GlobalVoices পাওয়া যাবে আরও জানুন »

দক্ষিণ এশিয়া: বিশ্বের প্রতীকী ৭০০ কোটিতম শিশুর জন্ম উদযাপন

অনুবাদগুলোএই লেখাটি পাওয়া যাবে এই কয়টি ভাষায়:

English · South Asia: Celebrating The 7 Billionth Child
Español · Asia del Sur: Celebrando el bebé 7 mil millones
عربي · جنوب آسيا: الاحتفال بولادة الطفلة التي وصلت بتعداد السكان الى 7 بلايين نسمة
Malagasy · Azia Atsimo: Mankalaza ny Zazakely Faha-7 Miliara
Français · Asie du Sud : Le sept milliardième bébé
русский · Южная Азия: С рождением этого ребенка нас стало 7 миллиардов
македонски · Јужна Азија: Прославување на 7 милијардитото дете
日本語 · 南アジア:70億人目の子どもを祝福
Shqip · Azi Jugore: Festimi i fëmijës së 7-miliardë

৩১শে অক্টোবর পৃথিবী ঐশী নামক এক নবজাতকের কান্নাকে স্বাগত জানাল। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ঐশীর জন্ম এক বিশেষ বার্তা বয়ে এনেছে। সে হচ্ছে পৃথিবীর ৭০০ কোটিতম মানব।

দি এডিটর.নেট নামক ওয়েব পত্রিকা জানাচ্ছে:

এ ধরণীতে ৭০০ কোটিতম শিশু এসেছে; তাও আবার রাজধানী ঢাকাতে। সৌভাগ্যবান ফুটফুটে শিশুটির জন্ম দিয়েছেন মহসীন হোসেন ও তন্বী হোসেন। একটি ছেলে সন্তানের আশায় তারা তৃতীয় এ কন্যা শিশুর জন্ম দেন। আর এই তৃতীয় সন্তানটিই হচ্ছে পৃথিবীর সাতশ কোটিতম শিশু (প্রতিকী)। 

আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু সুরক্ষা কেন্দ্রে রাত ১২টা ১ মিনিটে পৃথিবীর বুকে আসে ফুটফুটে শিশুটি।

বিশ্বে কোন শিশুটি ৭০০ কোটিতম শিশু কোনটি হতে পারে এই বিষয়ে ধারনা করা কঠিন, তাই এটিকে একটি প্রতীকী নাম্বার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঐশীকে চিহ্নিত করে জাতিসংঘের ইউএনএফপিএ নামক প্রতিষ্ঠানটি।

এ ব্যাপারে পত্রিকাটি আরো জানাচ্ছে:

মোমবাতি জ্বেলে, কেক কেটে উদযাপন করা হয় শিশুর জন্মকে। সাতশ কোটিতম এ শিশুটিকে দেখতে হাসপাতালে ছিল উৎসুক মানুষের ভীড়। ইউএনএফপিএর সেভেন বিলিয়ন অ্যাকশন প্রকল্পের অধীনে এ জন্মদিন পালন করা ছিল আনুষ্ঠানিকতা।

গ্রুপ ব্লগ সামহয়ারইনে ব্লগার পোষা পাখি “ঢাকায় জন্ম নিল পৃথিবীর ৭০০ কোটিতম শিশু” নামক শিরোনামে এই সংবাদ তুলে ধরেছেন এবং তার লেখার উপর প্রচুর মন্তব্য এসেছে।

জুর্নো মন্তব্য করেছেন:

বাংলাদেশের ৭০০ কোটিতম এ শিশুকে পৃথিবীতে স্বাগতম। আলোকিত মানুষ হয়ে বেঁচে উঠুক এই প্রত্যাশায়।

মিঠাপুর শিশুটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সাথে এই চিহ্নিত করণের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ঠাট্টাচ্ছলে মন্তব্য করেছেন:

একটা প্রশ্ন: ৭০০ কোটিতম -হিসাব করলো কি করে?    

এমন যদি হত লাইনটা-

ঢাকায় জন্ম নিল পৃথিবীর ৭০০ কোটি শিশু  

একদিন হবে নিশ্চয়- কি বলেন? 

তবে আতিক ৭০০ আর ৭০১ কোটিতমের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন না।

৭০০ তম কোটি তে জন্ম নিয়া কি লাভ আর ৭০০ কোটি ১ তম হইয়া জন্ম নিলে কি সমস্যা বুঝলাম না। এই ঘটনা নিয়া এত আলোচনার কি আছে। প্রতিদিনই তো কেউ না কেউ একটা নাম্বার নিয়া জন্মায়। 

ওগো সবার জন্য দোয়া রইল।

বিশ্বের কাছে শিশুটির আগমন আনন্দের হলেও, তার আগমন পিতামাতাকে ততটা আনন্দিত করেনি। কারণ ঐশী একটি মেয়ে শিশু। তার বাবা মা এবার একটি ছেলে সন্তানের আশা করেছিল

শ্রীলন্কার মাতা দানুশিকা পেরেরার কোলে ৭০০ কোটিতম শিশুকন্যা মুথুমানি। ছবি রোহান করুণারত্নের তোলা। সর্বস্বত্ব ডেমোটিক্স (৩১/১০/২০১১)

শুধু বাংলাদেশে নয় এরূপ প্রতীকি উদযাপন হয়েছে অন্যান্য দেশেও। শ্রীলন্কাতে ইশারা মাধুশন্ক ও দানুশিকা পেরেরার শিশুকন্যা মুথুমানিকে ৭০০ কোটিতম শিশুর মর্যাদা দিয়েছে ইউএনএফপিএ।

অনুরুপভাবে ভারতে কন্যা শিশু নার্গিসকে প্রতীকী অর্থে বিশ্বের ৭০০ কোটিতম মানব হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল।

লাইভ ইন্ডিয়া.কম জানাচ্ছে [হিন্দি ভাষায়]:

उत्तर प्रदेश की राजधानी लखनऊ से 35 किमी दूर माल कस्बे में सोमवार सुबह एक बच्ची ने जन्म लिया, जिसे प्रतीक रुप से दुनिया का सात अरबवां बच्चा माना जा रहा है। बच्ची का नाम नरगिस रखा गया है। 

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দুরে মাল কসবে নামক এলাকায় সোমবার ভোরে এক বাচ্চার জন্ম হয়েছে যাকে প্রতিকী রুপে বিশ্বের ৭০০ কোটি তম মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই শিশুর নাম রাখা হয়েছে নার্গিস।

কাকতালীয়ভাবে ৭০০ কোটিতম সন্তান হিসেবে চিহ্নিত হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার এই তিনটি শিশুই মেয়ে তারপরেও বাস্তব বিষয় হচ্ছে বিশ্বে নারী শিশু এখনো অনেক বঞ্চনা এবং অবহেলার শিকার।

বিশ্বের ক্রমশ বাড়তে থাকা জনসংখ্যা বিশ্বের জন্য চাপ হিসেবে বিবেচিত হলেও, মেয়ে শিশু যেন আগামীতে অবহেলার শিকার না হয় – মুথুমানি, নার্গিস এবং ঐশী যেন সেই বার্তা নিয়ে এসেছে।

1 টি মন্তব্য

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .


বিশ্বের অঞ্চলসমূহ

দেশ

ভাষা

বিশেষ টপিক

লেখাটির সাথে আছে