উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গিনি বিসাউ: অরাজকতার মুখে নাগরিক হতাশা এবং ঔদ্ধত্ব

পশ্চিম আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ গিনি বিসাউয়ের রাজধানী বিসাউয়ের একটি বিমানঘাঁটির বাইরে ২১ শে অক্টোবর তারিখে একটি হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। ছয় ব্যক্তিকে খুন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং আক্রমণকারীদের ভয়ানক চিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করার পরের দিন দেশটির দুই রাজনীতিবিদকে অপহরণ করে নিয়ে পেটানো হয়েছে। (এই বছরের শুরুর দিকে সামরিক অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারটি ক্ষমতায় আসীন হয়েছিল।)

পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক কমিউনিটি (ইকোয়াস) পরিচালিত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে সন্দেহের বুদবুদের পটভূমিতে সহিংসতাটি ঘটেছে। (ব্যাকগ্রাউন্ড জানার জন্যে – আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের আগস্ট মাসের ব্রিফিং “মাঠের বাইরের যুদ্ধ” দেখুন।)

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘটনাটিকে – একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা মনে করে – প্রাক্তন বেসামরিক কর্মকর্তা পানাসুয়া ন্তচামা এবং পর্তুগালের হস্তক্ষেপে সংঘটিত বলে দ্রুতই দোষারোপ করেছে। সিমাও মেন্দিস জাতীয় হাসপাতালের পাতা পরিচালনাকারীদের ভাগাভাগি করা এই ছবিটি সম্ভবতঃ তার গ্রেপ্তারের, যাতে তিনি পর্তুগীজ পতাকা দিয়ে মোড়ানো এবং গলার চারপাশে একটি দড়ি দিয়ে বাঁধা। বিয়াগোস দ্বীপপুঞ্জে গ্রেপ্তারের পর ন্তচামা’র অপমানজনক বদলি জোসে মুসসুয়াইলির ভিডিওতে ধরা পড়েছে।

সরেজমিন পরিস্থিতিটি বুঝে উঠা কঠিন, বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার মূলধারার মিডিয়াগুলোর জন্যে, যারা গিনি-বিসাউয়ের মাদক (অরাজক) রাস্ট্র পরিস্থিতি করিয়ে দিতে সময়টিকে ব্যবহার করছে।

হতাশা এবং আইন অমান্য

এদিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান – এইউ (আফ্রিকীয় ইউনিয়ন), জাতিসংঘ এবং ইকোয়াস – “উদ্বেগ” প্রকাশ ও সভা অনুষ্ঠান করলেও গিনি বিসাউয়ের জনগণের ভয় এবং হতাশা প্রকাশ করার সুযোগ সামান্যই।

ফার্ণান্দো কাসিমিরো তার ওয়েবসাইট দিদিনহোতে যুক্তি করেছেন যে

গিনি বিসাউয়ের গৃহযুদ্ধের পর প্রতীকী অস্ত্র পোড়ানো

“গিনি বিসাউয়ের গৃহযুদ্ধের পর প্রতীকী অস্ত্র পোড়ানো: রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্যে দেশটির সামরিক পুনর্গঠন অত্যাবশ্যক থেকেই গিয়েছে।”
জাতিসংঘের ছবি/ আফ্রিকা রিনিউয়ালের মাধ্যমে ফ্লিকারে টিম ম্যাককুলকা’এর ভাগাভাগি করা (সিসি বাই-এনসি-এসএ-২.০)

No caso da Guiné-Bissau, se não houvesse, ou se não houver Forças Armadas, haverá sempre outras “FORÇAS”, que estarão sempre armadas, com ou sem uniforme, ao serviço de quem se julga legitimado pelo poder. Não, a democracia na Guiné-Bissau, ainda não está preparada suficientemente, para “dispensar” quer seja o serviço das Forças Armadas Republicanas, quer de outras “FORÇAS” armadas que representam a salvaguarda dos interesses e do poder que políticos e governantes julgam pertencer-lhes pela legitimação através do voto popular.

গিনি বিসাউয়ের ক্ষেত্রে, কোন সশস্ত্র (বাহিনী) না থাকলেও যারা নিজেদের ক্ষমতাসীনদের অনুমোদিত বলে মনে করে তাদের সেবা করার জন্যে সেখানে সবসময় পোশাক পরিহিত বা পোশাক বিহীন চির-সশস্ত্র অন্যান্য “বাহিনী” রয়েছে। না, স্বার্থ সংরক্ষণের ও ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করা প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী বা অন্যান্য সশস্ত্র “বাহিনী“কে উপেক্ষা করার জন্যে গিনি বিসাউয়ের গণতন্ত্র এখনো যথেষ্ট প্রস্তুত নয়, যাদের রাজনীতিবিদ এবং গভর্নররা জনপ্রিয় ভোটের মাধ্যমে অনুমোদিতভাবে নিজস্ব মনে করে।

গিনিবাসীদের অনলাইনে খোলাখুলিভাবে সামরিক বাহিনীর সংস্কার দাবি করা গিনি’র একজন র‌্যাপ সঙ্গীতশিল্পী মাস্তা টিটো’র [পর্তুগীজ ভাষায়]  ”ঙ্কানা মেদি” ([আমরা]ভীত নই) গানটি ভাগাভাগি করাটা কোন কাকতালীয় ব্যাপার বলে মনে হচ্ছে না। বুয়ালা’তে সমাজবিজ্ঞানী উপর মিগুয়েল বারোসের একটি নিবন্ধ [পর্তুগীজ ভাষায়]  গানটির কথার অংশবিশেষের অনুবাদ করেছে:

No ka na medi (…) / no karmusa no kansa / gosi i pa kada kin mara si kalsa / anós tudu i guiniensi / (…) bo gosta ó bo ka gosta n ka na para kanta pa nha povu [Nós não temos medo / Cansámo-nos de nos pavonear / Agora que cada um amarre as calças / Somos todos guineenses / (…) [Gostem] ou não [gostem], não vou parar de cantar para o meu povo] (Masta Tito, Nka Na Medi, registo sonoro, Bissau, 2012)

আমরা ভীত নই/ আমরা ‘মিথ্যা বড়াইয়ে’ বীতশ্রদ্ধ/ আমরা প্রত্যেকে এখন আমাদের বেল্ট আঁটোসাঁটো করেছি/ আমরা সবাই গিনিবাসী/ (…) পছন্দ করুন বা নাই করুন, আমি আমার দেশবাসীর প্রশংসা থামাতে পারবো না

রক্তাক্ত হামলাটির কয়েক সপ্তাহ পরে আবারো ব্লগার এবং সাংবাদিক আলি সিলভা তথ্য এবং মতামতের মূল সূত্র হয়েছেন। আফ্রিকীয় সাংবাদিক সুরক্ষা কমিটি জানিয়েছে যে সামরিক বাহিনী আলি সিলভাকে হুমকি দেয়ায় আত্মগোপণে চলে গিয়েছেন, এবং পর্তুগীজ রাস্ট্রীয় মিডিয়ার সংবাদদাতা ফের্ণান্দো তেশিয়েরা গোমেজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সরকারী আদেশে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

আলি সিলভা লিখে চলেন [পর্তুগীজ ভাষায়] তার ব্লগে, যা এ পর্যন্ত ৫০ লক্ষ বার দেখা হয়েছে:

Olho e registo tudo. Depois escrevo, na certeza de que alguém me vai ler e comungar dos mesmos sentimentos. O meu blogue, tem sido acessado diariamente por milhares de pessoas. Ficará para a estatística. Teria preferido uma visita por dia, a ter de suportar milhares de pares de olhos tristes e enevoados: estão a matar-nos, estão a destruir as famílias, a tornar as crianças violentas.

আমি সব দেখি এবং নথিভুক্ত করি। তারপরে আমি কেউ (এটা) পড়ে একই অনুভূতি ভাগাভাগি করবে সেটা নিশ্চিত করেই লিখি। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আমার ব্লগ দেখে। সেটা শুধু পরিসংখ্যান। আমি হাজার হাজার দুঃখভারাকান্ত এবং ঘোলা চোখ মোকাবেলা করার চেয়ে দিনে একবার পরিদর্শন করা পছন্দ করি: তারা আমাদের হত্যা করেছে, আমাদের পরিবারকে ধ্বংস করছে, [তারা] শিশুদের হিংসাত্মক করছে।

আলি সিলভা এছাড়াও তার “দিতাদুরা দো কনসেনসো (ঐকমত্যের একনায়কত্ব)” ব্লগে ভয়ে ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির একটি অতিথি পোস্ট [পর্তুগীজ ভাষায়]  - রাজনীতিবিদ এবং সামরিক বাহিনীর সেরা পারফরমেন্সের জন্যে একধরনের “অস্কারে”র মতো পরিস্থিতিটির একটি বিভীষিকাময় হাস্যরসাত্মক বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন।

ব্লগার দোমাদোরা ক্যামালোয়েস ব্লগে ব্লগার হেলেনা ফেরো দে গৌভেইয়া তার “বিসাউয়ের রাস্থায় রাস্তায় (আবার) রক্তপাত” [পর্তুগীজ ভাষায়]  পোস্টে লিখেছেন [সাবধানতা: হৃদয়বিদারক চিত্র]

Os guineenses são pessoas e não uma abstração, ou uns “gajos habituados à violência”, num país tropical. Os guineenses merecem qualquer coisa chamada dignidade. Correndo o risco de me repetir: o mundo devia vir com uma errata.

গিনিবাসীরা নাতিশীতোষ্ণ দেশের মানুষ এবং বিমূর্ত বা “সহিংসতায় অভ্যস্ত” কিছু নন। গিনিবাসীরা মর্যাদা বলতে যা বুঝায় তা প্রাপ্য। নিজেকে পুনরাবৃত্ত করার ঝুঁকিতে রয়েছি: বিশ্বকে ত্রুটি সংশোধন করে আসতে হবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .