The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

হাইতি: স্কুল ধসে গেছে

অনুবাদকের ছবি

2008-11-13 @ 16:40 EST · মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন জানিন মেন্ডেজ-ফ্রান্কো

অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান· মূল লেখাটি দেখুন


দেশ:
হাইতি
বিষয়:
দুর্যোগ, ত্রাণ ও উদ্ধারকার্য
ভাষা:
ইংরেজী

 

হাইতির যে আর একটা ট্রাজেডির সামলানোর সামর্থ নেই এই বাস্তবতা সত্বেও নতুন একটা আঘাত এসেছে। এইবার পেশনভিলে একটি স্কুল ধসে গেছে যাতে শত শত বাচ্চা নিহত হয়েছে আর অসংখ্য আহত হয়েছে। হাইতির ব্লগাররা দ্রুতই তাদের সহানুভুতি জানিয়েছে আর সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে।

হাইতি ইনোভেশন বলেছে:

কিছু কিছু দুর্যোগের ভবিষ্যৎবাণী করা যায়। প্রত্যেক হারিকেন মৌসুমে, আমরা ধারণা করতে পারি যে হাইতি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড়ের কবলে পড়বে। আর কিছু করা যায়না যেমন পেশনভিলে স্কুল ধসে পড়া ছিল আকষ্মিক একটি ট্রাজেডি। সাধারণত যেমন হয়ে থাকে কমিউনিটি দ্রুতই সাড়া দিয়েছে। তারা যতদুর সম্ভব পাথর ও ধ্বংসাবশেষ সরিয়েছে কিন্তু ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে উদ্ধারকার্য বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

লাইভ সে হাইতি ওয়েবলগ জানিয়েছে যে ধ্বংসাবশেষে বাচ্চারা আঁটকে আছে আর মানুষের কাছে আঁকুতি জানিয়েছে তারা যেন ‘সংশ্লিষ্ট সকলে জন্য প্রার্থণা' করে। যেমন পুজে স্পেওয়া বলেছেন যে যিনি দেখেছেন উদ্ধার কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ‘স্কুলকে ঘিরে থাকা বস্তি আর একটা খাঁড়া উপত্যকার জন্যে আর দেশে একটা সংগঠিত উদ্ধার কাঠামো না থাকার কারনে।”

পুজে স্পেওয়া আর একটা পোস্ট লিখেছেন মারিয়েলা দেলিস্কা নামে একজন নিহতের স্মরনে:

তার বয়স মাত্র ১৯ বছর ছিল আর সে নিক ককমিচ (নিকো) এর ভালো বন্ধু ছিল যে আমাদের সাথে কয়েক বছর আগে কাজ করেছিল। নিক এখন পোট-অ-প্রিন্সে আছে কানেক্টিকাটের নরউইচের ডাওসেসের একটা চার্চের দায়িত্বে। মারিয়েলা নরউইচ পরিবারের সদস্য ছিল আর গভীরভাবে তার অভাব অনুভুত হবে। আমাদের প্রার্থণা তার পরিবার, বন্ধু আর অন্য সকলের জন্যে যারা এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় তাদের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়েছে। এখন শোনা যাচ্ছে ৮২ জন মারা গেছে।

স্কুলের পাহাড়ের নীচে বসবাসকারী দ্যা ব্লেশ ফ্যামিলি স্বীকার করেছে যে পরিস্থিতি ‘ভয়ঙ্কর' আর আরএইচএফএইচ রেস্কিউ সেন্টারের একজন কাছের বন্ধু আছে ‘যে গিয়ে দেখতে পেরেছিল যে কি হচ্ছে':

সে জানিয়েছে যে ৪৭ জনের একটা ক্লাসের ৪৫ জনই মারা গেছে। সে দেখেছে মূল বাড়ি থেকে মৃতদেহ বের করে নিয়ে যেতে। তারা মৃতদেহ পিকআপ ভ্যানের পিছনে রেখে যাচ্ছিল। আজকে আমরা রেডিওতে শুনেছি যে মৃতের সংখ্যা মাত্র ৮০ এর মতো। স্কুলে অন্তত ৫০০ জন ছাত্র ছিল।

এর মধ্যে, দ্যা হাইতিয়ান ব্লগার দু:খিত ছিল যে জাতিসংঘ পরিস্থিতি ‘সুস্থির' করার জন্য টাকা দিচ্ছিল কাঠামোর উন্নয়নের জন্য না দিয়ে:

আমার জন্মস্থান পিশন-ভিলা, হাইতি। হাইতির রাজধানী পোট-আ-প্রিন্সের একটা উপশহর এটা। ‘লা প্রমেজে' (প্রতিশ্রুতি) নামে স্কুলে পিশন ভিলাতে একটা তিনতলা স্কুল গতকাল মধ্যাহ্নে ধসে গেছে। পুরো বাড়ী ধসে গেছে। ৫০০-৭০০ জন ছাত্র ছাত্রী যারা কিন্ডারগার্টেন থেকে হাই স্কুল পর্যন্ত শুক্রবার ক্লাস করছিল তাদের উপরে কংক্রিটের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে।

অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। এখন হাইতিবাসী তাদের খালি হাত দিয়ে খুঁড়ছে আর রাত ভরে কাজ করছে শত শত যারা ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েছে তাদেরকে বের করার জন্য।

জাতিসংঘ যখন হাইতি দখল করে, হাইতির প্রেসিডেন্ট আরো বেশী ট্রাক্টর আর বুলডোজার চেয়েছিলেন হাইতির কাঠামো নির্মাণের জন্য, ট্যাঙ্ক আর বন্দুক তিনি চান নি। এখন হাইতিতে ৯০০০ এর বেশী জাতিসংঘের বাহিনী আছে। জাতিসংঘের হাইতিকে সুস্থির করার মিশন (মিনুস্তাহ) এক বছরের বাজেট অনুমোদন করেছে (১ জুলাই ২০০৮-৩০ জুন ২০০৯) ৬০১.৫৮ মিলিয়ন ডলার (দেখুন হাইতি মিনুস্তাহ সংক্রান্ত তথ্য)।

এটা প্রতি মাসে ৫০.১৩ মিলিয়ন ডলার, আর প্রতি দিনে ১.৬৪ মিলিয়ন ডলার।

গতকাল যদি হাইতিতে বেশী বুলডোজার থাকতো , আরো বেশী বাচ্চাকে বাঁচানো যেত।

মন্তব্য করুন: