<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; অর্থনীতি</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/economics/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>অ্যাঙ্গোলা: লুয়াণ্ডাতে মাত্রাতিরিক্ত জীবনযাত্রার ব্যয়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2009 09:28:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আ্যান্গোলা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7553</guid>
		<description><![CDATA[লুয়ান্ডার উচ্চ জীবনযাত্রার মূল্য খুবই স্ববিরোধী: অ্যাঙ্গোলার উচ্চ হারের উন্নয়ন সূচক বেশীরভাগ দেশের নাগরিকদের ক্রয় সামর্থে প্রতিফলিত হয় না এবং কতিপয় ধনী ছাড়া বাকীদের জীবন যাত্রার মানে কোন উন্নয়ন দেখা যায় না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/clara-onofre/">ক্লারা অনোফ্রে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/angola-the-high-cost-of-living-in-luanda/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অ্যাঙ্গোলার রাজধানী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Luanda">লুয়াণ্ডা</a> হচ্ছে খুব ব্যয়বহুল এক শহর - অ্যাঙ্গোলাবাসী আর বিদেশী সবার জন্য। আপনি এখানের বাসিন্দা হলে নিশ্চয় জানেন সেটা। সাধারণ জিনিষ যেমন খাদ্য, শিক্ষা আর বাসস্থান কিছু ইউরোপীয় দেশের সমান রাখা হয়েছে। আসল পার্থক্য হচ্ছে অ্যাঙ্গোলার বেতন তাদের ইউরোপীয় দিকের সাথে তুলনা করলে হাস্যকর, যার কারনে প্রতিদিনের সাধারণ চাহিদা মেটাতে অনেকের সংগ্রাম করতে হয়।</p>
<p>অবশ্যই এই যুদ্ধ যাদের অর্থ আছে তাদের লড়তে হয় না। এরা জানা অজানা কারনে এমন সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রক্ষিত যা যে কোন মানুষকে ঈর্ষান্বিত করবে। ফেব্রুয়ারীতে ব্রিটিশ কোম্পানি এসিএ ইন্টারন্যাশানলের একটি জরিপ অনুসারে- <a href="http://www.citymayors.com/statistics/expensive-cities-intro.html">বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের মধ্যে লুয়াণ্ডা প্রথমে</a> আছে।</p>
<p><em>মিগুয়েল কাক্সিয়াক্স</em> তার ব্লগ <em>মুন্দো দা ভেরদাদেতে</em> <a href="http://mundodaverdade.blogspot.com/2007/05/o-nvel-de-vida-em-luanda.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Só para terem uma ideia, o custo por noite no hotel em que estou é de 170 USD (quarto individual, com casa de banho e pequeno-almoço mesmo muito sofrível). Estamos a falar de um hotel que deve ter se tanto, duas estrelas. Para um europeu, não só por costumes alimentícios mas também por costumes de segurança, não se arrisca a comer em qualquer botequim de esquina, obviamente. No restaurante onde temos feito as nossas refeições, o custo médio de uma dose é de 30USD (junte-se a isso bebida, sobremesa, entradas e o preço salta logo para 40/45 USD de despesa individual).</p>
<p>    Luanda está numa fase de construção massiva. Junto à Marginal existem apartamentos a 1 milhão de USD. Estão todos vendidos!!!”</p></blockquote>
<div class="translation">“আপনাদের কেবল ধারণা দেয়ার জন্য, আমি যে হোটেলে আছি সেখানে এক রাতের ভারা ১৭০ আমেরিকান ডলার (সিঙ্গেল রুম, বাথরুমসহ, আর বেশ খারাপ নাস্তা)। খুব বেশি হলে, আমরা দুই তারকা হোটেলের কথা বলছি। তবে একজন ইউরোপীয়ানের জন্য কেবলমাত্র খাওয়ার ধরণই না, বরং নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বাইরের রেস্টুরেন্টে খাওয়ার ঝুঁকি নেই না, স্পষ্টভাবেই। যে রেস্টুরেন্টে আমরা প্রায় যাই, এক বেলা খাবারের গড় মূল্য ৩০ আমেরিকান ডলার (এর সাথে পানীয়, মিষ্টি আর প্রারম্ভিক খাবার যোগ করলে মূল্য ৪০/৪৫ আমেরিকান ডলার পর্যন্ত উঠে যায় প্রতি জনের জন্য)।</p>
<p>লুয়ান্ডাতে অনেক নির্মাণ কাজ হচ্ছে। মার্জিনাল (সমুদ্রের কাছের এলাকা) এর কাছে কিছু এপার্টমেন্ট এর মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ মার্কিন ডলার। আর এগুলো সব বিক্রি হয়ে গেছে!!!”</p></div>
<p>দেশের উচ্চ জীবন যাপনের খরচ স্ব-বিরোধী, যেহেতু এটা উচ্চমানের জীবনের সাথে সম্পর্কিত না, অন্তত যারা অর্থনৈতিক ভাবে আরো অনেক নীচু স্তরে আছে তাদের তুলনায়। অ্যাঙ্গোলা উচ্চ উন্নয়নের হার দেখায়, যা দূর্ভাগ্যজনকভাবে বেশীরভাগ অ্যাঙ্গোলার নাগরিকের অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয় না। প্রচুর চাহিদা স্বল্প সরবরাহের সাথে মিলিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে দেয়।</p>
<p>ব্লগ <em>দিয়ারিও দে আফ্রিকার</em> ব্রাজিলের লেখক অ্যাঙ্গোলাতে কি হয় তার <a href="http://diariodaafrica.blogspot.com/2009/02/os-precos-em-angola.html">একটা দ্রুত ব্যাখ্যা দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Não são apenas os alugueres (habitação) que custam caro. Tudo é caríssimo. Um quilo de tomate pode sair por 20 USD. Uma bandeja de uvas pode custar 30 USD o quilo. Um bife com batatas fritas pode custar facilmente, 50 dólares. Um cano furado pode sair por 1000.000 USD. Tapar um pequeno furo na tubulação do ar-condicionado do carro e colocar o gás para enfrentarmos o calor luandense custa 200 USD.</p>
<p>    Precisa de electricista? Ele não vai sair da sua casa sem ter tirado pelo menos 100 USD de você. Mesmo que só tenha trocado uma lâmpada. Porque é tudo tão caro?”</p></blockquote>
<div class="translation">“কেবলমাত্র বাড়ি ভাড়া না যার দাম বেশী। সব কিছুই দামী। এক কিলো টমেটো ২০ আমেরিকান ডলারে বিক্রি হতে পারে। এক ট্রে আঙ্গুর ৩০ আমেরিকান ডলার কিলোতে বিক্রি হতে পারে। এক টুকরো গরুর মাংস আলু ভাজাসহ খুব সহজেই ৫০ আমেরিকান ডলার দাম হতে পারে। একটা পাইপ ফুটো হলে আপনার ১০০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে। গাড়ির এয়ার কান্ডিশনিং পাইপে ছোট একটা ফুটো ঝালাই করে গ্যাস ভরা যাতে লুয়ান্ডার গরমের সাথে পাল্লা দেয়া যায় - তার জন্যে ২০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে।</p>
<p>বিদ্যুৎের মিস্ত্রী দরকার? সে তার বাড়ি থেকে বেরুবে না আপনার কাছ থেকে অন্তত ১০০ ডলার না পেলে। যদি সেটা একটি বাল্ব পাল্টানোর জন্যও হয়। কেন সব কিছু এত ব্যয়বহুল?”</p></div>
<p>এই ব্লগার অনুসারে, এর উত্তর সহজ আর যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করে যা এই দেশ থেকে ৩০ বছরের বেশী উন্নয়নকে চুরি করে নিয়েছে।</p>
<blockquote><p> “O atabalhoado processo de independência e a guerra acabaram com tudo. Primeiro, a independência. Em 1975, pelo menos 300 mil portugueses abandonaram Angola. Médicos, dentistas, advogados, empresários, encanadores, mecânicos, burocratas, professores. Em questão de meses, Angola ficou sem quadros. Não havia quem soubesse gerenciar as finanças do país. Depois a guerra. O esforço de guerra sugou o dinheiro que deveria ser investido na saúde, na educação, nas infra-estruturas do país. Agora multiplique essa situação por 30 anos. O resultado chama-se Luanda.</p>
<p>    Com a alta no preço do petróleo nos últimos anos, os fretes subiram e por tabela, o de todos os produtos. Chegou-se a uma situação tal que mesmo os itens produzidos em Angola podem custar mais que os importados. Porquê? Os economistas que me corrijam, mas parece ter algo a ver com a tal lei da oferta e da procura. Quem quer agora, tem de pagar mais.”</p>
<p>    O país não tem indústrias. Tudo é importado. Vem de navio. No porto, não há espaço. Os navios ficam dois, três meses atracados em alto-mar, aguardando autorização para descarregar. Só agora é que a agricultura começa a dar os primeiros passos. Mas só nas áreas em que não há minas terrestres. O último número que ouvi era de que mais da metade das terras cultiváveis do país estava cheia de minas. Enquanto o terreno não estiver limpo, nada feito. Portanto, até a comida precisar ser importada.</p></blockquote>
<div class="translation">“স্বাধীনতার জন্য কষ্টকর সংগ্রাম যার পরে যুদ্ধ হল তার ফলে সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। প্রথমে স্বাধীনতা। ১৯৭৫ সালে অন্তত ৩ লাখ পর্তুগীজ নাগরিক অ্যাঙ্গোলা ছেড়ে চলে যান। ডাক্তার, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, মিস্ত্রী, সরকারী কর্মচারী, অধ্যাপক। কয়েক মাসের মধ্যে, অ্যাঙ্গোলা বিশেষজ্ঞ শূন্য হয়ে পড়ে। কেউ ছিল না দেশের অর্থনীতি সামলাবার জন্য। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ। যুদ্ধ সকল অর্থ শুষে নিয়েছে যা দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর অবকাঠামোতে ব্যবহার করা উচিত ছিল। এই পরিস্থিতিকে ৩০ দিয়ে গুন করুন, আর আপনি লুয়ান্ডা পাবেন।</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরে গ্যাসের উচ্চ মূল্যের কারনে যাতায়াত খরচও বেড়ে গেছে আর, একই সাথে, অন্য সব পণ্যও। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে অ্যাঙ্গোলাতে তৈরি জিনিষের দামও আমদানি করা পণ্যের থেকে বেশী পড়ে। কেন? অর্থনীতিবিদরা আমাকে দয়া করে ঠিক করে দেবেন, কিন্তু মনে হচ্ছে এটা উৎপাদন আর চাহিদার নীতির সাথে যুক্ত। এখন দরকার হলে, আরো বেশী মূল্য দিতে হবে।</p>
<p>দেশে কোন শিল্প কারখানা নেই। সব কিছু আমদানি করা হয়। জাহাজে করে আনা হয়, আর বন্দরে কোন জায়গা নেই। বাহির সমুদ্রে জাহাজ গুলো দুই থেকে তিন মাস নোঙ্গর ফেলে থাকে, তাদের মাল খালাসের অনুমতির জন্য। এখন মাত্র কৃষিকাজ প্রথম ধাপে শুরু হয়েছে - শুধু সেইসব এলাকায় যেখানে ল্যান্ড মাইন নেই। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে অ্যাঙ্গোলার অর্ধেক চাষযোগ্য ভূমি ল্যান্ড মাইনে ভরা। যতদিন ভূমি পরিষ্কার হচ্ছে না, কিছুই হবে না। তাই খাদ্যও আমদানি করতে হয়।&#8221;</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg"><img alt="এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে " src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg" title="ছাগলের মাংস" width="300" height="220" /></a><p class="wp-caption-text">এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে </p></div>
<div class="contributors">অনুবাদ করেছেন <a href="http://globalvoicesonline.org/author/melissa-mann/">মেলিসা মান</a></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মন্দা নিয়ে পর্যালোচনা: বাঁচার উপায় এবং ব্যবসার সুযোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:45:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এন্টিগুয়া-বার্বুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জামাইকা]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিজি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7228</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি চেষ্টা করব কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর চেষ্টাগুলো জানাতে যেগুলো দ্বারা তারা এই মন্দা সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/27/global-recession-survey-survival-tips-and-business-opportunities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/13/global-recession-and-its-discontents/">বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা</a> সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মানষের মন এত রাতারাতি হার মানার নয়। অনেকেই কষ্ট করছে এই মন্দার মোকাবিলা করতে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো মন্দার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর উল্লেখ করব উদাহরণ হিসেবে যারা তাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করছে এই মন্দাকে মোকাবিলা করতে।</p>
<p><strong>মন্দা হতে বাঁচা</strong></p>
<p>ব্রাজিলের <em>ফ্রাঙ্ক কয়েলহো ডে আলচানটারা</em> মনে করেন মন্দার সময়, <a href="http://www.depijama.com/trecos/com-criatividade-voce-consegue-inovar-ate-velas/">কেউ কাঁদে আবার কেউ টিস্যু বেচে।</a> এই মন্দা থেকে বাঁচার জন্য, এই ব্লগার উপদেশ দেয়:</p>
<blockquote><p>Inove. Melhore o que já existe e venda. A crise só existe para os que choram e compram lenços.</p></blockquote>
<div class="translation">নতুন কিছু প্রবর্তন কর। পুরোনো জিনিসের উন্নয়ন কর ও সেগুলোকে বিক্রি কর। মন্দা শুধু তাদেরই জন্য যারা কাঁদে ও টিস্যু কিনে।</div>
<p>আরেক ব্রাজিলিয়ান ব্লগার <em>এভান্ডো সুদ্রে</em> উল্লেখ করেছেন কঠিন সময় থেকে উত্তরণের জন্যে একটি <a href="http://ufnet.blogspot.com/2009/02/7-dicas-pra-encarar-crise.html">“ভিতরের শক্তি এবং সংকল্পের আধার&#8221;</a> তৈরি করার ব্যাপার:</p>
<blockquote><p>Problemas e adversidades fazem parte da vida diária, mas quando a crise nos atinge, é bom ter alguma reserva de força interior eresolução. De fato ter algum tipo de reserva na mente, da qual possamos formar um plano básico de ação e defesa com a qual possamos lidar com a situação. Você é a pessoa mais qualificada para ajudar nesta situação.</p></blockquote>
<div class="translation">সমস্যা এবং প্রতিকূলতা আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ কিন্তু যখন আমরা মন্দাতে ডুবে যাই, আমাদের ভিতরের শক্তি ও সংকল্পের একটি আধার তৈরি করতে হবে। এমন কি, সেটাই ভালো যদি আমাদের মনে কোনো প্রকার সংকল্প থাকে সব সময়ই, যা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাধারণ কার্যকারণ ও সুরক্ষার সিদ্ধান্ত গুলো নিতে পারব এই প্রকার সময়ের মোকাবিলার জন্য। তাহলে এই মন্দা থেকে বের হবার জন্যে আপনি একজন যোগ্য ব্যক্তি।</div>
<p>কিন্তু অনেকে আছে যারা ঋণে জর্জরিত এবং যারা এ থেকে বের হবার উপায় হিসেবে শুধু মাত্র আত্মহত্যার চিন্তা করে। উদাহরণ স্বরূপ ভারতের গুজরাটে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/21/india-gujarat-diamond-workers-suicide-in-the-face-of-crisis/">৭০টির বেশি আত্মহত্যা</a> লিপিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে হীরার পলিশ কারকরা তাদের কাজ হারিয়েছে।</p>
<p>অনেকে মন্দার বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ করেছে। বিনিয়োগকারীরা (প্রধানত: এন্টিগুয়ার), যারা তাদের টাকা-পয়সা হারিয়েছে আমেরিকান কোটিপতি অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের প্রতারণার শিকার হয়ে, তারা একটি সংগঠন তৈরি করেছেন তাদের ধন ফিরে পেতে। <a href="http://www.stanfordvictimscoalition.com/">স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিমস কোয়ালিশন (স্ট্যানফোর্ড এর শিকার মোর্চা)</a> তাদের <a href="http://fraudsvictims.com/Documents/svc%20press%203-13-2009.pdf">সাইটে</a> জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিম কোয়ালিশন একটি আন্তর্জাতিক দল যেটি যুদ্ধ করছে অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের চুরি করা বিলিয়ন ডলারগুলোকে প্রতারিত নিরাপরাধ সকলের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। এই সকল প্রতারিতরা এন্টিগুয়াতে স্ট্যানফোর্ড ফাইনানশিয়াল গ্রুপ এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এই দল কোনো প্রকার রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না অথবা কোনো অনুদান নেয় না তাদের সদস্যদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ব্রুনাইতে, ব্লগাররা সমালোচনা করছে সেইসব ব্যাক্তিদের যারা মন্দা থেকে বাঁচতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/09/brunei-who-deserves-the-undistributed-zakat-funds/">জাকাতের ফান্ড</a> থেকে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল। জাকাত হচ্ছে ইসলামের একটি স্তম্ভ এবং এর মূল নীতি হচ্ছে ধনী কর্তৃক গরীবদের কিছু সম্পদ দেয়া যাদের তা প্রয়োজন। অনেকে আশ্চর্য হয়েছে যে ব্রুনাইয়ের নাগরিকরা যাদের বড় ধরনের ক্রেডিট কার্ড বিল, গাড়ির ঋণ, এবং নিজস্ব ঋণ ছিল তারা এই জাকাতের ফান্ডের থেকে টাকা চেয়েছিল।</p>
<p>এই মন্দা অনেকের মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে <a href="http://www.uptoyoulor.com/2009/03/economic-recession-leads-to.html">শরীরচর্চা কেন্দ্রগুলো ও যোগ কেন্দ্রগুলোতে বেশ ভীড় হয়েছিল</a> যখন সকলে নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দার চিন্তা থেকে রেহাই চাচ্ছিল; এবং অনেকে এই প্রকার শরীর চর্চার জন্য বেশ খরচও করছে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/30/recession-hits-singapore/">সিঙ্গাপুর</a> হচ্ছে  এশিয়ার প্রথম দেশ যা এই মন্দার কবলে পরেছিল গত বছর।</p>
<p>কাতারের একজন কর্মচারী <em>হোমেসিকহোম</em>, আবিষ্কার করেছে যে মন্দার কারণে <a href="http://homesickhome.wordpress.com/2009/03/17/my-own-version-of-financial-crisis/">কেনা বেচার নেশাটি কিছুটা কমেছে।</a></p>
<p>একটি বুলগেরিয়ান সাপ্তাহিক <a href="http://capital.bg/show.php?storyid=685129">কাপিতাল</a> জিজ্ঞাসা করেছিল তাদের পাঠকদের যে কিভাবে এই মন্দা তাদেরকে আঘাত করেছে। <em>সাইমন জানকোভ</em> প্রাপ্ত তথ্যটি <a href="http://crisistalk.worldbank.org/2009/03/has-the-crisis-affected-you-how-.html">সংক্ষেপে জানিয়েছেন</a> একটি ফোরামে:</p>
<blockquote><p>আমি উত্তরগুলো এখনও পড়ছি এবং চিন্তার বাইরে কিছু জিনিস পেয়েছি।</p>
<p>ভাড়া বেড়েছে, এবং যারা মর্টগেজ দিতে পারবে, তাদের সংখ্যা কমেছে; কিছু ছোট ব্যবসাগুলো বলেছে যে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন নাজুক অবস্থায় যে তাদের জন্য আরো সুবিধা হয়েছে; টিভি দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (কারণ খবর গুলো খুবই খারাপ); কমে গিয়েছে সমাজের ভেদ - এখন শুধু নব্য ধনীরা ধনী ; পড়ার সময় বেশী পাওয়া যাচ্ছে; বাইরের বিশ্বের সাথে সম্পর্ক আরো কমেছে। আমার নিজস্ব পছন্দের: অর্থনীতিতে আরো মজা খোঁজা।</p></blockquote>
<p><strong>ব্যবসার খাপ খাইয়ে নেয়া</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মন্দার প্রতিক্রিয়ায় এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে?</p>
<p>কর্মসংস্থান না কমিয়ে, ফিলিপাইন্সের কিছু কিছু কোম্পানী <a href="http://www.bworldonline.com/BW030509/content.php?id=002">কাজের সময় কমিয়ে দিচ্ছে</a>। বিল্ডিংগুলো কম পরিমাণে ব্যবহার হবার কারণে, ম্যানিলার কিছু বাড়ির মালিকরা <a href="http://www.gmanews.tv/story/152275/Office-rentals-to-go-down-until-June-property-consultant-says">অফিসের জন্য ভাড়া কমিয়ে দিচ্ছে</a>। দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত একটি জাপানী কোম্পানী তাদের ব্যবসার লাভ এবং সঞ্চয় ব্যবহার করেছে তাদের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/korea-economic-downturn-and-which-companies-have-the-best-chances-for-survival/">শ্রমিকদের এই দু:সময়ে সাহায্য করতে।</a></p>
<p>ফিজির ব্যবসা প্রধানরা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/fiji-minimum-wage-increase-postponed/">বর্ধিত সরকারী ন্যূনতম বেতন কার্যকারী করা পিছিয়েছে</a> বলে জানিয়েছে তাদের শ্রমিকদের। তারা সতর্ক দিয়েছে যে বেতন বাড়িয়ে দিলে আরো ছাঁটাই এমন কি কোম্পানী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দু:সংবাদ ছিল শ্রমিকদের জন্য।</p>
<p><em>দ্যা এশিয়ান প্যারেন্ট</em> (<a href="http://sg.theasianparent.com/home.php">www.theasianparent.com</a>) এর সম্পাদক <em>রোশিনি মাহতানি</em> বলেছেন ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য <a href="http://sgentrepreneurs.com/commentary/2009/03/09/10-cost-cutting-measures-%E2%80%93-theasianparentcom-way/">খরচের পরিমাণ কমানো নিয়ে</a> -</p>
<blockquote><p>১. অফিসের জায়গা ছেড়ে দিন। মাসিক সঞ্চয়: ১,৫০০ ডলার<br />
২. ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন। একবারের সঞ্চয়: ৪,০০০ ডলার। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৩. ফোনের বদলে স্কাইপ! মাসিক সঞ্চয়: অনুমানিক ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৪. শিক্ষানবিস নিয়োগ দিন। মাসিক সঞ্চয়: ৫০০ ডলার<br />
৫. ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করুণ। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৬. স্কেল। মাসিক সঞ্চয়: ৩০০ ডলার<br />
৭. বেতনের বদলে উদ্দীপনা ভাতা। মাসিক সঞ্চয়: ৭৫০ থেকে ১,০০০ ডলার প্রতি বিপণন কর্মচারীর জন্য।<br />
৮. অংশীদারীত্বে যান । মাসিক সঞ্চয়: ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৯. গাছ বাঁচান (এবং টাকা)। মাসিক সঞ্চয়: ২০০ ডলার<br />
১০. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং। একবারের সঞ্চয়: ২,৬০০ ডলার</p>
<p>মাসিক সঞ্চয়: ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ ডলার প্রতি মাসে</p>
<p>এক বারের সঞ্চয়: ৬,৬০০ ডলার</p></blockquote>
<p>ব্রাজিল থেকে <em>মাইকেল মন্টেরো</em> লিখেছেন তার <a href="http://vitrinepop.blogspot.com/2009/02/criatividade-em-tempos-de-crise.html">তৎপরতা</a> নিয়ে যেটির শুরু করা হয়েছিল পন্তো ফ্রিওতে: যেই সকল ক্রেতারা দোকান থেকে প্রায়ই কিনে, তাদের জন্য একটি বীমা করা থাকবে। যদি তারা কর্ম হীন হয়ে যায় তবে পণ্য দেয়া হবে এবং তার জন্য অতিরিক্ত কোনো পয়সা নেয়া হবে না। এতে তাদের সাহায্য করা হবে।</p>
<blockquote><p>O interessante é que essa ação tem como enfoque a atual crise economica, e em seu anuncio busca tirar o temor que existe nas pessoas de comprar e não poder pegar, o que gera queda nas vendas.</p>
<p>Assim, o consumidor poderá voltar a comprar, e fazer o dinheiro movimentar a economia.</p>
<p>Mais do que uma inteligente proposta de marketing, a ação é um serviço ao país, pois - de forma inteligente -, faz a economia nacional girar capital, e consequentemente manter níveis de venda, empregos, etc.</p></blockquote>
<div class="translation">মজার ব্যপারটা হলো যে এই কাজটি এই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দার পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করে, এবং এই বিজ্ঞাপন দাবি করেছে যে তারা মানুষের চিন্তার উপশম করবে যে তারা হয়ত কোন কিছু কেনার ক্ষমতা রাখে না যা বিক্রয়ের পরিমান কমিয়ে দেয়। এই পদক্ষেপ অনুযায়ী ভোক্তারা আবার কিনতে শুরু করতে পারবে এবং অর্থনীতিতে টাকার যোগান হবে।</p>
<p>আরো চালাকির বুদ্ধি হচ্ছে ভালো সেবা পেলে একটি দেশকে সাহায্য করে, এবং দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা দিতে শুরু করে। এর থেকে বড় পরিমানের কেনা-বেচা, কাজ এবং আরো অনেক তৈরী হয়।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 255px"><a href="http://moscownotes.wordpress.com/2009/02/16/on-housing-and-toilet-paper/"><img alt="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/russia.jpg" title="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”।" width="245" height="309" /></a><p class="wp-caption-text">রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে</p></div>
<p><strong>বাণিজ্যের সুযোগ</strong></p>
<p>অনেক ব্যবসা আছে যারা ঠিকই লাভের মুখ দেখছে এই অর্থনীতির মন্দাতেও। অনেকে এই মন্দার থেকে নিজেদের মঙ্গলই বয়ে আনছে।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">জাপানে</a> বেশ লাভ করছে এই ব্যবসাগুলো: <a href="http://ueki.biz/414.html">ছোট এবং মাঝারি কোম্পানীগুলো</a> যেগুলো স্বল্প পরিমাণে বিক্রি করে যেমন কাঁচাবাজারে, <a href="http://andyandyandy.jugem.jp/?eid=399">ফাস্টফুডের</a> ব্যবসা, <a href="http://business.nikkeibp.co.jp/article/manage/20090129/184281/?P=1">ই-কমার্স</a> এর জোগানদার, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pachinko">পাঞ্চিনকো</a> ইণ্ডাস্ট্রি (যারা গেইম বানায়)।</p>
<p>জাপান থেকে <em>চিকারা ইকি</em> জানিয়েছেন যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">কিভাবে এই মন্দাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে</a></p>
<blockquote><p>１００年に一度と言われている経済危機、考え方を変えると１００年に一度のチャンスかもしれない。不況業種も含め、全ての産業に言えることかもしれません。</p>
<p>ただ、事例の通り何もしなくてもチャンスは生まれるのではなく、コツコツとやってきたご褒美だと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">এই মন্দা নিয়ে চিন্তাধারা পরিবর্তন করে একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে যেটা বহু বছর পরে মাত্র আসে। এই কথা ব্যবসাগুলোকে বলা যেতে পারে, এমন কি যেগুলো মন্দায় ডুবে রয়েছে তাদেরও।</p>
<p>তবে এই অবস্থা এমনি এমনি আসে নি। এটি অনেক সময় ধরে অনেক কষ্ট করার ফসল।</p></div>
<p>ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে যেটা ব্লগার <em>ক্যাসওয়েল হোয়াইটসাইড</em> <a href="http://caswellwhiteside.wordpress.com/2009/03/19/forgotten-in-the-shuffle/">মনে করেন</a> যে ফিলিপিনোদের অধিক হারে দেশে ফিরে আসার কারণে যারা বহির্বিশ্বে আগে কাজ করত।</p>
<blockquote><p>দেখা যাচ্ছে যে ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স কানাডা এবং আমেরিকা থেকে প্রতিদিন তাদের ফ্লাইট  দিচ্ছে  যেটা আগে ছিলো চারদিন প্রতি সপ্তাহে। যদিও ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স (PAL) ঘোষণা করেছে যে এই বৃদ্ধি &#8216;নতুন এবং ভালো সেবা&#39; প্রদান করার জন্য, কিন্তু এটি আসলে ফিলিপিনোদের জন্য একটি সুবিধা। তাদের অনেকে বিশ্বের বহু দেশে তাদের কর্মসংস্থান থেকে ছাটাই হয়েছে। প্রধানত জাপান এবং আমেরিকা থেকেই তারা নিজেদের দেশে ফিরে আসছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://nationmultimedia.com/2009/03/19/business/business_30098297.php">থাইল্যান্ডের উদ্দীপক প্ল্যান</a> অনুযায়ী ৫৫ ইউ.এস. ডলার সমমূল্যের বিশেষ চেক দেয়া হবে কম-উপার্জনকারী প্রত্যেকের জন্যে। এর সুবিধা হচ্ছে যে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজা হাট এবং আরো ১৮টি কোম্পানী থেকে পণ্য কিনতে গেলে। যারা কেএফসি থেকে তাদের উদ্দীপক চেক ভাঙ্গিয়ে খাবার কিনবেন তাদের জন্যে একটি সুবিধা রাখা হয়েছে - বিনামূল্যে<a href="http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=15369">২০ টুকরা মুরগী</a> দেয়া হবে তাদেরকে। </p>
<p><em>এভেরী উওম্যান&#39;স ব্লগ</em> একজন কনডম তৈরীকারকের সাথে একমত পোষণ করেছে যে দেখা গেছে <a href="http://www.everywomansblog.com/people-buy-condoms-recessions">বিপুল সংখ্যক মানুষ কনডম কিনছে</a> যাতে মেয়েরা গর্ভবতী না হয়:</p>
<blockquote><p>আমার বিশ্বাস যে এখানে অনেক সত্য আছে এবং যুক্তি এই বিষয়ে। এই মন্দা এবং অজানার সময়ে, মানুষ আরেকজন পরিবারের সদস্য যোগ করতে চায় না যেটার কারণে আরো অর্থনৈতিক সমস্যার কবলে পরতে হতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>ডগলাস মুইর</em> আশা করেন যে এই বিশ্বে <a href="http://fistfulofeuros.net/afoe/economics-and-demography/a-goodbad-time-to-stop-having-babies/">জন্মতালিকায় একটি বড় প্রকারের ধ্বস নামবে</a>, প্রধানত যেটা আসবে পূর্ব ইউরোপ থেকে।</p>
<p><strong>শুরুতে প্রত্যাবর্তন</strong></p>
<p>এই অর্থনৈতিক মন্দার জন্য, অনেকে শিখছে কি করে মৌলিক নিয়মগুলো ব্যবহার করতে হয় ব্যবসা করার সময়, যেমন প্রথম শ্রেণীর সেবা প্রতি ক্রেতার জন্য। <a href="http://livroseafins.com/2008/05/12/prefeitura-pipoqueiro-pipoca/">ব্রাজিলের এক ভুট্টা বিক্রেতা</a> পুরস্কৃত হয়েছে তার নতুন চিন্তাধারার ব্যবসার জন্য। সে অনেক <a href="http://www.ricardocoelhoconsult.com.br/responsabilidade.php">বক্তৃতা দিয়েছে কিভাবে সফল ব্যবসা চালাতে হয়।</a></p>
<p>জাপানী যুবা এবং খ্যাতিপূর্ণ লোকদের কাছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/japan-agriculture-the-latest-trend-among-celebrities/">কৃষিকাজ অনেক জনপ্রিয়</a> হয়েছে যখন অনেকে খুঁজছে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেগুলো শক্ত করে গড়বে আর্থিক কেন্দ্রগুলোকে। <em>কামিয়ামা ইয়াসুহারু</em> লিখেছেন যে <a href="http://8ada.com/kamiyama/archive/2009/02/post-1.html">কৃষির বিস্তার</a> একটি মজাদার শব্দ হয়ে উঠেছে আজকের জাপানী সমাজে।</p>
<p><a href="http://ki-media.blogspot.com/2009/03/cambodia-tries-alternative-products-to.html">ক্যাম্বোডিয়া</a> আবার শুরু করেছে কৃষিতে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। <a href="http://rspas.anu.edu.au/rmap/newmandala/2009/01/28/laos-too-poor-to-get-any-poorer/">এক লাও অর্থনীতিবিদ</a> বিশ্বাস করেন যে “কৃষি-নির্ভর, স্ব-নির্ভর প্রকৃতি” একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে পারে যেমন লাওসকে করছে এই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার থেকে।</p>
<p>এই অর্থনীতিবিদ আরো বলেন:</p>
<blockquote><p>মানুষ যারা আগে শিল্পোন্নত দেশে বাস করত এখন ভয় পায় তাদের কর্ম যাতে না নষ্ট হয় কারণ তারা জানে না কি করে শাক-সব্জি ফলাতে হয় এবং গবাদি পশু কি করে পালন করতে হয় যেটা লাওসের লোকজন জানে।</p></blockquote>
<p>জ্যামাইকাতে, ২১টি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নেতারা একটি চুক্তি তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে মিলিত ভাবে এই বিশ্ব মন্দার কবলের থেকে নিজেদের ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। তারা আরো শিখেছেন যে একটি <a href="http://www.jamaicaobserver.com/news/html/20090308T200000-0500_147282_OBS_LEADERSHIP_BY_EXAMPLE.asp">“সামাজিক অংশীদারের বক্তব্য”</a> তৈরি করা উচিৎ যেটা সরকার, বিরোধীদল, শ্রমিক, ব্যবসা এবং সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<div class="contributor"><em>উপরের ছবিটি <a href="http://www.flickr.com/photos/suburbanslice/3103078097/in/set-72157611066659335">সাবার্বানস্লাইস</a> এর ফ্লিকার একাউন্ট থেকে আনা হয়েছে। পর্তুগীজ লেখাটি অনুবাদ করেছে জিভির সম্পাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/paulagoes/">পলা গোজ</a>। জাপানীজ লেখাটা অনুবাদ করেছে জিভির অনুবাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: ভিক্ষুকদেরও পছন্দ আছে!</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7306/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7306/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 09:15:56 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7306</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
বাংলাদেশ কর্পোরেট ব্লগ  ভিক্ষুকদের জন্যে আলাদা ভিক্ষার স্থান নির্ধারণের সরকারের সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা করছে।   
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/bangladesh-beggars-can-be-choosers/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>বাংলাদেশ কর্পোরেট ব্লগ </em> ভিক্ষুকদের জন্যে আলাদা ভিক্ষার স্থান নির্ধারণের সরকারের সিদ্ধান্তের <a href="http://bangladeshcorporate.blogspot.com/2009/11/beggars-can-be-choosers-in-dhaka.html">পর্যালোচনা করছে</a>।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7306/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কাজাখস্তান: অর্থনীতির ধাঁধা, যৌনমতবাদ ও বিজ্ঞান শিক্ষায় মানের পতন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7200/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7200/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 01 Nov 2009 13:50:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাজাখস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রুশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7200</guid>
		<description><![CDATA[গত সপ্তাহে কাজাখস্তানের ব্লগাররা বিভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলাপ করেছে, অনলাইনের এই আলাপে কাজাখস্তানের বিভিন্ন সামাজিক বিষয় উঠে এসেছে। ব্লগার লর্ড ফেম দেশটির কর আদায়কারী কর্তৃপক্ষের অফিসে গিয়েছিলে। সেখানে যাবার পর তিনি আবিষ্কার করেন নিয়মানুযায়ী তার কোম্পানীতে যথেষ্ট সংখ্যক কর্মচারী নেওয়া হয়নি, যার মানে একটি “শিল্প প্রতিষ্ঠানে গড়ে যতটা কর্মচারী” থাকা প্রয়োজন তার প্রতিষ্ঠানে তারচেয়ে অনেক কম কর্মচারী রয়েছে [রুশ ভাষায়]। এই আইনের সবেচেয়ে বাজে দিকটি কি? আমরা কতটা মূর্খ এই আইন তাই বলছে।   
   
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/adam-kesher/">আদিল নুর্মাকভ</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/26/kazakhstan-economic-paradoxes-sexism-and-the-decline-of-science/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত সপ্তাহে কাজাখস্তানের ব্লগাররা সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলাপ করেছে, অনলাইনের এই আলাপে কাজাখস্তানের বিভিন্ন সামাজিক বিষয় উঠে এসেছে। </p>
<p>ব্লগার <a href="http://lord-fame.livejournal.com/150890.html"><em>লর্ড ফেম</em></a> দেশটির কর আদায়কারী কর্তৃপক্ষের অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানে যাবার পর তিনি আবিষ্কার করেন নিয়মানুযায়ী তার কোম্পানীতে যথেষ্ট সংখ্যক কর্মচারী নেই, যার মানে একটি “শিল্প প্রতিষ্ঠানে গড়ে যতটা কর্মচারী” থাকা প্রয়োজন তার প্রতিষ্ঠানে তার চেয়ে অনেক কম কর্মচারী রয়েছে [রুশ ভাষায়]।   </p>
<blockquote><p>এই আইনের সব চেয়ে বাজে দিকটি কি হতে পারে? আমরা কতটা মূর্খ যে সকল কোম্পানীকে একই সমান মান সম্পন্ন শিল্প বলে ধরে নিচ্ছি?</p></blockquote>
<p>অর্থনৈতিক বিষয়ের উপর ব্লগে আলোচনা করা হয়েছে, <a href="http://thousand-pa.livejournal.com/">থাউজেন্ড-পা</a> বুঝতে পারছেন না কেন সরকারের আশাবাদ ব্যক্ত করার পরেও কর্তৃপক্ষ সরকারি টাকায় চলা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে [রুশ ভাষায়]। </p>
<blockquote><p>কেন আমরা সমস্যা শেষ হয়েছে বলে আলোচনা করছি, আবার প্রদান করা প্রতিশ্রুতি এক মাস পরে পালন না করার জন্য একই সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছি?</p></blockquote>
<p>কাজাখস্তানের কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বিষয়ে আলোচনার অভাব নিয়ে <em>ডি-লাভ</em> নামের ব্লগার যথেষ্ট পরিমাণ <a href="http://d-lov.livejournal.com/77235.html">সচেতন</a> [রুশ ভাষায়]: </p>
<blockquote><p>এখানকার মেয়েরা উত্তরাধিকারসূত্রে পুরুষ আধিপত্যবাদকে সর্ব স্তরে এবং সর্বপ্রকারে গ্রহণ করে নেয়। এ কারণে আমাদের দেশকে গতানুগতিক ভাবে বলা যায় এশিয়ার এক দ্বিতীয় বিশ্বের দেশ। অফিসের বসের সাথে রাত্রি যাপন এ দেশে বড় ধরনের এক সম্মানের বিষয় বলে বিবেচিত হয়। যদি কোন আকর্ষণীয় মহিলা কর্মচারী ব্যবস্থাপনা পরিষদ বা ম্যানেজমেন্টের সাথে ঢলাঢলি করার ইচ্ছা পোষণ না করে এবং তার বদলে যদি সে কর্মক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা প্রদর্শন করে তা হলে তাকে এক “প্রতিযোগী”, “বিপজ্জনক খেলোয়াড়” “কুক্কুরী (দুশ্চরিত্রা)” ইত্যাদি নামে তাকে ডাকা হয়।</p></blockquote>
<p>কাজাখস্তানের সম্ভাব্য  বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মান নিয়ে <em>মেগাখুইমিয়াক</em> <a href="http://megakhuimyak.livejournal.com/720604.html">চিন্তিত</a> [রুশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>কাজাখস্তানের বিজ্ঞান শিক্ষার ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, আমাদের দীর্ঘ স্থায়ী নেতারা প্রকৃতি বিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, খনি প্রকৌশল, জীববিজ্ঞানের উপরই তাদের ভালোবাসা প্রদর্শন করছে। এই দেশে এখন আর এমন কোন বিজ্ঞানী নেই যাকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে তুলনা করা যায়- এবং যারা এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটা নির্দিষ্ট গুণগত মানে নিয়ে যেতে পারত, আমরা আর তাদের পাব না।</p></blockquote>
<p><a href="http://pycm.livejournal.com/422260.html"><em>পিওয়াসিএম</em> </a>এক বিদ্রূপাত্মক প্রবচনের মধ্যে দিয়ে ঘটনার সার সংক্ষেপ তুলে ধরছে [রুশ ভাষায়]:    </p>
<blockquote><p>এখানে একটা ধাঁধা রয়েছে, ধাঁধাটি হল- এই দেশটির কোন সংস্কৃতি নেই, যদিও দেশটিতে একটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় রয়েছে, অন্যদিকে বলা যায় দেশটির সর্ব স্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে রয়েছে, যদিও দেশটিতে কোন দুর্নীতি মন্ত্রণালয় নেই।</p></blockquote>
<p><em>এছাড়াও লেখাটি <a href="http://www.neweurasia.net/politics-and-society/kazakhstan-economic-paradoxes-sexism-and-the-decline-of-science/">নিউইউরেশিয়াতে</a> পোস্ট করা হয়েছে <a href="http://www.neweurasia.net/politics-and-society/kazakhstan-economic-paradoxes-sexism-and-the-decline-of-science/">(লেখাটি অনুবাদ করেছেন আন্দ্রে)</a></em>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/01/7200/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: দারিদ্রের উপরে সাম্প্রতিক জরীপ সমৃদ্ধির ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7177/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7177/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 14:42:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7177</guid>
		<description><![CDATA[জাপানের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক <a href="http://www.financialexpress.com/news/one-in-six-japanese-living-in-poverty-survey/531390/">প্রতিবেদন</a> দেখিয়েছে যে সে দেশে প্রতি ছয় জনের মধ্যে একজন দারিদ্র সীমার নীচে বাস করছেন। জাপানী ব্লগাররা এ নিয়ে আলোচনা করছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/25/japan-latest-survey-on-poverty-destroys-the-prosperity-myth/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>জাপানের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক <a href="http://www.financialexpress.com/news/one-in-six-japanese-living-in-poverty-survey/531390/">প্রতিবেদন</a> দেখিয়েছে যে সে দেশে প্রতি ছয় জনের মধ্যে একজন দারিদ্র সীমার নীচে বাস করছেন। <a href="http://www.oecd.org/document/53/0,3343,en_2649_33933_41460917_1_1_1_1,00.html">ওইসিডির</a> পরিসংখ্যান অনুসারে, উন্নত বিশ্বে জাপানের দারিদ্রের হার সব থেকে বেশী আর মেক্সিকো, তুরস্ক আর আমেরিকার পরে চতুর্থ স্থানে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 510px"><a href="http://www.flickr.com/photos/28503644@N03/3525513868"><img alt="ফ্লিকার ব্যবহারকারী উশিও শুগোর সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/%E3%83%8F%E3%82%A6%E3%83%AB%E3%81%AE%E5%8B%95%E3%81%8F%E5%9F%8E.jpg" title="জাপানে দারিদ্র" width="500" height="333" /></a><p class="wp-caption-text">ফ্লিকার ব্যবহারকারী উশিও শুগোর সৌজন্যে</p></div>
<p>গত সেপ্টেম্বরে <a href="http://www.k5.dion.ne.jp/~hinky/index.html">দারিদ্র বিরোধী নেটওয়ার্কের</a>  (反貧困 হান হিঙ্কন) সেক্রেটারি-জেনারেল <em>মাকোতো ইউয়াসা</em> এই সমস্যার ব্যাপারে জানিয়েছিলেন আর জাপানের দারিদ্রের ব্যাপারটা <a href="http://www.k5.dion.ne.jp/~hinky/090904article.yuasa.html">এইভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন</a>:</p>
<blockquote><p>১৯৬০ এর দশকের উচ্চ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ফলে, জাপান এক রূপকথায় বিশ্বাস করে যে সকল জাপানী মধ্যবিত্ত। তবে এই রূপকথার কেন্দ্রে যে চাকুরির ধরন রয়েছে, তা পাল্টিয়ে গেছে অবিন্যস্ত চাকুরি আর অন্যান্য কারনে, আর বাড়তি সংখ্যক জাপানী বর্তমানে দারিদ্রে বসবাস করছেন।</p></blockquote>
<p>অনেকে তাদের ব্লগে বিতর্ক করেন, আজকাল জাপানের আয়ের এই বিশাল পার্থক্য নতুন কিছু না। ৯০ এর দশকের প্রথম দিকে অর্থনৈতিক বুদ্বুদ ফেটে গেলে জাপানী অর্থ ব্যবস্থার দুর্বলতা ধরা পড়েছিল আর তারপর থেকে অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন যে দেশ অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বের হতে পারে নি।</p>
<p><a href="http://eiji.txt-nifty.com/diary/2009/10/post-730a.html">ইসাকি</a> পরামর্শ দিয়েছেন এই সমস্যা কি করে বরাবর ছিল কিন্তু বেশীর ভাগ জাপানী এটাকে অন্য লোকের সমস্যা হিসেবে গণ্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>この記事を最初に見た時に、私は部落問題に近いな、と感じたんです。それは、私たちの隣に確実にその問題があるのに、知らないふりをする。見ない振りをし、無関係を装ってきた。</p></blockquote>
<div class="translation">এই সংবাদ পড়ার পরে আমার মনে হল জাপানের আরো অভাবী দলের সাথে এর মিল আছে।</p>
<p>যদিও অবশ্যই সমস্যা আছে আর এটা আমাদের খুব কাছে আমরা এটা না দেখার ভাব করি আর তা করতে গিয়ে, আমরা নিজেদেরকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছি যে এটা আমাদের ব্যাপার না।</p></div>
<p><a href="http://d.hatena.ne.jp/miyabi-tale/20091021/1256088117">মিয়াবি-টেল</a> মনে করেন এই ব্যাপারটির এক দীর্ঘ ইতিহাস আছে আর এর দায়িত্ব রাজনৈতিক জড়তার কাঁধে বর্তানো যায়:</p>
<blockquote><p>驚くべきは、この数字が今年ではなくて数年前のデータでさえすでに7人に1人いるという事実で、リーマンショック以降の世界恐慌の不景気のあとでは今現在では少なく見ても5人に1人はそれくらいの値になっていると考えられることである。自民政権下では、公式発表的に「日本に貧困はない」「一億総中流家庭」なんていうキャッチコピーもあったわけだが、現実はまったくそうでないということが改めて浮き彫りにされたわけである。</p></blockquote>
<div class="translation">আশ্চর্যজনক হচ্ছে সাতজনের মধ্যে একজন দারিদ্রে বসবাস করছে এই তথ্য কয়েক বছর আগের উন্মোচন হয়েছিল। তবে এখন কেউ কেউ এটাকে ভালো হিসেবে দেখে যে লেহম্যান ব্রাদার্সের পতনের কারনে সারা বিশ্ব যে অর্থনৈতিক মন্দার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এর ফলে জাপানে এখন পাঁচজনে মাত্র একজন দারিদ্রে বসবাস করছেন।</p>
<p>’জাপানে দারিদ্র নেই’ বা ‘সব মিলিয়ে একশ মিলিয়ন মধ্যবিত্ত পরিবার’ এমন স্লোগান এল পি ডি সরকারের আমলে ঘোষণা করা হত। কিন্তু এটা এখন আবার স্পষ্ট হয়েছে যে এটা সত্যি থেকে অনেক দূরে।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 510px"><a href="http://www.flickr.com/photos/caribb/3948606603/"><img alt="ফ্লিকার ব্যবহারকারী ক্যারিবের সৌজন্যে।" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/homeless.jpg" title="জাপানের এক গৃহহীন" width="500" height="332" /></a><p class="wp-caption-text">ফ্লিকার ব্যবহারকারী ক্যারিবের সৌজন্যে।</p></div>
<p>অবশ্য তারাও আছেন যারা মূদ্রার অন্য পিঠ দেখতে চান। <a href="http://ameblo.jp/shiokawa-office/entry-10369752658.html">ইউকি</a> আশা করেন যে জাপানের সামাজিক আর অর্থনৈতিক ইতিহাসের এই কালো সময় সেই আত্মিক শক্তি জাগিয়ে তুলবে যার জন্য জাপানী মানুষেরা বিখ্যাত:</p>
<blockquote><p>し・か・し<br />
国の景気が良くなるまでこのままでいいのだろうか<br />
貧しかった戦後の日本国民は、みな必死で頑張ってここまでよくなってきています<br />
あの時代のハングリー精神があればきっと国を変えれなくとも企業の生き残りは可能だと思います<br />
私は一社員でありますが社長のような視点で物事を考えていくことを目標としています<br />
視野を広げればいろんなことに発見や改善が見えてくるからです<br />
ハングリー精神なんて言葉、現代では死語なのかもしれませんが<br />
僕はこの言葉を提唱していきたいと思います</p></blockquote>
<div class="translation">কিন্তু</p>
<p>পরিস্থিতি এইভাবে চলা কি ঠিক দেশের অর্থনীতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত? যুদ্ধের পরে জাপানীরা যখন দরিদ্র ছিলেন, তারা কোন কুণ্ঠা ছাড়া তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন পরিস্থিতি ঠিক করতে যেটা আমরা এখন জানি। আমরা যদি এখন আবার সেই ক্ষুধার্ত আত্মা পাই সেই সময়ের আমি নিশ্চিত যে আমরা যদি পুরো দেশ পাল্টাতে নাও পারি, আমাদের কোম্পানি গুলোকে শক্তিশালী আর প্রতিযোগিতা মূলক রাখা সম্ভব হবে।</p>
<p>আমি একজন কর্মী কিন্তু সিইওর দৃষ্টি দিয়ে আমি পরিস্থিতি দেখার চেষ্টা করি কারণ আমরা যদি দূরদর্শী হই, অনেক আবিষ্কার আর উন্নয়ন করার আছে, যা অনেক স্থানে প্রয়োগ করা যাবে। ‘ক্ষুধার্ত আত্মা’ এই কথাটা আজকাল হয়তো লোকে ভুলে গেছেন কিন্তু আমি আবার এটা মনে করাতে চাই।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7177/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আর্মেনিয়া: ওলিগার্খ এর কর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার জন্যে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7154/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7154/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 21:28:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আর্মেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[আর্মেনিয়ান]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7154</guid>
		<description><![CDATA[ফেসবুক ব্যবহারকারীরা আজকে (১৯শে অক্টোবর, ২০০৯) একটা ভিডিও দৃশ্যের লিঙ্ক দিয়েছেন যেটা ওলিগার্খ এমপি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gagik_Tsarukyan">গাগিক সারুকিয়ানের</a> ব্যক্তিগত চিডিয়াখানায় তোলা এমন বলা হচ্ছে। তাকে নিয়ে বিতর্ক নতুন না, তবে এই সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারি তার সফরসঙ্গী একজন টুইটারের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/onnik-krikorian/">অনিক ক্রিকোরিয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/19/armenia-oligarchs-staff-allegedly-implicated-in-animal-cruelty-scandal/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ফেসবুক ব্যবহারকারীরা আজকে (১৯শে অক্টোবর, ২০০৯) একটা ভিডিও দৃশ্যের লিঙ্ক দিয়েছেন যেটা ওলিগার্খ এমপি <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gagik_Tsarukyan">গাগিক সারুকিয়ানের</a> ব্যক্তিগত চিডিয়াখানায় তোলা এমন বলা হচ্ছে। এই এমপির ডাক নাম ডোডী গাগো নামে বেশীরভাগ আর্মেনিয়র কাছে পরিচিত। সারুকিয়ানকে আর্মেনিয়ার সব থেকে ধনী নাগরিক বলা হয়, যদিও তার <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Gagik_Tsarukyan#Low_income_reporting_and_tax_payments">আয়কর রিটার্ন এর উল্টো ভাষ্য দেয়</a>।</p>
<p>ভূতপূর্ব হস্তযুদ্ধ চ্যাম্পিয়ন এই এমপি আর্মেনিয়ার জাতীয় এসেম্বলীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতা আর আর্মেনিয়ার জাতীয় অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট।</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/tsarukian_tweet1.jpg" alt="Tweet" /></p>
<p>তাকে নিয়ে বিতর্ক নতুন না, বিশেষ করে স্থানীয় প্রেসের সাম্প্রতিক রিপোর্টে তার দেহরক্ষীদের দোষারোপ করা হয় গুলি ছোড়া আর সাংবাদিকদের মারার জন্য। আর তার সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারি তার সফরসঙ্গী একজন টুইটারের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।</p>
<p>ফেসবুকে প্রথম পোস্টের কিছু পরেই ভিডিওটা দ্রুত সরিয়ে নেয়া হয়া লিঙ্কগুলো দ্রুত রিটুইট করা হয়। ডেইলি মোশনে এর পরে ভিডিওটা উঠে এসেছে। এই পর্যন্ত যারা ভিডিও দেখেছেন তাদের বেশীরভাগের মনোভাব <em>আনজিপড</em> ব্লগ <a href="http://unzipped.blogspot.com/2009/10/armenia-video-shows-chilling-example-of.html">তুলে ধরেছে</a>।</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/GoldenTent/">@গোল্ডেন্টেন্টের</a> একটা টুইট বার্তার সুবাদে, আমি ইউটিউবের এই ভিডিওর লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছি, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে আর্মেনিয়ার অলিগার্খ আর বারগাভাচ হায়াস্তান (সমৃদ্ধ আর্মেনিয়া) দলের প্রধান গাগিক সারুকিয়ান তার সিংহ আর গাধার মধ্যে এই যুদ্ধ করিয়েছেন (বা এটা তার ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল)।</p>
<p>এটা এত খারাপ যে প্রথমে কয়েক সেকেন্ডের বেশী আমি নিজেকে জোর করেও দেখাতে পারি নি। তারপরে আমি নিজেকে জোর করেছি&#8230; এই ভিডিও দেখার পরে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলাম।</p>
<p>যে কোন দেশ, যে কোন সমাজ যারা নিজেদেরকে ‘সভ্য’ বলার বিন্দুমাত্র চিন্তা করে তাদের উচিত এই ধরনের পশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা নিষিদ্ধ করা, আর অভিযুক্তদের আইনের সামনে দাঁড় করানো উচিত।</p></blockquote>
<p>গত ফেব্রুয়ারীতে, আর্মেনিয়ার <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/24/armenia-illegal-hunting-in-nature-reserve-exposed-on-youtube/">প্রকৃতি সংরক্ষাণাগারে বেআইনী শিকারের ইউটিউব ভিডিও</a> তার প্রধান ওয়ার্ডেনের চাকুরি চ্যুতি ঘটায়। তাই অনেকে যা অভিযোগ করছেন এই ভিডিওতে যদি সে রকমই কিছু দেখানো হয়ে থাকে তাহলে কি ব্যবস্থা গৃহিত হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করা উচিত।</p>
<div><object width="480" height="365"><param name="movie" value="http://www.dailymotion.com/swf/xaux72&#038;related=0"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.dailymotion.com/swf/xaux72&#038;related=0" type="application/x-shockwave-flash" width="480" height="365" allowfullscreen="true" allowscriptaccess="always"></embed></object><br /><b><a href="http://www.dailymotion.com/video/xaux72_lions-vs-donkey-donkey-wins_animals">সিংহ এবং গাধার লড়াই, গাধা জিতেছে</a></b><br /><i>আপলোড করেছে <a href="http://www.dailymotion.com/againstanimalcruelty">এগেইনস্ট এনিমাল ক্রুয়েলটি</a>. - </i></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7154/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গুয়াডেলুপ: পানি দিবস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 19:26:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7131</guid>
		<description><![CDATA[ক্যারিবীয় দ্বীপমালার একটি দ্বীপ গুয়াডেলুপ যার অধিবাসীরা ফরাসী ভাষায় কথা বলে। দ্বীপটিকে ডাকা হয় “সুন্দর পানির দ্বীপ” বলে। এই দ্বীপের জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান। ব্লগাররা গুয়াডেলুপের পানি দিবস (লে জুর্নে ডে ল’উ এ গুয়াডেলুপ) উপলক্ষে আয়োজিত সম্মিলন নিয়ে তাদের ভাবনা লিখেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন্নে ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/19/guadeloupe-the-water-days/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/484776493_411825502f.jpg" alt="484776493_411825502f" title="484776493_411825502f" width="500" height="375" class="aligncenter size-full wp-image-7132" /></p>
<p>ক্যারিবীয় দ্বীপমালার একটি দ্বীপ গুয়াডেলুপ, যার অধিবাসীরা ফরাসী ভাষায় কথা বলে। দ্বীপটিকে ডাকা হয় “সুন্দর পানির দ্বীপ” বলে। এই দ্বীপের জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান। এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যখন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Guadeloupe#Climate">গুয়াডেলুপের জলবায়ুকে</a> দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়। কারণ কখনো দ্বীপটি বৃষ্টিপাতহীন এবং পানি শূন্য থাকে, আবার কখনো দ্বীপটিতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং সে জন্য যথেষ্ট পানি পাওয়া যায়। কারিমা হচ্ছে এই এলাকার ৬ মাসের এক শুকনো মৌসুম এবং হিভারনেজ হচ্ছে ৪ মাসের এক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Guadeloupe#Hurricanes">ঝড়ো ও বৃষ্টিপূর্ণ সময়</a>। গুয়াডেলুপ কেবল যে পানি নামক উপাদানের উপর নির্ভরশীল তাই নয়, একই সাথে পানির গুণগত মানের উপর তাকে নির্ভর করতে হয়।  </p>
<p>এ কারণে এখন থেকে ৪৬ বছর আগে <a href="http://web.lerelaisinternet.com/www.siaeag.fr//index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=20&#038;Itemid=2">গুয়াডেলুপে সিন্ডিকেট ইন্টারকমুনাল ডেল এলিমেনেশন এ উ এত ডে এসাইনসইসমেন্ট ডে লা গুয়াডেলুপ</a> [ফরাসী ভাষায়] (সুপেয় পানি সরবরাহকারী ও পয়:নিষ্কাশন সুবিধা প্রদান করার আন্ত:পৌরসভার প্রতিষ্ঠান) নামক প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। প্রথমে তারা সেখানকার তিনটি শহরে পানি সরবরাহ করা শুরু করে এবং বর্তমানে গুয়াডেলুপের ৩৬ টি পৌরসভার মধ্যে প্রায় ১৩ টি পৌরসভায় এই প্রতিষ্ঠানটি পানি সরবরাহ করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে তারা পানি নিয়ে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, এর মধ্যে প্রযুক্তি সমস্যা থেকে পরিবেশ গত বিষয়ও রয়েছে। বিগত আট বছর ধরে <em>লে জুরনে ডে লউয়ু এ গুয়াডেলুপ</em> (গুয়াডেলুপের পানির সময় কাল) নামের এক সংগঠন তাদের চিন্তা ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তারা এর সাথে পেশাদার কর্মী ও জনতাকে যুক্ত করেছে। ব্লগার <a href="http://www.jarrycafe.com/les-journees-de-leau-en-guadeloupe-du-13-au-17-octobre-2009">জেরিক্যাফে</a> [ফরাসী ভাষায়]  গুয়াডেলুপের অর্থনৈতিক কেন্দ্র জেরির প্রতিদিনের জীবন সম্বন্ধে ভাল মত জানেন। তিনি সম্প্রতি পানি নিয়ে ৫ দিনের এক সম্মিলনের আয়োজন করেন।     </p>
<blockquote><p>Du 13 au 17 octobre venez vous informer au WTC de Jarry sur les problématiques environnementales de l’eau et ses enjeux dans les années à venir.</p></blockquote>
<div class="translation">অক্টোবরের ১৩ থেকে ১৭ তারিখ জেরির ডাব্লিটিসিতে প্রবেশ করুন এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য জানুন, সুপেয় পানি পাওয়া এবং সামনের দিনগুলোতে পানির এর উপর যে দাবি তৈরি হবে সে বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে।</div>
<p>পানি নিয়ে অসংখ্য জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং গুয়াডেলুপের ব্লগার <a href="http://indiscretions.over-blog.fr/article-interview-amelius-hernandez-siaeag-14-10-09-37580154.html"><em>ইনডিসক্রিটনস</em></a> [ফরাসী ভাষায়] জানাচ্ছে, উক্ত সিন্ডিকেটের সভাপতি পানির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছে। যেমন পানি প্রবাহের এলাকা ক্রমাগত নষ্ট হতে থাকা এবং পানি পরিশোধন প্লান্ট তৈরি করা, বিপুল পরিমাণ পানির অপচয় ও শুকনো মৌসুমে পানি সঞ্চয় করে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে। মনে হচ্ছে যে  কয়েক বছর ধরে পরিবেশগত বিপর্যয় গুয়াডেলুপের জনগণের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chlordecone#Kepone_in_the_French_Antilles">কেপোনে কীটনাশক নিয়ে যে সমস্যা </a>ও সেটি নিয়ে যে নজীর বিহীন সর্তকতা মূলক ব্যবস্থা নেবার আলোচনা  হচ্ছে <em>ইনডিসক্রেশনস</em> তাই জানাচ্ছে [ফরাসী ভাষায়]।      </p>
<blockquote><p>Il y a eu des générations d&#39;agriculteurs qui ont utilisé des produits phytosanitaires qui ont pollué les nappes d&#39;eau, surtout en Basse-Terre. On dit qu&#39;il y a des eaux polluées…</p></blockquote>
<div class="translation">বংশ পরম্পরায় কৃষকরা পায়খানা থেকে তৈরি হওয়া পণ্য বা ফাইটোস্যানেটারি ব্যবহার করে, এগুলো মাটির নিচের পানিকে দুষিত করে ফেলছে, বিশেষ করে বাস টেরা অঞ্চলের এলাকাকে। কেউ কেউ বলছে যে এখানকার পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে।</div>
<p><a href="http://www.gaiasoleil.fr/welcome/index.php"><em>গাইয়াসোলেল</em></a> ব্যাখ্যা করেন যে কেপোনে নামক কীটনাশক উপাদানের ব্যবহার গুয়াডেলুপের পানিকে বিষাক্ত করেছে। সম্মিলেনে অন্য সব বিষয়ে সাথে এই বিষয়টিকে কিভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে [ফরাসী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Le problème de la pollution de rivières à la chlordécone est certes dans toutes les têtes lors de ces journées. Cette catastrophe écologique n’est qu’un aspect de la pollution générale des milieux aquatiques : d’autres produits phytosanitaires et d’autres pollutions, dont celles pouvant être occasionnés par les déchets ou les vidanges sauvages sont en cause.</p></blockquote>
<div class="translation">সম্মিলনের সময় সবার মাথায় ছিল কেপোনের দ্বারা নদীর পানি দুষিত হবার বিষয়টি। তবে পরিবেশ গত এই সমস্ত বিপর্যয় সমস্ত পানি দূষণের ক্ষেত্রে পুরো ঘটনার একটি অংশ মাত্র। অন্য সব ফাইটোসেনেটারি বা পায়খানার মল থেকে তৈরি উপাদান এবং অন্য সব দূষণ এক অর্থে ময়লা ও সেগুলো অপসারণ করা থেকে সৃষ্টি হয়।</div>
<p><a href="http://www.domactu.com/actualite/910911381764054/guadeloupe-eaux-necessite-verites-et-solidarites-dans-la-caraibe/">ডোমাকটু</a> এছাড়াও এই অনুষ্ঠান এবং সম্মিলনে আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয় তার কথা উল্লেখ করেছেন [ফরাসী ভাষায়] (ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে পানি, প্রয়োজনীয়তা, সত্য এবং একতা)। গাইয়াসোলেল সেখানে আগত বিদেশী অতিথি ও সম্মিলনকে ঘিরে তাদের সহযোগিতার কথাও গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করেন [ফরাসী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>…les intervenants de Cuba, de République Dominicaine, d’Haïti ont eu l’occasion d’exposer les problématiques de l’eau sur leurs territoires et les solutions qu’ils ont choisies.</p></blockquote>
<div class="translation">কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ও হাইতি থেকে লোকজন এই সম্মিলনে অংশগ্রহণ করেছিল। এখানে তাদের নিজ নিজ দেশের পানি সমস্যা ও সমাধানের বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, আলোচনার প্রেক্ষিতে যে সমাধান তৈরি হয়েছে, সেগুলো তারা তাদের নিজ নিজ দেশে প্রয়োগ করতে চান।</div>
<p><em>ইনডিসক্রিটনসের</em> শেষ মন্তব্যটি ছিল অনেক বেশি কেন্দ্রীয় ভাবে গুয়াডলুপিয়ানদের নিয়ে, যা পানি সম্বন্ধে এক সচেতনতা ও ক্যারিবিয়ান লোকদের বিস্তৃত এক অনুভূতির প্রতিধ্বনি: এই অনুভূতি এ রকম যে, এখানে সবাই বিচ্ছিন্ন ও  এখানে আঞ্চলিক সহযোগিতার অভাব রয়েছে [ফরাসী ভাষায়]: </p>
<blockquote><p>…Je vous parlais de l&#39;eau de la Dominique pour irriguer Marie-Galante. J&#39;ai vu, à Santo Domingo, une station d&#39;épuration qui fonctionne parfaitement, qui coûte moins cher à la construction que tout ce que nous avons. Il faut regarder ce qui se fait autour de nous. Nous avons beaucoup à donner, beaucoup à apprendre.</p></blockquote>
<div class="translation">আমি ডোমেনিকা থেকে চাষের জন্য মারি- গালান্তেতে আনা পানির কথা বলছি। ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে আমি পানি পরিশুদ্ধ করার একটা প্লান্ট দেখেছি যা অনেক কম টাকায় বানানো এবং এই প্লান্ট ভালভাবে কাজ করছে, আমাদের এখানে যে সমস্ত প্লান্ট রয়েছে তার চেয়ে এই প্লান্ট ভালভাবে কাজ করছে। পানি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে নিজেদের দিকে তাকাতে হবে। এর জন্য আমাদের অনেক কাজ করতে হবে এবং অনেক কিছু শিখতে হবে।</div>
<div class="contributors">এই পোস্ট যে ছবি ব্যববহার করা হয়েছে তার নাম “<a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/484776585/in/set-72157600178893935/">পানির জগত</a>” এবং এটি <a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/">স্নাপ®</a>-এর তোলা। <a href="http://creativecommons.org/licenses/by/2.0/deed.en">ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স</a> এর আওতায় এই ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে। <a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/">স্নাপ®-এর ফ্লিকার ফটোস্ট্রীম</a> ভ্রমণ করুন।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কিভাবে অর্থনৈতিক মন্দা মাতৃত্বের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 22 Oct 2009 06:11:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7060</guid>
		<description><![CDATA[যখন গতবছর বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন মায়েরাও এর শিকার হয়ে পড়ে। এই জটিল অর্থনৈতিক অবস্থায় বেশীর ভাগ মানুষের মাথায় আসে নি যে মায়েরাও এই অর্থনৈতিক দুরবস্থার শিকার হতে পারে। সম্প্রতি এক তথ্য জানা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার সময় মায়েরা শেয়ার বাজারের মত ক্ষতির শিকার হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/daniel/">ড্যানিয়েল চন্দ্রানায়াগাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/15/how-the-recession-has-affected-motherhood/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যখন গতবছর বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন মায়েরাও এর শিকার হয়ে পড়ে। এই জটিল অর্থনৈতিক অবস্থায় বেশীর ভাগ লোকের মাথায় আসে নি যে মায়েরাও এই অর্থনৈতিক দুরবস্থার শিকার হতে পারে। সম্প্রতি এক তথ্যে জানা যাচ্ছে, অর্থনৈতিক এই মন্দার সময় মায়েরা শেয়ার বাজারের মত ক্ষতির শিকার হয়েছে।</p>
<p><strong>বিকল্প আয়</strong></p>
<p>এই <a href="http://www.associatedcontent.com/article/277958/single_mothers_are_turning_to_online.html"><em>বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত</em></a> এক লেখার সারমর্ম:</p>
<blockquote><p>শিশুদের যত্ন নেবার যে সমস্ত উপাদান তার দাম ভীষণ ভাবে বেড়ে যাওয়া এবং একই সাথে চলতে থাকা অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মায়েরা নিয়মিতভাবে তাদের সন্তানের ভরণপোষণ করতে পারছে না। বর্তমানে অনেক নি:সঙ্গ মা নিজের ও সন্তানের ব্যয় নির্বাহের জন্য পতিতায় পরিণত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>এই তথ্যের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে যে, ইন্টারনেট এইসব মায়েদের জন্য এক নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। “হলি” নামের এক মা, যার বয়স ২৫ বছর, তিনি আমাদের জানাচ্ছেন তার পতিতায় পরিণত হবার কথা:</p>
<blockquote><p>আমার প্রাক্তণ স্বামী আমার চার বছরের পুত্র সন্তানকে প্রতিপালনের জন্য কোন টাকা দিচ্ছে না, এদিকে টাকার জন্য আমার প্রায় পাগল হয়ে যাবার মত অবস্থা&#8230; আমি এক ধনী মানুষের খোঁজে ইয়াহুতে বিজ্ঞাপন দিয়েছি, যে যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে (সুগার ড্যাডি) আমাকে এই বিপদ থেকে বের হতে সাহায্য করবে।</p></blockquote>
<p>এই সমস্যাটি জাপানে ক্রমাগত একটি ধারায় পরিণত হচ্ছে। <a href="http://www.japantoday.com/category/kuchikomi/view/single-mothers-squeezed-by-recession-turning-to-prostitution-as-last-resort"><em>জাপান টুডে জানাচ্ছে</em></a>: </p>
<blockquote><p>জাপানের স্বাস্থ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য জানা যায়, জাপানে প্রায় ১.২৩ মিলিয়ন (১২,৩০,০০০) নি:সঙ্গ মা (যারা স্বামীর সাথে থাকে না বা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবার পর সন্তান তার মায়ের সাথে থাকে এমন মহিলা) রয়েছে। সরকারের দেওয়া সুবিধাদি সহ তাদের গড় বাৎসরিক আয় প্রায় ২.১১ মিলিয়ন ইয়েন- যা একটা সংসারের বার্ষিক ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ। ২০০২ সালে এক পরিবর্তিত সমাজ কল্যাণ আইনের কারণে তাদের সুবিধাও কমে গেছে। বর্তমান চলমান অর্থনৈতিক মন্দা তাদের বেছে বেছে কাজ করার সুযোগও কমিয়ে এনেছে। ২৮ বছরের সুজুকি এই পরিস্থিতিকে উল্লেখ করেন “রুরিকো কামাতা” বলে, যার মানে পতিতাবৃত্তি তার জন্য বেঁচে থাকার একমাত্র উপায়।</p></blockquote>
<p>কেবল নি:সঙ্গ মায়েদের ক্ষেত্রে নয়, নি:সঙ্গ মহিলারাও জাপানে পতিতা বা “অতিথি (মনোরঞ্জনের জন্য)” পেশায় নিয়োজিত হচ্ছে। <a href="http://www.groundreport.com/World/Japanese-women-turn-for-club-jobs-again/2904802"><em>গ্রাউন্ড রিপোর্টের </em>এক সংবাদে</a> জানা যাচ্ছে অনেক তরুণী “ক্লাবের নোংরা পেশায়” জড়িয়ে পড়ছে। অস্ট্রেলিয়ার নার্সদের ব্লগ <a href="http://www.nurseinaustralia.com/nurses-turn-to-prostitution/"><em>নার্সেস ইন অস্ট্রেলিয়া</em></a>  জানাচ্ছে, নার্সরা তাদের পেশা ত্যাগ করে পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। </p>
<p>এই রকম এক <a href="http://abcnews.go.com/Business/Economy/story?id=6308834&#038;page=1&#038;page=1">সংবাদের</a> প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের সকল সত্যিকারের নারীদের জন্য উৎসর্গীকৃত <a href="http://wandaphullworld.com/2008/11/24/desperate-women-are-turning-to-prostitution-during-recession/"><em>ওয়ান্ডফুল ওয়ার্ল্ড</em></a> ব্লগ বলছে:</p>
<blockquote><p>নারী, আমরা জানি সময় এখন কতটা কঠিন এবং আমরা ঘর ভাড়া দিতে পারছি না, কিন্তু এই রকম কঠিন সময় চিরদিনের জন্য থাকবে না। কাজেই প্রার্থনা কর এবং ধৈর্য ধর। এখন সময় সকলের জন্য কঠিন কিন্তু তারপরেও নারী হিসেবে আমাদের দৃঢ় হয়ে থাকতে হবে এবং অর্থনৈতিক এই দুরবস্থার সময় আমাদের হৃদয়, ঘর এবং শরীরকে ভেঙ্গে পড়তে দেওয়া চলবে না। নারীরা অনেক দৃঢ়, যার জন্য পুরুষেরা তাদের প্রশংসা করে এবং আমি নিশ্চিত যে সত্যিকারে কঠোর পরিশ্রমী নারী এই ধরনের গল্পে বিরক্ত বোধ করবে, যেমনটা আমি করি। এর পরেও (আমি) তাদের জন্য করুণা অনুভব করি, যারা মনে করে এই বিষয়টি (পতিতাবৃত্তি) প্রয়োজনীয়।</p></blockquote>
<p><strong>মাতৃত্ব ধারণ করার আগে দ্বিতীয় বারের মত ভাবনা </strong></p>
<p>নারীদের উপর মন্দার আরেকটি প্রভাব তৈরি হয়েছে। এটি হল মাতৃত্ব নিয়ে নারীদের ভিন্ন এক ভাবনা। অনেক মহিলা মা হবার আগে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করছে। <a href="http://www.besternews.com/article/Bester%20News%20-%20Top%20News/Recession%20giving%20U.S.%20women%20pause%20about%20motherhood/">রয়টার্সের মাধ্যমে <em>বেস্টার নিউজ</em> জানাচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>অর্থনৈতিক মন্দার কারণে অনেক আমেরিকান মহিলা কোন সন্তান নেবার আগে দ্বিতীয় বারের মত চিন্তা করে, বৃহস্পতিবারে প্রকাশিত এক জরীপে এই তথ্য প্রকাশ পায়। জরীপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের মত মহিলা জানিয়েছে এখন তারা দেরীতে সন্তান নিতে চান অথবা যে পরিমাণ সন্তান তারা পূর্বে নিতে চেয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার পরিমাণ কমিয়ে আনতে চান।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.workitmom.com/bloggers/workingonmotherhood/?p=55"><em>ওয়ার্ক ইট, মম</em> এর ব্লগার</a> লেহ, তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p><a href="http://parenting.blogs.nytimes.com/2009/02/09/postponing-a-baby-in-this-recession/">নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন</a>, <a href="http://www.webmd.com/baby/news/20081014/shrinking-economy-puts-baby-on-hold">ওয়েবমেড</a>, এবং <a href="http://www.workitmom.com/blogs/member_blog_post/6464">ওয়ার্ক ইট মম</a> -এর, সবাই তাদের পত্রিকায় অর্থনৈতিক দুরবস্থা যে শিশু জন্ম হার ও প্রতিটি ঘরে সন্তান নেবার হারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে তা তুলে ধরছে। একটি পরিবার তা পুরোনো মন মানসিকতার অথবা কোন ফার্টিলিটি বা চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান লাভ করা পরিবার, অথবা কাউকে দত্তক নেবার মাধ্যমে সন্তান লাভ, সব ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়ছে- যে কোন ক্ষেত্রেই যতই ব্যয় কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হোক না কেন, তারপরেও সব গুলো পদ্ধতি ব্যয়বহুল। এর সাথে গত শরৎ-এর পর থেকে যে তিনটি প্রধান ব্যয়ের কথা আমি উপলব্ধি করছি- তা হল মাতৃত্ব কালীন ছুটি, সন্তানের যত্ন এবং স্বাস্থ্য বীমা- অন্য সব খরচের সাথে এগুলো যুক্ত হয়েছে। এর বাইরেও ডজন খানেক অর্থনৈতিক উপাদান রয়েছে, যা সন্তান নেওয়া যাবে কি যাবে না তার উপর প্রভাব বিস্তার করে।</p></blockquote>
<p><em>এরিকা</em> এই ব্লগ পোস্টে মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আমার বয়স প্রায় ২৯ বছর এবং ৩০ বছরের মাথায় আমি দু&#39;টি সন্তান নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই অর্থনৈতিক মন্দায় মনে হচ্ছে না তা সম্ভব হবে। আমি আশা করি সামনের বছর পরিস্থিতি আরো ভালো হবে। আমার স্বামী আমাকে বোঝাচ্ছে, যে একটি সন্তান আমাদের রয়েছে তাকে নিয়ে আমাদের সুখী থাকা উচিত, কারণ সে মনে করে আরেকটি সন্তানের ভরণ পোষন করার ক্ষমতা আমাদের নেই।</p></blockquote>
<p>সম্প্রতি <a href="http://www.guttmacher.org/">গাটমাচের ইনস্টিটিউটের</a> করা এক জরিপ এই সমস্ত আবেগের প্রতিধ্বনি করছে। জরীপে বের হয়ে এসেছে “আমেরিকার মাধ্যম- আয়ের নারীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৪%) অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সন্তান জন্মদানের উপযুক্ত সময়েও সন্তান নিতে পারছে না”। </p>
<p><strong>কি ধরণের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত?</strong></p>
<p><a href="http://www.care2.com/causes/womens-rights/blog/birth/">গাটমাখার ইনস্টিটিউট একই সাথে আবিষ্কার করেছে</a> যে, অনেক মহিলা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি ছাড়াই গর্ভধারণ রোধ করছে অথবা সস্তা কোন গর্ভনিরোধক উপাদান কিনছে, যাতে তারা এই রকম অর্থনৈতিক দুরবস্থায় টাকা জমাতে পারে।  <em>কেয়ার২.কম</em>-এ <em>ওমেন রাইট ব্লগ</em> জানাচ্ছে: </p>
<blockquote><p>সমস্যা হচ্ছে, গ্রহণযোগ্য বা যে সমস্ত জন্ম নিয়ন্ত্রণ উপাদান রয়েছে তার ব্যয় এখনো নাগালের বাইরে, কারণ বিষয়টি এখনো দেশটির মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না..। এটা কেবল জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি নাগালের মধ্যে পাওয়ার বিষয় নয়-এটা মেয়েদের স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় বিষয় যেমন মেরুদণ্ডের নিচের অংশে ক্যান্সার পরীক্ষার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বিবেচনা করছে কি ভাবে এই মন্দার সময় নাগরিক, পরিবার পরিকল্পনা ও পুনরুৎপন্ন স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা যায়।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.cafemom.com/dailybuzz/healthy_living/4988/Can_You_Still_Afford_Birth_Control_in_the_Recession"><em>হেলথি লিভিং বাজ ব্লগের</em></a> <em>ক্যাফে কিম</em> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>আমি এই জরিপের ফলাফলকে এক বিপজ্জনক সঙ্কেত হিসেবে দেখছি, কারণ যদি এই সমস্ত মেয়েরা জন্মনিয়ন্ত্রণের উপাদান কিনতেই অসমর্থ হয়, তা হলে তারা কিভাবে তাদের সন্তানের ভরণপোষণ করতে সমর্থ হবে? এ ব্যাপারে কি করা যায়?</p></blockquote>
<p><em>ক্যাফে কিমের</em> জবাবে <em>অক্টোবর মম</em> লিখেছে:</p>
<blockquote><p>[একটি] শিশু একটা বাচ্চার চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল! যদি কেউ তার শিশুকে পালন করতে না পারে তা হলে দেশের অবশিষ্ট লোক তার সন্তান পালনের জন্য টাকা দেবে, কারণ সে তার প্যান্ট পরতে পারছে না।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.walletpop.com/blog/2009/05/19/recession-adoptions-economy-forces-some-women-to-give-up-babies/"><em>ওয়ালেট পপ</em> এর ফ্রান্সিনা হাফ</a> জানাচ্ছে, যে সমস্ত পরিবারগুলো এই সমস্যায় পড়ে গেছে, তারা তাদের সন্তানকে অন্য কোথায় দিয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করছে। কারণ তারা তাদের সন্তানকে মানুষ করতে পারছে না। একই সাথে <em>ওয়ালেট পপ</em> জানাচ্ছে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান সন্তান দত্তক দেবার ব্যবসা করে, তারা দাবি করছে যে সন্তান দত্তক দিতে চায় এমন মায়েদের এই বিষয়ে খোঁজ খবর নেবার পরিমাণ বেড়ে গেছে। অর্থনৈতিক মন্দা যে মায়েদের উপর কতখানি প্রভাব ফেলেছে এগুলো তার সামান্য কিছু উদাহরণ মাত্র। এই মন্দা কাটিয়ে ওঠার পথে মাতৃত্বকে নিরাপদ করার জন্য সবাইকে আরো অনেক কিছু করতে হবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/22/7060/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
