অনেকেই হয়ত খেয়াল করছেন যে ইন্টারনেট স্বাধীনতার ব্যাপারে বিশ্ব এক সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। বিশ্বের নানা দেশে ইন্টারনেটকে সেন্সর করতে নতুন নতুন আইন বানানো হচ্ছে। অন্যদিকে ব্লগাররা তাদের অভিমত প্রকাশের জন্যে ক্রমাগত হুমকির মুখে পরছেন।
গত বছর বিশ্বের নানা সংগঠন একত্র হয়েছেন ইন্টারনেট স্বাধীনতা নিয়ে জোরে সোরে লড়াই করার জন্যে। যুক্তরাষ্ট্রে সোপা আর পিপার বিরুদ্ধে লড়াই, অথবা বিশ্বব্যাপী নকল বিরোধী বানিজ্য চুক্তির (অ্যাক্টা) বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে আমরা ইন্টারনেট স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতার একটি নবযুগ উন্মোচিত হয়েছে।
এটি মাথায় রেখে সম্প্রতি “ইন্টারনেট স্বাধীনতা ঘোষণা” স্বাক্ষর করেছে কিছু গোষ্ঠী, যাদের মধ্যে গ্লোবাল ভয়েসেস অ্যাডভোকেসীও একটি ছিল। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় ১৩০০টি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এটিতে স্বাক্ষর করেছে এবং এই তালিকা দিনে দিনে বাড়ছে। নীচে আপনি মূল ঘোষণাটি পড়তে পারবেন। আপনি এই ঘোষণাটিতে স্বাক্ষর করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। আপনি এর সাথে জড়িতও হতে পারেন অনেক সংগঠনের মাধ্যমে, যেমন, ইএফএফ, ফ্রি প্রেস, অ্যাক্সেস এবং চীজবার্গার।
প্রস্তাবনা
আমরা বিশ্বাস করি যে একটি মুক্ত এবং স্বাধীন ইন্টারনেট একটি উন্নত বিশ্ব এনে দিতে পারবে। ইন্টারনেটকে মুক্ত এবং স্বাধীন রাখতে, আমরা বিভিন্ন সমাজ, শিল্প এবং দেশকে এই চিন্তাধারাগুলোকে উপলব্ধি করার জন্যে অনুরোধ করছি। আমরা বিশ্বাস করি যে তারা এই ধারনায় আরও শৈল্পিকতা এবং উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে আসবে যা আরও উন্মুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করবে।
আমরা একটি আন্তর্জাতিক আন্দোলনে যোগদান করছি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে, কারন আমরা মনে করি স্বাধীনতা রক্ষা করতে লড়া যায়।
আসুন এর নীতিমালাগুলি নিয়ে আলোচনা করি – তাদের সাথে একমত বা দ্বিমত প্রকাশ করি, এটি নিয়ে আলোচনা করি, অনুবাদ করি, আপনাদের নিজস্ব করুন এবং আপনার কমিউনিটিতে এই আলোচনাটি নিয়ে যান – যা শুধু ইন্টারনেটের মাধ্যমেই সম্ভব।
ইন্টারনেটকে মুক্ত ও স্বাধীন রাখতে যোগদান করুন।
ঘোষণা
আমরা একটি মুক্ত এবং স্বাধীন ইন্টারনেট এর পক্ষে অবস্থান করি।
আমরা ইন্টারনেট সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে স্বচ্ছ ও অংশগ্র্রহন মূলক পদ্ধতি সমর্থন করি এবং পাঁচটি মূল নীতি প্রতিষ্ঠার কথা বলি:
অভিব্যাক্তি: ইন্টারনেটকে সেন্সর করো না।
অধিগত করার ক্ষমতা: দ্রুত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের নেটওয়ার্কে সবার অধিগমন নিশ্চিত করা।
অসঙ্কোচ ও অকপটতা: ইন্টারনেটকে একটি উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক হিসেবে রাখা যেখানে সবাই যেন নির্বিঘ্নে সংযোগ, যোগাযোগ, লেখা, পড়া, দেখা, , শোনা, বলা, তৈরি করা ও উদ্ভাবনী শক্তির প্রয়োগ করতে পারে।
নতুনত্ব: কোন অনুমতি ছাড়া নতুন কিছু তৈরি বা উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগের স্বাধীনতাকে রক্ষা করা। নতুন প্রযুক্তিকে অগম্য না করা এবং নতুন উদ্ভাবকদের তাদের কৃতকর্মের জন্যে শাস্তি না দেওয়া।
গোপনীয়তা: অপরের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং কিভাবে তথ্য এবং যন্ত্রপাতি/প্রযুক্তি ব্যবহুত হবে তা নিজেদের দ্বারা নির্ধারণ করার ক্ষমতাকে রক্ষা করা।































এই লেখাটি পাওয়া যাবে এই কয়টি ভাষায়:






















কিন্তু আন্না হাজারে কোথায় গেলেন?....উনিই আমাদের দ্বীতিয় গান্ধিজি।