লিওনার্দো ফনতেস ব্রাজিলে বলবৎ নতুন আইন যা ব্লগকে নির্বাচন নিয়ে কথা বলা নিষিদ্ধ করেছে তা নিয়ে বলছেন: “যেখানে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্যাম্পেইন ইন্টারনেটে জোরে শোরে হচ্ছে সেখানে আমাদের আইন রাজনীতির সবচেয়ে ভাল দিকটিকে কানা করে দিচ্ছে যা হচ্ছে বাক স্বাধীনতা এবং বিভিন্ন নির্বাচনী প্রস্তাব নিয়ে মুক্ত আলোচনা। ২০০৮ সালটি আইন অবমাননার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হবে। আমি দেখতে চাই কে আমার ইন্টারনেট সাইটটি বন্ধ করতে আসে।”
#
“২৭১ হচ্ছে সেই ব্রাজিলের রাজনীতিবিদদের সংখ্যা যারা সে দেশের রেডিও ও টিভি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার, মালিক বা পরিচালক, এবং এটি আইনগত ভাবে নিষিদ্ধ। আমরা যদি সংবাদপত্রকে ধরি তাহলে রাজনীতিবিদদের মধ্যে কাঁদা ছোড়াছুড়ি আরও বেশী পরিমানে দেখা যাবে”, মন্তব্য করছেন রজেরিও ক্রিস্টোফলেটি (পর্তুগীজ ভাষায়) কমিউনিকেশন স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট - এপকম (যোগাযোগ শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান) এর সাম্প্রতিক এক গবেষণা নিয়ে।
#
পোর্তো আলেগ্রে ভিভে [পোর্তো আলেগ্রে বেঁচে আছে] ব্লগ জানাচ্ছে পর্তুগীজ ব্লগ আ সম্ব্রা ভের্দে [সবুজ ছায়া] ব্লগ সম্বন্ধে (পর্তুগীজ ভাষায়)। এই ব্লগ পোর্তো আলেগ্রের একটি রাস্তাকে “বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা” হিসেবে অভিহিত করেছে কারন এর দুই ধার দিয়ে চমৎকার সব গাছ লাগানো রয়েছে যা রক্ষা করতে স্থানীয় জনগণ অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছে। হয়ত এই ব্লগ পোস্ট পৃথিবীব্যাপী অনেককেই উদ্বুদ্ধ করতে পারবে।
#
তিমুর অনলাইন (পর্তুগীজ ভাষায়) অনুযায়ী গাস্তাও সালসিনহা, যিনি বিপ্লবী নেতা আলফ্রেডো রেইনাডোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসমাও এর প্রতি গুলি চালিয়েছিলেন কিন্তু বলেছেন তারা তাকে প্রাণে মারতে চান নি। আলফ্রেডো রেইনাডো পূর্ব তিমুরের সরকার প্রধানের প্রতি আততায়ী হামলার সময় মারা যান। “তাই সামরিক অভ্যুত্থান এবং অপহরণ করার গুজব সঠিক নয়। তবে এটি এখনও অপরিস্কার আলফ্রেডো রেইনাডো রামোস হোর্তার (আহত রাষ্ট্রপতি) বাড়ীতে কি করছিল” এই ব্লগটি জানায়। এই দেশে আরও ত্রিশ দিন জরুরী অবস্থা থাকবে।
#
‘মোবাইল ওয়েবটিভি লাইভ ব্রডকাস্ট' এই প্রকল্পের মূল ধারণা হচ্ছে “যে কেউ তার নিজস্ব টিভি বানাতে পারে”। প্রকল্পটি ব্রাজিলে একটি বিনামূল্যের ওয়ার্কশপের জন্যে প্রচার চালাচ্ছে। “এখানে আপনিই চলচিত্র নির্মাতা, পরিচালক এবং নায়ক বা নায়িকা। অংশগ্রহণ করুন! গল্পের অংশ হোন।” এই প্রকল্পের ব্লগ জানাচ্ছে (পর্তুগীজ ভাষায়)। এই প্রকল্পের ইংরেজীতে ঘোষনাটি দেখুন।
#
লিওকার্ডো ম্যাকাওর লোকদের জুয়া খেলার অভ্যাস সম্পর্কে লিখছেন (পর্তুগীজ ভাষায়)। এদেশে “২০০৭ সালে ম্যাকাওর জনসংখ্যার বেশীর ভাগ অংশ কোন না কোন ভাবে জুয়া খেলেছে, ক্যাসিনোতে বা লটারীর মাধ্যমে, এবং এদের মধ্যে কম শিক্ষিতরাই বেশী জুয়া খেলেছে।”
#
ইয়াসুদা (পর্তুগীজ ভাষায়) অন্যান্য ব্রাজিলের ব্লগারদের একটি “সামাজিক ব্লগিং” অভিযানে যোগ দেয়ার জন্যে অনুরোধ করেছেন। এই ধারনাটি হচ্ছে যে ব্লগাররা প্রত্যেকে একটি বেসরকারী সংস্থা বা এনজিওকে বেছে নেবে এবং তাদের ব্লগের মাধ্যমে সেটিকে সাহায্য করবে। তারা ওই এনজিও সম্পর্কে ব্লগে লিখবে এবং সবার কাছে তাদের জন্যে সাহায্য চাইবে: খেলনা, বড়দিনে গরীবদের খাওয়ানো, খাদ্য, বস্ত্র অথবা শুধু কিছুটা সময় (নিজের হাতে সাহায্য করার জন্যে)। “এটুকুই। আমি এই উপসংহারেই আসতে চাই যে ওয়েব সত্যিকারের একটি অংশগ্রহনমুলক সামাজিক টুল। সব দিক দিয়েই।”
#