বন্ধ করুন

গ্লোবাল ভয়েসেসকে শক্তিশালী করতে আমাদের সহায়তা করুন

আমরা ১৬৭টি দেশের উপর রিপোর্ট করি। আমরা ৩৫টি ভাষায় অনুবাদ করি। আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস।

প্রায় ৮০০ এর বেশী গ্লোবাল ভয়েসেস এর লেখক একসাথে কাজ করছে আপনার কাছে অজানা সব গল্প তুলে ধরতে। কিন্তু আমাদের পক্ষে একা সব করা কঠিন। আমাদের অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক হলেও আমাদের সম্পাদক, প্রযুক্তি এবং অ্যাডভোকেসী প্রকল্প ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ব্যয়ভারের মেটানোর জন্যে আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন।

আমাদের সহায়তা করুন এখানে ক্লিক করে: »
GlobalVoices পাওয়া যাবে আরও জানুন »

রুটির লাইনে দাঁড়ানো অপেক্ষারত সিরিয়ানদের হত্যা করল আসাদের বিমানবাহিনী

এই পোস্টটি আমাদের সিরিয়া প্রতিবাদ ২০১১/১২ এর বিশেষ কভারেজ এর অংশ। 

সিরিয়ার সরকার হামা শহরের হালফায়াতে একটি বেকারির সামনে রুটির জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষারত সিরিয়ানদের ওপর একটি ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলায় শহরের প্রায় ৯০ থেকে ৩০০ জন লোক মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে । সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্রোহীরা দাবি করে আসছিল যে তারা শহরটিকে আসাদ বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করেছে। এ ঘটনায় অনলাইনে স্বক্রিয় কর্মীরা প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হয়েছে। কারণ, এখনও বিশ্বে নিষ্পাপ লোকেদের হত্যা করা অব্যাহত রয়েছে।

এই হামলার পরিণাম স্বরুপ ছিন্নভিন্ন লাশের হৃদয়বিদারক ছবি এবং আক্রমণের পরমুহূর্তের ভিডিওগুলো সব অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে, যা ধ্বংসযজ্ঞকেই তুলে ধরেছে । [এখানে কিছু ভিডিওর লিঙ্ক টুইট করেছেন সাংবাদিক ইরিন কানিংহাম।]

লিলা নাচাবতি রিগো লিখেছেনঃ

 @লিলা_নাঃ সিরিয়ান শাসণতন্ত্রের নতুন কৌশল হচ্ছে বেকারিগুলোতে বোমা হামলা চালানো। হামাতে আজ ২০০ লোক মারা গেছে। একটি বেপরোয়া গণহত্যা। ধ্বংসযজ্ঞ। #সিরিয়া

সিরিয়ান রাফিফ জোয়াজাতি তাঁর ক্রোধ প্রকাশ করে টুইট করেছেনঃ

@রাফিফজেঃ আমরা অপেক্ষায় আছি যে বিশ্ব নেতারা “আমরা তীব্রভাবে এই ঘটনার নিন্দা জানাই ধরণের কথা..” না বলে কিছু একটা করবেন। #হালফায়া_গণহত্যা #সিরিয়া

তিনি আরো লিখেছেনঃ

@রাফিফজেঃ ইতিহাসের পাতাগুলোকে দেখাতে দিন #আসাদ যখন একের পর এক গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে তখন বিশ্ব শুধু অথর্বের মতো তাকিয়ে দেখছে এবং কিছু কড়া কথা বলা ছাড়া আর কিছুই করছে না। #সিরিয়া

এবং একজন রাগান্বিত রাজান ঘাজাবি ব্লগে লিখেছেনঃ

হালফায়াতে শহীদদের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন এবং সাহস থাকলে আমাকে বলুন যে সিরিয়ার “ইসলাম পন্থিদের” ব্যাপারে আপনি উদ্বিগ্ন। আবর্জনা কোথাকার, সাহস থাকলে আমাকে বলুন যে আপনি “এফএসএ মানবাধিকার লঙ্ঘনের” বিষয়ে উদ্বিগ্ন, “গৃহযুদ্ধের” বিষয়ে উদ্বিগ্ন, কাতার ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিষয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই কারনে আপনি জনগনের বিপ্লবকে সমর্থন করেন না।

সুতরাং আপনি উদ্বিগ্ন। আমি বুঝতে পেরেছি। তা অনেক কিছু ব্যাখ্যা করেছে। অবশ্যই।

নিউজফ্ল্যাশঃ যে সময় আপনি সিরিয়ার জনগণকে পরিত্যাগ করেছেন, সিরিয়ার জনগণও সে সময় আপনাকে পরিত্যাগ করেছে। হাবিবির সম্পর্কে আপনি কি চিন্তাঃ আপনি ও আপনার সভ্যতার অস্তিত্ব আমাদের সময় ও স্থানে নেই। সবকিছু শেষ। আপনি এবং আমি আর ভাই ভাই নই।

এছাড়াও শান্তি দূত লাখদার ব্রাহিমি “সমাধানের দালাল” মিশনের একটি অংশ হিসেবে আজ সিরিয়া এসেছেন।

হাসান হাসান নোট লিখেছেনঃ

@এইচহাসান১৪০: হালফায়া গণহত্যা, ব্রাহিমির দামাস্কাস আগমনকে উপলক্ষ করে উদযাপন করা হচ্ছে। তাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ যারা এখনও আশা করেন আসাদ গায়ের জোড় ছাড়া অন্যকিছু বুঝবেন।

তিনি আরও লিখেছেনঃ

@এইচহাসান১৪০: ইতিহাসঃ আজকের দিনে লাখদার ব্রাহিমি দামাস্কাস সফরে এসেছেন আসাদের সাথে আলোচনায় বসতে, যে কিনা হালফায়াতে রুটির জন্য লাইনে দাঁড়ানো ৩০০ লোককে হত্যা করেও বুক ফুলিয়ে কথা বলছে।


এই পোস্টটি আমাদের সিরিয়া প্রতিবাদ ২০১১/১২ এর বিশেষ কভারেজ এর অংশ। 

1 টি মন্তব্য

  • আসিফ

    একজন আরেকজনকে কোট করে মিথ্যাকে হালাল করার উপায় প্রপাগন্ডাবাদিদের জন্য নতুন কিছু নয়। সঠিকভাবে গুছিয়ে লিখার মত সত্য ও প্রমানমুলক কিছু নেই তাই অনেকে আজকাল লিখার খন্ডাংশকে কোট করে পরোক্ষভাবে অনেক কিছু বোঝাতে চান।
    সিরিয়ায় যা চলছে ইন্টারনেটের কল্যানে আমরা অনেকেই কমবেশি জানি যা এই লেখক কোন দিন প্রকাশ করবেননা। সত্য ঘটনা হচ্ছে শান্তিপুর্ন একটা দেশে গনজাগরনের নামে ভিদদেশিদের দ্বারা সম্পুর্ন পরিকল্পিতভাবে স্বচস্র যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে। এই সাজানো যুদ্ধের অস্র আর রসদের তহবিলদার হচ্ছে সৌদিআরব, কাতার আর যোগানদাতা হচ্ছে ন্যাটো এবং ইউরোপিয় ইউনিয়ন। ভিনদেশি যোদ্ধাদের মধ্যে আছে আলজেরিয়া, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চেচনিয়া এমনকি পাক-তালেবানও। বিভিন্ন পত্রিকার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব যোদ্ধাদের বেশিরভাগই হয় আল কায়দার সাথে যুক্ত নয়তোবা মারত্নকভাবে মাদকাসক্ত। যার প্রমান কিছুদিন আগেই দেখা গেছে, এক তথকথিত মুক্তিবাহিনির সদস্য সদ্যমৃত এক সরকারি সৈন্যের কলিজা চিড়ে বের করে পশুর মত কামড়াতে।
    এসব টু্ইট লেখক এবং তাদের তোতাপাখিদের ওপর আস্থা রাখার কোন কারন নেই। অতীতে দেখা গেছে প্রায় সময় মুক্তিবাহিনী?র হত্যযজ্ঞের দায় সরকারি বাহিনীর উপর চাপিয়ে দিয়েছে অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট। অনেকে মুক্তিবাহিনী?র জানোয়ারের মত আচরন, নিরীহ নিরস্র মানুষের গনহত্যার খবর প্রকাশ করেননা। যেহেতু সিরিয়ার গনযুদ্ধ একটি পরিকল্পিত নাশকতা এসব ব্লগার কিংবা অনলাইন এক্টিভিস্ট তাদের পেইড দালাল হওয়াতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .


বিশ্বের অঞ্চলসমূহ

দেশ

ভাষা

বিশেষ টপিক

লেখাটির সাথে আছে