উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গ্লোবাল ভয়েসেস সম্বন্ধে

গ্লোবাল ভয়েসেস বিশ্বব্যাপী ৭০০র বেশী লেখক আর ৬০০ অনুবাদকারীদের একটি বাড়ন্ত কমিউনিটি (সমাজ) যারা বিশ্বের বিভিন্ন কোনা থেকে ব্লগ আর নাগরিক মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদ ও গল্প সারা দুনিয়ার দর্শকদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করে। তারা সেইসব কণ্ঠকে গুরুত্ব দেয় যাদের সচরাচর সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় না।

গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন চেষ্টা করছে বিশ্বের যাবতীয় সংলাপকে একত্র করে ধারণ করতে এবং এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতামত গুলো বিশ্ব জুড়ে প্রচার করতে। আমরা সেসব ব্যক্তি বা অঞ্চলের কথা তুলে ধরি, অন্য মাধ্যম গুলো সচরাচর যেসব এড়িয়ে চলে। আমরা কাজ করি সেইসব টুল, প্রতিষ্ঠান এবং পাঠক গোষ্ঠীর উন্নয়নে যারা সর্বত্র কণ্ঠগুলোর প্রসারে সহায়তা করে।

সারা বিশ্বজুড়ে লাখো লোক ব্লগিং ও পডকাস্টিং করছে, ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেটে তুলে দিচ্ছে, কিন্তু আপনারা যদি না জানেন কোথায় সেগুলো খুঁজতে হবে, তাহলে বিশ্বাসযোগ্য এবং সম্মানযোগ্য কণ্ঠগুলো পাওয়া খুব কঠিন হবে। যেসব ব্লগোস্ফিয়ার সম্পর্কে আমাদের আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দল এবং পার্টটাইম সম্পাদকেরা গ্লোবাল ভয়েসেসে লিখেন তারাও সেগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেন।

গ্লোবাল ভয়েসেস এখন নেদারল্যান্ডসে স্টিখটিং গ্লোবাল ভয়েসেস নামে নিবন্ধিত, যার প্রকৃতি একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন। আমাদের কোন অফিস নেই, আমরা বিভিন্ন বিভিন্ন টাইম জোনে ছড়িয়ে থাকা ভার্চুয়াল কমিউনিটি হিসেবে কাজ করি। আমাদের সামনা সামনি সাক্ষাৎ হয় যখন সুযোগ আসে (সাধারণত আমাদের বাৎসরিক সম্মিলনের সময়ে)। আমরা বিভিন্ন অনুদান, পৃষ্ঠপোষকতা, সম্পাদনার কমিশন, এবং সাহায্য গ্রহণ করে থাকি আমাদের ব্যয়ভার বহনের জন্যে।

আমাদের প্রকল্পগুলো

গ্লোবাল ভয়েসেস বর্তমানে ৩০টিরও বেশী ভাষায় স্বেচ্ছাসেবক অনুবাদকদের দ্বারা অনুদিত হচ্ছে, যারা লিঙ্গুয়া প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, গ্লোবাল ভয়েসেস এর রয়েছে একটি এডভোকেসী ওয়েবসাইট এবং নেটওয়ার্ক যেখানে সেন্সরশিপ এর দ্বারা কণ্ঠরোধ হওয়া লোকরা অনলাইনে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারে। আমাদের একটি প্রসার প্রকল্প আছে রাইজিং ভয়েসেস নামে যা সংখ্যালঘু কমিউনিটিদের, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশের লোকদের নাগরিক মিডিয়ার প্রশিক্ষণ দেয় যাতে তাদের কণ্ঠ সবাই শুনতে পায়।

আমাদের প্রকল্প সম্পর্কে আরও জানুন।

আমাদের ইতিহাস

গ্লোবাল ভয়েসেস ২০০৫ সালে গঠিত হয়েছিল সিএনএন এর প্রাক্তন বেইজিং ও টোকিও ব্যুরো চিফ রেবেকা ম্যাকিনন এবং প্রযুক্তিবিদ ও আফ্রিকা বিশেষজ্ঞ ইথান জুকারম্যান কর্তৃক যখন তারা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট এন্ড সোসাইটির ফেলো ছিলেন। এই প্রকল্পের চিন্তাটির উদ্ভাবন হয় ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে হার্ভার্ডে একটি আন্তর্জাতিক ব্লগারদের মিটিং এ এবং একটি সাধারণ ব্লগ হিসেবে এটি আত্মপ্রকাশ করে। (এখানে সেই মিটিং সম্পর্কে একটি লিখিত রিপোর্ট এবং একটি পডকাস্ট আছে)

বার্কম্যান সেন্টার, রয়টার্স ও ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশন এর সহায়তায় এবং আমাদের প্রদায়কদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং শক্তির বলে গ্লোবাল ভয়েসেস ক্রমশ: বিস্তার লাভ করে।

আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য

যখন আন্তর্জাতিক ইংরেজীভাষী প্রচার মাধ্যম বিশ্বের অনেক লোকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উপেক্ষা করে, গ্লোবাল ভয়েসেস মিডিয়ার এই অসামন্জস্যতাকে দুর করার চেষ্টা করে নাগরিক মিডিয়ার শক্তিকে উপজীব্য করে। আমরা বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, এবং মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করি

আমরা চাই:

  • সারা বিশ্বব্যাপী নাগরিক মিডিয়া থেকে পাওয়া বিভিন্ন রকম কৌতূহল উদ্দীপক কথোপকথন এবং পরিপ্রেক্ষিতকে সবার কাছে তুলে ধরতে বিশেষ করে লেখা, ছবি, পডকাস্ট, ভিডিও ইত্যাদি নাগরিক মিডিয়া টুলগুলোকে উপস্থাপন করে।
  • নতুন নাগরিক কণ্ঠগুলোকে সামনে আসতে সাহায্য করা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ও অনলাইন গাইডের সহায়তায়। কিভাবে ওপেন সোর্স এবং বিনামূল্যের টুলসগুলো সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষ নিরাপদে ব্যবহার করে তাদের মত প্রকাশ করতে পারবে।
  • সারা বিশ্ব জুড়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রচার এবং নাগরিক সাংবাদিকদের রক্ষা করা বিশেষ করে সেন্সরশীপ এবং নিপীড়নের মুখে তাদের সংবাদ ও মত প্রকাশের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করা।

আমাদের ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চন্স (সর্বাধিক জিজ্ঞাসিত প্রশ্নমালা) পড়ুন এবং আরও জানুন।