<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:itunes="http://www.itunes.com/dtds/podcast-1.0.dtd"
	xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; লিঙ্গ</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/gender/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<pubDate>Wed, 07 Jan 2009 18:16:04 +0000</pubDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.5.1</generator>
	<language>en</language>
		<!-- podcast_generator="podPress/8.8" -->
		<copyright>&#xA9; </copyright>
		<managingEditor>i_rezwan@hotmail.com ()</managingEditor>
		<webMaster>i_rezwan@hotmail.com()</webMaster>
		<category></category>
		<itunes:keywords></itunes:keywords>
		<itunes:subtitle></itunes:subtitle>
		<itunes:summary>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</itunes:summary>
		<itunes:author></itunes:author>
		<itunes:category text="Society &amp; Culture"/>
		<itunes:owner>
			<itunes:name></itunes:name>
			<itunes:email>i_rezwan@hotmail.com</itunes:email>
		</itunes:owner>
		<itunes:block>No</itunes:block>
		<itunes:explicit>no</itunes:explicit>
		<itunes:image href="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/plugins/podpress/images/powered_by_podpress_large.jpg" />
		<image>
			<url>http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/plugins/podpress/images/powered_by_podpress.jpg</url>
			<title>Global Voices বাংলা ভার্সন</title>
			<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
			<width>144</width>
			<height>144</height>
		</image>
		<item>
		<title>ভুটান: স্ত্রী নির্যাতন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1464/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1464/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 19 Dec 2008 17:07:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আইন]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ভুটান]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1464</guid>
		<description><![CDATA[কুজু ভুটান ওয়েবলগে ভুটানের সমাজে স্ত্রী নির্যাতনের ব্যাপকতা সম্পর্কে আলোচনা করছেন ব্লগার চে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.kuzuzangpo.com/index.php?subaction=showfull&#038;id=1229324170&#038;archive=&#038;start_from=&#038;ucat=&#038;" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.kuzuzangpo.com');">কুজু ভুটান ওয়েবলগে</a> ভুটানের সমাজে স্ত্রী নির্যাতনের ব্যাপকতা সম্পর্কে আলোচনা করছেন ব্লগার <em>চে</em>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/19/1464/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আফগানিস্থান: রেডিওতে মহিলা কন্ঠ নিষিদ্ধ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/15/1448/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/15/1448/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 15 Dec 2008 14:20:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অপর্ণা রায়</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>

		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>

		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1448</guid>
		<description><![CDATA[আজহার বালখি জানাচ্ছেন যে আফগানিস্থানের ঘাজনি এলাকায় রেডিও ও অন্যান্য বিনোদনমুলক অনুষ্ঠানে মহিলাদের কন্ঠস্বর ব্যবহারের ওপর &#8220;ধর্মীয় কারনে&#8221; নিষেধ জারি করা হয়েছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://the-rumi.blogspot.com/2008/12/ghazni.html" target="_blank" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/the-rumi.blogspot.com');">আজহার বালখি জানাচ্ছেন</a> যে আফগানিস্থানের ঘাজনি এলাকায় রেডিও ও অন্যান্য বিনোদনমুলক অনুষ্ঠানে মহিলাদের কন্ঠস্বর ব্যবহারের ওপর &#8220;ধর্মীয় কারনে&#8221; নিষেধ জারি করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/15/1448/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মধ্য আমেরিকা: নারী, প্রযুক্তি আর শিক্ষা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/11/1436/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/11/1436/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 11 Dec 2008 11:46:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>

		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>

		<category><![CDATA[এল সালভাডর]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[কোস্টা রিকা]]></category>

		<category><![CDATA[গুয়াতেমালা]]></category>

		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<category><![CDATA[হন্ডুরাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1436</guid>
		<description><![CDATA[

টেক ব্যাক দ্যা টেক (প্রযুক্তি ফিরিয়ে নাও) শীর্ষক একটা আন্দোলন চেষ্টা করছে “নারীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন বন্ধের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এর প্রয়োগ” কে পুন:প্রতিষ্ঠা করতে, আর তার সাথে এর মাধ্যমে এইডসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। পৃথিবী ব্যাপী এটা একটা প্রচেষ্টা যেটা নারীদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে প্রযুক্তি সম্পর্কে ভীত না হয়ে বরং শিক্ষার মাধ্যমে এটা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/12/gv.jpg" width="450" alt="take back the tech" /><br />
<a href="http://www.takebackthetech.net/"><br />
টেক ব্যাক দ্যা টেক</a> (প্রযুক্তি ফিরিয়ে নাও) শীর্ষক একটা আন্দোলন চেষ্টা করছে “নারীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন বন্ধের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এর প্রয়োগ” কে পুন:প্রতিষ্ঠা করতে, আর তার সাথে এর মাধ্যমে এইডসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে। পৃথিবী ব্যাপী এটা একটা প্রচেষ্টা যেটা নারীদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে প্রযুক্তি সম্পর্কে ভীত না হয়ে বরং <a href="http://singenerodedudas.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/singenerodedudas.com');">শিক্ষার মাধ্যমে</a> এটা ব্যবহার করে তাদের জীবন উন্নত করতে। অন্য যে কোন সময়ের থেকে এখন নারী আর মেয়েদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের জীবনকে পরিবর্তন করা বেশী দরকার, বিশেষ করে মধ্য আমেরিকায়।</p>
<p>এই অঞ্চলের নারীরা প্রায় শিরোনামে আসে, কিন্তু পড়ার উপযোগী সংবাদের মাধ্যমে না। বরং খবর থাকে লিঙ্গ বৈষম্য সংক্রান্ত অত্যাচার, ব্যাপক দারিদ্র, সুযোগের অভাব, অপুষ্টি, উচ্চ মৃত্যুহার এমন কি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gendercide" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/en.wikipedia.org');">নারীহত্যা</a>। এগুলো সত্ত্বেও এই অঞ্চলে বিষ্ময়কর সব নারী আছে, যারা প্রাথমিকভাবে প্রযুক্তি নিয়ে লেখে আর যারা অন্যান্য নারীদের জীবনে একটা পরিবর্তন আনতে চায়।</p>
<p><a href="http://sweetsakura.wordpress.com/author/sweetsakura/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/sweetsakura.wordpress.com');"><em>সুইট সাকুরা</em></a> (স্প্যানিশ ভাষায়) একজন সফ্টওয়্যার বিশেষজ্ঞই শুধু নয়, তিনি উন্মুক্ত সফ্টওয়্যারের একজন সমর্থক। এই ব্লগার এল সালভাদর থেকে নিজের ব্লগে সফ্টওয়্যার, হার্ডওয়্যার আর উবুন্তু নিয়ে তথ্য আর পরামর্শ দেন।</p>
<p>হুন্ডুরাস থেকে <a href="http://librecaos.blogspot.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/librecaos.blogspot.com');"><em>লিব্রেকাওস</em></a> তার কমিউনিটির সাথে স্থানীয় ভাষায় সফ্টওয়্যারের গুরুত্ব আলোচনা করেন আর এই আনন্দ উদযাপন করেন যে তাদের কাছে শেষ পর্যন্ত উবুন্তু এসে পৌঁছেছে। এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা মধ্য আমেরিকার একটা জাতিগত ভাষা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Miskito" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/en.wikipedia.org');">মিস্কিটোতে</a> কাস্টমাইজ করা। তিনি সাম্প্রতিক <a href="http://www.un.org/Depts/dhl/violence/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.un.org');">নারীদের প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ করার আন্তর্জাতিক দিবস</a> পালন করেছেন আর নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞতা <a href="http://librecaos.blogspot.com/2008/11/25-de-noviembre-no-ms-violencia.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/librecaos.blogspot.com');">তুলে ধরেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>En esto días recuerdo más cuando empezaba a trabajar y me tocada hacer transcripciones de cassetes, todos eran talleres con mujeres hablando sobre sus experiencias, no podía evitar conmocionarme al oir como sus esposos las golpeaban, oirlas llorar cuando aseguraban que podían trabajar porque “No tenian permiso de su marido”, o peor escuchar como las usaban como si fueran muqueñas para sexo, y luego las dejaban.</p></blockquote>
<div class="translation">এইসব দিনে, আমি সেই দিনের কথা ভাবি যখন আমি কাজ করা শুরু করেছি। আমাকে ওয়ার্কশপে রেকর্ড করা ক্যাসেট থেকে প্রতিলিপি লিখতে হতো যেখানে নারীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা বলতো, আর আমি ব্যাকুল না হয়ে পারতাম না যখন আমি শুনতাম তাদের স্বামী তাদেরকে কেমন করে মেরেছে। তাদের কান্না শুনতাম যখন তারা কাজ করতে পারতো না কারন “তাদের স্বামীদের কাছ থেকে তাদের অনুমতি নেই” বা সব থেকে খারাপ হলো যৌন কাজের জন্য তাদেরকে কেমন পুতুলের মতো ব্যবহার করা হয়, আর তার পর ছেড়ে দেয়া হয়।</div>
<p>গুয়েতেমালার ইভোন আলদানার <a href="http://vinculacion.wordpress.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/vinculacion.wordpress.com');"><em>ভিঙ্কুলেশিওন</em></a> (স্প্যানিশ ভাষায়) বেশ চিত্তাকর্ষক। তিনি নতুন আবিষ্কার, নতুন মডেল আর ডিজাইন, আইসিটি দল আর উন্নয়ন বিজ্ঞানীদের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। <a href="http://www.piensalibre.org/wordpress/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.piensalibre.org');"><em>লা পিয়েন্সা লিব্রে</em></a> কোস্তা রিকা থেকে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সাথে লিখেছেন (স্প্যানিশ ভাষায়) প্রযুক্তির আকর্ষণ নিয়ে যেহেতু এটাকে সমাজ, পরিবেশ আর অন্যান্য জিনিষ থেকে আলাদা করা যাবে না। </p>
<p>নারীদের শিক্ষা আর মেয়েদের শিক্ষার মান উন্নত করে এই বিশাল সমস্যা সমাধানে অবদান রাখতে পারে প্রযুক্তি যেমন প্রজনন স্বাস্থ্য ও রোগ থেকে মুক্ত থাকার বিভিন্ন তথ্যের প্রচার করে। আশা করা যায় যে মধ্য আমেরিকার নারীরা প্রযুক্তি ব্যবহারকারী, উদ্যোক্তা আর নীতি নির্ধারক হিসাবে সংখ্যায় বাড়বে!</p>
<p><em>উপরের ছবি টেক ব্যাক দ্যা টেক এর সৌজন্যে</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/12/11/1436/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আর্মেনিয়া: নারীদের প্রতি অত্যাচার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/25/1426/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/25/1426/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 25 Nov 2008 19:02:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আর্মেনিয়া]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>

		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[রুশ]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1426</guid>
		<description><![CDATA[পৃথিবীর সব থেকে পুরানো খ্রীষ্টান জাতি আর্মেনিয়ার অনেক কিছু আছে গর্বিত হওয়ার, কিন্তু নারীদের অধিকারের ব্যাপারে ভূতপূর্ব সোভিয়েত ব্লকের এই দেশ সম্ভবত নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে আছে। এটার সব থেকে খারাপ প্রকাশ ঘটে আর্মেনিয়ায় নারীদের প্রতি অত্যাচার অথবা মানুষ পাচারের ঘটনা পৃথিবীতে সবচেয়ে কলন্কজনক উদাহরণ। সাম্প্রতিক অ্যামনেস্টি ইন্টারনেশনালের একটি রিপোর্টে আর্মেনিয়ায় গৃহ নির্যাতন আর সরকারের ব্যবস্থা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>পৃথিবীর সব থেকে পুরানো খ্রীষ্টান জাতি আর্মেনিয়ার অনেক কিছু আছে গর্বিত হওয়ার, কিন্তু নারীদের অধিকারের ব্যাপারে ভূতপূর্ব সোভিয়েত ব্লকের এই দেশ সম্ভবত নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে আছে। এটার সব থেকে খারাপ প্রকাশ ঘটে আর্মেনিয়ায় নারীদের প্রতি অত্যাচার অথবা মানুষ পাচারের ঘটনা পৃথিবীতে সবচেয়ে কলন্কজনক উদাহরণ। সাম্প্রতিক <em>অ্যামনেস্টি ইন্টারনেশনালের একটি রিপোর্টে</em> আর্মেনিয়ায় গৃহ নির্যাতন আর সরকারের ব্যবস্থা নিতে অপারগতা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। এই রিপোর্ট কি পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন আনতে পারবে?</p>
<p>ব্লগাররা নারীদের প্রতি অত্যাচার নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আর একজন সেই প্রতিবেদন নিয়ে উপহাসও করেছেন কারন তিনি বলেছেন যে আর্মেনিয়ায় সঠিক অবস্থা এখানে প্রতিফলিত হয়নি। <em>ব্লগিয়ানে</em> <a href="http://blogian.hayastan.com/2008/11/13/amnesty-intl-reports-violence-against-women-in-armenia/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/blogian.hayastan.com');">আমার নিজের পোস্ট</a> আর্মেনিয়ার গৃহ নির্যাতনের পেছনের চিত্র সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করছে:</p>
<blockquote><p>অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের <a href="http://www.amnesty.org/en/library/asset/EUR54/005/2008/en/a5ca859c-a04a-11dd-81c4-792550e655ec/eur540052008en.pdf" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.amnesty.org');">৮ পাতার একটা প্রতিবেদনে</a> দেখানো হয়েছে আর্মেনিয়ায় মহিলাদের উপর সচরাচর ব্যাপক যৌন আর গৃহ নির্যাতন হয়। সংগৃহীত তথ্য অনুসারে, আর্মেনিয়ার চার জনের মধ্যে একজন মহিলা তার পরিবারের সদস্য দ্বারা নির্যাতিত হয় আর অনেক বেশী জন মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়।</p>
<p>সব থেকে খারাপ জিনিষ হলো, আর্মেনিয়ায় মহিলাদের উপর নির্যাতন নিয়ে কথা বলা যেন নিষিদ্ধ একটা ব্যাপার যেখানে পুরুষতান্ত্রিক সরকারের এজেন্সীরা &#8216;ব্যক্তিগত ব্যাপারে&#39; তদন্ত করতে খুব উৎসাহী না আর মহিলারা নির্যাতনের কথা জানাতেই চায়না। তাছাড়া প্রতিবেদনে আরো বলা হয় যে আর্মেনিয়ার অনেক মহিলা এই নির্যাতনকে স্বাভাবিকভাবে ধরে নিয়ে একে চিরস্থায়ী করতে সাহায্য করে। অ্যামনেস্টি একটা কুখ্যাত আর্মেনীয় প্রবাদ ভাষান্তর করে বলেছে, “নারী হচ্ছে পশমের মতো, যতো পেটাবেন ততো নরম হবে।”</p></blockquote>
<p>ইংল্যান্ডভিত্তিক আর্মেনিয়ার ব্লগ <em>আনজিপড: গে আর্মেনিয়া</em> তে অ্যামনেস্টি প্রতিবেদনটি পোস্ট করা হয়েছে, যার সাথে যুক্ত হয়েছে <a href="http://gayarmenia.blogspot.com/2008/11/theres-no-pride-in-silence-domestic-and.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/gayarmenia.blogspot.com');">ইয়েরিভানে অনুষ্ঠিতব্য সাম্প্রতিক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের তথ্য</a>।</p>
<blockquote><p>আর্মেনিয়ায় উইমেন রিসোর্স সেন্টার ২৫ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে মহিলাদের প্রতি নির্যাতনের বিরুদ্ধে মিছিলের আয়োজন করছে।</p>
<p>নভেম্বরের ২৭ তারিখে আর্মেনিয়ায় নারীদের উপর যৌন নির্যাতনের উপর একটা গোল টেবিল আলোচনা হবে। এছাড়াও আমেরিকান দূতাবাস আর অন্যান্য সংগঠনকে ধন্যবাদ কারন তাদের উদ্যোগ আর সহযোগিতায়, আর্মেনিয়ার প্রথম ওয়াকাথন অনুষ্ঠিত হবে আর্মেনিয়ায় গৃহ নির্যাতন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। নারীর নির্যাতন বিহীন ভবিষ্যতের জন্য এই ওয়াকাথন হবে রবিবার নভেম্বর ৩০, ২০০৮ তারিখে। এটি &#8216;১৬ দিন ব্যাপী নারীদের প্রতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে কর্মশালা&#39; সাথে সংশ্লিষ্ট যা ২৫ নভেম্বর নারীর প্রতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পর্যন্ত চলবে।</p></blockquote>
<p>ইংল্যান্ডে থাকা আরেকজন আর্মেনিয়ার ব্লগার <em>মার্ক গ্রিগোরিয়ান</em> রিপোর্টটির <a href="http://markgrigorian.livejournal.com/262386.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/markgrigorian.livejournal.com');">রাশিয়ান সংস্করণ পোস্ট করেছেন</a> তাদের আর তা নিয়ে একটা প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে সেখানে। রাশিয়ায় থেকে ব্লগার <a href="http://besyonya.livejournal.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/besyonya.livejournal.com');">বেসিওনিয়া</a> গ্রিগোরিয়ানের পোস্টে প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আর একটা মন্তব্য রেখেছেন যেখানে তিনি <a href="http://markgrigorian.livejournal.com/262386.html?thread=9068018#t9068018" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/markgrigorian.livejournal.com');">নিজের পরিবারের দু:খজনক ঘটনা তুলে ধরেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার খালাকে তার স্বামী মারতো, যখন তার বাবা (আমার নানা) হস্তক্ষেপ করেন তখন সেই স্বামী তাকেও মারে। এর ফলে নানা সেই স্বামীকে হত্যা করে, আত্মক্ষার্থে। এখন সেই নানাও নেই এবং আমি সম্প্রতি বাড়ী গিয়ে দেখলাম মহিলারা এখনো পুরুষরা যা করে সব সহ্য করে। তারা (নারীরা) আমাকে চুপ করাতে চেয়েছিল যখন আমি একজন মাতাল পুরুষ আত্মীয়কে দরজা দিয়ে বের করে দেই।</p></blockquote>
<p>আমেরিকায় থাকা আর একজন আর্মেনিয়ান ব্লগার <em><a href="http://aregjan.livejournal.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/aregjan.livejournal.com');">আরেগজান</a></em> গ্রিগোরিয়ানের পোস্টে প্রতিক্রিয়া <a href="http://markgrigorian.livejournal.com/262386.html?thread=9079538#t9079538" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/markgrigorian.livejournal.com');">জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>Мою тетю избивал муж, когда за нее заступился отец (мой дед), то муж полез и на отца. В итоге дедушка убил этого мужа, это была самозащита. Сейчас уже нет и дедушки, но когда я приезжала домой, то там до сих пор женщины терпят от мужчин всё, пытались шикать на меня, когда я некоего пьянствующего родственника отправила выпроводила за двери.
</p></blockquote>
<div class="translation">নারীদের প্রতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো দরকার। আমাকে যা সব থেকে বেশী বিচলিত করে তা হলো লোকে যখন &#8216;পরম্পরা&#39; আর &#8216;যুথবদ্ধ পরিবার&#39; [এই ধরনের পরিস্থিতিতে] এর কথা বলে (অপুর্ব পরিবার আমি নিশ্চিত যখন বাচ্চারা বড় হয় দেখে দেখে যে তাদের বাবা তাদের মাকে প্রতিদিন মারে)।</div>
<p>এই ব্লগার পরে সবাইকে মনে করাতে চেয়েছে যাতে তারা আর্মেনিয়ার নির্যাতনের সংস্কৃতি (যেমন বলা হয় তরুণরা মারামারি করলে সেটা চিন্তার কোন ব্যাপার না) সংক্রান্ত পুরো বিষয়টা ভুলে না যায়।</p>
<p>আর্মেনিয়ায় থাকা ব্লগার <a href="http://pigh.livejournal.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/pigh.livejournal.com');">পিঘ</a> অবশ্য তিরষ্কারমূলকভাবে বলেছেন যে তিনি প্রতি <a href="http://markgrigorian.livejournal.com/262386.html?thread=9083378#t9083378" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/markgrigorian.livejournal.com');">চতুর্থ মহিলাকে মারবেন</a> অ্যামনেস্টি ইন্টারনেশানালের দাবিকে সমর্থনের জন্য যে আর্মেনিয়ায় প্রতি চতুর্থজন নারী শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়।</p>
<p>আমার <em>ব্লগিয়ানে</em> এই বছরের শুরুর দিকে আমি <em>আজক ডেইলির</em> জন্য লেখা আমার কলামের কিছু অংশ <a href="http://blogian.hayastan.com/2008/02/10/human-trafficking-and-armenias-women/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/blogian.hayastan.com');">ভাষান্তর করেছিলাম</a>। সেখানে আর্মেনিয়ায় নারীদের উপর নির্যাতনের আরো বিস্তৃত বিষয় যেমন মানুষ পাচার নিয়ে কথা বলেছি, আর তার সাথে নির্যাতনের কথা না মানার বিষয়টাও।</p>
<blockquote><p>নারীর উপর নির্যাতন যে বাস্তবতা এটি না মানার পিছনে কিছু গর্ব কাজ করে। কারন যদি না মানা হয়, তাহলে [পুরুষরা] জানে যে তারা ভুল। যখন বেশ কিছু এনজিও জানতে পারে যে আর্মেনিয়ার অর্ধেকের মতো নারী শারীরিক নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছে গত বছরে, তখন ৯৫% পুরুষ নিয়ন্ত্রিত সংসদের একজন সদস্য বলেছিলেন যে এই সব অলাভজনক প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র গ্রান্ট খোঁজে আর তাদের পকেটে পুরার জন্য আর্মেনিয়ার ভাবমূর্তিকে নষ্ট করে। “তাদের উচিত আর্মেনিয়াকে এমন কোন আফ্রিকার গোত্রের মতো তুলে না ধরা যারা একে অপরকে খেয়ে থাকে।”</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/25/1426/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: মাকেও দোষ দেয়া হয়েছে এফজিএমের মামলায়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/15/1416/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/15/1416/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 15 Nov 2008 18:02:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<category><![CDATA[শিশু]]></category>

		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1416</guid>
		<description><![CDATA[এ বছরের ২৩শে মে &#8216;মিশরের নারী ও শিশুদের শিকারে পরিণত হওয়া&#8216; শিরোনামের লেখায় আমি ফ্যান্টাসিয়া ছদ্মনামের একজন মিশরীয় নারীর উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম যে মিশরের জন্য আরো ভাল একটা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। সে মিশরে বাচ্চাদের নিরাপত্তার জন্য আলোচিত নতুন আইনগুলো নিয়ে তার ব্লগে আলোচনা করেছিল। তার প্রথমটা ছিল:
নারীদের যৌন অঙ্গহানী (এফজিএম) নিষিদ্ধ করা আর এটাকে অপরাধ হিসাবে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এ বছরের ২৩শে মে &#8216;<a href="http://globalvoicesonline.org/2008/05/23/the-victimization-of-egyptian-women-and-children/">মিশরের নারী ও শিশুদের শিকারে পরিণত হওয়া</a>&#8216; শিরোনামের লেখায় আমি <a href="http://fantasia4ever.blogspot.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/fantasia4ever.blogspot.com');">ফ্যান্টাসিয়া</a> ছদ্মনামের একজন মিশরীয় নারীর উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম যে মিশরের জন্য আরো ভাল একটা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। সে মিশরে বাচ্চাদের নিরাপত্তার জন্য আলোচিত নতুন আইনগুলো নিয়ে তার ব্লগে আলোচনা করেছিল। তার প্রথমটা ছিল:</p>
<blockquote><p>নারীদের যৌন অঙ্গহানী (<a href="http://www.answers.com/Female%20Genital%20Mutilation" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.answers.com');">এফজিএম</a>) নিষিদ্ধ করা আর এটাকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা যা আইনের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.ikhwanonline.com/Article.asp?ArtID=35815&#038;SecID=230" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.ikhwanonline.com');">মুসলিম ব্রাদারহুদ</a> এর প্রতিবাদ করে বলেছে:</p>
<blockquote><p>এফজিএম ইচ্ছার ব্যাপার হিসাবে ছেড়ে দেয়া উচিত। বাবা মা যদি তাদের মেয়েদের &#8216;শুদ্ধতা&#39; সংরক্ষন করতে চায় এই নিয়মের মধ্য দিয়ে, তাহলে এইভাবে তারা তাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে আর তার জন্য কি ঠিক তার সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে!</p></blockquote>
<p>২০০৮ সালের গ্রীষ্মে জাতীয় সংসদ একটা আইন পাশ করে যেখানে নারীদের যৌন অঙ্গহানী (এফজিএম) অপরাধের পর্যায়ে ফেলা হয়েছে আর যদি কাউকে এফজিএম করতে দেখা যায় এর শাস্তি হিসেবে জরিমানা ঠিক করা হয়েছে ১০০০ থেকে ৫০০০ মিশরীয় পাউন্ড পর্যন্ত সাথে তিন মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত জেল। এই আইনের মধ্যে বাবা মার দায়িত্বের কথা ব্যাখ্যা করা হয়নি।</p>
<p>নভেম্বরের ৭ তারিখে আল মাসরি আল ইয়ুম সংবাদপত্র <a href="http://www.almasry-alyoum.com/article2.aspx?ArticleID=185529&#038;IssueID=1217" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.almasry-alyoum.com');">একটি প্রতিবেদন</a> ছাপায় একটা ১৪ বছরের মেয়েকে নিয়ে যাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এফজিএম করার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে যা পরে অসুবিধার সৃষ্টি করে। উপরে উল্লেখিত আইনের কারনে, হাসপাতাল এই কেস জেনারেল এটর্নির কাছে জানিয়েছে।</p>
<p>স্টপ এফজিএম নামে ফেসবুকের একটি গ্রুপ এই ঘটনা তাদের <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=20593114209" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.facebook.com');">আলোচনার বোর্ডে</a> দিয়েছে আর বলছে:</p>
<blockquote><p>আমরা কাকে দোষ দেব? সমাজ, ধর্ম সম্পর্কে যাদের ভুল ধারণা আছে তাদের? আইন প্রয়োগে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারকে? ডাক্তারদেরকে, তাদের নৈতিক দায়িত্বে অবহেলা করায়? নাকি আলোকিত সংখ্যালঘু হিসেবে নিজেদেরকেই দোষের ভার দিতে হবে - মানুষকে সঠিকভাবে শিক্ষিত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্যে?</p></blockquote>
<p>নভেম্বরের ১০ তারিখে <a href="http://www.almasry-alyoum.com/article2.aspx?ArticleID=185896&#038;IssueID=1220" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.almasry-alyoum.com');">জেলা এটর্নীর সিদ্ধান্তের পরে</a> যেখানে মা আর ডাক্তার উভয়কে শাস্তি দেয়া হয় মিশরে প্রথমবারের মতো, এই ফেসবুক গ্রুপের উদ্যোক্তা দলের সদস্যদের কাছে একটা বাণী পাঠিয়েছে:</p>
<blockquote><p>এই সিদ্ধান্ত আশার কথা শোনাচ্ছে। ফায়জা আহমেদ হুসেইন যখন – যে মা এই এফজিএম অনুমোদন করেছে- আর রামাদান আব্দেল আজিজ - যে ডাক্তার এই কাজ করেছে - তাদের বিচারের পর দোষী সাব্যস্ত করেছে ১৪ বছরের রেদা আশ্রী মোহাম্মাদের অনিচ্ছাধীন হত্যার প্রচেষ্টার কারনে। এর ফলে অনেক মা বুঝতে পারবে যে তাদেরকে আইনগতভাবে দোষারোপ করা হবে যদি তারা তাদের মেয়েদের এফজিএম করায়।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/15/1416/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>জর্ডান: দরিদ্র আর পশ্চাদপদ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/14/1412/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/14/1412/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 14 Nov 2008 11:46:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[আরবী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[জর্ডান]]></category>

		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>

		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[শিশু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1412</guid>
		<description><![CDATA[জর্ডানের ব্লগার মুফাক কাব্বানি বলছেন যে দরিদ্র আর পশ্চাদপদ হওয়া অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তিনি আমাদের কাছে একটি উদাহরণ তুলে ধরেছেন যে কেমন করে দরিদ্ররা জোর দেয় আরো বেশী সন্তান জন্ম দেয়ার উপর।
তিনি লিখেছেন:
دائما احب ان ابحث عن الأمور المتعلقة بالفقر و المشاكل الإجتماعية
من فترة بسيطة حصل حوار بيني و بين والدتي و هي حاليا مسؤولة عن [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>জর্ডানের ব্লগার <a href="http://muoffaq.qabbani.net/2008/11/11/%d9%81%d9%82%d8%b1-%d9%88-%d8%aa%d8%ae%d9%84%d9%81-%d8%b0%d9%83%d9%88%d8%b1%d9%8a/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/muoffaq.qabbani.net');">মুফাক কাব্বানি</a> বলছেন যে দরিদ্র আর পশ্চাদপদ হওয়া অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তিনি আমাদের কাছে একটি উদাহরণ তুলে ধরেছেন যে কেমন করে দরিদ্ররা জোর দেয় আরো বেশী সন্তান জন্ম দেয়ার উপর।</p>
<p>তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>دائما احب ان ابحث عن الأمور المتعلقة بالفقر و المشاكل الإجتماعية<br />
من فترة بسيطة حصل حوار بيني و بين والدتي و هي حاليا مسؤولة عن احد مراكز التنمية الإجتماعية و الثقافية في عمان </p></blockquote>
<div class="translation">দারিদ্র আর সামাজিক সমস্যা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে আমি ভালোবাসি। সম্প্রতি এ ব্যাপারে আলাপ হয় আমার মার সাথে যিনি আম্মানের একটা সামাজিক উন্নয়ন আর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের দায়িত্বে আছেন।</div>
<blockquote><p>عن بعض فتاة لها حالة خاصة وهي انها شبه عمياء , و الغريب في الموضوع انه والدها هاجرهم و متزوج من اخرى في محافظة اخرى و لديه 7 اطفال من الزوجة الأخرى … اوضاع العائلة حاليا مقبولة و امورهم ميسرة</p>
<p>الفكرة الأساسية انه سبحان الله الفقر و الجهل اكتير من الأحيان بيلتصقو ببعض,<br />
يعني فقير و بدك تتزوج 2 و تجيب 10 أولاد!!! يعني بعرف انه الرزقة على الله و المولود بيجي و بتجي رزقو معو , بس شي و منو !!</p>
<p>و اغلب الرجال برد عليك ,انه من عند الله , و انه مابقدر يخفف , والواحد ليش بتزوج , … إلخ </p></blockquote>
<div class="translation">তিনি প্রতিবন্ধী একটা মেয়ের কথা বলেছেন যে আংশিক অন্ধ ছিল। অদ্ভুত ব্যাপার হল তাদের বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়ে আর এক রাজ্যে অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেছে যেই স্ত্রীর সাথে তার আরও সাতটা বাচ্চা আছে। পরিবারের বর্তমান অবস্থা এখন চলনসই আর পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে।</p>
<p>এই ধারনাটি কেমন বিভ্রান্তিকর যে দারিদ্র আর অজ্ঞতা কিভাবে পরষ্পরের সাথে যুক্ত হয়ে গিয়ে আরও জটিল হয়ে যেতে পারে কোন কোন সময়ে। এটা কেন এমন হবে যে আপনি যখন দরিদ্র, আপনি দুইটা মহিলার সাথে বিয়ে করে ১০টা বাচ্চা চান? যদিও আমি এটা পুরোপুরি স্বীকার করি যে ইশ্বর তার আশির্বাদ দেন আর নবজাতকরা তার আশীর্বাদ নিয়েই আসে।</p>
<p>আর বেশীরভাগ পুরুষ আপনাকে উত্তর দেবে যে সন্তানরা ইশ্বরের তরফ থেকে আসা এবং এই ব্যাপারে তার কিছুই করার নেই অথবা কেন মানুষ বিয়ে করে, ইত্যাদি। </p></div>
<p>আবু মুহাম্মাদের সাথে হওয়া নিন্মোক্ত কথোপকথন <em>মুফাক</em> তুলে ধরেছেন:</p>
<blockquote><p>كمان بتسئلو : يا زلمة و بعدين معك سمعتك مرتك حامل ؟؟؟؟<br />
ابو محمد : الرزقة على الله<br />
موفق: بعرف هاد الحكي ونعمه بالله , بس كمان انته لازم يكون عندك شوية عقل عندك 5 ولاد و اصغر واحد عمره سنة ونص إرحم إرحم مرتك مش ماكينة ,<br />
ابو محمد : طيب شو اعمل هيك صار مش بإيدي<br />
موفق: شو تعمل؟؟؟؟؟ زبط امورك , هدي اللعب , احسب , روح على مركز تنظيم الإسرة يعني عشان صحتك و صحتها , يا زلمة استنى شوي بس يصير إبنك عمره 3 سنين على الأقل مش ورا بعض ..<br />
ابو محمد : احسب شو ؟ يعني حتى على هالشغلة الواحد بدو ينقص على حالو ,<br />
موفق: ابو محمد, مش تنقص على حالك روح على مركز تنظيم الإسرة بس إقرأ المنشورات أو اعطيهم لمرتك ولا احكيلك , انا بجبلك ياهم !<br />
ابو محمد : شو رح استفيد يعني؟؟<br />
موفق: بس اجيبهم بشرحلك </p></blockquote>
<div class="translation">যখন আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন: এই যে আপনার সমস্যা কি। এখুনি শুনলাম আপনার স্ত্রী আবার গর্ভবতী???</p>
<p>আবু মুহাম্মাদঃ তাদের উপর ইশ্বরের আশীর্বাদ।</p>
<p>মুফাকঃ আমি এইসব জানি আর এটাও জানি যে ইশ্বরের কাছ থেকেই আশীর্বাদ আসে, কিন্তু আপনার বুদ্ধিওতো ব্যবহার করতে হবে। আপনার এরই মধ্যে পাঁচটা বাচ্চা আছে আর ছোটটার বয়স দেড় বছর। আপনার স্ত্রীর উপর আপনার দয়া হওয়া উচিত যেহেতু সে মেশিন না।</p>
<p>আবু মুহাম্মাদঃ ভালো, কিন্তু আমি কি করতে পারি। এটা ঘটে গেছে আর আমার হাতে কিছু নেই।</p>
<p>মুফাকঃ আপনি কি করতে পারেন মানে?? নিজের আচরণ ঠিক করুন, নিরাপদ কাজ করুন। গুনুন (আপনার বাচ্চা কটা) এবং একটা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে যান। নিজের স্বাস্থ্য আর আপনার স্ত্রীর মঙ্গলের জন্য এটা করেন। আপনার বাচ্চার বয়স তিন বছর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন আর একটা বাচ্চা নেবার আগে.. এভাবে একজনের পর আর একজন হতে পারেনা।</p>
<p>আবু মুহাম্মাদঃ কি গুনবো? এর জন্যও কি আমাকে দায়ী হতে হবে&#8230; আর কতো ভার একজন মানুষের উপর থাকবে?</p>
<p>মুফাকঃ আবু মুহাম্মাদ, আমি বলতে চাচ্ছি না যে আপনার কাঁধে আরো বোঝা বাড়াতে হবে। শুধু একটা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে যান আর তথ্য নির্দেশিকা তুলে এনে আপনার স্ত্রীকে পড়তে দেন&#8230; বা আমি আপনার জন্য এনে দিতে পারি!</p>
<p>আবু মুহাম্মাদঃ আর এতে আমাদের কি উপকার হবে?</p>
<p>মুফাকঃ আমি যখন নিয়ে আসবো তখন আপনাকে বুঝিয়ে দেব।</p></div>
<p>তিনি যোগ করেছেন:</p>
<blockquote><p>مابعرف مو فكرة تدخل بحاتهم , بس اكتير من الحالات يلي بعرفها الزلمة منتوف و عايف حالو و فوق كل هاد بدو يجيب 6 و 7 اطفال ,والله مابزعل و يجيب 10 كمان , بس يكون على الاقل بيته صحيا مناسب , لك زوجته ترتاح ,بتلاقي يا دوب الفرق بين الطفل و الطفل سنة </p></blockquote>
<div class="translation">আমি আসলেই জানি না। আমি মানুষের জীবনে হস্তক্ষেপ করতে চাইনা কিন্তু যে কটা উদাহরণ আমি জানি সেসব ক্ষেত্রে পুরুষেরা খুবই দরিদ্র আর জীবন ধারনের সামর্থ নেই তবুও তারা ছয় সাতটা বাচ্চা চায়। তাদের ১০টা বাচ্চা থাকলেও আমার রাগ করার কিছু ছিলনা যদি খুব কম করে হলেও তাদের একটা উপযুক্ত বাড়ী থাকত। এটি দরকার কারন যেখানে তাদের পরিবার আরামে থাকবে আর পরবর্তী বাচ্চা নেয়ার আগে অন্তত এক বছর অপেক্ষা করা উচিৎ।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/11/14/1412/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মিশরঃ অবাধ যৌনাচারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে মিলনস্থল ঠিক করে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/30/1358/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/30/1358/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 30 Oct 2008 04:44:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কৌশিক আহমেদ</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আইন]]></category>

		<category><![CDATA[আরবী]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>

		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>

		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1358</guid>
		<description><![CDATA[আবদ্ধ কপাটের আবডালে নানা গোপনীয়তা জন্মে। কিন্তু মিশরে যৌনসম্ভোগের জন্য প্রথম অবাধ কোন ক্লাব স্থাপনের খবর দেশটিকে বিশাল একটা ধাক্কা দিয়েছে বললেও কম বলা হবে। এই ক্লাবের সাথে একটা ক্ষুদ্র প্রযুক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে – ক্যাফেতে মুখোমুখি সাক্ষাৎ পর্বের আগে যুগলরা অনলাইনে প্রথমে পরিচিত হয়ে ওঠে।  
আল আরাবিয়া সংবাদ সাইটের তথ্যমতে একজন উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আবদ্ধ কপাটের আবডালে নানা গোপনীয়তা জন্মে। কিন্তু মিশরে যৌনসম্ভোগের জন্য প্রথম অবাধ কোন ক্লাব স্থাপনের খবর দেশটিকে বিশাল একটা ধাক্কা দিয়েছে বললেও কম বলা হবে। এই ক্লাবের সাথে একটা ক্ষুদ্র প্রযুক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে – ক্যাফেতে মুখোমুখি সাক্ষাৎ পর্বের আগে যুগলরা অনলাইনে প্রথমে পরিচিত হয়ে ওঠে।  </p>
<p><em><a href="http://www.alarabiya.net//articles/2008/10/26/58931.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.alarabiya.net');">আল আরাবিয়া</a></em> সংবাদ সাইটের তথ্যমতে একজন উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী গ্রেফতার হয়েছে স্ত্রী বদল সহ দলবদ্ধ যৌনাচার এবং সম্ভোগ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য। </p>
<p>যুগলটি অনলাইনে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম জানিয়ে বিবাহিত দম্পত্তিদের আহবান করেছিল। তিনমাসের মধ্যে ৪৪টি যুগল ইন্টারনেটে প্রদত্ত বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়েছে।</p>
<p><em><a href="http://egyptianchronicles.blogspot.com/2008/10/first-swingers-club-in-egypt.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/egyptianchronicles.blogspot.com');">ইজিপসিয়ান ক্রোনিকলস</a></em> এর জেইনোবিয়া রেগে গেছেন। তিনি লিখেছেন: </p>
<blockquote><p>সব অপরাধ পাতায় এমনকি কোন কোন সম্মুখ পাতায় শিরোনাম হয়েছে এই মহালজ্জাস্কর সংবাদটি, মিশরের ইতিহাসে এমন কিছু এই সর্বপ্রথম ঘটলো। ক্লাব পরিচালনাকারী বিবাহিত যুগলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং এই ক্লাবের সদস্য ছিল বাকী ৪৪ যুগলকেও এখন খুঁজে বেড়াচ্ছে। পুরুষটি ৪৮ বৎসর বয়স্ক একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং তার স্ত্রী ৩৮ বৎসর বয়সী নেকাব পরিহিতা স্কুল শিক্ষিকা!! হ্যা, ঠিক তাই, স্ত্রী ছিলেন বোরখা পরিহিতা আরবী স্কুল শিক্ষয়ত্রী, এটা আমার জন্য একটা বড় আঘাত ছিল কারণ আমি বুঝি অথবা জানি যে তার মত একজন মহিলার নিজের ধর্ম এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকার কথা, প্রজন্মের পরে প্রজন্ম সে বড় করে চলছে, হা ইশ্বর!! </p></blockquote>
<p>আরেকটা পোস্টে <a href="http://egyptianchronicles.blogspot.com/2008/10/no-it-is-not-personal-freedom-issue-it.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/egyptianchronicles.blogspot.com');">জেইনোবিয়া</a> উল্লেখ করেছেন যে এই যুগলরা হয়তো ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে থাকতে পারে। </p>
<blockquote><p>প্রসঙ্গত মনে হচ্ছে এই যৌনসম্ভোগ ক্লাব ফেসবুকের একটা গ্রুপ ছিল, হ্যা ফেসবুক, বিশ্বাস করুন অথবা না করুন ইতোমধ্যে আমি একটা তাৎক্ষণিক সার্চ দিয়ে পেয়ে গেলাম তিনটা যৌনসম্ভোগী আরব গ্রুপ, একটা মিশরের অত্যন্ত ব্যক্তিগত গ্রুপ, আরেকটা সৌদি আরবে এবং শেষটা আমিরাতে। প্রযুক্তির বাজে ব্যবহার, আমি আর কি বলতে পারি!!??</p></blockquote>
<p>জেইনোবিয়ার হতাশা বুঝতে হলে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে অনলাইন কর্মীরা তাদের দুর্দশার কথা বিশ্বকে জানাবার জন্য ইন্টারনেট এবং ফেসবুক <a href="http://globalvoicesonline.org/specialcoverage/egypt-general-strike-2008/">ব্যবহার করে থাকে। </a></p>
<p>মিশরীয় একটা পত্রিকা <em><a href="http://www.almasry-alyoum.com/article2.aspx?ArticleID=183877&#038;IssueID=1205" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.almasry-alyoum.com');">আল মাসরি আল ইউম</a> </em>অনলাইনে এই ঘটনা তুলে দিয়েছে। ২৫০ জনের বেশি মানুষ সেখানে মন্তব্য করেছে এবং এখানে প্রতিক্রিয়ার কিছু খন্ডচিত্র তুলে ধরা হলো। </p>
<p><em>তারেক সালাহেলদিন</em> মন্তব্য করেছেন: </p>
<blockquote><p>اذا لم تستحى فافعل ما شئت وهؤلاء لا حياء ولا دين </p></blockquote>
<div class="translation">যদি আপনার লজ্জা না থাকে আপনি যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন এবং ঐ সমস্ত মানুষের কোন লজ্জা বা ধর্ম নাই। </div>
<p><em>মোহাম্মদ আইয়ুব</em> বলেছেন: </p>
<blockquote><p>ما هذا الانفلات الاخلاقى الذى يحدث فى المجتمع وكأننا نعيش فى اوروبا وامريكا وليس فى مجتمع اسلامى - اعتقد ان سبب هذا الفجور هو قنوات الدش ومواقع النت الاباحية التى يجب ان يتم عمل بروكسى عليها مثل بعض الدول الاسلامية وربنا يحفظنا جميعا ومن الافضل عدم الافصاح عن مثل هذه المواضيع حتى لا تصبح اشياء عادية</p></blockquote>
<div class="translation">আমাদের সমাজের নৈতিক অবক্ষয় দেখে মনে হয় আমরা ইউরোপ অথবা আমেরিকাতে বসবাস করি, মুসলিম সমাজে নয় – আমি বিশ্বাস করি এর কারণ স্যাটেলাইট চ্যানেল এবং ইন্টারনেটের প্রাপ্তবয়স্ক সাইট যেগুলো বন্ধের জন্য অন্যান্য ইসলামিক দেশের মত একটা প্রক্সি সংস্থাপন করা জরুরী। ইশ্বর আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন। এগুলো যেন নিয়মিত না হতে পারে সেজন্য এসমস্ত বিষয় তুলে না ধরাই মঙ্গল। </div>
<p>এবং <em>ওয়ায়েল</em> বলেছেন: </p>
<blockquote><p>ولا هى النهاية ولا البداية هى طبائع فى النفس الأنسانية وطبعا بعد اللغاء دور الدين فى المجتمع فلا يوجد أى رادع للنفس الأنسانية وطبعا سمعت عن حوادث سرقة وقتل بدون اى اعتبار لنفس كما لوكنا نعيش فى غابة بل نحن كذلك</p></blockquote>
<div class="translation">এটাই প্রথম অথবা শেষ নয়। এটা মানুষের প্রকৃতিগত একটা বিষয় এবং অবশ্যই ধর্মের ভূমিকা রিক্ত হবার পরে বাধা দেবার মত কিছু অবশিষ্ট নাই। জীবনের প্রতি কোন সহানুভূতি প্রদর্শন না করে চুরি ও হত্যার কথা আমরা শুনে থাকি – যেন মনে হচ্ছে আমরা জঙ্গলে বাস করি, আসলেও তাই। </div>
<p><em>আদেল আল ওয়ারডানি</em> একমত পোষণ করেছেন যে এমন সংবাদ প্রকাশিত হওয়া উচিত নয়ঃ </p>
<blockquote><p>لماذا لا يحجب نشر مثل تلك البشاعات حتى لا تنتشر ويستسهلها من لا دين لهم ولا أخلاق وإن كان لا بد فيمكن نشر الخبر علي أنها شبكة دعارة دون تفصيلات كثيرة . ده رأيي .</p></blockquote>
<div class="translation">
এমন ভয়ংকর ঘটনার বিস্তৃতি রোধ করার জন্য এগুলো প্রকাশ করা ঠিক নয় নইলে যাদের কোন ধর্ম ও নৈতিকতা নাই তাদের পক্ষে অনুরূপ কাজে প্রভাবিত হওয়া সহজ হবে। যদি সংবাদটা প্রকাশ করতেই হয় তবে কোন বিস্তারিত উল্লেখ ছাড়া ঘোষণা দিতে হবে যে পতিতালয়ের একটা চক্র ধরা পড়েছে। এটা আমার অভিমত। </div>
<p>আপনার কি মনে হয়? এমন গল্প কি প্রকাশিত হবে অথবা বদ্ধ কপাটের আড়লে কেবল গুঞ্জন করতে থাকবে?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/30/1358/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আফঘানিস্তান: একজন মহিলা রাজনীতিবিদের কথা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/20/1333/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/20/1333/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 20 Oct 2008 10:18:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1333</guid>
		<description><![CDATA[আজার বলখি লিখেছেন আফগানিস্তানের ফয়েজা কুফি সম্পর্কে; যিনি একজন আধুনিক চিন্তাবিদ, কবি, আফঘানিস্তানের সংসদের একজন ডেপুটি এবং একটি পুরুষশাষিত সমাজে একজন মহিলা পথিকৃত।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><em>আজার বলখি</em> <a href="http://the-rumi.blogspot.com/2008/10/women-politicians.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/the-rumi.blogspot.com');">লিখেছেন</a> আফগানিস্তানের ফয়েজা কুফি সম্পর্কে; যিনি একজন আধুনিক চিন্তাবিদ, কবি, আফঘানিস্তানের সংসদের একজন ডেপুটি এবং একটি পুরুষশাষিত সমাজে একজন মহিলা পথিকৃত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/20/1333/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কানাডাঃ আদিবাসী নারীহত্যা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/18/1320/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/18/1320/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 18 Oct 2008 07:48:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কৌশিক আহমেদ</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আইন]]></category>

		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>

		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>

		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>

		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1320</guid>
		<description><![CDATA[
টিসিমসিয়ান মাস্ক: ছবি তুলেছেন গেট ডিরেক্টলী ডাউন
উইমেন মেক মুভিসের মাধ্যমে আমরা একটা ডকুমেন্টারী সম্বন্ধে জেনেছিলাম যা বিগত ৩০ বৎসর যাবত কানাডাতে ৫০০ এর অধিক আদিবাসী নারীর অন্তর্ধান ও হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে জনগণের মনযোগ আকর্ষন ঘটিয়েছে। ক্রিস্টিন ওয়েলস এর চলচ্চিত্রটির নাম ফাইন্ডিং ডন। হত্যার ২৩তম শিকার ডন &#8216;ক্রে&#39;র নামে চলচ্চিত্রটির নামকরণ করা হয় যার ডিএনএ চিন্থিত হয়েছিল [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><object class="alignleft" ><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/10/2761113772_81f0a369b3_m.jpg"><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/10/2761113772_81f0a369b3_m.jpg" alt="সিমসিয়ান মাস্ক" title="Tsimshian Mask by get directly down" class="size-medium wp-image-51567" /></a><br />
<small><a href="http://www.flickr.com/photos/65172294@N00/2761113772/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.flickr.com');">টিসিমসিয়ান মাস্ক</a>: ছবি তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/65172294@N00/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.flickr.com');">গেট ডিরেক্টলী ডাউন</a></small></object><br />
<em><a href="http://www.wmm.com/filmcatalog/pages/c725.shtml" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.wmm.com');">উইমেন মেক মুভিসের</a></em> মাধ্যমে আমরা একটা ডকুমেন্টারী সম্বন্ধে জেনেছিলাম যা বিগত ৩০ বৎসর যাবত কানাডাতে ৫০০ এর অধিক আদিবাসী নারীর অন্তর্ধান ও হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে জনগণের মনযোগ আকর্ষন ঘটিয়েছে। ক্রিস্টিন ওয়েলস এর চলচ্চিত্রটির নাম <em>ফাইন্ডিং ডন</em>। হত্যার ২৩তম শিকার ডন &#8216;ক্রে&#39;র নামে চলচ্চিত্রটির নামকরণ করা হয় যার ডিএনএ চিন্থিত হয়েছিল কানাডায় ২০০২-২০০৪ সালে পরিচালিত সর্ববৃহৎ ধারাবাহিক হত্যা তদন্তের মাধ্যমে। চলচ্চিত্রটিতে এই ঘটনাসহ আরো অনেক বিষয় স্থান পেয়েছে এবং সেই সাথে তুলে ধরা হয়েছে কানাডার স্থানীয় নারীদের অন্তর্ধান ও হত্যা রহস্য এবং ন্যায় বিচার পেতে তাদের পরিবারের প্রানান্ত প্রচেষ্টা ও কর্তৃপক্ষের ঔদাসিন্যতার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন। </p>
<p>এই চলচ্চিত্রসহ এবং আরো অনেক ফেমিসাইডের (নারী ও মেয়েদের হত্যা) ক্লিপ পাওয়া যাবে <a href="http://citizen.nfb.ca/femicide-killing-women-and-girls" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">সিটিজেন সিফট ওয়েবসাইটের ডোসিয়ারে</a>। <a href="http://citizen.nfb.ca/finding-dawn-clip-1" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">ফাইন্ডিং ডনের</a> প্রথম ক্লিপে প্রদর্শন করে ভ্যানকুভারে ডন ক্রের মামলাটি। </p>
<div>
<p><object><embed src="http://citizen.nfb.ca/sites/all/modules/meidia/players/flvplayer.swf" width="450" height="360" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="sameDomain" flashvars="image=http://citizen.nfb.ca/sites/citizen.nfb.ca/files/images/en_finding_dawn1_80.jpg&amp;file=rtmp://flash.nfb.ca/citizenshift/videos/user/1/&amp;id=300_52581_finding_dawn1_Extrait_.rm&amp;type=rtmp&amp;autoPlay=true&amp;bufferLength=5" type="application/x-shockwave-flash" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" /></object><br /><a href="http://citizen.nfb.ca/node/981" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">See more on CitizenShift</a></p>
</div>
<p><a href="http://citizen.nfb.ca/node/981" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">আরো দেখতে পারেন সিটিজেনসিফটে</a></p>
<p><a href="http://citizen.nfb.ca/finding-dawn-clip-2" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">দ্বিতীয় ভিডিওটিতে</a> দেখা যায় ইয়েলোহেড হাইওয়ে নামে নিসঙ্গ একটা সড়কের চিত্র যা অনেক শহরকে সংযুক্ত করেছে। এখানে অসংখ্য নারী অন্তর্ধান এবং নিহত হওয়ায় এখন এটা &#8220;ক্রন্দনের সড়ক&#8221; নামে পরিচিত। </p>
<div>
<p><object><embed src="http://citizen.nfb.ca/sites/all/modules/meidia/players/flvplayer.swf" width="450" height="360" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="sameDomain" flashvars="image=http://citizen.nfb.ca/sites/citizen.nfb.ca/files/images/en_finding_dawn2_80.jpg&amp;file=rtmp://flash.nfb.ca/citizenshift/videos/user/1/&amp;id=300_52581_finding_dawn2_Extrait_.rm&amp;type=rtmp&amp;autoPlay=true&amp;bufferLength=5" type="application/x-shockwave-flash" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" /></object><br /><a href="http://citizen.nfb.ca/node/982" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">See more on CitizenShift</a></p>
</div>
<p><a href="http://citizen.nfb.ca/node/982" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">আরো দেখতে পারেন সিটিজেনসিফটে</a></p>
<p><a href="http://citizen.nfb.ca/finding-dawn-clip-3" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">তৃতীয় </a>ও শেষ ক্লিপটা হচ্ছে একটা চলচ্চিত্র যেটাতে তুলে ধরা হয়েছে ডলিন কে বোস নামীয় একজন নারীকে যার পরিবার বছরের পর বছর অতিবাহিত করেছে তাঁর উধাও হওয়ার একটা ব্যাখ্যা তালাশে। এটি বিষ্ময় প্রকাশ করেছে এই জন্য যে কর্তৃপক্ষ কেন আদিবাসী নারীদের হারিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর দিকে গভীর মনযোগ প্রদান করছেন না। </p>
<div>
<p><object><embed src="http://citizen.nfb.ca/sites/all/modules/meidia/players/flvplayer.swf" width="450" height="360" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="sameDomain" flashvars="image=http://citizen.nfb.ca/sites/citizen.nfb.ca/files/images/en_finding_dawn3_80.jpg&amp;file=rtmp://flash.nfb.ca/citizenshift/videos/user/1/&amp;id=300_52581_finding_dawn3_Extrait_.rm&amp;type=rtmp&amp;autoPlay=true&amp;bufferLength=5" type="application/x-shockwave-flash" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" /></object><br /><a href="http://citizen.nfb.ca/node/983" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">See more on CitizenShift</a></p>
</div>
<p><a href="http://citizen.nfb.ca/node/983" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/citizen.nfb.ca');">আরো দেখতে পারেন সিটিজেনসিফটে</a></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/18/1320/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: আমরা সবাই লায়লা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/14/1296/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/14/1296/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 14 Oct 2008 20:45:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>

		<category><![CDATA[আরবী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1296</guid>
		<description><![CDATA[ মিশরীয় নারী ব্লগাররা এক কথায় বলবে, আমরা সবাই লায়লা। প্রশ্ন হচ্ছে লায়লা কে আর কেন মিশরীয় নারীরা নিজেদেরকে তার সাথে তুলনা করে? পড়ে দেখুন জানার জন্য যে কি করে মিশরীয় ব্লগাররা কাজ করছে লিঙ্গের বাধা ভাঙ্গার জন্য আর নারীদের কথা শোনাবার জন্য।
২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই গল্পের শুরু হয় যখন একদল ব্লগার সিদ্ধান্ত নেয় [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src='http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2008/10/m3-layla2.jpg' alt='আমরা সবাই লায়লা' class='alignleft' /> মিশরীয় নারী ব্লগাররা এক কথায় বলবে, আমরা সবাই <a href="http://laila-eg.blogspot.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/laila-eg.blogspot.com');">লায়লা</a>। প্রশ্ন হচ্ছে লায়লা কে আর কেন মিশরীয় নারীরা নিজেদেরকে তার সাথে তুলনা করে? পড়ে দেখুন জানার জন্য যে কি করে মিশরীয় ব্লগাররা কাজ করছে লিঙ্গের বাধা ভাঙ্গার জন্য আর নারীদের কথা শোনাবার জন্য।</p>
<p>২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই <a href="http://laila-eg.blogspot.com/2006/09/1.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/laila-eg.blogspot.com');">গল্পের শুরু</a> হয় যখন একদল ব্লগার সিদ্ধান্ত নেয় যে সময় হয়েছে তাদের কথা বলার। তারা প্রকাশ করা শুরু করে তাদের নিজেদের গল্প আর অভিজ্ঞতা, আর তার সাথে অন্যান্য মহিলাদের কথাও যাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।</p>
<p>পদক্ষেপ এভাবে নেয়া হয়:</p>
<blockquote><p>بدأت فكرة “كلنا ليلى” بليلى/ واحدة منا تشكو و تبوح ل/ليلى أخرى ليزيد العدد لثلاثة فخمسة فأكثر من خمسين فتاة و سيدة، لنكتشف أنه على اختلاف خلفياتنا و أفكارنا و أولوياتنا كلنا في النهاية ليلى.<br />
و ليلى هي بطلة رواية بعنوان ” الباب المفتوح” للروائية لطيفة الزيات وقد تحولت تلك الرواية إلى عمل سينمائي يحمل نفس الاسم - قامت ببطولته فاتن حمامة . ليلى هي نموذج للفتاة المصرية التي تتعرض لمواقف حياتية مختلفة في مجتمع يعلى من شأن الرجل ويقلل من شأن المرأة، ولا يهتم لأحلامها أو أفكارها أو ما تريد أن تصنع في حياتها.<br />
ومع ذلك فقد استطاعت ليلى التي تعرضت منذ طفولتها لأشكال مختلفة من التمييز أن تحتفظ بفكرتها الأصيلة عن نفسها وتظل مؤمنة بدورها كإمراة لا تقل أهمية بأي حال من الأحوال عن الرجل سواء في البيت أو في العمل أو في الدراسة أو في العمل العام.</p></blockquote>
<div class="translation">“ আমরা সবাই লায়লা” এই ধারনা শুরু হয় লায়লা নামক এক মহিলা দিয়ে যে তার কথা জানাচ্ছিল লায়লা নামক আর একজন মহিলাকে। অচিরেই দুই লায়লা তিনজন হয়েছে, তারপর পাঁচ আর তারপরে ৫০ জনের বেশী, যারা বুঝতে পেরেছে যে তাদের অবস্থা, ধারনা আর অগ্রাধিকারের পার্থক্য সত্ত্বেও, দিন শেষে তারা সবাই লায়লা। লেখক লতিফা আল জায়াত এর লেখা উপন্যাস &#8216;দ্যা ওপেন ডোর&#39; (উন্মুক্ত দরজা) এর নায়িকা লায়লা। এই উপন্যাস থেকে পরে চলচ্চিত্রায়ন হয়েছে যাতে লায়লার চরিত্রে অভিনয় করেছেন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Faten_Hamama" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/en.wikipedia.org');">ফাতেন হামামা</a>। লায়লা বর্তমানের মিশরীয় নারী, যে সমাজে বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়, যেখানে পুরুষদেরকে মাথায় তুলে ধরে মেয়েদেরকে অবজ্ঞা করা হয়। তার স্বপ্ন, ধ্যান ধারনা আর সে জীবনে কি করতে চেয়েছে কেউ তার পরোয়া করেনা। এসব সত্ত্বেও ছোটবেলা থেকে অবহেলিত লায়লা নিজের উপর বিশ্বাস ধরে রাখতে পেরেছে। আর নারী হিসাবে তার ভুমিকা পুরুষের সমান গুরুত্বপূর্ণ - তা বাড়িতে, কাজের ক্ষেত্রে, স্কুলে বা বৃহত্তর সমাজে যে কোন যায়গায়ই হোক।</div>
<blockquote><p>كانت ليلى هي اختيارنا لأنها قصة مصرية، تحمل في طياتها الكثير من الروح التي تعيش بداخلنا وتتعرض لنفس الضغوطات التي تولدت في مجتمعنا المصري بكل تقاليده وأرائه عن المرأة عبر الأزمان، و لا ينفي هذا مشاركة مدونات من بلاد عربية معنا في هذا اليوم فالثقافة التي تظلم ليلى موجودة هناك أيضا.</p></blockquote>
<div class="translation">আমরা লায়লাকে বেছে নিয়েছি কারন এটা মিশরীয় গল্প, যার মধ্য দিয়ে আমরা কি সমস্যার মধ্যে দিন অতিবাহিত করি তা অনেকটা প্রতিফলিত হয়েছে। আমাদের মিশরীয় সমাজে নারীদের উপর যে চাপ দানা বেঁধে ওঠে, আর ইতিহাস জুড়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গী আর সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়েছে। এর মানে এই না যে অন্যান্য আরব দেশের ব্লগাররা এই উদ্যোগে অংশগ্রহন করতে পারবে না, যেহেতু লায়লাকে নিগৃহীত করার সংস্কৃতি তাদের দেশেও আছে।</div>
<blockquote><p>هدفنا من هذا اليوم إعطاء فرصة لكل ليلى لتتحدث بصوت مسموع و تسمع من أخريات مختلفات عنها و تعلم أنها ليست بمفردها في رفض ومواجهة الظلم الواقع عليها. هدفنا أن يكون لنا صوت يعبر عنا بعدما سأمنا من محاولات التحدث باسمنا. و هدفنا الأكبر هو أن نشارككم جزء مهم و جوهري من عوالمنا المختلفة، جزء مخبأ بعناية في أحايين كثيرة بداخل أختك أو زوجتك أو زميلتك في العمل…جزء قد تشارك في تكوينه بوعي أو بدون وعي أحيانا.</p></blockquote>
<div class="translation">আমাদের আজকের চেষ্টা হচ্ছে লায়লাকে কথা বলার সুযোগ করে দেয়া আর অন্যরা তার সম্পর্কে কি বলে তা শোনা। আর তাকে জানানো যে সে যে অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছে আর মুখ বুজে সহ্য করছে তাতে সে একা না। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে তাদের নিজের কন্ঠে আমাদেরকে তাদের কষ্টের কথা বলুক যেহেতু আমরা বিরক্ত অন্যের মাধ্যমে তাদের কথা শুনতে। আমাদের বৃহত্তর লক্ষ্য হচ্ছে আপনাদের সাথে আমাদের অস্তিত্বের একটা বড় দিক ভাগ করে নেয়া, একটা দিক যা আপনার বোন, স্ত্রী আর কাজের ক্ষেত্রে কর্মীদের মধ্যে লুকানো আছে&#8230; আর একটা দিক যাতে আপনি সচেতন বা অবচেতনে অংশগ্রহন করছেন।</div>
<p>এরপর থেকে এই প্রচারাভিযান প্রতি বছর সফল হয়েছে- যেখানে নারী ব্লগাররা তাদের মনে কথা বলছে আর তাদের কষ্টের কথা তুলে ধরছে, আর আশ্চর্যজনকভাবে <a href="http://gr33ndata.blogspot.com/2006/09/laila-call-for-comments.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/gr33ndata.blogspot.com');">পুরুষদের</a> কাছ থেকেও তারা সমর্থন পাচ্ছে।</p>
<p>পরের বছর <em><a href="http://laila-eg.blogspot.com/2007/09/2.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/laila-eg.blogspot.com');">আমরা সবাই লায়লা</a></em> লিখেছে:</p>
<blockquote><p>مرت سنة على يوم “كلنا ليلى” الأول… وكانت فكرته ببساطة تجميع أكبر عدد من المدونات –بكسر الواو- للكتابة عما يواجههن من مشاكل من وجهة نظرهن، كمحاولة لطرح المشاكل على وسيط مفتوح فيه قدر معقول من الحرية و الوعي. وكان ذلك بهدف البوح و التشارك والخروج من خندق الإحساس بالوحدة في مواجهة هذه المشاكل. كذلك كان الهدف الاستفادة من موقعنا ومصداقيتنا على ساحة التدوين في طرح ما نراه مشاكل ليراها الجنس الآخر من نفس الزاوية التي نراها بها، في محاولة أخرى ليفهم الطرف الآخر طبيعة ما نشعر به ويحاول معنا تغيير ما نراه مجحفا ولو على نطاق ضيق يشمل فقط نفسه وبيته..</p></blockquote>
<div class="translation"><em>আমরা সাবাই লায়লা</em> দিবসের একবছর পার হয়েছে&#8230; ইচ্ছা ছিল অনেক সংখ্যক নারী ব্লগার দিয়ে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরা, উন্মুক্ত মাধ্যমে তাদের এই ব্যাপারগুলো আলোচনা করা, যেখানে এখনো কিছু মাত্রায় স্বাধীনতা আর সচেতনতা আছে। লক্ষ্য ছিল খুলে বলা আর ভাগ করে নেয়া আর একই সাথে এই বোধ অনুভব করা যে এইসব সমস্যা মোকাবেলায় আমরা একা নই। আর একটা লক্ষ্য ছিল ব্লগে আমাদের সমস্যার কথা বলার যথার্থতা তুলে ধরে অন্য লিঙ্গের মানুষকে আমাদের দৃষ্টিকোন থেকে এইগুলো দেখানো। এটা একটা সুযোগ ছিল আমাদের একে অপরকে বোঝার, আর আমরা কেমন বোধ করি আর আমাদের প্রতি অসমতা পরিবর্তন করার। কম করে হলেও, সে আর তার পরিবার দিয়েই শুরু হোক।</div>
<p>ফলাফল হলো ওই দিনে বিভিন্ন ব্লগাররা এই বিষয়ে বেশ কিছু লেখা লিখেছেন যার মধ্যে পুরুষরাও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছে।</p>
<p><em>আমরা সবাই লায়লা</em> ব্যাখ্যা করেছে:</p>
<blockquote><p>ومع نجاح فكرة اليوم العام الماضي، لام علينا البعض عدة نقاط، من أهمها إهمال مشاركة الرجل، وعدم تحديد الموضوعات. وعلى هذا حاولنا قدر المستطاع تلافى هذه الأخطاء. واخترنا هذه المرة تجديد طريقة العرض بطرح مجموعة من الأسئلة –شارك في اختيارها العديد من الأصدقاء- تمس وضع المرأة والفتاة المصرية بشكل خاص والإنسان المصري بشكل عام، بهدف أن تخلق الإجابة عليها حوار يقودنا نحو فهم أفضل لأنفسنا ولمن حولنا. </p></blockquote>
<div class="translation">(গতবছর) দিনটির সফলতা সত্তেও, কয়েক বিষয়ে আমাদের সমালোচনা করা হয়েছে, সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো পুরুষদেরকে অবহেলা করার, আর বিষয়বস্তুকে পরিষ্কার করে না বলা। এই বছর আমরা এক্চেষ্টা করব এইসব ভুল শুধরাতে। এই বছর আমরা ঠিক করেছি দিনটাকে অন্য ভাবে পালন করতে। মিশরীয় মেয়ে আর নারীদের অবস্থান নিয়ে, আর সাধারনভাবে মিশরীয়দেরকে নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করে, যা সাবধানে কিছু বন্ধু বেছে দিয়েছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে যে সারা আসবে তা থেকে একটা আলোচনা করা যাতে আমরা নিজেদের আর আমাদের চারপাশের মানুষকে ভালোভাবে বুঝতে পারি।</div>
<p>এই বছরের আমরা সবাই লায়লা দিবস মিশরীয় ব্লগে পালিত হবে অক্টোবর ১৯ তারিখে। আমাদের সাথে থাকবেন ওই দিনের খবর শোনার জন্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/14/1296/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ব্লগিং বিপ্লব: ইরান থেকে কিউবা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/13/1274/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/13/1274/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 13 Oct 2008 22:21:40 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কৌশিক আহমেদ</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ইরান]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[কিউবা]]></category>

		<category><![CDATA[চীন]]></category>

		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>

		<category><![CDATA[প্রতিবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[ফার্সী]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>

		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1274</guid>
		<description><![CDATA[সিডনী ভিত্তিক ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও ব্লগার এ্যান্থনি লোয়েনস্টাইন সম্প্রতি &#8220;ব্লগিং বিপ্লব&#8221; নামে একটা বই লিখেছেন। ইরান, সিরিয়া, সৌদি আরব, মিশর, চীন ও কিউবা - এই ছয়টি দেশে ব্লগিং কি কি প্রভাব ফেলছে তা সুনিপুণভাবে উঠে এসেছে এই বইটিতে।  
তিনি বলেছেন: 
বইটির জন্য উপরোক্ত ছয়টি দেশকে বেছে নেয়ার কারণ হলো যেহেতু তারা পশ্চিমে নিয়মিত ওয়াশিংটনের [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সিডনী ভিত্তিক ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও ব্লগার <a href="http://antonyloewenstein.com/bio/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/antonyloewenstein.com');">এ্যান্থনি লোয়েনস্টাইন</a> সম্প্রতি &#8220;<a href="http://www.bloggingrevolution.com/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.bloggingrevolution.com');">ব্লগিং বিপ্লব</a>&#8221; নামে একটা বই লিখেছেন। ইরান, সিরিয়া, সৌদি আরব, মিশর, চীন ও কিউবা - এই ছয়টি দেশে ব্লগিং কি কি প্রভাব ফেলছে তা সুনিপুণভাবে উঠে এসেছে এই বইটিতে।  </p>
<p>তিনি বলেছেন: </p>
<blockquote><p>বইটির জন্য উপরোক্ত ছয়টি দেশকে বেছে নেয়ার কারণ হলো যেহেতু তারা পশ্চিমে নিয়মিত ওয়াশিংটনের শত্রু বা মিত্র হিসাবে উপস্থাপিত হয় এবং সন্ত্রাসের গল্প ছাড়া এই দেশগুলোর সাধারণ মানুষের অভ্যন্তরীণ খবররাখবর আমরা খুব কম জেনে থাকি। প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টকোণ ছেড়ে ব্লগার, লেখক, বিপ্লবী, রাজনীতিবিদ, জনগণের সাথে আমি কথা বলতে চেয়েছিলাম। </p></blockquote>
<p><a href="http://summit08.globalvoicesonline.org/">এ বছর বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ভয়েস সামিটে</a> এ্যান্থনি একজন প্যানেলিস্ট হিসাবে অংশ নিয়েছিলেন। তার বইয়ে <em>গ্লোবাল ভয়েসেসের</em> বেশ কিছু তথ্যনির্দেশ পাওয়া যাবে।  </p>
<p>ইউটিউবে এ্যান্থনি তার বই তুলে ধরেছেন: </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/bAkr1Gm_ONM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/bAkr1Gm_ONM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>আমি এই বই উপলক্ষ করে তার একটা সাক্ষাৎকার নেই। </p>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong> ইরানের ভ্রমণ শুরুর আগে, আপনি লিখেছিলেন যে আপনি আশাবাদী যে ইন্টারনেট স্বয়ং এই দেশে সত্যিকারের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করতে পারে। বৈপ্লবিক পরিবর্তন বলতে আপনি কি বুঝিয়েছেন? এবং এখন আপনি কি মনে করেন?</p>
<blockquote><p>বিপ্লবের ধারণাটি কিন্তু খুব স্বচ্ছ নয়। আমি আমার ভ্রমণে খুব কম লোক পেয়েছি যারা তার দেশে বড় একটা পরিবর্তন চায়।  আমার বইতে এমন অনেক প্রতিবাদী এবং ব্লগারদের তুলে ধরা হয়েছে বিশ্বের যারা রাজনৈতিক, সামাজিক এবং নৈতিক পরিবর্তনের জন্য চেষ্টা করছে - যার মধ্যে সৌদি আরবের বিখ্যাত ব্লগার <a href="http://globalvoicesonline.org/2006/03/23/fouad-al-farhan-we-have-to-move-on/">ফুয়াদ আল-ফারহান</a>, যিনি কয়েকদিন হলো <a href="http://advocacy.globalvoicesonline.org/2008/05/05/saudi-arabia-freedom-for-fouad-al-farhan/">জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন</a> তার দেশের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে অবরুদ্ধ থাকার পরে - কিন্তু তারা স্বীকার করে যে খুব কম সংখ্যক লোক তাদের সাথে প্রতিবাদে যোগ দেবে। </p>
<p>কেবলমাত্র ইন্টারনেট বড় কোন পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসতে পারবে না, কিন্তু এটা মানুষকে তাদের বক্তব্য প্রকাশে সুযোগ দেয় এবং কার্যকারনে সহায়তা ও শক্তি প্রদান করতে পারে। ওয়েবের আগে এমন কোন প্রযুক্তি তা করতে পারতো না। আমি ইন্টারনেটের আদর্শবাদ তৈরী করছি না - অথবা বিশ্বাস করি না যে পাশ্চত্য-ঘেঁসা গণতন্ত্রও আমার ভ্রমণকৃত দেশগুলোর লক্ষ্য। বৈদেশিক মধ্যস্ততা সবজায়গাতেই বিরক্তিকর, যদিও পাশ্চাত্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন সবজায়গাই স্বাগত জানানো হয়েছে। </p>
<p>ইরানে বিপ্লবের ত্রিশ বছর পরেও, বেশীরভাগ তরুণ যাদের সাথে আমার দেখা হয়েছে তারা ক্লান্ত; কেউই আমেরিকা বা ইজরায়েল এর বোমার শিকার হতে চায় না। </p></blockquote>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong> আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার সাথে কাজ করেছে এমন একজন ইরানী সাংবাদিকের উদ্ধৃতি করে আপনি বলেছেন যে বৈদেশিক মিডিয়া ইরানে পরমানু আর আল কায়েদার বিষয়ে শুধু আগ্রহী। আপনার কি মনে হয় অন্য সব দেশেও এটা সত্য? সর্বপরি, ইরানীরা আমেরিকান হেল্থ কেয়ার সিস্টেমের চেয়ে নির্বাচনের বিষয়ে বেশি আগ্রহী। ইরানের কম গুরুত্বপূর্ণ চাঞ্চল্যকর সংবাদ ব্লগে উঠে আসার বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখেন?</p>
<blockquote><p>পাশ্চাত্য মিডিয়া এখন বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্কটে রয়েছে। জনসম্পদ কমে যাচ্ছে, কম সংখ্যক সাংবাদিক নিয়োগ হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হচ্ছে। যার জন্য এটা এটা নতুন নয়, যদিও হতাশাব্যঞ্জক, যে আমাদের প্রচার মাধ্যমের অনেক গল্প যেমন ইরান সম্বন্ধে কেবল আহমাদিনেজাদ, সন্ত্রাস, ইরাক অথবা মানবাধিকার বিষয়ে বুঁদ হয়ে আছে। এগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু তা ঐ অঞ্চলের সমস্ত ঘটনা ব্যাখ্যা করে না। </p>
<p>আমার বইয়ে ইরানের একটা অংশ তুলে ধরা হয়েছে যা খুব কমই আমাদের সন্ত্রাস নির্ভর মিডিয়াতে দেখা যায়। অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে বসবাস করে আমি দেখি প্রতিদিন আমেরিকার নির্বাচন নিয়ে মাতামাতি, এমন মনে হয় যে আমাদের সবার বারাক ওবামা বা ম্যাকেইনের ক্যাম্পেইনের উপরে সত্যিই কোন প্রভাব আছে। </p>
<p>এই তথাকথিত নিপীড়ক শাষিত দেশে ব্লগ এমন সব বিষয় তুলে ধরে যা সময়ের সংকটে ভোগা ও সংকীর্ণ পাশ্চাত্য মিডিয়া তুলে ধরে না। শুধু মাত্রই এই একটা কারণে তাদের নিয়ে আলোচনা ও পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। </p></blockquote>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong> ইরান, মিশর, সিরিয়া এবং সৌদি আরবের ব্লগোস্ফিয়ারের মধ্যে আসলে কোন সত্যি মিল রয়েছে অথবা পার্থক্য?</p>
<blockquote><p>ইরানী ও এবং মিশরী ব্লগস্ফিয়ার বৃহৎ ও সম্প্রসারণশীল এবং তারা রাজনৈতিক পদ্ধতির উপরে প্রভাব ফেলছে। শাষকবৃন্দ তা টের পেয়ে ব্লগার ও মানবাধিকার কর্মীদের আটকাচ্ছে তাদের মুখ বন্ধ করার জন্য। অন্যান্য ব্লগার ও কিছু দেশের সরকারের থেকে প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক একাত্মতা নিপীড়ক শাসকদের কাজকে কঠিক করে ফেলছে। বন্দী ব্লগারদের ভোলা সম্ভব নয়। </p>
<p>মিশর ও ইরানের উচ্চারিত কণ্ঠের গভীরতা ও বিচিত্রতা দেখে আমি মুগ্ধ, কিছু আমার বইয়ে ব্যাপক মাত্রায় তুলে ধরেছি, বাম থেকে ডান, নারী, মানবাধিকারকর্মী ও ইসলামবাদী। সত্যি কথা বলতে কি, অনেক পশ্চিমা সমাজের এই অংশের লোকের থেকে এরা বেশী মাত্রায় উচ্চকন্ঠ। </p>
<p>সৌদি আরবে ব্লগস্ফিয়ার অনেক কম অগ্রগতি লাভ করেছে যদিও এখনও তা সক্রিয়। পর্নোগ্রাফিক সাইটের উপরে বিধিনিষেধ আরোপ কম, যদিও শাষকরা মানবাধিকার কর্মীদের শক্তিকে ভয় পেতে শুরু করে আছে। আপনি যদি পূর্বে নীরব থাকা এই দলটির সম্বন্ধে জানতে চান তাহলে সমাজে চরমভাবে অবহেলিত নারী ব্লগারদের লেখা পড়লে মন সজীব হয়ে যাবে। </p></blockquote>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong> এই বই ও গবেষণা করতে গিয়ে আপনি বড় কি প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন?</p>
<blockquote><p>কিছু দেশে পূর্ণ প্রবেশাধিকার পাওয়াতে বেশ বাধা ছিল। গুগল, ইয়াহু, মাইক্রোসফ্ট এবং অন্যান্য পশ্চিমা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা ও ওয়েব বিধিনিষেধ আরোপে তাদের ষড়যন্ত্র চীনের মতই রয়েছে। আমার উৎসগুলোকে রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বেশীরভাগ দেশের ব্লগারদের সাথে যোগাযোগ এবং সেখানে পৌঁছার আগে আমি পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েছি।</p>
<p>এই বইয়ের প্রধান লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা সাংবাদিকদের গতানুগতিক ভূমিকা থেকে মানের দিকে পরিচালিত করা। উপস্থাপিত প্রত্যেকটা দেশে আমার অবস্থান অনিবার্য ছিল বটে, কিন্তু আমি যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে তাদের সাথে আমার অবস্থান নির্দিষ্ট করতে দৃঢ় ছিলাম। আমার বক্তব্যের চেয়ে তাদের কণ্ঠ অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ ছিল। </p></blockquote>
<p><strong>প্রশ্ন:</strong> অশ্রুত কণ্ঠ জানার বিষয়ে মানুষকে সহায়তা দিতে গ্লোবাল ভয়েসের ভূমিকা নিয়ে আপনি কি মনে করেন? গ্লোবাল ভয়েসেসকে আরো কার্যকরী করার বিষয়ে আপনার মতে আর কি কি করা প্রয়োজন?</p>
<blockquote><p>গ্লোবাল ভয়েসেসের শক্তি এই যে তাদের বিশ্বব্যাপী পাঠকদের বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে শিক্ষিত করে তোলার সক্ষমতা আছে। প্রায়শই তারা সেই সব বিষয় ও দৃষ্টিকোন তুলে ধরে যা একচোখা দৃষ্টিসম্পন্ন পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমে উপেক্ষিত। তথাপি, ভাষা থেকে যায় প্রধান সমস্যা হিসাবে। পশ্চিমা দেশগুলো ও বাকী বিশ্বের সাথে সংযোগ খুঁজে নিতে আরো মনযোগ দিতে হবে যেহেতু ইন্টারনেটে বর্তমানে এমন একটা জায়গা যেখানে এই দুই জগতের মধ্যে খুব কমই যোগাযোগ হয়।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/13/1274/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আরবদেশ: এসে গেল একচোখা নেকাব</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/08/1281/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/08/1281/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Oct 2008 22:50:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>

		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>

		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>

		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>

		<category><![CDATA[বাহরাইন]]></category>

		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>

		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>

		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<category><![CDATA[সৌদি আরব]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1281</guid>
		<description><![CDATA[প্রচলিত নেকাব যা মহিলাদের মুখ ঢেকে রেখে তাদের দুই চোখ শুধু খোলা রাখতে দেয়, তার পরিবর্তে সৌদি আরবের একজন ইসলামী পন্ডিত মহিলাদের এক চোখ খোলা নেকাব পড়তে বলেছেন। আরব বিশ্বের ব্লগাররা এ খবরে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মিডইস্ট ইয়থ এ বাহারাইনি ব্লগার এস্রা লিখেছেন:
সৌদি ধর্মীয় নেতা মুহাম্মাদ আল হাবাদান তার মনবৈকল্যজনিত লালসার হাত থেকে বাঁচার জন্য মহিলাদের [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>প্রচলিত নেকাব যা মহিলাদের মুখ ঢেকে রেখে তাদের দুই চোখ শুধু খোলা রাখতে দেয়, তার পরিবর্তে সৌদি আরবের একজন ইসলামী পন্ডিত মহিলাদের <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/middle_east/7651231.stm" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/news.bbc.co.uk');">এক চোখ খোলা নেকাব</a> পড়তে বলেছেন। আরব বিশ্বের ব্লগাররা এ খবরে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।</p>
<p><a href="http://www.mideastyouth.com/2008/10/04/saudi-cleric-showing-two-eyes-is-seductive/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/www.mideastyouth.com');">মিডইস্ট ইয়থ</a> এ বাহারাইনি ব্লগার এস্রা লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>সৌদি ধর্মীয় নেতা মুহাম্মাদ আল হাবাদান তার মনবৈকল্যজনিত লালসার হাত থেকে বাঁচার জন্য মহিলাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক একটা সমাধান দিয়েছেন: একচোখা নেকাব।</p></blockquote>
<p>এই ব্লগার আরো বলেছেন:</p>
<blockquote><p>দারুন! আমি আমার বিছানার চাদরে এখনি একটা ফুটো করা শুরু করবো।</p>
<p>কিন্তু আদতে এই ধরনের বিচলিত করার মতো ঘোষণা মহিলাদেরকে আরো বেশী শোষনের লক্ষ্যে পরিণত করে। এগুলো ধর্মীয় নেতাদেরকে আমন্ত্রণ জানায় মেয়েদেরকে বিরক্ত আর অসম্মান করতে যা এই যুগে কোনমতে গ্রহনযোগ্য না।</p>
<p>এই ধরনের ঘোষণা দেয়া ধর্মীয় নেতাদের জন্য আমার একটা উপযুক্ত প্রস্তাব আছে, একটা হাতুড়ি দিয়ে নিজেদের চোখ উপড়িয়ে ফেলেন যদি মেয়েদের দ্বারা প্রলুব্ধ না হতে চান। আপনাদের ক্ষতিকর আর নোংরা মানসিকতার মূল্য মহিলারা আর দেবে না।</p></blockquote>
<p>মরোক্কো থেকে, <a href="http://myrtus.typepad.com/myrtus/2008/10/islamically-inc.html" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/myrtus.typepad.com');">মারতাস</a> রাগে ফুঁসছেন এই বলে যে এই ঘোষণা &#8216;ইসলামিকভাবে ভুল ফতোয়া&#39;। তিনি আরো জিজ্ঞাসা করেছেন:</p>
<blockquote><p>আমি ভাবছি শেখ মোহাম্মাদের নির্বোধের মত এই ফতোয়ার জন্য কতজন মহিলা তার অন্য চোখ উপড়িয়ে নিতে চায়।</p></blockquote>
<p>ফিলিস্তিনি ব্লগার <a href="http://sabbah.biz/mt/archives/2008/10/04/saudi-cleric-favours-one-eye-veil/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/sabbah.biz');">হাইথাম সাব্বাহ</a> একচোখা নেকাবকে &#8216;অদ্ভুত&#39; বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন:</p>
<blockquote><p>এটা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। অদ্ভুত&#8230;</p></blockquote>
<p>তিনি আরো বলেছেন:</p>
<blockquote><p>কেন তারা পুরো মুখ ঢাকার বিধান করে ব্যাপারটা শেষ করে দেয়না? এটাকে কি বলা যায়? ধর্ম আর ইসলাম? কোন মতেই না!</p>
<p>কিন্তু কেউ কি জানে কোন চোখ ঢেকে রাখতে হবে? ডান না বাম? (আমি ধারণা করছি বাম কারন ওরা আমাদেরকে সব কাজ ডান হাত দিয়ে করতে বলে&#8230; আহ&#8230; আমি এখন নিয়মটা বুঝতে পারছি। ”ঠিক কাজ ঠিক জিনিষ দিয়ে শুধুমাত্র করতে হবে।” এখান থেকেই মানব &#8216;অধিকার&#39; আসে আর এখানে আমরা তার প্রয়োগ দেখছি।</p>
<p>বেঁচে থাকুক &#8216;একচোখা নেকাব&#39;।</p></blockquote>
<p>একচোখওয়ালা নেকাব পরলে মহিলাদের কেমন লাগবে তার কিছু ছবি সাব্বাহ <a href="http://sabbah.biz/mt/archives/2008/10/04/saudi-cleric-favours-one-eye-veil/" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview ('/outbound/sabbah.biz');">এখানে দিয়েছে</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2008/10/08/1281/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
