্ষতিকর ধারাবাহিক বা চেইন ইমেইল চারপাশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এই ইমেইলে প্রতারণাপূর্ণভাবে দাবি করা হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা দুই ঈদ উৎসব উদযাপন উপলক্ষে এক ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে এবং পাঠকদের এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান বয়কট করার অনুরোধ জানিয়েছে, সেখানে তিনি বিগত ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে যে সমস্ত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয় সেগুলো উল্লেখ করেছেন। এই ইমেইলের পুরো লেখাটি <em>মিসিসিভি বাই মার্কসের</em> <a href="http://missivesfrommarx.wordpress.com/2009/09/20/this-stuff-makes-me-sick/#comment-1096">এই পোস্টে</a> পাঠ করা যাবে, যিনি এই চিঠির ব্যাপারে হতাশা ব্যক্ত করেছেন, তিনি বলছেন:</p>
<blockquote><p>আমি আমার পরিবারের এক সদস্যের কাছ থেকে এই ইমেইল পাই। এর কারণ, আমি এ রকম এক কর্মী, যে পশ্চিমা ধর্ম পাঠে চার সপ্তাহ ব্যয় করেছি মুসলমানদের গৎ বাঁধা চরিত্রটিকে পুনর্নিমাণের জন্য। এ কারণেই আমার সকল কোর্স বা পাঠে জটিল চিন্তা এক প্রয়োজনীয় উপাদান হয়ে দাড়িয়েছে।</p></blockquote>
<p>যখন একে পড়ি, আবিষ্কার করি এই চিঠির মধ্যে নতুন কিছুই নেই অথবা এই ডাকটিকেটেও। <a href="http://urbanlegends.about.com/library/bl-muslim-stamp.htm">এ্যাবাউট.কম</a> এই চিঠিটিকে ব্যাখ্যা করছে, তারা বলছে যে অন্তত ২০০২ সালের দিকে এই চিঠিটি ইন্টারনেটে ছিল, যেখানে এই ডাকটিকেট প্রকাশ করা হয়েছে ২০০১ সালের ১ সেপ্টেম্বরে।    </p>
<p><em>সিটি অফ ব্রাসের</em> বিলিভনেট ব্লগের আজিজ পুনেওয়ালা এই ইমেইলের ইতিহাস <a href="http://blog.beliefnet.com/cityofbrass/2009/09/terror-mail-the-eid-stamp.html">ব্যাখ্যা করেন</a>:</p>
<blockquote><p>এই ইমেইলের সংস্করণটি, প্রতি বছর একবার প্রকাশ পায়। এর আগে এর পেছনে সত্য কি তা <a href="http://www.snopes.com/politics/stamps/eidstamp.asp">ধারাবাহিক ভাবে বের করা হয়েছে</a>, কিন্তু এখনো তা টিকে রয়েছে। <a href="http://cityofbrass.blogspot.com/2007/10/eid-stamp.html">এই ঈদ ডাকটিকেটের ইতিহাস</a> নিয়ে এর আগে আমি এক বিস্তারিত লেখা ব্লগ প্রকাশ করেছি, এর বিতর্কিত দিক, যা এর সাথে বয়ে আনে, যখন তা প্রকাশ করা হয় (সম্ভবত রক্ষণশীল রিপাবলিকানদের থেকে) এবং রাষ্ট্রপতি বুশ ও স্পীকার হেসট্রার্ট ডাকটিকেটের জবাবে যা বলেন।  সংক্ষেপে বলা যায় এই ডাকটিকেট ২০০১ সালের ১ সেপ্টেম্বরে প্রকাশ করা হয়, যা ৯-১১ নামক হামলার ১০ দিন আগে, সে সময় বুশ প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় ছিল। রক্ষণশীল রাজনীতিবীদদের লম্বা তালিকার মধ্যে মেয়র পিপারও যুক্ত হন, যিনি হানুকার মতো ইহুদি বা কাউনাজার মতো আফ্রিকান ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, এমনকি টেহ চাইনীজ অনুষ্ঠান স্মরণে ডাকটিকেট প্রকাশে কোন সমস্যা দেখেন না-কিন্তু মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যদি ডাকটিকেট প্রকাশ করা হয়, তাতে এক হুমকি আবিষ্কার করেন, যার ফলে দেশপ্রেমী আমেরিকানদের সাড়া প্রদান প্রয়োজন হয়ে পড়ে?</p></blockquote>
<p>টেনিসির, ক্লার্কসভিল শহরের এক ব্লগ <em>ক্লার্কসভিল অনলাইনে</em> <a href="http://www.clarksvilleonline.com/2009/09/04/the-mayors-anti-islamic-email-is-a-major-embarrassment/">পোস্ট</a> করা এক লেখায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, কেন এই বছর এই ইমেইল এক গুরুত্বপূর্ণ শিরোনামে পরিণত হয়েছে:</p>
<blockquote><p>ক্লার্কসভিল টেনেসির মেয়র জনি পিপার এক আগুন জ্বালানো মুসলমান বিদ্বেষী ইমেইল শহরে তারা কর্মীদের কাছে পাঠিয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ডাকবিভাগ যে ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে সেটি বয়কট করতে উৎসাহিত করেন..</p>
<p>&#8230; এরপর থেকে মেয়র পিপার তার কর্মের ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করেছেন, এই ঘটনা খুব সাধারণ ভাবে ব্যাখ্যার বাইরে। মুসলমানরা এই দেশের অংশ। তারা সম্মানের সাথে আমাদের সামরিক বাহিনীতে কাজ করে যাচ্ছে, তারা আমাদের জাতীর প্রতিরক্ষা ও স্বাধীনতায় নিয়োজিত। ধর্মের ভিত্তিতে অথবা কোন উগ্রপন্থী কোন কর্মকাণ্ডের কারণে কাউকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করার কোন ভিত্তি নেই। যে উত্তেজনা আমাদের মেয়র সৃষ্টি করেছে, তা আমাদের এই শহর, অঙ্গরাজ্য এবং দেশের জন্য অস্বস্তিকর।</p></blockquote>
<p>সেইলা মুসাজি ২০০৫ সাল থেকে এই চেইন ই-মেইল বা পরস্পরের সাথে সংযুক্ত ধারাবাহিক ই-মেইলের চিহ্ন রাখছেন, যা এক ডাকটিকেট সম্বন্ধে, <em>দি আমেরিকান মুসলিম-এ (টিএএম)</em>  এবং এর নতুন সংস্করণ নিয়ে মেয়র পিপার-এর ঘৃণা ছাড়ানো কাজ সম্বন্ধে <a href="http://theamericanmuslim.org/tam.php/features/articles/through_the_looking_glass_eid_stamp_continues_to_provoke_religious_right/">মন্তব্য করছেন</a>: </p>
<blockquote><p>আমি নিশ্চিত যে এই ভালোমানুষ মেয়রটি <a href="http://www.theamericanmuslim.org/tam.php?URL=http%3A%2F%2Fwww.theamericanmuslim.org%2Ftam.php%2Ffeatures%2Farticles%2Fwhite_house_iftar%2F0017527">হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রপতি ওবামার ইফতার পার্টিতে</a> এক বিস্ময় হিসেবে উপস্থিত ছিল।</p>
<p>এবং অবশ্যই তার সকল গোঁড়ামি সত্বেও চূড়ান্তভাবে, সে তৎক্ষণাৎ যুক্ত করেছিল, “আমার কিছু ভালো মুসলমান বন্ধু রয়েছে”।</p>
<p>সম্ভবত সেই সমস্ত ভালো মুসলমান বন্ধু হয়ত, তাকে কিছু জ্ঞান দান করেছে, যখন <a href="http://www.theamericanmuslim.org/tam.php?URL=http%3A%2F%2Fwww.theleafchronicle.com%2Fassets%2Fpdf%2FDA14202394.PDF">এটা</a> (পিডিএফে) আক্রমণাত্বক।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6684/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
