<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; কৃষি</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/topics/agriculture/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>প্যারাগুয়ে: আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর কীটনাশক ছিটানো হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 05:33:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[প্যারাগুয়ে]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7620</guid>
		<description><![CDATA[প্যারাগুয়ের পূর্বাংশে ২১৭ জন আভা গুয়ারানি আদিবাসীর বিশেষ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, আকাশ থেকে কীটনাশক ছিটানো পরই তাদের শরীরে এইসব লক্ষণ দেখা দেয়। কীটনাশক ছিটানোর সময় এসব আদিবাসীরা তাদের এলাকা ছেড়ে যেতে অস্বীকার করেছিল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/paraguay-indigenous-group-sprayed-aerially-with-pesticides/">এডুয়ার্ডো আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/paraguay-indigenous-group-sprayed-aerially-with-pesticides/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সম্প্রতি পূর্ব প্যারাগুয়ের ২১৭ জন আভা গুয়ারানি আদিবাসীর এক বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। এইসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব ও মাথা ধরা। ধারণা করা হচ্ছে যে, উক্ত ব্যক্তিদের উপর এক ধরনের কীটনাশক এই সমস্ত রোগের কারণ। ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান থেকে এই এলাকার উপর কীটনাশক ছিটানোর কারণে এই ব্যক্তিদের মাঝে এ সব রোগের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। বিমান থেকে কীটনাশক ছিটানোর সময় তারা এই এলাকা থেকে সরে যেতে অস্বীকার করে। </p>
<p>সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা নিশ্চিত করেছে যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জমি<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Alto_Paraná_Department"> আল্টো পারানার প্রদেশের</a> ইটাকাইরাই জেলায় অবস্থিত। সেখানকার জমির উপর কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। এখন <a href="http://www.ultimahora.com/notas/272060-Ministra-confirma-que-fumigaron-tierras-sin-cultivo-en-Itakyry">সেখানে কোন শস্য চাষ হচ্ছে না [স্প্যানিশ ভাষায়] </a> । কীটনাশক ছিটানোর বিভিন্ন চিহ্ন দেখে মনে হচ্ছে ব্রাজিলের সয়া উৎপাদনকারীরা এই ভাবে কীটনাশক ছিটানোর জন্য আংশিক দায়ী। কীটনাশক ছিটানোর কারণ, আদিবাসীদের এই সমস্ত জমি সয়া চাষের উপযোগী এবং <a href="http://interparaguay.blogspot.com/2009/11/ministros-comprobaron-la-fumigacion.html">৩,০০০ হেক্টর ক্রটিপূর্ণ জমির মালিকানা নিয়ে আভা গুয়ারানির সাথে বিবাদ চলছে [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। এই তথ্য জানাচ্ছে ব্লগ <em>ইন্টারপ্যারাগুয়ে [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>।     </p>
<p><em>বিয়েনভিওনডস! স্প্যানিশ ভাষায়]</em> ব্লগের <em>জোসে এঞ্জেল লোপেজ ব্যারিওস</em> <a href="http://lopezbarrios.blogspot.com/2009/11/matte-larangeira-la-industrial.html">বিচ্ছিন্নভাবে বাস করা এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের কথা বর্ণনা করছেন, যাদের মাঝে এই ঘটনা ঘটেছে</a>: </p>
<blockquote><p>Itakyry es uno de los distritos del Departamento de Alto Paraná, distante a unos 450 kilómetros de Asunción, capital de la Republica, se llega a el por caminos no pavimentados, su época de esplendor se dio en la época de las explotaciones yerbateras. Que termino al cabo de 100 años abriendo paso a la explotación de la soja en estos últimos tiempos……</p></blockquote>
<div class="translation">আল্টো পারানা প্রদেশের অন্যতম এক জেলা ইটাকাইরাই। এলাকাটি প্যারাগুয়ের রাজধানী আসানসিওন থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। এখানকার মাটির রাস্তা ধরে ইরবা মাটে (এই গাছের পাতা থেকে চা জাতীয় পানীয় তৈরি হয়) নামক চাষ শুরু হবার পর প্রায় ১০০ বছর ধরে তা বাণিজ্যিক ভাবে চলেছে, এখন সয়া চাষের জন্য ইরবা মাটে জায়গা ছেড়ে দিয়েছে&#8230;।</div>
<p>বর্তমানে সয়াবীনের চাহিদা বেশি এবং তার দাম ক্রমশ বাড়ছে। ফলে সয়াবীন চাষের উপযুক্ত জমির দামও বেড়ে গেছে। এই সমস্ত জমির কিছু অংশ পড়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের এলাকায়, যেমন গুয়ারানি সম্প্রদায়। রেসকাটারের ব্লগার কালোর্স রড্রিগুয়েজ [স্পানিশ ভাষায়] মনে করেন যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর কীটনাশক ছিটানো কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এবং এই ধরনের কাজকে তিনি “গণহত্যার” সামিল বলে অভিহিত করেন: </p>
<blockquote><p>Hubo un tiempo en que en Paraguay los aborígenes no eran considerados seres humanos. Eran cazados como animales y sus crías rescatadas como trofeos.</p>
<p>(…)</p>
<p>Otros fueron apropiándose a bala y sangre de sus tierras y como los indígenas no hacían gestiones ante las instituciones encargadas de titular las tierras que siempre les pertenecieron, el hombre blanco si lo hizo y se plantea el contrasentido de que los legítimos dueños de estas tierras, hoy son “los invasores”.</p>
<p>Y siguen siendo tratados como animales. Sólo así se puede entender que los productores de soja les envíen aviones fumigadores para lanzarles venenos encima, tal como lo ha comprobado el Ministerio de Salud que socorre en estos momentos a los indígenas intoxicados por plaguicidas para soja.</p></blockquote>
<div class="translation">এমন এক সময় ছিল যখন প্যারাগুয়েতে আদিবাসীদের মানুষ বলে গণ্য করা হত না। সে সময় আদিবাসীদের পশুর মত মারা হয়েছে এবং তাদের সন্তানদের এমন ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে যেভাবে মানুষ ট্রফি বা বিজয় স্মারক সংগ্রহ করে।</p>
<p>(…)</p>
<p>আদিবাসীদের অনেক জমি বুলেট আর রক্তে স্নাত হয়েছে। যেহেতু আদিবাসীরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের এই সমস্ত জমির উপর দাবি করতে পারে না, যে এইসব জমি সব সময় তাদের পূর্বপুরুষদের দখলে ছিল, সেহেতু সাদা মানুষের সরকারি প্রতিষ্ঠানে যায়। এটা এক পরিহাস যে, যারা এই জমির প্রকৃত দাবিদার, তারাই আজ জমির দখলদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>তারা (ইউরোপ থেকে আগত অভিবাসী) সব সময় এই সব আদিবাসীদের মানুষের সাথে পশুর মত আচরণ করছে। সয়া চাষীদের বিমান থেকে এই সব মানুষদের উপর বিষাক্ত কীটনাশক ছিটানোর মধ্যে দিয়েই একজন বুঝতে পারে তাদের মনোভাব কেমন। এই ঘটনা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।</p></div>
<p>লোপেজ বারিওস, <a href="http://lopezbarrios.blogspot.com/2009/11/matte-larangeira-la-industrial.html">প্যারাগুয়ের আদিবাসীদের সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন সময় যে জঘন্য আচরণ করা হয়েছে তাতে ইউরোপ থেকে অভিবাসীর সন্তান হিসেবে লজ্জিত [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। তিনি এই ঘটনা সম্বন্ধে লিখেছেন “ বিষয়টি তাকে ইউরোপে ফিরে যাবার অনুভূতি তৈরি করছে&#8230; কিন্তু তার বদলে তিনি মনে করেন শোষকদের এই দেশ ছেড়ে যাওয়া উচিত”। </p>
<blockquote><p>Ensañarse con un pueblo indígena que tiene más de 38 siglos de existencia en sus propios y verdaderos territorios, no me parece apropiado…. Si no respetamos a nuestros mayores nuestros días se acortaran sobre la tierra y si anteponemos la avaricia a cualquier otra virtud caeremos sin remedio…..</p></blockquote>
<div class="translation">একটি আদিবাসী সম্প্রদায় যারা ৩৮০০ বছরেরর বেশি সময় ধরে নিজস্ব জমি ও এলাকায় বাস করছে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো আমার কাছে যথাযথ বলে মনে হয়নি&#8230; যদি আমরা আমাদের বড়দের শ্রদ্ধা না করি তা হলে পৃথিবীতে আমাদের টিকে থাকার সময় স্বল্প হয়ে আসবে। যদি লোভ, মুল্যবোধের স্থান দখল করে, তা হলে আমরা অসহায়ের মত পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাব।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: কৃষাণীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:45:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7585</guid>
		<description><![CDATA[ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে থাকা সত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে তারা সেগুলোর নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/belen-bogado/">বেলেন বোগাডো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/india-women-farmers-stand-against-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><strong>ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে অবস্থান করা সত্ত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে, তারা সেগুলো নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।</strong></p>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে ভারতে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে- সেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক ও ভারতীয় নারীরা এর ফলে সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। যেমন, <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/human-impact/change-in-climate-results-to-prolonged-droughts-in-anantpur/">কৃষকদের উপর খরার মারাত্মক প্রভাব</a> এবং শিশু ও নারীদের উপর তার যে সরাসরি প্রভাব পড়ছে <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/latest-from-the-blog/">অক্সফাম ইন্ডিয়া ব্লগ</a> সে সম্বন্ধে মন্তব্য করছে। </p>
<blockquote><p>গত ১২ বছর ধরে, ভারতে বছরে গড়ে প্রায় ৫০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যাকারীদের দশভাগের এক ভাগই কৃষাণী। (&#8230;) প্রতি বছর দেশটির বিপুল সংখ্যক কৃষক খাবারের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। এবং পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যখন শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণে নারী ও শিশু পাচার শুরু হয়।</p></blockquote>
<p><strong>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে লিঙ্গ একটি বিষয়</strong>:</p>
<p><a href="http://www.thp.org/system/files/Factsheet+on+Women+Farmers+and+Food+Security.pdf">সারা বিশ্বে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়, তার শতকরা ৫০ শতাংশ নারীরা উৎপাদন করে</a>। <a href="http://womensearthalliance.blogspot.com/">ভারতে শতকরা ৮৪ শতাংশ নারী কৃষিকাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত</a> এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, নারীরা তার সবচেয়ে বড় শিকার। এছাড়া লিঙ্গীয় বৈষম্য, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে নারীদের খানিকটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ব্লগার প্রিসিল্লা স্টাকি একজন পিএইচডিধারী গবেষক। তিনি তার ব্লগ <em>দিস লাইভলি আর্থে</em> নির্দেশ করেন, <a href="http://thislivelyearth.com/2009/10/15/women-farmin-and-climate-change/">পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>নারীর প্রতি বৈষম্য, পরিবেশ পরিবর্তনে মেয়েদের অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ভারতের নারীরা বের করেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের শস্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে এসেছে এবং একই কারণে শস্যের গুণগত মান হারিয়ে যাচ্ছে। শস্যের মান খারাপ হয়ে আসা ও নারীদের প্রতি  বৈষম্যের কারণে মেয়েদের স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।</p></blockquote>
<p>কৃষাণী সিতা দেবী এই এ রকম এক ঘটনার উদাহরণ। তার ভাষ্য মতে, “যখন চাষের সময় বৃষ্টি হয় না, তখন মেয়েদের জমিতে শস্য জন্মানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সে সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির জোগান ঘটে না, কারণ পরিবারে মেয়েরা সবার শেষে খাবার খেতে বসে। এর ফলে মেয়েদের অনেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে”। তিনি ব্লগ <em>ফাইন্ড ইয়োর ফিটে</em> পোস্ট করা এই <a href="http://findyourfeet.wordpress.com/2009/10/15/voices-of-rural-women-on-climate-change/">ভিডিওতে</a> এ কথাগুলো বলেন। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><strong>মেয়েরা যখন লড়াই করা শুরু করে</strong>:</p>
<p>ভারতীয় নারীরা কেবল পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুরু করে দিয়েছে। যা ভিডিওর দ্বিতীয় অংশটি দেখা যাচ্ছে। নারীরা বেশ কিছু উদ্ভাবক কৌশল আবিষ্কার করেছে, যাতে তারা বিশ্বের উষ্ণতা বাড়া দুর করতে পারে এবং নিজেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। </p>
<p>ইন্টার প্রেস সার্ভিসের এই প্রবন্ধটি সে সমস্ত তথ্য জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.envirovaluation.org/index.php/2009/11/02/greenhouse-gas-mitigation-issues-for-indian-agriculture">ভারতে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের</a> ক্ষেত্রে কৃষি শতকরা ২০ শতাংশ পরিমাণ দায়ী। ধান ক্ষেত ও গবাদি পশুর মল থেকে তৈরি হওয়া মিথেন গ্যাস এবং সার থেকে তৈরি হওয়া নাইট্রাস অক্সাইড মূলত: পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘের আন্ত:সরকার নিয়োজিত পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির (আইপিসিসি) ২০০৭ সালে প্রণীত এক তথ্যে এ কথা জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে বৃষ্টিপাতের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত আগের চেয়ে কম ঘটে, যা চাষের ক্ষেত্রে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।</p></blockquote>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নারীরা যে সক্রিয় ভাবে লড়ছে, <a href="http://www.ipsnews.org/news.asp?idnews=46131">তার অন্য এক উদাহরণ হল বিদাকান্নে গ্রামের নারীরা</a>। সেখানে মেয়েরা শস্য যেমন  তিসি, ছোলা এবং মটরশুঁটি, গম এবং অন্য শিম জাতীয় শস্য উৎপন্ন করছে। সূর্যমুখী চাষের মাঝামাঝি সময়ে তারা এসব চাষ করছে এবং কোন বাড়তি পানি ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা ছাড়াই তারা চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন তারা চাষের জন্য জমিতে কোন রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করছে না। </p>
<p>এই ধরনের চাষ পদ্ধতি দলিত রমণী অথবা স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য খুবই সহায়ক। দলিতরা ভারতীয় বর্ণপ্রথায় সবচেয়ে নীচু শ্রেণীতে অবস্থান করে। একই পদ্ধতিতে মেডাক জেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের নারীরা এক হয়ে শস্য বিক্রি করছে। একই সাথে তারা গরিব পরিবারগুলোর জন্য উদ্বৃত্ত খাবার জোগাড় করছে। এর বাইরে তারা পরিবেশ দূষিত করে এমন উপাদান এবং ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার করার পরিমাণ কমিয়ে আনছে।  </p>
<p>এইসব কাজে মেয়েদের নেতৃত্ব প্রদান ও তাদের এই প্রচেষ্টা অনলাইনের সম্প্রদায়ের নজর এড়ায়নি। <em>শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য </em><a href="http://www.indiatogether.org/2009/mar/agr-ddsfood.htm"><em>ইনডিয়া টুগেদার</em></a>-এ মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আপনার প্রবন্ধের জন্য ধন্যবাদ, সেখানে আপনি নারীদের কাজগুলো তুলে ধরেছেন। তারা যে পরিবেশ পরিবর্তন রোধে সারা পৃথিবীর জন্য এক আদর্শ (&#8230;) তা উপস্থাপন করেছেন। খাদ্যশস্য মানুষের মৌলিক এক অধিকার, তা কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়। খাদ্যশস্য মানুষের জাতীয় পণ্য, ধরিত্রীমাতা খাদ্যশস্যকে লাভের টাকা বের করার বিষয় মনে করে না। খাদ্যশস্যের উপর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাভের হিসেব, পৃথিবীকে আরো বেশি খাদ্য সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। আপনার মাধ্যমে আমি সেই সমস্ত নারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি, যাদের কাজ পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং কৃষক পরিবারের উপর কোন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করছে না। তারা প্রমাণ করেছে যে এ ভাবেও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন লাভজনক ও টেকসই করা যায় এবং এ ভাবে চাষের মধ্য দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব মন্দা নিয়ে পর্যালোচনা: বাঁচার উপায় এবং ব্যবসার সুযোগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 04 Nov 2009 13:45:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[এন্টিগুয়া-বার্বুদা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কাতার]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্বোডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জামাইকা]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিজি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বুলগেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[লাওস]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7228</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি চেষ্টা করব কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর চেষ্টাগুলো জানাতে যেগুলো দ্বারা তারা এই মন্দা সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/mong/">মঙ্গ পালাটিনো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/27/global-recession-survey-survival-tips-and-business-opportunities/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/13/global-recession-and-its-discontents/">বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা</a> সর্বত্র বিষাদ ছড়িয়েছে ও হতাশায় ডুবিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মানষের মন এত রাতারাতি হার মানার নয়। অনেকেই কষ্ট করছে এই মন্দার মোকাবিলা করতে। ব্লগাররা বিভিন্ন উপায় জানাচ্ছেন যে কি করে এই মন্দার মোকাবিলা করা যায়। বিশ্বজুড়ে ব্যবসাগুলো মন্দার সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে; এমনকি অনেকে এই মন্দায় লাভও করছে। এই পোস্টে, আমি কিছু ব্যক্তি এবং কোম্পানীর উল্লেখ করব উদাহরণ হিসেবে যারা তাদের যথা সাধ্য চেষ্টা করছে এই মন্দাকে মোকাবিলা করতে।</p>
<p><strong>মন্দা হতে বাঁচা</strong></p>
<p>ব্রাজিলের <em>ফ্রাঙ্ক কয়েলহো ডে আলচানটারা</em> মনে করেন মন্দার সময়, <a href="http://www.depijama.com/trecos/com-criatividade-voce-consegue-inovar-ate-velas/">কেউ কাঁদে আবার কেউ টিস্যু বেচে।</a> এই মন্দা থেকে বাঁচার জন্য, এই ব্লগার উপদেশ দেয়:</p>
<blockquote><p>Inove. Melhore o que já existe e venda. A crise só existe para os que choram e compram lenços.</p></blockquote>
<div class="translation">নতুন কিছু প্রবর্তন কর। পুরোনো জিনিসের উন্নয়ন কর ও সেগুলোকে বিক্রি কর। মন্দা শুধু তাদেরই জন্য যারা কাঁদে ও টিস্যু কিনে।</div>
<p>আরেক ব্রাজিলিয়ান ব্লগার <em>এভান্ডো সুদ্রে</em> উল্লেখ করেছেন কঠিন সময় থেকে উত্তরণের জন্যে একটি <a href="http://ufnet.blogspot.com/2009/02/7-dicas-pra-encarar-crise.html">“ভিতরের শক্তি এবং সংকল্পের আধার&#8221;</a> তৈরি করার ব্যাপার:</p>
<blockquote><p>Problemas e adversidades fazem parte da vida diária, mas quando a crise nos atinge, é bom ter alguma reserva de força interior eresolução. De fato ter algum tipo de reserva na mente, da qual possamos formar um plano básico de ação e defesa com a qual possamos lidar com a situação. Você é a pessoa mais qualificada para ajudar nesta situação.</p></blockquote>
<div class="translation">সমস্যা এবং প্রতিকূলতা আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অংশ কিন্তু যখন আমরা মন্দাতে ডুবে যাই, আমাদের ভিতরের শক্তি ও সংকল্পের একটি আধার তৈরি করতে হবে। এমন কি, সেটাই ভালো যদি আমাদের মনে কোনো প্রকার সংকল্প থাকে সব সময়ই, যা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাধারণ কার্যকারণ ও সুরক্ষার সিদ্ধান্ত গুলো নিতে পারব এই প্রকার সময়ের মোকাবিলার জন্য। তাহলে এই মন্দা থেকে বের হবার জন্যে আপনি একজন যোগ্য ব্যক্তি।</div>
<p>কিন্তু অনেকে আছে যারা ঋণে জর্জরিত এবং যারা এ থেকে বের হবার উপায় হিসেবে শুধু মাত্র আত্মহত্যার চিন্তা করে। উদাহরণ স্বরূপ ভারতের গুজরাটে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/21/india-gujarat-diamond-workers-suicide-in-the-face-of-crisis/">৭০টির বেশি আত্মহত্যা</a> লিপিবদ্ধ হয়েছে, যেখানে হীরার পলিশ কারকরা তাদের কাজ হারিয়েছে।</p>
<p>অনেকে মন্দার বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধ করেছে। বিনিয়োগকারীরা (প্রধানত: এন্টিগুয়ার), যারা তাদের টাকা-পয়সা হারিয়েছে আমেরিকান কোটিপতি অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের প্রতারণার শিকার হয়ে, তারা একটি সংগঠন তৈরি করেছেন তাদের ধন ফিরে পেতে। <a href="http://www.stanfordvictimscoalition.com/">স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিমস কোয়ালিশন (স্ট্যানফোর্ড এর শিকার মোর্চা)</a> তাদের <a href="http://fraudsvictims.com/Documents/svc%20press%203-13-2009.pdf">সাইটে</a> জানিয়েছে:</p>
<blockquote><p>স্ট্যানফোর্ড ভিক্টিম কোয়ালিশন একটি আন্তর্জাতিক দল যেটি যুদ্ধ করছে অ্যালেন স্ট্যানফোর্ডের চুরি করা বিলিয়ন ডলারগুলোকে প্রতারিত নিরাপরাধ সকলের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে। এই সকল প্রতারিতরা এন্টিগুয়াতে স্ট্যানফোর্ড ফাইনানশিয়াল গ্রুপ এবং স্ট্যানফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে তাদের পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এই দল কোনো প্রকার রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না অথবা কোনো অনুদান নেয় না তাদের সদস্যদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ব্রুনাইতে, ব্লগাররা সমালোচনা করছে সেইসব ব্যাক্তিদের যারা মন্দা থেকে বাঁচতে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/09/brunei-who-deserves-the-undistributed-zakat-funds/">জাকাতের ফান্ড</a> থেকে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছিল। জাকাত হচ্ছে ইসলামের একটি স্তম্ভ এবং এর মূল নীতি হচ্ছে ধনী কর্তৃক গরীবদের কিছু সম্পদ দেয়া যাদের তা প্রয়োজন। অনেকে আশ্চর্য হয়েছে যে ব্রুনাইয়ের নাগরিকরা যাদের বড় ধরনের ক্রেডিট কার্ড বিল, গাড়ির ঋণ, এবং নিজস্ব ঋণ ছিল তারা এই জাকাতের ফান্ডের থেকে টাকা চেয়েছিল।</p>
<p>এই মন্দা অনেকের মানসিক ও শারীরিক চাপের কারণ হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে <a href="http://www.uptoyoulor.com/2009/03/economic-recession-leads-to.html">শরীরচর্চা কেন্দ্রগুলো ও যোগ কেন্দ্রগুলোতে বেশ ভীড় হয়েছিল</a> যখন সকলে নিজেদের অর্থনৈতিক মন্দার চিন্তা থেকে রেহাই চাচ্ছিল; এবং অনেকে এই প্রকার শরীর চর্চার জন্য বেশ খরচও করছে। <a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/30/recession-hits-singapore/">সিঙ্গাপুর</a> হচ্ছে  এশিয়ার প্রথম দেশ যা এই মন্দার কবলে পরেছিল গত বছর।</p>
<p>কাতারের একজন কর্মচারী <em>হোমেসিকহোম</em>, আবিষ্কার করেছে যে মন্দার কারণে <a href="http://homesickhome.wordpress.com/2009/03/17/my-own-version-of-financial-crisis/">কেনা বেচার নেশাটি কিছুটা কমেছে।</a></p>
<p>একটি বুলগেরিয়ান সাপ্তাহিক <a href="http://capital.bg/show.php?storyid=685129">কাপিতাল</a> জিজ্ঞাসা করেছিল তাদের পাঠকদের যে কিভাবে এই মন্দা তাদেরকে আঘাত করেছে। <em>সাইমন জানকোভ</em> প্রাপ্ত তথ্যটি <a href="http://crisistalk.worldbank.org/2009/03/has-the-crisis-affected-you-how-.html">সংক্ষেপে জানিয়েছেন</a> একটি ফোরামে:</p>
<blockquote><p>আমি উত্তরগুলো এখনও পড়ছি এবং চিন্তার বাইরে কিছু জিনিস পেয়েছি।</p>
<p>ভাড়া বেড়েছে, এবং যারা মর্টগেজ দিতে পারবে, তাদের সংখ্যা কমেছে; কিছু ছোট ব্যবসাগুলো বলেছে যে তাদের বড় প্রতিদ্বন্দ্বীরা এমন নাজুক অবস্থায় যে তাদের জন্য আরো সুবিধা হয়েছে; টিভি দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছে (কারণ খবর গুলো খুবই খারাপ); কমে গিয়েছে সমাজের ভেদ - এখন শুধু নব্য ধনীরা ধনী ; পড়ার সময় বেশী পাওয়া যাচ্ছে; বাইরের বিশ্বের সাথে সম্পর্ক আরো কমেছে। আমার নিজস্ব পছন্দের: অর্থনীতিতে আরো মজা খোঁজা।</p></blockquote>
<p><strong>ব্যবসার খাপ খাইয়ে নেয়া</strong></p>
<p>ব্যবসায়ীরা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এই মন্দার প্রতিক্রিয়ায় এর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে?</p>
<p>কর্মসংস্থান না কমিয়ে, ফিলিপাইন্সের কিছু কিছু কোম্পানী <a href="http://www.bworldonline.com/BW030509/content.php?id=002">কাজের সময় কমিয়ে দিচ্ছে</a>। বিল্ডিংগুলো কম পরিমাণে ব্যবহার হবার কারণে, ম্যানিলার কিছু বাড়ির মালিকরা <a href="http://www.gmanews.tv/story/152275/Office-rentals-to-go-down-until-June-property-consultant-says">অফিসের জন্য ভাড়া কমিয়ে দিচ্ছে</a>। দক্ষিণ কোরিয়াতে অবস্থিত একটি জাপানী কোম্পানী তাদের ব্যবসার লাভ এবং সঞ্চয় ব্যবহার করেছে তাদের <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/korea-economic-downturn-and-which-companies-have-the-best-chances-for-survival/">শ্রমিকদের এই দু:সময়ে সাহায্য করতে।</a></p>
<p>ফিজির ব্যবসা প্রধানরা <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/fiji-minimum-wage-increase-postponed/">বর্ধিত সরকারী ন্যূনতম বেতন কার্যকারী করা পিছিয়েছে</a> বলে জানিয়েছে তাদের শ্রমিকদের। তারা সতর্ক দিয়েছে যে বেতন বাড়িয়ে দিলে আরো ছাঁটাই এমন কি কোম্পানী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এটি একটি দু:সংবাদ ছিল শ্রমিকদের জন্য।</p>
<p><em>দ্যা এশিয়ান প্যারেন্ট</em> (<a href="http://sg.theasianparent.com/home.php">www.theasianparent.com</a>) এর সম্পাদক <em>রোশিনি মাহতানি</em> বলেছেন ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য <a href="http://sgentrepreneurs.com/commentary/2009/03/09/10-cost-cutting-measures-%E2%80%93-theasianparentcom-way/">খরচের পরিমাণ কমানো নিয়ে</a> -</p>
<blockquote><p>১. অফিসের জায়গা ছেড়ে দিন। মাসিক সঞ্চয়: ১,৫০০ ডলার<br />
২. ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন। একবারের সঞ্চয়: ৪,০০০ ডলার। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৩. ফোনের বদলে স্কাইপ! মাসিক সঞ্চয়: অনুমানিক ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৪. শিক্ষানবিস নিয়োগ দিন। মাসিক সঞ্চয়: ৫০০ ডলার<br />
৫. ভার্চুয়াল মিটিং আয়োজন করুণ। মাসিক সঞ্চয়: ১০০ ডলার<br />
৬. স্কেল। মাসিক সঞ্চয়: ৩০০ ডলার<br />
৭. বেতনের বদলে উদ্দীপনা ভাতা। মাসিক সঞ্চয়: ৭৫০ থেকে ১,০০০ ডলার প্রতি বিপণন কর্মচারীর জন্য।<br />
৮. অংশীদারীত্বে যান । মাসিক সঞ্চয়: ১০০ - ১৫০ ডলার<br />
৯. গাছ বাঁচান (এবং টাকা)। মাসিক সঞ্চয়: ২০০ ডলার<br />
১০. সামাজিক মিডিয়া মার্কেটিং। একবারের সঞ্চয়: ২,৬০০ ডলার</p>
<p>মাসিক সঞ্চয়: ৪,৫০০ থেকে ৫,০০০ ডলার প্রতি মাসে</p>
<p>এক বারের সঞ্চয়: ৬,৬০০ ডলার</p></blockquote>
<p>ব্রাজিল থেকে <em>মাইকেল মন্টেরো</em> লিখেছেন তার <a href="http://vitrinepop.blogspot.com/2009/02/criatividade-em-tempos-de-crise.html">তৎপরতা</a> নিয়ে যেটির শুরু করা হয়েছিল পন্তো ফ্রিওতে: যেই সকল ক্রেতারা দোকান থেকে প্রায়ই কিনে, তাদের জন্য একটি বীমা করা থাকবে। যদি তারা কর্ম হীন হয়ে যায় তবে পণ্য দেয়া হবে এবং তার জন্য অতিরিক্ত কোনো পয়সা নেয়া হবে না। এতে তাদের সাহায্য করা হবে।</p>
<blockquote><p>O interessante é que essa ação tem como enfoque a atual crise economica, e em seu anuncio busca tirar o temor que existe nas pessoas de comprar e não poder pegar, o que gera queda nas vendas.</p>
<p>Assim, o consumidor poderá voltar a comprar, e fazer o dinheiro movimentar a economia.</p>
<p>Mais do que uma inteligente proposta de marketing, a ação é um serviço ao país, pois - de forma inteligente -, faz a economia nacional girar capital, e consequentemente manter níveis de venda, empregos, etc.</p></blockquote>
<div class="translation">মজার ব্যপারটা হলো যে এই কাজটি এই সময়ের অর্থনৈতিক মন্দার পরিপ্রেক্ষিতে কাজ করে, এবং এই বিজ্ঞাপন দাবি করেছে যে তারা মানুষের চিন্তার উপশম করবে যে তারা হয়ত কোন কিছু কেনার ক্ষমতা রাখে না যা বিক্রয়ের পরিমান কমিয়ে দেয়। এই পদক্ষেপ অনুযায়ী ভোক্তারা আবার কিনতে শুরু করতে পারবে এবং অর্থনীতিতে টাকার যোগান হবে।</p>
<p>আরো চালাকির বুদ্ধি হচ্ছে ভালো সেবা পেলে একটি দেশকে সাহায্য করে, এবং দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা দিতে শুরু করে। এর থেকে বড় পরিমানের কেনা-বেচা, কাজ এবং আরো অনেক তৈরী হয়।</p></div>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 255px"><a href="http://moscownotes.wordpress.com/2009/02/16/on-housing-and-toilet-paper/"><img alt="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/russia.jpg" title="রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”।" width="245" height="309" /></a><p class="wp-caption-text">রাশিয়ার “অর্থনৈতিক মন্দার টয়লেট কাগজ”। এই কথাটা এই কাগজে লেখা: কি করা উচিৎ? এটি পাওয়া গিয়েছে ব্লগস অফ নোটস (মস্কো) থেকে</p></div>
<p><strong>বাণিজ্যের সুযোগ</strong></p>
<p>অনেক ব্যবসা আছে যারা ঠিকই লাভের মুখ দেখছে এই অর্থনীতির মন্দাতেও। অনেকে এই মন্দার থেকে নিজেদের মঙ্গলই বয়ে আনছে।</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">জাপানে</a> বেশ লাভ করছে এই ব্যবসাগুলো: <a href="http://ueki.biz/414.html">ছোট এবং মাঝারি কোম্পানীগুলো</a> যেগুলো স্বল্প পরিমাণে বিক্রি করে যেমন কাঁচাবাজারে, <a href="http://andyandyandy.jugem.jp/?eid=399">ফাস্টফুডের</a> ব্যবসা, <a href="http://business.nikkeibp.co.jp/article/manage/20090129/184281/?P=1">ই-কমার্স</a> এর জোগানদার, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Pachinko">পাঞ্চিনকো</a> ইণ্ডাস্ট্রি (যারা গেইম বানায়)।</p>
<p>জাপান থেকে <em>চিকারা ইকি</em> জানিয়েছেন যে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/03/10/japan-making-money-thanks-to-the-economic-crisis/">কিভাবে এই মন্দাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে</a></p>
<blockquote><p>１００年に一度と言われている経済危機、考え方を変えると１００年に一度のチャンスかもしれない。不況業種も含め、全ての産業に言えることかもしれません。</p>
<p>ただ、事例の通り何もしなくてもチャンスは生まれるのではなく、コツコツとやってきたご褒美だと思います。</p></blockquote>
<div class="translation">এই মন্দা নিয়ে চিন্তাধারা পরিবর্তন করে একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে যেটা বহু বছর পরে মাত্র আসে। এই কথা ব্যবসাগুলোকে বলা যেতে পারে, এমন কি যেগুলো মন্দায় ডুবে রয়েছে তাদেরও।</p>
<p>তবে এই অবস্থা এমনি এমনি আসে নি। এটি অনেক সময় ধরে অনেক কষ্ট করার ফসল।</p></div>
<p>ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে যেটা ব্লগার <em>ক্যাসওয়েল হোয়াইটসাইড</em> <a href="http://caswellwhiteside.wordpress.com/2009/03/19/forgotten-in-the-shuffle/">মনে করেন</a> যে ফিলিপিনোদের অধিক হারে দেশে ফিরে আসার কারণে যারা বহির্বিশ্বে আগে কাজ করত।</p>
<blockquote><p>দেখা যাচ্ছে যে ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স কানাডা এবং আমেরিকা থেকে প্রতিদিন তাদের ফ্লাইট  দিচ্ছে  যেটা আগে ছিলো চারদিন প্রতি সপ্তাহে। যদিও ফিলিপাইন্স এয়ারলাইন্স (PAL) ঘোষণা করেছে যে এই বৃদ্ধি &#8216;নতুন এবং ভালো সেবা&#39; প্রদান করার জন্য, কিন্তু এটি আসলে ফিলিপিনোদের জন্য একটি সুবিধা। তাদের অনেকে বিশ্বের বহু দেশে তাদের কর্মসংস্থান থেকে ছাটাই হয়েছে। প্রধানত জাপান এবং আমেরিকা থেকেই তারা নিজেদের দেশে ফিরে আসছে।</p></blockquote>
<p><a href="http://nationmultimedia.com/2009/03/19/business/business_30098297.php">থাইল্যান্ডের উদ্দীপক প্ল্যান</a> অনুযায়ী ৫৫ ইউ.এস. ডলার সমমূল্যের বিশেষ চেক দেয়া হবে কম-উপার্জনকারী প্রত্যেকের জন্যে। এর সুবিধা হচ্ছে যে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাকডোনাল্ডস, কেএফসি, পিজা হাট এবং আরো ১৮টি কোম্পানী থেকে পণ্য কিনতে গেলে। যারা কেএফসি থেকে তাদের উদ্দীপক চেক ভাঙ্গিয়ে খাবার কিনবেন তাদের জন্যে একটি সুবিধা রাখা হয়েছে - বিনামূল্যে<a href="http://www.irrawaddy.org/article.php?art_id=15369">২০ টুকরা মুরগী</a> দেয়া হবে তাদেরকে। </p>
<p><em>এভেরী উওম্যান&#39;স ব্লগ</em> একজন কনডম তৈরীকারকের সাথে একমত পোষণ করেছে যে দেখা গেছে <a href="http://www.everywomansblog.com/people-buy-condoms-recessions">বিপুল সংখ্যক মানুষ কনডম কিনছে</a> যাতে মেয়েরা গর্ভবতী না হয়:</p>
<blockquote><p>আমার বিশ্বাস যে এখানে অনেক সত্য আছে এবং যুক্তি এই বিষয়ে। এই মন্দা এবং অজানার সময়ে, মানুষ আরেকজন পরিবারের সদস্য যোগ করতে চায় না যেটার কারণে আরো অর্থনৈতিক সমস্যার কবলে পরতে হতে পারে।</p></blockquote>
<p><em>ডগলাস মুইর</em> আশা করেন যে এই বিশ্বে <a href="http://fistfulofeuros.net/afoe/economics-and-demography/a-goodbad-time-to-stop-having-babies/">জন্মতালিকায় একটি বড় প্রকারের ধ্বস নামবে</a>, প্রধানত যেটা আসবে পূর্ব ইউরোপ থেকে।</p>
<p><strong>শুরুতে প্রত্যাবর্তন</strong></p>
<p>এই অর্থনৈতিক মন্দার জন্য, অনেকে শিখছে কি করে মৌলিক নিয়মগুলো ব্যবহার করতে হয় ব্যবসা করার সময়, যেমন প্রথম শ্রেণীর সেবা প্রতি ক্রেতার জন্য। <a href="http://livroseafins.com/2008/05/12/prefeitura-pipoqueiro-pipoca/">ব্রাজিলের এক ভুট্টা বিক্রেতা</a> পুরস্কৃত হয়েছে তার নতুন চিন্তাধারার ব্যবসার জন্য। সে অনেক <a href="http://www.ricardocoelhoconsult.com.br/responsabilidade.php">বক্তৃতা দিয়েছে কিভাবে সফল ব্যবসা চালাতে হয়।</a></p>
<p>জাপানী যুবা এবং খ্যাতিপূর্ণ লোকদের কাছে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/japan-agriculture-the-latest-trend-among-celebrities/">কৃষিকাজ অনেক জনপ্রিয়</a> হয়েছে যখন অনেকে খুঁজছে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যেগুলো শক্ত করে গড়বে আর্থিক কেন্দ্রগুলোকে। <em>কামিয়ামা ইয়াসুহারু</em> লিখেছেন যে <a href="http://8ada.com/kamiyama/archive/2009/02/post-1.html">কৃষির বিস্তার</a> একটি মজাদার শব্দ হয়ে উঠেছে আজকের জাপানী সমাজে।</p>
<p><a href="http://ki-media.blogspot.com/2009/03/cambodia-tries-alternative-products-to.html">ক্যাম্বোডিয়া</a> আবার শুরু করেছে কৃষিতে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। <a href="http://rspas.anu.edu.au/rmap/newmandala/2009/01/28/laos-too-poor-to-get-any-poorer/">এক লাও অর্থনীতিবিদ</a> বিশ্বাস করেন যে “কৃষি-নির্ভর, স্ব-নির্ভর প্রকৃতি” একটি দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে পারে যেমন লাওসকে করছে এই বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার থেকে।</p>
<p>এই অর্থনীতিবিদ আরো বলেন:</p>
<blockquote><p>মানুষ যারা আগে শিল্পোন্নত দেশে বাস করত এখন ভয় পায় তাদের কর্ম যাতে না নষ্ট হয় কারণ তারা জানে না কি করে শাক-সব্জি ফলাতে হয় এবং গবাদি পশু কি করে পালন করতে হয় যেটা লাওসের লোকজন জানে।</p></blockquote>
<p>জ্যামাইকাতে, ২১টি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নেতারা একটি চুক্তি তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে মিলিত ভাবে এই বিশ্ব মন্দার কবলের থেকে নিজেদের ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। তারা আরো শিখেছেন যে একটি <a href="http://www.jamaicaobserver.com/news/html/20090308T200000-0500_147282_OBS_LEADERSHIP_BY_EXAMPLE.asp">“সামাজিক অংশীদারের বক্তব্য”</a> তৈরি করা উচিৎ যেটা সরকার, বিরোধীদল, শ্রমিক, ব্যবসা এবং সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য।</p>
<div class="contributor"><em>উপরের ছবিটি <a href="http://www.flickr.com/photos/suburbanslice/3103078097/in/set-72157611066659335">সাবার্বানস্লাইস</a> এর ফ্লিকার একাউন্ট থেকে আনা হয়েছে। পর্তুগীজ লেখাটি অনুবাদ করেছে জিভির সম্পাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/paulagoes/">পলা গোজ</a>। জাপানীজ লেখাটা অনুবাদ করেছে জিভির অনুবাদক <a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/04/7228/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে অনলাইন টুলস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 28 Oct 2009 07:33:18 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকা]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7160</guid>
