<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; বাংলা</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/category/languages/bangla/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>বাংলাদেশ: সিনেটর এডোয়ার্ড কেনেডির জন্য শোক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 29 Aug 2009 04:50:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শরণার্থী]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=5585</guid>
		<description><![CDATA[সিনেটর এডোয়ার্ড মুর “টেড” কেনেডি ( জন্ম, ফেব্রুয়ারি ২২. ১৯৩২- মৃত্যু, আগস্ট ২৫,২০০৯), তিনি আমেরিকার সংসদ বা সিনেটের দ্বিতীয় প্রবীণ সদস্য ছিলেন, তিনি গত মঙ্গলবার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ব্লগাররা তাকে বাংলাদেশের এক সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে স্মরণ করেছে এবং ব্যাখ্যা করেছে কেন বাংলাদেশ তাকে সবসময় মনে রাখবে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/08/27/bangladesh-mourning-senator-edward-kennedy/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><div id="attachment_5586" class="wp-caption alignleft" style="width: 241px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/08/Ted_Kennedy_official_photo-231x300.jpg" alt="টেড কেনেডির ছবি- উইকিমিডিয়ার মাধ্যমে পাবলিক ডোমেন থেকে নেওয়া " title="Ted_Kennedy_official_photo-231x300" width="231" height="300" class="size-full wp-image-5586" /><p class="wp-caption-text">টেড কেনেডির ছবি- উইকিমিডিয়ার মাধ্যমে পাবলিক ডোমেন থেকে নেওয়া </p></div><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Edward_kennedy">সিনেটর এডোয়ার্ড মুর “টেড” কেনেডি</a> ( জন্ম, ফেব্রুয়ারি ২২. ১৯৩২- মৃত্যু, আগস্ট ২৫,২০০৯) আমেরিকার উচ্চতর সংসদ বা সিনেটের দ্বিতীয় প্রবীণ সদস্য ছিলেন। তিনি গত মঙ্গলবার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। কিংবদন্তীর এই রাজনীতিবিদ যুক্তরাষ্ট্র ও সারা বিশ্বকে শোক সন্তপ্ত করে রেখে যান। সারা বিশ্বে যে সমস্ত জনগণ বিপদে পতিত, তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে লড়াইয়ের কারণে তিনি খ্যাতি লাভ করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় <a href="http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=39">বাংলাদেশী শরণার্থীদের</a> জন্য তিনি লড়েছেন। ইথিওপিয়ার দুর্ভিক্ষ পীড়িতদের পাশে এসে তিনি দাঁড়িয়েছেন। উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়ায় তিনি ভূমিকা রেখেছেন।</p>
<p>সিনেটর কেনেডিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের এক সত্যিকারের বন্ধু বলে উল্লেখ করেন এবং তিনি বাংলাদেশের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Liberation_War_of_Bangladesh">স্বাধীনতা যুদ্ধের</a> সময় <a href="http://www.bdnews24.com/details.php?cid=2&#038;id=141159&#038;hb=4">বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলায়</a> কেনেডির ভূমিকার কথা আবার স্মরণ করেন। আমেরিকায় বসবাসরত একজন বাংলাদেশী ব্লগার <em>হাবিব সিদ্দিকী </em> <a href="http://drhabibsiddiqui.blogspot.com/2009/08/senator-edward-kennedy-dies-at-77.html"> বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>গভীর বেদনার সাথে আমি এই মহান মানুষটির কথা স্মরণ করি, বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে যার অবদানের কথা আমাদের বংশধররা কখনই ভুলবে না।</p></blockquote>
<p>আসলে বাংলাদেশের জন্য সিনেটর কেনেডি কি করেছিলেন? বিষয়টি সম্বন্ধে ব্লগারদের বলতে দেওয়া যাক।</p>
<p><em>স্মিথ বার্নি</em> মিশ্র (হাইব্রিড) ব্লগিং প্লাটফর্ম ও সোশাল নেটওয়ার্ক সাইট <a href="http://open.salon.com/blog/smithbarney/2009/01/21/ted_kennedy_a_true_friend_of_the_wretched_of_the_earth">ওপেন স্যালনে</a> লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>১৯৭১ সালে মার্চে পূর্ব পাকিস্তানে (পূর্ব পাকিস্তান, যাকে পূর্ব বাংলা নামে ডাকা হত, এখন তার পরিচয় বাংলাদেশ নামে) পশ্চিম পাকিস্তানী বাহিনীর হামলার পর প্রায় ৯০ লাখ শরণার্থী সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। বিশ্ব এবং যুক্তরাষ্ট্র (নিক্সন/কিসিঞ্জার সে সময়কার আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যারা ভিয়েতনামের কাদায় আটকে গিয়েছিল এবং পাকিস্তানের প্রতি দুর্বলতা প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত ছিল) এই বিষয়ে সামান্য জানাতে চেষ্টা করে। এদের থেকে ব্যতিক্রম ছিল আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ৩৯ বছর বয়স্ক সিনিয়র সিনেটর এডোয়ার্ড এম. কেনেডি।</p>
<p>তীব্র তাপ এবং আগষ্টের মৌসুমী বর্ষার মাঝেও সিনেটর কেনেডি পশ্চিম বাংলার (প্রতিবেশি ভারতের অঙ্গরাজ্য, পূর্ববাংলার সীমান্ত প্রদেশ) শরণার্থী শিবিরগুলোতে ঘুরে বেড়িয়েছেন। দেশে ফিরে তিনি এ সম্বন্ধে অসাধারণ সব তথ্য সিনেটে উপস্থাপন করেছেন যে ভারতে অবস্থানরত শরণার্থীদের দুর্দশার পরিমাণ কতটা বেদনাদায়ক। তিনি যাকে বলেছেন “সন্ত্রাসের শাসন” তা কি ভাবে পূর্ব বাংলাকে ঘিরে ধরেছে, সে সম্বন্ধেও তিনি সংসদে প্রমাণ উপস্থাপন করেন।</p>
<p>তিনি সে সময় উপসংহার টেনেছিলেন এভাবে: ইসলামাবাদের (পশ্চিম পাকিস্তান) প্রতি আমেরিকার এই পূর্ণ সমর্থন পূর্ব বাংলার মানবিক ও রাজনৈতিক দুর্দশা বাড়ানো ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা ছাড়া আর কোন কাজেই আসছে না। </p>
<p>কেনেডি কেবল সাক্ষ্য প্রমাণই নিয়ে হাজির হন নি, একই সাথে তিনি বিশ্বকে নাড়া দিয়েছেন, পূর্ব বাংলার মুক্তিযোদ্ধাদের সরাসরি সাহায্য না করলেও,  শরণার্থীর দুর্দশা জানানো ও তাদের সাহায্য করার জন্য কাজ করে গেছেন।</p></blockquote>
<p><em>আনহার্ড ভয়েস</em> এক বাংলাদেশী মানবাধিকার ব্লগ যা সিনেটর এডোয়ার্ড কেনেডির যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট উপস্থাপন করা রিপোর্ট <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/08/26/kennedy/">পুনরায় প্রকাশ</a> করেছে। এই রিপোর্ট শরণার্থীদের দুর্দশার কথা পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরে। </p>
<p><em>মেহরাব শাহরিয়ার</em> ১৯৭১ সালে কেনেডির এই সব শরণার্থী কেন্দ্রে ঘুরে বেড়ানো সহ কিছু শরণার্থী ছবি <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/mehrabblog/28749462">পোস্ট</a> করেছেন। </p>
<p><em>এইচ. এ. মাহমুদ</em> <a href="http://prothom-aloblog.com/users/base/aponjon/17">জানাচ্ছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এডওয়ার্ড সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশে আসেন। এখানে তিনি একটি শোভা যাত্রায় অংশ নেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেন। এডওয়ার্ড কেনেডির স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক বটগাছটি এখনও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়।</p></blockquote>
<p><em>সাদা কালো</em> ব্লগ কৃতজ্ঞতার সাথে কেনেডিকে <a href="http://shadakalo.blogspot.com/2009/08/thank-you-edward-moore-kennedy.html">স্মরণ করছেন</a>:</p>
<blockquote><p>টেড, তুমি বাংলাদেশের এক বন্ধু ছিলে। যদি তুমি আগস্টের ঘাম ঝরানো রোদের মধ্যে কাদার উপর দিয়ে হেঁটে এই সব শরণার্থী শিবিরে ঘুরে নাও বেড়াতে তবু তোমার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করত না। এই কারণে তুমি কোন ভোট লাভ কর নি। কিন্তু তুমি তা করেছিলে কারণ তা ছিল এক সঠিক কাজ। এবং তুমি আমাদের সাহায্য করেছিলে, কারণ এই কাজটিও এক সঠিক কাজ ছিল।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/08/29/5585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ এশিয়া: মাইকেল জ্যাকসন ছাড়া বিশ্ব আরো রিক্ত</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/29/3933/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/29/3933/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 29 Jun 2009 18:38:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[ভুটান]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রীলন্কা]]></category>
		<category><![CDATA[সঙ্গীত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=3933</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
পপের রাজা মাইকেল জ্যাকসন বিশ্বে অনেক দেশেই কিংবদন্তী হয়ে রয়েছেন যা তার মৃত্যুর পরে আরো স্পষ্ট হয়েছে। কোটি কোটি ভক্ত তার হঠাত মৃত্যুতে শোক পালন করছেন আর স্মৃতিচারণ করছেন যে তাদের বেড়ে ওঠার সাথে মাইকেলের সঙ্গীত কিভাবে যুক্ত ছিল।
দক্ষিন এশিয়ার ব্লগাররাও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/06/27/south-asia-the-world-is-poorer-without-mj/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/mjdeath-300x225.jpg"><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/06/mjdeath-300x225.jpg" title="মাইকেল জ্যাকসন" class="alignright" width="200" /></a><a href="http://www.michaeljackson.com/">পপের রাজা</a> মাইকেল জ্যাকসন বিশ্বে অনেক দেশেই কিংবদন্তী হয়ে রয়েছেন যা তার মৃত্যুর পরে আরো স্পষ্ট হয়েছে। কোটি কোটি ভক্ত তার হঠাত মৃত্যুতে শোক পালন করছেন আর স্মৃতিচারণ করছেন যে তাদের বেড়ে ওঠার সাথে মাইকেলের সঙ্গীত কিভাবে যুক্ত ছিল।</p>
<p>দক্ষিন এশিয়ার ব্লগাররাও তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।</p>
<p><strong>ভুটান:</strong></p>
<p><em>আর্থ বাউন্ড ইনসাইট</em> <a href="http://insight.blogzine.jp/index/2009/06/tribute-to-mich.html">মনে করে</a> মাইকেল জ্যাকসন ছাড়া পৃথিবী আরো রিক্ত ও দরিদ্র স্থান:</p>
<blockquote><p>যদি এই গ্রহে ৬ বিলিয়ন মানুষ থাকে, আর সবাই যদি মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু নিয়ে ব্লগে লেখার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলেও কিছু যাবে আসবে না যে আমি ওই বিলিয়ন ব্লগারদের মধ্য থেকে নগন্য একজন।</p>
<p>কিন্তু তার পরেও আমি আমার চিকন, কমজোর কন্ঠ যুক্ত করতে চাই, সম্মান জানাতে আর বাহবা দিতে সেই মানুষকে</p>
<p>যিনি ছিলেন: পপের রাজা।</p>
<p>সেই অ্যাপোলোর প্রতীককে</p>
<p>পপ সঙ্গীতের ইতিহাসের একজন উৎকৃষ্ট চিত্তবিনোদনকারীকে,</p>
<p>তার ব্যক্তি জীবনের নানা বির্তক সত্ত্বেও, যিনি দারূণ সঙ্গীত সৃষ্টি করতেন।</p></blockquote>
<p><strong>পাকিস্তান:</strong></p>
<p><em>চৌরঙ্গী</em> ব্লগের <em>হামিদ আব্বাসি</em>  <a href="http://www.chowrangi.com/king-of-pop-michael-jackson-is-no-more.html">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যদিও তিনি আগের মতো পাদপ্রদীপের আলো উপভোগ করছিলেন না যা আগে অনায়াসে পেতেন, তার গল্প হচ্ছে সংকল্প, সংগ্রাম আর দূর্ভাগ্যের গল্প। সাদা অধ্যুষিত একটা সমাজে কালো হয়ে, তিনি আসল প্রজন্মের নেতা হয়ে আবির্ভুত হন, আর মৃত্যু পর্যন্ত এটা তিনি ধরে রেখেছিলেন।</p>
<p>ধন্যবাদ, পৃথিবীর চারিদিকে এতোজনকে ছুঁয়ে যাওয়ার জন্য, নি:সন্দেহে মাইকেল তার জীবনের থেকে বড় ছিলেন।</p></blockquote>
<p><a href="http://pakteahouse.wordpress.com/2009/06/26/king-of-pop-michael-jackson-1958-2009-rest-in-peace/">পাক টি হাউস</a> তার জীবনে এই সঙ্গীতরাজের প্রভাবের কথা স্মরণ করেছেন:</p>
<blockquote><p>আমাদের অনেকের জন্য, ১৯৮০র দশকে তিনি পাশ্চাত্য সংগীতের একটাই রুপ ছিলেন যেটা পাকিস্তানে (সহজে) পাওয়া যেত। আমরা তার ভক্ত হিসেবে বড় হয়েছি, তার মতো মুনওয়াক (নাচ) করার চেষ্টা করেছি আর তার মতো চিৎকার করার চেষ্টা করেছি।</p></blockquote>
<p>উপরের পোস্টের একজন মন্তব্যকারী <em>ড্যানিয়াল বুর্কি</em> <a href="http://pakteahouse.wordpress.com/2009/06/26/king-of-pop-michael-jackson-1958-2009-rest-in-peace/#comment-12788">মনে করেছেন</a> তাদের জন্য এই প্রতীকের মানে কি ছিল:</p>
