বন্ধ করুন

গ্লোবাল ভয়েসেসকে শক্তিশালী করতে আমাদের সহায়তা করুন

আমরা ১৬৭টি দেশের উপর রিপোর্ট করি। আমরা ৩৫টি ভাষায় অনুবাদ করি। আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস।

প্রায় ৮০০ এর বেশী গ্লোবাল ভয়েসেস এর লেখক একসাথে কাজ করছে আপনার কাছে অজানা সব গল্প তুলে ধরতে। কিন্তু আমাদের পক্ষে একা সব করা কঠিন। আমাদের অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক হলেও আমাদের সম্পাদক, প্রযুক্তি এবং অ্যাডভোকেসী প্রকল্প ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ব্যয়ভারের মেটানোর জন্যে আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন।

আমাদের সহায়তা করুন এখানে ক্লিক করে: »
GlobalVoices পাওয়া যাবে আরও জানুন »

ফিলিপিনো রাজনীতিবিদদের লজ্জা দিয়ে অনলাইন প্রচারাভিযান “ইপাল”

ফিলিপাইন্সে ২০১৩ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় রয়েছে আর মাত্র এক বছরেরও কম। তবে এর মধ্যেই দেশের রাজনীতিবিদদের সরকারের প্রকল্পগুলোতে (যেগুলো সরকারী অফিসের তহবিলে বা সহায়তায় চলে) নিজেদের নাম সংযোজনের মতো প্রচলিত অভ্যাসের বিরুদ্ধে নেট নাগরিকরা একটি অপমানজনক অনলাইন প্রচারাভিযান শুরু করেছে।

এই রাজনীতিবিদদের “এপাল” ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়েছে যেটি একটি ফিলিপিনো অপভাষা। এর অর্থ হচ্ছে “মনোযোগী অর্থপিশাচ”। সরকারী তহবিল এবং প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তেরপল এবং অন্যান্য প্রচার উপকরণের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের উন্নয়ন করে বলে তাঁদের এই নামকরণ করা হয়েছে।

প্রচারাভিযান সূচনাকারীরা #এপালওয়াচ ব্লগ এ “এপাল” রাজনীতিবিদদের মুখোশ উন্মোচনকারী ছবি জমা দিতে জনগণকে উৎসাহিত করছে। একটি এপাল বিরোধী ফেসবুক পাতায় ৩৩,০০০ এর উপর লাইক রয়েছে এবং সচেতন নেট নাগরিকরা অনেক ছবি জমা দিয়েছে।

স্মার্টফোনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘ইন্সটাপাট্রল’ এর মধ্যে একটা নতুন এপাল বিরোধী কার্যক্রম চালুর জন্য তাঁরা স্থানীয় আইটি কোম্পানি কওন ইনিশিয়েটিভসের সঙ্গে অংশীদারিত্বও শুরু করেছে।

এই নতুন বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ‘ইন্সটাপাট্রল’ ব্যবহারকারীরা এখন শুধুমাত্র খাবার, ট্রাফিক, রাস্তার গর্ত এবং অন্যান্য প্রাত্যহিক সমস্যার ছবিই নয় বরং “এপাল” রাজনীতিবিদদের ছবিও শেয়ার করতে পারবেন।

এই সাইটে জমাকৃত “এপাল” ছবিগুলোর কিছু উদাহরণ দেওয়া হল যেগুলো নির্লজ্জপনা থেকে শুরু করে বুদ্ধিকৌশলময় কার্যক্রম দেখিয়েছে। দক্ষিণ ফিলিপাইনের দাভাও ডেল সুর রাজ্যে একটি কথিত রাজনৈতিক রাজবংশের স্থাপিত বিল বোর্ড একটি পোষ্টার হিসাবে “পরিবার প্রতিকৃতি” বর্ণনা করছে।

নিচের ছবির মতো ম্যানিলার সব প্রধান সড়ক এবং পার্শ্ব রাস্তা বরাবর দেয়ালগুলো সাধারণত এসব প্রচারনার দ্বারা আক্রান্ত।

সরকারী যানবাহন গুলোরও একই অবস্থা।

নিচের শুভ হ্যালোইন তেরপল সরকারি কর্মকর্তাদের ছবিতে ভরপুর।

ইতিমধ্যে দুর্যোগ ত্রাণ সামগ্রীও ব্যবহার করা হচ্ছে “আগাম প্রচারণা” হিসেবে।

এছাড়াও ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক নেটওয়ার্কিং ভার্চুয়াল সাইটগুলিও এতে আক্রান্ত হয়েছে। নিচের লোকটি রাষ্ট্রপতি নয়নয় আকুইনো এর পিসতুত ভাই যিনি একজন সিনেট সদস্যের পদপ্রার্থীঃ

এমনকি চিনাবাদামের মাখনও রক্ষা পায় নি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .


বিশ্বের অঞ্চলসমূহ

দেশ

ভাষা

বিশেষ টপিক

লেখাটির সাথে আছে