<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; লিঙ্গ</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/gender/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ভারত: কৃষাণীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:45:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7585</guid>
		<description><![CDATA[ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে থাকা সত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে তারা সেগুলোর নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/belen-bogado/">বেলেন বোগাডো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/india-women-farmers-stand-against-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><strong>ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে অবস্থান করা সত্ত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে, তারা সেগুলো নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।</strong></p>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে ভারতে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে- সেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক ও ভারতীয় নারীরা এর ফলে সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। যেমন, <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/human-impact/change-in-climate-results-to-prolonged-droughts-in-anantpur/">কৃষকদের উপর খরার মারাত্মক প্রভাব</a> এবং শিশু ও নারীদের উপর তার যে সরাসরি প্রভাব পড়ছে <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/latest-from-the-blog/">অক্সফাম ইন্ডিয়া ব্লগ</a> সে সম্বন্ধে মন্তব্য করছে। </p>
<blockquote><p>গত ১২ বছর ধরে, ভারতে বছরে গড়ে প্রায় ৫০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যাকারীদের দশভাগের এক ভাগই কৃষাণী। (&#8230;) প্রতি বছর দেশটির বিপুল সংখ্যক কৃষক খাবারের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। এবং পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যখন শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণে নারী ও শিশু পাচার শুরু হয়।</p></blockquote>
<p><strong>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে লিঙ্গ একটি বিষয়</strong>:</p>
<p><a href="http://www.thp.org/system/files/Factsheet+on+Women+Farmers+and+Food+Security.pdf">সারা বিশ্বে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়, তার শতকরা ৫০ শতাংশ নারীরা উৎপাদন করে</a>। <a href="http://womensearthalliance.blogspot.com/">ভারতে শতকরা ৮৪ শতাংশ নারী কৃষিকাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত</a> এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, নারীরা তার সবচেয়ে বড় শিকার। এছাড়া লিঙ্গীয় বৈষম্য, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে নারীদের খানিকটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ব্লগার প্রিসিল্লা স্টাকি একজন পিএইচডিধারী গবেষক। তিনি তার ব্লগ <em>দিস লাইভলি আর্থে</em> নির্দেশ করেন, <a href="http://thislivelyearth.com/2009/10/15/women-farmin-and-climate-change/">পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>নারীর প্রতি বৈষম্য, পরিবেশ পরিবর্তনে মেয়েদের অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ভারতের নারীরা বের করেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের শস্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে এসেছে এবং একই কারণে শস্যের গুণগত মান হারিয়ে যাচ্ছে। শস্যের মান খারাপ হয়ে আসা ও নারীদের প্রতি  বৈষম্যের কারণে মেয়েদের স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।</p></blockquote>
<p>কৃষাণী সিতা দেবী এই এ রকম এক ঘটনার উদাহরণ। তার ভাষ্য মতে, “যখন চাষের সময় বৃষ্টি হয় না, তখন মেয়েদের জমিতে শস্য জন্মানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সে সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির জোগান ঘটে না, কারণ পরিবারে মেয়েরা সবার শেষে খাবার খেতে বসে। এর ফলে মেয়েদের অনেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে”। তিনি ব্লগ <em>ফাইন্ড ইয়োর ফিটে</em> পোস্ট করা এই <a href="http://findyourfeet.wordpress.com/2009/10/15/voices-of-rural-women-on-climate-change/">ভিডিওতে</a> এ কথাগুলো বলেন। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><strong>মেয়েরা যখন লড়াই করা শুরু করে</strong>:</p>
<p>ভারতীয় নারীরা কেবল পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুরু করে দিয়েছে। যা ভিডিওর দ্বিতীয় অংশটি দেখা যাচ্ছে। নারীরা বেশ কিছু উদ্ভাবক কৌশল আবিষ্কার করেছে, যাতে তারা বিশ্বের উষ্ণতা বাড়া দুর করতে পারে এবং নিজেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। </p>
<p>ইন্টার প্রেস সার্ভিসের এই প্রবন্ধটি সে সমস্ত তথ্য জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.envirovaluation.org/index.php/2009/11/02/greenhouse-gas-mitigation-issues-for-indian-agriculture">ভারতে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের</a> ক্ষেত্রে কৃষি শতকরা ২০ শতাংশ পরিমাণ দায়ী। ধান ক্ষেত ও গবাদি পশুর মল থেকে তৈরি হওয়া মিথেন গ্যাস এবং সার থেকে তৈরি হওয়া নাইট্রাস অক্সাইড মূলত: পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘের আন্ত:সরকার নিয়োজিত পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির (আইপিসিসি) ২০০৭ সালে প্রণীত এক তথ্যে এ কথা জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে বৃষ্টিপাতের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত আগের চেয়ে কম ঘটে, যা চাষের ক্ষেত্রে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।</p></blockquote>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নারীরা যে সক্রিয় ভাবে লড়ছে, <a href="http://www.ipsnews.org/news.asp?idnews=46131">তার অন্য এক উদাহরণ হল বিদাকান্নে গ্রামের নারীরা</a>। সেখানে মেয়েরা শস্য যেমন  তিসি, ছোলা এবং মটরশুঁটি, গম এবং অন্য শিম জাতীয় শস্য উৎপন্ন করছে। সূর্যমুখী চাষের মাঝামাঝি সময়ে তারা এসব চাষ করছে এবং কোন বাড়তি পানি ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা ছাড়াই তারা চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন তারা চাষের জন্য জমিতে কোন রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করছে না। </p>
<p>এই ধরনের চাষ পদ্ধতি দলিত রমণী অথবা স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য খুবই সহায়ক। দলিতরা ভারতীয় বর্ণপ্রথায় সবচেয়ে নীচু শ্রেণীতে অবস্থান করে। একই পদ্ধতিতে মেডাক জেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের নারীরা এক হয়ে শস্য বিক্রি করছে। একই সাথে তারা গরিব পরিবারগুলোর জন্য উদ্বৃত্ত খাবার জোগাড় করছে। এর বাইরে তারা পরিবেশ দূষিত করে এমন উপাদান এবং ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার করার পরিমাণ কমিয়ে আনছে।  </p>
<p>এইসব কাজে মেয়েদের নেতৃত্ব প্রদান ও তাদের এই প্রচেষ্টা অনলাইনের সম্প্রদায়ের নজর এড়ায়নি। <em>শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য </em><a href="http://www.indiatogether.org/2009/mar/agr-ddsfood.htm"><em>ইনডিয়া টুগেদার</em></a>-এ মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আপনার প্রবন্ধের জন্য ধন্যবাদ, সেখানে আপনি নারীদের কাজগুলো তুলে ধরেছেন। তারা যে পরিবেশ পরিবর্তন রোধে সারা পৃথিবীর জন্য এক আদর্শ (&#8230;) তা উপস্থাপন করেছেন। খাদ্যশস্য মানুষের মৌলিক এক অধিকার, তা কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়। খাদ্যশস্য মানুষের জাতীয় পণ্য, ধরিত্রীমাতা খাদ্যশস্যকে লাভের টাকা বের করার বিষয় মনে করে না। খাদ্যশস্যের উপর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাভের হিসেব, পৃথিবীকে আরো বেশি খাদ্য সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। আপনার মাধ্যমে আমি সেই সমস্ত নারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি, যাদের কাজ পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং কৃষক পরিবারের উপর কোন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করছে না। তারা প্রমাণ করেছে যে এ ভাবেও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন লাভজনক ও টেকসই করা যায় এবং এ ভাবে চাষের মধ্য দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: এক পুরুষ ব্লগার নকল সতীচ্ছদ কিনেছেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 18:21:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7436</guid>
		<description><![CDATA[নকল সতীচ্ছদ কীট নিয়ে এত কিছু বলা ও লেখা হয়েছে যে মিশরীয় পুরুষ ব্লগার মোহামেদ আল রাহহালকে তা একটা কিনতেই হল। মারওয়া রাখা বিস্তারিত জানাচ্ছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marwa-rakha/">মারওয়া রাখা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/29/egypt-egyptian-male-blogger-orders-artificial-hymen/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.rnw.nl/english">রেডিও নেদারল্যান্ডস</a> যখন নকল সতীচ্ছদ কীটের উপর একটি রিপোর্টের আরবী ভাষান্তর প্রচার করেছিল, যখন <a href="http://www.youm7.com/News.asp?NewsID=136364">ইউম৭ সংবাদপত্র</a> ঘোষণা করেছিল যে এই পণ্য মিশরের বাজারে এলে ৮৩ মিশরীয় পাউন্ড মূল্যে পাওয়া যাবে, যখন <a href="http://www.huffingtonpost.com/2009/10/05/egypt-fake-hymen-kit-may-_n_309737.html">মিশরের রক্ষণশীল সাংসদরা এই পণ্য নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন</a> আর যে কোন রপ্তানীকারককে বের করে দেয়া বা মাথা কেটে ফেলার আদেশ দিতে চেয়েছিলেন, এবং যখন এটি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/10/08/will-egypt-import-chinese-hymens/">মিশরের ব্লগ জগৎে</a> বিশাল বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল, তখন মোহাম্মাদ আল রাহহালকে <a href="http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2009/oct/28/artificial-hymen">এই জিনিষ</a> একটা কিনতেই হল।</p>
<p>তিনি যখন পোস্ট অফিস থেকে তার প্যাকেট তুলতে গেলেন:</p>
<blockquote><p>বেশ কয়েকজন বিভ্রান্ত কাস্টমস আর ডাক কর্মী এটি খুলেছিলেন, যারা কিছু না বুঝতে পেরে পণ্যটির বিবরণ লিখেছিলেন “অজানা লাল তরল আছে’ – আর আমার বর্ণনার অপেক্ষায় ছিলেন।</p></blockquote>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/fakehymen.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/fakehymen.jpg" title="নকল সতীচ্ছদ" class="alignnone" width="460" height="276" /></a></p>
<p>তিনি তাদেরকে বলেছিলেন ‘এটা চলচ্চিত্রের অঙ্গ সজ্জা&#39; আর তারপর এটাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে পেরেছিলেন:</p>
<blockquote><p>‘সতীচ্ছদ’ টা এমন: একটা ৫ X ৭ সেমি ভাঁজ করা প্লাস্টিক- আসলে এল্বুমিনের, এর সাথে থাকা বর্ণনা আমাকে সাথে সাথে ঠিক করিয়ে দিল- এক দিকে গাঢ় লাল কালি দিয়ে ভর্তি। যৌন সংসর্গের আগে যোনি পথে স্থাপন করলে, প্লাস্টিকটি অল্প শক্ত হয়ে যায়, আর যৌন মিলনের সময় ছিঁড়ে যায়। কয়েক ‘ফোঁটা’ রক্ত চাদরে পড়বে, যার ফলে ওই নারী, তার পরিবার বা সমাজের ‘সম্মান’ রক্ষিত হবে।</p>
<p>এটাতে আসলে কাজ হয় কিনা আমি জানি না। এই পণ্য সম্পর্কে ডাক্তারি মতের অনুপস্থিতি, আর অনলাইনে এমন দোষারোপ যে এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে, এমন পরিস্থিতিতে আমি কোন স্বেচ্ছাসেবককে এটা পরীক্ষার জন্য দিতে পারি নি।</p></blockquote>
<p>মিশরীয়রা <a href="http://www.monaeltahawy.com/blog/?p=188">এভাবে নকল সতীচ্ছদ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরেছে</a> এটা <em>মোনা এল তাহাউই</em> পছন্দ করেননি। দেশটি আজকাল যে সব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে- জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া, একজন প্রেসিডেন্ট ২৮ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন যার ছেলে মনে হচ্ছে তার পরে ক্ষমতায় আসবেন, ইত্যাদি- সেসব বাদ দিয়ে কেন সতীচ্ছদ নিয়ে এত কথা, আসল বা নকল?</p>
<p>আপনাদের স্বাগতম ছলনা আর অস্বীকারের সাথে যা এক সাথে ধাক্কা দেয় নারী আর তাদের পবিত্রতা নিয়ে রক্ষণশীল ধর্মীয় চিন্তার কেন্দ্রে। আর মিশরের ক্ষেত্রে, এই রক্ষণশীলতা মুসলিম আর খ্রীষ্টানদের ক্ষেত্রে একই ভাবে প্রযোজ্য।</p>
<p>একজন মুসলমান হিসেবে, আমি জানি কোরান শিক্ষা দেয় পুরুষ আর নারীর পবিত্রতার ব্যাপারে, কিন্তু রক্ষণশীলদের কেবল নারীদের নিয়ে মত্ত থাকার মানে হল কেবলমাত্র বিয়ের আগে যৌন সংসর্গের নিষেধাজ্ঞা মানতে হবে। কুমারীত্ব নিয়ে এই ধরনের অতিরঞ্জন খেলো একটা বিষয় যা মারাত্মক প্রভাব ফেলে।</p>
<p><em>মোহাম্মেদ এল রাহহাল</em> ঘোরতর ভাবে এটার নিন্দা জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>যে ছলনা আমাদের সমাজের ৫০% মানুষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে বাকি অর্ধেককে মুক্ত ছেড়ে দিয়ে। নারীদের এত দূর পর্যন্ত চাপ প্রয়োগের বিরুদ্ধে আমি, এতে তাদের স্বাস্থ্য বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে নারী পুরুষ সম্পর্ক নিয়ে আমাদের আইনসঙ্গত জাতীয় অধিকার অর্জন বিলম্বিত হবে।</p>
<p>শরীর দ্বারা নৈতিকতাকে ব্যাখ্যা করা সব চেয়ে খারাপ। আর যদি ছোট এক টুকরো প্লাস্টিক দ্বারা নৈতিকতা প্রমাণের অপেক্ষায় আমরা থাকি, তাহলে এরই মধ্যে আমরা হেরে গেছি- আরো ভালো কোন ব্যাখ্যা পাওয়া দরকার আমাদের। </p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7436/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: আপনার স্ত্রী যখন অসুস্থ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 05 Nov 2009 13:30:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7296</guid>
		<description><![CDATA[যখন জাপানের কর্পোরেট জীবনযাপন (শাচিকু) দেশটির বিবাহিত জীবনের সংস্কৃতি ও মুল্যবোধের সাথে এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে- তখন এই বিষয়ে ৩০০ জনের বেশি নাগরিক জাপানের অন্যতম বিশাল ফোরাম হাটসুজেন কোমাচিতে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে: "যখন স্ত্রী অসুস্থ তখন স্বামীর কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নেওয়া উচিত কি না?"]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/tomomi-sasaki/">টোমমি সাসাকি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/29/japan-when-your-wife-is-sick/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যখন জাপানের কর্পোরেট জীবনযাপন (社蓄শাচিকু) দেশটির বিবাহিত জীবনের সংস্কৃতি ও মুল্যবোধের সাথে এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে- তখন জাপানের অন্যতম বিশাল ফোরাম <em>হাটসুজেন কোমাচিতে</em> এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে ৩০০ জনের বেশি নাগরিক: <a href="http://komachi.yomiuri.co.jp/t/2009/1010/267719.htm?o=0&#038;p=0">যখন স্ত্রী অসুস্থ, তখন স্বামীর কি তার কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নেওয়া উচিত</a>?</p>
<p><strong>পরিস্থিতি:</strong></p>
<p>রিনার বিয়ে হয়েছে ৮ বছর আগে এবং তার এক কন্যা রয়েছে যে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে গেছে এবং বিবাহিত জীবনের শুরুর একটি ঘটনা এখনো তার স্মৃতিতে ভেসে বেড়ায়। </p>
<p>যখন তার কন্যা একেবারে নবজাতক শিশু, তখন বাচ্চার সারারাত কান্নার কারণে রিনা রাত জাগতে বাধ্য হত। এর ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার প্রচণ্ড জ্বর আসে, এ কারণে সে তার নিজের এবং শিশুর যত্ন নিতে পারছিল না। কিন্তু তার স্বামী বিনা বেতনে অফিস থেকে ছুটি নিতে অস্বীকার করে এবং ভদ্রলোকের অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে আসার কোন লক্ষণ দেখা যায় নি।  রিনা প্রচণ্ড হতাশ হয়ে এ কারণে যে তার স্বামী এমনকি এই অবস্থায় তাকে কোন ফোন করেনি। পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে দুই মাস সময় লেগে যায় এবং সে ভুলে যায় নি এই রকম পরিস্থিতির পুরো সময় তার স্বামী তাকে কোনরকম সাহায্য করেনি। </p>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong></p>
<blockquote><p>ここういう状態の場合、会社を休めないまでもせめて定時で帰ってきてほしいというのはわがままでしょうか。</p>
<p>みなさんのご家庭はどうですか？妻が病気の時、夫は会社を休んで子供の世話をしてくれますか？また、会社で「妻が病気だから」と言って休んでいる人をどう思いますか？</p></blockquote>
<div class="translation">যদি সে ছুটি না নেয়, তাহলে এই রকম এক পরিস্থিতিতে স্বামীর ওভারটাইম (বাড়তি কাজ) বাদ দিতে বলে তাকে বাসায় হাজির হতে বলা কি আমার এক ধরনের স্বার্থপরতা?</p>
<p>একই ঘটনায় আপনার পরিবারের ক্ষেত্রে কি ঘটে? যখন স্ত্রী অসুস্থ হয় তখন কি স্বামী বাচ্চা ও স্ত্রীর যত্ন নেবার জন্য ছুটি নেয়? যখন তার স্ত্রী অসুস্থ তখন আপনাদের অফিসের কোন পুরুষ কি ছুটি নেয় ?</p></div>
<p><strong>উত্তর:</strong></p>
<p>কথাটি ঠিক, অনেক মা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনার কথা তুলে ধরেছে। মায়েরা বলছে যে সময় তারা অসুস্থ ছিল সে সময়ও তারা বিছানা থেকে উঠে নিজের এবং শিশুদের যত্ন নিতে বাধ্য হয়েছিল- এ ব্যাপারে স্বামী তাদের কোন সাহায্য করেনি -যদিও তারা এ ব্যাপারে স্বামীদের কাছে কোন সাহায্য চায় নি বা আশাও করেনি।   </p>
<p><em>ম্যারিড উইথ টু চিল্ড্রেন</em> (বিবাহিত এবং দুটি সন্তান) ব্লগ মন্তব্য করছে:</p>
<blockquote><p>インフルエンザで寝込んでいるときも、４０度の熱が三日間下がらない時も、一週間３８度から熱が下がらずいた時も夫に休んで欲しいと思ったことはありませんでした。夫の職種が営業だったので客先と約束があれば休めないのも仕方がないし、客先と急に約束が入ったら帰れないのも仕方がないので。会社に勤めてお給料を頂いている以上会社に損害を与えるような休暇をとれないのは当たり前。<br />
トピ主様のご主人の業種がわかりませんが当人の体調不良と家族の体調不良はまた別でしょう。夫の風邪を理由に仕事を休む妻というのもありえないと思いますがどう思いますか？</p></blockquote>
<div class="translation">এমনকি, যখন আমি ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে থাকি, অথবা যখন আমার দেহের তাপমাত্রা তিনদিন ধরে ৪০ ডিগ্রী উঠে থাকে, অথবা যখন আমি সপ্তাহ ধরে ৩৮ ডিগ্রীর জ্বরে পড়ে থাকি, তখনও আমার মনে হয় না আমার স্বামী ঘরে থাকবে। সে সময় সে বিপণনের কাজে ব্যস্ত থাকে, যাতে সে তার খদ্দেরদের সাথে দেখা করতে পারে এবং মাঝরাতে যদি কোন জরুরী প্রয়োজন হয় তখন কোন সাড়া পাওয়া যায় না।  </p>
<p>আমি নিশ্চিত, যে ব্যক্তি বেতন পায় সে তার অফিস থেকে ছুটি নেবে না কারণ এই ছুটি অফিসে তার সম্বন্ধে একটা খারাপ ধারণা তৈরি করবে। আমি জানি না অন্যদের স্বামীরা কি করে, তবে স্বামী রত্নটির অসুস্থ হওয়া এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের অসুস্থ হওয়া ভিন্ন বিষয়। আমি বিশ্বাস করি না যে এমন স্ত্রী রয়েছে, যারা চাইবে না তার অসুস্থতার সময় তার স্বামী বাসায় না থাকুক। আপনি কি মনে করেন?</p></div>
<p>মিরি বলছে, অবশ্যই সবাইকে তার স্বামীর সুনামের দিকটা বিবেচনায় রাখতে হবে:</p>
<blockquote><p>旦那さんのお仕事の形態にもよると思いますが、急なお休みは周りにとても迷惑をかける事となります。それに自分(妻）の管理が出来ていない事で夫の会社に迷惑をかけるなぞ夫の評価を下げる事と思って居ます。が病気(入院する様な病気以外）夫が会社休むは普通とは思えません。ヘルパーさん頼むとか考えます。</p></blockquote>
<div class="translation">এটা নির্ভর করে আপনার স্বামী কি ধরনের চাকুরী করে তার উপর। কিন্তু অফিস থেকে ছুটি নেওয়া উক্ত ব্যক্তিটিকে পরবর্তীতে সহকর্মী এবং খদ্দেরদের সাথে কাজের হিসেবে মিলিয়ে নিতে প্রচুর সমস্যায় পড়তে হয়। আপনার স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে আপনার স্বামীর অফিসে সুনাম হানি ঘটতে পারে। আমি মনে করি না কেবল মাত্র স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য কোন স্বামীর অফিস থেকে ছুটি নেওয়া উচিত, যদি না তার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।</div>
<p><em>টিয়ারড্রপ</em> একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। যখন সে অসুস্থ ছিল সে সময় তার স্বামী ঘরে থাকার বদলে তার সহকর্মীদের সাথে মদ পান করতে যান, যা পরবর্তীতে প্রচণ্ড এক পারিবারিক কলহে রূপ নেয়:</p>
<blockquote><p>でももっとびっくりしたのはこの話をした時の女性達の反応！「そんなことで・・・。」という反応なんですよね。ウチなんてもっとひどいわよ～って。妻たちはみんなこういう仕打ちに慣れてしまって、感覚がマヒしてしまっているんだなぁって、悲しく思ったことを覚えています。でもあれから数年・・・完全に私もマヒしてます。</p></blockquote>
<div class="translation">আমাকে যা বিস্মিত করেছে তা হল [বাস্তবতা হল সে মদ খেতে গিয়েছিল] আমার অনেক বান্ধবীর প্রতিক্রিয়া! তারা বলেছে” তুমি এই রকম একটা ঘটনায় রেগে গিয়েছিল? আমার ক্ষেত্রে তো এর চেয়ে বাজে বিষয় ঘটেছে! আমি ভাবলাম এটা কতটা বেদনাদায়ক যে, স্ত্রীরা এই রকম ব্যবহারে এতটা অভ্যস্ত যে তার ফলে তাদের অনুভূতি ভোঁতা হয়ে গেছে। এর পর কয়েক বছর পার হয়ে গেছে&#8230; এবং আমার অনুভূতিও ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে।</div>
<p><em>কানন</em> বলছে যে তার স্বামী ভিন্নভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে।</p>
<blockquote><p>夫の会社の激務や夫の社内での立場を思えば「体調悪いから帰ってきて！」とは言えません。私の体調の悪い時に夕飯を外で済ませてきてくれる。駅の自販機でポカリを買ってきてくれる。私にはそれだけで十分に優しい夫です。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার স্বামীর কাজের পরিমাণ এবং কোম্পানীতে তার অবস্থানের কথা ভেবে আমি তাকে বলতে পারি না যে “ দয়া করা বাড়িতে আস, কারণ আমি অসুস্থ বোধ করছি”। যখন আমি অসুস্থ বোধ করি, সে সময় একটা রেস্তোরায় সে রাতের খাবার খায়। সে সময় সে স্টেশনের একটা ভেন্ডিং মেশিন থেকে সে স্পোর্টস ড্রিংকস বা বিশেষ পানীয় আমার জন্য নিয়ে আসে। তার এই সব কাজই আমার চোখে তাকে এক যত্নবান স্বামীতে পরিণত করেছে।</div>
<p><em>কেঙ্গু-শফু (কর্মজীবী স্ত্রী)</em> বলছে:</p>
<blockquote><p>ちゃんと仕事をしたことないから言える言葉だと思います。 ご主人だって休みたいんだと思います。でも休めないんですよ。自分が体調悪くて休むのは周りに風邪をうつしてはいけないとかそういったことではないですか? 簡単に休めないという現在の多くの日本の企業が問題だと思いますが休めないのが現実です。</p></blockquote>
<div class="translation">যারা কখনো কাজ করেনি এগুলো তাদের শব্দ। আমি মনে করি আপনার স্বামী বাসায় থাকতে চায়, কিন্তু তার পক্ষে তা সম্ভব নয়।<br />
জাপানের অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীর জন্য ছুটি নেওয়া অনেক সময় কঠিন ব্যাপার, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তারা কোন ভাবেই কাজ বন্ধ করে ছুটি নিতে পারে না।</div>
<p>অনেকে এই বিষয়ে সহানুভূতিশীল, যেমন <em>নাবে</em>:</p>
<blockquote><p>リナさんの言うことは正しいです。全然わがままではありません。　私はもちろん休んでいます。 […] 妻が病気になっても働く時代は終わってます。 二人で力を合わせて生活守って時代です</p></blockquote>
<div class="translation">রিনা আপনি যা বলছেন তা ঠিক। এ রকম চিন্তাভাবনা কোন রকমেই স্বার্থপরতা নয়! যখন আমার স্ত্রী অসুস্থ থাকে তখন আমি ছুটি নেই। [..] সেদিন এখন অতীত, যখন স্বামী তার অসুস্থ স্ত্রীকে বাসায় রেখে অফিসে চলে যেত। এখন আমাদের এক সাথে মিলে আমাদের সাংসারিক জীবনকে নিরাপদ রাখতে হবে।</div>
<p><em>পচি</em> বিস্মিত যে সকলেই কতটা কঠিন এবং উদ্বেগের সাথে প্রশ্ন করছে: যদি <em>তারা</em> সকলেই সারা বছর দিনে গড়ে ১৫-১৬ ঘন্টা কাজ তাহলে কি ঘটবে।</p>
<blockquote><p>家族がせっぱつまった状態のときに、仕事のほうがどうにか都合がつきそうだったら、少々遅刻して病院につれていくとか、コンビニで食料を調達するとか、残業はせずに急いで帰ってくるとかするのは社会人失格？頭から「休めるわけない！！」と決めつけるのは、ストイックな姿を会社の人に見せたいから？自分の楽しみのために有給をとることもあるでしょう。（有給をとって友人とゴルフにいく上司をなんども見てます）</p></blockquote>
<div class="translation">যখন পরিস্থিতি আমাকে সেই সুবিধা দেয়  তখন যদি আমি আমার পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং কয়েক ঘণ্টা পরে আসি, সুবিধামত কোন দোকান থেকে খাবার কিনি অথবা বাড়তি কাজ না করে দ্রুত ঘরে ফিরে আসি, তার মানে কি এই যে আমি এই সমাজের উপযুক্ত এক সদস্য নই? আপনি কি খুব দ্রুতই ঘোষণা করছেন না যে “কোন ভাবেই আমি ছুটি নিতে পারব না”। কারণ আপনি আপনার সহকর্মীকে দেখাতে চান যে আপনি কতটা নির্বিকার ভাবাপন্ন ব্যক্তি?<br />
লোকজন আনন্দ উপভোগ করার জন্য যে ছুটি নেয়, তার জন্য তারা টাকা পায়, ঠিক কিনা (পেইড লিভ)? (আমি আমার বসকে অনেক সময় পেইড লিভ নিয়ে তার বন্ধুদের সাথে গল্ফ খেলতে যেতে দেখেছি)</div>
<p><em>টোকুমেই</em> বলছেন এটা নির্ভর করে আপনি কতটা অসুস্থ তা প্রকাশ করার উপর:</p>
<blockquote><p>結婚生活を快適に過ごすこつは、お互いに相手に期待しないことではないかともうすぐ銀婚式の私は思っています。期待すると裏切られたと思うし、期待しなければ些細な優しさもありがたく感じられます。再婚の際の参考までに</p></blockquote>
<div class="translation">শীঘ্রই আমি আমার ২৫ তম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছি এবং আমি বলতে পারি আনন্দদায়ক বিবাহিত জীবনের চাবিকাঠি হল একে অন্যের কাছে বেশি কিছু আশা না করা। যদি আপনি তা আশা না করেন, তাহলে সামান্য ভালোবাসা আপনাকে সুখী করবে। যখন আপনি আবার বিয়ে করবেন সে সময়ের জন্য কিছু উপদেশ হিসেবে একে গণ্য করবেন।</div>
<p>এটা <em>এচিকার</em> উপদেশ:</p>
<blockquote><p>うちの会社の場合、男性が家庭の事情で会社を休むと、上司はあまりよく言いません。なので、私も自分の体調不良と偽って休暇をとり、妻の看病をしました。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার অফিসের বড় কর্তা মনে করে না যে পারিবারিক কারণে পুরুষদের ছুটি নেওয়া উচিত। আমি কোম্পানীকে বলি যে আমি নিজে অসুস্থ এবং এই বলে আমি বাসায় থেকে আমার স্ত্রীর যত্ন নেই।</div>
<p><em>‘উসুয়াইজি’</em> বলছেন যে তার অফিসের ক্ষেত্রে এই রকম কাজ করা অসম্ভব। </p>
<blockquote><p>でも、文句を言い続けて一生夫婦であり続けることよりも、離婚と言う手段を選んだトピ主さんの勇気は素晴らしいと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">সারাজীবন স্বামীর প্রতি অভিযোগ করার চেয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ বেছে নেবার জন্য আমি আপনার প্রশংসা করি।</div>
<p><em>নইয়া</em> বলছে, এটা অনেক বিরক্তিকর, কিন্তু নারীরা কি চায় তা বুঝতে পুরুষেরা দক্ষ নয়, যতক্ষণ না তা মুখে বলা যায়।  </p>
<blockquote><p>妻が病気の時、「食事を作るのは難しいだろうから、外食して帰るよ」という夫さん、よくいますよ。高熱で起きられない妻の食事は??思いつきません。面倒だけど「作れないのでコレコレを買ってきて(何か買ってとまかせると、こってりしたコンビニ弁当とか買ってきてしまう)」</p></blockquote>
<div class="translation">অনেক স্বামী রয়েছে যারা বলবে যে “ আমি বাসায় ঢোকার আগেই রাতের খাবার খেয়ে আসব, কারণ রান্না করা তোমার জন্য কষ্টকর বিষয় হবে”। তাদের মনে হয় না যে শরীরে প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া স্ত্রীরও খাবারে প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি স্বামীকে চিন্তিত করে কিন্তু আপনাকে বলতে হবে,” আমি আজ রান্না করতে পারব না কাজেই দয়া করে আমার জন্য এটা বা সেটা কিনে আন”। যদি আপনি কেনার বিষয়টি তাদের উপর ছেড়ে দেন তাহলে সুবিধা মত কোন দোকান থেকে খাবার কিনে আনবে যা হবে ভীষণ তৈলাক্ত।</div>
<p>এখানে একটা তথ্য জানানো দরকার যে <em>হাটসুজেন কোমাচি</em> অনেক বেশি মহিলাদের, এমনকি অনেক সময় গৃহবধুদের সাথে সম্পর্ক যুক্ত। এই কাহিনীর এক কৌতূহলজনক বৈপরীত্য পাওয়া যাবে হাটেনা ফোরামে যা পুরুষ সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সেখানকার প্রতিক্রিয়া গুলো একেবারে আলাদা (<a href="http://b.hatena.ne.jp/entry/kusoshigoto.blog121.fc2.com/blog-entry-303.html">পৃথিবীতে এমন কোন কাজ নেই যা আমার ও আমার পরিবারের স্বাস্থ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ</a>)। </p>
<p>একটি পেশাগত ফোরাম লিঙ্কইডইন-এ যেমনটা আলোচনা করা হয়েছে (এখানে প্রবেশ করার জন্য লগইন বা নিবন্ধন করা প্রয়োজন: <a href="http://www.linkedin.com/news?viewArticle=&#038;articleID=78146724&#038;gid=1848408&#038;articleURL=http%3A%2F%2Fkusoshigoto%2Eblog121%2Efc2%2Ecom%2Fblog-entry-303%2Ehtml&#038;urlhash=uuar&#038;trk=news_discuss">জাপানের ব্যবসায়ীরা এমনকি নিজেকে ও পরিবারকে কোরবাণী করে</a>), কিন্তু এটি অন্য দিনের জন্য রাখা আরেকটি গল্প।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/05/7296/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নেপালের দলিত নারী: আত্মমর্যাদার জন্য লড়াই করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7210/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7210/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 01 Nov 2009 15:08:02 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7210</guid>
		<description><![CDATA[দলিত বা অস্পৃশ্য জাতির ক্ষেত্রে নেপালের সংবিধানে সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, তবে বাস্তবে সংবিধানের অনেক নিয়ম ও আইনের ফাঁকে এখানে এখনো দলিতের মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।  
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/27/nepals-dalit-women-fighting-for-dignity/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বর্ণপ্রথা অনেক লম্বা সময় ধরে নেপালী সমাজে চলে আসছে, যা সমাজের এক শ্রেণীর মানুষের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করে। এই বিশেষ শ্রেণীর মানুষদের তথাকথিত “অস্পৃশ্য বা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dalit">দলিত</a>&#8221; বলে ডাকা হয়। তাদের নিজের দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। নেপালের সংবিধান দলিতদের সমানাধিকার নিশ্চিত করেছে, কিন্তু সংবিধানের অনেক নিয়ম ও আইনের ফাঁকে, এখানে এখনো দলিতের মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।</p>
<p>দলিতদের ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণ শিক্ষার সুযোগ না থাকা, তেমন কোন চাকুরি না পাওয়া এবং তাদের প্রতি বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য নেপালের সমাজ কাঠামোয় রয়ে গেছে। যা দেশটির দলিতদের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে বাঁধার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলিত নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বাজে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। </p>
<p><a href="http://www.everestuncensored.org/7940/2009/10/14/dalit-women-and-their-major-issues/"><em>এভারেস্ট আনসেন্সারড</em></a> ব্লগের <em>কিরন </em>দলিত নারী ও তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। </p>
<blockquote><p>যখন আমরা দলিত নারীদের কথা বলি, তখন আমরা জানি যে তারা তথাকথিত উচ্চবর্ণের লোকদের হাতে অন্যদের চেয়ে তিন গুণ বেশি বৈষম্যের শিকার হয় (যা দলিত নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে সমান সত্য),  একই সাথে এই সমস্ত নারীরা হিন্দু পুরুষতন্ত্র ও দলিত পুরুষদের নিষ্পেষণের শিকার হয়। নেপালের শতকরা ৯০ ভাগ দলিত মহিলা দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে এবং তাদের শতকরা ৮০ ভাগ অশিক্ষিত। এই সমস্ত মেয়েরা ভয়ানক স্বাস্থ্য বিষয়ক জটিলতা, নারী পাচার, এবং ঘরে নির্যাতনের ঝুঁকির মধ্যে থাকে এবং তারা রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে শোষণের শিকার হয়ে থাকে।</p></blockquote>
<p>নেপালের ৮০ শতাংশ দলিত নারী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত, তাই তাদের উপর ঘটা নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেশি। এ ছাড়াও অনেক সময় দলিত নারীরা তথাকথিত সমাজের উচ্চবর্ণের মানুষের উৎসাহমূলক বর্ণবাদী হামলার শিকার হয়ে থাকে। <a href="http://newsblaze.com/story/20090602124705iwfs.nb/topstory.html"><em>নিউজব্লেজের</em></a> <em>রেনু ছেত্রী</em> একজন দলিত নারীর কথা জানাচ্ছেন, যে রাজধানী কাঠমুন্ডুর কাছের এক গ্রামে এ ধরনের আক্রমণের শিকার হয়।  </p>
<blockquote><p>সম্প্রতি বি. কে নামের এক দলিত নারী এক ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হয়- তার উপর অত্যাচার করা হয় এবং তাকে জোর করে মানুষের মল খেতে বাধ্য করা হয়।  যিনি এই বর্বরোচিত ঘটনার পেছনে ছিলেন, তিনিও এক শিক্ষিত নারী। তার নাম বিমলা লামা। তিনি স্থানীয় গাদি ভঞ্জং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। লামার অভিযোগ ছিল, বিকে ডাকিনীবিদ্যার চর্চা করত।</p></blockquote>
<p>এ বছরের শুরুতে এ ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় এই যে এ ধরনের ঘটনা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রতি বছর দলিত নারীরা এ ধরনের অত্যাচারের শিকার হয়ে থাকে এবং তাদের মধ্যে অল্প কয়েকজনই ন্যায়বিচার লাভ করে। </p>
<p>তবে অনেক দলিত নারী এমন কিছু অর্জন করেছে যা এর আগে অর্জন করা অসম্ভব ব্যাপার ছিল। কাঠমান্ডুর বানেশ্বর এলাকার এক মন্দিরের পুরোহিত এখন <a href="http://trak.in/news/dalit-woman-priest-works-silent-revolution-in-nepal-feature/6917/">এক দলিত রমণী</a>। </p>
<blockquote><p>চাক্কুবাক্কু ভগবতী মন্দিরের পুরোহিত ৪৩ বছরের এক দলিত নারী। রাজধানীর ব্যস্ততম বানেশ্বর এলাকায় এই মন্দির অবস্থিত। এর চারপাশে ও সড়কের উপর অনেক দোকান রয়েছ। একজন নারী পুরোহিত হিসেবে পরিচিত হওয়া ছাড়াও তার আরেকটি পরিচয় রয়েছে, তিনি দলিত সম্প্রদায়ের একজন মানুষ। দলিত, এমন এক সম্প্রদায় যারা অনড় রক্ষণশীল নেপালী সমাজ কাঠামোয় নিচের দিকে অবস্থান করে এবং এমনকি এখনো তাদের ছুঁয়ে ফেললে জাত চলে যাবে বলে বিবেচিত করা হয়।</p>
<p>চার সন্তানের মা এই পুরোহিত সার্কি গোত্র থেকে এসেছেন এবং যারা আসলে মুচির কাজ করে। যখন নেপাল সাংবিধানিকভাবে একটি হিন্দুরাজ্য ছিল, সে সময় তাদের জোর করে গরুর মৃতদেহের সাথে বাস করতে বাধ্য করা হত এবং সে সময় গরু বা গোহত্যা নিষিদ্ধ ছিল।</p></blockquote>
<p>.<br />
২০০৮ সালের ১০ এপ্রিল নেপালে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সে সময় বেশ কিছু দলিত প্রার্থী নির্বাচনে বিজয়ী হয়, যাদের মধ্যে কয়েকজন দলিত নারীও ছিল। দলিত নেতারা আশা করছে  রাজনৈতিক অংশগ্রহণে দলিতদের সংখ্যা বাড়ার ফলে বিষয়টি নেপালী সমাজে যে বৈষম্য রয়েছে তা ঘোচাতে সাহায্য করবে। </p>
<p> <em>নেপালনিউজ.কম</em> থেকে নেপালী ভাষার এক <a href="http://www.youtube.com/v/p3PS5T1sGxE">ভিডিও </a>এখানে তুলে দেওয়া হয়েছে, যে ভিডিওতে এক দলিত নেতা আলোচনা করছে কি ভাবে দেশটির নতুন সংবিধানকে নতুন এক আকার দেওয়া যায়, যাতে বর্ণপ্রথা নামক বৈষম্যটিকে চিরতরে দুর করে দেওয়া যায়।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/p3PS5T1sGxE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/p3PS5T1sGxE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>নেপালের দলিতদের সম্বন্ধে আরো তথ্য জানতে চাইলে <a href="http://www.nepaldalitinfo.net/">নেপাল দলিত ইনফো </a> সাইটে প্রবেশ করতে পারেন, যেখানে তথ্যমূলক প্রবন্ধ, গবেষণা এবং নেপালের দলিতদের নিয়ে সম্প্রতি যে আন্দোলন চলছে সে সম্বন্ধে তথ্য রয়েছে। এই সকল তথ্য ইংরেজী ও নেপালী  উভয় ভাষাতেই পাওয়া যাবে। </p>
<p>নেপালে কাগজে কলমে লম্বা সময় বৈষম্যের বিরুদ্ধে  আইন প্রচলিত রয়েছে, কিন্তু বর্ণপ্রথা সমাজের একটি শ্রেণীকে সমাজ থেকে আলাদা করে রেখেছে। এটা স্পষ্ট যে যতদিন না নেপালের দলিত ব্যক্তি, বিশেষ করে দলিত রমণীরা শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ না পাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত দলিতদের উপর আক্রমণ করার জন্য নতুন নতুন অজুহাত খোঁজা চলতেই থাকবে।    </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7210/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: ঘরোয়া নির্যাতন বন্ধের জন্যে প্রচারণা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7185/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7185/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 16:56:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7185</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
দক্ষিণ এশিয়ার প্রতি দুই নারীর একজন ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার। এ টাইম টু রিফ্লেক্ট ব্লগের চারুকেশী লিখছেন বেল বাজাও নামক প্রচারণার কথা যা ভারতে ঘরোয়া নির্যাতন বন্ধের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/29/india-a-campaign-to-end-domestic-violence/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>দক্ষিণ এশিয়ার প্রতি দুই নারীর একজন ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার। <em><a href="http://indsight.org/blog/archives/2009/10/27/bell-bajao/">এ টাইম টু রিফ্লেক্ট</a></em> ব্লগের <em>চারুকেশী</em> লিখছেন <em><a href="http://www.bellbajao.org/">বেল বাজাও</a></em> নামক প্রচারণার কথা যা ভারতে ঘরোয়া নির্যাতন বন্ধের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7185/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: একজন অবিবাহিত নারীর জীবন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/23/7104/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/23/7104/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 23 Oct 2009 19:24:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7104</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
&#8220;আজকের সভ্যতার এই দিনে, এমনকি ভারতের শহুরে অঞ্চলেও মানুষ এটি মেনে নিতে চায় না যে একজন অবিবাহিত একলা নারী একটি সুখী, স্বাস্থ্য সম্মত এবং পরিপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারেন,&#8221; জানাচ্ছেন রামাপ্রিয়া গোপালাকৃষ্ণান আল্ট্রাভায়োলেট ব্লগে। তিনি ব্যাখ্যা করছেন যে একজন একলা নারী [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/india-life-as-a-single-woman/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>&#8220;আজকের সভ্যতার এই দিনে, এমনকি ভারতের শহুরে অঞ্চলেও মানুষ এটি মেনে নিতে চায় না যে একজন অবিবাহিত একলা নারী একটি সুখী, স্বাস্থ্য সম্মত এবং পরিপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারেন,&#8221; <a href="http://ultraviolet.in/2009/10/22/single-in-the-city/">জানাচ্ছেন</a> <em>রামাপ্রিয়া গোপালাকৃষ্ণান</em> আল্ট্রাভায়োলেট ব্লগে। তিনি ব্যাখ্যা করছেন যে একজন একলা নারী ভারতে কি কি অসুবিধার সম্মুখীন হয়।       </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/23/7104/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কিভাবে অর্থনৈতিক মন্দা মাতৃত্বের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 22 Oct 2009 06:11:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7060</guid>
		<description><![CDATA[যখন গতবছর বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন মায়েরাও এর শিকার হয়ে পড়ে। এই জটিল অর্থনৈতিক অবস্থায় বেশীর ভাগ মানুষের মাথায় আসে নি যে মায়েরাও এই অর্থনৈতিক দুরবস্থার শিকার হতে পারে। সম্প্রতি এক তথ্য জানা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার সময় মায়েরা শেয়ার বাজারের মত ক্ষতির শিকার হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/daniel/">ড্যানিয়েল চন্দ্রানায়াগাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/how-the-recession-has-affected-motherhood/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যখন গতবছর বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন মায়েরাও এর শিকার হয়ে পড়ে। এই জটিল অর্থনৈতিক অবস্থায় বেশীর ভাগ লোকের মাথায় আসে নি যে মায়েরাও এই অর্থনৈতিক দুরবস্থার শিকার হতে পারে। সম্প্রতি এক তথ্যে জানা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার সময় মায়েরা শেয়ার বাজারের মত ক্ষতির শিকার হয়েছে।</p>
<p><strong>বিকল্প আয়</strong></p>
<p>এই <a href="http://www.associatedcontent.com/article/277958/single_mothers_are_turning_to_online.html"><em>বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত</em></a> এক লেখার সারমর্ম:</p>
<blockquote><p>শিশুদের যত্ন নেবার যে সমস্ত উপাদান তার দাম ভীষণ ভাবে বেড়ে যাওয়া এবং একই সাথে চলতে থাকা অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মায়েরা নিয়মিতভাবে তাদের সন্তানের ভরণপোষণ করতে পারছে না। বর্তমানে অনেক নি:সঙ্গ মা নিজের ও সন্তানের ব্যয় নির্বাহের জন্য পতিতায় পরিণত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>এই তথ্যের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে যে, ইন্টারনেট এইসব মায়েদের জন্য এক নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। “হলি” নামের এক মা, যার বয়স ২৫ বছর, তিনি আমাদের জানাচ্ছেন তার পতিতায় পরিণত হবার কথা:</p>
<blockquote><p>আমার প্রাক্তণ স্বামী আমার চার বছরের পুত্র সন্তানকে প্রতিপালনের জন্য কোন টাকা দিচ্ছে না, এদিকে টাকার জন্য আমার প্রায় পাগল হয়ে যাবার মত অবস্থা&#8230; আমি এক ধনী মানুষের খোঁজে ইয়াহুতে বিজ্ঞাপন দিয়েছি, যে যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে (সুগার ড্যাডি) আমাকে এই বিপদ থেকে বের হতে সাহায্য করবে।</p></blockquote>
<p>এই সমস্যাটি জাপানে ক্রমাগত একটি ধারায় পরিণত হচ্ছে। <a href="http://www.japantoday.com/category/kuchikomi/view/single-mothers-squeezed-by-recession-turning-to-prostitution-as-last-resort"><em>জাপান টুডে জানাচ্ছে</em></a>: </p>
<blockquote><p>জাপানের স্বাস্থ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য জানা যায়, জাপানে প্রায় ১.২৩ মিলিয়ন (১২,৩০,০০০) নি:সঙ্গ মা (যারা স্বামীর সাথে থাকে না বা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবার পর সন্তান তার মায়ের সাথে থাকে এমন মহিলা) রয়েছে। সরকারের দেওয়া সুবিধাদি সহ তাদের গড় বাৎসরিক আয় প্রায় ২.১১ মিলিয়ন ইয়েন- যা একটা সংসারের বার্ষিক ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ। ২০০২ সালে এক পরিবর্তিত সমাজ কল্যাণ আইনের কারণে তাদের সুবিধাও কমে গেছে। বর্তমান চলমান অর্থনৈতিক মন্দা তাদের বেছে বেছে কাজ করার সুযোগও কমিয়ে এনেছে। ২৮ বছরের সুজুকি এই পরিস্থিতিকে উল্লেখ করেন “রুরিকো কামাতা” বলে, যার মানে পতিতাবৃত্তি তার জন্য বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়।</p></blockquote>
<p>কেবল নি:সঙ্গ মায়েদের ক্ষেত্রে নয়, নি:সঙ্গ মহিলারাও জাপানে পতিতা বা “অতিথি (মনোরঞ্জনের জন্য)” পেশায় নিয়োজিত হচ্ছে। <a href="http://www.groundreport.com/World/Japanese-women-turn-for-club-jobs-again/2904802"><em>গ্রাউন্ড রিপোর্টের </em>এক সংবাদে</a> জানা যাচ্ছে অনেক তরুণী “ক্লাবের নোংরা পেশায়” জড়িয়ে পড়ছে। অস্ট্রেলিয়ার নার্সদের ব্লগ <a href="http://www.nurseinaustralia.com/nurses-turn-to-prostitution/"><em>নার্সেস ইন অস্ট্রেলিয়া</em></a>  জানাচ্ছে, নার্সরা তাদের পেশা ত্যাগ করে পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। </p>
<p>এই রকম এক <a href="http://abcnews.go.com/Business/Economy/story?id=6308834&#038;page=1&#038;page=1">সংবাদের</a> প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের সকল সত্যিকারের নারীদের জন্য উৎসর্গীকৃত <a href="http://wandaphullworld.com/2008/11/24/desperate-women-are-turning-to-prostitution-during-recession/"><em>ওয়ান্ডফুল ওয়ার্ল্ড</em></a> ব্লগ বলছে:</p>
<blockquote><p>নারী, আমরা জানি সময় এখন কতটা কঠিন এবং আমরা ঘর ভাড়া দিতে পারছি না, কিন্তু এই রকম কঠিন সময় চিরদিনের জন্য থাকবে না। কাজেই প্রার্থনা কর এবং ধৈর্য ধর। এখন সময় সকলের জন্য কঠিন কিন্তু তারপরেও নারী হিসেবে আমাদের দৃঢ় হয়ে থাকতে হবে এবং অর্থনৈতিক এই দুরবস্থার সময় আমাদের হৃদয়, ঘর এবং শরীরকে ভেঙ্গে পড়তে দেওয়া চলবে না। নারীরা অনেক দৃঢ়, যার জন্য পুরুষেরা তাদের প্রশংসা করে এবং আমি নিশ্চিত যে সত্যিকারে কঠোর পরিশ্রমী নারী এই ধরনের গল্পে বিরক্ত বোধ করবে, যেমনটা আমি করি। এর পরেও (আমি) তাদের জন্য করুণা অনুভব করি, যারা মনে করে এই বিষয়টি (পতিতাবৃত্তি) প্রয়োজনীয়।</p></blockquote>
<p><strong>মাতৃত্ব ধারণ করার আগে দ্বিতীয় বারের মত ভাবনা </strong></p>
<p>নারীদের উপর মন্দার আরেকটি প্রভাব তৈরি হয়েছে। এটি হল মাতৃত্ব নিয়ে নারীদের ভিন্ন এক ভাবনা। অনেক মহিলা মা হবার আগে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করছে। <a href="http://www.besternews.com/article/Bester%20News%20-%20Top%20News/Recession%20giving%20U.S.%20women%20pause%20about%20motherhood/">রয়টার্সের মাধ্যমে <em>বেস্টার নিউজ</em> জানাচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>অর্থনৈতিক মন্দার কারণে অনেক আমেরিকান মহিলা কোন সন্তান নেবার আগে দ্বিতীয় বারের মত চিন্তা করে, বৃহস্পতিবারে প্রকাশিত এক জরীপে এই তথ্য প্রকাশ পায়। জরীপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের মত মহিলা জানিয়েছে এখন তারা দেরীতে সন্তান নিতে চান অথবা যে পরিমাণ সন্তান তারা পূর্বে নিতে চেয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার পরিমাণ কমিয়ে আনতে চান।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.workitmom.com/bloggers/workingonmotherhood/?p=55"><em>ওয়ার্ক ইট, মম</em> এর ব্লগার</a> লেহ, তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p><a href="http://parenting.blogs.nytimes.com/2009/02/09/postponing-a-baby-in-this-recession/">নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন</a>, <a href="http://www.webmd.com/baby/news/20081014/shrinking-economy-puts-baby-on-hold">ওয়েবমেড</a>, এবং <a href="http://www.workitmom.com/blogs/member_blog_post/6464">ওয়ার্ক ইট মম</a> -এর, সবাই তাদের পত্রিকায় অর্থনৈতিক দুরবস্থা যে শিশু জন্ম হার ও প্রতিটি ঘরে সন্তান নেবার হারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে তা তুলে ধরছে। একটি পরিবার তা পুরোনো মন মানসিকতার অথবা কোন ফার্টিলিটি বা চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান লাভ করা পরিবার, অথবা কাউকে দত্তক নেবার মাধ্যমে সন্তান লাভ, সব ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়ছে- যে কোন ক্ষেত্রেই যতই ব্যয় কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হোক না কেন, তারপরেও সব গুলো পদ্ধতি ব্যয়বহুল। এর সাথে গত শরৎ-এর পর থেকে যে তিনটি প্রধান ব্যয়ের কথা আমি উপলব্ধি করছি- তা হল মাতৃত্ব কালীন ছুটি, সন্তানের যত্ন এবং স্বাস্থ্য বীমা- অন্য সব খরচের সাথে এগুলো যুক্ত হয়েছে। এর বাইরেও ডজন খানেক অর্থনৈতিক উপাদান রয়েছে, যা সন্তান নেওয়া যাবে কি যাবে না তার উপর প্রভাব বিস্তার করে।</p></blockquote>
<p><em>এরিকা</em> এই ব্লগ পোস্টে মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আমার বয়স প্রায় ২৯ বছর এবং ৩০ বছরের মাথায় আমি দু&#39;টি সন্তান নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই অর্থনৈতিক মন্দায় মনে হচ্ছে না তা সম্ভব হবে। আমি আশা করি সামনের বছর পরিস্থিতি আরো ভালো হবে। আমার স্বামী আমাকে বোঝাচ্ছে, যে একটি সন্তান আমাদের রয়েছে তাকে নিয়ে আমাদের সুখী থাকা উচিত, কারণ সে মনে করে আরেকটি সন্তানের ভরণ পোষন করার ক্ষমতা আমাদের নেই।</p></blockquote>
<p>সম্প্রতি <a href="http://www.guttmacher.org/">গাটমাচের ইনস্টিটিউটের</a> করা এক জরিপ এই সমস্ত আবেগের প্রতিধ্বনি করছে। জরীপে বের হয়ে এসেছে “আমেরিকার মাধ্যম- আয়ের নারীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৪%) অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সন্তান জন্মদানের উপযুক্ত সময়েও সন্তান নিতে পারছে না”। </p>
<p><strong>কি ধরণের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত?</strong></p>
<p><a href="http://www.care2.com/causes/womens-rights/blog/birth/">গাটমাখার ইনস্টিটিউট একই সাথে আবিষ্কার করেছে</a> যে, অনেক মহিলা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি ছাড়াই গর্ভধারণ রোধ করছে অথবা সস্তা কোন গর্ভনিরোধক উপাদান কিনছে, যাতে তারা এই রকম অর্থনৈতিক দুরবস্থায় টাকা জমাতে পারে।  <em>কেয়ার২.কম</em>-এ <em>ওমেন রাইট ব্লগ</em> জানাচ্ছে: </p>
<blockquote><p>সমস্যা হচ্ছে, গ্রহণযোগ্য বা যে সমস্ত জন্ম নিয়ন্ত্রণ উপাদান রয়েছে তার ব্যয় এখনো নাগালের বাইরে, কারণ বিষয়টি এখনো দেশটির মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না..। এটা কেবল জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি নাগালের মধ্যে পাওয়ার বিষয় নয়-এটা মেয়েদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় বিষয় যেমন মেরুদণ্ডের নিচের অংশে ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বিবেচনা করছে কি ভাবে এই মন্দার সময় নাগরিক, পরিবার পরিকল্পনা ও পুনরুৎপন্ন স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা যায়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.cafemom.com/dailybuzz/healthy_living/4988/Can_You_Still_Afford_Birth_Control_in_the_Recession"><em>হেলথি লিভিং বাজ ব্লগের</em></a> <em>ক্যাফে কিম</em> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমি এই জরিপের ফলাফলকে এক বিপজ্জনক সঙ্কেত হিসেবে দেখছি, কারণ যদি এই সমস্ত মেয়েরা জন্মনিয়ন্ত্রণের উপাদান কিনতেই অসমর্থ হয়, তা হলে তারা কিভাবে তাদের সন্তানের ভরণপোষণ করতে সমর্থ হবে? এ ব্যাপারে কি করা যায়?</p></blockquote>
<p><em>ক্যাফে কিমের</em> জবাবে <em>অক্টোবর মম</em> লিখেছে:</p>
<blockquote><p>[একটি] শিশু একটা বাচ্চার চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল! যদি কেউ তার শিশুকে পালন করতে না পারে তা হলে দেশের অবশিষ্ট লোক তার সন্তান পালনের জন্য টাকা দেবে, কারণ সে তার প্যান্ট পরতে পারছে না।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.walletpop.com/blog/2009/05/19/recession-adoptions-economy-forces-some-women-to-give-up-babies/"><em>ওয়ালেট পপ</em> এর ফ্রান্সিনা হাফ</a> জানাচ্ছে, যে সমস্ত পরিবারগুলো এই সমস্যায় পড়ে গেছে, তারা তাদের সন্তানকে অন্য কোথায় দিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করছে। কারণ তারা তাদের সন্তানকে মানুষ করতে পারছে না। একই সাথে <em>ওয়ালেট পপ</em> জানাচ্ছে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান সন্তান দত্তক দেবার ব্যবসা করে, তারা দাবি করছে যে সন্তান দত্তক দিতে চায় এমন মায়েদের এই বিষয়ে খোঁজ খবর নেবার পরিমাণ বেড়ে গেছে। অর্থনৈতিক মন্দা যে মায়েদের উপর কতখানি প্রভাব ফেলেছে এগুলো তার সামান্য কিছু উদাহরণ মাত্র। এই মন্দা কাটিয়ে ওঠার পথে মাতৃত্বকে নিরাপদ করার জন্য সবাইকে আরো অনেক কিছু করতে হবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: গর্ভধারী মায়েদের উচ্চ মৃত্যুর হার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/15/6983/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/15/6983/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2009 12:42:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6983</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ওয়ার্ল্ড ফোকাস ব্লগের বেন পিভেন হিউমান রাইটস ওয়াচের নারী অধিকার শাখার গবেষক অরুনা কশ্যপের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। অরুনা সম্প্রতি ভারতের গর্ভ ধারী মায়েদের স্বাস্থ্য নিয়ে একটি রিপোর্ট লিখেছেন যা হিউমান রাইটস ওয়াচ প্রকাশ করেছে। এই সাক্ষাৎকারে তিনি বর্ণনা করছেন যে ভারতে গর্ভ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/14/india-high-maternal-mortality/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>ওয়ার্ল্ড ফোকাস</em> ব্লগের <em>বেন পিভেন</em> হিউমান রাইটস ওয়াচের নারী অধিকার শাখার গবেষক <a href="http://worldfocus.org/blog/2009/10/13/dying-during-childbirth-in-india/7699/">অরুনা কশ্যপের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন</a>। অরুনা সম্প্রতি ভারতের গর্ভ ধারী মায়েদের স্বাস্থ্য নিয়ে <a href="http://www.hrw.org/en/reports/2009/10/08/no-tally-anguish-0">একটি রিপোর্ট লিখেছেন</a> যা হিউমান রাইটস ওয়াচ প্রকাশ করেছে। এই সাক্ষাৎকারে তিনি বর্ণনা করছেন যে ভারতে গর্ভ ধারী মায়েদের মৃত্যুর হার এখনও কেন অনেক বেশী। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/15/6983/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পেরু: চান চান প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণের উদ্যোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 08 Oct 2009 04:15:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পেরু]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6850</guid>
		<description><![CDATA[চান চান উত্তর পেরুতে অবস্থিত এক প্রত্নতাত্বিক এলাকা এবং এটি লুটেরাদের লুটপাট ও প্রাকৃতিক কারণে ধ্বংস হচ্ছে। একে রক্ষা করার জন্য বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার একটি পরিচালনা করছে একদল গৃহবধূ। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juan-arellano/">জুয়ান আরেলানো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/26/peru-preservation-efforts-in-the-chan-chan-archaeological-site/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chan_Chan">চান চান</a> প্রাক-কলম্বিয়া যুগের এক শহর। এটি ৯ শতকে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimu">চিমু সংস্কৃতির তৈরি</a> এক কাদামাটির এক শহর যা লা লিবার্টাড অঞ্চলে অবস্থিত। পেরুর উত্তরাঞ্চলের শহর ট্রুজিলোর পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই এলাকা। চান চান প্রায় ২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং এই শহর <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chimor">চিমোর</a> জনগোষ্ঠী তৈরি করেছে। এই জনগোষ্ঠী চিমু সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১৪৭০ সালে ইনকারা এই এলাকা জয় করার আগ পর্যন্ত এই সাম্রাজ্য টিকে ছিল। এর আকার অনুসারে ধারণা করা হয় যে এর জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩০,০০০ হাজার।</p>
<p>যদিও ১৯৮৬ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ হিসেবে ঘোষণা করে তারপরেও এর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়, এবং লুটেরারা ক্রমাগত ভাবে এর সম্পদ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে ও প্রাকৃতিক কারণে এর ক্ষতি হচ্ছে। এই সব ঘটনা উপর একটা প্রভাব ফেলেছে। তবে সরকার ও নাগরিক সমাজ এই প্রত্নতাত্বিক এলাকা ও এই সংস্কৃতির ইতিহাস সংরক্ষণের বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। </p>
<div id="attachment_6865" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/chanchan.jpg" alt=" চান চানের ছবি, মার্টিনয়ের সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে" title="chanchan" width="400" height="269" class="size-full wp-image-6865" /><p class="wp-caption-text"> চান চানের ছবি, মার্টিনয়ের সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে</p></div> 
<p><em>ট্রাবাজামোস পর চান চান [স্প্যানিশ ভাষায়] </em> (আমরা চান চানের জন্য কাজ করি) ব্লগ  ট্রুজিলোর এক পাশে যে কাজ হচ্ছে তার উপর সংবাদ প্রকাশ করেছে। হুয়ানচাকোর বালুকাময় এলাকার কাছে এই প্রত্নতাত্বিক কাজ চলছে এবং এই কাজ সরকারি পুরস্কার লাভ করছে। এই প্রকল্পের নাম “চান চান এর নাগরিকরা”। এই <a href="http://aventuraenchanchan.blogspot.com/2008/12/programa-educativo-de-chan-chan-gana.html">প্রকল্প স্কুলের ছেলেমেয়েদের যুক্ত করেছে যাতে তারা তাদের ইতিহাস সম্বন্ধে জানতে পারে এবং তা সংরক্ষণ করতে পারে</a>:    </p>
<blockquote><p>Frente a la circunstancia de que los monumentos históricos y el patrimonio general se encuentra olvidado y descuidado, es necesario que exista un nuevo tipo de ciudadano que conozca, ame y engrandezca su legado histórico; por esta razón, es que creamos el Programa “Ciudadanos de Chan Chan”, en donde primero se les enseña a conocer y amar el pasado; para luego involucrar a los escolares en los trabajos de conservación; así engrandecen su propia identidad”, señaló Cristóbal Campana, director de los trabajos de conservación del Complejo Arqueológico Chimú y creador de esta experiencia educativa.</p></blockquote>
<div class="translation">ঐতিহাসিক ঘটনা এবং স্থাপনা গুলো যখন ভুলে যাওয়া এবং উপেক্ষার শিকার, তখন এই কাজ তাদের সেই সমস্ত বিষয়ের মুখোমুখি করবে। এমন এক নতুন প্রজন্ম দরকার, যারা তাদের অতীতকে জানবে, ভালবাসবে এবং সংরক্ষণ করবে। এই কারণে আমরা “চান চান এর নাগরিক”-এর মতো পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এর মধ্যে দিয়ে (স্কুলের) ছেলেমেয়েরা প্রথমে তাদের অতীত সম্বন্ধে জানবে এবং তাকে ভালবাসতে শিখবে; পরবর্তীতে স্কুলের ছেলেমেয়েরা এই সমস্ত প্রত্নতাত্বিক বস্তু সংরক্ষণ করতে শেখার সাথে যুক্ত থাকবে। এ ভাবেই তারা তাদের নিজেদের পরিচয়কে আবার তুলে ধরবে”। এই কথাগুলো জানান ক্রিস্টোবাল কাম্পানা, চিমু প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণ উদ্যোগের পরিচালক ও এই ব্যাপারে যে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে তার স্রষ্টা।</div>
<p>এই সংরক্ষণ উদ্যোগের ফলে কিছু নতুন বিষয় আবিষ্কার হয়েছে। ব্লগ <em>ট্রাবাজামোস পর চান চান [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>, এই সব আবিষ্কারের বর্ণনা করছে : “<a href="http://aventuraenchanchan.blogspot.com/2009/08/recientes-hallazgos-dan-nuevas-luces-la.html">এখানে এক কাঠের মূর্তি ও কিছু হাড় আবিষ্কার হয়েছে (যা) চিমু আমলে ধর্মীয় উপাসনায় ব্যবহার হত</a>”।         </p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/El_Niño-Southern_Oscillation">এল নিনোর</a> মত প্রাকৃতিক কারণে এখন জলবায়ু পরিবর্তন, ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং তার ফলে এই এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে ক্ষয়। এই কারণে এই সমস্ত প্রত্নতাত্বিক এলাকা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তবে মানুষই এই <a href="http://enperublog.com/2009/07/06/chan-chan-under-constant-threat">প্রত্নতাত্বিক এলাকার সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ, যেমনটা বর্ণনা করছে ব্লগ</a>.. <em>এন পেরু</em>: </p>
<blockquote><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্রমাগত অবৈধভাবে জমি দখল, এই প্রাচীন এলাকা.. আইএনসির জন্য এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এইসব ব্যক্তিরা এই তথাকথিত “সংরক্ষিত” প্রত্নতাত্বিক এলাকার জমি দখল করেছে। এক বর্ণনায় জানা যায়, প্রায় ২৬৩ জন দাবি করেছে যে তারা এখানকার জমির মালিক। এদের সবাইকে এখান থেকে সরে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এলাকা ছেড়ে চলে যায় নি। তার বদলে তারা বেড়া উঠিয়ে জমিতে কাজ শুরু করে দিয়েছে এবং এই এলাকাটি তাদের দিয়ে দেবার জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি করছে।</p></blockquote>
<p>তবে, স্থানীয় গৃহবধূদের একটি দলের কাজ অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। <a href="http://www.elcomercio.com.pe/noticia/331474/amas-casa-restauran-muros-chan-chan_1">পেরুর সংবাদপত্র এল কোমেরসিও [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> বর্ণনা করেছেন, ভিলা দে মার নামক প্রতিবেশী এক এলাকার গৃহবধূরা ২০০৬ সাল থেকে চান চান প্রত্নতাত্বিক শহরের উপর কাজ করে যাচ্ছে। তারা পুরুষের অনেক কাজ করছে, তারা পোড়ামাটির ইঁট বয়ে আনছে, তারা মই বয়ে আট মিটার উঁচুতে উঠেছে, চাকাওয়ালা গাড়ি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গেছে, উপর থেকে নীচ পর্যন্ত সব জায়গায় তারা কাজ করেছে। এই সকল কাজের লক্ষ্য ছিল একটাই, সময় এবং মানুষ এই এলাকার যে ক্ষতি করেছে, তা অনেকটা আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা।    </p>
<p>এই সমস্ত মহিলারা ব্লগেও লেখেন, যেমন ট্রুজিলো ব্লগ <em>এসপেসিয়াল এন ইন্টারমিডিয়া [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>, যার লেখক রজার মন্টিয়েলগ্রে এবং তিনি <a href="http://especialesdeintermedia.blogspot.com/2009/03/conservadoras-de-un-mundo-de-barro.html">এইসব সংরক্ষণকারীদের নিয়ে লিখেছেন, যার শিরোনাম “কাদামাটির এক পৃথিবী</a>”: </p>
<blockquote><p>En el monumento de barro, capital de la civilización Chimú, hoy Patrimonio Mundial de la Humanidad, existen alrededor de sesenta mujeres, antes dedicadas a los quehaceres del hogar, ahora convertidas en potenciales conservadoras, especialistas en monumentos de tierra. Trabajando a la par con sus compañeros. ¿Sexo débil? Ni que hablar. Basta contemplar sólo unos minutos su trabajo “en la tierra, en el cielo o en el agua” para darnos cuenta de su fortaleza; su empeño es el mismo en cualquier espacio, no pierden su feminidad, por el contrario incrementan su maternidad. Un periodista le pregunta a una mujer que trabaja en la conservación de Chan Chan qué siente por el monumento, ella responde: “Lo quiero como a mi marido porque me da de comer. Y como a mi hijo, porque lo ayudo a crecer”.</p></blockquote>
<div class="translation">কাদামাটির এই স্থাপনা এক সময় চিমু সভ্যতার রাজধানী ছিল এবং এখন যা ইউনেস্কোর মতে মানুষের তৈরি বিশ্ব ঐতিহ্যের এক অংশ। এখানে সেখানে প্রায় ৬০ জনের মতো মহিলা কাজ করছে, যারা এক সময় ঘরগৃহস্থালির কাজে যুক্ত ছিল। এখন তারা এক সম্ভাব্য এক সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত, বিশেষ করে মাটির তৈরি এক স্থাপনা সংরক্ষণের কাজে। তারা তাদের পুরুষ সহকর্মীদের সাথে কাজ করছে। সেই সমস্ত মহিলার, যাদের দুর্বল ভাবা হয়? এর কোন বিকল্প নেই। “মাটি, শূন্যে বা পানিতে” তাদের কাজ যদি মাত্র কয়েক মিনিট পর্যবেক্ষণ করা যায়, তাহলে বোঝা যাবে তাদের শক্তি কতখানি। যে কোন পরিবেশে তারা দৃঢ়তার সাথে কাজ করতে সক্ষম। এক্ষেত্রে তারা কোনভাবেই তাদের নারীত্ব হারায় না, বরঞ্চ কাজের সময় তাদের মাতৃরুপ বাড়াতে থাকে। এই সংরক্ষণ এলাকায় কাজ করতে থাকা এক মহিলাকে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিল, এই প্রাচীন স্থাপনা সম্বন্ধে তার অনুভূতি কি, সে উত্তর করে, “এই এলাকাকে আমি তেমনিই ভালোবাসি যেমনটা আমি আমার স্বামীকে ভালোবাসি, কারণ এটি আমাকে জীবনের পুষ্টি যোগায়। এবং এটাকে আমি আমার ছেলের মত ভালোবাসি, কারণ তাকে বেড়ে উঠতে আমি সাহায্য করছি”।</div>
<p>সরকারের অন্য সব প্রতিষ্ঠান এই ব্যাপারে সাহায্য করছে, যেমন চান চান এলাকায় কাজ করতে থাকা<a href="http://www.chanchan.gob.pe/chanchan.html">ইমপ্লিমেনটেশন ইউনিট ১১০ বা প্রয়োগিক ১১০ নম্বর দল [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। তারা ট্রুজিলোয় ভিন্ন এক প্রকল্পে কাজ করছে। তাদের কাজ সম্বন্ধে তাদের ওয়েবসাইট অনেক তথ্য জানাচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনের লোকেরা এই ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের কাজে সাহায্য করছে। এই বিষয়ে জানাচ্ছে <a href="http://www.universia.edu.pe/noticias/principales/destacada.php?id=69768">ইউনির্ভাসিয়া পেরুর [স্প্যানিশ ভাষায়]</a> ওয়েবসাইট। তারা  ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া এক ছবি প্রদর্শনীর সংবাদ প্রকাশ করছে। এই অনুষ্ঠানটি নর্দান প্রাইভেট ইউনির্ভাসিটির (স্প্যানিশ ভাষার নামের অদ্যক্ষর নিয়ে যাকে ডাকা হয় ইউপিএন নামে) যোগাযোগ বিজ্ঞান বিভাগ ও বা ইমপ্লিমেনটেশন ইউনিট ১০০ -এর  সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রদর্শনীর শিরোনাম ছিল &#8216;মে লিয়ামো ট্রুজিলো, মে এ্যাপেলিডো চান চান&#39; (আমার ভালো নাম ট্রুজিলো, আমার ডাক নাম চানচান)। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/08/6850/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মরোক্কো: শিশু শ্রম আবার বিতর্কের শীর্ষে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/04/6821/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/04/6821/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 04 Oct 2009 21:52:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6821</guid>
		<description><![CDATA[মার খাওয়া রক্তাক্ত একটি ছোট মেয়ে হাসপাতালের বেডে ধুঁকছে। ১০ বছর বয়সেই সে গৃহপরিচারিকার কাজ নিয়েছিল। জয়নব চিটিট এর জীবন কেটেছে এক ধন্যাঢ্য গৃহকর্তার কাজ করে যে তাকে মারত এবং খাবার দিতে অস্বীকার করত।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/07/morocco-child-labor-under-the-spotlight/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div class="wp-caption alignleft" style="width: 225px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/zainab1.jpg"><img alt="ন" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/zainab1.jpg" title="হাসপাতালে জয়নব চিটিট" width="215" /></a><p class="wp-caption-text">হাসপাতালে জয়নব চিটিট</p></div>মার খাওয়া রক্তাক্ত একটি ছোট মেয়ে হাসপাতালের বেডে ধুঁকছে। ১০ বছর বয়সেই সে গৃহপরিচারিকার কাজ নিয়েছিল। জয়নব চিটিট এর জীবন কেটেছে এক ধন্যাঢ্য গৃহকর্তার কাজ করে যে তাকে মারত এবং খাবার দিতে অস্বীকার করত। <i>এ মরোক্কান এবাউট দ্যা ওয়ার্ল্ড এরাউন্ড হিম</i> ব্লগ এই মেয়ের দু:খের কথা বর্ণনা করেছে <a href="http://cabalamuse.wordpress.com/2009/09/01/zainab/">এক সাম্প্রতিক লেখায়</a>।</p>
<blockquote><p>জয়নবকে এখন মুক্ত দেখাচ্ছে। মারের চোটে তার সারা গা রক্তাক্ত ছিল এবং মারের দাগ বসে গিয়েছিল। তার ঠোটে ইস্ত্রির ছেঁকা দেয়া হয়েছিল। ফুটন্ত তেল দিয়ে তার বুক এবং জননাঙ্গ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। সে একটি অশিক্ষিত মেয়ে। তার কোন দিন সাথীদের সাথে খেলার সুযোগ হয় নি। তার ভবিষ্যৎ তার জন্যে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল: গৃহপরিচারিকার ঘানি টানা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। এবং কিছুদিন আগে সে সত্যিই মারা যেতে বসেছিল।</p></blockquote>
<p>দুর্ভাগ্যবশত: জয়নবের গল্প নতুন নয়। মরোক্কোতে ১৫ বছরের কমবয়সী প্রায় ১৭৭০০০ শিশু শ্রমিক আছে যার মধ্যে ৬৬০০০ লোক বাসাবাড়ীর কাজ করে। যদিও মরোক্কো শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে জাতিসঙ্ঘ কনভেনশনকে সমর্থন করে, এর <a href="http://www.dol.gov/ilab/media/reports/iclp/sweat/morocco.htm">সর্বনিন্ম শ্রমিকের বয়স ১২</a> এবং শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে বাধা নিষেধ খুবই কম। এ পর্যন্ত গৃহশ্রমিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার নিয়ে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে যেমন টিঙ্গিস এর সম্পাদক আনওয়ার মজিদের <a href="http://www.wafin.com/articles.phtml?arttype=cdg&#038;did=12">এই রিপোর্টটি</a>। তবুও দারিদ্যের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে পরিবারগুলো তাদের কণ্যাসন্তানকে নিলামে চড়ায়, গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করার জন্যে, কখনও দিন রাত ২৪ ঘণ্টার জন্যে।</p>
<p>ব্লগার <i>সারাহ আলাউই</i> এইসব কম বয়সী গৃহপরিচারিকার <a href="http://sarahalaoui.blogspot.com/2009/09/maid-in-morocco.html">কষ্ট বর্ণনা করছেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই সব দরিদ্র, অশিক্ষিত মেয়েরা মরোক্কোর গ্রাম থেকে শহরে আসে কাজের সন্ধানে এবং তাদের ধনীদের বাড়ীতে গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করা ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকে না। জন্মের সাথেই দারিদ্রের তকমা আটা এইসব মেয়েদের ভাগ্য আবার নির্দিষ্ট করা হয় - এসব গৃহপরিচারিকাদের দেখা যাবে কিন্তু তাদের কথা বলার অধিকার নেই। তারা নেপথ্যে কাজ করে, যেমন জে. কে. রৌলিংসের নামকরা জাদুকরী সিরিজ (হ্যারী পটারের) গৃহ বামন। </p>
<p>মরোক্কোতে বেশ কিছু পরিবার দেখা যায় যারা তাদের গৃহপরিচারিকাদের জন্যে কাজের স্থান ছাড়াও একটি আশ্রয় দেবার চেষ্টা করে। আমার দাদী সব সময়ই সচেষ্ট থাকতেন যাতে গৃহপরিচারিকারা বাড়ীর অন্যান্য শিশুর সাথে পড়াশোনার সুযোগ পায়। আমার দাদীর বাড়ীর গৃহপরিচারিকার মেয়ে নাজমা আমার চাচাত বোনদের সাথে একই স্কুলে যেত। </p>
<p>দুর্ভাগ্যবশত: বলতে বাধ্য হচ্ছি যে বর্তমানে গৃহপরিচারিকাদের এমন যত্ন কেউ নেয় না।</p></blockquote>
<p><i>লা ভি একো</i> তে প্রকাশিত <a href="http://www.lavieeco.com/actualites/2340-l-epouse-impliquee-dans-l-agression-de-zineb-chtit-poursuivie-en-etat-d-arrestation.html">একটি রিপোর্ট</a> জানাচ্ছে যে জয়নবের মালিক - গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রী উভয়কেই অভিযুক্ত করা হবে। তবে ব্লগার <em>রেদা চ্রাইবি</em> বলছেন যে অনেক পরিবর্তন আসা দরকার এবং দ্রুতই। <a href="http://www.redachraibi.com/article-35502838.html">তার একটি লেখায়</a> এই ব্লগার পরিবারগুলো কর্তৃক তাদের কমবয়সী মেয়েদের কাজে পাঠানো প্রতিরোধ করার কথা বলছেন। তার প্রস্তাবের কিয়দংশ:</p>
<blockquote><p>
     Accorder des aides sociales aux familles les plus pauvres afin qu’elles ne soient pas contraintes de faire travailler les enfants au lieu des le envoyer à l’école. La scolarité pour cette catégorie de la société devrait être totalement gratuite tant pour l’enseignement que pour l’équipement scolaire. A ce propos, l’opération de distribution de cartables équipés est une bonne initiative qui devrait être étendue dans tout le Royaume.</p>
<p>    Donner à l’Association « Touche pas à mon enfant » (touche pas à mes enfants) ou à une institution publique le droit de recenser et de contrôler le travail des enfants servantes, le droit d’entrer dans les maisons pour discuter avec elles et vérifier si elles sont traitées dignement. Encourager leur éducation et leur alphabétisation. Ouvrir et faire connaitre un centre d’accueil pour les enfants servantes qui veulent fuir d’urgence le foyer dans lequel elles travaillent, afin que plus aucune Zineb Chtet n’èrre dans la rue dans le sang en demandant l’aide d’inconnus…</p></blockquote>
<div class="translation">দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্যে দরকার সামাজিক সাহায্য যার ফলে তাদের শিশুদের কাজে আর পাঠাবে না। তাদের স্কুলে পাঠানো দরকার এবং বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করা দরকার। প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন শিক্ষার উপকরণ সহজলভ্য হওয়া দরকার। এ প্রসঙ্গে <a href="http://www.aujourdhui.ma/societe-details63537.html">স্কুলব্যাগ বিতরণ প্রকল্প</a> একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ যা সমগ্র রাজ্যে ছড়ানো দরকার। <i><a href="http://www.tanmia.ma/article.php3?id_article=6385">টুশে পা আ মন অঁফো</a></i> (আমার সন্তান থেকে দুরে থাক) এর মত প্রতিষ্ঠানকে শিশু শ্রমিকদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া উচিৎ। তাদের অধিকার থাকবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এইসব গৃহপরিচারিকার সাথে কথা বলে নিশ্চিত করা যে তারা কোন নির্যাতনের শিকার কি না। তাদের শিক্ষার হার এবং স্বাক্ষরতা বৃদ্ধি করা দরকার। যারা নির্যাতিত তাদের জন্যে একটি আশ্রয় খুঁজে দেওয়া যাতে কোন জয়নব চিটিট রাস্তায় রক্তাক্ত ভাবে পড়ে থাকবে না এবং অন্যের কাছে সাহায্য চাইবে না।</div>
<p><i>এ মরোক্কান এবাউট দ্যা ওয়ার্ল্ড এরাউন্ড হিম</i> ব্লগ তার লেখা শেষ করেছেন একটি উক্তি দিয়ে:</p>
<blockquote><p>আমার স্মরণে আসছে ১৯৯৯ সালে হোয়াইট হাউজে জনাব এলিজার &#8220;এলি&#8221; উইজেলের একটি বক্তৃতা যেখানে তিনি বলছেন: &#8220;রাজনৈতিক কারাবন্দী, ক্ষুধার্ত শিশু, গৃহ হীণ শরণার্থী এদের কষ্টের প্রতিকার না করে কোন আশা না দেয়া হচ্ছে মানব স্মৃতি থেকে তাদের নির্বাসন দেয়া। এবং তাদের মনুষ্যত্বকে অস্বীকার করা মানে হচ্ছে নিজেকেই অস্বীকার করা।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/04/6821/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
