The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

দেশ:
ভারত
বিষয়:
সরকার, প্রচার মাধ্যম, যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ
ভাষা:
ইংরেজী

 

ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাষ্ট্রে মাওবাদী গেরিলা (নক্সাল) এবং জাতীয় ও প্যারামিলিটারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে। গত জুনে ভারত সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে (মাওবাদী) নিষিদ্ধ করে দেন। বেআইনি কাজ (প্রতিকার) আইনের আওতায় অসংসদীয় এই রাজনৈতিক দলটিকে সন্ত্রাসী সংস্থা পরিচয় দিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়।

ওপেন ইন্ডিয়া ব্লগে আরাধনা ঝুঞ্ঝুনওয়ালা মাওবাদীদের ইতিহাস এবং এই সংঘাতের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেছেন

গত ২০শে অক্টোবর পশ্চিম মেদিনীপুরে কয়েক ডজন মাওবাদী সাংক্রাইল পুলিশ স্টেশনে হামলা চালায় আর অস্ত্রের ভান্ডার থেকে ১০টি বন্দুক আর সব গোলাবারুদ নিয়ে যায়। দুইজন পুলিশ নিহত হয়েছেন এতে আর অফিসার ইন চার্জ ইন্সপেক্টর অতিন্দ্রনাথ দত্তকে অপহরণ করে তারা।

ইন্ডিয়া আন্ডার এট্যাক এন্ড আদার মিউজিং!! কোন পরিস্থিতিতে আক্রমণ কারীরা সফল হয়েছে তা জানিয়েছেন:

১৩ জন কন্সটেবল, ৫জন হোম গার্ড, ৩জন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক ফোর্স সদস্য আর ৩জন সাব ইন্সপেক্টর পুলিশ স্টেশনে ছিল যখন মাওবাদীরা আক্রমণ করে। একজন পুলিশের কাছেও অস্ত্র ছিল না। অস্ত্র প্রশিক্ষণের পরে ট্রাঙ্কে তালা মেরে রাখা হয়।

কেন? পুলিশ বলে এই অস্ত্র নক্সালরা যা ব্যবহার করে তার তুলনায় কিছুই না- তাই তালা মেরে রাখা বেশী ‘নিরাপদ’।

মাওবাদীরা পুলিশ অফিসারকে বন্দি করে তার মুক্তির বদলি দাবি করেছিল, ১৪জন উপজাতি নারীর মুক্তি, যাদেরকে পুলিশ মাওবাদী সন্দেহে কিছুদিন আগে গ্রেপ্তার করেছিল।

সান্স সেরিফ ব্লগ জানিয়েছে যে অক্টোবরের ২২ তারিখ ব্লগার সুবীর ভৌমিকসহ দুইজন বিবিসির সাংবাদিক রাজ্য সরকার আর মাওবাদীদের মধ্যে একটা সমঝোতা করাতে পেরেছেন, যার ফলে নিরাপদ মুক্তি হয়েছে জনাব দত্তের। এটি আদালত কর্তৃক ১৪ জন উপজাতি নারীকে জামিনে মুক্তি দেয়ার রায়ের পরে সম্ভব হয়েছে।

দ্যা টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক রিপোর্ট অনুসারে, বিবিসির সাংবাদিকরা ‘সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করেছেন আর সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে সংযোগ ঘটিয়ে দিয়েছেন যখন মাওবাদীদের নেতা কোটেশ্বর রাও বা কিশেনজি রাজ্য সরকারের সাথে সরাসরি কথা বলতে অস্বীকার করেন।

উক্ত ব্লগার এই ঘটনা অন্যান্য আরও ঘটনার সাথে তুলনা করেছেন যেখানে সাংবাদিকরা তাদের কাজের মাধ্যমে সংবাদ তৈরিতে অবদান রেখেছেন।

ড: উজ্জ্বল কে পাল আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন:

অপহরণের ঘটনা আনন্দের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।

তবে, জ্বলজ্বলে তুলনাতে, কাঞ্চন গারিয়া আর সাবির আলি নামে আরো দুইজন পশ্চিম বংগ পুলিশ সাংক্রাইল এর ওসির মতো সৌভাগ্যবান না। কেউ জানে না তারা কোথায় বা আদৌ বেঁচে আছেন কিনা। হয়তো প্রশাসন তাদেরকে খুঁজে বের করতে তত আগ্রহী না।

কলকাতা থেকে নির্মাল্য নাগ সমস্যার গোঁড়াতে আঘাত করেছেন:

ধন্যবাদ সরকারকে পুলিশকে অন্ধ ভাবে যে কাউকে মাওবাদী বলে গ্রেপ্তার করতে দেয়ার জন্য আর পুলিশকে তাদের স্বল্প নিরাপত্তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য, ধন্যবাদ বিরোধীদলকে মাওবাদীদের করা হত্যার প্রতিবাদ না করার জন্য। ধন্যবাদ মানবাধিকার সংস্থাকে যারা মাওবাদীদের উপরে প্রস্তাবিত অপারেশনের ব্যাপারে নিন্দা জ্ঞাপন করে কিন্তু তারা যখন মানুষকে হত্যা করে সেই ব্যাপারে চুপ থাকে।

এখন আসুন আমরা পরবর্তী অপহরণের অপেক্ষায় থাকি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .