The Global Voices Lingua project hopes to bring GV content to new linguistic audiences - Details

Also in:

ভারত: থিয়েটার নিয়ে সব কিছু!

অনুবাদকের একটি ছবি

2008-07-23 @ 14:39 UTC · মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন জাভিতস রাজেন্দ্রন

অনুবাদ করেছেন রেজওয়ান· মূল লেখাটি দেখুন


দেশ:
ভারত
বিষয়:
শিল্প ও সংস্কৃতি, বিনোদন
ভাষা:
ইংরেজী

 

একদল আইটি কর্মী সারা সপ্তাহের কাজের চাপের পরে সপ্তাহ শেষেও নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখছে। তারা থিয়েটার নিয়ে মুগ্ধ। ‘রেবেলজ‘ নামে পরিচিত এই দল একটা উদ্দেশ্য নিয়ে গঠন করা হয়েছিল - তা হচ্ছে চেন্নাইতে মানসম্পন্ন ইংরেজী নাটক দেখানো, আর অবশ্যই মজা করা।

রেবেলজএকজন সক্রীয় কমী ভিনোদ, নিজেকে বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেয়া এই আবেগগুলো থেকে কিছুতেই আলাদা করতে পারছে না। সে লিখেছে:

“সপ্তাহ শেষে একত্র হয়ে আমরা আমাদের চেষ্টা করি মহড়ায় খুব ভাল করতে। ডায়ালগ মুখস্ত করা, শব্দের ব্যাপারে আলোচনা করা, পোশাক পরিকল্পনা করা, আর আমাদের দৃশ্যগুলোর মহড়া করা। পাতার পর পাতা ডায়ালগ তাদেরকে মুখস্ত করতে হয় যারা অন্য দিন লাইনের পর লাইন কোড টাইপ করে। দৃশ্যের মধ্যে কফি আর কোলা আমাদেরকে জাগিয়ে রাখে। একে অপরের সাথে ঠাট্টা করে আমরা সক্রিয় থাকি, কারন মানুষকে হাসানোর কঠিন কাজ আমরা নিয়েছি।”

তাদের পরের নাটক ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন এরাবিয়া‘ এর সময় ঘনিয়ে এসেছে আর তারা ওভারটাইম কাজ করছে এর সফলতার জন্য যা তামিল নাড়ুর চেন্নাইতে জুলাই ২৬ আর ২৭ তারিখে মঞ্চস্থ হবে। যদি তখন আপনি চেন্নাইতে থাকেন আর নাটকটা দেখতে চান তাহলে টিকেটনিউ তে টিকিট পাবেন।

নাটকব্যাঙ্গালোর থেকে দীপা সম্প্রতি ‘দ্যা উয়েমেন এই মি' নাটকটি দেখার পর বলেছেন যে এটি একটি ‘গভীর আর মনকাড়া নাটক'। এমন এক লোককে নিয়ে এর গল্প গাঁথা যার স্ত্রী মারা গেছে আর সে খুব বিচলিত হয়ে তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে। ‘প্রত্যেক পুরুষের মধ্যে একজন নারী আছে অথবা এর উল্টোটিও' – এই ধারনার উপর এটি নির্মিত। মেটব্লগে এই নাটকের রিভিউতে, দীপা লিখেছে যে সে অবাক হয়েছে একটি দৃশ্য বোঝানোর জন্য শুধু ছায়ার ব্যবহার দেখে আর পরবর্তী দৃশ্যে দ্রুত ডায়ালগ পরিবেশনের বৈচিত্রতায়।

“এই নাটক আমাকে বিচলিত করেছে আর ভাবতে বসিয়েছে; আমি খুবই মুগ্ধ যে এতো কম বয়েসের কেউ পুরুষ আর নারীর মনস্তত্বের গভীরে ঢুকতে পেরেছে আর এমন ছোট ছোট ব্যাপার তুলে ধরেছে যেখানে একজন পুরুষ তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করার সময় তা বুঝতে পারেনা…।“

তানিয়া বেহেরা আলিয়ঁস ফ্রঁসে দো বেঙ্গালোরে দেখানো ‘লখনৌ ৭৬' নামে নাটক সম্পর্কে বলেছেন তার ব্লগ রিমেইনকানেক্টেড এ:

“নাটকের বিষয় রাজনীতি আর ইতিহাস নির্ভর, যা ১৮৭৬ আর ১৯৭৬ সাল এই দুই কালের মধ্যে যাতায়াত করেছে এবং লখনৌর একজন সাধারণ লোকের দৃষ্টিতে পুরোটা দেখা হয়েছে। ১৮৭৬ সাল ব্রিটেনের জন্য মাইলফলক ছিল যেহেতু ওই বছর রানি ভিক্টোরিয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে ক্ষমতা নিয়ে নেন। ১৯৭৬ সালও গুরত্বপূর্ণ কারন ওই সময় একদা গর্বিত গণতান্ত্রিক ভারত ইন্দিরা গান্ধীর একনায়কতন্ত্রের কবলে ছিল যিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন জরুরী অবস্থা জারি করেছিলেন।”

তিনি আরো তথ্য দিয়েছেন কেন নাটকটির নাম লখনৌ হয়েছে দিল্লি বা কোলকাতা না হয়ে:

“তাহলে কেন লখনৌ আর কেন বম্বে, মাদ্রাজ, দিল্লি বা কোলকাতা না? কারন নাটকের লেখক আর পরিচালক অভিষেক মজুমদার (এ এম) তার ছেলেবেলার কিছু অংশ এই শহরে কাটিয়েছেন। লখনৌতে তার ভ্রমনের সময় একটি পুরানো বাংলোতে থাকাকালীন তার ভুতত্ব আর ইতিহাসের পন্ডিত চাচা তার মন ভরিয়ে দিয়েছিল বিভিন্ন গল্প আর ঘটনা দিয়ে।”

হিম ভানিতে প্রকাশিত ‘সিমলার সংকট: থিয়েটার আর নাটক এর অভাব‘ এই লেখায় গিতালি তারে চান সিমলার জন্য নীচের জিনিষগুলো:

চলচিত্রের মতো নাটক নিস্ক্রিয়, একপেশে বা আগের থেকে ঠিক করা কোন অভিজ্ঞতা না। চলচ্চিত্রের মতো নাটকেও মহড়া হলেও।একবার নাটক শুরু হলে থিয়েটার কর্মীর আর একটা টেক দেয়ার সুযোগ থাকে না - ডায়ালগ পুনরায় জোর দিয়ে বলার সুযোগ থাকে না: যা বলা হয়ে গেছে তা তো বলা হয়ে গেছে। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া অভিনয়ের উপর প্রভাব ফেলে। বক্তার বলার উন্ষতা দশকের কাছে গিয়ে পৌঁছায়, শিল্পীর চোখে অশ্রুর ঝিলিকে দর্শক সাড়া দেয় তৎক্ষনাত। একজন ভালো অভিনেতা তার কন্ঠ, বলার ধরন, ইশারা আর পোশাক দিয়ে সমর্থ হয় একটা জগৎ তৈরি করে দর্শককে সেখানে নিয়ে যেতে। অভিনেতার শক্তি সঞ্চারিত হয়ে মঞ্চের জায়গাগুলো ভরিয়ে দেয় যেখানে দর্শকরাও বসে থাকে। শক্তি একজন থেকে আর একজনের দিকে প্রবাহিত হয়। দর্শকরা প্যায়ারেলালের কাজের অবহেলার কারনে মহাত্মা গান্ধীর কষ্ট বুঝতে পারে, তারা আম্রিতার জন্য জুলফির গভীর টান অনুভব করতে পারে, তারা ধাঞ্জিসা বাটলিওয়ালার সাথে হাসে আর মাধুকার কুল্কার্নির সাথে শ্লেষে যুক্ত হয়।

নাসিরুদ্দিন শাহ, কে কে, দিনেশ ঠাকুর, আউল কুল্কার্নি, শাবানা আজমি, বোমান ইরানি, মেহেরবানু মোদি কোতোয়াল, রাহুল দা চুনহা, ফিরোজ খান, সঞ্জানা কাপুর, শেরনাজ পাতেল, রাজিত কাপুর, জয়াতি ভাটিয়া, তারা আপনাকে তাদের দুনিয়া আর অভিজ্ঞতায় প্রবেশ করতে দেয়, দুই ঘন্টার মধ্যে, অনেক উত্থান পতন, খুশি আর কষ্ট, একটা পুরো দুনিয়া অনুভব আর ঘটনার।

আমি এটা শিমলাতে চাই। আমি এটা শিমলার জন্যে চাই।

মুম্বাই থিয়েটার গাইড একটা নিবেদিত সাইট যেখানে থিয়েটারের রিভিউ আর মুম্বাইতে হওয়া থিয়েটার সংক্রান্ত ঘটনার উল্লেখ থাকে।

এই পোস্টের লিন্কগুলো যোগাড়ে সহায়তা করেছেন রম্যসন্ধ্যা

মূল লেখাটি পোস্ট করেছেন জাভিতস রাজেন্দ্রন

জবাব দিয়ে যান