		<description><![CDATA[এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lester-bolicenni/">লেস্টার বলিচেন্নী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/22/online-tools-to-monitor-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>এ বছর ডিসেম্বর কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিতব্য <a href="http://en.cop15.dk/">জলবায়ু পরিবর্তন কনফারেন্সের</a> প্রস্তুতি হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তনের হার যাচাইয়ের জন্যে ব্যবহৃত অনলাইন টুলসগুলোর একটি তালিকা এখানে সন্নিবেশিত করা হল। এইসব টুলস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন, আর সিদ্ধান্তকারীদের উপর জোর দিতে পারবেন সমাধান নিয়ে কাজ করার জন্য।</p>
<p><strong>মাঠ পর্যায়ে:</strong></p>
<p>আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব প্রথমে মাঠ পর্যায়ে দেখা হয়। একজন চিত্রগ্রাহক <a href="http://www.jamesbalog.com/pages/home.php">জেমস বালোগ</a> আমেরিকার আলাস্কাতে গিয়েছিলেন বরফের চূড়ার গলে যাওয়ার চিত্র ধারণ করতে। এই ভিডিওতে তার তোলা অবাক করা সব প্রভাব দেখতে পাবেন:</p>
<div><object width="420" height="260"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowscriptaccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/oaTcsyNrEec&#038;hl=en&#038;fs=1&#038;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="420" height="260"></embed></object></div>
<p>যদি আপনার কাছে আলাস্কাতে যাওয়ার সময় আর দামী ক্যামেরা না থাকে, আর একটা উপায়ে আপনি সেই জায়গা সম্পর্কে জানতে পারবেন - সেখানে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে পড়ে।</p>
<p><a href="http://www.climatefrontlines.org/">অন দ্যা ফ্রন্টলাইন অফ দ্যা ক্লাইমেট চেঞ্জ</a> একটি প্রকল্প যেটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কার্যকরী গল্প নথীভুক্ত করে, যা বিভিন্ন স্থানীয় গোত্র, ছোট দ্বীপ আর অন্যান্য বিপদে থাকা জায়গা থেকে লোকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এই ফোরামে অসংখ্য সাম্প্রতিক গল্প আছে যা ইমেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া আর আফ্রিকা থেকে। উগান্ডার <em>জর্জ কাতুঙ্গুকা</em> আফ্রিকার উন্নয়নের উপর লিখেন এবং পরামর্শও দিয়ে থাকেন। <a href="http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/430">তিনি লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আমার দেশ উগান্ডাতে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব খুব বেশী গুরুত্ব পায় নি কিন্তু এইসব পরিবর্তন আর এর প্রভাব খারাপ ভাবে অনুভূত হচ্ছে। পানি সম্পদের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে ২০২৫ সালে উগান্ডা পানির ঘাটতির সম্মুখীন হবে। মানুষ ক্ষুধার্ত এবং না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে এটি এখনই ঘটছে যেমন পূর্ব উগান্ডার টেসো অঞ্চলে। পানির ইকোসিস্টেমে পরিবর্তন আসছে যেমন লেক ভিক্টোরিয়ার পানির স্তরের ক্রম পরিবর্তন হচ্ছে। আরও রয়েছে অনুধাবন করা যায়না এমন ঋতুর পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা হ্রাস আর ফলন হ্রাস আর এর ফলে গৃহস্থালী দৈন্যতা বৃদ্ধি ও এর ফলভোগ। এই আসন্ন বিপদ থামাতে আমরা কি করছি?</p></blockquote>
<p><strong>বহির্বিশ্ব থেকে গুগল আর্থ:</strong></p>
<p>মাঠ পর্যায়ের নিরীক্ষণের ফলাফল উপর থেকে আবার পরীক্ষা করা যায়। বহির্বিশ্ব সেই জায়গা যেখান থেকে বিশ্বকে দেখা আর ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভাবে সম্ভব। স্পেসশিপে আসন পাওয়া কঠিন কিন্তু সৌভাগ্যবশত: অনলাইনে স্যাটেলাইট ইমেজ পাওয়া সোজা।</p>
<div class="wp-caption alignnone" style="width: 310px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg"><img alt="কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/aral_sea-300x192.jpg" title="আরাল হৃদ" width="300" height="192" /></a><p class="wp-caption-text">কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানে ব্যাপ্ত আরাল হ্রদের স্যাটেলাইট ছবি ১৯৭৩ বনাম ২০০৪ সাল</p></div>
<p>স্পেস এজেন্সি আর কোম্পানিগুলোর দেয়া সার্ভিস ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা, বিজ্ঞানী আর সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার জন্যে জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প একটি <a href="http://na.unep.net/digital_atlas2/index.php">অনলাইন এটলাস</a> তৈরি করেছে বহু দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের পরিবর্তন নথীভুক্ত করে। তাদের অফিসিয়াল ব্লগ <a href="http://googleblog.blogspot.com/2009/09/google-climate-change-tools-for-cop15.html">জানিয়েছে</a> যে এই সকল স্যাটেলাইট ছবি গুগল আর্থের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Virtual_globe">ভার্চুয়াল গ্লোবে</a> দেখা যাবে:</p>
<blockquote><p>ড্যানিশ সরকার আর অন্যদের সাথে মিলে, আমরা <a href="http://www.google.com/cop15">গুগল আর্থ লেয়ার্স এবং টুরস</a> শুরু করছি যাতে আপনারা আমাদের গ্রহে আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং এটার সমাধানের উপায় চিন্তা করতে পারেন।</p></blockquote>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ব্লগ আর ওয়েবসাইটে আরো অনেক এমন টুলস পাওয়া যায়। পাঠকরা আপনাদের নিজস্ব পরামর্শ মন্তব্যের জায়গায় দিতে পারেন।</p>
<p><strong>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য বিজ্ঞান:</strong></p>
<p>সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের হার লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিভিন্ন জরীপ করান পরিবর্তনের ব্যাপারটা বুঝে এর মোকাবিলার জন্য।</p>
<p>অনেক কয়েকটা সূত্রের ডাটা থেকে জলবায়ুর আসল পরিবর্তন দেখার জন্য ইউরোপিয়ান কমিশন আর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ১৯৯৮ সালে একটি স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছিলেন, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Global_Monitoring_for_Environment_and_Security">গ্লোবাল মনিটরিং এনভায়ারমেন্টাল সিকিউরিটি</a> (জিএমিএস) নামে। এই প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করার সময় ২০১৪ সালে যার সাথে নিরাপত্তার একটা অংশ থাকবে।</p>
<p>উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই ভারত জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে যেমন একটি নতুন <a href="http://rashidfaridi.wordpress.com/2009/10/21/india-to-launch-two-satellites-to-study-climate-change/">স্যাটেলাইট</a> উৎক্ষেপণ করেছে মহাকাশে। এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য দেশগুলোকে পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে নতুন পরিবেশ আর প্রযোজ্য অর্থনৈতিক নীতির ব্যাপারে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকাতে, একটা নতুন অর্থনীতি- সম্পর্কিত টুল তৈরি করা হয়েছে এই একই কারনে। <a href="http://allafrica.com/stories/200909040881.html">অলআফ্রিকা জানিয়েছে</a>:</p>
<blockquote><p>এখন, একটি জরীপের উপরে ভিত্তি করে তৈরি বিশ্লেষণ ধর্মী একটা টুল জলবায়ু পরিবর্তনের আর ব্যাপকতার কারনে  দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি সেক্টরের ভঙ্গুরতা ম্যাপে নথীভুক্ত করছে। এটার উন্নয়ন করা হয়েছে নীতি নির্ধারকদের সহায়তার জন্য যাতে তারা কোন এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সব থেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা বুঝতে পারেন আর একেবারে অন্য ধরনের কৃষি পরিস্থিতির জন্য কৃষকদেরকে তৈরি করতে পারেন।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/28/7160/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গুয়াডেলুপ: পানি দিবস</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 27 Oct 2009 19:26:52 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[গুয়াডেলুপ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7131</guid>
		<description><![CDATA[ক্যারিবীয় দ্বীপমালার একটি দ্বীপ গুয়াডেলুপ যার অধিবাসীরা ফরাসী ভাষায় কথা বলে। দ্বীপটিকে ডাকা হয় “সুন্দর পানির দ্বীপ” বলে। এই দ্বীপের জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান। ব্লগাররা গুয়াডেলুপের পানি দিবস (লে জুর্নে ডে ল’উ এ গুয়াডেলুপ) উপলক্ষে আয়োজিত সম্মিলন নিয়ে তাদের ভাবনা লিখেছেন।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fabienne-flessel/">ফাবিয়েন্নে ফ্লেসেল</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/10/19/guadeloupe-the-water-days/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/10/484776493_411825502f.jpg" alt="484776493_411825502f" title="484776493_411825502f" width="500" height="375" class="aligncenter size-full wp-image-7132" /></p>
<p>ক্যারিবীয় দ্বীপমালার একটি দ্বীপ গুয়াডেলুপ, যার অধিবাসীরা ফরাসী ভাষায় কথা বলে। দ্বীপটিকে ডাকা হয় “সুন্দর পানির দ্বীপ” বলে। এই দ্বীপের জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা উপাদান। এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যখন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Guadeloupe#Climate">গুয়াডেলুপের জলবায়ুকে</a> দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়। কারণ কখনো দ্বীপটি বৃষ্টিপাতহীন এবং পানি শূন্য থাকে, আবার কখনো দ্বীপটিতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং সে জন্য যথেষ্ট পানি পাওয়া যায়। কারিমা হচ্ছে এই এলাকার ৬ মাসের এক শুকনো মৌসুম এবং হিভারনেজ হচ্ছে ৪ মাসের এক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Guadeloupe#Hurricanes">ঝড়ো ও বৃষ্টিপূর্ণ সময়</a>। গুয়াডেলুপ কেবল যে পানি নামক উপাদানের উপর নির্ভরশীল তাই নয়, একই সাথে পানির গুণগত মানের উপর তাকে নির্ভর করতে হয়।  </p>
<p>এ কারণে এখন থেকে ৪৬ বছর আগে <a href="http://web.lerelaisinternet.com/www.siaeag.fr//index.php?option=com_content&#038;task=view&#038;id=20&#038;Itemid=2">গুয়াডেলুপে সিন্ডিকেট ইন্টারকমুনাল ডেল এলিমেনেশন এ উ এত ডে এসাইনসইসমেন্ট ডে লা গুয়াডেলুপ</a> [ফরাসী ভাষায়] (সুপেয় পানি সরবরাহকারী ও পয়:নিষ্কাশন সুবিধা প্রদান করার আন্ত:পৌরসভার প্রতিষ্ঠান) নামক প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। প্রথমে তারা সেখানকার তিনটি শহরে পানি সরবরাহ করা শুরু করে এবং বর্তমানে গুয়াডেলুপের ৩৬ টি পৌরসভার মধ্যে প্রায় ১৩ টি পৌরসভায় এই প্রতিষ্ঠানটি পানি সরবরাহ করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে তারা পানি নিয়ে বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, এর মধ্যে প্রযুক্তি সমস্যা থেকে পরিবেশ গত বিষয়ও রয়েছে। বিগত আট বছর ধরে <em>লে জুরনে ডে লউয়ু এ গুয়াডেলুপ</em> (গুয়াডেলুপের পানির সময় কাল) নামের এক সংগঠন তাদের চিন্তা ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তারা এর সাথে পেশাদার কর্মী ও জনতাকে যুক্ত করেছে। ব্লগার <a href="http://www.jarrycafe.com/les-journees-de-leau-en-guadeloupe-du-13-au-17-octobre-2009">জেরিক্যাফে</a> [ফরাসী ভাষায়]  গুয়াডেলুপের অর্থনৈতিক কেন্দ্র জেরির প্রতিদিনের জীবন সম্বন্ধে ভাল মত জানেন। তিনি সম্প্রতি পানি নিয়ে ৫ দিনের এক সম্মিলনের আয়োজন করেন।     </p>
<blockquote><p>Du 13 au 17 octobre venez vous informer au WTC de Jarry sur les problématiques environnementales de l’eau et ses enjeux dans les années à venir.</p></blockquote>
<div class="translation">অক্টোবরের ১৩ থেকে ১৭ তারিখ জেরির ডাব্লিটিসিতে প্রবেশ করুন এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য জানুন, সুপেয় পানি পাওয়া এবং সামনের দিনগুলোতে পানির এর উপর যে দাবি তৈরি হবে সে বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে।</div>
<p>পানি নিয়ে অসংখ্য জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং গুয়াডেলুপের ব্লগার <a href="http://indiscretions.over-blog.fr/article-interview-amelius-hernandez-siaeag-14-10-09-37580154.html"><em>ইনডিসক্রিটনস</em></a> [ফরাসী ভাষায়] জানাচ্ছে, উক্ত সিন্ডিকেটের সভাপতি পানির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছে। যেমন পানি প্রবাহের এলাকা ক্রমাগত নষ্ট হতে থাকা এবং পানি পরিশোধন প্লান্ট তৈরি করা, বিপুল পরিমাণ পানির অপচয় ও শুকনো মৌসুমে পানি সঞ্চয় করে রাখার সম্ভাবনা নিয়ে। মনে হচ্ছে যে  কয়েক বছর ধরে পরিবেশগত বিপর্যয় গুয়াডেলুপের জনগণের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Chlordecone#Kepone_in_the_French_Antilles">কেপোনে কীটনাশক নিয়ে যে সমস্যা </a>ও সেটি নিয়ে যে নজীর বিহীন সর্তকতা মূলক ব্যবস্থা নেবার আলোচনা  হচ্ছে <em>ইনডিসক্রেশনস</em> তাই জানাচ্ছে [ফরাসী ভাষায়]।      </p>
<blockquote><p>Il y a eu des générations d&#39;agriculteurs qui ont utilisé des produits phytosanitaires qui ont pollué les nappes d&#39;eau, surtout en Basse-Terre. On dit qu&#39;il y a des eaux polluées…</p></blockquote>
<div class="translation">বংশ পরম্পরায় কৃষকরা পায়খানা থেকে তৈরি হওয়া পণ্য বা ফাইটোস্যানেটারি ব্যবহার করে, এগুলো মাটির নিচের পানিকে দুষিত করে ফেলছে, বিশেষ করে বাস টেরা অঞ্চলের এলাকাকে। কেউ কেউ বলছে যে এখানকার পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে।</div>
<p><a href="http://www.gaiasoleil.fr/welcome/index.php"><em>গাইয়াসোলেল</em></a> ব্যাখ্যা করেন যে কেপোনে নামক কীটনাশক উপাদানের ব্যবহার গুয়াডেলুপের পানিকে বিষাক্ত করেছে। সম্মিলেনে অন্য সব বিষয়ে সাথে এই বিষয়টিকে কিভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে [ফরাসী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Le problème de la pollution de rivières à la chlordécone est certes dans toutes les têtes lors de ces journées. Cette catastrophe écologique n’est qu’un aspect de la pollution générale des milieux aquatiques : d’autres produits phytosanitaires et d’autres pollutions, dont celles pouvant être occasionnés par les déchets ou les vidanges sauvages sont en cause.</p></blockquote>
<div class="translation">সম্মিলনের সময় সবার মাথায় ছিল কেপোনের দ্বারা নদীর পানি দুষিত হবার বিষয়টি। তবে পরিবেশ গত এই সমস্ত বিপর্যয় সমস্ত পানি দূষণের ক্ষেত্রে পুরো ঘটনার একটি অংশ মাত্র। অন্য সব ফাইটোসেনেটারি বা পায়খানার মল থেকে তৈরি উপাদান এবং অন্য সব দূষণ এক অর্থে ময়লা ও সেগুলো অপসারণ করা থেকে সৃষ্টি হয়।</div>
<p><a href="http://www.domactu.com/actualite/910911381764054/guadeloupe-eaux-necessite-verites-et-solidarites-dans-la-caraibe/">ডোমাকটু</a> এছাড়াও এই অনুষ্ঠান এবং সম্মিলনে আঞ্চলিক সহযোগিতার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয় তার কথা উল্লেখ করেছেন [ফরাসী ভাষায়] (ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে পানি, প্রয়োজনীয়তা, সত্য এবং একতা)। গাইয়াসোলেল সেখানে আগত বিদেশী অতিথি ও সম্মিলনকে ঘিরে তাদের সহযোগিতার কথাও গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করেন [ফরাসী ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>…les intervenants de Cuba, de République Dominicaine, d’Haïti ont eu l’occasion d’exposer les problématiques de l’eau sur leurs territoires et les solutions qu’ils ont choisies.</p></blockquote>
<div class="translation">কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ও হাইতি থেকে লোকজন এই সম্মিলনে অংশগ্রহণ করেছিল। এখানে তাদের নিজ নিজ দেশের পানি সমস্যা ও সমাধানের বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, আলোচনার প্রেক্ষিতে যে সমাধান তৈরি হয়েছে, সেগুলো তারা তাদের নিজ নিজ দেশে প্রয়োগ করতে চান।</div>
<p><em>ইনডিসক্রিটনসের</em> শেষ মন্তব্যটি ছিল অনেক বেশি কেন্দ্রীয় ভাবে গুয়াডলুপিয়ানদের নিয়ে, যা পানি সম্বন্ধে এক সচেতনতা ও ক্যারিবিয়ান লোকদের বিস্তৃত এক অনুভূতির প্রতিধ্বনি: এই অনুভূতি এ রকম যে, এখানে সবাই বিচ্ছিন্ন ও  এখানে আঞ্চলিক সহযোগিতার অভাব রয়েছে [ফরাসী ভাষায়]: </p>
<blockquote><p>…Je vous parlais de l&#39;eau de la Dominique pour irriguer Marie-Galante. J&#39;ai vu, à Santo Domingo, une station d&#39;épuration qui fonctionne parfaitement, qui coûte moins cher à la construction que tout ce que nous avons. Il faut regarder ce qui se fait autour de nous. Nous avons beaucoup à donner, beaucoup à apprendre.</p></blockquote>
<div class="translation">আমি ডোমেনিকা থেকে চাষের জন্য মারি- গালান্তেতে আনা পানির কথা বলছি। ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে আমি পানি পরিশুদ্ধ করার একটা প্লান্ট দেখেছি যা অনেক কম টাকায় বানানো এবং এই প্লান্ট ভালভাবে কাজ করছে, আমাদের এখানে যে সমস্ত প্লান্ট রয়েছে তার চেয়ে এই প্লান্ট ভালভাবে কাজ করছে। পানি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে নিজেদের দিকে তাকাতে হবে। এর জন্য আমাদের অনেক কাজ করতে হবে এবং অনেক কিছু শিখতে হবে।</div>
<div class="contributors">এই পোস্ট যে ছবি ব্যববহার করা হয়েছে তার নাম “<a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/484776585/in/set-72157600178893935/">পানির জগত</a>” এবং এটি <a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/">স্নাপ®</a>-এর তোলা। <a href="http://creativecommons.org/licenses/by/2.0/deed.en">ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স</a> এর আওতায় এই ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে। <a href="http://www.flickr.com/photos/snapr/">স্নাপ®-এর ফ্লিকার ফটোস্ট্রীম</a> ভ্রমণ করুন।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/10/27/7131/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: টেড কেনেডির মৃত্যুতে ল্যাটিন আমেরিকানদের শোক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 16 Sep 2009 19:43:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6193</guid>
		<description><![CDATA[সিনেটর এডওয়ার্ড “টেড” কেনেডি ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাটিন আমেরিকান সম্প্রদায় বৃষ্টির মতো ব্লগ পোস্ট করে, কারণ মৃত কেনেডি ছিলেন অভিবাসী অধিকার আদায়ের এক সহযোগী কণ্ঠ।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/gina-cardenas/">জিনা কারডেনাস</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/13/usa-latinos-on-the-passing-of-ted-kennedy/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300.jpg" alt="463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300" title="463px-Ted_Kennedy_official_photo_portrait_crop-231x300" width="231" height="300" class="alignright size-full wp-image-6194" /><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ted_Kennedy">সিনেটর এডওয়ার্ড “টেড” কেনেডি</a> ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে ল্যাটিন আমেরিকার থেকে আগত সম্প্রদায় যাদের যুক্তরাষ্ট্রে ল্যাটিনো নামা জানা যায়, তারা বৃষ্টির মতো ব্লগ পোস্ট করে। এই সব শব্দে বেদনা ছিল এবং তাকে স্মরণ করার মাঝে অজস্র প্রশংসা বাক্য ঝরে পড়ছিল।  </p>
<p><a href="http://unitedfarmworkers.wordpress.com/about/">ইউনাইটেড ফার্ম ওয়ার্কার্স </a>বা সংযুক্ত খামার শ্রমিক সংগঠন- মাঠ পর্যায়ের অভিবাসী অধিকার আদায়কারী দল, যারা খামার শ্রমিকদের কাজের শর্ত ও আইনগত অবস্থান সংস্কার করেছে-তারা তাদের ব্লগে কেনেডির বন্ধুত্ব ও সমর্থনের কারণে, তার সম্মানে এক এক লেখা পোস্ট করেছে। এই লেখার শিরোনাম, “<a href="http://unitedfarmworkers.wordpress.com/2009/08/26/ufw-mourns-the-passing-of-long-time-friend-senator-edward-kennedy/">আমাদের দীর্ঘ সময়ের বন্ধু সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি স্মরণে</a>”। এখানে বলা হয়েছে: </p>
<blockquote><p>বছরের পর বছর ভালো ও মন্দ উভয় সময়েই  সিনেটর কেনেডি খামার শ্রমিকদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের সাথে পথযাত্রা ও শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে, তাদের হয়ে রাজনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছে এবং তাদের আইনগত অধিকার আদায়ের  জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ ভবনের কক্ষ থেকে শুরু করে ক্যালিফোর্নিয়ার ধুলায় ধুসরিত মাঠ পর্যন্ত গিয়েছে।</p>
<p>যেমনটা যুক্তরাষ্ট্রের খামার শ্রমিকদের সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ডোলারেস হুর্য়েতো একবার বলেছিলেন, রবার্ট ও টেড কেনেডি, আমাদের কাছে এসে বলেন নি আমাদের জন্য কোনটা ভালো? তারা বলেছেন, “তোমরা কি চাও? এবং কি ভাবে তোমাদের আমি সাহায্য করতে পারি? এ কারণেই আমরা তাদের ভালবাসি”।</p></blockquote>
<p>ওয়াশিংটনে একজন বিশ্বস্ত সহযোগীর প্রস্থানে অভিবাসীরা সমন্বিত অভিবাসন সংস্কার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে, যা ২০১০ সালের এক সময় পর্যন্ত পর্যালোচনার জন্য আটকে রয়েছে। <a href="http://www.latinalista.net/palabrafinal/2009/08/vaya_con_dios_ted_kennedy.html"><em>ল্যাটিনা লিস্টা এ সম্বন্ধে লিখেছে</em></a>,  এই বিষয়ে কেনেডির ভূমিকা কেবল এক সহযোগীর চেয়ে অনেক বেশি ছিল:</p>
<blockquote><p>….প্রবীণ প্রজন্মের ল্যাটিনোদের কাছে তার মৃত্যু একটা যুগের পরিসমাপ্তির সঙ্কেত প্রদান করছে, যখন “সম্মানিত ল্যাটিনো” শব্দে এক বিশ্বস্ত অপরাজিত লড়াকু ওয়াশিংটনে <em>লা জেনটে</em> ভাষণে আওয়াজ তুলেছিল।</p></blockquote>
<p>১৯৬৫ সালে কেনেডির ঐতিহাসিক অভিবাসন সংস্কার আইনের কারণে ন্যাশনাল অরিজিন ইমিগ্রেশন (১৮৯০ এর আগে থেকে যারা আমেরিকায় বাস করত, সেই সমস্ত ব্যক্তিরা যে দেশ থেকে এসেছিল কেবল সেই দেশ থেকে অভিবাসী আসতে পারবে এই ছিল আইন) কোটা বা সংখ্যার পরিসমাপ্তি ঘটে। এর ফলে পশ্চিম ইউরোপের দেশ থেকে কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণ লোক নেওয়া উঠে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের দরজা -অপশ্চিমা দেশগুলোর জন্য খুলে যায়, প্রাথমিক ভাবে বলা যায়, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার লোকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের দ্বার উন্মুক্ত হয়ে যায়। </p>
<p>সম্প্রতি তিনি যে সমস্ত বিষয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন তার মধ্যে রয়েছে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Dream_Act">ড্রিম এ্যাক্ট</a>, এজিজবস, <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/State_Children's_Health_Insurance_Program">চিপ</a> এবং <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Violence_Against_Women_Act">নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ</a>। </p>
<p>তিনি সমন্বিত অভিবাসন সংস্কার আইন ২০০৭ এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন, যা এখনো আইনে পরিণত হয় নি। এটিকে বর্তমান অভিবাসন সংস্কার আইনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, সিএইচআইপি এবং ভিএডাব্লিউ সামাজিক সেবার সুযোগ করে দেবে, যার ফলে  যে সমস্ত অভিবাসী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছে তারা নানা ভাবে সাহায্য পাবে। ড্রিম এ্যাক্ট ও এজি জবস বৈধ কাগজ নেই এমন অনেক অভিবাসীর নাগরিকত্ব প্রদানের রাস্তা তৈরি করবে, এ দেশে তার চাকুরি প্রদান ও শিক্ষা গ্রহণের  সুযোগ তৈরির মাধ্যমে। </p>
<p>সমন্বিত অভিবাসন আইন সংস্কার এই সকল পদ্ধতির পরিবর্তন আনবে, যেখানে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তার নামে অভিবাসীদের যে পদ্ধতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেই সকল পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনবে, বৈধ কাগজ ছাড়া যে সমস্ত অভিবাসী এ দেশে রয়েছে তাদের শুনানিতে সহায়তা করবে, বর্তমানে যারা দেশটিতে কাগজ ছাড়া বাস করছে, তাদের এ দেশের নাগরিকত্ব পাবার পথ তৈরি করে দেবে, মেক্সিকোর বর্তমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় সাহায্য করবে, এবং অভিবাসন সংক্রান্ত আমলাতন্ত্রকে উন্নত করবে।<br />
 কেনেডির অভিবাসন সংস্কার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছে। এর সাথে কিছু ঐতিহাসিক সংগঠন যুক্ত ছিল, অভিবাসন অধিকার নীতি আদায়ের ব্যাপারে। যেমন,<a href="http://www.nclr.org/"> ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ লা রাজা </a>বা লা রাজার জাতীয় সমিতি, <a href="http://www.lulac.org/">লিগ অফ ল্যাটিন আমেরিকান সিটিজেন</a> বা সংযুক্ত ল্যাটিন আমেরিকান নাগরিকদের দল, <a href="http://www.maldef.org/">মেক্সিকান -আমেরিকান লিগাল ডিফেন্স এন্ড এডুকেশন ফাণ্ড</a> বা মেক্সিকান-আমেরিকান বাসিন্দার বৈধতা রক্ষা সমিতি এবং শিক্ষা তহবিল। </p>
<p>২০০৯ এর ৭ সেপ্টেম্বরে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Labor_Day">জাতীয় শ্রম দিবসে</a>  ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ লা রাজা ল্যাটিন শ্রমিকদের অভিজ্ঞতার উপর মনোযোগ প্রদান করে। এটা ল্যাটিন শ্রমিকদের অনেক বিষাদময় এক বাস্তবতার ছবি তুলে ধরে: কম বেতন, সুবিধার অভাব, কাজে বিপজ্জনক শর্তাবলি এবং উচ্চ মৃত্যুহার, এই সমস্ত ঘটনায় <a href="http://uspoverty.change.org/blog/view/latins_most_likely_to_die_on_job">বেশি আক্রান্ত হয় ল্যাটিনো শ্রমিকরা</a>। লেখক লেইহ গ্রাহাম <em>চেঞ্জ.অর্গে</em> ব্লগ করেন। <em>গ্রাহাম</em> বলেন এইসব তথ্যে অভিবাসী সংস্কার আইনে শ্রমের শর্তাবলী উন্নত করার যে কথা বলা হয়েছে, তা সমর্থন করে।</p>
<blockquote><p>এইসব সংবাদ জানাচ্ছে, উন্নত ও নৈতিক এক অভিবাসন আইন সংস্কার দরকার। এটি শ্রম শোষণ রোধ ও কাজের বাজার উন্নত করার প্রথম ধাপ সৃষ্টি করবে, যারা কম মজুরিতে কাজ করে তাদের জন্য।</p></blockquote>
<p>ল্যাটিন সম্প্রদায়ের উপর কেনেডির প্রভাব, তাদের মধ্যে এক আদরণীয় সম্পর্ক তৈরি করেছিল। তিনি কখনই অভিবাসীদের, ‘<em>আমরা বনাম তারা’</em> বলে উল্লেখ করতেন না। তিনি কখনই ভুলে যান নি তিনি নিজেই ছিলেন এক আইরিশ অভিবাসী পরিবারের উত্তরপুরুষ। “<em>এ নেশনস অফ ইমিগ্রান্ট</em>” বা “অভিবাসী এক জাতির” কথা বইয়ে তার লেখা মুখবন্ধটি ছিল কেনেডি পরিবারের মূল্যবোধের তীক্ষ্ণ স্বীকারোক্তি, যে পরিবার এক অভিবাসন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে। এই বইটি লিখেছিল তার ভাই জন এফ কেনেডি।  </p>
<p><em>এনডিএনে</em> ব্লগ করেন ওয়াশিংটন ডিসির এক চিন্তাবিদ জোরা টাপিয়া-আলফারো। তিনি <em>এ নেশন অফ ইমিগ্রান্টস</em> এর মুখবন্ধ সবার সাথে ভাগাভাগি করেছেন তার পোস্টে, এই পোস্টের তিনি শিরোনাম দেন, <a href="http://ndn.org/blog/2009/08/edward-kennedy-man-who-saw-wrong-and-tried-right-it">এডোয়ার্ড কেনেডি: “যে মানুষটি ভুল কিছু দেখেছিলেন এবং সেটাকে ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন</a>”।</p>
<blockquote><p>“এখন থেকে ১৫০ বছর আগে আমাদের আইরিশ পুর্বপুরুষদের আটজনের সকলেই সাফল্যের সাথে আটলান্টিক পাড়ি দিতে সক্ষম হন, তাদের বিখ্যাত জাহাজ  নিয়ে, যাকে আমরা জানি “কফিন শপ” বা “লাশবাহী” হিসেবে, কারণ এই কষ্টসাধ্য যাত্রায় অনেকেই বেঁচে যেতে ব্যর্থ হত… কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষ জীবিত ছিলেন, অভিবাসন আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে”।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/16/6193/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভিডিও: আন্তর্জাতিক সামাজিক উদ্যোক্তাদের দৃষ্টিভঙ্গী</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/09/6019/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/09/6019/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Sep 2009 20:53:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নাইজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=6019</guid>
		<description><![CDATA[বিশ্ব সামাজিক সুবিধার বিকাশ (জিএসবিআই) আর দ্যা নেক্সট বিলিয়ন ব্লগে বেশ কিছু ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সামাজিক উদ্যোক্তাদের। এইসব ব্যক্তিরা একত্র হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে ২ সপ্তাহব্যাপী এক আবাসিক বুট ক্যাম্পে যা বিশ্ব সামাজিক সুবিধার বিকাশে সহায়তা করবে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিন্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/09/03/video-perspectives-on-international-social-entrepreneurs/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.scu.edu/sts/gsbi/socialentrepreneurs/2009.cfm">বিশ্ব সামাজিক সুবিধার বিকাশ</a> (জিএসবিআই) আর <a href="http://www.nextbillion.net/blog/2009/08/24/the-gsbi-video-blog-part-1-naemeka-ikegwuonu-from-nigeria">দ্যা নেক্সট বিলিয়ন ব্লগে</a> বেশ কিছু ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সামাজিক উদ্যোক্তাদের। এইসব ব্যক্তিরা একত্র হচ্ছেন ২ সপ্তাহব্যাপী এক আবাসিক বুট ক্যাম্পে যা বিশ্ব সামাজিক সুবিধার বিকাশে সহায়তা করবে এমনটি বলেছেন সম্পাদক ফ্রান্সিস্কা নোগুইরা।</p>
<p>কিন্তু <em>জিএসবিআই</em> কি? তারা এইভাবে বুঝিয়েছেন:</p>
<blockquote><p><em>বিশ্ব সামাজিক সুবিধার বিকাশ (জিএসবিআই)</em> সান্টা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি আর সামাজিক সেন্টারের নিজস্ব উদ্যোগ। এটা সামাজিক উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করে তাদেরকে আর তাদের সংস্থাকে শক্তিশালী করা জন্য এবং মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা আর প্রভাব বিস্তারের বাঁধাগুলোকে অতিক্রম করার জন্য। ২০০৩ সাল থেকে ৮৭টি পুরস্কার প্রাপ্ত সামাজিক প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছেন আর অংশ হয়েছে তারা একটা সম্প্রসারণ শীল নেটওয়ার্কের, যা প্রাক্তন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে পথ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করে। এর লক্ষ্য আরো বেশী ন্যায় আর কার্যকর একটি বিশ্ব প্রতিষ্ঠা।</p></blockquote>
<p>প্রথম যে ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে তার নাম <em><a href="http://www.scu.edu/sts/gsbi/socialentrepreneurs/2009.cfm">নায়মেকা ইকেগুনু</a></em>। তিনি নাইজেরিয়াতে একটা ছোট ফার্মের গ্রামীণ রেডিও চালান। এটি গ্রামীণ আর একাকী পরিবেশের কৃষকদের জন্যে রেডিও প্রোগ্রাম প্রচার করে যেখানে সহনশীল কৃষি আর উন্নয়নের ব্যাপারে স্থানীয় ভাষায় অনেক তথ্য থাকে। এখানে উল্লেখযোগ্য হল তারা রেডিও আর ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তথ্য প্রদানের জন্য আর এটা একটা লাভজনক ব্যবসা।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/2MFg2hKWpyU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/2MFg2hKWpyU&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ভারতের <a href="http://www.grasp.org.in/">তৃণমূল কাজে সামাজিক অংশগ্রহণ</a> সংস্থার <a href="http://www.nextbillion.net/blog/2009/08/25/the-gsbi-video-blog-part-3-yugandhar-mandavkar">যুগান্ধার মান্ধভকারের</a> সাক্ষাৎকার ও নেয়া হয়। তিনি শক্তি সাশ্রয়ী লম্বা কাঠের চুল্লির নকশা নিয়ে কথা বলেছেন যেটা ভারতের মহিলাদের অনেক জ্বালানী কাঠ জোগাড় করার কষ্ট থেকে নিস্তার দেবে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Yt0Ros_iKb0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/Yt0Ros_iKb0&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ভারত থেকে আরো আছেন <a href="http://www.nextbillion.net/blog/2009/08/26/the-gsbi-video-blog-part-4-manoj-sinha">মনোজ সিনহা</a>, কিন্তু গ্রামীণ সমাজের জন্য সহজলভ্য জ্বালানী নিয়ে তার অন্য ধরনের উদ্যোগ আছে। <a href="http://www.huskpowersystems.com/">হাস্ক পাওয়ার সিস্টেমস</a> তুষ থেকে উৎপাদিত শক্তি এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবহার অনুযায়ী মূল্য হিসেবে সরবরাহ করে থাকে। জিএসবিআই অনুসারে, “এইচপিএস সিস্টেম প্রত্যেক গ্রামে কেরোসিন, ডিজেল আর মিথেনের বদলে নবায়ন যোগ্য শক্তি হিসেবে বছরে ১৯০ টন কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন করে।“ ভিডিওটি এখানে:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/h54OavIGSuo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/h54OavIGSuo&#038;color1=0x234900&#038;color2=0x4e9e00&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/09/6019/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: কৃষকদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5829/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5829/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 05 Sep 2009 04:21:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5829</guid>
		<description><![CDATA[দারিদ্রের জটিলতা, কাঙ্ক্ষিত শস্য উৎপাদনে ব্যর্থ হওয়া ও বাড়তে থাকা ঋণের বো্ঝা থেকে রক্ষা পাবার জন্য ক্রমাগত ভাবে ভারতীয় কৃষকরা চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে, যার মধ্যে আত্মহত্যার মতো চরম পন্থাও রয়েছে। ভারতীয় ব্লগাররা পরিস্থিতির বিশ্লেষণ করছে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/25/india-a-wave-of-suicides-among-farmers/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>জনসংখ্যার দিক দিয়ে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। ভারতের ১২০ কোটি লোকের মধ্যে শতকরা ৭০ জন গ্রামে বাস করে।  <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Poverty_in_India">৪৫ কোটি ভারতীয়</a> ( জনসংখ্যার প্রায় ৪২ শতাংশ) আন্তর্জাতিক দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে। তাদের প্রতিদিনের গড় আয় প্রায় ১.২৫ ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৯২ টাকা । যদিও ভারতের কৃষি খাত জিডিপিতে ২৮ শতাংশ যোগান দেয়, কিন্তু সে দেশের জনসংখ্যার একটা বিশাল অংশ এই খাতের সাথে জড়িত। বিপুল পরিমাণ লোক হয় কৃষক অথবা কৃষি সংক্রান্ত কোন খাতে কাজ করছে। কিন্তু এক মহামারী ভারতের কৃষকদের উপর আঘাত করছে। দিনের পর দিন কৃষকরা চূড়ান্ত এক পন্থা গ্রহণ করছে, যেমন <a href="http://www.independent.co.uk/news/world/asia/1500-farmers-commit-mass-suicide-in-india-1669018.html">নিজের জীবন নিজে নিয়ে নিচ্ছে</a>। নিজেরা এই আত্মহননে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে, কারণ তারা ঋণের ভারে এবং দারিদ্রের কশাঘাতে জর্জরিত। আর ভারতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে আসছে <a href="http://www.celsias.com/article/how-gm-seeds-killed-more-indians-world-war-ii/">বছরের পর বছর</a>।</p>
<p>খাদ্য এবং বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষক <em>দিবেন্দ্র শর্মা</em> তার ব্লগ <em>গ্রাউন্ড রিয়ালিটিতে</em> <a href="http://devinder-sharma.blogspot.com/2009/08/i-know-now-why-farmers-kill-themselves.html">জানাচ্ছেন</a>:</p>
<blockquote><p>জুলাই (২০০৯) মাসে ভারতে ৬০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আগস্টের ১০ তারিখের মধ্যে আরো দশ জন  কৃষক নিজের জীবন নিয়ে নেয়। এই ধরনের বেদনাদায়ক অপরাধ মূলক কাজ নিবৃত্ত করার জন্য শহুরে উচ্চবিত্ত ও নীতি নির্ধারকরা যদিও বেশ কিছু কমিটি ও ত্রাণের কথা বলেছে, তা সত্ত্বেও কৃষিতে এই  প্রাণঘাতী নাটকীয়তা চলছে। এর দুর্ভাগ্যজনক দিকটি হচ্ছে কেউ এসে এর কারণটি দূর করার চেষ্টা করছে না, যার কারণে মানব দুর্ভোগের এই শোক গাঁথা কখনই শেষ হচ্ছে না।</p></blockquote>
<p> কেন এই সমস্ত কৃষকরা আত্মহত্যা করে? ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক <em>নিতা জে, কুলকার্নি</em> বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন, তার ব্লগ <em> <a href="http://nitawriter.wordpress.com/2007/05/14/why-indians-commit-suicide/">এ ওয়াইড এ্যাঙ্গেল ভিউ ফ্রম ইন্ডিয়া-তে</a></em></p>
<blockquote><p>কৃষকরা ঋণের ভারে জর্জরিত হয়, কারণ চাষের খরচ অত্যন্ত বেশী- হাইব্রিড সীড বা উচ্চফলনশীল বীজের মাত্রাতিরিক্ত দাম, (বলা হয় এই বীজ নাকি অনেক বেশি ফলন দেয়) এবং বহুজাতিক কোম্পানীর বিক্রি করা কীটনাশক, যার দামও কম নয়। কিন্তু যখন ফসল উৎপন্ন হয়, সেই ফসলের মোটেও ভালো দাম পাওয়া যায় না। দাম না পাওয়ার একটা আংশিক কারণ হচ্ছে শস্য আমদানি করা হয়। মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আসে খরা, যা তাদের জীবনে আরো দু:খ যোগ করে। জমিতে সেচ অনেক ব্যয়বহুল ব্যাপার। তাদের জন্য এটা আরো খরচের বিষয়, যার জন্যে রাজ্য সরকার কোন ধরনের সাহায্য করে না।</p></blockquote>
<p>ভারতীয় ব্লগার <em>এস গুপ্তা </em>সরকারের ত্রাণ ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাকে <a href="http://ceospeaks.mrkconsultancy.com/2009/08/large-part-of-india-drought-hit-but-no.html">আঘাত করেছেন</a>। </p>
<p>ভারতের পুরস্কার প্রাপ্ত সাংবাদিক ও লেখক <a href="http://www.soniafaleiro.com/"><em>সোনিয়া ফালেইরো</em></a> <a href="http://soniafaleiro.blogspot.com/2005/12/death-along-famished-road.html">ব্যাখা করেছেন</a> কি ভাবে মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিদর্ভ অঞ্চলের তুলাচাষীরা সরকারের সাহায্য না পেয়ে ঋণের চোরাবালিতে আটকে গেছে:</p>
