<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; রাজনীতি</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/politics/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শ্রীলন্কা: সেনানায়কের পদত্যাগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:21:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[তাজা খবর]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রীলন্কা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7580</guid>
		<description><![CDATA[শ্রীলন্কার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল শরথ ফনসেকা আজ তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং এ ধারণা করা হচ্ছে যে নতুন গঠিত বিরোধী জোটের হয়ে তিনি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়বেন। শ্রীলন্কার ব্লগাররা এই পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছেন।   ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/sri-lanka-the-general-resigns/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কিরগিজস্তান: শয়তানের খপ্পরে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7515/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7515/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 14 Nov 2009 05:41:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কিরগিজস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7515</guid>
		<description><![CDATA[কিরগিজস্তানের রাজনৈতিক দল এআরকে (এরকিন কিরগিজস্তান-যার অর্থ, কিরগিজস্তানকে মুক্ত কর)-এর নেতা সাইরবেক ঝুশুয়েভ। তিনি কিরগিজস্তানের অনেককে এক বিস্ময় উপহার দিতে সক্ষম হন, যখন তিনি ঘোষণা দেন যে দেশটির রাজধানী বিশকেক অনেক বছর ধরে শয়তানের খপ্পরে পড়ে রয়েছে। তার এই ঘোষণার কারণ শহরটির মাঝে শয়তানের এক বিশাল প্রতীক চিহ্ন রয়েছে। ঝুশুয়েভ বলেছেন, যখন তিনি গুগল আর্থে ঘোরাফেরা করছিলেন, তখন তিনি এই প্রতীক চিহ্ন আবিষ্কার করেন।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tolkun/">টোলকুন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/kyrgyzstan-satanized/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>কিরগিজস্তানের রাজনৈতিক দল ইআরকে-এর (এরকিন কিরগিজস্তান-যার অর্থ, কিরগিজস্তানকে মুক্ত কর) নেতা সাইরবেক ঝুশুয়েভ। তিনি কিরগিজস্তানের অনেককে এক বিস্ময় উপহার দিতে সক্ষম হন, যখন তিনি ঘোষণা দেন যে দেশটির রাজধানী বিশকেক অনেক বছর ধরে শয়তানের খপ্পরে পড়ে রয়েছে। তার এই ঘোষণার কারণ, শহরটির মাঝে শয়তানের এক বিশাল প্রতীক চিহ্ন রয়েছে। তার মতে এটি শয়তানের অনুসারীদের কাজ। ঝুশুয়েভ বলেছেন, যখন তিনি গুগল আর্থ নামের মানচিত্র দেখার সাইটে ঘোরাফেরা করছিলেন, তখন তিনি এই প্রতীক চিহ্ন আবিষ্কার করেন। গুগল আর্থে তিনি  অনেক উপর থেকে বিশকেক শহরটিকে কেমন দেখায় সে সম্বন্ধে জানার চেষ্টা করছিলেন। বিশকেক শহরের ঠিক মাঝখানে পানফিলভ উদ্যানটি অবস্থিত। এটি সংসদ ও হোয়াইট হাউজ নামক ভবনের ঠিক পাশেই অবস্থিত। উদ্যানটিকে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pentagram">পঞ্চভূজাকৃতির</a> এক তারার মতো করে তৈরি করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বের সবজায়গায় শয়তানের উপাসকদের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>
<div><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=ru&amp;geocode=&amp;q=%D0%91%D0%B8%D1%88%D0%BA%D0%B5%D0%BA,+%D0%9A%D0%B8%D1%80%D0%B3%D0%B8%D0%B7%D0%B8%D1%8F&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=47.483365,79.013672&amp;ie=UTF8&amp;split=0&amp;t=h&amp;hq=&amp;hnear=%D0%91%D0%B8%D1%88%D0%BA%D0%B5%D0%BA,+%D0%9A%D0%B8%D1%80%D0%B3%D0%B8%D0%B7%D0%B8%D1%8F&amp;ll=42.879675,74.600258&amp;spn=0.006274,0.009645&amp;z=17&amp;output=embed"></iframe></div>
<p><em>২৪.কেজি</em> ঝুশুয়েভের মন্তব্য <a href="http://www.24.kg/politic/65214-lider-partii-yerk-schitaet-chto-v-centre-stolicy.html">উদ্ধৃত করেছে</a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>আমি বেশ কৌতূহলজনক একটি চিত্র দেখতে পেলাম-উপর থেকে পানফিলভ উদ্যানে পাঁচটি কোণা তৈরি করে এমন এক জ্যামিতিক আকার রয়েছে, যা পেন্টাগ্রাম বা পঞ্চভুজ হিসেবে পরিচিত: এটি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pentagram#Satanism">শয়তানের প্রতীক</a> অথবা যাকে “<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Sigil_of_Baphomet">সিগিল অফ বাফমেট</a>” ( বাফমেন্ট: কারো কাছে প্রাচীন দেবতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, আবার কারো কাছে, হজরত মোহাম্মদ (স:)-এর দুর্নীতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত, বিষয়টি মধ্যযুগে এক কবিতায় বর্ণনা করা হয়েছে) নামে জানা যায়- <a href="http://www.churchofsatan.com/">চার্চ অফ স্যাটান</a> যা শয়তান পূজারীদের উপাসনালয়ের প্রতীক চিহ্ন। এটা বলা অবান্তর যে, ঘটনাক্রমে এটি শহরের মানচিত্রে প্রকাশ পেয়েছে, অথবা এটা প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতাকায় থাকা সেই তারকা চিহ্ন। বিশেষ করে যখন এর চেহারা নির্ভুলভাবে পৃথিবীর প্রতীয়মান বিন্দু বা কোণের সৃষ্টি করে।</p></blockquote>
<p>এরক এর নেতা সাইরবেক ঝুশুয়েভ মনে করেন, বিসকেক নগরী থেকে এ ধরনের ধর্মীয় প্রতীক চিহ্ন অপসারণ করার এখনই সময়, বিশেষ করে যখন সেটি কাজাখস্তানের ঐতিহ্যবাহী নিজস্ব কোন ধর্মের প্রতীক নয়। ঝুশুয়েভের পূর্বে এরক পার্টির প্রধান ছিলেন তুরসানবি বাকির ঊলু। তিনি কিরগিজস্তানের প্রাক্তন ন্যায়পাল (সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে জনতার আনা অভিযোগের বিচার করেন যিনি)। তিনি ইসলামপন্থী বিবৃতি প্রদানের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। তুরসানবি বাকির ঊলু কিরগিজস্তানের মুসলিম ইউনিয়নের প্রধান এবং এআরকের একজন সদস্য। তিনি এ বছরের শুরুতে বিশকেকের কেন্দ্রস্থলে ইজরায়েলের পতাকা পুড়িয়েছেন। এটি তিনি করেছিলেন গাজায় তাদের অভিযানের প্রতিবাদের কারণে।   </p>
<p>কিরগিজস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সক্রিয়ভাবে বিসকেকের তথাকথিত সবচেয়ে বড় শয়তানের প্রতীক নিয়ে আলোচনা করছে। এই বিষয় নিয়ে বিতর্কে সবচেয়ে সক্রিয় রয়েছেন ইন্টারনেট ফোরাম ডিজেল এর ব্যবহারকারীরা। </p>
<p><em>এলেক্স</em> <a href="http://diesel.elcat.kg/index.php?showtopic=2799158&#038;view=findpost&#038;p=11156177">বলছে</a>, পঞ্চভূজ একটা সাধারণ প্রতীক এবং তার সাথে সাধারণত ধর্মের কোন যোগাযোগ নেই [রুশ ভাষায়]:  </p>
<blockquote><p>এই অর্থহীন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা কঠিন। তাদের [এরক-এর সদস্য] এই সব বিষয় নিয়ে গবেষণা করা ছাড়া আর যেন কিছু করার নেই! এই ধরনের তথাকথিত শয়তানের প্রতীক প্রত্যেকটি পুলিশের জামার কাঁধে এক লম্বা ফিতায় বাঁধা রয়েছে এবং একটি প্রতীকের প্রত্যেক কোণের বিষয়টি হল- এই সব কোণ দিয়ে সহজেই আকাশের তারা আঁকা যায়। একই ভাবে এটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এক প্রতীক চিহ্ন।</p></blockquote>
<p><em>ফোটো.কেজি</em> অভিযোগ করেছেন উক্ত দলের নেতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর মনোযোগ প্রদান করছে না। তবে তারপরেও ব্লগার আনন্দিত এই কারণে, যে নেতা কম্পিউটার ব্যবহার করতে জানে [রুশ ভাষায়]</p>
<blockquote><p>আমি মনে করি এআরকে দলের নেতার কিছুই করার নেই&#8230;আমি আনন্দিত যে দলের সদস্যরা কম্পিউটারে গেম খেলা ও ইন্টারনেটে অশ্লীল কোন সাইটে প্রবেশ করার বদলে, কম্পিউটার ও গুগল মানচিত্র ব্যবহার করা শিখছে।</p></blockquote>
<p><em>ডন.স্পিকইংলিশ</em> <a href="http://diesel.elcat.kg/index.php?showtopic=2799158&#038;view=findpost&#038;p=11156165">মনে করেন</a> যে সারিবেক ঝুশুয়েভেকে অবশ্যই বিসকেক শহরের ইতিহাস সম্বন্ধে ভালোভাবে জানতে হবে [রুশ ভাষায়]।</p>
<blockquote><p>জনাব: ঝু্শুয়েভেরে হয়তো জানা নেই যে এই উদ্যানটিকে এক সময় স্টার বা তারা উদ্যান বলে ডাকা হত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এই উদ্যানটিকে পানফিলভ নামে  ডাকা হয়।</p></blockquote>
<p><em>কাজাক্স!</em> ব্লগ কিছু তথ্য প্রদানের মধ্যে দিয়ে ঘটনার <a href="http://diesel.elcat.kg/index.php?showtopic=2799158&#038;view=findpost&#038;p=11162032">পরিহাস করেছে</a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>এদিকে দেখুন! ফেরির (ছোট জাহাজ) চাকাগুলোকে শয়তানের চাকা নামে ডাকা হয় (রুশ ভাষায় <em>Чертово колесо</em>)। এটা সবকিছুর ব্যাখ্যা করে! এ কারণেই উদ্যানটি শিশু এবং তরুণদের এতটা আকৃষ্ট করে- যাদের মনের বেশ দ্রুত পরিবর্তন হয়। ধনীদের বাসায় সাঁতার কাটার স্থান এবং জুয়া খেলার জায়গা রয়েছে [পার্কের এলাকার কাছেই] যারা বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে, পরিস্থিতি সেগুলোকে ঠিক করে দেবে।</p></blockquote>
<p>যদি প্রতীকের কথা বলা যায়, তা হলে কাজাখস্তানের অনেক জায়গায় এখনো সোভিয়েত যুগের অজস্র প্রতীক ও চিহ্নের <em>দেখা যায়</em>, যার মধ্যে রয়েছে পঞ্চকোণাকৃতির তারা, লেলিনের মূর্তি, হাতুড়ি ও কাস্তে, ইত্যাদি।</p>
<p><em>এছাড়াও লেখাটি <a href="http://www.neweurasia.net/politics-and-society/satanized-bishkeksatanized-bishkek/">নিউইউরাশিয়া</a> পোস্ট করা হয়েছে।</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7515/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইন্দোনেশিয়া: দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা লড়ছে তাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 13 Nov 2009 10:10:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7508</guid>
		<description><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার নেট নাগরিকরা দেশটির দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠানের দুজন কর্মকর্তার মুক্তি চাচ্ছেন যাদের তথাকথিত ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক নাগরিকদের কাছেই এই দুই ব্যক্তি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির লড়াইয়ের প্রতিভূ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/carolina-rumuat/">ক্যারোলিনা রুমুয়াত</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/indonesia-criminalizing-the-graft-fighters/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার দুর্নীতি নির্মূল কমিটি (কেপিকে) এর দুইজন কমিশনার <em>চান্দ্রা এম. হামজা</em> আর <em>বিবিত সামাদ রিয়ান্তো</em>কে ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>কেপিকে কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের পরে, <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/10/30/sby-speaks-orders-opening-controversial-records.html">প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো</a> বলেছেন যে এই গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্য কিছু না আর তিনি জাতীয় পুলিশ (পলরি) এর কাজে কোন হস্তক্ষেপ করবেন না।</p>
<p><a href="http://politikana.com/baca/2009/10/29/bibit-dan-chandra-ditahan-polri">পলিটিকানাতে</a> <a href="http://politikana.com/profil/yusro.html">ইয়োস্রো</a> একটি প্রতিবেদন লিখেছেন যেখানে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের উপপ্রধান <em>ইন্সপেক্টর জেনারেল দিকদিক মুলিয়ানা আরিফ মন্সুর</em> কর্তৃক উত্থাপিত একটা অদ্ভুত তর্ক তুলে ধরা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Alasan penahanan antara lain karena ancaman hukuman atas pelanggaran hukum kedua petinggi KPK nonaktif itu di atas 5 tahun selain itu, ya, klasik. Polri khawatir, Bibit dan Chandra akan melarikan diri, menghilangkan barang bukti, dan mengulangi tindak pidana yang sama, sebagaimana tercantum dalam KUHAP.</p>
<p>    Tapi yang lebih mengejutkan, adalah alasan lainnya yaitu: Bibit dan Chandra bisa jumpa pers. “Setidak-tidaknya faktanya sekarang kami kesulitan karena sudah dihakimi dengan cerita-cerita dan tuduhan kriminalisasi. Tersangka bisa jumpa pers, itu indikasi dia bisa mempengaruhi opini,” ujar Dikdik.</p></blockquote>
<div class="translation">তাদের গ্রেপ্তারের অন্যতম কারণ হচ্ছে যে এই দুইজন বরখাস্তকৃত কেপিকে কমিশনার ৫ বছরের বেশী জেলের মেয়াদ পেতে পারেন, আর বাকি সব অদ্ভুত - জাতীয় পুলিশ চিন্তিত ছিল যে বিবিত আর চান্দ্রা পালিয়ে যাবেন, প্রমাণ সরিয়ে ফেলবেন, আর একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবেন। </p>
<p>তবে আরো বিস্ময়কর বাহানা ছিল: (তারা যদি মুক্ত হন) বিবিত আর চান্দ্রা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। “আমারা আসলে (জনগণের) গুজব আর দোষারোপে শিকার। এই সন্দেহভাজনরা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন, যার মানে তারা জনগণের মতের উপরে আরও প্রভাব ফেলতে পারেন,” বলেছেন দিকদিক।</p></div>
<p>বিবিত-চান্দ্রার গ্রেপ্তারের ক্রমানুযায়ী ঘটনাবলী <a href="http://pesatnews.com/2009/10/30/nasional/inilah-kronologis-penahanan-bibit-chandra/">পেসাতনিউজ.কমে</a> তুলে ধরা হয়েছে। এটি ধারণা দেয় যে এই দুই অকার্যকর কমিশনারকে ফাঁসানো হয়েছিল কারণ তারা একটা তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন যেখানে পলরির বড় কেউ জড়িত থাকতে পারেন।</p>
<blockquote><p>    23 JuniI 2009<br />
    KPK menyatakan Direktur PT Masaro Radiokom Anggoro Widjojo ditetapkan sebagai tersangka korupsi pengadaan alat komunikasi terpadu Departemen Kehutanan pada 2007.</p>
<p>    30 Juni 2009<br />
    Kepala Badan Reserse Kriminal Kepolisian RI Susno Duadji, yang sedang menangani kasus Bank Century, menyatakan teleponnya disadap. Belakangan, KPK mengatakan memang sedang menyelidiki dugaan suap kepada petinggi kepolisian berinisial SD dalam kaitan dengan kasus Bank Century.</p>
<p>    10 Juli 2009<br />
    Susno menemui Anggoro, yang jadi buron KPK, di Singapura.</p></blockquote>
<div class="translation"><strong>২৩ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>কেপিকে ঘোষণা করেন মাসারো রেডিওকম লিমিটেড এর পরিচালক আঙ্গরো উদজোজোকে সন্দেহভাজন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে কারণ ২০০৭ সালে বন মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সময়ে দুর্নীতিতে তার হাত ছিল।</p>
<p><strong>৩০ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের প্রধান রুসনো দুয়াদজি, যিনি সেই সময়ে সেঞ্চুরি ব্যাঙ্কের তদন্ত করছিলেন, দাবি করেন যে তার ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। পরে কেপিকে স্বীকার করেন যে তারা জাতীয় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ (যার আধ্যাক্ষর এসডি) কর্মকর্তার ঘুষের তদন্ত করছেন, যিনি সেঞ্চুরির কেসের সাথে যুক্ত।</p>
<p><strong>১০ জুলাই ২০০৯</strong></p>
<p>রুসনো আঙ্গরোর সাথে সিঙ্গাপুরে দেখা করেন, যিনি ইতিমধ্যে কেপিকের সন্দেহ ভাজন।</p></div>
<p>অনেক ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তার কাছে কেপিকে শক্তিশালী একটা সংস্থা যেটা সনাতন পদ্ধতির ধারা পাল্টাতে পারে। উচ্চ আশা আছে যে কেপিকে প্রধান সমাধান হতে পারে নিয়মতান্ত্রিক দুর্নীতি নির্মূলের।</p>
<p><em>রব বায়তোন</em>, যিনি <a href="http://therabexperience.blogspot.com/search/label/KPK">র‌্যাব এক্সপিরিয়েন্সে</a> ব্লগ করেন, বলেছেন যে ঘটনা যত উন্মুক্ত হচ্ছে তত প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্তটি বেশ অদ্ভুত দেখাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>এই তথ্য যে সুশিলো বামব্যাং ইয়োধোইয়োনো বা এসবিওয়াই, একটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন জানাতে যে তিনি এই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবেন না। অদ্ভুত কারণ ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজেকে চাপিয়ে দিয়েছেন যখন তিনি অন্তর্বর্তী কালীন আইন পাশ করেন কেপিকেতে তিনজন নতুন (যদিও সাময়িক) কমিশন নিয়োগের জন্য। তাই তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না শুনতে অদ্ভুত লাগে।</p></blockquote>
<p>গ্রেপ্তারের কয়েক দিন আগে দুর্নীতির সন্দেহভাজনরা আর অন্যান্য অজ্ঞাত লোকের মধ্যে আড়িপাতা একটা ফোনের কথোপকথনের লিখিত ভাষ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট আর দুইজন প্রথম স্তরের কর্মকর্তার নাম আসে। ফোনের কথাবার্তায় মনে হচ্ছিল যে গ্রেপ্তারটা সাজানো হয়েছে আর কেপিকেকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে দুর্নীতি দমন সংস্থা হিসাবে।</p>
<p>বাইতোন ব্যাখ্যা করেছেন:</p>
<blockquote><p>প্রেসিডেন্টও কষ্টে আছেন একটা ভাষ্যের জন্য যেটা তথাকথিত আড়িপাতা ফোনের কথাবার্তা যেখানে তুলে ধরা হয়েছে যে পুলিশ আর অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ষড়যন্ত্র করেছেন চান্দ্রা আর বিবিতকে ফাঁসানোর। কেন তিনি কষ্ট পাচ্ছেন? হয়তো এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তিনি জানেন বলে তার নাম এসেছে তাই।</p>
<p>যদিও প্রেসিডেন্ট বলেছেন এই প্রক্রিয়াতে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না, তিনি তারপরেও পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন এই ট্যাপ যে করেছেন তাকে খুঁজে বিচারের মুখোমুখি করার। মনে হচ্ছে যেন ঘোড়া পালিয়ে যাওয়ার পরে আস্তাবলের দরজা বন্ধ করার মতো ঘটনা। কিন্তু জনাব প্রেসিডেন্ট, এই ঘটনা পরিষ্কার করার সময় হয়েছে, তাই নয় কি?</p></blockquote>
<p>সমাপ্তিতে বাইতোন তুলে ধরেছেন যে ইয়োধোইয়োনোর ভবিষ্যৎ কি হতে পারে:</p>
<blockquote><p>পরিশেষে, এই দৃর্বৃত্তরা এসবিওয়াই এর সুনাম খোয়াবেন। তাকে মনে রাখা হবে সেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যিনি দুর্নীতি বিরোধী ভালো একটা খেলা নিয়ে কথা বলেছিলেন কিন্তু কখনো ফল প্রদান করতে পারেন নি। আসলে তাকে মনে রাখা হবে ইন্দোনেশিয়াতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামের খুব কম কয়েকটা সফলতার ঘটনার শেষ করাতে নেতৃত্ব দানের জন্য।</p></blockquote>
<p>তার পরের রবিবার, কেপিকের পরিস্থিতি আর বিকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো চারজন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ করেছিলেন, একজন ইন্দোনেশিয়ার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল থেকে আর বাকীরা বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর।</p>
<p>জাকার্তায় থাকা একজন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট বিশেষজ্ঞ ব্রেট ম্যাকগুয়ের ভাবছেন যে প্রেসিডেন্ট কেন এই চারজন বিশেষজ্ঞের সাথে আলাপ করলেন সাংবিধানিক আদালত বা প্রশাসনিক আদালতে পরামর্শ না করে, আর তিনি <a href="http://spruiked.posterous.com/update-president-considers-kpks-options-and-h">স্প্রুইকড</a> এ ব্লগ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই কথা যে প্রেসিডেন্ট তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ করেছেন এটাই অনেক কিছু বলে দেয়। এটাই দেখিয়ে দেয় এই পরিস্থিতিকে তিনি কতটা জটিল মনে করছেন।</p>
<p>একটা আইনগত- সাংবিধানিক কারণ থাকতে পারে যে প্রেসিডেন্ট কেন বিচার বিভাগের সাথে কথা বলেন নি (ধরে নিয়ে যে তিনি বলেন নি)।</p>
<p>সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করতে সময়ের অপব্যয় করেনি তার খারাপ- পরামর্শের কাজের জন্য, বিশেষ করে অদ্ভুত পিইআরপিইউর জন্য। প্রেসিডেন্টের সংবেদনশীলতার কথা চিন্তা করে (মনে আছে তিনি বলেছিলেন যে তিনি ‘ভীষণ আহত’ হয়েছিলেন), এমন হতে পারে যে প্রেসিডেন্ট তার ব্যক্তিগত ব্যপারের বাইরে দেখতে পারেন না।</p></blockquote>
<p>ম্যাকগুয়ের বলেছেন যে কেপিকে সেই প্রতিষ্ঠান যারা ইয়োধোইয়োনোকে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি পদে জিততে সাহায্য করেছে। এটা তার দায়িত্ব দেখার যে এটা যেন ভেঙ্গে না পরে:</p>
<blockquote><p>এটা থেকে আমরা কি শিখতে পারি? প্রেসিডেন্ট আর বসে থেকে ঘটনা ঘটতে দিতে পারেন না- যখন এগুলো জাতীয় গুরুত্বের, আর অবশ্যই না যখন এটা তার বিশ্বাসযোগ্যতার উপরে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তিনি কেপিকের জন্য নির্বাচনে জিতেছেন। তিনি লজ্জাহীনভাবে তাদের সফলতার লেজ ধরে এগিয়েছেন। তাদেরকে নিরাপদে তাকে রাখতেই হবে।</p>
<p>তিনি যে মানুষরা তাকে নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি দায়বদ্ধ।</p></blockquote>
<p>উদ্বিগ্ন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা অনলাইন আর অফলাইনে কেপিকের সদস্যদের সমর্থন জানাচ্ছেন।</p>
<p>৪০০,৩৮০ এর বেশী ফেসবুক ব্যবহারকারী <a href="http://www.facebook.com/posted.php?id=169178211590&#038;share_id=160905472433&#038;comments=1#/group.php?gid=169178211590">একটা দলে যোগদান করেছেন</a> যার নাম  চান্দ্রা হামজাহ আর বিবিত সামাদ রিয়ান্তোর সমর্থনে ১০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী।</p>
<p>টুইটার ব্যবহারকারীরা হ্যাশট্যাগ #dukungkpk (#ডুকুংকেপিকে) বা &#8216;সাপোর্ট কেপিকে&#39; ব্যবহার করছেন তাদের সমর্থন দেখানো আর মতামত জানাতে।</p>
<p>অফলাইনে একদল লোক কালো শার্ট প্রচারণা শুরু করেছেন। গত সোমবার, ইন্দোনেশীয়াবাসীকে উদ্বুদ্ধ করা হয় <a href="http://kabarnet.wordpress.com/2009/11/02/mari-pakai-pita-hitam-untuk-bibit-chandra/">কালো ফিতা পরার জন্য</a> যা সত্য আর বিচারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের প্রতীকী প্রকাশ - আর যে দুইজন মানুষ জাতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিভূ তাদের মুক্তির প্রতি সমর্থন।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়াতে, দুর্নীতিকে ভয়ঙ্কর একটা চক্র হিসেবে দেখা হয় যা অর্থনীতির ক্ষতি করছে আর বিচার ব্যবস্থা যেমন পুলিশ আর আদালতে মানুষের বিশ্বাসে ঘুণ ধরিয়ে দিচ্ছে। <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/01/22/survey-police-most-corrupt-institution-tii.html">ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্দোনেশিয়ার</a> ২০০৯ সালের একটা জরীপ রিপোর্ট অনুসারে, জরীপে সাড়া দেয়া বেশীরভাগ ব্যবসায়ী পলরিকে দেশের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বলেছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাশিয়া: ব্লগাররা বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Nov 2009 17:42:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7455</guid>
		<description><![CDATA[বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর  রাশিয়ার অল্প কয়েকজন ব্লগার এই বিষয়টির কথা উল্লেখ করেছে যা “অনেকের কাছে  বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা”।  অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য, অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/alexey-sidorenko/">এলেক্সিই সিডোরেঙ্কো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/russia-bloggers-discuss-20th-anniversary-of-the-fall-of-the-berlin-wall/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7456" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/ru-1.jpg" alt="ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।" title="ru-1" width="400" height="263" class="size-full wp-image-7456" /><p class="wp-caption-text">ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।</p></div><br />
বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর রাশিয়ার  বেশীরভাগ  ব্লগাররাই এই ঘটনাকে স্মরণ বা উদযাপন করেনি এবং এই ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে তারা তেমন একটা আলোচনা করছে না। বার্লিন প্রাচীরের পতন অনেকের কাছে &#8220;বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা&#8221;।  তবে বেশীরভাগ রুশ নাগরিকের কাছে এই প্রাচীরের পতন তাদের শৈশব বা কৈশোরের এক স্মৃতি মাত্র, এই ঘটনা তাদের কাছে বাস্তবের বদলে এক গল্পকথার মত ঘটনা।  </p>
<p>অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য। এই বিষয়ে অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু  বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? </p>
<p>রুশ রাষ্ট্রপতির প্রাক্তন উপদেষ্টা আন্দ্রেই ইলারিওনোভ (লাইভজার্নালে নিক <a href="http://aillarionov.livejournal.com/"><em>আইলারিওনোভ</em></a> [রুশ ভাষায়])। তিনি তার ব্লগে <a href="http://aillarionov.livejournal.com/128269.html"><em>লিখেছেন</em></a> [রুশ ভাষায়]:
<blockquote><p>আজ, ২০ বছর পর বিশ্ব “তার নিজের অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা উদযাপন করছে” যা বিংশ শতাব্দীর শেষে ঘটেছিল- এই ঘটনা ইউরোপে কর্তৃত্ব পরায়ণ কমিউনিস্ট স্বৈরাতন্ত্রের পতন ঘটায়। বিশ্বের অনেক দেশে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।</p>
<p>তবে দিবসটি রাশিয়ায় উদযাপিত হয় না। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে গিয়ে জন্ম নেওয়া ডজন খানেক স্বাধীন রাষ্ট্রেও এই দিবসটি পালন করা হয় না। এইসব রাষ্ট্রও গভীরভাবে আটকে রয়েছে তাদের কর্তৃত্ব পরায়ণ শাসন ক্ষমতার মধ্যে।</p>
<p>ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনাকে রাশিয়ার উপেক্ষা করার মানে, ধ্বংস করে ফেলা প্রাচীরের জায়গায় এক নতুন দেওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। </p>
<p>এই দেওয়ালটি অদৃশ্য, কিন্তু তা কার্যকর, এটি আমাদের দেশের নাগরিক ও ভ্রাতাদের বাকী বিশ্বের সাথে আলাদা করে ফেলেছে।</p></blockquote>
<p><em>ইলিয়া ফাইবিসোভিচ</em> (লাইভ জার্নাল নিক<a href="http://faibisovich.livejournal.com/"><em>ফাইবিসোভিচ</em></a> [রুশ ভাষায়]) এই দিবসটি সম্বন্ধে  প্রচারণার অভাব দেখে <a href="http://faibisovich.livejournal.com/109223.html"><em>বিস্মিত</em></a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য এক বিষয় [&#8230;] যে, “ইকো অফ মস্কো” [মস্কোর এক উদারনৈতিক রেডিও স্টেশন], “লেন্টা.রু”, “গেজেত্তা.রু” অথবা রাশিয়ার যে কোন উদার কোন সংবাদ পোর্টালে এই বিষয়ে (এমনকি “আরআইএ নোভোস্টি” অথবা “ইন্টারফ্যাক্স” এর মত পোর্টাল) -এমন “কোন সংবাদ” ছিল না, যা সারা বিশ্বের ওয়েবে প্রদর্শন করার যোগ্য। এবং এই রহস্যময় “কোন সংবাদ” রাশিয়ার জন্য অনেক কিছু বয়ে আনতে পারে। এখন দেখা যাচ্ছে এই বিষয়ে সংবাদের কোন দরকার নেই। কিন্তু সংবাদপত্রে প্রচুর সংবাদ রয়েছে (তা নির্ভর করছে আপনার কি ধরনের সংবাদ পড়তে ইচ্ছে করে তার উপর) যেমন, &#8220;সোভিয়েত যুগের অভিনেতার মৃত্যু”, “কিম চেন ইর কয়টি ট্রেন রয়েছে”, “কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা যারা ভিডিও ব্লগ কিভাবে করতে হয় তা শিখেছে” [<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/officer-exposes-police-corruption-using-the-web/"><em>গ্লোবাল ভয়েসেসের ইংরেজী পাতায় এই সংবাদের একটা লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে</em></a>] এবং গিন্সবার্গের [নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীর] মৃত্যু।</p></blockquote>
<p>আরেকজন ব্লগার <a href="http://www.diary.ru/~SynthThesis/p85029031.htm">সিন্থথিসিস এই ঘটনাটিকে জয়ের বদলে পরাজয় হিসেবে দেখেন</a>:</p>
<blockquote><p>সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ কারী হিসেবে আমি এই ঘটনার প্রতি বিশেষ মনোভাব পোষণ করি। আমি মনে করি আমি ছাড়াও এমন অনেকে রয়েছে যারা এই ঘটনার কথা শুনলে থুতু নিক্ষেপ করে।</p>
<p>[…]</p>
<p>এখন যে বিভ্রান্ত তৈরি হয়, তাতে সকলেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, এই সমস্ত নির্মাণ করা সত্য যে কোন কম্পিউটার গেমের চেয়ে ভালো।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার এই ঘটনার স্মরণ করে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য কিছু ছবি ব্যবহার করেছে। লাইভজার্নাল ব্যবহারকারী <a href="http://amelito.livejournal.com/"><em>এমেলিটো </em>হারিয়ে যাওয়া দেওয়ালের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে</a> [রুশ ভাষায়]। লাইভ ইন্টারনেট প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645"><em>সটোভারইয়াসিজ মিরি</em></a> [রুশ ভাষায়] আমাদের <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645/post114080850/">১৭টি ছবি দেখাচ্ছেন</a>। প্রাইভেট ইউজার বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/"><em>জেরনভ৫১</em></a> [রুশ ভাষায়] ১৯৮৯ সালে ঘটা এই ঘটনার <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/71556170">ধারাবাহিক সময় সূচি এখানে পোস্ট করেছেন, যা শীতল যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটায়</a> [রুশ ভাষায়]। </p>
<p><strong>কিছু বাড়তি তথ্য:</strong></p>
<p><a href="http://www.levada.ru/press/2009110602.html">২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে লেভাডা সেন্টারের করা এক জরিপ অনুসারে</a> [রুশ ভাষায়] শতকরা ৬৩ জন রুশ নাগরিক বার্লিন প্রাচীরের পতনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে, যেখানে শতকরা ১১ জন ঘটনাটিকে নেতিবাচক চোখে দেখে। ১৯৮৯ সালের কোন ঘটনাটিকে বছরের সেরা ঘটনা বলে মনে করেন, এই প্রশ্নের জবাবে, বেশীরভাগ উত্তরদাতা বার্লিন প্রাচীরের পতনকে সে বছরে দ্বিতীয় সেরা ঘটনা হিসেবে বেছে নিয়েছে (২৪ শতাংশ ব্যক্তি), তবে বেশীরভাগের চোখে সে বছরের সেরা ঘটনা ছিল আফগানিস্তান থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া। শতকরা ৫০ জনের চোখে এটি ছিল সে বছরের “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা”।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভিডিও: বিশ্ব বার্লিন প্রাচীর পতনের দিনটিকে স্মরণ করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7448/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7448/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Nov 2009 15:43:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মান]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মেক্সিকো]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাইপ্রাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7448</guid>
		<description><![CDATA[আজ বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী। বার্লিন প্রাচীর ছিল এমন এক নিরাপত্তা দেওয়াল, যা একসময় পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানীকে দু’টি অংশে বিভক্ত করে রেখেছিল। আজ আমরা সারা বিশ্বের এমন কিছু ভিডিও দেখাব যা আজকের এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে রাখার জন্য ওয়েব সাইটে তোলা হয়েছে এবং এইসব ভিডিও বোঝাতে চাইছে যে এই রকম প্রাচীর কেবল জার্মানীকে বিভক্ত করে রাখে নি, সারা বিশ্বকে বিভক্ত করে রেখেছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/video-the-world-commemorates-the-fall-of-the-berlin-wall/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7449" class="wp-caption aligncenter" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/bw1.jpg" alt="বার্লিন প্রাচীর, ছবি নাতালি মেইনোর" title="bw1" width="300" height="214" class="size-full wp-image-7449" /><p class="wp-caption-text">বার্লিন প্রাচীর, ছবি নাতালি মেইনোর</p></div>
<p>আজ <a href="http://www.mauerfall09.de/">বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী</a>। বার্লিন প্রাচীর ছিল এমন এক নিরাপত্তা দেওয়াল, যা একসময় পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানীকে দু’টি অংশে বিভক্ত করে রেখেছিল। আজ আমরা সারা বিশ্বের এমন কিছু ভিডিও দেখাব যা আজকের এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে রাখার জন্য ওয়েব সাইটে উঠানো হয়েছে এবং এইসব ভিডিও বোঝাতে চাইছে যে এই রকম প্রাচীর কেবল জার্মানীকে বিভক্ত করে রাখে নি, সারা বিশ্বকে বিভক্ত করে রেখেছে। </p>
<p>জার্মানীতে বেশ কিছু বিশাল আকৃতির ডোমিনো (চেপ্টাকৃত এক ধরনের কাঠের কাঠামো যা সাধারণত খেলার জন্য বানানো হয়) বানানো হয়েছে যা ফোম বা বিশেষ রাবারের তৈরি। এগুলো একটির পর একটি ফেলার আয়োজন করা হয়েছে দিবসটির উদযাপনের জন্য অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে। এর এক প্রতীকী মানে রয়েছে, যার অর্থ হল শীতল যুদ্ধ শেষ হয়েছে। <a href="http://www.youtube.com/watch?v=rsDNfQqnET4">নো কমেন্ট টিভির</a> এই ভিডিওটি বেশ কিছু ডোমিনো দেখাচ্ছে <a href="http://www.spiegel.de/international/germany/0,1518,615014,00.html">যেগুলো জার্মানীর শিশু</a> এবং <a href="http://www.heiditrautmann.com/category.aspx?CID=2676368777">ডোমিনো শিল্পী নিজে রং করেছে, যারা অন্য এক এলাকায় বাস করে, যেখানে বিভক্তির রেখা এবং প্রাচীর</a> এখনো রয়ে গেছে। অন্য ভিডিওটি এখানে সংযুক্ত করা যাচ্ছে না, কিন্তু আপনি <a href="http://www.youtube.com/watch?v=0y5eGXy_laQ">এই লিঙ্ক ক্লিক করে দেখতে পাবেন </a> কি ভাবে একটি ডোমিনো অন্যে ডোমিনোর গায়ে পড়ছে, যা ইউটিউবের পাতায় দেখা যাবে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rsDNfQqnET4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rsDNfQqnET4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=hDCHrnZdwcs">কলম্বিয়ায়</a> ছাত্ররা একটি শক্ত সিমেন্টের  টুকরো ভেঙ্গে বার্লিন প্রাচীর পতনের দৃশ্যটি পুনরায় তৈরি করেছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/hDCHrnZdwcs&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/hDCHrnZdwcs&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>জার্মানীর ডোমিনো ভক্ত <a href="http://www.youtube.com/watch?v=dKLiooarpkA">এনোডোমিনো২০০৭</a> তার নিজের তৈরি ডোমিনো দিয়ে একটি ভিডিও দৃশ্য উঠিয়ে দিয়েছেন যা বার্লিন প্রাচীর পতন দিবস উপলক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং ডোমিনোকে ধাক্কা মেরে শুরু হওয়া বিশেষ উৎসব তার দশ বছর পূর্তি উদযাপন করল।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/dKLiooarpkA&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/dKLiooarpkA&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=UF_o1KYQIWU">যুক্তরাষ্ট্রের</a> কলেজ ছাত্ররা বার্লিন প্রাচীরের মত দেখতে এক প্রাচীর তৈরি করেছে, যার উপর ইচ্ছে করলে লেখা যাবে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/UF_o1KYQIWU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/UF_o1KYQIWU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>মেক্সিকোর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=kffLolfYcfU"><em>ভারিনভিএক্সএক্স</em> আরেকটি দেওয়ালের ভিডিও</a> জমা দিয়েছে। এই দেওয়াল এখনো দাঁড়িয়ে আছে: <em>এটা বার্লিন প্রাচীর নয়, এটা প্যালেস্টাইনের কোন প্রাচীর নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকোর সীমানা প্রাচীর, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক লজ্জা</em>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/kffLolfYcfU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/kffLolfYcfU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=cGpVyCovo70">ক্রিস্টা স্কেলার</a> মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারক দেওয়ালকে বার্লিন প্রাচীরের সাথে তুলনা করেছেন। তিনি কেবল অভিবাসী মানুষদের দৃষ্টিতে এই তুলনা করেন নি, একই সাথে তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দৃষ্টিকোণ থেকেও তা বিচার করেছেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/cGpVyCovo70&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/cGpVyCovo70&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=7QeaIChuJ4c">জিয়াশেরে