<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; পরিবেশ</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/environment/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: কৃষাণীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:45:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7585</guid>
		<description><![CDATA[ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে থাকা সত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে তারা সেগুলোর নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/belen-bogado/">বেলেন বোগাডো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/india-women-farmers-stand-against-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><strong>ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে অবস্থান করা সত্ত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে, তারা সেগুলো নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।</strong></p>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে ভারতে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে- সেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক ও ভারতীয় নারীরা এর ফলে সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। যেমন, <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/human-impact/change-in-climate-results-to-prolonged-droughts-in-anantpur/">কৃষকদের উপর খরার মারাত্মক প্রভাব</a> এবং শিশু ও নারীদের উপর তার যে সরাসরি প্রভাব পড়ছে <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/latest-from-the-blog/">অক্সফাম ইন্ডিয়া ব্লগ</a> সে সম্বন্ধে মন্তব্য করছে। </p>
<blockquote><p>গত ১২ বছর ধরে, ভারতে বছরে গড়ে প্রায় ৫০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যাকারীদের দশভাগের এক ভাগই কৃষাণী। (&#8230;) প্রতি বছর দেশটির বিপুল সংখ্যক কৃষক খাবারের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। এবং পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যখন শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণে নারী ও শিশু পাচার শুরু হয়।</p></blockquote>
<p><strong>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে লিঙ্গ একটি বিষয়</strong>:</p>
<p><a href="http://www.thp.org/system/files/Factsheet+on+Women+Farmers+and+Food+Security.pdf">সারা বিশ্বে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়, তার শতকরা ৫০ শতাংশ নারীরা উৎপাদন করে</a>। <a href="http://womensearthalliance.blogspot.com/">ভারতে শতকরা ৮৪ শতাংশ নারী কৃষিকাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত</a> এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, নারীরা তার সবচেয়ে বড় শিকার। এছাড়া লিঙ্গীয় বৈষম্য, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে নারীদের খানিকটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ব্লগার প্রিসিল্লা স্টাকি একজন পিএইচডিধারী গবেষক। তিনি তার ব্লগ <em>দিস লাইভলি আর্থে</em> নির্দেশ করেন, <a href="http://thislivelyearth.com/2009/10/15/women-farmin-and-climate-change/">পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>নারীর প্রতি বৈষম্য, পরিবেশ পরিবর্তনে মেয়েদের অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ভারতের নারীরা বের করেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের শস্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে এসেছে এবং একই কারণে শস্যের গুণগত মান হারিয়ে যাচ্ছে। শস্যের মান খারাপ হয়ে আসা ও নারীদের প্রতি  বৈষম্যের কারণে মেয়েদের স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।</p></blockquote>
<p>কৃষাণী সিতা দেবী এই এ রকম এক ঘটনার উদাহরণ। তার ভাষ্য মতে, “যখন চাষের সময় বৃষ্টি হয় না, তখন মেয়েদের জমিতে শস্য জন্মানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সে সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির জোগান ঘটে না, কারণ পরিবারে মেয়েরা সবার শেষে খাবার খেতে বসে। এর ফলে মেয়েদের অনেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে”। তিনি ব্লগ <em>ফাইন্ড ইয়োর ফিটে</em> পোস্ট করা এই <a href="http://findyourfeet.wordpress.com/2009/10/15/voices-of-rural-women-on-climate-change/">ভিডিওতে</a> এ কথাগুলো বলেন। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><strong>মেয়েরা যখন লড়াই করা শুরু করে</strong>:</p>
<p>ভারতীয় নারীরা কেবল পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুরু করে দিয়েছে। যা ভিডিওর দ্বিতীয় অংশটি দেখা যাচ্ছে। নারীরা বেশ কিছু উদ্ভাবক কৌশল আবিষ্কার করেছে, যাতে তারা বিশ্বের উষ্ণতা বাড়া দুর করতে পারে এবং নিজেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। </p>
<p>ইন্টার প্রেস সার্ভিসের এই প্রবন্ধটি সে সমস্ত তথ্য জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.envirovaluation.org/index.php/2009/11/02/greenhouse-gas-mitigation-issues-for-indian-agriculture">ভারতে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের</a> ক্ষেত্রে কৃষি শতকরা ২০ শতাংশ পরিমাণ দায়ী। ধান ক্ষেত ও গবাদি পশুর মল থেকে তৈরি হওয়া মিথেন গ্যাস এবং সার থেকে তৈরি হওয়া নাইট্রাস অক্সাইড মূলত: পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘের আন্ত:সরকার নিয়োজিত পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির (আইপিসিসি) ২০০৭ সালে প্রণীত এক তথ্যে এ কথা জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে বৃষ্টিপাতের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত আগের চেয়ে কম ঘটে, যা চাষের ক্ষেত্রে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।</p></blockquote>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নারীরা যে সক্রিয় ভাবে লড়ছে, <a href="http://www.ipsnews.org/news.asp?idnews=46131">তার অন্য এক উদাহরণ হল বিদাকান্নে গ্রামের নারীরা</a>। সেখানে মেয়েরা শস্য যেমন  তিসি, ছোলা এবং মটরশুঁটি, গম এবং অন্য শিম জাতীয় শস্য উৎপন্ন করছে। সূর্যমুখী চাষের মাঝামাঝি সময়ে তারা এসব চাষ করছে এবং কোন বাড়তি পানি ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা ছাড়াই তারা চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন তারা চাষের জন্য জমিতে কোন রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করছে না। </p>
<p>এই ধরনের চাষ পদ্ধতি দলিত রমণী অথবা স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য খুবই সহায়ক। দলিতরা ভারতীয় বর্ণপ্রথায় সবচেয়ে নীচু শ্রেণীতে অবস্থান করে। একই পদ্ধতিতে মেডাক জেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের নারীরা এক হয়ে শস্য বিক্রি করছে। একই সাথে তারা গরিব পরিবারগুলোর জন্য উদ্বৃত্ত খাবার জোগাড় করছে। এর বাইরে তারা পরিবেশ দূষিত করে এমন উপাদান এবং ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার করার পরিমাণ কমিয়ে আনছে।  </p>
<p>এইসব কাজে মেয়েদের নেতৃত্ব প্রদান ও তাদের এই প্রচেষ্টা অনলাইনের সম্প্রদায়ের নজর এড়ায়নি। <em>শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য </em><a href="http://www.indiatogether.org/2009/mar/agr-ddsfood.htm"><em>ইনডিয়া টুগেদার</em></a>-এ মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আপনার প্রবন্ধের জন্য ধন্যবাদ, সেখানে আপনি নারীদের কাজগুলো তুলে ধরেছেন। তারা যে পরিবেশ পরিবর্তন রোধে সারা পৃথিবীর জন্য এক আদর্শ (&#8230;) তা উপস্থাপন করেছেন। খাদ্যশস্য মানুষের মৌলিক এক অধিকার, তা কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়। খাদ্যশস্য মানুষের জাতীয় পণ্য, ধরিত্রীমাতা খাদ্যশস্যকে লাভের টাকা বের করার বিষয় মনে করে না। খাদ্যশস্যের উপর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাভের হিসেব, পৃথিবীকে আরো বেশি খাদ্য সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। আপনার মাধ্যমে আমি সেই সমস্ত নারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি, যাদের কাজ পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং কৃষক পরিবারের উপর কোন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করছে না। তারা প্রমাণ করেছে যে এ ভাবেও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন লাভজনক ও টেকসই করা যায় এবং এ ভাবে চাষের মধ্য দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীন: খরা আর থ্রি গর্জেস বাঁধ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 20 Nov 2009 13:14:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7573</guid>
		<description><![CDATA[এই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে, বিশ্বের সব থেকে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চীনের তিন গিরিসংকট (থ্রি গর্জেস) বাঁধের সংরক্ষণাগারের উচ্চতা ১৭৫ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অক্টোবরে, হুনান আর জিয়াংজি প্রদেশে ভয়ঙ্কর খরা হয়েছে বিশেষ করে ইয়াংজি নদীর মধ্য আর নিম্ন অঞ্চলে। খরা আর এই বাঁধের মধ্যে কি কোন সম্পর্ক আছে?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/andy-yee/">অ্যান্ডি ই</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/china-drought-and-the-three-gorges-dam/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এই বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বিশ্বের সব থেকে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চীনের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Three_Gorges_Dam">তিন গিরিসংকট (থ্রি গর্জেস) বাঁধের</a> সংরক্ষণাগারের উচ্চতা ১৭৫ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। অক্টোবরে, হুনান আর জিয়াংজি প্রদেশে ভয়ঙ্কর খরা কবলিত হয়েছে বিশেষ করে ইয়াংজি নদীর মধ্য আর নিম্ন অঞ্চলে। গত ২৫শে অক্টোবরে, চীনের থ্রি গর্জেস কর্পোরেশন <a href="http://news.xinhuanet.com/english/2009-10/25/content_12321388.htm">তর্ক করেছেন যে</a> খরা আর তাদের প্রকল্পের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই:</p>
<blockquote><p>ইয়াংজি নদীর পানি সম্পদ কমিটির প্রধান প্রকৌশলী জেং সোরেন বলেছেন যারা হুনান আর জিয়াংজির খরার জন্য পুরোপুরি থ্রি গর্জেস প্রকল্পকে দোষারোপ করছেন তারা শুধুমাত্র আংশিক চিত্র দেখছেন। “হুনান আর ইয়াংজির খরার প্রধান কারণ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার উচ্চ তাপমাত্রার সাথে এই অঞ্চলে বৃষ্টির অভাব,” জেং বলেছেন, যিনি চীনা প্রকৌশল একাডেমির একজন শিক্ষক।</p></blockquote>
<p>একই দিনে, বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার মাত্রা বাড়ানো হয় নীচের দিকের খরা কমানোর জন্য। ২৮ অক্টোবরে, চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন <a href="http://news.xinhuanet.com/video/2009-10/28/content_12346738.htm">সিসিটিভি জানিয়েছে</a> যে পানি ছাড়ার মাত্রা আরো বাড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছেন যে সংরক্ষণাগারের লক্ষ্যমাত্রা ১৭৫ মিটারের এই বছরে পৌঁছানো যাবে না, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছেন যে থ্রি গর্জেস প্রকল্পের জন্য খরা হচ্ছে না।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Three-Gorges.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Three-Gorges.jpg" title="থ্রি গর্জেস" class="alignnone" width="383" height="257" /></a></p>
<p>স্বনামধন্য চীনা সাংবাদিক কিয়ান গাং (钱钢) ও এই বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন। <a href="http://www.1bao.org/?p=1052">১বাও সাইটে</a> ২ নভেম্বরের এক পোস্টে তিনি বলেছেন:</p>
<blockquote><p>旱灾通常由气候变化引致。今年夏秋，包括广东在内的诸多省份少雨干旱。但长江流域广大地区今次大旱情，却与三峡有关。据报道，三峡水库水位由9月15日的近148米上升到10月24日的170米，截留之水形成前所未有的巨大人工湖。</p></blockquote>
<div class="translation">খরা সাধারণত: জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে হয়ে থাকে। গুয়াংডং সহ কয়েকটা রাজ্য এই গ্রীষ্ম আর হেমন্তে খরার মধ্যে পড়েছে। কিন্তু ইয়াংজি নদীর ধারের বিশাল এলাকার খরা থ্রি গর্জেস প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত। রিপোর্ট অনুসারে, থ্রি গর্জেস সংরক্ষণাগারের পানির উচ্চতা ১৫ সেপ্টেম্বরের ১৪৮ মিটার থেকে ২৪ অক্টোবর ১৭০ মিটার বেড়েছে। এর ফলে লোকচক্ষুর আড়ালে একটা বিশাল নকল লেক তৈরি হয়েছে।</div>
<blockquote><p>而与此同时，湖南各条长江支流水位迅速下降，洞庭湖水位降至60年来同期最低值。渔民无鱼可捕，枯水影响航运，长沙等城市食水供应告急。江西境内的4条大河逼近或低于历史同期最低水位。鄱阳湖比正常年份提前40天进入枯水期。</p></blockquote>
<div class="translation">একই সময়ে, হুনান প্রদেশের বেশ কয়েকটা নদীর পানির লেভেল দ্রুত কমে গেছে। ৬০ বছরের মধ্যে দোংটিং লেকের পানির উচ্চতা সব থেকে নীচে নেমেছে। জেলে আর নদীর যান চলাচল খারাপ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাংশার মতো শহর পানির সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। জাংজি জেলার চারটি মূল নদীর পানির লেভেল ইতিহাসের সর্বনিন্ম পর্যায়ে এসেছে। পোয়াং লেক গতানুগতিক সময়ের থেকে ৪০ দিন আগে শুকিয়ে গেছে।</div>
<p>তিনি কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন:</p>
<blockquote><p>长江水利委员会的专家把华中干旱的原因归咎于天气，称三峡蓄水是为了抗旱，蓄至高水位，才能在来年苦水季给下游补水。</p></blockquote>
<div class="translation">ইয়াঙ্গজী নদী সম্পদ কমিটি জলবায়ুর উপরে দোষ দিচ্ছেন। কমিটি বলছে থ্রি গর্জেস প্রকল্প খরা রোধে সামনের বছরে ব্যবহৃত হবে। অনেক পানি সংরক্ষণের মাধ্যমেই সামনের বছরের খরার সময়ে পানি সরবরাহ করার লক্ষ্য পুরণ করা যাবে।</div>
<blockquote><p>这是对公众极不负责的态度，好比一个人先劫掠，再施舍，然后以扶困救难的善士自居。请不要再欺骗老百姓，请解释：明知夏秋之际中国中部、南部少雨干旱，为什么还启动风险如此巨大的三峡蓄水计划？</p></blockquote>
<div class="translation">এটা দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার। এটা প্রথমে কার কাছ থেকে চুরি করে, তারপরে তাকে নিজের দানশীলতা দেখানো। দয়া করে নাগরিকদের কাছে আর মিথ্যা বলবেন না। দয়া করে ব্যাখ্যা করেন: গ্রীষ্ম-হেমন্ত মধ্য চীনের জন্য শুকনো মৌসুম হবে এটা জেনে কেন এই বিপদজনক পরিকল্পনা নিয়ে এগুনো?</div>
<blockquote><p>为什么在今秋急急上马175米高程蓄水？有关部门宣称“将兼顾上、下游需求，正确处理防洪、发电、航运和供水之间的关系”，但一个月来长江中下游航运淤滞、供水告急的事实，证明这完全是一句假话。能源部门这个央企巨无霸，真正追求的东西只有一个——钱。</p></blockquote>
<div class="translation">কেন হঠাৎ চিন্তা করা হল ১৭৫মিটার উচ্চতায় পানি সংরক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের? কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন যে এটা ‘বন্যা থেকে নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পানির যানবাহন আর পানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু গত মাসের জান জট আর খরা এই দাবীকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অধিদপ্তর - বিশাল রাষ্ট্রায়ত্ত এক ফার্ম, একটি জিনিষের পেছনেই আছে: তা হচ্ছে অর্থ।</div>
<p>হংকং এর <a href="http://www1.hk.apple.nextmedia.com/template/apple/art_main.php?iss_id=20091103&#038;sec_id=4104&#038;art_id=13379470">অ্যাপল ডেইলির একটা মন্তব্যের</a> প্রতিধ্বনি যেন এটি:</p>
<blockquote><p>區內雨量大幅減少確實是洞庭、鄱陽兩湖乾涸的主要原因。但兩湖水位急降，跟三峽工程也有關係。三峽水庫九月中啟動一百七十五米蓄水計劃後，長江中下游開始水位急降，本來儲存長江來水的洞庭及鄱陽，倒過來向長江輸水。</p></blockquote>
<div class="translation">লেক ডংটিং আর পোয়াং এ পানির উচ্চতি নাটকীয়ভাবে নেমে যাওয়ার অবশ্যই একটা কারণ হল বৃষ্টি কমে যাওয়া। কিন্তু এর সাথে থ্রি গর্জেস প্রকল্পের সম্পর্ক ও আছে। সেপ্টেম্বর থেকে পানি সংরক্ষণ প্রকল্পের পর থেকে, ইয়াঞ্জজীর নীচের দিকের পানি কমতে শুরু করেছে দ্রুত। ডংটিং আর পোয়াং, যারা আগে পানি সংরক্ষণাগার হিসেবে কাজ করছিল, এখন ইয়াঞ্জজীর পানি সরবরাহের জায়গায় পরিণত হয়েছে।</div>
<blockquote><p>巨大的三峽水庫本可調節長江水量：雨季時截住洪水…枯水時增加排水量…可惜，這幅理想圖像與現實的利益存在衝突，很難實現，因為三峽工程已成為利益集團的禁臠和生財工具。</p></blockquote>
<div class="translation">বিশাল থ্রি গর্জেস প্রকল্প পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা যায়: বর্ষা মউসুমে পানি থামিয়ে খরার সময়ে সরবরাহ করা&#8230; দুর্ভাগ্যবশত: এই যথাযথ চিত্র কাজে পরিণত করা যাচ্ছে না, কারণ এই প্রকল্প আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য নেশার বস্তুতে পরিণত হয়েছে। </div>
<p><em>[ছবি www.1bao.org এর সৌজন্যে]</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/20/7573/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মরোক্কো: এই যে সূর্য আসছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 13:05:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7473</guid>
		<description><![CDATA[মরোক্কো নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এক সৌর শক্তি প্রকল্প প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের শক্তি উৎপাদনে পূনর্ব্যবহারকারী শক্তির অংশ বৃদ্ধি করা। বেশীরভাগ ব্লগাররা একে সমর্থন করছেন এবং তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hisham/">হিশাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/05/morocco-here-comes-the-sun/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>মরোক্কো নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এক সৌর শক্তি প্রকল্প প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের শক্তি উৎপাদনে পূনর্ব্যবহারকারী শক্তির অংশ বৃদ্ধি করা। বেশীরভাগ ব্লগাররা একে সমর্থন করছেন এবং তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/I-See-the-Light-225x300.jpg"><img alt="আমি আলো দেখি - ফ্লিকার ব্যবহারকারী এস আই ডেভিডের সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/I-See-the-Light-225x300.jpg" title="আমি আলো দেখি" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">আমি আলো দেখি - ফ্লিকার ব্যবহারকারী এস আই ডেভিডের সৌজন্যে</p></div>
<p>দক্ষিণ মরোক্কোর শহর  উরযাযাতে এক অনুষ্ঠানে এই পরিকল্পনার উন্মোচন করা হয় যেখানে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মাদ আর আমেরিকার স্টেট সেক্রেটারি হিলারি ক্লিন্টন উপস্থিত ছিলেন। <a href="http://www.map.ma/eng/sections/economy/morocco_seeks_to_ach/view">স্থানীয় সংবাদ সংস্থা অনুসারে</a>, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের পুনর্ব্যবহারকৃত শক্তির জাতীয় উৎপাদনকে সৌর, বায়ু আর হাইড্রোইলেক্ট্রিক উৎসের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করা এই পরিকল্পনার লক্ষ্য। একই সূত্র অনুসারে, তত দিনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি দেশের মোট শক্তি উৎপাদনের ৩৮% অবদান রাখবে।</p>
<p><em>ভু দো মারোখ</em> ব্লগের <em>তাহা বালাফ্রেজ</em> <a href="http://www.tahabalafrej.org/green-morocco.html">ব্যাখ্যা করেছেন</a> যে দেশের নতুন এই নীতির পিছনে টিকে থাকা সম্ভব এমন অর্থনৈতিক কোন কারণ থাকবে। তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>Dans le milieu des affaires, un intérêt grandissant est perceptible. Il faut reconnaître que l’effet Obama n’est pas étranger à cette prise de conscience animée par les opportunités économiques qu’elle engendre. Un pays comme le Maroc qui dépend presque entièrement des importations pour son énergie, et dont les ressources en eau se raréfient, a tout intérêt à rejoindre les pays qui y croient et y investissent.</p></blockquote>
<div class="translation">ব্যবসায়ীদের মধ্যে অবশ্যই উৎসাহ আছে। আর এটা বুঝতে হবে যে এর সাথে ‘ওবামার প্রভাব’ কিছুটা আছে, যার পিছনে এটা যে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় সেটাও আছে। মরোক্কোর মতো দেশ, যেটা প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে তার শক্তি জন্য আমদানির উপরে নির্ভর করে, আর যাদের পানি সম্পদ কম, পুরোপুরি ভাবে ইচ্ছুক সেই সব দেশের সাথে একত্র হতে যারা পরিবেশ বান্ধব শক্তিতে বিনিয়োগ করতে চায়।</div>
<p>সরকারী আর বেসরকারী উদ্যোগে নেয়া এই সৌর প্রকল্প আমেরিকার সৌর আর বাষ্প প্রযুক্তি থেকে লাভবান হবে যা মনে হচ্ছে গতানুগতিক বিনিয়োগকারী - বিশেষ করে ফ্রান্সের- থেকে বাজার দখল করতে পেরেছে। <em>দ্যা স্ট্রাটেজিস্ট</em>, যিনি <em>জেনেসিস মরোক্কোতে</em> ব্লগ করেন, এক কথায় <a href="http://genesismorocco.blogspot.com/search/label/Hillary%20Rodham%20Clinton">এটি সমর্থন করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>মনে হচ্ছে ইউরোপীয়রা এটির ব্যাপারে পিছিয়ে গেছে। [আমেরিকার বিনিয়োগকারীদের জন্য] এটি পরিষ্কার বিজয়। আমি পুরোপুরি এর পক্ষে, ইউরোপীয়রা আমেরিকানদের বড়ো মাপের প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করার কৌশল রপ্ত করতে পারবে না&#8230;</p></blockquote>
<p>মরোক্কোর রাজার কাছে দেয়া একটা খোলা চিঠি প্রকাশ করে <em>দ্যা স্ট্রাটেজিস্ট</em> তার উৎসাহ আরো জোরদার ভাবে জানিয়েছেন। <a href="http://genesismorocco.blogspot.com/">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>[Cette technologie pourrait] nous libérer des aléas de la pluviométrie en utilisant l&#39;énergie abondante et renouvelable […], afin de dessaler l&#39;eau de mer et approvisionner outre les besoins de l&#39;industrie et des ménages, un système d&#39;irrigation nationale en appoint, voire en remplacement, de la stratégie des barrages…</p></blockquote>
<div class="translation">[এই প্রযুক্তি পারে] আমাদেরকে বৃষ্টির মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকা থেকে একটি অসীম পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানি থেকে লবন মুক্ত করা এবং বাড়ি আর কলকারখানার বিভিন্ন কাজে শক্তি যোগান দেয়া সম্ভব করতে। আর উত্তরাধুনিক সেচ ব্যবস্থা গতানুগতিক বাধ নির্মাণ কৌশলকে প্রতিস্থাপন করবে&#8230;</div>
<p>বেশীরভাগ মরোক্কোবাসী এই পরিকল্পনা সমর্থন করছেন বলে মনে হলেও, সবাই মুগ্ধ না। <em>জেব্লি</em> অনলাইন (আরবী) সংবাদ জার্নাল <a href="http://www.hespress.com/">হেস্প্রেসের</a> একটি আর্টিকেলে মন্তব্য করার সময়ে এর খরচ অনেক বেশী বলে জানিয়েছেন। তিনি <a href="http://www.hespress.com/?browser=view&#038;EgyxpID=16344">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>[C]e projet solaire va produire 2000Mega Watt/h, pour un cout de 9 milliards de dollars, ce qui est TROP TROP TROP cher.</p>
<p>Une centrale nucléaire, sa construction de bout en bout coute 1,5 milliard de dollars et produit 1000Mega watt/heure.<br />
Ainsi, avec 9 milliards de dollars le Maroc aurait pu créer 6 centrales nucléaires, et aurait produit 6000Mega watt/heure.<br />
Franchement, je ne comprend pas le choix de nos dirigeants, ils choisissent des téchnologies au hasard, sans réflichir, vraiment ils gaspillent l&#39;argent public.</p></blockquote>
<div class="translation">এই সৌর প্রকল্প ২০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করবে ৯ বিলিয়ন ডলার খরচে, যেটা অনেক বেশী ব্যয়বহুল। পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপনে খরচ হত ১.৫ বিলিয়ন ডলার আর তা একেকটি ১০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করত। ৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে মরোক্কো ৬টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপন করতে পারত আর সেগুলো ৬০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করতে পারত। সত্যি সত্যি আমাদের নেতাদের পছন্দ আমি বুঝি না। তারা বাছবিচার ছাড়া প্রযুক্তি পছন্দ করেন, কোন পরিকল্পনা ছাড়া। আসলেই তারা জনগণের অর্থের সাশ্রয় করছেন।</div>
<p>একই পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে <a href="http://www.hespress.com/?browser=view&#038;EgyxpID=16344">হেয় বিন ইয়াকদান</a> এই প্রকল্পে বিদেশী শক্তির স্থানীয় সম্পদ হাতানোর আর একটা চেষ্টা দেখছেন। তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">نرجو أن لا يخصخص هذا المشروع و نصبح في رحمة شركة ما (في الغالب فرنسية).<br />
لمذا انتظر الملك حتى زيارة كلنتون للإفتتاح صحبتها؟ نظرتي نحو هذا المشروع هو تكريس هيمنة الدول المتقدمة “أمريكا” مثلا</div>
</blockquote>
<div class="translation">আমি আশা করি এই প্রকল্পের অংশ খুব বেশী ব্যক্তি মালিকানাধীন হবে না, যাতে আমরা কর্পোরেশনের (বেশীরভাগ ফরাসী) দয়াতে না পড়ি। রাজা কেন ক্লিন্টনের সফরের অপেক্ষায় ছিলেন? এই প্রকল্প সম্পর্কে আমার ধারণা হল এটি উন্নত দেশ যেমন আমেরিকার আধিপত্যের কাছে নতি স্বীকার করে আছে।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভুটান: বিশ্বকে বাঁচানোর কারণ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2009 23:59:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভুটান]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7385</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ভুটান একটি কম পরিবেশন দূষণকারী দেশ। তবে এই দেশটি পরিবেশ দূষণের হুমকির মুখে এর উন্নয়ন এবং জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কারণে। &#8220;পরিবেশ রক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া কি উচিৎ যদি তা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?&#8221; প্রশ্ন করছেন &#8216;অন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/bhutan-the-purpose-of-saving-the-earth/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভুটান একটি কম পরিবেশন দূষণকারী দেশ। তবে এই দেশটি পরিবেশ দূষণের হুমকির মুখে এর উন্নয়ন এবং জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কারণে। &#8220;পরিবেশ রক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া কি উচিৎ যদি তা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?&#8221; প্রশ্ন করছেন <a href="http://dionthejob.blogspot.com/2009/11/purpose-of-environmentalism.html">&#8216;অন দ্যা জব&#39;</a> ব্লগের <em>ডি</em>। তিনি যুক্তি দেখাচ্ছেন: &#8220;মানুষ এবং পরিবেশের মধ্যে বেছে নিতে হলে, মানুষকে অবশ্যই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।&#8221;  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীনের তৈরি কৃত্রিম তুষারপাত</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 06:13:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7352</guid>
		<description><![CDATA[গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে নিউজ মিডিয়া জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/michael-kan/">মাইকেল কান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/china-made-in-china-snow/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত পহেলা নভেম্বর, রবিবারে বেইজিং-এ বরফ পড়ে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম বছরে সবচেয়ে আগে বেইজিং-এ তুষারপাতের ঘটনা ঘটল। এই সময়ে আবহাওয়ার এই ভিন্ন আচরণে পুরো বেইজিং শহর বরফের চাদরে মুড়ে যায়। ঘটনাটি অনেককেই বিস্মিত করে। পরে <a href="http://blogs.wsj.com/chinarealtime/2009/11/02/beijing-snow-man-made-in-china/">নিউজ মিডিয়া </a> জানায় যে তুষারপাতের এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে শহরের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।</p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/china1.jpg" alt="china1" title="china1" width="300" height="225" class="alignnone size-full wp-image-7353" />   </p>
<p>কৃত্রিম ভাবে তুষারপাত ঘটানোর কারণ হচ্ছে বেইজিং-এ এখন খরা চলছে। যে রাতে তুষারপাত হয়, তার কিছুদিন আগে সরকার আকাশে সিলভার আয়োডাইড উৎক্ষেপণ করে। এর ফলে বেইজিং-এর আশেপাশের এলাকায় ১৬ মিলিয়ন টন তুষারপাত ঘটে। </p>
<p>ঝাং কুইয়াং আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমকে বলেন, “যখন বেইজিং লম্বা সময় ধরে খরায় ভুগছে, তখন এই সমস্যা দুর করার জন্য কৃত্রিম যে কোন পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ আমরা হারাতে চাই না”।   </p>
<p>খরার সময় কৃত্রিম ভাবে বৃষ্টি ঝরানোর ইতিহাস চীনের রয়েছে। এর বাইরে, <a href="http://www.chinadaily.com.cn/2009-08/25/content_8616879.htm">অন্য সময়ও</a> আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আকাশ পরিষ্কার রাখার জন্য আকাশে মেঘের পরিমাণ কমিয়ে দেয়, যাতে কম বৃষ্টিপাত ঘটে। এই সমস্ত ঘটনা কোন বিশেষ সময়, যেমন প্রতি বছর অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী অথবা বেইজিং অলিম্পিক গেমসের সময় ঘটানো হয়। আকাশ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।   </p>
<p>গত রবিবারে মনুষ্য সৃষ্টি এই তুষারপাতের ঘটনায় নেটিজেনরা ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রদান করেছে। অনেকে আনন্দের সাথে এই তুষারপাতের সৌন্দর্য্যের কথা তুলে ধরেছে, যেমন ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_4a4232520100fry2.html">鱼干儿 (ইউ গেয়ার</a>।</p>
<blockquote><p>北京的天气，总是这么让人匪夷所思。毫无预兆的就下了场雪，而且还一发不可收拾。听说是人工催下来的，管他呢，我们就爱这样的天气。</p></blockquote>
<div class="translation">বেইজিং-এর আবহাওয়া অবিশ্বাস্য রকমের চমৎকার দেখাচ্ছে। কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই তুষার ঘটতে শুরু করে। এটা এমন এক ধরনের তুষারপাত যা সহজে পরিষ্কার করা যায় না বা একে অপসারণ করা যায় না। আমি শুনেছি এই সমস্ত তুষার মানুষের সৃষ্টি, কিন্তু তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমরা এই ধরনের আবহাওয়া পছন্দ করি।</div>
<p>তবে অনেকে বেশ উদ্বিগ্ন, ব্লগার <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_46012c640100hbo5.html">小米 (জিয়াও মি)</a> লিখেছে</p>
<blockquote><p>回来才听说这是场人工降雪，是谁这么主观的断定这是下雪的好时机呢？？到处都是措手不及的冷，电力、交通、供暖等都遇到很棘手的问题。</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমি শুনলাম এটা মানুষের কাজ, তখন আমার মনে হল কে সেই বান্দা, যার মনে হয়েছে বরফ পরার এটাই উপযুক্ত সময়? সব জায়গায় লোকজন ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়েছে এবং বিদ্যুৎ, যানজট এবং শরীর গরম করা নিয়ে বেশ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।</div>
<p><a href="http://bbs.aigou.com/bbs/post/view/552_85446559_1__1_30.html">ইন্টারনেট ফোরামে</a> একজন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছে যে সরকারের উচিত ছিল এ ব্যাপারে আগে থেকেই লোকদের সতর্ক করে দেওয়া। তিনি এর সাথে যোগ করেন, এই বরফপাতের কারণে কিছু বিমান নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করতে পারে নি।  </p>
<blockquote><p>要我说，这种人定胜天的精神是好的，虽然北 京人都“被冬天”了，如果真能解除北方旱情也算是功德一桩。就是没通知大家的气象局太不地道。</p></blockquote>
<div class="translation">আমার দৃষ্টিতে মানুষ প্রকৃতিকে শাসন করতে পারছে, এমন শক্তি অর্জন করা ভালো, এমনকি যদিও এই কারণে বেইজিং-এর নাগরিকরা “শীতে” আক্রান্ত হয়েছে। তবে যদি তারা সত্যিকার অর্থে খরার কারণে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা হলে বরফ নামানোর উদ্দেশ্য সফল। কিন্তু আবহাওয়া অফিস মানুষদের না জানিয়ে যে কাজটি করেছে, সেটি ঠিক হয় নি।</div>
<p>ইন্টারনেটে পোস্ট করা কয়েকটি লেখায় এই চিন্তা ব্যক্ত করা হয়েছে যে কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট তুষারপাত পরিবেশের উপর কি ধরনের প্রভাব ফেলবে? <a href="http://blog.sina.com.cn/s/blog_496fb25d0100fz70.html">天的云 (তিয়ান বিয়ান দে ইউন)</a> নামের ব্লগার বিস্মিত এ কারণে যে, কারো কি প্রাকৃতিক আবহাওয়াকে বদলে দেবার অধিকার রয়েছে। </p>
<blockquote><p>但是，在我们还不能完全掌握天气变化的规律时，就盲目改变局部的天气，是否会对 整个环境造成更大的不利影响呢？比如，这次因为北京缺水，就让原本要下到山东（假设而已）的雪在北京下了，会不会造成山东更缺水呢？</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমরা না জেনেই আবহাওয়াকে অন্ধ ভাবে পাল্টে দিই, সেটি কি পরিবেশের উপর এক বড় ধরনের ক্ষতি করে না? কৃত্রিম ভাবে এই বরফপাত ঘটানো হয়েছে, কারণ বেইজিং-এ খরা চলছিল। যদি বাস্তবে এই বরফ সানডং-নামক এলাকায় পড়ার কথা থাকে সেক্ষেত্রে সেখানে কি ঘটবে, (ধরা যাক এটা সানডং এ পড়ার কথা) সেক্ষেত্রে এই কৃত্রিম তুষারপাত কি বেইজিং-এর বদলে  সানডং-এ আরো বড় খরার সৃষ্টি করবে না?</div>
<p>বেইজিং এর একজন ব্লগার ও সাংবাদিক অ্যালেক্স পাস্টেরনাক <em>ট্রি হ্যাগার</em> নামক ব্লগে একটি <a href="http://www.treehugger.com/files/2009/11/beijing-government-made-snow-cloud-seeding.php">পোস্টে</a> বিস্তারিত ভাবে লিখেছেন, মানুষের তৈরি এই বরফপাতের প্রভাব কি হতে পারে: </p>
<blockquote><p>সরকারি হিসেবে এই খরা অক্টোবরের শেষে ৮০০,০০০ হেক্টর জমির উপর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং এই তুষার ঝড় স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুসারে করা হয়েছে।  </p>
<p>কিন্তু এই অঞ্চলের সকল কৃষক এই ঘটনায় লাভবান হবে না। আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে অন্য অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরণ পাল্টে যাওয়া। এক বিশেষ এলাকায় শক্তিশালী ঝড় তৈরির কারণে অন্য অঞ্চলের আবহাওয়া পাল্টে যেতে পারে, যাদেরও বৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে।</p></blockquote>
<p>অন্য নেটিজেনরা বরফ নিয়ে মজা করেছে। <em>এলিজাবেথ কেইন</em> তার <a href="http://blog.seattlepi.com/redlantern/archives/183828.asp">ব্লগে </a>লিখেছে:</p>
<blockquote><p>গতকালের তুষারপাত, গত দশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে আগে বরফ পড়ার ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আমি নিশ্চিত যে আমার মা বেইজিং বিমান বন্দরে ৭ ঘন্টা ধরে বসে রয়েছে, কারণ সকল বিমান যাত্রা স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে। তিনি অনিচ্ছাকৃত এই যাত্রাবিরতির কারণে সুখী হবেন।</p></blockquote>
<p>তুষারপাত সম্বন্ধে অন্য এক <a href="http://www.blogged.com/stories/law/beijing-snow-man-made-in-china">মন্তব্যে</a> এক তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ রয়েছে:</p>
<blockquote><p>মার্টিন এম. নভেম্বর ২, ২০০৯, বিকেল ৩.৩০:  চীনে এখন সব কিছু তৈরি হয়, এমনকি বরফও।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7352/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বলিভিয়া: গলে যাওয়া হিমবাহের জন্য পানি সংকট</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 05:49:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বলিভিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7347</guid>
		<description><![CDATA[বলিভিয়ার আন্দেজ পর্বতমালায় হিমবাহ গলে যাওয়া বেশ চিন্তার উদ্রেক করেছে কারণ স্থানীয় অভিবাসী জনগোষ্ঠী সুপেয় পানির জন্যে এগুলোর উপর নির্ভর করে এবং ভবিষ্যৎে পানির সরবরাহ এখন হুমকির সম্মুখীন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/eduardo-avila/">এডুয়ার্ডো আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/bolivia-water-shortages-due-to-melting-glaciers/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chacaltaya">চাকাল্টায়া পর্বতশ্রেণীতে</a> বলিভিয়ার আন্দেজ পর্বতমালার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চূড়া আছে। এই পাহাড়ী দেশে যেহেতু এক সময় স্কি করার এটাই একমাত্র জায়গা ছিল, লা পাজ পৌরঅঞ্চলবাসী আর বিদেশীদের কাছেও এই পাহাড়গুলো বেশ পরিচিত। বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের অংশগ্রহণে এই পাহাড়ে চ্যারিটি ফুটবল খেলাও হয়েছে এটা দেখাতে যে এই খেলা উচুঁ জায়গাতেও খেলা যায়।</p>
<p>তবে চাকাল্টায়া হিমবাহ (গ্লেসিয়ার) দ্রুত আর চিন্তায় ফেলার মতো গতিতে গলে যাচ্ছে। এই হিমবাহ সহ এই এলাকার অন্যান্য গ্লেসিয়ার উপরে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করেছেন হায়ার ইউনিভাসিটি অফ সান আন্দিয়াজের প্রফেসর <em>এডসন রামিরেজ</em>। তিনি বিশ্ব উষ্ণায়ন আর হিমবাহ গলে হয়ে যাওয়ার পিছনে <a href="http://revistavirtual.redesma.org/vol5/articulo6.php?id=c1">সরাসরি সম্পর্ক আছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন</a>।</p>
<p>রামিরেজ আর তার দল কাছে আর একটা হিমবাহ দেখছিলেন যেখানে একই ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে আর স্থানীয় জনগণের উপরে এর প্রভাব সম্পর্কে গবেষণা করছিলেন। <em>তুনি কন্দোরিরি</em> হিমবাহটি দ্রুত গলে যাচ্ছে, যা আলপাইন পর্বত প্রেমীদের হতাশ করেছে, কিন্তু একই সাথে অভিবাসী একটা গোত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যারা তাদের খাওয়ার পানি আর কৃষি কাজের জন্য এর উপরে নির্ভর করে।</p>
<p>হিমবাহ থেকে যে সংগ্রহশালাতে পানি জমে তা এল আল্টো শহর আর <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/americas/6496429.stm">এর বাইরের লা পাজের ৮০% খাওয়ার পানি সরবরাহ করে</a>। সাম্প্রতিক হিসাব অনুসারে, <a href="http://es.wikipedia.org/wiki/El_Alto">এল আল্টোর জনসংখ্যা ৮২৭,০০০ যা প্রতি বছর ৫.১% হারে বাড়ছে</a>। সাংবাদিক আর ব্লগার <a href="http://monioblitas.blogspot.com/2008/06/glaciar-nuestro-tesoro-se-derrite.html"><em>মোনিকা ওব্লিটাস</em> বলেছেন</a> যে জাতীয় গড়ের থেকে এই হার দ্বিগুণের বেশী। বিশেষজ্ঞরা পানির সংকট আর পানির মূল্য বৃদ্ধির ভবিষ্যৎবাণী করছেন, আর কিছু মানুষ ভবিষ্যৎবাণী করছেন যে <a href="http://observadorglobal.com/bolivia-un-futuro-sin-agua-informe-especial-n45.html">পানি শীঘ্র রেশন করা হবে</a>। <a href="http://observadorglobal.com/bolivia-un-futuro-sin-agua-informe-especial-n45.html">অবসার্ভেদর গ্লোবাল (গ্লোবাল অবজার্ভার)</a> এর এক দল এই এলাকায় ভবিষ্যৎে পানির ঘাটতির সম্ভাবনা নিয়ে ৬ অংশের একটা ভিডিও সিরিজ তৈরি করেছে।</p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/El_Alto">বলিভিয়ার এল আল্টো শহরে স্থায়ী হন</a> অভিবাসি আয়মারা গোত্রের লেকেরা, এদের অনেকেই প্রায় দরিদ্র পরিস্থিতিতে। <em>ইন্ডিজিনাস বলিভিয়া</em> ব্লগের ব্লগার <em>ক্রিস্টিনা কুইসবার্ট</em>  অনেক বাসিন্দা খাওয়ার পানি নিয়ে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা <a href="http://boliviaon.blogspot.com/2009/09/our-mountains-melt.html">বর্ণনা করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>অন্যান্য পরিস্থিতি পানি পাওয়াকে কঠিন করে দিচ্ছে। অনেক মানুষ গ্রাম থেকে এল আল্টো শহরে আসেন আর যেখানে পারেন থেকে যান। অর্থের অভাবে তারা এমন জায়গায় থাকে যেখানে না খাওয়ার পানি না পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা আছে। কেউ কেউ তিন মিটার গভীর পর্যন্ত গর্ত খোঁড়ে পানির জন্য। নভেম্বরের দিকে, বৃষ্টির সময় শুরু হয় আর তখন পড়শীরা পানি সংগ্রহ করেন। পরিশেষে পানির অভাব আর দারিদ্রের কারনে অনেক সময় অসুখ ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p>এখানে বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতি আছে। আমার বাড়িতে পানি আছে কিন্তু আমার পড়শির বাড়িতে নেই। এটা ওই পরিবারগুলোর জন্য গুরুতর সমস্যা। আমার ক্ষেত্রে, অন্যান্য পরিবারের সাথে আমি পানি ভাগ করে নেই। বাসিলিও আর জুয়ানার চারটা বাচ্চা আছে। তারা ভাড়াটে। তারা যে বাড়িতে থাকে সেখানে খাওয়ার পানি নেই। যখনই তাদের লাগে তারা একটা পাইপ ব্যবহার করে আমার বাড়ি থেকে পানি সংগ্রহের জন্য আর মাস শেষে পানির বিল আমরা ভাগ করে নেই।</p></blockquote>
<p>তবে, তুনি কোন্দোরিরি হিমবাহ কেবলমাত্র শহরে খাবার পানি সরবরাহ করে না, বরং এল আল্টোতে কৃষিকাজের জন্য মূল্যবান পানিও সরবরাহ করে। যদি জীবন ধারণের নিমিত্ত কৃষিকাজ পানির অভাবে কমে যায়, অনেক গ্রাম্য লোক এল আল্টোতে কাজের সন্ধানে আসবে। সেখানে তারা একই ধরনের পানির সংকটে পড়বে, আর চাহিদা বাড়িয়ে দেবে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://www.flickr.com/photos/350org/3748609135/"><img alt="৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/chacaltaya.jpg" title="৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স থেকে ব্যবহৃত।" width="400" height="268" /></a><p class="wp-caption-text">৩৫০.অর্গ কর্মীরা গত ২৪শে অক্টোবর বলিভিয়ার চাকাল্টায়া হিমবাহে উঠেছিলেন। ছবি ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত।</p></div>
<p>চাকাল্টায়া হিমবাহের উচ্চমানের ভাবমূর্তি স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তাদের আর অন্যান্য কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে বলিভিয়ার জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার দিকে। <a href="http://www.facebook.com/event.php?eid=173999981920&#038;ref=nf">সাম্প্রতিক স্থানীয় একটা অনুষ্ঠান যা ৩৫০.অর্গ প্রচারণার সাথে জড়িত তার বিজ্ঞাপন ফেসবুকে এসেছিল</a>, যেখানে বলিভিয়ানদের আমন্ত্রণ করা হয়েছিল চাকাল্টায়া গ্লেসিয়ারে গিয়ে নিজে এর প্রভাব দেখে আসতে।</p>
<p>পরিশেষে, <a href="http://monioblitas.blogspot.com/2008/06/glaciar-nuestro-tesoro-se-derrite.html">ওব্লিটাস নীচের প্রশ্ন দিয়ে শেষ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>চাকাল্টায়া আশেপাশে নেই আর শীঘ্র, অন্যান্য হিমবাহ আর থাকবে না। দেশ কি এইসব ক্ষতির জন প্রস্তুত? আমরা কি সতর্ক আছি বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর আর দ্রুত কোন পদক্ষেপের জন্য? অনেকের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না আর এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন না নিজেকে। কিন্তু সত্যি সত্যি সকলেই বিপদের সম্মুখীন আর সকলে একই পরিস্থিতিতে এর মুখোমুখি হবেন না। সংগ্রাম চলছে যদিও চাকাল্টায়ার মতো স্থানের জন্য অনেক দেরী হয়ে গেছে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7347/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নেপাল: মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতে মন্ত্রীসভার মিটিং</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 06 Nov 2009 04:40:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7349</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে যে হিমালয় পর্বতমালার উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতের বেজ ক্যাম্পে নেপালী মন্ত্রীসভার একটি মিটিং ডাকা হবে। ইউনাইটেড উই ব্লগ! ফর এ ডেমোক্রেটিক নেপাল এ নিয়ে দেশের ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/04/nepal-a-cabinet-meeting-at-mount-everest/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে যে হিমালয় পর্বতমালার উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করতে মাউন্ট এভারেস্ট পর্বতের বেজ ক্যাম্পে নেপালী মন্ত্রীসভার একটি মিটিং ডাকা হবে। <em>ইউনাইটেড উই ব্লগ! ফর এ ডেমোক্রেটিক নেপাল</em> এ নিয়ে দেশের<a href="http://blog.com.np/2009/11/02/nepal-will-do-on-everest-what-maldives-did-in-water/"> ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেছে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/06/7349/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ওমান: সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্লগার আয়োজিত নাচের অনুষ্ঠান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/26/7116/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/26/7116/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2009 02:55:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7116</guid>
		<description><![CDATA[সোয়াইন ফ্লু এবং এইচ১এন১ ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির অংশ হিসেবে ওমানিদের চলতে থাকা অনলাইন আর অফলাইন প্রচেষ্টার আরেকটি নিদর্শন - ওমানি ব্লগাররা সম্প্রতি একটি রাস্তার শো এর আয়োজন করেন যাতে ছিল নাচের অনুষ্ঠান এবং তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ। একজন ব্লগার ইউটিউবে এর ভিডিও আপলোড করেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/blue_chi/">রিয়াধ আল বালুশি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/11/oman-bloggers-swine-flu-dance-off/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সোয়াইন ফ্লু এবং এইচ১এন১ ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির অংশ হিসেবে ওমানিদের চলতে থাকা অনলাইন আর অফলাইন প্রচেষ্টার আরেকটি নিদর্শন - ওমানি ব্লগাররা সম্প্রতি একটি রাস্তার শো এর আয়োজন করেন। মাস্কাটের জাওহারাত আল সাত্তি মলে স্বাস্থ্যরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য লিফলেট আগতদের দেয়া হয় এবং তাদের আকর্ষণ করার জন্যে এই অনুষ্ঠানে আরো ছিল ওমানি নাচের দল এসএনকে এর ইচ্ছে মত নাচ।</p>
<p>এই অনুষ্ঠানের সম্পাদিত একটি ভিডিও <a href="http://www.youtube.com/watch?v=KpEJOtiCcrQ">নীচে দেখা যাবে</a>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/KpEJOtiCcrQ&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/KpEJOtiCcrQ&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>আপনি ওমানি ব্লগারদের এইচ১এন১ এর বিরুদ্ধে প্রচারণা সম্পর্কে আরো জানতে পারবেন <a href="http://www.omani-b-wall.com/">ওমানি ব্লগারস ওয়ালে</a> গিয়ে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/26/7116/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
