<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; ইংরেজী</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/languages/english/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ভারত: মুম্বাই জঙ্গী হামলা সম্পর্কে বিস্মৃত হওয়া</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7721</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ভারতের প্রবীন সাংবাদিক এবং লেখক এম জে আকবর মনে করেন যে গত বছর মুম্বাই জঙ্গী হামলার পেছনের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছে ভারত। তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে &#8220;বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া আরেকটি এরকম হামলা ডেকে আনবে।&#8221;
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/23/india-wither-the-thoughts-of-mumbai-attack/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ভারতের প্রবীন সাংবাদিক এবং লেখক <em>এম জে আকবর</em> <a href="http://mjakbarblog.blogspot.com/2009/11/terror-threat-we-have-lost-plot.html">মনে করেন</a> যে গত বছর মুম্বাই জঙ্গী হামলার পেছনের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার প্রক্রিয়া থেকে সরে গেছে ভারত। তিনি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে &#8220;বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া আরেকটি এরকম হামলা ডেকে আনবে।&#8221;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7721/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্যালেস্টাইন: টুইটারের রিপোর্ট বলছে যে ইজরায়েল রাফাহ আর খান ইউনিসে বোমা হামলা চালাচ্ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 17:15:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7718</guid>
		<description><![CDATA[গত জানুয়ারী ২০০৯ এ গাজাতে ইজরাইলের হামলার সময়ে, ব্লগার আর টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের স্থান নিয়েছিল, কারণ সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই নাগরিক সাংবাদিকেরা প্রধান ধারার প্রচার মাধ্যমে প্রকাশের বেশ আগেই সব ঘটনার ব্যাপারে রিপোর্ট করে। আজ (১৯শে নভেম্বর, ২০০৯) রাতে, টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের আগে জানিয়েছেন যে খান ইউনিস আর রাফায় বোমা হামলা হচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/jillian-york/">জিলিয়ান সি. ইয়র্ক</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot; </em> 
<br /><p>গত জানুয়ারী ২০০৯ এ গাজাতে ইজরাইলের হামলার সময়ে, ব্লগার আর টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের স্থান নিয়েছিল, কারণ সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এই নাগরিক সাংবাদিকেরা প্রধান ধারার প্রচার মাধ্যমে প্রকাশের বেশ আগেই সব ঘটনার ব্যাপারে রিপোর্ট করে। আজ (১৯শে নভেম্বর, ২০০৯) রাতে, টুইটার ব্যবহারকারীরা প্রচার মাধ্যমের আগে খবর প্রচার করেছেন। গ্রীনিচ মান সময় ১১.৩০টার দিকে (স্থানীয় সময় ভোর ১.৩০) ফ্রম_গাজা নামে টুইট করা <em>ইব্রাহিম সাইদ</em> <a href="http://twitter.com/From_Gaza/status/5841237161">জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>قصف في خانيونس ورفح : الان</p></blockquote>
<div class="translation">খান ইউনিস আর রাফায় বোমা হামলা হচ্ছে - এখন</div>
<p>কিছুক্ষণ পরে তিনি বিস্তারিত <a href="http://twitter.com/From_Gaza/status/5841858902">জানিয়েছেন</a>:</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Screen-shot-2009-11-18-at-7.36.32-PM-300x147.png" alt="tweet" /></p>
<div class="translation">ইজরায়েলের বিমান বাহিনী রাফার সুড়ঙ্গ সমূহকে লক্ষ্য করে বোমা ফেলেছে। এবং গাজা স্ট্রিপের খান ইউনিসে লোকজন সরিয়েছে কাসাম রকেটের উৎসকে আক্রমণ করার জন্যে। ৫ জন মারা গেছে এবং একজন গুরুতরভাবে আহত।</div>
<p>ব্লগার <em>পলিটিকাল থিয়াট্রিকস</em> ঘটনার <a href="http://www.politicaltheatrics.net/?p=467">বর্ণনা দিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বুধবার রাতে ইজরায়েলী বিমান বাহিনী  গাজা- মিশর সীমান্তে চোরাচালানের সুড়ঙ্গে হামলা করেছে। এই ঘটনা ঘটে ফিলিস্তিনি জঙ্গীরা একদিন আগে গাজা স্ট্রিপ থেকে পশ্চিম নেগেভে একটি কাসাম রকেট ছোঁড়ার পরে।</p>
<p>আইডিএফ মুখপাত্রের অফিস জানিয়েছেন যে ইজরায়েল বিমানবাহিনীর প্লেন কাছের একটা কাঠামোতেও আঘাত করেছে যা বিশ্বাস করা হচ্ছে গাজার শহর খান ইউনিসে অস্ত্রাগার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।</p>
<p>ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে যে হামলায় তিন জন আহত হয়েছেন, আর তারা দাবি করেছেন যে সেনা প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রকেও লক্ষ করা হয়েছিল।</p>
<p>আইডিএফ রিপোর্ট আরো ইঙ্গিত করেছে যে আঘাত করা হয়েছিল বুধবার ভোরে গাজা স্ট্রিপ থেকে যে কাসেম রকেট ছোঁড়া হয়েছিল তার জবাবে, আর যা শার হেনেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিল, পশ্চিম নেগেভে পড়েছিল।</p></blockquote>
<p>[সম্পাদকের উক্তি: উপরের ব্লগার আসলে হারেটজ পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, ভুলের জন্য আমি একান্ত দু:খ প্রকাশ করছি।]</p>
<p>সর্বশেষ (৮.০৬ পূর্বের সময়): বিবিসি <a href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/middle_east/8367871.stm">আক্রমণের খবর নিশ্চিত করেছে</a>, আর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কোন হতাহতের কথা জানাননি।</p>
<p> টুইটার ব্যবহারকারী <em>পাকিনামামের</em> আরো উত্তরের অপেক্ষায় আছেন। তিনি <a href="http://twitter.com/pakinamamer/status/5842642453">জিজ্ঞাসা করেছেন</a>: </p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Screen-shot-2009-11-19-at-12.01.25-AM-300x132.png" alt="tweet" /></p>
<div class="translation">আপনারা কি কেউ নিশ্চিত বলতে পারবেন যে খান ইউনিস আর রাফায় ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে কি না? কোন বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ মাধ্যম কি সংবাদটি প্রচার করেছে?</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7718/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের একত্র করার প্রচেষ্টা: সহনশীলতার চার্টার</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 16:42:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন চিন্তা]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7704</guid>
		<description><![CDATA[বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/sadiq/">সাদিক আলম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/a-quest-to-unite-religious-communities-the-charter-for-compassion/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বিভেদ আর ধর্মীয় মতভেদের এই বিশ্বে, একত্রীকরণের প্রচেষ্টা নিয়ে গত ১২ই নভেম্বর একটি বিশেষ আর বহুল প্রতীক্ষিত তত্ত্ব মুক্তি পেয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা আর মহৎ চিন্তাবিদদের অনেক মাসের সম্মিলিত অনলাইন আর অফলাইন কাজের ফসল হিসেবে এটি রচিত হয়েছে।</p>
<p>২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে <a href="http://www.tedprize.org/about-tedprize">টেড পুরস্কার</a> জিতেছিলেন ভূতপূর্ব রোমান ক্যাথোলিক নান <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Karen_Armstrong">ক্যারেন আর্মস্ট্রং</a>, যিনি নিজেকে ‘ফ্রিল্যান্স মনোথিস্ট’ হিসেবে ডাকেন। এই পুরস্কার বছরে তিনজন উৎকৃষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় যারা প্রত্যেকে পান ১ লাখ ডলার এবং আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিষ লাভ করেন - ‘বিশ্বকে পাল্টাবার একটা ইচ্ছার পূরণ।“</p>
<p><a href="http://www.ted.com/">টেড</a> এর মানে প্রযুক্তি, বিনোদন আর ডিজাইন এবং এই তিন জগৎ থেকে মানুষকে একত্র করতে এটি কনফারেন্স হিসেবে (১৯৮৪ সালে) শুরু হয়। এর পর থেকে এর ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত হয়েছে।</p>
<p>বর্তমান বিশ্বে ক্যারেন আর্মস্ট্রংকে ধর্ম নিয়ে একজন মৌলিক আর ভাবনা উদ্রেককারী <a href="http://www.ted.com/pages/view/id/162">চিন্তাবিদ হিসেবে দেখা হয়</a>। তিনি আশা করেছিলেন <a href="http://charterforcompassion.org/learn/">সহনশীলতার চার্টার</a> তৈরি করার। এটি একটি তত্ত্ব যেখানে বিশ্বের সকল ধর্মের মূল বিষয় আর নৈতিক বিষয়গুলো ‘সোনালি আইন’ হিসেবে থাকবে। তিনি টেড সমাজের কাছে এইভাবে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>“আমি আশা করি এই চার্টারের সৃষ্টি, পদযাত্রা আর প্রচারণাতে আপনারা সাহায্য করবেন। আব্রাহামের তিন ধর্মীয় ধারা - ইহুদীবাদ, খৃষ্ট ধর্ম আর ইসলাম এর সম্মিলনে প্রথম সারির একদল উদ্বুদ্ধ কারী চিন্তাবিদ তৈরি করবেন এই তত্ত্ব যা বিশ্বের ন্যায় বিচার আর সম্মানের মূল মন্ত্রের উপরে প্রতিষ্ঠিত।“</p></blockquote>
<p><strong>সম্মিলিত প্রক্রিয়া:</strong></p>
<p>সহনশীলতার চার্টার লেখার গুরুত্বপূর্ণ সূচনা ছিল উন্মুক্ত লেখা প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাপী লোকেদের অংশগ্রহণ। যে সব মন্তব্য জমা পড়েছিল তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যা এখনও চলছে। চার্টার এখন চূড়ান্ত ভাবে উন্মোচিত করা হয়েছে এই সাইট (http://www.charterforcompassion.org) এ। সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের মানুষ এই চার্টারে অবদান রেখেছেন; এটা ধর্ম, মতবাদ আর জাতীয় পার্থক্য ছাড়িয়ে গেছে। এতে প্রথম সারির চিন্তাবিদরা লিখেছেন বিভিন্ন ঐতিহ্য থেকে আবেগ, অর্ন্তদৃষ্টি, জ্ঞান গত আস্থা আর আশা নিয়ে।</p>
<p>সহনশীলতার চার্টারের <em>দ্যা কাউন্সিল অফ সেজেস</em>  এর মধ্যে সন্নিবেশিত হয়েছে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ আর বিভিন্ন বিশ্বাসের প্রতিনিধিরা - যেমন শেখ আলি গোমাহ (মিশরের বড় মুফতি), রাব্বি ডেভিড স্যাপারস্টাইন (ইহুদিবাদের ধর্মীয় কার্যক্রম রিফর্ম সেন্টার), সাদ্ভি চৈতন্য (ধর্মীয় গুরু আর্শ ভিজনায়া মান্দিরাম আশ্রমের) আর আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু (কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকার অবসরপ্রাপ্ত আর্চ বিশপ)।</p>
<div><object classid="clsid:d27cdb6e-ae6d-11cf-96b8-444553540000" width="400" height="220" codebase="http://download.macromedia.com/pub/shockwave/cabs/flash/swflash.cab#version=6,0,40,0"><param name="allowfullscreen" value="true" /><param name="allowscriptaccess" value="always" /><param name="src" value="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" /><embed type="application/x-shockwave-flash" width="400" height="220" src="http://vimeo.com/moogaloop.swf?clip_id=6859038&amp;server=vimeo.com&amp;show_title=1&amp;show_byline=1&amp;show_portrait=0&amp;color=&amp;fullscreen=1" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true"></embed></object><br />
<a href="http://vimeo.com/6859038">সহনশীলতার চার্টারের ট্রেইলার</a>, <a href="http://vimeo.com/user991996">TED Prize</a> on <a href="http://vimeo.com">ভিমিওর</a> সৌজন্যে।</div>
<p>বিশ্বব্যাপী চার্টারের সহযোগীর মধ্যে আছে অন্যান্যদের মধ্যে টেড, ট্যানেনবাউম সেন্টার, ধর্মীয় নেতাদের বিশ্ব কাউন্সিল, আল-গাজ্জালি সেন্টার, ধর্ম, সংস্কৃতি আর শান্তি ইন্সটিটিউট।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী <a href="http://charterforcompassion.org/share/events/">১৭০টির বেশী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে</a> সহনশীলতার চার্টার উন্মোচন করার জন্য (আপনি <a href="http://charterforcompassion.org/share/participate-in-an-event/">নিজেরটাও করতে পারেন</a>)। চার্টারের উদ্বোধন এরই মধ্যে অনেক উৎসাহী সমর্থন গড়ে তুলেছে আর বিশ্ব ব্লগ জগৎে আলোচনাও হচ্ছে।</p>
<p><strong>সহনশীলতার চার্টারের দৃষ্টিকোন:</strong></p>
<p>মালয়েশিয়ার সাংবাদিক <em>নিকি চিয়ং</em> <a href="http://www.nikicheong.com/blog/time-for-compassion-the-charter-is-unveiled-today.html">তার ব্লগে লিখেছেন</a>, ”মালয়েশিয়াবাসীদের আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সহনশীলতার মানে তাদের কাছে কি সেটা একটা স্টুডিওতে রেকর্ড করার জন্যে। এই বক্তব্যগুলো দিয়ে একটা ভিডিও নির্মিত হয়েছে ১২ই নভেম্বর সহনশীলতার চার্টার উন্মোচনের দিন প্রচারণার জন্য।“</p>
<p><em>আইজাত ফায়েজ</em> মালয়েশিয়ায় সহনশীলতার চার্টারের চিত্রায়নে অংশগ্রহণে <a href="http://blog.aizatto.com/2009/11/06/participating-in-the-malaysian-chapter-of-the-charter-for-compassion/">তার অভিজ্ঞতার কথা ব্লগ করেছেন</a>। <em>র‌্যান্টিংস বাই এমএম</em> <a href="http://rantingsbymm.blogspot.com/2009/11/compassion-and-constitution-concerns-of.html">জানিয়েছেন</a> যে মালয়েশিয়াতে চার্টারের উদ্বোধন করবেন আনুষ্ঠানিকভাবে <em>ইয়াব তুন আব্দুল্লাহ আহমাদ বাদাউই</em>। বিকালে তরুণদের একটা প্যানেলের পরে হবে বিভিন্ন ধর্মের প্যানেল।“ </p>
<p>ইহুদি আর মিশ্রধর্মের যুক্তরাষ্ট্রের <em>দৈনিক তিক্কুন</em> <a href="http://www.tikkun.org/tikkundaily/2009/11/10/karen-armstrong-wants-you-to-teach-compassion/">আহ্বান করেছে</a>, ”সবার এই সুযোগ নেয়া উচিত আপনার চার পাশের সবাইকে মনে করিয়ে দেয়ার সহনশীলতার ক্ষমতা সম্পর্কে আর সেই সব উপায় নিয়ে চিন্তা করা যেখানে সহনশীলতা ব্যবহার করে বিশ্বকে পরিবর্তিত আর রোগমুক্ত করা যায়।“</p>
<p>বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে <em>সুজাতোর ব্লগ</em> <a href="http://sujato.wordpress.com/2009/11/05/charter-of-compassion/">লিখেছে</a>: “আমাদের সকলের উচিত আমাদের অংশটুকু করা ধর্মকে ব্যবহার করে সৃষ্টিশীলভাবে আর গঠন মূলক ভাবে পরিবেশের সাথে সাড়া দেয়া, এটাকে সাহায্যের শক্তিতে পরিণত করা কষ্ট দেয়ার চেয়ে ভালোবাসা আর আপন করা জাগিয়ে তোলা অজ্ঞানতা আর বাদ দেয়ার মনোভাবের চেয়ে।“</p>
<p><em>ওগিল্ভি পাবলিক রিলেশন</em> ফার্মের ব্লগ <em>৩৬০ ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্স</em> <a href="http://blog.ogilvypr.com/2009/11/is-compassion-viral/">এই প্রশ্নটি করেছেন</a>, ”সহনশীলতা কি ‘ছোঁয়াচে”?</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে <em>ব্রায়ান কার্নেল</em> ‌<a href="http://brian.carnell.com/articles/2008/the-golden-rule-is-still-not-much-of-a-moral-principle/">এর বিপক্ষে তর্ক করেছেন</a> বিশেষ করে &#8216;সোনালি আইন&#39; সম্পর্কে যেটা চার্টারের কেন্দ্রে আছে। এটাকে ‘মূল্যহীন ভালো অনুভব করার আশা’ নামে ডাকা উচিৎ কারণ এটি ‘আসল নৈতিক কষ্ট’ সমাধান করে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7704/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চীন: বিশেষ প্রতিভার নিরন্তর সন্ধান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 24 Nov 2009 16:20:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[চীন]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7711</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনওইওয়ান লাম  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
চায়না হাশ  একটি সাম্প্রতিক লেখায় লিখেছে যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন পদ্ধতির আবিষ্কার করেছে যার মাধ্যমে বিশেষ প্রতিভাযুক্ত ছাত্রছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/24/china-endless-search-for-distinguished-talent/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><em>চায়না হাশ </em> একটি সাম্প্রতিক লেখায় লিখেছে যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন পদ্ধতির আবিষ্কার করেছে যার মাধ্যমে <a href="http://www.chinahush.com/2009/11/22/chinas-endless-search-for-distinguished-talent/">বিশেষ প্রতিভাযুক্ত ছাত্রছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7711/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হংকং: নিষিদ্ধ হ্যালোইন বিজ্ঞাপন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 24 Nov 2009 16:02:28 +0000</pubDate>
		<dc:creator>tonoy</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[চৈনিক]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[হং কং (চীন)]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7689</guid>
		<description><![CDATA[প্রতি বছর হং কং-এর ওশান পার্কে এক হ্যালোইন পার্টি হয় যেটা অনেক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। যদিও এর বিজ্ঞাপনগুলো জনতার কাছ থেকে অনেক প্রকারের অভিযোগের মুখামুখি হয়। গত বছর, কিছু ভিডিও নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। কিন্তু একটি নিষিদ্ধ ক্লিপ পুরো ইউটিউব ধরে ঘুরছে...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/oiwan/">ওইওয়ান লাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/tonoy/'>tonoy</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2008/10/02/hong-kong-banned-halloween-ads/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রতি বছর, হংকং-এ <a href="http://www.oceanpark.com.hk/f_index.html">ওশান পার্কে </a> এক হ্যালোইন পার্টি হয় যেটা অনেক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। তবে এর বিজ্ঞাপন জনতার কাছ থেকে অনেক প্রকারের অভিযোগের মুখামুখি হয় এবং গত বছর, কিছু ভিডিও ক্লিপ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। কিন্তু একটি নিষিদ্ধ ক্লিপ পুরো ইউটিউব ধরে ঘুরছে এবং স্থানীয় ব্লগ এবং ফোরামগুলোর মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।</p>
<p>ভিডিওটি একটি ভুতে ধরা লিফট নিয়ে যেটির ভিতর স্কুলের কঠিন চাপে জর্জরিত একটি বাচ্চা তার বড় বোনকে তার স্কুলের রিপোর্ট কার্ডের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে। এই ক্লিপে দেখানো হয়েছে জাপানীদের ভয়ঙ্কর ভুতের চোখ। যদি আপনার ভয় লাগে বা হৃদরোগ থাকে তাহলে এই ভিডিওটি দেখবেন না দয়া করে <img src='http://bn.globalvoicesonline.org/wp-includes/images/smilies/icon_smile.gif' alt=':)' class='wp-smiley' /> ।</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/A3lg1p1rPFM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/A3lg1p1rPFM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><em>চ্যার্লাইজ</em> <a href="http://yaplog.jp/charlizeblog/archive/209">এই ভিডিওটাকে বীভৎস কিছুতেই মনে করেনি</a> এবং বিস্মিত হয়েছে যে সরকার কেন এটিকে নিষিদ্ধ করেছে। কিন্তু <em>রাইয়ান</em> <a href="http://www.yiklung.net/blog/archives/2008/09/26/890/">এই ভিডিওটিকে ভীতিপূর্ণ মনে করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>一看開頭，真的好驚啊！場景是地道的香港公屋場景，大部份香港人都很熟悉的地方，也是成長過程中聽過的鬼故事的發生地點。越熟悉的地方，發生的恐佈事才越怕，因為身同感受。</p></blockquote>
<div class="translation">যখন আমি প্রথম এটিকে দেখেছিলাম, আমি আতন্কে ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিলাম! যে স্থানে এটি তোলা হয়েছে, সেটি হং কং-এর একটি গতানুগতিক বাসা এবং হং কং-এর সকলে এই প্রকার স্থানের সাথে পরিচিত। এই ধরনের সাধারণ বাসা ঘিরে অনেক ভুতের গল্প আছে। যত বেশি পরিচিত জায়গাটা, তত বেশি বীভৎস তোমার কাছে লাগবে। কারণ তুমি তখন সেটার সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারবে তোমার অভিজ্ঞতাকে।</div>
<p><em>মিসক</em> এই বিজ্ঞাপনটিকে <a href="http://missques.wordpress.com/2008/09/19/%E6%B5%B7%E6%B4%8B%E5%85%AC%E5%9C%92%E5%93%88%E5%9B%89%E5%96%82%E5%BB%A3%E5%91%8A%E7%89%87%E7%A6%81%E6%92%AD%E7%89%88/">অনেক সাফল্যমন্ডিত মনে করেছে যদিও এটি নিষিদ্ধ</a>:</p>
<blockquote><p>雖然禁播，但放在網上做宣傳仲底，<br />
還有(禁播版)的卓頭，連我咁驚既的都要睇，你又點會唔睇，拍左又點會浪費。</p></blockquote>
<div class="translation">যদিও এটি নিষিদ্ধ, এটি জনপ্রিয় হয়েছে ইন্টারনেটে। নিষিদ্ধ হবার কারণে এটির উপর আরো নজর পড়েছে। আমার মত মানুষরা (যারা এসব সহ্য করতে পারেন না) এগুলো দেখত না যদি না এটি নিষিদ্ধ ভিডিও না হত। অবশ্যই তুমি এটাকে বাদ দিবে না। এটি একটি ভালো পদ্ধতি।</div>
<p>তবে এই ভিডিওগুলোর এই ধরণের প্রচারণা কর্তৃপক্ষের সেন্সরশিপের নজরে পরতে পারে আবারও। সরকারী <a href="http://www.tela.gov.hk/english/welcome.htm">টেলিভিশন ও বিনোদন লাইসেন্স প্রদানকারী</a> সতর্ক করে দিতে পারে আইএসপি দের (অনলাইনের সুবিধাদাতা) অথবা &#8220;অনাচার&#8221; ও &#8220;অপশব্দ&#8221; যুক্ত বলে ভিডিওটাকে ধরিয়ে দিতে পারে অবসীন আর্টিকেল ট্রাইবুনালের কাছে। এ ধরনের বিষয়বস্তু জনসমক্ষে প্রচার একটি অপরাধের সমান এবং এগুলোর কারণে অর্থদন্ড হতে পারে ৪ লাখ হংকং ডলার পর্যন্ত এবং বারো মাস জেল। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ হলে শাস্তি  ৮ লাখ হংকং ডলার পর্যন্ত এবং পুনরায় বারো মাস জেল।</p>
<p>টেলা (TELA) কি এই প্রকার সতর্ক বাণী দিবে ওশান পার্ককে এবং ইউটিউবকে? হয়ত না যখন ওশান পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসার স্থান এবং এই প্রকার শাস্তি ইন্টারনেটের স্বাধীনতাকে বিনাশ করবে। যদিও প্রশ্ন, এই প্রকার ইন্টারনেট সেন্সরশীপের দ্বৈতনীতি কি টেলা বজায় রাখবে? যেমন পূর্বের এই<a href="http://globalvoicesonline.org/2008/10/02/hong-kong-banned-halloween-ads/www.globalvoicesonline.org/2007/07/16/hong-kong-gv-editor-oiwan-lam-faces-court-battle-over-flickr-photo/">এই বিষয়টি</a>?</p>
<p>সরকার জানিয়েছে যে তারা অশ্লীল এবং অসভ্য রচনা নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করবে এবং তারা অচিরেই সম্ভবত পেশ করবে জনগণের পরামর্শের জন্যে। অপেক্ষা করা যাক এবং দেখাই যাক কিভাবে অধ্যাদেশটি ইন্টারনেট সেন্সরশিপকে দেখে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/24/7689/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বিশ্ব স্বাস্থ্য: বিশ্ব শৌচাগার দিবস দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 16:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[General]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওমান]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৌতুক]]></category>
		<category><![CDATA[থাইল্যান্ড]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিঙাপুর]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7685</guid>
		<description><![CDATA[বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের বিশ্ব শৌচাগার দিবস খুব স্বস্তিকর না এমন বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে- শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/juhie-bhatia/">জুহি ভাটিয়া</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/19/global-health-world-toilet-day-raises-a-stink/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/1019110937_99be0d6df3_m.jpg" title="শৌচাগার" class="alignright" width="180" height="240" /></a>বাজে কৌতুক হিসেবে শোনা গেলেও, এ বছরের <a href="http://www.worldtoiletday.com/">বিশ্ব শৌচাগার দিবস</a> খুব স্বস্তিকর না এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরছে যা বিশ্বের অন্তত: অর্ধেক জনসংখ্যার উপরে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয় দুটি হচ্ছে শৌচাগার আর স্বাস্থ্য বিধান।</p>
<p>মানুষ এই ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলতে লজ্জিত হতে পারেন, কিন্তু সবাইকে এটা করতে হয়, শৌচাগার থাকুক বা না। বিশ্ব শৌচাগার দিবস স্বাস্থ্যবিধানের গুরুত্ব তুলে ধরে আর ২.৫ বিলিয়ন লোক যারা শৌচাগার বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধানের সুযোগ পান না তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াটার এইডের <a href="http://www.youtube.com/watch?v=-T2eH7zrDJg">এই ভিডিও</a> শৌচাগার থাকার বিলাসিতা তুলে ধরেছে।</p>
<p>আপনারা শৌচাগার থাকাটা উদযাপন করা বোকার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এটা না থাকা কেবল অস্বস্তিকর না, এমনকি সম্মানহীনতা আর নিরাপত্তার অভাবও সৃষ্টি করতে পারে, আর প্রতিরোধ যোগ্য রোগে ভুগে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হতে পারে। মানুষের যখন শৌচাগার থাকে না, তারা বাধ্য হয় খোলা রাস্তা, মাঠ বা পিছনের গলিতে কাজ সারতে। ফলাফল? খাবার পানি আর খাদ্যের সূত্রের দূষিত হয়, যার ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকে বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধানের অভাব দূষণের বিশ্বব্যাপী সব থেকে বড় কারণ যার ফলে রোগে ভুগে বছরে <a href="http://worldtoiletday.com/about.html">১৮ লাখ মানুষ</a> মারা যায়, বিশেষ করে বাচ্চা। এমনকি যথেষ্ট শৌচাগার থাকা দেশেও অস্বাস্থ্যকর গণশৌচাগার থেকে বা অরক্ষিত পয়:নিষ্কাশন থেকে নির্গত দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়।</p>
<p>সিঙ্গাপুর থেকে <em>লেটস লুক এট দিস ওয়ে</em> তে ব্লগ করা <em>ভ্যানিলা</em>, <a href="http://whatsayyouvanilla.blogspot.com/2009/11/world-toilet-day.html">বলেছেন</a> যে শৌচাগারের ব্যাপারে মানুষকে ঠিকমত ভাবা উচিৎ:</p>
<blockquote><p>“আমি জানি বেশীরভাগ মানুষের কাছে এটা খারাপ একটা বিষয়। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে এটা খোলাখুলি ভাবে কথা বলার জন্য &#8216;নিষিদ্ধ&#39; একটা বিষয় যখন গড়ে, আমরা শৌচাগারে ২৫০০ বার বছরে যাই, বা দিনে ৬-৮ বার। আমাদের সারা জীবনে, আমরা তিন বছর শৌচাগারে কাটিয়ে দেব।”</p></blockquote>
<p>অলাভজনক <a href="http://worldtoiletday.com/wto.html">বিশ্ব শৌচাগার সংস্থা</a> আয়োজিত এই বিশ্ব শৌচাগার দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সচেতনতা আরো বৃদ্ধির জন্য, ওয়াটার এইড এই সপ্তাহে আই ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের নতুন <a href="http://wateraidnews.blogspot.com/2009/11/launch-of-new-iphone-application-brings.html">টয়লেট ফাইন্ডার ইউকে এ্যাপ চালু করেছেন</a>। এই বিনামূল্যের এ্যাপ্লিকেশন (আইফোনের সংযোজিত প্রযুক্তি) ব্রিটেনে বসবাসকারীদের তাদের নিকটতম শৌচাগার খুঁজতে সাহায্য করবে আর একই সাথে তাদেরকে মনে করিয়ে দেবে যে তারা কত সৌভাগ্যবান পরিষ্কার আর নিরাপদ শৌচাগার লাভের জন্যে। ১৯শে নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবসের সব থেকে বড় অনুষ্ঠান ছিল, <a href="http://worldtoiletday.com/squat/">দ্যা বিগ স্কোয়াট</a> (উবু হয়ে বসা), যেখানে বিশ্বব্যাপী মানুষকে জনসমক্ষে থেমে এক মিনিট উবু হয়ে বসতে অনুরোধ করা হয়েছিল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য। <a href="http://www.flickr.com/groups/1216217@N24/">এই ছবিগুলো</a> বিভিন্ন দেশে মানুষের উবু হয়ে বসা দেখাচ্ছে, যার মধ্যে <a href="http://www.flickr.com/photos/25532596@N04/4116769214/in/pool-1216217@N24">সিঙ্গাপুরের প্রাক স্কুলের এই ছবিও আছে</a>:</p>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/4116769214_1b876f8640.jpg" title="সিঙাপুরে উবু হয়ে বসা।" class="alignnone" width="500" height="273" /></a></p>
<p>ব্রুনাই এর একটা ব্লগ <a href="http://panyaluru.blogspot.com/2009/11/cut-paste-toilets.html">প্যানিয়ালুরুর বিশ্ব</a> শৌচাগারের প্রশংসা করেছে এই বিষয়কে তুলে ধরে:</p>
<blockquote><p>“ভেবে দেখুন আমরা কিউলাপ বা গাদোং এ দোকানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। হঠাৎ করে পেট ডেকে উঠল,পরিস্থিতি বেশ খারাপ। কোন থামাথামি নেই, পেট ডেকেই যাচ্ছে। বাতি হলুদ থেকে সবুজ হবে। কিন্তু কোন শৌচাগার দেখা যাচ্ছে না। দোকানের সারির মধ্যে একটাও পাবলিক টয়লেট নেই&#8230;আর এর সাথে পানি বা টিস্যু নেই, কিচ্ছু নেই! এটা আপনার জীবনের সব থেকে খারাপ দিন হতে পারে, আপনার সব থেকে খারাপ দু:স্বপ্ন, এল্ম স্ট্রিট চলচিত্রের বাচ্চারা যে ধরনের দু:স্বপ্ন দেখে তার থেকেও খারাপ। এই দিনে, আমাদের হাতের কাছের শৌচাগারগুলোর জন্য আমাদের প্রশংসা জানানো উচিত।”</p></blockquote>
<p>গুরুত্বের দিক ছাড়াও, অনেকে মজা করে বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালন করেছেন। যুক্তরাজ্যে <a href="http://www.londonblockeddrain.co.uk/blog/index.php/2009/07/london-toilet-drain-cleaning">লন্ডন সিটি ড্রেনস</a> ব্লগ ১০টা প্রশ্নের টয়লেট কুইজ করেছেন, আর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=zx2oVPjnUXs">এই ভিডিওতে</a> হাই স্কুল শিক্ষক <em>ম্যাট চেপ্লিক</em> এই দিবস নিয়ে গান করেছেন।</p>
<p>কিছু ব্লগার বলেছেন যে শৌচাগার একাই এর উত্তর হতে পারে না। ভারতের <em>মারাধি মান্নিতে</em> ব্লগ করা <em>সন্ধ্যা</em> <a href="http://maradhimanni.blogspot.com/2009/11/big-squat-to-take-stand-on-sanitation.html">বলেছেন</a> অনেক পুরুষ পাওয়া গেলেও শৌচাগার ব্যবহার করেন না: </p>
<blockquote><p>“চেন্নাই এর মতো শহরে, যেখানে বছরের ১০ মাস গরম থাকে, আমি পুরুষদের রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে সব সময়ে দেখি। যখন মহিলারা কষ্টে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করে বাড়িতে গিয়ে কাজ সারতে পারেন, পুরুষরা কেন পারেন না? আমি জানি না। তাই প্রথমত:, যারা এমন করে তাদেরকে ওই স্থানেই বড় পরিমানে জরিমানা করা উচিত এই অপরাধের জন্য (হ্যাঁ, এটা অপরাধ)। আমি তাদেরকে পাবলিক টয়লেটের দেয়ালে এমন করতে দেখেছি! শ্রিরাঙ্গামে, আমি তাদেরকে মন্দিরের ঘেরা দেয়ালে প্রস্রাব করতে দেখেছি যদিও মন্দিরের লাগোয়া প্রত্যেক রাস্তায় শৌচাগার ছিল, যেগুলো পরিষ্কার, কিন্তু পয়সা দিয়ে যেতে হয়!”</p></blockquote>
<p>স্বাস্থ্য বিধানের অভাব যেমন সকলের উপরে প্রভাব ফেলে, শৌচাগার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মহিলাদের বেশী প্রভাবিত করতে পারে। <a href="http://worldtoiletday.com/squat">কিছু দেশে</a>, শালিনতার কারণে সূর্যোদয়ের আগে তাদের প্রাকৃতিক কাজ মাঠে সারতে বাধ্য করে বা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে স্বাস্থ্য আর নিরাপত্তার চিন্তার কারণ ঘটতে পারে। <em>ওভারটার্নিং বোল্ডার্স</em> এর ব্লগার <em>জোয়ানা স্প্রাগ</em> <a href="http://overturningboulders.blogspot.com/2009/11/but-where-do-women-do-their-business.html">দেখেছেন</a> যে ভারতের চেন্নাই এর মহিলারা সকালের শৌচাগার গমনে অনুপস্থিত, আর ইথিওপিয়াতে <em>এন এডভেঞ্চার ইন আদ্দিস</em> ব্লগ <a href="http://anadventureinaddis.com/2009/11/17/world-toilet-day/">একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করেছে</a>:</p>
<blockquote><p>“আমি মহিলাদের এত শৌচাগারের সমস্যা বা সাধারণত: শৌচাগার না থাকার কথা শুনেছি, যে গ্রামাঞ্চলে কিশোরীরা ভোর ৪টায় ওঠে অন্ধকারের বাইরে গিয়ে তাদের কাজ সারার জন্য যাতে স্কুলে ছেলেরা তাদের পিছনে না লাগে বা তারা স্কুলে যাওয়া একেবারে বন্ধ না করে দেয়। ছেলেরা যে কোন জায়গায় প্রস্রাব করে, হাতে সিগারেট নিয়ে আর এমন একটা ধারণা আছে মেয়েদের দরকার নেই, যদি তাদের কথা ভাবাও হয়&#8230;আমি বড় একটা বিলবোর্ড দেখতে চাই আমহারিক ভাষায় যেখানে লেখা থাকবে “মেয়েরাও যায়” আর সেখানে বার্বি টয়লেটে বসে আছে এই ছবি থাকবে।”</p></blockquote>
<p>বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপনের জন্য ব্লগার <em>জনাথান স্ট্রে</em> পাঠকদের <a href="http://jonathanstray.com/world-toilet-day">শৌচাগারের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করিয়েছেন</a> যেখানে তিনি গেছেন, থাইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্য থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা আর ওমান পর্যন্ত। পরিশেষে এই বলেছেন তিনি:</p>
<blockquote><p>পশ্চিমের আমরা আমাদের ফ্লাশ টয়লেট আর টয়লেট পেপার আর ঝকঝকে শাওয়ারের স্থান নিয়ে হয়েছি ব্যতিক্রম। বাকি বিশ্ব মনে করে শৌচাগার ভেজা, দুর্গন্ধযুক্ত স্থান; যদি আদৌ তাদের শৌচাগার থাকে। ভালো একটা শৌচাগার থাকা মানে আপনার জীবনধারণ খুব ভালো, তাই আপনার নিজেরটা উপভোগ করুন। আনন্দের হউক বিশ্ব শৌচাগার দিবস!”</p></blockquote>
<div class="contributors"><a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/1019110937/">টাইল্ড টয়লেটের</a> ছবি, তুলেছেন <a href="http://www.flickr.com/photos/nedrichards/">নেড রিচার্ডস</a>, ফ্লিকার থেকে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7685/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইরাক: ঈদের দিনে ১০০০ জনের কোরবানী</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 23 Nov 2009 14:24:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7680</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনআমিরা আল হুসাইনী  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
ইরাক থেকে লায়লা আনোয়ার আসন্ন ঈদুল আজহার দিনে ১০০০ জন ইরাকীর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এই সংবাদের উপর মন্তব্য করেছেন যা পড়তে পারবেন এখানে।
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/amira-al-hussaini/">আমিরা আল হুসাইনী</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/22/iraq-1000-sacrificial-iraqis/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ইরাক থেকে <em>লায়লা আনোয়ার</em> আসন্ন ঈদুল আজহার দিনে ১০০০ জন ইরাকীর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এই সংবাদের উপর মন্তব্য করেছেন <a href="http://arabwomanblues.blogspot.com/2009/11/1000-sacrificial-lambs-for-eid.html">যা পড়তে পারবেন এখানে</a>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/23/7680/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেনমার্ক: দেশত্যাগ করার জন্য অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করা হবে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 11:25:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ডেনমার্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ড্যানিশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7588</guid>
		<description><![CDATA[ডেনমার্কে বাস করা পাশ্চাত্যের নয় এমন দেশের অভিবাসীরা যদি সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০ ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার ) প্রদান করা হবে। ফেসবুকের এক দল, এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে এবং তারা ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করার অভিযানে নেমেছে। এই তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য, দেশটির অভিবাসী বিরোধী দলের নেত্রীকে এই পরিমাণ টাকা প্রদান করা, যাতে সে ডেনমার্ক ছেড়ে যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/solana-larsen/">সোলানা লারসেন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/denmark-immigrants-offered-money-to-leave-the-country/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ডেনমার্কে বাস করা <a href="http://www.dailymail.co.uk/news/worldnews/article-1226698/Denmark-pay-immigrants-12-000-home-wont-assimilate.html?ITO=1490">পাশ্চাত্যের নয়, এমন দেশের অভিবাসীদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে </a> যে যদি তারা সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০  ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার) প্রদান করা হবে। এটা অভিবাসী বিরোধী ড্যানিশ পিপলস পার্টির অনেকগুলো চমৎকার(!) চিন্তার মধ্যে একটি, যার উদ্দেশ্য বিদেশী নাগরিক-বিশেষ করে মুসলিমরা যেন এই দেশে এসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Denmark">ইউরোপের এই ছোট্ট দেশে ৫৫ লক্ষ লোকের বাস </a>। </p>
<p>ডেনামর্কে যে দু&#39;টি রাজনৈতিক দল যৌথভাবে সরকার পরিচালনা করছে, তার এক অংশীদার ড্যানিশ পিপলস পার্টি যেটি চিন্তায় ডানপন্থী। এই দলটি অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করবে যদি অভিবাসীরা এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। তারা ভাবছে এর ফলে ডেনমার্কের <a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem">সমাজ কল্যাণ খাতের টাকা বেঁচে যাবে এবং দেশটি ভবিষ্যৎে লম্বা সময়ের জন্য নানাবিধ সমস্যা থেকে বেঁচে যাবে </a>[ড্যানিশ  ভাষায়]। মন্দ অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নেবার কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়, এই কথাগুলো বলেন দলটির অর্থনৈতিক বিষয়ক মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান থুয়ালসেন ঢাল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে তহবিল তৈরি করা হয়েছে, যারা অভিবাসীদের দেশ ত্যাগ করার জন্য উৎসাহিত করবে। তবে সরকার এখনো হিসেব কষে বের করতে সক্ষম হয় নি, কতজন লোক এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে।  </p>
<p>ডেনমার্কের মোট<a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem"> জনসংখ্যার শতকরা ১০ শতাংশ</a> লোক অভিবাসী বা অভিবাসী বংশদ্ভুত নাগরিক। এদের মধ্যে যেমন প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অভিবাসীও রয়েছে, তেমনি সারা বিশ্ব থেকে আসা নানা ধরনের অভিবাসীরাও রয়েছে। অনেক বছর দেশটির রাজনৈতিক ও প্রচার মাধ্যমের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম ও অপাশ্চাত্যের অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে সংযুক্ত করা এবং উভয়ের সংস্কৃতির সংঘাত থেকে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা উপলব্ধি করা। ইউরোপের সকল দেশের মধ্যে ডেনমার্কের রাজনীতিবীদরা অভিবাসন সংক্রান্ত সবচেয়ে কঠিন আইন তৈরি করেছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় এ দেশে আসতে হলে অনেক বেশি নম্বর অর্জন করতে হয়।  </p>
<p><strong>দেশ ছেড়ে চলে যাবার জন্য কত টাকা প্রদান করা হবে?</strong><br />
<img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/facebook-page-screenshot-300x262.png" alt="facebook-page-screenshot-300x262" title="facebook-page-screenshot-300x262" width="300" height="262" class="alignright size-full wp-image-7589" />এই আইনের প্রতিউত্তরে, <a href="http://www.facebook.com/group.php?v=wall&#038;ref=search&#038;gid=191919317436">বিদ্রূপাত্মক একটি দল ফেসবুকে</a> [ডেনিশ ভাষায়] এর প্রতিবাদ করেছে। তারা ড্যানিশ পিপলস পার্টির প্রধান পিয়া কেয়াসাগার্ডকে প্রদান করার জন্য ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করছে, যাতে সে এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। </p>
<p>এই দলে ১৬,০০০ সদস্য রয়েছে এবং এর ট্যাগলাইন বা মূল মনোভাব প্রকাশের স্থানে লেখা রয়েছে, প্রিয় বন্ধুরা ১০০,০০০ ক্রোনার যোগাড় হলেই এই নেত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাবে। এই দলের সৃষ্টিকর্তারা দলে কিছু অতিরিক্ত টাকা সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মিনিস্ট্রি অফ ইন্টিগ্রেশন বিষয়ক মন্ত্রী ব্রিথ রন হর্নবেককে প্রদান করা হবে, যিনি সরকার পরিচালনা করা লিবারেল পার্টির সদস্যা। বাড়তি এই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্য, চাইলে তিনিও দেশ ত্যাগ করতে পারেন। </p>
<p>ফেসবুকের পাতায় এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদল ব্যঙ্গক্তিপূর্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করছে, দেশ থেকে কাকে লাথি মেরে বের করে দেওয়া হবে, অথবা মন্ত্রীদ্বয়কে নিয়ে এর বাইরে আর কি করা যেতে পারে। অন্যদিকে আরেক দল এর প্রতি উত্তর দিচ্ছে এভাবে যে, ড্যানিশ সরকার ডেনমার্কে বাস করা অসুখী অভিবাসীদের যে ভদ্রোচিত প্রস্তাব দিয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো উচিত এবং তাদের এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। এই নিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তার সাথে একজন মন্তব্যকারী একমত নন এবং তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কয়েক বছর আগে এ রকম একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে সময় যে অর্থ প্রদান করার কথা বলা হয়েছিল তা এর চেয়ে দশগুণ কম ছিল। </p>
<p>ফেসবুকে <em>ডান করনালি ইয়োরগেনসেন</em> মন্তব্য করেছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Jeg har måske misforstået konceptet?<br />
Drejer det sig ikke om et lovforslag som giver ikke-integrerbare udlændige mulighed for at sige ja-tak, til en check på 100.000 kr. mod tilsagn om frivilligt at rejse hjem til deres oprindelsesland? Umidelbart virker det storsindet og absolut humanistisk, da vi må formode at 100.000… kr. er en anseelig formue i det pågældende land, og nok til at starte en anstændig tilværelse i det land som de tilsyneladende har så stærk tilknytning til…</p></blockquote>
<div class="translation">আমি কি বিষয়টি উপলব্ধি করতে ভুল করছি?<br />
এটা কি সেই আইন যা, এ দেশের সমাজের সাথে মিশতে অক্ষম বিদেশীকে স্বেচ্ছায় তার নিজের দেশে ফিরে যাবার ক্ষেত্রে হ্যাঁ বলার শর্তে  ১০০,০০০ ক্রোনার প্রদান করার কথা বলে, যাতে যে দেশের সাথে অভিবাসীর নাড়ীর বন্ধন সেই দেশে স্বেচ্ছায় ফিরে যায়? এটা মনে হচ্ছে মহানুভব ও মানবিক কাজ, যখন আমরা হিসেব করি ১০০,০০০ ক্রোনারের কথা। এই পরিমাণ টাকা পাওয়া অভিবাসী নাগরিকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সৌভাগ্যের এবং যে দেশের সাথে তার বন্ধন জড়িয়ে রয়েছে সেখানে এই পরিমাণ অর্থ পরিমাণে অনেক&#8230;&#8230;</div>
<p><strong>দু মাসের বেশী সময় ধরে দেশের বাইরে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে অবসরভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা কর্তৃপক্ষকে সে সম্বন্ধে তথ্য জানাবে:</strong></p>
