<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/international-relations/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>প্যালেস্টাইন: টুইটারের রিপোর্ট বলছে যে ইজরায়েল রাফাহ আর খান ইউনিসে বোমা হামলা চালাচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 17:15:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7718</guid>
		<description><![CDATA[গত জানুয়ারী ২০০৯ এ গাজাতে ইজরাইলের হামলার সময়ে, ব্লগার আর টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের স্থান নিয়েছিল, কারণ সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই নাগরিক সাংবাদিকেরা প্রধান ধারার প্রচার মাধ্যমে প্রকাশের বেশ আগেই সব ঘটনার ব্যাপারে রিপোর্ট করে। আজ (১৯শে নভেম্বর, ২০০৯) রাতে, টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের আগে জানিয়েছেন যে খান ইউনিস আর রাফায় বোমা হামলা হচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot; </em> 
<br /><p>গত জানুয়ারী ২০০৯ এ গাজাতে ইজরাইলের হামলার সময়ে, ব্লগার আর টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের স্থান নিয়েছিল, কারণ সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই নাগরিক সাংবাদিকেরা প্রধান ধারার প্রচার মাধ্যমে প্রকাশের বেশ আগেই সব ঘটনার ব্যাপারে রিপোর্ট করে। আজ (১৯শে নভেম্বর, ২০০৯) রাতে, টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের আগে খবর প্রচার করেছেন। গ্রীনিচ মান সময় ১১.৩০টার দিকে (স্থানীয় সময় ভোর ১.৩০) ফ্রম_গাজা নামে টুইট করা <em>ইব্রাহিম সাইদ</em> <a href="http://twitter.com/From_Gaza/status/5841237161">জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>قصف في خانيونس ورفح : الان</p></blockquote>
<div class="translation">খান ইউনিস আর রাফায় বোমা হামলা হচ্ছে - এখন</div>
<p>কিছুক্ষণ পরে তিনি বিস্তারিত <a href="http://twitter.com/From_Gaza/status/5841858902">জানিয়েছেন</a>:</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Screen-shot-2009-11-18-at-7.36.32-PM-300x147.png" alt="tweet" /></p>
<div class="translation">ইজরায়েলের বিমান বাহিনী রাফার সুড়ঙ্গ সমূহকে লক্ষ্য করে বোমা ফেলেছে। এবং গাজা স্ট্রিপের খান ইউনিসে লোকজন সরিয়েছে কাসাম রকেটের উৎসকে আক্রমণ করার জন্যে। ৫ জন মারা গেছে এবং একজন গুরুতরভাবে আহত।</div>
<p>ব্লগার <em>পলিটিকাল থিয়াট্রিকস</em> ঘটনার <a href="http://www.politicaltheatrics.net/?p=467">বর্ণনা দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বুধবার রাতে ইজরায়েলী বিমান বাহিনী  গাজা- মিশর সীমান্তে চোরাচালানের সুড়ঙ্গে হামলা করেছে। এই ঘটনা ঘটে ফিলিস্তিনি জঙ্গীরা একদিন আগে গাজা স্ট্রিপ থেকে পশ্চিম নেগেভে একটি কাসাম রকেট ছোঁড়ার পরে।</p>
<p>আইডিএফ মুখপাত্রের অফিস জানিয়েছেন যে ইজরায়েল বিমানবাহিনীর প্লেন কাছের একটা কাঠামোতেও আঘাত করেছে যা বিশ্বাস করা হচ্ছে গাজার শহর খান ইউনিসে অস্ত্রাগার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।</p>
<p>ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে যে হামলায় তিন জন আহত হয়েছেন, আর তারা দাবি করেছেন যে সেনা প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রকেও লক্ষ করা হয়েছিল।</p>
<p>আইডিএফ রিপোর্ট আরো ইঙ্গিত করেছে যে আঘাত করা হয়েছিল বুধবার ভোরে গাজা স্ট্রিপ থেকে যে কাসেম রকেট ছোঁড়া হয়েছিল তার জবাবে, আর যা শার হেনেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিল, পশ্চিম নেগেভে পড়েছিল।</p></blockquote>
<p>[সম্পাদকের উক্তি: উপরের ব্লগার আসলে হারেটজ পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, ভুলের জন্য আমি একান্ত দু:খ প্রকাশ করছি।]</p>
<p>সর্বশেষ (৮.০৬ পূর্বের সময়): বিবিসি <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/middle_east/8367871.stm">আক্রমণের খবর নিশ্চিত করেছে</a>, আর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোন হতাহতের কথা জানাননি।</p>
<p> টুইটার ব্যবহারকারী <em>পাকিনামামের</em> আরো উত্তরের অপেক্ষায় আছেন। তিনি <a href="http://twitter.com/pakinamamer/status/5842642453">জিজ্ঞাসা করেছেন</a>: </p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Screen-shot-2009-11-19-at-12.01.25-AM-300x132.png" alt="tweet" /></p>
<div class="translation">আপনারা কি কেউ নিশ্চিত বলতে পারবেন যে খান ইউনিস আর রাফায় ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে কি না? কোন বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ মাধ্যম কি সংবাদটি প্রচার করেছে?</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরী: ইমরে কের্তেজের সাথে সাক্ষাৎকারের উপরে মন্তব্য</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 17 Nov 2009 20:33:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7557</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনমারিয়েট্টা লে  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
জার্মান সংবাদপত্র ডি ভেল্ট নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি সাক্ষাৎকার (জার্মান ভাষায়) ছেপেছে নোবেল পুরস্কার পাওয়া হাঙ্গেরীর লেখক ইমরে কের্তেজের, যিনি এখন বার্লিনে বাস করছেন। কের্তেজ তার ৮০তম জন্মদিন পালন করলেন একই দিনে যেদিন জার্মানী বার্লিন দেয়াল পড়ার ২০তম বার্ষিকী পালন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/hungary-comments-on-the-interview-with-imre-kertesz/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>জার্মান সংবাদপত্র <em>ডি ভেল্ট</em> নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি সাক্ষাৎকার (<a href="http://www.welt.de/die-welt/kultur/literatur/article5116030/Ich-schreibe-keine-Holocaust-Literatur-ich-schreibe-Romane.html">জার্মান ভাষায়</a>) ছেপেছে নোবেল পুরস্কার পাওয়া হাঙ্গেরীর লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Imre_Kert%C3%A9sz">ইমরে কের্তেজের</a>, যিনি এখন বার্লিনে বাস করছেন। কের্তেজ তার ৮০তম জন্মদিন পালন করলেন একই দিনে যেদিন জার্মানী বার্লিন দেয়াল পড়ার ২০তম বার্ষিকী পালন করল। সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বুদাপেস্ট আর বার্লিন সম্পর্কে তার মনোভাব জানাতে। বুদাপেস্টের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ হাঙ্গেরীর এই লেখক <a href="http://www.caboodle.hu/nc/news/news_archive/single_page/article/11/hungarian_no/?cHash=c5df5b1948">উত্তর দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি শহুরে মানুষ, ছিলাম আর সব সময়ে থাকব। শহুরে মানুষরা বুদাপেস্টে থাকে না কারণ এই শহর পুরোপুরি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Balkanization">বল্কানাইজ</a> (বিচ্ছিন্ন) করা হয়েছে। শহুরে মানুষ বার্লিনে থাকে!</p></blockquote>
<p>তার কথা বেশ কিছু হাঙ্গেরীয় ব্লগারকে বিচলিত করেছে, আর এই সাক্ষাৎকারের <a href="http://konyves.blog.hu/2009/11/09/kertesz_nem_holokauszt_irodalmat_irok_hanem_regenyeket">হাঙ্গেরীয় ভাষান্তর</a> প্রকাশিত হওয়ার পরে বেশ জমাট আলোচনা শুরু হয়।  <em>কন্জার্ভেটিভ কল্টক বারাতি কোর</em> ব্লগের <em>মি. ফালাফেল</em> <a href="http://kkbk.blog.hu/2009/11/09/kertesz_imre_arsch_poetica">তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>ডি ভেল্টে তিনি যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে প্রতিটি সম্মানিত হাঙ্গেরীবাসী তা ব্যাপারে কি ভাবেন, যে তিনি দেশ বিহীন একটা বদমাশ যার হাঙ্গেরীবাসীর সাথে কিছুই সম্পর্ক নেই। সাক্ষাৎকারের বিষয়ে, বেশ কয়েকটা সংবাদ সূত্রের অনুবাদ ভিন্ন দেখা গেছে কিছু বিষয়ে যেমন, কের্তেজের কথা অনুসারে, আরব- বিরোধীরা ১০ বছর ধরে শাসন করছেন, বা তারা কেবলমাত্র মতামতের নেতা হয়েছেন। আমি জার্মান বলি না, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না যে কোন অনুবাদকে বিশ্বাস করা উচিত। আসলে সব একই - দুটি ভাষ্যেই মূঢ়তা রয়েছে। তিনি হাঙ্গেরীতে বাস করেন না, আর তিনি আগ্রহীও না দেখার জন্য যে এখানে কি হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>এই প্রতিবেদন পড়ার পরে <em>লর্ডার্ট</em> ও হতাশ হয়েছেন। তিনি তার <a href="http://lordart.blog.hu/2009/11/08/kertesz_imre_2">পোস্টে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এখন পর্যন্ত আমি কিছুটা গর্বিত ছিলাম যে হাঙ্গেরীয় বংশদ্ভূত একজন নোবেল বিজয়ী আছেন, যার কাজের মূল্য- বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এর পরে আমি এখনো জনাব কের্তেজের কাজের যে মূল্য সেটা স্বীকার করবো, কিন্তু আমি তার মনোভাবের সম্মান করবো, যেটা অনুসারে তার ব্যক্তিত্ব হাঙ্গেরী, বুদাপেস্টের সাথে সংযুক্ত করা যাবে না।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার হাঙ্গেরীর মিডিয়া প্রকাশিত অনুবাদের তিরস্কার করেছেন কারণ কিছু বিষয় মনে হচ্ছিল বাড়িয়ে বলা হয়েছে। <em>হারগোরিনিদিয়োক</em> ব্লগের <em>ভারসেগেনি এসজাকাই দুভাদ</em> পুরো সাক্ষাৎকারটি পুনরায় অনুবাদ করেছেন আর প্রেসের বিতর্কিত ভাষান্তর সম্পর্কে <a href="http://hangorienidiocc.blog.hu/2009/11/08/kerteszkedes_5">তার মন্তব্য দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>একেবারে সহজ আর পরিপূর্ণভাবে পুরো হাঙ্গেরীর প্রেস একটা অনুবাদ পুনরায় না দেখবার মতো অলস ছিল, প্রত্যেকটি সংবাদ রিপোর্টেই শব্দ ভিত্তিক অনুবাদ হয়েছে (এই দেশে হয়তো কেউ সঠিক জার্মান বলে না)।</p>
<p>শুনতে অবশ্য খুব ভাল লাগছে: ”আমাকে হাঙ্গেরীর সাথে সংযুক্ত করবেন না।“ অবশ্য এতে কেউ বিস্মিত হতে পারেন, কিন্তু সমস্যা হল, যেটা সব সময় বলতে ভুলে যাওয়া হয়, যে এটা গোঁড়ার কথা না, বরং সাহিত্যিক শিকড় নিয়ে।</p>
<p>না হলে, এটাকে বোঝা যায় না যে কের্তেজ বুদাপেস্ট বা বার্লিন নিয়ে কি ভাবছেন, কারণ এটা তেমন হবে যে আমি একজনকে বেছে নিলাম সে শিমের সাথে গুলাশ পছন্দ করে না বলে, এটা কেমন করে হয়, যদি আমার জন্য এটা প্রিয় খাবার হয়।</p>
<p>মনে হচ্ছে কের্তেজ যা কিছু করেছেন, তার প্রায়শ্চিত্ত তিনি করতে পারেন নি, কারণ তার সাক্ষাৎকারের সার সংক্ষেপের ধরন দেখে মনে হচ্ছে খারাপ অনুবাদের পরিবর্তে এটা ইচ্ছাকৃত তির্যক পরিবেশনা হয়েছে।  </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/17/7557/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমেরিকা: প্রাক্তন সৈনিকেরা ওবামাকে আফঘানিস্তানে সৈন্য প্রেরণ পূনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/12/7495/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/12/7495/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 12 Nov 2009 04:50:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7495</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনসোলানা লারসেন  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ব্রেভ নিউ ফাউন্ডেশন  ইউটিউবে একটি ভিডিও এবং একটি পিটিশন প্রকাশ করেছে যাতে আমেরিকার কিছু প্রাক্তন সৈনিক যুবক সে দেশের রাষ্ট্রপতি ওবামাকে আফঘানিস্তানে নতুন করে সৈন্য প্রেরণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/solana-larsen/">সোলানা লারসেন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/usa-veterans-ask-obama-to-reconsider-afghanistan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em><a href="http://rethinkafghanistan.com/?utm_source=rgemail#petition">ব্রেভ নিউ ফাউন্ডেশন</a></em>  ইউটিউবে একটি ভিডিও এবং একটি পিটিশন প্রকাশ করেছে যাতে আমেরিকার কিছু প্রাক্তন সৈনিক যুবক সে দেশের রাষ্ট্রপতি ওবামাকে আফঘানিস্তানে নতুন করে সৈন্য প্রেরণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/12/7495/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীন: দালাই লামাকে নিয়ে ভারত এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 11:03:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7462</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনওইওয়ান লাম  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চায়না ম্যাটার্স ব্লগ দালাই লামার সাম্প্রতিক ভারত এবং নেপাল সফরের রেশ ধরে ভারত এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/china-sino-indian-tension-and-dalai-lama/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চায়না ম্যাটার্স</em> ব্লগ দালাই লামার সাম্প্রতিক ভারত এবং নেপাল সফরের রেশ ধরে ভারত এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান <a href="http://chinamatters.blogspot.com/2009/11/dalai-lama-challenges-china-chaos-in.html">উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7462/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাশিয়া: ব্লগাররা বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Nov 2009 17:42:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7455</guid>
		<description><![CDATA[বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর  রাশিয়ার অল্প কয়েকজন ব্লগার এই বিষয়টির কথা উল্লেখ করেছে যা “অনেকের কাছে  বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা”।  অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য, অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/alexey-sidorenko/">এলেক্সিই সিডোরেঙ্কো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/russia-bloggers-discuss-20th-anniversary-of-the-fall-of-the-berlin-wall/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7456" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/ru-1.jpg" alt="ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।" title="ru-1" width="400" height="263" class="size-full wp-image-7456" /><p class="wp-caption-text">ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।</p></div><br />
বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর রাশিয়ার  বেশীরভাগ  ব্লগাররাই এই ঘটনাকে স্মরণ বা উদযাপন করেনি এবং এই ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে তারা তেমন একটা আলোচনা করছে না। বার্লিন প্রাচীরের পতন অনেকের কাছে &#8220;বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা&#8221;।  তবে বেশীরভাগ রুশ নাগরিকের কাছে এই প্রাচীরের পতন তাদের শৈশব বা কৈশোরের এক স্মৃতি মাত্র, এই ঘটনা তাদের কাছে বাস্তবের বদলে এক গল্পকথার মত ঘটনা।  </p>
<p>অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য। এই বিষয়ে অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু  বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? </p>
<p>রুশ রাষ্ট্রপতির প্রাক্তন উপদেষ্টা আন্দ্রেই ইলারিওনোভ (লাইভজার্নালে নিক <a href="http://aillarionov.livejournal.com/"><em>আইলারিওনোভ</em></a> [রুশ ভাষায়])। তিনি তার ব্লগে <a href="http://aillarionov.livejournal.com/128269.html"><em>লিখেছেন</em></a> [রুশ ভাষায়]:
<blockquote><p>আজ, ২০ বছর পর বিশ্ব “তার নিজের অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা উদযাপন করছে” যা বিংশ শতাব্দীর শেষে ঘটেছিল- এই ঘটনা ইউরোপে কর্তৃত্ব পরায়ণ কমিউনিস্ট স্বৈরাতন্ত্রের পতন ঘটায়। বিশ্বের অনেক দেশে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।</p>
<p>তবে দিবসটি রাশিয়ায় উদযাপিত হয় না। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে গিয়ে জন্ম নেওয়া ডজন খানেক স্বাধীন রাষ্ট্রেও এই দিবসটি পালন করা হয় না। এইসব রাষ্ট্রও গভীরভাবে আটকে রয়েছে তাদের কর্তৃত্ব পরায়ণ শাসন ক্ষমতার মধ্যে।</p>
<p>ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনাকে রাশিয়ার উপেক্ষা করার মানে, ধ্বংস করে ফেলা প্রাচীরের জায়গায় এক নতুন দেওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। </p>
<p>এই দেওয়ালটি অদৃশ্য, কিন্তু তা কার্যকর, এটি আমাদের দেশের নাগরিক ও ভ্রাতাদের বাকী বিশ্বের সাথে আলাদা করে ফেলেছে।</p></blockquote>
<p><em>ইলিয়া ফাইবিসোভিচ</em> (লাইভ জার্নাল নিক<a href="http://faibisovich.livejournal.com/"><em>ফাইবিসোভিচ</em></a> [রুশ ভাষায়]) এই দিবসটি সম্বন্ধে  প্রচারণার অভাব দেখে <a href="http://faibisovich.livejournal.com/109223.html"><em>বিস্মিত</em></a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য এক বিষয় [&#8230;] যে, “ইকো অফ মস্কো” [মস্কোর এক উদারনৈতিক রেডিও স্টেশন], “লেন্টা.রু”, “গেজেত্তা.রু” অথবা রাশিয়ার যে কোন উদার কোন সংবাদ পোর্টালে এই বিষয়ে (এমনকি “আরআইএ নোভোস্টি” অথবা “ইন্টারফ্যাক্স” এর মত পোর্টাল) -এমন “কোন সংবাদ” ছিল না, যা সারা বিশ্বের ওয়েবে প্রদর্শন করার যোগ্য। এবং এই রহস্যময় “কোন সংবাদ” রাশিয়ার জন্য অনেক কিছু বয়ে আনতে পারে। এখন দেখা যাচ্ছে এই বিষয়ে সংবাদের কোন দরকার নেই। কিন্তু সংবাদপত্রে প্রচুর সংবাদ রয়েছে (তা নির্ভর করছে আপনার কি ধরনের সংবাদ পড়তে ইচ্ছে করে তার উপর) যেমন, &#8220;সোভিয়েত যুগের অভিনেতার মৃত্যু”, “কিম চেন ইর কয়টি ট্রেন রয়েছে”, “কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা যারা ভিডিও ব্লগ কিভাবে করতে হয় তা শিখেছে” [<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/officer-exposes-police-corruption-using-the-web/"><em>গ্লোবাল ভয়েসেসের ইংরেজী পাতায় এই সংবাদের একটা লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে</em></a>] এবং গিন্সবার্গের [নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীর] মৃত্যু।</p></blockquote>
<p>আরেকজন ব্লগার <a href="http://www.diary.ru/~SynthThesis/p85029031.htm">সিন্থথিসিস এই ঘটনাটিকে জয়ের বদলে পরাজয় হিসেবে দেখেন</a>:</p>
<blockquote><p>সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ কারী হিসেবে আমি এই ঘটনার প্রতি বিশেষ মনোভাব পোষণ করি। আমি মনে করি আমি ছাড়াও এমন অনেকে রয়েছে যারা এই ঘটনার কথা শুনলে থুতু নিক্ষেপ করে।</p>
<p>[…]</p>
<p>এখন যে বিভ্রান্ত তৈরি হয়, তাতে সকলেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, এই সমস্ত নির্মাণ করা সত্য যে কোন কম্পিউটার গেমের চেয়ে ভালো।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার এই ঘটনার স্মরণ করে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য কিছু ছবি ব্যবহার করেছে। লাইভজার্নাল ব্যবহারকারী <a href="http://amelito.livejournal.com/"><em>এমেলিটো </em>হারিয়ে যাওয়া দেওয়ালের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে</a> [রুশ ভাষায়]। লাইভ ইন্টারনেট প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645"><em>সটোভারইয়াসিজ মিরি</em></a> [রুশ ভাষায়] আমাদের <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645/post114080850/">১৭টি ছবি দেখাচ্ছেন</a>। প্রাইভেট ইউজার বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/"><em>জেরনভ৫১</em></a> [রুশ ভাষায়] ১৯৮৯ সালে ঘটা এই ঘটনার <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/71556170">ধারাবাহিক সময় সূচি এখানে পোস্ট করেছেন, যা শীতল যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটায়</a> [রুশ ভাষায়]। </p>
<p><strong>কিছু বাড়তি তথ্য:</strong></p>
<p><a href="http://www.levada.ru/press/2009110602.html">২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে লেভাডা সেন্টারের করা এক জরিপ অনুসারে</a> [রুশ ভাষায়] শতকরা ৬৩ জন রুশ নাগরিক বার্লিন প্রাচীরের পতনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে, যেখানে শতকরা ১১ জন ঘটনাটিকে নেতিবাচক চোখে দেখে। ১৯৮৯ সালের কোন ঘটনাটিকে বছরের সেরা ঘটনা বলে মনে করেন, এই প্রশ্নের জবাবে, বেশীরভাগ উত্তরদাতা বার্লিন প্রাচীরের পতনকে সে বছরে দ্বিতীয় সেরা ঘটনা হিসেবে বেছে নিয়েছে (২৪ শতাংশ ব্যক্তি), তবে বেশীরভাগের চোখে সে বছরের সেরা ঘটনা ছিল আফগানিস্তান থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া। শতকরা ৫০ জনের চোখে এটি ছিল সে বছরের “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা”।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরি, সার্বিয়া: সীমান্তে শোকাবহ ঘটনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 19:02:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কসোভো]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7439</guid>
		<description><![CDATA[গত অক্টোবরে ১৯জন কসোভো আলবেনীয় হাঙ্গেরী-সার্বিয়ার সীমান্তবর্তী নদী পার হয়ে বেআইনী ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে চেষ্টা করেছে। এদের মধ্যে ১৫জন নিরুদ্দেশ রয়েছে এবং তিনটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে নদীতে। মারিয়েট্টা লে হাঙ্গেরীর ব্লগ জগৎের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/hungary-serbia-tragedy-at-the-border/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত অক্টোবরে বেশ কয়েকটি হাঙ্গেরীয় আর সার্বীয় সংবাদ মাধ্যম প্রিস্টিনার দৈনিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Koha_Ditore">কোহা দিতোরের</a> কথা উল্লেখ করেছে যে তাদের কাছে মাসের প্রথম দিকে হওয়া বেআইনী সীমান্ত পারের ঘটনা সম্পর্কে <a href="http://74.52.64.18/~wwkoha08/index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=19506&#038;Itemid=41">নির্দিষ্ট তথ্য আছে</a>। সার্বিয়ায় অবস্থিত হাঙ্গেরীর একটা ওয়েবসাইট <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> লিখেছে কোহা দিতোরোর উদ্ধৃতি দিয়ে যে, সন্দেহভাজন কয়েকজন কসোভো-আলবেনীয়কে পাচারের জন্য, ইসমেত আর কে গ্রেপ্তার করা হয় <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kosovska_Mitrovica">কসোভস্কা মিত্রোভিচাতে</a>। বেশীর ভাগ সংবাদের রিপোর্টে বলা হয় যে ১৫ জন অনুপ্রবেশকারী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tisza">তিশজা</a> নদীতে ডুবে মারা গেছেন যখন তারা সীমান্ত পার হতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু বেঁচে যাওয়া একমাত্র পূর্ণবয়স্ক, আগ্রোন রামা, স্বীকার করেছেন যে দলে প্রায় ১৯ জন মানুষ ছিল (<a href="http://www.b92.net/eng/news/politics-article.php?yyyy=2009&#038;mm=10&#038;dd=22&#038;nav_id=62515">সূত্র</a>)।</p>
<p>দক্ষিণ হাঙ্গেরীর সংবাদ সাইট <a href="http://www.delmagyar.hu/">দেল্মাগিয়ার.হু</a> তে প্রকাশিত প্রথম দিককার <a href="http://www.delmagyar.hu/szeged_hirek/gyerek_gyerek_segitseg/2120585/">একটা রিপোর্টে</a>  ১৫জন বেআইনী অভিবাসী হাঙ্গেরী- সার্বিয়ার সীমান্তে তিশজা নদীতে গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল। গত ১৫ই অক্টোবর নদী পার হওয়া দলের একজন সদস্য, ২ বছরের ছেলে আর ৩ বছরের মেয়ের বাবা, সীমান্তের গ্রাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/R%C3%B6szke">রোশকের</a> এক পে ফোন থেকে ফোন করে পুলিশকে জানান এ কথা।</p>
<div><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A" style="color:#0000FF;text-align:left">Nagyobb térképre váltás</a></small></div>
<p><a href="http://srbija.blog.hu/">সার্বিয়া ইনসাইড</a> এর ব্লগার <em>সাবা বালিন্ত</em> এই বিষয়ে <a href="http://srbija.blog.hu/2009/10/17/gyerek_gyerek_segitseg">মন্তব্য করেছেন</a> দেল্মাগিয়ার.হু এর রিপোর্টের উপর আলোকপাত করে আর প্রস্তাব করেছেন হাঙ্গেরী আর কসোভোর মধ্যকার সম্পর্ক তিনি ব্যক্তিগত ভাবে তদন্ত করবেন:</p>
<blockquote><p>বাচ্চা, বাচ্চা, বাঁচান!</p>
<p>এই কথাটিই তিশজা নদীতে বার বার বলছিলেন কসোভোর আলবেনীয় লোকটি, যার বাচ্চারা ঠান্ডায় জমে প্রায় মারা যেতে বসেছিল। তিনি সে রাত্রে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে পালাতে চেয়েছিলেন। যদি কেউ এই গল্প না জেনে থাকেন, আমি ছোট করে আবার বলছি&#8230;</p>
<p>এই অদ্ভুত লোক ভালো অর্থ দেবে বলে এসেছে আদম পাচারকারীকে, এখানে এটা বেশ চলমান পেশা। আর যা হওয়ার হবে, তিনি জেগেদের নতুন পৃথিবীতে পাড়ি দেবেন। তিনি এটা ভাবেন নি যে রাত্রে তার বাচ্চাদের উপরে ঠান্ডা বৃষ্টি পড়বে, তারা যে ক্লান্ত হয়ে পড়বে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এই ধরনের যাতায়াতের ফলে। আমাদের এই লোক যখন দেখলেন যে বাচ্চাদের অক্টোবরের বৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়ে কত বড় বিপদের মধ্যে তিনি পড়েছেন, তখন সাহায্য চাইতে গেলেন।</p>
<p>বাচ্চাগুলোকে যখন পাওয়া গেছে তারা তখন প্রায় নিশ্বাস নিচ্ছিলই না - ২ বছর আর ৩ বছরের দুই জন, আমি কেবলমাত্র জানাচ্ছি! তারা একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল। সীমান্ত অতিক্রমকারীর এক বাচ্চা কোমাতে ছিল, কিন্তু তার পরে ভালো হয়েছে। তারা অক্ষত বেরিয়ে এসেছে কিন্তু ঘটনাটি দু:খজনক। দু:খজনক আর আপনাকে ভাবায়। অন্তত কিছু প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়।</p>
<p>কি কারনে স্বাধীন আর মুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্র থেকে, শত শত স্বাধীন আর মুক্ত নাগরিক পালাচ্ছে? হয়তো অপকর্মের উপরে নির্মিত ‘গণতন্ত্রে’ বাস করা সহজ না? আর একটা স্বাধীন ইউরোপের দেশ দেখান যেখান থেকে প্রতি সপ্তাহে ডজন ডজন লোক বেআইনিভাবে বের হচ্ছে! সম্ভবত: যেসব দেশ বল্কানের কলম্বিয়াকে স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিল, তারপরে এই দেশকে দেশ হিসেবে দাঁড় করাবার খুব বেশী চেষ্টা করছে না? যদি ২৯ বছরের একজন লোক দুটো ছোট বাচ্চা নিয়ে মধ্য অক্টোবরে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে, তাহলে আমাকে বলতে হয়, না।</p>
<p>পরের পর্বে আমরা দেখবো যে কসোভোর বড় ইউরোপীয় বন্ধু, হাঙ্গেরী কি করেছে যাতে সেখানের মানুষকে পশ্চিমে পালিয়ে যেতে না হয়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.balkaninsight.com/en/main/news/23157/">বল্কান ইনসাইট</a> ব্লগ জানিয়েছে যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের আইনের একটা মিশন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/European_Union_Rule_of_Law_Mission_in_Kosovo">ইউলেক্স</a>, কসোভো পুলিশ আর হাঙ্গেরীর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ওয়েবসাইট অনুসারে, প্রতি অভিবাসী পরিবারকে হাঙ্গেরীতে ঢোকার জন্য ৬০০০ থেকে ৮০০০ ইউরো দিতে হয়। মিডিয়া কোহা ডিতোরকে উদ্ধৃতি দিয়ে যা বলেছেন তার পরিপন্থী হিসেবে <em>বল্কান ইনসাইট</em> জোর দিয়ে বলেছে, এখনো কোন গ্রেপ্তার করা হয় নি।</p>
<p>সোমবারের মধ্যে, <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> রিপোর্ট করেছেন যে তিশজা নদীর হাঙ্গেরীর দিকের সীমান্তে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, আর সার্বিয়ার সীমান্তে দুইজন নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। একজন ছিল আগ্রোন রামার স্ত্রী আর তার বাচ্চাদের মা।</p>
<p>হাঙ্গেরীর ইমিগ্রেশন অফিসার <a href="http://my.opera.com/brille/blog/2009/10/26/a-k">গাবোর নাগি</a>, তার ব্লগে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, একই বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন যে কসোভো থেকে আলবেনীয়রা কেন মরিয়া হয়ে পালাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>অবশ্যই এমন ঘটনায় প্রশ্ন করা যায়, যে বাবা মা এত অসাবধান হয়ে তাদের বাচ্চাদের ‘ বড় দুনিয়াতে’ কেন নিয়ে আসবে, নাকি কসোভোর পরিস্থিতি এতই খারাপ? যদিও বলা দরকার, কসোভো থেকে তাদেরকে কেউ তাড়াচ্ছে না, যেহেতু তারা তাদের ‘স্বাধীনতা অর্জন করেছে’। অন্তত কাগজে। আর এটাও ভোলা যাবে না যে এদেরকে সব সময় আদম পাচারকারীরা মোটা পরিমানের ইউরোর বদলে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা যখন বিবেচনা করি যে তারা হাঙ্গেরীতেও পালিয়ে যেতে চায়না, তাহলে এই ব্যাপারে আমারও ঋণাত্মক বক্তব্য আছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নাইজেরিয়া: ব্লগাররা নাইজেরিয়ার ঋণাত্মক ভাবমূর্তি নিয়ে বিতর্ক করছেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2009 13:09:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7339</guid>
		<description><![CDATA[এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- ৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল এই দেশের কথা ওঠে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/eremipagamo-amabebe/">এরেমিপাগামো আমাবেবে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/nigeria-bloggers-debate-nigerias-negative-image/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/nigeria-300x225.jpg" title="নাইজেরিয়া" class="alignleft" width="300" height="225" /></a>এটা জানা কথা যে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির সমস্যা আছে- <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Advance-fee_fraud">৪১৯ ইন্টারনেট প্রতারণা</a>, দুর্নীতি, ব ভূমি এলাকায় তেল ডাকাতি- অনেকের কাছেই এইসব বিষয়গুলো মনে আসে যখন আফ্রিকার সব থেকে জনবহুল দেশের কথা ওঠে। তবে বিদেশে নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি সব থেকে খারাপ ছিল গত বছর: গত কয়েক মাসে, বেশ কিছু ঘটনা যা নাইজেরিয়াকে প্রশ্ন বিদ্ধ পরিস্থিতির সম্মুখীন করেছে এবং তা সমগ্র ব্লগ জগৎে আলোচনা তৈরি করেছে।</p>
<p>গত সেপ্টেম্বরে সনি <a href="http://naijablog.blogspot.com/2009/09/that-sony-ps3-419-ad-if-you-havent-seen.html">প্লে স্টেশন ৩ নিয়ে একটা বিজ্ঞাপন</a> দেখিয়েছিল যেটাতে এই বাক্য ছিল “ইন্টারনেটে যা পড়েন তা সব বিশ্বাস করতে পারেন না- না হলে, আমি এত দিনে নাইজেরিয়ার একজন কোটিপতি হয়ে যেতাম।“ এই বিজ্ঞাপন অনেক নাইজেরিয়ান আতঙ্ক নিয়ে দেখেছেন, আর ফেডারেল সরকার সনিকে ক্ষমা চাইতে অনুরোধ করেছেন (সনি ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞাপনটি তুলে নিয়েছিল)।</p>
<p>একই সময়ে ডিস্ট্রিক্ট ৯ চলচ্চিত্রটির মুক্তি পায়- এই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে সমালোচকরা ভালোভাবে গ্রহণ করলেও কিছু নাইজেরিয়ান বিরক্ত হয়েছেন। <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/8264180.stm">নাইজেরিয়ার সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন</a> চলচ্চিত্রে নাইজেরিয়ানদেরকে অপরাধী আর মানুষ খেকো হিসেবে দেখানোর কারনে। চলচ্চিত্রটি নাইজেরিয়ার মধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর সেন্সর বোর্ডকে সিনেমা হল থেকে এটা জব্দ করতে বলা হয়েছে। অনলাইনে এই চলচ্চিত্র বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সেখানে কেউ কেউ বলেছেন যে এই চলচ্চিত্র নাইজেরিয়ানদের জাতিগত দৃষ্টিকোন থেকে দেখানো হয়েছে, আর অন্যরা এটা সমর্থন করেছেন যে এটা রূপক একটি উপস্থাপনা যেটার সাথে বাস্তবতার মিল নেই।</p>
<p><em>ইভিসিএল</em> ব্লগে <em>আদামু ওয়াজিরি</em> <a href="http://evclvisuals.blogspot.com/2009/09/nigeria-and-district-9.html">দেখিয়েছেন</a> যে প্রায়শ:ই নাইজেরিয়ানরা যেভাবে নাইজেরিয়াকে দেখায় সেটাও একই রকম অপমানজনক:</p>
<blockquote><p>নলিউড আমাদের স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্প, আমাদেরকে দেশের আর আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে আরো খারাপ ভাবে তুলে ধরেছে। একটা সময় ছিল যখন কোন নলিউড চলচ্চিত্রের বিষয় নীচের যে কোন একটা বা কয়েকটির সমষ্টি ছাড়া দেখা যেত না; জুয়াচুরি, মায়াবিদ্যা, সশস্ত্র চুরি, অনাচার, ব্যভিচার, মানুষ খেকো আর অবশ্যই আমাদের প্রিয় দুর্নীতি। নলিউড এইসব বিষয় নিয়ে হাজার হাজার চলচ্চিত্র বানিয়েছে সাধারণ জনগণ বা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে বিশেষ কোন প্রতিবাদ ছাড়াই।</p>
<p>&#8230; চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করা ভুল ইঙ্গিত দেয়; আসলে এটা বিপদজনক হতে পারে। আমরা জনগণকে এই বিষয়ে বির্তক করতে দেয়া উচিত। আমরা এটা করার মতো পরিপক্ব। আমার মনে হয় আমাদের মন্ত্রী চলচ্চিত্রটিকে যথেষ্ট প্রচারণা দিয়েছেন যেটা আমি নিশ্চিত তার উদ্দেশ্য ছিল না।</p></blockquote>
<p><em>নিকোল স্ট্যাম্প</em> ডিস্ট্রিক্ত ৯ চলচ্চিত্রে বর্ণবাদ নিয়ে <a href="http://www.racialicious.com/2009/08/18/district-9-is-racist-alternate-perspective/">মন্তব্য করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যে জিনিষটি আমাকে ভাবিয়েছে সেটা হল বেশীরভাগ লোক যারা এই চলচ্চিত্র দেখবেন তারা প্রশ্ন করবেন না, বা লক্ষ্যও করবেন না, এই বিশেষ জাতিগত উপস্থাপনা&#8230; কেন নাইজেরিয়ানরা এমন মানুষ হতে পারেন না যাদের অর্থ আর অস্ত্রসহ যৌক্তিক উদ্দেশ্য আছে? কেন তাদেরকে প্রয়োজনের বাইরে হাবা-গোবা জংলী হতে হবে?&#8230; এটা অসম্ভব এই অভিযোগকে উড়িয়ে দেয়া - নাইজেরিয়ানদের বড় প্রেক্ষাপটে দেখলে, এটি ক্ষতিকর বা মান হানিকর না কিন্তু বিপদজনক।</p></blockquote>
<p>এই বিতর্ক সম্পর্কে আরো পড়েন <a href="http://nigerianstalk.org/?p=261">নাইজেরিয়ান্সটক.অর্গ</a> বা গুগলে খুঁজেন ‘ডিস্ট্রিক্ট ৯ রেস’ কিওয়ার্ড দিয়ে।</p>
<p>সাম্প্রতিককালে টাইম ম্যাগাজিন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার <a href="http://www.pieterhugo.com/">পিটার হুগোর</a> চিত্রের একটা <a href="http://www.time.com/time/photogallery/0,29307,1926470,00.html">স্লাইড শো</a> প্রকাশ করেছিল যেখানে নাইজেরিয়ার ‘নলিউড’ চলচ্চিত্র শিল্পের কিছু ছবি দেয়া ছিল। যদিও &#8216;ডিস্ট্রিক্ট ৯&#39; বা প্লে স্টেশন বিজ্ঞাপনের মতো বিতর্কিত না, তারপরেও ছবিগুলো ব্লগ জগৎে বির্তক সৃষ্টি করেছে, এই আলোচনাসহ যে নাইজেরিয়াকে এমন করে উপস্থাপন করা কি শৈল্পিক স্বাধীনতা নাকি সাংস্কৃতিক পক্ষপাতিত্ব।</p>
<p><em>সলোমান সাইডেল</em> <em>নাইজেরিয়ান কিউরিওসিটিতে</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Nollywood">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমি অবশ্যই বিষয়টাতে চাপ সৃষ্টির কারণ বুঝি, কারণ এই চাহিদা থেকেই বেশ কিছু সৃজনশীল মাস্টারপিস আর সর্বসময়ের কাজ হয়েছে। তবে, এইসব চিত্র দিয়ে, আমি এদের প্রশংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছি এবং/অথবা এরা কিসের প্রতিনিধিত্ব করছে আর বিশ্বাস করি যে তারা অকারণে পক্ষপাতিত্বের উপরে নির্ভর করছে যা বেশ কিছু বদ্ধমূল ধারণাই প্রতিষ্ঠিত করবে হুগোর বিশেষভাবে পশ্চিমা দর্শকের জন্য।</p></blockquote>
<p>এইসব অনুষ্ঠান বিশেষভাবে খারাপ সময়ে হচ্ছে যেহেতু এগুলো এই বছরের শুরুতে ‘নাইজেরিয়াকে রিব্রান্ডিং (নতুন ভাবে দেখানোর)’ নতুন একটা উদ্যোগ এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে। এই উদ্যোগ স্পন্সর করছেন নাইজেরিয়ার তথ্য আর যোগাযোগ মন্ত্রী  ডঃ ডোরা আকুনিলি, আর এটি প্রশংসা আর সমালোচনা দুটোরই মুখোমুখি হয়েছে (<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/03/nigeria-on-rebranding-nigeria/comment-page-2/">এখানে গ্লোবাল ভয়েসেস</a> এর এ প্রসঙ্গে লেখাটি দেখুন)।</p>
<p><em>বুন্মি ওলোরোন্তোবা</em> <em><a href="http://bombasticelements.blogspot.com/2009/10/nigeria-super-villains-of-modern-age_22.html">আ বোম্বাস্টিক এলিমেন্ট ব্লগে</a></em> সাম্প্রতিক এক <a href="http://www.bbc.co.uk/worldservice/documentaries/2009/10/091021_rebranding_nigeria.shtml">বিবিসি আলোচনার ভিত্তিতে</a> রিব্রান্ডিং (পুন: নামকরণ) প্রচারণার ব্যাপারটি সম্পর্কে বলছেন:</p>
<blockquote><p>মন্ত্রীর যুক্তি ভালো যখন তিনি বলেন যে নাইজেরিয়া অনেক ভালো জিনিষ দেখছে না, তার গল্প জানাচ্ছে না আর পৃথিবীকে তার দুর্নামের উপর ভিত্তি করে তার ভাবমূর্তি স্থির করতে দিচ্ছে। আর ভালো দিকের কিছু ভালো উদাহরণ তাঁর কাছে আছে। কিন্তু বিবিসি কয়েকজন জনসংযোগ কর্মকর্তা আর নামকরণ বিশেষজ্ঞ খুঁজে নিয়েছেন যারা এর বিরোধিতা করেছেন, দেশটা যদি নিজেকে রি ব্রান্ডিং করতে চায়, তাহলে এর জনসংযোগ দলকে এর থেকে অনেক বেশী কিছু দিতে হবে। যাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে তারা বলেছেন, লাগাতার বিদ্যুৎ প্রাপ্তি আর ডিজেল জেনারেটর অর্থনীতির সমাপ্তি নাইজেরিয়ার নতুন ভাবে উপস্থাপনাকে ‘সহজ’ করে দেবে। আর তাদের কথার প্রমাণ হিসেবে, ১৩:৪০ মিনিট অনুষ্ঠান পরে&#8230; কি হল আসলে তা বোঝার জন্য আপনাকে নাইজেরিয়ান হতে হবে না।</p></blockquote>
<p>নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তি নিয়ে আলোচনার একটা উজ্জ্বল দিক হল নাইজেরিয়ার লেখক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimamanda_Ngozi_Adichie">চিমামান্দা নাগোজি আদিচিকে</a> নিয়ে বিপুল প্রচারিত একটা ভিডিও যিনি ‘একটা গল্পের বিপদ’ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। আদিচি আফ্রিকার একই ধরনের ভাবমুর্তির বিপদ নিয়ে মন্তব্য করেছেন; তিনি সাবধান করে দিয়েছেন যে নিজেদের ‘একটা গল্পে’ সীমাবদ্ধ করে রাখা অভিজ্ঞতাকে কমিয়ে দেয় আর বদ্ধমূল এক তরফা ধারণা তৈরি করে। অনেক ব্লগারের জন্য, আদিচির মন্তব্য দেশের বাইরে নাইজেরিয়ার সাধারণ ভাবমূর্তি নিয়ে তাদের হতাশার প্রতিফলন ঘটিয়েছে ।</p>
<div><object width="446" height="326"><param name="movie" value="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf"></param><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="wmode" value="transparent"></param><param name="bgColor" value="#ffffff"></param><param name="flashvars" value="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;&#038;preAdTag=tconf.ted/embed;tile=1;sz=512x288;" /><embed src="http://video.ted.com/assets/player/swf/EmbedPlayer.swf" pluginspace="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" wmode="transparent" bgColor="#ffffff" width="446" height="326" allowFullScreen="true" flashvars="vu=http://video.ted.com/talks/dynamic/ChimamandaAdichie_2009G-medium.flv&#038;su=http://images.ted.com/images/ted/tedindex/embed-posters/ChimamandaAdichie-2009G.embed_thumbnail.jpg&#038;vw=432&#038;vh=240&#038;ap=0&#038;ti=652&#038;introDuration=16500&#038;adDuration=4000&#038;postAdDuration=2000&#038;adKeys=talk=chimamanda_adichie_the_danger_of_a_single_story;year=2009;theme=master_storytellers;theme=new_on_ted_com;theme=speaking_at_tedglobal2009;theme=words_about_words;theme=the_creative_spark;event=TEDGlobal+2009;"></embed></object></div>
<p><em>শেড ননকনফর্মিস্ট</em> আদিচির ভাষ্য আর নাইজেরিয়ার ভাবমূর্তির মধ্যকার <a href="http://shadenonconformist.blogspot.com/2009/10/danger-of-intellectualization-long-post.html">সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার মনে হয়  টেডে একটা গল্পের বিপদ নিয়ে তার বক্তৃতার সময় এটাই চিমামাদা আদিচি বোঝাতে চেয়েছিলেন। সমস্যা দেখা যায় যখন  আমরা দেখি মৃত পশু, দারিদ্র, বিপর্যয়, মৃত্যু, দুর্নীতি, বিখ্যাত লোকের পোষ্য গ্রহণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আফ্রিকাকে শুধু তুলে ধরা হয়&#8230;আপনি পুরো ব্যাপারটি জেনে যাবেন। আমি বলছি না যে আফ্রিকাতে এই বিষয়গুলো নেই। আমরা সবাই একমত হতে পারি যে এগুলো আছে। আমি তর্ক করছি যে এই ব্যাপারগুলো আফ্রিকার দেশের জন্য নির্দিষ্ট না।</p>
<p>আমি/আমরা কখনো থামাবো না আফ্রিকার এমন চিত্র তুলে ধরা থেকে যেখানে আফ্রিকাকে ভারসাম্যহীন আর পূর্ব সংস্কারযুক্ত দেখানো হবে। আফ্রিকাকে ভারসাম্য নিয়ে তুলে ধরা জরুরী। আর আফ্রিকান হিসেবে আমাদের সেই মাধ্যম হিসেবে কাজ করা উচিত যারা পরিবর্তনে অংশ নিতে চান (আর দেখতে পারবেন) আমাদের প্রিয় মহাদেশে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7339/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অপারেশন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 17:54:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7334</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। ব্লগাররা আলোচনা করছে যে এই অপারেশনের সাফল্য কেন পাকিস্তান এবং সারা বিশ্বের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/pakistan-operation-in-south-waziristan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 376px"><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/File:FATA_%288%29.jpg"><img alt="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/South-Waziristan.jpg" title="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" width="366" height="385" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। এই অপারেশনের কাজ শুরু হয় গত জুন মাসে যখন সেনাবাহিনী সোয়াত উপত্যকা এলাকাকে তালিবান চরমপন্থীদের কাছ থেকে পুনর্দখল করে নেয়। গত ১৯শে জুনে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Waziristan">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে</a> সেনা জড়ো করা শুরু করে। তিন মাসের অবরোধ আর তালিবানের সাথে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ পর্বের পরে সেনারা পরিশেষে ১৯শে অক্টোবর পুরো দস্তুর যুদ্ধ শুরু করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোট ২৮০০০ সেনা আর ৫০০ জন বিশেষ কমান্ডো আর তালিবানদের ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার সেনা আর ১৫০০ বিদেশী ভাড়াটে যোদ্ধা এ যুদ্ধে নিয়োজিত আছে। এই সংঘাত জোরালো আর দীর্ঘ হয়েছে আর প্রত্যেক দিন খবর আসছে যে পাকিস্তান সেনা কয়েক ইঞ্চি করে ভেতরে ঢুকছে একটা কঠিন আর বিপদজনক এলাকায়।</p>
<p><em>পাকিস্তানপাল</em> ব্লগে <em>আহসান ওয়াহিদ</em> দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের <a href="http://pakistanpal.wordpress.com/2009/10/05/a-showdown-in-waziristan/">কঠিন ভূমিরূপকে দায়ী করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>দূরে আল কায়দা যেখানে আশ্রয় নিয়েছে আমরা তা দেখতে পাচ্ছিলাম। এটা প্রায় সাদা ভূমি, শুষ্ক; রাস্তাবিহীন চূড়ার ধার দিয়ে অল্প কিছুর গাছের গুড়িঁ দেখা যাচ্ছে। আপনি লুকাবার কোন জায়গা খুঁজলে ওয়াজিরিস্তান সেটা হবে, কারণ এত কঠিন আর অতিথিবিমুখ যে বাইরের লোকেরা ঢুকতে ভয় পাবে। ব্রিটিশ রাজের সময়ে, ওয়াজিরিস্তানের মানচিত্র অনেকটাই খালি ছিল, এমনকি অকুতভয় ব্রিটিশ ভ্রমণকারীরাও সাধারণত এখানে পা মাড়াতেন না।</p></blockquote>
<p><em>গ্রেট সাটান্স গার্লফ্রেন্ড</em> এই অপারেশনের জন্য <a href="http://greatsatansgirlfriend.blogspot.com/2009/10/operation-rah-e-nijat.html">জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার গুরুত্বের কথা বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>“আশার মৃত্যুকে কখনো তার ছায়া ফেলতে দেয়া উচিত না, আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাষ্ট্র তার সমস্ত কিছু দিয়ে জনগণকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একত্র করবে।“</p></blockquote>
<p><em>আব্দুল্লাহ সাদ</em> <a href="http://abdullahsaad.com/337-operation-rahenijat-path-salvation-operational-assessment">বিশ্বাস করেন যে</a> তেহরিক ই তালিবানে (টিটিপি) যে বিদেশী যোদ্ধারা আছে তারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>আমার ধারণা হল যে ওয়াজিরিস্তানে অনেক কিছু ঝুঁকির মুখে আছে। কার্যত টিটিপি ক্যাডাররা ঘনবসতিতে চলে আসতে পারে ধীরে ধীরে - খারাপ একটা ভাগ্যের হাত থেকে বা আর একদিন বেশী বাঁচার জন্য&#8230; কিন্তু তাদের ‘অতিথি’দের এই আরাম নেই। উজবেক, চেচেন আর আরব ইত্যাদি জায়গা থেকে আগত যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে হবে কারণ তারা ধরা পড়লে, তাদেরকে প্রথম ফ্লাইটে বাড়ি পাঠানো হবে আর উজবেকিস্তানের মতো দেশে, যেখানে তাদেরকে সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানো হবে।</p></blockquote>
<p><em><a href="http://newmatilda.com/2009/10/23/misery-ending-or-just-beginning">নিউমাতিলদার</a></em> <em>মুস্তাফা কাদ্রি</em> বলছেন যে জঙ্গীদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া পাকিস্তানের জন্য অসম্ভব:</p>
<blockquote><p>এই কথার পেছনে অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে মাথা ঠিক রাখার জন্য। লাহোর, ইসলামাবাদ আর পেশাওয়ারে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে একটা দেশের প্রতি বর্গ ইঞ্চি রক্ষা করা খুব কঠিন যেখানে বিদ্রোহ চলছে। আর পাকিস্তানে এটা প্রায় অসম্ভব, যেখানে বুকে বোমা বাঁধা পরিত্যক্ত তরুণ খুব সহজে পাওয়া যায়।</p></blockquote>
<p>উপরের বাক্যগুলো খুব বেশী সত্য যেহেতু অপারেশন রাহি-এ-নিজাতের ব্যর্থতা সুধী সমাজের প্রতি সরাসরি আক্রমণ ঘটিয়েছে এবং আত্মঘাতী বোমা হামলা আর সারা দেশে আতঙ্ক আর ভীতি ছড়িয়েও দিয়েছে। এর ফলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আর সারা দেশের সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা প্রতি দিন সকালে কেবল যে ওয়াজিরিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের খবরে চমকে উঠি তাই না বরং আমাদের রাস্তাতেও কিভাবে যুদ্ধ হচ্ছে তার ভয়ঙ্কর ব্যাখ্যাও থাকে।</p>
<p><em>ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) জুনায়েদ জামান</em> <a href="http://www.pakspectator.com/schools-closed-in-pakistan-fear-of-terrorism-for-how-long/">‘পাকিস্তান স্পেক্টেটরে’</a> দেশে স্কুল বন্ধ করার নিষ্ফলতা নিয়ে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমাদের ভয় পাওয়ার দরকার নেই আর আমাদের বাচ্চাদের ভিতু তৈরি করারও দরকার নেই। আমাদের ছেলে মেয়েদের সাথে আমাদের কথা বলা দরকার, ভীতি সম্পর্কে তাদের সাথে কথা বলা উচিত, তাদেরকে লক্ষ্য রাখতে বলা উচিত, আমাদের দেশ কোন বিপদের মধ্যে আছে সেটা তাদেরকে বোঝানো উচিত আর সন্ত্রাসবাদের খারাপ দিক সম্পর্কে জানাও উচিত। তাদেরকে শক্তিশালী আর সামর্থ করা উচিত আর কষ্টের সময়ে যাতে বাঁচতে পারে সেই শিক্ষা দেয়া উচিত। তারা যখন এই সময় থেকে বের হবে, তারা বিশ্বের অন্যান্য শিশুদের তুলনায় জীবনের মোকাবিলা করতে অনেক দূর এগিয়ে থাকবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://blog.taragana.com/n/pakistan-shuts-all-schools-after-suicide-bombings-at-islamic-university-201707/">তারাগানাতে</a> <em>জাররার খান</em> সাধারণ জনগণের ধারণার কথা বলেছেন যারা অন্যান্য কারণকে দোষ দিয়েছেন জনগণের উপর এই হামলার জন্য:</p>
<blockquote><p>অনেক ছাত্র এটা মানতে রাজি না যে মিলিট্যান্টরা এই আক্রমণের জন্য দায়ী আর তার বদলে ধোঁয়াটে সব শক্তিকে দোষ দিয়েছেন যারা ইসলামকে নীচু করে পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চাচ্ছে- অনেক ধরনের চক্রান্ত তথ্য যা বোমা হামলার পরে এখানে শোনা যায়।</p></blockquote>
<p><em>বেরি পিকারের</em> <a href="http://glendaclaborne.com/node/10">গ্লেন্ডা</a> একটা সমাজের মনোবলের কথা বলেছেন যারা সন্ত্রাস সত্ত্বেও জীবন চালিয়ে নিচ্ছে আর তিনি ইসলামাবাদের একটা কনসার্টের কথা বলেছেন:</p>
<blockquote><p>তাদেরকে বৃহষ্পতিবার রাতে থামতে হয় নি। অন্তত এক ঘন্টার জন্য। আরিব আঝার আর তার চার জনের দল সঙ্গীতের বৈশ্বয়ীকতা, বৈচিত্র আর সহনশীলতার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন এমন এক শহরে যেখানে মাত্র চার দিন আগে আবারও সন্ত্রাসবাদের ক্ষমতা দেখেছে যা জীবনের কিছু সুন্দর আর সত্য তা প্রকাশের মানুষের ক্ষমতাকে থামিয়ে রাখার জন্য।</p></blockquote>
<p><em>বিলকিস</em> <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/10/27/the-parallel-step-bilquis/">অনেক কিছু জানিয়েছেন</a> <em>চুপ (চেন্জিং আপ পাকিস্তান)</em> ব্লগে:</p>
<blockquote><p>অনেক শিক্ষাবিদ আর রাজনীতিবিদ, বিশেষ করে ইমরান খান তর্ক করেছেন যে এইসব এলাকার লোকেরা অনেক শতাব্দী ধরে আইন বিহীন সমাজে বাস করে আসছেন। এই বাস্তবতার নিরিখে, তারা বলেন, তাদের ঐতিহ্যকে সম্মান করে তার ভিতরেই কাজ করা আমাদের উচিত। আমি অসম্মতি জানাচ্ছি। যেমন টি এস এলিয়ট জানিয়েছেন, ”বুদ্ধি ছাড়া ঐতিহ্য মূল্যহীন।“ এই সমস্ত ঐতিহ্য এমন সব বিষয়কে লক্ষ্য না করায় যার ফলে একটা উদ্দীপ্ত ভাবধারার সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র পাকিস্তানব্যাপী, বিশেষ করে গ্রামীণ পাঞ্জাবে। উদাহরণ স্বরূপ সোয়াতে তালিবান যে তরুণীকে বেত্রাঘাত করেছিল সেটাই দেখেন। আমরা কি এমন ঐতিহ্য চাই? আমরা কি পুরুষ/নারী/ মেয়েদেরকে সমস্যা সমাধানের জন্য বদলা-বদলি করতে চাই? আমরা কি চাই আমাদের মানুষ লাগাতার বিশ্ব সম্পর্কে বিকৃত ও সংকীর্ণ একটা ধারণা নিয়ে থাকুক? আমি অবশ্যই চাই না।</p>
<p>তাহলে এখানে আমরা আছি, আশাবাদী, কিন্তু সন্ত্রাস দ্বারা বিদ্ধ, আমাদের স্কুল বন্ধ আর ভবিষ্যত অনিশ্চিত, কিন্তু আমরা হাল ছাড়বো না। আমাদের কেবলমাত্র ভূমির বিপদের সম্মুখীন হতে হবে না আমাদের সেনা দিয়ে বরং আমাদের সমাজে তালিবান মূল্যবোধের নীরব আক্রমণও থামাতে হবে। আমি কেবল আশা করি বিশ্ব আমাদের সাথে আছে, কারণ আমরা ব্যর্থ হলে এর পরে আপনাদের পালা। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মন্দা নিয়ে পর্যালোচনা: বাঁচার উপায় এবং ব্যবসার সুযোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:45:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এন্টিগুয়া-বার্বুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জামাইকা]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিজি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7228</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি চেষ্টা করব কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর চেষ্টাগুলো জানাতে যেগুলো দ্বারা তারা এই মন্দা সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/27/global-recession-survey-survival-tips-and-business-opportunities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/13/global-recession-and-its-discontents/">বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা</a> সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মানষের মন এত রাতারাতি হার মানার নয়। অনেকেই কষ্ট করছে এই মন্দার মোকাবিলা করতে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো মন্দার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর উল্লেখ করব উদাহরণ হিসেবে যারা তাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করছে এই মন্দাকে মোকাবিলা করতে।</p>
<p><strong>মন্দা হতে বাঁচা</strong></p>
<p>ব্রাজিলের <em>ফ্রাঙ্ক কয়েলহো ডে আলচানটারা</em> মনে করেন মন্দার সময়, <a href="http://www.depijama.com/trecos/com-criatividade-voce-consegue-inovar-ate-velas/">কেউ কাঁদে আবার কেউ টিস্যু বেচে।</a> এই মন্দা থেকে বাঁচার জন্য, এই ব্লগার উপদেশ দেয়:</p>
<blockquote><p>Inove. Melhore o que já existe e venda. A crise só existe para os que choram e compram lenços.</p></blockquote>
<div class="translation">নতুন কিছু প্রবর্তন কর। পুরোনো জিনিসের উন্নয়ন কর ও সেগুলোকে বিক্রি কর। মন্দা শুধু তাদেরই জন্য যারা কাঁদে ও টিস্যু কিনে।</div>
<p>আরেক ব্রাজিলিয়ান ব্লগার <em>এভান্ডো সুদ্রে</em> উল্লেখ করেছেন কঠিন সময় থেকে উত্তরণের জন্যে একটি <a href="http://ufnet.blogspot.com/2009/02/7-dicas-pra-encarar-crise.html">“ভিতরের শক্তি এবং সংকল্পের আধার&#8221;</a> তৈরি করার ব্যাপার:</p>
<blockquote><p>Problemas e adversidades fazem parte da vida diária, mas quando a crise nos atinge, é bom ter alguma reserva de força interior eresolução. De fato ter algum tipo de reserva na mente, da qual possamos formar um plano básico de ação e defesa com a qual possamos lidar com a situação. Você é a pessoa mais qualificada para ajudar nesta situação.</p></blockquote>
<div class="translation">সমস্যা এবং প্রতিকূলতা আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ কিন্তু যখন আমরা মন্দাতে ডুবে যাই, আমাদের ভিতরের শক্তি ও সংকল্পের একটি আধার তৈরি করতে হবে। এমন কি, সেটাই ভালো যদি আমাদের মনে কোনো প্রকার সংকল্প থাকে সব সময়ই, যা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাধারণ কার্যকারণ ও সুরক্ষার সিদ্ধান্ত গুলো নিতে পারব এই প্রকার সময়ের মোকাবিলার জন্য। তাহলে এই মন্দা থেকে বের হবার জন্যে আপনি একজন যোগ্য ব্যক্তি।</div>
<p>কিন্তু অনেকে আছে যারা ঋণে জর্জরিত এবং যারা এ থেকে বের হবার উপায় হিসেবে শুধু মাত্র আত্মহত্যার চিন্তা করে। উদাহরণ স্বরূপ ভারতের গুজরাটে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/21/india-gujarat-diamond-workers-suicide-in-the-face-of-crisis/">৭০টির বেশি আত্মহত্যা</a> লিপিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে হীরার পলিশ কারকরা তাদের কাজ হারিয়েছে।</p>
<p>অনেকে মন্দার বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ করেছে। বিনিয়োগকারীরা (প্রধানত: এন্টিগুয়ার), যারা তাদের টাকা-পয়সা হারিয়েছে আমেরিকান কোটিপতি অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের প্রতারণার শিকার হয়ে, তারা একটি সংগঠন তৈরি করেছেন তাদের ধন ফিরে পেতে। <a href="http://www.stanfordvictimscoalition.com/">স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিমস কোয়ালিশন (স্ট্যানফোর্ড এর শিকার মোর্চা)</a> তাদের <a href="http://fraudsvictims.com/Documents/svc%20press%203-13-2009.pdf">সাইটে</a> জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিম কোয়ালিশন একটি আন্তর্জাতিক দল যেটি যুদ্ধ করছে অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের চুরি করা বিলিয়ন ডলারগুলোকে প্রতারিত নিরাপরাধ সকলের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। এই সকল প্রতারিতরা এন্টিগুয়াতে স্ট্যানফোর্ড ফাইনানশিয়াল গ্রুপ এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এই দল কোনো প্রকার রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না অথবা কোনো অনুদান নেয় না তাদের সদস্যদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ব্রুনাইতে, ব্লগাররা সমালোচনা করছে সেইসব ব্যাক্তিদের যারা মন্দা থেকে বাঁচতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/09/brunei-who-deserves-the-undistributed-zakat-funds/">জাকাতের ফান্ড</a> থেকে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল। জাকাত হচ্ছে ইসলামের একটি স্তম্ভ এবং এর মূল নীতি হচ্ছে ধনী কর্তৃক গরীবদের কিছু সম্পদ দেয়া যাদের তা প্রয়োজন। অনেকে আশ্চর্য হয়েছে যে ব্রুনাইয়ের নাগরিকরা যাদের বড় ধরনের ক্রেডিট কার্ড বিল, গাড়ির ঋণ, এবং নিজস্ব ঋণ ছিল তারা এই জাকাতের ফান্ডের থেকে টাকা চেয়েছিল।</p>
<p>এই মন্দা অনেকের মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে <a href="http://www.uptoyoulor.com/2009/03/economic-recession-leads-to.html">শরীরচর্চা কেন্দ্রগুলো ও যোগ কেন্দ্রগুলোতে বেশ ভীড় হয়েছিল</a> যখন সকলে নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দার চিন্তা থেকে রেহাই চাচ্ছিল; এবং অনেকে এই প্রকার শরীর চর্চার জন্য বেশ খরচও করছে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/30/recession-hits-singapore/">সিঙ্গাপুর</a> হচ্ছে  এশিয়ার প্রথম দেশ যা এই মন্দার কবলে পরেছিল গত বছর।</p>
<p>কাতারের একজন কর্মচারী <em>হোমেসিকহোম</em>, আবিষ্কার করেছে যে মন্দার কারণে <a href="http://homesickhome.wordpress.com/2009/03/17/my-own-version-of-financial-crisis/">কেনা বেচার নেশাটি কিছুটা কমেছে।</a></p>
<p>একটি বুলগেরিয়ান সাপ্তাহিক <a href="http://capital.bg/show.php?storyid=685129">কাপিতাল</a> জিজ্ঞাসা করেছিল তাদের পাঠকদের যে কিভাবে এই মন্দা তাদেরকে আঘাত করেছে। <em>সাইমন জানকোভ</em> প্রাপ্ত তথ্যটি <a href="http://crisistalk.worldbank.org/2009/03/has-the-crisis-affected-you-how-.html">সংক্ষেপে জানিয়েছেন</a> একটি ফোরামে:</p>
<blockquote><p>আমি উত্তরগুলো এখনও পড়ছি এবং চিন্তার বাইরে কিছু জিনিস পেয়েছি।</p>
<p>ভাড়া বেড়েছে, এবং যারা মর্টগেজ দিতে পারবে, তাদের সংখ্যা কমেছে; কিছু ছোট ব্যবসাগুলো বলেছে যে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন নাজুক অবস্থায় যে তাদের জন্য আরো সুবিধা হয়েছে; টিভি দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (কারণ খবর গুলো খুবই খারাপ); কমে গিয়েছে সমাজের ভেদ - এখন শুধু নব্য ধনীরা ধনী ; পড়ার সময় বেশী পাওয়া যাচ্ছে; বাইরের বিশ্বের সাথে সম্পর্ক আরো কমেছে। আমার নিজস্ব পছন্দের: অর্থনীতিতে আরো মজা খোঁজা।</p></blockquote>
<p><strong>ব্যবসার খাপ খাইয়ে নেয়া</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মন্দার প্রতিক্রিয়ায় এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে?</p>
<p>কর্মসংস্থান না কমিয়ে, ফিলিপাইন্সের কিছু কিছু কোম্পানী <a href="http://www.bworldonline.com/BW030509/content.php?id=002">কাজের সময় কমিয়ে দিচ্ছে</a>। বিল্ডিংগুলো কম পরিমাণে ব্যবহার হবার কারণে, ম্যানিলার কিছু বাড়ির মালিকরা <a href="http://www.gmanews.tv/story/152275/Office-rentals-to-go-down-until-June-property-consultant-says">অফিসের জন্য ভাড়া কমিয়ে দিচ্ছে</a>। দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত একটি জাপানী কোম্পানী তাদের ব্যবসার লাভ এবং সঞ্চয় ব্যবহার করেছে তাদের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/korea-economic-downturn-and-which-companies-have-the-best-chances-for-survival/">শ্রমিকদের এই দু:সময়ে সাহায্য করতে।</a></p>
<p>ফিজির ব্যবসা প্রধানরা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/fiji-minimum-wage-increase-postponed/">বর্ধিত সরকারী ন্যূনতম বেতন কার্যকারী করা পিছিয়েছে</a> বলে জানিয়েছে তাদের শ্রমিকদের। তারা সতর্ক দিয়েছে যে বেতন বাড়িয়ে দিলে আরো ছাঁটাই এমন কি কোম্পানী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দু:সংবাদ ছিল শ্রমিকদের জন্য।</p>
<p><em>দ্যা এশিয়ান প্যারেন্ট</em> (<a href="http://sg.theasianparent.com/home.php">www.theasianparent.com</a>) এর সম্পাদক <em>রোশিনি মাহতানি</em> বলেছেন ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য <a href="http://sgentrepreneurs.com/commentary/2009/03/09/10-cost-cutting-measures-%E2%80%93-theasianparentcom-way/">খরচের পরিমাণ কমানো নিয়ে</a> -</p>
<blockquote><p>১. অফিসের জায়গা ছেড়ে দিন। মাসিক সঞ্চয়: ১,৫০০ ডলার<br />
২. ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন। একবারের সঞ্চয়: ৪,০০০ ডলার। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৩. ফোনের বদলে স্কাইপ! মাসিক সঞ্চয়: অনুমানিক ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৪. শিক্ষানবিস নিয়োগ দিন। মাসিক সঞ্চয়: ৫০০ ডলার<br />
৫. ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করুণ। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৬. স্কেল। মাসিক সঞ্চয়: ৩০০ ডলার<br />
৭. বেতনের বদলে উদ্দীপনা ভাতা। মাসিক সঞ্চয়: ৭৫০ থেকে ১,০০০ ডলার প্রতি বিপণন কর্মচারীর জন্য।<br />
৮. অংশীদারীত্বে যান । মাসিক সঞ্চয়: ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৯. গাছ বাঁচান (এবং টাকা)। মাসিক সঞ্চয়: ২০০ ডলার<br />
১০. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং। একবারের সঞ্চয়: ২,৬০০ ডলার</p>
<p>মাসিক সঞ্চয়: ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ ডলার প্রতি মাসে</p>
<p>এক বারের সঞ্চয়: ৬,৬০০ ডলার</p></blockquote>
<p>ব্রাজিল থেকে <em>মাইকেল মন্টেরো</em> লিখেছেন তার <a href="http://vitrinepop.blogspot.com/2009/02/criatividade-em-tempos-de-crise.html">তৎপরতা</a> নিয়ে যেটির শুরু করা হয়েছিল পন্তো ফ্রিওতে: যেই সকল ক্রেতারা দোকান থেকে প্রায়ই কিনে, তাদের জন্য একটি বীমা করা থাকবে। যদি তারা কর্ম হীন হয়ে যায় তবে পণ্য দেয়া হবে এবং তার জন্য অতিরিক্ত কোনো পয়সা নেয়া হবে না। এতে তাদের সাহায্য করা হবে।</p>
<blockquote><p>O interessante é que essa ação tem como enfoque a atual crise economica, e em seu anuncio busca tirar o temor que existe nas pessoas de comprar e não poder pegar, o que gera queda nas vendas.</p>
