<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; ইতিহাস</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/history/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>রাশিয়া: ব্লগাররা বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 10 Nov 2009 17:42:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7455</guid>
		<description><![CDATA[বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর  রাশিয়ার অল্প কয়েকজন ব্লগার এই বিষয়টির কথা উল্লেখ করেছে যা “অনেকের কাছে  বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা”।  অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য, অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/alexey-sidorenko/">এলেক্সিই সিডোরেঙ্কো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/russia-bloggers-discuss-20th-anniversary-of-the-fall-of-the-berlin-wall/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7456" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/ru-1.jpg" alt="ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।" title="ru-1" width="400" height="263" class="size-full wp-image-7456" /><p class="wp-caption-text">ব্রান্ডেনবুর্গ গেটের সামনে বার্লিন প্রাচীর-১৯৮৯ সাল, ছবি রমটমটম এর ফ্লিকার পাতা থেকে নেওয়া।</p></div><br />
বার্লিন প্রাচীরের পতনের ২০ বছর পর রাশিয়ার  বেশীরভাগ  ব্লগাররাই এই ঘটনাকে স্মরণ বা উদযাপন করেনি এবং এই ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে তারা তেমন একটা আলোচনা করছে না। বার্লিন প্রাচীরের পতন অনেকের কাছে &#8220;বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে এক অন্যতম ঘটনা&#8221;।  তবে বেশীরভাগ রুশ নাগরিকের কাছে এই প্রাচীরের পতন তাদের শৈশব বা কৈশোরের এক স্মৃতি মাত্র, এই ঘটনা তাদের কাছে বাস্তবের বদলে এক গল্পকথার মত ঘটনা।  </p>
<p>অনেক ব্লগার এই দিনটিকে ব্যবহার করেছে তাদের পাঠকদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য। এই বিষয়ে অনেকে তাদের নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে, কিন্তু  বেশীরভাগ ব্লগার নিজেদের প্রশ্ন করছে: “কেন কেউ এই দিনটি নিয়ে কোন কথা বলছে না? কেন সবাই দিনটি উদযাপন করছে না”? </p>
<p>রুশ রাষ্ট্রপতির প্রাক্তন উপদেষ্টা আন্দ্রেই ইলারিওনোভ (লাইভজার্নালে নিক <a href="http://aillarionov.livejournal.com/"><em>আইলারিওনোভ</em></a> [রুশ ভাষায়])। তিনি তার ব্লগে <a href="http://aillarionov.livejournal.com/128269.html"><em>লিখেছেন</em></a> [রুশ ভাষায়]:
<blockquote><p>আজ, ২০ বছর পর বিশ্ব “তার নিজের অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা উদযাপন করছে” যা বিংশ শতাব্দীর শেষে ঘটেছিল- এই ঘটনা ইউরোপে কর্তৃত্ব পরায়ণ কমিউনিস্ট স্বৈরাতন্ত্রের পতন ঘটায়। বিশ্বের অনেক দেশে এই দিবসটি উদযাপিত হয়।</p>
<p>তবে দিবসটি রাশিয়ায় উদযাপিত হয় না। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে গিয়ে জন্ম নেওয়া ডজন খানেক স্বাধীন রাষ্ট্রেও এই দিবসটি পালন করা হয় না। এইসব রাষ্ট্রও গভীরভাবে আটকে রয়েছে তাদের কর্তৃত্ব পরায়ণ শাসন ক্ষমতার মধ্যে।</p>
<p>ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনাকে রাশিয়ার উপেক্ষা করার মানে, ধ্বংস করে ফেলা প্রাচীরের জায়গায় এক নতুন দেওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। </p>
<p>এই দেওয়ালটি অদৃশ্য, কিন্তু তা কার্যকর, এটি আমাদের দেশের নাগরিক ও ভ্রাতাদের বাকী বিশ্বের সাথে আলাদা করে ফেলেছে।</p></blockquote>
<p><em>ইলিয়া ফাইবিসোভিচ</em> (লাইভ জার্নাল নিক<a href="http://faibisovich.livejournal.com/"><em>ফাইবিসোভিচ</em></a> [রুশ ভাষায়]) এই দিবসটি সম্বন্ধে  প্রচারণার অভাব দেখে <a href="http://faibisovich.livejournal.com/109223.html"><em>বিস্মিত</em></a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য এক বিষয় [&#8230;] যে, “ইকো অফ মস্কো” [মস্কোর এক উদারনৈতিক রেডিও স্টেশন], “লেন্টা.রু”, “গেজেত্তা.রু” অথবা রাশিয়ার যে কোন উদার কোন সংবাদ পোর্টালে এই বিষয়ে (এমনকি “আরআইএ নোভোস্টি” অথবা “ইন্টারফ্যাক্স” এর মত পোর্টাল) -এমন “কোন সংবাদ” ছিল না, যা সারা বিশ্বের ওয়েবে প্রদর্শন করার যোগ্য। এবং এই রহস্যময় “কোন সংবাদ” রাশিয়ার জন্য অনেক কিছু বয়ে আনতে পারে। এখন দেখা যাচ্ছে এই বিষয়ে সংবাদের কোন দরকার নেই। কিন্তু সংবাদপত্রে প্রচুর সংবাদ রয়েছে (তা নির্ভর করছে আপনার কি ধরনের সংবাদ পড়তে ইচ্ছে করে তার উপর) যেমন, &#8220;সোভিয়েত যুগের অভিনেতার মৃত্যু”, “কিম চেন ইর কয়টি ট্রেন রয়েছে”, “কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা যারা ভিডিও ব্লগ কিভাবে করতে হয় তা শিখেছে” [<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/officer-exposes-police-corruption-using-the-web/"><em>গ্লোবাল ভয়েসেসের ইংরেজী পাতায় এই সংবাদের একটা লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে</em></a>] এবং গিন্সবার্গের [নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানীর] মৃত্যু।</p></blockquote>
<p>আরেকজন ব্লগার <a href="http://www.diary.ru/~SynthThesis/p85029031.htm">সিন্থথিসিস এই ঘটনাটিকে জয়ের বদলে পরাজয় হিসেবে দেখেন</a>:</p>
<blockquote><p>সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ কারী হিসেবে আমি এই ঘটনার প্রতি বিশেষ মনোভাব পোষণ করি। আমি মনে করি আমি ছাড়াও এমন অনেকে রয়েছে যারা এই ঘটনার কথা শুনলে থুতু নিক্ষেপ করে।</p>
<p>[…]</p>
<p>এখন যে বিভ্রান্ত তৈরি হয়, তাতে সকলেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে, এই সমস্ত নির্মাণ করা সত্য যে কোন কম্পিউটার গেমের চেয়ে ভালো।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার এই ঘটনার স্মরণ করে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য কিছু ছবি ব্যবহার করেছে। লাইভজার্নাল ব্যবহারকারী <a href="http://amelito.livejournal.com/"><em>এমেলিটো </em>হারিয়ে যাওয়া দেওয়ালের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে</a> [রুশ ভাষায়]। লাইভ ইন্টারনেট প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645"><em>সটোভারইয়াসিজ মিরি</em></a> [রুশ ভাষায়] আমাদের <a href="http://www.liveinternet.ru/users/1955645/post114080850/">১৭টি ছবি দেখাচ্ছেন</a>। প্রাইভেট ইউজার বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/"><em>জেরনভ৫১</em></a> [রুশ ভাষায়] ১৯৮৯ সালে ঘটা এই ঘটনার <a href="http://blogs.privet.ru/community/gernov51/71556170">ধারাবাহিক সময় সূচি এখানে পোস্ট করেছেন, যা শীতল যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটায়</a> [রুশ ভাষায়]। </p>
<p><strong>কিছু বাড়তি তথ্য:</strong></p>
<p><a href="http://www.levada.ru/press/2009110602.html">২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে লেভাডা সেন্টারের করা এক জরিপ অনুসারে</a> [রুশ ভাষায়] শতকরা ৬৩ জন রুশ নাগরিক বার্লিন প্রাচীরের পতনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে, যেখানে শতকরা ১১ জন ঘটনাটিকে নেতিবাচক চোখে দেখে। ১৯৮৯ সালের কোন ঘটনাটিকে বছরের সেরা ঘটনা বলে মনে করেন, এই প্রশ্নের জবাবে, বেশীরভাগ উত্তরদাতা বার্লিন প্রাচীরের পতনকে সে বছরে দ্বিতীয় সেরা ঘটনা হিসেবে বেছে নিয়েছে (২৪ শতাংশ ব্যক্তি), তবে বেশীরভাগের চোখে সে বছরের সেরা ঘটনা ছিল আফগানিস্তান থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া। শতকরা ৫০ জনের চোখে এটি ছিল সে বছরের “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা”।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/10/7455/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব: আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 16:50:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[ডোমিনিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রিনিদাদ ও টোবাগো]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রেঞ্চ ক্রিওলস]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মার্টিনিক]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রিউনিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিশেলস]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্ট লুসিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[হাইতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7181</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/23/global-international-creole-month/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে।</p>
<p>ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা। অভিবাসন আর স্থানীয় জনগণের মিশ্রণের ফসল হিসেবে দাসত্বের সময় থেকে ক্রেওল হচ্ছে একটি মৌখিক ভাষা, যা হয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা নীচু করে দেখা হয়েছে। কিন্তু ১৯৮০র দশকে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে থাকে, যা ব্যাখ্যা করেছে ক্রেওল সম্পর্কিত রিউনিয়ন দেশের ব্লগ, <a href="http://www.renyone.net/English/28oct_gb.htm">রেনিওয়ান</a>:</p>
<blockquote><p>১৯৮১ এ যেসব বিজ্ঞানীর ভাষা ক্রেওল ছিল তারা নিজেদের প্রশ্ন করা শুরু করেন যে কোন পদ্ধতিতে ক্রেওল ভাষাকে তুলে ধরা যায়। এটা শুরু হয়েছিল ক্রেওল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক কমিটি আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম থেকে,  ক্রেওল/ক্রেওলস ভাষা, চলমানতা আর ক্রেওল জগতে সৃষ্টিশীলতার বিষয় নিয়ে যা আলোকপাত করেছিল।</p></blockquote>
<p><em>রেনিওয়ান</em> আরো বর্ণনা দিয়েছেন একটা উৎসবের কথা যা বেশীরভাগ ক্রেওলসভাষী দেশে ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে:</p>
<blockquote><p>১৯৮২ তে সিশেলেস এর সরকার ক্রেওলস সপ্তাহের আয়োজন করেন।</p>
<p>প্রথম আন্তর্জাতিক বাঞ্জিল ক্রেওল দিবস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ এর ২৮শে অক্টোবরে। তারপর থেকে বিশ্বব্যাপী ২৮শে অক্টোবর সব ক্রেওল ভাষার দেশে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>তারপর থেকে এই কথ্য ভাষার (মাঝেমাঝে যাকে উপভাষা বলা হয়) সংরক্ষণ অনেক লোকের চিন্তার কারণ হয়েছে। <a href="http://www.iocp.info/objectives.php">ক্রেওল মানুষের আন্তর্জাতিক সংস্থা</a> এইসব তথ্য প্রকাশ করছে। ফেসবুকের একটা দল ‘<a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/group.php?gid=61220156866">আন্নু পালে পাতোয়া</a>’ ( ‘আসুন পাতোএস/ক্রেওল বলি’) তাদের জন্য ক্রেওল এক চিন্তার ব্যাপার - তাই জানিয়েছেন, যেখানে একজন ত্রিনিদাদিয়ান নেটিজেন এই বছরের <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a> উদযাপন নিয়ে চিন্তা করেছেন:</p>
<blockquote><p>বিশ্বব্যাপী অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a>, এটাকে ত্রিনিদাদে উদযাপন করতে আমরা কি করতে পারি?</p>
<p>জাতীয় ভাবে করতে গেলে সব থেকে ভালো কি হয়?</p></blockquote>
<p>স্থানীয় ভাবে মাঠ পর্যায়ে আর একই ভাবে সরকারি ভাবেও প্রচার, সংরক্ষণ বা উদযাপন করার ব্যবস্থা নেয়া যায়। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dominica">ডোমিনিকান</a> ব্লগার <a href="http://livingdominica.blogspot.com/2007/10/it-is-almost-creole-time.html">লিভিং ডোমিনিকার</a> একটা পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে দুই বছর আগে যেখানে আমরা দেখতে পারি যে আরো কিছু দেশে এই উদযাপন কেবলমাত্র একটা অনুষ্ঠান না:</p>
<blockquote><p>ডোমিনিকাতে এই মাস ক্রেওলের সময়, যেটা আমার খুব প্রিয় অনুষ্ঠান। এই সময় একটা উৎসব যা সকল ডোমিনিকানকে সম্মানিত করে। সবাই ফুর্তির সাথে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস (নভেম্বর ৩) আর বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব ( অক্টোবর ২৬-২৮)।</p></blockquote>
<p>উপরে উল্লিখিত <a href="http://www.wcmfdominica.com/">বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব</a> ১৩ বছর আগে জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাসকে নভেম্বর ৩, ১৯৭৮ সালে পাওয়া দ্বীপের স্বাধীনতা উদযাপনের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য ডোমিনিকান সরকারের ইচ্ছার কারনে।</p>
<p>এইসব থেকে, এটা প্রায় স্পষ্ট যে ক্রেওল মাস আর ক্রেওল দিবস, অক্টোবর ২৮, একই ভাবে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় না। এখানে ২০০৯ এর ক্রেওল দিবস নিয়ে কিছু পোস্ট আছে:</p>
<p>লন্ডন থেকে <em>এমবি এমবি</em>  ‘<a href="http://www.mbmbcharity.com/">মিনম বিতেন, মিনিম বাগায়</a>’ দল (গুয়াদেলোপিয়ান আর মারটিনিকান ক্রেওল কথা যার মানে ‘সবই এক’) একটা পোস্ট লিখেছেন মানুষকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করার জন্য যা সেপ্টেম্বর ২৭, ২০০৯ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে আর তাদের আগের ‘এমবিএমবি ক্রেওল দিবস’ স্মরণ করার জন্য।</p>
<p>কানাডাতে, ক্রেওল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.kepkaa.com/moisducreole/index.html">কেপকা</a> মানুষকে আমন্ত্রণ করেছে  মন্ট্রিয়ালে ক্রেওল মাস উদযাপনের জন্য। তারা হাইতির ক্রেওল ভাষায় একটা পোস্টে এই আহ্বান করে যার নাম ‘হাইতিয়ান ক্রেওল -ক্রেওল সংস্কৃতি এক সাথে উদযাপন করি’।  <a href="http://www.misscreolecanada.com/">মিস ক্রেওল কানাডা সুন্দরী প্রতিযোগীতা</a> নামে আরেকটি কানাডার অনুষ্ঠান ঘোষিত হয়েছিল আর ফেসবুকে প্রচারিত হয়েছিল। ক্রেওল মাস উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এবার ১৭ই অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=37345708168&#038;v=wall&#038;ref=search">ক্রেওল সম্প্রদায়ের একজন সুন্দরীকে বাছাই করা </a> হলো।</p>
<p>প্যারিসে, ব্লগার <a href="http://karucrea.blogspot.com/2009/10/tan-kreyol-transmission-octobre-2009.html">আনবা পায় মাঙ্গো লা</a> একটা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ঘোষণা করেছেন “তান ক্রেওল’ নামে (ক্রেওল ভাষায় ‘ক্রেওল শোনেন’) যেখানে ক্রেওলের মৌখিক ভাষাকে সম্মানের আসন দেয়া হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Senn-la wouvè ba tout moun : poèt, chantè, slamè, makè, kontè, mizisyen… .</p></blockquote>
<div class="translation">মাইক সবার জন্য উন্মুক্ত: কবি, সঙ্গীত শিল্পী, কবিতা অবমাননা কারী। লেখক। গল্প কথক, বাদ্যশিল্পী&#8230;</div>
<p>গুয়াদেলুপে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মাসব্যাপী অনুষ্ঠান ঠিক করেছে যা বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হবে, (ক্রেওল অক্টোবর, ক্রেওল মোশন) উদযাপনের জন্য। <a href="http://guadeloupe.coconews.com/actualite-guadeloupe,mois-du-creole-mwa-oktob-kreyol-en-mouvman,1070.html">গুয়েদালুপ.কোকোনিউজ</a> অনুষ্ঠানের প্রধান দুটি জিনিষ  উল্লেখ করেছেন:</p>
<blockquote><p>1. Prèmyé dékatman ba tout moun<br />
2. Dézyèm dékatman èvè zanfan-lékòl
</p></blockquote>
<div class="translation">১। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায় সকলের জন্য উন্মুক্ত<br />
২। দ্বিতীয় অংশ ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট</div>
<p>পরিশেষে মার্টিনিক থেকে, <a href="http://www.montraykreyol.org/spip.php?article3122">মন্ট্রেক্রেওল</a> একটা পোস্ট ছাপিয়েছেন যেটা সেখানে ক্রেওল মাস উদযাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আর বিশেষ করে ক্রেওলকে এক সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠান করে উদযাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে:</p>
<blockquote><p>    Es ou ka kwè ki an sel simenn pou défann kréyol adan tout lanné-a sifizan ?</p>
<p>    CLAUDE MARLIN : Dapré mwen non, sa ja an pal pou kréyol-la menm manniè ki tout travay-la ki za fet asou lang-lan. Men fok pandan tout lanné-a, ni travay ki pou fet, fok véyatif toulong, pas menm si kréyol ka rantré latélévizion, laradio, nan piblisité kontel, bien délè sa ka an kréyol toubònman, tjòlòlò ek sa pé désèvi lang-la.</p></blockquote>
<div class="translation">আপনাদের কি মনে হয় বছরে এক সপ্তাহ ক্রেওলকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট?</p>
<p>ক্লোদ মার্লিন: আমার মনে হয় না কিন্তু ক্রেওলের জন্য এটা একটা বড় ব্যাপার - এই ভাষা নিয়ে আর যা করা হয়েছে সে সবের মতই। কিন্তু সারা বৎসরব্যাপী কিছু না কিছু হওয়া উচিত আর আমাদের সব সময়ে সাবধান থাকা উচিত, কারণ টিভিতে, রেডিও বা বিজ্ঞাপনেও যখন ক্রেওল বলা হয় উদাহরণ স্বরূপ, বেশীরভাগ সময় এটা কাঁচা বা ভাঙ্গা ভাঙ্গা, যা এই ভাষার একত্রীকরণের জন্য ক্ষতিকারক।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব সংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলোকে নিরাপত্তা প্রদান করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 21:07:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চিলি]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মালি]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7135</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে- স্থূল এবং সূক্ষ্ম, উভয় ভাবে- তারা তাদের কাজের সমর্থনে অনলাইন প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিসেন্নি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/safeguarding-the-worlds-cultural-heritage/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণে নিয়োজিত- বাস্তবসম্মতভাবে এবং এমন উপায়ে তার কাজ করে যাচ্ছে যা অনেক সময় কল্পনা করা যায় না। তারা তাদের কাজের সমর্থনের জন্য অনলাইন প্রচার মাধ্যমকে ব্যবহার করছে।</p>
<p>অক্টোবরের ৬ তারিখে, ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ড (ডাব্লিডএমএফ) বা বিশ্ব স্থাপনা সংরক্ষণ তহবিল ডজন খানেক গ্রাম, ভবন, সেতু এবং স্থাপনার তালিকা প্রকাশ করেছে। এই সমস্ত স্থান ও ভবন গুগলের ২০১০ সালের সক্রিয় মানচিত্রে তৈরি করা হয়েছে যেগুলো ঝুঁকি পূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ডের মত আরো অনেক প্রতিষ্ঠান, যেমন <a href="http://www.globalheritagefund.org/home.html">গ্লোবাল হেরিটেজ ফান্ড</a>, <a href="http://whc.unesco.org/en/list">ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার </a>(যা ইউনেস্কোর একটি অংশ) বিশ্বের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থাপনাগুলোর সংরক্ষণে অর্থ প্রদান করে থাকে।    </p>
<p><strong>সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশে পরিণত হওয়া:</strong></p>
<p>কোন স্থান বা স্থাপনা যদি কোন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে মনোনীত হয় তাহলে উক্ত স্থান বা স্থাপনার জন্য অর্থ সাহায্য পাওয়া সহজ হয়ে দাঁড়ায়। বাড়তি সুবিধা হচ্ছে এর ফলে স্থানটি পর্যটন এলাকায় পরিণত হতে পারে। তা ছাড়াও এই ধরনের মনোনয়ন জাতীয় বা আঞ্চলিক গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। </p>
<p>সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক <em>তন উই চেঙ্গ</em> <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=44978823543">ফেসবুকে একটি গ্রুপ</a> তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি সিঙ্গাপুরের কিছু এলাকাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানান:</p>
<blockquote><p>২০০৮ সালের শেষে ইউনেস্কো বিশ্বের ১৪৫টি দেশের ৮৭৮টি এলাকা ও স্থাপনাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যার একটিও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত নয়। সিঙ্গাপুরে কি এমন কোন এলাকা নেই যা এই সম্মানের যোগ্য? আমি সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন কয়েক শ এলাকা ঘুরে দেখেছি, এবং আমি নিশ্চিত যে সিঙ্গাপুরের কিছু স্থাপনা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবার যোগ্য। এখানকার স্থাপনা গুলো সেই যোগ্যতা অর্জন করার ক্ষমতা রাখে, ইউনেস্কোর ভাষায় যাদের এক “অসাধারণ বৈশ্বিক মূল্যবোধ” রয়েছে।</p></blockquote>
<p>মানুষে মানুষে সংঘর্ষ এই ধরনের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। চীনের কাশাগড় এলাকায় আদিবাসী উইঘুর ও চীনা হান জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটার পর প্রাচীন এই <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Silk_Road">সিল্ক রোড</a> সিটি বা রেশম পরিবহনের জন্য একদা বিখ্যাত প্রাচীন এই শহরটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য <a href="http://www.petitiononline.com/kashgar/petition.html">অনলাইনে এক দরখাস্ত প্রদান করা হয়</a>। বর্তমানে শহরটি ধ্বংস হবার উপক্রম। </p>
<div style="text-align: center;"><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="320" height="265" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/tfV6mH4geAI&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" /><param name="allowfullscreen" value="true" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="320" height="265" src="http://www.youtube.com/v/tfV6mH4geAI&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object></div>
<div style="text-align: center;"><em>অনলাইনের এক ভিডিও কাশাগড় নামক শহরটিকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের  মর্যাদা প্রদানের  দাবী করছে।</em></div>
<p><strong>মানুষ এক হুমকি:</strong></p>
<p><em>ড: অঞ্জনা খাটওয়া</em> তার  <a href="http://www.teachingexpertise.com/articles/world-heritage-examining-the-threats-1776">এই প্রবন্ধে </a>লিখেছেন মানুষ সবসময় এই সমস্ত স্থাপনার ক্ষেত্রে এক বড় বিপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি <a href="http://www.jurassiccoast.com/">জুরাসিক কোস্ট ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের</a> শিক্ষা বিষয়ক তত্ত্বাবধায়ক। তিনি দেখান যে:</p>
<blockquote><p>যে সমস্ত স্থান বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সেগুলোর উপর নানা ভাবে বিপদ আসে: সামরিক সংঘর্ষ এবং যুদ্ধ, স্বেচ্ছায় এর ক্ষতি করা বা ধ্বংস সাধন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়, দূষণ, এসব স্থাপনার জিনিষ চুরি করা, এলাকার কাছে অপরিকল্পিত ভাবে কোন কাঠামো নির্মাণ করা এবং নিয়ন্ত্রণ হীন পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার কারণে এই সব এলাকা ধ্বংস হতে থাকে।</p></blockquote>
<p>ডাব্লিউএমএফ-এর সভাপতি <em>বনি বুর্নাহাম</em> <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/2008_World_Monuments_Watch_List_of_Most_Endangered_Sites">২০০৮ সালে, বিশ্বের সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত স্থাপনা গুলোর</a> উপর নজর রাখার পরিকল্পনা চালু করেন। তিনি বিষয়টি তার ওয়েবের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়ে দেন:</p>
<blockquote><p>যার এই সব স্থাপনা ধ্বংস করে সেই তালিকার সবচেয়ে প্রধান শত্রুর নাম মানুষ। কিন্তু যেহেতু আমরাই এ সবের ক্ষতির প্রধান কারণ, সেহেতু আমাদেরই ক্ষমতা রয়েছে এসব স্থাপনাকে আবার মেরামত করার। যদি চাই, তাহলে আমরা বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণের দায়িত্ব গুরুত্বের সাথে পালন করতে পারি। কাজেই বিশ্বের ঐতিহ্যমূলক যে সমস্ত স্থাপনা রয়েছে তার উপর দৃষ্টি দেবার এক তালিকা তৈরি করে আমরা সতর্কতার ঘণ্টা বাজিয়ে যাচ্ছি। আমরা এই সমস্ত প্রিয় এলাকা গুলোর উপর বিভিন্ন উদাহরণ মূলক কাজ করতে পারি। এর জন্য দরকার এক সাথে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা, যাতে যৌথ ভাবে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন ঐতিহ্য গত স্থাপত্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিতে পারি।</p></blockquote>
<p><strong>এক সৃষ্টি শীল সমাধান</strong></p>
<p>২০০৩ সাল থেকে ইউনেস্কো ভাষা, নাচ এবং হস্ত শিল্প নির্মাণ শৈলীর মত <a href="http://www.unesco.org/culture/ich/index.php?lg=EN&#038;pg=home">সুক্ষ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগত বিষয়গুলোকে রক্ষার</a> জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বেশ কিছু সূক্ষ্ম সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐতিহ্যকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নতুন নতুন প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হতে পারে।     </p>
<p><a href="http://archive.cyark.org/about">সাইআর্ক</a> একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যে কিনা “৫০০ চ্যালেঞ্জ” নামক বিষয় নিয়ে কাজ করছে। এই  পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হল বিশ্বে ঐতিহ্যমূলক যে সমস্ত স্থাপনা রয়েছে তার ডিজিটাল মডেল বা নমুনা তৈরি করার কাজ করা। এই কাজটি করা হচ্ছে লেজার স্ক্যানিং করে।  একটি উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার জন্য এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।</p>
<div style="text-align: center;"><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="320" height="265" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/B4vvskVnkPk&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" /><param name="allowfullscreen" value="true" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="320" height="265" src="http://www.youtube.com/v/B4vvskVnkPk&amp;hl=fr&amp;fs=1&amp;rel=0" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object></div>
<div style="text-align: center;"><em>রাপা নুয়ে সাইআর্ক পরিকল্পনা</em></div>
<p><a href="http://www.wipo.int/about-wipo/en/what_is_wipo.html">ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন</a> (ডাব্লিউআইপিও) বা ‘বিশ্ব বুদ্ধিমত্তা সৃষ্ট সম্পদ রক্ষা’ নামক প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সমস্ত মৌখিক ও বস্তুগত নয় এমন ঐতিহ্যগুলোকে সংরক্ষণ করা ও নিরাপদে রাখার জন্য এক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। <a href="http://www.wipo.int/tk/en/folklore/culturalheritage/">এর জন্য তারা সংরক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে; তারা এর জন্য আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল নীতিমালা, তথ্য সংরক্ষণ ও ডিজিটাল ভাবে সূক্ষ্ম সব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে</a>।      </p>
<blockquote><p>নতুন প্রযুক্তি এই বিষয়ে এক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হবে। এই সব ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপাদান দলিল ও ডিজিটাল অনুভূতি সংরক্ষণের  ক্ষেত্রে এখন নতুন এক দুয়ার খুলে দেবে। ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য মানুষের যে তীব্র অনুভূতি তাকে শক্তিশালী করবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই অনুভূতি সফল ভাবে বয়ে নিয়ে যাবে।</p></blockquote>
<p>সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এটি একটি মতবাদ যা মালির ব্লগার <em>বুকারি কোনাটে </em>আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তিনি তার নিজের ব্লগ <em>ফাসোকানেতে</em> <a href="http://fasokan.maneno.org/bam/articles/vdd1247776495/">আফ্রিকার একটি লোককাহিনীর</a> [বামবারা ভাষায়] কথা বলছেন:</p>
<blockquote><p>Bi bi in na, an bɛɛ bɛ k’a kɔlɔsi sisan k’o ko ninnu bɛ ka ban dɔɔni dɔɔni. N kɛlen kɔ ka n yɛrɛ ɲininkan, ye jaabi min sɔrɔ, o de ye ka u sɛbɛen an ka kanw na, k’u bayɛlɛma kan wɛrɛw la, k’u bila ɛntɛrinɛti kan. O b’a to u tɛ tunun wa u na lakodɔn mɔgɔ wɛrɛw fɛ.</p></blockquote>
<div class="translation">আমরা সকলেই ঐতিহ্যগুলোর ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেখছি এবং অনেক চিন্তার পর আমি এর সমাধান আবিষ্কার করেছি: সেগুলোকে আমাদের ভাষায় লিখে ফেলা, এবং অন্য ভাষায় তার অনুবাদ করা, এবং তারপর এগুলোকে ইন্টারনেটে রাখা। এর মাধ্যমে এগুলোকে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং অন্য লোকেরা এই বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারবে।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7135/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে লেখা আর্টিকেল সেন্সর করা হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/19/7002/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/19/7002/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 19 Oct 2009 09:55:44 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7002</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের আসন্ন বিচার এবং বিলেতে বসবাসরত একজন কথিত যুদ্ধাপরাধীকে নিয়ে বাংলাদেশী এক ছাত্রের একটি প্রতিবেদন গার্ডিয়ান পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে (কমেন্ট ইজ ফ্রি) প্রকাশের পর (সেই যুদ্ধাপরাধীর) আইনী হুমকির মুখে পত্রিকাটি প্রতিবেদনটির কিছু অংশ মুছে দেয়।  বাংলাদেশী ব্লগাররা এর প্রতিবাদ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/bangladesh-article-on-war-criminals-censored/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের আসন্ন বিচার এবং বিলেতে বসবাসরত একজন কথিত যুদ্ধাপরাধীকে নিয়ে বাংলাদেশী এক ছাত্রের <a href="http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2009/oct/07/bangladesh-war-crimes">একটি প্রতিবেদন</a> গার্ডিয়ান পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে (কমেন্ট ইজ ফ্রি) প্রকাশের পর (সেই যুদ্ধাপরাধীর) আইনী হুমকির মুখে পত্রিকাটি প্রতিবেদনটির কিছু অংশ মুছে দেয়।  বাংলাদেশী ব্লগাররা এর প্রতিবাদ করছে এবং <a href="http://www.nirmaaan.com/blog/admin/5613">মুক্তাঙ্গণ</a> বাংলা ব্লগ ও <a href="http://rezwanul.blogspot.com/2009/10/war-criminals-in-great-britain-are.html">থার্ড ওয়ার্ল্ড ভিউ</a> ব্লগ এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/19/7002/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইউক্রেইন: বাবি ইয়ার গনহত্যা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6941/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6941/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 11 Oct 2009 06:00:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইউক্রেইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6941</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনভেরোনিকা খখলোভা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ইউক্রেইনিয়া ব্লগ ১৯৪১ সালের বাবি ইয়ার গনহত্যা নিয়ে লিখেছে।  
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/neeka/">ভেরোনিকা খখলোভা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/11/ukraine-babi-yar-2/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইউক্রেইনিয়া ব্লগ ১৯৪১ সালের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Babi_Yar">বাবি ইয়ার গনহত্যা</a> নিয়ে <a href="http://tap-the-talent.blogspot.com/2009/10/ukraine-marks-babyn-yar-massacre.html">লিখেছে</a>।  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/11/6941/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইজরায়েল: অ্যান ফ্রান্কের চিত্র প্রকাশিত হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6901/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6901/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 08 Oct 2009 05:29:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[নেদারল্যান্ডস]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6901</guid>
		<description><![CDATA[ &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
জুন ২২, ১৯৪১ এ তোলা অ্যান ফ্রান্কের একমাত্র জানা চলচ্চিত্র প্রকাশ করেছে অ্যান ফ্রান্ক হাউজ (নেদারল্যান্ডস)। ইজরায়েলী কুল ব্লগে পোস্ট করা ২০ সেকেন্ডের এই চলচ্চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে ১২ বছর বয়সী অ্যান ফ্রান্ক প্রতিবেশীর বিয়ের অনুষ্ঠান দেখার জন্যে জানালা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em> &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/07/israel-film-clip-of-anne-frank-released/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>জুন ২২, ১৯৪১ এ তোলা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ann_Frank">অ্যান ফ্রান্কের</a> একমাত্র জানা চলচ্চিত্র প্রকাশ করেছে অ্যান ফ্রান্ক হাউজ (নেদারল্যান্ডস)। <a href="http://www.israellycool.com/2009/10/02/only-existing-film-footage-of-anne-frank/">ইজরায়েলী কুল</a> ব্লগে পোস্ট করা ২০ সেকেন্ডের এই চলচ্চিত্রে দেখা যাচ্ছে যে ১২ বছর বয়সী অ্যান ফ্রান্ক প্রতিবেশীর বিয়ের অনুষ্ঠান দেখার জন্যে জানালা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6901/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পেরু: চান চান প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণের উদ্যোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 08 Oct 2009 04:15:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পেরু]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6850</guid>
		<description><![CDATA[চান চান উত্তর পেরুতে অবস্থিত এক প্রত্নতাত্বিক এলাকা এবং এটি লুটেরাদের লুটপাট ও প্রাকৃতিক কারণে ধ্বংস হচ্ছে। একে রক্ষা করার জন্য বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার একটি পরিচালনা করছে একদল গৃহবধূ। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juan-arellano/">জুয়ান আরেলানো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/26/peru-preservation-efforts-in-the-chan-chan-archaeological-site/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chan_Chan">চান চান</a> প্রাক-কলম্বিয়া যুগের এক শহর। এটি ৯ শতকে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimu">চিমু সংস্কৃতির তৈরি</a> এক কাদামাটির এক শহর যা লা লিবার্টাড অঞ্চলে অবস্থিত। পেরুর উত্তরাঞ্চলের শহর ট্রুজিলোর পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই এলাকা। চান চান প্রায় ২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং এই শহর <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimor">চিমোর</a> জনগোষ্ঠী তৈরি করেছে। এই জনগোষ্ঠী চিমু সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১৪৭০ সালে ইনকারা এই এলাকা জয় করার আগ পর্যন্ত এই সাম্রাজ্য টিকে ছিল। এর আকার অনুসারে ধারণা করা হয় যে এর জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩০,০০০ হাজার।</p>
<p>যদিও ১৯৮৬ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ হিসেবে ঘোষণা করে তারপরেও এর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়, এবং লুটেরারা ক্রমাগত ভাবে এর সম্পদ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে ও প্রাকৃতিক কারণে এর ক্ষতি হচ্ছে। এই সব ঘটনা উপর একটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সরকার ও নাগরিক সমাজ এই প্রত্নতাত্বিক এলাকা ও এই সংস্কৃতির ইতিহাস সংরক্ষণের বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। </p>
<div id="attachment_6865" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/chanchan.jpg" alt=" চান চানের ছবি, মার্টিনয়ের সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে" title="chanchan" width="400" height="269" class="size-full wp-image-6865" /><p class="wp-caption-text"> চান চানের ছবি, মার্টিনয়ের সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে</p></div> 
<p><em>ট্রাবাজামোস পর চান চান [স্প্যানিশ ভাষায়] </em> (আমরা চান চানের জন্য কাজ করি) ব্লগ  ট্রুজিলোর এক পাশে যে কাজ হচ্ছে তার উপর সংবাদ প্রকাশ করেছে। হুয়ানচাকোর বালুকাময় এলাকার কাছে এই প্রত্নতাত্বিক কাজ চলছে এবং এই কাজ সরকারি পুরস্কার লাভ করছে। এই প্রকল্পের নাম “চান চান এর নাগরিকরা”। এই <a href="http://aventuraenchanchan.blogspot.com/2008/12/programa-educativo-de-chan-chan-gana.html">প্রকল্প স্কুলের ছেলেমেয়েদের যুক্ত করেছে যাতে তারা তাদের ইতিহাস সম্বন্ধে জানতে পারে এবং তা সংরক্ষণ করতে পারে</a>:    </p>
<blockquote><p>Frente a la circunstancia de que los monumentos históricos y el patrimonio general se encuentra olvidado y descuidado, es necesario que exista un nuevo tipo de ciudadano que conozca, ame y engrandezca su legado histórico; por esta razón, es que creamos el Programa “Ciudadanos de Chan Chan”, en donde primero se les enseña a conocer y amar el pasado; para luego involucrar a los escolares en los trabajos de conservación; así engrandecen su propia identidad”, señaló Cristóbal Campana, director de los trabajos de conservación del Complejo Arqueológico Chimú y creador de esta experiencia educativa.</p></blockquote>
<div class="translation">ঐতিহাসিক ঘটনা এবং স্থাপনা গুলো যখন ভুলে যাওয়া এবং উপেক্ষার শিকার, তখন এই কাজ তাদের সেই সমস্ত বিষয়ের মুখোমুখি করবে। এমন এক নতুন প্রজন্ম দরকার, যারা তাদের অতীতকে জানবে, ভালবাসবে এবং সংরক্ষণ করবে। এই কারণে আমরা “চান চান এর নাগরিক”-এর মতো পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এর মধ্যে দিয়ে (স্কুলের) ছেলেমেয়েরা প্রথমে তাদের অতীত সম্বন্ধে জানবে এবং তাকে ভালবাসতে শিখবে; পরবর্তীতে স্কুলের ছেলেমেয়েরা এই সমস্ত প্রত্নতাত্বিক বস্তু সংরক্ষণ করতে শেখার সাথে যুক্ত থাকবে। এ ভাবেই তারা তাদের নিজেদের পরিচয়কে আবার তুলে ধরবে”। এই কথাগুলো জানান ক্রিস্টোবাল কাম্পানা, চিমু প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণ উদ্যোগের পরিচালক ও এই ব্যাপারে যে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে তার স্রষ্টা।</div>
<p>এই সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে কিছু নতুন বিষয় আবিষ্কার হয়েছে। ব্লগ <em>ট্রাবাজামোস পর চান চান [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>, এই সব আবিষ্কারের বর্ণনা করছে : “<a href="http://aventuraenchanchan.blogspot.com/2009/08/recientes-hallazgos-dan-nuevas-luces-la.html">এখানে এক কাঠের মূর্তি ও কিছু হাড় আবিষ্কার হয়েছে (যা) চিমু আমলে ধর্মীয় উপাসনায় ব্যবহার হত</a>”।         </p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/El_Niño-Southern_Oscillation">এল নিনোর</a> মত প্রাকৃতিক কারণে এখন জলবায়ু পরিবর্তন, ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং তার ফলে এই এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে ক্ষয়। এই কারণে এই সমস্ত প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তবে মানুষই এই <a href="http://enperublog.com/2009/07/06/chan-chan-under-constant-threat">প্রত্নতাত্বিক এলাকার সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ, যেমনটা বর্ণনা করছে ব্লগ</a>.. <em>এন পেরু</em>: </p>
<blockquote><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্রমাগত অবৈধভাবে জমি দখল, এই প্রাচীন এলাকা.. আইএনসির জন্য এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইসব ব্যক্তিরা এই তথাকথিত “সংরক্ষিত” প্রত্নতাত্বিক এলাকার জমি দখল করেছে। এক বর্ণনায় জানা যায়, প্রায় ২৬৩ জন দাবি করেছে যে তারা এখানকার জমির মালিক। এদের সবাইকে এখান থেকে সরে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এলাকা ছেড়ে চলে যায় নি। তার বদলে তারা বেড়া উঠিয়ে জমিতে কাজ শুরু করে দিয়েছে এবং এই এলাকাটি তাদের দিয়ে দেবার জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি করছে।</p></blockquote>
<p>তবে, স্থানীয় গৃহবধূদের একটি দলের কাজ অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। <a href="http://www.elcomercio.com.pe/noticia/331474/amas-casa-restauran-muros-chan-chan_1">পেরুর সংবাদপত্র এল কোমেরসিও [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> বর্ণনা করেছেন, ভিলা দে মার নামক প্রতিবেশী এক এলাকার গৃহবধূরা ২০০৬ সাল থেকে চান চান প্রত্নতাত্বিক শহরের উপর কাজ করে যাচ্ছে। তারা পুরুষের অনেক কাজ করছে, তারা পোড়ামাটির ইঁট বয়ে আনছে, তারা মই বয়ে আট মিটার উঁচুতে উঠেছে, চাকাওয়ালা গাড়ি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গেছে, উপর থেকে নীচ পর্যন্ত সব জায়গায় তারা কাজ করেছে। এই সকল কাজের লক্ষ্য ছিল একটাই, সময় এবং মানুষ এই এলাকার যে ক্ষতি করেছে, তা অনেকটা আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা।    </p>
<p>এই সমস্ত মহিলারা ব্লগেও লেখেন, যেমন ট্রুজিলো ব্লগ <em>এসপেসিয়াল এন ইন্টারমিডিয়া [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>, যার লেখক রজার মন্টিয়েলগ্রে এবং তিনি <a href="http://especialesdeintermedia.blogspot.com/2009/03/conservadoras-de-un-mundo-de-barro.html">এইসব সংরক্ষণকারীদের নিয়ে লিখেছেন, যার শিরোনাম “কাদামাটির এক পৃথিবী</a>”: </p>
<blockquote><p>En el monumento de barro, capital de la civilización Chimú, hoy Patrimonio Mundial de la Humanidad, existen alrededor de sesenta mujeres, antes dedicadas a los quehaceres del hogar, ahora convertidas en potenciales conservadoras, especialistas en monumentos de tierra. Trabajando a la par con sus compañeros. ¿Sexo débil? Ni que hablar. Basta contemplar sólo unos minutos su trabajo “en la tierra, en el cielo o en el agua” para darnos cuenta de su fortaleza; su empeño es el mismo en cualquier espacio, no pierden su feminidad, por el contrario incrementan su maternidad. Un periodista le pregunta a una mujer que trabaja en la conservación de Chan Chan qué siente por el monumento, ella responde: “Lo quiero como a mi marido porque me da de comer. Y como a mi hijo, porque lo ayudo a crecer”.</p></blockquote>
<div class="translation">কাদামাটির এই স্থাপনা এক সময় চিমু সভ্যতার রাজধানী ছিল এবং এখন যা ইউনেস্কোর মতে মানুষের তৈরি বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ। এখানে সেখানে প্রায় ৬০ জনের মতো মহিলা কাজ করছে, যারা এক সময় ঘরগৃহস্থালির কাজে যুক্ত ছিল। এখন তারা এক সম্ভাব্য এক সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত, বিশেষ করে মাটির তৈরি এক স্থাপনা সংরক্ষণের কাজে। তারা তাদের পুরুষ সহকর্মীদের সাথে কাজ করছে। সেই সমস্ত মহিলার, যাদের দুর্বল ভাবা হয়? এর কোন বিকল্প নেই। “মাটি, শূন্যে বা পানিতে” তাদের কাজ যদি মাত্র কয়েক মিনিট পর্যবেক্ষণ করা যায়, তাহলে বোঝা যাবে তাদের শক্তি কতখানি। যে কোন পরিবেশে তারা দৃঢ়তার সাথে কাজ করতে সক্ষম। এক্ষেত্রে তারা কোনভাবেই তাদের নারীত্ব হারায় না, বরঞ্চ কাজের সময় তাদের মাতৃরুপ বাড়াতে থাকে। এই সংরক্ষণ এলাকায় কাজ করতে থাকা এক মহিলাকে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিল, এই প্রাচীন স্থাপনা সম্বন্ধে তার অনুভূতি কি, সে উত্তর করে, “এই এলাকাকে আমি তেমনিই ভালোবাসি যেমনটা আমি আমার স্বামীকে ভালোবাসি, কারণ এটি আমাকে জীবনের পুষ্টি যোগায়। এবং এটাকে আমি আমার ছেলের মত ভালোবাসি, কারণ তাকে বেড়ে উঠতে আমি সাহায্য করছি”।</div>
<p>সরকারের অন্য সব প্রতিষ্ঠান এই ব্যাপারে সাহায্য করছে, যেমন চান চান এলাকায় কাজ করতে থাকা<a href="http://www.chanchan.gob.pe/chanchan.html">ইমপ্লিমেনটেশন ইউনিট ১১০ বা প্রয়োগিক ১১০ নম্বর দল [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। তারা ট্রুজিলোয় ভিন্ন এক প্রকল্পে কাজ করছে। তাদের কাজ সম্বন্ধে তাদের ওয়েবসাইট অনেক তথ্য জানাচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনের লোকেরা এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের কাজে সাহায্য করছে। এই বিষয়ে জানাচ্ছে <a href="http://www.universia.edu.pe/noticias/principales/destacada.php?id=69768">ইউনির্ভাসিয়া পেরুর [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> ওয়েবসাইট। তারা  ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া এক ছবি প্রদর্শনীর সংবাদ প্রকাশ করছে। এই অনুষ্ঠানটি নর্দান প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটির (স্প্যানিশ ভাষার নামের অদ্যক্ষর নিয়ে যাকে ডাকা হয় ইউপিএন নামে) যোগাযোগ বিজ্ঞান বিভাগ ও বা ইমপ্লিমেনটেশন ইউনিট ১০০ -এর  সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রদর্শনীর শিরোনাম ছিল &#8216;মে লিয়ামো ট্রুজিলো, মে এ্যাপেলিডো চান চান&#39; (আমার ভালো নাম ট্রুজিলো, আমার ডাক নাম চানচান)। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গুয়াতেমালা: গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া জেসুস টেকুর কর্মকাণ্ড</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6666/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6666/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 01 Oct 2009 19:12:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াতেমালা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6666</guid>
		<description><![CDATA[জেসুস টেকু গুয়াতেমালার রিও নেগ্রোর গণহত্যা থেকে বেঁচে আসা এক ব্যক্তি। এরপর থেকে তিনি আচি মায়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের এক কণ্ঠস্বর। তবে এক হুমকি প্রদানকারীর কাছ থেকে ফোন পান টেকু এখন বিপদের মুখে রয়েছেন। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/renata-avila/">রেনাটা আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/22/guatemala-the-activism-of-massacre-survivor-jesus-tecu/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>মায়া আচি অ্যাক্টিভিস্ট <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jesús_Tecú_Osorio">জেসুস টেকু অসারিও</a> গণহত্যা থেকে বেঁচে আসা এক ব্যক্তি, শিশু বয়সে সে ছিল <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Río_Negro_Massacre">রিও নেগ্রো গণহত্যার</a> এক সাক্ষী। এটি ছিল গুয়াতেমালার সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাসে এক জঘন্য হত্যাকাণ্ড। তার অনেক বন্ধু, তার দুই বছর বয়স্ক ছোট ভাই এবং তার তরুণ বাবা-মাকে হত্যা করা হয়। সে ও তার সাথে বেঁচে যাওয়া ১৭ জন শিশুকে কিছু সময় জোর করে কাজ করানো হয়। যে লোকটি তার ভাইকে মেরেছিল তার বাসায় টেকু কাজ করতে বাধ্য হয়।</p>
<div id="attachment_6667" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/tecu.jpg" alt="ছবি রেনাটা অভিলা" title="tecu" width="400" height="225" class="size-full wp-image-6667" /><p class="wp-caption-text">ছবি রেনাটা অভিলা</p></div>
<p>কয়েক বছর পর টেকু তার বোনের বাসা থেকে বের হয়ে আসে। গণহত্যায় যারা মারা গেছে টেকু তাদের শরীরের অবশিষ্ট অংশ কবর থেকে তুলে এনে পরীক্ষা করে। এই ঘটনার ফলে যারা এই গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল, তাদের ৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব হয়। ঘটনাটি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ন্যায় বিচার প্রতিস্থাপিত করণ ও ঐতিহাসিক ঘটনাবলি সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।    </p>
<p>টেকু একটি বই লিখেছেন যার নাম “রিও নেগ্রো গণহত্যার স্মৃতি” যা যুদ্ধ থেকে বেঁচে আসা এক গৃহহীন শিশুর অভিজ্ঞতা। <em>তাডেও</em>  নামক ব্লগার টেকুর গল্পের আরো বিস্তারিত <a href="http://blogs.myspace.com/index.cfm?fuseaction=blog.ListAll&#038;friendId=71588974">ব্যাখ্যা করেন</a>:</p>
<blockquote><p>সেদিন সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনী মহিলা ও শিশুদের ঘিরে ধরে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে তারা গেরিলাদের সাহায্য করছে। তারা এক সাথে সবাইকে ধর্ষণ, অত্যাচার ও খুন করার জন্য এগিয়ে যায়। ১৯৮২ সালের ১৩ মার্চ রিও নেগ্রোর হত্যাকাণ্ডে ১৭৭ জনকে মারা হয়, যাদের মধ্যে ১০৭ জন শিশু্ও ছিল। যে অল্প কয়েকজন এই ঘটনা থেকে বেঁচে যায়, যাদের বেশীরভাগই অল্প বয়স্ক বালক, তাদের জোর করে দাসত্ব মূলক শ্রমে যুক্ত করা হয়।  রিও নেগ্রোর ঘটনায় বেঁচে যাওয়া জেসুস টেকু বর্ণনা করেন জাকোক প্যাক এর এক নেতা তাকে দাস বানিয়ে ফেলে, যে তার ছোট ভাইয়ের হাত কেটে টুকরো করে এবং পা দিয়ে লাথি মারে, তার সামনে তার ছোট ভাইয়ের মাথা পাথরে আছাড় মারে, কারণ তার স্ত্রী এত ছোট একটা বাচ্চাকে বহন করতে সক্ষম ছিল না।</p></blockquote>
<p>টেকুর ঘটনা অন্যদের থেকে আলাদা, কারণ সে তার সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকে গেছে, যাতে সে তাদের মানবাধিকার লড়াই-এ সাহায্য করতে পারে। সে দরিদ্র মানুষ ও অল্প শিক্ষিত লোকজনদের আইনী সহায়তা দেবার জন্য এক কেন্দ্র খুলছে, যাতে তারা তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে পারে। গুয়াতেমালার গৃহযুদ্ধ থেকে বেঁচে আসা টেকু এবং তার মত লোকজন মিলে সৃষ্টি করেছেন নিউ হোপ ফাউন্ডেশন (এফএনএফ)। তাদের উদ্দেশ্য কি এই বিষয় সম্বন্ধে জানা যাবে <a href="http://fne-icb.blogspot.com/">তাদের ব্লগে [স্প্যানিশ ভাষায়] </a>:</p>
<blockquote><p>Consideramos que una buena educación para nuestros hijos es la única manera de combatir la intolerancia, construir una paz verdadera, y mejorar la calidad de vida para nuestras comunidades en las que viven en extrema pobreza tantos sobrevivientes de la violencia pasada.</p></blockquote>
<div class="translation">আমরা বিবেচনা করি আমাদের সন্তানদের কেবল মান সম্মত শিক্ষা প্রদানই আমাদের উপেক্ষার বিরুদ্ধে লড়াই করা, দেশটিতে সত্যিকারের শান্তি বয়ে আনা এবং আমাদের সম্প্রদায়ের লোকদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব, গণহত্যার ঘটনা থেকে বেঁচে যাবার পর অনেকে প্রচণ্ড দারিদ্রের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।</div>
<p>আচি সম্প্রদায়ের মধ্যে অতীতকে স্মরণ করার এরকম আরো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তারা এটি নিজস্ব সংস্কৃতির মাধ্যমে তা পালন করছে। আচি সম্প্রদায় সম্প্রতি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Rabinal">রাবিনাল</a> শহরে <a href="http://www.che.rabinal.info/centro.html">রীজ ইবো’ই সেন্টার</a> নামের এক প্রতিষ্ঠান তৈরি করছে, যেখানে লোকজন এই গণহত্যা সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবে এবং একই সাথে তারা এই মায়া সম্প্রদায়ের গৌরব ময় সংস্কৃতি ও অতীত সম্বন্ধে জানতে পারবে। কো অর্ডিনেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল একোম্পানিমেন্ট ইন গুয়াতেমালার (একুগুয়াতে) সাথে এক সাক্ষাৎকারে টেকু ব্যাখ্যা করেছেন, রাবিনালের পরিস্থিতি খুবই জটিল, যখন থেকে এই অপরাধ ঘটেছে এবং যারা এর শিকার, তারা সেই একই ছোট্ট গ্রামে জায়গা ভাগাভাগি করে বাস করছে। </p>
<p>ক্রিস্টিনা গ্রের প্রতিষ্ঠানের নাম ইয়োথ হেল্পিং ইয়োথ। তিনি তার ব্লগে <a href="http://youthhelpingyouth.blogspot.com/2009/02/rabinal.html">বলছেন কি ভাবে টেকু সেখানে আসা ভ্রমণকারীদের গ্রামের মানুষদের অবস্থা বর্ণনা করছে</a>। </p>
<blockquote><p>রোববার সকালে, প্রতিনিধি দল, উদ্বাস্তু শিবিরের বাস করা ব্যক্তি এবং উভয়ের মধ্যে যিনি সঞ্চালক হিসেবে কাজ করেছেন, তারা সবাই জেসুস টেকুর সাথে সাক্ষাৎ করেন, যিনি একজন মায়া আচি ভাষী ব্যক্তি এবং তিনি ১৯৮২ সালে সংঘটিত রিও নেগ্রো গণহত্যা থেকে বেঁচে যান। তিনি আমাদের শোনাচ্ছেন রাবিনাল এবং প্রতিবেশী সম্প্রদায়ের কিছু ইতিহাস, যা সেই সব মুহূর্তের ধারক, যেখানে সে সকল গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। এই সকল মুহূর্ত এই সম্প্রদায় ও বিদেশীদের স্মরণ করিয়ে দেয়, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের কথা, যারা এই গণহত্যাকাণ্ডে মারা গেছে এবং যখন সরকার এই বিষয়টি সকলের কাছে বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে দিতে চায়, তখন এই প্রচেষ্টা সেই বিষয়ের বিরুদ্ধে কথা বলে ওঠে।</p></blockquote>
<p>এই কাজের জন্য টেকু <a href="http://www.reebok.com/Static/global/initiatives/rights/awards/recipients/osorio.html">রিবক মানবাধিকার পুরস্কার</a> পেয়েছেন, এই প্রত্যক্ষদর্শী ভিডিওতে তিনি <a href="http://hub.witness.org/en/RightToJustice">ন্যায়বিচার অর্জনের পথে যে সমস্ত সমস্যাকে মোকাবেলা করেছেন</a> সেগুলোর কথা উল্লেখ করেন:</p>
<div>
<p style="text-align: justify;"><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="410" height="280" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="bgcolor" value="#fffff" /><param name="fullscreen" value="true" /><param name="quality" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="true" /><param name="flashvars" value="config=http://hub.witness.org/node/5101/flvmediaplayer/embedded_player" /><param name="src" value="http://hub.witness.org/flash/player.swf" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="410" height="280" src="http://hub.witness.org/flash/player.swf" flashvars="config=http://hub.witness.org/node/5101/flvmediaplayer/embedded_player" allowscriptaccess="true" quality="true" fullscreen="true" bgcolor="#fffff"></embed></object></p>
</div>
<p>টেকু এবং আচি সম্প্রদায়ের লোকের নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনা সত্বেও, সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন এখনো গুয়াতেমালা সরকারকে চাপ প্রদান করছে এই ঘটনায় যারা দোষী তাদের শাস্তি প্রদান করার জন্য, যা <a href="http://quauhtemallan.blogspot.com/">কালেকটিভো গুয়াতেমালা ব্লগে</a> প্রদর্শন করা হয়েছে। সে ঘটনায় অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাদের কাজের মধ্যে দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। </p>
<p>সম্প্রতি টেকুকে ভয় দেখানোর জন্য ফোন করা হয়েছিল। গুয়াতেমালা সলিডারিটি নেটওয়ার্কের <em>পাড ডানিয়েল</em> এই <a href="http://www.guatemalasolidarity.org.uk/?q=blogs/paddaniels">সংবাদটির কথা বর্ণনা করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বরের এক বিকেল বেলা, মানবাধিকার কর্মী জেসুস টেকু অসরিও তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে অচেনা এক নম্বর থেকে এক ফোন পান, যে ব্যক্তি তার সন্তানদের অপহরণ, অত্যাচার ও তাদের কেটে টুকরো টুকরো করার ভয় দেখায়, তার প্রত্যেকটি ছেলেকে একই অবস্থা করবে বলে সে হুমকি দেয়। উক্ত ফোন করা ব্যক্তি জানায় যে, সে জানে জেসুস কোথায় তার ছেলেমেয়ে এবং সন্তানসহ বাস করে এবং তার বড় ছেলে যে স্কুলে পড়ে সেই স্কুলের অবস্থানও সে জানে। গুয়াতেমালার অনেক মানবাধিকার কর্মীর মতো তাকেও বছরের পর বছর অনেক বার খুন করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জেসুস এইসব ভয়ে ভীত হয়নি, সে তার মানবাধিকারের কাজ চালিয়ে গেছে।</p></blockquote>
<p>গুয়াতেমালার সামাজিক পরিবর্তনের সমস্যায় এই শান্তিপূর্ণ কর্মকাণ্ড এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে এই রকম ভয় দেখানো ফোন করার কারণে এটি পরিষ্কার বোঝা যায় যে, এই ব্যাপারে আরো অনেক কাজ করতে হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/01/6666/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ওমান: টুইটারে ঈদ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/26/6531/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/26/6531/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 26 Sep 2009 05:23:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6531</guid>
		<description><![CDATA[ (ছবি এ্যালুকার্ড ১৮৭  এর সৌজন্যে) গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) ওমানে ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হল, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর একদিন পরে। এই উৎসব ঘোষণা করে রমজান মাস শেষ হয়েছে। পবিত্র মাস রমজান পানাহার বন্ধ রাখার মাস। ঈদ কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নির্ভর করে নতুন চাঁদ দেখার উপর, যার ফলে বিশ্বের সকল দেশ এবং সম্প্রদায় একই দিনে ঈদ পালন করে না। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/blue_chi/">রিয়াধ আল বালুশি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/22/oman-eid-on-twitter/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/Parade-Rehearsals1.jpg" alt="Parade-Rehearsals" title="Parade-Rehearsals" width="450" height="295" class="aligncenter size-full wp-image-6533" /><br />
(ছবি<a href="http://twitpic.com/il5ml"> <em>এ্যালুকার্ড১৮৭</em></a>-র সৌজন্যে)<br />
গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) ওমানে<a href="http://www.answers.com/Eid%20al%20Fitr"> ঈদ উল ফিতর</a> উদযাপিত হল, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর একদিন পরে। এই উৎসব ঘোষণা করে রমজান মাস শেষ হয়েছে। পবিত্র মাস <a href="http://www.answers.com/Eid%20al%20Fitr">রমজান</a> পানাহার বন্ধ রাখার মাস। ঈদ কবে অনুষ্ঠিত হবে তা নির্ভর করে নতুন চাঁদ দেখার উপর, যার ফলে বিশ্বের সকল দেশ এবং সম্প্রদায় একই দিনে ঈদ পালন করে না। </p>
<p>সুলতান শাসিত এই রাজ্যে সোয়াইন ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঈদকে অনেকখানি বিবর্ণ করে ফেলেছে। সরকার পরিচালিত টিভি ও সংবাদপত্রে জনগণকে প্রাক-সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবার আহ্বান জানিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে- যেন এই ঈদে কিছু প্রথা বাদ দেওয়া হয়, যেমন কাউকে আলিঙ্গন, চুম্বন অথবা করমর্দন করা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দেশটির মফস্বল শহরের মেয়র বা পৌরপিতাকে নির্দেশ দিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যেন জনতার সাথে সাক্ষাৎমূলক কোন অনুষ্ঠান না করে। এবার ঈদের প্রথম দিন, অন্য সব ঈদের মত ওমান টিভি সুলতান কাবুস বিন সাইদ এর ঈদ মুনাজাতে অংশগ্রহণের দৃশ্য উপস্থাপন করেনি। </p>
<p>তবে সোয়াইন ফ্লুর ভয় মানুষকে ঈদের প্রথম দিনে আনন্দ উদযাপন করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। গণ জামায়েতের বদলে কিছু এলাকায় ঈদের জমাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সেসব মসজিদে নিয়মিত নামাজ অনুষ্ঠিত হয় সে সব জায়গায়, খোলা ময়দানে যত লোক ধরে তারচেয়ে সংখ্যায় কম লোক উপস্থিত হয়।  </p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/12.png" alt="1" title="1" width="300" height="143" class="alignnone size-full wp-image-6534" /></p>
<div class="translation">ওমান মোহ এক টিভি বিজ্ঞাপন পাঠিয়েছে যা সোয়াইন ফ্লুর বিস্তার রোধে করণীয় কি, এই বিষয়ে জানাচ্ছে&#8230; আজ আমি আগের যে কোন ঈদের চেয়ে বেশি চুম্বন পেয়েছি-@ওমানইজার_মাসকাট</div>
<p>ওমানী টুইপস ঈদের প্রথম দিনের সব সংবাদ তাজা রেখেছে। <a href="http://twitter.com/omanizer_muscat/status/4146564748"><em>ওমানাইজার_মাসকাট</em> টুইট</a> করেছে যে যদিও ওমানী টিভি এই সমস্ত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করছে, এই ঈদে তিনি আগের যে কোন ঈদের চেয়ে বেশি চুম্বন উপহার পেয়েছেন!</p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/2.png" alt="2" title="2" width="300" height="151" class="alignnone size-full wp-image-6536" /></p>
<div class="translation">কি এক দিন, যে রেস্তরাঁয় আমি প্রবেশ করি অথবা কোন কফি শপে, আমরা কোন ফাঁকা টেবিল পাইনি, ঈদের দিনে লোকজন প্রচুর খানাপিনা করছে @ এ্যালুকার্ড১৮৭</div>
<p>ঈদের দিনে বেশিরভাগ লোক মনে হচ্ছে কোন ভয়ভীতি ছাড়াই বাহির হয়েছে এবং সবার সাথে মিশেছে, যেমনটা <a href="http://twitter.com/Alucard187/statuses/4155903316"><em>এ্যালুকার্ড ১৮৭ </em>টু্‌ইট করেছে</a>, ঈদের প্রথম দিনে মাসকটের সকল রেস্তরাঁর সকল টেবিল মানুষে পূর্ণ ছিল। <a href="http://twitter.com/otheroman/status/4146221179"><em>আদারওমানও</em> টুইট করেছে</a>, ঐতিহ্যবাহী সোউক মাথ্রায় মনে হচ্ছিল হাজার লোকের ভীড়ে এর খাড়ির পাড়ের একপাশ ঝুলে যাবে।</p>
<p><em>মাকরানি</em> ঈদে <a href="http://twitter.com/Makorani/status/4145267541">যে সমস্ত মজার কথা শুনেছে সেগুলো আমাদের তুলে দিচ্ছে</a>। <em>ফাতমানুর</em> ঐতিহ্যবাহী ওমানী খাদ্য “শিওয়ার”-ছবি আমাদের দেখাচ্ছেন। এই ছবি ঘরে তৈরি &#8220;শিওয়া&#8221;-এর ছবি। এই খাবার মাংস দিয়ে তৈরি হয়। এদিকে <em>এ্যালুকার্ড১৮৭ </em>এক প্রকৃতি জিনিসের ছবি প্রদর্শন করছেন যা <a href="http://twitpic.com/ikjt3">মাটি থেকে তুলে আনা হয়েছে</a> এবং <a href="http://twitpic.com/ikljh">মোড়ানো ছাড়াই</a> উঠিয়ে আনা হয়, এবং তারপর <a href="http://twitpic.com/ikmbh">তাকে খাবার উপযোগী করা হয়েছে</a>। একটি পুরো গ্রাম শিওয়া রান্নায় অংশ গ্রহণ করে। এই প্রক্রিয়ায়, মাটি খুঁড়ে বানানো বিশেষ এক চুলায় আস্ত একটা গুরু বা ছাগল তিন দিন ধরে ঝলসানো হয়। </p>
<p>রমজানের শেষে ওমানে তিন দিন ধরে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/26/6531/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>থাইল্যান্ড: সেনা অভ্যুত্থানের তিন বছর পর</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/23/6441/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/23/6441/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 23 Sep 2009 12:56:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6441</guid>
		<description><![CDATA[ ১৯ সেপ্টেম্বর দিনটিকে থাইল্যান্ডে সেনা অভ্যুত্থানের তৃতীয় বার্ষিকী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।  এই ঘটনায় থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনওয়াত্রাকে তার পদ থেকে অপসারিত করা হয় এবং বর্তমানে তিনি নির্বাসনে রয়েছেন। ব্লগাররা অভ্যুত্থানের তৃতীয় বার্ষিকীকে স্মরণ করছে।    ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/markpeak/">মার্কপিক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/21/thailand-three-years-after-the-2006-coup/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক সেনা অভ্যুত্থান ঘটে ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, এই ঘটনায় থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনওয়াত্রাকে তার পদ থেকে অপসারিত করা হয় এবং তাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়। ঘটনার তিন বছর পরও দেশটি অস্থির অবস্থায় রয়েছে। </p>
<p>সুরনন্দ ভেজ্জাজিবা, যিনি থাকসিনের মন্ত্রীসভার একজন সদস্য ছিলেন, এখন রাজনীতিবিদ থেকে প্রচার মাধ্যম বিশ্লেষকে পরিণত হয়েছেন। তিনি ব্যাংকক পোস্টে এক কৌতূহল জনক প্রবন্ধ লিখেছেন যার নাম: “<a href="http://www.bangkokpost.com/opinion/opinion/24044/three-years-down-the-road-thailand-is-at-a-crossroads">তিন বছর ধরে রাস্তায় থাকা থাইল্যান্ড, মোড় পরিবর্তন করছে</a>”।</p>
<p>থাকসিনের পরিকল্পনার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি অন্য যে সমস্ত নেতা সামরিক অভ্যুত্থানকারীর দ্বারা অপসারিত হয়েছে তাদের তুলনায় ভিন্ন:</p>
<blockquote><p>তিন বছর পরেও ক্ষমতা থেকে অপসারিত ও পলাতক থাকসিন ক্ষমতাসীনদের জন্য এক হুমকি স্বরূপ। তার যুদ্ধাংদেহি মনোভাবের একটি কারণ, থাকসিনের ক্ষমতার ভিত্তি অন্যদের মতো নয়। </p>
<p>তার প্রভাব কোন ক্ষমতাশালী সামাজিক প্রতিষ্ঠান থেকে আসে নি অথবা এর সাথে সংঘর্ষের মাধ্যমে অর্জিত হয় নি, যদিও সে মোবাইল ফোন কোম্পানী ও সরকারের স্যাটেলাইট যোগাযোগ থেকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছে।</p>
<p>তার ব্যবসা আধুনিক, ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি নতুন। স্টক র্মাকেটের মাধ্যমে সে যে কোন ব্যবসায়ীর চেয়ে অনেক বিশাল পরিমাণে এবং দ্রুত গতিতে প্রচুর অর্থ সংগ্রহ করেছিল। </p>
<p>এবং থাকসিনের ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, যার মাধ্যমে সে ব্যবসা ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রে এক সংগঠন গড়ে তুলে, যা তার একান্ত নিজের।</p>
<p>সম্পদ এবং ক্ষমতার সমন্বয়ে সে সরকারের আমলাতন্ত্রের মধ্যে এক প্রভাব বিস্তার করে বসে, এদের অনেকেই এখনো তাকে সমর্থন করে, যদিও অভ্যুত্থানের নেতারা এবং বর্তমান সরকার তার এই ব্যাপক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেবার চেষ্টা করে আসছে।</p></blockquote>
<p>সুরনন্দ আরো দু&#39;টি বিষয়ের কথা উদ্ধৃত করেন যেগুলো থাকসিনকে সমর্থন করার পেছনে কাজ করছে: দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের পতন এবং থাই আমলাতন্ত্র জনগণের চাহিদা বুঝতে অক্ষম ছিল।</p>
<p>সুরনন্দ সংক্ষেপে বলছেন, এটা থাকসিন এবং থাকসিন বিরোধী শক্তি (সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার) উভয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের সমস্যা দুর করার কঠিন। যে এই সমস্য দুর করতে পারবে সে আগামী দশকে থাইল্যান্ডকে পরিচালিত করতে পারবে।</p>
<blockquote><p>অবশ্যই থাকসিনের ত্রুটি রয়েছে, এবং এখন সে ক্ষমতা অপব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে যে অপব্যবহার সে করেছে। রাজনৈতিক পণ্ডিতের একমত যে যদিও সে আক্রমণাত্বক ভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে, কিন্তু তারপরেও ক্ষমতায় ফিরে আসা তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে- তার ঘরে ফিরে আসাও- এ  ক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখতে হবে যে অসংখ্য শত্রু সে সৃষ্টি করেছে তাদের কথা।</p>
<p>একই সময় যে শাসকেরা তার বদলে ক্ষমতায় এসেছে, অন্তর্বতীকালীন নির্বাচন ছাড়াই আসা জেনারেল সুরায়ুদ ও বর্তমান গণতন্ত্র মনা যৌথ সরকার, উভয়ে সাধারণ নির্বাচনে থাকসিনকে হারাতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে তাদের গণতান্ত্রিক বৈধতা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দাঁড়ায়, তারা বর্তমান অর্থনৈতিক সমস্যাকে মোকাবিলা করতে পারে নি ও তাদের সরকার চালানোও প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে দাঁড়ায়- যা বর্তমানের  এক প্রতিচ্ছবি এবং এখনো নতুন পুলিশ প্রধানকে বেছে নেবার বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।</p></blockquote>
<p>এ বিষয়ে আরো পড়তে চাইলে, <a href="http://twitter.com/suranand">টুইটারে</a> সুরনন্দকে দেখতে পারেন।</p>
<p>অনেক ব্লগ রয়েছে যারা ১৯ সেপ্টেম্বরে ঘটা অভ্যুত্থান বার্ষিকীর কথা উল্লেখ করেছে। এর কিছু উদাহরণ:</p>
<p><a href="http://www.oknation.net/blog/petpetpe/2009/09/19/entry-1">নাডোও</a> একজন সিটিজেন সাংবাদিক, তিনি জেনারেল সুনথি বুনইরাটগ্লিন এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। তিনি ২০০৬ সালে সংঘটিত অভ্যুত্থানের নেতা। সুনথি বলেন, ২০০৬ সালে তার পরিকল্পনা ছিল ক্ষমতা থেকে কেবল একজন মানুষকে অপসারণ করা, তার নাম থাকসিন। সে সমস্যার সৃষ্টি করছিল এবং বিশ্বাস করা হত যে তার পর দেশটি এক হয়ে থাকবে। সে সময় তার করা এই কাজটি সঠিক ছিল বলে তিনি মনে করেন এবং পরবর্তী ব্যর্থতার জন্য তিনি দেশটির আমলাতান্ত্রিক সরকারের (যাকে তিনি নিজে নিয়োগ দিয়েছিলেন) আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী বলে মনে করেন। </p>
<p>থাকসিন বিরোধী এক পোস্ট এসেছে: <a href="http://www.oknation.net/blog/newgeneration/2009/09/16/entry-1"><em>নিউজেনারেশন</em></a> থাকসিনের শাসনামলে যে সমস্ত সমস্যা দেখা দিয়েছিল সেগুলো তুলে ধরেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/23/6441/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