<blockquote><p>৮০র দশকে তার সংগীত পাকিস্তানে আশা বাঁচিয়ে রাখত।</p></blockquote>
<p><strong>বাংলাদেশ:</strong></p>
<p><em>ইশতিয়াক রউফ</em> <a href="http://www.sachalayatan.com/ishtiaqrouf/25208">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বহু গায়ক আসবেন, অনেক “এন্টারটেইনার” জন্ম নেবেন, কিন্তু দ্বিতীয় জ্যাকসন আসবে না। শত বিতর্ক আর হাস্যকর কার্যকলাপ সত্বেও মাইকেল জ্যাকসন চিরকাল “থ্রিলার” হয়েই রইবেন। ..</p>
<p>    একটু পাগলাটে আর খামখেয়ালি না হলে বোধহয় প্রতিভাবানদের মানায় না। একটু তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে না গেলেও তাই। তাই বলে এতটাই দ্রুত? মাত্র ৫০ বছর বয়সে?</p></blockquote>
<p>এই পোস্টের একজন মন্তব্যকারী লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>| ভুতুম [অতিথি] | শুক্র, ২০০৯-০৬-২৬ ১০:০৬</p>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Neverland_Ranch">নেভারল্যান্ডেও</a> তাহলে বয়স বাড়ে, রোগ হয়, মরে যায় কেউ। মনটা খারাপ হয়ে আছে।</p></blockquote>
<p><em>কৌশিক</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/28969777">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>তার প্রকৃতিপ্রদত্ত সৌন্দর্য আমার চোখে বেশী চমকাতো, কি স্পর্ধায় তাকিয়ে থাকতো মায়াবী-রাজপুত্রের কালো চোখ! মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুকে প্রত্যাখ্যান করলাম। প্রকৃতির এই স্বেচ্ছাচার মানি না।</p></blockquote>
<p><strong>শ্রীলংকা:</strong></p>
<p>শ্রীলন্কান প্রবাসী ব্লগার <a href="http://londonlanka.blogspot.com/2009/06/michael-jackson-and-me.html">লন্ডন, লংকা আর ড্রামস</a> বলেছেন:</p>
<blockquote><p>এতো বছর ধরে আমার কাছে আর আরো কয়েক কোটি মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়েছে তা হলো, তিনি একজন বিক্ষিপ্ত আত্মা, একজন যে নিরন্তর কিছু খুঁজছেন। তার অর্থ ছিল, তার প্রতিভা ছিল, সুনাম আর এর নানা ফাঁদ। মনে হয়েছিল তার কাছে পরিতৃপ্তি নেই, ভিতরের শান্তি যা অনেক &#8216;সাধারণ&#39; নয়টা-পাঁচটা কাজ করে এমন মানুষের আছে।</p>
<p>তার উত্তরাধিকার থাকবে আর তার সঙ্গীত থাকবে। একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে সঙ্গীতের দুনিয়ায় তার অবদান যা তার আকার দিয়েছে আর বিভিন্ন পরিবর্তন এনেছে তার প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। সঙ্গীতের দিক থেকে তিনি বিশাল একজন।</p>
<p>কিন্তু জ্যাকসন ফাইভের বাচ্চা মাইকেল জ্যাকসন যার জন্য আমার শুধু মন খারাপ হয়। তিন সন্তানের জনক মাইকেল জ্যাকসনের জন্য আমি শোক করি। আমি আশা করি যাতে তিনি তার আত্মার শান্তি পান।</p></blockquote>
<p><strong>ভারত:</strong></p>
<p><em>উবার দেশী</em> <a href="http://uberdesi.com/blog/2009/06/25/the-king-of-pop-is-dead/">স্মৃতিচারণ করছেন</a> যে মাইকেল জ্যাকসন ১৯৯৬ এ ভারত ভ্রমণ করেন আর মুম্বাইতে একটা শো করেন:</p>
<blockquote><p>মাইকেল জ্যাকসন একমাত্র পশ্চিমা শিল্পী যাকে ভারতের সবাই চিনে।</p></blockquote>
<p><em>কমলা ভাট</em> মাইকেল জ্যাকসনকে <a href="http://kamlashow.com/blog/2009/06/25/rip-michael-jackson-king-of-pop/">শ্রদ্ধা জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>মাইকেল জ্যাকসন আপনাকে আপনার সংগীতের জন্য ধন্যবাদ আর ধন্যবাদ যে এতো মানুষকে আপনি অগুন্তি ঘন্টার সংগীতে আর স্মৃতিতে সুখের সময় দিয়েছেন।</p></blockquote>
<p>তিনি লক্ষ্য করেছেন যে <a href="http://kamlashow.com/blog/2009/06/26/michael-jacksons-influence-on-bollywood-and-indian-film-industry/">বলিউড আর হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে জ্যাকসন বড় প্রভাব রাখতেন</a>। <em>সেপিয়া মিউটিনির</em> <em>এনিস</em> কিছু <a href="http://www.sepiamutiny.com/sepia/archives/005838.html">ভিডিও পোস্ট করেছেন</a> যা দেখাচ্ছে মাইকেল জ্যাকসন কিভাবে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে প্রভাব রেখেছেন।</p>
<p>বলিউড অভিনেতা <em>অনুপম খের</em> একটা <a href="http://passionforcinema.com/guest-blogger-anupam-kher-my-tryst-with-michael-jackson/">ব্লগ পোস্টে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যেমন গান্ধী শান্তি আর মানবিকতার জন্য, আমার কাছে মাইকেল জ্যাকসন তেমনি চিত্তবিনোদনের জন্য।</p></blockquote>
<p><em>অপর্না রায়</em> <em>নিউজমেরিক্সে</em> একটা পঞ্চপদী কবিতা লিখেছেন তাকে শ্রদ্ধা জানাতে:</p>
<blockquote><p>একজন মানুষ যে হিসাবের বাইরে জীবন কাটাতো,</p>
<p>মাইকেল জ্যাকসন, পপের রাজার সবই ছিল।</p>
<p>তুলনাহীন কন্ঠ আর ওই নাচ,</p>
<p>পৃথিবীকে ঘোরের মধ্যে রাখত,</p>
<p>কিন্তু উত্থানের পরে তার পতন এলো।</p></blockquote>
<p><em>দেশীক্রিটিক্স</em> এর <em>অদিতি নাদকারনি</em> <a href="http://desicritics.org/2009/06/26/105313.php">স্মরণ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>তিনি পপ সংগীতে আমার প্রথম হাতেখড়ি ছিলেন, আমাদের প্রজন্মের পপ সংগীত। তার জন্য না হলে, আমাদের সময়ে কোন স্টার থাকতো না দেখানোর মতো, না এলভিস না বিটেলের পাগলামী। আমারা ৯০ এর দশক কোন ধরনের পাগলামী ছাড়াই পার হয়ে যেতাম।</p>
<p>আমার মনে পড়ে ওই চিৎকার শোনার কথা, তার বাজনার সাথে কাঁচ ভেঙ্গে পরার শব্দ একাত্ম করে বোনা, অশ্রদ্ধার চিৎকার, তার কন্টের ভঙ্গুর কম্পন আর হঠাৎ ওঠা হেঁচকি যা তার গানকে বিরাম দিত যা ছিল ভারতীয় সঙ্গীতের দৃঢ়, ছেদহীন, একঘেয়ে সুরের বিপরীত।</p></blockquote>
<p>এই পোস্টের একজন মন্তব্যকারী <em>স্লাইম</em> বলেছেন যে মাইকেল জ্যাকসন অসম্ভবের প্রতীক আর আশা করেন:</p>
<blockquote><p>আমি ইশ্বরকে অভিবাদন জানাই মাইকেলের মতো মানুষ তৈরির জন্য যে জিতেছে। এমজে আপনি ভবিষ্যৎে আবার জন্মাবেন যখন তরুণরা আবার অসম্ভবকে জয় করতে চাইবে।</p></blockquote>
<div class="contributors"><small><em>এই পোস্টে ব্যবহৃত মাইকেল জ্যাকসনের ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী <a href="http://www.flickr.com/photos/leesean/3663244309/">লিসিয়ানের</a> সৌজন্যে এবং <a href="http://creativecommons.org/licenses/by-sa/2.0/deed.en">ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।</a></em></small></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/06/29/3933/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দক্ষিণ এশিয়া: গরম আর লোড শেডিংয়ের সাথে খাপ খাওয়ানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/30/2616/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/30/2616/#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 30 Apr 2009 22:01:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[নেপাল]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পাকিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[শক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2616</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বছরের এই সময়ের গরম নতুন কিছু না। কিন্তু সাম্প্রতিক শুষ্ক আবহাওয়া এই অঞ্চলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হতে দেয় নি তাই তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। আর বিদ্যুতের সংকটের কারনে লোডশেডিং বেশ কয়েকটি দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন দূর্বিষহ করে তুলেছে।
গত [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/26/south-asia-coping-with-the-heat/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বছরের এই সময়ের গরম নতুন কিছু না। কিন্তু সাম্প্রতিক শুষ্ক আবহাওয়া এই অঞ্চলে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হতে দেয় নি তাই তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। আর বিদ্যুতের সংকটের কারনে লোডশেডিং বেশ কয়েকটি দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন দূর্বিষহ করে তুলেছে।</p>
<p>গত শুক্রবার (এপ্রিল ২৪, ২০০৯), এই গ্রীষ্মের <a href="http://www.bdnews24.com/details.php?id=82325&#038;cid=21&#038;aoth=1">সব থেকে গরম দিন ছিল</a> (৩৮.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার জন্য। ভারতের পূর্বাঞ্চলে লোকজনের প্রায় দম আটকিয়ে যাচ্ছে যখন তাপমাত্রা <a href="http://www.asianage.com/presentation/leftnavigation/news/india/north,-east-india-reels-as-mercury-above-45%C2%BAc.aspx">৪৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের উপরে উঠছে</a>। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি মৃত্যুর খবর এসেছে। পাটনার চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ <a href="http://hamaraphotos.com/news/national/patna-zoo-animals-sheltered-from-heat-wave.html">বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন</a> খাঁচার পশুদের গরম থেকে রক্ষার জন্য। নেপালে <a href="http://www.nepalnews.com/archive/2009/mar/mar25/news02.php">বনে আগুন ধরে গেছে</a> , আর সব সময় বৃষ্টি হয় এমন জায়গায় <a href="http://nepaldendro.blogspot.com/2009/03/freak-weather-travails-for-chirapunji.html">অনাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে</a>।</p>
<p>নেট অধিবাসীরা এই পরিস্থিতিতে জোড়ালোভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। <em>সুকন্যা এম</em>  “<a href="http://saintfaron.blogspot.com/2009/04/united-we-sweat.html">একসাথে আমরা ঘামি</a>” পোস্টে লিখেছেন অসহ্য গরম আর লাগাতার বিদ্যুত চলে যাওয়া নিয়ে:</p>
<blockquote><p>এটা অসহ্য।</p>
<p>তাপমাত্রা ৪০, ৪১ আর ৪১.৮ এর আশেপাশে থাকে সাধারণত আর আমাদের ভাগ্য যদি ভালো থাকে (যেমন আজকে) তাহলে ৩৯ ডিগ্রী। এর সাথে আদ্রতা- ইয়াহু অনুসারে আজকে ৮৪% (মনে হচ্ছিল ১০০%)। আর অবশ্য সর্বত্র বিদ্যুতের চলে যাওয়া আর অদ্ভুত ঘটনা -  কলকাতায়, দমদম থেকে বেহালা পর্যন্ত রবিবার ৬-১০ ঘন্টা বিদ্যুত ছিলনা।</p></blockquote>
<p>সাধারণ মানুষের মনোভাব তুলে ধরা কিছু টুইটার বার্তা:</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/calamur">কালামুর:</a> গরমে গলে যাচ্ছি। #মুম্বাই এ আসলেই খুব গরম।</p></blockquote>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/vitrag">ভিত্রাগ:</a> বিকালের গরমে মুম্বাইএর ট্রেনে উঠছি&#8230; আর মনে হচ্ছে যেন চুল্লিতে প্রবেশ করছি।</p></blockquote>
<p><em>ইন্ডিয়া আনকাট</em> ব্লগের <em>অমিত ভার্মা</em> <a href="http://indiauncut.com/iublog/article/its-so-hot-in-bombay/">উপহাস করেছেন:</a></p>
<blockquote><p>বোম্বেতে এতো গরম&#8230;যে আমি যখন আমার মাইক্রোওয়েভে খাওয়ার গরম করি, এটা বাইরের চেয়ে ঠান্ডা হয়ে বেরিয়ে আসে।</p></blockquote>
<p>বাংলাদেশে মানুষ খারাপভাবে ভুগছে <a href="http://carbon-based-ghg.blogspot.com/2008/04/heat-wave-makes-public-life-miserable.html">তাপপ্রবাহ আর বিদ্যুতের আসা যাওয়ায়</a>। বেশীরভাগ লোকের ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নেই। তারা বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করে, যেটা বিদ্যুত না থাকলে কোন কাজে দেয় না। যারা <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Power_inverter">আইপিএস</a> কিনতে পারেন তারা যথেষ্ট বিদ্যুত পাননা তা রিচার্জ করতে। আরো খারাপ হলো, পানির পাম্প চালানোর মতো যথেষ্ট বিদ্যুত নেই। পানির সংকট চরম আকার ধারন করেছে আর মানুষ <a href="http://www.independent-bangladesh.com/200804244714/country/hundreds-protest-over-water-shortage-in-dhaka.html">পানির ঘাটতি নিয়ে বিক্ষোভ করছে</a>।</p>
<p>টুইটার থেকে:</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/dkhall44">ডিকেহল৪৪:</a> ঢাকায় লোডশেডিং এখন অদ্ভুত পর্যায়ে। প্রত্যেক ঘন্টায় বিদ্যুত বন্ধ হচ্ছে। আর এখন ৩৮ ডিগ্রী।</p></blockquote>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/shahreaz">শাহরিয়াজ:</a> ঢাকায় সন্ধায় কাজ করা বেশী বাস্তবসম্মত মনে হয়, কাজের সময়ের ৬ ঘন্টা লোডশেডিং এর কোন মানে হয় না।</p></blockquote>
<p>বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ <a href="http://www.desco.org.bd/load_shedding.php">অনলাইনে বিদ্যুত চলে যাওয়ার সময়সূচি দিয়েছেন</a>। <em>লাইফ এন্ড ওয়ার্ক ইন ঢাকা সিটি</em> ব্লগের <em>বার্নি এলেন</em> ঢাকার <a href="http://discoveringdhaka.wordpress.com/2009/04/20/eratic-electricity/">বিদ্যুত সংকটের কারন নিয়ে লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>চাহিদা হচ্ছে ২০০০ মেগাওয়াট আর সপ্তাহের একদিনে আমাদেরকে দেয়া হয়েছিল ১২০০ মেগাওয়াট, তাই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে হয়েছে।</p></blockquote>
<p>নেপালে, বিদ্যুত সংকট এখন একটু ভালো হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/nepal-load-shedding-woes/">১৪-১৬ ঘন্টা লোডশেডিং</a> এর পরিমাণ এখন কমেছে। টুইটার থেকে:</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/zickme">জিকমে:</a> দেশ বিদ্যুত সকটের মুখোমুখি আর এটা থেকে বেরিয়ে আসতে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ১২ ঘন্টা লোডশেডিং আরোপ করেছে।</p></blockquote>
<p><em>গেশান্স ব্লগ</em> কাটমন্ডুর লোডশেডিং এর সময়সূচি <a href="http://geshan.blogspot.com/2009/04/load-shedding-schedule-19th-april-2009.html">পোস্ট করে</a> মানুষের কষ্টের কথা বলেছেন।</p>
<p>পাকিস্তানের করাচী শহরের বাসিন্দারা <a href="http://www.geo.tv/4-25-2009/40642.htm">প্রতিদিন ৮-১০ ঘন্টা অঘোষিত বিদ্যুত বন্ধের</a> সম্মুখীন হচ্ছেন। <em>পাকিস্তান ডেইলি ফটো</em> <a href="http://pakistandailyphoto.blogspot.com/2009/04/beating-heat.html">ছবি পোস্ট করেছে</a> মানুষ কিভাবে দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়া অসহ্য গরমের সাথে খাপ খাওয়াচ্ছেন।</p>
<p>দক্ষিণ এশিয়া এর থেকেও চরম তাপপ্রবাহ দেখেছে। কিন্তু বিদ্যুতের সংকট মানুষের এর সাথে খাপ খাওয়ানোর সঙ্গতিকে খর্ব করেছে। বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি না আনা পর্যন্ত মানুষ ভুগবে।</p>
<p>ঢাকা থেকে গরমে অসহ্য হয়ে ব্লগার কৌশিকের <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/28941558">উপদেশ</a>:</p>
<blockquote><p>সরকারের এখন বিদ্যুৎ এর বদলে বৃষ্টি উৎপাদনের চেষ্টা করা উচিত</p></blockquote>
<p>যদিও এটা অসম্ভব মনে হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ এই ধারণাকে উপেক্ষা করতে পারেনা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/30/2616/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ব্রুনাই: পরিবেশগত সচেতনতা সৃষ্টি</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 28 Apr 2009 17:14:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্ডাস্ট্রি]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রুনাই]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=2554</guid>
		<description><![CDATA[ক্ষয়িষ্ণু পরিবেশ রক্ষায় ধারাবাহিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে আর্থ আওয়ার ( বৈশ্বিক ঘন্টা) ঘটনা। ব্রুনাইয়ের অনেক ব্লগার আর্থ আওয়ারকে সমর্থন করেছে। কিন্তু এমন অনেকেও আছে যারা এটাকে পরিবেশ সংরক্ষনের একটা যতসামান্য উদ্যোগ বলেই মনে করে। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/fadila-ahmad/">সেনর পাবলো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/04/09/brunei-creating-environmental-awareness/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সাম্প্রতিক উদযাপিত <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/04/global-switching-off-the-lights-for-a-sustainable-world/">আর্থ আওয়ার</a> ( বৈশ্বিক ঘন্টা) দেখিয়েছে যে বিশ্বের ধ্বংসোন্মুখ পরিবেশকে ঠিক রাখার প্রয়োজনে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচেষ্টায় সারা বিশ্ব একত্রে নেমেছিল। বিশ্বের জন্য যেন এক নির্বাচনের ডাক এসেছিল। আমার সহকর্মী গ্লোবাল ভয়েস লেখক <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/04/09/2009/04/03/brunei-joins-earth-hour-for-the-first-time/">নূর হিদায়াহ</a> তার লেখায় বলেন যে, ব্রুনাইয়ের ক্ষেত্রে, অনেক ব্লগারকেই এই উদ্যোগের সমর্থন করতে দেখা গেছে এবং স্থানীয় পত্রিকাগুলো এই ঘটনা নিয়ে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে অনেকে দেখিয়েছে যে ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ একটি অর্জন সেখানে অনেকে আবার মনে করেছে পরিবেশ রক্ষায় এটি খুবই অপর্যাপ্ত একটি কাজ। </p>
<p><a href="http://www.brudirect.com/DailyInfo/News/Archive/Mar09/28/nite02.htm">ব্রু ডাইরেক্ট </a>নামের ব্রুনাইয়ের একটি পত্রিকা আর্থ আওয়ার এর উদযাপনে জনগনের শেষ মুহূর্তে অংশগ্রহণের প্রচেষ্টা নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। যদিও বিভিন্ন কর্পোরেশন যেমন কার ডিলারস, হোটেল এবং ব্যক্তিবর্গ যারা অংশগ্রহণ করেছিল তারা অনুভব করে যে ঐ ঘটনা সম্পর্কে জনগণকে জ্ঞান প্রদানের চেষ্টা সামান্যই করা হয়েছে। </p>
<blockquote><p>“যেখানে গুটিকয়েক লোকদের দ্বারা নেয়া এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ খুবই কাজের ছিল, প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যাপক আয়োজনে ঢাকা পরে গেছে সেগুলো। ব্রুনাই এমন একটি দেশ যা বর্ণিও এর প্রাণকেন্দ্রের এক তৃতীয়াংশ দখল করে আছে এবং আবহাওয়া পরিবর্তন এবং পৃথিবীর বুকে এর ক্ষতিকারক প্রভাব দূরীকরনে বহু পেছনে রয়ে গেছে”</p>
<p>“মক্তব দুলী মুড়া আল-মুহতাদী বিল্লাহ তে যে ১৯ বছর বয়স্ক স্থানীয় ছাত্র অধ্যায়ন করে সে আর্থ আওয়ার বিষয়ে অজ্ঞ রয়ে যায়। যখন তাকে প্রতিবেশী মালয়েশিয়া এবং সিংগাপুরের স্কুলের উদ্যোগের কথা বলা হয়, সে বলে: “তারা কখনই স্কুলে আর্থ আওয়ার বিষয়ে কোন কিছুই জানতে পারেনি এমনকি এটা কি ন্যুনতম তাও।” স্থানীয় সরকারী ঘোষণাও জনগণকে আর্থ আওয়ার ২০০৯ এর গুরুত্ব এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বেশ “অন্ধকারে” রেখেছিল। </p></blockquote>
<p>আশ্চর্যের বিষয় হলো <a href="http://www.bt.com.bn/en/home_news/2009/03/29/ubd_supports_earth_hour">ব্রুনাই দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ আওয়ার সমর্থন করেছিল</a>। </p>
<blockquote><p>“ইউ বি ডি এর স্টাফ মেম্বার কিভাবে জ্বালানী সংরক্ষণ বিষয়ে ছাত্রদের সচেতনতা তাদের পাঠ্যসূচীর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত থাকা উচিৎ তা বলেছেন কারন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এটা প্রয়োজন।” চ্যান্সেলরির সহকারী রেজিষ্ট্রার কেনি লিও বলেছেন যে এটি ইউবিডিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করবে। “আমাদের সম্মুখযাত্রার সেটা একটা ভালো পদক্ষেপ,  কেবল মাত্র শিক্ষার ক্ষেত্রে নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্যও এবং সাথে জনগণকেও সম্পৃক্ত করা”, সে বলে । “আমি মনে করিনা ব্রুনাইয়ের আর্থ আওয়ার স্বচ্ছ ছিল কারন কিছু মানুষ এর পেছনের যুক্তি টা এখনও বোঝেনা। কাউকে এর পেছনের মূল কারনটা আলোকিত করা দরকার এবং আমরা আশা করি ইউবিডি এটা চালু করতে পারে, সে বলে।  </p></blockquote>
<p>অন্য একটি স্থানীয় পত্রিকা, ব্রুনাই <a href="http://www.bt.com.bn/en/home_news/2009/03/27/many_bruneians_indifferent_to_earth_hour_campaign">টাইমস প্রকাশ</a> করেছে যে:</p>
<blockquote><p>বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে যুদ্ধে আর্থ আওয়ার ২০০৯ এ যোগদানের উদ্দেশ্য এবং পন্থা সম্পর্কে অনেক ব্রুনাই বাসী এখনও অন্ধকারে আছে। “বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা গ্রহনের ধারণা বেশ চমকপ্রদ এবং উপযোগী, কিন্তু এর সম্ভাবতা প্রশ্নবিদ্ধ। ”আমি এই বিষয়ে অ্যাস্ট্রোতে একটি বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম কিন্তু সত্য বলতে কি আমার জানা ছিলনা ওটা কি অথবা ওটা কিসের জন্য”, ২৫ বছরের যুবকটি তাই বলে। “আমি মনে করি আমাদের অধিকাংশই খেয়াল করিনা বিধায় জনগণের নিকট তাদের বাতি বন্ধ করে দেয়ার এ আর্জি একধরনের বোকামী। পরিবর্তে বরং সরকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখার ধারণাটাই ভাল”, সে আরও যোগ করে। </p></blockquote>
<p>ব্লগার <a href="http://www.breakingdhabitz.com/2009/03/60-earth-hour-in-brunei.html">হার্ড ব্রেক কিড</a> আর্থ আওয়ার প্রত্যক্ষ করার স্থান নির্দেশ করে যখন <a href="http://hcferris.wordpress.com/2009/03/28/video-earth-hour-2009-brunei/">নেচার নেচার</a> আর্থ আওয়ারে ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণের একটি ভিডিও চিত্র আপলোড করে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/pYVBY8dLiGg&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/pYVBY8dLiGg&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ব্লগার <a href="http://syazwishahif.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">স্ক্রিপ্ট ডেসটিনি</a> বিশ্বাস করে যে আর্থ আওয়ারে যোগদান পরিবেশ রক্ষায় একটি ভোট প্রদান সরূপ:</p>
<blockquote><p>সকল বয়সের, জাতীয়তার, গোত্রের এবং পরিপ্রেক্ষিতের মানুষ এর জন্য তাদের বাতির সুইচ ভোট প্রদানের এক সুযোগ - বাতি নিভিয়ে রাখা বিশ্বের জন্য একটি ভোপ সরূপ অথবা বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য তা জ্বালিয়ে রেখে দেয়া। </p></blockquote>
<p><a href="http://dencorp.blogspot.com/2009/04/earth-hour-2009-in-review.html">ডেনকর্প</a> খেয়াল করেছেন আর্থ আওয়ার ব্রুনাইয়ের জন্য একটি অসফলতা। </p>
<blockquote><p>সর্বোপরী আর্থ আওয়ার পুরোমাত্রায় ব্রুনাইতে অকার্যকর হয়েছে। কোন সমর্থন ছিলনা। বয়স্ক নাগরিকরা পুরো বিষয়টাই বোঝেনি। যুবকরা খেয়াল না করে পারেনি। </p></blockquote>
<p><a href="http://slay3rzz.blogspot.com/2009/03/earth-hoursave-electricity-save-earth.html">স্লে৩আরজেডজেড</a> আর্থ আওয়ারের বিস্তারিত মানে তুলে ধরেছে:</p>
<blockquote><p>“ এই গণসংযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো আর্থ আওয়ারের বাইরে জ্বালানী সমৃদ্ধতা বজায় রাখা, বৈশ্বিক গ্রীন হাউস গ্যাস কমানোতে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে প্রতিদিন সামান্য কাজ করা ।</p></blockquote>
<p><a href="http://z-fame.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">জেড-ফেম</a> ব্রুনাইয়ের আর্থ আওয়ারে যোগদানের ঘটনায় বিস্মিত হয়েছে। <a href="http://chatlepak.blogspot.com/2009/03/earth-hour-2009.html">সিম্পিলিস্ট</a> এই ঘটনায় ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ বিশ্বে এর সম্মান বাড়াবে। </p>
<blockquote><p>আমরা বিশ্বকে দেখাতে পারি আমরাও কিছু করতে পারি। তখন হয়তো ব্রুনাইয়ের লোকজন যে গাছে বাস করে এই ধরনের ধারণা দূরীভূত হবে। ”</p></blockquote>
<p><a href="http://www.the-green-campaign.blogspot.com/">গ্রীণ ক্যাম্পেইন</a> প্ল্যাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে পুন:ব্যবহারযোগ্য ব্যাগের ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমানোর উপায় সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। গ্রীণের কিছু কিছু উদ্যোগ ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে কিন্তু খুব বেশীজন তার পক্ষে নেই। অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট এবং খাবারের দোকানে পুন:ব্যবহার যোগ্য কন্টেইনার এর পরিবর্তে স্টাইরোফোমস কন্টেইনার ব্যবহার করা হয়। তারা পুন:ব্যবহারযোগ্য কেনাকাটার ব্যাগও ব্যবহার করে। জনগণের উপর অনেক উদ্যেগ প্রয়োগ করা হলেও, সেগুলোর ব্যবহারে লভ্যাংশের অভাব খদ্দেরদেরকে বাড়ী চলে যেতে বাধ্য করে। </p>
