বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরানী-আমেরিকান নাগরিকরা জীবন বাঁচানো এক বীরের অনুসন্ধান করছে

প্রজেক্ট ম্যারোর ওয়েব সাইট থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে

ইরানের নেট নাগরিকরা এক বীরের অপেক্ষায়, কোন বিপ্লব বা যুদ্ধের জন্য নয়, এক জীবন বাঁচানোর জন্য। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার ইরানী বংশোদ্ভুত তরুণী নাসিমের শরীরে বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। ইরানের বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি তাকে রক্ষার সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নাসিমকে বোন ম্যারো (অস্থি মজ্জা) দান করতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা এমন এক বীরের অনুসন্ধান করছে।

এই ধরনের সমস্যা মোকাবেলার জন্য ২০০৩ সালে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়:যার নাম প্রজেক্ট ম্যারো। এর ফেসবুকের পাতায় , প্রদান করা সংবাদ অনুসারে জানা যাচ্ছে, বেহনুশ বাবাজানি নামক এক ইরানী-আমেরিকান এই প্রজেক্ট ম্যারোর প্রতিষ্ঠাতা, ২০০৩ সালে এই ভদ্রমহিলার এই দূর্লভ রক্ত সংক্রান্ত রোগ ধরা পড়ে। ভাইয়ের প্রদান করা ম্যারো দিয়ে তার চিকিৎসা করার পর,এই বিশেষ অভিজ্ঞতা তার ভেতরে এক অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করে, সেই সমস্ত রোগীদের প্রতি যাদের জীবন একই ধরনের বোন ম্যারো সম্পন্ন ব্যক্তির উক্ত উপাদান প্রতিস্থাপনের মধ্যে দিয়ে টিকে থাকে- যা সাধারণত একই জাতিগোষ্ঠীরা ব্যক্তির মাঝে পাওয়া যায়।

বেহনুশ-এর উদ্যোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি স্বদেশী ইরানী-আমেরিকানদের কাছে এই বিষয়ে সাহায্যের আবেদন পৌঁছে দিচ্ছে, আর দৃশ্যত যার কারণে তারা ম্যারো ক্যান্সার-এর মত রোগে আক্রান্ত অন্য রোগীদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসছে। ২১ বছর বয়স্ক নাসিম তেমনি-এক ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী। তার কাহিনী এমন এক স্তরে নাড়া দিয়েছে যে ইরানী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং সেলিব্রেটিদের মত অনেকে তার জীবন রক্ষার, তার সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে। তারা ইউটিউবে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছে, বোন ম্যারো দান করছে, এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছে। ফেসবুকের এই পাতা এর অন্যতম এক উদাহরণ।

তাদের এই ভিডিও বার্তায়, বিখ্যাত ইরানী-আমেরিকান যেমন মাজ জোবরানি এবং ক্রীড়াবিদ এহসান হাদাদি, ক্লিপে ঘুরে ফিরে “আমি নাসিম” নামক মোটো বারবার উচ্চারণের মাধ্যমে স্বদেশী ইরানিদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

এই কটি লাইনের মাধ্যমে এই ভিডিওর পরিসমাপ্তি ঘটেছে:

যদি আপনি যথেষ্ট সৌভাগ্যবান বলে বিবেচিত হন, যে আপনি তাকে সাহায্য করতে এবং এই মেয়ের জীবন বাঁচাতে সক্ষম… তাহলে তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং এটা এক দ্রুত প্রক্রিয়া…এটা এমন কিছু নয়… তারা আপনার ভেতরে থেকে কিছু বের করবে না… এখানে এমন কিছু নেই…এটা খুব সহজ!

আমরা টাকা চাইছি না, আমরা আপনাকে এই নিবন্ধনে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমার দেহে থেকে কিছু আমি দান করতে সক্ষম…
যা কিনা আরেকজনকে সাহায্য করবে, হবে তার জন্য সবচেয়ে সেরা উপহার

তাহলে আসুন আমরা একসাথে মিলে!

নাসিমকে রক্ষা করি।

নাসিমকে রক্ষা করি।

নাসিমকে রক্ষা করি, এখনই!

1 টি মন্তব্য

  • সবার একসাথে কাজ করা উচিত। ফেসবুক এবং টুইটারে সবাই শেয়ার করি।।

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .