বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা’য় স্বাগতম!

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ইংরেজিতে সাহিত্যচর্চা বেড়েছে। অনেক লেখকই বাংলার বাইরে ইংরেজিতে তাদের সাহিত্য রচনা করছেন। বাংলাদেশে সাহিত্যচর্চায় এটা একটা নতুন ধারা। ইংরেজি ভাষায় যেসব বাংলাদেশী লেখক সাহিত্য রচনা করেন, তাদের বাৎসরিক মিলনমেলা হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা আবারও শুরু হচ্ছে। আগামী ১৫-১৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখে বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশী সাহিত্যিকরা আন্তর্জাতিক সাহিত্য আসরে স্থান করে নিবেন এমন আশা করা হচ্ছে।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা ২০১২ এর পোস্টার।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা’র সহ-প্রযোজক, কবি সাদাফ সাজ সিদ্দিকী এই আয়োজন সম্পর্কে বলেন:

হে ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশী লেখকদের সাথে বিশ্ব সাহিত্য সম্প্রদায়ের মাঝে একটা সেতুবন্ধ তৈরি করতে পারবো। আমরা আমাদের বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিয়ে যেতে চাই। আর এটা করতে চাই আমাদের ভালো ভালো সাহিত্য’র অনুবাদ এবং এগুলো বিদেশে প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে (উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ আমেরিকার লেখকদের কথা উল্লেখ করা যায়, যারা বিশ্বব্যাপী নাম করেছেন)। আমরা আশাবাদী, আমাদের রচনাকর্ম অনুবাদ করতে হে ফেস্টিভ্যাল প্রকাশকদের উৎসাহ দিবে।

অ্যা গোল্ডেন এজ‘ এবং ‘দি গুড মুসলিম‘ বইয়ের লেখক তাহমিমা আনাম বলেন:

ব্রিটেন এবং বাংলাদেশের প্রথম সারির লেখকদের মধ্যে চমৎকার আলোচনার সুযোগ করে দিয়েছে হে ফেস্টিভ্যাল। আমি আশাবাদী, এই আয়োজন বাংলাদেশে লেখালেখির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা’র প্রথম আয়োজন থেকে কিছু ছবি দেয়া হলো। ছবিগুলো নেয়া হয়েছে হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা’র ফেসবুক পেজ থেকে।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা ২০১১ এর ছবি। হে ফেস্টিভ্যালের ফেসবুক পাতার সৌজন্যে।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা ২০১১ এর ছবি। হে ফেস্টিভ্যালের ফেসবুক পাতার সৌজন্যে।

হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা ২০১১ এর ছবি। হে ফেস্টিভ্যালের ফেসবুক পাতার সৌজন্যে।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্যানেল আলোচনা, লেখকদের আড্ডা, আলোচনা, সাহিত্য পাঠ। হে ফেস্টিভ্যাল ঢাকা আয়োজনে দেশী-বিদেশী সাহিত্যিকদের মধ্যে থাকছেন বিক্রম শেঠ, সৈয়দ শামসুল হক, নন্দিতা দাস, ফিলিপ হেনশার, ক্যামেলিয়া শামসী, বাশারত পীর, জাফর ইকবাল, মোহাম্মদ হানিফ, জিলিয়ান ক্লার্ক, কায়সার হক, শর্বরী আহমেদ, ফারাহ গজনবী, শাহীন আক্তার, সেলিনা হোসেন, শেহান করুণাতিলাকা, মাহমুদ রহমান, আনিস আহমেদ, আনিসুল হক, অদিতি ফাল্গুনী, তাহমিমা আনাম-সহ আরো অনেক লেখক।

সাহিত্য ও শিল্পের বাৎসরিক আয়োজন হে ফেস্টিভ্যাল শুরু হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ছোট্ট শহর ওয়েলসে। সেই ছোট্ট পরিসর থেকে এটা এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠান। হে ফেস্টিভ্যাল এখন ওয়েলসের প্রান্ত এলাকা ব্রেকন বেকনস-এ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি বিল ক্লিনটন কথিত ‘দ্য উডস্টক অব দ্য মাইন্ড’ বলে পরিচিত। গত ২৫ বছর ধরে হে ফেস্টিভ্যাল সারাবিশ্বের লেখকদের একই প্লাটফর্মে এনেছে, তাদের চিন্তা ও বিতর্ক আদান-প্রদানের সুযোগ করে দিয়েছে। ও হ্যাঁ, এ বছর হে ফেস্টিভ্যালের ২৫ বছর পূর্তি পালিত হয়েছে গত জুন মাসে। এ উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .