বন্ধ করুন

গ্লোবাল ভয়েসেসকে শক্তিশালী করতে আমাদের সহায়তা করুন

আমরা ১৬৭টি দেশের উপর রিপোর্ট করি। আমরা ৩৫টি ভাষায় অনুবাদ করি। আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস।

প্রায় ৮০০ এর বেশী গ্লোবাল ভয়েসেস এর লেখক একসাথে কাজ করছে আপনার কাছে অজানা সব গল্প তুলে ধরতে। কিন্তু আমাদের পক্ষে একা সব করা কঠিন। আমাদের অনেকেই স্বেচ্ছাসেবক হলেও আমাদের সম্পাদক, প্রযুক্তি এবং অ্যাডভোকেসী প্রকল্প ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ব্যয়ভারের মেটানোর জন্যে আপনাদের সাহায্য প্রয়োজন।

আমাদের সহায়তা করুন এখানে ক্লিক করে: »
GlobalVoices পাওয়া যাবে আরও জানুন »

ফিলিপাইনস: এইচআইভির সাথে বসবাস

hiv-aids-300x224

ফিলিপাইনসের যেসব তরুণ এইচআইভি পজিটিভ বা এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছে তারা তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রামের ঘটনা বর্ণনা করার জন্য ব্লগের সাহায্য নিচ্ছে। দিনে দিনে এইসব ব্লগারের সংখ্যা বাড়ছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন তরুণদের মধ্যে কথোপকথনে উদ্বুদ্ধ করছে। ফলে এইসব ব্লগ দেশে এইচআইভি /এইডসের সম্বন্ধে সবাইকে সচেতন করতে সাহায্য করছে।

যদি কোন ব্যক্তি তার অবস্থা খোলাখুলি জানাতে প্রস্তুত না থাকে, তবে তার জন্য বেনামী ব্লগ রয়েছে যা তাকে তার গল্প বলতে সাহায্য করবে। এমনই করেছেন পজেটিবো০০৭

আমার বন্ধু, আমি তোমার জন্য এই ব্লগটি সৃষ্টি করেছি। যখন ঠিক সময়টি আসবে, তখন তুমি এই ব্লগটি পড়বে, কিন্তু এখন আমি তোমাকে বলার জন্য তৈরি নই যে আমার মধ্যে ‘সে’ রয়েছে।

শুরু থেকে বলা যায়, আমার কি হয়েছিল, এই ঘটনা এক বেদনাদায়ক গল্প বলা….. আমি দ্বিতীয় দিনে এই একাউন্টটি খুলেছি, এ কারণে যে আমার মধ্যে “সে” রয়েছে।

আমি তোমাকে উদ্বিগ্ন করতে চাই না। আমি ঠিক আছি। আমার স্বাস্থ্য ঠিক আছে এবং আমি এখনও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি।

লাইফ আফটার পুসিট, যখন তার পছন্দের মানুষটি এই সত্যকে গ্রহণ করতে পারে নি, তখন সে বেদনা অনুভব করেছে

ঘটনা হচ্ছে আমাকে ইতিবাচক হতে হয়েছে, আমার পেটের জন্য। এটা এক সত্য, কিন্তু আমার জন্য তা গ্রহণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, যখন আমি দেখি যে সমস্ত লোকজন, যারা আমার কাছে আলাদা মানুষ, তারা আমার এই বাস্তবতাকে মেনে নিতে পারে নি।

তাঁর, উত্তর আমার জানা প্রয়োজন, তাঁর, কণ্ঠস্বর আমার শোনা প্রয়োজন। আমার জানা প্রয়োজন, সে কি আমার সাথে থাকবে, নাকি সে তাঁর নিজের পথে চলবে।

ব্যাক এটা দা ক্লজেট নিজেকে এইভাবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে:

আমি এক পুরুষ সমকামী। যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করি সেদিন থেকে আমি সম্ভবত তা ছিলাম। আমার ২১ তম জন্মদিনে, আমার এই পথে যাত্রা শুরু। আমি আমার পিতামাতার ঘর থেকে বের হয়ে আসি। এটি আমার মায়ের ক্ষেত্রে সামান্য নাটকীয়তা সৃষ্টি করে এবং আমার পিতার বেলায় কিছু পার্থক্য তৈরি করে এবং সর্বোপরি বের হয়ে আসার বিষয়টি প্রায় সঠিক ছিল।

এখন ঘটনার নয় বছর পর, আমার ৩০ তম জন্মদিনের ঠিক দুই সপ্তাহ আগে, আমি আবিষ্কার করলাম- আমি একজন এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি।

এবং এই ভাবে আমার গল্প শুরু হল…আমি ব্যাক ইন দা ক্লজেট

তার সম্প্রতি সিডি৪-এর পরিমাণ (এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা পরিমাপক) বেড়ে নয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

প্রতি ছয় মাস পরপর সিডি৪ পরিমাপ করা, এইচআইভির জীবাণু নিয়ে বাস করে এক ব্যক্তির জন্য অনেক আদর্শ কাজ।

আমার সিডি৪ এর পরিমাণ ৪৯৩। এটি নয় পয়েন্ট বা মাত্রায় অবস্থান করছে। হুমম, এই বিষয়ে আমার অনুভূতি মিশ্র। নয় পয়েন্ট? সামান্য নয় পয়েন্ট? ছয় মাস আগের ১৫৬ এর তুলনায় অনেক কম? হুমম, তাৎক্ষনিক ভাবে খুশি হবার মতো তেমন কিছু নয়?

কিন্তু ছয় মাস এই অসুখের মধ্যে বসবাস করার ব্যর্থ অবস্থার কথা বিবেচনা করলে বলা যায়, বন্ধুরা আমাকে ত্যাগ করেছে, আমার পুরোনো পেশার আরাম দায়ক নিশ্চয়তা ছেড়ে আসতে হয়েছে, নতুন পেশায় মনোনিবেশ করতে হয়েছে, প্রতিদিনের লম্বা ভ্রমণে কুস্তি করতে হচ্ছে, এআরভি ওষুধের বেশি ডোজ ভুল ক্রমে খাওয়া, আমায় প্রায় মৃত্যুর কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং এ রকম আরো সম্ভাব্য ভয়ানক যন্ত্রণা দায়ক পরিস্থিতি… হঠাৎ, নয় পয়েন্ট , তেমন খারাপ শোনায় না। অন্তত তা নিচে নামে নি, ঠিক আছে? কাজেই, আমি সুখী।

ম্যানিলা গে গাই তে, চার্লি লিখেছে, এইচআইভি নিয়ে তার লড়াই করার কথা:

এক বছর হতে চলল, যখন আমি আমার শারীরিক অবস্থার কথা শুনি এবং এখনও আমি আমার স্বাভাবিক জীবন যাপনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। জীবনের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গি নাটকীয় ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। আমি আশাবাদী থেকে উন্মাদে পরিণত হয়েছি এবং সকল সময় আমাকে হতাশা গ্রাস করছে। আগে আমি বন্ধু ও সমাজের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেছি, কিন্তু এখন আমি জীবনের আশা ছেড়ে দিয়েছি এবং একজন মৃত মানুষের মত বেঁচে আছি। এ ভাবেই আমি আমার জীবন ছবিকে আঁকি। আমি কোন সম্পর্ক গড়া থেকে বিরত থাকছি এই ভয়ে যে, তারা এই অবস্থায় আমাকে বাতিল করে দিতে পারে এবং আমার সমালোচনা করতে পারে।

চার্লির এই চিঠি অনেক প্রতিউত্তর এসেছে। এখানে জেমসের পাঠানো উপদেশ দেওয়া হল:

চার্লি, আমি এক এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি, যখন আমি প্রথম এই সত্যটি সম্বন্ধে জানলাম, আমার অনুভূতি তোমার মতোই হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল আমার জীবন থেমে যাবে এবং আমি এমনভাবে বেঁচে থাকবো, যেন আমি আমার মৃত্যুর অপেক্ষায় রয়েছি। কিন্তু আমি উপলব্ধি করলাম, জীবন এখনো অনেক বাকী। তখন আমি এই রোগ সম্বন্ধে চিন্তা করতে শুরু করলাম। যদি আমরা আমাদের এই রোগ নিয়েই ভাবতে থাকি, তা হলে আমরা আরো তাড়াতাড়ি মারা যাব। কাজেই আস, ধর্মীয় ভাবে আমরা আমাদের ওষুধ গ্রহণ করি এবং আমাদের সিডি৪ এর পরিমাপ করতে থাকি। আমাদের সবার আগে দরকার স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা। নিজের যত্ন নিও, চার্লি।

আর্ট থেকে আরেকটি উত্তর এসেছে:

এইচআইভি হওয়া মানেই মৃত্যুর ঘণ্টা বাজা নয়। আমি জানি, এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়া আপনার জন্য কতটা কঠিন। যারা আপনাকে এ ব্যাপারে ভালো উপদেশ দিতে পারবে তাদের খুঁজে বের করুন। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন! আমি জানি কাজটা কঠিন, কিন্তু নিজের বেদনায় গড়াগড়ি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনার ঠিকমতো চিকিৎসা গ্রহণ ও শরীরের সঠিক অবস্থা বজায় রাখা দরকার। পরিপূর্ণ মাত্রায় জীবন যাপন করুন।

ডা এল রিও যখন জানতে পারলেন তিনি এইচআইভিতে আক্রান্ত, তখন তিনি এইচআইভি/এইডস বিস্তার রোধে খ্রীষ্টান ধর্মমতে জীবন যাপন প্রচারণার উদ্যোগ নেন।

এই ভয়াবহ মেডিকেল রিপোর্টের পর আমি যেন এক মৃত মানুষের মতো হাঁটছিলাম, যেহেতু আমি কাজ এবং স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখন এমন ভাবে সব কিছু শুরু করলাম, যেন জীবনে কিছুই ঘটে নি। এই দু:খজনক সময় ঈশ্বরকে স্মরণ করলাম এবং এই সত্যকে গ্রহণ করলাম যে, আমি রোগাক্রান্ত এবং ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে আমি মারা যাব। আমি উপলব্ধি করলাম আমার এই ঘটনার দায় ভার আমাকে নিতে হবে।

এখন এই ঘটনা আমাকে অনেক সময় দিচ্ছে চিন্তা করার জন্য এবং ঘটনাক্রমে আমার জীবন পাল্টে দিয়েছে, যা জীবনের জন্য এক বিশাল পরিবর্তন …. প্রভু যীশুকে স্মরণ করা।

পিনয় এইচআইভি প্লাস, একটা গল্প আমাদের সবাইকে জানাচ্ছে, কিভাবে এইচআইভি আক্রান্ত মেয়েটি তার বোনের কাছে নিজের অবস্থার স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে

আমার পরিস্থিতি আমার পরিবারকে জানানোর জন্য, সে সময় আমি ভেবেছিলাম হয়তো এটাই সঠিক সময়। কাজেই আমি আমার বোনকে বিষয়টি জানালাম। প্রথমে সে আমার কথা গুরুত্বের সাথে নেয় নি। কিন্তু আমি তাকে বললাম, এটা সত্যি ঘটনা এবং কিভাবে এই ভাইরাস আমার শরীরে এলো সেই গল্পটি তাকে বললাম। তাকে বললাম কিভাবে আমি জানলাম যে, আমার ভেতরে এই ভাইরাস রয়েছে। সে ছিল খুবই সাহায্য কারী একজন। আমি তাকে বললাম, আমার অন্য বোনদের বিষয়টি জানাতে, যাতে আমি তাদের সব কিছু খুলে বলতে পারি। আমার অন্য বোনেরাও সাহায্য করার মানসিকতা রাখত। অবশ্য এখন তাদের উদ্বেগের বিষয়, এই অসুখ নিয়ে আমি কি করছি অথবা আমি ঠিক আছি কিনা। আমি তাদের বললাম যে আমার কোন কিছুই বদলে যায় নি, একমাত্র আমার জীবন যাপন পদ্ধতি ছাড়া। তাদের দিক থেকে তারা বলল, কোন কিছু পাল্টে যায় নি, আমি এখনো তাদের বোন, তারা যে ভাবে আমাকে জানত। তারা আমাকে খুব ভালবাসে এবং যখন আমার যাবার সময় আসবে, তখন তারা আমার পাশে থাকবে….. নাটকীয়তা।

আই হ্যাভ এইচআইভি, ব্লগারকে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের সাথে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দুই সপ্তাহ কাটাতে হয়েছিল, এই রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করার জন্য।

এই ঘটনাটি আমি আমার বাবা-মাকে খুলে বলি এবং আমরা সিদ্ধান্ত নেই, আমরা আমাদের পঞ্চম ভ্রাতাকে আমার শারীরিক অবস্থার ব্যাপারটি খুলে বলা দরকার। যখন সে এই বিষয় সম্বন্ধে জানতে পারে তখন সে আর্তনাদ করে উঠে। ঘটনাক্রমে সে এটিকে মেনে নেয়। আমি আমার ব্যবসায়ীক অংশীদারদের বললাম, আমি দুই সপ্তাহের ছুটিতে যাচ্ছি, যাতে তারা আমার অবস্থান সম্বন্ধে কোন প্রশ্ন না করে।

যখন আমরা হাসপাতাল উপস্থিত হই, আমার ডাক্তার আমাকে ভর্তি করে নেন, এবং আমাকে প্রস্তুত হতে বলেন। তিনি আমাকে আমার সঙ্গীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, যারা এআরভি চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করবে। প্রথম দিন আমি নাক উঁচু ভাব করে ছিলাম। তখন আমি কেবল আমার ভাইয়ের সাথে কথা বলতাম। আমি হাসপাতালের দেওয়া খাবার খেতাম না। আমি সব সময় আমার ভাইকে বলতাম হোটেল থেকে খাবার কিনে আনতে।

ঘটনাক্রমে দুই সপ্তাহ অনেক লম্বা সময় এবং আমি অন্য সব রোগীদের সাথে ঘনিষ্ঠ হলাম। সেখানকার বেশীর ভাগ রোগী পুরুষ সমকামী। আমি এবং আমার অন্য সঙ্গীরা এআরভি নেওয়া শুরু করলাম এবং দিনে দিনে আরো ঘনিষ্ঠ হলাম।

তার জীবনের নতুন লক্ষ্য:

অন্যদের সাহায্য করা, যারা তার মত একই রোগে আক্রান্ত এবং অন্য লোকদের শিক্ষিত করা এই নতুন টাইম বোম, যা টিকটিক করছে তার প্রভাব সম্বন্ধে। এই বোমের নাম এইচআইভি/এইডস। সরকারের এই বিষয়ে দেখার মতো যথষ্টে সময় নেই, কারণ আমাদের অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আমি মনে করি দিনের প্রতিটি সেকেন্ডে এবং মিনিটে এইচআইভি খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে।

দি ক্রনিকল অফ ই, এইচআইভি সচেতনতা সম্বন্ধে যে প্রচারণা হচ্ছে তা যথেষ্ট বলে মনে করছেন না:

যখন ধরা পরল আমি একজন এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি, আমি ভেবেছিলাম এটাই বুঝি আমার জীবনের শেষ অধ্যায়। আমি ভয় পেয়েছিলাম, কারণ আমি মনে করেছিলাম আমি শীঘ্রই মারা যাচ্ছি- এবং এই সমস্ত ওষুধ! আমি জানি এইচআইভির চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল … এর চিকিৎসা করার মতো সামর্থ্য আমার ছিল না। এবং না, আমি পারি নি এবং পারবো না, আমার সঙ্গীদের একথা জানাতে। এখনো পারি নি! কিছুদিন পরেই আমি আবিষ্কার করলাম কিছু এনজিও ও সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, যারা এইচআইভি আক্রান্তদের সাহায্য করে।

এখন আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করি. কেন এখন? কেন আমি এইচআইভিতে আক্রান্ত হবার আগে সচেতন হলাম না? সকল তথ্য জানার আগেই কি আমার এইচআইভি পজিটিভ হবার প্রয়োজন ছিল? এখন এটি আমাকে ভাবাচ্ছে সচেতন হবার কথা।

কাব্লগ! নিশ্চিত করেছে যে এখনো ফিলিপাইনসের এইচআইভি আক্রান্তদের সাথে ঘৃণার এক সম্পর্ক রয়েছে।

আমি বলছি, অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে। আমি অনুভব করছি, অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে। আমি উদ্বিগ্ন যে, এটা অনেক সময়। আমি মনে করি এটা বলা অনেক নিরাপদ যে, সকলে জানে ফিলিপাইনস এইচআইভিকে এক ঘৃণা ঘিরে ধরে রেখেছে।

এ যেন নরক, যদি কেউ এই পরীক্ষা করতে যায়, এমনকি পরীক্ষা করার কথা চিন্তা করে, তুমি হয়তো উপলব্ধি করতে পারবে না, এর সাথে তুমি কি ধরনের ঘৃণার অভিজ্ঞতা পেতে যাচ্ছ। তারা আমাকে কি ভাবে? তারা কি আমাকে বিচার করে? তারা কি মনে করে, আমি এক সমকামী পুরুষ? তারা কি মনে করে আমি বাছবিচারহীন যৌন সম্পর্কে জড়িত? এবং এ রকম আরো কিছু। এটা দু:খজনক যে একজন এইচআইভি রোগে আক্রান্ত হয়েছে, এটা গুরুতর ঘটনা, এই রকম বিষয়ে তোমাকে উদ্বিগ্ন হতে হবে।

কিন্তু আমি এটি উপলব্ধি করলাম, যে বা যারা এই সমস্ত নিন্দার অভিজ্ঞতা লাভ করে, তাদের সবার অভিজ্ঞতা এক রকম নয়। কারো জন্য এটা খারাপ এবং কারো জন্য জঘন্য। নিন্দার এই ভিন্নতা খুব ছোট মাত্রা থেকে শুরু হতে পারে এবং এইচআইভি আক্রান্তদের এই রোগকে পুরুষ সমকামী রোগ হিসেবে দেখা, সে রকমই একটা বিষয়।

ফিলিপাইনস স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেব মতে ফিলিপাইনসে এইচআইভি এবি সেরোপজেটিভে আক্রান্তদের সংখ্যা অতীতের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে।

জানুয়ারি ১৯৮৪ থেকে জুলাই ২০০৯ সাল পর্যন্ত, দেশটিতে ৪০২১ জন এইচআইভি এবি সেরোপজেটিভের রিপোর্ট করা হয়েছে। যার মধ্য ৩২০৪ (৮০ শতাংশ) লোকের এখনো এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয় নি এবং ৮১৭ জন (২০ শতাংশ) এইডস রোগে আক্রান্ত। রোগাক্রান্তদের বয়স সীমা ১ থেকে ৭২ বছর (গড় বয়স সীমা ৩২ বছর)। যে সব বয়সের মানুষদের সবচেয়ে বেশি এই রোগ রয়েছে তাদের বয়স সীমা ২৫-২৯ বছর (২২ শতাংশ), ৩০-৩৪ বছর (২০ শতাংশ), ৩৫-৩৯ বছর (১৬ শতাংশ)। এই রোগে আক্রান্তদের শতকরা ৭২ জন পুরুষ (২৮৭৯)।

ছবির শিরোনাম: ” এই আলো তোমাকে পথ দেখাবে” ছবি ইয়থ এইডস ফিলিপাইনস এলায়েন্সের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .


বিশ্বের অঞ্চলসমূহ

দেশ

ভাষা

বিশেষ টপিক

লেখাটির সাথে আছে