<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; সরকার</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/governance/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ভারত: মুম্বাই জঙ্গী হামলা সম্পর্কে বিস্মৃত হওয়া</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7721</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ভারতের প্রবীন সাংবাদিক এবং লেখক এম জে আকবর মনে করেন যে গত বছর মুম্বাই জঙ্গী হামলার পেছনের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছে ভারত। তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে &#8220;বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া আরেকটি এরকম হামলা ডেকে আনবে।&#8221;
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/23/india-wither-the-thoughts-of-mumbai-attack/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভারতের প্রবীন সাংবাদিক এবং লেখক <em>এম জে আকবর</em> <a href="http://mjakbarblog.blogspot.com/2009/11/terror-threat-we-have-lost-plot.html">মনে করেন</a> যে গত বছর মুম্বাই জঙ্গী হামলার পেছনের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছে ভারত। তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে &#8220;বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া আরেকটি এরকম হামলা ডেকে আনবে।&#8221;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেনমার্ক: দেশত্যাগ করার জন্য অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করা হবে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 11:25:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ডেনমার্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ড্যানিশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7588</guid>
		<description><![CDATA[ডেনমার্কে বাস করা পাশ্চাত্যের নয় এমন দেশের অভিবাসীরা যদি সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০ ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার ) প্রদান করা হবে। ফেসবুকের এক দল, এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে এবং তারা ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করার অভিযানে নেমেছে। এই তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য, দেশটির অভিবাসী বিরোধী দলের নেত্রীকে এই পরিমাণ টাকা প্রদান করা, যাতে সে ডেনমার্ক ছেড়ে যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/solana-larsen/">সোলানা লারসেন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/denmark-immigrants-offered-money-to-leave-the-country/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ডেনমার্কে বাস করা <a href="http://www.dailymail.co.uk/news/worldnews/article-1226698/Denmark-pay-immigrants-12-000-home-wont-assimilate.html?ITO=1490">পাশ্চাত্যের নয়, এমন দেশের অভিবাসীদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে </a> যে যদি তারা সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০  ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার) প্রদান করা হবে। এটা অভিবাসী বিরোধী ড্যানিশ পিপলস পার্টির অনেকগুলো চমৎকার(!) চিন্তার মধ্যে একটি, যার উদ্দেশ্য বিদেশী নাগরিক-বিশেষ করে মুসলিমরা যেন এই দেশে এসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Denmark">ইউরোপের এই ছোট্ট দেশে ৫৫ লক্ষ লোকের বাস </a>। </p>
<p>ডেনামর্কে যে দু&#39;টি রাজনৈতিক দল যৌথভাবে সরকার পরিচালনা করছে, তার এক অংশীদার ড্যানিশ পিপলস পার্টি যেটি চিন্তায় ডানপন্থী। এই দলটি অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করবে যদি অভিবাসীরা এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। তারা ভাবছে এর ফলে ডেনমার্কের <a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem">সমাজ কল্যাণ খাতের টাকা বেঁচে যাবে এবং দেশটি ভবিষ্যৎে লম্বা সময়ের জন্য নানাবিধ সমস্যা থেকে বেঁচে যাবে </a>[ড্যানিশ  ভাষায়]। মন্দ অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নেবার কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়, এই কথাগুলো বলেন দলটির অর্থনৈতিক বিষয়ক মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান থুয়ালসেন ঢাল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে তহবিল তৈরি করা হয়েছে, যারা অভিবাসীদের দেশ ত্যাগ করার জন্য উৎসাহিত করবে। তবে সরকার এখনো হিসেব কষে বের করতে সক্ষম হয় নি, কতজন লোক এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে।  </p>
<p>ডেনমার্কের মোট<a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem"> জনসংখ্যার শতকরা ১০ শতাংশ</a> লোক অভিবাসী বা অভিবাসী বংশদ্ভুত নাগরিক। এদের মধ্যে যেমন প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অভিবাসীও রয়েছে, তেমনি সারা বিশ্ব থেকে আসা নানা ধরনের অভিবাসীরাও রয়েছে। অনেক বছর দেশটির রাজনৈতিক ও প্রচার মাধ্যমের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম ও অপাশ্চাত্যের অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে সংযুক্ত করা এবং উভয়ের সংস্কৃতির সংঘাত থেকে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা উপলব্ধি করা। ইউরোপের সকল দেশের মধ্যে ডেনমার্কের রাজনীতিবীদরা অভিবাসন সংক্রান্ত সবচেয়ে কঠিন আইন তৈরি করেছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় এ দেশে আসতে হলে অনেক বেশি নম্বর অর্জন করতে হয়।  </p>
<p><strong>দেশ ছেড়ে চলে যাবার জন্য কত টাকা প্রদান করা হবে?</strong><br />
<img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/facebook-page-screenshot-300x262.png" alt="facebook-page-screenshot-300x262" title="facebook-page-screenshot-300x262" width="300" height="262" class="alignright size-full wp-image-7589" />এই আইনের প্রতিউত্তরে, <a href="http://www.facebook.com/group.php?v=wall&#038;ref=search&#038;gid=191919317436">বিদ্রূপাত্মক একটি দল ফেসবুকে</a> [ডেনিশ ভাষায়] এর প্রতিবাদ করেছে। তারা ড্যানিশ পিপলস পার্টির প্রধান পিয়া কেয়াসাগার্ডকে প্রদান করার জন্য ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করছে, যাতে সে এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। </p>
<p>এই দলে ১৬,০০০ সদস্য রয়েছে এবং এর ট্যাগলাইন বা মূল মনোভাব প্রকাশের স্থানে লেখা রয়েছে, প্রিয় বন্ধুরা ১০০,০০০ ক্রোনার যোগাড় হলেই এই নেত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাবে। এই দলের সৃষ্টিকর্তারা দলে কিছু অতিরিক্ত টাকা সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মিনিস্ট্রি অফ ইন্টিগ্রেশন বিষয়ক মন্ত্রী ব্রিথ রন হর্নবেককে প্রদান করা হবে, যিনি সরকার পরিচালনা করা লিবারেল পার্টির সদস্যা। বাড়তি এই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্য, চাইলে তিনিও দেশ ত্যাগ করতে পারেন। </p>
<p>ফেসবুকের পাতায় এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদল ব্যঙ্গক্তিপূর্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করছে, দেশ থেকে কাকে লাথি মেরে বের করে দেওয়া হবে, অথবা মন্ত্রীদ্বয়কে নিয়ে এর বাইরে আর কি করা যেতে পারে। অন্যদিকে আরেক দল এর প্রতি উত্তর দিচ্ছে এভাবে যে, ড্যানিশ সরকার ডেনমার্কে বাস করা অসুখী অভিবাসীদের যে ভদ্রোচিত প্রস্তাব দিয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো উচিত এবং তাদের এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। এই নিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তার সাথে একজন মন্তব্যকারী একমত নন এবং তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কয়েক বছর আগে এ রকম একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে সময় যে অর্থ প্রদান করার কথা বলা হয়েছিল তা এর চেয়ে দশগুণ কম ছিল। </p>
<p>ফেসবুকে <em>ডান করনালি ইয়োরগেনসেন</em> মন্তব্য করেছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Jeg har måske misforstået konceptet?<br />
Drejer det sig ikke om et lovforslag som giver ikke-integrerbare udlændige mulighed for at sige ja-tak, til en check på 100.000 kr. mod tilsagn om frivilligt at rejse hjem til deres oprindelsesland? Umidelbart virker det storsindet og absolut humanistisk, da vi må formode at 100.000… kr. er en anseelig formue i det pågældende land, og nok til at starte en anstændig tilværelse i det land som de tilsyneladende har så stærk tilknytning til…</p></blockquote>
<div class="translation">আমি কি বিষয়টি উপলব্ধি করতে ভুল করছি?<br />
এটা কি সেই আইন যা, এ দেশের সমাজের সাথে মিশতে অক্ষম বিদেশীকে স্বেচ্ছায় তার নিজের দেশে ফিরে যাবার ক্ষেত্রে হ্যাঁ বলার শর্তে  ১০০,০০০ ক্রোনার প্রদান করার কথা বলে, যাতে যে দেশের সাথে অভিবাসীর নাড়ীর বন্ধন সেই দেশে স্বেচ্ছায় ফিরে যায়? এটা মনে হচ্ছে মহানুভব ও মানবিক কাজ, যখন আমরা হিসেব করি ১০০,০০০ ক্রোনারের কথা। এই পরিমাণ টাকা পাওয়া অভিবাসী নাগরিকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সৌভাগ্যের এবং যে দেশের সাথে তার বন্ধন জড়িয়ে রয়েছে সেখানে এই পরিমাণ অর্থ পরিমাণে অনেক&#8230;&#8230;</div>
<p><strong>দু মাসের বেশী সময় ধরে দেশের বাইরে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে অবসরভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা কর্তৃপক্ষকে সে সম্বন্ধে তথ্য জানাবে:</strong></p>
<p>ড্যানিশ পিপলস পার্টি এ মাসে অরেকটি আইন তৈরির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এই আইনে ডেনমার্কের একজন <a href="http://www.berlingske.dk/politik/meldepligt-til-alle-pensionister">অবসরভাতা প্রাপ্ত ও সময়ের পূর্বে অবসর নেওয়া ব্যক্তি </a>দুই মাসের বেশি সময় ডেনমার্ক ছেড়ে কোথাও যাবার পরিকল্পনা করলে তাকে অবশ্যই বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে [ড্যানিশ ভাষায়]। দৃশ্যত:, এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, যারা ডেনমার্কের অবসরভাতা গ্রহণ করে এবং একই সময়ে অন্য দেশে টাকা আয় করতে যায়, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের আটকানো। বলা যেতে পারে, ডেনমার্কে বাস করা ইরাকীদের এ ধরনের কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আইন। এর সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সামিয়া আজিজ মোহাম্মদ। তিনি একজন ইরাকী-ড্যানিশ রাজনীতিবীদ। দেখা গেছে যে সময়ে তিনি ডেনমার্ক থেকে অবসরভাতা গ্রহণ করছেন, একই সময়ে তিনি ইরাকী সরকারে সংসদ সদস্যা হিসেবে বেশ ভালো বেতন নিচ্ছেন। এ ঘটনা জানাজানি হবার পর সামিয়া অবশ্য ড্যানিশ সরকারকে তার অবসরভাতা <a href="http://politiken.dk/indland/article812531.ece"> ফেরত দিয়েছেন</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। ডেনমার্কের সংবাদপত্র আবিষ্কার করেছে যে এ রকম আরেকজন <a href="http://politiken.dk/indland/article761845.ece">অবসরভাতা প্রাপ্ত </a> ব্যক্তি কুর্দী সংসদ থেকে বেশ ভালো টাকা বেতন পান। </p>
<p>ডেনমার্কের সংসদের দু&#39;টি দল লিবারেল ও ড্যানিশ পিপলস পার্টি উভয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেছে যে, নতুন নিয়মে ভ্রমণের ব্যাপারে যে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, তাতে ভুয়া উদ্বাস্তুদের ছুটির সময়ে ভ্রমণ করা বন্ধ হয়ে যাবে। এই সমস্ত উদ্বাস্তুরা ছুটির সময় নিজের দেশে বেড়াতে যায় এবং একই সাথে তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হতে যায় । তারা স্বদেশী পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হবার জন্য ডেনমার্কের বাইরে অনেক লম্বা সময় কাটায়। </p>
<p>ঘটনা হচ্ছে ডেনমার্কের সকল অবসরভাতা ভোগীদের উইল বা দলিল এতে সন্দেহের তালিকায় চলে আসবে, যা ডেনমার্কের বয়স্কব্যক্তিদের জন্য তৈরি করা সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান ডেনএজের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তারা এ কারণে তাদের <a href="http://www.kristeligt-dagblad.dk/artikel/345067:Danmark--Pensionister-raser-over-ny-meldepligt">রাগ প্রকাশ করেছে </a>[ড্যানিশ ভাষায়]। অনেকে <a href="http://debat.bt.dk/index.php?id=1&#038;view=single_thread&#038;cat_uid=3&#038;conf_uid=65&#038;thread_uid=23198&#038;page=1">সংবাদপত্রের নিবন্ধে মন্তব্য করেছে</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। মন্তব্যে অনেকে সরকারের প্রতারণা বন্ধ করার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন, অনেকে আবার অতীতে পূর্ব জার্মানীর আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সাথে ডেনমার্কের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির তুলনা করেছেন।</p>
<p><a href="http://sitestory.dk/wordpress/2009/11/08/pensionisters-meldepligt-er-chikane-og-tom-signalpolitik/"><em>ডিট্টে অগ হিন্ট</em> ব্লগে এরিক বেন্টজেন</a> নামের এক ব্লগার নামক বলছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Enhver kan sige sig selv, at meldepligten ikke dæmmer op for noget som helst, da den ikke indebærer nogen form for effektiv kontrol.<br />
Det er ren chikane og tom signalpolitik, som øger kommunernes administrative arbejde til ingen verdens nytte.<br />
Reglen er så amøbeintelligent, at den forhåbentlig giver bagslag, næste gang pensionisterne skal til stemmeurnerne.</p></blockquote>
<div class="translation">যে কেউ  উপলব্ধি করতে পারে যে, নতুন নিয়ম কোন ধরনের প্রতারণাকে ঠেকাতে সক্ষম হবে না, কারণ এটি কোন কার্যকর নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত নয়। </p>
<p>এই আইন পরিষ্কারভাবে এক হয়রানি মূলক আইন এবং প্রতীকী এক শূন্যগর্ভ রাজনীতি, যা স্থানীয় সরকারের কর্মচারীদের কোন প্রয়োজন ছাড়াই কাজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবে। </p>
<p>এই নীতি এতটাই প্রাচীন এক বুদ্ধিমত্তার বহি:প্রকাশ যে, আশা করা যায় পরবর্তী সময়ে অবসর ভোগীরা তাদের বিপক্ষে ভোট প্রদান করবে।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শ্রীলন্কা: সেনানায়কের পদত্যাগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:21:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[তাজা খবর]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রীলন্কা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7580</guid>
		<description><![CDATA[শ্রীলন্কার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল শরথ ফনসেকা আজ তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং এ ধারণা করা হচ্ছে যে নতুন গঠিত বিরোধী জোটের হয়ে তিনি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়বেন। শ্রীলন্কার ব্লগাররা এই পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছেন।   ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/sri-lanka-the-general-resigns/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইন্দোনেশিয়া: দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা লড়ছে তাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 13 Nov 2009 10:10:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্দোনেশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাহাসা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7508</guid>
		<description><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার নেট নাগরিকরা দেশটির দুর্নীতি দমন প্রতিষ্ঠানের দুজন কর্মকর্তার মুক্তি চাচ্ছেন যাদের তথাকথিত ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক নাগরিকদের কাছেই এই দুই ব্যক্তি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির লড়াইয়ের প্রতিভূ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/carolina-rumuat/">ক্যারোলিনা রুমুয়াত</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/indonesia-criminalizing-the-graft-fighters/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার দুর্নীতি নির্মূল কমিটি (কেপিকে) এর দুইজন কমিশনার <em>চান্দ্রা এম. হামজা</em> আর <em>বিবিত সামাদ রিয়ান্তো</em>কে ক্ষমতার অপব্যবহার আর ঘুষ গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
<p>কেপিকে কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের পরে, <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/10/30/sby-speaks-orders-opening-controversial-records.html">প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো</a> বলেছেন যে এই গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্য কিছু না আর তিনি জাতীয় পুলিশ (পলরি) এর কাজে কোন হস্তক্ষেপ করবেন না।</p>
<p><a href="http://politikana.com/baca/2009/10/29/bibit-dan-chandra-ditahan-polri">পলিটিকানাতে</a> <a href="http://politikana.com/profil/yusro.html">ইয়োস্রো</a> একটি প্রতিবেদন লিখেছেন যেখানে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের উপপ্রধান <em>ইন্সপেক্টর জেনারেল দিকদিক মুলিয়ানা আরিফ মন্সুর</em> কর্তৃক উত্থাপিত একটা অদ্ভুত তর্ক তুলে ধরা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Alasan penahanan antara lain karena ancaman hukuman atas pelanggaran hukum kedua petinggi KPK nonaktif itu di atas 5 tahun selain itu, ya, klasik. Polri khawatir, Bibit dan Chandra akan melarikan diri, menghilangkan barang bukti, dan mengulangi tindak pidana yang sama, sebagaimana tercantum dalam KUHAP.</p>
<p>    Tapi yang lebih mengejutkan, adalah alasan lainnya yaitu: Bibit dan Chandra bisa jumpa pers. “Setidak-tidaknya faktanya sekarang kami kesulitan karena sudah dihakimi dengan cerita-cerita dan tuduhan kriminalisasi. Tersangka bisa jumpa pers, itu indikasi dia bisa mempengaruhi opini,” ujar Dikdik.</p></blockquote>
<div class="translation">তাদের গ্রেপ্তারের অন্যতম কারণ হচ্ছে যে এই দুইজন বরখাস্তকৃত কেপিকে কমিশনার ৫ বছরের বেশী জেলের মেয়াদ পেতে পারেন, আর বাকি সব অদ্ভুত - জাতীয় পুলিশ চিন্তিত ছিল যে বিবিত আর চান্দ্রা পালিয়ে যাবেন, প্রমাণ সরিয়ে ফেলবেন, আর একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবেন। </p>
<p>তবে আরো বিস্ময়কর বাহানা ছিল: (তারা যদি মুক্ত হন) বিবিত আর চান্দ্রা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। “আমারা আসলে (জনগণের) গুজব আর দোষারোপে শিকার। এই সন্দেহভাজনরা সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন, যার মানে তারা জনগণের মতের উপরে আরও প্রভাব ফেলতে পারেন,” বলেছেন দিকদিক।</p></div>
<p>বিবিত-চান্দ্রার গ্রেপ্তারের ক্রমানুযায়ী ঘটনাবলী <a href="http://pesatnews.com/2009/10/30/nasional/inilah-kronologis-penahanan-bibit-chandra/">পেসাতনিউজ.কমে</a> তুলে ধরা হয়েছে। এটি ধারণা দেয় যে এই দুই অকার্যকর কমিশনারকে ফাঁসানো হয়েছিল কারণ তারা একটা তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন যেখানে পলরির বড় কেউ জড়িত থাকতে পারেন।</p>
<blockquote><p>    23 JuniI 2009<br />
    KPK menyatakan Direktur PT Masaro Radiokom Anggoro Widjojo ditetapkan sebagai tersangka korupsi pengadaan alat komunikasi terpadu Departemen Kehutanan pada 2007.</p>
<p>    30 Juni 2009<br />
    Kepala Badan Reserse Kriminal Kepolisian RI Susno Duadji, yang sedang menangani kasus Bank Century, menyatakan teleponnya disadap. Belakangan, KPK mengatakan memang sedang menyelidiki dugaan suap kepada petinggi kepolisian berinisial SD dalam kaitan dengan kasus Bank Century.</p>
<p>    10 Juli 2009<br />
    Susno menemui Anggoro, yang jadi buron KPK, di Singapura.</p></blockquote>
