এই পোস্ট সিরিয়া বিক্ষোভ ২০১১/১২-এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ।
আজ সামাজিক প্রচার মাধ্যমে সিরিয়ার নিত্যদিনের রক্তপাত-এর সংবাদ ধারণ করা নেট নাগরিকরা অবরূদ্ধ শহর হোমসের বাবা আমর ও তার আশেপাশের এলাকার আজকের মানবতাবিরোধী নৃশংসতার সংবাদে শিক্ত হয়ে এক ধাপ পিছনে সরে আসতে হয়েছে।
লিবিয়ার ত্রিপোলিতে অবস্থানরত এনপিআর মিডিয়া কৌশলী অ্যাণ্ডি কারভিন টুইট করেছেন:
@একারভিন: দুঃখপ্রকাশ করার মতো কিছু একটা বলার আগে আমাকে এক মূহুর্তের জন্যে আনপ্লাগ করতে হয়েছে। আমি এই মূহুর্তে এটা মেনে নিতে পারছি না। #হোমস্ #সিরিয়া আমি
তিনি আরো বলেছেন:
@একারভিন:প্রতিবেদক এবং নাগরিক সাংবাদিকদের হত্যাকাণ্ড আমাদের সাক্ষ্যদান থেকে বিরত রাখতে পারবে না। তোমরা আমাদের থামাতে পারবে না। # সিরিয়া # হোমস
তিনি সাথে যুক্ত করেছেন:
@একারভিন:এসব প্রতিবেদক এবং নাগরিক সাংবাদিকরা আমি আমার এক জীবনে যতটা পারবো এক দিনে তার চেয়ে বেশি সাহস জড়ো করেছে। আমি তাদের কাছে চিরঋণী। # সিরিয়া # হোমস্
এদিকে আয়াদ এল বাগদাদি স্বীকার করেছেন:
:একটু কান্নার জন্যে আমাকে একটি বিরতি নিতে হবে। পরে দেখা হবে।
ব্রিটেনের সানডে টাইমসের যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক মেরি কোলভিন এবং ফরাসি আলোকচিত্রী ঘেমি অশলিকের মৃত্যুর প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রতিক্রিয়াগুলো এসেছে। রয়টার্সের সংবাদ অনুযায়ী, ” তাদের ঘরে শেল আঘাত হানে এবং যখন তারা পালাতে চেষ্টা করে একটি রকেট তাদের আঘাত করে।”
ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের নেট নাগরিক সাংবাদিক ও সক্রিয় কর্মীরা, এক জায়গায় অবস্থান করার সময় আক্রান্ত মিডিয়া সেন্টারে তৃতীয় একজন প্রতিবেদক আহত হওয়ার কথা বলেন।
টুইটস(ফর)৪পীস, সিরিয়ার শাসকগোষ্ঠীকে আক্রমণ পরিচালনার দায়ে অভিযুক্ত করেন। এই টুইটার ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন:
টুইটস(ফর)৪পীস:আমরা জানি এটা সরকারের কাজ কারণ এখন পর্যন্ত এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা টানা ১৯ দিন ধরে চলেছে। আজকের লক্ষ্য ছিল মিডিয়া সেন্টার # হোমস্
খবরটি টুইটারে সহানুভূতির বন্যা সৃষ্টি করে যা বাশার আল আসাদ এবং তার শাসনবিরোধী সিরীয় বিক্ষোভে সংঘটিত গণহত্যা এবং হাজার হাজার নাগরিকের মৃত্যুতে বিশ্ববাসীর নীরবতার উপর ইতোমধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।
মিশর থেকে মাহা আব্দোলেনিয়েন টুইট করেছেন:
@মাহাগাবের:মর্মস্তুদ এবং অবিশ্বাস্য। আজ সিরিয়ার হোমসে মেরি কোলভিন নিহত । আমি তার সাথে ব্যাপকভাবে মিশরের সবকিছুর উপর কাজ করেছি।
দায়া হাদিদ মন্তব্য করেছেন:
@@দায়াহাদিদ:শান্তিতে থাক মেরি কোলভিন, ঘেমি অশলিক। খুব কমই এত সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণ করেন – যা অন্যেরা লুকাতে চায় তা বিশ্বকে বলে দিয়ে।
আর রানিয়া জাবানেহ আমাদের মনে করিয়ে দেন:
@আরজাবানেহ: # সিরিয়া সাংবাদিকদের জন্য একটি মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। এটা সাংঘাতিক: ২০১২ সালে আট সাংবাদিক নিহত; চারজন # হোমস্-এ।
এদিকে সিএনএন-এর প্রতিবেদক আরওয়া উপসংহার টেনেছেন এই বলে:
@আরওয়াসিএনএন:#হোমসে নিহত আমাদের সহকর্মী তোমরা শান্তিতে ঘুমাও, নৃশংসতার উপর আলোকপাত করতে গিয়ে আমরা যে দাম পরিশোধ করি, স্বাধীনতার জন্যে # সিরিয়া তা পরিশোধ করে প্রতিদিন
এই পোস্ট সিরিয়া বিক্ষোভ ২০১১/১২-এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ।






























এই লেখাটি পাওয়া যাবে এই কয়টি ভাষায়:




















কিন্তু আন্না হাজারে কোথায় গেলেন?....উনিই আমাদের দ্বীতিয় গান্ধিজি।