তার এই পরীক্ষা মূলক তথ্যচিত্রে</a> অন্য এক দেওয়ালের কথা তুলে ধরছেন যা এই তথ্যচিত্রে দাঁড়িয়ে রয়েছে, যে দেওয়াল আয়ারল্যান্ডের মানুষের মাঝে অবস্থিত:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/7QeaIChuJ4c&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/7QeaIChuJ4c&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>সর্বশেষ এই ভিডিওটি দুই বছরের পুরোনো, কিন্তু এখনো তা এই বার্লিন প্রাচীরের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক এক বিষয়। <a href="http://www.youtube.com/watch?v=Pu4OztB_Zyo">এডামাফ্লিমমেকার </a>সাইপ্রাসের উত্তর ও দক্ষিণ নিকোশিয়ায় যে দেওয়াল অবস্থিত তার উভয় পারের তরুণদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এই দেওয়াল একটি গ্রীণ জোন বা আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা, যেখানে জাতি সংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী বা ব্লু হেলমেট দল পাহারা দেয়। এই সীমানা তুর্কি ও গ্রীক সাইপ্রিয়টকে বিভক্ত করে রেখেছে। এ কারণে নিকোশিয়া বিশ্বের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Nicosia"> সর্বশেষ রাজধানী হিসেবে পরিচিত যা দু&#39;টি অংশে বিভক্ত</a>। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Pu4OztB_Zyo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Pu4OztB_Zyo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.flickr.com/photos/nataliemaynor/127094076/">ছবি নাতালি মেইনোরের সৌজন্য পাওয়া</a> এবং পোস্টে তা ক্রিয়েটিভ কমন্স এট্রিবিউশন লাইসেন্স-এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7448/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরি, সার্বিয়া: সীমান্তে শোকাবহ ঘটনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 19:02:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কসোভো]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7439</guid>
		<description><![CDATA[গত অক্টোবরে ১৯জন কসোভো আলবেনীয় হাঙ্গেরী-সার্বিয়ার সীমান্তবর্তী নদী পার হয়ে বেআইনী ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে চেষ্টা করেছে। এদের মধ্যে ১৫জন নিরুদ্দেশ রয়েছে এবং তিনটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে নদীতে। মারিয়েট্টা লে হাঙ্গেরীর ব্লগ জগৎের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/hungary-serbia-tragedy-at-the-border/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত অক্টোবরে বেশ কয়েকটি হাঙ্গেরীয় আর সার্বীয় সংবাদ মাধ্যম প্রিস্টিনার দৈনিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Koha_Ditore">কোহা দিতোরের</a> কথা উল্লেখ করেছে যে তাদের কাছে মাসের প্রথম দিকে হওয়া বেআইনী সীমান্ত পারের ঘটনা সম্পর্কে <a href="http://74.52.64.18/~wwkoha08/index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=19506&#038;Itemid=41">নির্দিষ্ট তথ্য আছে</a>। সার্বিয়ায় অবস্থিত হাঙ্গেরীর একটা ওয়েবসাইট <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> লিখেছে কোহা দিতোরোর উদ্ধৃতি দিয়ে যে, সন্দেহভাজন কয়েকজন কসোভো-আলবেনীয়কে পাচারের জন্য, ইসমেত আর কে গ্রেপ্তার করা হয় <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kosovska_Mitrovica">কসোভস্কা মিত্রোভিচাতে</a>। বেশীর ভাগ সংবাদের রিপোর্টে বলা হয় যে ১৫ জন অনুপ্রবেশকারী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tisza">তিশজা</a> নদীতে ডুবে মারা গেছেন যখন তারা সীমান্ত পার হতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু বেঁচে যাওয়া একমাত্র পূর্ণবয়স্ক, আগ্রোন রামা, স্বীকার করেছেন যে দলে প্রায় ১৯ জন মানুষ ছিল (<a href="http://www.b92.net/eng/news/politics-article.php?yyyy=2009&#038;mm=10&#038;dd=22&#038;nav_id=62515">সূত্র</a>)।</p>
<p>দক্ষিণ হাঙ্গেরীর সংবাদ সাইট <a href="http://www.delmagyar.hu/">দেল্মাগিয়ার.হু</a> তে প্রকাশিত প্রথম দিককার <a href="http://www.delmagyar.hu/szeged_hirek/gyerek_gyerek_segitseg/2120585/">একটা রিপোর্টে</a>  ১৫জন বেআইনী অভিবাসী হাঙ্গেরী- সার্বিয়ার সীমান্তে তিশজা নদীতে গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল। গত ১৫ই অক্টোবর নদী পার হওয়া দলের একজন সদস্য, ২ বছরের ছেলে আর ৩ বছরের মেয়ের বাবা, সীমান্তের গ্রাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/R%C3%B6szke">রোশকের</a> এক পে ফোন থেকে ফোন করে পুলিশকে জানান এ কথা।</p>
<div><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A" style="color:#0000FF;text-align:left">Nagyobb térképre váltás</a></small></div>
<p><a href="http://srbija.blog.hu/">সার্বিয়া ইনসাইড</a> এর ব্লগার <em>সাবা বালিন্ত</em> এই বিষয়ে <a href="http://srbija.blog.hu/2009/10/17/gyerek_gyerek_segitseg">মন্তব্য করেছেন</a> দেল্মাগিয়ার.হু এর রিপোর্টের উপর আলোকপাত করে আর প্রস্তাব করেছেন হাঙ্গেরী আর কসোভোর মধ্যকার সম্পর্ক তিনি ব্যক্তিগত ভাবে তদন্ত করবেন:</p>
<blockquote><p>বাচ্চা, বাচ্চা, বাঁচান!</p>
<p>এই কথাটিই তিশজা নদীতে বার বার বলছিলেন কসোভোর আলবেনীয় লোকটি, যার বাচ্চারা ঠান্ডায় জমে প্রায় মারা যেতে বসেছিল। তিনি সে রাত্রে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে পালাতে চেয়েছিলেন। যদি কেউ এই গল্প না জেনে থাকেন, আমি ছোট করে আবার বলছি&#8230;</p>
<p>এই অদ্ভুত লোক ভালো অর্থ দেবে বলে এসেছে আদম পাচারকারীকে, এখানে এটা বেশ চলমান পেশা। আর যা হওয়ার হবে, তিনি জেগেদের নতুন পৃথিবীতে পাড়ি দেবেন। তিনি এটা ভাবেন নি যে রাত্রে তার বাচ্চাদের উপরে ঠান্ডা বৃষ্টি পড়বে, তারা যে ক্লান্ত হয়ে পড়বে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এই ধরনের যাতায়াতের ফলে। আমাদের এই লোক যখন দেখলেন যে বাচ্চাদের অক্টোবরের বৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়ে কত বড় বিপদের মধ্যে তিনি পড়েছেন, তখন সাহায্য চাইতে গেলেন।</p>
<p>বাচ্চাগুলোকে যখন পাওয়া গেছে তারা তখন প্রায় নিশ্বাস নিচ্ছিলই না - ২ বছর আর ৩ বছরের দুই জন, আমি কেবলমাত্র জানাচ্ছি! তারা একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল। সীমান্ত অতিক্রমকারীর এক বাচ্চা কোমাতে ছিল, কিন্তু তার পরে ভালো হয়েছে। তারা অক্ষত বেরিয়ে এসেছে কিন্তু ঘটনাটি দু:খজনক। দু:খজনক আর আপনাকে ভাবায়। অন্তত কিছু প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়।</p>
<p>কি কারনে স্বাধীন আর মুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্র থেকে, শত শত স্বাধীন আর মুক্ত নাগরিক পালাচ্ছে? হয়তো অপকর্মের উপরে নির্মিত ‘গণতন্ত্রে’ বাস করা সহজ না? আর একটা স্বাধীন ইউরোপের দেশ দেখান যেখান থেকে প্রতি সপ্তাহে ডজন ডজন লোক বেআইনিভাবে বের হচ্ছে! সম্ভবত: যেসব দেশ বল্কানের কলম্বিয়াকে স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিল, তারপরে এই দেশকে দেশ হিসেবে দাঁড় করাবার খুব বেশী চেষ্টা করছে না? যদি ২৯ বছরের একজন লোক দুটো ছোট বাচ্চা নিয়ে মধ্য অক্টোবরে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে, তাহলে আমাকে বলতে হয়, না।</p>
<p>পরের পর্বে আমরা দেখবো যে কসোভোর বড় ইউরোপীয় বন্ধু, হাঙ্গেরী কি করেছে যাতে সেখানের মানুষকে পশ্চিমে পালিয়ে যেতে না হয়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.balkaninsight.com/en/main/news/23157/">বল্কান ইনসাইট</a> ব্লগ জানিয়েছে যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের আইনের একটা মিশন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/European_Union_Rule_of_Law_Mission_in_Kosovo">ইউলেক্স</a>, কসোভো পুলিশ আর হাঙ্গেরীর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ওয়েবসাইট অনুসারে, প্রতি অভিবাসী পরিবারকে হাঙ্গেরীতে ঢোকার জন্য ৬০০০ থেকে ৮০০০ ইউরো দিতে হয়। মিডিয়া কোহা ডিতোরকে উদ্ধৃতি দিয়ে যা বলেছেন তার পরিপন্থী হিসেবে <em>বল্কান ইনসাইট</em> জোর দিয়ে বলেছে, এখনো কোন গ্রেপ্তার করা হয় নি।</p>
<p>সোমবারের মধ্যে, <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> রিপোর্ট করেছেন যে তিশজা নদীর হাঙ্গেরীর দিকের সীমান্তে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, আর সার্বিয়ার সীমান্তে দুইজন নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। একজন ছিল আগ্রোন রামার স্ত্রী আর তার বাচ্চাদের মা।</p>
<p>হাঙ্গেরীর ইমিগ্রেশন অফিসার <a href="http://my.opera.com/brille/blog/2009/10/26/a-k">গাবোর নাগি</a>, তার ব্লগে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, একই বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন যে কসোভো থেকে আলবেনীয়রা কেন মরিয়া হয়ে পালাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>অবশ্যই এমন ঘটনায় প্রশ্ন করা যায়, যে বাবা মা এত অসাবধান হয়ে তাদের বাচ্চাদের ‘ বড় দুনিয়াতে’ কেন নিয়ে আসবে, নাকি কসোভোর পরিস্থিতি এতই খারাপ? যদিও বলা দরকার, কসোভো থেকে তাদেরকে কেউ তাড়াচ্ছে না, যেহেতু তারা তাদের ‘স্বাধীনতা অর্জন করেছে’। অন্তত কাগজে। আর এটাও ভোলা যাবে না যে এদেরকে সব সময় আদম পাচারকারীরা মোটা পরিমানের ইউরোর বদলে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা যখন বিবেচনা করি যে তারা হাঙ্গেরীতেও পালিয়ে যেতে চায়না, তাহলে এই ব্যাপারে আমারও ঋণাত্মক বক্তব্য আছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কিরগিজস্তান: গণতন্ত্রের জন্যে উপযোগী নয়?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7434/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7434/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 17:43:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[কিরগিজস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7434</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনআদিল নুর্মাকভ  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
প্রতিশ্রুতিশীল রাষ্ট্র কিরগিজস্তানে গণতন্ত্র কেন কার্যকরী হচ্ছে না সে সম্পর্কে মত প্রকাশ করেছেন ব্লগার আহাদ আবদুররাহমোন।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/adam-kesher/">আদিল নুর্মাকভ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/08/kyrgyzstan-is-democracy-too-early-for-kyrgyzstan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রতিশ্রুতিশীল রাষ্ট্র কিরগিজস্তানে গণতন্ত্র কেন কার্যকরী হচ্ছে না সে সম্পর্কে মত প্রকাশ করেছেন ব্লগার <a href="http://www.registan.net/index.php/2009/10/29/democracy-in-kyrgyzstan-%e2%80%93-did-it-come-too-early-and-is-it-too-expensive-to-afford/">আহাদ আবদুররাহমোন</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7434/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সংঘর্ষকে উপলদ্ধি করার জন্য ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা ভিডিও ব্যবহার করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 16:15:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[হিব্রু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7415</guid>
		<description><![CDATA[ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু'টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/israeli-and-palestinian-youth-use-video-to-understand-the-conflict/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু&#39;টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে। সংগঠন দু&#39;টি তাদের মধ্যে এমন এক বিশেষ জায়গা তৈরি করছে যাতে তারা পরস্পরের সাথে মেশে এবং যোগাযোগ তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য যাতে তারা তাদের স্বপ্ন, পরস্পরের সচেতনতা ও চিন্তাভাবনা ভাগাভাগি করে নিতে পারে, যেন তাদের জীবনে যে জটিলতা চলছে তা তারা অতিক্রম করতে পারে। </p>
<p>এই বিষয়ে এক অন্যতম উদ্যোগের নাম হল <a href="http://en.reutsadaka.org/">সাদাকা রেয়ুট</a> এবং তারা তাদের এই <a href="http://en.reutsadaka.org/?page_id=54">উদ্যোগ সম্বন্ধে বলছে</a>:</p>
<blockquote><p>বেশিরভাগ ফিলিস্তিনী ও ইহুদি তরুণ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন (তারা আলাদা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে থাকে এবং স্কুলে পড়াশুনা করে) হয়ে থাকে এবং এর ফলে তাদের একে অপরের প্রতি ভয়, বর্ণবাদ এবং সংস্কার বিরাজ করছে। আমরা দু&#39;টি সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ বা মেশার জন্য বিকল্প এক ধারা তৈরির চেষ্টা করছি। ‘শান্তির এক সংস্কৃতি নির্মাণ’ নামক উদ্যোগটি প্যালেস্টাইন ও ইহুদি তরুণদের পরস্পরের সাথে এক সম্পর্ক তৈরির প্রচেষ্টা যাতে তারা উভয়ে নিজেদের সমান অধিকার সম্পন্ন মানুষ বলে বিবেচনা করে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং তারা ব্যক্তিগত ও জাতিগত ভাবে এই সমস্ত বিষয়গুলো অনুভব করে।</p></blockquote>
<p>তাদের এই অনুষ্ঠানের সদস্যরা এক মিনিটের এক ভিডিও নামক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে, সেখানে তারা এক সপ্তাহের এক কর্মশালায় অংশ নেয়। এই কর্মশালায় তারা ভিডিও এক্টিভিজম সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করে। এখানে তার কিছু ফলাফল রয়েছে এবং আপনি <a href="http://en.reutsadaka.org/?p=846">তাদের সাইটে </a>ক্লিক করে বাকী ভিডিও দেখতে পাবেন:</p>
<div><a href="http://www.youtube.com/watch?v=XkxUC30UNug">আরব</a><br />
<object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=US6QtYDVzB8">এএম/এফএম</a>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=gT9KX9fKgT0">ভালোবাসার কিছু গান গাওয়া:</a></p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.win-peace.org/home.html">উইন্ডোজ ফর পিস </a>বা শান্তির জানালা নামক পরিকল্পনা এ রকম আরেকটি উদ্যোগের নাম। এই উদ্যোগের শুরু ১৯৯১ সাল থেকে, যার শুরু তরুণদের জন্য এক পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে। দু&#39;টি ভাষা ও দু&#39;টি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করে এমন এক পত্রিকা এটি। এর উদ্দেশ্য ছিল তারা যেন একে অপরের সাথে মিশতে পারে এবং পরস্পরের দ্বন্দ্বের কারণগুলো জানতে পারে। একই সাথে এই পত্রিকা যেন তরুণদের জন্য সাম্য ও ক্ষমতা তৈরি করতে পারে তার জন্য এটি কাজ করে গেছে। তবে কাজটি সহজ ছিল না। যেমনটা তারা <a href="http://www.win-peace.org/about.html">তাদের সাইটে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছে</a>: </p>
<blockquote><p>ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণদের একই মঞ্চে নিয়ে আসার বিষয়টি সহজ কাজ ছিল না, যেখানে উভয়ের মধ্য প্রচুর পরিমাণে ভুল বোঝাবুঝি এবং একই ধরনের বিশ্বাসের মত বিষয়গুলোকে অতিক্রম করে আসতে হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অন্যের সম্বন্ধে শিখে এসেছে। পরস্পরের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তথ্য পাওয়ার অনেক কম সম্ভাবনা থেকে যায়। এর ফলে সম্প্রদায়গতভাবে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বাস করে। চলতে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষ, ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রদায় দু&#39;টিকে পরস্পরের প্রতি ভীতি, সংস্কার ও ঘৃণা তৈরি করতে শেখায়, যা তাদের আলাদা করে রেখেছে। উইন্ডোজ অফ চেঞ্জ বা পরিবর্তনের জানালা নামের উদ্যোগটি এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে ভাবে ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা পরস্পর ও সংঘর্ষকে দেখে তার পরিবর্তন ঘটাবে”। উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছে যা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান সংঘর্ষকে ভিন্ন আকারে উপস্থাপন করে, বিষয়টিকে এমন এক শান্তিপূর্ণ বাস্তবতার দিকে নিয়ে গেছে যেখানে উভয় সম্প্রদায় একত্রে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং পারস্পারিক জ্ঞান ও একে অন্যের প্রতি গ্রহণযোগ্যতার  মাধ্যমে স্থির এবং কাঙ্ক্ষিত এক শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হবে।</p></blockquote>
<p>তারা একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার নাম <a href="http://www.win-peace.org/youth%20media%20program.html">থ্রু দ্যা লেন্স</a>। এখানে ১৫ থেকে ১৭ বছরের তরুণ যারা পত্রিকার মাধ্যমে &#8216;বিশেষ সনদ প্রাপ্ত বা গ্রাজুয়েট&#39; হয়েছে, তারা শর্ট ফিল্ম বা সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র তৈরির উপর দক্ষতা অর্জন করছে। তারা সংবাদ টুকরো এবং অন্য সব ভিডিও  তৈরি করছে যা ভবিষ্যৎ-এ উৎপাদনশীল, শান্তির সংলাপ সম্বলিত এবং ইতিবাচক যোগাযোগ তৈরি করে এমন তথ্য চিত্র তৈরি করতে পারে। </p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=zsxLrfzyAIo">এখানে একটি ভিডিও রয়েছে</a> যেখানে উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তার বর্ণনা দিচ্ছে এবং এই কাজে তারা যে সমস্ত জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিল কি ভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেছে সেই সব বিষয় উপস্থাপন করছে। একই সাথে তারা ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনীদের মধ্যে যে সংঘর্ষ সেই জটিল বিষয় সম্বন্ধে বলছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>এই ভিডিওর শিশুরা অনেক শব্দে তাদের কথা বলছে: অনেক মতামত নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের বেশ কঠিন সময় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং অন্য শিশুদের প্রকাশিত ধারণাকে উপলব্ধি করতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে, কিন্তু পরস্পরের মধ্যে আলোচনার জন্য নিরাপদ এবং নিরাপত্তামূলক জায়গা তৈরি করার মত বিষয়টি, যে পৃথিবীতে তারা বাস করছে তাকে বুঝতে সাহায্য করছে। এই ঘটনাটি অন্য শিশু এবং তরুণদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা ও শেখার বিষয়টিকে ভাগাভাগি করে নিতে সাহায্য করছে, এমনকি এটি তাদের ধারণা পরিবর্তনেও তা সাহায্য করছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান: হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 07:06:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফার্সী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7361</guid>
		<description><![CDATA[বিতর্কিত ব্লগার হোসেইন দেরাকশানকে গ্রেফতার করার পর এক বছর পার হয়ে গেছে। তার স্বদেশীরা তার সম্বন্ধে এক প্রচারণা শুরু করেছে যাতে, সে যে বিনা বিচারে বন্দি রয়েছে সেটা সবাই জানতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hamid-tehrani/">হামিদ তেহরানি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/iran-free-hossein-derakhshan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/hoder.jpg" alt="hoder" title="hoder" width="120" height="120" class="alignleft size-full wp-image-7362" /><br />
গত পহেলা নভেম্বর ২০০৯ ছিল ইরানের ব্লগার হোসেইন “হোদার” দেরাকশানের গ্রেফতার হবার প্রথম বার্ষিকী।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ব্লগার ও সাংবাদিক <em>সাইরাস ফারিভার</em> <a href="http://cyrusfarivar.com/blog/?p=2703">জানাচ্ছেন</a> তার সাথে দেরাকশানের ভাই হামেদের যোগাযোগ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>জেলার নতুন এটর্নি জেনারেল (সরকারি আইনজীবী) এর সাথে হোসেইনের বাবা-মা দেখা করেছেন। এটর্নি  জেনারেল ২৯শে অক্টোবর এভিন জেলে হোসেইন দেরাকশানের সাথে তার বাবা-মার দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুমতি দেন। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হোসেইনকে এভিন নামক কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে পরিবারটি নিশ্চিত নয় যে, পরবর্তীতে হোসেইনের সাথে তাদের দেখা করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।</p></blockquote>
<p>ইরানের ব্লগার <em>জুইয়া</em> <a href="http://joooya.blogspot.com/2009/11/blog-post_295.html">লিখেছেন</a>, দেরাকশান বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কারগারের ৩২৫ নম্বার বিভাগে অবস্থান করছে। জুইয়া এর সাথে যোগ করেন, মানবাধিকার কর্মীদের মতে তাকে একটি নির্জন কক্ষে এক বছর ধরে রাখা হয়েছে। </p>
<p>ইরানের একদল ব্লগার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা এক সপ্তাহ ধরে তাদের ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকাশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি রাখবে। <em>ফানুস আজাদ</em> <a href="http://freelantern.com/p/?p=1116">বলছেন</a> [ফার্সী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>আমিও আমার ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি যুক্ত করে দিয়েছি।</p></blockquote>
<p>তিনি আরও বলেন:</p>
<blockquote><p>&#8230; যখন হোসেইন তার ব্লগে অন্যদের প্রতি অভিযোগ করা শুরু করে, তখন থেকে আমি তার ব্লগ পাঠ করা ছেড়ে দিই। কিন্তু এখন সে কে, এটা চিন্তা না করেই তার অধিকার রক্ষার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি&#8230;. অন্য মানুষের মত হোসেইনেরও মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।</p></blockquote>
<p><em>পারসানেভেশত</em> ব্লগারদের যৌথভাবে কাজ করার জন্য <a href="http://parsanevesht.blogspot.com/2009/10/blog-post_24.html">বলছেন</a>, যাতে হোসেইনকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রভাব পড়ে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
