<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Global Voices বাংলা ভার্সন &#187; বিজয়</title>
	<atom:link href="http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://bn.globalvoicesonline.org</link>
	<description>পৃথিবী কথা বলছে। আপনি কি শুনছেন?</description>
	<lastBuildDate>Wed, 25 Nov 2009 17:22:36 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ব্রাজিল: একজন পথিকৃৎ ডিজিটাল কর্মীকে হারানো</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7691/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7691/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 25 Nov 2009 16:53:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[পর্তুগীজ]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রাজিল]]></category>
		<category><![CDATA[সাইবার এক্টিভিজম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7691</guid>
		<description><![CDATA[ব্রাজিলের ব্লগ জগৎ আজ (২০শে নভেম্বর, ২০০৯) শোক প্রকাশ করছে: আজ এ দেশ তার এক অন্যতম অগ্রপথিক ডিজিটাল কর্মীকে হারাল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/diego-casaes/">ডিয়েগো কাসায়েস</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/20/brazil-the-loss-of-a-pioneer-digital-activist/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><div id="attachment_7692" class="wp-caption aligncenter" style="width: 472px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/DSC02980-462x2591.jpg" alt="ড্যানিয়েল পাদুয়া ব্রাজিলের এক সুপরিচিত ডিজিটাল কর্মী ছিলেন। ছবি কাটিয়া কাটিহারার ওয়ার্ডপ্রেস-বিআর এর সৌজন্যে" title="DSC02980-462x2591" width="462" height="259" class="size-full wp-image-7692" /><p class="wp-caption-text">ড্যানিয়েল পাদুয়া ব্রাজিলের এক সুপরিচিত ডিজিটাল কর্মী ছিলেন। ছবি কাটিয়া কাটিহারার ওয়ার্ডপ্রেস-বিআর এর সৌজন্যে</p></div>
<p>ব্রাজিল গত নভেম্বরের ২০ তারিখে তার অন্যতম এক ডিজিটাল অ্যাক্টিভিস্ট (কর্মী) কে হারিয়েছে, যে  ছিল ব্রাজিলের ডিজিটাল কার্যক্রমের পথিকৃৎ। তার নাম <a href="http://imaginarios.net/dpadua/">ড্যানিয়েল পাদুয়া</a>। কিছুদিন আগে ড্যানিয়েল পাদুয়ার (যিনি টু্ইটারে <a href="http://twitter.com/dpadua">@ডিপাদুয়া</a> নামে পরিচিত ছিলেন) শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং আজ সকালে সে ব্রাসিলিয়ায় ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে পরাস্ত হয়। সে সব সময় ওপেন সোর্স (উন্মুক্ত সফ্টওয়্যার) ব্যবহার করায় বিশ্বাসী ছিল এবং এমনকি ব্রাজিলেও সে সংস্কৃতিকে উন্মুক্ত করার পক্ষপাতী ছিল। অনেক ব্লগারের পোস্টে সাইবার এক্টিভিজম ও ইন্টারনেট বাক স্বাধীনতার এক শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে ছিল ড্যানিয়েল।</p>
<p><a href="http://www.wordpress-br.com/"><em>ওয়ার্ডপ্রেস-বিআর</em></a> ব্লগে, কাটিয়া কিটাহারা <a href="http://www.wordpress-br.com/novidades/geral/homenagem-ao-amigo-daniel-padua">লিখেছেন</a> [পর্তুগীজ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Hoje perdemos um amigo queridíssimo, aqui da comunidade, o Daniel Pádua. Sentiremos muito sua falta, não só pelo grande talento e inteligência que ele possuia, mas principalmente pelo seu caráter. Queremos manifestar nosso carinho para sua família e amigos.</p></blockquote>
<div class="translation">আজ আমরা ড্যানিয়েল পাদুয়াকে হারালাম। এই সম্প্রদায়ের সে ছিল এক প্রিয় বন্ধু। আমরা তার অনুপস্থিতি অনুভব করব। আমরা কেবল তার অসাধারণ প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তার অভাবই অনুভব করব না, তার মত চারিত্রিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষের অভাবও অনুভব করব। তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা রইল।</div>
<p>যখন সারা ওয়েবে এই সংবাদ যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন যে সমস্ত টুইটার ব্যবহারকারী তার কাজ এবং অঙ্গীকার সম্বন্ধে জানত, তারা তার প্রতি <a href="http://search.twitter.com/search?q=%40dpadua">শ্রদ্ধা প্রকাশ করে</a> এবং তাকে শেষ বিদায় জানায়:  </p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/emer.PNG" alt="emer" title="emer" width="521" height="58" class="aligncenter size-full wp-image-7693" /></p>
<div class="translation">এখন অস্তগামী সূর্য @ডি পাদুয়ার প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করছে। ৪৮০এন।</div>
<p>এটাই ড্যানিয়েল পাদুয়ার প্রতি গ্লোবাল ভয়েসেস-এর শ্রদ্ধা প্রকাশ। ড্যানিয়েল, তুমি শান্তিতে ঘুমাও।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/25/7691/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জাপান: মাঙ্গা সংস্করণে হিটলারের আত্মজীবনী &#8220;মাইন কাম্ফ&#8221;</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 19:19:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাপান]]></category>
		<category><![CDATA[জাপানী]]></category>
		<category><![CDATA[জার্মানী]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[প্রচার মাধ্যম]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7594</guid>
		<description><![CDATA[প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী "মাইন কাম্ফ" এখন এক মাঙ্গা কমিকে রূপান্তরিত হয়েছে। ১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশ হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের কাহিনী উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/scilla-alecci/">স্কিলা আলেচ্চি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/13/japan-hitlers-mein-kampf-the-manga-version/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>প্রথম প্রকাশের ৮০ বছর পর হিটলারের আত্মজীবনী <em>মাইন কাম্ফ</em> এখন এক মাঙ্গা কমিকে (ছবির মাধ্যমে কাহিনী বলা) রূপান্তরিত হয়েছে।<br />
১৯০ পাতার এই মাঙ্গা বইটি প্রথমবার প্রকাশিত হবার সাথে সাথে এর ৪৫,০০০ কপি বিক্রি হয়ে গেছে। এই বইয়ে খুব সহজ ভাষায় হিটলারের আত্মজীবনীটি উপস্থাপন করা হয়েছে। হিটলারের শৈশব থেকে ন্যাশনাল সোসালিষ্ট পার্টি বা নাজী দলের নেতা হবার সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।<br />
<div id="attachment_7595" class="wp-caption aligncenter" style="width: 385px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/Mein_Kampf.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ" title="Mein_Kampf" width="375" height="600" class="size-full wp-image-7595" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ) এর প্রচ্ছদ</p></div><br />
<a href="http://www.eastpress.co.jp/">ইস্ট প্রেস</a> নামক প্রকাশনা সংস্থাটি বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এটি তারই একটি অংশ। এর আগে একই প্রকাশনী বেশ কিছু বিখ্যাত বইয়ের মাঙ্গা সংস্করণ প্রকাশ করেছিল, যেমন দস্তয়ভস্কির <em>দি ব্রাদার কারামাজভ</em> ও মার্ক্সের <em>দা ক্যাপিটেল</em>। </p>
<p><em>মাইন কাম্ফের</em> পুনরায় প্রকাশ, বেশ কিছু দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন জার্মানী ও অস্ট্রিয়ায় এই বইয়ের প্রকাশনা নিষিদ্ধ। জাপানী ভাষায় মাঙ্গা এই বইয়ের নাম, <em>ওয়াগা টাসো</em> (我が闘争)। এই বইটির প্রকাশ বিদেশে এবং জাপানে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ব্লগার <em>জোফি</em>  <a href="http://blog.goo.ne.jp/hk1006/e/d9833319a9dbde6ad3281fa5e416a13e"> ভালো ভাবে সেগুলো সার সংক্ষেপ</a> করেছে।  </p>
<blockquote><p>注目されている背景には、<br />
・本書の著者がナチスドイツの独裁者アドルフ・ヒトラーであること。<br />
・そして、ドイツでは今なお本著作の出版が禁止されていること。<br />
・さらに、内容がネオ・ナチの思想を助長するのではないかといった懸念が世間にあること。<br />
などの事情がある。<br />
これに対し出版社側は、<br />
「有名な本だが、読んだ人は少ない。どんな思想があれほどの悲劇を生んだのか、『悪魔』で片付けられるヒトラーの人間の部分を知る材料になると思った」<br />
と企画の理由を話している。</p></blockquote>
<div class="translation">এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে  যে সমস্ত উপাদান বিদেশী প্রচার মাধ্যমের চোখে পড়ে সেগুলো হল:<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বইয়ের লেখক নাজী স্বৈরশাসক এডলফ হিটলার<br />
-    বাস্তবতা হচ্ছে এই বই এখনো জার্মানীতে নিষিদ্ধ।<br />
-    সব খানে এই বই নিয়ে একটি ভয় রয়েছে, তা হল এই বই নব্য নাজীবাদকে উৎসাহিত করতে পারে।<br />
অন্যদিকে এই বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশনী সংস্থার যুক্তি হচ্ছে, “এটা একটা বিখ্যাত বই, কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষ তা পড়েছে”। আমরা মনে করি এই মাঙ্গা পুস্তক মানুষকে হিটলার এবং তার চিন্তাভাবনা কেমন ছিল তার সম্বন্ধে একটা ধারণা দেবে। এই ব্যক্তিটি ইতিহাসে একটা বেদনাদায়ক ঘটনার জন্ম দিয়েছে, যদিও বর্তমানে সে এক দানব হিসেবে পরিচিত।</div>
<div id="attachment_7596" class="wp-caption aligncenter" style="width: 530px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/MeinKampf1.jpg" alt="মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   " title="MeinKampf1" width="520" height="350" class="size-full wp-image-7596" /><p class="wp-caption-text">মাঙ্গা 我が闘争 (মাইন কাম্ফ)-এর ভেতরের পাতার দুটি দৃশ্য   </p></div> 
<p>এই মাঙ্গা পুস্তকের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে অনেক ব্লগার একটি বিশেষ প্রবন্ধের হুবহু অনুকরণ করেছে (কপি- পেস্ট)। এই প্রবন্ধটি দৈনিক আশাহি শিম্বুন পত্রিকায় ২০ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হযেছে এবং এই প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “<em>&#8216;মাইন কাম্ফ&#39;-এর মাঙ্গা সংস্করণ হিট হয়েছে”, বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার ধরণ ছিল, একে জটিল এক বই থেকে &#8216;ঐতিহাসিক ঘটনার সূত্র&#39; বলে অভিহিত করা” (<a href="http://www.asahi.com/national/update/0902/TKY200909020105.html"></em>売れる「わが闘争」漫画版　苦言も「歴史資料」の声も [জাপানী ভাষায়] </a>)। সেই একই প্রবন্ধ একই পত্রিকায় কয়েকদিন পরে <a href="http://www.asahi.com/english/Herald-asahi/TKY200909300044.htm">ইংরেজীতে অনুবাদ</a> করা হয়েছে। তাতে এই বইটির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে তার কারণ বর্ণনা করে সেখানে বলা হয়েছে: “জার্মানীর ব্যাভারিয়া রাজ্যের অর্থমন্ত্রণালয় এই বইটির স্বত্বাধিকারী। তারা এই বইটি পুনরায় প্রকাশ করার অধিকার প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ যারা নাজীদের নিষ্ঠুরতার শিকার তাদের মনে বিষয়টি আঘাত হানতে পারে।  </p>
<p>তবে সাংবাদিক ইয়োশি কিসা (木佐芳男), যিনি  দৈনিক ইয়ামুরি শিম্বুন পত্রিকার জার্মান সংবাদদাতা এবং তিনি <em>যুদ্ধের (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ) প্রশ্নে দায়ী কারা- জার্মানীর অতীত কর্মকাণ্ডকে অপ্রকাশিত রাখা</em>” (<a href="http://www.amazon.co.jp/“戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去-中公新書-木佐-芳男/dp/4121015975/ref=sr_1_1?ie=UTF8&#038;s=books&#038;qid=1257497277&#038;sr=1-1">戦争責任”とは何か―清算されなかったドイツの過去</a>) জাতীয় প্রবন্ধের লেখক। তিনি বলছেন, আশাহি শিম্বুনের সাথে <a href="http://rab-timely-blog.cocolog-nifty.com/blog/2009/10/post-d63d.html">তিনি একমত নন</a>।</p>
<blockquote><p>だ が、発禁となっている本当の理由は、そんなきれいごとではない。出版すれば、ドイツをはじめヨーロッパ各国にいるネオナチ組織の聖典となって、政治的な大 問題となりかねないからだ。バイエルン州の州都ミュンヘンのキオスクに立ち寄れば、いくつかの極右新聞が売られていることに気づく。ドイツには、それぞれ 数千人の動員力を持つ極右・ネオナチ組織が複数ある。当局は、彼らを刺激しないように細心の注意を払っている。</p></blockquote>
<div class="translation">প্রকৃত যে কারণে তারা এই বইটি নিষিদ্ধ করেছে, তা তারা বিবেচনায় আনছে না। এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে, এই বইটি ইউরোপের প্রায় সকল দেশের নব্য নাজীবাদীদের জন্য এক “বাইবেল” হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ইউরোপের প্রায় সকল দেশে নব্য নাজীবাদী সংগঠন রয়েছে। জার্মানী দিয়েই শুরু করা যাক।</p>
<p>যদি আপনি ব্যাভেরিয়া রাজ্যের সংবাদপত্রের কিয়স্কগুলোর (সংবাদপপত্র বিক্রিয় করা যন্ত্র) দিকে তাকান, তা হলে আপনি সেখানে দেখতে পাবেন সেখানে উগ্র ডানপন্থীদের প্রকাশিত সংবাদপত্র বিক্রি হচ্ছে। জার্মানীতে বেশ কয়েকটি নব্য নাজীবাদী দল রয়েছে যারা হাজার খানেক উগ্র ডানপন্থীকে সংগঠিত করছে। কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক, তাদের যেন উত্তেজিত না করা হয় [&#8230;]। </p></div>
<p><em>কিসা</em>, জাপানে ডানপন্থীদের উপস্থিতি ও তাদের মাধ্যমে ঘটা প্রকৃত বিপদের পরিমাণ বিবেচনা করছেন। জার্মানী ও ইউরোপের অন্যসব দেশের সাথে যদি  তুলনা করা যায়, সেক্ষেত্রে জাপানে এটি এক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। এক্ই সাথে জাপানে বইটি প্রকাশের ব্যাপারে একই ধ্যান ধারণার প্রতিফলন ঘটায়। </p>
<blockquote><p>日本で今、漫画版の『わが闘争』がどんな意味を持つか、どれだけの影響力があるかはよくわからない。しかし、４０年近く前の訳者の意図と漫画版刊行の意図とはそうちがわないだろう。<br />
平野氏はこんな言葉も書いている。 「戦争経験なき世代こそ、この書を読むべきではないだろうか。この書をくもりなき目で読み、客観的に判断することが、この世代にとって必要であり、戦後の教育を受けたものなら、十分な判断力をもって読むことができるのではないか」</p></blockquote>
<div class="translation">আমি নিশ্চিত নই, মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশিত মাইন কাম্ফের কি ধরনের অর্থ ও প্রভাব জাপানে তৈরি হতে যাচ্ছে। তবে চল্লিশ বছর আগে যারা এই বইটি জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং এখন যারা বইটি মাঙ্গা সংস্করণে প্রকাশ করেছে, তাদের উভয়ের উদ্দেশ্য অভিন্ন ।</p>
<p>[অনুবাদক]হিরানো এই সমস্ত শব্দগুলো ব্যবহার করেছে:<br />
“যে প্রজন্ম যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লাভ করেনি, আসলে তাদের এই বই পাঠ করা উচিত। এই বইটি পাঠ করার সময় এই প্রজন্মের এক পরিষ্কার মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি থাকা উচিত।<br />
যারা যুদ্ধ পরবর্তী শিক্ষা লাভ করেছে, তারা এই বইটিকে সুন্দর দৃষ্টিতে বিচারের মাধ্যমে পাঠ করতে সক্ষম, অথবা আমি এমনটাই আশা করি”।</p></div>
<p>মাঙ্গায় হিটলারকে এমন এক মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যে জার্মানীর সকল সমস্যার জন্য ইহুদীদের দায়ী করত। এর ইহুদী বিদ্বেষী চিন্তাভাবনা প্রচণ্ড এবং মনে হচ্ছে তা পাঠ করার সময় সমানভাবে বেড়ে দাঁড়ায় এবং না চাইলেও এ রকম একটি ক্রুটিপূর্ণ চরিত্র যে কোন পাঠককে তার ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রভাবিত করতে পারে।   </p>
<p>যেমনটা <a href="http://yaplog.jp/forks5/archive/140">বেশ কিছু </a>ব্লগার দেখিয়েছেন, <em>মাইন কাম্ফ</em> নামক মাঙ্গাটি এই স্বৈরশাসকের চিন্তাভাবনার একটি ছোট্ট সংস্করণ এবং তা ইতিহাসকে এক ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে। এই বইয়ের সাথে ভিন্ন সূত্র দ্বারা লেখা রচনা সরবরাহ করা প্রয়োজন যেমনটা <em>দিটারনাল</em> <a href="http://d.hatena.ne.jp/theternal/20090906/1252246649">জানাচ্ছেন</a>, এটি ইস্ট প্রেস প্রকাশনার জন্য বেশ এক কৌতূহলজনক প্রকল্প হতে পারে, যা মাঙ্গাকে ভিন্ন এক ধারার সাহিত্যে পরিণত করতে পারে। </p>
<blockquote><p>何かの話題が関心 を呼び、より深い議論や理解に進むことはよいことだと思う。漫画では描き切れていないヒトラー本人の『わが闘争 』原作も読んだ方がよいし、他の関連本を読むのもよいだろう。読書はそのように進んでいくものだ。関連おススメ漫画としては、『マンガで鍛える読書力』で も紹介した水木しげるの『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4480024492?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4480024492">劇画ヒットラー</a> (ちくま文庫) 』もよいし、手塚治虫の『<a href="http://www.amazon.co.jp/gp/product/4061759728?ie=UTF8&#038;tag=motokatsuhiro-22&#038;linkCode=as2&#038;camp=247&#038;creative=7399&#038;creativeASIN=4061759728">アドルフに告ぐ</a> 』はかなりのおススメだ。</p></blockquote>
<div class="translation">আমি মনে করি কিছু বিষয়ের উপর কৌতূহল তৈরি হওয়া ভাল, কারণ তা গভীর কিছু বিতর্ক তৈরি করে অথবা কিছু মানসিক বোধ তৈরি করে। হিটলার লিখিত এই মাঙ্গায় মূল বইয়ের যে সমস্ত অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সব অংশ পড়াও ভাল। এবং এই বিষয় সম্পর্কে যে সমস্ত বই লেখা হয়েছে সে সমস্ত বই পড়াও উত্তম কাজ। এতে এক ভালো পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে। এই বিষয়ে সাথে সম্পর্কিত ছবির বই, যেমন <em>শিজিগেরু মিজুকি গেইকিকা হিটোরা </em> (হিটলারের জীবনী নিয়ে তৈরি করা ছবির বই) পাড়ার জন্য বলব। এছাড়াও <em>মাঙ্গা ডে কেইটারু ডকুসোরোইয়োকু</em> (মাঙ্গার মাধ্যমে পাঠ অনুশীলন) এবং অবশ্যই <em>তেজুকা ওসামুস আডারুফূ নি তাসুগু</em> (গল্পে হিটলার) পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7594/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ডেনমার্ক: দেশত্যাগ করার জন্য অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করা হবে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 11:25:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আইন]]></category>
		<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[ডেনমার্ক]]></category>
		<category><![CDATA[ড্যানিশ]]></category>
		<category><![CDATA[পশ্চিম ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7588</guid>
		<description><![CDATA[ডেনমার্কে বাস করা পাশ্চাত্যের নয় এমন দেশের অভিবাসীরা যদি সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০ ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার ) প্রদান করা হবে। ফেসবুকের এক দল, এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে এবং তারা ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করার অভিযানে নেমেছে। এই তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য, দেশটির অভিবাসী বিরোধী দলের নেত্রীকে এই পরিমাণ টাকা প্রদান করা, যাতে সে ডেনমার্ক ছেড়ে যায়।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/solana-larsen/">সোলানা লারসেন</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/11/denmark-immigrants-offered-money-to-leave-the-country/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>ডেনমার্কে বাস করা <a href="http://www.dailymail.co.uk/news/worldnews/article-1226698/Denmark-pay-immigrants-12-000-home-wont-assimilate.html?ITO=1490">পাশ্চাত্যের নয়, এমন দেশের অভিবাসীদের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে </a> যে যদি তারা সেদেশ ত্যাগ করে নিজ দেশে ফিরে যায়, তা হলে তাদের ১০০,০০০  ড্যানিশ ক্রোনার (২০,০০০ মার্কিন ডলার) প্রদান করা হবে। এটা অভিবাসী বিরোধী ড্যানিশ পিপলস পার্টির অনেকগুলো চমৎকার(!) চিন্তার মধ্যে একটি, যার উদ্দেশ্য বিদেশী নাগরিক-বিশেষ করে মুসলিমরা যেন এই দেশে এসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ না করে। <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Denmark">ইউরোপের এই ছোট্ট দেশে ৫৫ লক্ষ লোকের বাস </a>। </p>
<p>ডেনামর্কে যে দু&#39;টি রাজনৈতিক দল যৌথভাবে সরকার পরিচালনা করছে, তার এক অংশীদার ড্যানিশ পিপলস পার্টি যেটি চিন্তায় ডানপন্থী। এই দলটি অভিবাসীদের অর্থ প্রদান করবে যদি অভিবাসীরা এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। তারা ভাবছে এর ফলে ডেনমার্কের <a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem">সমাজ কল্যাণ খাতের টাকা বেঁচে যাবে এবং দেশটি ভবিষ্যৎে লম্বা সময়ের জন্য নানাবিধ সমস্যা থেকে বেঁচে যাবে </a>[ড্যানিশ  ভাষায়]। মন্দ অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নেবার কাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়, এই কথাগুলো বলেন দলটির অর্থনৈতিক বিষয়ক মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান থুয়ালসেন ঢাল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে তহবিল তৈরি করা হয়েছে, যারা অভিবাসীদের দেশ ত্যাগ করার জন্য উৎসাহিত করবে। তবে সরকার এখনো হিসেব কষে বের করতে সক্ষম হয় নি, কতজন লোক এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে।  </p>
<p>ডেনমার্কের মোট<a href="http://www.tv2east.dk/artikler/udlaendinge-faar-100000-kr-tage-hjem"> জনসংখ্যার শতকরা ১০ শতাংশ</a> লোক অভিবাসী বা অভিবাসী বংশদ্ভুত নাগরিক। এদের মধ্যে যেমন প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অভিবাসীও রয়েছে, তেমনি সারা বিশ্ব থেকে আসা নানা ধরনের অভিবাসীরাও রয়েছে। অনেক বছর দেশটির রাজনৈতিক ও প্রচার মাধ্যমের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম ও অপাশ্চাত্যের অভিবাসীদের ড্যানিশ সমাজের সাথে সংযুক্ত করা এবং উভয়ের সংস্কৃতির সংঘাত থেকে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় তা উপলব্ধি করা। ইউরোপের সকল দেশের মধ্যে ডেনমার্কের রাজনীতিবীদরা অভিবাসন সংক্রান্ত সবচেয়ে কঠিন আইন তৈরি করেছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় এ দেশে আসতে হলে অনেক বেশি নম্বর অর্জন করতে হয়।  </p>
<p><strong>দেশ ছেড়ে চলে যাবার জন্য কত টাকা প্রদান করা হবে?</strong><br />
<img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/facebook-page-screenshot-300x262.png" alt="facebook-page-screenshot-300x262" title="facebook-page-screenshot-300x262" width="300" height="262" class="alignright size-full wp-image-7589" />এই আইনের প্রতিউত্তরে, <a href="http://www.facebook.com/group.php?v=wall&#038;ref=search&#038;gid=191919317436">বিদ্রূপাত্মক একটি দল ফেসবুকে</a> [ডেনিশ ভাষায়] এর প্রতিবাদ করেছে। তারা ড্যানিশ পিপলস পার্টির প্রধান পিয়া কেয়াসাগার্ডকে প্রদান করার জন্য ১০০,০০০ ক্রোনার সংগ্রহ করছে, যাতে সে এ দেশ ছেড়ে চলে যায়। </p>
<p>এই দলে ১৬,০০০ সদস্য রয়েছে এবং এর ট্যাগলাইন বা মূল মনোভাব প্রকাশের স্থানে লেখা রয়েছে, প্রিয় বন্ধুরা ১০০,০০০ ক্রোনার যোগাড় হলেই এই নেত্রী দেশ ছেড়ে চলে যাবে। এই দলের সৃষ্টিকর্তারা দলে কিছু অতিরিক্ত টাকা সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মিনিস্ট্রি অফ ইন্টিগ্রেশন বিষয়ক মন্ত্রী ব্রিথ রন হর্নবেককে প্রদান করা হবে, যিনি সরকার পরিচালনা করা লিবারেল পার্টির সদস্যা। বাড়তি এই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্য, চাইলে তিনিও দেশ ত্যাগ করতে পারেন। </p>
<p>ফেসবুকের পাতায় এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একদল ব্যঙ্গক্তিপূর্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনা করছে, দেশ থেকে কাকে লাথি মেরে বের করে দেওয়া হবে, অথবা মন্ত্রীদ্বয়কে নিয়ে এর বাইরে আর কি করা যেতে পারে। অন্যদিকে আরেক দল এর প্রতি উত্তর দিচ্ছে এভাবে যে, ড্যানিশ সরকার ডেনমার্কে বাস করা অসুখী অভিবাসীদের যে ভদ্রোচিত প্রস্তাব দিয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো উচিত এবং তাদের এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। এই নিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তার সাথে একজন মন্তব্যকারী একমত নন এবং তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কয়েক বছর আগে এ রকম একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে সময় যে অর্থ প্রদান করার কথা বলা হয়েছিল তা এর চেয়ে দশগুণ কম ছিল। </p>
<p>ফেসবুকে <em>ডান করনালি ইয়োরগেনসেন</em> মন্তব্য করেছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Jeg har måske misforstået konceptet?<br />
Drejer det sig ikke om et lovforslag som giver ikke-integrerbare udlændige mulighed for at sige ja-tak, til en check på 100.000 kr. mod tilsagn om frivilligt at rejse hjem til deres oprindelsesland? Umidelbart virker det storsindet og absolut humanistisk, da vi må formode at 100.000… kr. er en anseelig formue i det pågældende land, og nok til at starte en anstændig tilværelse i det land som de tilsyneladende har så stærk tilknytning til…</p></blockquote>
<div class="translation">আমি কি বিষয়টি উপলব্ধি করতে ভুল করছি?<br />
এটা কি সেই আইন যা, এ দেশের সমাজের সাথে মিশতে অক্ষম বিদেশীকে স্বেচ্ছায় তার নিজের দেশে ফিরে যাবার ক্ষেত্রে হ্যাঁ বলার শর্তে  ১০০,০০০ ক্রোনার প্রদান করার কথা বলে, যাতে যে দেশের সাথে অভিবাসীর নাড়ীর বন্ধন সেই দেশে স্বেচ্ছায় ফিরে যায়? এটা মনে হচ্ছে মহানুভব ও মানবিক কাজ, যখন আমরা হিসেব করি ১০০,০০০ ক্রোনারের কথা। এই পরিমাণ টাকা পাওয়া অভিবাসী নাগরিকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সৌভাগ্যের এবং যে দেশের সাথে তার বন্ধন জড়িয়ে রয়েছে সেখানে এই পরিমাণ অর্থ পরিমাণে অনেক&#8230;&#8230;</div>
<p><strong>দু মাসের বেশী সময় ধরে দেশের বাইরে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে অবসরভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা কর্তৃপক্ষকে সে সম্বন্ধে তথ্য জানাবে:</strong></p>
<p>ড্যানিশ পিপলস পার্টি এ মাসে অরেকটি আইন তৈরির উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এই আইনে ডেনমার্কের একজন <a href="http://www.berlingske.dk/politik/meldepligt-til-alle-pensionister">অবসরভাতা প্রাপ্ত ও সময়ের পূর্বে অবসর নেওয়া ব্যক্তি </a>দুই মাসের বেশি সময় ডেনমার্ক ছেড়ে কোথাও যাবার পরিকল্পনা করলে তাকে অবশ্যই বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে [ড্যানিশ ভাষায়]। দৃশ্যত:, এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, যারা ডেনমার্কের অবসরভাতা গ্রহণ করে এবং একই সময়ে অন্য দেশে টাকা আয় করতে যায়, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের আটকানো। বলা যেতে পারে, ডেনমার্কে বাস করা ইরাকীদের এ ধরনের কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আইন। এর সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ সামিয়া আজিজ মোহাম্মদ। তিনি একজন ইরাকী-ড্যানিশ রাজনীতিবীদ। দেখা গেছে যে সময়ে তিনি ডেনমার্ক থেকে অবসরভাতা গ্রহণ করছেন, একই সময়ে তিনি ইরাকী সরকারে সংসদ সদস্যা হিসেবে বেশ ভালো বেতন নিচ্ছেন। এ ঘটনা জানাজানি হবার পর সামিয়া অবশ্য ড্যানিশ সরকারকে তার অবসরভাতা <a href="http://politiken.dk/indland/article812531.ece"> ফেরত দিয়েছেন</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। ডেনমার্কের সংবাদপত্র আবিষ্কার করেছে যে এ রকম আরেকজন <a href="http://politiken.dk/indland/article761845.ece">অবসরভাতা প্রাপ্ত </a> ব্যক্তি কুর্দী সংসদ থেকে বেশ ভালো টাকা বেতন পান। </p>
<p>ডেনমার্কের সংসদের দু&#39;টি দল লিবারেল ও ড্যানিশ পিপলস পার্টি উভয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেছে যে, নতুন নিয়মে ভ্রমণের ব্যাপারে যে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, তাতে ভুয়া উদ্বাস্তুদের ছুটির সময়ে ভ্রমণ করা বন্ধ হয়ে যাবে। এই সমস্ত উদ্বাস্তুরা ছুটির সময় নিজের দেশে বেড়াতে যায় এবং একই সাথে তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হতে যায় । তারা স্বদেশী পরিবারের সদস্যদের সাথে মিলিত হবার জন্য ডেনমার্কের বাইরে অনেক লম্বা সময় কাটায়। </p>
<p>ঘটনা হচ্ছে ডেনমার্কের সকল অবসরভাতা ভোগীদের উইল বা দলিল এতে সন্দেহের তালিকায় চলে আসবে, যা ডেনমার্কের বয়স্কব্যক্তিদের জন্য তৈরি করা সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান ডেনএজের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তারা এ কারণে তাদের <a href="http://www.kristeligt-dagblad.dk/artikel/345067:Danmark--Pensionister-raser-over-ny-meldepligt">রাগ প্রকাশ করেছে </a>[ড্যানিশ ভাষায়]। অনেকে <a href="http://debat.bt.dk/index.php?id=1&#038;view=single_thread&#038;cat_uid=3&#038;conf_uid=65&#038;thread_uid=23198&#038;page=1">সংবাদপত্রের নিবন্ধে মন্তব্য করেছে</a> [ড্যানিশ ভাষায়]। মন্তব্যে অনেকে সরকারের প্রতারণা বন্ধ করার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন, অনেকে আবার অতীতে পূর্ব জার্মানীর আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সাথে ডেনমার্কের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির তুলনা করেছেন।</p>
<p><a href="http://sitestory.dk/wordpress/2009/11/08/pensionisters-meldepligt-er-chikane-og-tom-signalpolitik/"><em>ডিট্টে অগ হিন্ট</em> ব্লগে এরিক বেন্টজেন</a> নামের এক ব্লগার নামক বলছেন [ড্যানিশ ভাষায়]:</p>
<blockquote><p>Enhver kan sige sig selv, at meldepligten ikke dæmmer op for noget som helst, da den ikke indebærer nogen form for effektiv kontrol.<br />
Det er ren chikane og tom signalpolitik, som øger kommunernes administrative arbejde til ingen verdens nytte.<br />
Reglen er så amøbeintelligent, at den forhåbentlig giver bagslag, næste gang pensionisterne skal til stemmeurnerne.</p></blockquote>
<div class="translation">যে কেউ  উপলব্ধি করতে পারে যে, নতুন নিয়ম কোন ধরনের প্রতারণাকে ঠেকাতে সক্ষম হবে না, কারণ এটি কোন কার্যকর নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত নয়। </p>
<p>এই আইন পরিষ্কারভাবে এক হয়রানি মূলক আইন এবং প্রতীকী এক শূন্যগর্ভ রাজনীতি, যা স্থানীয় সরকারের কর্মচারীদের কোন প্রয়োজন ছাড়াই কাজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবে। </p>
<p>এই নীতি এতটাই প্রাচীন এক বুদ্ধিমত্তার বহি:প্রকাশ যে, আশা করা যায় পরবর্তী সময়ে অবসর ভোগীরা তাদের বিপক্ষে ভোট প্রদান করবে।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7588/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্যারাগুয়ে: আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর কীটনাশক ছিটানো হয়েছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 22 Nov 2009 05:33:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আদিবাসী]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[প্যারাগুয়ে]]></category>
		<category><![CDATA[মানবাধিকার]]></category>
		<category><![CDATA[স্প্যানিশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7620</guid>
		<description><![CDATA[প্যারাগুয়ের পূর্বাংশে ২১৭ জন আভা গুয়ারানি আদিবাসীর বিশেষ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, আকাশ থেকে কীটনাশক ছিটানো পরই তাদের শরীরে এইসব লক্ষণ দেখা দেয়। কীটনাশক ছিটানোর সময় এসব আদিবাসীরা তাদের এলাকা ছেড়ে যেতে অস্বীকার করেছিল।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/paraguay-indigenous-group-sprayed-aerially-with-pesticides/">এডুয়ার্ডো আভিলা</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/paraguay-indigenous-group-sprayed-aerially-with-pesticides/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>সম্প্রতি পূর্ব প্যারাগুয়ের ২১৭ জন আভা গুয়ারানি আদিবাসীর এক বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। এইসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে বমি বমি ভাব ও মাথা ধরা। ধারণা করা হচ্ছে যে, উক্ত ব্যক্তিদের উপর এক ধরনের কীটনাশক এই সমস্ত রোগের কারণ। ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান থেকে এই এলাকার উপর কীটনাশক ছিটানোর কারণে এই ব্যক্তিদের মাঝে এ সব রোগের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। বিমান থেকে কীটনাশক ছিটানোর সময় তারা এই এলাকা থেকে সরে যেতে অস্বীকার করে। </p>
<p>সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা নিশ্চিত করেছে যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জমি<a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Alto_Paraná_Department"> আল্টো পারানার প্রদেশের</a> ইটাকাইরাই জেলায় অবস্থিত। সেখানকার জমির উপর কীটনাশক ছিটানো হয়েছে। এখন <a href="http://www.ultimahora.com/notas/272060-Ministra-confirma-que-fumigaron-tierras-sin-cultivo-en-Itakyry">সেখানে কোন শস্য চাষ হচ্ছে না [স্প্যানিশ ভাষায়] </a> । কীটনাশক ছিটানোর বিভিন্ন চিহ্ন দেখে মনে হচ্ছে ব্রাজিলের সয়া উৎপাদনকারীরা এই ভাবে কীটনাশক ছিটানোর জন্য আংশিক দায়ী। কীটনাশক ছিটানোর কারণ, আদিবাসীদের এই সমস্ত জমি সয়া চাষের উপযোগী এবং <a href="http://interparaguay.blogspot.com/2009/11/ministros-comprobaron-la-fumigacion.html">৩,০০০ হেক্টর ক্রটিপূর্ণ জমির মালিকানা নিয়ে আভা গুয়ারানির সাথে বিবাদ চলছে [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। এই তথ্য জানাচ্ছে ব্লগ <em>ইন্টারপ্যারাগুয়ে [স্প্যানিশ ভাষায়]</em>।     </p>
<p><em>বিয়েনভিওনডস! স্প্যানিশ ভাষায়]</em> ব্লগের <em>জোসে এঞ্জেল লোপেজ ব্যারিওস</em> <a href="http://lopezbarrios.blogspot.com/2009/11/matte-larangeira-la-industrial.html">বিচ্ছিন্নভাবে বাস করা এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের কথা বর্ণনা করছেন, যাদের মাঝে এই ঘটনা ঘটেছে</a>: </p>
<blockquote><p>Itakyry es uno de los distritos del Departamento de Alto Paraná, distante a unos 450 kilómetros de Asunción, capital de la Republica, se llega a el por caminos no pavimentados, su época de esplendor se dio en la época de las explotaciones yerbateras. Que termino al cabo de 100 años abriendo paso a la explotación de la soja en estos últimos tiempos……</p></blockquote>
<div class="translation">আল্টো পারানা প্রদেশের অন্যতম এক জেলা ইটাকাইরাই। এলাকাটি প্যারাগুয়ের রাজধানী আসানসিওন থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। এখানকার মাটির রাস্তা ধরে ইরবা মাটে (এই গাছের পাতা থেকে চা জাতীয় পানীয় তৈরি হয়) নামক চাষ শুরু হবার পর প্রায় ১০০ বছর ধরে তা বাণিজ্যিক ভাবে চলেছে, এখন সয়া চাষের জন্য ইরবা মাটে জায়গা ছেড়ে দিয়েছে&#8230;।</div>
<p>বর্তমানে সয়াবীনের চাহিদা বেশি এবং তার দাম ক্রমশ বাড়ছে। ফলে সয়াবীন চাষের উপযুক্ত জমির দামও বেড়ে গেছে। এই সমস্ত জমির কিছু অংশ পড়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের এলাকায়, যেমন গুয়ারানি সম্প্রদায়। রেসকাটারের ব্লগার কালোর্স রড্রিগুয়েজ [স্পানিশ ভাষায়] মনে করেন যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর কীটনাশক ছিটানো কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এবং এই ধরনের কাজকে তিনি “গণহত্যার” সামিল বলে অভিহিত করেন: </p>
<blockquote><p>Hubo un tiempo en que en Paraguay los aborígenes no eran considerados seres humanos. Eran cazados como animales y sus crías rescatadas como trofeos.</p>
<p>(…)</p>
<p>Otros fueron apropiándose a bala y sangre de sus tierras y como los indígenas no hacían gestiones ante las instituciones encargadas de titular las tierras que siempre les pertenecieron, el hombre blanco si lo hizo y se plantea el contrasentido de que los legítimos dueños de estas tierras, hoy son “los invasores”.</p>
<p>Y siguen siendo tratados como animales. Sólo así se puede entender que los productores de soja les envíen aviones fumigadores para lanzarles venenos encima, tal como lo ha comprobado el Ministerio de Salud que socorre en estos momentos a los indígenas intoxicados por plaguicidas para soja.</p></blockquote>
<div class="translation">এমন এক সময় ছিল যখন প্যারাগুয়েতে আদিবাসীদের মানুষ বলে গণ্য করা হত না। সে সময় আদিবাসীদের পশুর মত মারা হয়েছে এবং তাদের সন্তানদের এমন ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে যেভাবে মানুষ ট্রফি বা বিজয় স্মারক সংগ্রহ করে।</p>
<p>(…)</p>
<p>আদিবাসীদের অনেক জমি বুলেট আর রক্তে স্নাত হয়েছে। যেহেতু আদিবাসীরা সরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের এই সমস্ত জমির উপর দাবি করতে পারে না, যে এইসব জমি সব সময় তাদের পূর্বপুরুষদের দখলে ছিল, সেহেতু সাদা মানুষের সরকারি প্রতিষ্ঠানে যায়। এটা এক পরিহাস যে, যারা এই জমির প্রকৃত দাবিদার, তারাই আজ জমির দখলদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>তারা (ইউরোপ থেকে আগত অভিবাসী) সব সময় এই সব আদিবাসীদের মানুষের সাথে পশুর মত আচরণ করছে। সয়া চাষীদের বিমান থেকে এই সব মানুষদের উপর বিষাক্ত কীটনাশক ছিটানোর মধ্যে দিয়েই একজন বুঝতে পারে তাদের মনোভাব কেমন। এই ঘটনা দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।</p></div>
<p>লোপেজ বারিওস, <a href="http://lopezbarrios.blogspot.com/2009/11/matte-larangeira-la-industrial.html">প্যারাগুয়ের আদিবাসীদের সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন সময় যে জঘন্য আচরণ করা হয়েছে তাতে ইউরোপ থেকে অভিবাসীর সন্তান হিসেবে লজ্জিত [স্প্যানিশ ভাষায়]</a>। তিনি এই ঘটনা সম্বন্ধে লিখেছেন “ বিষয়টি তাকে ইউরোপে ফিরে যাবার অনুভূতি তৈরি করছে&#8230; কিন্তু তার বদলে তিনি মনে করেন শোষকদের এই দেশ ছেড়ে যাওয়া উচিত”। </p>
<blockquote><p>Ensañarse con un pueblo indígena que tiene más de 38 siglos de existencia en sus propios y verdaderos territorios, no me parece apropiado…. Si no respetamos a nuestros mayores nuestros días se acortaran sobre la tierra y si anteponemos la avaricia a cualquier otra virtud caeremos sin remedio…..</p></blockquote>
<div class="translation">একটি আদিবাসী সম্প্রদায় যারা ৩৮০০ বছরেরর বেশি সময় ধরে নিজস্ব জমি ও এলাকায় বাস করছে, সেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো আমার কাছে যথাযথ বলে মনে হয়নি&#8230; যদি আমরা আমাদের বড়দের শ্রদ্ধা না করি তা হলে পৃথিবীতে আমাদের টিকে থাকার সময় স্বল্প হয়ে আসবে। যদি লোভ, মুল্যবোধের স্থান দখল করে, তা হলে আমরা অসহায়ের মত পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাব।</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/22/7620/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ভারত: কৃষাণীরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়ছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:45:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ভারত]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্গ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7585</guid>
		<description><![CDATA[ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে থাকা সত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে তারা সেগুলোর নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/belen-bogado/">বেলেন বোগাডো</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/10/india-women-farmers-stand-against-climate-change/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><strong>ভারতীয় একদল নারী দেখিয়েছে যে লিঙ্গীয় বৈষম্য ও অর্থনৈতিক শ্রেণীতে নিচের দিকে অবস্থান করা সত্ত্বেও তারা জলবায়ু পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে এবং যে সমস্ত উপাদান পরিবেশ দূষণ করে, তারা সেগুলো নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারে।</strong></p>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে ভারতে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যে জনগোষ্ঠী রয়েছে- সেই বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক ও ভারতীয় নারীরা এর ফলে সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। যেমন, <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/human-impact/change-in-climate-results-to-prolonged-droughts-in-anantpur/">কৃষকদের উপর খরার মারাত্মক প্রভাব</a> এবং শিশু ও নারীদের উপর তার যে সরাসরি প্রভাব পড়ছে <a href="http://oxfamindia.wordpress.com/latest-from-the-blog/">অক্সফাম ইন্ডিয়া ব্লগ</a> সে সম্বন্ধে মন্তব্য করছে। </p>
<blockquote><p>গত ১২ বছর ধরে, ভারতে বছরে গড়ে প্রায় ৫০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যাকারীদের দশভাগের এক ভাগই কৃষাণী। (&#8230;) প্রতি বছর দেশটির বিপুল সংখ্যক কৃষক খাবারের সন্ধানে শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। এবং পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যখন শহরগুলোতে বিপুল পরিমাণে নারী ও শিশু পাচার শুরু হয়।</p></blockquote>
<p><strong>পরিবেশ পরিবর্তনের ফলে যে ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে লিঙ্গ একটি বিষয়</strong>:</p>
<p><a href="http://www.thp.org/system/files/Factsheet+on+Women+Farmers+and+Food+Security.pdf">সারা বিশ্বে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়, তার শতকরা ৫০ শতাংশ নারীরা উৎপাদন করে</a>। <a href="http://womensearthalliance.blogspot.com/">ভারতে শতকরা ৮৪ শতাংশ নারী কৃষিকাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত</a> এবং পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, নারীরা তার সবচেয়ে বড় শিকার। এছাড়া লিঙ্গীয় বৈষম্য, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে নারীদের খানিকটা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ব্লগার প্রিসিল্লা স্টাকি একজন পিএইচডিধারী গবেষক। তিনি তার ব্লগ <em>দিস লাইভলি আর্থে</em> নির্দেশ করেন, <a href="http://thislivelyearth.com/2009/10/15/women-farmin-and-climate-change/">পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে</a>: </p>
<blockquote><p>নারীর প্রতি বৈষম্য, পরিবেশ পরিবর্তনে মেয়েদের অভিজ্ঞতা অর্জনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ভারতের নারীরা বের করেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের শস্য উৎপাদনের পরিমাণ কমে অর্ধেক হয়ে এসেছে এবং একই কারণে শস্যের গুণগত মান হারিয়ে যাচ্ছে। শস্যের মান খারাপ হয়ে আসা ও নারীদের প্রতি  বৈষম্যের কারণে মেয়েদের স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।</p></blockquote>
<p>কৃষাণী সিতা দেবী এই এ রকম এক ঘটনার উদাহরণ। তার ভাষ্য মতে, “যখন চাষের সময় বৃষ্টি হয় না, তখন মেয়েদের জমিতে শস্য জন্মানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। সে সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির জোগান ঘটে না, কারণ পরিবারে মেয়েরা সবার শেষে খাবার খেতে বসে। এর ফলে মেয়েদের অনেকেই রক্তশূন্যতায় ভুগছে”। তিনি ব্লগ <em>ফাইন্ড ইয়োর ফিটে</em> পোস্ট করা এই <a href="http://findyourfeet.wordpress.com/2009/10/15/voices-of-rural-women-on-climate-change/">ভিডিওতে</a> এ কথাগুলো বলেন। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/rfO6Z3JoZ44&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=es&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p><strong>মেয়েরা যখন লড়াই করা শুরু করে</strong>:</p>
<p>ভারতীয় নারীরা কেবল পরিবেশ পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ধ্বংস হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করছে না, তারা এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শুরু করে দিয়েছে। যা ভিডিওর দ্বিতীয় অংশটি দেখা যাচ্ছে। নারীরা বেশ কিছু উদ্ভাবক কৌশল আবিষ্কার করেছে, যাতে তারা বিশ্বের উষ্ণতা বাড়া দুর করতে পারে এবং নিজেদের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হয়। </p>
<p>ইন্টার প্রেস সার্ভিসের এই প্রবন্ধটি সে সমস্ত তথ্য জানাচ্ছে:</p>
<blockquote><p><a href="http://www.envirovaluation.org/index.php/2009/11/02/greenhouse-gas-mitigation-issues-for-indian-agriculture">ভারতে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের</a> ক্ষেত্রে কৃষি শতকরা ২০ শতাংশ পরিমাণ দায়ী। ধান ক্ষেত ও গবাদি পশুর মল থেকে তৈরি হওয়া মিথেন গ্যাস এবং সার থেকে তৈরি হওয়া নাইট্রাস অক্সাইড মূলত: পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। জাতিসংঘের আন্ত:সরকার নিয়োজিত পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির (আইপিসিসি) ২০০৭ সালে প্রণীত এক তথ্যে এ কথা জানা গেছে। বর্তমানে ভারতে বৃষ্টিপাতের মৌসুমে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত আগের চেয়ে কম ঘটে, যা চাষের ক্ষেত্রে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।</p></blockquote>
<p>পরিবেশ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নারীরা যে সক্রিয় ভাবে লড়ছে, <a href="http://www.ipsnews.org/news.asp?idnews=46131">তার অন্য এক উদাহরণ হল বিদাকান্নে গ্রামের নারীরা</a>। সেখানে মেয়েরা শস্য যেমন  তিসি, ছোলা এবং মটরশুঁটি, গম এবং অন্য শিম জাতীয় শস্য উৎপন্ন করছে। সূর্যমুখী চাষের মাঝামাঝি সময়ে তারা এসব চাষ করছে এবং কোন বাড়তি পানি ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা ছাড়াই তারা চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যেমন তারা চাষের জন্য জমিতে কোন রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করছে না। </p>
<p>এই ধরনের চাষ পদ্ধতি দলিত রমণী অথবা স্বামী পরিত্যক্তা নারীদের জন্য খুবই সহায়ক। দলিতরা ভারতীয় বর্ণপ্রথায় সবচেয়ে নীচু শ্রেণীতে অবস্থান করে। একই পদ্ধতিতে মেডাক জেলার প্রায় ৭৫টি গ্রামের নারীরা এক হয়ে শস্য বিক্রি করছে। একই সাথে তারা গরিব পরিবারগুলোর জন্য উদ্বৃত্ত খাবার জোগাড় করছে। এর বাইরে তারা পরিবেশ দূষিত করে এমন উপাদান এবং ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার করার পরিমাণ কমিয়ে আনছে।  </p>
<p>এইসব কাজে মেয়েদের নেতৃত্ব প্রদান ও তাদের এই প্রচেষ্টা অনলাইনের সম্প্রদায়ের নজর এড়ায়নি। <em>শিব প্রসাদ ভট্টাচার্য </em><a href="http://www.indiatogether.org/2009/mar/agr-ddsfood.htm"><em>ইনডিয়া টুগেদার</em></a>-এ মন্তব্য করেছে: </p>
<blockquote><p>আপনার প্রবন্ধের জন্য ধন্যবাদ, সেখানে আপনি নারীদের কাজগুলো তুলে ধরেছেন। তারা যে পরিবেশ পরিবর্তন রোধে সারা পৃথিবীর জন্য এক আদর্শ (&#8230;) তা উপস্থাপন করেছেন। খাদ্যশস্য মানুষের মৌলিক এক অধিকার, তা কর্পোরেট বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়। খাদ্যশস্য মানুষের জাতীয় পণ্য, ধরিত্রীমাতা খাদ্যশস্যকে লাভের টাকা বের করার বিষয় মনে করে না। খাদ্যশস্যের উপর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লাভের হিসেব, পৃথিবীকে আরো বেশি খাদ্য সংকটের দিকে ঠেলে দেবে। আপনার মাধ্যমে আমি সেই সমস্ত নারীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি, যাদের কাজ পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং কৃষক পরিবারের উপর কোন খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করছে না। তারা প্রমাণ করেছে যে এ ভাবেও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন লাভজনক ও টেকসই করা যায় এবং এ ভাবে চাষের মধ্য দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো সম্ভব।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7585/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শ্রীলন্কা: সেনানায়কের পদত্যাগ</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 04:21:51 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[TYPE]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[তাজা খবর]]></category>
		<category><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[শ্রীলন্কা]]></category>
		<category><![CDATA[সরকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7580</guid>
		<description><![CDATA[শ্রীলন্কার প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল শরথ ফনসেকা আজ তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং এ ধারণা করা হচ্ছে যে নতুন গঠিত বিরোধী জোটের হয়ে তিনি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়বেন। শ্রীলন্কার ব্লগাররা এই পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছেন।   ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/rezwan/">রেজওয়ান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/sri-lanka-the-general-resigns/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br />]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7580/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>যুক্তরাষ্ট্র: ফোর্ট হুডে গণহত্যা সেদেশের সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের উপস্থিতির উপর মনোযোগ প্রদান করেছে</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 21 Nov 2009 03:59:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আফঘানিস্তান]]></category>
		<category><![CDATA[আমেরিকা মহাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ইরাক]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[গোত্র]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্ম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বর্ণবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্য এশিয়া-ককেশাস]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7576</guid>
		<description><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।     
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/bhumika-ghimire/">ভুমিকা ঘিমিরে</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/usa-fort-hood-massacre-puts-spotlight-on-muslims-in-army/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুডে দেশটির সামরিক বাহিনীর মেজর নিদাল মালিক হাসানের <a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Fort_Hood">উন্মত্তের মত গুলিবর্ষণের</a> ঘটনায় ১৩ জন মারা যায় এবং ৩১ জন আহত হয়। এই ঘটনাটি আমেরিকার মুসলমানদের আরো একবার মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে- বিশেষ করে যে সমস্ত মুসলমান সামরিক বাহিনীতে কাজ করে।   </p>
<p>সন্দেহজনক ঘাতক হিসেবে মেজর হাসানকে চিহ্নিত করার মুহূর্ত থেকেই সংবাদকর্মী ও মন্তব্যকারীদের হাসানের ধর্ম ও জাতিগত পরিচয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পরিষ্কার এক অস্বস্তি দেখা যায়।  এই ঘটনার পর সারা দেশ থেকে খবর আসছে যে সামরিক বাহিনীর মুসলমান কর্মীরা অনেক সময় তাদের সহকর্মীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে।  </p>
<p>টলেডো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত আইনের অধ্যাপক <em>হাওয়ার্ড এম. ফ্রিডম্যান</em> তার ব্লগ <a href="http://religionclause.blogspot.com/2009/11/muslim-soldiers-in-us-military-face.html"><em>রিলিজিয়াসক্লজে</em></a> বলেন: </p>
<blockquote><p>সরকার এখন সক্রিয় ভাবে সামরিক বাহিনীতে কিছু মুসলমানদেরকে নিয়োগ দিচ্ছে। কারণ এই সমস্ত মুসলমানরা ভাষাগত ভাবে দক্ষ ও তারা নিজ সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করে। বিষয়টি ইরাক ও আফঘানিস্তানের যুদ্ধের জন্য খুবই প্রয়োজন। তবে মুসলমানরা কর্মস্থলে অনেক সহকর্মীদের সন্দেহের শিকার হয়।</p></blockquote>
<p>এখন প্রশ্ন হচ্ছে সন্দেহজনক এই মুসলমান কর্মী কি গুলি করার আগে উত্তেজিত ছিল, কেউ হয়ত শঙ্কিত বোধ করতে পারে যে ফোর্ট হুড এর গণহত্যায় তারাও মারা যেতে পারত। প্রশ্ন তোলা যেতে পারে মেজর হাসান কি একজন সন্ত্রাসী, যে তার ধর্মীয় আদর্শের কারণে এই কাণ্ডটি করেছে নাকি সে কেবল মানসিকভাবে এক অসুস্থ ব্যক্তি।</p>
<p>ভ্যাঙ্কুভারের বিনামূল্যে বিতরণকৃত সাপ্তাহিক পত্রিকা <a href="http://www.straight.com/article-269513/gwynne-dyer-us-media-overlook-obvious-explanation-maj-nidals-mass-murder"><em>স্ট্রেইট.কমে</em></a> কানাডার এক লেখক <em>গুয়ান্নে ডায়ার</em> যুক্তি প্রদান করেছেন যে, খুনী ব্যক্তিটির ধর্ম পরিচয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে:  </p>
<blockquote><p>“ঘটনার কয়েকদিন পর পর্যন্ত এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রচার মাধ্যম দ্বিধান্বিত ছিল যে জাতিগত/বর্ণগত/ ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সে নানা ধরনের গালাগালির শিকার হয়েছে। এই সব বিষয় নিদালকে উন্মাদ করে তোলে। এগুলো কিছু খারাপ লোকের এমন কিছু কাজ, যা সাধারণ আমেরিকানদের চরিত্রের সাথে খাপ খায় না-সেসব কাজ এই বেদনাদায়ক ঘটনার জন্য দায়ী, এবং এভাবে এর শেষ হল।      </p>
<p>এর একটি ব্যাখ্যা হল যে মুসলমান দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার যুদ্ধ ঘোষণা স্বদেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) মুসলমানদের আরো বেশি ধর্মীয় মনোভাবাপন্ন করে তোলে। কিছু মনে করার নেই, যখন স্বদেশী (ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা) মুসলিম সন্ত্রাসীরা ২০০৫ সালে লন্ডনের পরিবহন ব্যবস্থার উপর হামলা চালায়, এবং অন্য সব পশ্চিমা দেশের হামলার পরিকল্পনাকারী মুসলমানরা পরিকল্পনা সফল হবার আগে যখন ধরা পড়ে তাদের প্রায় সকলেই অভিযোগ করে, পশ্চিমা দেশগুলোর মুসলিম দেশে অভিযান চালানোর কারণেই তারা এ রকম গোঁড়া মুসলমানে পরিণত হয়েছে।</p></blockquote>
<p>অভিবাসন বিষয়ে এবং রাজনীতিতে রক্ষণশীল অবস্থান গ্রহণের জন্য ফক্স নিউজ নামক সংস্থাটির প্রায়শ: সমালোচনা করা হয়। তারা মাঝে মাঝে সামরিক বাহিনী থেকে <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">মুসলমানদের ছেঁকে ফেলার</a> জন্য আহ্বান জানায়। <a href="http://www.veteranstoday.com/modules.php?name=News&#038;file=article&#038;sid=9280"><em>ভেটেরানস টুডে</em></a> ওয়েবসাইটে যুক্তরাষ্ট্রের একজন অবসরপ্রাপ্ত উপকূল রক্ষা কর্মকর্তা টম বার্নেস বলেন, সংবাদ সংস্থাগুলো একই ধাঁচের সংবাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, আর সেটা হল “আমরা বনাম তারা” বিষয়ক এক উত্তেজনার সৃষ্টি করা:   </p>
<blockquote><p>“&#8230; সংবাদ সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে মোটেও সহযোগীতামূলক আচরণ করছে না, বলা যায় শীঘ্রই ফক্স চ্যানেলের শুরুর এক প্রশ্ন, &#8220;তাদের&#8221; বিরুদ্ধে আরেকটি ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের রূপ নেবে। বিষয়টি কেবল পরিণত হচ্ছে না, এটা বিপজ্জনক এক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এর কাহিনীটি <a href="http://www.salon.com/news/politics/war_room/2009/11/06/fox_friends/index.html">এখানে</a> দেওয়া হল।  </p>
<p>যেমনটা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি, এই ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ঘটছে। ফক্স নিউজের এই কথা শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি যে, আমাদের শত্রু কারা। সকল সময় সেই একই কথা শুনছি। একটানা এইসব কথা শুনে যাচ্ছি। আমার ধারণা ছিল না, দেশের বাইরে অজস্র “তারা” মানে আমাদের শত্রু রয়েছে!</p></blockquote>
<p><a href="http://news.google.com/news/url?sa=t&#038;ct2=us%2F0_0_s_0_0_t&#038;usg=AFQjCNFUhLnrNP-D9fmObNIMr6pSA-X1sg&#038;cid=1465293836&#038;ei=oXL4Spi5FIqGmQfJnPI9&#038;rt=SEARCH&#038;vm=STANDARD&#038;url=http%3A%2F%2Fwww.csmonitor.com%2F2009%2F1108%2Fp02s08-usmi.html">বেশ কিছু সংবাদপত্র</a> এখন দেখছে যে মেজর হাসানের কাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে কর্মরত মুসলমানদের উপর কি ধরনের প্রভাব তৈরি করে এবং একই বিষয়টি ফোর্ট হুডের আশেপাশের বাসিন্দাদের উপর কি রকম প্রভাব ফেলে।  </p>
<p>ফোর্ট হুডের মুসলিমরা এই ঘটনাটিকে কি ভাবে দেখে তার উপর <a href="http://www.youtube.com/watch?v=N8Azg9TxYkM"><em>ইউরোআমেরিকাননিউজের</em></a> করা এক ভিডিও সংবাদ ইউটিউবে রাখা হয়েছে। </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/N8Azg9TxYkM&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>এই গণহত্যার তদন্ত যতদিন চালু থাকবে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত মুসলমানদের উপর মনোযোগ বজায় রাখাও ততদিন চলতে থাকবে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/21/7576/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আলজেরিয়া-মিশর: ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে অনলাইনে উত্তেজনা</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7529/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7529/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 14 Nov 2009 09:09:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[আরবী]]></category>
		<category><![CDATA[আলজেরিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category>
		<category><![CDATA[ছবি]]></category>
		<category><![CDATA[ফরাসী]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7529</guid>
		<description><![CDATA[গত ১৪ই নভেম্বর কায়রোয়, মিশর বনাম আলজেরিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু'টি দেশের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই খেলাটির ফলাফল নির্ধারণ করবে সামনের বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে কোন দেশটি খেলবে। শনিবারের এই খেলাকে মাথায় রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকরা তৈরি হচ্ছে। তারা যেমন অনলাইনের বাইরে সাজ সাজ রব করছে, তেমনি এই খেলা নিয়ে অনলাইনেও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হচ্ছে।  যার ফলে বিষয়টি ভয় দেখানোর এক ছোটখাট যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/hisham/">হিশাম</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/12/algeria-egypt-online-feud-over-football-match/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p>গত ১৪ই নভেম্বর কায়রোয়, মিশর বনাম আলজেরিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দু&#39;টি দেশের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই খেলাটির ফলাফল নির্ধারণ করবে সামনের বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে কোন দেশটি খেলবে। মিশরকে প্লে অফ ম্যাচ বা বাছাই পর্বে সেরা হবার সুযোগ পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে হলে এই খেলায় অন্তত ২-০ গোলে জিততে হবে এবং প্লে অফ ম্যাচটি নিরপেক্ষ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে (যদি মিশর ২-০ গোলে জেতে, তা হলে মিশর ও আলজেরিয়ার পয়েন্ট সমান হয়ে যাবে এবং তখন সুদানের মাটিতে উভয়ের মধ্যে আবার খেলা হবে)। অন্যদিকে আলজেরিয়া ১৯৮৬ সালের পর আর কোন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেনি তাই তারা <a href="http://www.fifa.com/worldcup/preliminaries/africa/standings/group=252301/index.html">বাছাই পর্বে গ্রুপে</a> সেরা দল হিসেবে অবস্থান ধরে রাখার জন্য লড়াই করবে (তা হলে দেশটি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলবে)। শনিবারের এই খেলাকে মাথায় রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকরা তৈরি হচ্ছে। তারা যেমন বাইরে সাজ সাজ রব করছে, তেমনি এই খেলা নিয়ে অনলাইনেও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হচ্ছে।  যার ফলে বিষয়টি এক তিক্ত সাইবার যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। </p>
<p>আলজেরীয় ব্লগার <a href="http://adelife.wordpress.com/2009/11/10/football-avant-la-bataille-du-caire…-une-guerre-pas-tres-nette/"><em>আদেল</em></a> [ফরাসী ভাষায়], এই খেলাকে ঘিরে লড়াইটি কিভাবে শুরু হয়েছে, তার সারাংশ তুলে ধরেছে। ব্লগার লিখেছে: </p>
<blockquote><p>Ce n’est pas sur le carré vert que le match a commencé à se jouer mais sur la toile. En attendant l’entrée des 22 joueurs sur la pelouse du fameux Cairo Stadium, la rencontre a débuté de manière assez peu banale entre les «Facebookeurs» (membres du réseau Facebook) algériens et égyptiens. Tout a commencé par de simples discussions dans les forums avant que cela ne prenne de l’ampleur. Voulant montrer leur savoir-faire dans la retouche d’image, les Egyptiens ont été les premiers à ouvrir les hostilités en publiant des photos «anti-algérien».<br />
Les Egyptiens voulaient expliquer à travers un tel acte que leurs joueurs sont «très forts» et qu’ils sont en mesure d’écraser l’équipe nationale algérienne. Cela donna le top à une guerre d’un genre particulier. La guerre des images et des parodies.</p></blockquote>
<div class="translation">ভাব দেখে মনে হচ্ছে মাঠের বাইরে অনলাইনে ইতোমধ্যে খেলা শুরু হয়ে গেছে। কায়রোর বিখ্যাত স্টেডিয়ামে ২২ জন খেলোয়াড় প্রবেশ করার আগেই যেন অনলাইনে ফুটবল যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। খেলা শুরু হবার পূর্বেই ফেসবুকে আলজেরিয় ও মিশরীয়দের মধ্যে তিক্ত লড়াইয়ের প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। এটি শুরু হয়েছিল বন্ধুত্বপূর্ণ এক আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে, কিন্তু তা ক্রমশ খারাপ দিকে গড়ায়। ছবি সংশোধন করার ক্ষেত্রে কার দক্ষতা কত তা প্রদর্শন করা থেকে এই লড়াইয়ের শুরু। এ ক্ষেত্রে মিশরীয়রাই প্রথম আক্রমণ শানায়। তারা কিছু আলজেরীয় বিরোধী ছবি প্রকাশ করে। মিশরীয়রা দেখাতে চাইছিল যে তাদের খেলোয়াড়রা শক্তিশালী এবং তারা মাঠে আলজেরিয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে শোচনীয় ভাবে পরাজিত করবে। এই ঘটনা বিচিত্র এক লড়াইয়ের সূত্রপাত করে। এ লড়াই, ছবি তৈরি এবং বিদ্রূপ মূলক ভাষা রচনায় প্রতিপক্ষকে ছাড়িয়ে যাবার লড়াই।</div>
<p>হলিউডের বিখ্যাত সব ব্যবসা সফল ছবির ভাষাকে নিজের ভাষায় তৈরি করে ভিডিও বানিয়ে ইউটিউবে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে, গ্রীস লেখক হোমারের গল্পের বিরত্বগাঁথায় যেন দেশ দু&#39;টি পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে।   </p>
<p>নীচের ভিডিওটি [আরবী ভাষায়] <a href="http://www.youtube.com/user/hakemvoip"><em>হাকেমভিওআইপি</em></a> [ফরাসী ভাষায়] পোস্ট করেছেন। ছবিতে মেল গিবসন <em>রাবাহ ওয়ালেশের </em>(ব্রেভহার্ট) মুভিকায় অভিনয় করেছেন, এখানে তিনি একজন আলজেরীয় যুদ্ধবাজ নেতা যিনি তার যোদ্ধাদের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উত্তেজিত করছেন:  </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/yCtAQ_9XMAE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/yCtAQ_9XMAE&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>নিচের ভিডিওটিতে (আরবী ভাষায়), মিশরীয় <a href="http://www.youtube.com/user/ulyesis"><em>ইউলিসিস</em></a> আলজেরীয় সমর্থকদের কি ভাবে স্বাগতম জানাবে তাই দেখাচ্ছে। ইউলিসিসের (মিশরীয়) ভাষায়, কায়রো শহরে আলজেরিয়দের নারকীয় এক অভ্যর্থনা জানানো হবে: </p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/OZOgyioZxFs&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/OZOgyioZxFs&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>ব্লগার <a href="http://www.gemyhood.com/2009/11/blog-post_11.html"><em>জেমইয়াহুড</em></a> [আরবী ভাষায়] হাজার হাজার মিশরীয় সমর্থকদের ছবি পোস্ট করেছে। তারা মিশরের বিভিন্ন এলাকায় লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই আশায় যে, এই খেলার একটা টিকেট যদি পাওয়া যায়। টিকেটের জন্য যে ভীড় তৈরি হয়েছে ব্লগার তার ছবি <a href="http://www.gemyhood.com/2009/11/blog-post_11.html">প্রকাশ করেছে</a>।<br />
<img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/m1.jpg" alt="m1" title="m1" width="300" height="225" class="alignnone size-full wp-image-7530" /></p>
<p><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/m2.jpg" alt="m2" title="m2" width="300" height="225" class="alignnone size-full wp-image-7531" /></p>
<p><a href="http://www.gemyhood.com/2009/11/blog-post_11.html"><em>জেমইয়াহুড</em></a> কিছু চাক্ষুষ বিষয় পোস্ট করেছে: </p>
<blockquote><div class="arabic">انا خدت اجازة اليوم ونزلت من الصبح لنادي الصيد الساعة 8 الصبح وللاسف لقيت موت ناس وزحمة وطابور فيه حوالي 3000 واحد ودفع وشتيمة والناس كل شوية بتزيد ومش عارف اقف من الزق والعرق بجد مهزلة</div>
</blockquote>
<div class="translation">আমি সেদিন অফিস থেকে ছুটি নিয়ে সকাল ৮ টায় ক্লাবে উপস্থিত হলাম [টিকেট পাওয়ার আশায়]। দু:খজনক ভাবে আমি আবিষ্কার করলাম ৩০০০ জনের বিশাল এক লম্বা লাইন । এবং এই লাইনে লোকজন পরস্পরকে ধাক্কা দিচ্ছিল এবং শাপশাপান্ত করছিল। আমি লাইনে আটকে রইলাম। আমি বুঝলাম, টিকেট পাবার কোন আশা নেই।</div>
<p>১২ নভেম্বর কায়রোতে আলজেরিয়ার ফুটবলারদের নিয়ে যে বাসটি প্রবেশ করে সেটি স্থানীয় সমর্থকদের হাতে নাজেহাল হয়। বিষয়টি নিচের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে। এই ভিডিওটি <a href="http://www.youtube.com/user/wmcvideotv"><em>ভিডিওস মৌলডিয়া ক্লাব ডি’ওরান</em></a> ইউটিউবে উঠিয়ে দিয়েছে। যা মনে হচ্ছে প্রদর্শন যোগ্য:</p>
<div><object width="425" height="344"><param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/XNbZqBTvWBw&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1"></param><param name="allowFullScreen" value="true"></param><param name="allowScriptAccess" value="always"></param><embed src="http://www.youtube.com/v/XNbZqBTvWBw&#038;color1=0xb1b1b1&#038;color2=0xcfcfcf&#038;hl=en_US&#038;feature=player_embedded&#038;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="425" height="344"></embed></object></div>
<p>বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা <a href="http://www.fifa.com/">ফিফা</a> আলজেরীয় ও মিশরীয় ফুটবল সংস্থাকে সতর্ক করে দেবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। সংস্থাটি উভয়কে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে ২০১০ সালের বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব যে ভাবে শুরু হয়েছিল, সে ভাবে তা শেষ হতে হবে এবং তা যেন শেষ হয় এক সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের মাধ্যমে। এর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে উভয় দেশকে ফিফা নির্দেশ দিয়েছে।<br />
<a href="http://www.facebook.com/group.php?v=wall&amp;gid=167702883826"><img class="alignright size-full wp-image-106115" title="One People, One Language One Goal" src="http://globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/One-People.jpg" alt="One People, One Language One Goal" width="180" height="450" /></a></p>
<p>আলজেরিয়ার সমর্থকরা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে [আরবী ও ফারসী ভাষায়] যা এই <a href="http://www.algerieegypte.com/">আলজেরিযা-মিশর</a> ফুটবল খেলার সকল সংবাদ ও  ঘটনা প্রকাশ করবে।</p>
<p>যেখানে তিক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ এক পরিবেশ খেলা অনুষ্ঠিত হতে হচ্ছে সেখানে ফেসবুকে কিছু লোক <a href="http://www.facebook.com/group.php?v=wall&#038;gid=167702883826">একটি বিশেষ গ্রুপ </a>তৈরি করেছে যা আরো উত্তেজনা ছড়িয়ে দিচ্ছে। লামা বউচেমা এই গ্রুপের ওয়াল পোস্টে একটি বার্তা প্রকাশ করেছে: </p>
<blockquote><p>আলজেরীয় দলটির ক্ষেত্রে কিছু ঘটলে আমি ভীষণ রাগান্বিত হব। কিছু বেকুব যা করেছে তা দিয়ে আমি পুরো জাতিকে বিচার করবেন না! আল্লাহর দোহাই সেখানে কে গেল [ফুটবল বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে ], তাতে কিছু আসে যায় না।</p></blockquote>
<p>মিশরীয় ব্লগার <a href="http://www.lastoadri.com/2009/10/blog-post.html"><em>লাসতো আদ্রি</em> </a>[আরবী ভাষায়]। খেলাকে সহজভাবে নেবার বদলে এ রকম নোংরাভাবে পরস্পরের মুখোমুখি হবার নিন্দা করেছেন। ভদ্রমহিলা লিখেছেন: </p>
<blockquote><div class="arabic">مندهشة من التعصب وتدنى مستوى لغة الحوار بين مشجعى منتجب مصر ومنتخب الجزائر والظاهر بوضوح فى التعليقات على المواقع الإخبارية أو الرياضية… ومندهشة أكثر بتغذية هذه المأساه إعلاميا بتعليقات من بعض المذيعين (من كلا الجانبين)…<br />
المشجعون الجزائريون أخطؤوا فى المبارة السابقة.. لكن هل الرد يكون هكذا؟.. هل الرد يكون بطلب البعض تسميم اللعيبة ولا إقلاقهم فى منامهم ولا توليع الإستاد وقت الماتش من التشجيع؟..<br />
ونرفزتنى التعليقات على أغلب المواقع.. وإفتكرت لما الجزائر -بزعامة الرئيس الجزائري هواري بومدين- كانت أكتر دولة ساندت مصر فى حرب 1973، رغم فقرها الشديد..<br />
حزينة ان انتهاء علاقة مابين شعبين تكون بشقاق على كورة…</div>
</blockquote>
<div class="translation">যে ভাবে মিশরীয় ও আলজেরীয় সমর্থকরা পরস্পরের দল সম্বন্ধে খারাপ ভাষা ব্যবহার করছে তাতে আমি বিস্মিত, বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবের পাতায়ও দেখা যাচ্ছে&#8230;. যে ভাবে উভয় দেশের কিছু উপস্থাপক ও সাংবাদিক তাদের ভয়াবহ উস্কানিমূলক মন্তব্য দিয়ে এই খেলায় আগুন ঢালছে তাতে আমি বিভ্রান্ত ।</p>
<p>এর আগে আলজেরিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম পর্বের খেলায় সে দেশের সমর্থকদের কেউ কেউ মিশরীয় ফুটবল দলের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে, কিন্তু তার বদলে মিশরীয়দের প্রতিক্রিয়া কি ঠিক হচ্ছে? এর উত্তর কি এই যে (যেমনটা অনেকে বলছে) আলজেরীয় খেলোয়াড়দের শরীরে বিষ ঢুকিয়ে দেওয়া? তাদের হয়রানী করা ও ঘুমাতে না দেওয়া? খেলার দিন স্টেডিয়ামে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়া? বেশিরভাগ সাইটে যে সমস্ত মন্তব্য করা হয়েছে, তাতে আমি হতাশ&#8230; আমি সেই সময়ের কথা মনে করতে পারি যখন আলজেরিয়া তার দারিদ্র অবস্থা সত্বেও, রাষ্ট্রপতি হুয়ারি বুউমেদিনের নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালে মিশর-ইজরায়েল যুদ্ধের সময় মিশরের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল।    </p>
<p>আমি বেদনার্ত, কারণ দু&#39;টি দেশের এ রকম চৎমকার সম্পর্ক কি ভাবে কেবল একটি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ভেঙ্গে যাচ্ছে&#8230;।</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7529/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিশর: এল কোশারির যাত্রা শুরু</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 14 Nov 2009 07:55:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইংরেজী]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[বাক স্বাধীনতা]]></category>
		<category><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্য ও উ. আ.]]></category>
		<category><![CDATA[মিশর]]></category>
		<category><![CDATA[যুবা]]></category>
		<category><![CDATA[শিল্প ও সংস্কৃতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7525</guid>
		<description><![CDATA[মিশরে নতুন ওয়েব ভিত্তিক এক ব্যঙ্গ পত্রিকা চালু হল যার নাম এল কোশারি। ধরে নেওয়া হচ্ছে যে এটি মিশরের সবচেয়ে নিরপেক্ষ সংবাদের উৎসে পরিণত হবে। অনেক ব্লগার একে স্বাগত জানিয়েছে।  ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/lasto-adri/">ইমান আবদেলরাহমান</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/02/egypt-el-koshary-launched/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><a href="http://egyptianchronicles.blogspot.com/2009/10/el-koshary-today.html">জেইনোবিয়া</a>, <a href="http://www.tarekshalaby.com/2009/10/el-koshary-today-satirical-news-website-built-with-drupal/">তারেক শালাবি</a> এবং <a href="http://arabist.net/arabawy/2009/10/22/el-koshary-today/">হোসাম এল হামালাউয়ি</a>, আজ (২ নভেম্বর) ‘<em>মিশরের সবচেয়ে সঠিক সংবাদের উৎস</em>’ <a href="http://www.elkoshary.com/">এল কোশারি টুডে</a>-এর যাত্রা সম্বন্ধে তাদের ব্লগে লিখেছে। <em>এল কোশারি</em> নামক পত্রিকার লেখকদের দলটি তাদের নতুন ওয়েবসাইটে নিজেদের সম্বন্ধে এভাবে বর্ণনা করেছেন; &#8220;এটি একটি ওয়েব ভিত্তিক ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা, যা তীক্ষ্ণ মন্তব্য ও কল্পনা শক্তি দিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ (এবং কিছু ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়) বিষয় সম্বন্ধে সচেতনতার সৃষ্টি করবে; এখানে একদল তরুণ কাজ করছে এবং এদের প্রত্যেকে এই ব্যাপারে সর্বোচ্চ শ্রম দিচ্ছে।&#8221;     </p>
<p>এই সাইট তার পাঠকদের সতর্ক করে দেয়:</p>
<blockquote><p>দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা ধারণা করেছিলাম য়ে আমাদের অনেক পাঠক আমাদের কিছু প্রবন্ধে আহত হতে পারে। এর জন্য তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি। কিন্তু তাদের কাছে বিনীত ভাবে বলতে চাই ‘আলোকিত হও’। একজন মহান দার্শনিকের বাণী এখানে আমরা তুলে ধরছি “যদি আমরা নিজেদেরকে পরিহাস করতে না পারি, তা হলে আমরা পরাজিত হব”। (আসলে আমরা কেবল বাক্যটি তুলে ধরছি, কিন্তু তা কঠিন সত্য এক বাক্য!)   </p>
<p>এছাড়া, যদি আপনি কোন তারকা হন অথবা সরকারি কোন বিশেষ ব্যক্তি যে এল কোশারির পরিহাসের মুখে পড়েছেন, তা হলে আপনাকে খুব বিনীত ভাবে জানাচ্ছি, সেক্ষেত্রে আইনের আশ্রয় নিন এবং খুব সামান্য আকারে মৃত্যুর হুমকি প্রদান করুন। তবে, এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখবেন, এতে মিশর নামক আমাদের মা মোটেও খুশি হবে না।</p></blockquote>
<div id="attachment_7526" class="wp-caption aligncenter" style="width: 410px"><img src="http://bn.globalvoicesonline.org/wp-content/uploads/2009/11/el-koshari-logo.jpg" alt="এল কোশারি-এর লোগো" title="el koshari-logo" width="400" height="400" class="size-full wp-image-7526" /><p class="wp-caption-text">এল কোশারি-এর লোগো</p></div>
<p><a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Kushari">কোশারি</a> মিশরের একটি জনপ্রিয় খাবার, যার মূল উপাদান চাল, বাদামি ডাল, ছোলা বা মটরদানা, ম্যাকারনি এবং সাথে থাকে চমৎকার রসুন ও সিরকার মিশ্রণ, আর পরে  মশলা দেওয়া টমেটোর সসে তা পরিবেশন করা হয়। সব শেষে সুগন্ধী চিনি মাখানো পেঁয়াজ দিয়ে এটিকে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়।   </p>
<p><em>শালাবি</em> <a href="http://www.tarekshalaby.com/2009/10/el-koshary-today-satirical-news-website-built-with-drupal/">ব্যাখ্যা করেছেন</a>:</p>
<blockquote><p>কোশারি এক ঐতিহ্যবাহী খাবার যা অর্থনৈতিক কারণে জনপ্রিয়। তার শক্তিশালী ও এক বিশেষ স্বাদ রয়েছে। এই পত্রিকার লেখকদের উদ্দেশ্য গতানুগতিক মিশরীয় ধারা থেকে বের হয়ে আসা এবং বিশ্বমানের কাছাকাছি পৌঁছানো। এর বিশ্লেষণমূলক ও গঠনমূলক সমালোচনা করার মনোভাব রয়েছে, যা সংস্কৃতির ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এক বিপ্লবী কোশারির জন্ম দেবে।</p></blockquote>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7525/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নির্বাচিত লেখিকা: মারিনা রেশেটনিয়াক</title>
		<link>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7519/</link>
		<comments>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7519/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 14 Nov 2009 06:44:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বিজয়</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইউক্রেইন]]></category>
		<category><![CDATA[ওয়েবলগ]]></category>
		<category><![CDATA[জিভি লেখক প্রফাইল]]></category>
		<category><![CDATA[পূর্ব ও মধ্য ইউরোপ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ব্লগারদের সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[ভিডিও]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bn.globalvoicesonline.org/?p=7519</guid>
		<description><![CDATA[গ্লোবাল ভয়েসেস এর রুশ ভাষাভাষী স্বাস্থ্য সম্পাদিকা হিসেবে<a href="http://globalvoicesonline.org/author/maryna-reshetnyak/"> মারিনা রেশেটনিয়াক</a> তার বেশীর ভাগ সময় কাটান কিয়েভ ভিত্তিক রাইজিং ভয়েসেসের ক্ষুদ্র-অনুদান প্রাপ্ত প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/dropin-center/">ড্রপ-ইন-সেন্টার </a> (সাধারণত মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র) এর <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/author/maryna-reshetnyak/">সংবাদ</a> সংগ্রহের জন্যে। রুশভাষী ব্লগ জগৎে স্বাস্থ্য বিষয়ক যে সমস্ত আলোচনা হয় সেগুলো নিয়েও তিনি <a href="http://globalvoicesonline.org/author/maryna-reshetnyak/">গ্লোবাল ভয়েসেসে লেখেন</a>। ]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<em>মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন<a href="http://globalvoicesonline.org/author/david-sasaki/">ডেভিড সাসাকি</a>  &middot; অনুবাদ করেছেন <a href='http://bn.globalvoicesonline.org/author/bijoy/'>বিজয়</a> &middot;  <a href='http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/featured-author-maryna-reshetnyak/'>মূল লেখাটি দেখুন</a></em> 
<br /><p><iframe src="http://dotsub.com/media/2f857437-2dd9-4191-b6b7-dff081648b04/e/m" frameborder="0" width="420" height="347"></iframe></p>
<p>গ্লোবাল ভয়েসেস এর রুশ ভাষাভাষী স্বাস্থ্য সম্পাদিকা হিসেবে<a href="http://globalvoicesonline.org/author/maryna-reshetnyak/"> মারিনা রেশেটনিয়াক</a> তার বেশীর ভাগ সময় কাটান কিয়েভ ভিত্তিক রাইজিং ভয়েসেসের ক্ষুদ্র-অনুদান প্রাপ্ত প্রকল্প <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/projects/dropin-center/">ড্রপ-ইন-সেন্টার </a> (মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র) এর <a href="http://rising.globalvoicesonline.org/blog/author/maryna-reshetnyak/">সংবাদ</a> সংগ্রহের জন্যে। রুশভাষী ব্লগ জগৎে স্বাস্থ্য বিষয়ক যে সমস্ত আলোচনা হয় সেগুলো নিয়েও তিনি <a href="http://globalvoicesonline.org/author/maryna-reshetnyak/">গ্লোবাল ভয়েসেসে লেখেন</a>। খুব সম্প্রতি <a href="http://globalvoicesonline.org/2009/11/09/ukraine-internet-offers-swine-flu-common-sense/">সোয়াইন ফ্লু নিয়ে ইউক্রেনে যে উন্মাদনা</a> শুরু হয়েছে সে বিষয়ে তিনি গ্লোবাল ভয়েসেস লিখেছেন। নীচের এই ভিডিওতে তিনি বর্ণনা করেছেন রাইজিং ভয়েসেস- এর অনুদানপ্রাপ্ত (ড্রপ ইন সেন্টারের) পাভেল কুটসেভের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ -এর  কথা। একই ভিডিওতে তিনি স্মরণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ডেলওয়ারে অবস্থান করার কথা।    </p>
<p><strong>ভিডিও সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি</strong></p>
<p>আমার নাম মারিনা রেশেটনিয়াক। আমি ইউক্রেইনের ওডেসায় বাস করি। </p>
<p><strong>ডেভিড:</strong> আপনি গ্লোবাল ভয়েসেসের জন্য কি কি কাজ করেন?</p>
<p><strong>মারিনা:</strong> আমি রাইজিং ভয়েসেসের রুশ ভাষাভাষী স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদিকা। আমি বিশেষ করে ড্রপ-ইন সেন্টার নামক প্রকল্প নিয়ে লিখি। এই উদ্যোগ ইউক্রেইনের একদল লোককে এক সাথে করেছে, যারা ‘হার্ম রিডাকশন মুভমেন্ট’  (‘ক্ষতি কমিয়ে আনা আন্দোলন’) এর নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বাস করে তাদের কাজ করছে। এখানকার মাদকাসক্তরা এক বিকল্প এক চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে, যাতে তারা প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য মিথাডোন (হিরোইন সেবীদের নেশা থেকে মুক্ত করার সময় ব্যথা কমানোর জন্য দেওয়া হয়) নিচ্ছে, এবং তাদের জীবনে যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে সে সম্বন্ধে তারা ব্লগ করছে। এই সমস্ত ব্লগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষকে তাদের সম্বন্ধে জানতে এবং তাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে সাহায্য করছে। আর আমি, এই সমস্ত সংবাদ সংগ্রহ করছি।    </p>
<p><strong>ডেভিড:</strong> আজ, প্রথমবার ড্রপ-ইন-সেন্টারে আপনি পাভেলের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন&#8230; তার ব্লগের লেখা আপনি প্রায় এক বছর ধরে অনুবাদ করছেন, তাই না? অনলাইনে তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পর সরাসরি তার সাথে প্রথমবার দেখা করার আলাদা কি কোন তাৎপর্য রয়েছে?</p>
<p><strong>মারিনা:</strong> বিস্ময়কর ভাবে, যখন আমি তার সাথে দেখা করলাম, আমি সেই ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করলাম, যার সাথে আমি অনেকদিন ধরে দেখা করতে চাইছিলাম। আমার মনে হয়েছিল, সে যা লেখে তা পড়ার পর আমি তাকে খুব ভালোভাবে জানতে পেরেছিলাম। সাক্ষাৎ-এর সময় মনে হয়েছে, আমি যেন আমার পুরোনো এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে এসেছি। আমি গণ প্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ডেলওয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছর কাটাই। সেই দুই বছর আমি চমৎকার এক এলাকা ডেলওয়ারে কাটিয়েছি, এলাকাটিকে আমি অনেকবার স্মরণ করি। এছাড়া ইন্টার্নি করার সময় তিন মাস আমি ওয়াশিংটন ডি.সিতে কাটিয়েছি এবং আমি সেই জায়গাটিকেও খুব পছন্দ করি।       </p>
<p><strong>ডেভিড:</strong> যখন আপনি আমেরিকায় বাস করতেন তখন ইউক্রেইনের প্রতি আমেরিকার কি কি ধরনের মনোভাব ছিল?   </p>
<p><strong>মারিনা:</strong> তাদের ধারণা ছিল যে দেশটি খুব ঠাণ্ডা। আমি জানি না কেন, কিন্তু সেখানে সবাই ভাবে যে ইউক্রেইনে খুব শীত পড়ে। </p>
<p><strong>ডেভিড:</strong> আসলেই কি এটা খুব ঠাণ্ডা এলাকা!</p>
<p><strong>মারিনা:</strong>  অনেক শিক্ষিত ব্যক্তি&#8230;.আমাকে জিজ্ঞাসা করে, আমি কি উত্তরের আলোকচ্ছটা দেখেছি কিনা। না, আমি দেখি নি। আমি ওডেসায় বাস করি। শহরটা সত্যি উষ্ণ এবং এই শহরের সুন্দর সব সমুদ্র তীর রয়েছে। হ্যাঁ, তারা ইউক্রেইন সম্বন্ধে কেবল একটা বিষয় জানে যে, দেশটি খুবই ঠাণ্ডা। কিন্তু আমি আমার সর্বোত্তর শক্তি দিয়ে তাদের বলি যে ইউক্রেইন একটা সুন্দর দেশ, যে দেশ অজস্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ।     </p>
<p><strong>ডেভিড:</strong> গ্লোবাল ভয়েসেস সম্বন্ধে আপনার ধারণা কি?</p>
<p><strong>মারিনা:</strong> এটা আসলে একটা চমৎকার উদ্যোগ। এটা সত্যি এক চমৎকার অনুভূতি যে একই কাজ করতে গিয়ে সারা বিশ্বের প্রায় ২০০ জনেরও বেশী লেখকের সাথে এখানে এক যোগাযোগ তৈরি হয় এবং সেই দলের একটি অংশ হতে পারে আমি সত্যিই গর্বিত। এটা আমার কাছে অনেক কিছু।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://bn.globalvoicesonline.org/2009/11/14/7519/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
