উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অস্ট্রেলিয়া: সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ওয়েব দুধমাতার স্তন্যদান

অস্ট্রেলিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্য অংশে সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ওয়েব দুধমাতার স্তন্য (বুকের দুধ) দান মূলধারার মিডিয়ার কিছু কিছু অংশকে অবাক করেছে।

নিউজ লিমিটেডের নিউজ.কম.এইউ ‘সামাজিক মিডিয়ায় মায়েদের স্তন্য খোঁজ‘ (২রা সেপ্টেম্বর, ২০১২) রিপোর্ট করেছে:

স্তন্যদান করতে অক্ষম মায়েরা নিবন্ধিত স্তন্যভাণ্ডার এড়িয়ে দান করা মানব স্তন্যের জন্যে সামাজিক মিডিয়ার অপরিচিতদের কাছে যাচ্ছে।

মানব শিশুর জন্যে মানব দুধ‘ নামের এধরনের একটি নেটওয়ার্ক বুকের দুধের প্রয়োজন এমন পিতামাতাদেরকে যারা বিনামূল্যে এটি প্রদান করতে ইচ্ছুক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

Breastfeeding Graffiti in New Zealand

নিউজিল্যান্ডে স্তন্যদানের দেওয়াল চিত্র। এলিডিউকের ফ্লিকার পাতা থেকে নেয়া ছবি

ভারতের আইবিএন লাইভ এর মতো বিদেশী মিডিয়া এই কাহিনীটি লুফে নিয়েছে।

স্তন্য ভাগাভাগির ওয়েবসাইট এবং সামাজিক মিডিয়া পৃষ্ঠাগুলি খুঁজে পাওয়া সহজ। এইচএম৪(ফর)এইচএমবি এর নিজস্ব বৈশ্বিক ফেসবুক পৃষ্ঠা রয়েছে যেমন অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যে ইটস অন ফিটস এর স্থানীয় শাখা রয়েছে।

পুরানো মিডিয়ার সাম্প্রতিক আবিষ্কার সত্ত্বেও এটি সামাজিক মিডিয়ার নতুন বিশেষ কিছু নয়। তাছাড়া ওয়েব দুধমাতার ধারণাও শুধু ডিজিটাল যুগের প্রত্যাশিত কোন বিবর্তন নয়।

ডারউইনে বসবাসরত অতিসরল নতুন পিতা-মাতা ২০১০ সালে তার ব্লগে এর নিরাপদ ব্যবহার বিষয়ে কথা বলেছেন:

তবে এটা কোন রকেট বিজ্ঞান নয় – মূলতঃ অন্য মহিলার স্তন্য ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে কারণ আপনি আপনার নিজ শিশুকে স্তন্যপান করানোর জন্যে যে ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করবেন তারাও তেমনটিই করবেন। তারা মাদকদ্রব্য/ওষুধ গ্রহণ করবেন না যা স্তন্যদুধে যেতে পারে, তারা জীবাণুমুক্ত বোতল ব্যবহার করবেন এবং সেটা বের করার তারিখ লিখে রাখবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে তাদের যেন আপনার শিশুকে সংক্রমিত করতে পারার মতো এইচআইভি বা অন্য কোন রোগ না থাকে। সুতরাং আপনাকে আপনার দাতাকে বিশ্বাস করতে হবে এবং তাদের রোগ পরীক্ষায় রাজি থাকতে হবে।

এইচএম৪(ফর)এইচএমবি তৈরী হয়েছে ২০১০ সালের কাছাকাছি সময়ে। অনলাইন বিশ্বে কী ঘটছে সেটা ধরতে কখনো কখনো পুরানো মিডিয়ার এক মূহুর্ত সময় লাগে। আলেকজান্দ্রা এক বছর আগে তার ওহ না না! কে বুকের দুধ ভাগাভাগি করছে? ব্লগ পোস্টে কিছু কিছু বিষয় খূঁজে বের করেছেন:

ছোট্ট শিশুর জন্যে বুকের দুধ খুঁজছেন এমন পিতা-মাতাদের সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য নেই। আমি এই পরিবর্তনটি দেখার অপেক্ষায় আছি।

লরেন নামের একজন অস্ট্রেলীয় টুইটার ব্যবহারকারী তার নিজের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত:

@মিজলোজালুলিলেই: মায়েরা দয়া করে আপনাদের স্তন্য ভাগাভাগি করবেন না, কারণ অপরীক্ষিত দুধ ব্যবহার অনিরাপদ। তাছাড়া এর মানে হলো বিদ্রোহ করা। বেশি নিখুঁত (ভাল) হওয়ার চেষ্টা করবেন না। ২রা সেপ্টেম্বর ‘১২

তবে ড্যামো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত ভাগাভাগির পক্ষে:

@দ্যাটড্যামোগাই: @সুদৃশ্যনোংরা @ইউট্রাফ্যালিয়া আমি সারাদেশের প্রতিটি নারী ও শিশু হাসপাতালে স্তন্য ভাণ্ডার স্থাপিত হওয়া দেখতে চাই। এটা তরল সোনা। ২রা সেপ্টেম্বর ‘১২

ইউট্রাফ্যালিয়া ভাগাভাগি করা স্তন্যদুধের বাণিজ্যিক ব্যবহার সম্পর্কে আরো উদ্বিগ্ন:

@ইউট্রাফ্যালিয়া: @দ্যাটড্যামোনগাই @সুদৃশ্যনোংরা ব্যক্তিগত দাতা। লিটার প্রতি ৮০ডলার গলাকাটা হয় এবং ‘পণ্য’ হিসেবে স্তন্য বিষয়ে আমার কিছু বলার আছে। ২রা সেপ্টেম্বর ‘১২

তবে যাই হোক,  রিচার্ড নিক্সন বলতে চেয়েছেন বিনামূল্যে কিছু জুটে না।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .