<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; সাহিত্য</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/literature/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরী: ইমরে কের্তেজের সাথে সাক্ষাৎকারের উপরে মন্তব্য</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 17 Nov 2009 20:33:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7557</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমারিয়েট্টা লে  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
জার্মান সংবাদপত্র ডি ভেল্ট নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি সাক্ষাৎকার (জার্মান ভাষায়) ছেপেছে নোবেল পুরস্কার পাওয়া হাঙ্গেরীর লেখক ইমরে কের্তেজের, যিনি এখন বার্লিনে বাস করছেন। কের্তেজ তার ৮০তম জন্মদিন পালন করলেন একই দিনে যেদিন জার্মানী বার্লিন দেয়াল পড়ার ২০তম বার্ষিকী পালন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/hungary-comments-on-the-interview-with-imre-kertesz/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>জার্মান সংবাদপত্র <em>ডি ভেল্ট</em> নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি সাক্ষাৎকার (<a href="http://www.welt.de/die-welt/kultur/literatur/article5116030/Ich-schreibe-keine-Holocaust-Literatur-ich-schreibe-Romane.html">জার্মান ভাষায়</a>) ছেপেছে নোবেল পুরস্কার পাওয়া হাঙ্গেরীর লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Imre_Kert%C3%A9sz">ইমরে কের্তেজের</a>, যিনি এখন বার্লিনে বাস করছেন। কের্তেজ তার ৮০তম জন্মদিন পালন করলেন একই দিনে যেদিন জার্মানী বার্লিন দেয়াল পড়ার ২০তম বার্ষিকী পালন করল। সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বুদাপেস্ট আর বার্লিন সম্পর্কে তার মনোভাব জানাতে। বুদাপেস্টের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ হাঙ্গেরীর এই লেখক <a href="http://www.caboodle.hu/nc/news/news_archive/single_page/article/11/hungarian_no/?cHash=c5df5b1948">উত্তর দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি শহুরে মানুষ, ছিলাম আর সব সময়ে থাকব। শহুরে মানুষরা বুদাপেস্টে থাকে না কারণ এই শহর পুরোপুরি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Balkanization">বল্কানাইজ</a> (বিচ্ছিন্ন) করা হয়েছে। শহুরে মানুষ বার্লিনে থাকে!</p></blockquote>
<p>তার কথা বেশ কিছু হাঙ্গেরীয় ব্লগারকে বিচলিত করেছে, আর এই সাক্ষাৎকারের <a href="http://konyves.blog.hu/2009/11/09/kertesz_nem_holokauszt_irodalmat_irok_hanem_regenyeket">হাঙ্গেরীয় ভাষান্তর</a> প্রকাশিত হওয়ার পরে বেশ জমাট আলোচনা শুরু হয়।  <em>কন্জার্ভেটিভ কল্টক বারাতি কোর</em> ব্লগের <em>মি. ফালাফেল</em> <a href="http://kkbk.blog.hu/2009/11/09/kertesz_imre_arsch_poetica">তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>ডি ভেল্টে তিনি যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে প্রতিটি সম্মানিত হাঙ্গেরীবাসী তা ব্যাপারে কি ভাবেন, যে তিনি দেশ বিহীন একটা বদমাশ যার হাঙ্গেরীবাসীর সাথে কিছুই সম্পর্ক নেই। সাক্ষাৎকারের বিষয়ে, বেশ কয়েকটা সংবাদ সূত্রের অনুবাদ ভিন্ন দেখা গেছে কিছু বিষয়ে যেমন, কের্তেজের কথা অনুসারে, আরব- বিরোধীরা ১০ বছর ধরে শাসন করছেন, বা তারা কেবলমাত্র মতামতের নেতা হয়েছেন। আমি জার্মান বলি না, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না যে কোন অনুবাদকে বিশ্বাস করা উচিত। আসলে সব একই - দুটি ভাষ্যেই মূঢ়তা রয়েছে। তিনি হাঙ্গেরীতে বাস করেন না, আর তিনি আগ্রহীও না দেখার জন্য যে এখানে কি হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>এই প্রতিবেদন পড়ার পরে <em>লর্ডার্ট</em> ও হতাশ হয়েছেন। তিনি তার <a href="http://lordart.blog.hu/2009/11/08/kertesz_imre_2">পোস্টে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এখন পর্যন্ত আমি কিছুটা গর্বিত ছিলাম যে হাঙ্গেরীয় বংশদ্ভূত একজন নোবেল বিজয়ী আছেন, যার কাজের মূল্য- বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এর পরে আমি এখনো জনাব কের্তেজের কাজের যে মূল্য সেটা স্বীকার করবো, কিন্তু আমি তার মনোভাবের সম্মান করবো, যেটা অনুসারে তার ব্যক্তিত্ব হাঙ্গেরী, বুদাপেস্টের সাথে সংযুক্ত করা যাবে না।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার হাঙ্গেরীর মিডিয়া প্রকাশিত অনুবাদের তিরস্কার করেছেন কারণ কিছু বিষয় মনে হচ্ছিল বাড়িয়ে বলা হয়েছে। <em>হারগোরিনিদিয়োক</em> ব্লগের <em>ভারসেগেনি এসজাকাই দুভাদ</em> পুরো সাক্ষাৎকারটি পুনরায় অনুবাদ করেছেন আর প্রেসের বিতর্কিত ভাষান্তর সম্পর্কে <a href="http://hangorienidiocc.blog.hu/2009/11/08/kerteszkedes_5">তার মন্তব্য দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>একেবারে সহজ আর পরিপূর্ণভাবে পুরো হাঙ্গেরীর প্রেস একটা অনুবাদ পুনরায় না দেখবার মতো অলস ছিল, প্রত্যেকটি সংবাদ রিপোর্টেই শব্দ ভিত্তিক অনুবাদ হয়েছে (এই দেশে হয়তো কেউ সঠিক জার্মান বলে না)।</p>
<p>শুনতে অবশ্য খুব ভাল লাগছে: ”আমাকে হাঙ্গেরীর সাথে সংযুক্ত করবেন না।“ অবশ্য এতে কেউ বিস্মিত হতে পারেন, কিন্তু সমস্যা হল, যেটা সব সময় বলতে ভুলে যাওয়া হয়, যে এটা গোঁড়ার কথা না, বরং সাহিত্যিক শিকড় নিয়ে।</p>
<p>না হলে, এটাকে বোঝা যায় না যে কের্তেজ বুদাপেস্ট বা বার্লিন নিয়ে কি ভাবছেন, কারণ এটা তেমন হবে যে আমি একজনকে বেছে নিলাম সে শিমের সাথে গুলাশ পছন্দ করে না বলে, এটা কেমন করে হয়, যদি আমার জন্য এটা প্রিয় খাবার হয়।</p>
<p>মনে হচ্ছে কের্তেজ যা কিছু করেছেন, তার প্রায়শ্চিত্ত তিনি করতে পারেন নি, কারণ তার সাক্ষাৎকারের সার সংক্ষেপের ধরন দেখে মনে হচ্ছে খারাপ অনুবাদের পরিবর্তে এটা ইচ্ছাকৃত তির্যক পরিবেশনা হয়েছে।  </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: সমুদ্রে তীরের গল্প</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 12:04:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7356</guid>
		<description><![CDATA[ছোট্ট ভূমধ্যসাগরীয় শহর টার্তুসের এক ইংরেজী সাহিত্যের প্রফেসর আর মাতৃভূমিতে ভ্রমণরত একজন সিরিয়-কানাডিয় লেখক সি ব্রিজ নামে একটা ক্যাফেতে কিছু সময় দৃষ্টি বিনিময় করেছিলেন। এভাবেই <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/">মারিয়া</a> আর <a href="http://www.abufares.net/">আবু ফারেজ</a> তাদের (অনলাইনে প্রকাশিত) উপন্যাসের রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু করেন, আর তা পাঠকদের জন্যে দেয় এক নতুন আসক্তি।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/yazan-badran/">ইয়াজান বাদ্রান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/01/syria-sea-side-story/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ছোট্ট ভূমধ্যসাগরীয় শহর টার্তুসের এক ইংরেজী সাহিত্যের প্রফেসর আর মাতৃভূমিতে ভ্রমণরত একজন সিরিয়-কানাডিয় লেখক সি ব্রিজ নামে একটা ক্যাফেতে কিছু সময় দৃষ্টি বিনিময় করেছিলেন। এভাবেই <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/">মারিয়া</a> আর <a href="http://www.abufares.net/">আবু ফারেজ</a> তাদের (অনলাইনে প্রকাশিত) উপন্যাসের রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু করেন, আর তা পাঠকদের জন্যে দেয় এক নতুন আসক্তি।</p>
<blockquote><p>পেটের মধ্যে মুদৃ গর্জন আমার দিবাস্বপ্ন ভেঙ্গে দিল এবং চমকে উঠে দেখলাম মশলা মাখা সামুদ্রিক খাবারের গন্ধ আমার দিকে আকর্ষণীয়ভাবে তেড়ে আসছে। আমার মনে হয়েছিল যে আমি অনেক দিন খাই নি। জানালা দিয়ে দেখলাম পরিবেশিকাকে, মনে হয় রান্নাঘরের দরজার কাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। সে একটা বই পড়তে মগ্ন ছিল কিন্তু আমার চোখ তার উপরে পড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে যেন ষষ্ঠ কোন ইন্দ্রিয় দিয়ে টের পেয়ে সে আমার দিকে ফিরল। সবজান্তার মতো হেসে সে আমার টেবিলের কাছে আসল।</p>
<p>“ক্ষুধার্ত?”</p>
<p>“অবশ্যই, হ্যাঁ! তোমার কাছে কোন খাবার তালিকা (মেন্যু) আছে?”</p>
<p>“এখানে নেই। কিন্তু আমি তোমাকে বলতে পারবো আজকে টাটকা কি তৈরি হচ্ছে।“</p>
<p>“দারুন।“ আমি ভাবলাম নিজে নিজে আর হেসে তার দিকে তাকালাম, তার দেয়া খাবারের বর্ণনা শোনার জন্য।</p></blockquote>
<p>গল্প এমন সহজভাবে শুরু হয়েছে। এই দুই লেখক, যারা প্রতি সপ্তাহের পালাক্রমে লিখছেন, <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/07/24/collaboration/">এখান থেকে শুরু করেছেন</a>। আমরা অধ্যাপক ইউসুফের ভূতপূর্ব ছাত্রী ইয়াসমিনার ব্যাপারে জানতে পারি যে সি ব্রিজ ক্যাফের পরিবেশিকা হিসেবে কাজ করছিল আর রাঁধুনি ইয়াজান সম্পর্কে। এরা সবাই টার্তুসের অপূর্ব সমুদ্র তীরের আবহাওয়াতে আর আবু ফারেস ও মারিয়ার অপূর্ব লেখায় উজ্জ্বলভাবে ধরা দিয়েছে।</p>
<blockquote><p>ইয়াসমিনা যখন নিজের পরিচয় দিচ্ছিল আমার চোখ তখন চলে যায় আর এক মহিলার দিকে। নরম হাতে সে গরম একটা ছোট মাছ লেজের দিক থেকে ধরে, সেটাকে সসের মধ্যে ডুবিয়ে, ঠোঁটের কাছে এনে ফু দিয়ে ঠাণ্ডা করল, আর তার পরে পুরোটুকু গিলে ফেলল। মাথা, কাঁটা আর লেজসহ - আসল ভোজন রসিকের মতো। এর পর চোখ বন্ধ করে সে নিজের সুখের সাগরে ভেসে ছিল। তারপরে&#8230; তারপরে তার অন্য হাত দিয়ে, সে তার মুখের সামনে আলগা হওয়া এক গুচ্ছ চুল টেনে দিল আর কানের পিছনে সেটাকে গুঁজে দিল। সে যেভাবে তার চুল টানল তাতেই আমি কুপোকাত।</p></blockquote>
<p>আমরা এখন <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/10/30/sea-side-part-16/">১৬তম পরিচ্ছদ পড়ছি</a>। আপনারা কিন্তু প্রথম থেকে <a href="http://mariyahsblog.wordpress.com/2009/07/19/sea-side/">পড়তে ভুলবেন না</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7356/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইকুয়েডর: লেখক হবার হতাশা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/30/5605/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/30/5605/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 30 Aug 2009 04:29:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইকুয়েডর]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5605</guid>
		<description><![CDATA[ইকুয়েডরে একজন লেখক হওয়া হতাশার বিষয় হতে পারে। হয় সেখানে বই সহজে পাওয়া যায় না, অথবা রাজনীতিবিদরা বই উন্মোচন অনুষ্ঠানকে তাদের বার্তা পৌঁছে দেবার কাজে ব্যবহার করে, অনেক লেখক কেবল চান তাদের বই পাঠকদের হাতে পৌঁছে যাক।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tonnet/">মিল্টন রামিরেজ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/27/ecuador-the-frustrations-of-being-a-writer/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/12/ecuador-the-passing-of-writer-jorge-enrique-adoum/">জর্জ এডোউম</a> এর মতো আরো একজন লেখক পেতে হয়তো ইকুয়েডরকে আরো অপেক্ষা করতে হবে। তবে বই পড়ার অভ্যাস ইকুয়েডরে এখনও জীবিত এবং তা শক্তিশালী ভাবে রয়েছে এবং একদল তরুণ লেখক সংঘ এ ব্যাপারে পাঠকদের নাড়া দিয়ে যাচ্ছে, <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/07/21/ecuador-interest-in-literature-continuse">যারা ইকুয়েডর সাহিত্যে তাদের চিহ্ন রেখে যাচ্ছে</a>। তারপরেও দেশটিতে একজন লেখক হবার পরিণতি হতাশায় পরিণত হয়। যেমন আন্তর্জাতিক মানের লেখকদের সাথে তুলনার কারনে এবং রাজনৈতিকভাবে কারো লেখা গ্রহণ করার কারনে তারা হতাশ হয়ে পড়ে। তবে এইসব লেখকের মধ্যে অনেকে দেশটিতে লেখালেখির এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পান এবং তারা লেখাকে তাদের পাঠকদের হাতে তুলে দিতে চান। </p>
<div id="attachment_5606" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"> <img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/08/bookfair.jpg" alt="আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আয়ার্সের বই মেলা, ছবিটি রাউল ফারিয়াসের এবং তা অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।" title="bookfair" width="400" height="300" class="size-full wp-image-5606" /><p class="wp-caption-text">আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আয়ার্সের বই মেলা, ছবিটি রাউল ফারিয়াসের-এবং তা অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।</p></div> 
<p>এ রকমই একজন লেখক <em>রাউল ফারিয়াস</em>, যার ব্লগের নাম <em>এল লাডো ডেল কামিনো [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>। তিনি সারা বিশ্ব ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং সেই সমস্ত এলাকা দেখেছেন যেখানে পাঠকেরা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের বই বেছে নিতে পারে। ওই সমস্ত শহরে বই পড়া জীবনের এক মূল অভ্যাস। তবে তার নিজের শহরের নাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Guayaquil">গুয়াইয়াকিল</a>। এই শহরের তাপমাত্রা মধ্য দুপুরে কখনো ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে, এবং তার সাথে উচ্চ মাত্রার আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকে। সেখানে এমন কোন “বইয়ের বাজার” নেই, যেখানে কেউ সাহিত্যের বই কিনতে পারে। তার বদলে সেখানে কিছু বিকল্প জায়গা রয়েছে যেমন:</p>
<blockquote><p>las esquinas de ventas de periódicos (debajo de los semáforos), en las afueras de la terminal de buses, en estériles sitios como farmacias y supermercados (además de las dos grandes librerías ubicadas en los centros comerciales, porque las del centro parecen más tiendas de útiles escolares), entre jeringuillas, pañales, frutas, embutidos y lácteos.</p></blockquote>
<div class="translation">(ট্রাফিক লাইটের নিচে) এক কোনায় সংবাদপত্রের দোকান , বাস টার্মিনালের সামান্য বাইরে, এমন কোন জায়গায় যেখানে কল্পনার কোন স্থান নেই, যেমন ফার্মেসী বা সুপার মার্কেট (এর সাথে যোগ করা যায়, দু&#39;টি প্রধান বইয়ের দোকান দু&#39;টি শপিং মল এ অবস্থিত, কারণ এই দু&#39;টি বড় দোকান সাধারণ বই কেনাবেচার চেয়ে স্কুলের পণ্য বেশি বিক্রি করে) যেখানে সুই, ডায়াপার বা শিশুদের ছোট প্যান্ট, ফল, সসেজ এবং দুগ্ধজাত পণ্য পাওয়া যায়, এক সাথে।</div>
<p>তবে এ রকম অনেক জায়গা <em>ফারিয়াস</em> দেখেছেন যেখানে কেবল নামকরা আন্তর্জাতিক লেখকদের বই বিক্রি হয়। যেমন লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Paulo_Coelho">পাওলো কোয়েলহোর</a> বই সেখানে পাওয়া যাবে। এ সব জায়গায় ইকুয়েডরের লেখকরা ঠিকমতো উপস্থাপন হয় না। </p>
<p>এটা কোন বিষয় নয় যে, কোন জায়গায় বই কিনতে পাওয়া যায়, কিন্তু বই ইকুয়েডরিয়ান সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্য আরেক লেখক, <em>এডোয়ার্ডো ভারাসের</em> ব্লগ <em>লিবরোস, অটোরেস ইয়া রেইসোগেস [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন সাহিত্যের প্রতি জনপ্রিয়তা ও কৌতূহলের কারণে দেশটির শাসকরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করতে চায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় এল ভিয়াজেরো ডেল সিগলো (শতাব্দির ভ্রমণ) বইটির নাম, যার লেখক আন্দ্রেস নুমান। এই বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে যখন ইকুয়েডরের সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, বইটির সাথে দেশটির সরকারের “নাগরিক বিপ্লবের” যোগাযোগ রয়েছে তখন ভারাস বিস্মিত হন। তিনি প্রশ্ন করেন, <a href="http://masalladelibros.blogspot.com/2009/07/presentaciones-inofensivas.html">কেন তারা সাহিত্যকে নিজের পথে ছেড়ে দেয় না</a>।    </p>
<blockquote><p>¿Dónde está el problema de estas cosas? En que uno siente de manera abierta que las personas llamadas a dirigir o moverse en un espacio de servicio (no de poder) observan en el público o en los asistentes a un acto como ese a una bandada de estúpidos que podrá aceptar lo que sea, sin chistar. El concepto por encima del sentido común. Los aplausos a Salazar fueron pocos… la estupidez existe. Disculpen la dureza, no es mi intención ofender a nadie, pero no existe peor sensación para mí que me traten como tarado en actos como ese.</p></blockquote>
<div class="translation">এদের সমস্যা কোথায়? কেন একজন খোলামেলা ভাবে অনুভব করে যে যারা ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে থাকবে তারা সরকারি কাজেও ছড়ি ঘুরাবে (ক্ষমতার নয়) এই ভেবে যে, জনতা বা যারা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে তারা আসলে বেকুব শ্রেণীর এবং তাদের যা বলা হবে তারা তাই মেনে নেবে, কোন প্রতিবাদ ছাড়াই। এই সব ধারণা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সালাজারের (সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী) জন্য সামান্য হাততালি ছিল&#8230;তার বোকামি বজায় রইল। তার প্রতি এত কঠিন হওয়ার জন্য আমি দু:খিত। কাউকে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়, কিন্তু এ রকম এক সমাবেশের মাঝে নিজেকে বোকা অনুভব করার চেয়ে বাজে অনুভূতি আর কিছু নেই।</div>
<p>কোন লেখকের সামনে আরেকটি সম্ভাব্য হতাশা আসতে পারে, যখন সে আবিষ্কার তার লেখার নকল কপি রাস্তায় বিক্রি হচ্ছে। এটা হিসেব করে বের করা হয়েছে যে নকল ব্যবসার কারণে ১৫,০০০ জন বেকার হয়েছে এবং ৫৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি গচ্চা গেছে। এই টাকার কতটা লেখকের পকেটে এসেছে তা এখনও অজানা। তবে একজন লেখক <em>রাফায়েল মেন্ডেজ মেনসা</em> এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত নন। <a href="http://kevinhurlt.blogspot.com/2009/08/joel-tenenbaum-y-green-day-wrarning.html">তিনি কেবল চান তার কাজ তার পাঠকদের কাজে সহজেই পৌঁছে যাক এবং যত দুর পারা যায় বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>El día que demanden a alguna loca por sacarle copias piratas a mis libros y regalarlas por todos lados, o por dedicarse a publicar en blogs todos mis puemitas todos, me prendo fuego.</p></blockquote>
<div class="translation">যেদিন তারা কিছু উন্মাদ মহিলার বিরুদ্ধে মামলা করবে আমার বই নকল করার দায়ে এবং তাদের সেখানে ছড়িয়ে দেবে সব কিছু অথবা আমার সকল কবিতা ব্লগে প্রকাশিত হবে, তখন আমি আমার নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেব।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/30/5605/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইকুয়েডর: লেখক জর্জ এনরিকে এডোউমের দেহত্যাগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4388/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4388/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 23 Jul 2009 18:40:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইকুয়েডর]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4388</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমিল্টন রামিরেজ  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
এমন ঘটনা খুব কমই ঘটে যে ইকুয়েডরের প্রচারমাধ্যম এবং ব্লগাররা একই বিষয় নিয়ে লেখে যা জাতীয় আগ্রহেরও বিষয়। সম্প্রতি তেমন ঘটনা ঘটেছে যখন ল্যাটিন আমেরিকার অন্যতম সেরা কবি বলে বিবেচিত ব্যাক্তিটি মারা যান। এখন ইকুয়েডরবাসী জর্জ এনরিকে এডোউমের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tonnet/">মিল্টন রামিরেজ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/12/ecuador-the-passing-of-writer-jorge-enrique-adoum/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এমন ঘটনা খুব কমই ঘটে যে ইকুয়েডরের প্রচারমাধ্যম এবং ব্লগাররা একই বিষয় নিয়ে লেখে যা জাতীয় আগ্রহেরও বিষয়। সম্প্রতি তেমন ঘটনা ঘটেছে যখন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jorge_Enrique_Adoum">ল্যাটিন আমেরিকার অন্যতম সেরা কবি</a> বলে বিবেচিত ব্যাক্তিটি মারা যান। এখন ইকুয়েডরবাসী <a href="http://www.jorgeenriqueadoum.cce.org.ec/">জর্জ এনরিকে এডোউমের</a> মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। ১৯ বছর বয়সেই তিনি একজন নামকরা কবির একান্ত সচিব হবার যোগ্যতা অর্জন করেন যার নাম (সবাই জানেন) - পাবলো নেরুদা। এ ছাড়াও জাতিসংঘ এবং আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থায় একজন অনুবাদক হিসেবে এডোউম কাজ করেছেন। তিনি সন্মানজনক <a href="http://es.wikipedia.org/wiki/Premio_Xavier_Villaurrutia">জাভিয়ার ভিলাউরুরতিয়া পুরস্কার [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> অর্জন করেন যা সাধারণত: কেবলমাত্র মেক্সিকোর বাসিন্দাদের জন্য বরাদ্দ।  </p>
<p>ব্লগার <a href="http://alfredovera-ecuador.blogspot.com/2009/07/j-o-r-g-e-n-r-i-q-u-e.html">আলফ্রেডো ভেরা</a> আমাদের এক বিশেষ দিক স্মরণ করিয়ে দেন, কি নামে তার বন্ধু বান্ধবরা এডোউমকে ডাকতো। তাকে তারা &#8220;জর্জএনরিকে&#8221; অথবা খুব সহজভাবে &#8220;টারকুইটো&#8221; নামে ডাকতো। </p>
<p>তার বিখ্যাত দুটি কাজ অন্য দুই লেখক<a href="http://es.wikipedia.org/wiki/Jorge_Carrera_Andrade"> জর্জ কাররেরা আন্দ্রাদে [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>, <a href="http://www.diccionariobiograficoecuador.com/tomos/tomo10/a4.htm">হুগো আলেমান [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>, এবং চিত্রশিল্পী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jaime_Valencia">জেইম ভ্যালেন্সিয়ার [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> সাথে মিলে তিনি সমাপ্ত করেন। তাদের রচিত <a href="http://carmenvascones.wordpress.com/2009/07/06/homenaje-a-jorge-enrique-adoum-escritor-ecuatoriano-1926-2009/">দি ভাসিজা দে বাররো [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> (এক কর্দমাক্ত পংতি) এখন ইকুয়েডরের সাংস্কৃতিক জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে আপনি তা <a href="http://www.gcast.com/u/bandurriazul/vasijadebarro">শুনতে</a> এবং <a href="http://www.youtube.com/watch?v=KzHKESzP_bs">দেখতে</a> পাবেন। এর অনুবাদ করে দ্বৈত কন্ঠে গান শুনিয়েছে বেনিতেজ ও ভ্যালেন্সিয়া। নিন্মলিখিত অংশ এই কবিতার শেষ চরণ বা চুড়ান্ত স্তবক:</p>
<blockquote><p>De ti nací y a ti vuelvo<br />
arcilla vaso de barro<br />
con mi muerte vuelvo a ti<br />
a tu polvo enamorado.</p></blockquote>
<div class="translation">তোমা হতে জন্ম আমার, বিলিন হই তোমাতে<br />
কর্দমাক্ত মাটি<br />
মৃত্যুতে আবার ফিরে আসি তোমাতে<br />
ভালোবাসি ধুলিকণা যা তোমার মতোই খাঁটি</div>
<p>ইকুয়েডর সাহিত্যে এডোউমের অনেক অবদান। সকল কিছু উদাহরণ হিসেবে এখানে তুলে দিতে পারা যাবে না। তার সমন্ধে জানার জন্য গুগলে গিয়ে তার নামে অনুসন্ধান করতে হবে। তার অন্যতম সেরা লেখা <em>অনট্রে মার্ক্স ইয়া উনে আ মুহের দেসুনদে</em> (মার্ক্স ও এক নগ্ন মহিলার মধ্যে) থেকে তার কিছু অংশ তুলে দিচ্ছি। লেখক <a href="http://grupobusetadepapel.blogspot.com/2007/11/entrevista-bruno-senz-andrade.html">ব্রুনো সায়েঞ্জের [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> মতে ইকুয়েডরের <a href="http://jcepichincha.blogspot.com/2009/07/al-camarada-jorge-enrique-adoum.html">কমিউনিস্ট পার্টির [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> জন্ম নিয়ে লেখা এই উপন্যাস ইকুয়েডর সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। <em><a href="http://www.lunasazules.com/2009/07/jorge-enrique-adoum.html">লুনাস আজুলেশ [স্প্যানিশ ভাষায়]</a></em>-এর সম্পাদকের এডোউমের সাথে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছিল। ভদ্রমিহলার বলেন, তিন যখন তার একটা বই পড়েন তখন থেকে তিনি প্রতিমুহুর্ত বেঁচে আছেন কেবল এই বই পড়ার জন্য। সম্পাদিকা বই <em>অনট্রে মার্ক্স ইয়া উনেআ মুহের দেসুনদের</em> কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে যুক্ত ছিলেন।</p>
<p> <a href="http://rubendariobuitron.wordpress.com/2009/07/03/adoum-quito-y-los-amores-colectivos/">রুবেন দারিও বুয়িট্রন [স্প্যানিশ ভাষায়] </a> পেশাগতভাবে একজন সাংবাদিক এবং এডোউমের জীবনের শেষ বছরটিতে তার এক সাক্ষাৎকার নেবার সুযোগ হয়েছে। তিনি লেখকের এক মানবিক, সাহসী এবং পরিস্কার জীবনচিত্র তুলে ধরেন। এডোউমে একজন আমবাতেনিও (ইকুয়েডরের একটি শহর আম্বাতো থেকে উৎপন্ন হওয়া একটি নাম) হিসেবে বলেন, তিনি রাজধানী কিটোর প্রেমে পড়েছেন ছাত্র অবস্থায় তার জীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতার জন্যে। যদিও তিনি তার জীবনের অর্ধেকক সময় ফ্রান্স, চিলি এবং তার নিজের দেশে কাটিয়েছেন, কিন্তু কিটোর জন্য তার হৃদয়ে এক আলাদা স্থান ছিল।  জর্জ এনরিকে তার স্বদেশী ইকুয়োডিরিয়ান সমন্ধে তার চিন্তা ব্যাক্ত করেন।  </p>
<blockquote><p>Los ecuatorianos estrechamos la mano del ser superior, casi temblando, casi temerosos, cómo nos agachamos ante el extranjero, cómo damos rodeos para decir sí o no, cómo bajamos la mirada cuando alguien nos conmina o desafía. Y entonces cuando intentamos sacarnos la camisa de ese complejo nos volvemos agresivos, arrogantes, violentos. No, nada de eso es ser quiteño.</p></blockquote>
<div class="translation">আমরা, ইকুয়েডরিয়ানবাসীরা তার সাথে হাত মিলাই, যাদের আমরা আরো বড় বা উপরের শ্রেণীর বলে মনে করি, উত্তেজিত হই, অথবা যখন প্রায় ভয়ের মধ্য চলে যাই বা ভীত হই। বিদেশীদের মুখোমুখি হবার সময় আমরা কতটা নিজেদের নীচে নামাই, যখন কেউ আমাদের চ্যালেঞ্জ জানায় বা সর্তক করে, তখন আমরা তার চোখের দিকে তাকাতে পারি না এবং যখন আমরা জটিলতা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে চাই, আমরা আক্রমনাত্বক, উদ্ধত এবং হিংস্র হই। না, এদের কেউ কিটোর অধিবাসী নয়।</div>
<p>বেদনাদায়ক ভাবে চলে যাবার আগে এউডোমের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে গিয়েছিল। যখন তার শেষ কবিতার সংকলন <a href="http://www.hoy.com.ec/noticias-ecuador/muere-el-escritor-que-le-falto-al-boom-356429.html">ক্লাউডিকাসিওন ইন্টারমিটেন্ট [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> যা বেনজামিন কাররিওন এর কিটোর বাসায় উন্মোচন করা হয়, তখন তিনি বলেন, আমি অবশ্যই নিজের সমালোচনা করবো এবং অনুতপ্ত হব এই কারণে যে আমার বিশ্বাস আমার খুব অল্প বন্ধু রয়েছে। এই কথা যা সবার কানে যাচ্ছে এই ঘরের মধ্যে সবার কানে, তারা আমাকে ছুঁয়ে গেছে, আমি প্রতিজ্ঞা করছি এই কথা আর উচ্চারণ করবো না যে, আমার খুবই অল্প বন্ধু রয়েছে।  </p>
<p>ইকুয়েডরের জনগণ স্কুলে থাকা অবস্থায় তার সমন্ধে জানতে শুরু করে। অনেক শিক্ষক ছাত্রদের বলে, তারা যেন এই কবির যে যে কোন পাঠ মুখস্থ করে আসে। এভাবেই তিনি সবার শ্রদ্ধা অর্জন করেন। এমনকি বিখ্যাত অনেকে যারা তারা কোন লেখা পড়েনি তারাও তাকে শ্রদ্ধা করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় <a href="http://raulfa.blogspot.com/2009/07/jorgenrique.html">রাউল ফারিয়াস [স্প্যানিশ]</a> ভাষায় মনে করেন, তিনি এডোউমাকে পছন্দ করেন। কারণ তিনি একটা সুন্দর দেশের জন্য স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সংস্কৃতিক মুল্যবোধ প্রচারের জন্য লড়াই করেছিলেন, বিশেষ করে শিল্পকলার ক্ষেত্রে। ফারিয়াস বলেন যে এডোউমা বৈষম্য এবং অসাম্য নিরসনের জন্য লড়াই করেছিলেন, সবসময় এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেন: “কে একজন আসল ইকুয়েডরিয়ান?”</p>
<p>যেমনটা শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে, এটা দুর্লভ যে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ বিষয়ে মন্তব্য করতে চায়। <a href="http://kevinhurlt.blogspot.com/2009/07/jorge-enrique-adoum-1926-2009.html">রাফায়েল মেনডেজ [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> ইউটিউব ভিডিওর একটা ভালো তালিকা তৈরী করেছে যেখানে জর্জ এনরিকে তার নিজের লেখা কবিতা এবং লেখা পড়ে শোনাচ্ছে। মারিয়া পাউলা রোমো লেখকের একটা কবিতা পুনরায় প্রকাশ করেছে যার নাম <a href="http://paularomo.blogspot.com/2009/07/creo-en-mi-pais-jorge-enrique-adoum.html">আমি আমার স্বদেশকে বিশ্বাস করি [স্প্যানিশ ভাষায়] </a>এবং যারা সোশাল নেটওয়ার্কে আগ্রহী তাদের জন্য <a href="http://www.facebook.com/pages/Jorge-Enrique-Adoum/39873218957">ফেসবুকে একটি পাতা </a>রয়েছে যেখানে একজন জর্জ এনরিকে এডোউম এর দেহত্যাগের উপর করা মন্তব্য পড়তে পারা যাবে।    </p>
<p>থাম্বনেইল ছবি <a href="http://www.flickr.com/photos/jody_art/2099710671/">জোডি আর্ট</a> এর সৌজন্যে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/23/4388/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্যালেস্টাইন: ইজরায়েলের সশস্ত্র পুলিশের সাহিত্য উৎসবে বাধা প্রদান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/08/3451/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/08/3451/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 08 Jun 2009 10:32:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3451</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনইমান আবদেলরাহমান  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
প্যালেস্টাইন ফেস্টিভল অফ লিটেরেচার বা প্যালেস্টাইন সাহিত্য উৎসব রাস্তায় ভ্রমণ করা এক সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যা প্যালেস্টাইনের পশ্চিম তীর ধরে মে মাসের ২৩ থেকে ২৮ তারিখে হবার কথা ছিল।
এর উদ্দেশ্য সারাবিশ্বের লেখক এবং শিল্পীদের প্যালেস্টাইনের দর্শকদের সামনে তুলে আনা ও সংগঠিত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lasto-adri/">ইমান আবদেলরাহমান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/26/palestine-israeli-armed-police-disrupt-literature-festival/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.palfest.org/">প্যালেস্টাইন ফেস্টিভল অফ লিটেরেচার</a> বা প্যালেস্টাইন সাহিত্য উৎসব রাস্তায় ভ্রমণ করা এক সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যা প্যালেস্টাইনের পশ্চিম তীর ধরে মে মাসের ২৩ থেকে ২৮ তারিখে হবার কথা ছিল।</p>
<p>এর উদ্দেশ্য সারাবিশ্বের লেখক এবং শিল্পীদের প্যালেস্টাইনের দর্শকদের সামনে তুলে আনা ও সংগঠিত করা, আর্ন্তজাতিক ও স্থানীয় ব্যাক্তিদের নিয়ে সংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা। প্যালেস্টাইনিয়ান একাডেমিক ইনিস্টিটিউট, এর পাশাপাশি প্যালেস্টাইন একাডেমির সহযোগীতায় ছাত্রদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করতে চেয়েছিল। </p>
<p>এই অনুষ্ঠানের <a href="http://www.palfest.org/index.html">আয়োজকদের</a> মতে:</p>
<blockquote><p>সামরিক দখলদারিত্বের কারনে প্যালেস্টাইনিদের নিজের দেশেই উৎসব করার ক্ষেত্রে এক কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, এই উৎসব তার দর্শকের কাছে ভ্রমন করার বা যাওয়ার কথা ছিল। এটা রামাল্লা, জেনিন, আল খাহলিল/হেবরন এবং বেথেলহেমে যাবার কথা ছিল। আরব জগতের সংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে এ বছর সেখানে উৎসব হবার কথা। এই উৎসব জেরুজালেমে শুরু এবং শেষ হবার কথা। এবং সেই সমস্ত দর্শকদের জন্য এই উৎসব ছিল যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না। সেখানকার সাথে উৎসবের সংযোগ তৈরী করার জন্য আমরা অনেকগুলো উপায় বের করার চেষ্টা করেছি: অন্য ব্লগ থেকে প্রতিদিনের ভিডিও, টুইটার তাজা সংবাদ, এ গুলোর সব আপনি আমাদের পাতায় দেখতে পাবেন।</p></blockquote>
<p>উৎসব এর শুরুটা যতটা মসৃন হবার আশা করা হয়েছিল ততটা হয়নি, এবং প্রথম রাতেই <a href="http://www.guardian.co.uk/world/2009/may/24/israeli-police-close-palestinian-theatre">ইজরায়েলের সশস্ত্র পুলিশ </a>তা জোর করে <a href="http://twitter.com/PalFest/status/1893986332">বন্ধ</a> করে দেয়। </p>
<div id="attachment_3454" class="wp-caption aligncenter" style="width: 391px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/p1.png" alt="উৎসবের উপর ইজরায়েলের হয়রানির ব্যাপারে " title="p1" width="381" height="137" class="size-full wp-image-3454" /><p class="wp-caption-text">উৎসবের উপর ইজরায়েলের হয়রানির ব্যাপারে </p></div>
<p><em>ডান-চিই চুয়া</em> যিনি এই উৎসবে অংশ নেনে তিনি এই শিরোনামে লেখেন,“<a href="http://www.theasiamag.com/blog-types/100days/-jerusalem-to-the-west-bank/reality-check-or-how-to-hold-a-festival-under-occupat"><em>বাস্তবতা পরীক্ষা করা অথবা কি ভাবে একটি উৎসব দখলদারিত্বের কারন স্থগিত হয়ে যায়</em></a>”। তিনি পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন, কি ভাবে ইজরায়েলের নিরাপত্তা পুলিশ বন্দুক হাতে উপস্থিত হয় এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। ভদ্রমহিলা এই অভিজ্ঞতায় তার ব্যাক্তিগত চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন:</p>
<blockquote><p>এটা খুব বাজে চিন্তা নয়-অন্ততপক্ষে এটা বলা যায়- পশ্চিম তীরে উপস্থিত হওয়া, আর্দশবাদীদের পাশে অবস্থান নেওয়া, কারন এবং নৈতিকতার পাশে, এই যাত্রায় আমাদের বাক্সেপেটরা গুছিয়ে নিতে হয়েছে জনগণের গল্প শোনার বদলে। প্যালেস্টাইনের জনগণের কণ্ঠস্বর ইতিমধ্যে যথেস্ট পরিমান দমন করা হয়েছে, বাইরের কোন ব্যক্তি কর্তৃক একে আরো ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর আগে।</p></blockquote>
<div id="attachment_3456" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/p2.jpg" alt="উৎসবের নতুন স্থানে পাঠ করছেন ডেবরাহ মোগাক" title="p2" width="400" height="233" class="size-full wp-image-3456" /><p class="wp-caption-text">উৎসবের নতুন স্থানে পাঠ করছেন ডেবরাহ মোগাক</p></div>
<p>মিশরীয় ঔপন্যাসিক <em>আহদাফ সোয়াইফ</em> নিজেও এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি এই বাক্য দিয়ে তার শক্তিশালী <a href="http://www.palfest.org/authorsblog.html">ব্লগ পোষ্টের</a> উপসংহার টানেন: </p>
<blockquote><p>আজ বন্ধুরা আমার আমাদের লক্ষ্যের সবচেয়ে পরিস্কার উদাহরণ দেখতে পেলাম: ক্ষমতার সংস্কৃতি মুখোমুখি হলো সংস্কৃতির ক্ষমতার সাথে।</p></blockquote>
<p><em>ইংলিশ পেন ওয়ার্ল্ড এ্যাটলাস</em>, আহদাফ সোয়ইফের সংস্কৃতি বনাম ক্ষমতার উদ্ধৃতির সাথে প্রতিধ্বণি করছে এবং উদ্বোধনী রাতের একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। </p>
<p>বলার প্রয়োজন নেই যে খুব বেশি দিন আগের কথা নয় সারাবিশ্বের লোকজন এই বিষয়ে <a href="http://search.twitter.com/search?q=palfest">টুইটিং করা শুরু করেছে</a>।</p>
<p>এখানে টুইটারদের কয়েকটি প্রতিক্রিয়ার চিত্র তুলে ধরা হল:<br />
<div id="attachment_3457" class="wp-caption aligncenter" style="width: 430px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/p3.png" alt="প্যালফেষ্ট-এ টুইটার প্রতিক্রিয়া" title="p3" width="420" height="236" class="size-full wp-image-3457" /><p class="wp-caption-text">প্যালফেষ্ট-এ টুইটার প্রতিক্রিয়া</p></div>       </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/08/3451/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাশিয়া: &#8216;দ্যা এসোসিয়েট&#039; বই নিয়ে একজন ব্লগারের পর্যালোচনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/03/3281/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/03/3281/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 03 Jun 2009 00:08:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3281</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনভেরোনিকা খখলোভা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
প্রায় একমাস আগে, জোস্ট আ মন ব্লগ এপ্রিল মাসে পড়া হয়েছে এমন &#8216;ভাষান্তরকৃত অপরাধ ও রোমাঞ্চ গল্পের&#8216; একটি রিভিউ পোস্ট করেন- যার মধ্যে বেশ কিছু বই ছিল মধ্য আর পূর্ব ইউরোপের লেখকদের।
নীচে আমেরিকান লেখক জন গ্রিশামের ২১ তম উপন্যাস দ্যা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/neeka/">ভেরোনিকা খখলোভা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/28/russia-a-bloggers-review-of-the-associate/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রায় একমাস আগে, <em>জোস্ট আ মন</em> ব্লগ এপ্রিল মাসে পড়া হয়েছে এমন &#8216;<a href="http://jostamon.blogspot.com/2009/04/crime-third-month.html">ভাষান্তরকৃত অপরাধ ও রোমাঞ্চ গল্পের</a>&#8216; একটি রিভিউ পোস্ট করেন- যার মধ্যে বেশ কিছু বই ছিল মধ্য আর পূর্ব ইউরোপের লেখকদের।</p>
<p>নীচে আমেরিকান লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/John_Grisham">জন গ্রিশামের</a> ২১ তম উপন্যাস <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/The_Associate_(novel)">দ্যা এসোসিয়েট</a> সম্পর্কে অখুশী একজন রাশিয়ান ব্লগারের পর্যালোচনা :</p>
<blockquote><p><a href="http://dolboeb.livejournal.com/1565553.html">লাইভ জার্নাল (এলজে) ব্যবহারকারী ডোলবয়েব/আন্তোন নসিক-মে ২৪,২০০৯</a></p>
<p>আমি গ্রিশামের শেষ রোমাঞ্চ উপন্যাস দ্যা এসোসিয়েট পড়েছি।</p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Alexandra_Marinina">আলেকজান্ডার মারিনিনা</a> [রাশিয়ান অপরাধ উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক] এরও এমন একটা গোয়েন্দা উপন্যাস ছিল, নাম &#8216;এন আনউইলিং মার্ডারার&#39; (অনিচ্ছাকৃত খুনী)।</p>
<p>লেখক একটা [জটিল] পরিকল্পনা করেছেন আর উৎসাহ নিয়ে সেটা লিখতে বসেন, অনেক পরিকল্পনা নিয়ে ঘটনায় প্যাচ আনেন, আর বক্তব্যের মাঝামাঝি স্থানে, হঠাৎ করে পুরো পান্ডুলিপি সম্পর্কে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন, সব থেকে উৎসাহজনক স্থানে কথা থামিয়ে দেন, আর এইরুপে প্রকাশকের কাছে এটা পাঠিয়ে দেন। প্রকাশক হয়তোবা কিছুটা [ধাক্কা] খান এই ধরনের শেষের জন্য, কিন্তু ব্যবসা তো ব্যবসা: পাঠক যেখানে আশা করে ভালোর সাথে খারাপের একটা নিশ্চিত সংগ্রাম আর সকল রহস্যের সমাপ্তি, তারা সেখানে কোন কারন ছাড়া শেষের একটা অধ্যায় তৈরি করে, এই অর্ধেক উপন্যাসকে বিন্যস্ত করে [বিশাল] ধরনের টাইপে, যাতে [বইটা] আরো মোটা দেখায়, আর এটাকে দোকানের তাকে ছুঁড়ে ফেলে, যেখানে লেখকের অর্ধ কোটি ভক্ত নিয়ম করে তাক থেকে এই অর্ধেক উপন্যাস তুলে নেয় একটা সম্পূর্ণ রোমাঞ্চ উপন্যাসের দামে।</p>
<p>আর সব থেকে মজার ব্যাপার হলো যে একটা রোমাঞ্চ উপন্যাস শেষ পর্যন্ত আর মধ্য পর্যন্ত লেখার মধ্যে কোন পার্থক্য আসলে নেই। উভয়েরই লক্ষ্য, পাঠকের মনোযোগ কয়েক ঘন্টার জন্য ধরে রাখা - তা সে পাবলিক যানবাহন বা সমুদ্রের তীরে - যেখানেই হোক - সফলভাবে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/03/3281/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিঙ্গাপুর: বার্ষিক বই পড়া কর্মসূচী</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/26/3151/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/26/3151/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 26 May 2009 16:41:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3151</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমং পালাটিনো  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ন্যাশনাল লাইব্রেরী বোর্ড অফ সিঙ্গাপুর রীড সিঙ্গাপুর ২০০৯! নামে একটি দেশব্যাপী বই পড়া কর্মসূচী চালূ করেছে যার লক্ষ্য হচ্ছে সিঙ্গাপুরে বই পড়ার সংস্কৃতি তৈরী করা। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মং পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/26/singapore-annual-reading-initiative/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>ন্যাশনাল লাইব্রেরী বোর্ড অফ সিঙ্গাপুর</em> <a href="http://readsingapore.nlb.gov.sg/?p=214">রীড সিঙ্গাপুর ২০০৯!</a> নামে একটি দেশব্যাপী বই পড়া কর্মসূচী চালূ করেছে যার লক্ষ্য হচ্ছে সিঙ্গাপুরে বই পড়ার সংস্কৃতি তৈরী করা। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/26/3151/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বুবিশার: পশ্চিম সাহারাতে বাচ্চাদের জন্য বই এর বাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2698/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2698/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 07 May 2009 20:02:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম সাহারা]]></category>
		<category><![CDATA[বই]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2698</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেনাটা আভিলা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ুবিশার মানে ‘সুসংবাদ আনা পাখি’। রোগে ব্লগ অনুসারে, এটি একটি সাহারাউই কবিতার বই এরও নাম। কিন্তু পশ্চিম সাহারার শরণার্থী শিবিরে থাকা শত শত বাচ্চাদের জন্য, এটা বই ভরা এক বাসের নাম, ব্যাখ্যা করেছেন হাজ লো কুই দেবাস।
শিশু সাহিত্যের লেখক আর [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/renata-avila/">রেনাটা আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/29/bubisher-a-bus-of-books-for-children-in-western-sahara/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div class="wp-caption alignleft" style="width: 237px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/3060684831_94caa48be7-227x300.jpg"><img alt="বুবিশার.. পশ্চিম সাহারার শরনার্থী শিবিরের বাচ্চাদের জন্য বই।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/3060684831_94caa48be7-227x300.jpg" title="বুবিসার" width="227" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">বুবিশার.. পশ্চিম সাহারার শরনার্থী শিবিরের বাচ্চাদের জন্য বই।</p></div>বুবিশার মানে ‘সুসংবাদ আনা পাখি’। <a href="http://www.blogseitb.com/rogeblasco/tag/bubisher/">রোগে ব্লগ</a> অনুসারে, এটি একটি সাহারাউই কবিতার বই এরও নাম। কিন্তু পশ্চিম সাহারার শরণার্থী শিবিরে থাকা শত শত বাচ্চাদের জন্য, এটা বই ভরা এক বাসের নাম, ব্যাখ্যা করেছেন <a href="http://hazloquedebas.blogspot.com/2008/08/qu-es-bubisher.html">হাজ লো কুই দেবাস</a>।</p>
<p>শিশু সাহিত্যের লেখক আর <a href="http://www.bubisher.com/">বুবিশার</a> এর উদ্যোক্তা <em>গঞ্জালো মৌরে</em> বলেছেন:</p>
<blockquote><p>El Bubisher no lleva libros regalados o sobrantes, sino un plan de lectura, con 4 o 20 ejemplares por titulo, para un fondo inicial de 1400 libros.</p></blockquote>
<div class="translation">বুবিশার ব্যবহৃত বা অতিরিক্ত কপি বই রাখে না, কিন্তু এটা পড়ার একটা পরিকল্পনা যেখানে প্রতিটি শিরোনামের ৪-২০টা কপি আছে একটা ১৪০০বই এর লাইব্রেরি শুরু করার মতো।</div>
<p><a href="http://abueliki.blog.com.es/2009/04/12/un-bibliobus-solidario-bubisher-5934363/">আবুয়েলিকি</a> ব্লগ আমাদেরকে বুবিশার ব্লগ পড়ার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়, এই সৃজনশীল বাস সম্পর্কে জানা আর এই উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্যে। শুধুমাত্র অর্থ দিয়ে না বরং স্বেচ্ছাসেবকরা কিভাবে উদাহরণ দেয়ার মতো এই প্রকল্পে কাজ করছেন আর একে ভালোবাসেন এই সম্পর্কে সবাইকে জানিয়ে সমর্থন করা যেতে পারে।</p>
<div><object width="400" height="321"><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="movie" value="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=2831004&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" /><embed src="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=2831004&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="always" width="400" height="321"></embed></object>
<p><a href="http://vimeo.com/2831004">এল পাজারো ক্যু ত্রায়ে লা বুয়েনা সুয়ের্টে</a>, <a href="http://vimeo.com/user1158492">আইরিন বাইলোর</a> সৌজন্যে <a href="http://vimeo.com">ভিমিওতে</a>।</p>
</div>
<p><a href="http://www.kalandraka.com/blog/?p=2112">কালান্দ্রা ব্লগ</a> আরো ব্যাখ্যা করেছেনঃ:</p>
<blockquote><p>Además de libros en castellano, donados por editoriales como KALANDRAKA, el Bubisher también incorpora una selección de literatura infantil y juvenil en árabe, lo que afianza los lazos de la multiculturalidad. Frente a la carencia de libros y de espacios de lectura, el Bubi supone “una biblioteca abierta y que se acerca a los lectores”, tal y como ha expresado Gonzalo Moure. Una biblioteca rodante, en constante movimiento.</p></blockquote>
<div class="translation">কালান্দ্রা প্রকাশকদের দান করা কাস্টীলিয়ান স্প্যানিশ ভাষার বই ছাড়াও বুবিশারের বাসে আছে বাচ্চা আর যুবাদের জন্য আরবী ভাষার বইয়ের সমগ্র যা বহুসংস্কৃতির বন্ধন সুসংহত করবে। বই এর অভাব আর তা পড়ার স্থানের অভাব সংক্রান্ত বাধা দুর করতে বুবিশার একটি উন্মুক্ত লাইব্রেরী উদ্যোগ যেটা পাঠক যেখানে আছে সেখানে যায়, এমনটিই ব্যাখ্যা করেছেন গোঞ্জালো মৌরে। এটি একটি চলমান লাইব্রেরী, যা সব সময়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।</div>
<p>আপনি কি বুবিশার জন্য স্বেচ্ছাসেবক হতে চান? আপনি তাদের <a href="http://www.bubisher.com/2009/03/120-amigos-del-bubisher.html">১২০ বুবিশার বন্ধু</a> নামে যে প্রচেষ্টা আছে তাতে যোগ দিতে পারেন যারা শ্রেনীকক্ষ বা স্কুলের সাথে পার্টনার হয় কিছু অর্থ তোলার জন্য বা আপনি নিজে থেকে বই বা অর্থ দান করতে পারেন। আপনি তাদের স্প্যানিশ বা অন্য ভাষার লেখা <a href="http://www.enriquecampoamor.com/Webs/Bubisher/Documentos/BUBI_FOLLETO.pdf">ভাষান্তর করে দিতে পারেন</a> বা আপনি বুবিশার পোস্টার আপনার বন্ধুদের দিকে এগিয়ে দিতে পারেন। অথবা আপনার অফলাইন গোষ্ঠীর কাছে  প্রচারের জন্য নিজেই ছাপাতে পারেন। আরো আছে, আপনি <a href="http://www.bubisher.com/2008/09/voluntarios_30.html">স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে</a> শরণার্থী শিবিরে যেতে পারেন আর বাচ্চাদের সাথে কিছু ভালো পড়া ভাগ করতে পারেন।</p>
<p>পরিশেষে, আমি বুবিশার উদ্যোক্তা <a href="http://www.gonzalomouretrenor.es/">গঞ্জালা মৌরের</a> উদ্ধৃতি দিতে চাই, সাহিত্য আর বই নিয়ে আলোচনায়:</p>
<blockquote><p>Eso es la literatura: corazones que no dejan de latir, pensamiento sin la barrera del tiempo. El corazón del abuelo latiendo en nuestro pecho. El aliento de Homero en nuestros oídos. Leer es vencer al tiempo, tener mil corazones</p></blockquote>
<div class="translation">এটা সাহিত্য: হৃদয় যাতে স্পন্দিত হয়, চিন্তা যা সময়ের বাধাকে চ্যালেঞ্জ করে। আমাদের পূর্বপুরুষদের হৃদয় আমাদের বুকে আছে। হোমারের নি:শ্বাস আমাদের কানে। পড়া সময়কে চ্যালেঞ্জ করা, হাজার হৃদয় দিয়ে অনুভব করা। </div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/07/2698/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
