<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; উন্নয়ন</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/development/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: কৃষাণীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:45:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7585</guid>
		<description><![CDATA[ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে থাকা সত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে তারা সেগুলোর নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/belen-bogado/">বেলেন বোগাডো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/india-women-farmers-stand-against-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><strong>ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে অবস্থান করা সত্ত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে, তারা সেগুলো নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।</strong></p>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে ভারতে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে- সেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক ও ভারতীয় নারীরা এর ফলে সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। যেমন, <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/human-impact/change-in-climate-results-to-prolonged-droughts-in-anantpur/">কৃষকদের উপর খরার মারাত্মক প্রভাব</a> এবং শিশু ও নারীদের উপর তার যে সরাসরি প্রভাব পড়ছে <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/latest-from-the-blog/">অক্সফাম ইন্ডিয়া ব্লগ</a> সে সম্বন্ধে মন্তব্য করছে। </p>
<blockquote><p>গত ১২ বছর ধরে, ভারতে বছরে গড়ে প্রায় ৫০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যাকারীদের দশভাগের এক ভাগই কৃষাণী। (&#8230;) প্রতি বছর দেশটির বিপুল সংখ্যক কৃষক খাবারের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। এবং পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যখন শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণে নারী ও শিশু পাচার শুরু হয়।</p></blockquote>
<p><strong>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে লিঙ্গ একটি বিষয়</strong>:</p>
<p><a href="http://www.thp.org/system/files/Factsheet+on+Women+Farmers+and+Food+Security.pdf">সারা বিশ্বে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়, তার শতকরা ৫০ শতাংশ নারীরা উৎপাদন করে</a>। <a href="http://womensearthalliance.blogspot.com/">ভারতে শতকরা ৮৪ শতাংশ নারী কৃষিকাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত</a> এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, নারীরা তার সবচেয়ে বড় শিকার। এছাড়া লিঙ্গীয় বৈষম্য, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে নারীদের খানিকটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ব্লগার প্রিসিল্লা স্টাকি একজন পিএইচডিধারী গবেষক। তিনি তার ব্লগ <em>দিস লাইভলি আর্থে</em> নির্দেশ করেন, <a href="http://thislivelyearth.com/2009/10/15/women-farmin-and-climate-change/">পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>নারীর প্রতি বৈষম্য, পরিবেশ পরিবর্তনে মেয়েদের অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ভারতের নারীরা বের করেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের শস্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে এসেছে এবং একই কারণে শস্যের গুণগত মান হারিয়ে যাচ্ছে। শস্যের মান খারাপ হয়ে আসা ও নারীদের প্রতি  বৈষম্যের কারণে মেয়েদের স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।</p></blockquote>
<p>কৃষাণী সিতা দেবী এই এ রকম এক ঘটনার উদাহরণ। তার ভাষ্য মতে, “যখন চাষের সময় বৃষ্টি হয় না, তখন মেয়েদের জমিতে শস্য জন্মানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সে সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির জোগান ঘটে না, কারণ পরিবারে মেয়েরা সবার শেষে খাবার খেতে বসে। এর ফলে মেয়েদের অনেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে”। তিনি ব্লগ <em>ফাইন্ড ইয়োর ফিটে</em> পোস্ট করা এই <a href="http://findyourfeet.wordpress.com/2009/10/15/voices-of-rural-women-on-climate-change/">ভিডিওতে</a> এ কথাগুলো বলেন। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><strong>মেয়েরা যখন লড়াই করা শুরু করে</strong>:</p>
<p>ভারতীয় নারীরা কেবল পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুরু করে দিয়েছে। যা ভিডিওর দ্বিতীয় অংশটি দেখা যাচ্ছে। নারীরা বেশ কিছু উদ্ভাবক কৌশল আবিষ্কার করেছে, যাতে তারা বিশ্বের উষ্ণতা বাড়া দুর করতে পারে এবং নিজেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। </p>
<p>ইন্টার প্রেস সার্ভিসের এই প্রবন্ধটি সে সমস্ত তথ্য জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.envirovaluation.org/index.php/2009/11/02/greenhouse-gas-mitigation-issues-for-indian-agriculture">ভারতে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের</a> ক্ষেত্রে কৃষি শতকরা ২০ শতাংশ পরিমাণ দায়ী। ধান ক্ষেত ও গবাদি পশুর মল থেকে তৈরি হওয়া মিথেন গ্যাস এবং সার থেকে তৈরি হওয়া নাইট্রাস অক্সাইড মূলত: পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘের আন্ত:সরকার নিয়োজিত পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির (আইপিসিসি) ২০০৭ সালে প্রণীত এক তথ্যে এ কথা জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে বৃষ্টিপাতের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত আগের চেয়ে কম ঘটে, যা চাষের ক্ষেত্রে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।</p></blockquote>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নারীরা যে সক্রিয় ভাবে লড়ছে, <a href="http://www.ipsnews.org/news.asp?idnews=46131">তার অন্য এক উদাহরণ হল বিদাকান্নে গ্রামের নারীরা</a>। সেখানে মেয়েরা শস্য যেমন  তিসি, ছোলা এবং মটরশুঁটি, গম এবং অন্য শিম জাতীয় শস্য উৎপন্ন করছে। সূর্যমুখী চাষের মাঝামাঝি সময়ে তারা এসব চাষ করছে এবং কোন বাড়তি পানি ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা ছাড়াই তারা চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন তারা চাষের জন্য জমিতে কোন রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করছে না। </p>
<p>এই ধরনের চাষ পদ্ধতি দলিত রমণী অথবা স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য খুবই সহায়ক। দলিতরা ভারতীয় বর্ণপ্রথায় সবচেয়ে নীচু শ্রেণীতে অবস্থান করে। একই পদ্ধতিতে মেডাক জেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের নারীরা এক হয়ে শস্য বিক্রি করছে। একই সাথে তারা গরিব পরিবারগুলোর জন্য উদ্বৃত্ত খাবার জোগাড় করছে। এর বাইরে তারা পরিবেশ দূষিত করে এমন উপাদান এবং ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার করার পরিমাণ কমিয়ে আনছে।  </p>
<p>এইসব কাজে মেয়েদের নেতৃত্ব প্রদান ও তাদের এই প্রচেষ্টা অনলাইনের সম্প্রদায়ের নজর এড়ায়নি। <em>শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য </em><a href="http://www.indiatogether.org/2009/mar/agr-ddsfood.htm"><em>ইনডিয়া টুগেদার</em></a>-এ মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আপনার প্রবন্ধের জন্য ধন্যবাদ, সেখানে আপনি নারীদের কাজগুলো তুলে ধরেছেন। তারা যে পরিবেশ পরিবর্তন রোধে সারা পৃথিবীর জন্য এক আদর্শ (&#8230;) তা উপস্থাপন করেছেন। খাদ্যশস্য মানুষের মৌলিক এক অধিকার, তা কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়। খাদ্যশস্য মানুষের জাতীয় পণ্য, ধরিত্রীমাতা খাদ্যশস্যকে লাভের টাকা বের করার বিষয় মনে করে না। খাদ্যশস্যের উপর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাভের হিসেব, পৃথিবীকে আরো বেশি খাদ্য সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। আপনার মাধ্যমে আমি সেই সমস্ত নারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি, যাদের কাজ পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং কৃষক পরিবারের উপর কোন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করছে না। তারা প্রমাণ করেছে যে এ ভাবেও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন লাভজনক ও টেকসই করা যায় এবং এ ভাবে চাষের মধ্য দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অ্যাঙ্গোলা: লুয়াণ্ডাতে মাত্রাতিরিক্ত জীবনযাত্রার ব্যয়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2009 09:28:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আ্যান্গোলা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7553</guid>
		<description><![CDATA[লুয়ান্ডার উচ্চ জীবনযাত্রার মূল্য খুবই স্ববিরোধী: অ্যাঙ্গোলার উচ্চ হারের উন্নয়ন সূচক বেশীরভাগ দেশের নাগরিকদের ক্রয় সামর্থে প্রতিফলিত হয় না এবং কতিপয় ধনী ছাড়া বাকীদের জীবন যাত্রার মানে কোন উন্নয়ন দেখা যায় না।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/clara-onofre/">ক্লারা অনোফ্রে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/angola-the-high-cost-of-living-in-luanda/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>অ্যাঙ্গোলার রাজধানী <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Luanda">লুয়াণ্ডা</a> হচ্ছে খুব ব্যয়বহুল এক শহর - অ্যাঙ্গোলাবাসী আর বিদেশী সবার জন্য। আপনি এখানের বাসিন্দা হলে নিশ্চয় জানেন সেটা। সাধারণ জিনিষ যেমন খাদ্য, শিক্ষা আর বাসস্থান কিছু ইউরোপীয় দেশের সমান রাখা হয়েছে। আসল পার্থক্য হচ্ছে অ্যাঙ্গোলার বেতন তাদের ইউরোপীয় দিকের সাথে তুলনা করলে হাস্যকর, যার কারনে প্রতিদিনের সাধারণ চাহিদা মেটাতে অনেকের সংগ্রাম করতে হয়।</p>
<p>অবশ্যই এই যুদ্ধ যাদের অর্থ আছে তাদের লড়তে হয় না। এরা জানা অজানা কারনে এমন সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রক্ষিত যা যে কোন মানুষকে ঈর্ষান্বিত করবে। ফেব্রুয়ারীতে ব্রিটিশ কোম্পানি এসিএ ইন্টারন্যাশানলের একটি জরিপ অনুসারে- <a href="http://www.citymayors.com/statistics/expensive-cities-intro.html">বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের মধ্যে লুয়াণ্ডা প্রথমে</a> আছে।</p>
<p><em>মিগুয়েল কাক্সিয়াক্স</em> তার ব্লগ <em>মুন্দো দা ভেরদাদেতে</em> <a href="http://mundodaverdade.blogspot.com/2007/05/o-nvel-de-vida-em-luanda.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Só para terem uma ideia, o custo por noite no hotel em que estou é de 170 USD (quarto individual, com casa de banho e pequeno-almoço mesmo muito sofrível). Estamos a falar de um hotel que deve ter se tanto, duas estrelas. Para um europeu, não só por costumes alimentícios mas também por costumes de segurança, não se arrisca a comer em qualquer botequim de esquina, obviamente. No restaurante onde temos feito as nossas refeições, o custo médio de uma dose é de 30USD (junte-se a isso bebida, sobremesa, entradas e o preço salta logo para 40/45 USD de despesa individual).</p>
<p>    Luanda está numa fase de construção massiva. Junto à Marginal existem apartamentos a 1 milhão de USD. Estão todos vendidos!!!”</p></blockquote>
<div class="translation">“আপনাদের কেবল ধারণা দেয়ার জন্য, আমি যে হোটেলে আছি সেখানে এক রাতের ভারা ১৭০ আমেরিকান ডলার (সিঙ্গেল রুম, বাথরুমসহ, আর বেশ খারাপ নাস্তা)। খুব বেশি হলে, আমরা দুই তারকা হোটেলের কথা বলছি। তবে একজন ইউরোপীয়ানের জন্য কেবলমাত্র খাওয়ার ধরণই না, বরং নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বাইরের রেস্টুরেন্টে খাওয়ার ঝুঁকি নেই না, স্পষ্টভাবেই। যে রেস্টুরেন্টে আমরা প্রায় যাই, এক বেলা খাবারের গড় মূল্য ৩০ আমেরিকান ডলার (এর সাথে পানীয়, মিষ্টি আর প্রারম্ভিক খাবার যোগ করলে মূল্য ৪০/৪৫ আমেরিকান ডলার পর্যন্ত উঠে যায় প্রতি জনের জন্য)।</p>
<p>লুয়ান্ডাতে অনেক নির্মাণ কাজ হচ্ছে। মার্জিনাল (সমুদ্রের কাছের এলাকা) এর কাছে কিছু এপার্টমেন্ট এর মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ মার্কিন ডলার। আর এগুলো সব বিক্রি হয়ে গেছে!!!”</p></div>
<p>দেশের উচ্চ জীবন যাপনের খরচ স্ব-বিরোধী, যেহেতু এটা উচ্চমানের জীবনের সাথে সম্পর্কিত না, অন্তত যারা অর্থনৈতিক ভাবে আরো অনেক নীচু স্তরে আছে তাদের তুলনায়। অ্যাঙ্গোলা উচ্চ উন্নয়নের হার দেখায়, যা দূর্ভাগ্যজনকভাবে বেশীরভাগ অ্যাঙ্গোলার নাগরিকের অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয় না। প্রচুর চাহিদা স্বল্প সরবরাহের সাথে মিলিয়ে পরিস্থিতি কঠিন করে দেয়।</p>
<p>ব্লগ <em>দিয়ারিও দে আফ্রিকার</em> ব্রাজিলের লেখক অ্যাঙ্গোলাতে কি হয় তার <a href="http://diariodaafrica.blogspot.com/2009/02/os-precos-em-angola.html">একটা দ্রুত ব্যাখ্যা দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>    “Não são apenas os alugueres (habitação) que custam caro. Tudo é caríssimo. Um quilo de tomate pode sair por 20 USD. Uma bandeja de uvas pode custar 30 USD o quilo. Um bife com batatas fritas pode custar facilmente, 50 dólares. Um cano furado pode sair por 1000.000 USD. Tapar um pequeno furo na tubulação do ar-condicionado do carro e colocar o gás para enfrentarmos o calor luandense custa 200 USD.</p>
<p>    Precisa de electricista? Ele não vai sair da sua casa sem ter tirado pelo menos 100 USD de você. Mesmo que só tenha trocado uma lâmpada. Porque é tudo tão caro?”</p></blockquote>
<div class="translation">“কেবলমাত্র বাড়ি ভাড়া না যার দাম বেশী। সব কিছুই দামী। এক কিলো টমেটো ২০ আমেরিকান ডলারে বিক্রি হতে পারে। এক ট্রে আঙ্গুর ৩০ আমেরিকান ডলার কিলোতে বিক্রি হতে পারে। এক টুকরো গরুর মাংস আলু ভাজাসহ খুব সহজেই ৫০ আমেরিকান ডলার দাম হতে পারে। একটা পাইপ ফুটো হলে আপনার ১০০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে। গাড়ির এয়ার কান্ডিশনিং পাইপে ছোট একটা ফুটো ঝালাই করে গ্যাস ভরা যাতে লুয়ান্ডার গরমের সাথে পাল্লা দেয়া যায় - তার জন্যে ২০০ আমেরিকান ডলার খরচ হতে পারে।</p>
<p>বিদ্যুৎের মিস্ত্রী দরকার? সে তার বাড়ি থেকে বেরুবে না আপনার কাছ থেকে অন্তত ১০০ ডলার না পেলে। যদি সেটা একটি বাল্ব পাল্টানোর জন্যও হয়। কেন সব কিছু এত ব্যয়বহুল?”</p></div>
<p>এই ব্লগার অনুসারে, এর উত্তর সহজ আর যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করে যা এই দেশ থেকে ৩০ বছরের বেশী উন্নয়নকে চুরি করে নিয়েছে।</p>
<blockquote><p> “O atabalhoado processo de independência e a guerra acabaram com tudo. Primeiro, a independência. Em 1975, pelo menos 300 mil portugueses abandonaram Angola. Médicos, dentistas, advogados, empresários, encanadores, mecânicos, burocratas, professores. Em questão de meses, Angola ficou sem quadros. Não havia quem soubesse gerenciar as finanças do país. Depois a guerra. O esforço de guerra sugou o dinheiro que deveria ser investido na saúde, na educação, nas infra-estruturas do país. Agora multiplique essa situação por 30 anos. O resultado chama-se Luanda.</p>
<p>    Com a alta no preço do petróleo nos últimos anos, os fretes subiram e por tabela, o de todos os produtos. Chegou-se a uma situação tal que mesmo os itens produzidos em Angola podem custar mais que os importados. Porquê? Os economistas que me corrijam, mas parece ter algo a ver com a tal lei da oferta e da procura. Quem quer agora, tem de pagar mais.”</p>
<p>    O país não tem indústrias. Tudo é importado. Vem de navio. No porto, não há espaço. Os navios ficam dois, três meses atracados em alto-mar, aguardando autorização para descarregar. Só agora é que a agricultura começa a dar os primeiros passos. Mas só nas áreas em que não há minas terrestres. O último número que ouvi era de que mais da metade das terras cultiváveis do país estava cheia de minas. Enquanto o terreno não estiver limpo, nada feito. Portanto, até a comida precisar ser importada.</p></blockquote>
<div class="translation">“স্বাধীনতার জন্য কষ্টকর সংগ্রাম যার পরে যুদ্ধ হল তার ফলে সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। প্রথমে স্বাধীনতা। ১৯৭৫ সালে অন্তত ৩ লাখ পর্তুগীজ নাগরিক অ্যাঙ্গোলা ছেড়ে চলে যান। ডাক্তার, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, মিস্ত্রী, সরকারী কর্মচারী, অধ্যাপক। কয়েক মাসের মধ্যে, অ্যাঙ্গোলা বিশেষজ্ঞ শূন্য হয়ে পড়ে। কেউ ছিল না দেশের অর্থনীতি সামলাবার জন্য। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ। যুদ্ধ সকল অর্থ শুষে নিয়েছে যা দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা আর অবকাঠামোতে ব্যবহার করা উচিত ছিল। এই পরিস্থিতিকে ৩০ দিয়ে গুন করুন, আর আপনি লুয়ান্ডা পাবেন।</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরে গ্যাসের উচ্চ মূল্যের কারনে যাতায়াত খরচও বেড়ে গেছে আর, একই সাথে, অন্য সব পণ্যও। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে অ্যাঙ্গোলাতে তৈরি জিনিষের দামও আমদানি করা পণ্যের থেকে বেশী পড়ে। কেন? অর্থনীতিবিদরা আমাকে দয়া করে ঠিক করে দেবেন, কিন্তু মনে হচ্ছে এটা উৎপাদন আর চাহিদার নীতির সাথে যুক্ত। এখন দরকার হলে, আরো বেশী মূল্য দিতে হবে।</p>
<p>দেশে কোন শিল্প কারখানা নেই। সব কিছু আমদানি করা হয়। জাহাজে করে আনা হয়, আর বন্দরে কোন জায়গা নেই। বাহির সমুদ্রে জাহাজ গুলো দুই থেকে তিন মাস নোঙ্গর ফেলে থাকে, তাদের মাল খালাসের অনুমতির জন্য। এখন মাত্র কৃষিকাজ প্রথম ধাপে শুরু হয়েছে - শুধু সেইসব এলাকায় যেখানে ল্যান্ড মাইন নেই। সম্প্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে অ্যাঙ্গোলার অর্ধেক চাষযোগ্য ভূমি ল্যান্ড মাইনে ভরা। যতদিন ভূমি পরিষ্কার হচ্ছে না, কিছুই হবে না। তাই খাদ্যও আমদানি করতে হয়।&#8221;</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg"><img alt="এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে " src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/angola-300x220.jpg" title="ছাগলের মাংস" width="300" height="220" /></a><p class="wp-caption-text">এক টুকরো ছাগলের মাংসের দাম ৬০০ স্থানীয় মুদ্রা (৭ মার্কিন ডলার)। ছবি @বেথিনাগাভার টুইটপিক থেকে </p></div>
<div class="contributors">অনুবাদ করেছেন <a href="http://globalvoicesonline.org/author/melissa-mann/">মেলিসা মান</a></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7553/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মালাউই: খেলাধুলা আর বিস্ময়কর উইন্ডমিল বালক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Nov 2009 08:35:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[মালাউই]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7548</guid>
		<description><![CDATA[অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মালাউই ১-১ গোলে ড্র করেছে ভীতিকর আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে এবং উইলিয়াম কামকোয়াম্বা নামে একজন তরুণ মালাউই বাসী সম্পর্কে একটি নতুন বই আন্তর্জাতিক শিরোনাম হয়েছে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/victor/">ভিক্টর কাওঙ্গা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/12/malawi-of-sports-and-the-windmill-boy-kamkwamba/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাধারণভাবে মালাউই ব্লগ জগৎ চুপচাপ থাকলেও, গত মাসে মালাউইতে অনেক ঘটনা ঘটেছে আর তা ব্লগে এসেছে।</p>
<p>অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মালাউই ১-১ গোলে ড্র করেছে ভীতিকর আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে যাদের রয়েছে চেলসির খেলোয়াড় দিদিয়ের দ্রগবা। মালাউইর কামুজু স্টেডিয়ামে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/10/setting-record-straight.html">বুকারু থান্দি</a> আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের বিরুদ্ধে মালাউইর কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে একটি পোস্ট করেছেন।</p>
<p>সেখানে <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/10/setting-record-straight.html">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে ড্র করার জন্য অভিনন্দন। খুব ভালো হয়েছে। ফ্লেমস ওইই, ইনেন্সো ওইই!</p></blockquote>
<p>আগের একটা পোস্টে, তিনি মালাউইর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসকমের গুরুত্বহীনভাবে কাজ করার জন্য দু:খ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি মাত্র <a href="http://buckaroothandi.blogspot.com/2009/09/is-it-true-that-only-2-percent-of.html">২ শতাংশ মালাউইবাসী বিদ্যুৎ পান</a> এই রিপোর্ট বিশ্বাস করতে চান নি (সত্যি হচ্ছে ৮ শতাংশ)। এর পরে তিনি এক মালাউই তরুণ সম্পর্কে খুব উদ্দীপক একটা গল্পের কথা জানান। ২১ বছরের উইলিয়াম কামকোয়াম্বা প্রায় সাত বছর আগে একটা উইন্ডমিল তৈরি করেছিল- সেটি নিয়ে সম্প্রতি একটা বই প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>বই এর নাম <a href="http://williamkamkwamba.typepad.com/">যে ছেলে বায়ুকে লাগাম পরিয়েছিল</a>।</p>
<p>সে যে উইন্ডমিল বানিয়েছিল সেটা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হত যাতে বাতি জ্বালানো আর বাড়িতে রেডিও চালানো যেত। উইলিয়াম পাদপ্রদীপে আসে প্রায় তিন বছর আগে যখন দৈনিক টাইমসের একজন সাংবাদিক মালাউর রাজধানী থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে কাসুঙ্গুতে এসে তার এই গল্প টা সংগ্রহ করেন। এখন সে আফ্রিকা লিডারশিপ একাডেমির একজন ছাত্র। উইলিয়াম মালাউইকে গর্বিত করে বার বার শিরোনামে এসেছে আর অনলাইনে তাকে আরও বেশী পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p><em>এনদাঘা</em> এই ছেলের সাথে তার <a href="http://ndagha.blogspot.com/2009/10/when-i-met-windmill-boy-william.html">ব্যক্তিগত কথোপকথন</a> তুলে ধরেছেন:</p>
<blockquote><p>তার সাথে কথা বলার সময় আমি মালাউই আর এর বাইরে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে নতুন কিছু করার তার তাড়নাটা বুঝতে পারছিলাম। সে কম সুবিধাভোগীদের জন্য ভাবে বিশেষ করে তার পরিবার আর অনেক মালাউইবাসী যে কষ্ট করে সেই গল্প তুলে ধরে। সে একজন তরুণ যে যে কোন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখার জন্য বদ্ধ পরিকর। আমার কাছে মনে হয়েছে যে সে যত প্রচারণা পাবে, মালাউইর শক্তি খাত নিয়ে তার ক্ষোভ তত বাড়ছে। সঠিক সময় আসলে, অবশ্যই সে অনেক বড় কিছু করবে।</p></blockquote>
<p>তাই ব্লগ জগৎ চুপ থাকলেও, অনেক কিছু হচ্ছে আর বিশ্ব কথা বলছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/16/7548/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মরোক্কো: এই যে সূর্য আসছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Nov 2009 13:05:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মরোক্কো]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7473</guid>
		<description><![CDATA[মরোক্কো নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এক সৌর শক্তি প্রকল্প প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের শক্তি উৎপাদনে পূনর্ব্যবহারকারী শক্তির অংশ বৃদ্ধি করা। বেশীরভাগ ব্লগাররা একে সমর্থন করছেন এবং তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hisham/">হিশাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/05/morocco-here-comes-the-sun/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>মরোক্কো নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এক সৌর শক্তি প্রকল্প প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের শক্তি উৎপাদনে পূনর্ব্যবহারকারী শক্তির অংশ বৃদ্ধি করা। বেশীরভাগ ব্লগাররা একে সমর্থন করছেন এবং তাদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 235px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/I-See-the-Light-225x300.jpg"><img alt="আমি আলো দেখি - ফ্লিকার ব্যবহারকারী এস আই ডেভিডের সৌজন্যে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/I-See-the-Light-225x300.jpg" title="আমি আলো দেখি" width="225" height="300" /></a><p class="wp-caption-text">আমি আলো দেখি - ফ্লিকার ব্যবহারকারী এস আই ডেভিডের সৌজন্যে</p></div>
<p>দক্ষিণ মরোক্কোর শহর  উরযাযাতে এক অনুষ্ঠানে এই পরিকল্পনার উন্মোচন করা হয় যেখানে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মাদ আর আমেরিকার স্টেট সেক্রেটারি হিলারি ক্লিন্টন উপস্থিত ছিলেন। <a href="http://www.map.ma/eng/sections/economy/morocco_seeks_to_ach/view">স্থানীয় সংবাদ সংস্থা অনুসারে</a>, ২০২০ সালের মধ্যে দেশের পুনর্ব্যবহারকৃত শক্তির জাতীয় উৎপাদনকে সৌর, বায়ু আর হাইড্রোইলেক্ট্রিক উৎসের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করা এই পরিকল্পনার লক্ষ্য। একই সূত্র অনুসারে, তত দিনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি দেশের মোট শক্তি উৎপাদনের ৩৮% অবদান রাখবে।</p>
<p><em>ভু দো মারোখ</em> ব্লগের <em>তাহা বালাফ্রেজ</em> <a href="http://www.tahabalafrej.org/green-morocco.html">ব্যাখ্যা করেছেন</a> যে দেশের নতুন এই নীতির পিছনে টিকে থাকা সম্ভব এমন অর্থনৈতিক কোন কারণ থাকবে। তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>Dans le milieu des affaires, un intérêt grandissant est perceptible. Il faut reconnaître que l’effet Obama n’est pas étranger à cette prise de conscience animée par les opportunités économiques qu’elle engendre. Un pays comme le Maroc qui dépend presque entièrement des importations pour son énergie, et dont les ressources en eau se raréfient, a tout intérêt à rejoindre les pays qui y croient et y investissent.</p></blockquote>
<div class="translation">ব্যবসায়ীদের মধ্যে অবশ্যই উৎসাহ আছে। আর এটা বুঝতে হবে যে এর সাথে ‘ওবামার প্রভাব’ কিছুটা আছে, যার পিছনে এটা যে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় সেটাও আছে। মরোক্কোর মতো দেশ, যেটা প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে তার শক্তি জন্য আমদানির উপরে নির্ভর করে, আর যাদের পানি সম্পদ কম, পুরোপুরি ভাবে ইচ্ছুক সেই সব দেশের সাথে একত্র হতে যারা পরিবেশ বান্ধব শক্তিতে বিনিয়োগ করতে চায়।</div>
<p>সরকারী আর বেসরকারী উদ্যোগে নেয়া এই সৌর প্রকল্প আমেরিকার সৌর আর বাষ্প প্রযুক্তি থেকে লাভবান হবে যা মনে হচ্ছে গতানুগতিক বিনিয়োগকারী - বিশেষ করে ফ্রান্সের- থেকে বাজার দখল করতে পেরেছে। <em>দ্যা স্ট্রাটেজিস্ট</em>, যিনি <em>জেনেসিস মরোক্কোতে</em> ব্লগ করেন, এক কথায় <a href="http://genesismorocco.blogspot.com/search/label/Hillary%20Rodham%20Clinton">এটি সমর্থন করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>মনে হচ্ছে ইউরোপীয়রা এটির ব্যাপারে পিছিয়ে গেছে। [আমেরিকার বিনিয়োগকারীদের জন্য] এটি পরিষ্কার বিজয়। আমি পুরোপুরি এর পক্ষে, ইউরোপীয়রা আমেরিকানদের বড়ো মাপের প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করার কৌশল রপ্ত করতে পারবে না&#8230;</p></blockquote>
<p>মরোক্কোর রাজার কাছে দেয়া একটা খোলা চিঠি প্রকাশ করে <em>দ্যা স্ট্রাটেজিস্ট</em> তার উৎসাহ আরো জোরদার ভাবে জানিয়েছেন। <a href="http://genesismorocco.blogspot.com/">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>[Cette technologie pourrait] nous libérer des aléas de la pluviométrie en utilisant l&#39;énergie abondante et renouvelable […], afin de dessaler l&#39;eau de mer et approvisionner outre les besoins de l&#39;industrie et des ménages, un système d&#39;irrigation nationale en appoint, voire en remplacement, de la stratégie des barrages…</p></blockquote>
<div class="translation">[এই প্রযুক্তি পারে] আমাদেরকে বৃষ্টির মুখাপেক্ষী হয়ে বসে থাকা থেকে একটি অসীম পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রের পানি থেকে লবন মুক্ত করা এবং বাড়ি আর কলকারখানার বিভিন্ন কাজে শক্তি যোগান দেয়া সম্ভব করতে। আর উত্তরাধুনিক সেচ ব্যবস্থা গতানুগতিক বাধ নির্মাণ কৌশলকে প্রতিস্থাপন করবে&#8230;</div>
<p>বেশীরভাগ মরোক্কোবাসী এই পরিকল্পনা সমর্থন করছেন বলে মনে হলেও, সবাই মুগ্ধ না। <em>জেব্লি</em> অনলাইন (আরবী) সংবাদ জার্নাল <a href="http://www.hespress.com/">হেস্প্রেসের</a> একটি আর্টিকেলে মন্তব্য করার সময়ে এর খরচ অনেক বেশী বলে জানিয়েছেন। তিনি <a href="http://www.hespress.com/?browser=view&#038;EgyxpID=16344">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>[C]e projet solaire va produire 2000Mega Watt/h, pour un cout de 9 milliards de dollars, ce qui est TROP TROP TROP cher.</p>
<p>Une centrale nucléaire, sa construction de bout en bout coute 1,5 milliard de dollars et produit 1000Mega watt/heure.<br />
Ainsi, avec 9 milliards de dollars le Maroc aurait pu créer 6 centrales nucléaires, et aurait produit 6000Mega watt/heure.<br />
Franchement, je ne comprend pas le choix de nos dirigeants, ils choisissent des téchnologies au hasard, sans réflichir, vraiment ils gaspillent l&#39;argent public.</p></blockquote>
<div class="translation">এই সৌর প্রকল্প ২০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করবে ৯ বিলিয়ন ডলার খরচে, যেটা অনেক বেশী ব্যয়বহুল। পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপনে খরচ হত ১.৫ বিলিয়ন ডলার আর তা একেকটি ১০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করত। ৯ বিলিয়ন ডলার দিয়ে মরোক্কো ৬টি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র স্থাপন করতে পারত আর সেগুলো ৬০০০ মেগা ওয়াট/ঘণ্টা উৎপাদন করতে পারত। সত্যি সত্যি আমাদের নেতাদের পছন্দ আমি বুঝি না। তারা বাছবিচার ছাড়া প্রযুক্তি পছন্দ করেন, কোন পরিকল্পনা ছাড়া। আসলেই তারা জনগণের অর্থের সাশ্রয় করছেন।</div>
<p>একই পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে <a href="http://www.hespress.com/?browser=view&#038;EgyxpID=16344">হেয় বিন ইয়াকদান</a> এই প্রকল্পে বিদেশী শক্তির স্থানীয় সম্পদ হাতানোর আর একটা চেষ্টা দেখছেন। তিনি লিখেছেন:</p>
<blockquote><div class="arabic">نرجو أن لا يخصخص هذا المشروع و نصبح في رحمة شركة ما (في الغالب فرنسية).<br />
لمذا انتظر الملك حتى زيارة كلنتون للإفتتاح صحبتها؟ نظرتي نحو هذا المشروع هو تكريس هيمنة الدول المتقدمة “أمريكا” مثلا</div>
</blockquote>
<div class="translation">আমি আশা করি এই প্রকল্পের অংশ খুব বেশী ব্যক্তি মালিকানাধীন হবে না, যাতে আমরা কর্পোরেশনের (বেশীরভাগ ফরাসী) দয়াতে না পড়ি। রাজা কেন ক্লিন্টনের সফরের অপেক্ষায় ছিলেন? এই প্রকল্প সম্পর্কে আমার ধারণা হল এটি উন্নত দেশ যেমন আমেরিকার আধিপত্যের কাছে নতি স্বীকার করে আছে।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/11/7473/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভুটান: বিশ্বকে বাঁচানোর কারণ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 07 Nov 2009 23:59:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভুটান]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7385</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ভুটান একটি কম পরিবেশন দূষণকারী দেশ। তবে এই দেশটি পরিবেশ দূষণের হুমকির মুখে এর উন্নয়ন এবং জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কারণে। &#8220;পরিবেশ রক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া কি উচিৎ যদি তা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?&#8221; প্রশ্ন করছেন &#8216;অন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/bhutan-the-purpose-of-saving-the-earth/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভুটান একটি কম পরিবেশন দূষণকারী দেশ। তবে এই দেশটি পরিবেশ দূষণের হুমকির মুখে এর উন্নয়ন এবং জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধির প্রচেষ্টার কারণে। &#8220;পরিবেশ রক্ষার দিকে গুরুত্ব দেয়া কি উচিৎ যদি তা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায়?&#8221; প্রশ্ন করছেন <a href="http://dionthejob.blogspot.com/2009/11/purpose-of-environmentalism.html">&#8216;অন দ্যা জব&#39;</a> ব্লগের <em>ডি</em>। তিনি যুক্তি দেখাচ্ছেন: &#8220;মানুষ এবং পরিবেশের মধ্যে বেছে নিতে হলে, মানুষকে অবশ্যই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।&#8221;  </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/07/7385/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মন্দা নিয়ে পর্যালোচনা: বাঁচার উপায় এবং ব্যবসার সুযোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:45:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এন্টিগুয়া-বার্বুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জামাইকা]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিজি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7228</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি চেষ্টা করব কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর চেষ্টাগুলো জানাতে যেগুলো দ্বারা তারা এই মন্দা সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/27/global-recession-survey-survival-tips-and-business-opportunities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/13/global-recession-and-its-discontents/">বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা</a> সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মানষের মন এত রাতারাতি হার মানার নয়। অনেকেই কষ্ট করছে এই মন্দার মোকাবিলা করতে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো মন্দার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর উল্লেখ করব উদাহরণ হিসেবে যারা তাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করছে এই মন্দাকে মোকাবিলা করতে।</p>
<p><strong>মন্দা হতে বাঁচা</strong></p>
<p>ব্রাজিলের <em>ফ্রাঙ্ক কয়েলহো ডে আলচানটারা</em> মনে করেন মন্দার সময়, <a href="http://www.depijama.com/trecos/com-criatividade-voce-consegue-inovar-ate-velas/">কেউ কাঁদে আবার কেউ টিস্যু বেচে।</a> এই মন্দা থেকে বাঁচার জন্য, এই ব্লগার উপদেশ দেয়:</p>
<blockquote><p>Inove. Melhore o que já existe e venda. A crise só existe para os que choram e compram lenços.</p></blockquote>
<div class="translation">নতুন কিছু প্রবর্তন কর। পুরোনো জিনিসের উন্নয়ন কর ও সেগুলোকে বিক্রি কর। মন্দা শুধু তাদেরই জন্য যারা কাঁদে ও টিস্যু কিনে।</div>
<p>আরেক ব্রাজিলিয়ান ব্লগার <em>এভান্ডো সুদ্রে</em> উল্লেখ করেছেন কঠিন সময় থেকে উত্তরণের জন্যে একটি <a href="http://ufnet.blogspot.com/2009/02/7-dicas-pra-encarar-crise.html">“ভিতরের শক্তি এবং সংকল্পের আধার&#8221;</a> তৈরি করার ব্যাপার:</p>
<blockquote><p>Problemas e adversidades fazem parte da vida diária, mas quando a crise nos atinge, é bom ter alguma reserva de força interior eresolução. De fato ter algum tipo de reserva na mente, da qual possamos formar um plano básico de ação e defesa com a qual possamos lidar com a situação. Você é a pessoa mais qualificada para ajudar nesta situação.</p></blockquote>
<div class="translation">সমস্যা এবং প্রতিকূলতা আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ কিন্তু যখন আমরা মন্দাতে ডুবে যাই, আমাদের ভিতরের শক্তি ও সংকল্পের একটি আধার তৈরি করতে হবে। এমন কি, সেটাই ভালো যদি আমাদের মনে কোনো প্রকার সংকল্প থাকে সব সময়ই, যা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাধারণ কার্যকারণ ও সুরক্ষার সিদ্ধান্ত গুলো নিতে পারব এই প্রকার সময়ের মোকাবিলার জন্য। তাহলে এই মন্দা থেকে বের হবার জন্যে আপনি একজন যোগ্য ব্যক্তি।</div>
<p>কিন্তু অনেকে আছে যারা ঋণে জর্জরিত এবং যারা এ থেকে বের হবার উপায় হিসেবে শুধু মাত্র আত্মহত্যার চিন্তা করে। উদাহরণ স্বরূপ ভারতের গুজরাটে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/21/india-gujarat-diamond-workers-suicide-in-the-face-of-crisis/">৭০টির বেশি আত্মহত্যা</a> লিপিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে হীরার পলিশ কারকরা তাদের কাজ হারিয়েছে।</p>
<p>অনেকে মন্দার বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ করেছে। বিনিয়োগকারীরা (প্রধানত: এন্টিগুয়ার), যারা তাদের টাকা-পয়সা হারিয়েছে আমেরিকান কোটিপতি অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের প্রতারণার শিকার হয়ে, তারা একটি সংগঠন তৈরি করেছেন তাদের ধন ফিরে পেতে। <a href="http://www.stanfordvictimscoalition.com/">স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিমস কোয়ালিশন (স্ট্যানফোর্ড এর শিকার মোর্চা)</a> তাদের <a href="http://fraudsvictims.com/Documents/svc%20press%203-13-2009.pdf">সাইটে</a> জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিম কোয়ালিশন একটি আন্তর্জাতিক দল যেটি যুদ্ধ করছে অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের চুরি করা বিলিয়ন ডলারগুলোকে প্রতারিত নিরাপরাধ সকলের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। এই সকল প্রতারিতরা এন্টিগুয়াতে স্ট্যানফোর্ড ফাইনানশিয়াল গ্রুপ এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এই দল কোনো প্রকার রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না অথবা কোনো অনুদান নেয় না তাদের সদস্যদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ব্রুনাইতে, ব্লগাররা সমালোচনা করছে সেইসব ব্যাক্তিদের যারা মন্দা থেকে বাঁচতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/09/brunei-who-deserves-the-undistributed-zakat-funds/">জাকাতের ফান্ড</a> থেকে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল। জাকাত হচ্ছে ইসলামের একটি স্তম্ভ এবং এর মূল নীতি হচ্ছে ধনী কর্তৃক গরীবদের কিছু সম্পদ দেয়া যাদের তা প্রয়োজন। অনেকে আশ্চর্য হয়েছে যে ব্রুনাইয়ের নাগরিকরা যাদের বড় ধরনের ক্রেডিট কার্ড বিল, গাড়ির ঋণ, এবং নিজস্ব ঋণ ছিল তারা এই জাকাতের ফান্ডের থেকে টাকা চেয়েছিল।</p>
<p>এই মন্দা অনেকের মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে <a href="http://www.uptoyoulor.com/2009/03/economic-recession-leads-to.html">শরীরচর্চা কেন্দ্রগুলো ও যোগ কেন্দ্রগুলোতে বেশ ভীড় হয়েছিল</a> যখন সকলে নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দার চিন্তা থেকে রেহাই চাচ্ছিল; এবং অনেকে এই প্রকার শরীর চর্চার জন্য বেশ খরচও করছে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/30/recession-hits-singapore/">সিঙ্গাপুর</a> হচ্ছে  এশিয়ার প্রথম দেশ যা এই মন্দার কবলে পরেছিল গত বছর।</p>
<p>কাতারের একজন কর্মচারী <em>হোমেসিকহোম</em>, আবিষ্কার করেছে যে মন্দার কারণে <a href="http://homesickhome.wordpress.com/2009/03/17/my-own-version-of-financial-crisis/">কেনা বেচার নেশাটি কিছুটা কমেছে।</a></p>
<p>একটি বুলগেরিয়ান সাপ্তাহিক <a href="http://capital.bg/show.php?storyid=685129">কাপিতাল</a> জিজ্ঞাসা করেছিল তাদের পাঠকদের যে কিভাবে এই মন্দা তাদেরকে আঘাত করেছে। <em>সাইমন জানকোভ</em> প্রাপ্ত তথ্যটি <a href="http://crisistalk.worldbank.org/2009/03/has-the-crisis-affected-you-how-.html">সংক্ষেপে জানিয়েছেন</a> একটি ফোরামে:</p>
<blockquote><p>আমি উত্তরগুলো এখনও পড়ছি এবং চিন্তার বাইরে কিছু জিনিস পেয়েছি।</p>
<p>ভাড়া বেড়েছে, এবং যারা মর্টগেজ দিতে পারবে, তাদের সংখ্যা কমেছে; কিছু ছোট ব্যবসাগুলো বলেছে যে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন নাজুক অবস্থায় যে তাদের জন্য আরো সুবিধা হয়েছে; টিভি দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (কারণ খবর গুলো খুবই খারাপ); কমে গিয়েছে সমাজের ভেদ - এখন শুধু নব্য ধনীরা ধনী ; পড়ার সময় বেশী পাওয়া যাচ্ছে; বাইরের বিশ্বের সাথে সম্পর্ক আরো কমেছে। আমার নিজস্ব পছন্দের: অর্থনীতিতে আরো মজা খোঁজা।</p></blockquote>
<p><strong>ব্যবসার খাপ খাইয়ে নেয়া</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মন্দার প্রতিক্রিয়ায় এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে?</p>
<p>কর্মসংস্থান না কমিয়ে, ফিলিপাইন্সের কিছু কিছু কোম্পানী <a href="http://www.bworldonline.com/BW030509/content.php?id=002">কাজের সময় কমিয়ে দিচ্ছে</a>। বিল্ডিংগুলো কম পরিমাণে ব্যবহার হবার কারণে, ম্যানিলার কিছু বাড়ির মালিকরা <a href="http://www.gmanews.tv/story/152275/Office-rentals-to-go-down-until-June-property-consultant-says">অফিসের জন্য ভাড়া কমিয়ে দিচ্ছে</a>। দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত একটি জাপানী কোম্পানী তাদের ব্যবসার লাভ এবং সঞ্চয় ব্যবহার করেছে তাদের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/korea-economic-downturn-and-which-companies-have-the-best-chances-for-survival/">শ্রমিকদের এই দু:সময়ে সাহায্য করতে।</a></p>
<p>ফিজির ব্যবসা প্রধানরা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/fiji-minimum-wage-increase-postponed/">বর্ধিত সরকারী ন্যূনতম বেতন কার্যকারী করা পিছিয়েছে</a> বলে জানিয়েছে তাদের শ্রমিকদের। তারা সতর্ক দিয়েছে যে বেতন বাড়িয়ে দিলে আরো ছাঁটাই এমন কি কোম্পানী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দু:সংবাদ ছিল শ্রমিকদের জন্য।</p>
<p><em>দ্যা এশিয়ান প্যারেন্ট</em> (<a href="http://sg.theasianparent.com/home.php">www.theasianparent.com</a>) এর সম্পাদক <em>রোশিনি মাহতানি</em> বলেছেন ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য <a href="http://sgentrepreneurs.com/commentary/2009/03/09/10-cost-cutting-measures-%E2%80%93-theasianparentcom-way/">খরচের পরিমাণ কমানো নিয়ে</a> -</p>
<blockquote><p>১. অফিসের জায়গা ছেড়ে দিন। মাসিক সঞ্চয়: ১,৫০০ ডলার<br />
২. ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন। একবারের সঞ্চয়: ৪,০০০ ডলার। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৩. ফোনের বদলে স্কাইপ! মাসিক সঞ্চয়: অনুমানিক ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৪. শিক্ষানবিস নিয়োগ দিন। মাসিক সঞ্চয়: ৫০০ ডলার<br />
৫. ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করুণ। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৬. স্কেল। মাসিক সঞ্চয়: ৩০০ ডলার<br />
৭. বেতনের বদলে উদ্দীপনা ভাতা। মাসিক সঞ্চয়: ৭৫০ থেকে ১,০০০ ডলার প্রতি বিপণন কর্মচারীর জন্য।<br />
৮. অংশীদারীত্বে যান । মাসিক সঞ্চয়: ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৯. গাছ বাঁচান (এবং টাকা)। মাসিক সঞ্চয়: ২০০ ডলার<br />
১০. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং। একবারের সঞ্চয়: ২,৬০০ ডলার</p>
<p>মাসিক সঞ্চয়: ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ ডলার প্রতি মাসে</p>
<p>এক বারের সঞ্চয়: ৬,৬০০ ডলার</p></blockquote>
<p>ব্রাজিল থেকে <em>মাইকেল মন্টেরো</em> লিখেছেন তার <a href="http://vitrinepop.blogspot.com/2009/02/criatividade-em-tempos-de-crise.html">তৎপরতা</a> নিয়ে যেটির শুরু করা হয়েছিল পন্তো ফ্রিওতে: যেই সকল ক্রেতারা দোকান থেকে প্রায়ই কিনে, তাদের জন্য একটি বীমা করা থাকবে। যদি তারা কর্ম হীন হয়ে যায় তবে পণ্য দেয়া হবে এবং তার জন্য অতিরিক্ত কোনো পয়সা নেয়া হবে না। এতে তাদের সাহায্য করা হবে।</p>
<blockquote><p>O interessante é que essa ação tem como enfoque a atual crise economica, e em seu anuncio busca tirar o temor que existe nas pessoas de comprar e não poder pegar, o que gera queda nas vendas.</p>
<p>Assim, o consumidor poderá voltar a comprar, e fazer o dinheiro movimentar a economia.</p>
<p>Mais do que uma inteligente proposta de marketing, a ação é um serviço ao país, pois - de forma inteligente -, faz a economia nacional girar capital, e consequentemente manter níveis de venda, empregos, etc.</p></blockquote>
<div class="translation">মজার ব্যপারটা হলো যে এই কাজটি এই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দার পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করে, এবং এই বিজ্ঞাপন দাবি করেছে যে তারা মানুষের চিন্তার উপশম করবে যে তারা হয়ত কোন কিছু কেনার ক্ষমতা রাখে না যা বিক্রয়ের পরিমান কমিয়ে দেয়। এই পদক্ষেপ অনুযায়ী ভোক্তারা আবার কিনতে শুরু করতে পারবে এবং অর্থনীতিতে টাকার যোগান হবে।</p>
<p>আরো চালাকির বুদ্ধি হচ্ছে ভালো সেবা পেলে একটি দেশকে সাহায্য করে, এবং দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা দিতে শুরু করে। এর থেকে বড় পরিমানের কেনা-বেচা, কাজ এবং আরো অনেক তৈরী হয়।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 255px"><a href="http://moscownotes.wordpress.com/2009/02/16/on-housing-and-toilet-paper/"><img alt="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/russia.jpg" title="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”।" width="245" height="309" /></a><p class="wp-caption-text">রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে</p></div>
<p><strong>বাণিজ্যের সুযোগ</strong></p>
<p>অনেক ব্যবসা আছে যারা ঠিকই লাভের মুখ দেখছে এই অর্থনীতির মন্দাতেও। অনেকে এই মন্দার থেকে নিজেদের মঙ্গলই বয়ে আনছে।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">জাপানে</a> বেশ লাভ করছে এই ব্যবসাগুলো: <a href="http://ueki.biz/414.html">ছোট এবং মাঝারি কোম্পানীগুলো</a> যেগুলো স্বল্প পরিমাণে বিক্রি করে যেমন কাঁচাবাজারে, <a href="http://andyandyandy.jugem.jp/?eid=399">ফাস্টফুডের</a> ব্যবসা, <a href="http://business.nikkeibp.co.jp/article/manage/20090129/184281/?P=1">ই-কমার্স</a> এর জোগানদার, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pachinko">পাঞ্চিনকো</a> ইণ্ডাস্ট্রি (যারা গেইম বানায়)।</p>
<p>জাপান থেকে <em>চিকারা ইকি</em> জানিয়েছেন যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">কিভাবে এই মন্দাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে</a></p>
<blockquote><p>１００年に一度と言われている経済危機、考え方を変えると１００年に一度のチャンスかもしれない。不況業種も含め、全ての産業に言えることかもしれません。</p>
<p>ただ、事例の通り何もしなくてもチャンスは生まれるのではなく、コツコツとやってきたご褒美だと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">এই মন্দা নিয়ে চিন্তাধারা পরিবর্তন করে একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে যেটা বহু বছর পরে মাত্র আসে। এই কথা ব্যবসাগুলোকে বলা যেতে পারে, এমন কি যেগুলো মন্দায় ডুবে রয়েছে তাদেরও।</p>
<p>তবে এই অবস্থা এমনি এমনি আসে নি। এটি অনেক সময় ধরে অনেক কষ্ট করার ফসল।</p></div>
<p>ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে যেটা ব্লগার <em>ক্যাসওয়েল হোয়াইটসাইড</em> <a href="http://caswellwhiteside.wordpress.com/2009/03/19/forgotten-in-the-shuffle/">মনে করেন</a> যে ফিলিপিনোদের অধিক হারে দেশে ফিরে আসার কারণে যারা বহির্বিশ্বে আগে কাজ করত।</p>
<blockquote><p>দেখা যাচ্ছে যে ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স কানাডা এবং আমেরিকা থেকে প্রতিদিন তাদের ফ্লাইট  দিচ্ছে  যেটা আগে ছিলো চারদিন প্রতি সপ্তাহে। যদিও ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স (PAL) ঘোষণা করেছে যে এই বৃদ্ধি &#8216;নতুন এবং ভালো সেবা&#39; প্রদান করার জন্য, কিন্তু এটি আসলে ফিলিপিনোদের জন্য একটি সুবিধা। তাদের অনেকে বিশ্বের বহু দেশে তাদের কর্মসংস্থান থেকে ছাটাই হয়েছে। প্রধানত জাপান এবং আমেরিকা থেকেই তারা নিজেদের দেশে ফিরে আসছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://nationmultimedia.com/2009/03/19/business/business_30098297.php">থাইল্যান্ডের উদ্দীপক প্ল্যান</a> অনুযায়ী ৫৫ ইউ.এস. ডলার সমমূল্যের বিশেষ চেক দেয়া হবে কম-উপার্জনকারী প্রত্যেকের জন্যে। এর সুবিধা হচ্ছে যে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজা হাট এবং আরো ১৮টি কোম্পানী থেকে পণ্য কিনতে গেলে। যারা কেএফসি থেকে তাদের উদ্দীপক চেক ভাঙ্গিয়ে খাবার কিনবেন তাদের জন্যে একটি সুবিধা রাখা হয়েছে - বিনামূল্যে<a href="http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=15369">২০ টুকরা মুরগী</a> দেয়া হবে তাদেরকে। </p>
<p><em>এভেরী উওম্যান&#39;স ব্লগ</em> একজন কনডম তৈরীকারকের সাথে একমত পোষণ করেছে যে দেখা গেছে <a href="http://www.everywomansblog.com/people-buy-condoms-recessions">বিপুল সংখ্যক মানুষ কনডম কিনছে</a> যাতে মেয়েরা গর্ভবতী না হয়:</p>
<blockquote><p>আমার বিশ্বাস যে এখানে অনেক সত্য আছে এবং যুক্তি এই বিষয়ে। এই মন্দা এবং অজানার সময়ে, মানুষ আরেকজন পরিবারের সদস্য যোগ করতে চায় না যেটার কারণে আরো অর্থনৈতিক সমস্যার কবলে পরতে হতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>ডগলাস মুইর</em> আশা করেন যে এই বিশ্বে <a href="http://fistfulofeuros.net/afoe/economics-and-demography/a-goodbad-time-to-stop-having-babies/">জন্মতালিকায় একটি বড় প্রকারের ধ্বস নামবে</a>, প্রধানত যেটা আসবে পূর্ব ইউরোপ থেকে।</p>
<p><strong>শুরুতে প্রত্যাবর্তন</strong></p>
<p>এই অর্থনৈতিক মন্দার জন্য, অনেকে শিখছে কি করে মৌলিক নিয়মগুলো ব্যবহার করতে হয় ব্যবসা করার সময়, যেমন প্রথম শ্রেণীর সেবা প্রতি ক্রেতার জন্য। <a href="http://livroseafins.com/2008/05/12/prefeitura-pipoqueiro-pipoca/">ব্রাজিলের এক ভুট্টা বিক্রেতা</a> পুরস্কৃত হয়েছে তার নতুন চিন্তাধারার ব্যবসার জন্য। সে অনেক <a href="http://www.ricardocoelhoconsult.com.br/responsabilidade.php">বক্তৃতা দিয়েছে কিভাবে সফল ব্যবসা চালাতে হয়।</a></p>
<p>জাপানী যুবা এবং খ্যাতিপূর্ণ লোকদের কাছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/japan-agriculture-the-latest-trend-among-celebrities/">কৃষিকাজ অনেক জনপ্রিয়</a> হয়েছে যখন অনেকে খুঁজছে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেগুলো শক্ত করে গড়বে আর্থিক কেন্দ্রগুলোকে। <em>কামিয়ামা ইয়াসুহারু</em> লিখেছেন যে <a href="http://8ada.com/kamiyama/archive/2009/02/post-1.html">কৃষির বিস্তার</a> একটি মজাদার শব্দ হয়ে উঠেছে আজকের জাপানী সমাজে।</p>
<p><a href="http://ki-media.blogspot.com/2009/03/cambodia-tries-alternative-products-to.html">ক্যাম্বোডিয়া</a> আবার শুরু করেছে কৃষিতে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। <a href="http://rspas.anu.edu.au/rmap/newmandala/2009/01/28/laos-too-poor-to-get-any-poorer/">এক লাও অর্থনীতিবিদ</a> বিশ্বাস করেন যে “কৃষি-নির্ভর, স্ব-নির্ভর প্রকৃতি” একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে পারে যেমন লাওসকে করছে এই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার থেকে।</p>
<p>এই অর্থনীতিবিদ আরো বলেন:</p>
<blockquote><p>মানুষ যারা আগে শিল্পোন্নত দেশে বাস করত এখন ভয় পায় তাদের কর্ম যাতে না নষ্ট হয় কারণ তারা জানে না কি করে শাক-সব্জি ফলাতে হয় এবং গবাদি পশু কি করে পালন করতে হয় যেটা লাওসের লোকজন জানে।</p></blockquote>
<p>জ্যামাইকাতে, ২১টি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নেতারা একটি চুক্তি তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে মিলিত ভাবে এই বিশ্ব মন্দার কবলের থেকে নিজেদের ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। তারা আরো শিখেছেন যে একটি <a href="http://www.jamaicaobserver.com/news/html/20090308T200000-0500_147282_OBS_LEADERSHIP_BY_EXAMPLE.asp">“সামাজিক অংশীদারের বক্তব্য”</a> তৈরি করা উচিৎ যেটা সরকার, বিরোধীদল, শ্রমিক, ব্যবসা এবং সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<div class="contributor"><em>উপরের ছবিটি <a href="http://www.flickr.com/photos/suburbanslice/3103078097/in/set-72157611066659335">সাবার্বানস্লাইস</a> এর ফ্লিকার একাউন্ট থেকে আনা হয়েছে। পর্তুগীজ লেখাটি অনুবাদ করেছে জিভির সম্পাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/paulagoes/">পলা গোজ</a>। জাপানীজ লেখাটা অনুবাদ করেছে জিভির অনুবাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কি ভাবে মাতৃত্বজানিত মৃত্যু সম্প্রদায়ের উপর প্রভাব ফেলে তার কিছু ভিডিও</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:23:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অস্ট্রেলিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওশেনিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পেরু]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিয়েরা লিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7285</guid>
		<description><![CDATA[শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে যখন একটি নারী মারা যায়, তখন বিষয়টি কেবল সেই পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে না, সেটি পুরো সম্প্রদায়ের উপর এক প্রভাব তৈরি করে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/videos-on-how-maternal-mortality-affects-communities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7286" class="wp-caption alignleft" style="width: 85px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/babyfeet-75x75.jpg" alt="শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে" title="babyfeet-75x75" width="75" height="75" class="size-full wp-image-7286" /><p class="wp-caption-text">শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে</p></div>গর্ভধারণ, শিশু জন্মদান বা জন্মদানের পর নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় যখন একটি নারী মারা যায়, তখন বিষয়টি কেবল সেই পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে না, সেটি পুরো সম্প্রদায়ের উপর এক প্রভাব তৈরি করে। এই সমস্ত ভিডিও, যা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তোলা, তা পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে আমাদের জানাচ্ছে কিছু গর্ভবতী মেয়ে ও তাদের পরিবারের গল্প। যার মাধ্যমে বুঝতে চেষ্টা করা হচ্ছে, কেন সন্তান জন্মদানের সময় অনেক নারী মারা যায় এবং এই সমস্ত মৃত্যুর ঘটনা থামানোর জন্য কি কি করা উচিত।  </p>
<p>প্রথমে রয়েছে,<a href="http://www.whiteribbonalliance.org/index.cfm"> হোয়াইট রিবন এলায়েন্সের</a> তোলা চার মিনিটের একটা ভিডিও, যার শিরোনাম <a href="http://www.youtube.com/watch?v=VrH7945NhNk">জন্ম ও মৃত্যু</a>। এই ভিডিও ব্যাখ্যা করছে, মাতৃত্বকালীন সময়ে মৃত্যুর জটিলতা কতটা ভয়াবহ এবং কি ভাবে একে বন্ধ করা যায়।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/VrH7945NhNk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/VrH7945NhNk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ইউনিসেফও <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-2z7NH0yxCw">দুই মিনিটের একটি ভিডিও</a> তৈরি করেছে যার উদ্দেশ্য এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা, পাঁচটি ধাপ পালনের মধ্যে দিয়ে মাতৃত্বজনিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব: এই ধাপ গুলো হল শিক্ষা, শ্রদ্ধা, ক্ষমতা, তদন্ত বা যাচাই করা এবং নিরাপত্তা প্রদান।  </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/-2z7NH0yxCw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/-2z7NH0yxCw&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই ভিডিওটি তৈরি করেছে <a href="http://www.hrw.org/">হিউম্যান রাইট ওয়াচ</a> নামের প্রতিষ্ঠান এবং এর শিরোনাম <a href="http://www.youtube.com/watch?v=U1bBYfC8Mf4"><em>খুব নিরবে: ভারতে মায়েদের মৃত্যুর ঘটনা</em></a>। ফটোগ্রাফার <em>সুসান মেইসেলাস</em> ও সাংবাদিক <em>ডুমেথা লুথরা</em> ভারতের সেই সমস্ত এলাকা ভ্রমণ করেছেন যেখানে জানা গেছে শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে মায়েরা মারা গেছে । </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/U1bBYfC8Mf4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/U1bBYfC8Mf4&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>পেরুতে তৈরি এই ভিডিওর নির্মাতা <a href="http://www.youtube.com/watch?v=WOy4Nj5V-mk">ফিল বর্জেস, তিনি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানের</a> জন্য এটি তৈরি করেছেন। <em>দি ওয়াচওমেন ফর লাইভ</em> নামক প্রোগ্রাম মেয়েদের মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে এক সফল ভিডিও বলে প্রমাণিত হয়েছে: এখানে রয়েছে সম্প্রদায়ের মধ্যে মেয়েদের ক্ষমতা প্রদান করা এবং তাদের শিক্ষিত করা এবং মাতৃত্বকালীন সময়ের স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব ও ধাত্রীদের এক সতর্কতা সঙ্কেত সম্বলিত চার্ট। এই চার্টে থাকবে কখন কখন গর্ভবতী মাকে ক্লিনিকে পাঠাতে হবে, সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে কখন একটা নারীকে ক্লিনিকে নিয়ে যেতে হবে। এর কারণে প্রসব বেদনার সময়কার জটিলতার ক্ষেত্রে নাটকীয়ভাবে মৃত্যুর হার কমে গেছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/WOy4Nj5V-mk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/WOy4Nj5V-mk&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই ভিডিওটি বানিয়েছে যা ১৮ মিনিট লম্বা। এই ভিডিওটি<a href="http://www.youtube.com/watch?v=oHjwc4a57Vo"> সিয়েরালিওনের মাতৃত্বজনিত মৃত্যু</a> নিয়ে বানানো। দেশটির প্রতি ৮ জন নারীর একজন সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়: চিকিৎসা সংক্রান্ত মনোযোগ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীর অভাব এবং হাতুড়ে কর্মী ও ক্লিনিক এ সমস্ত মৃত্যুর প্রধান কারণ। এই ভিডিওর মেয়েটি যেমনটা বলছে, এখানে সবাই জানে, গর্ভকালীন ও প্রসবের সময় যে কোন মেয়ে মারা যেতে পারে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oHjwc4a57Vo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oHjwc4a57Vo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবিকা ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের ছাত্রীরা শিশু জন্মদানের সময় ব্যবহারের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম তৈরি করেছে যা উন্নয়নশীল বিশ্বে সরবরাহ করা হবে, যাতে সে সব দেশে মাতৃত্বকালীন সময়ে অপ্রয়োজনীয় সকল মৃত্যু রোধ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে একটা প্লাস্টিকের চাদর যার নিচে মাকে রাখা যায়, শল্য চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য দস্তানা, চামড়া কাটার জন্য ব্লেড, গজ বা বিশেষ কাপড়, সাবান এবং জন্মের সময় শিশুর নাড়ি বেধে রাখার উপাদান। <a href="http://www.youtube.com/watch?v=t7plsQvAo8E">এই ভিডিওতে</a> তারা তাদের এই উদ্যোগের কথা জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশে সফলতার সাথে যে তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/t7plsQvAo8E&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/t7plsQvAo8E&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7285/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