<div class="translation"><strong>২৩ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>কেপিকে ঘোষণা করেন মাসারো রেডিওকম লিমিটেড এর পরিচালক আঙ্গরো উদজোজোকে সন্দেহভাজন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে কারণ ২০০৭ সালে বন মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সময়ে দুর্নীতিতে তার হাত ছিল।</p>
<p><strong>৩০ জুন ২০০৯</strong></p>
<p>ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পুলিশের ক্রিমিনাল ডিভিশনের প্রধান রুসনো দুয়াদজি, যিনি সেই সময়ে সেঞ্চুরি ব্যাঙ্কের তদন্ত করছিলেন, দাবি করেন যে তার ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে। পরে কেপিকে স্বীকার করেন যে তারা জাতীয় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ (যার আধ্যাক্ষর এসডি) কর্মকর্তার ঘুষের তদন্ত করছেন, যিনি সেঞ্চুরির কেসের সাথে যুক্ত।</p>
<p><strong>১০ জুলাই ২০০৯</strong></p>
<p>রুসনো আঙ্গরোর সাথে সিঙ্গাপুরে দেখা করেন, যিনি ইতিমধ্যে কেপিকের সন্দেহ ভাজন।</p></div>
<p>অনেক ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তার কাছে কেপিকে শক্তিশালী একটা সংস্থা যেটা সনাতন পদ্ধতির ধারা পাল্টাতে পারে। উচ্চ আশা আছে যে কেপিকে প্রধান সমাধান হতে পারে নিয়মতান্ত্রিক দুর্নীতি নির্মূলের।</p>
<p><em>রব বায়তোন</em>, যিনি <a href="http://therabexperience.blogspot.com/search/label/KPK">র‌্যাব এক্সপিরিয়েন্সে</a> ব্লগ করেন, বলেছেন যে ঘটনা যত উন্মুক্ত হচ্ছে তত প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্তটি বেশ অদ্ভুত দেখাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>এই তথ্য যে সুশিলো বামব্যাং ইয়োধোইয়োনো বা এসবিওয়াই, একটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন জানাতে যে তিনি এই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করবেন না। অদ্ভুত কারণ ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজেকে চাপিয়ে দিয়েছেন যখন তিনি অন্তর্বর্তী কালীন আইন পাশ করেন কেপিকেতে তিনজন নতুন (যদিও সাময়িক) কমিশন নিয়োগের জন্য। তাই তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না শুনতে অদ্ভুত লাগে।</p></blockquote>
<p>গ্রেপ্তারের কয়েক দিন আগে দুর্নীতির সন্দেহভাজনরা আর অন্যান্য অজ্ঞাত লোকের মধ্যে আড়িপাতা একটা ফোনের কথোপকথনের লিখিত ভাষ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট আর দুইজন প্রথম স্তরের কর্মকর্তার নাম আসে। ফোনের কথাবার্তায় মনে হচ্ছিল যে গ্রেপ্তারটা সাজানো হয়েছে আর কেপিকেকে বন্ধ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে দুর্নীতি দমন সংস্থা হিসাবে।</p>
<p>বাইতোন ব্যাখ্যা করেছেন:</p>
<blockquote><p>প্রেসিডেন্টও কষ্টে আছেন একটা ভাষ্যের জন্য যেটা তথাকথিত আড়িপাতা ফোনের কথাবার্তা যেখানে তুলে ধরা হয়েছে যে পুলিশ আর অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস ষড়যন্ত্র করেছেন চান্দ্রা আর বিবিতকে ফাঁসানোর। কেন তিনি কষ্ট পাচ্ছেন? হয়তো এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তিনি জানেন বলে তার নাম এসেছে তাই।</p>
<p>যদিও প্রেসিডেন্ট বলেছেন এই প্রক্রিয়াতে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না, তিনি তারপরেও পুলিশ প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন এই ট্যাপ যে করেছেন তাকে খুঁজে বিচারের মুখোমুখি করার। মনে হচ্ছে যেন ঘোড়া পালিয়ে যাওয়ার পরে আস্তাবলের দরজা বন্ধ করার মতো ঘটনা। কিন্তু জনাব প্রেসিডেন্ট, এই ঘটনা পরিষ্কার করার সময় হয়েছে, তাই নয় কি?</p></blockquote>
<p>সমাপ্তিতে বাইতোন তুলে ধরেছেন যে ইয়োধোইয়োনোর ভবিষ্যৎ কি হতে পারে:</p>
<blockquote><p>পরিশেষে, এই দৃর্বৃত্তরা এসবিওয়াই এর সুনাম খোয়াবেন। তাকে মনে রাখা হবে সেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে যিনি দুর্নীতি বিরোধী ভালো একটা খেলা নিয়ে কথা বলেছিলেন কিন্তু কখনো ফল প্রদান করতে পারেন নি। আসলে তাকে মনে রাখা হবে ইন্দোনেশিয়াতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামের খুব কম কয়েকটা সফলতার ঘটনার শেষ করাতে নেতৃত্ব দানের জন্য।</p></blockquote>
<p>তার পরের রবিবার, কেপিকের পরিস্থিতি আর বিকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়োধোইয়োনো চারজন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ করেছিলেন, একজন ইন্দোনেশিয়ার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল থেকে আর বাকীরা বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর।</p>
<p>জাকার্তায় থাকা একজন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট বিশেষজ্ঞ ব্রেট ম্যাকগুয়ের ভাবছেন যে প্রেসিডেন্ট কেন এই চারজন বিশেষজ্ঞের সাথে আলাপ করলেন সাংবিধানিক আদালত বা প্রশাসনিক আদালতে পরামর্শ না করে, আর তিনি <a href="http://spruiked.posterous.com/update-president-considers-kpks-options-and-h">স্প্রুইকড</a> এ ব্লগ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই কথা যে প্রেসিডেন্ট তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ করেছেন এটাই অনেক কিছু বলে দেয়। এটাই দেখিয়ে দেয় এই পরিস্থিতিকে তিনি কতটা জটিল মনে করছেন।</p>
<p>একটা আইনগত- সাংবিধানিক কারণ থাকতে পারে যে প্রেসিডেন্ট কেন বিচার বিভাগের সাথে কথা বলেন নি (ধরে নিয়ে যে তিনি বলেন নি)।</p>
<p>সাংবিধানিক আদালত প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করতে সময়ের অপব্যয় করেনি তার খারাপ- পরামর্শের কাজের জন্য, বিশেষ করে অদ্ভুত পিইআরপিইউর জন্য। প্রেসিডেন্টের সংবেদনশীলতার কথা চিন্তা করে (মনে আছে তিনি বলেছিলেন যে তিনি ‘ভীষণ আহত’ হয়েছিলেন), এমন হতে পারে যে প্রেসিডেন্ট তার ব্যক্তিগত ব্যপারের বাইরে দেখতে পারেন না।</p></blockquote>
<p>ম্যাকগুয়ের বলেছেন যে কেপিকে সেই প্রতিষ্ঠান যারা ইয়োধোইয়োনোকে দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতি পদে জিততে সাহায্য করেছে। এটা তার দায়িত্ব দেখার যে এটা যেন ভেঙ্গে না পরে:</p>
<blockquote><p>এটা থেকে আমরা কি শিখতে পারি? প্রেসিডেন্ট আর বসে থেকে ঘটনা ঘটতে দিতে পারেন না- যখন এগুলো জাতীয় গুরুত্বের, আর অবশ্যই না যখন এটা তার বিশ্বাসযোগ্যতার উপরে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তিনি কেপিকের জন্য নির্বাচনে জিতেছেন। তিনি লজ্জাহীনভাবে তাদের সফলতার লেজ ধরে এগিয়েছেন। তাদেরকে নিরাপদে তাকে রাখতেই হবে।</p>
<p>তিনি যে মানুষরা তাকে নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি দায়বদ্ধ।</p></blockquote>
<p>উদ্বিগ্ন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা অনলাইন আর অফলাইনে কেপিকের সদস্যদের সমর্থন জানাচ্ছেন।</p>
<p>৪০০,৩৮০ এর বেশী ফেসবুক ব্যবহারকারী <a href="http://www.facebook.com/posted.php?id=169178211590&#038;share_id=160905472433&#038;comments=1#/group.php?gid=169178211590">একটা দলে যোগদান করেছেন</a> যার নাম  চান্দ্রা হামজাহ আর বিবিত সামাদ রিয়ান্তোর সমর্থনে ১০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী।</p>
<p>টুইটার ব্যবহারকারীরা হ্যাশট্যাগ #dukungkpk (#ডুকুংকেপিকে) বা &#8216;সাপোর্ট কেপিকে&#39; ব্যবহার করছেন তাদের সমর্থন দেখানো আর মতামত জানাতে।</p>
<p>অফলাইনে একদল লোক কালো শার্ট প্রচারণা শুরু করেছেন। গত সোমবার, ইন্দোনেশীয়াবাসীকে উদ্বুদ্ধ করা হয় <a href="http://kabarnet.wordpress.com/2009/11/02/mari-pakai-pita-hitam-untuk-bibit-chandra/">কালো ফিতা পরার জন্য</a> যা সত্য আর বিচারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের প্রতীকী প্রকাশ - আর যে দুইজন মানুষ জাতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিভূ তাদের মুক্তির প্রতি সমর্থন।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়াতে, দুর্নীতিকে ভয়ঙ্কর একটা চক্র হিসেবে দেখা হয় যা অর্থনীতির ক্ষতি করছে আর বিচার ব্যবস্থা যেমন পুলিশ আর আদালতে মানুষের বিশ্বাসে ঘুণ ধরিয়ে দিচ্ছে। <a href="http://www.thejakartapost.com/news/2009/01/22/survey-police-most-corrupt-institution-tii.html">ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্দোনেশিয়ার</a> ২০০৯ সালের একটা জরীপ রিপোর্ট অনুসারে, জরীপে সাড়া দেয়া বেশীরভাগ ব্যবসায়ী পলরিকে দেশের সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বলেছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/13/7508/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান: সবুজ আন্দোলন আবারো বিরোধিতা করলো শাসকদের</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7468/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7468/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 11:51:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফার্সী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7468</guid>
		<description><![CDATA[ইরানের প্রতিবাদী সবুজ আন্দোলন গত ৪ঠা নভেম্বর আয়োজন করে এক বিশাল পথ বিক্ষোভের যা নিরাপত্তা বাহিনীর জোরদার দমনের মুখোমুখি হয়। যেমন আশা করা হচ্ছিল, ইরানের নাগরিক সাংবাদিকরা এই ‘ইতিহাসকে’ আবার তাদের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন ও ইউটিউবে তুলে দেন। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hamid-tehrani/">হামিদ তেহরানি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/05/iran-green-movement-defies-regime-again/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/13aban.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/13aban.jpg" title="আবান মাসের ১৩ তারিখ" class="alignleft" width="200" height="269" /></a>ইরানের প্রতিবাদী সবুজ আন্দোলন গত ৪ঠা নভেম্বর (১৩ই আবান) <a href="http://www.guardian.co.uk/world/blog/2009/nov/04/iran-student-day-protests">এক বিশাল পথ বিক্ষোভের</a> আয়োজন করে। একই দিনে তেহরানের আমেরিকান দূতাবাসের দখলের ৩০ তম বার্ষিকী উদযাপনের জন্য আয়োজন করা সরকারী র‌্যালির সুযোগ নিয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধীদের এই বিক্ষোভ নিরাপত্তা বাহিনীর জোরদার দমনের মুখোমুখি হয়।</p>
<p>যেমন আশা করা হচ্ছিল, ইরানের নাগরিক মিডিয়া ‘ইতিহাসকে’ আবার তাদের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। সেইরকম কয়েকটি ভিডিও এখানে দেয়া হল।</p>
<p>তেহরানে বিক্ষোভকারীরা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবিকে পদদলিত করেন, যে কাজ কয়েক মাস আগেও অচিন্তনীয় ছিল।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/ROBiaGs7OYo&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/ROBiaGs7OYo&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ওবামাকে একটা বার্তা: আপনি হয় আমাদের সাথে বা ওদের সাথে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/x-yLLZ3JGfM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/x-yLLZ3JGfM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>লোকের মাঝখানে বিরোধী নেতা মেহদি কারাওবি।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/UuGNPxkIXU4&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/UuGNPxkIXU4&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/AIiAopKXE7w&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/AIiAopKXE7w&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7468/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরি, সার্বিয়া: সীমান্তে শোকাবহ ঘটনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 19:02:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কসোভো]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7439</guid>
		<description><![CDATA[গত অক্টোবরে ১৯জন কসোভো আলবেনীয় হাঙ্গেরী-সার্বিয়ার সীমান্তবর্তী নদী পার হয়ে বেআইনী ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে চেষ্টা করেছে। এদের মধ্যে ১৫জন নিরুদ্দেশ রয়েছে এবং তিনটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে নদীতে। মারিয়েট্টা লে হাঙ্গেরীর ব্লগ জগৎের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/hungary-serbia-tragedy-at-the-border/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত অক্টোবরে বেশ কয়েকটি হাঙ্গেরীয় আর সার্বীয় সংবাদ মাধ্যম প্রিস্টিনার দৈনিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Koha_Ditore">কোহা দিতোরের</a> কথা উল্লেখ করেছে যে তাদের কাছে মাসের প্রথম দিকে হওয়া বেআইনী সীমান্ত পারের ঘটনা সম্পর্কে <a href="http://74.52.64.18/~wwkoha08/index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=19506&#038;Itemid=41">নির্দিষ্ট তথ্য আছে</a>। সার্বিয়ায় অবস্থিত হাঙ্গেরীর একটা ওয়েবসাইট <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> লিখেছে কোহা দিতোরোর উদ্ধৃতি দিয়ে যে, সন্দেহভাজন কয়েকজন কসোভো-আলবেনীয়কে পাচারের জন্য, ইসমেত আর কে গ্রেপ্তার করা হয় <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kosovska_Mitrovica">কসোভস্কা মিত্রোভিচাতে</a>। বেশীর ভাগ সংবাদের রিপোর্টে বলা হয় যে ১৫ জন অনুপ্রবেশকারী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tisza">তিশজা</a> নদীতে ডুবে মারা গেছেন যখন তারা সীমান্ত পার হতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু বেঁচে যাওয়া একমাত্র পূর্ণবয়স্ক, আগ্রোন রামা, স্বীকার করেছেন যে দলে প্রায় ১৯ জন মানুষ ছিল (<a href="http://www.b92.net/eng/news/politics-article.php?yyyy=2009&#038;mm=10&#038;dd=22&#038;nav_id=62515">সূত্র</a>)।</p>
<p>দক্ষিণ হাঙ্গেরীর সংবাদ সাইট <a href="http://www.delmagyar.hu/">দেল্মাগিয়ার.হু</a> তে প্রকাশিত প্রথম দিককার <a href="http://www.delmagyar.hu/szeged_hirek/gyerek_gyerek_segitseg/2120585/">একটা রিপোর্টে</a>  ১৫জন বেআইনী অভিবাসী হাঙ্গেরী- সার্বিয়ার সীমান্তে তিশজা নদীতে গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল। গত ১৫ই অক্টোবর নদী পার হওয়া দলের একজন সদস্য, ২ বছরের ছেলে আর ৩ বছরের মেয়ের বাবা, সীমান্তের গ্রাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/R%C3%B6szke">রোশকের</a> এক পে ফোন থেকে ফোন করে পুলিশকে জানান এ কথা।</p>
<div><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A" style="color:#0000FF;text-align:left">Nagyobb térképre váltás</a></small></div>
<p><a href="http://srbija.blog.hu/">সার্বিয়া ইনসাইড</a> এর ব্লগার <em>সাবা বালিন্ত</em> এই বিষয়ে <a href="http://srbija.blog.hu/2009/10/17/gyerek_gyerek_segitseg">মন্তব্য করেছেন</a> দেল্মাগিয়ার.হু এর রিপোর্টের উপর আলোকপাত করে আর প্রস্তাব করেছেন হাঙ্গেরী আর কসোভোর মধ্যকার সম্পর্ক তিনি ব্যক্তিগত ভাবে তদন্ত করবেন:</p>
<blockquote><p>বাচ্চা, বাচ্চা, বাঁচান!</p>
<p>এই কথাটিই তিশজা নদীতে বার বার বলছিলেন কসোভোর আলবেনীয় লোকটি, যার বাচ্চারা ঠান্ডায় জমে প্রায় মারা যেতে বসেছিল। তিনি সে রাত্রে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে পালাতে চেয়েছিলেন। যদি কেউ এই গল্প না জেনে থাকেন, আমি ছোট করে আবার বলছি&#8230;</p>
<p>এই অদ্ভুত লোক ভালো অর্থ দেবে বলে এসেছে আদম পাচারকারীকে, এখানে এটা বেশ চলমান পেশা। আর যা হওয়ার হবে, তিনি জেগেদের নতুন পৃথিবীতে পাড়ি দেবেন। তিনি এটা ভাবেন নি যে রাত্রে তার বাচ্চাদের উপরে ঠান্ডা বৃষ্টি পড়বে, তারা যে ক্লান্ত হয়ে পড়বে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এই ধরনের যাতায়াতের ফলে। আমাদের এই লোক যখন দেখলেন যে বাচ্চাদের অক্টোবরের বৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়ে কত বড় বিপদের মধ্যে তিনি পড়েছেন, তখন সাহায্য চাইতে গেলেন।</p>
<p>বাচ্চাগুলোকে যখন পাওয়া গেছে তারা তখন প্রায় নিশ্বাস নিচ্ছিলই না - ২ বছর আর ৩ বছরের দুই জন, আমি কেবলমাত্র জানাচ্ছি! তারা একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল। সীমান্ত অতিক্রমকারীর এক বাচ্চা কোমাতে ছিল, কিন্তু তার পরে ভালো হয়েছে। তারা অক্ষত বেরিয়ে এসেছে কিন্তু ঘটনাটি দু:খজনক। দু:খজনক আর আপনাকে ভাবায়। অন্তত কিছু প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়।</p>
<p>কি কারনে স্বাধীন আর মুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্র থেকে, শত শত স্বাধীন আর মুক্ত নাগরিক পালাচ্ছে? হয়তো অপকর্মের উপরে নির্মিত ‘গণতন্ত্রে’ বাস করা সহজ না? আর একটা স্বাধীন ইউরোপের দেশ দেখান যেখান থেকে প্রতি সপ্তাহে ডজন ডজন লোক বেআইনিভাবে বের হচ্ছে! সম্ভবত: যেসব দেশ বল্কানের কলম্বিয়াকে স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিল, তারপরে এই দেশকে দেশ হিসেবে দাঁড় করাবার খুব বেশী চেষ্টা করছে না? যদি ২৯ বছরের একজন লোক দুটো ছোট বাচ্চা নিয়ে মধ্য অক্টোবরে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে, তাহলে আমাকে বলতে হয়, না।</p>
<p>পরের পর্বে আমরা দেখবো যে কসোভোর বড় ইউরোপীয় বন্ধু, হাঙ্গেরী কি করেছে যাতে সেখানের মানুষকে পশ্চিমে পালিয়ে যেতে না হয়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.balkaninsight.com/en/main/news/23157/">বল্কান ইনসাইট</a> ব্লগ জানিয়েছে যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের আইনের একটা মিশন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/European_Union_Rule_of_Law_Mission_in_Kosovo">ইউলেক্স</a>, কসোভো পুলিশ আর হাঙ্গেরীর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ওয়েবসাইট অনুসারে, প্রতি অভিবাসী পরিবারকে হাঙ্গেরীতে ঢোকার জন্য ৬০০০ থেকে ৮০০০ ইউরো দিতে হয়। মিডিয়া কোহা ডিতোরকে উদ্ধৃতি দিয়ে যা বলেছেন তার পরিপন্থী হিসেবে <em>বল্কান ইনসাইট</em> জোর দিয়ে বলেছে, এখনো কোন গ্রেপ্তার করা হয় নি।</p>
<p>সোমবারের মধ্যে, <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> রিপোর্ট করেছেন যে তিশজা নদীর হাঙ্গেরীর দিকের সীমান্তে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, আর সার্বিয়ার সীমান্তে দুইজন নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। একজন ছিল আগ্রোন রামার স্ত্রী আর তার বাচ্চাদের মা।</p>
<p>হাঙ্গেরীর ইমিগ্রেশন অফিসার <a href="http://my.opera.com/brille/blog/2009/10/26/a-k">গাবোর নাগি</a>, তার ব্লগে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, একই বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন যে কসোভো থেকে আলবেনীয়রা কেন মরিয়া হয়ে পালাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>অবশ্যই এমন ঘটনায় প্রশ্ন করা যায়, যে বাবা মা এত অসাবধান হয়ে তাদের বাচ্চাদের ‘ বড় দুনিয়াতে’ কেন নিয়ে আসবে, নাকি কসোভোর পরিস্থিতি এতই খারাপ? যদিও বলা দরকার, কসোভো থেকে তাদেরকে কেউ তাড়াচ্ছে না, যেহেতু তারা তাদের ‘স্বাধীনতা অর্জন করেছে’। অন্তত কাগজে। আর এটাও ভোলা যাবে না যে এদেরকে সব সময় আদম পাচারকারীরা মোটা পরিমানের ইউরোর বদলে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা যখন বিবেচনা করি যে তারা হাঙ্গেরীতেও পালিয়ে যেতে চায়না, তাহলে এই ব্যাপারে আমারও ঋণাত্মক বক্তব্য আছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান: হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 07:06:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ফার্সী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7361</guid>
		<description><![CDATA[বিতর্কিত ব্লগার হোসেইন দেরাকশানকে গ্রেফতার করার পর এক বছর পার হয়ে গেছে। তার স্বদেশীরা তার সম্বন্ধে এক প্রচারণা শুরু করেছে যাতে, সে যে বিনা বিচারে বন্দি রয়েছে সেটা সবাই জানতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hamid-tehrani/">হামিদ তেহরানি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/iran-free-hossein-derakhshan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/hoder.jpg" alt="hoder" title="hoder" width="120" height="120" class="alignleft size-full wp-image-7362" /><br />
গত পহেলা নভেম্বর ২০০৯ ছিল ইরানের ব্লগার হোসেইন “হোদার” দেরাকশানের গ্রেফতার হবার প্রথম বার্ষিকী।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ব্লগার ও সাংবাদিক <em>সাইরাস ফারিভার</em> <a href="http://cyrusfarivar.com/blog/?p=2703">জানাচ্ছেন</a> তার সাথে দেরাকশানের ভাই হামেদের যোগাযোগ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>জেলার নতুন এটর্নি জেনারেল (সরকারি আইনজীবী) এর সাথে হোসেইনের বাবা-মা দেখা করেছেন। এটর্নি  জেনারেল ২৯শে অক্টোবর এভিন জেলে হোসেইন দেরাকশানের সাথে তার বাবা-মার দুপুরের খাবার খাওয়ার অনুমতি দেন। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হোসেইনকে এভিন নামক কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তবে পরিবারটি নিশ্চিত নয় যে, পরবর্তীতে হোসেইনের সাথে তাদের দেখা করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।</p></blockquote>
<p>ইরানের ব্লগার <em>জুইয়া</em> <a href="http://joooya.blogspot.com/2009/11/blog-post_295.html">লিখেছেন</a>, দেরাকশান বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কারগারের ৩২৫ নম্বার বিভাগে অবস্থান করছে। জুইয়া এর সাথে যোগ করেন, মানবাধিকার কর্মীদের মতে তাকে একটি নির্জন কক্ষে এক বছর ধরে রাখা হয়েছে। </p>
<p>ইরানের একদল ব্লগার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা এক সপ্তাহ ধরে তাদের ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকাশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি রাখবে। <em>ফানুস আজাদ</em> <a href="http://freelantern.com/p/?p=1116">বলছেন</a> [ফার্সী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>আমিও আমার ব্লগের শিরোনামের সাথে “হোসেইন দেরাকশানকে মুক্ত কর” বাক্যটি যুক্ত করে দিয়েছি।</p></blockquote>
<p>তিনি আরও বলেন:</p>
<blockquote><p>&#8230; যখন হোসেইন তার ব্লগে অন্যদের প্রতি অভিযোগ করা শুরু করে, তখন থেকে আমি তার ব্লগ পাঠ করা ছেড়ে দিই। কিন্তু এখন সে কে, এটা চিন্তা না করেই তার অধিকার রক্ষার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি&#8230;. অন্য মানুষের মত হোসেইনেরও মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে।</p></blockquote>
<p><em>পারসানেভেশত</em> ব্লগারদের যৌথভাবে কাজ করার জন্য <a href="http://parsanevesht.blogspot.com/2009/10/blog-post_24.html">বলছেন</a>, যাতে হোসেইনকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রভাব পড়ে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7361/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পাকিস্তান: দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অপারেশন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 17:54:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7334</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। ব্লগাররা আলোচনা করছে যে এই অপারেশনের সাফল্য কেন পাকিস্তান এবং সারা বিশ্বের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/faisal-kapadia/">ফয়সাল কাপাডিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/pakistan-operation-in-south-waziristan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 376px"><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/File:FATA_%288%29.jpg"><img alt="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/South-Waziristan.jpg" title="দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে" width="366" height="385" /></a><p class="wp-caption-text">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান। ছবি উইকিপিডিয়ার সৌজন্যে</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Operation_Rah-e-Nijat">অপারেশন রাহ-এ-নিজাত</a> (উর্দুতে মুক্তির পথ) হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tehrik-i-Taliban_Pakistan">তেহরিক-ই-তালিবান</a> নামক চরমপন্থী গোষ্ঠীর উপরে শেষ আঘাত হানার  সাম্প্রতিক চেষ্টা। তালিবানদের এই দল পাকিস্তানকে ভীতির মধ্যে রেখেছে। এই অপারেশনের কাজ শুরু হয় গত জুন মাসে যখন সেনাবাহিনী সোয়াত উপত্যকা এলাকাকে তালিবান চরমপন্থীদের কাছ থেকে পুনর্দখল করে নেয়। গত ১৯শে জুনে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Waziristan">দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে</a> সেনা জড়ো করা শুরু করে। তিন মাসের অবরোধ আর তালিবানের সাথে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ পর্বের পরে সেনারা পরিশেষে ১৯শে অক্টোবর পুরো দস্তুর যুদ্ধ শুরু করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোট ২৮০০০ সেনা আর ৫০০ জন বিশেষ কমান্ডো আর তালিবানদের ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার সেনা আর ১৫০০ বিদেশী ভাড়াটে যোদ্ধা এ যুদ্ধে নিয়োজিত আছে। এই সংঘাত জোরালো আর দীর্ঘ হয়েছে আর প্রত্যেক দিন খবর আসছে যে পাকিস্তান সেনা কয়েক ইঞ্চি করে ভেতরে ঢুকছে একটা কঠিন আর বিপদজনক এলাকায়।</p>
<p><em>পাকিস্তানপাল</em> ব্লগে <em>আহসান ওয়াহিদ</em> দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের <a href="http://pakistanpal.wordpress.com/2009/10/05/a-showdown-in-waziristan/">কঠিন ভূমিরূপকে দায়ী করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>দূরে আল কায়দা যেখানে আশ্রয় নিয়েছে আমরা তা দেখতে পাচ্ছিলাম। এটা প্রায় সাদা ভূমি, শুষ্ক; রাস্তাবিহীন চূড়ার ধার দিয়ে অল্প কিছুর গাছের গুড়িঁ দেখা যাচ্ছে। আপনি লুকাবার কোন জায়গা খুঁজলে ওয়াজিরিস্তান সেটা হবে, কারণ এত কঠিন আর অতিথিবিমুখ যে বাইরের লোকেরা ঢুকতে ভয় পাবে। ব্রিটিশ রাজের সময়ে, ওয়াজিরিস্তানের মানচিত্র অনেকটাই খালি ছিল, এমনকি অকুতভয় ব্রিটিশ ভ্রমণকারীরাও সাধারণত এখানে পা মাড়াতেন না।</p></blockquote>
<p><em>গ্রেট সাটান্স গার্লফ্রেন্ড</em> এই অপারেশনের জন্য <a href="http://greatsatansgirlfriend.blogspot.com/2009/10/operation-rah-e-nijat.html">জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার গুরুত্বের কথা বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>“আশার মৃত্যুকে কখনো তার ছায়া ফেলতে দেয়া উচিত না, আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাষ্ট্র তার সমস্ত কিছু দিয়ে জনগণকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একত্র করবে।“</p></blockquote>
<p><em>আব্দুল্লাহ সাদ</em> <a href="http://abdullahsaad.com/337-operation-rahenijat-path-salvation-operational-assessment">বিশ্বাস করেন যে</a> তেহরিক ই তালিবানে (টিটিপি) যে বিদেশী যোদ্ধারা আছে তারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>আমার ধারণা হল যে ওয়াজিরিস্তানে অনেক কিছু ঝুঁকির মুখে আছে। কার্যত টিটিপি ক্যাডাররা ঘনবসতিতে চলে আসতে পারে ধীরে ধীরে - খারাপ একটা ভাগ্যের হাত থেকে বা আর একদিন বেশী বাঁচার জন্য&#8230; কিন্তু তাদের ‘অতিথি’দের এই আরাম নেই। উজবেক, চেচেন আর আরব ইত্যাদি জায়গা থেকে আগত যোদ্ধাদের যুদ্ধ করতে হবে কারণ তারা ধরা পড়লে, তাদেরকে প্রথম ফ্লাইটে বাড়ি পাঠানো হবে আর উজবেকিস্তানের মতো দেশে, যেখানে তাদেরকে সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানো হবে।</p></blockquote>
<p><em><a href="http://newmatilda.com/2009/10/23/misery-ending-or-just-beginning">নিউমাতিলদার</a></em> <em>মুস্তাফা কাদ্রি</em> বলছেন যে জঙ্গীদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়া পাকিস্তানের জন্য অসম্ভব:</p>
<blockquote><p>এই কথার পেছনে অপ্রিয় সত্যটি হচ্ছে মাথা ঠিক রাখার জন্য। লাহোর, ইসলামাবাদ আর পেশাওয়ারে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে একটা দেশের প্রতি বর্গ ইঞ্চি রক্ষা করা খুব কঠিন যেখানে বিদ্রোহ চলছে। আর পাকিস্তানে এটা প্রায় অসম্ভব, যেখানে বুকে বোমা বাঁধা পরিত্যক্ত তরুণ খুব সহজে পাওয়া যায়।</p></blockquote>
<p>উপরের বাক্যগুলো খুব বেশী সত্য যেহেতু অপারেশন রাহি-এ-নিজাতের ব্যর্থতা সুধী সমাজের প্রতি সরাসরি আক্রমণ ঘটিয়েছে এবং আত্মঘাতী বোমা হামলা আর সারা দেশে আতঙ্ক আর ভীতি ছড়িয়েও দিয়েছে। এর ফলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আর সারা দেশের সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা প্রতি দিন সকালে কেবল যে ওয়াজিরিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের খবরে চমকে উঠি তাই না বরং আমাদের রাস্তাতেও কিভাবে যুদ্ধ হচ্ছে তার ভয়ঙ্কর ব্যাখ্যাও থাকে।</p>
<p><em>ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) জুনায়েদ জামান</em> <a href="http://www.pakspectator.com/schools-closed-in-pakistan-fear-of-terrorism-for-how-long/">‘পাকিস্তান স্পেক্টেটরে’</a> দেশে স্কুল বন্ধ করার নিষ্ফলতা নিয়ে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমাদের ভয় পাওয়ার দরকার নেই আর আমাদের বাচ্চাদের ভিতু তৈরি করারও দরকার নেই। আমাদের ছেলে মেয়েদের সাথে আমাদের কথা বলা দরকার, ভীতি সম্পর্কে তাদের সাথে কথা বলা উচিত, তাদেরকে লক্ষ্য রাখতে বলা উচিত, আমাদের দেশ কোন বিপদের মধ্যে আছে সেটা তাদেরকে বোঝানো উচিত আর সন্ত্রাসবাদের খারাপ দিক সম্পর্কে জানাও উচিত। তাদেরকে শক্তিশালী আর সামর্থ করা উচিত আর কষ্টের সময়ে যাতে বাঁচতে পারে সেই শিক্ষা দেয়া উচিত। তারা যখন এই সময় থেকে বের হবে, তারা বিশ্বের অন্যান্য শিশুদের তুলনায় জীবনের মোকাবিলা করতে অনেক দূর এগিয়ে থাকবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://blog.taragana.com/n/pakistan-shuts-all-schools-after-suicide-bombings-at-islamic-university-201707/">তারাগানাতে</a> <em>জাররার খান</em> সাধারণ জনগণের ধারণার কথা বলেছেন যারা অন্যান্য কারণকে দোষ দিয়েছেন জনগণের উপর এই হামলার জন্য:</p>
<blockquote><p>অনেক ছাত্র এটা মানতে রাজি না যে মিলিট্যান্টরা এই আক্রমণের জন্য দায়ী আর তার বদলে ধোঁয়াটে সব শক্তিকে দোষ দিয়েছেন যারা ইসলামকে নীচু করে পাকিস্তানকে দুর্বল করতে চাচ্ছে- অনেক ধরনের চক্রান্ত তথ্য যা বোমা হামলার পরে এখানে শোনা যায়।</p></blockquote>
<p><em>বেরি পিকারের</em> <a href="http://glendaclaborne.com/node/10">গ্লেন্ডা</a> একটা সমাজের মনোবলের কথা বলেছেন যারা সন্ত্রাস সত্ত্বেও জীবন চালিয়ে নিচ্ছে আর তিনি ইসলামাবাদের একটা কনসার্টের কথা বলেছেন:</p>
<blockquote><p>তাদেরকে বৃহষ্পতিবার রাতে থামতে হয় নি। অন্তত এক ঘন্টার জন্য। আরিব আঝার আর তার চার জনের দল সঙ্গীতের বৈশ্বয়ীকতা, বৈচিত্র আর সহনশীলতার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন এমন এক শহরে যেখানে মাত্র চার দিন আগে আবারও সন্ত্রাসবাদের ক্ষমতা দেখেছে যা জীবনের কিছু সুন্দর আর সত্য তা প্রকাশের মানুষের ক্ষমতাকে থামিয়ে রাখার জন্য।</p></blockquote>
<p><em>বিলকিস</em> <a href="http://changinguppakistan.wordpress.com/2009/10/27/the-parallel-step-bilquis/">অনেক কিছু জানিয়েছেন</a> <em>চুপ (চেন্জিং আপ পাকিস্তান)</em> ব্লগে:</p>
<blockquote><p>অনেক শিক্ষাবিদ আর রাজনীতিবিদ, বিশেষ করে ইমরান খান তর্ক করেছেন যে এইসব এলাকার লোকেরা অনেক শতাব্দী ধরে আইন বিহীন সমাজে বাস করে আসছেন। এই বাস্তবতার নিরিখে, তারা বলেন, তাদের ঐতিহ্যকে সম্মান করে তার ভিতরেই কাজ করা আমাদের উচিত। আমি অসম্মতি জানাচ্ছি। যেমন টি এস এলিয়ট জানিয়েছেন, ”বুদ্ধি ছাড়া ঐতিহ্য মূল্যহীন।“ এই সমস্ত ঐতিহ্য এমন সব বিষয়কে লক্ষ্য না করায় যার ফলে একটা উদ্দীপ্ত ভাবধারার সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র পাকিস্তানব্যাপী, বিশেষ করে গ্রামীণ পাঞ্জাবে। উদাহরণ স্বরূপ সোয়াতে তালিবান যে তরুণীকে বেত্রাঘাত করেছিল সেটাই দেখেন। আমরা কি এমন ঐতিহ্য চাই? আমরা কি পুরুষ/নারী/ মেয়েদেরকে সমস্যা সমাধানের জন্য বদলা-বদলি করতে চাই? আমরা কি চাই আমাদের মানুষ লাগাতার বিশ্ব সম্পর্কে বিকৃত ও সংকীর্ণ একটা ধারণা নিয়ে থাকুক? আমি অবশ্যই চাই না।</p>
<p>তাহলে এখানে আমরা আছি, আশাবাদী, কিন্তু সন্ত্রাস দ্বারা বিদ্ধ, আমাদের স্কুল বন্ধ আর ভবিষ্যত অনিশ্চিত, কিন্তু আমরা হাল ছাড়বো না। আমাদের কেবলমাত্র ভূমির বিপদের সম্মুখীন হতে হবে না আমাদের সেনা দিয়ে বরং আমাদের সমাজে তালিবান মূল্যবোধের নীরব আক্রমণও থামাতে হবে। আমি কেবল আশা করি বিশ্ব আমাদের সাথে আছে, কারণ আমরা ব্যর্থ হলে এর পরে আপনাদের পালা। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7334/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরান: রাষ্ট্রীয় গার্ডরা মানুষের উপর আক্রমণ করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7332/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7332/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 17:06:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরান]]></category>
		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7332</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনহামিদ তেহরানি  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ইউটিউবে নাগরিক সাংবাদিকের তোলা একটি ভিডিও ফিল্ম দেখাচ্ছে যে আজকে তেহরানে প্রতিবাদকারীদের উপর নিরাপত্তা রক্ষীরা চড়াও হয়েছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hamid-tehrani/">হামিদ তেহরানি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/iran-guards-attacking-people/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইউটিউবে নাগরিক সাংবাদিকের তোলা <a href="http://www.youtube.com/watch?v=J2uRpGk8Y2I">একটি ভিডিও ফিল্ম দেখাচ্ছে</a> যে আজকে তেহরানে প্রতিবাদকারীদের উপর নিরাপত্তা রক্ষীরা চড়াও হয়েছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7332/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
