The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

ককেশাস: মিকেল বোগারের সাক্ষাৎকার

অনুবাদকের ছবি

2009-08-03 @ 14:34 EDT · মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন অনিক ক্রিকোরিয়ান

অনুবাদ করেছেন বিজয় · মূল লেখাটি দেখুন


দেশ:
আর্মেনিয়া, আজারবাইযান, জর্জিয়া
বিষয়:
বাক স্বাধীনতা, সাইবার এক্টিভিজম, মানবাধিকার, যুদ্ধ এবং সংঘর্ষ, যুবা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি
ভাষা:
ইংরেজী
বিশেষ:
ব্লগার প্রোফাইল

 

logoতিনটি সুপ্ত থাকা দ্বন্দ্ব, অনেক জাতিগত সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে দক্ষিণ ককেশাসে প্রায়শই মনে হয় শান্তি এবং স্থায়িত্ব বোধহয় ধরা দেবে না। অনেক বছর এই এলাকায় বাস ও কাজ করার পর মিকেল বোগার এখন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সোশাল মিডিয়ার প্রজেক্ট ম্যানেজার। তিনি গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের সাথে নতুন মিডিয়া টুলগুলো এই এলাকার সমস্যা সমাধানে কতটা সম্ভবনা সৃষ্টি করতে পারে তাই নিয়ে আলোচনা করেছেন ও বিচ্ছেদঘটা প্রতিবেশীদের আবার একত্র করছেন।

দি সেন্টার ফর সোশাল মিডিয়া বা সিএসএমে মিকেল প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন। সিএসএমের হয়ে কাজ করার আগে তিনি ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে জর্জিয়া প্রজাতন্ত্রে আসেন। ভদ্রমহিলা সেখানে জর্জিয়া, আজারবাইযান, আর্মেনিয়া ও তুরস্কের শিল্পীদের সাথে কাজ করেন, ককেশাস অঞ্চলের শিল্প সংগ্রহের উদ্দেশ্য। ককেশাস অঞ্চল সমন্ধে তার প্রথম অভিজ্ঞতা লাভ হয় তখন, যখন তিনি শান্তিরক্ষা বাহিনীর স্বেচ্ছাসেবী কর্মী হিসেবে ২০০৩ সালে আজারবাইযান কাজ করতে আসেন। ২০০৩ সালে উইলিয়ামেট্টে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজির উপর ডিগ্রী নেবার পর মাইকেল আন্তর্জাতিক ও তার সাথে জাতীয় পর্যায়েও শিল্প বিষয়ে এক যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরীর কাজে নেমে পড়েন। মিকেল বর্তমানে আমেরিকান ইউনির্ভাসিটির স্কুল ফর ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস ইন ইন্টারন্যাশনাল পিস এন্ড কনফ্লিক্ট রেজলিউশন বা আন্তর্জাতিক শান্তি ও সংঘর্ষ সমাধান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইযানের মধ্যে টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নগর্নো কারাবাখ নিয়ে দু’টি দেশের মধ্যে অমীমাংসিত এক দ্বন্দ্ব চলছে। যার ফলে দেশ দু’টির মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এই সাক্ষাৎকারে আরজু গেবুলায়েভার এক উদ্ধৃতি রয়েছে যা সম্প্রতি আদনান হাজিজাদে ও এমিন মিলির উপর ঘটে যাওয়া এক ঘটনা নিয়ে। এই দুই ভিডিও ব্লগারকে সম্প্রতি বাকুতে জেল দেওয়া হয়েছে। তার সাথে আলোচনায় উঠে এসেছে দক্ষিণ ককেশাসে শান্তি বজায় রাখা যায় এবং কি ভাবে সংঘর্ষ সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যায়। সাক্ষাৎকারটি নিচে শোনা যাবে।

পডকাস্ট: নতুন উইন্ডোজে শুনুন ডাউনলোড করুন

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .