The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

দেশ:
ভারত, বাংলাদেশ, সিয়েরা লিয়ন, পেরু, অস্ট্রেলিয়া
বিষয়:
শিশু, উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, মানবাধিকার
ভাষা:
ইংরেজী
বিশেষ:
কনভার্সেশন্স ফর এ বেটার ওয়ার্ল্ড (আরও ভালো এক পৃথিবীর জন্যে কথোপকথন)

 
Conversations for a Better World

এই পোস্ট হচ্ছে গ্লোবাল ভয়েসেস এর উদ্যোগে একটি সিরিজের অংশ যা ইউএনএফপিএ ব্লগ Conversations for a Better World এর জন্যে তৈরী। সবগুলো পোস্ট



শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে

শিশু, ছবি: গোবি_মেনাশে

গর্ভধারণ, শিশু জন্মদান বা জন্মদানের পর নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় যখন একটি নারী মারা যায়, তখন বিষয়টি কেবল সেই পরিবারের উপর প্রভাব ফেলে না, সেটি পুরো সম্প্রদায়ের উপর এক প্রভাব তৈরি করে। এই সমস্ত ভিডিও, যা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তোলা, তা পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে আমাদের জানাচ্ছে কিছু গর্ভবতী মেয়ে ও তাদের পরিবারের গল্প। যার মাধ্যমে বুঝতে চেষ্টা করা হচ্ছে, কেন সন্তান জন্মদানের সময় অনেক নারী মারা যায় এবং এই সমস্ত মৃত্যুর ঘটনা থামানোর জন্য কি কি করা উচিত।

প্রথমে রয়েছে, হোয়াইট রিবন এলায়েন্সের তোলা চার মিনিটের একটা ভিডিও, যার শিরোনাম জন্ম ও মৃত্যু। এই ভিডিও ব্যাখ্যা করছে, মাতৃত্বকালীন সময়ে মৃত্যুর জটিলতা কতটা ভয়াবহ এবং কি ভাবে একে বন্ধ করা যায়।

ইউনিসেফও দুই মিনিটের একটি ভিডিও তৈরি করেছে যার উদ্দেশ্য এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা, পাঁচটি ধাপ পালনের মধ্যে দিয়ে মাতৃত্বজনিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব: এই ধাপ গুলো হল শিক্ষা, শ্রদ্ধা, ক্ষমতা, তদন্ত বা যাচাই করা এবং নিরাপত্তা প্রদান।

এই ভিডিওটি তৈরি করেছে হিউম্যান রাইট ওয়াচ নামের প্রতিষ্ঠান এবং এর শিরোনাম খুব নিরবে: ভারতে মায়েদের মৃত্যুর ঘটনা। ফটোগ্রাফার সুসান মেইসেলাস ও সাংবাদিক ডুমেথা লুথরা ভারতের সেই সমস্ত এলাকা ভ্রমণ করেছেন যেখানে জানা গেছে শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে মায়েরা মারা গেছে ।

পেরুতে তৈরি এই ভিডিওর নির্মাতা ফিল বর্জেস, তিনি কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি তৈরি করেছেন। দি ওয়াচওমেন ফর লাইভ নামক প্রোগ্রাম মেয়েদের মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে এক সফল ভিডিও বলে প্রমাণিত হয়েছে: এখানে রয়েছে সম্প্রদায়ের মধ্যে মেয়েদের ক্ষমতা প্রদান করা এবং তাদের শিক্ষিত করা এবং মাতৃত্বকালীন সময়ের স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব ও ধাত্রীদের এক সতর্কতা সঙ্কেত সম্বলিত চার্ট। এই চার্টে থাকবে কখন কখন গর্ভবতী মাকে ক্লিনিকে পাঠাতে হবে, সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে কখন একটা নারীকে ক্লিনিকে নিয়ে যেতে হবে। এর কারণে প্রসব বেদনার সময়কার জটিলতার ক্ষেত্রে নাটকীয়ভাবে মৃত্যুর হার কমে গেছে।

এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই ভিডিওটি বানিয়েছে যা ১৮ মিনিট লম্বা। এই ভিডিওটি সিয়েরালিওনের মাতৃত্বজনিত মৃত্যু নিয়ে বানানো। দেশটির প্রতি ৮ জন নারীর একজন সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়: চিকিৎসা সংক্রান্ত মনোযোগ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসা কর্মীর অভাব এবং হাতুড়ে কর্মী ও ক্লিনিক এ সমস্ত মৃত্যুর প্রধান কারণ। এই ভিডিওর মেয়েটি যেমনটা বলছে, এখানে সবাই জানে, গর্ভকালীন ও প্রসবের সময় যে কোন মেয়ে মারা যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবিকা ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের ছাত্রীরা শিশু জন্মদানের সময় ব্যবহারের জন্য বিশেষ সরঞ্জাম তৈরি করেছে যা উন্নয়নশীল বিশ্বে সরবরাহ করা হবে, যাতে সে সব দেশে মাতৃত্বকালীন সময়ে অপ্রয়োজনীয় সকল মৃত্যু রোধ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে একটা প্লাস্টিকের চাদর যার নিচে মাকে রাখা যায়, শল্য চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য দস্তানা, চামড়া কাটার জন্য ব্লেড, গজ বা বিশেষ কাপড়, সাবান এবং জন্মের সময় শিশুর নাড়ি বেধে রাখার উপাদান। এই ভিডিওতে তারা তাদের এই উদ্যোগের কথা জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশে সফলতার সাথে যে তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .