<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; শিল্প ও সংস্কৃতি</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/arts-culture/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের একত্র করার প্রচেষ্টা: সহনশীলতার চার্টার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 16:42:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7704</guid>
		<description><![CDATA[বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sadiq/">সাদিক আলম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/a-quest-to-unite-religious-communities-the-charter-for-compassion/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।</p>
<p>২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে <a href="http://www.tedprize.org/about-tedprize">টেড পুরস্কার</a> জিতেছিলেন ভূতপূর্ব রোমান ক্যাথোলিক নান <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Karen_Armstrong">ক্যারেন আর্মস্ট্রং</a>, যিনি নিজেকে ‘ফ্রিল্যান্স মনোথিস্ট’ হিসেবে ডাকেন। এই পুরস্কার বছরে তিনজন উৎকৃষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় যারা প্রত্যেকে পান ১ লাখ ডলার এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিষ লাভ করেন - ‘বিশ্বকে পাল্টাবার একটা ইচ্ছার পূরণ।“</p>
<p><a href="http://www.ted.com/">টেড</a> এর মানে প্রযুক্তি, বিনোদন আর ডিজাইন এবং এই তিন জগৎ থেকে মানুষকে একত্র করতে এটি কনফারেন্স হিসেবে (১৯৮৪ সালে) শুরু হয়। এর পর থেকে এর ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত হয়েছে।</p>
<p>বর্তমান বিশ্বে ক্যারেন আর্মস্ট্রংকে ধর্ম নিয়ে একজন মৌলিক আর ভাবনা উদ্রেককারী <a href="http://www.ted.com/pages/view/id/162">চিন্তাবিদ হিসেবে দেখা হয়</a>। তিনি আশা করেছিলেন <a href="http://charterforcompassion.org/learn/">সহনশীলতার চার্টার</a> তৈরি করার। এটি একটি তত্ত্ব যেখানে বিশ্বের সকল ধর্মের মূল বিষয় আর নৈতিক বিষয়গুলো ‘সোনালি আইন’ হিসেবে থাকবে। তিনি টেড সমাজের কাছে এইভাবে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>“আমি আশা করি এই চার্টারের সৃষ্টি, পদযাত্রা আর প্রচারণাতে আপনারা সাহায্য করবেন। আব্রাহামের তিন ধর্মীয় ধারা - ইহুদীবাদ, খৃষ্ট ধর্ম আর ইসলাম এর সম্মিলনে প্রথম সারির একদল উদ্বুদ্ধ কারী চিন্তাবিদ তৈরি করবেন এই তত্ত্ব যা বিশ্বের ন্যায় বিচার আর সম্মানের মূল মন্ত্রের উপরে প্রতিষ্ঠিত।“</p></blockquote>
<p><strong>সম্মিলিত প্রক্রিয়া:</strong></p>
<p>সহনশীলতার চার্টার লেখার গুরুত্বপূর্ণ সূচনা ছিল উন্মুক্ত লেখা প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী লোকেদের অংশগ্রহণ। যে সব মন্তব্য জমা পড়েছিল তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যা এখনও চলছে। চার্টার এখন চূড়ান্ত ভাবে উন্মোচিত করা হয়েছে এই সাইট (http://www.charterforcompassion.org) এ। সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষ এই চার্টারে অবদান রেখেছেন; এটা ধর্ম, মতবাদ আর জাতীয় পার্থক্য ছাড়িয়ে গেছে। এতে প্রথম সারির চিন্তাবিদরা লিখেছেন বিভিন্ন ঐতিহ্য থেকে আবেগ, অর্ন্তদৃষ্টি, জ্ঞান গত আস্থা আর আশা নিয়ে।</p>
<p>সহনশীলতার চার্টারের <em>দ্যা কাউন্সিল অফ সেজেস</em>  এর মধ্যে সন্নিবেশিত হয়েছে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ আর বিভিন্ন বিশ্বাসের প্রতিনিধিরা - যেমন শেখ আলি গোমাহ (মিশরের বড় মুফতি), রাব্বি ডেভিড স্যাপারস্টাইন (ইহুদিবাদের ধর্মীয় কার্যক্রম রিফর্ম সেন্টার), সাদ্ভি চৈতন্য (ধর্মীয় গুরু আর্শ ভিজনায়া মান্দিরাম আশ্রমের) আর আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু (কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকার অবসরপ্রাপ্ত আর্চ বিশপ)।</p>
<div><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="400" height="220" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="400" height="220" src="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object><br />
<a href="http://vimeo.com/6859038">সহনশীলতার চার্টারের ট্রেইলার</a>, <a href="http://vimeo.com/user991996">TED Prize</a> on <a href="http://vimeo.com">ভিমিওর</a> সৌজন্যে।</div>
<p>বিশ্বব্যাপী চার্টারের সহযোগীর মধ্যে আছে অন্যান্যদের মধ্যে টেড, ট্যানেনবাউম সেন্টার, ধর্মীয় নেতাদের বিশ্ব কাউন্সিল, আল-গাজ্জালি সেন্টার, ধর্ম, সংস্কৃতি আর শান্তি ইন্সটিটিউট।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী <a href="http://charterforcompassion.org/share/events/">১৭০টির বেশী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে</a> সহনশীলতার চার্টার উন্মোচন করার জন্য (আপনি <a href="http://charterforcompassion.org/share/participate-in-an-event/">নিজেরটাও করতে পারেন</a>)। চার্টারের উদ্বোধন এরই মধ্যে অনেক উৎসাহী সমর্থন গড়ে তুলেছে আর বিশ্ব ব্লগ জগৎে আলোচনাও হচ্ছে।</p>
<p><strong>সহনশীলতার চার্টারের দৃষ্টিকোন:</strong></p>
<p>মালয়েশিয়ার সাংবাদিক <em>নিকি চিয়ং</em> <a href="http://www.nikicheong.com/blog/time-for-compassion-the-charter-is-unveiled-today.html">তার ব্লগে লিখেছেন</a>, ”মালয়েশিয়াবাসীদের আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সহনশীলতার মানে তাদের কাছে কি সেটা একটা স্টুডিওতে রেকর্ড করার জন্যে। এই বক্তব্যগুলো দিয়ে একটা ভিডিও নির্মিত হয়েছে ১২ই নভেম্বর সহনশীলতার চার্টার উন্মোচনের দিন প্রচারণার জন্য।“</p>
<p><em>আইজাত ফায়েজ</em> মালয়েশিয়ায় সহনশীলতার চার্টারের চিত্রায়নে অংশগ্রহণে <a href="http://blog.aizatto.com/2009/11/06/participating-in-the-malaysian-chapter-of-the-charter-for-compassion/">তার অভিজ্ঞতার কথা ব্লগ করেছেন</a>। <em>র‌্যান্টিংস বাই এমএম</em> <a href="http://rantingsbymm.blogspot.com/2009/11/compassion-and-constitution-concerns-of.html">জানিয়েছেন</a> যে মালয়েশিয়াতে চার্টারের উদ্বোধন করবেন আনুষ্ঠানিকভাবে <em>ইয়াব তুন আব্দুল্লাহ আহমাদ বাদাউই</em>। বিকালে তরুণদের একটা প্যানেলের পরে হবে বিভিন্ন ধর্মের প্যানেল।“ </p>
<p>ইহুদি আর মিশ্রধর্মের যুক্তরাষ্ট্রের <em>দৈনিক তিক্কুন</em> <a href="http://www.tikkun.org/tikkundaily/2009/11/10/karen-armstrong-wants-you-to-teach-compassion/">আহ্বান করেছে</a>, ”সবার এই সুযোগ নেয়া উচিত আপনার চার পাশের সবাইকে মনে করিয়ে দেয়ার সহনশীলতার ক্ষমতা সম্পর্কে আর সেই সব উপায় নিয়ে চিন্তা করা যেখানে সহনশীলতা ব্যবহার করে বিশ্বকে পরিবর্তিত আর রোগমুক্ত করা যায়।“</p>
<p>বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে <em>সুজাতোর ব্লগ</em> <a href="http://sujato.wordpress.com/2009/11/05/charter-of-compassion/">লিখেছে</a>: “আমাদের সকলের উচিত আমাদের অংশটুকু করা ধর্মকে ব্যবহার করে সৃষ্টিশীলভাবে আর গঠন মূলক ভাবে পরিবেশের সাথে সাড়া দেয়া, এটাকে সাহায্যের শক্তিতে পরিণত করা কষ্ট দেয়ার চেয়ে ভালোবাসা আর আপন করা জাগিয়ে তোলা অজ্ঞানতা আর বাদ দেয়ার মনোভাবের চেয়ে।“</p>
<p><em>ওগিল্ভি পাবলিক রিলেশন</em> ফার্মের ব্লগ <em>৩৬০ ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্স</em> <a href="http://blog.ogilvypr.com/2009/11/is-compassion-viral/">এই প্রশ্নটি করেছেন</a>, ”সহনশীলতা কি ‘ছোঁয়াচে”?</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে <em>ব্রায়ান কার্নেল</em> ‌<a href="http://brian.carnell.com/articles/2008/the-golden-rule-is-still-not-much-of-a-moral-principle/">এর বিপক্ষে তর্ক করেছেন</a> বিশেষ করে &#8216;সোনালি আইন&#39; সম্পর্কে যেটা চার্টারের কেন্দ্রে আছে। এটাকে ‘মূল্যহীন ভালো অনুভব করার আশা’ নামে ডাকা উচিৎ কারণ এটি ‘আসল নৈতিক কষ্ট’ সমাধান করে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কলম্বিয়া: সান বাসিলিও দে পালেঙ্কে আফ্রো- কলম্বিয়ার সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7566/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7566/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 18 Nov 2009 12:31:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কলম্বিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7566</guid>
		<description><![CDATA[উত্তর কলম্বিয়ার ছোট একটা গ্রাম সান বাসিলিও দে পালেঙ্ক ছিল স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সময়ের প্রথম স্থান যেখানে আফ্রিকান দাসেরা পালিয়ে এসে বাস করেছিল। এইসব আফ্রিকান দাসদের বংশধররা এখন চেষ্টা করছেন তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/catalina-restrepo/">ক্যাটালিনা রেস্ট্রেপো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/colombia-preserving-afro-colombian-culture-in-san-basilio-de-palenque/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>উত্তর কলম্বিয়ার ছোট একটা গ্রাম <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/San_Basilio_de_Palenque">সান বাসিলিও দে পালেঙ্ক</a> ছিল স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সময়ের প্রথম স্থান যেখানে আফ্রিকান দাসেরা পালিয়ে এসে বাস করেছিল। এইসব আফ্রিকান দাসদের বংশধররা এখন চেষ্টা করছেন তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার। তার সাথে তারা জীবিত রাখতে চান <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Palenquero">পালেঙ্কুরো ভাষাকে</a> যেটি স্প্যানিশ ক্রেওল ভাষা এবং ধারণা করা হয় যে প্রায় ২৫০০ লোক এই ভাষায় কথা বলেন। প্রজন্ম প্রজন্মান্তরে দাসত্বের কাহিনী চলে আসছে, আর সঙ্গীতের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হচ্ছে এই সমাজে। এই গ্রাম  মনে হয় কলম্বিয়ার এই কোনায় আফ্রিকা মহাদেশকে নিয়ে এসেছে।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/palenque.jpg"><img alt="সান বাসিলিও দে পালেঙ্কের ছবি তুলেছেন রয়াল_উইথ_চীজ এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/palenque.jpg" title="সান বাসিলিও দে পালেঙ্কের ছবি" width="400" height="267" /></a><p class="wp-caption-text">সান বাসিলিও দে পালেঙ্কের ছবি তুলেছেন রয়াল_উইথ_চীজ এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত</p></div>
<p><em>আজাদোন দে পালো</em> ব্লগ এই গ্রামের একজন বাসিন্দা এম.এলেনা সাল্গাদোর সাক্ষাৎকার নিয়েছে আর তিনি এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, ”<a href="http://azadondepalo.wordpress.com/2009/07/02/piel-prieta-con-sabor-a-papaya-y-a-patrimonio/">সান বাসিলিও দে পালেঙ্কে থাকতে কেমন লাগে?</a>”</p>
<blockquote><p>Es un lugar pequeño, donde todos nos conocemos. Somos generaciones de todas las familias, desde las primeras que se refugiaron en los Montes de María (así se llama la zona que rodea a San Basilio). Nuestras casas son humildes, hechas con material que nos da la naturaleza; tierra, bahareque, tapia y cemento a la vista. Nuestros techos son de palma y lata, que ayuda a refrescar y soportar el calor.</p></blockquote>
<div class="translation">এটা ছোট জায়গা, যেখানে আমরা সবাই সবাইকে চিনি। আমরা সব পরিবারের বংশধর, প্রথম যে পরিবার মারিয়া পাহাড়ে (সান বাসিলিও কে ঘিরে থাকা এলাকাকে তাই বলা হয়) আশ্রয় নিয়েছিল সেখান থেকে। আমাদের বাড়ি গুলো ছোট, প্রকৃতির দেয়া জিনিষ থেকে তৈরি; ময়লা, কাদার তৈরি ইট আর সিমেন্ট। আমাদের ছাত টিন আর তাল পাতা দিয়ে তৈরি, যার ফলে ঠাণ্ডা থাকে আর গরমকে বাইরে রাখে।</div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/singer.jpg"><img alt="লাস আলেগ্রেস অ্যাম্বুলান্সিয়াস - সান বাসিলিও দে পালেঙ্কের এক সঙ্গীত দল। ছবি তুলেছেন ট্রসকিলার এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/singer.jpg" width="300" height="444" /></a><p class="wp-caption-text">লাস আলেগ্রেস অ্যাম্বুলান্সিয়াস - সান বাসিলিও দে পালেঙ্কের এক সঙ্গীত দল। ছবি তুলেছেন ট্রসকিলার এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত</p></div>
<p>গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে আফ্রো-কলম্বিয়ান আওয়াজ প্রতিফলিত হয়, আর সমাজের লোকেরা এমনটিই দাবী করতে চায়। এই ধারণার মূল বিষয় হল ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে আর ব্লগ <em>কলম্বিয়ান পাসপোর্ট </em>এই ইতিহাস নিয়ে <a href="http://colombiapassport.com/2007/07/10/colombia-negra-otra-gran-nacion-por-descubrir/comment-page-1/"> নীচের অংশ প্রকাশ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>Lo que bien se sabe acerca de los colombianos negros es que son las personas descendientes de los que fueron traídos como mercancía, forzados por las compañías negreras europeas entre los siglos XV y XVIII a todo el territorio de las Américas.</p></blockquote>
<div class="translation">কৃষ্ণাঙ্গ কলম্বিয়ানদের যে ব্যাপারটা জানা গেছে তা হল ১৫ আর ১৮ শতাব্দীর মধ্যে পুরো আমেরিকা জুড়ে ইউরোপীয় দাস কোম্পানি দ্বারা জোর করে যাদেরকে দাস পণ্য হিসেবে এখানে আনা হয়েছিল তাদের বংশধর তারা।
</div>
<p><em>এতনিকোগ্রাফিকা</em> ব্লগে <em>প্যাট্রিশিয়া কুইন্তেরো বারেরা</em> <a href="http://etnicografica.wordpress.com/2009/05/21/hoy-dia-nacional-de-la-afrocolombianidad/">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>La Afrocolombianidad o Identidad étnica Afrocolombiana es el conjunto de aportes y contribuciones, materiales y espirituales, desarrollados por los pueblos africanos y la población afrocolombiana en el proceso de construcción y desarrollo de nuestra Nación y las diversas esferas de la sociedad Colombiana. Son el conjunto de realidades, valores y sentimientos que están integrados en la cotidianidad individual y colectiva de todos nosotros y nosotras. La Afrocolombianidad es un patrimonio de cada colombiano(a), indistintamente del color de la piel o el lugar donde haya nacido.</p></blockquote>
<div class="translation">আফ্রো –কলম্বিয়ান জাতি সত্ত্বা হচ্ছে এই সব বিষয়ের সমষ্টি - আমাদের জাতির গঠন আর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আফ্রিকার মানুষ আর আফ্রো- কলম্বিয়ান জনগণের সমন্বয়ে উন্নীত করা বস্তুগত আর আত্মাগত চেতনা, যা কলম্বিয়ার সমাজের বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে আছে। এগুলো বাস্তবতা, মূল্যবোধ আর ভাবনার সমন্বয় যেটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনের সাথে একীভূত। আফ্রো-কলম্বিয়ান ঐতিহ্য হচ্ছে প্রত্যেক কলম্বিয়াবাসীর সম্পদ, গায়ের রঙ বা জন্ম স্থান ব্যতিরেকে। </div>
<p>পরিশেষে ইউটিউবে আসাব্বাগের চ্যানেলে, <a href="http://www.youtube.com/watch?v=j7pULdFkuB8&#038;feature=geosearch">একটা ডকুমেন্টারির কিয়দংশ আছে</a> যেখানে এখনকার সান বাসিলিও দে পালেঙ্ক গ্রাম দেখানো হয়েছে। এই গোত্রকে ইউনেস্কো মানবতার মৌখিক আর আবশ্যকীয় ঐতিহ্য বলে ঘোষণা দিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/18/7566/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: এল কোশারির যাত্রা শুরু</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 14 Nov 2009 07:55:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7525</guid>
		<description><![CDATA[মিশরে নতুন ওয়েব ভিত্তিক এক ব্যঙ্গ পত্রিকা চালু হল যার নাম এল কোশারি। ধরে নেওয়া হচ্ছে যে এটি মিশরের সবচেয়ে নিরপেক্ষ সংবাদের উৎসে পরিণত হবে। অনেক ব্লগার একে স্বাগত জানিয়েছে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lasto-adri/">ইমান আবদেলরাহমান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/egypt-el-koshary-launched/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://egyptianchronicles.blogspot.com/2009/10/el-koshary-today.html">জেইনোবিয়া</a>, <a href="http://www.tarekshalaby.com/2009/10/el-koshary-today-satirical-news-website-built-with-drupal/">তারেক শালাবি</a> এবং <a href="http://arabist.net/arabawy/2009/10/22/el-koshary-today/">হোসাম এল হামালাউয়ি</a>, আজ (২ নভেম্বর) ‘<em>মিশরের সবচেয়ে সঠিক সংবাদের উৎস</em>’ <a href="http://www.elkoshary.com/">এল কোশারি টুডে</a>-এর যাত্রা সম্বন্ধে তাদের ব্লগে লিখেছে। <em>এল কোশারি</em> নামক পত্রিকার লেখকদের দলটি তাদের নতুন ওয়েবসাইটে নিজেদের সম্বন্ধে এভাবে বর্ণনা করেছেন; &#8220;এটি একটি ওয়েব ভিত্তিক ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা, যা তীক্ষ্ণ মন্তব্য ও কল্পনা শক্তি দিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ (এবং কিছু ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়) বিষয় সম্বন্ধে সচেতনতার সৃষ্টি করবে; এখানে একদল তরুণ কাজ করছে এবং এদের প্রত্যেকে এই ব্যাপারে সর্বোচ্চ শ্রম দিচ্ছে।&#8221;     </p>
<p>এই সাইট তার পাঠকদের সতর্ক করে দেয়:</p>
<blockquote><p>দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা ধারণা করেছিলাম য়ে আমাদের অনেক পাঠক আমাদের কিছু প্রবন্ধে আহত হতে পারে। এর জন্য তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি। কিন্তু তাদের কাছে বিনীত ভাবে বলতে চাই ‘আলোকিত হও’। একজন মহান দার্শনিকের বাণী এখানে আমরা তুলে ধরছি “যদি আমরা নিজেদেরকে পরিহাস করতে না পারি, তা হলে আমরা পরাজিত হব”। (আসলে আমরা কেবল বাক্যটি তুলে ধরছি, কিন্তু তা কঠিন সত্য এক বাক্য!)   </p>
<p>এছাড়া, যদি আপনি কোন তারকা হন অথবা সরকারি কোন বিশেষ ব্যক্তি যে এল কোশারির পরিহাসের মুখে পড়েছেন, তা হলে আপনাকে খুব বিনীত ভাবে জানাচ্ছি, সেক্ষেত্রে আইনের আশ্রয় নিন এবং খুব সামান্য আকারে মৃত্যুর হুমকি প্রদান করুন। তবে, এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখবেন, এতে মিশর নামক আমাদের মা মোটেও খুশি হবে না।</p></blockquote>
<div id="attachment_7526" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/el-koshari-logo.jpg" alt="এল কোশারি-এর লোগো" title="el koshari-logo" width="400" height="400" class="size-full wp-image-7526" /><p class="wp-caption-text">এল কোশারি-এর লোগো</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kushari">কোশারি</a> মিশরের একটি জনপ্রিয় খাবার, যার মূল উপাদান চাল, বাদামি ডাল, ছোলা বা মটরদানা, ম্যাকারনি এবং সাথে থাকে চমৎকার রসুন ও সিরকার মিশ্রণ, আর পরে  মশলা দেওয়া টমেটোর সসে তা পরিবেশন করা হয়। সব শেষে সুগন্ধী চিনি মাখানো পেঁয়াজ দিয়ে এটিকে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়।   </p>
<p><em>শালাবি</em> <a href="http://www.tarekshalaby.com/2009/10/el-koshary-today-satirical-news-website-built-with-drupal/">ব্যাখ্যা করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>কোশারি এক ঐতিহ্যবাহী খাবার যা অর্থনৈতিক কারণে জনপ্রিয়। তার শক্তিশালী ও এক বিশেষ স্বাদ রয়েছে। এই পত্রিকার লেখকদের উদ্দেশ্য গতানুগতিক মিশরীয় ধারা থেকে বের হয়ে আসা এবং বিশ্বমানের কাছাকাছি পৌঁছানো। এর বিশ্লেষণমূলক ও গঠনমূলক সমালোচনা করার মনোভাব রয়েছে, যা সংস্কৃতির ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবী কোশারির জন্ম দেবে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভেনেজুয়েলা: চিত্রশিল্পী জেসাস সোতোর কাজের সাথে মিথস্ক্রিয়া</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7442/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7442/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 19:36:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ভেনেজুয়েলা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7442</guid>
		<description><![CDATA[ভেনেজুয়েলার চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর জেসাস সোতোর (১৯২৩-২০০৫) শিল্পকর্ম  উপভোগ করা যায় দেখা, ছোঁয়া আর তার অংশ হিসেবে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে। তার শিল্পকর্ম দেখার পর কিছু নেট নাগরিক বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/laura-vidal/">লরা ভিদাল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/05/venezuela-interacting-with-the-works-of-artist-jesus-soto/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভেনেজুয়েলার চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Jesus_Soto">জেসাস সোতো (১৯২৩-২০০৫)</a> এর শিল্পকর্ম ল্যাটিন আমেরিকার আধুনিক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব কারীদের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম, যার বেশীরভাগ তার গতিময় (কাইনেটিক) কাজের জন্য পরিচিত। সোতো জন্মগ্রহণ করেন ভেনেজুয়েলার চিউদাদ বলিভার শহরে যেখানে তিনি চলচ্চিত্রের পোস্টার আঁকার শিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেন কারাকাস আর মারাকাইবোতে, কিন্তু প্যারিসে তার কর্ম জীবন শক্তিশালী মোড় নেয়। তার সব থেকে বিখ্যাত কাজ হল ‘পেনিট্রেবল’ যেটা পরস্পর মিথষ্ক্রিয়া করা এক মূর্তি যার মধ্যে বেশ কিছু চারকোনা, পাতলা, ঝোলানো প্লাস্টিকের রঙ্গিন, চকমকে টিউব আছে যার মধ্য দিয়ে জনগণ হেঁটে যেতে পারেন।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://www.flickr.com/photos/alele/2562474428/"><img alt="ছেলে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/kids.jpg" title="জেসাস সোতোর ছেলে" width="400" height="268" /></a><p class="wp-caption-text">সোতোর একটি চিত্রকর্মে একটি ছেলের ছবি। ফ্লিকার ব্যবহারকারী আলের সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত</p></div>
<p>শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, সোতোর শিল্প কর্ম দর্শকদের অবিচ্ছেদ্য অংশ, যারা শিল্পীর কাজের একটা সক্রিয় অংশ হয়ে যান। মায়া আর অনুভব পূর্ণতা পায় মনের ধারণা দ্বারা যা অর্জন করা সম্ভব শিল্পকর্মকে দেখা, ছোঁয়া আর তার অংশ হিসেবে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে। ভেনেজুয়েলার ব্লগার আর অনলাইন কমিউনিটি তার শিল্পকর্মকে উদযাপন করছেন বিভিন্ন লেখা, চিত্রসমালোচনা, আর যাদুঘরে তার কাজের তোলা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে। তারা তাদের সংস্কৃতি, প্রকৃতি আর দৈনন্দিন জীবনে সোতোর কাজের মানে ব্যাখ্যা করেছেন।</p>
<p><em>এডুয়ার্দো কাসানোভা</em> তার ব্লগ <em>লিটেরানোভা</em>তে,  সোতোর জীবনের আর একটু ভিতরে প্রবেশ করেছেন আর তিনি যে শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন তার ইতিহাস তুলে ধরেছেন:</p>
<blockquote><p>Jesús Rafael Soto nació en Venezuela, en 1923, en una población cargada de historia: Ciudad Bolívar, donde se instituyó la prensa escrita y se fraguó la creación de la llamada Gran Colombia (…) Era una población aislada, sin museos ni actividades del arte. El mismo ha dicho que aprendió solo el arte de la pintura. Deja su ciudad natal y viaja a Maracaibo, en el occidente del país, para encargarse de la dirección de una escuela de artes plásticas. En 1950 se va a París y allí comienza su carrera de artista creador de nuevas formas.</p></blockquote>
<div class="translation">জেসাস ১৯২৩ সালে ইতিহাসে ভরপুর একটা শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন: চিউদাদ বলিভার, যেখানে দেশের প্রথম সংবাদপত্র অবমুক্ত করা হয় আর বৃহত্তর কলম্বিয়া সৃষ্টির ধারণা জন্মলাভ করে। এটা একটা নিভৃত জনগোষ্ঠী ছিল, কোন জাদুঘর বা শিল্প সংক্রান্ত কাজ ছিল না। তিনি বলতেন যে তিনি নিজে আঁকা শিখেছিলেন। তিনি জন্মস্থান ছেড়ে মারাকাইবোতে যান, দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আর্ট স্কুলের পরিচালক হতে। ১৯৫০ সালে সোতো প্যারিসে যান আর সেখানে তিনি নতুন ধরণের কাজ (শিল্প) তৈরি করা শুরু করেন। </div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 410px"><a href="http://commons.wikimedia.org/wiki/File:Soto_Sphere.jpg"><img alt="কারাকাসে সোতোস্ফিয়ারের ছবি, গুইলামো রামোস ফ্ল্যামারিশের সৌজন্যে জিএনইউ লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/sotosphere.jpg" title="কারাকাসে সোতোস্ফিয়ারের ছবি, গুইলামো রামোস ফ্ল্যামারিশের সৌজন্যে, " width="400" height="379" /></a><p class="wp-caption-text">কারাকাসে সোতোস্ফিয়ারের ছবি, গুইলামো রামোস ফ্ল্যামারিশের সৌজন্যে জিএনইউ লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত</p></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=kqetiW8MClE&#038;feature=fvw">ভেনেজুয়েলাতুইয়ার</a> ইউটিউব চ্যানেল চিউদাদ বলিভারের জেসাস সোতো জাদুঘরে তার একটা প্রদর্শিত শিল্পকর্মের ভিতর দিয়ে হাঁটার অভিজ্ঞতা উদাহরণ স্বরূপ প্রকাশ করেছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/kqetiW8MClE&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/kqetiW8MClE&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ব্লগ <em>তালেন্তো ভেনেজোলানো</em> এই শিল্পী আর তার সব থেকে বিখ্যাত সৃষ্টি নিয়ে কথা বলেছে:</p>
<blockquote><p>En 1967 creó la primera obra de la serie Penetrables, la cual consiste en instalaciones de tubos de plástico a través de los cuales el espectador se siente en un espacio mágico. Ambas obras que pudieron admirarse en el Museo de Arte Moderno, en el Grand Palais y el Centro Pompidou de París.</p></blockquote>
<div class="translation">১৯৬৭ সালে (সোতো) তার প্রথম ‘পেনেট্রেবেলস’ তৈরি করেন, যেটা প্লাস্টিকের টিউব যার ভিতর দিয়ে দর্শক নিজেকে একটা ইন্দ্রজালপূর্ণ স্থানে পাবেন। দুটো শিল্পই আধুনিক চিত্রকলার জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়, প্যারিসের গ্রান্ড প্লাস আর পম্পেইদো সেন্টারে।</div>
<p>ইউটিউব একটা মাধ্যম হিসেবে দেখা দিয়েছে সোতোর কাজ সম্পর্কে মানুষের মতামত আর অনুভূতি ভাগাভাগি করা যায়। বিশেষ করে বাচ্চারা, শিল্পীর কাজের ভিতরে বিশেষ ধরনের শৈল্পিক সত্তা খুঁজে পেয়েছে, যা ভিডিওর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে:</p>
<p>ইউটিউব ব্যবহারকারী এলিজাউল:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/kWZd2DQ1ASc&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/kWZd2DQ1ASc&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>আর ইউটিউব ব্যবহারকারী স্কারাকাস:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/OlacQOCh0H4&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/OlacQOCh0H4&#038;rel=0&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>শিল্পীর <a href="http://www.jr-soto.com/fset_menuprincipal_fr.html">ওয়েব পেজে</a> আরো শিল্পকর্ম এবং তথ্য আছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7442/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সংঘর্ষকে উপলদ্ধি করার জন্য ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা ভিডিও ব্যবহার করছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 09 Nov 2009 16:15:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[চলচ্চিত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>
		<category><![CDATA[হিব্রু]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7415</guid>
		<description><![CDATA[ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু'টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/06/israeli-and-palestinian-youth-use-video-to-understand-the-conflict/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইজরায়েল ও অধিকৃত প্যালেস্টাইন অঞ্চলের দু&#39;টি ভিন্ন সংগঠন, আরব ও ইহুদি তরুণদের মধ্য সংঘর্ষ বন্ধ ও উভয়ের দূরত্ব কমিয়ে এনে উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনার জন্য ভিডিওকে ব্যবহার করছে। সংগঠন দু&#39;টি তাদের মধ্যে এমন এক বিশেষ জায়গা তৈরি করছে যাতে তারা পরস্পরের সাথে মেশে এবং যোগাযোগ তৈরি করে। এর উদ্দেশ্য যাতে তারা তাদের স্বপ্ন, পরস্পরের সচেতনতা ও চিন্তাভাবনা ভাগাভাগি করে নিতে পারে, যেন তাদের জীবনে যে জটিলতা চলছে তা তারা অতিক্রম করতে পারে। </p>
<p>এই বিষয়ে এক অন্যতম উদ্যোগের নাম হল <a href="http://en.reutsadaka.org/">সাদাকা রেয়ুট</a> এবং তারা তাদের এই <a href="http://en.reutsadaka.org/?page_id=54">উদ্যোগ সম্বন্ধে বলছে</a>:</p>
<blockquote><p>বেশিরভাগ ফিলিস্তিনী ও ইহুদি তরুণ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন (তারা আলাদা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে থাকে এবং স্কুলে পড়াশুনা করে) হয়ে থাকে এবং এর ফলে তাদের একে অপরের প্রতি ভয়, বর্ণবাদ এবং সংস্কার বিরাজ করছে। আমরা দু&#39;টি সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ বা মেশার জন্য বিকল্প এক ধারা তৈরির চেষ্টা করছি। ‘শান্তির এক সংস্কৃতি নির্মাণ’ নামক উদ্যোগটি প্যালেস্টাইন ও ইহুদি তরুণদের পরস্পরের সাথে এক সম্পর্ক তৈরির প্রচেষ্টা যাতে তারা উভয়ে নিজেদের সমান অধিকার সম্পন্ন মানুষ বলে বিবেচনা করে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং তারা ব্যক্তিগত ও জাতিগত ভাবে এই সমস্ত বিষয়গুলো অনুভব করে।</p></blockquote>
<p>তাদের এই অনুষ্ঠানের সদস্যরা এক মিনিটের এক ভিডিও নামক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে, সেখানে তারা এক সপ্তাহের এক কর্মশালায় অংশ নেয়। এই কর্মশালায় তারা ভিডিও এক্টিভিজম সম্বন্ধে শিক্ষা লাভ করে। এখানে তার কিছু ফলাফল রয়েছে এবং আপনি <a href="http://en.reutsadaka.org/?p=846">তাদের সাইটে </a>ক্লিক করে বাকী ভিডিও দেখতে পাবেন:</p>
<div><a href="http://www.youtube.com/watch?v=XkxUC30UNug">আরব</a><br />
<object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XkxUC30UNug&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=US6QtYDVzB8">এএম/এফএম</a>:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/US6QtYDVzB8&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=gT9KX9fKgT0">ভালোবাসার কিছু গান গাওয়া:</a></p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/gT9KX9fKgT0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.win-peace.org/home.html">উইন্ডোজ ফর পিস </a>বা শান্তির জানালা নামক পরিকল্পনা এ রকম আরেকটি উদ্যোগের নাম। এই উদ্যোগের শুরু ১৯৯১ সাল থেকে, যার শুরু তরুণদের জন্য এক পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে। দু&#39;টি ভাষা ও দু&#39;টি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করে এমন এক পত্রিকা এটি। এর উদ্দেশ্য ছিল তারা যেন একে অপরের সাথে মিশতে পারে এবং পরস্পরের দ্বন্দ্বের কারণগুলো জানতে পারে। একই সাথে এই পত্রিকা যেন তরুণদের জন্য সাম্য ও ক্ষমতা তৈরি করতে পারে তার জন্য এটি কাজ করে গেছে। তবে কাজটি সহজ ছিল না। যেমনটা তারা <a href="http://www.win-peace.org/about.html">তাদের সাইটে বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেছে</a>: </p>
<blockquote><p>ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণদের একই মঞ্চে নিয়ে আসার বিষয়টি সহজ কাজ ছিল না, যেখানে উভয়ের মধ্য প্রচুর পরিমাণে ভুল বোঝাবুঝি এবং একই ধরনের বিশ্বাসের মত বিষয়গুলোকে অতিক্রম করে আসতে হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অন্যের সম্বন্ধে শিখে এসেছে। পরস্পরের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তথ্য পাওয়ার অনেক কম সম্ভাবনা থেকে যায়। এর ফলে সম্প্রদায়গতভাবে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বাস করে। চলতে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষ, ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রদায় দু&#39;টিকে পরস্পরের প্রতি ভীতি, সংস্কার ও ঘৃণা তৈরি করতে শেখায়, যা তাদের আলাদা করে রেখেছে। উইন্ডোজ অফ চেঞ্জ বা পরিবর্তনের জানালা নামের উদ্যোগটি এ কারণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যে ভাবে ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনী তরুণরা পরস্পর ও সংঘর্ষকে দেখে তার পরিবর্তন ঘটাবে”। উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গেছে যা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান সংঘর্ষকে ভিন্ন আকারে উপস্থাপন করে, বিষয়টিকে এমন এক শান্তিপূর্ণ বাস্তবতার দিকে নিয়ে গেছে যেখানে উভয় সম্প্রদায় একত্রে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং পারস্পারিক জ্ঞান ও একে অন্যের প্রতি গ্রহণযোগ্যতার  মাধ্যমে স্থির এবং কাঙ্ক্ষিত এক শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হবে।</p></blockquote>
<p>তারা একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যার নাম <a href="http://www.win-peace.org/youth%20media%20program.html">থ্রু দ্যা লেন্স</a>। এখানে ১৫ থেকে ১৭ বছরের তরুণ যারা পত্রিকার মাধ্যমে &#8216;বিশেষ সনদ প্রাপ্ত বা গ্রাজুয়েট&#39; হয়েছে, তারা শর্ট ফিল্ম বা সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র তৈরির উপর দক্ষতা অর্জন করছে। তারা সংবাদ টুকরো এবং অন্য সব ভিডিও  তৈরি করছে যা ভবিষ্যৎ-এ উৎপাদনশীল, শান্তির সংলাপ সম্বলিত এবং ইতিবাচক যোগাযোগ তৈরি করে এমন তথ্য চিত্র তৈরি করতে পারে। </p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=zsxLrfzyAIo">এখানে একটি ভিডিও রয়েছে</a> যেখানে উইন্ডোজ-এর অংশগ্রহণকারীরা যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তার বর্ণনা দিচ্ছে এবং এই কাজে তারা যে সমস্ত জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিল কি ভাবে সেগুলো মোকাবিলা করেছে সেই সব বিষয় উপস্থাপন করছে। একই সাথে তারা ইজরায়েলী ও ফিলিস্তিনীদের মধ্যে যে সংঘর্ষ সেই জটিল বিষয় সম্বন্ধে বলছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/zsxLrfzyAIo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>এই ভিডিওর শিশুরা অনেক শব্দে তাদের কথা বলছে: অনেক মতামত নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাদের বেশ কঠিন সময় পাড়ি দিতে হয়েছে এবং অন্য শিশুদের প্রকাশিত ধারণাকে উপলব্ধি করতে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছে, কিন্তু পরস্পরের মধ্যে আলোচনার জন্য নিরাপদ এবং নিরাপত্তামূলক জায়গা তৈরি করার মত বিষয়টি, যে পৃথিবীতে তারা বাস করছে তাকে বুঝতে সাহায্য করছে। এই ঘটনাটি অন্য শিশু এবং তরুণদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা ও শেখার বিষয়টিকে ভাগাভাগি করে নিতে সাহায্য করছে, এমনকি এটি তাদের ধারণা পরিবর্তনেও তা সাহায্য করছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/09/7415/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সিরিয়া: যে কোন সময়ের সবচেয়ে ভালো অথবা বাজে প্রবন্ধ?</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 08 Nov 2009 19:05:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিরিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7390</guid>
		<description><![CDATA[সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশাজনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। আমরা এই পোস্টে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে সিরিয়ার উপর প্রকাশিত এক প্রবন্ধের উপর প্রতিক্রিয়াগুলো পরীক্ষা করে দেখবো।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/03/syria-the-best-or-the-worst-article-ever/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_7392" class="wp-caption alignleft" style="width: 310px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/syria-300x2251.jpg" alt="সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ান সি ইয়র্কের সৌজন্যে) " title="syria-300x225" width="300" height="225" class="size-full wp-image-7392" /><p class="wp-caption-text">সিরিয়ার অজস্র বিলবোর্ডের মধ্যে এটি একটি যেখানে রাষ্ট্রপতি বাশার-আল-আসাদের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। (ছবি জিলিয়ানসিইর্য়কের সৌজন্যে) </p></div> সিরিয়ার ব্লগাররা প্রায়শই দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক লেখার নিন্দা করে- কারণ প্রায়শই তা খুব বেশি একই রকম হয়ে দাঁড়ায়, অনেক সময় সেগুলো ডাহা মিথ্যা তথ্যে ভরে থাকে। সিরিয়া এমন একটা দেশ যা অন্য অনেক দেশের সাথে লম্বা সময় ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে, অন্তত বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, তখন এটা বেশ হতাশা জনক যে এ ধরনের লেখা সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। সিরিয়ার জনপ্রিয় ব্লগার <em>সাসা</em> <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ারে</em> ব্লগ লেখেন। সম্প্রতি যখন তিনি <a href="http://ngm.nationalgeographic.com/print/2009/11/syria/belt-text">ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধকে</a> চিহ্নিত করেন ‘সিরিয়ার উপর লেখা এই দশকের সবচেয়ে সেরা প্রবন্ধ হিসেবে’, তখন তিনি এই বিষয়ে তার <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/22/the-best-article-on-syria-in-a-decade/">কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করেন</a>। </p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটি সত্যিকারের সিরিয়াকে তুলে ধরেছে। এটা সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানের তালিকা প্রকাশ করেছে যা সিরিয়ার লোকেরা জানে, কিন্তু সে সমস্ত তালিকা বিদেশী সাংবাদিকরা উপেক্ষা করে যায়। তারা তাদের একঘেয়ে গল্পটিকে নিশ্চিত করার জন্য তালিকার এই সব স্থান উপেক্ষা করে যায়।</p></blockquote>
<p>সিরিয়া এমন একটি দেশ যেখানে অনেকের ভাবনা ভিন্ন। সেখানে এটি বিস্ময়কর নয় যে, সবাই এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে শাশার সাথে একমত হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সিরিয়ার রাষ্ট্রদুত ইমাদ মুস্তাফা তেমন একজন (তিনি নিজেও একজন <a href="http://imad_moustapha.blogs.com/imad_moustapha_the_blog/">ব্লগার</a>)। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি লেখেন যা <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305"><em>সিরিয়া কমেন্ট</em> ব্লগে</a> পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধটির উল্লেখ করেছেন এভাবে; প্রবন্ধটি ‘যে সিরিয়া আমি বাস করি তার সম্বন্ধে ভুল ধারণা প্রদান’ করে। যদিও <em>সিরিয়া কমেন্টে</em>-এ <em>জশুয়া লিন্ডস</em> নিজে এই প্রবন্ধের উপর কোন মন্তব্য করেনি, কিন্তু তার পোস্টের উপর প্রায় <a href="http://joshualandis.com/blog/?p=4305&#038;cp=all#comments">আশিটির</a> মত মন্তব্য এসেছে এবং এই বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p><a href="http://www.creativesyria.com/"><em>ক্রিয়েটিভ সিরিয়ার</em></a> মন্তব্য কারী আলেক্স। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফির প্রবন্ধটির উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধে যে সমস্ত কথা লেখা হয়েছে তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে এই প্রবন্ধে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার ৯০ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দেয়&#8230;.আমি মনে করি না যে আমেরিকার কোন নাগরিক এটা পাঠ করার পর সিরিয়ায় ছুটি কাটাতে আসার পরিকল্পনা বাতিল করতে দ্বিধান্বিত হবে। কোন সাহসী সিরিয়ার নাগরিক যে কিনা গণতন্ত্রের জন্য লড়ছে, সে যদি বব টোয়ামার পাশে নির্যাতিত হয় তাহলে কে বব টোয়ামায় দুপুরের খাবার খেতে আগ্রহী হবে ?</p></blockquote>
<p>আরেকজন মন্তব্য কারী <em>ঘাসান</em> এই প্রবন্ধটি পছন্দ করেছেন:</p>
<blockquote><p>এই প্রবন্ধটির অনেক বিষয় যৌক্তিক এবং সঠিক.. অ্যানজির প্রতি আমার সমর্থন রইল এবং মুক্ত সংবাদ ও বক্তব্যের উপর সমর্থন রইল, এইসব বিষয় সিরিযার এখন আর নেই।</p></blockquote>
<p><em>নরমান লিন্ডার</em> পোস্টে মন্তব্য করা হয়েছে, সঙ্গত ভাবে এখানে মন্তব্য করা হয়েছে:</p>
<blockquote><p>এটা বেশ কৌতূহলজনক বিষয় যারা সিরিয়াকে ভালোবাসে এমন নাগরিকরা কি ভাবে এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে একমত পোষণ করে না।</p></blockquote>
<p>সিরিয়ার বাইরে বাস করা অন্য ব্লগারদেরও ন্যাশনাল জিওগ্রাফির এই প্রবন্ধ সম্বন্ধে বেশ শক্তিশালী অনুভূতি রয়েছে। <em>ইভান হিল</em> যিনি গ্রুপ ব্লগ <em>দি মজলিশের</em> জন্য লেখেন, তিনি মনে করেন এই প্রবন্ধটি সিরিয়াকে বর্তমান সময়ের চেয়ে অতীতের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি <a href="http://www.themajlis.org/2009/10/24/when-the-ophthalmologist-becomes-king">বর্ণনা করেছেন</a>:  </p>
<blockquote><p>যে সিরিয়া আমরা ছেড়ে এসেছি, মনে হচ্ছে সিরিয়া সে জায়গায় আটকে রয়েছে, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে এমন এক এক জায়গা তৈরি করে যা প্রায় ৪০ দশক পুরোনো। সরকারের এক তুলা প্রক্রিয়াজাত কারখানার ম্যানেজারের সেখানে কাজের পরিবেশ যে খুবই বিপজ্জনক সে সম্বন্ধে কোন ধারণা নেই, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় সে কি কোন লাভ করতে পেরেছে কিনা, দেখা যাচ্ছে তার লাভের ধারণা অনেক বিভ্রান্তিকর। এখানকার শিক্ষাবিদ ও কর্মীরা এখনো গোয়েন্দা বিভাগকে ভয় পায়, যা বর্তমান রাষ্ট্রনায়ক আসাদের পিতা অনেক বছর আগে সৃষ্টি করেছিল।</p></blockquote>
<p>এই সমস্ত সমালোচনা পাঠ করার পর, <em>সিরিয়া নিউজ ওয়াইয়ার</em> পাঠকদের মূল প্রবন্ধ এবং ইমাদ মুস্তাফার প্রবন্ধ <a href="http://newsfromsyria.com/2009/10/27/not-the-best-article-on-syria-in-a-decade/">পাঠ করার জন্য অনুরোধ করছে</a>, যাতে পাঠকেরা কোন ধারণা তৈরির আগে বিষয়টি সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারে।   </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/08/7390/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভিডিও: জাতিসংঘ আয়োজিত ভিডিও প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা নাগরিক দূতে পরিণত হলেন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7282/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7282/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 12:19:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মেক্সিকো]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7282</guid>
		<description><![CDATA[আমরা আপনাদের সামনে পাঁচটি  ভিডিও তুলে ধরছি যেগুলো জাতিসংঘের এক ভিডিও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে। এইসব ভিডিওতে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি এর নির্মাতাদের সুযোগ দেওয়া হয় তা হলে তারা বিশ্বের নেতাদের কাছে কি কি বলবে। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এই পাঁচজন ভিডিও ব্লগার তাদের বক্তব্য তুলে ধরার সৌভাগ্য অর্জন করেছিল। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিঙ্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/28/video-winners-of-un-contest-became-citizen-mbassadors/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আমরা আপনাদের সামনে পাঁচটি ভিডিও তুলে ধরছি যেগুলো জাতিসংঘের এক ভিডিও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে। এইসব ভিডিওতে বর্ণনা করা হয়েছে, যদি এর নির্মাতাদের  সুযোগ দেওয়া হয় তা হলে তারা বিশ্বের নেতাদের কাছে কি কি বলবে। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতি সংঘ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এই পাঁচজন ভিডিও ব্লগার তাদের বক্তব্য তুলে ধরার সৌভাগ্য অর্জন করেছিল।  </p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/09/25/video-contest-citizen-embassadors-for-the-64th-un-day/">এর আগের এক পোস্টে</a> আমরা ইউএনসিটিজেন এম্বাসাডর (জাতিসংঘের নাগরিক দূত) হবার জন্য এক বিশেষ প্রতিযোগিতার কথা ঘোষণা করেছিলাম। প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ভিডিও নির্মাতা ব্লগাররা সুযোগ পেলে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে কি বলত। এই বিষয়ে তারা তাদের ভিডিও তৈরি করেছিল এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ভিডিও নির্মাতারা ২৩ অক্টোবর জাতি সংঘ দিবসে মহাসচিব বান কি মুনের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। প্রতিযোগীদের চিহ্নিত করা এবং বেছে নেবার কাজটি সমাধা হয়েছিল ইউটিউবের মাধ্যমে এবং এখানে জাতিসংঘের নিজস্ব চ্যানেলে  <a href="http://www.youtube.com/watch?v=2z7vvvQrtAM">ভিডিও ঘোষণাটি রয়েছে</a>। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/2z7vvvQrtAM&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/2z7vvvQrtAM&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের <em>এমিলি ট্রাউটমেন</em>, যিনি সম্প্রতি কঙ্গো ম্যাটার ভিডিওর সাথে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/09/12/video-caring-about-congo/">তার সম্পর্কের কথা </a> লিখেছেন, তিনি জাতিসংঘ ভিডিও প্রতিযোগিতার অন্যতম এক বিজয়ী। এই ভিডিওতে তিনি বলছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তাদের যে কোন একজন ব্যক্তি একই সময়ে বিশ্বের প্রায় ৬০০ কোটি জনতার প্রতি দায়িত্বশীল:  </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Zo3gydiUy64&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Zo3gydiUy64&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই প্রতিযোগিতার আরেকজন বিজয়ী কানাডার <a href="http://www.youtube.com/watch?v=Fx9n1yVD2eE">জেরিমি ওয়াকার</a>। তিনি জাতি সংঘকে বলছেন প্রতিষ্ঠানটি যেন প্রমাণ করে যে সে বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্ষম। প্রতিষ্ঠানটি সেই সমস্ত মানুষদের আশা ফিরিয়ে দেয়, যারা এই সময়ে বিশ্বাস করতে চায় যে এখনো পরিবর্তন সম্ভব:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Fx9n1yVD2eE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Fx9n1yVD2eE&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=RR_toVxuuco">ব্রাজিলের ব্রেনো কোয়েলহো</a> একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এই ভিডিওতে তিনি প্রশ্ন করছেন, পৃথিবীকে উন্নত ও নিরাপদ রাখার জন্য কি কি করা প্রয়োজন। অনেকে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে, কি ভাবে পৃথিবীকে নিরাপদ করা সম্ভব? সে বিষয়ে ভিডিওর সকলেই তার উত্তর দিচ্ছে অনেক ভালোবাসা দিয়ে এবং লোভ এবং ঘৃণা না করে এই কাজটি করা সম্ভব:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/RR_toVxuuco&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/RR_toVxuuco&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>মেক্সিকোর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=Xj532Q-iVmo">মারিকারমেন অর্টেগা </a>অনেক লোকের কণ্ঠস্বর তার ভিডিওতে ধারণ করেছেন, কিন্তু তিনি ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় এগুলো ধারণ করেছেন:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Xj532Q-iVmo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Xj532Q-iVmo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=IUCR_f4E1l0">কানাডার ক্রিস্টিনা ম্যাথ্যিউ</a> এক সংক্ষিপ্ত বার্তা তার ভিডিওতে দিয়েছেন। সকলের সমান অধিকার, গ্রহণ যোগ্যতা  বা টিকে থাকা ও ন্যায়বিচারের জন্য কি কি প্রয়োজন তা সরাসরি তিনি উল্লেখ করেছেন: </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/IUCR_f4E1l0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/IUCR_f4E1l0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>জাতিসংঘ টেলিভিশন তার নিজস্ব চ্যানেল এক ভিডিও রেখে দিয়েছে, যে ভিডিওতে নিউ ইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত জাতি সংঘ দিবসে এই পাঁচজন সিটিজেন এ্যাম্বাসাডর বা নাগরিক দূতের উপস্থিতির দৃশ্য রয়েছে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/PnIqALtOq6g&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/PnIqALtOq6g&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object>
<div>
<p>সবাইকে অভিনন্দন!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7282/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: চীনের চাপে ঢাকাতে তিব্বত বিষয়ক এক ছবি প্রদর্শনী বন্ধ হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/03/7273/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/03/7273/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 03 Nov 2009 21:24:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি তোলা]]></category>
		<category><![CDATA[তাজা খবর]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7273</guid>
		<description><![CDATA[স্টুডেন্ট ফর ফ্রি তিবেত, বাংলাদেশ (এসএফটিবিডি)" এবং ফটো এজেন্সি দৃক বাংলাদেশ রাজধানী ঢাকায় তিব্বতের উপর একটি ছবি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল। চীনা দুতাবাস এই প্রদর্শনীটি বন্ধ করে দেবার অনুরোধ জানায় এবং পরে প্রদর্শনীর ব্যাপারে বিভিন্ন দিক থেকে নানা ধরনের হুমকি আসতে থাকে। গত পহেলা নভেম্বর, ২০০৯ পুলিশ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/01/bangladesh-chinese-pressure-censors-tibet-exhibition-in-dhaka/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7274" class="wp-caption aligncenter" style="width: 430px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/tibet-exhibition.jpg" alt="তিব্বত বিষয়ক ছবি প্রদর্শনীর জন্য তৈরি করা পোস্টার  " title="tibet-exhibition" width="420" height="460" class="size-full wp-image-7274" /><p class="wp-caption-text">তিব্বত বিষয়ক ছবি প্রদর্শনীর জন্য তৈরি করা পোস্টার</p></div>
<p>তিব্বতী ছাত্রদের সংগঠন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Students_for_a_Free_Tibet">স্টুডেন্টস ফর এ ফ্রি তিবেত</a> এর বাংলাদেশে শাখা “স্টুডেন্ট ফর এ ফ্রি তিবেত, বাংলাদেশ (এসএফটিবিডি)’ <a href="http://www.drik.net/">দৃক বাংলাদেশের</a> সাথে যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তিব্বতের উপর এক ছবির প্রদর্শনীর আয়োজন করে “ <a href="http://www.facebook.com/event.php?eid=161859796607&#038;ref=mf">নির্বাসনে| তিব্বত ১৯৪৯-২০০৯</a>” শিরোনামে। এই প্রদর্শনী ঢাকার দৃক গ্যালারীতে এক সপ্তাহ ধরে চলার কথা ছিল, যা আজ (পহেলা নভেম্বর) থেকে শুরু হবার কথা।<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Drik"> দৃক বাংলাদেশ</a> আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত  বাংলাদেশী এক ফটো এজেন্সি, যার পরিচালক বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক ও ব্লগার শহিদুল আলম। </p>
<p>এসএফটিবিডির এক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে <em>ফায়ুল.কম</em> <a href="http://www.phayul.com/news/article.aspx?article=Tibet+exhibition+in+Bangladesh+to+go+on+despite+Chinese+pressure&#038;id=25846">জানাচ্ছে</a>:</p>
<blockquote><p>“২৯শে অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দুতাবাসের সংস্কৃতি কাউন্সিলর কিউয়ান কাইফু ও সাংস্কৃতিক এটাশে কাও ইয়ানহু দুজনে ড: শহিদুল আলমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এই প্রদর্শনী বাতিল করতে অনুরোধ করেন”।</p>
<p>“এই অনুরোধের পাশাপাশি তারা চীন থেকে আনা কিছু উপহার সামগ্রীও নিয়ে এসেছিলেন”[&#8230;]</p></blockquote>
<p><em>আনহার্ড ভয়েস ব্লগ</em> ৩১শে অক্টোবরের ঘটনা সম্বন্ধে <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/10/31/threat-on-activists-for-free-tibet-continues/">জানাচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>মনে হচ্ছে চীন এই বিষয়ের উপর গভীর মনোযোগ দিয়েছে। তিব্বতের উপর আয়োজন করা আগামীকালের ছবি প্রদর্শনীর ব্যাপারে সংগঠকদের উপর ভয়ানক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, যাতে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। </p>
<p>গতকাল চীনা দুতাবাসের একদল প্রতিনিধি দৃক গ্যালারীতে এসেছিল। তারা এর পরিচালক শহিদুল আলমের সাথে দেখা করেন এবং তাকে “অনুরোধ” করেন, যেন এই প্রদর্শনীটি বাতিল করা হয়।  </p>
<p>একজন কর্মীর ইমেইল আমাদের এখানে এসে পৌঁছেছে: &#8220;প্রতিনিধি দল দৃকের চারপাশে ঘুরে দেখেন এবং সেখানকার কর্মচারীদের বেশ কিছু প্রশ্ন করে&#8230;..</p>
<p>আলম ভাই তাদের বলেন, তিনি তার নিজের এলাকায় কি করবেন তা নিয়ে তাকে কোন উপদেশ দেবার দরকার নেই। কাজেই প্রদর্শনীর আয়োজন চলতে থাকে। আমরা বিপুল পরিমাণে ডিজিএফআই (সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের লোক)-এর উপস্থিতি আশা করছিলাম তবে রোববারে প্রদর্শনীর উদ্বোধনী দিনই তাদের আশা করি নি।&#8221;</p></blockquote>
<p>কেবল প্রদর্শনীটি নয়, এর সাথে এর উদ্যোক্তা বা কর্মীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়: যেমনটা এই পোস্ট বিস্তারিত ভাবে জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p>আজ সন্ধ্যয় ৬টায় গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা দৃকে এসে উপস্থিত হন। এসআই (সাব ইন্সপেক্টর) মিজান এই দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিল। তিনি এই প্রদর্শনীর আয়োজক ব্যক্তিবর্গের নাম জানতে চান। আয়োজকদের একজন এর আগে জানিয়েছেন যে একই এসআই-এর নেতৃত্বে বেশ কিছু লোক গত তিন সপ্তাহ ধরে তার বাসার সামনে ঘোরাফেরা করছিল।</p></blockquote>
<p><em>শহিদুল আলম</em> টুইটারে এই <a href="http://twitter.com/shahidul/status/5312253581">বার্তাটি</a> পোস্ট করেছেন:</p>
<blockquote><p>৩১শে অক্টোবরের সন্ধ্যা ৭.০৪ মিনিট: গোয়েন্দা বিভাগের খায়রুল কবীর ও পলাশ দৃকে এসে উপস্থিত হন। তারা তিব্বত বিষয়ক এই প্রদর্শনীর সংগঠকের নাম জানাতে চান। আমি তাদের নাম জানাতে অস্বীকার করি।</p></blockquote>
<p>আজকে সেই প্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটল। <em>শহিদুল আলম</em> আজ (রোববার) বিকেলে <a href="http://twitter.com/shahidul/status/5334178050">টু্‌ইটার করেন</a>:  </p>
<blockquote><p>উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। ওসি (থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শাহ আলম এই মাত্র আমাকে ফোন করে এই প্রদর্শনী বন্ধ করতে বলেন, যদি আমি তা না করি সেক্ষেত্রে তিনি পুলিশ পাঠিয়ে তা বন্ধ করার ভয় দেখালেন।</p></blockquote>
<p><a href="http://bdnews24.com/details.php?id=146052&#038;cid=2">পরবর্তী সংবাদ হচ্ছে (বিডিনিউজ২৪.কম এর সৌজন্যে)</a> এই যে <a href="http://www.mediahelpingmedia.org/content/view/520/1/">অবশেষে পুলিশ</a> এই প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়েছে (মিডিয়া হেল্পিং মিডিয়া):</p>