<p>Assim, o consumidor poderá voltar a comprar, e fazer o dinheiro movimentar a economia.</p>
<p>Mais do que uma inteligente proposta de marketing, a ação é um serviço ao país, pois - de forma inteligente -, faz a economia nacional girar capital, e consequentemente manter níveis de venda, empregos, etc.</p></blockquote>
<div class="translation">মজার ব্যপারটা হলো যে এই কাজটি এই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দার পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করে, এবং এই বিজ্ঞাপন দাবি করেছে যে তারা মানুষের চিন্তার উপশম করবে যে তারা হয়ত কোন কিছু কেনার ক্ষমতা রাখে না যা বিক্রয়ের পরিমান কমিয়ে দেয়। এই পদক্ষেপ অনুযায়ী ভোক্তারা আবার কিনতে শুরু করতে পারবে এবং অর্থনীতিতে টাকার যোগান হবে।</p>
<p>আরো চালাকির বুদ্ধি হচ্ছে ভালো সেবা পেলে একটি দেশকে সাহায্য করে, এবং দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা দিতে শুরু করে। এর থেকে বড় পরিমানের কেনা-বেচা, কাজ এবং আরো অনেক তৈরী হয়।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 255px"><a href="http://moscownotes.wordpress.com/2009/02/16/on-housing-and-toilet-paper/"><img alt="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/russia.jpg" title="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”।" width="245" height="309" /></a><p class="wp-caption-text">রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে</p></div>
<p><strong>বাণিজ্যের সুযোগ</strong></p>
<p>অনেক ব্যবসা আছে যারা ঠিকই লাভের মুখ দেখছে এই অর্থনীতির মন্দাতেও। অনেকে এই মন্দার থেকে নিজেদের মঙ্গলই বয়ে আনছে।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">জাপানে</a> বেশ লাভ করছে এই ব্যবসাগুলো: <a href="http://ueki.biz/414.html">ছোট এবং মাঝারি কোম্পানীগুলো</a> যেগুলো স্বল্প পরিমাণে বিক্রি করে যেমন কাঁচাবাজারে, <a href="http://andyandyandy.jugem.jp/?eid=399">ফাস্টফুডের</a> ব্যবসা, <a href="http://business.nikkeibp.co.jp/article/manage/20090129/184281/?P=1">ই-কমার্স</a> এর জোগানদার, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pachinko">পাঞ্চিনকো</a> ইণ্ডাস্ট্রি (যারা গেইম বানায়)।</p>
<p>জাপান থেকে <em>চিকারা ইকি</em> জানিয়েছেন যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">কিভাবে এই মন্দাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে</a></p>
<blockquote><p>１００年に一度と言われている経済危機、考え方を変えると１００年に一度のチャンスかもしれない。不況業種も含め、全ての産業に言えることかもしれません。</p>
<p>ただ、事例の通り何もしなくてもチャンスは生まれるのではなく、コツコツとやってきたご褒美だと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">এই মন্দা নিয়ে চিন্তাধারা পরিবর্তন করে একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে যেটা বহু বছর পরে মাত্র আসে। এই কথা ব্যবসাগুলোকে বলা যেতে পারে, এমন কি যেগুলো মন্দায় ডুবে রয়েছে তাদেরও।</p>
<p>তবে এই অবস্থা এমনি এমনি আসে নি। এটি অনেক সময় ধরে অনেক কষ্ট করার ফসল।</p></div>
<p>ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে যেটা ব্লগার <em>ক্যাসওয়েল হোয়াইটসাইড</em> <a href="http://caswellwhiteside.wordpress.com/2009/03/19/forgotten-in-the-shuffle/">মনে করেন</a> যে ফিলিপিনোদের অধিক হারে দেশে ফিরে আসার কারণে যারা বহির্বিশ্বে আগে কাজ করত।</p>
<blockquote><p>দেখা যাচ্ছে যে ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স কানাডা এবং আমেরিকা থেকে প্রতিদিন তাদের ফ্লাইট  দিচ্ছে  যেটা আগে ছিলো চারদিন প্রতি সপ্তাহে। যদিও ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স (PAL) ঘোষণা করেছে যে এই বৃদ্ধি &#8216;নতুন এবং ভালো সেবা&#39; প্রদান করার জন্য, কিন্তু এটি আসলে ফিলিপিনোদের জন্য একটি সুবিধা। তাদের অনেকে বিশ্বের বহু দেশে তাদের কর্মসংস্থান থেকে ছাটাই হয়েছে। প্রধানত জাপান এবং আমেরিকা থেকেই তারা নিজেদের দেশে ফিরে আসছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://nationmultimedia.com/2009/03/19/business/business_30098297.php">থাইল্যান্ডের উদ্দীপক প্ল্যান</a> অনুযায়ী ৫৫ ইউ.এস. ডলার সমমূল্যের বিশেষ চেক দেয়া হবে কম-উপার্জনকারী প্রত্যেকের জন্যে। এর সুবিধা হচ্ছে যে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজা হাট এবং আরো ১৮টি কোম্পানী থেকে পণ্য কিনতে গেলে। যারা কেএফসি থেকে তাদের উদ্দীপক চেক ভাঙ্গিয়ে খাবার কিনবেন তাদের জন্যে একটি সুবিধা রাখা হয়েছে - বিনামূল্যে<a href="http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=15369">২০ টুকরা মুরগী</a> দেয়া হবে তাদেরকে। </p>
<p><em>এভেরী উওম্যান&#39;স ব্লগ</em> একজন কনডম তৈরীকারকের সাথে একমত পোষণ করেছে যে দেখা গেছে <a href="http://www.everywomansblog.com/people-buy-condoms-recessions">বিপুল সংখ্যক মানুষ কনডম কিনছে</a> যাতে মেয়েরা গর্ভবতী না হয়:</p>
<blockquote><p>আমার বিশ্বাস যে এখানে অনেক সত্য আছে এবং যুক্তি এই বিষয়ে। এই মন্দা এবং অজানার সময়ে, মানুষ আরেকজন পরিবারের সদস্য যোগ করতে চায় না যেটার কারণে আরো অর্থনৈতিক সমস্যার কবলে পরতে হতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>ডগলাস মুইর</em> আশা করেন যে এই বিশ্বে <a href="http://fistfulofeuros.net/afoe/economics-and-demography/a-goodbad-time-to-stop-having-babies/">জন্মতালিকায় একটি বড় প্রকারের ধ্বস নামবে</a>, প্রধানত যেটা আসবে পূর্ব ইউরোপ থেকে।</p>
<p><strong>শুরুতে প্রত্যাবর্তন</strong></p>
<p>এই অর্থনৈতিক মন্দার জন্য, অনেকে শিখছে কি করে মৌলিক নিয়মগুলো ব্যবহার করতে হয় ব্যবসা করার সময়, যেমন প্রথম শ্রেণীর সেবা প্রতি ক্রেতার জন্য। <a href="http://livroseafins.com/2008/05/12/prefeitura-pipoqueiro-pipoca/">ব্রাজিলের এক ভুট্টা বিক্রেতা</a> পুরস্কৃত হয়েছে তার নতুন চিন্তাধারার ব্যবসার জন্য। সে অনেক <a href="http://www.ricardocoelhoconsult.com.br/responsabilidade.php">বক্তৃতা দিয়েছে কিভাবে সফল ব্যবসা চালাতে হয়।</a></p>
<p>জাপানী যুবা এবং খ্যাতিপূর্ণ লোকদের কাছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/japan-agriculture-the-latest-trend-among-celebrities/">কৃষিকাজ অনেক জনপ্রিয়</a> হয়েছে যখন অনেকে খুঁজছে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেগুলো শক্ত করে গড়বে আর্থিক কেন্দ্রগুলোকে। <em>কামিয়ামা ইয়াসুহারু</em> লিখেছেন যে <a href="http://8ada.com/kamiyama/archive/2009/02/post-1.html">কৃষির বিস্তার</a> একটি মজাদার শব্দ হয়ে উঠেছে আজকের জাপানী সমাজে।</p>
<p><a href="http://ki-media.blogspot.com/2009/03/cambodia-tries-alternative-products-to.html">ক্যাম্বোডিয়া</a> আবার শুরু করেছে কৃষিতে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। <a href="http://rspas.anu.edu.au/rmap/newmandala/2009/01/28/laos-too-poor-to-get-any-poorer/">এক লাও অর্থনীতিবিদ</a> বিশ্বাস করেন যে “কৃষি-নির্ভর, স্ব-নির্ভর প্রকৃতি” একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে পারে যেমন লাওসকে করছে এই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার থেকে।</p>
<p>এই অর্থনীতিবিদ আরো বলেন:</p>
<blockquote><p>মানুষ যারা আগে শিল্পোন্নত দেশে বাস করত এখন ভয় পায় তাদের কর্ম যাতে না নষ্ট হয় কারণ তারা জানে না কি করে শাক-সব্জি ফলাতে হয় এবং গবাদি পশু কি করে পালন করতে হয় যেটা লাওসের লোকজন জানে।</p></blockquote>
<p>জ্যামাইকাতে, ২১টি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নেতারা একটি চুক্তি তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে মিলিত ভাবে এই বিশ্ব মন্দার কবলের থেকে নিজেদের ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। তারা আরো শিখেছেন যে একটি <a href="http://www.jamaicaobserver.com/news/html/20090308T200000-0500_147282_OBS_LEADERSHIP_BY_EXAMPLE.asp">“সামাজিক অংশীদারের বক্তব্য”</a> তৈরি করা উচিৎ যেটা সরকার, বিরোধীদল, শ্রমিক, ব্যবসা এবং সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<div class="contributor"><em>উপরের ছবিটি <a href="http://www.flickr.com/photos/suburbanslice/3103078097/in/set-72157611066659335">সাবার্বানস্লাইস</a> এর ফ্লিকার একাউন্ট থেকে আনা হয়েছে। পর্তুগীজ লেখাটি অনুবাদ করেছে জিভির সম্পাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/paulagoes/">পলা গোজ</a>। জাপানীজ লেখাটা অনুবাদ করেছে জিভির অনুবাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