<p>ব্যক্তিগতভাবে, আমি সেটার ব্যবহার করেছি কিন্তু সব সুপারমার্কেট সেটাকে স্বাগতম জানায়নি। আমাকে দোকানের ভেতর ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার কারনে বড় একটা সুপার মার্কেটের একজন নিরাপত্তা কর্মী আটকে দেয়। সুপারমার্কেটের স্টাফ সংঘের মাঝে যোগাযোগ এর অভাবে এই ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। আবার অনেক সুপারমার্কেটে খদ্দের হারানোর ভয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে প্রবেশকে বাধা দিতে চায় না।</p>
<p>আর্থ আওয়ার ঘটনাটি ধ্বংসোন্মুখ পরিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা  বিষয়ে ধারাবাহিক সচেতনতার প্রয়োজনকেও তুলে ধরেছে। অনেক উদ্যোগই আছে যা তুলে ধরার জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষ বা এনজিওর জন্য অপেক্ষায় না থেকে সাধারণ জনগণের দ্বারাই গ্রহণ সম্ভব।</p>
<p><img alt="" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/04/60-earth-hour-5.jpg" class="aligncenter" width="400" height="267" /></p>
<p><em>আর্থ আওয়ারের সময় ব্রুনাইয়ের অংশগ্রহণ</em></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/04/28/2554/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: ইউটিউব আর ফাইল শেয়ারিং সাইটগুলো ব্লক করা হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/11/1933/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/11/1933/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 11 Mar 2009 20:58:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারনেট ও টেলিকম]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সফ্টওয়্যার এবং টুলস]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1933</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
শুক্রবার (মার্চ ৬, ২০০৯) সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ইউটিউব সাইটটিতে ঢুকতে পারছেন না। তারপরেই দেখা গেল যে অন্যান্য সামাজিক মিডিয়া আর ফাইল শেয়ারিং সাইট যেমন ইস্নিপ্স, মিডিয়াফায়ার ইত্যাদিও দেখা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে এগুলো আইআইজিতে (আর্ন্তজাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে) ব্লক করা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/03/08/bangladesh-youtube-and-file-sharing-sites-blocked/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>শুক্রবার (মার্চ ৬, ২০০৯) সন্ধ্যা থেকে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা <a href="http://www.youtube.com/">ইউটিউব</a> সাইটটিতে ঢুকতে পারছেন না। তারপরেই দেখা গেল যে অন্যান্য সামাজিক মিডিয়া আর ফাইল শেয়ারিং সাইট যেমন <a href="http://www.esnips.com/">ইস্নিপ্স</a>, <a href="http://www.mediafire.com/">মিডিয়াফায়ার</a> ইত্যাদিও দেখা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে এগুলো আইআইজিতে (আর্ন্তজাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে) ব্লক করা হয়েছে ফায়ারওয়াল দিয়ে কারন দেখা যাচ্ছে এগুলোতে প্রক্সির মাধ্যমে ঢোকা যায়।</p>
<p>তর্পন বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইন্টারনেটের স্বাধীনতা না কেড়ে নেয়ার <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/torpon/28921209">আবেদন করেছেন</a>। তিনি ফিল্টারিং এর কিছু প্রমান দিয়েছেন:</p>
<blockquote><p>ঢাকায় ইউটিউবে ঢুকতে গিয়ে টাইম আউট হয়ে যাচ্ছিল দেখে অনেকে ভাবছিলেন যে ইউটিউবের সার্ভারের সমস্যা । এরপর দেখা যাচ্ছিল যে ইস্নিপস্ এও ঢোকা যাচ্ছে না । তখন সন্দেহ করা হলো যে সমস্যাটি অন্য কোন খানে । কোথাও ডেটা ব্লক হয়ে যাচ্ছে । প্রমাণ ছাড়া সরকার কে দোষ দেয়াটা অযৌক্তিক । কিন্তু অল্প কিছু সময়ের মধ্যে অভিজ্ঞ বাংলাদেশী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়াররা বিভিন্ন জায়গা থেকে জানালেন সরকারী কোন সার্ভারের ফায়ারওয়ালে ইউটিউব সহ অনেক গুলো সাইট ব্লক করা হয়েছে।</p></blockquote>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/03/traceroutebdyt-300x204.jpg" alt="Screenshot" /><br />
<em>স্ক্রীনশট তর্পনের সৌজন্যে</em></p>
<blockquote><p><a href="http://traceroute.bdnic.net/index.php?hostname=youtube.com">বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার গ্রুপের সার্ভার</a> থেকে গুগল, ইউটিউব এবং ইস্নিপসের সাইটে ট্রেসরাউট কমান্ড দিয়ে দেখা গেছে, গুগল ঠিকই পৌছে যাচ্ছে গুগলের সার্ভারে কিন্তু বাকি দুটো আটকে গেছে বিটিটিবির ফায়ার ওয়ালে।</p></blockquote>
<p>ম্যাঙ্গো আর বিটিসিএল (পূর্বের বিটিটিবি) হচ্ছে বাংলাদেশের অফিসিয়াল আইআইজি (আর্ন্তজাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে)। গত এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে, নিয়ম অনুসারে, সকল বাংলাদেশী আইএসপি তাদের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট এক্সেস পথ ঠিক করবে ম্যাঙ্গো বা বিটিসিএল এর মাধ্যমে, যারা ট্রাফিক পাঠায় ভিস্যাট বা সাবমেরিন কেবল এর মাধ্যমে।</p>
<p>ইউটিউবের নিষেধাজ্ঞার খবর সমর্থন করেছে <a href="http://prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MjI0MTY=">বাংলা সংবাদপত্র প্রথম আলো</a>। টুইটার ব্যবহারকারী <em>মাহে আলম খানও</em> অন্যান্য সাইটের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জানিয়েছেন:</p>
<blockquote><p><a href="http://twitter.com/mahayalamkhan">মাহেআলমখান:</a> ইউটিউব, ইস্নিপ্স, মিডিয়াফায়ার, ফাইলফ্রিক, আপ্লোড- এম্পি৩ নিষিদ্ধ বা ব্লক করা হয়েছে বাংলাদেশে। দয়া করে রি-টুইট করেন।</p></blockquote>
<p><em>রাসেল জন</em> <a href="http://russelljohn.net/journal/index.php?itemid=216">চিন্তা করছেন</a> কেন এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে:</p>
<blockquote><p>সরকার কেন এটা করলো? এটা একটা অডিও রেকর্ডিং এর জন্য যা আমাদের মহান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তিকে হয়ত খর্ব করতে পারে। এখনের মতো তারা ইউটিউব আর ইস্নিপ্স ব্লক করেছে, কিন্তু ভবিষতে আরো সাইটও করতে পারে। হয়তো ফেসবুক? মানুষ তো ওখানে অনেক কিছু প্রচার করে।</p></blockquote>
<p><a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/bangladesh-mutiny-is-over-but-question-remains/">সাম্প্রতিক বিডিআর বিদ্রোহ আর সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার</a> পরে ঢাকাতে প্রধানমন্ত্রী শোকাহত সেনা কর্মকর্তাদের সাথে সেনাকুঞ্জে একটা গোপন রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যোগ দেন যেখানে সংবাদ মাধ্যম বা বাইরের কারো প্রবেশাধিকার ছিলনা। মিটিং এর কথপোকথন মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা হয় ও তা বাইরে বেরিয়ে যায়। একে ইউটিউব আর ইস্নিপ্স সহ বিভিন্ন ফাইল শেয়ারিং সাইট সাইটে আপলোড করে প্রকাশ করা হয়। <em>আনহার্ড ভয়েস ব্লগ</em> বেরিয়ে যাওয়া অডিও ফাইলের ব্যাপারটা নিয়ে বিস্তারিত <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/03/04/the-audio-files-and-the-questions/">আলোচনা করেছে</a>। এটাকে কিছু লোক ব্যবহার করেছেন রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করার জন্য আর সেনা ও প্রধানমন্ত্রীকে ছোট করার জন্য।</p>
<p><a href="http://fresnel-lens.blogspot.com/2009/03/why-bangladesh-blocking-youtube-and.html">ডার্ক ওশান নিডস আ লাইটহাউস</a> বলেছেন:</p>
<blockquote><p>বাংলাদেশ সরকার যদি মনে করেন যে ইন্টারনেট সেবা মোবাইল ফোন সেবার মতো তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। অনেক ভাবে মানুষ ব্লক করা সাইট দেখতে পারে। এই ক্ষেত্রে যে কেউ অ্যানোনিমাস প্রক্সি ব্যবহার করে ফায়ারওয়াল ডিঙ্গাতে পারে!!</p>
<p>ইউটিউব, ইস্নিপ্স ইত্যাদি খুব সাধারণ আর দরকারী সার্ভিস। যদি বাংলাদেশ সরকার বিশেষ কোন অডিও বা ভিডিও আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর মনে করেন তারা সরাসরি ইউটিউবকে অনুরোধ করতে পারে তা সরিয়ে দেওয়ার জন্য। এই ধরনের ব্লক করা বোকামিই শুধু না সরকারের অভিসন্ধি নিয়ে প্রশ্নও ওঠে।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগার যেমন <em>কায়েস মাহমুদ</em> বিভিন্ন <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/kayesmahmudblog/28921220">প্রক্সি লিঙ্ক</a> দিচ্ছেন যাতে অন্যরা ব্লক করা সাইটগুলোতে ঢুকতে পারে। <em>রাজন সান</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/razonsun/28921232">জানিয়েছেন</a> যে সেনাকুঞ্জে বৈঠকের কথোপকথন এরই মধ্যে <a href="http://www.dailynayadiganta.com/2009/03/07/fullnews.asp?News_ID=132782&#038;sec=1">স্থানীয় সংবাদপত্রে</a> প্রকাশিত হয়েছে। তাই ইন্টারনেট ব্লক করার পিছনে আসলে কোন যুক্তি নেই। এখানে বলা ভালো যে বাংলাদেশের বাইরের বাংলাদেশীরা সহজেই এই জিনিষগুলো দেখতে পারছেন, যা ডাউনলোড করে ইমেইলের মাধ্যমে অনায়াসেই পাঠানো যায়।</p>
<p><em>সুশান্ত</em> <a href="http://amarblog.com/sushantaa/43647">বলেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>প্রচারণা বন্ধ করার আগে দেখেন কিভাবে এটা রেকর্ড হলো? প্রথমে কোন সাইটে এটা আপ্লোড হয়েছে। সেনাকুঞ্জের সভার ভিডিও টা দেখেন ভালো করে কোন সেনা কর্মকর্তা মোবাইল হাতে চুপেচাপে রেকর্ডিং করছে। এটা ধরা তেমন কঠিন কাজ না।</p></blockquote>
<p>রাসেল তার অস্থিরতা <a href="http://russelljohn.net/journal/index.php?itemid=216">প্রকাশ করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>যা অদ্ভুত তা হচ্ছে এই সরকারী “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর কথা বলে সবসময়ে। আমরা এখন জানি ডিজিটাল বাংলাদেশ কেমন।</p></blockquote>
<p>এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে ইউটিউব আর অন্যান্য ফাইল শেয়ারিং সাইটকে বাংলাদেশে আবার উন্মুক্ত করা যায়। আমরা আগেও দেখেছি যে কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেন না যে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছিল আর দোষ চাপানো হয় কারিগরি ত্রুটির উপরে। &#8216;অবাধ তথ্য প্রবাহ অধিকার আইন&#39; এর অভাবে একজন সাধারণ নাগরিকের পক্ষে এটা কঠিন জিজ্ঞাসা করা যে কেন এমন করা হয়েছিল। আমরা আশা করি কর্তৃপক্ষ সকল সাইট খুলে দেবেন সমালোচনা বন্ধ করতে আর সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রোধ করার জন্য।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/11/1933/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: বিদ্রোহ থেমেছে, কিন্তু রয়ে গেছে প্রশ্ন</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1811/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1811/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 03 Mar 2009 23:55:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্যোগ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1811</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন মামুন ম. আজিজ &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
গতকাল (২৬শে ফেব্রুয়ারী) ঢাকায় ছিল উৎকণ্ঠার এক দিন। ৩৩ ঘন্টা ব্যাপী আধাসামরিক বাহিনী বিডিআর এর নিম্নপদমর্যাদার অসন্তুষ্ট জওয়ান কর্তৃক বিদ্রোহ এবং জিম্মি ঘটনার অবসান ঘটল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর সদর দপ্তরে তাদের অস্ত্র সমার্পনের মাধ্যমে। সংবাদ পত্রের প্রতিবেদন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/27/bangladesh-mutiny-is-over-but-question-remains/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গতকাল (২৬শে ফেব্রুয়ারী) ঢাকায় ছিল উৎকণ্ঠার এক দিন। ৩৩ ঘন্টা ব্যাপী আধাসামরিক বাহিনী বিডিআর এর নিম্নপদমর্যাদার অসন্তুষ্ট জওয়ান কর্তৃক <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/25/bangladesh-citizen-journalists-covering-bdr-mutiny/">বিদ্রোহ এবং জিম্মি</a> ঘটনার অবসান ঘটল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর সদর দপ্তরে <a href="http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=77643">তাদের অস্ত্র সমার্পনের মাধ্যমে</a>। <a href="http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=77643">সংবাদ পত্রের প্রতিবেদন</a> অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ১৭ বিডিআর সদস্য (বেশীর ভাগ আর্মি অফিসার যারা এই বাহিনীর কমান্ডিং অফিসার ছিল) এবং ৪ জন সাধারণ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। জিম্মিরা মুক্ত হয়েছে কিন্তু <a href="http://www.prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MjIyMTk=">৬৫-১০০ আর্মি অফিসার এবং নিম্ন পদমর্যাদার জওয়ানকে</a> এখনও পাওয়া যায়নি এবং বেশীর ভাগই মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>সারাদিন ঘটনা নানান দিকে মোড় নিতে থাকে যেহেতু সশস্ত্র বাহিনী বিদ্রোহ দমনের জন্য সর্বপ্রকার প্রস্তুতি নিয়ে ছিল। ঢাকা শহরে ট্যাঙ্ক নেমে পড়ে এবং বিডিআর সদরদপ্তরের নিকটস্থ লোকজন বাড়ীঘড় ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু টিভিতে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরে বিদ্রোহীরা বিনা সংঘর্ষে আত্মসমর্পণ করে। স্বভাবত:ই আশেপাশে অনেকরকম গুজব ছড়িয়ে পরে এবং ব্লগসমূহ ও টুইটার মেসেজ তথ্য প্রচারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>সারাদিন প্রকৃতপক্ষে অবস্থা কেমন তার কিছু পাওয়া যেতে পারে নিচের টুইটার মেসেজগুলোতে:</p>
<blockquote><p><strong>PurpleRome</strong> It all started in Dhaka but now its spreading to the rest of the country. Prime Minister Sheikh Hasina will address the nation in a while.</p></blockquote>
<div class="translation"><a href="http://twitter.com/PurpleRome"> পার্পল রোম</a> ঢাকায় ঘটনার সবটুকু শুরু হলেও দেশের অন্যত্রও তা ছড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেকোন মুহুর্তে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন। </div>
<blockquote><p><strong>phpfour</strong> crowd rattled in shahbag…continuous gunshots heard near dhaka uni(versity)</p></blockquote>
<div class="translation"><a href="http://twitter.com/phpfour">পিএইচপি ফোর</a> শাহাবাগে জনতা উৎকণ্ঠিত ছিল&#8230;ঢাকা ভার্সিটির নিকটে অনবরত গুলির আওয়াজে।</div>
<blockquote><p><strong>mahmudur</strong> #bdr army high officials told doctors of dhaka medical college to be prepared for mass causalities to be happened in short time</p></blockquote>
<div class="translation"><a href="http://twitter.com/mahmudur">মাহমুদুর</a>বিডিআর: আর্মি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারদের বলেছিল অল্পক্ষণের মধ্যেই অনেক যুদ্ধাহতদের আগমনের জন্য প্রস্তুত থাকতে।</div>
<blockquote><p><strong>seoexpertbd:</strong> The #BDR panic is still live and leaving office early now.</p></blockquote>
<div class="translation"><a href="http://twitter.com/seoexpertbd">সিওএক্সপার্টবিডি:</a> বিডিআর ঘটনার ভীতি এখনও কাটেনি এবং দ্রুত অফিস ত্যাগ করছি। </div>
<blockquote><p><strong>rajputro:</strong> 9 more bodies found from #bdr hq, one of which was of a little girl&#39;s:(</p></blockquote>
<div class="translation"><a href="http://twitter.com/rajputro">রাজপুত্র:</a> বিডিআর সদর দপ্তর থেকে আও ৯টি লাশ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি মেয়ে শিশুর।</div>
<p>আরও অনেক টুইটার মেসেজ পাওয়া যাবে নিচে লিংক সমূহে:<br />
<a href="http://twitterfall.com/dhaka">http://twitterfall.com/dhaka</a><br />
<a href="http://twitterfall.com/BDR">http://twitterfall.com/BDR </a><br />
<em>বিডিফ্যাকট</em> এর মত ব্লগাররা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের <a href="http://bdfact.blogspot.com/">সরাসরি ব্লগিং</a> করছিল। <em>আনহার্ড ভয়েস ব্লগ</em> সারাদিনই <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/02/26/the-day-after-2/">নিয়মিত নতুন তথ্য</a> পোষ্ট করছিল। <em>জরুরী খবর</em> ফেসবুকের স্ট্যাটাস মেসেজগুলো <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/02/26/the-day-after-2/">সংকলিত করছিল</a> যেখানেও ঘটনার বর্ণনা ছিল।</p>
<p><em>জেসিকা লিম</em> <a href="http://panaphobia.blogspot.com/2009/02/its-not-over-yet.html">তার ব্লগে</a> কিছু ছবি যুক্ত করেছিলেন এবং তার <a href="http://www.flickr.com/photos/elsija/tags/bdr/">ফ্লিকার</a> একাউন্টে মানুষেরা কি পরিমাণ ভীতির মধ্যে দিয়ে গেছে তা প্রকাশ করেছে। <a href="http://dhakadailyphoto.blogspot.com/2009/02/mutiny-halts-city-life-25-feb-2009.html">ঢাকা ডেইলি ফটোতে</a> অনেক ছবি ছিল। শহরে ট্যাঙ্ক নামার সাথে সাথে ইন্টারনেটে ভিডিও পোষ্ট হতে থাকে। এখানে সেরকম একটি দেয়া হলো।</p>
<div><embed width="440" height="420" type="application/x-shockwave-flash"src="http://v5.tinypic.com/player.swf?file=5anak0&#038;s=5" FlashVars="gig_lt=1236124279459&#038;gig_pt=1236124285628&#038;gig_g=2"></embed><br /><font size="1"><a href="http://tinypic.com/player.php?v=5anak0&#038;s=5">Original Video</a>- More videos at <a href="http://tinypic.com">TinyPic</a></font><img style="visibility:hidden;width:0px;height:0px;" border=0 width=0 height=0 src="http://counters.gigya.com/wildfire/IMP/CXNID=2000002.0NXC/bT*xJmx*PTEyMzYxMjQyNzk*NTkmcHQ9MTIzNjEyNDI4NTYyOCZwPTIzNDQ3MSZkPSZnPTImdD*mbz1mODhmY2VmMzY3YmE*YzA5ODBiNWVlOGRkNjY2MjAyNA==.gif" /></div>
<p><a href="http://dhakadweller.blogspot.com/2009/02/oppression-violence-and-deaths-what.html"><em>ঢাকা ডুয়েলার</em></a> ব্লগের <em>শাহনাজ</em> বিডিআর সদস্যদের বিদ্রোহের কিছু প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছে এবং তুলেছেন কিছু প্রশ্ন:</p>
<blockquote><p> And this is how the seeds of discontent were first sown. The masters considered them an elite class, far above the lowly serfs. There was great disparity between pay, benefits, working conditions and career advancement between the officers and rank and file, and issues of corruption practiced by senior officers. [..] Soldiers raised their grievances again and again with their officers, to no avail. Their Director General had promised to place the soldiers demands to the Prime Minister Sheikh Hasina when she inaugurated the BDR week events. But he must have forgotten his promise, for he only spoke on behalf of his officers on that august occasion. Disgruntled soldiers grumbled all night.</p>
<p>    All Sector Commanders were assembled in the Darbar Hall the next morning when in the course of an argument between the soldiers and officers, weapons were drawn and fired. We do not know who fired first, but the results were the same. Soldiers and officers died. And innocent civilians were killed and wounded. Gunshots and heavy mortar firing were heard. Plumes of smoke were seen rising from the BDR complex.</p>
<p>    In a democracy, in a people&#39;s republic, grievances should not be allowed to explode in this manner. This situation has caught the government unaware, but really, did the government (albeit newly elected), have absolutely no idea this was brewing? Could it not have been prevented?</p></blockquote>
<div class="translation">এবং  এভাবেই অসন্তোষের বীজ ছড়িয়েছে। মনীবগণ নিজেদেরকে ভাবত উন্নত শ্রেনীর, দুস্থ কর্মীদের থেকে অনেক উপরের। বেতন, সুবিধা, কর্ম অবস্থা এবং চাকুরীর অগ্রগতিতে অফিসার এবং জওয়ানদের মধ্যে ছিল ব্যাপক অসামাঞ্জস্যতা এবং দুর্নীতির ইস্যুগুলো যা সিনিয়র অফিসাররা করেছে। সৈন্যরা তাদের দাবীগুলো বারবার তাদের অফিসারদের কাছে উত্থাপন করেছে, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। মহাপরিচালক ওয়াদা করেছিলেন সৈন্যদের দাবীগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করবেন যখন তিনি বিডিআর সপ্তাহের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করছিলেন। কিন্তু তিনি হয়তো তার ওয়াদা ভুলে যান, তিনি তার অফিসারদের পক্ষে কেবল বলেছিলেন সেই মহতী অনুষ্ঠানে। সারারাত অসন্তুষ্ট সৈনিকরা ক্ষুব্ধ হয়েছে।</p>
<p>সকল সেক্টর কমান্ডারা পরদিন সকালে দরবার হলে একত্রিত হয় এবং যখন অফিসার এবং সৈনিকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয় তখন অস্ত্র বের করা হয় এবং গুলি করা হয়। আমরা জানিনা কে প্রথম গুলি করেছিল, কিন্তু ফল তাতে একই থেকে যায়। সৈনিক এবং অফিসাররা নিহত হয়েছে। এবং নিরীহ সাধারণ নাগরিক মারা গেছে ও আহত হয়েছে। গুলি এভং ভারী মর্টার এর শব্দ শোনা গেছে। বিডিআর কমপ্লেক্স হতে নির্গত ধোঁয়ার কুন্ডুলী দেখা গেছে।<br />
গণতন্ত্রে, একটি প্রজাতন্ত্রে, দাবী দাওয়া এইভাবে উত্থাপন করা উচিৎ নয়। এই ঘটনা সরকারের অসচেতনাতাকে প্রকাশ করে, সত্যিই কি সরকারের (যদিও সদ্য নির্বাচিত) কোনই ধারণা ছিলনা? এটা কি প্রতিহত করা যেতনা? </p></div>
<p>ব্লগাররা বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত যেমন বিডিআর সদস্যরা অফিসারদেরকেই হত্যা করার জন্য কেন বেছে নেয় এবং বিশেষত: কে ‘আগে গুলি করেছে’ এই বিতর্কিত বিষয়ে। একজন আর্মি অফিসার যে কিনা দৃশ্যে উপস্থিত ছিল তার উদ্ধৃতি দিয়ে মিডিয়া <a href="http://prothom-alo.com/index.news.details.php?nid=MjIyMTg=">প্রতিবেদনে</a> প্রকাশিত হয় যে বিডিআর জওয়ানরা প্রথম গুলি করে অফিসারদের উপর। কিন্তু এই ব্লগার তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত<a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/Imrozblog/28917046"> তার একজন চাচর উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশ করে</a> যে বিডিআর প্রধান একজন জওয়ানের উপর গুলি করেছিলেন তর্কাতর্কির সময় এবং সেটাই এই ঘটনার উদ্ভব করে। এখন প্রশ্ন কে সত্য বলছে।</p>
<p>খবরের কাগজ এবং বেঁচে যাওয়া লোকদের দেয়া সিটিজেন মিডিয়া প্রতিবেদনগুলো <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/mahaque/28917287">একত্রিত করেছে</a> <em>আতিকুল হক</em>। অফিসারদের কয়েকজন যারা বিদ্রোহীদের হাতে জিম্মি ছিল তারা তাদের উপর বর্বর আচরণের কথা বলে। জনগণের সহানুভূতি বিডিআর বিদ্রোহীদের থেকে সেনাবাহিনীর অফিসারদের উপর চলে যায় যাদের উপর বর্বর নির্যাতন হয়েছে।<a href="http://www.sachalayatan.com/dhrubo/22127"> ধ্রুব হাসানের</a> মত অনেক ব্লগার মৃত্যুর জন্য শোকপ্রকাশ করেছে। <em>নিঘাত তিথি</em> নামক এক মন্তব্যকারী বলেন:</p>
<div class="translation">খারাপ লাগছে মানুষের সহমর্মিতা পাবার জন্য তাদের মিথ্যাচার দেখে, শুরুতে টিভিতে একজন জোয়ান বলেছিলেন, মাত্র একজন অফিসার মারা গেছেন, তার নাম বলা যাবে না। অথচ বিদ্রোহের শুরুতেই ৭০ জন (প্রথম আলো&#39;র সংবাদ অনুযায়ী) অফিসারকে গুলি করে মারা হয়েছে। শুধু তাই না, তাদের গুলির পাশাপাশি বেয়নেট নিয়ে খুচিয়ে আঘাত করে হয়েছে। এই কি স্বাধীন দেশের মানুষের নিজের ভাইয়ের প্রতি আচরন? এইসব তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিলো ! আহারে, মাত্র ১৭ জনের লাশ পাওয়া গেলো। বাকি লাশগুলোকে কি করা হয়েছে? তাদের কি দাফনও হবে না?</div>
<p>সরকার বিডিআরদের বিদ্রোহের জন্য সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শণ করে তাদের দাবীর নিকট মাথা নত করে । <em>কামালউদ্দিন</em> <a href="http://prothom-aloblog.com/users/base/kamaluddin/306">বলেন</a> কাদের কে সাধারণ ক্ষমা করা হলো? যারা বর্বরভাবে হত্যা করেছে অফিসারদের এবং সাধারণ জনগণকে?</p>
<p> <a href="http://unheardvoice.net/blog/2009/02/26/the-list-of-the-dead/">আনহার্ড ভয়েস ব্লগ</a> সরকারের নিকট  শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮ তারিখকে বিদেহী চাকুরীজীবী এবং নিরীহ সাধারণ ব্যক্তিদের সম্মানে জাতীয় শোকদিবস ঘোষণা করার আবেদন করে এবং নিহতদের জন্য ন্যায়বিচার দাবী করে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1811/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশঃ নির্বাচন শেষ, এখন প্রতিশ্রুতি রাখার সময়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1791/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1791/#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 03 Mar 2009 09:07:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অপর্ণা রায়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1791</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনAparna  &#183; অনুবাদ করেছেন অপর্ণা রায় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
২৯এ ডিসেম্বর ২০০৮ বাংলাদেশের নবম সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হল। সমরেশ বৈদ্য লিখেছেন :
অনেক ত্যাগ, সংগ্রামের পর গত ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ বাংলাদেশের নাগরিকরা নির্বিঘ্নে নির্ভয়ে তাদের অন্যতম নাগরিক অধিকার অর্থাৎ নিজেদের পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার অধিকার ফিরে পেয়েছে। &#8230; [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/aparna-ray/">Aparna</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/aparna/'>অপর্ণা রায়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/01/21/bangladesh-elections-2/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>২৯এ ডিসেম্বর ২০০৮ বাংলাদেশের নবম সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হল। সমরেশ বৈদ্য <a href="http://www.nirmaaan.com/blog/samaresh/2764" target="_blank">লিখেছেন</a> :</p>
<blockquote><p>অনেক ত্যাগ, সংগ্রামের পর গত ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ বাংলাদেশের নাগরিকরা নির্বিঘ্নে নির্ভয়ে তাদের অন্যতম নাগরিক অধিকার অর্থাৎ নিজেদের পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার অধিকার ফিরে পেয়েছে। &#8230; দেশি-বিদেশী অধিকাংশ সংগঠন ও মানুষের কাছে নির্বাচনটি হয়েছে নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু।</p></blockquote>
<p>নিরপেক্ষ ও অবাধ ঘোষিত এই নির্বাচনে রেকর্ড ৮৭% ভোট পরেছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে এই নির্বাচন নিয়ে অনেক আশা, ব্যতিব্যস্ততা ও আগ্রহ দেখা গেছে। তারা যে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দেশকে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি অধিষ্ঠিত সামরিক বাহিনী সহায়িত কেয়ারটেকার সরকারের হাত থেকে গনতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনার পথ প্রশস্ত করেছ তার নমুনা পাওয়া যায় <a href="http://www.bdnews24.com/details.php?id=72656&amp;cid=30">এই পরিসংখ্যান থেকে</a> : ৮১ লক্ষ নিবন্ধন‌কৃত ভোটারের মধ্যে ৩১% ভোটার (বয়স ১৮-২৫) প্রথমবার ভোট দিয়েছেন এবং ৫১% মহিলা ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।</p>
<p>নির্বাচনের ফলাফল আওয়ামী লীগের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Hasina" target="_blank">সেখ হাসিনার</a> নেতৃত্বাধীণ মহাজোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ের (৩০০র মধ্যে ২৬৩ আসন) বার্তা নিয়ে আসে। এর মধ্যে  <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_Awami_League" target="_blank">আওয়ামী লীগের</a> নিজেরই পাওয়া ২৩০টি আসন। ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেন।</p>
<p>এটা পরিস্কার হয়ে গেছে যে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। মানুষের এই আবেগ প্রতিফলিত হয়েছে ব্লগার <em>সেরীফ আল সায়ারের</em>, হাসিনাকে লেখা <a href="http://prothom-aloblog.com/users/base/sasshunam/7" target="_blank"> এই খোলা চিঠির মধ্যে।</a></p>
<blockquote><p>প্রিয় নেত্রী,<br />
শুরুতেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীণ মহাজোটের এই নিরঙ্কুশ বিজয়ে অভিনন্দন জানাই সাথে ইংরেজী নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা। বাংলার জনগণ বিগত সরকারের দূর্নীতি, দুঃশাসন, হটকারীতা এবং এই সকল অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানালো। এবং সেই প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আপনার উপর আপনার দলের উপর আস্থা জ্ঞাপণ করল। আশা করি সেই জনগণকে আপনি ক্ষমতার দম্ভে পড়ে ভুলে যাবেন না। সেই জনগণের পাশে আপনি এবং আপনার সরকার নিরপেক্ষভাবে সব-সময় পাশে থাকবেন। এমনটাই আমরা আশা করি। &#8230;আমি বর্তমান প্রজন্মের একজন ভোটার ছিলাম। এই বার প্রথম ভোট দিয়ে নিজের নাগরিকত্ব অধিকার এবং আমার দায়িত্ব পালন করেছি। এবং সেই অধিকারের মাধ্যমে আমার মতো আরো লক্ষ নতুন ভোটার আপনার কাছে এবং আপনার মহাজোটের কাছে দেশের দায়িত্ব অর্পণ করলো। তাই আমি যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে, এই বিজয়কে ক্ষমতা ফিরে পাবার বিজয় মনে না করে দায়িত্ব ফিরে পাবার বিজয় মনে করার অনুরোধ থাকলো।</p>
<p>আমার মতো অসংখ্য নতুন ভোটার আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা করে। প্রত্যাশা করে, যেই দিন বদলের চেষ্টার কথা আপনি বলেছেন সেই দিন সত্যি সত্যিই বদলাবেন। তারা চায় একটি হানাহানির রাজনীতিমুক্ত, দূর্নীতিমুক্ত, দুঃশাসনমুক্ত একটি শান্তিময় দেশ।</p></blockquote>
<p>বাংলা ব্লগদুনিয়ায় যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে সব চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তা হল দেশের সুপরিচালনা ও <a href="http://www.bdnews24.com/upfile/Manifesto-English.doc">নির্বাচনী ইস্তাহারের</a> ৫.১ পয়েন্ট যাতে লেখা আছে <em>&#8220;Terrorism and religious extremism will be controlled with iron hand. Trial of war criminals will be arranged.&#8221; (&#8221;উগ্রপন্থা ও ধর্মান্ধতা কঠোর হাতে দমন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে&#8221;)</em>।</p>
<p><em><a href="http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16">১৯৭১এর যুদ্ধাপরাধীদের</a> </em> বিচার চাই। দিনে দিনে এই দাবী আরো জোরালো হয়ে উঠছে। <em>সাদিক</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/sadikbdblog/28890420">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>নতুন সরকারের কাছে প্রথম দাবী হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। সবাই সমর্থন জানান এবং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র এবং পরিবার পরিজন নিয়েই সোচ্চার হোন &#8220;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই&#8221;। প্রতিটি মানুষ যদি সমস্বরে দাবী জানাই &#8220;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই&#8221; নতুন সরকার সেই দাবী মেনে নিতে বাধ্য।</p></blockquote>
<p>সাদিকের মতে সায় দিয়েছেন অন্যান্য বাংলা ব্লগাররাও। এদের মাঝে কিছু ব্লগার এই ইস্যুতে <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/laboniblog/28900144">জনমত জোরালো করার কাজে</a> নেমে পড়েছেন। নতুন করে মানুষের সই সংগ্রহ করার কাজ চালু করা হয়েছে, আগের <a href="http://www.petitiononline.com/1971war/petition.html">অনলাইন পিটিশন</a> এর দাবী আরো জোরালো করতে।</p>
<p><em>শোহেইল মোতাহির চৌধুরী</em> মনে করেন যে  শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তিই শুধু নয় বরং সময় এসেছে এমন কিছু পদক্ষেপ নেবার যাতে পুরানো ঘায়ে প্রলেপ লাগান যায়। তার <a href="http://www.sachalayatan.com/shohailmc/20859">মতানুযায়ী</a>:</p>
<blockquote><p>স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন সময় দেশদ্রোহী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, যুদ্ধাপরাধীদেরকে যেসব রাষ্ট্রীয় সম্মান বা পদক দিয়েছে – সেগুলো বাতিল করা হোক।</p></blockquote>
<p>অবশেষে <em>হাসান মোর্শেদ</em> লিখছেন যে নব্য নির্মীত সরকারের কাজ শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আনাতেই শেষ নয়। <a href="http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=539">তার মতে</a> :</p>
<blockquote><p>আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার করাই শেষ কথা নয়, বন্ধ করতে হবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি&#8230;যে রাজনীতি রাষ্ট্রের জন্মের বিরোধীতা করেছিলো,সেই রাজনীতি রাষ্ট্রের কল্যান কামনা করবে- এমন ইউটোপিয়া থেকে বের হয়ে আসা খুব জরুরী ।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/03/03/1791/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: কায়রো বোমা বিস্ফোরণে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1679/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1679/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Feb 2009 23:16:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মামুন ম. আজিজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[তাজা খবর]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[ভ্রমণ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1679</guid>
		<description><![CDATA[কায়রোর জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা খান আল খলিলির নিকট অবস্থিত আল হুসেইন মসজিদের বাইরে এক বোমা বিস্ফোরণে একজন ফরাসি পর্যটক মারা গেছে এবং আহত হয়েছে প্রায় ২০ জন লোক। 

প্রকৃপক্ষে ঘটনাস্থলে কি ঘটেছে জানার জন্য বিশ্ববাসী উন্মুখ হয়ে ছিল এবং মিশরের ব্লগাররা তাই ছিল বেশ কর্মঠ। তারা ঘটনার নতুন মোড়, তথ্য, বিশ্লেষণ এবং উদ্বিগ্নতা সম্পর্কিত খবর আদান প্রদান করছিল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lasto-adri/">লাস্তো আদ্রি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/mamun/'>মামুন ম. আজিজ</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/22/egypt-bloggers-react-to-cairo-bombings/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>আজ (২২শে ফেব্রুয়ারী) কায়রোর জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা <a href="http://www.answers.com/Khan%20Al%20Khalili">খান আল খলিলির</a> নিকট অবস্থিত <a href="http://www.answers.com/Al%20Hussein%20Mosque">আল হুসেইন মসজিদের</a> বাইরে এক বোমা বিস্ফোরণে একজন ফরাসি পর্যটক <a href="http://english.aljazeera.net/news/middleeast/2009/02/2009222175234931911.html">মারা গেছে</a> এবং আহত হয়েছে প্রায় ২০ জন লোক।</p>
<p>প্রকৃতপক্ষে ঘটনাস্থলে কি ঘটেছে জানার জন্য বিশ্ববাসী উন্মুখ হয়ে ছিল এবং মিশরের ব্লগাররা তাই ছিল বেশ কর্মঠ। তারা ঘটনার নতুন মোড়, তথ্য, বিশ্লেষণ এবং উদ্বিগ্নতা সম্পর্কিত খবর আদান প্রদান করছিল।</p>
<p><a href="http://twitter.com/Zeinobia/status/1237624709">জেইনোবিয়া </a>টুইটার এ একটা মেসেজ পোষ্ট করে যখন এসব শুরু হয়েছিল, যে প্রতিবেদনে আছে, “আল আজহারের ক্যাফেতে বিস্ফোরণ জাতীয় কিছু একটা ঘটেছে।” মিনিটখানেক পরে <a href="http://twitter.com/3arabawy/status/1237645532">আরাবায়ী</a> অন্য একটি নিশ্চিতকরন মেসেজে ঐটির অনুকরণ করেছে যেখানে বলা হয়েছে, “কায়রোর আল মাশাদ আল হুসেইনী রোডে ঘটেছে বিস্ফোরণ”।</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/moftasa-300x131.png" alt="" /><br />
<a href="http://twitter.com/moftasa/status/1237694368">মোফটাসা</a>ই প্রথম ধারনা করে যে এই বিস্ফোরণ এবং নতুন বিতর্কিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন এর মধ্যে কোন যোগসূত্র আছে, যা কয়েকদিনের মধ্যেই মিশরীয় সংসদে আলোচিত হবে। বিপুল আপত্তির মুখেও খসড়া আইনটি তৈরী হয়। </p>
<p>কোনকিছুই তখনও সুনিশ্চিত নয়, এবং গুজব ছড়াচ্ছিল; যাইহোক, জেনোবিয়া চেষ্টা করছিল <a href="http://egyptianchronicles.blogspot.com/2009/02/breaking-news-blast-in-al-hussein.html">বিভিন্ন পত্রপত্রিকা এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নতুন তথ্যগুলোর</a> দ্রুত অথচ বিস্তারিত বিবৃতি হিসেবে একত্রে সংকলন করতে।  </p>
<p><a href="http://arabist.net/archives/2009/02/22/report-explosion-in-cairo/">অ্যারাবিষ্ট</a>, যে কিনা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ছিল এবং দুটো বিস্ফোরণই নিজ কানে শুনেছিল, সে লেখে:</p>
<blockquote><p>আমি কায়রোর মধ্যাংশে একটি প্রধান পর্যটক গন্তব্যস্থল-খান আল খালিলির নিকট বোমা বিস্ফোরণের খবর শুনেছি। এ সম্পর্কে যত বেশী খবর পাব তা সন্নিবেশিত করা হবে। </p>
<p>আপডেট ১: আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে বলেছে যে <del datetime="2009-02-25T21:56:07+00:00">১১ জন মারা গেছে, তিনজন মিশরীয়, একজন ফরাসী,</del> ১৮ জন আহত, একজন ফরাসী মারা গেছে এবং অন্যদের খবর জানা যায়নি।</p>
<p>আপডেট ২: ইতিমধ্যেই মৌলবাদীরা বলছে যে জরুরী আইন সংসদে আলোচিত হবার দিন সুবিধাজনকভাবে এক মাসের কাছাকাছি হয়ে উঠেছে। </p>
<p>আপডেট ৩: চারজন মারা গেছে (জার্মান এবং ফরাসী), ১২ জন আহত হয়েছে বিভিন্ন জাতীয়তার। </p></blockquote>
<p><a href="http://twitter.com/moftasa/status/1237863455">মোফতাসা</a> এরপর টুইটারে বিস্ফোরক এলাকার একটি আলোকচিত্রের লিংক পোষ্ট করে।</p>
<p>এবং যখন কায়রোতে বসবাসরত একজন আমেরিকান বিশেষজ্ঞ <a href="http://egypt4.wordpress.com/">মোসফর</a> <a href="http://twitter.com/msfour/status/1237956556">সবার আগে টুইটারের ব্লগারদের</a> বলেছিল <a href="http://search.twitter.com/search?q=%23cairobomb">#কায়রোবম্ব</a> নামক ট্যাগ ব্যবহার করতে তখন আরাবাউই বলেছে <a href="http://twitter.com/3arabawy/status/1237819035">ব্লগারদের একটি ডিলিসিয়াস ট্যাগ</a> &#8216;এল হুসেইন এক্সপ্লোশন&#39; ব্যবহার করতে  <a href="http://delicious.com/tag/El-HusseinExplosion">একই ইউ আর এল</a> এর অধীনে একত্রিত করার জন্য।</p>
<p><a href="http://www.gaberism.net/2009/02/22/explosion-in-cairo/">ইয়াসারি মাশরি,</a> <a href="http://carlincairo.blogspot.com/2009/02/explosion-at-khan.html">কার্ল</a>, <a href="http://egypt4.wordpress.com/2009/02/22/we-are-fine/">মশফর</a>, <a href="http://egytimes.org/2009/02/fuck-terrorism/">মারী</a>, <a href="http://arabicsource.wordpress.com/2009/02/22/blast-in-cairo/">রোব</a>, <a href="http://www.sandmonkey.org/2009/02/22/terrorist-attack-in-cairo/">স্যান্ড মঙ্কি</a> এবং<a href="http://www.greywoolknickers.net/?p=178"> গ্রে উল নিকারস</a> হলেন ঘটনাটি নিয়ে ব্লগ লেখার মধ্যে প্রথম, তাই সেটা হোক তাদের বন্ধু এবং পরিবারের শান্তি জাগানোর উদ্দেশ্যে অথবা আলোচনা করতে যে তারা যদি ভাবে বিস্ফোরণ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মধ্যে কোন যোগসূত্র আছে কিনা।<a href="http://www.greywoolknickers.net/?p=178"> গ্রে উল নিকারস</a> মিশরের সর্বশেষ ঘটনাগুলোকে সংযুক্ত করে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লিখেছে, চেষ্টা করেছেন সেগুলোকে সাম্প্রতিক বোমা বিস্ফোরণের সাথে সম্পর্কযুক্ত করতে। </p>
<blockquote><p>যেহেতু <a href="http://arabist.net/arabawy/2009/02/22/explosion-in-al-azhar-area/">অনেকেই</a> ধারণা করেছেন যে এটা ঘটেছে একটা সন্দেহমূলক সময়ে বিশেষ করে যখন <a href="http://www.fidh.org/spip.php?article1397">রাষ্ট্রীয় জরুরী অবস্থার</a> (যা শুরু হয় ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরাইলী যুদ্ধের সময়, সাথে সাদাতের যুগে সংপ্তি বিরতি ছিল)  বৃদ্ধি আবার পুনরায় বিবেচিত হতে যাচ্ছিল। মুবারকের সরকার <a href="http://www.arabicnews.com/ansub/Daily/Day/050818/2005081819.html">অনেক বছর ধরে আশ্বাস দিয়ে আসছে</a> মার্শাল ল কে পাল্টিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সামনে আনতে, যা ন্যুনপক্ষে মিশরীয় সংবিধানের এর অধীনে জনগণের কিছুটা রক্ষা কবচ হতে পারবে। সরকার এখন বর্তমানে যা ইচ্ছে করার জন্যে জরুরী অবস্থা ডাকতে পারে, যেটাকে পাঠক বুঝতে পারবে অনেকের মধ্যে দ্যা <a href="http://www.greywoolknickers.net/?p=143">ফিলিপ রিজক</a> এবং <a href="http://prisonersforgaza.wordpress.com/">দিয়া গাড</a> এর অপহরণের ঘটনায়। আমেরিকা এবং ইসরায়েলী প্রশাসকদের আনীত পরিবর্তনের সাথে এবং সাথে উচ্চকণ্ঠ, ক্ষমতাধর এবং আন্ত:বাধা প্রদানকারী, ঘরোয়াভাবে এবং গাজার সীমান্ত বরাবর - মনে হয় প্রবীণ মুবারকের শাসন হতাশ হচ্ছে এবং কোন <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Strategy_of_tension">শন্কার রাজনীতির</a> ব্যবস্থা না করে ক্ষমতা ধরে রাখার খুব সামান্য উপায় খুঁজে পাচ্ছে। আমি মনে করি  <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/02/19/egypt-ayman-nour-released/">সাম্প্রতিক প্রকাশিত তারকা রাজনৈতিক বন্দী আয়মান নূর</a> কে বিবেচনা করা উচিৎ স্বৈরতন্ত্রের উচ্চ পর্যায়ের ভীতির প্রমাণ হিসেবে।</p>
<p>এই ঘটনার আরও খবর খুঁজে দেখুন এর <a href="http://delicious.com/tag/El-HusseinExplosion">ডেলিসিয়াস ফিডএর মাধ্যমে</a>। </p></blockquote>
<p>এই পোষ্টটি লেখার পূর্বেই  ২১ বছর বয়সের একজন ফরাসী বালিকার মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এবং প্রায় ২০ জন বিভিন্ন জাতীয়তার ব্যক্তি আহত হয়েছে। যাই হোক, বিস্ফোরণের জন্য কারা দায়ী তার উপসংহার নির্ণয়ে দ্রুত অগ্রসারমান হলে এখনও খুব প্রীতিময় হবে। </p>
<p>ছবি পাওয়া যাবে <a href="http://yalally.blogspot.com/2009/02/blog-post_22.html">আহমেদ আবদেল ফাতার ব্লগে</a> এবং পাঠকরা টুইটারে মিশরীয় ব্লগারদের খুঁজে পাবেন <a href="http://search.twitter.com/search?q=%23cairobomb">এখানে</a>। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/25/1679/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলাদেশ: ব্লগারদের বই</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/16/1616/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/16/1616/#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 16 Feb 2009 20:06:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>রেজওয়ান</dc:creator>
				<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1616</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনরেজওয়ান  &#183; অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
বাংলা ব্লগিং এর ইতিহাস তুলোনামূলকভাবে ছোট। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম শুরু হয়। অচিরেই আরো নতুন ব্লগের আগমন ঘটে। ওপেন সোর্স বাংলা ইনপুট ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে পৃথিবীব্যাপী বাংলা কম্পিউটিং সহজ হয়ে গেছে এবং ক্রমশ: অনেকেই ব্লগিং এর জগতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/rezwan/'>রেজওয়ান</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/02/13/bangladesh-books/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>বাংলা ব্লগিং এর ইতিহাস তুলোনামূলকভাবে ছোট। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসে<a href="http://www.somewhereinblog.net/"> প্রথম বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম</a> শুরু হয়। অচিরেই আরো নতুন ব্লগের আগমন ঘটে। ওপেন সোর্স বাংলা ইনপুট ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে পৃথিবীব্যাপী বাংলা কম্পিউটিং সহজ হয়ে গেছে এবং ক্রমশ: অনেকেই ব্লগিং এর জগতে পা রাখছে।</p>
<p>বাংলা ব্লগিং এর সব থেকে উৎসাহজনক দিক হলো বাংলা ব্লগাররা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বই প্রকাশ করেছেন। <em>ফরিদ</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/boisellerblog/28909498">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>বাংলা ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম চালু হবার পরে গত তিন চার বছরে অনেক অলেখকও যেমন লেখালেখিতে হাত পাকিয়েছেন তেমনি অনেক নবীন লেখকরাও ব্লগে লিখে তাদের লেখনীকে ধারিয়ে নিয়েছেন। আর তাই গত প্রায় তিন বছর ধরে প্রতি বছরেই ব্লগ পরিমন্ডল ও ব্লগারদের লেখা বইয়ের সংখ্যা উত্তোরত্তর বাড়ছে। এইবছর তো মোটামুটি ব্লগাররা মিছিল করেই বই ছাপিয়েছেন বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে।</p></blockquote>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Ekushey_Book_Fair">একুশে বই মেলাকে</a> সামনে রেখে এই বছর ব্লগাররা এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টির মত বই প্রকাশ করেছেন। <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/meghbaji/28909731">এখানে</a> ব্লগার মেঘবাজির তৈরি করা সেই সব বইএর একটা তালিকা পাবেন। এছাড়া একটি ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে &#8216;<a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=48799680418">ব্লগার্স বুক</a>&#8216; নামে। বেশীরভাগ লেখকের/ব্লগারের বই গল্প, কবিতা আর প্রবন্ধ আর গুটিকয়েক বই রয়েছে ব্লগে প্রকাশিত লেখা নিয়ে।</p>
<p><img src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/oporbastob-3.png" alt="Opor Bastob" /></p>
<p><a href="http://www.somewhereinblog.net/">সামহোয়ারইন ব্লগের</a> কয়েকজন ব্লগারের উদ্যোগে ব্লগে প্রকাশিত লেখার তৃতীয় সংকলন <em>অপর বাস্তব-৩</em> প্রকাশিত হয়েছে। এবছরের বিষয় হলো &#8216;ছোট গল্প&#39;। <em>ব্রিগেড সিক্সটিন</em> বইটির ব্যাপারে <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/Brigade16blog/28906562">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>মুক্ত গণমাধ্যমের মুক্ত মতামত কেমন হতে পারে, সে ধারণা আমাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু মুক্ত গণমাধ্যমের সাহিত্য - গল্প, কবিতা, উপন্যাস - তাও কি সম্ভব? সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ব্লগের নির্বাচিত লেখা নিয়ে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সংকলন ‘অপরবাস্তব’। </p>
<p>ব্লগারদের কাছ থেকে মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল গত বছরের নভেম্বরে। একমাসেরও বেশি সময় ধরে মনোনয়ন গ্রহণের পর নির্বাচিত গল্পগুলো ব্লগারদের সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাচক প্যানেলের কাছে পাঠানো হয়। তাঁরা একমাস ধরে যাচাই-বাছাই শেষে মোট ২২টি গল্প চূড়ান্ত করেন, যা স্থান পেয়েছে সংকলনে। </p>
<p>বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। বিক্রিলব্ধ সমুদয় অর্থ ব্লগের নানা উদ্যোগ, ক্যাম্পেইন, মানবিক কর্মকান্ড ইত্যাদিতে ব্যয় করা হবে।</p></blockquote>
<p><em>শাহরিয়ার হাসান</em> ঐ পোস্টের মন্তব্যে লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>অনেকেই মনে করেন ব্লগিং মানেই সময় নষ্ট। বইটা তাদের কিনে পড়া উচিৎ।</p></blockquote>
<p>মন্তব্যে <em>কৌশিক</em> আরও লিখেছেন:</p>
<blockquote><p>২০০৮ এ ব্লগারদের বই বোধহয় বের হয়েছিল ৭/৮। ২০০৯ এ তো মনে হইতেছে পুরা বইমেলা দখল কইরা নিছে ব্লগাররা। ৫০ টার মত বই! গ্রেট!</p></blockquote>
<p><img src='http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/02/purnomuthi.jpg' width="120" alt='পূর্ণমুঠি' class='alignleft' />গত বছর অনলাইন লেখকের ফোরাম <a href="http://www.sachalayatan.com/sondesh/17376">সচলায়তনের</a> ব্লগাররা &#8216;পুর্ণমুঠি&#39; নামে ব্লগের লেখার একটা সংকলন বের করেন। এই বছর সচলায়তন ব্লগাররা তাদের আরো কিছু লেখার সংকলন প্রকাশ করছেন।</p>
<p><em>সচলায়তন</em> ব্লগারদের দ্বারা প্রকাশিত বই এর <a href="http://aumitahmed.com/myfiles/sachal_cat_09_v2.pdf">একটা ক্যাটালগ</a> প্রকাশ করা হয়েছে লেখকদের বিস্তারিত বর্ণনাসহ। এই পর্যন্ত লেখকের এই ফোরাম চারটি ই-বই প্রকাশ করেছে।</p>
<p>এখন দেখা যাক এই বিষয়ে ব্লগাররা কি প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। <em>মাহবুব শাহরিয়ার</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/rodayaablog/28907008">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>এবারের বইমেলা আমার জন্য অন্যরকম৷ অন্যরকম এই কারণে যে এবারই প্রথম আমি মেলায় লেখক হিসেবে এলাম৷ এর আগে কতবার মেলায় এসেছি পাঠক হিসেবে৷</p></blockquote>
<p><em>লিনা দিলরুবা</em> তার <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/321654/28906766">মনোভাব জানিয়েছেন</a> নতুন বই আর ব্লগারদের বই কেনার ব্যাপারে:</p>
<blockquote><p>আজকে বইমেলায় গিয়েছি। ..বইকেনার মূহুর্তগুলো খুব উপভোগ করি।<br />
…<br />
এই আনন্দ, এই সুখানুভূতির প্রকাশ ঘটানোর জন্য তাই ব্লগে বসলাম।<br />
…<br />
ব্লগার বন্ধুদের বই কিনিনি আজ। অফিস থেকে যখন বেরিয়েছিলাম তখন বইয়ের লিস্টটা নিয়ে বের হইনি। পরেরবার প্রথম তালিকাটা ব্লগারদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।</p></blockquote>
<p><em>মামুন এম. আজিজ</em>, যিনি <em>পথিক</em> ছদ্মনামে লেখেন, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28906830">জানিয়েছেন</a>:</p>
<blockquote><p>প্রকাশক ফোন করে জানালেন আজ বইমেলায় চলে এসেছে আমার গল্পের বই –তথাপি।<br />
    ইস ! নিজে এখনো দেখলাম না।<br />
    কাল ইনশাল্লাহ যাব মেলায়। </p></blockquote>
<p>প্রকাশক আর ব্লগার <em>আহমেদুর রশিদ</em> বই মেলা আর ব্লগারের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে দৈনিক <a href="http://www.sachalayatan.com/ahmedur_rashid/">একটি ধারাবাহিক লিখছেন</a>। আপনি অনলাইনে বাংলা বই কিনতে পারেন আর বই মেলা সম্পর্কে আরো তথ্য <a href="http://www.boi-mela.com/BoiMela2009.asp">এখানে জানতে পারেন</a>। <em>অন্য আনন</em> বই মেলার <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/28909161">কিছু ছবি</a> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/annoananblog/28908806">এখানে</a> পোস্ট করেছেন।</p>
<p>অনেক ব্লগার ব্লগকে  ব্যবহার করছেন তাদের বইএর বিনামূল্যে প্রচারণার জন্য আর নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করতে বইয়ের সমালোচনাও দেয়া হচ্ছে।<br />
(<a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28910210">১</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/murtala31/28910188">২</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/sunilsamudrablog/28910033">৩</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/Leelenblog/28909909">৪</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28909883">৫</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/shoronproyash/28909140">৬</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/rezaghatokblog/28909071">৭</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/FAQIRELIASblog/28909069">৮</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/Ehabib13/28908713">৯</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/kshohel/28910108">১০</a>)</p>
<p>বই এর প্রকাশনা আর বই মেলা প্লাটফর্মভেদে সব ব্লগারদেরকে একত্র করেছে। <em>মাহমুদুর রহমান</em> <a href="http://amarblog.com/dewdropsreturn/39412">লিখেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>আজ বইমেলায় ব্লগারদের বিশাল মহামিলন ঘটবে। <a href="http://www.sachalayatan.com/">সচলায়তন</a>, <a href="http://www.somewhereinblog.net/">সা.ইন</a>, <a href="http://www.amarblog.com/">আমার ব্লগ</a> এবং <a href="http://prothom-aloblog.com/">প্রথমআলো ব্লগের</a> ব্লগাররা মিলিত হবেন ১৯২নং স্টলের সামনে। আজ অনেক ব্লগারের বই বের হবে। ঢাকার বাহিরের অনেক ব্লগারই আসবেন আজ।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/02/16/1616/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাংলা ব্লগসমুহঃ গাজায় শান্তির কামনায়</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/31/1587/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/31/1587/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 31 Jan 2009 14:40:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>অপর্ণা রায়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইজরায়েল]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্যালেস্টাইন]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলা]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[মানবিক]]></category>
		<category><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=1587</guid>
		<description><![CDATA[মূল লেখাটি পোস্ট করেছেনAparna  &#183; অনুবাদ করেছেন অপর্ণা রায় &#183;  মূল লেখাটি দেখুন 
&#8220;যা হচ্ছে গাজায় তাকে সহ্য করা খুব কঠিন।&#8221; লিখছেন ব্লগার অপ্রিয়। এই অল্প কয়েকটি কথায় তিনি ব্যক্ত করেছেন গোটা বাংলা ব্লগদুনিয়া গাজা-ঘটনাবলি সম্পর্কে কি ভাবছেন। রাকিব লিখছেন যে গাজায় যা ঘটছে তা &#8220;এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়&#8221;।
আহমেদ মুনির লিখছেন:
ফিলিস্তিন জাতিকে ধ্বংস [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/aparna-ray/">Aparna</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/aparna/'>অপর্ণা রায়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/01/07/bangla-blogs-praying-for-peace-in-gaza/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>&#8220;যা হচ্ছে গাজায় তাকে সহ্য করা খুব কঠিন।&#8221; <a href="http://www.sachalayatan.com/aprio/20913">লিখছেন</a> ব্লগার <em>অপ্রিয়</em>। এই অল্প কয়েকটি কথায় তিনি ব্যক্ত করেছেন গোটা বাংলা ব্লগদুনিয়া গাজা-ঘটনাবলি সম্পর্কে কি ভাবছেন। <em>রাকিব</em> <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/rakibkhanblog/28894192">লিখছেন</a> যে গাজায় যা ঘটছে তা &#8220;এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়&#8221;।</p>
<p><em>আহমেদ মুনির</em> <a href="http://www.nirmaaan.com/blog/ahmedmunir/2544" target="_blank">লিখছেন</a>:</p>
<blockquote><p>ফিলিস্তিন জাতিকে ধ্বংস করতে বদ্ধ পরিকর ইসরায়েল এবার আঘাত হেনেছে গাজা উপত্যকায়। স্ব-দেশে পরবাসীতে পরিণত হওয়া ফিলিস্তিনী জনগণ অসহায়ের মত গত সাতদিনের টানা ইসরায়েলি হামলায় তাদের শত শত স্বদেশীর মৃত্যু প্রত্যক্ষ করছে…তথাকথিত হামাস দমনের নামে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। বিশ্বের সবচেয়ে অসম ও সবচেয়ে নৃশংস এই যুদ্ধ।</p></blockquote>
<p><a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/farukwasifblog/28893827">ফারুক ওয়াসিফের মতে</a> এটি ইজরায়েলের একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত চক্রান্ত, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের উৎখাত করে তাদের দেশত্যাগ করতে বাধ্য করার। তিনি লিখছেন:</p>
<blockquote><p>এবারের হামলার উদ্দেশ্য শুধু হামাস বা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ-আন্দোলন নয়, বরং গোটা ফিলিস্তিনিদের মনোবল এমনভাবে ভেঙে ফেলা যাতে তারা হাঁটু গেড়ে বসে প্রাণভিক্ষা চায়। তাদের সম্পদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোর সর্বোচ্চ ধ্বংস ঘটিয়ে, তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে অসহনীয় করে তুলে তাদের গণহারে দেশত্যাগে বাধ্য করাই আসল লক্ষ্য। তার জন্যই ফিলিস্তিনীদের শহর-গ্রাম অবরুদ্ধ করে তাদের বিদ্যালয়, হাসপাতাল ও কর্মস্থল অকেজো করা হয়।</p></blockquote>
<p>এই সংঘর্ষে হামাসের ভুমিকা নিয়েও কথা উঠছে। তাদেরও কি কিছু দোষের ভাগিদার হিসেবে দেখা যেতে পারে? কিছু ব্লগার, প্রত্যক্ষভাবে হামাস এর নীতি, দর্শনের সমর্থন না করলেও তাদের এই &#8216;ইজরায়েলি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর প্রতি সহানুভুতি রেখেছেন। অপ্রিয় <a href="http://www.sachalayatan.com/aprio/20913" target="_blank">লিখছেন:</a></p>
<blockquote><p>আমি হামাসের সমর্থক নই কিন্ত আমি মনে করি ‘রোগ’ টি হামাস নয়, হামাস তার সিম্পটম মাত্র… যে কোন জাতিকে দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ করে রাখলে, সামরিক নিয়ন্ত্রণ এবং মৃত্যুভয়ে সন্ত্রস্ত রাখলে সেখানে কোন না কোন ‘হামাসের’ জন্ম হবেই।</p></blockquote>
<p><em>আহমেদ মুনির</em> এই ঘটনাবলির মধ্যে এক করুন পরিহাসের ছবি দেখতে পাওয়ার কথা <a href="http://www.nirmaaan.com/blog/ahmedmunir/2544" target="_blank">লিখছেন</a>: </p>
<blockquote><p>পরিহাসের বিষয় হচ্ছে ইসরাইল ইতিহাস ভুলে গেছে। নিজেদের উপর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় নাৎসি হলোকাস্টের স্মৃতি তো তাদের ভুলবার কথা নয়। গণহত্যার মাধ্যমে যে কোনও জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করা যায় না, আজকের শক্তিশালী ইসরাইল রাষ্ট্রই তো তার প্রমাণ। সুতরাং ইতিহাস বলে ফিলিস্তিনিরা এমন মৃত্যুর প্রত্যাঘাত দেবেই। এ মৃত্যুর প্রতিধ্বনি শোনা যাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য এমন কী পৃথিবীব্যাপী। এখন যেটা প্রথমত প্রয়োজন তা হলো শান্তি, কেবলমাত্র শান্তি।</p></blockquote>
<p>কিছু ব্লগারদের মধ্যে জর্জ বুশ ও তার &#8216;ইজরায়েল-তোষন&#39; নীতি নিয়ে একটা চাঁপা অসন্তোষ ও প্রকাশ পায়। তাঁদের মতে, এই নীতিই গাজার এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।<a href="http://sawkat.blogspot.com/2009/01/blog-post_8414.html"><em>সৈকত আলী লিখছেন:</em> </a></p>
<blockquote><p>স্বয়ং ইসরাইলে এ হামলা বন্ধ করার জন্য রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করছে। তারপরও আমেরিকা এ হামলাকে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করছে। ওসামা-বুশ সব একই পথের পথিক।</p></blockquote>
<p>গাজা ইস্যুতে আমেরিকার ভুমিকা নিয়ে বিরক্ত সত্যান্বেষী <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/nasiruk/28890507">লিখছেন</a>:</p>
<blockquote><p>‘বিশ্ব বিবেকের কন্ঠস্বর&#39; বিশ্বঈশ্বর আমেরিকা বলছে এ গণহত্যা জায়েজ। অথচ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের ধূয়া তুলে এই ঈশ্বরই সাদ্দামের ইরাক দখল করে নিয়েছে।</p></blockquote>
<p><em>আহমেদ মুনিরও</em> মনে করছেন যে আমেরিকাই এই সংঘাত জিইয়ে রেখেছে। তিনি মনে করেন পরবর্তি মার্কিন সরকার এই গাজা নিয়ে কি নীতি অনুসরন করে সেটাই বলে বাকি দুনিয়াকে বলে দেবে এই মধ্য প্রাচ্য দ্বন্দ সমাধানের প্রতি ওবামা সরকারের কতটা আন্তরিক প্রচেষ্টা আছে। মুনির লিখছেন:</p>
<blockquote><p>নতুন মার্কিন প্রশাসন যুদ্ধবাজ বুশ প্রশাসনের চেয়ে কতটা ভিন্ন সময়ই সেটা বলে দেবে। ইরাক কিংবা ফিলিস্তিনের দিকে নতুন দৃষ্টিতে তাকাতে না পারলে ওবামার পরিবর্তনের বুলি কথার কথাই থেকে যাবে।</p></blockquote>
<p>বাংলা ব্লগাররা, গাজায় পীড়িতদের পাশে দাড়াবার জন্য সকলকে উজ্জীবিত হবার জন্য ডাক দিয়েছেন। <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog">ব্লগার ত্রিভুজ</a> ফেসবুকে একটি <a href="http://www.facebook.com/group.php?gid=47593971119">প্রতিবাদ জানানোর গ্রুপ</a> খুলেছেন। <em>ত্রিভুজ</em> তার লেখার মাধ্যমে মানুষের কাছে এই <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/trivuzblog/28894301">আর্জিও জানাচ্ছেন</a> যে তারা যেন গাজাবাসীদের সমর্থনে সকল ইজরায়েলী দ্রব্য বয়কট করেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/01/31/1587/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