<p>ড্যানিশ পিপলস পার্টি এ মাসে অরেকটি আইন তৈরির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এই আইনে ডেনমার্কের একজন <a href="http://www.berlingske.dk/politik/meldepligt-til-alle-pensionister">অবসরভাতা প্রাপ্ত ও সময়ের পূর্বে অবসর নেওয়া ব্যক্তি </a>দুই মাসের বেশি সময় ডেনমার্ক ছেড়ে কোথাও যাবার পরিকল্পনা করলে তাকে অবশ্যই বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে [ড্যানিশ ভাষায়]। দৃশ্যত:, এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, যারা ডেনমার্কের অবসরভাতা গ্রহণ করে এবং একই সময়ে অন্য দেশে টাকা আয় করতে যায়, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের আটকানো। বলা যেতে পারে, ডেনমার্কে বাস করা ইরাকীদের এ ধরনের কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আইন। এর সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সামিয়া আজিজ মোহাম্মদ। তিনি একজন ইরাকী-ড্যানিশ রাজনীতিবীদ। দেখা গেছে যে সময়ে তিনি ডেনমার্ক থেকে অবসরভাতা গ্রহণ করছেন, একই সময়ে তিনি ইরাকী সরকারে সংসদ সদস্যা হিসেবে বেশ ভালো বেতন নিচ্ছেন। এ ঘটনা জানাজানি হবার পর সামিয়া অবশ্য ড্যানিশ সরকারকে তার অবসরভাতা <a href="http://politiken.dk/indland/article812531.ece"> ফেরত দিয়েছেন</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। ডেনমার্কের সংবাদপত্র আবিষ্কার করেছে যে এ রকম আরেকজন <a href="http://politiken.dk/indland/article761845.ece">অবসরভাতা প্রাপ্ত </a> ব্যক্তি কুর্দী সংসদ থেকে বেশ ভালো টাকা বেতন পান। </p>
<p>ডেনমার্কের সংসদের দু&#39;টি দল লিবারেল ও ড্যানিশ পিপলস পার্টি উভয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেছে যে, নতুন নিয়মে ভ্রমণের ব্যাপারে যে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, তাতে ভুয়া উদ্বাস্তুদের ছুটির সময়ে ভ্রমণ করা বন্ধ হয়ে যাবে। এই সমস্ত উদ্বাস্তুরা ছুটির সময় নিজের দেশে বেড়াতে যায় এবং একই সাথে তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হতে যায় । তারা স্বদেশী পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হবার জন্য ডেনমার্কের বাইরে অনেক লম্বা সময় কাটায়। </p>
<p>ঘটনা হচ্ছে ডেনমার্কের সকল অবসরভাতা ভোগীদের উইল বা দলিল এতে সন্দেহের তালিকায় চলে আসবে, যা ডেনমার্কের বয়স্কব্যক্তিদের জন্য তৈরি করা সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান ডেনএজের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তারা এ কারণে তাদের <a href="http://www.kristeligt-dagblad.dk/artikel/345067:Danmark--Pensionister-raser-over-ny-meldepligt">রাগ প্রকাশ করেছে </a>[ড্যানিশ ভাষায়]। অনেকে <a href="http://debat.bt.dk/index.php?id=1&#038;view=single_thread&#038;cat_uid=3&#038;conf_uid=65&#038;thread_uid=23198&#038;page=1">সংবাদপত্রের নিবন্ধে মন্তব্য করেছে</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। মন্তব্যে অনেকে সরকারের প্রতারণা বন্ধ করার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন, অনেকে আবার অতীতে পূর্ব জার্মানীর আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সাথে ডেনমার্কের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির তুলনা করেছেন।</p>
<p><a href="http://sitestory.dk/wordpress/2009/11/08/pensionisters-meldepligt-er-chikane-og-tom-signalpolitik/"><em>ডিট্টে অগ হিন্ট</em> ব্লগে এরিক বেন্টজেন</a> নামের এক ব্লগার নামক বলছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Enhver kan sige sig selv, at meldepligten ikke dæmmer op for noget som helst, da den ikke indebærer nogen form for effektiv kontrol.<br />
Det er ren chikane og tom signalpolitik, som øger kommunernes administrative arbejde til ingen verdens nytte.<br />
Reglen er så amøbeintelligent, at den forhåbentlig giver bagslag, næste gang pensionisterne skal til stemmeurnerne.</p></blockquote>
<div class="translation">যে কেউ  উপলব্ধি করতে পারে যে, নতুন নিয়ম কোন ধরনের প্রতারণাকে ঠেকাতে সক্ষম হবে না, কারণ এটি কোন কার্যকর নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত নয়। </p>
<p>এই আইন পরিষ্কারভাবে এক হয়রানি মূলক আইন এবং প্রতীকী এক শূন্যগর্ভ রাজনীতি, যা স্থানীয় সরকারের কর্মচারীদের কোন প্রয়োজন ছাড়াই কাজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবে। </p>
<p>এই নীতি এতটাই প্রাচীন এক বুদ্ধিমত্তার বহি:প্রকাশ যে, আশা করা যায় পরবর্তী সময়ে অবসর ভোগীরা তাদের বিপক্ষে ভোট প্রদান করবে।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: বাংলা গানের সুরে রোমানীয় গান</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7626/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7626/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 14:46:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাউন্ডআপ]]></category>
		<category><![CDATA[রোমানিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7626</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
একে আপনারা সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণ বলেন আর নকল করা বলেন, এ বেঙ্গলী ইন টরোন্টো ব্লগ জানাচ্ছে যে একটি জনপ্রিয় বাংলা গানের সুর (যা ১৮৭০ সালে রাধা রমণ দত্ত রচনা করেছিলেন) ব্যবহার করেছেন রোমানিয়ার গায়ক লিভিউ মিতিতেলু তার গাওয়া একটি রোমানীয় গানে। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/20/bangladesh-romanian-song-in-bangla-tune/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>একে আপনারা সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণ বলেন আর নকল করা বলেন, <em>এ বেঙ্গলী ইন টরোন্টো</em> ব্লগ <a href="http://mezba.blogspot.com/2009/11/bangla-song-copied-by-romanian.html">জানাচ্ছে যে</a> একটি <a href="http://www.youtube.com/watch?v=ssrGmOKUcM0">জনপ্রিয় বাংলা গানের</a> সুর (যা ১৮৭০ সালে <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Radha_Romon">রাধা রমণ দত্ত</a> রচনা করেছিলেন) ব্যবহার করেছেন রোমানিয়ার গায়ক <em>লিভিউ মিতিতেলু</em> তার গাওয়া <a href="http://www.youtube.com/watch?v=CVxPOf1phjM">একটি রোমানীয় গানে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7626/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
