The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

কাজাখস্তান : সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমের অবক্ষয়

অনুবাদকের ছবি

2009-07-01 @ 19:11 EDT · মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন আদিল নুর্মাকভ

অনুবাদ করেছেন ফয়সল · মূল লেখাটি দেখুন


দেশ:
ক্যাটেগরীবিহীন
বিষয়:
শিল্প ও সংস্কৃতি, প্রচার মাধ্যম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
ভাষা:
রুশ, ইংরেজী

 

আজকের কাজাখস্তানের ব্লগের পরিক্রমা সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমের অবক্ষয়ের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। অবশ্যই এটা রাজনীতির সম্পৃক্ততা ছাড়া নয়। এর সাথে কাজাখস্তানের অন্যান্য বিষয়ও আছে।

মেঘাখুইমিয়াকের মতে [রুশ ভাষায়], কাজাখস্তানের সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রধান সমস্যা হচ্ছে এদের অপ্রাসঙ্গিকতা ও সমসাময়িক ঘটনার প্রতি উৎসাহের অভাব:

আমি প্রহসন আর ব্যাঙ্গকৌতুক, এই ধারাগুলোর কথা বলছি যা সবসময় বর্তমান সময়কে প্রতিফলিত করে। এই মুহুর্তে যেগুলো হচ্ছে আছে সেগুলো সম্পাদনা নীতি ও গতানুগতিক কৌশলের কারণে সীমাবদ্ধ। আমার ব্যাক্তিগত মতামত হচ্ছে, যখন এই দুটো ধারা সক্রিয় হবে, তখন আমাদের সংস্কৃতি পুনর্জীবন ফিরে পাবে।

গণমাধ্যমকর্মী ইহট রাস্ট্রীয় টেলিভিশনর একটি সাপ্তাহিক সংবাদ পরিক্রমার বিশ্লেষণ করেছেন। এ সম্পর্কে তাঁর ধারণা:

আমি নিশ্চিত নই, ৫ মিনিট ধরে খবরের শিরোনাম প্রচার করার বুদ্ধিটা কার! এটা খুবই বেশী বেশী। একজন গড়পরতা দর্শককে কী বলার আছে, যেখানে আমিই বিরক্ত হয়ে গেছি যে কিনা ইচ্ছাকৃতভাবে খবর দেখতে গিয়েছে! শিরোনাম শেষ হওয়ার আগেই আমি টিভি বন্ধ করে দিয়েছি।

এ-স্ট্রেকোজাও দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির উপর নির্মিত সিনেমার প্রধান চরিত্রের সাইট থেকে ডাউনলোড করে সিনেমাটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।

এটা ছিল একটা বিপর্যয়। চিত্রগ্রাহকের কাজ নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু পুরো ছবিটা ছিল নির্লজ্জ চাটুকারিতা এবং বাজে নেপথ্য কন্ঠের পঠিত করুণ ও কষ্টকল্পিত পান্ডুলিপির বন্য সংমিশ্রণ। ভাবছি কে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ধরণের সিনেমা দেশের এবং রাষ্ট্রপতির ভাবমূর্তির উন্নয়নে সাহায্য করবে ?

কারাগান্ডা শহরে এনিমেশন ভক্তদের এক সমাবেশে অংশগ্রহণ করার পর কাউন্ট-এসাইলাম তার চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ করেন। সেখানে যেটা হয়েছিল সেটা হলো, পুলিশ জাপানীজ এনিমেশন আর্টের তরুণ ভক্তদের উপর কড়া নজরে রাখছিল। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ভয় পাচ্ছিল যে তারা হয়তো অনুমোদনবিহীন কোন সভার জন্য জড়ো হচ্ছিল:

আরো নাটকীয় করার জন্য এই গল্পের উপর করুণ রস এবং অতিরঞ্জনের প্রলেপ দেওয়া জরুরী ছিল। অনেকটা এরকম - “যখন তারা বিরোধী পত্রিকাগুলোর উপর ঝাপিয়ে পড়ল, আমি কিছুই বলিনি - আমি ওয়েবে খবর পড়ি। যখন তারা ঝানিয়ানভকে জেলে নিল, তখনও আমি কিছু বলিনি - আমি তখন স্কুল ছাত্র ছিলাম। যখন তারা লাইভজার্নাল ব্লক করলো, তখনো আমি প্রতিবাদ করিনি - আমি অ্যানোনমাইজার সম্বন্ধে জানতাম। কিন্তু যখন তারা এনিমেশন ভক্তদের পিছনে লাগল, প্রতিবাদ করার জন্য কেউ সেখানে ছিল না।”

নিউইউরোএশিয়াতেও এটি প্রকাশিত হয়েছে।

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ করা হয়েছে।