<blockquote><p>রোগাক্রান্ত শস্য অথবা ভুল কোন শস্যবীজ কেনার মত নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় তারা বিপদে পড়তে পারে। কারণ এ ভুল শুধরানোর জন্য তাদের ঋণের দরকার হয়। মাত্র পাঁচ শতাংশ কৃষকের সমবায় বা ব্যাংক থেকে ঋণ নেবার যোগ্যতা রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে, তাদের মধ্যে অনেকেই ঋণ খেলাপী, যারা আগের ঋণের টাকা শোধ করতে পারে নি। এখন এই ঋণশোধের ব্যাপারটি ব্যাক্তির হাতে, অনেক সময় কুটিল মহাজন ১০০০ রুপী ঋণ দিয়ে, তার জন্য প্রতি চার মাস অন্তর সুদ নেয় ৫০০ রুপী।</p></blockquote>
<div id="attachment_5830" class="wp-caption alignnone" style="width: 370px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/09/india-farmers-640x480.jpg" alt="ঋণের বোঝা বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, প্রকৃতির সামান্য বিরুপতায় কৃষকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।" title="india-farmers-640x480" width="360" height="480" class="size-full wp-image-5830" /><p class="wp-caption-text">ঋণের বোঝা বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, প্রকৃতির সামান্য বিরুপতায় কৃষকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।</p></div>
<p><a href="http://www.flickr.com/photos/chinogypsie/">ফ্লিকার ব্যবহারকারী চিনোজিপসীর সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত।</a></p>
<p>স্পেন ও ভারতে নিবন্ধনকৃত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানএর ব্লগ <em>এসোসিয়াসিওন প্রভাত</em> এ লেখেন <em>বিকাশ</em>। তিনি সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও অন্যদের অসচেতনতার কারণে <a href="http://blog.savevillage.org/?p=20">ক্ষিপ্ত</a>।</p>
<blockquote><p>যদি সরকার কৃষকদের সমস্যার সমাধান করতে চায় তা হলে কেন তারা খরা বা বন্যার সময় কৃষকদের বিশেষ সুবিধা দেয় না (যা বিহারে প্রায়শ:ই ঘটে)। কেন ভারতের অনেক অংশে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো কৃষকদের ঋণ দিতে অস্বীকার করে? অথচ ঋণ পাওয়া তাদের আইনগত অধিকার। কেন ভারতের অনেক অংশে যে অপুষ্টি এবং দুর্ভিক্ষ রয়েছে কেউ তার কথা বলে না (বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ দরিদ্র এবং অনাহারী লোক ভারতের বিভিন্ন অংশে বাস করে)?</p>
<p>কেন ভারতের অনেক এলাকায় ধীরে ধীরে কৃষকদের এক পদ্ধতিতে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে, তার কোন খবর নেই? </p>
<p>আমি ধারণা করি ভারত তার অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে খুবই ব্যস্ত এবং সে এক স্বপ্নে বাস করেছে যে, সে উন্নত বিশ্বের খুব কাছে চলে এসেছে (এবং যে বিশ্ব ভাবে, ভারতে দারিদ্র সীমার নিচে যে ২৫ শতাংশ লোক বাস করে, তারা আসলে অস্তিত্ব হীন)।</p></blockquote>
<p>ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিক্ষক, লেখক এবং ব্লগার <em>হরিনি কালামুর</em> দেখাচ্ছেন, কিভাবে প্রচার মাধ্যমে কৃষকদের আত্মহত্যার বেদনাদায়ক খবর উপেক্ষা করা হয় এবং চলচ্চিত্র তারকাদের ব্যাপক প্রচারিত খবরের তুলনায় তাদের খবর সামান্য অংশ জুড়ে থাকে:</p>
<blockquote><p>যেদিন শাহরুখ খানকে আমেরিকার বিমান বন্দরে দুই ঘণ্টা আটকে রাখা হয় [..] সেদিন ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের ২১ জন কৃষক আত্মহত্যা করে। তাদের আত্মহত্যার কারণ, তারা ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হয়েছিল।</p>
<p>কিন্তু কৃষকদের আত্মহত্যার খবর প্রচারের জন্য কেউ টাকা দেয় নি। এটা জনপ্রিয়তার মাত্রা (টিআরপি) কে পরিচালিত করে না এবং তা আমাদের সাংবাদিকদের বিবেচ্য বিষয় হয় না।</p></blockquote>
<p>একজন আইটি বিশেষজ্ঞ এবং ব্লগার <em>হিমাংশু রাই</em> <a href="http://yayaver.blogspot.com/2009/08/no-rain-drop-blames-itself-for-flood.html">বের করেছেন</a> যে সমস্যা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ভারতীয়দের বিশেষ কিছু নির্বাচন রয়েছে। কারণ গ্রাম ও শহর উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে বৈষম্য, তা সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটানোর স্থানে এক বড় ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। </p>
<blockquote><p>দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে যে গরিবদের নিয়ে এখানে কেউ এখন আর চিন্তা করে না, অথবা ভাবে না তাদের অবস্থার সত্যিকারের পরিবর্তন দরকার।   </p>
<p>শহুরে শ্রেণী যারা মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশের কম, তারা প্রচার মাধ্যমে অনেক বড় জায়গা জুড়ে থাকে।  বিমান পরিবহণ খাতে চাকুরির বাজার মন্দা, এই খবরটি দেশের গণহারে কৃষকদের আত্মহত্যা করার চেয়ে বড় খবর।</p></blockquote>
<p><em>নাভদানিয়া ট্রাস্ট</em> এক ভারতীয় প্রচারণা গ্রুপ যারা সম্প্রতি <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/south_asia/8178072.stm">এক রিপোর্ট</a> প্রকাশ করেছে। সেখানে জানা যাচ্ছে “এখন সাব সাহারান আফ্রিকার চেয়ে ভারতে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বেশি। আর ভারতের ক্ষুধার্ত মানুষেরা আর কেউ নয়, যারা খাবার উৎপাদন করে- সেই কৃষকেরা”।</p>
<p>এখন কৃষকরা এর প্রতিবাদ করছে। কিন্তু তাদের প্রতিবাদের একটি মাত্র ভাষা রয়েছে- তা হল আত্মহত্যা। চার বছর অনাবৃষ্টির পর ভারতের ঝারখন্ড রাজ্যের কৃষকরা <a href="http://dailymailnews.com/200907/17/FrontPage/FrontPage5.php">এক আত্মহত্যার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে</a>, এই অভিযোগে যে, সরকার তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য কোন পদক্ষেপ নেয় নি।</p>
<p>ভারতের দার্শনিক, পরিবেশবাদী কর্মী এবং নারীবাদী বিষয়ক লেখিকা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Vandana_Shiva">বন্দনা শিবা এর জন্য অভিযোগ করেছেন</a> নেতিবাচক অর্থনীতিকে। তার মতে বিশ্বায়ন এবং এই নেতিবাচক অর্থনীতির কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দেশটির ৭ শতাংশ বেকারত্বের হিসেব মাখায় রাখলে বলা যায়, বেঁচে থাকার জন্য কৃষকরা তাদের পেশা বদলানোরও উপায় নেই।</p>
<p>অপেশাদার চলচ্চিত্র নির্মাতা বিভু মোহান্তে ও আশিশ ধাদাদের তৈরি এক স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র <a href="http://www.youtube.com/watch?v=i-1LLzAO9M8">মিট্টি</a> ভারতীয় কৃষকদের যন্ত্রণা তুলে ধরেছে। </p>
<p>ভারতের পুরস্কার প্রাপ্ত উন্নয়ন গবেষক সাংবাদিক <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/P._Sainath"><em>পি সাইনাথ কাউন্টারপাউচ</em></a> ব্লগে দেখাচ্ছেন যে ভারতীয় কৃষকদের মধ্যে দারিদ্র এবং অনাহার দ্রুত গতিতে বাড়ছে।</p>
<blockquote><p>ভারতে লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীকে দু বেলা আহার জোটাতে খাবার কিনতে হয়।  তারা সেই পরিমাণ শস্য জন্মাতে পারে না যা দিয়ে তারা তাদের পরিবারকে খাওয়াতে পারে। তাদের পরের জমিতে কাজ করতে হয় অথবা অন্য কোথাও কাজ করতে হয়, যাতে তারা প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে পারে। কিছু শস্য কেনার জন্য তাদের বাজারের উপর নির্ভর করতে হয়, খাবারের দাম বাড়ার কারণে তারা এখন তীব্র ভাবে আক্রান্ত । ১৯৯১ সালে এ রকম ঘটনা ঘটেছিল এবং বিশেষ ভাবে এ বছর একই ঘটনা ঘটল। যে সমস্ত লোকের খাবার উৎপাদন করে, অনাহার তাদের জন্য খুবই বাস্তব এক ঘটনা। এর সাথে এই তথ্য যোগ করা যেতে পারে, “প্রতি জনে খাবার পাওয়ার পরিমাণ” শস্য প্রতি নাটকীয় ভাবে কমে গেছে, আর এই ঘটনা ঘটে যখন থেকে ভারতে সংস্কার কর্ম সূচী শুরু হয়। ১৯৯১ সালে জনপ্রতি শস্য পাওয়ার পরিমাণ ছিল ৫১০ গ্রাম, ২০০৫ সালে জনপ্রতি শস্য পাওয়ার পরিমাণ কমে আসে ৪২২ গ্রামে (এটা ৮৮ গ্রামের পার্থক্য নয়, ৮৮ গ্রামকে ৩৬৫ দিয়ে গুণ করে, তাকে আবার ১০০ কোটি ভারতীয়কে দিয়ে গুণ করে যে সংখ্যাটি পাওয়া যাবে সেই পরিমাণ শস্য)। অধ্যাপক উৎস পাটনায়েক ভারতের সেরা কৃষি অর্থনীতিবিদ। তিনি ক্রমাগত ভাবে নির্দেশ করছেন যে, ভারতের গড় দরিদ্র পরিবারগুলো দশ বছর আগে যে পরিমাণ খাবার পেত, আজকে তার তুলনায় ১০০ কিলোগ্রাম কম পায়।</p></blockquote>
<p>গরিব কৃষকরা এরকম ভুগতেই থাকবে যদি সঠিক ভাবে <a href="http://suvratk.blogspot.com/2008/10/groundwater-map-of-india-and-farmer.html">ভুগর্ভস্থ্য পানি ব্যবস্থাপনা</a> না তৈরি হয়। যেমনটা ভুতাত্বিক<em> সুব্রত খের</em> ব্যাখ্যা করেন, সহজ শর্তে ঋণ না পাওয়া এবং বিভিন্ন বৈচিত্র্য পূর্ণ শস্য উৎপাদনের সুযোগ না থাকা, কিংবা অন্য কোন খাত থেকে আয় করার সুযোগ না থাকার কারনে তাদের দুর্ভোগ বাড়ে। দারিদ্রের দুষ্ট চক্র এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন খরা, তাদের ধ্বংস করে ফেলে। অর্থনীতিবিদ এবং পরিবেশবাদী সঞ্জীব স্যান্যাল মতামত প্রদর্শন করেছেন যে, ভারতকে তার <a href="http://quicktake.wordpress.com/2009/07/09/radically-rethinking-indian-agriculture-sanjeev-sanyal/">কৃষিখাত নিয়ে এক বড় আকারে বৈপ্লবিক চিন্তা করতে হবে</a>, কৃষকদের এ ধরনের আত্মহত্যা ঠেকানোর জন্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/09/05/5829/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>উগান্ডা: দুর্ভিক্ষে ক্ষতি বাড়তে থাকা সত্ত্বেও সরকার নিশ্চুপ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4638/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4638/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 31 Jul 2009 20:10:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উগান্ডা]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সাব সাহারান আফ্রিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=4638</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেবেকা হিকক  &#183; অনুবাদ করেছেন বিজয় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
পূর্ব আফ্রিকায় খরা ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রায় ৩০ লক্ষ উগান্ডাবাসি এক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। সম্প্রতি অক্সফাম প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুসারে জানা যাচ্ছে, এই অঞ্চলের আবহাওয়ায় যে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে, তার কারণেই এই খাদ্যাভাব। ২০০৭ সালে ভয়াবহ এক বন্যা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rebekah-heacock/">রেবেকা হিকক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/07/22/uganda-government-quiet-as-famine-takes-toll/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>পূর্ব আফ্রিকায় খরা ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রায় ৩০ লক্ষ উগান্ডাবাসি এক দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে পড়ে গেছে। সম্প্রতি <a href="http://www.oxfam.org/en/policy/bp130-suffering-the-science">অক্সফাম প্রকাশিত এক রিপোর্ট</a> অনুসারে জানা যাচ্ছে, এই অঞ্চলের আবহাওয়ায় যে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে, তার কারণেই এই খাদ্যাভাব। ২০০৭ সালে <a href="http://globalvoicesonline.org/2007/09/29/uganda-bloggers-respond-to-massive-flooding/">ভয়াবহ এক বন্যা </a>উগান্ডার শস্য ধ্বংস করে দেয় এবং দেশটির উত্তর ও পুর্বাংশের জমি ক্ষয় করে ফেলে। চলতে থাকা এই খরা বর্তমানে প্রতিবেশি রাষ্ট্র <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/07/20/kenya-devastating-drought-worsens-human-wildlife-conflict/">কেনিয়ায় তার প্রভাব বিস্তার</a> করেছে। এই ঘটনা খাদ্যশস্য কমে আসার ব্যাপারটিকে আরো খারাপে পরিণত করেছে ও অঞ্চলটিকে বর্তমান সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দেশটির উত্তর ও পুর্বাংশে দুর্ভিক্ষে সৃষ্ট অনাহার ৪০ জন লোকের প্রাণ <a href="http://www.monitor.co.ug/artman/publish/regional-special/Famine_kills_11_in_Lira_88175.shtml">কেড়ে নিয়েছে</a>। ব্লগাররা শংকিত যে সরকার এই বিষয়ে মনোযোগ দেবার আগেই আরো অনেক লোক মারা যাবে।  </p>
<p><em>এন্টিপপ</em> কেন্দ্রীয় সরকারের <a href="http://trampcard.blogspot.com/2009/07/blame-it-on-weatherman.html">সমালোচনা</a> করেছেন। সরকার দুর্ভিক্ষের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে একে “খাদ্য ঘাটতি” বলে অভিহিত করেছে: </p>
<blockquote><p>পূর্ব উগান্ডায় দুর্ভিক্ষ চলছে, ঠিক টেসো নামক এলাকায়। এই দুর্ভিক্ষ ৩৫ জন লোকের জীবন হরণ করেছে। এই বিষয়টি আমাদের অনেককে বিস্মিত করেছে। এমনকি আমরা অনেকে এই বিষয়টি প্রথম শুনি এক আকস্মিক মুহূর্তে যখন আমরা উদরপুর্তি করা পেটে বাতাস পূর্ণ করার জন্য খানিকটা বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। এটা দু:খজনক এবং এর জন্য আমাদের লজ্জিত হওয়া উচিত।     </p>
<p>কিন্তু রাষ্ট্রের কৃষিমন্ত্রী এন্ড্রু বেগিয়ের এবং ত্রান ও দুযোর্গ প্রস্তুতি মন্ত্রী তারসিস কাবওয়েগইয়ারার মতো লজ্জা পাওয়া নয়, যারা এই ঘটনায় ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করেছে; টেসো এলাকার লোকদের বেগিয়ের এই বলে উপহাস করেছে যে, সেখানকার লোকজন বেশীর ভাগ সময় অজন (স্থানীয় ভাবে তৈরী করা মদ) পান করে সময় কাটিয়েছে। তারা ফসল ফলায়নি ও শস্য সংগ্রহ করেনি। কেবল অলস ভাবে বসে সময় কাটানোর জন্য এখন তারা তার মুল্য প্রদান করেছে। কাবওয়েগইয়ারার একে “দুর্ভিক্ষ নয়, খাদ্যের কমতি” বলে, এতে উৎসাহ জুগিয়েছেন।</p></blockquote>
<p><em>ইজিই</em> জানাচ্ছে যে, দেশটির উত্তর এবং পূর্বে দুর্ভিক্ষ খুবই খারাপ আকার ধারণ করেছে। এদেশে যারা পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করেছে তারা দুর্ভিক্ষ থেকে সামান্য নিরাপদে রয়েছে। ভদ্রমহিলা <a href="http://eizzy.blogspot.com/2009/07/have-we-reached-state-of-ichabod.html">বিস্মিত</a> হবেন, যদি সরকার এই সমস্যায় দ্রুত সাড়া দেয়। বাস্তবতা এই যে, উগান্ডার রাষ্ট্রপতি পশ্চিম-উগান্ডার লোক: </p>
<blockquote><p>যেমনটা আশা করা হয়েছিল, কারণ দুর্ভিক্ষ কবলিত এই সমস্ত এলাকা উগান্ডার উত্তর ও পুর্বাংশে পড়েছে। আমি তা বলছি, কারণ আমি সেই এলাকা থেকে এসেছি। (পশ্চিমের) জনগণ হয়তো অনেক বেশি সম্পদশালী নয়, কিন্তু তারা সব সময় খেতে পায়। আমি এইসব তথ্য অস্বীকার করতে পারি না যে, বড় বড় সব ব্যাক্তি, রাজনীতিবিদ ও সরকারী কর্মচারী (যার মধ্যে রাষ্ট্রপতিও অর্ন্তভুক্ত) পশ্চিম থেকে এসেছে। তুমি হয়তো তাদের সাহায্য করতে পারো না কিন্তু এই অনুভুতি পাবে যে, তারা এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত নয়&#8230; যা এক নির্লজ্জ লজ্জা এবং ‌এই সরকার থাকার কোন মানে নেই! আমি <em>সত্যিই তাই মনে করি। যদি একটি সরকার এ রকম একটি দুর্ভিক্ষের মতো মৌলিক সমস্যাকে মোকাবেলা করতে না পার, তাহলে আসলে তারা করছেটা কি</em>?</p></blockquote>
<div id="attachment_86504" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/07/karamoja_drought.jpg" alt="Karamoja, in northeastern Uganda, is one of the areas worst hit by hunger" title="karamoja_drought" width="400" height="267" class="size-full wp-image-86504" /></p>
<p class="wp-caption-text">উত্তরপূর্ব উগান্ডার কারামোজা ক্ষুধাপীড়িত অন্যতম এলাকা। ছবি  <a href="http://eyeingafrica.blogspot.com/2009/06/face-of-akorro.html">রুকো ফান ডের মেরভের সৌজন্যে</a>।</p>
</div>
<p>উগান্ডার <em>ডেইলি মনিটর</em> এক <a href="http://www.monitor.co.ug/artman/publish/opinions/Famine_disaster_and_4th_term_politics_88090.shtml">রিপোর্টে</a> জানাচ্ছে, দুর্যোগ মোকাবেলা মন্ত্রী তারসিস কাবওয়েগইয়ারার কারণ খুঁজছেন দুর্ভিক্ষে যারা মারা গেছেন তারা কেন মরেছেন। তিনি বলেছেন, বলা হচ্ছে যারা দুর্ভিক্ষে মারা গেছে আসলে তারা স্বাস্থ্যগত কারণে মারা গেছে। উগান্ডা টকে লেখার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র <em>কিয়োমুহেন্ড- এতিনিয়া</em> <a href="http://www.independent.co.ug/index.php/uganda-talks/uganda-talks/102-uganda-talks/1262-guest-blog-government-reaction-to-hunger-deaths-inadequate">এর উত্তর দিচ্ছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যখন বড় আকারের এক দুর্ভিক্ষের কথা কাম্পালায় ছড়িয়ে পড়ে সম্মানিত দুর্যোগ মোকাবেলা মন্ত্রী (এক সাংবাদিক সম্মিলেনে ব্যক্তিগতভাবে স্বীকার করেছেন) দুর্যোগের বার্তা বাহকদের অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে কবরস্থান দেখাতে বলেন!</p>
<p>তার মতে এই দুর্ভিক্ষের প্রচার এক সুনাম নষ্ট করা কাজ। এটি হতাশ মাথাগরম করা বিরোধী দলের সাজানো। তাদের কাজ হচ্ছে, যেখান প্রয়োজন নেই সেখানেও ঢোল বাজানো। তিনি এরপর জনতাকে মনে করিয়ে দেন, জনগণকে খাওয়ানোর দায়িত্ব সরকারের নয় এবং দুর্ভিক্ষ পীড়িত জনতাকে বেশি করে আম উৎপাদন করতে বলেন। যখন আমের মৌসুম সে সময় আমকে শুকিয়ে কঠিন সময়ের জন্য আম সংরক্ষণ করে রাখতে উপদেশ দেন। তিনি মাকেরেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক যা পুর্ব আফ্রিকার এক অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান।</p></blockquote>
<p>“বর্তমানে পুর্ব আফ্রিকায় বৃষ্টিপাতহীন শুস্ক মৌসুম চলছে&#8230; উগান্ডার সংবাদপত্র গত সপ্তাহে রিপোর্ট করেছে, উগান্ডার উত্তরে না খেতে পেয়ে ৩৫ জন লোক মারা গেছে”। <a href="http://inanafricanminute.blogspot.com/2009/07/when-people-die-of-hunger.html">ইন এন আফ্রিকান মিনিট</a> ব্লগে জশ লিখছেন, “<em>কেন ব্যাংকস</em> আমাদের বিশ্ব দারিদ্রের এক প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন করছে হাতি সমন্ধে”, আমাকে, হ্যাঁ আসলেই তাই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/07/31/4638/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ফিলিপাইন্স: ক্ষুধা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে গল্প বলা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/29/3214/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/29/3214/#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 29 May 2009 01:28:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[খাদ্য]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপাইনস]]></category>
		<category><![CDATA[ফিলিপিনো]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[শিশু]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3214</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনজুলিয়ানা রিন্কন পারা  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
য়েক বছর আগে (ফিলিপাইন্সের) একটি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ৫৬ তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মানুষের সমর্থন পেয়েছিল। দারিদ্র আর ক্ষুধার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিকারী এই চলচ্চিত্রটি আজ পর্যন্ত ইন্টারনেটে জনপ্রিয়। ক্ষুধার অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্মিত ফার্দিনান্দ দিমাদুরা পরিচালিত চিকেন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juliana-rincon-parra/">জুলিয়ানা রিন্কন পারা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/05/21/philippines-storytelling-for-hunger-awareness/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div class="wp-caption alignleft" style="width: 110px"><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/05/hunger.jpg"><img alt="ক্ষুধা" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/05/hunger.jpg" title="ক্ষুধা" width="100" height="81" /></a><p class="wp-caption-text">ক্ষুধা</p></div>কয়েক বছর আগে (ফিলিপাইন্সের) একটি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ৫৬ তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মানুষের সমর্থন পেয়েছিল। দারিদ্র আর ক্ষুধার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিকারী এই চলচ্চিত্রটি আজ পর্যন্ত ইন্টারনেটে জনপ্রিয়। ক্ষুধার অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্মিত ফার্দিনান্দ দিমাদুরা পরিচালিত <em>চিকেন আলা কার্তে</em> নাম্নী ভিডিওটি আমরা আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।</p>
<p>নীচের ভিডিওটি পাবেন <em><a href="http://www.cultureunplugged.com/">কালচার আনপ্লাগড</a></em> ওয়েবসাইটে যা বিভিন্ন প্রামান্য চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ আর মোবাইল চলচ্চিত্রকে তুলে ধরে আর তাদের মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয়গুলোকে আর্থিক পুরষ্কার দেয়। <a href="http://www.cultureunplugged.com/play/1081/Chicken-a-la-Carte#videoDetail">চিকেন আলা কার্তে</a> চলচ্চিত্রটি ৬ মিনিট দীর্ঘ আর এর নির্মানের ধরন ভাষার বাধাকে কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া অতিক্রম করে:</p>
<div style="width: 400px;"><object width="400" height="300" data="http://www.cultureunplugged.com/swf/embedplayer.swf" type="application/x-shockwave-flash"><param name="name" value="cultureUnpluggedPlayer" /><param name="align" value="middle" /><param name="flashvars" value="video=http://cdn.cultureunplugged.com/lg/CHICKEN_ALA_CARTE.flv&amp;m=1081&amp;u=0&amp;thumb=http://cdn.cultureunplugged.com/thumbnails/lg/1081.jpg&amp;sURL=http://www.cultureunplugged.com&amp;title=Chicken a la Carte&amp;from=Ferdinand Dimadura" /><param name="src" value="http://www.cultureunplugged.com/swf/embedplayer.swf" /><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="quality" value="high" /></object></p>
<div style="margin-top:5px;text-align:center"><a href="http://www.cultureunplugged.com/play/1081/Chicken-a la Carte" target="_blank">কালচার আনপ্লাগড.কম সাইটে এই ছবিটি দেখুন</a></div>
</div>
<p>ছোট থাকাকালীন আমরা অনেকে আমাদের মাদের বলতে শুনেছি প্লেটের ভাত না ফেলে শেষ করতে, যেহেতু পৃথিবীর অন্য প্রান্তে শিশুরা না খেয়ে অনাহারে আছে: বাস্তবতা হচ্ছে যে ক্ষুধার্থ বাচ্চারা আমাদের আশে পাশেই থাকতে পারে।</p>
<p><a href="http://www.youtube.com/watch?v=LaXUw-g4y64">ক্যারোলিনামেড</a> এর পরের ভিডিওটি খাবার নষ্ট করা বা খাওয়ার ফেলে দেয়া থেকে সৃষ্ট অবিচারের কথা বলে। এটি দেখায় যে একটিমাত্র প্রথম বিশ্বের দেশ থেকে কতোটা খাবার নষ্ট হচ্ছে, আর বিশ্বের কতো মানুষের উপকার হতো ফেলে দেয়া ওই খাবার থেকে।</p>
<div><object width="425" height="344" data="http://www.youtube.com/v/LaXUw-g4y64&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" type="application/x-shockwave-flash"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/LaXUw-g4y64&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" /><param name="allowfullscreen" value="true" /></object></div>
<p>আর সিঙ্গাপুর থেকে, <a href="http://www.youtube.com/user/azahahasupernova">আজাহাহাসুপারনোভা</a> এই প্রশ্ন করেছেন: খাবার নষ্ট করার পিছনে আপনাদের অজুহাত কি, আর পরিবেশ সংক্রান্ত কারন দেখিয়েছেন কেন এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর:</p>
<div><object width="425" height="344" data="http://www.youtube.com/v/zyv_uR4Ru2M&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" type="application/x-shockwave-flash"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/zyv_uR4Ru2M&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" /><param name="allowfullscreen" value="true" /></object></div>
<p>ফিলিপাইন্সে, ক্ষুধা সাম্প্রতিক কোন ব্যাপার না: এখানে রুপকথার গল্পেও আছে ক্ষুধা তাড়ানোর জন্য খাদ্য খুঁজে পাওয়ার তাগিদের কথা। জলরঙ্গে তৈরি পরবর্তী স্বল্পদৈর্ঘ এনিমেটেড চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে এমনি ঘটনা। এনিমেটর <a href="http://www.youtube.com/user/tokomokolika">টোকোমোকোলিকা</a> আমাদেরকে এই ব্যাপারে আর একটু বলেছেন:</p>
<blockquote><p>সাগাদার কাছে লেক দানুম এর পাড়ে ছিল এমন একটি গাছ সম্পর্কে একটি বোন্টক গল্প বলব। এটি একটা কাল্পনিক গল্প যা মাএং নামে এক মহিলার, আর তার পরিবারকে ক্ষুধার হাত থেকে বাঁচানোর জন্যে তার অভিয়ানের কথা বর্ণনা করে।</p>
<p>এটা দামিয়ানা ইউগিনিওর ফিলিপাইন্সের রুপকথার গল্পের সংগ্রহ থেকে সংগৃহীত। বইয়ে মূল চরিত্র নামহীন, আর যে গ্রাম থেকে সে এসেছিল তার নাম মায়েং। </p></blockquote>
<div><object width="425" height="344" data="http://www.youtube.com/v/1Zh8VAuKG5Y&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" type="application/x-shockwave-flash"><param name="allowFullScreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://www.youtube.com/v/1Zh8VAuKG5Y&amp;hl=es&amp;fs=1&amp;color1=0x234900&amp;color2=0x4e9e00" /><param name="allowfullscreen" value="true" /></object></div>
<p><em>থাম্বনেইল ইমেজ <a href="http://www.flickr.com/photos/krislitman/493626935/">জনাব ক্রিস</a> এর সৌজন্যে।</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/05/29/3214/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
