<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; গোত্র</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/ethnicity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ফোর্ট হুডে গণহত্যা সেদেশের সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের উপস্থিতির উপর মনোযোগ প্রদান করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 03:59:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7576</guid>
		<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।     
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/usa-fort-hood-massacre-puts-spotlight-on-muslims-in-army/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।   </p>
<p>সন্দেহজনক ঘাতক হিসেবে মেজর হাসানকে চিহ্নিত করার মুহূর্ত থেকেই সংবাদকর্মী ও মন্তব্যকারীদের হাসানের ধর্ম ও জাতিগত পরিচয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিষ্কার এক অস্বস্তি দেখা যায়।  এই ঘটনার পর সারা দেশ থেকে খবর আসছে যে সামরিক বাহিনীর মুসলমান কর্মীরা অনেক সময় তাদের সহকর্মীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।  </p>
<p>টলেডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত আইনের অধ্যাপক <em>হাওয়ার্ড এম. ফ্রিডম্যান</em> তার ব্লগ <a href="http://religionclause.blogspot.com/2009/11/muslim-soldiers-in-us-military-face.html"><em>রিলিজিয়াসক্লজে</em></a> বলেন: </p>
<blockquote><p>সরকার এখন সক্রিয় ভাবে সামরিক বাহিনীতে কিছু মুসলমানদেরকে নিয়োগ দিচ্ছে। কারণ এই সমস্ত মুসলমানরা ভাষাগত ভাবে দক্ষ ও তারা নিজ সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করে। বিষয়টি ইরাক ও আফঘানিস্তানের যুদ্ধের জন্য খুবই প্রয়োজন। তবে মুসলমানরা কর্মস্থলে অনেক সহকর্মীদের সন্দেহের শিকার হয়।</p></blockquote>
<p>এখন প্রশ্ন হচ্ছে সন্দেহজনক এই মুসলমান কর্মী কি গুলি করার আগে উত্তেজিত ছিল, কেউ হয়ত শঙ্কিত বোধ করতে পারে যে ফোর্ট হুড এর গণহত্যায় তারাও মারা যেতে পারত। প্রশ্ন তোলা যেতে পারে মেজর হাসান কি একজন সন্ত্রাসী, যে তার ধর্মীয় আদর্শের কারণে এই কাণ্ডটি করেছে নাকি সে কেবল মানসিকভাবে এক অসুস্থ ব্যক্তি।</p>
<p>ভ্যাঙ্কুভারের বিনামূল্যে বিতরণকৃত সাপ্তাহিক পত্রিকা <a href="http://www.straight.com/article-269513/gwynne-dyer-us-media-overlook-obvious-explanation-maj-nidals-mass-murder"><em>স্ট্রেইট.কমে</em></a> কানাডার এক লেখক <em>গুয়ান্নে ডায়ার</em> যুক্তি প্রদান করেছেন যে, খুনী ব্যক্তিটির ধর্ম পরিচয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে:  </p>
<blockquote><p>“ঘটনার কয়েকদিন পর পর্যন্ত এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রচার মাধ্যম দ্বিধান্বিত ছিল যে জাতিগত/বর্ণগত/ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সে নানা ধরনের গালাগালির শিকার হয়েছে। এই সব বিষয় নিদালকে উন্মাদ করে তোলে। এগুলো কিছু খারাপ লোকের এমন কিছু কাজ, যা সাধারণ আমেরিকানদের চরিত্রের সাথে খাপ খায় না-সেসব কাজ এই বেদনাদায়ক ঘটনার জন্য দায়ী, এবং এভাবে এর শেষ হল।      </p>
<p>এর একটি ব্যাখ্যা হল যে মুসলমান দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধ ঘোষণা স্বদেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) মুসলমানদের আরো বেশি ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন করে তোলে। কিছু মনে করার নেই, যখন স্বদেশী (ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা) মুসলিম সন্ত্রাসীরা ২০০৫ সালে লন্ডনের পরিবহন ব্যবস্থার উপর হামলা চালায়, এবং অন্য সব পশ্চিমা দেশের হামলার পরিকল্পনাকারী মুসলমানরা পরিকল্পনা সফল হবার আগে যখন ধরা পড়ে তাদের প্রায় সকলেই অভিযোগ করে, পশ্চিমা দেশগুলোর মুসলিম দেশে অভিযান চালানোর কারণেই তারা এ রকম গোঁড়া মুসলমানে পরিণত হয়েছে।</p></blockquote>
<p>অভিবাসন বিষয়ে এবং রাজনীতিতে রক্ষণশীল অবস্থান গ্রহণের জন্য ফক্স নিউজ নামক সংস্থাটির প্রায়শ: সমালোচনা করা হয়। তারা মাঝে মাঝে সামরিক বাহিনী থেকে <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">মুসলমানদের ছেঁকে ফেলার</a> জন্য আহ্বান জানায়। <a href="http://www.veteranstoday.com/modules.php?name=News&#038;file=article&#038;sid=9280"><em>ভেটেরানস টুডে</em></a> ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অবসরপ্রাপ্ত উপকূল রক্ষা কর্মকর্তা টম বার্নেস বলেন, সংবাদ সংস্থাগুলো একই ধাঁচের সংবাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, আর সেটা হল “আমরা বনাম তারা” বিষয়ক এক উত্তেজনার সৃষ্টি করা:   </p>
<blockquote><p>“&#8230; সংবাদ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে মোটেও সহযোগীতামূলক আচরণ করছে না, বলা যায় শীঘ্রই ফক্স চ্যানেলের শুরুর এক প্রশ্ন, &#8220;তাদের&#8221; বিরুদ্ধে আরেকটি ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের রূপ নেবে। বিষয়টি কেবল পরিণত হচ্ছে না, এটা বিপজ্জনক এক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এর কাহিনীটি <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">এখানে</a> দেওয়া হল।  </p>
<p>যেমনটা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি, এই ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ঘটছে। ফক্স নিউজের এই কথা শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি যে, আমাদের শত্রু কারা। সকল সময় সেই একই কথা শুনছি। একটানা এইসব কথা শুনে যাচ্ছি। আমার ধারণা ছিল না, দেশের বাইরে অজস্র “তারা” মানে আমাদের শত্রু রয়েছে!</p></blockquote>
<p><a href="http://news.google.com/news/url?sa=t&#038;ct2=us%2F0_0_s_0_0_t&#038;usg=AFQjCNFUhLnrNP-D9fmObNIMr6pSA-X1sg&#038;cid=1465293836&#038;ei=oXL4Spi5FIqGmQfJnPI9&#038;rt=SEARCH&#038;vm=STANDARD&#038;url=http%3A%2F%2Fwww.csmonitor.com%2F2009%2F1108%2Fp02s08-usmi.html">বেশ কিছু সংবাদপত্র</a> এখন দেখছে যে মেজর হাসানের কাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মুসলমানদের উপর কি ধরনের প্রভাব তৈরি করে এবং একই বিষয়টি ফোর্ট হুডের আশেপাশের বাসিন্দাদের উপর কি রকম প্রভাব ফেলে।  </p>
<p>ফোর্ট হুডের মুসলিমরা এই ঘটনাটিকে কি ভাবে দেখে তার উপর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=N8Azg9TxYkM"><em>ইউরোআমেরিকাননিউজের</em></a> করা এক ভিডিও সংবাদ ইউটিউবে রাখা হয়েছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই গণহত্যার তদন্ত যতদিন চালু থাকবে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মুসলমানদের উপর মনোযোগ বজায় রাখাও ততদিন চলতে থাকবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হাঙ্গেরি, সার্বিয়া: সীমান্তে শোকাবহ ঘটনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 19:02:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কসোভো]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হাঙ্গেরিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[হান্গেরী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7439</guid>
		<description><![CDATA[গত অক্টোবরে ১৯জন কসোভো আলবেনীয় হাঙ্গেরী-সার্বিয়ার সীমান্তবর্তী নদী পার হয়ে বেআইনী ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে চেষ্টা করেছে। এদের মধ্যে ১৫জন নিরুদ্দেশ রয়েছে এবং তিনটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে নদীতে। মারিয়েট্টা লে হাঙ্গেরীর ব্লগ জগৎের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/marietta-le/">মারিয়েট্টা লে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/hungary-serbia-tragedy-at-the-border/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত অক্টোবরে বেশ কয়েকটি হাঙ্গেরীয় আর সার্বীয় সংবাদ মাধ্যম প্রিস্টিনার দৈনিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Koha_Ditore">কোহা দিতোরের</a> কথা উল্লেখ করেছে যে তাদের কাছে মাসের প্রথম দিকে হওয়া বেআইনী সীমান্ত পারের ঘটনা সম্পর্কে <a href="http://74.52.64.18/~wwkoha08/index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=19506&#038;Itemid=41">নির্দিষ্ট তথ্য আছে</a>। সার্বিয়ায় অবস্থিত হাঙ্গেরীর একটা ওয়েবসাইট <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> লিখেছে কোহা দিতোরোর উদ্ধৃতি দিয়ে যে, সন্দেহভাজন কয়েকজন কসোভো-আলবেনীয়কে পাচারের জন্য, ইসমেত আর কে গ্রেপ্তার করা হয় <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kosovska_Mitrovica">কসোভস্কা মিত্রোভিচাতে</a>। বেশীর ভাগ সংবাদের রিপোর্টে বলা হয় যে ১৫ জন অনুপ্রবেশকারী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tisza">তিশজা</a> নদীতে ডুবে মারা গেছেন যখন তারা সীমান্ত পার হতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু বেঁচে যাওয়া একমাত্র পূর্ণবয়স্ক, আগ্রোন রামা, স্বীকার করেছেন যে দলে প্রায় ১৯ জন মানুষ ছিল (<a href="http://www.b92.net/eng/news/politics-article.php?yyyy=2009&#038;mm=10&#038;dd=22&#038;nav_id=62515">সূত্র</a>)।</p>
<p>দক্ষিণ হাঙ্গেরীর সংবাদ সাইট <a href="http://www.delmagyar.hu/">দেল্মাগিয়ার.হু</a> তে প্রকাশিত প্রথম দিককার <a href="http://www.delmagyar.hu/szeged_hirek/gyerek_gyerek_segitseg/2120585/">একটা রিপোর্টে</a>  ১৫জন বেআইনী অভিবাসী হাঙ্গেরী- সার্বিয়ার সীমান্তে তিশজা নদীতে গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল। গত ১৫ই অক্টোবর নদী পার হওয়া দলের একজন সদস্য, ২ বছরের ছেলে আর ৩ বছরের মেয়ের বাবা, সীমান্তের গ্রাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/R%C3%B6szke">রোশকের</a> এক পে ফোন থেকে ফোন করে পুলিশকে জানান এ কথা।</p>
<div><iframe width="425" height="350" frameborder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0" src="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A&amp;output=embed"></iframe><br /><small><a href="http://maps.google.com/maps?f=q&amp;source=embed&amp;hl=hu&amp;geocode=&amp;q=r%C3%B6szke&amp;sll=37.0625,-95.677068&amp;sspn=51.443116,114.169922&amp;ie=UTF8&amp;radius=15000&amp;t=h&amp;cid=7163771574378785748&amp;hq=r%C3%B6szke&amp;hnear=&amp;ll=46.215239,20.019493&amp;spn=0.083147,0.145912&amp;iwloc=A" style="color:#0000FF;text-align:left">Nagyobb térképre váltás</a></small></div>
<p><a href="http://srbija.blog.hu/">সার্বিয়া ইনসাইড</a> এর ব্লগার <em>সাবা বালিন্ত</em> এই বিষয়ে <a href="http://srbija.blog.hu/2009/10/17/gyerek_gyerek_segitseg">মন্তব্য করেছেন</a> দেল্মাগিয়ার.হু এর রিপোর্টের উপর আলোকপাত করে আর প্রস্তাব করেছেন হাঙ্গেরী আর কসোভোর মধ্যকার সম্পর্ক তিনি ব্যক্তিগত ভাবে তদন্ত করবেন:</p>
<blockquote><p>বাচ্চা, বাচ্চা, বাঁচান!</p>
<p>এই কথাটিই তিশজা নদীতে বার বার বলছিলেন কসোভোর আলবেনীয় লোকটি, যার বাচ্চারা ঠান্ডায় জমে প্রায় মারা যেতে বসেছিল। তিনি সে রাত্রে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে পালাতে চেয়েছিলেন। যদি কেউ এই গল্প না জেনে থাকেন, আমি ছোট করে আবার বলছি&#8230;</p>
<p>এই অদ্ভুত লোক ভালো অর্থ দেবে বলে এসেছে আদম পাচারকারীকে, এখানে এটা বেশ চলমান পেশা। আর যা হওয়ার হবে, তিনি জেগেদের নতুন পৃথিবীতে পাড়ি দেবেন। তিনি এটা ভাবেন নি যে রাত্রে তার বাচ্চাদের উপরে ঠান্ডা বৃষ্টি পড়বে, তারা যে ক্লান্ত হয়ে পড়বে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে এই ধরনের যাতায়াতের ফলে। আমাদের এই লোক যখন দেখলেন যে বাচ্চাদের অক্টোবরের বৃষ্টির মধ্যে রেখে দিয়ে কত বড় বিপদের মধ্যে তিনি পড়েছেন, তখন সাহায্য চাইতে গেলেন।</p>
<p>বাচ্চাগুলোকে যখন পাওয়া গেছে তারা তখন প্রায় নিশ্বাস নিচ্ছিলই না - ২ বছর আর ৩ বছরের দুই জন, আমি কেবলমাত্র জানাচ্ছি! তারা একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল। সীমান্ত অতিক্রমকারীর এক বাচ্চা কোমাতে ছিল, কিন্তু তার পরে ভালো হয়েছে। তারা অক্ষত বেরিয়ে এসেছে কিন্তু ঘটনাটি দু:খজনক। দু:খজনক আর আপনাকে ভাবায়। অন্তত কিছু প্রশ্ন এখানে উত্থাপিত হয়।</p>
<p>কি কারনে স্বাধীন আর মুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্র থেকে, শত শত স্বাধীন আর মুক্ত নাগরিক পালাচ্ছে? হয়তো অপকর্মের উপরে নির্মিত ‘গণতন্ত্রে’ বাস করা সহজ না? আর একটা স্বাধীন ইউরোপের দেশ দেখান যেখান থেকে প্রতি সপ্তাহে ডজন ডজন লোক বেআইনিভাবে বের হচ্ছে! সম্ভবত: যেসব দেশ বল্কানের কলম্বিয়াকে স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিল, তারপরে এই দেশকে দেশ হিসেবে দাঁড় করাবার খুব বেশী চেষ্টা করছে না? যদি ২৯ বছরের একজন লোক দুটো ছোট বাচ্চা নিয়ে মধ্য অক্টোবরে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলের দিকে যাচ্ছে, তাহলে আমাকে বলতে হয়, না।</p>
<p>পরের পর্বে আমরা দেখবো যে কসোভোর বড় ইউরোপীয় বন্ধু, হাঙ্গেরী কি করেছে যাতে সেখানের মানুষকে পশ্চিমে পালিয়ে যেতে না হয়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.balkaninsight.com/en/main/news/23157/">বল্কান ইনসাইট</a> ব্লগ জানিয়েছে যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের আইনের একটা মিশন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/European_Union_Rule_of_Law_Mission_in_Kosovo">ইউলেক্স</a>, কসোভো পুলিশ আর হাঙ্গেরীর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ওয়েবসাইট অনুসারে, প্রতি অভিবাসী পরিবারকে হাঙ্গেরীতে ঢোকার জন্য ৬০০০ থেকে ৮০০০ ইউরো দিতে হয়। মিডিয়া কোহা ডিতোরকে উদ্ধৃতি দিয়ে যা বলেছেন তার পরিপন্থী হিসেবে <em>বল্কান ইনসাইট</em> জোর দিয়ে বলেছে, এখনো কোন গ্রেপ্তার করা হয় নি।</p>
<p>সোমবারের মধ্যে, <a href="http://www.magyarszo.com/fex.page:2009-10-26_Letartoztattak_az_egyik_szervezot.xhtml">মাগিয়ার সো</a> রিপোর্ট করেছেন যে তিশজা নদীর হাঙ্গেরীর দিকের সীমান্তে একজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে, আর সার্বিয়ার সীমান্তে দুইজন নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। একজন ছিল আগ্রোন রামার স্ত্রী আর তার বাচ্চাদের মা।</p>
<p>হাঙ্গেরীর ইমিগ্রেশন অফিসার <a href="http://my.opera.com/brille/blog/2009/10/26/a-k">গাবোর নাগি</a>, তার ব্লগে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, একই বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন যে কসোভো থেকে আলবেনীয়রা কেন মরিয়া হয়ে পালাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>অবশ্যই এমন ঘটনায় প্রশ্ন করা যায়, যে বাবা মা এত অসাবধান হয়ে তাদের বাচ্চাদের ‘ বড় দুনিয়াতে’ কেন নিয়ে আসবে, নাকি কসোভোর পরিস্থিতি এতই খারাপ? যদিও বলা দরকার, কসোভো থেকে তাদেরকে কেউ তাড়াচ্ছে না, যেহেতু তারা তাদের ‘স্বাধীনতা অর্জন করেছে’। অন্তত কাগজে। আর এটাও ভোলা যাবে না যে এদেরকে সব সময় আদম পাচারকারীরা মোটা পরিমানের ইউরোর বদলে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা যখন বিবেচনা করি যে তারা হাঙ্গেরীতেও পালিয়ে যেতে চায়না, তাহলে এই ব্যাপারে আমারও ঋণাত্মক বক্তব্য আছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7439/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সংঘর্ষকে উপলদ্ধি করার জন্য ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা ভিডিও ব্যবহার করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 16:15:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[হিব্রু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7415</guid>
		<description><![CDATA[ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু'টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/israeli-and-palestinian-youth-use-video-to-understand-the-conflict/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু&#39;টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে। সংগঠন দু&#39;টি তাদের মধ্যে এমন এক বিশেষ জায়গা তৈরি করছে যাতে তারা পরস্পরের সাথে মেশে এবং যোগাযোগ তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য যাতে তারা তাদের স্বপ্ন, পরস্পরের সচেতনতা ও চিন্তাভাবনা ভাগাভাগি করে নিতে পারে, যেন তাদের জীবনে যে জটিলতা চলছে তা তারা অতিক্রম করতে পারে। </p>
<p>এই বিষয়ে এক অন্যতম উদ্যোগের নাম হল <a href="http://en.reutsadaka.org/">সাদাকা রেয়ুট</a> এবং তারা তাদের এই <a href="http://en.reutsadaka.org/?page_id=54">উদ্যোগ সম্বন্ধে বলছে</a>:</p>
<blockquote><p>বেশিরভাগ ফিলিস্তিনী ও ইহুদি তরুণ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন (তারা আলাদা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে থাকে এবং স্কুলে পড়াশুনা করে) হয়ে থাকে এবং এর ফলে তাদের একে অপরের প্রতি ভয়, বর্ণবাদ এবং সংস্কার বিরাজ করছে। আমরা দু&#39;টি সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ বা মেশার জন্য বিকল্প এক ধারা তৈরির চেষ্টা করছি। ‘শান্তির এক সংস্কৃতি নির্মাণ’ নামক উদ্যোগটি প্যালেস্টাইন ও ইহুদি তরুণদের পরস্পরের সাথে এক সম্পর্ক তৈরির প্রচেষ্টা যাতে তারা উভয়ে নিজেদের সমান অধিকার সম্পন্ন মানুষ বলে বিবেচনা করে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং তারা ব্যক্তিগত ও জাতিগত ভাবে এই সমস্ত বিষয়গুলো অনুভব করে।</p></blockquote>
<p>তাদের এই অনুষ্ঠানের সদস্যরা এক মিনিটের এক ভিডিও নামক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে, সেখানে তারা এক সপ্তাহের এক কর্মশালায় অংশ নেয়। এই কর্মশালায় তারা ভিডিও এক্টিভিজম সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করে। এখানে তার কিছু ফলাফল রয়েছে এবং আপনি <a href="http://en.reutsadaka.org/?p=846">তাদের সাইটে </a>ক্লিক করে বাকী ভিডিও দেখতে পাবেন:</p>
<div><a href="http://www.youtube.com/watch?v=XkxUC30UNug">আরব</a><br />
<object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=US6QtYDVzB8">এএম/এফএম</a>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=gT9KX9fKgT0">ভালোবাসার কিছু গান গাওয়া:</a></p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.win-peace.org/home.html">উইন্ডোজ ফর পিস </a>বা শান্তির জানালা নামক পরিকল্পনা এ রকম আরেকটি উদ্যোগের নাম। এই উদ্যোগের শুরু ১৯৯১ সাল থেকে, যার শুরু তরুণদের জন্য এক পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে। দু&#39;টি ভাষা ও দু&#39;টি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করে এমন এক পত্রিকা এটি। এর উদ্দেশ্য ছিল তারা যেন একে অপরের সাথে মিশতে পারে এবং পরস্পরের দ্বন্দ্বের কারণগুলো জানতে পারে। একই সাথে এই পত্রিকা যেন তরুণদের জন্য সাম্য ও ক্ষমতা তৈরি করতে পারে তার জন্য এটি কাজ করে গেছে। তবে কাজটি সহজ ছিল না। যেমনটা তারা <a href="http://www.win-peace.org/about.html">তাদের সাইটে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছে</a>: </p>
<blockquote><p>ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণদের একই মঞ্চে নিয়ে আসার বিষয়টি সহজ কাজ ছিল না, যেখানে উভয়ের মধ্য প্রচুর পরিমাণে ভুল বোঝাবুঝি এবং একই ধরনের বিশ্বাসের মত বিষয়গুলোকে অতিক্রম করে আসতে হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অন্যের সম্বন্ধে শিখে এসেছে। পরস্পরের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তথ্য পাওয়ার অনেক কম সম্ভাবনা থেকে যায়। এর ফলে সম্প্রদায়গতভাবে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বাস করে। চলতে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষ, ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রদায় দু&#39;টিকে পরস্পরের প্রতি ভীতি, সংস্কার ও ঘৃণা তৈরি করতে শেখায়, যা তাদের আলাদা করে রেখেছে। উইন্ডোজ অফ চেঞ্জ বা পরিবর্তনের জানালা নামের উদ্যোগটি এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে ভাবে ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা পরস্পর ও সংঘর্ষকে দেখে তার পরিবর্তন ঘটাবে”। উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছে যা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান সংঘর্ষকে ভিন্ন আকারে উপস্থাপন করে, বিষয়টিকে এমন এক শান্তিপূর্ণ বাস্তবতার দিকে নিয়ে গেছে যেখানে উভয় সম্প্রদায় একত্রে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং পারস্পারিক জ্ঞান ও একে অন্যের প্রতি গ্রহণযোগ্যতার  মাধ্যমে স্থির এবং কাঙ্ক্ষিত এক শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হবে।</p></blockquote>
<p>তারা একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার নাম <a href="http://www.win-peace.org/youth%20media%20program.html">থ্রু দ্যা লেন্স</a>। এখানে ১৫ থেকে ১৭ বছরের তরুণ যারা পত্রিকার মাধ্যমে &#8216;বিশেষ সনদ প্রাপ্ত বা গ্রাজুয়েট&#39; হয়েছে, তারা শর্ট ফিল্ম বা সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র তৈরির উপর দক্ষতা অর্জন করছে। তারা সংবাদ টুকরো এবং অন্য সব ভিডিও  তৈরি করছে যা ভবিষ্যৎ-এ উৎপাদনশীল, শান্তির সংলাপ সম্বলিত এবং ইতিবাচক যোগাযোগ তৈরি করে এমন তথ্য চিত্র তৈরি করতে পারে। </p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=zsxLrfzyAIo">এখানে একটি ভিডিও রয়েছে</a> যেখানে উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তার বর্ণনা দিচ্ছে এবং এই কাজে তারা যে সমস্ত জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিল কি ভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেছে সেই সব বিষয় উপস্থাপন করছে। একই সাথে তারা ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনীদের মধ্যে যে সংঘর্ষ সেই জটিল বিষয় সম্বন্ধে বলছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>এই ভিডিওর শিশুরা অনেক শব্দে তাদের কথা বলছে: অনেক মতামত নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের বেশ কঠিন সময় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং অন্য শিশুদের প্রকাশিত ধারণাকে উপলব্ধি করতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে, কিন্তু পরস্পরের মধ্যে আলোচনার জন্য নিরাপদ এবং নিরাপত্তামূলক জায়গা তৈরি করার মত বিষয়টি, যে পৃথিবীতে তারা বাস করছে তাকে বুঝতে সাহায্য করছে। এই ঘটনাটি অন্য শিশু এবং তরুণদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা ও শেখার বিষয়টিকে ভাগাভাগি করে নিতে সাহায্য করছে, এমনকি এটি তাদের ধারণা পরিবর্তনেও তা সাহায্য করছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জর্জিয়া: একটি আজেরী বিয়ে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/13/6960/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/13/6960/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2009 20:25:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আজারবাইযান]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আর্মেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[জর্জিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6960</guid>
		<description><![CDATA[গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের ককেশাস সম্পাদক এবং একজন আজারবাইজানী ব্লগার সম্প্রতি জর্জিয়ার কারাজালা অঞ্চলের একটি আজেরী গ্রামে গিয়েছিলেন। এটি ছিল জানা মতে দক্ষিণ ককেশাসে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের ব্লগারদের মধ্যে একসাথে কাজ করার প্রথম প্রয়াস। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অনিক ক্রিকোরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/05/georgia-an-azeri-wedding-2/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div class="wp-caption alignnone" style="width: 450px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/azeri_wedding.jpg"><img alt="জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন অনিক ক্রিকোরিয়ান, কপিরাইট ওয়ান ওয়ার্ল্ড মাল্টিমিডিয়া ২০০৯" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/azeri_wedding.jpg" title="আজেরী বিয়ে" width="440" height="295" /></a><p class="wp-caption-text">জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় একটি আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন অনিক ক্রিকোরিয়ান, কপিরাইট ওয়ান ওয়ার্ল্ড মাল্টিমিডিয়া ২০০৯</p></div>
<p>দক্ষিণ ককেশাসে গত সপ্তাহে একটা অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বসবাসরত এক আজারবাইজানী নাগরিক <em>ফ্লাইং কার্পেট এন্ড ব্রোকেন পাইপলাইন্স</em> ব্লগের ব্লগার <em>আরজু গেবুলায়েভা</em> কাজ করেছেন আজারবাইজানের বাকুতে অবস্থিত গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের ককেশাস সম্পাদক <em>অনিক ক্রিকোরিয়ানের</em> সাথে যিনি আংশিক আর্মেনিয়ার বংশভূত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। আর তারা জর্জিয়ার তেলাভির কাছে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আজেরী গ্রাম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট করেছেন।</p>
<p>যদিও সাংবাদিকদের মধ্যে সীমান্তের বাইরের লেনদেন হয়ে থাকে, এই প্রচেষ্টা ছিল অভূতপূর্ব কারণ এটা যে কেবলমাত্র যৌথ ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে গৃহিত হয়েছে তাই না, এখানে কোন &#8216;নিরপেক্ষ&#39; সম্পাদক বা সংস্থার হস্তক্ষেপ ছিল না। এটা অবশ্যই প্রথমবার যে দক্ষিণ ককেশাসের আর্মেনিয়া আর আজারবাইজান, যারা এখনো নগোর্নো কারাবাখ নিয়ে বিরোধে লিপ্ত, এই দুই দেশের ব্লগার এক সাথে এসে কাজ করেছেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 450px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/arzu.jpg"><img alt="আরজু গেবুলায়েভা, জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন অনিক ক্রিকোরিয়ান, কপিরাইট ওয়ান ওয়ার্ল্ড মাল্টিমিডিয়া ২০০৯" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/arzu.jpg" title="আরজু" width="440" height="294" /></a><p class="wp-caption-text">আরজু গেবুলায়েভা, জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন অনিক ক্রিকোরিয়ান, কপিরাইট ওয়ান ওয়ার্ল্ড মাল্টিমিডিয়া ২০০৯</p></div>
<p>আমার <a href="http://frontlineclub.com/blogs/onnikkrikorian/2009/09/an-unexpected-visit-to-an-azeri-village-wedding.html">ফ্রন্টলাইন ক্লাব ব্লগে</a> এ নিয়ে বিস্তারিত বলা আছে, এই একত্র হওয়া দরকার ছিল কাজের আর ব্যক্তিগত সব দিক বিবেচনা করে। <a href="http://www.esiweb.org/index.php?lang=en&#038;id=279&#038;person_ID=11">গেবুলায়েভা</a>, যিনি আজারবাইজানের উপরে একজন বিশ্লেষকও, হয়তো তার দেশের প্রথম ইংরেজী ভাষার ব্লগ শুরু করে একটি আলাদা স্থান করে নিয়েছিলেন।</p>
<blockquote><p>এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়া ছিল। অনলাইনে একে অপরকে বেশ কয়েক মাস ধরে জানলেও, আঞ্চলিক বিশ্লেষক আর সুপারস্টার ব্লগার আরজু গেবুলায়েভার সাথে সাক্ষাৎের এই সুযোগ অনেক দূরের ব্যাপার আর অসম্ভব মনে হয়েছিল।</p>
<p>কিন্তু দক্ষিণ ককেশাসে অসম্ভবকে সব সময় আশা করবেন, আর জর্জিয়ার তেলাভিতে তরুণ কর্মীদের একটি মিটিং এই অসম্ভবকে সম্ভব হতে দেখেছে।</p>
<p>তেলাভির ১০ মিনিট দূরত্বে কারাজালা অবস্থিত। এটি একটি গ্রাম যেখানে প্রায় ৮০০০ ঐতিহ্যবাহী আজেরী বাস করেন জর্জিয়াতে। যেহেতু আরজু আর আমি প্রায় কথা বলতাম সনাতন আর নতুন মিডিয়া ব্যবহার করে যৌথ প্রকল্প হাতে নিতে যাতে আর্মেনিয়া আর আজারবাইজান নিয়ে ঋনাত্মক ধারণা প্রচার করে অন্য যারা খেলা করছে সেটা মোকাবেলা করা যায়। তাই, এটা আমাদেরকে অনেক কয়েকটি উদ্যোগের মধ্যে প্রথম প্রচেষ্টা ছিল। তবে আমরা যেটা আশা করিনি তা হল একটা ঐতিহ্যবাহী আজেরী বিয়েতে অংশগ্রহণ করতে পারা।</p></blockquote>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 450px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/azeri_wedding_arzu.jpg"><img alt="জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন আরজু গেবুলায়েভা, কপিরাইট ফ্লাইং কার্পেট এন্ড ব্রোকেন পাইপলাইন্স ২০০৯" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/azeri_wedding_arzu.jpg" title="আজেরী বিয়ে" width="440" height="330" /></a><p class="wp-caption-text">জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের কারাজালায় আজেরী বিয়ে: ছবি তুলেছেন আরজু গেবুলায়েভা, কপিরাইট ফ্লাইং কার্পেট এন্ড ব্রোকেন পাইপলাইন্স ২০০৯</p></div>
<p>তার নিজের ব্লগে লিখে আর নিজের ছবি পোস্ট করে, <a href="http://flyingcarpetsandbrokenpipelines.blogspot.com/2009/10/trip-to-georgia.html">গেবুলায়েভা কারাজালাতে তার যাওয়া স্মরণ করেছেন</a> বিশেষ করে বিয়েতে পৌঁছানো। তিনি এই গ্রামের ইতিহাস বর্ণনা করেছেন - জর্জিয়াতে ঐতিহ্যবাহী আজেরীরা বৃহৎ সংখ্যালঘু (২০০২ সালের জরীপ অনুসারে তাদের সংখ্যা ২৮০,০০০)।</p>
<blockquote><p>স্থানীয়দের মতে এই গ্রামের জনসংখ্যা ৮০০০ (উইকিপিডিয়া বলছে ৮ থেকে ১০০০০ এর মধ্যে)। যারা কয়েক প্রজন্ম ধরে এখানে বাস করছেন সবাই গোত্রীয়ভাবে আজারবাইজানী। তারা সবাই একটা টান ব্যবহার করে আজারবাইজানিতে কথা বলেন- তারা সবাই আবার জর্জিয়ান ভাষাও বলেন, তাই এটা অনেকটা মিশ্রণ। গ্রামের প্রধানের ১৬ বছরের ছেলে বলেন যে গ্রামে হয়তো ৩ থেকে ৪টা জর্জিয়ান পরিবার থাকতে পারে।</p>
<p>সত্যি বলতে, আমি বেশী কিছু আশা করি নি। আমি ভেবেছি খুব বেশী হলে কিছু ভালো ছবি আর কয়েকটা সাক্ষাৎকার হবে। কিন্তু এটা তার থেকে বেশী ছিল। ৩০ মিনিট পরে একজন নারী যাকে আমরা সাক্ষাৎকার নিতে চেষ্টা করলাম (আমি আর সাংবাদিক অনিক ক্রিকোরিয়ান) আমাদেরকে একটা বিয়ের কথা বললেন যেটা আমরা যেখানে আছি তার ৫ মিনিট দূরত্বে হচ্ছে।</p>
<p>বাড়ির সামনের আঙ্গিনা লোকে ভরা- প্রতিবেশী, আত্মীয় যারা সাহায্য করতে এসেছেন। এটা কেবলমাত্র প্রস্তুতি মাত্র; বিকেলে আরো পরে বিয়ে হবে আর এটা কেবলমাত্র মেয়ের বিয়ে (আজারবাইজানী রীতি অনুসারে দুবার বিয়ে হয়- ছেলের আর মেয়ের, ছেলের বিয়েটি আসল বিয়ে)। সব কিছু পরিকল্পিত দলীয় কাজের মতো লাগছিল- ছেলেরা টেবিল ঠিক করছিলেন, আর মেয়েরা খাবার প্রস্তুতি আর প্লেট ধোয়াতে ব্যস্ত ছিলেন। ৩০০ জন অতিথির আসার কথা।</p>
<p>স্থানীয়দের সাথে বেশ কয়েক ঘণ্টা কথা বলার পরে, আমাদেরকে বিয়েতেই দাওয়াত দেয়া হয়, যেটা চূড়ান্ত অভিজ্ঞতা ছিল।</p></blockquote>
<div><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" codebase="http://fpdownload.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=9,0,0,0" width="425" height="301" id="soundslider" align="middle"><param name="allowScriptAccess" value="always" /><param name="movie" value="soundslider.swf?size=2&#038;format=xml" /><param name="quality" value="high" /><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="menu" value="false" /><param name="bgcolor" value="#FFFFFF" /><embed src="http://www.oneworld.am/photojournalism/karajala_small/soundslider.swf?size=2&#038;format=xml" quality="high" bgcolor="#FFFFFF" width="425" height="301" name="soundslider" align="middle" menu="false" allowScriptAccess="always" type="application/x-shockwave-flash" allowFullScreen="true" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" /></div>
<p>একটা সম্মিলিত লেখা আর ছবিসহ গল্প শীঘ্রই প্রকাশিত হবে <a href="http://www.osservatoriocaucaso.org/">ওসেরভাতোরিয়ো বাল্কানি এ কোকাসোতে</a> আর আমার নিজের ছবির স্লাইড শো আর অডিও ব্যাখ্যাসহ গেবুলায়েভার উপরের ভিডিওতে দেখা যাবে। এই পর্যন্ত আর্মেনীয় আর আজারবাইজানীদের কাছ থেকে আর অন্যদের কাছ থেকেও সাড়া ভালো এসেছে কিছু মন্তব্যসহ যা আমার <em>ফ্রন্টলাইন ক্লাব পোস্টে</em> পাওয়া যাবে।</p>
<blockquote><p><strong>দাগেন ভ্যালেন্টাইন - অক্টোবর ১, ২০০৯ রাত ৭:৪৪</strong></p>
<p>অনিক আর আরজু,</p>
<p>দারুন, এই ধরনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার এই অঞ্চলে দরকার। আপনাদের মতো এমন কাজ আজেরী আর আর্মেনীয়দের তাদের পার্থক্য আর মিল চিনতে, মেনে নিতে আর উদযাপন করতে সাহায্য করবে।</p>
<p>[..]</p>
<p><strong>স্কেয়ারি আজেরী - অক্টোবর ১, ২০০৯ রাত ১০:৫৫</strong></p>
<p>আমার এটা খুবই ভালো লেগেছে। ভালো করেছেন। আরজু- আপনি খুব মিষ্টি! আপনার আরো ভিডিও সাক্ষাৎকার করা উচিত।</p>
<p>সত্যি বলছি আমার এটা অদ্ভুত ভালো লেগেছে। আমি জানতাম না যে জর্জিয়াতে একটা আজেরী গ্রাম আছে।</p>
<p><strong>মিডিয়া জর্জিয়া - অক্টোবর ২, ২০০৯ সকাল ৬:২৮</strong></p>
<p>ভালো উদ্যোগ&#8230;কেবলমাত্র আর্মেনীয় আর আজেরীদের এক সাথে হওয়া না, বরং জর্জিয়ান দের জন্যও&#8230;একত্রিত আর শক্তিশালী দক্ষিণ ককেশাসের জন্য জয়।</p>
<p><strong>নার্মিনা - অক্টোবর ২, ২০০৯ সকাল ৯:৩১</strong></p>
<p>দেখতে খুব ভালো লাগল যে কিছু ভালো মানুষ আছেন যারা দক্ষিণ ককেশাসকে একত্র দেখতে চান। আমি আশা করি যে ককেশাসের দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ আর ঘৃণার দিন শেষ হবে। আমাদেরকে একত্র হয়ে একে অপরকে সমর্থন করতে হবে!</p></blockquote>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=Bp16ru7lXoQ">আরজু গেবুলায়েভার সাথে ভিডিও সাক্ষাৎকার</a> যা একটা মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছিল তা দেখা যাবে আমার ফ্রন্টলাইন ক্লাব পোস্টে আর নিচে অডিও স্লাইড শোর বড় সংস্করণে। গেবুলায়েভাকে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/22/azerbaijan-an-interview-with-arzu-geybullayeva/">গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন ও সাক্ষাৎকার নিয়েছিল</a> জুলাইতে। আশা করি আগামী মাস আর বছরে আর্মেনিয়ার আর আজারবাইজানী ব্লগারদের মধ্যে আরো এক সাথে কাজ করার পালা এখান থেকে শুরু হবে।</p>
<p><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Bp16ru7lXoQ&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Bp16ru7lXoQ&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/13/6960/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সার্বিয়া: এক ফরাসী ফুটবল সমর্থকের মৃত্যু</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/02/6730/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/02/6730/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 02 Oct 2009 18:52:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সার্বিয়ান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6730</guid>
		<description><![CDATA[১৭ই সেপ্টেম্বর বেলগ্রেদের শহরতলীতে ব্রিস টাটোন নামের ২৮ বছরের ফরাসী নাগরিক ও ফুটবল ক্লাব তুলুজের সমর্থককে পার্টিজান বেলগ্রাদ ফুটবল ক্লাবের সমর্থকরা নির্মমভাবে প্রহার করে। ঘটনাটি ঘটে পার্টিজান বনাম তুলজের খেলা শুরু হবার ঠিক আগে। ২৮শে সেপ্টেম্বর সে বেলগ্রাদ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sinisa-boljanovic/">সিনিসা বলজানোভিচ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/30/serbia-the-death-of-a-french-football-fan/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>১৭ই সেপ্টেম্বর বেলগ্রেদের শহরতলীতে <em>ব্রিস টাটোন</em> নামের ২৮ বছরের ফরাসী নাগরিক ও ফুটবল ক্লাব তুলুজের সমর্থককে পার্টিজান বেলগ্রেদ ফুটবল ক্লাবের সমর্থকরা নির্মমভাবে প্রহার করে। ঘটনাটি ঘটে পার্টিজান বনাম তুলজের খেলা শুরু হবার ঠিক আগে। ২৮শে সেপ্টেম্বর সে বেলগ্রেদ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করে। এই ভয়াবহ সংবাদ ব্লগে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। </p>
<p>সরদজান মিত্রোভিচ <a href="http://blog.b92.net/text/12491/Umro%20je%20Bris%20Taton/">লিখেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>এই শহরের কারণে আমি লজ্জিত, এই সব রাজনীতিবিদ ও এই দেশটিকে নিয়েও আমার লজ্জার সীমা নেই।</p></blockquote>
<p><em>মার্কো জেভতোভিচ</em> ফেসবুকে এক গ্রুপ সৃষ্টি করেছেন, যার নাম-<a href="http://www.facebook.com/stop.nasilju">সংর্ঘষ থামাও</a>- এবং তার ব্লগে তিনি পাঠকদের এই গ্রুপে যোগ দিতে বলেছেন। তিনি <a href="http://blog.b92.net/text/12492/RIP%20BRIS%20(dodata%20akcija%20na%20Facebooku)/">এছাড়াও লিখেছেন</a>: </p>
<blockquote><p>আমি পার্টিজানের এক সমর্থক, আমরা জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই বেলগ্রেদে&#8230; কিন্তু আমি লজ্জিত।</p>
<p>ব্রিস তুমি শান্তিতে ঘুমাও।</p></blockquote>
<p><em>সেরেকো সেকেলজিক</em>  <a href="http://blog.b92.net/text/12504/DOKLE%20VIŠE%3F%20Šetnja%20protiv%20nasilja!%20Četvrtak%2C%2017h%2C%20Plato/">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>কেন সংঘর্ষের ঘোষণা ও কাজ, কেন সমকামীদের কুচকাওয়াজ রাজধানীর কেন্দ্র স্থলে নিষিদ্ধ, কেন অনেক লোককে প্রহার করা হল, কেন ব্রিস টাটোন বেদনা দায়কভাবে মারা গেল, কেন শহরের বাসিন্দারা শহরের রাস্তায় নিরাপদে হাঁটতে পারে না-এ সকল কিছু আমাদের পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে যে, এইসব সংঘর্ষের বিরুদ্ধে এক কঠিন অবস্থান নেওয়া উচিত। এই কাজে নাগরিকদের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত, রাস্তায় যে সমস্ত দল বা ব্যক্তি ঘৃণা ও ভয় এবং মৃত্যু ছড়ায়, তাদের হাত থেকে রাস্তার অধিকার নিয়ে নেওয়া। পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া উচিত, আইনী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যে সমস্ত ব্যক্তি, দল বা সংগঠন এই সব খুনোখুনির প্রচারণা চালায় ও সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ আনা।</p></blockquote>
<p>সার্বিয়ার কর্মকর্তারা ব্রিসের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং বলছে, সার্বিয়া কখনো তাকে ভুলবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভিকা ডভিচের <a href="http://www.studiob.rs/info/vest.php?id=42831">এই বিবৃতি প্রকাশ করেছে</a> আরটিভি স্টুডিও বির ওয়েবসাইট:</p>
<blockquote><p>“সার্বিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে, আপনাদের পুত্রের মৃত্যুতে আমি আমার অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা আশা করেছিলাম ব্রিস এবং তার তারুণ্যের জয় হবে। তার মৃত্যুর খবর সার্বিয়ার জনগণ গভীর বেদনার সাথে গ্রহণ করেছে, পুরো বিষয়টি বেদনাদায়ক”।</p></blockquote>
<p>স্টুডিও বি এর সূত্রানুসারে মানবাধিকার মন্ত্রী মার্কো কারাদজিক নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নিহতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারা যেন বুধবার বেলা ১১.৩০ মিনিটে বেলগ্রেদের কেন্দ্র স্থলে ফুল আর মোমবাতি নিয়ে হাজির হয়। তিনি বলেন:</p>
<blockquote><p> একজন ফরাসী নাগরিকের বেলগ্রেদে এই ভাবে জীবন হারানো, এটি খুবই ভয়ংকর এক সংবাদ। আমি বেলগ্রেদের সকল নাগরিককে টিআরজি রিপাবলিকা স্কোয়ারে মানবিক অনুভূতি নিয়ে হাজির হবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রজ্বলিত মোমবাতি এবং ফুল সেখানে রেখে যাওয়া প্রমাণ করে যে সার্বিয়ার অনেক নাগরিক এই ধরনের হানাহানির বিপক্ষে এবং ফরাসী নাগরিক ব্রিস টাটোনকে সার্বিয়া ভুলবে না, এবং এই ধরনের ঘটনা আর ঘটতে সে দেবে না।</p></blockquote>
<p>রাষ্ট্রপতি তাদিকও এই বিষয়ে <a href="http://www.b92.net/info/vesti/index.php?yyyy=2009&#038;mm=09&#038;dd=30&#038;nav_category=11&#038;nav_id=383990">প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>“সার্বিয়া অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করে এই ব্যাপারে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং কঠিন এক নৈতিকতার সাথে&#8221; [&#8230;]।</p></blockquote>
<p>তিনি এর সাথে যোগ করেন, এটা একটা সতর্ক বার্তা “যারা শেষ দিন পর্যন্ত সংঘর্ষ তৈরি করবে তাদের প্রতি”। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/02/6730/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মরোক্কো: এক্টিভিস্ট যারা জনসম্মুখে রোজা ভাঙ্গবে, তার জন্য শাস্তি পাবে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/20/6323/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/20/6323/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 20 Sep 2009 18:29:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6323</guid>
		<description><![CDATA[রমজান মাসে মুসলমানরা দিনের বেলা কোন ধরনের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে। মরোক্কোর একদল অ্যাক্টিভিস্ট জনসম্মুখে রোজা ভাঙ্গার দাবী জানাচ্ছে যা মরোক্কোর অপরাধ আইনে এক শাস্তিযোগ্য বিষয়। এই ঘটনার উপর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া এসেছে ব্লগামাতে।  
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইর্য়ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/16/morocco-activists-break-fast-in-public-receive-punishment/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>রমজান মাসে মুসলমানরা দিনের বেলা কোন ধরনের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে (আরো অনেক অন্য জিনিসের সাথে)। অনেক মুসলিম দেশে যদিও রমজানে খাবার গ্রহণ ও অন্যান্য বিষয় আইনগতভাবে অবৈধ নয়, কিন্তু কেউ দিনের বেলা জনতার সামনে খাবার খাবে সামাজিকভাবেও তা গ্রহণযোগ্য নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এই রমজানে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/09/09/egypt-prison-awaits-those-who-dont-fast-in-ramadan/">মিশরের</a> কিছু মুসলমানকে গ্রেফতার করা হয়, কারণ তারা রমজান মাসে দিনের বেলা খাবার খাওয়ার মতো অপরাধ করেছিল।</p>
<p>এই সংবাদের জের কাটতে না কাটতেই মরোক্কোর একদল অ্যাক্টিভিস্টকে জনসম্মুখে রোজা ভাঙ্গার কারণে কঠিন ভাবে <a href="http://www.ennaharonline.com/en/society/2027.html">তিরষ্কার</a> করা হয়, এটা মরোক্কোর অপরাধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। <em>দি ফিউ ফ্রম ফেজ</em> এর <a href="http://riadzany.blogspot.com/2009/09/moroccan-news-briefs_16.html">সূত্র মতে</a>:</p>
<blockquote><p>মাগরেব আরব প্রেস বলছে, সোমবার স্থানীয় প্রশাসন “এক শোভাযাত্রাকে রুখে দিয়েছে, যারা জনসম্মুখে রোজা ভাঙ্গাকে আইনের ধারা থেকে বাতিল করতে চাচ্ছে”।</p>
<p>মরোক্কোর সংবাদপত্র নিশ্চিত করেছে যে মোহাম্মদিয়াতে মঙ্গলবার “রোজা না রাখা ব্যক্তিরা” যে শোভাযাত্রা বের করার উদ্যোগ নেয়, তা ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p>পর্যবেক্ষকরা জানাচ্ছে মরোক্কোতে এই প্রথম  উপবাস না করা ব্যক্তিরা জনসম্মুখে হাজির হয়েছে, রমজান মাসে রোজা না রাখার দাবি নিয়ে।</p>
<p>মোহাম্মদিয়ার প্রতিবাদকারীরা মরোক্কোর যে আইনে মুসলমানরা রমজান মাসে রোজা না রাখলে শাস্তি প্রদানের বিধান রয়েছে, সেই আইনের বিলুপ্তি চায়। রমজানে ইফতারের আগে খাবার খাওয়া নিষেধ, রমজানে ইফতার গ্রহণ করা মানে দিনের শেষ হয়েছে বোঝানো হয়।</p></blockquote>
<p>প্রতিবাদকারীদের কাজের কোন বর্ণনা না দিয়ে জনপ্রিয় ব্লগার <em>লারবি</em> তাদের সাহসের প্রশংসা করেছেন:              </p>
<blockquote><p>Sans préjuger de leur cause il faut reconnaître aux quelques personnes qui se sont déplacés une certaine forme de courage. L’article 222 du Code pénal marocain stipule que tout individu connu pour son appartenance à l’Islam qui rompt ostensiblement le jeûne dans un lieu public pendant le Ramadan est passible de un à six mois d’emprisonnement et d’une amende.</p></blockquote>
<div class="translation">কোন সংস্কার ছাড়াই, এই ঘটনাকে চিহ্নিত করা যেতে পারে কিছু মানুষের সাহসিকতা প্রদর্শন হিসেবে। মরোক্কোর দণ্ডবিধির ২২২ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি ইসলামের সাথে যুক্ত, সে যদি রমজান মাসে প্রকাশ্যে রোজা ভাঙ্গে অর্থাৎ খাবার গ্রহণ করে, তাহলে তার শাস্তি হিসেবে এক থেকে ছয় মাসের জেল এবং জরিমানা হবে।</div>
<p>এই পোস্টে মন্তব্য করা সকলেই একমত নন যে, প্রতিবাদকারীদের প্রতিবাদের ধরণ সাহসিকতা পূর্ণ ছিল। ঘটনা হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত প্রদানকারী মনে করছে যে এই দলটি ভুল পথে যাচ্ছে।    </p>
<p>একজন মন্তব্যকারী বোউচারা মনে করছেন <a href="http://www.larbi.org/post/2009/09/Manifestation-des-non-jeûneurs-de-Ramadan-au-Maroc#c30966">প্রতিবাদকারীরা অনেকটা</a> আর্ম চেয়ার এক্টিভিস্ট বা নিষ্ক্রিয় ধরনের প্রতিবাদকারী:</p>
<blockquote><p>এই রকম বোকামীপূর্ণ কোন অনুষ্ঠান আয়োজন না করে তাদের শক্তি এবং চেষ্টা কোন গঠনমূলক প্রতিবাদে নিয়োজিত করা উচিত, দেশটির যাতে মঙ্গল হয় এমন কাজে নিয়োজিত হওয়া উচিত।</p>
<p>দেশটির সকল কিছুর ত্রুটি বের না করে, নিজেরা বের হও এবং এমন কিছু কর, যাতে দেশের ভালো হয়। তারা অনলাইনে কেবল দেখে এবং এটাই তারা জানে..  চিন্তায় বড় হও এবং প্রকৃত নাগরিক হও।</p></blockquote>
<p>আরেক মন্তব্যকারী <em>কাসাজোন</em> <a href="http://www.larbi.org/post/2009/09/Manifestation-des-non-jeûneurs-de-Ramadan-au-Maroc#c30976">নির্দেশ করছেন</a> প্রতিবাদকারীদের সম্ভাব্য ভণ্ডামির এক দিক, যখন এ ব্যাপারে মরোক্কোর জনসংখ্যা পরোক্ষ এক সমস্যা।</p>
<blockquote><p>Il est “fort probable” que la plupart des manifestants qui ont mangé le sandwich Ont jeté le reste (papier, aliments, os, ..etc) sur la voie publique</p></blockquote>
<div class="translation">এটা অনেক বড় ব্যাপার, প্রতিবাদকারীদের মধ্যে যারা স্যান্ডুউইচ খেয়েছে তারা এর অবশিষ্ট অংশ (কাগজ, খাবার, হাড় ইত্যাদি..) রাস্তায় ছুড়ে ফেলেছে।</div>
<p><em>অনথ্রে নু মরাকেশিয়ান</em> [ফরাসী ভাষায়] আবিষ্কার করেছেন যে, প্রতিবাদকারীরা ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়, তিনি <a href="http://entrenousmarocains.blogspot.com/2009/09/lactualite-du-jour-les-jeunes.html">বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>« Il y a cinq piliers dans l’islam, il faut pas punir seulement la violation du Ramadan, la loi ne punit pas ceux qui ne prient pas toute l’année ou ceux qui ne vont pas à la Mecque » précise Zineb El Razhoui. A notre tour on répond : Personne ne vous oblige d’être musulmane, mais on vous oblige de respecter les musulmans.</p></blockquote>
<div class="translation">ইসলামে পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে, আমাদের কেবল রমজানের রোজা ভাঙ্গার জন্য শাস্তি পাওয়া উচিত নয়, যারা সবসময় নামাজ পড়তে যায় না, তাদের জন্য আইনে কোন শাস্তি নেই অথবা যারা হজ্জ করতে মক্কায় যায় না তাদের ক্ষেত্রেও আইনে কোন শাস্তি নেই:  <em>জয়নাব এল রাজহুই</em> বলেছেন। আমাদের যখন পালা আসে; তখন কেউ কাউকে জোর করে মুসলমান বানাতে পারে না, কিন্তু এখানে জোর করে মুসলমানদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে বলা হচ্ছে।</div>
<p><em>এতোনিয়ে</em> (আশ্চর্য) নামের এক মন্তব্যকারী এই দল যে দু:সাহসিকতা দেখিয়েছে, তাতে তিনি বিভ্রান্ত, তিনি বলেছেন,</p>
<blockquote><p>Je sens de la manipulation,<br />
Si vous n&#39;avez pas envie de jeûner, ne le faites pas, vous n&#39;êtes pas obligés de le faire, tout est question de conviction, Dieu n&#39;en sera pas dérangé, des milliards d&#39;autres le font, que sont quelques dizaines à ne pas le faire !!!! Mais une autre question me vient à l&#39;esprit, pourquoi montrer votre refus en public et maintenant ????<br />
Vous demandez le respect de votre liberté en bafouant celle des autres ???</p></blockquote>
<div class="translation">যদি কেউ রোজা রাখতে না চায়, সে তা রাখতে বাধ্য নয়, সকল কিছুই বিশ্বাসের উপর, এবং সৃষ্টিকর্তা এতে বিরক্ত বোধ করেন না, অন্য সকল কোটি কোটি মানুষ রোজা রাখছে, শতকরা দশজন রোজা রাখে না!কিন্তু আমার মনে অন্য এক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, কেন এই প্রতিবাদ তারা জনতাকে প্রদর্শন করতে চাইছে? অন্যকে নিয়ম লঙ্ঘন করতে দেখে নিজেরা স্বাধীনতা প্রকাশ করতে চাইছে?</div>
<p>এইসব বিরোধীতার ভিড়ে প্রতিবাদকারীদের সমর্থনেও কিছু মন্তব্য এসেছে, ভয়েস অফ সাপোর্ট এ রকমই মন্তব্য<a href="http://www.moroccoboard.com/news/34-news-release/661-public-fast-breaking-during-ramadan-protest-in-morocco"> <em>মরোক্কো বোর্ডে</em></a> রেখে গেছেন। </p>
<blockquote><p>একটু দাঁড়ান, এই সমস্ত ব্যক্তিরা একটি আইনকে  জনতার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছে, যা মনে হচ্ছে ব্যক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন। আমি বিশ্বাস করি না, তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরোধিতা করার জন্য কেবল এই কাজ করেছে। যদি আমরা এটা মেনে নেই যে, কাউকে দিনের বেলায় খেতে দেখা গেছে এই বিষয়টি কর্তপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া উচিত, তাহলে তার পরের কাজটি হবে দিনে জোর করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরা। মরোক্কো অনেক যৌক্তিক রাষ্ট্র, এটা কেবল নিশ্চিত করা যে, আপনার প্রতিবেশী এমন স্বর্গ ভাগ করে নিচ্ছে, যা আপনার জন্য আসলেই একটি বিষয়। এখানে মুক্ত ভাবে বাস করা, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। </p>
<p>রোজা রাখা অথবা নামাজ পড়া অথবা কোন ধর্মীয় আচরণ পালন করা ব্যক্তিগত ব্যাপার এবং এই বিষয়ে রাষ্ট্রের কিছু করার প্রয়োজন নেই। হয়তো ওলামাদের শুঁড়িখানার মালিকদের সাথে বসা উচিত, যেগুলো রমজান মাসে অলৌকিক ভাবে উধাও হয়ে যায় এবং তারপরে আবার ফিরে আসে, ভণ্ডামির কথা বলা, অথবা তারা দেশে দারিদ্র নিরসনে রাষ্ট্রের ভূমিকা কি হওয়া উচিত এবং পতিতাবৃত্তি নিয়ে কথা বলা, মুসলিম হিসেবে প্রত্যেক মুসলমানের জাকাত দেওয়া উচিত, যখন মরোক্কোতে এই শ্রেণীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রাপ্ত জাকাত দারিদ্র নিরসনে ব্যবহার করা উচিত, এটি মুসলমানদের জন্য গর্ব করার মতো এক বিষয়।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/20/6323/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ৩০ দিনে নিউ ইয়র্কের ৩০টি মসজিদ ভ্রমণ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/19/6260/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/19/6260/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 Sep 2009 11:59:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[মেক্সিকো]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6260</guid>
		<description><![CDATA[নিউ ইয়র্ক শহরের দুই তরুণ আমান আলি এবং বাসাম তারিক, ৩০ দিনে ৩০টি মসজিদ দেখার জন্য যে যাত্রা শুরু করেছিলেন তা প্রায় শেষ করে এনেছেন। এই বিষয়ে যে সমস্ত তথ্য তারা জোগাড় করেছেন তা রয়েছে তাদের একই নামের ব্লগে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/solana-larsen/">সোলানা লারসেন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/14/usa-30-new-york-mosques-in-30-days/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img class="alignright size-full wp-image-6261" title="amanbassam" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/amanbassam.png" alt="amanbassam" width="128" height="128" />নিউ ইয়র্ক শহরের দুই তরুণ আমান আলি এবং বাসাম তারিক, <a href="http://30mosques.tumblr.com/">৩০ দিনে ৩০টি মসজিদ</a> দেখার জন্য যে যাত্রা শুরু করেছিলেন তা প্রায় শেষ করে এনেছেন। এই বিষয়ে যে সমস্ত তথ্য তারা জোগাড় করেছেন তা রয়েছে তাদের একই নামের ব্লগে।</p>
<p>তাদের ব্যক্তিগত পরিকল্পনা ছিল এ বছর পবিত্র <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ramadan">রমজানে</a> [রমজান মাসের মুসলিমরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পানাহার বন্ধ রাখে] নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন মসজিদে প্রবেশ করে তার ভেতরের ছবি তুলে আনবেন। এই পরিকল্পনাটি<a href="http://www.ny1.com/content/top_stories/105691/two-men-try-for-30-mosques-in-30-days/Default.aspx"> নিউ ইয়র্কের স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলকেও</a> আকর্ষণ করে।</p>
<p>আগস্টের ২২ তারিখে <a href="http://30mosques.tumblr.com/post/171085403/day-1-the-journey-begins">প্রথম ব্লগ লেখা শুরু হয়</a>:</p>
<blockquote><p><a href="http://30mosques.tumblr.com/post/171085403/day-1-the-journey-begins"><strong>১ম দিন: যাত্রা শুরু</strong></a></p>
<p>আজ রাতে আমি এবং আমার বন্ধু বাসাম তারিক, হঠাৎ মাথায় আসা এক চিন্তা নিয়ে বসে পড়লাম: যদি আমরা পুরো রমজান মাসে প্রতিটি আলাদা দিন, ভিন্ন ভিন্ন মসজিদে প্রার্থনা করি? এরপর এই ওয়েবসাইটের জন্ম&#8230;।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.columbia.edu/cu/news/04/09/muslims.html">কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা</a> অনুসারে এই শহরে প্রায় ৬০,০০০ মুসলিম রয়েছে। এদের অনেকেই ভিন্ন জাতি ও ভিন্ন সংস্কৃতির লোক।</p>
<p>এক মতের লোক সাধারণত অন্য মতের মসজিদে যায় না, কিন্তু আমান এবং বাসাম (উভয়ের পূর্বপুরুষ দক্ষিণ এশিয়া থেকে আগত অভিবাসী) বলছে যে, তারা সব খানে হাসি এবং উষ্ণ সংবর্ধনার মাধ্যমে সাদরে গৃহিত হয়েছেন।</p>
<p><strong><a href="http://30mosques.tumblr.com/post/175990961/day-9-masjid-aqsa">৯ দিন : মসজিদ আকসা</a> </strong>(ম্যানহাটনে পশ্চিম আফ্রিকার মসজিদ)</p>
<blockquote><p>এই দিন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিবেশী এলাকায় থাকব এবং মসজিদ আকসা দেখে আসব। আমি যেখানে থাকি, এই মসজিদ সেখান থেকে দক্ষিণে কয়েকটা গলি পরে ১১৬তে এবং ফ্রেড্রিকস ডগলাস এলাকায়। এখানে পশ্চিম আফ্রিকান সম্প্রদায়ের লোক বেশি। বলা হয়ে থাকে নিউ  ইয়র্কের এই এলাকায় সেনেগালীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বেশি।</p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-6262" title="2" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/26.jpg" alt="2" width="300" height="200" /></p>
<p>ম্যানহাটনের অন্য মসজিদগুলোর মতই এর পুরো প্রবেশ পথে বিক্রেতারা বসে আছে, সেখানে মাদানী খেজুর থেকে নাইকের মোজা পর্যন্ত পাওয়া যায়। এখানে এক কৌতূহলজনক বিক্রেতা শুকনো মাছ বিক্রি করছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://30mosques.tumblr.com/post/177632452/day-11-masjid-al-hikmah"><strong>১১ তম দিন: মসজিদ আল- হিকমাহ</strong>(কুইন্সে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার মসজিদ)</a></p>
<blockquote><p>ইন্দোনেশিয়ার লোক এবং তাদের খাবার আমি খুব পছন্দ করি। রোজা ভাঙ্গার জন্য আমাদের সামনে খেজুর ছিল এবং এই নীল জামা পরা লোকটি প্রকৃত সুস্বাদু ইন্দোনেশিয়ান সুপ ঢেলে দিচ্ছিল।</p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-6263" title="3" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/36.jpg" alt="3" width="300" height="200" /></p></blockquote>
<p>সংস্কৃতিক বিভাজনকে ছাপিয়ে যাওয়া অনেক সময় সহজ নয়:</p>
<p>বাসাম খুব বিনীতভাবে তার চিন্তা প্রকাশ করছে যখন<a href="http://30mosques.tumblr.com/post/178461908/day-12-masjid-tawhid-inc"> ১২ তম দিনে</a> সে দু&#39;টি মসজিদের উপস্থিতি বর্ণনা দিচ্ছে, যা ব্রুকলিনের পাশাপাশি গলিতে অবস্থিত; একটি বাংলাদেশের মসজিদ, অপরটি পশ্চিম আফ্রিকার।</p>
<p>দক্ষিণ এশীয় এক বাসিন্দা হিসেবে বাংলাদেশী মসজিদটিতে প্রবেশ অনেক সহজ ছিল, কিন্তু এক বন্ধুর উৎসাহে সে ব্যক্তিগত এক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সিদ্ধান্ত নিল।</p>
<p><strong><a href="http://30mosques.tumblr.com/post/178461908/day-12-masjid-tawhid-inc">১২ তম দিন: মসজিদ তাওহিদ ইঙ্ক.</a> </strong>(ব্রুকলিনের পশ্চিম আফ্রিকার মসজিদ):</p>
<blockquote><p>শুরুতে এতটা ভিড়ে ভর্তি বলে মনে হচ্ছিল না। বাস্তবতা হচ্ছে আমি বিস্ময়ে ভাবতে শুরু করি, সমবেত জনতা আমাকে যে ভাবে নিচ্ছে, তাতে আমি অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করি। আমি ভাবতে শুরু করি যে, এখানে আমি অনাহূত এক ব্যক্তি যে খাবার জন্য এসেছে- আমাকে যে খাবার দেওয়া হয়েছিল তা খেতে পারছিলাম না- এবং এর পরই সেই এলাকা ত্যাগ করি। খারাপ এক প্রদর্শন, যদি আপনি ভাবেন। যদিও মনে হয় মসজিদের কেউ সে রকম ভাবছিল না। আমি অবাক হতাম যদি তাদের কেউ এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন করত, কেন সে বাংলাদেশের মসজিদে গেল না? হয়তো বা সে আমার নিজের মনের ভাবনা, যা আমার ভিতর এই প্রশ্ন তৈরি করেছিল।</p>
<p><img class="aligncenter size-full wp-image-6264" title="4" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/45.jpg" alt="4" width="300" height="200" /></p></blockquote>
<p><a href="http://30mosques.tumblr.com/post/186624034/day-22-albanian-islamic-cultural-center"><strong>২২ তম দিন: আলবেনীয় ইসলামিক সংস্কৃতিক কেন্দ্র</strong></a> ( স্টেটেন আইল্যান্ড)</p>
<blockquote><p>&#8230;. এই মসজিদের নিজস্ব বাবুর্চি রয়েছে, যে এখানকার জন্য রান্না করে। আল্লাহ তার এই প্রতিভার জন্য তাকে পুরস্কৃত করুক।<br />
<img class="aligncenter size-full wp-image-6265" title="5" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/53.jpg" alt="5" width="300" height="200" /></p>
<p>কিন্তু এই মসজিদের সত্যিকারের যে অভিজ্ঞতা, তার সাথে খাবারের তুলনা করা যাবে না। আমরা এই মসজিদে আলবেনীয় অনেক কিশোরের সাথে খাবার খেলাম, যারা তাদের সম্প্রদায় সম্বন্ধে ধারণা নিচ্ছে&#8230;.।<br />
<img class="aligncenter size-full wp-image-6266" title="6" src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/62.jpg" alt="6" width="300" height="205" /><br />
একটা বিষয় দেখে আমার সত্যিই ভালো লাগল যে কিশোররা এই মসজিদে আসছে, এ কারণে নয় যে, বাবা মা তাদের এখানে ধরে আনে, তারা এখানে আসাটাকে উপভোগ করে। এই শিশুরা আমাকে এই সুন্দর এক অনুভূতি প্রদান করল এই বিষয়ে যে, এই দেশের পুরো মুসলিম সম্প্রদায় সামনে এগুনোর জন্য তৈরি হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>সেপ্টেম্বর মাসের ১৯ তারিখে রমজান মাস শেষ হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/19/6260/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: টেড কেনেডির মৃত্যুতে ল্যাটিন আমেরিকানদের শোক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2009 19:43:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6193</guid>
		<description><![CDATA[সিনেটর এডওয়ার্ড “টেড” কেনেডি ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাটিন আমেরিকান সম্প্রদায় বৃষ্টির মতো ব্লগ পোস্ট করে, কারণ মৃত কেনেডি ছিলেন অভিবাসী অধিকার আদায়ের এক সহযোগী কণ্ঠ।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/gina-cardenas/">জিনা কারডেনাস</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/13/usa-latinos-on-the-passing-of-ted-kennedy/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300.jpg" alt="463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300" title="463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300" width="231" height="300" class="alignright size-full wp-image-6194" /><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ted_Kennedy">সিনেটর এডওয়ার্ড “টেড” কেনেডি</a> ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে ল্যাটিন আমেরিকার থেকে আগত সম্প্রদায় যাদের যুক্তরাষ্ট্রে ল্যাটিনো নামা জানা যায়, তারা বৃষ্টির মতো ব্লগ পোস্ট করে। এই সব শব্দে বেদনা ছিল এবং তাকে স্মরণ করার মাঝে অজস্র প্রশংসা বাক্য ঝরে পড়ছিল।  </p>
<p><a href="http://unitedfarmworkers.wordpress.com/about/">ইউনাইটেড ফার্ম ওয়ার্কার্স </a>বা সংযুক্ত খামার শ্রমিক সংগঠন- মাঠ পর্যায়ের অভিবাসী অধিকার আদায়কারী দল, যারা খামার শ্রমিকদের কাজের শর্ত ও আইনগত অবস্থান সংস্কার করেছে-তারা তাদের ব্লগে কেনেডির বন্ধুত্ব ও সমর্থনের কারণে, তার সম্মানে এক এক লেখা পোস্ট করেছে। এই লেখার শিরোনাম, “<a href="http://unitedfarmworkers.wordpress.com/2009/08/26/ufw-mourns-the-passing-of-long-time-friend-senator-edward-kennedy/">আমাদের দীর্ঘ সময়ের বন্ধু সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি স্মরণে</a>”। এখানে বলা হয়েছে: </p>
<blockquote><p>বছরের পর বছর ভালো ও মন্দ উভয় সময়েই  সিনেটর কেনেডি খামার শ্রমিকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের সাথে পথযাত্রা ও শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে, তাদের হয়ে রাজনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছে এবং তাদের আইনগত অধিকার আদায়ের  জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ ভবনের কক্ষ থেকে শুরু করে ক্যালিফোর্নিয়ার ধুলায় ধুসরিত মাঠ পর্যন্ত গিয়েছে।</p>
<p>যেমনটা যুক্তরাষ্ট্রের খামার শ্রমিকদের সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডোলারেস হুর্য়েতো একবার বলেছিলেন, রবার্ট ও টেড কেনেডি, আমাদের কাছে এসে বলেন নি আমাদের জন্য কোনটা ভালো? তারা বলেছেন, “তোমরা কি চাও? এবং কি ভাবে তোমাদের আমি সাহায্য করতে পারি? এ কারণেই আমরা তাদের ভালবাসি”।</p></blockquote>
<p>ওয়াশিংটনে একজন বিশ্বস্ত সহযোগীর প্রস্থানে অভিবাসীরা সমন্বিত অভিবাসন সংস্কার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে, যা ২০১০ সালের এক সময় পর্যন্ত পর্যালোচনার জন্য আটকে রয়েছে। <a href="http://www.latinalista.net/palabrafinal/2009/08/vaya_con_dios_ted_kennedy.html"><em>ল্যাটিনা লিস্টা এ সম্বন্ধে লিখেছে</em></a>,  এই বিষয়ে কেনেডির ভূমিকা কেবল এক সহযোগীর চেয়ে অনেক বেশি ছিল:</p>
<blockquote><p>….প্রবীণ প্রজন্মের ল্যাটিনোদের কাছে তার মৃত্যু একটা যুগের পরিসমাপ্তির সঙ্কেত প্রদান করছে, যখন “সম্মানিত ল্যাটিনো” শব্দে এক বিশ্বস্ত অপরাজিত লড়াকু ওয়াশিংটনে <em>লা জেনটে</em> ভাষণে আওয়াজ তুলেছিল।</p></blockquote>
<p>১৯৬৫ সালে কেনেডির ঐতিহাসিক অভিবাসন সংস্কার আইনের কারণে ন্যাশনাল অরিজিন ইমিগ্রেশন (১৮৯০ এর আগে থেকে যারা আমেরিকায় বাস করত, সেই সমস্ত ব্যক্তিরা যে দেশ থেকে এসেছিল কেবল সেই দেশ থেকে অভিবাসী আসতে পারবে এই ছিল আইন) কোটা বা সংখ্যার পরিসমাপ্তি ঘটে। এর ফলে পশ্চিম ইউরোপের দেশ থেকে কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণ লোক নেওয়া উঠে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের দরজা -অপশ্চিমা দেশগুলোর জন্য খুলে যায়, প্রাথমিক ভাবে বলা যায়, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার লোকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত হয়ে যায়। </p>
<p>সম্প্রতি তিনি যে সমস্ত বিষয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন তার মধ্যে রয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dream_Act">ড্রিম এ্যাক্ট</a>, এজিজবস, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/State_Children's_Health_Insurance_Program">চিপ</a> এবং <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Violence_Against_Women_Act">নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ</a>। </p>
<p>তিনি সমন্বিত অভিবাসন সংস্কার আইন ২০০৭ এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন, যা এখনো আইনে পরিণত হয় নি। এটিকে বর্তমান অভিবাসন সংস্কার আইনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, সিএইচআইপি এবং ভিএডাব্লিউ সামাজিক সেবার সুযোগ করে দেবে, যার ফলে  যে সমস্ত অভিবাসী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছে তারা নানা ভাবে সাহায্য পাবে। ড্রিম এ্যাক্ট ও এজি জবস বৈধ কাগজ নেই এমন অনেক অভিবাসীর নাগরিকত্ব প্রদানের রাস্তা তৈরি করবে, এ দেশে তার চাকুরি প্রদান ও শিক্ষা গ্রহণের  সুযোগ তৈরির মাধ্যমে। </p>
<p>সমন্বিত অভিবাসন আইন সংস্কার এই সকল পদ্ধতির পরিবর্তন আনবে, যেখানে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তার নামে অভিবাসীদের যে পদ্ধতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেই সকল পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনবে, বৈধ কাগজ ছাড়া যে সমস্ত অভিবাসী এ দেশে রয়েছে তাদের শুনানিতে সহায়তা করবে, বর্তমানে যারা দেশটিতে কাগজ ছাড়া বাস করছে, তাদের এ দেশের নাগরিকত্ব পাবার পথ তৈরি করে দেবে, মেক্সিকোর বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় সাহায্য করবে, এবং অভিবাসন সংক্রান্ত আমলাতন্ত্রকে উন্নত করবে।<br />
 কেনেডির অভিবাসন সংস্কার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছে। এর সাথে কিছু ঐতিহাসিক সংগঠন যুক্ত ছিল, অভিবাসন অধিকার নীতি আদায়ের ব্যাপারে। যেমন,<a href="http://www.nclr.org/"> ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ লা রাজা </a>বা লা রাজার জাতীয় সমিতি, <a href="http://www.lulac.org/">লিগ অফ ল্যাটিন আমেরিকান সিটিজেন</a> বা সংযুক্ত ল্যাটিন আমেরিকান নাগরিকদের দল, <a href="http://www.maldef.org/">মেক্সিকান -আমেরিকান লিগাল ডিফেন্স এন্ড এডুকেশন ফাণ্ড</a> বা মেক্সিকান-আমেরিকান বাসিন্দার বৈধতা রক্ষা সমিতি এবং শিক্ষা তহবিল। </p>
<p>২০০৯ এর ৭ সেপ্টেম্বরে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Labor_Day">জাতীয় শ্রম দিবসে</a>  ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ লা রাজা ল্যাটিন শ্রমিকদের অভিজ্ঞতার উপর মনোযোগ প্রদান করে। এটা ল্যাটিন শ্রমিকদের অনেক বিষাদময় এক বাস্তবতার ছবি তুলে ধরে: কম বেতন, সুবিধার অভাব, কাজে বিপজ্জনক শর্তাবলি এবং উচ্চ মৃত্যুহার, এই সমস্ত ঘটনায় <a href="http://uspoverty.change.org/blog/view/latins_most_likely_to_die_on_job">বেশি আক্রান্ত হয় ল্যাটিনো শ্রমিকরা</a>। লেখক লেইহ গ্রাহাম <em>চেঞ্জ.অর্গে</em> ব্লগ করেন। <em>গ্রাহাম</em> বলেন এইসব তথ্যে অভিবাসী সংস্কার আইনে শ্রমের শর্তাবলী উন্নত করার যে কথা বলা হয়েছে, তা সমর্থন করে।</p>
<blockquote><p>এইসব সংবাদ জানাচ্ছে, উন্নত ও নৈতিক এক অভিবাসন আইন সংস্কার দরকার। এটি শ্রম শোষণ রোধ ও কাজের বাজার উন্নত করার প্রথম ধাপ সৃষ্টি করবে, যারা কম মজুরিতে কাজ করে তাদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ল্যাটিন সম্প্রদায়ের উপর কেনেডির প্রভাব, তাদের মধ্যে এক আদরণীয় সম্পর্ক তৈরি করেছিল। তিনি কখনই অভিবাসীদের, ‘<em>আমরা বনাম তারা’</em> বলে উল্লেখ করতেন না। তিনি কখনই ভুলে যান নি তিনি নিজেই ছিলেন এক আইরিশ অভিবাসী পরিবারের উত্তরপুরুষ। “<em>এ নেশনস অফ ইমিগ্রান্ট</em>” বা “অভিবাসী এক জাতির” কথা বইয়ে তার লেখা মুখবন্ধটি ছিল কেনেডি পরিবারের মূল্যবোধের তীক্ষ্ণ স্বীকারোক্তি, যে পরিবার এক অভিবাসন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। এই বইটি লিখেছিল তার ভাই জন এফ কেনেডি।  </p>
<p><em>এনডিএনে</em> ব্লগ করেন ওয়াশিংটন ডিসির এক চিন্তাবিদ জোরা টাপিয়া-আলফারো। তিনি <em>এ নেশন অফ ইমিগ্রান্টস</em> এর মুখবন্ধ সবার সাথে ভাগাভাগি করেছেন তার পোস্টে, এই পোস্টের তিনি শিরোনাম দেন, <a href="http://ndn.org/blog/2009/08/edward-kennedy-man-who-saw-wrong-and-tried-right-it">এডোয়ার্ড কেনেডি: “যে মানুষটি ভুল কিছু দেখেছিলেন এবং সেটাকে ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন</a>”।</p>
<blockquote><p>“এখন থেকে ১৫০ বছর আগে আমাদের আইরিশ পুর্বপুরুষদের আটজনের সকলেই সাফল্যের সাথে আটলান্টিক পাড়ি দিতে সক্ষম হন, তাদের বিখ্যাত জাহাজ  নিয়ে, যাকে আমরা জানি “কফিন শপ” বা “লাশবাহী” হিসেবে, কারণ এই কষ্টসাধ্য যাত্রায় অনেকেই বেঁচে যেতে ব্যর্থ হত… কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষ জীবিত ছিলেন, অভিবাসন আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে”।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আর্মেনিয়া: সমকামীতা ভীতি মারাত্বক আকার ধারণ করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/27/5535/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/27/5535/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 27 Aug 2009 18:13:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সমকামী অধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5535</guid>
		<description><![CDATA[যদিও আর্মেনিয়ায় ২০০২ সালে সমকামীতাকে নিরপরাধ বিষয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তবু আর্মেনিয় সমাজের বড় অংশ বিষয়টিকে সহ্য করে না এবং তার ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধের ভেতরে রয়ে গেছে। এক মাধ্যমে সমকামী অ্যাক্টিভিস্টরা তাদের ব্লগে চিন্তা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের ভীতি আগের চেয়ে অনেক খোলামেলা ভাবে মনোযোগের কেন্দ্র হতে পারে। 

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অননিক ক্রিকোরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/24/armenia-homophobia-turns-deadly/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যদিও আর্মেনিয়ায় ২০০২ সালে সমকামীতাকে নিরপরাধ বিষয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তবু আর্মেনিয় সমাজের বড় অংশ বিষয়টিকে <a href="http://pinkarmenia.blogspot.com/2009/07/round-table-on-intolerance-and.html">সহ্য করে না এবং তার ঐতিহ্যবাহী মুল্যবোধের ভেতরে রয়ে গেছে</a>। স্বাভাবিক ভাবেই, আর্মেনিয়া এমন এক দেশ, যে দেশে জাতীয়তাবাদী আদর্শ ব্যাপক ভাবে প্রচলিত, সেখানে এই ভয় থেকে যায় সমকামীতা ভীতি আরো ভয়াবহ রুপে বাস্তবে পরিণত হতে পারে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/07/08/armenia-lgbt-blogs/">এক মাধ্যমে সমকামী কর্মীরা তাদের ব্লগে</a>, চিন্তা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের ভীতি আগের চেয়ে অনেক খোলামেলা ভাবে মনোযোগের কেন্দ্র হতে পারে। </p>
<p>এটা বিশেষত সত্য যখন অনেক ঘটনায় স্থানীয় প্রচার মাধ্যম এবং এমন কি কিছু <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/01/15/armenia-hate-lies-ignorance/">সিভিল সোসাইটি গ্রুপ</a> বা নাগরিক সমাজের দল সমকামীতা ভীতি প্রচার করতে সাহায্য করছে। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহে মূল ধারার প্রচার মাধ্যমে সমকামীতার মতো বিষয়কে সহ্য না করার বিষয় অনেককে শংকিত করে তুলেছে, এর মধ্যে একটি সংবাদপত্র এত দুর পর্যন্ত গেছে যে, তারা দেশটির সমকামী সদস্যদের ঘৃণা করার মতো অপরাধ করতে উৎসাহ প্রদান করেছে।</p>
<p><em>পিংক আর্মেনিয়া</em> এ <a href="http://pinkarmenia.blogspot.com/2009/08/each-illiterate-gives-himher-right-to.html">ধরণের ঘৃণা উদ্‌গিরণ বাড়তে থাকার বিষয়ে মন্তব্য করেছে</a>। </p>
<blockquote><p>এটা এক পরিতাপের বিষয় কিন্তু এরপরেও আমি সমকামীতা নিয়ে সম্প্রতি আর্মেনিয়ার এক সংবাদপত্রে ছাপা এক প্রবন্ধ পড়েছি।<br />
[…]<br />
আমি জানি না কেন, কিন্তু প্রায় সকল সাংবাদিক প্রধান, সমকামীতা নিয়ে আলোচনা করছে। আমি জানি না কেন তারা এ কাজ করছে, কিন্তু তারা কখনই স্মরণ করে না যে, এদের মধ্যেও অনেক অসাধারণ লোক রয়েছে। সমকামী বিরোধীরা উৎসাহ দিয়ে জানাচ্ছে যে এটা অনৈতিক। বিষয়টি সমাজকে একটা ভুল তথ্য দেওয়ার এক জ্বলন্ত প্রমাণ।<br />
[…]<br />
আমি উল্লেখ করতে ভুলবো না এ ব্যাপারে শেষ যে প্রবন্ধটি আমি পড়েছি তার কথা। সেখানে সমকামীদের গালি দিতে বলা হয়েছে, এমনকি তাদের খুন করার কথা পর্যন্ত সেখানে বলা হয়েছে।</p></blockquote>
<p><em>আনজিপ:গে আর্মেনিয়া  দেশ থেকে সমকামীদের খতম কর এই দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে</em> <a href="http://gayarmenia.blogspot.com/2009/08/hate-armenian-tabloid-iravunk-advocates.html">মন্তব্য করেছে ,</a>- আক্ষরিক অর্থেই খতম করতে বলা হয়েছে। </p>
<blockquote><p>যখন কেউ একজন সমকামী বিরোধী, নি:সন্দেহে তা খারাপ, কিন্তু যখন একজন সমকামী বিরোধী ব্যক্তি সমকামীদের হত্যার জন্য ওকালতি করে, সে সকল সীমা পার করে ফেলে। </p>
<p>আমি স্বীকার করে নিচ্ছি, আমি ইরাভুন্ক নামের ট্যাবলয়েড বা চটুল পত্রিকা পড়ি না। যদি তা আমাদের বন্ধুদের জন্য না হত, তা হলে আমি ওই সব প্রবন্ধ নিয়ে মাথা ঘামাতাম না, যা গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে অথবা যারা সমকামীদের প্রতি এতটা নিবেদিত।  </p>
<p>[…]</p>
<p>ইরাভুন্কের সাংবাদিক এরপর এক নোটে জানান যে “এই প্রবন্ধটিকে আমরা কাউকে খুন করার আহ্বান জানানোর উদ্দেশ্য লিখিনি, আমরা কেবল ঘটনাটিকে উপস্থাপন করেছি মাত্র”। অবশ্যই তারা কার্যকর ভাবে যা করেছে, তা হল সমকামীদের খুন করতে উৎসাহ প্রদান করা।</p>
<p>[…]</p>
<p>[…] গালাডিয়ান এবং তার ট্যাবলয়েডের বিরুদ্ধে খুণ ও ঘৃণা ছড়ানোর সুনির্দিষ্টভাবে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।</p>
<p>যেন নিয়ম অনুসারে একটি ঘৃণা হতে আরেকটি ঘৃণার উৎপত্তি হয়েছে। যদি আপনি ইরাভুন্কের প্রবন্ধ পাঠ করেন তা হলে আবিষ্কার করবেন তারা কেবল সমকামীদের প্রতি ঘৃণা বর্ষণ করছে না, তারা একই সাথে বর্ণবাদী। যারা একটু ভিন্ন প্রকৃতির, এই পত্রিকাটি তাদের সবার প্রতি পুরোমাত্রায় ঘৃণা বর্ষণ করছে।[&#8230;]</p></blockquote>
<p>এক সপ্তাহ পরে এই ধরনের উদ্বেগ কারো বিবেচনায় বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে, একই ব্লগ রিপোর্ট করেছে <a href="http://gayarmenia.blogspot.com/2009/08/terrorist-like-threat-to-armenian.html">তারা আসলে খুবই বাস্তববাদী</a>। </p>
<blockquote><p>আর্মেনিয়ার একদল উগ্র জাতীয়তাবাদী যারা রাশিয়া ও অন্য দেশের নব্য নাৎসীদের হুবহু অনুকরণ করে, তারা নিজেরা একটি প্রতিষ্ঠানের নিচে একত্রিত হয়েছে, যার নাম হাইরেনিক মুভমেন্ট (মাতৃভূমি আন্দোলন)। তারা তাদের ওয়েবসাইটে এক লেখা পোস্ট করেছে, যেখানে তারা আর্মেনিয়ার লেখক, যিনি ডোরি এন নামে লেখেন, তাকে মৃত্যুর হুমকি দিয়েছে। ডোরি এন দেশটির রাজধানী ইয়ারভেনে বাস করা এক পুরস্কার প্রাপ্ত লেখক, যিনি পুরুষ সমকামীতার উপর ভিত্তি করে ছোট গল্প লিখেছিলেন। [&#8230;] </p>
<p>তারা আর্মেনিয় সরকারকে এক চরমপত্র দিয়েছে এক মেসেজের মাধ্যমে: হয় ডোরি এনকে বৈধ ভাবে চুপ করাও, নতুবা আমরা আমাদের নিজস্ব উপায় ও পদ্ধতিতে তাকে চুপ করাব। এই মেসেজের সঙ্গে সন্ত্রাসী গ্রুপ আল কায়দার মতো একটা ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে অথবা দুর্বল ভাবে তাদের হুবহু নকল করেছে। </p>
<p>[…]</p>
<p>দেশের বাইরের শত্রুদের সাথে লড়াইয়ে কোন ‘ফলাফল” আনতে না পেরে এবং সকল ফ্রন্টে ব্যর্থ হয়ে, এই উগ্র জাতীয়তাবাদীরা দেশের ভেতরে শত্রু সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে তাদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকে থাকে।</p>
<p>এটা ব্যক্তির জীবন ও বাক স্বাধীনতার উপর সরাসরি হুমকি। আর্মেনিয়ার সংবিধান মৌলিক মানবাধিকারের রক্ষক। আর্মেনিয় সরকার এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করা এই ধরনের চরমপত্র এক সন্ত্রাসবাদী কাজ এবং আর্মেনিয় সরকারে অবশ্যই সামনে এই ঘটনার আরো তদন্ত করতে হবে।</p></blockquote>
<p>দেখে মনে হচ্ছে এই ধরনের ব্লগারদের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ আদৌ শুনেছে কিনা। তবে, সমকামীতা ভীতি আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যেন দেরি না হয়ে যায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/27/5535/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ক্যারিবিয়ান: বার্লিনে স্বর্ণ অভিযান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/25/5456/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/25/5456/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 25 Aug 2009 18:56:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রিনিদাদ ও টোবাগো]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[বার্বাডোজ]]></category>
		<category><![CDATA[বার্মুডা]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্ট ভিনসেন্ট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5456</guid>
		<description><![CDATA[যদি কারো মনে কোন সন্দেহ থাকে যে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jamaica">জ্যামাইকা</a> হয়তো নিজেকে<a href="http://www.theaustralian.news.com.au/story/0,25197,25963265-2722,00.html"> বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী মানুষটির</a> দেশ বলে নিজেকে দাবি করতে পারে, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Usain_Bolt">উসাইন বোল্টের</a> বিস্ময়কর <a href="http://zephyrbaby.blogspot.com/2009/08/bolt-breaks-200m-record.html">১৯.১৯ মিনিট সময় নিয়ে জয়ের</a> মাধ্যমে বার্লিনে অনুষ্ঠিত <a href="http://www.berlin2009.org/1-1-home.html">অআইএএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ ইন এ্যাথলেটিক</a> ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গতকালের ২০০ মিটার দৌড়ের চূড়ান্ত ফলাফল অনেকটা প্রত্যাশিত <a href="http://www.sltrib.com/Sports/ci_13172021">যা বার্লিনের সকল সংশয় দুর করেছে</a>। আরো একবার আঞ্চলিক ব্লগাররা তাদের জ্যামাইকান প্রতিপক্ষের সাথে উৎসবে মেতে উঠেছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/janine-mendes-franco/">জ্যানিনে মেন্ডেজ-ফ্রাঙ্কো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/21/caribbean-gold-rush-in-berlin/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যদি কারো মনে কোন সন্দেহ থাকে যে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jamaica">জ্যামাইকা</a> হয়তো নিজেকে<a href="http://www.theaustralian.news.com.au/story/0,25197,25963265-2722,00.html"> বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী মানুষটির</a> দেশ বলে নিজেকে দাবি করতে পারে, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Usain_Bolt">উসাইন বোল্টের</a> বিস্ময়কর <a href="http://zephyrbaby.blogspot.com/2009/08/bolt-breaks-200m-record.html">১৯.১৯ মিনিট সময় নিয়ে জয়ের</a> মাধ্যমে বার্লিনে অনুষ্ঠিত <a href="http://www.berlin2009.org/1-1-home.html">অআইএএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ ইন এ্যাথলেটিক</a> ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গতকালের ২০০ মিটার দৌড়ের চূড়ান্ত ফলাফল অনেকটা প্রত্যাশিত<a href="http://www.sltrib.com/Sports/ci_13172021">যা সকল সংশয় দুর করেছে</a>। আরো একবার আঞ্চলিক ব্লগাররা তাদের জ্যামাইকান প্রতিপক্ষের সাথে উৎসবে মেতে উঠেছে। </p>
<p><a href="http://www.trinidadandtobagonews.com/blog/?p=1396"><em>ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো নিউজ ব্লগ</em></a> এই প্রতিযোগীকে, অন্যান্য প্রতিযোগীদের মাঝে “অসাধারণ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন&#8221; বলে উল্লেখ করেছেন, সেখানে তার স্বদেশী <a href="http://islandista.wordpress.com/2009/08/20/golden-glory-for-the-caribbean/"><em>আইসল্যান্ডিস্তা </em></a>বুঝে উঠতে পারছে না কোন খান থেকে সে শুরু করবে। </p>
<blockquote><p>ওহ! কি এক দিন হে আইসল্যান্ডিস্তা!</p>
<p>বার্লিনে আজকের দিনে আমরা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছি, নয় কি?</p>
<p>কোথা থেকে শুরু করবো আমরা?</p>
<p>স্বর্ণবালিকা এবং বর্তমান অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন আইসল্যান্ডিস্তা বা দ্বীপ বাসি মেলেনি ওয়াকারের উত্তেজনাকর ৪০০ মিটার হার্ডলস-এ স্বর্ণ জয়।?</p>
<p>অথবা উসাইন বোল্টের চোয়াল বদ্ধ জয়, যা ‘স্বাভাবিক কোন কাজ নয়’ - চূড়ান্ত পর্বে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ১৯.১৯ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড়।</p></blockquote>
<p>সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড দি গ্রানাডাইন থেকে <a href="http://hairoun.blogspot.com/2009/08/1919.html">এবেনি</a> পরিকল্পনা করেছিল “আল মাগরাহিকে নিয়ে লিখবে। প্যান এম ১০৩ বিমানে বোমা বিস্ফোরণের জন্য তাকে দায়ী করা হয়। এটি ছিল উসাইন বোল্টের ১৯.১৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে বার্লিনে ২০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণ জয় করার আগের ঘটনা।“ ভদ্রমহিলা বলে চলেছেন:</p>
<blockquote><p>উসাইন বোল্টের অনেক আগে বার্লিন জেসি ওয়েন্সের চমৎকারিত্ব দেখেছিল, যে কিনা হিটলারের আর্য জাতির শ্রেষ্ঠত্বের ধারণায় আঘাত হানে। এবার বোল্ট সমগ্র ক্রীড়া বিশ্বকে তার দুর্দান্ত প্রতিভা দিয়ে বিস্মিত করছে। </p>
<p>আমি এখনো আমার মনকে মুড়ে তর পায়ের কাছে রেখেছি।</p></blockquote>
<p>বেশ কৌতুহলজনক ভাবে <a href="http://www.youtube.com/">ইউটিউব </a>ভিডিওর একটা <a href="http://www.youtube.com/watch?v=9xUS30-RFf0">লিঙ্ক</a> রয়েছে- একটা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Internet_meme"> মেমে </a> বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়ানো কার্যক্রমের অংশ রয়েছে, যেখানে সাবটাইটেল বা ভাষান্তর সহ চলচ্চিত্রের কিছু অংশ যোগ করা হয়েছে। সেখানে সব ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে, যার মধ্যে আছে হিটলারের এক কাল্পনিক সাক্ষাৎকার। এখানে উসাইন বোল্টের ১০০ মিটার দৌড়ে পুরাতন বিশ্ব রেকর্ড ভাঙ্গা উপলক্ষ‌ে তিনি তার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। এই ভিডিও অঞ্চলের সব জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইমেইল ও সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, যেমন <a href="http://www.facebook.com/">ফেসবুকের </a>মাধ্যমে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বেশীর ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ও ক্রীড়ামোদী এই ছোট্ট ব্যঙ্গ নকশায় প্রচণ্ড আমোদ পেয়েছেন। কিন্তু <strong>একটা নোট রয়েছে: এই ভিডিও-তে প্রাপ্ত বয়স্কদের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি ছোটদের উপযোগী নয়।</strong></p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/9xUS30-RFf0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/9xUS30-RFf0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>কিন্তু বোল্ট একমাত্র ক্যারিবীয় ক্রীড়াবিদ নয় যার অসাধারণ ফলাফল তাত্ত্বিক ভাবে হিটলারকে আহত করেছে। <a href="http://www.google.com/hostednews/afp/article/ALeqM5jo1gBNRT1615aqyHeg-Ic3SQ5vgg">রায়ান ব্রাথওয়েট বিশ্বচ্যাম্পিয়ানশীপে বার্বাডোজকে প্রথম সোনার পদক এনে দেন</a>। তিনি পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলসে ১৩.১৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ পদক জয় করেন। বার্মুডায় বাস করা এক বার্বডোজবাসীর ব্লগ <a href="http://beachlimegibbo.blogspot.com/2009/08/proud-to-be-bajan.html"><em>বিচলাইম.কম</em></a>। তিনি বলেছেন, একজন বাজান (বার্বাডোসবাসীর ডাকনাম) হিসেবে তিনি গর্বিত এবং “বিমসায়ারের সকল বাসিন্দাদের তার অভিনন্দন” পাঠিয়ে দিয়েছেন। প্রবাসী ব্লগার <a href="http://jdidthoughts.blogspot.com/2009/08/ryan-brathwaite.html">জাডিড</a> যোগ করেছেন</p>
<blockquote><p>মি: বোল্টের ২০০ মিটার দৌড়ের ১৯.১৯ সেকেন্ড এক দারুণ ঘটনা, কিন্তু বাজান রায়ান ব্রাথওয়েটকে সমর্থন করুন তার ১১০ মিটার হার্ডলসে স্বর্ণ জয়ের জন্য। ওয়ার্ল্ড গেমসে এটি বার্বডোজের প্রথম স্বর্ণ জয়।</p></blockquote>
<p><a href="http://bajan.wordpress.com/2009/08/20/ryan-brathwaite-wins-gold-at-world-track-and-field-championships/"><em>বার্বাডোজ আন্ডারগ্রাউন্ডও</em></a> এর মূল্যায়ন করেছেন:</p>
<blockquote><p>সিডনি অলিম্পিকে ওবাডেলে থমসনের ব্রোঞ্জ জয় করা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Obadele_Thompson">ফলাফলের</a> পর বার্বাডোজ উৎসব করার এক কারণ খুঁজে পেল, বিশ্বের মঞ্চে আমাদের ক্রীড়াবিদদের নৈপুণ্যের কারণে। সেদিন সন্ধ্যায় ১১০ মিটার হার্ডলসে ব্রাথওয়েটের স্বর্ণ <a href="http://berlin.iaaf.org/live/live.html#1_M_110H_R_f">জয়</a> করা <a href="http://berlin.iaaf.org/news/kind=112/newsid=53690.html">দক্ষতা</a>, বার্বাডোজের ক্রীড়াবিদের কোন ভালো ফলাফল না করার ফলে  যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল তা পুরণ করেছে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল বার্বাডোজবাসীদের ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের জন্য যে ক্ষুধা, তার কিছুটা পুরণ করে আমাদের ক্রীড়ামোদী জাতির জন্য।</p>
<p>ব্রাথওয়েটের সাফল্যে অন্য ক্ষেত্রেও সুবিধা বয়ে আনবে, পর্যটন ও আন্তর্জাতিক সেবা ব্যবস্থাপনায় দেশটির আস্থা তৈরি হবে। বার্বাডোজ নামটির প্রতি শ্রদ্ধা বাড়তেই থাকবে।</p></blockquote>
<p><a href="http://cheese-on-bread.blogspot.com/2009/08/ryan-brathwaite-takes-gold-in-berlin.html"><em>চীজ-অন-ব্রেড</em></a> ব্লগের ভদ্রমহিলা তার অভিনন্দন বার্তা জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>নীল, হলুদ এবং কালো, এদের তুলে ধর! চীজ-অন-ব্রেড তোমাকে অভিবাদন জানাচ্ছে, বাজান রায়ান ব্রাথওয়েট, ১১০ মি হার্ডলসের দৌড়বিদ&#8230; তোমাকে অভিনন্দন, রায়ান। এর জন্য তুমি কঠোর পরিশ্রম করেছ, বালক। ভালো কাজ করেছ।</p>
<p>এবং উসাইন বোল্ট তার জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে, যেমন আজকে সে জিতেছে, তার নিজের গড়া রেকর্ডকে অতিক্রম করে। তার দৌড়ের সময় ১৯.১৯ সেকেন্ডে নিয়ে এসেছে। উহুলস( উল্লাস আনন্দ)। বোল্ট, নিজেকে এ ভাবেই অতিক্রম করে যাও।</p></blockquote>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Tobago">টোবাগো</a>, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Trinidad">ত্রিনিদাদের</a> এক সংলগ্ন ক্ষুদ্র দ্বীপ যা অনেকটা তার বোনের মতো, তারাও বিশ্বচ্যাম্পিয়ানশীপে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। <a href="http://www.ttgapers.com/News/2009/8/21/tobagonian-josanne-lucas-claims-400m-hurdles-bronze/">জোসান্নে লুকাস ৪০০ মিটার হার্ডলসে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে</a>। <a href="http://www.ttgapers.com/News/2009/8/21/tobagonian-josanne-lucas-claims-400m-hurdles-bronze/"><em>টিটিগ্যাপারস.কম</em></a> এই ফলাফলের বিশেষত্ব ব্যাখ্যা করেছে:        </p>
<blockquote><p>টোবাগো ল্যাশ প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ যে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর হয়ে কোন বিশ্ব খেতাবী দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম পদক জিতল।</p></blockquote>
<p>তার স্বদেশী টিএন্ডটি (ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো) এর ব্লগার <a href="http://islandista.wordpress.com/2009/08/20/golden-glory-for-the-caribbean/"><em>আইসল্যান্ডিস্তা</em></a> যে সুখ আনন্দ এই অঞ্চলের ব্লগার অনুভব করছে তার সংক্ষিপ্ত সার করছে।</p>
<blockquote><p>এরকম সমৃদ্ধ খেলোয়াড়দের আবির্ভাব এখানে ঘটেছে। আজকের রাতে ক্যারিবিয়ানদের এত গুলো পদক জয়ে আমরা পচে গেছি! </p>
<p>বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপের এই ছোট্ট অঞ্চলের জন্য এটা একটা বড়, অনেক বড় একটা দিন।</p>
<p>অনেক বছর ধরে আমরা কেবল তাদের দেখেছি, যারা এখানে জন্মায় এবং অন্য দেশের পতাকার নিচে দৌড়ায়&#8230; আমরা দেখেছি বড় বড় দেশের বড় মাপের খেলোয়াড়রা এক বিস্ময়কর সময় নিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করে, এক সন্দেহের বাতাবরণে, যা আমাদের কাছে এক নিশ্চিত বাস্তবতা বলে মনে হত, কিন্তু শক্তিশালী জাতির লোকেরা তা মনে করে না, যারা তাদের সাহায্য করত।</p>
<p>কিন্তু এখন&#8230; খেলার মাঠ অনেকটাই সমান হয়ে গেছে।</p>
<p>এবং আমি মনে করি আমরা যে ভাবে অনুভব করি সকল ক্যারিবিয়ান সে ভাবেই অনুভব করে।</p>
<p>এখনই সময় !!!!!</p></blockquote>
<div class="post-footer"><em>এখানে যে &#8220;<a href="http://www.flickr.com/photos/tao_zhyn/442965594/">পট অফ গোল্ড&#8221;</a> নামের যে থাম্বনেইল ছবি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি তাও জেহইন-এর, এবং <a href="http://creativecommons.org/licenses/by/2.0/deed.en">ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর অধীনে তা ব্যবহার করা হয়েছে</a>। <a href="http://www.flickr.com/photos/tao_zhyn/">তাও জেহইন এর ফ্লিকার ফটোস্ট্রীম দেখুন</a></em>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/25/5456/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