<blockquote><p>দৃক কর্তৃপক্ষ জানায়, দুপুরের খাবার যা বিকেল ৫টায় করার কথা ছিল, তার ঠিক এক ঘণ্টা আগে পুলিশ দৃকের গেটে তালা মেরে দেয়, যাতে জনতা এই গ্যালারীতে প্রবেশ করতে না পারে। </p>
<p>দৃকের পরিচালক শহিদুল আলম বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা বিভাগ তার সাথে কথা বলে এবং এই সরকার এই প্রদর্শনী বন্ধ করার আদেশ দিয়েছে বলে তাকে এই প্রদর্শনী বন্ধ করার আদেশ দেয়। </p>
<p>জনাব আলম বলেন, যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা সরকারি সেই আদেশ তাকে দেখাতে পারে নি, তারপরেও তারা হুমকি দেয় যদি আয়োজকরা স্বেচ্ছায় এই প্রদর্শনী বন্ধ না করে, তা হলে তারা জোর করে এই প্রদর্শনী বন্ধ করতে বাধ্য হবে।</p></blockquote>
<p>এখন চলুন <em>শহিদুল আলমের</em> <a href="http://www.shahidulnews.com/?p=6426.">ব্লগ পোস্ট</a> থেকে এই ঘটনার কথা জানি:</p>
<blockquote><p>যখন মি:কাইফু-দৃকের একমাত্র চীনা সদস্যা গ্রন্থাগারে থাকা জেসিকা লিমের সাথে দেখা করার বদলে কোন এক নির্জন স্থানে কথা বলার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন, আমি উপলব্ধি করি এটা সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎের বাইরের কোন বিষয়।</p>
<p>তিনি সরাসরি বিষয়টি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “আমরা চাই আপনি তিব্বতের উপর আয়োজন করা এই ছবি প্রদর্শনীটি বন্ধ করুন”। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন তিব্বত চীনের একটি অংশ। তিনি জানান, যদি এই প্রদর্শনী চলতে থাকে তা হলে তা চীন- বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে। তিনি একই সাথে অনেকগুলো বিষয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন যে, আমরা এই সব কাজ এক সাথে করতে পারি; আমরা এক সাথে কিছু প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করতে পারি, কি ভাবে দৃকের মত বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান চীনে অনেক অংশীদার পেতে পারে সে বিষয়ে তিনি ধারণা দেন। খুব রূঢ় শোনালেও আমি তাকে স্মরণ করিয়ে দিই সম্প্রতি চীনে যাবার জন্য চীনা দুতাবাসে আমি যে দরখাস্ত করেছি তার কথা। টপস নামক ফটো সাংবাদিক প্রতিযোগিতায় বিচারক হয়ে আমার সেখান যাবার কথা ছিল, সেই দরখাস্ত বাতিল করা হয়েছে। </p>
<p>খুব বিনীত ভাবে আমি মি: কাইফুকে স্মরণ করিয়ে দিই যে আমাদের গ্যালারী স্বাধীন এক গ্যালারী। তাকে জানাই তিনি যা অনুভব করেন তা বলার অধিকার তার রয়েছে এবং তা আমরা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করব। আমি তাকে এই প্রদর্শনীতে উপস্থিত হবার আহ্বান জানাই এবং তাকে নিশ্চিত করি যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি নির্বিঘ্নে তার মতামত প্রদান করতে পারবেন। আমরা আনন্দের সাথে দৃকে একটা চীনা ছবি প্রদর্শনীর আয়োজন করতে চাই, যদি সে প্রদর্শনী যথেষ্ট মান সম্পন্ন হয়ে থাকে। তিনি আমাদের গ্যালারী ঘুরে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং আমার এক সহকর্মী তাকে গ্যালারীটি ঘুরিয়ে দেখায়, আর আমি মিটিং-এ ফিরে যাই। </p>
<p>সন্ধ্যার সময় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে একটা ফোন আসে, যে ফোনে বলা হয় “চীন আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র, গ্যালারীতে দালাই লামার ছবি দেখানো যাবে না”। উচ্চ পদস্থ এই কর্মকর্তা এখানে যোগ করেন, “না, না আমরা সেন্সরশীপের কথা বলছি না, কিন্তু&#8230;”। এর পর একজন নামকরা তারকা ফোনে একই কথা বলেন, যেন তিনি চীনের বন্ধু। আমি ফোন করা ব্যক্তিদের পরিচয় বের করতে পারি নি, যদিও মন্ত্রণালয় থেকে ফোন করা ব্যক্তির পদের মাধ্যমে তার পরিচয় জানতে পারি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, এটা একটা বহুমাত্রিক আক্রমণ।</p></blockquote>
<div id="attachment_7275" class="wp-caption aligncenter" style="width: 390px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Alam-streaming.jpg" alt="প্রদর্শনী বন্ধ করার পর সরাসরি ওয়েব স্ট্রীমে শহিদুল আলম প্রদর্শনীর ছবির ব্যাপারে মন্তব্য করছেন- ছবি মিডিয়া হেল্প মিডিয়ার মাধ্যমে পাওয়া। " title="Alam-streaming" width="380" height="265" class="size-full wp-image-7275" /><p class="wp-caption-text">প্রদর্শনী বন্ধ করার পর সরাসরি ওয়েব স্ট্রীমে শহিদুল আলম প্রদর্শনীর ছবির ব্যাপারে মন্তব্য করছেন- ছবি মিডিয়া হেল্প মিডিয়ার মাধ্যমে পাওয়া। </p></div> 
</div>
<blockquote><p>মনে হয় গোয়েন্দা শাখার লোকজন আমাকে পছন্দ করে। তারা আবার এখানে বেড়াতে আসে। [..] প্রাথমিক আন্তরিকতা পূর্ণ বাক্যালাপ তীক্ষ্ণতায় পরিবর্তিত হয়, যখন আমরা তাদের তিব্বতী সংগঠনের সাথে সমস্ত ব্যক্তি জড়িত রয়েছে তাদের ঠিকানা দিতে অস্বীকার করি। তারা আমাকে মনে করিয়ে যদি আমি সরকারের পক্ষ অবলম্বন না করি তা হলে ভবিষ্যৎে দৃক পরিচালনা করা আমার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আমি তাদের মনে করিয়ে দিই যে আমরা আইন মোতাবেক কাজ করছি। যে আইনের কথা পুলিশের কাছে বললাম তা তাদের দল নেতা শাহ আলমের কাছে যেন একেবারেই অজানা বলে মনে হচ্ছিল।</p></blockquote>
<p>বন্ধ করে দেওয়া এই প্রদর্শনীর ছবি <a href="http://www.driknews.com/">দৃকনিউজ</a> নামক সাইটে দেখা যাবে। এই সাইটটিকে দেখে মনে হচ্ছে এটি রিপোর্টেড এ্যাটাক সাইট (যেখানে প্রবেশ করলে একটা বার্তা আসে যে এই সাইটে প্রবেশ করা ক্ষতিকর হতে পারে)। এই বার্তাটি উপেক্ষা করে যে কেউ এই সাইটে প্রবেশ করতে পারে (কারণ তা নিরাপদ) এবং ছবিগুলো দেখতে পারে।</p>
<p><a href="http://therightsexposureproject.com/2009/11/01/china-censors-beyond-its-borders-drik-exhibition-on-tibet-banned/">দি রাইট এক্সপোজার</a> ব্লগের <em>রব গডেন</em> এই ঘটনার একটা প্রতিবাদ লিখেছেন: </p>
<blockquote><p>চীনা সরকারের অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের উপর হস্তক্ষেপ করার পরিমাণ উদ্বেগজনক এক ধারার জন্ম দিয়েছে। তারা কেবল তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে এই জটিল সেন্সরশীপ বা হস্তক্ষেপ প্রথা বজায় রাখছে না, তারা এই পদ্ধতিটিকে এখন আন্তর্জাতিক স্তরেও প্রয়োগ করতে যাচ্ছে।  এই কৌশল ক্ষুদ্র দেশ যেমন বাংলাদেশ অথবা যে দেশটিতে এখন আমি অবস্থান করছি সেই নেপালের ক্ষেত্রে কার্যকর, এবং চীন ছোট রাষ্ট্রগুলোকে ভয় দেখিয়ে কার্যসিদ্ধি করছে।    </p>
<p>চীনা সরকার এ ব্যাপারে নিশ্চিত যে, চীনের ব্যাপারে যে কোন কিছু করার তার আইনগত অধিকার রয়েছে, তা বিশ্বের যে কোন প্রান্তেই হোক না কেন। যদি দুতাবাসের চাপ কোন কাজ না করে সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সাইবার আক্রমণ দিয়ে তার কাজটি সমাধান করতে চায়।</p></blockquote>
<p>বাংলাদেশের নেটিজেনরা ইতোমধ্যে এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে শুরু করেছে। হাবিবুল্লাহ মিজান এই অনুষ্ঠানের <a href="http://www.facebook.com/event.php?eid=161859796607&#038;ref=mf">ফেসবুক পাতায়</a> মন্তব্য করেছেন:</p>
<blockquote><p>আমরা কি বাংলাদেশ নাকি চীনে বাস করি??? আমাদের নির্বাচিত সরকারকে কে পরিচালিত করে??? আমরা নাকি চীনারা???? এমনকি, আমরা কোন প্রদর্শনীর আয়োজন করতে পারবো না? সত্যি লজ্জার বিষয়, লজ্জা, লজ্জা। </p></blockquote>
<p><em>সাদাকালো ব্লগও</em> সরকারের এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং বলছে <a href="http://shadakalo.blogspot.com/2009/11/bangladeshs-sovereignty-and-china.html">সামান্য মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে</a>:</p>
<blockquote><p>কমরেড কেন আপনারা চীনের পা চাটছেন এবং ঢাকার বাক স্বাধীনতা হরণ করছেন? হ্যাঁ, আমি একটা পুরোনো কৌতুক জানি, তা হল পিকিং (বেইজিং) এ বৃষ্টি পড়লে ঢাকায় ছাতি ধরা হয়। কিন্তু গুরুত্বের সাথে বলতে হচ্ছে, এটা সরকার পরিচালিত কোন প্রদর্শনী ছিল না। যদি বলতে পারতেন দু:খিত, সেক্ষেত্রে বেইজিং কি ক্ষতি করতে পারত আমাদের বিষাক্ত সীসাযুক্ত কিছু খেলনা বেশি বিক্রি করা ছাড়া?     </p>
<p>আমরা ভেবেছিলাম আপনি প্রথমে বাংলাদেশে আর তার সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন (যার মধ্যে নাগরিকের বাক স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত), চীনের ভৌগলিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণ করা নয়, যা বাংলাদেশীদের জন্য আদৌ কোন বিষয় নয়। </p>
<p>দু:খিত, এখন আমরা বিষয়টি ভালভাবেই জানলাম।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/03/7273/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব: আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 30 Oct 2009 16:50:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কানাডা]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[ডোমিনিকা]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রিনিদাদ ও টোবাগো]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রান্স]]></category>
		<category><![CDATA[ফ্রেঞ্চ ক্রিওলস]]></category>
		<category><![CDATA[ভাষা]]></category>
		<category><![CDATA[মার্টিনিক]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রিউনিয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[সিশেলস]]></category>
		<category><![CDATA[সেন্ট লুসিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[হাইতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7181</guid>
		<description><![CDATA[<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে। ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/23/global-international-creole-month/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/October">অক্টোবর</a> পরিণত হয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Creole_language">ক্রেওল ভাষা</a> উদযাপনের মাসে আর ক্রেওল ব্লগের জগৎ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে।</p>
<p>ক্রেওল আসলে কি? এটা হয়তো বিশ্বব্যাপী ভাষাবিদদের মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত বিষয়- এটি একটি খুবই জটিল আর বিস্তৃত ভাষা। অভিবাসন আর স্থানীয় জনগণের মিশ্রণের ফসল হিসেবে দাসত্বের সময় থেকে ক্রেওল হচ্ছে একটি মৌখিক ভাষা, যা হয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে বা নীচু করে দেখা হয়েছে। কিন্তু ১৯৮০র দশকে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে থাকে, যা ব্যাখ্যা করেছে ক্রেওল সম্পর্কিত রিউনিয়ন দেশের ব্লগ, <a href="http://www.renyone.net/English/28oct_gb.htm">রেনিওয়ান</a>:</p>
<blockquote><p>১৯৮১ এ যেসব বিজ্ঞানীর ভাষা ক্রেওল ছিল তারা নিজেদের প্রশ্ন করা শুরু করেন যে কোন পদ্ধতিতে ক্রেওল ভাষাকে তুলে ধরা যায়। এটা শুরু হয়েছিল ক্রেওল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক কমিটি আয়োজিত একটি বৈজ্ঞানিক সিম্পোজিয়াম থেকে,  ক্রেওল/ক্রেওলস ভাষা, চলমানতা আর ক্রেওল জগতে সৃষ্টিশীলতার বিষয় নিয়ে যা আলোকপাত করেছিল।</p></blockquote>
<p><em>রেনিওয়ান</em> আরো বর্ণনা দিয়েছেন একটা উৎসবের কথা যা বেশীরভাগ ক্রেওলসভাষী দেশে ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে:</p>
<blockquote><p>১৯৮২ তে সিশেলেস এর সরকার ক্রেওলস সপ্তাহের আয়োজন করেন।</p>
<p>প্রথম আন্তর্জাতিক বাঞ্জিল ক্রেওল দিবস অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ এর ২৮শে অক্টোবরে। তারপর থেকে বিশ্বব্যাপী ২৮শে অক্টোবর সব ক্রেওল ভাষার দেশে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।</p></blockquote>
<p>তারপর থেকে এই কথ্য ভাষার (মাঝেমাঝে যাকে উপভাষা বলা হয়) সংরক্ষণ অনেক লোকের চিন্তার কারণ হয়েছে। <a href="http://www.iocp.info/objectives.php">ক্রেওল মানুষের আন্তর্জাতিক সংস্থা</a> এইসব তথ্য প্রকাশ করছে। ফেসবুকের একটা দল ‘<a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/group.php?gid=61220156866">আন্নু পালে পাতোয়া</a>’ ( ‘আসুন পাতোএস/ক্রেওল বলি’) তাদের জন্য ক্রেওল এক চিন্তার ব্যাপার - তাই জানিয়েছেন, যেখানে একজন ত্রিনিদাদিয়ান নেটিজেন এই বছরের <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a> উদযাপন নিয়ে চিন্তা করেছেন:</p>
<blockquote><p>বিশ্বব্যাপী অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911#/topic.php?uid=61220156866&#038;topic=10911">ক্রেওল মাস</a>, এটাকে ত্রিনিদাদে উদযাপন করতে আমরা কি করতে পারি?</p>
<p>জাতীয় ভাবে করতে গেলে সব থেকে ভালো কি হয়?</p></blockquote>
<p>স্থানীয় ভাবে মাঠ পর্যায়ে আর একই ভাবে সরকারি ভাবেও প্রচার, সংরক্ষণ বা উদযাপন করার ব্যবস্থা নেয়া যায়। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dominica">ডোমিনিকান</a> ব্লগার <a href="http://livingdominica.blogspot.com/2007/10/it-is-almost-creole-time.html">লিভিং ডোমিনিকার</a> একটা পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে দুই বছর আগে যেখানে আমরা দেখতে পারি যে আরো কিছু দেশে এই উদযাপন কেবলমাত্র একটা অনুষ্ঠান না:</p>
<blockquote><p>ডোমিনিকাতে এই মাস ক্রেওলের সময়, যেটা আমার খুব প্রিয় অনুষ্ঠান। এই সময় একটা উৎসব যা সকল ডোমিনিকানকে সম্মানিত করে। সবাই ফুর্তির সাথে পালন করেন স্বাধীনতা দিবস (নভেম্বর ৩) আর বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব ( অক্টোবর ২৬-২৮)।</p></blockquote>
<p>উপরে উল্লিখিত <a href="http://www.wcmfdominica.com/">বিশ্ব ক্রেওল সঙ্গীত উৎসব</a> ১৩ বছর আগে জন্ম নেয় আন্তর্জাতিক ক্রেওল মাসকে নভেম্বর ৩, ১৯৭৮ সালে পাওয়া দ্বীপের স্বাধীনতা উদযাপনের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য ডোমিনিকান সরকারের ইচ্ছার কারনে।</p>
<p>এইসব থেকে, এটা প্রায় স্পষ্ট যে ক্রেওল মাস আর ক্রেওল দিবস, অক্টোবর ২৮, একই ভাবে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় না। এখানে ২০০৯ এর ক্রেওল দিবস নিয়ে কিছু পোস্ট আছে:</p>
<p>লন্ডন থেকে <em>এমবি এমবি</em>  ‘<a href="http://www.mbmbcharity.com/">মিনম বিতেন, মিনিম বাগায়</a>’ দল (গুয়াদেলোপিয়ান আর মারটিনিকান ক্রেওল কথা যার মানে ‘সবই এক’) একটা পোস্ট লিখেছেন মানুষকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করার জন্য যা সেপ্টেম্বর ২৭, ২০০৯ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে আর তাদের আগের ‘এমবিএমবি ক্রেওল দিবস’ স্মরণ করার জন্য।</p>
<p>কানাডাতে, ক্রেওল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান <a href="http://www.kepkaa.com/moisducreole/index.html">কেপকা</a> মানুষকে আমন্ত্রণ করেছে  মন্ট্রিয়ালে ক্রেওল মাস উদযাপনের জন্য। তারা হাইতির ক্রেওল ভাষায় একটা পোস্টে এই আহ্বান করে যার নাম ‘হাইতিয়ান ক্রেওল -ক্রেওল সংস্কৃতি এক সাথে উদযাপন করি’।  <a href="http://www.misscreolecanada.com/">মিস ক্রেওল কানাডা সুন্দরী প্রতিযোগীতা</a> নামে আরেকটি কানাডার অনুষ্ঠান ঘোষিত হয়েছিল আর ফেসবুকে প্রচারিত হয়েছিল। ক্রেওল মাস উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এবার ১৭ই অক্টোবর <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=37345708168&#038;v=wall&#038;ref=search">ক্রেওল সম্প্রদায়ের একজন সুন্দরীকে বাছাই করা </a> হলো।</p>
<p>প্যারিসে, ব্লগার <a href="http://karucrea.blogspot.com/2009/10/tan-kreyol-transmission-octobre-2009.html">আনবা পায় মাঙ্গো লা</a> একটা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ঘোষণা করেছেন “তান ক্রেওল’ নামে (ক্রেওল ভাষায় ‘ক্রেওল শোনেন’) যেখানে ক্রেওলের মৌখিক ভাষাকে সম্মানের আসন দেয়া হয়েছে:</p>
<blockquote><p>Senn-la wouvè ba tout moun : poèt, chantè, slamè, makè, kontè, mizisyen… .</p></blockquote>
<div class="translation">মাইক সবার জন্য উন্মুক্ত: কবি, সঙ্গীত শিল্পী, কবিতা অবমাননা কারী। লেখক। গল্প কথক, বাদ্যশিল্পী&#8230;</div>
<p>গুয়াদেলুপে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মাসব্যাপী অনুষ্ঠান ঠিক করেছে যা বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হবে, (ক্রেওল অক্টোবর, ক্রেওল মোশন) উদযাপনের জন্য। <a href="http://guadeloupe.coconews.com/actualite-guadeloupe,mois-du-creole-mwa-oktob-kreyol-en-mouvman,1070.html">গুয়েদালুপ.কোকোনিউজ</a> অনুষ্ঠানের প্রধান দুটি জিনিষ  উল্লেখ করেছেন:</p>
<blockquote><p>1. Prèmyé dékatman ba tout moun<br />
2. Dézyèm dékatman èvè zanfan-lékòl
</p></blockquote>
<div class="translation">১। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায় সকলের জন্য উন্মুক্ত<br />
২। দ্বিতীয় অংশ ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট</div>
<p>পরিশেষে মার্টিনিক থেকে, <a href="http://www.montraykreyol.org/spip.php?article3122">মন্ট্রেক্রেওল</a> একটা পোস্ট ছাপিয়েছেন যেটা সেখানে ক্রেওল মাস উদযাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আর বিশেষ করে ক্রেওলকে এক সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠান করে উদযাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে:</p>
<blockquote><p>    Es ou ka kwè ki an sel simenn pou défann kréyol adan tout lanné-a sifizan ?</p>
<p>    CLAUDE MARLIN : Dapré mwen non, sa ja an pal pou kréyol-la menm manniè ki tout travay-la ki za fet asou lang-lan. Men fok pandan tout lanné-a, ni travay ki pou fet, fok véyatif toulong, pas menm si kréyol ka rantré latélévizion, laradio, nan piblisité kontel, bien délè sa ka an kréyol toubònman, tjòlòlò ek sa pé désèvi lang-la.</p></blockquote>
<div class="translation">আপনাদের কি মনে হয় বছরে এক সপ্তাহ ক্রেওলকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট?</p>
<p>ক্লোদ মার্লিন: আমার মনে হয় না কিন্তু ক্রেওলের জন্য এটা একটা বড় ব্যাপার - এই ভাষা নিয়ে আর যা করা হয়েছে সে সবের মতই। কিন্তু সারা বৎসরব্যাপী কিছু না কিছু হওয়া উচিত আর আমাদের সব সময়ে সাবধান থাকা উচিত, কারণ টিভিতে, রেডিও বা বিজ্ঞাপনেও যখন ক্রেওল বলা হয় উদাহরণ স্বরূপ, বেশীরভাগ সময় এটা কাঁচা বা ভাঙ্গা ভাঙ্গা, যা এই ভাষার একত্রীকরণের জন্য ক্ষতিকারক।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/30/7181/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
